নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জানা ও জানানোর জন্যই বেচে থাকা। জীবন তো শুধুই কিছু মুহূর্তের সমষ্টি।

জিএমফাহিম

জানা ও জানানোর জন্যই বেচে থাকা। জীবন তো শুধুই কিছু মুহূর্তের সমষ্টি।

জিএমফাহিম › বিস্তারিত পোস্টঃ

মানবতার স্বপ্নের সুন্দর পৃথিবী মনুষ্যহীন

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:১৩

স্বপ্নদ্রষ্টার অভাব নেই ইতিহাসে। কল্পনার সুন্দর ও ন্যায়ের পৃথিবীকে এরা তাদের লেখা ও কথায় বলে গিয়েছে, বলে যাচ্ছে। ইউরোপের নবজাগরণের সময় নতুন আদর্শগুলো একক শত্রু ছিল সামন্তবাদ। ধীরে ধীরে সামন্তবাদের পতন ঘটার সাথে সাথে সেই নব আদর্শগুলোই একে অপরের চরম দুশমন হওয়া শুরু করলো। আজকের বামপন্থী বা ডানপন্থী বলি, স্বৈরপন্থী বা উদারপন্থী বলি; আদর্শের ঘাত-প্রতিঘাতে যেপক্ষ ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে পেরেছে আর নিজেদের প্রপাগান্ডামেশিন সফলভাবে চালিয়ে যেতে পেরেছে; তারাই আজ বিশ্বশক্তি। যথার্থতার প্রশ্ন কখনই ছিল না।

পৃথিবীর সকল রাজনৈতিক আদর্শ বিশ্বাস আর প্রয়োগের উপর প্রতিষ্ঠিত। ফ্যাসিবাদী, নাৎসিবাদিরা জাতিগত আধিপত্যবাদে বিশ্বাস করতো; ফলে তাদের ভূখণ্ড থেকে তাদের মতে যারা নিম্নজাতি তাদের দমনের নীতি প্রয়োগ করে। অনেক বিলিফ সিস্টেম জাতিবাদে না বরং বিশ্বাসী আধিপত্যবাদে বিশ্বাস করেছে। ফলে ভিন্ন মতাদর্শী দমন, নিপীড়ন, বৈষম্য, অসমঅধিকার চর্চা হয়েছে। অর্থনীতির আদর্শে যদি আসি; সাম্যবাদীরা ক্ষমতাকে জনগনের হাতে সমর্পণ করার নীতি ওজুহাতে ব্যাক্তিসত্ত্বাকে অবমূল্যায়ন করে শেষে আরেক প্রজাপীড়নের জন্ম । অন্যদিকে পুঁজিবাদের প্রয়োগ ব্যবধান বাড়িয়েই চলছে; ফলে শত কোটি মানুষ ৩ বেলার খাবার না পেলেও লক্ষলক্ষ টাকা দিয়ে এক চামচ কেভিয়ার খাওয়ার লোকের অভাব নাই। হ্যাঁ, এইসবের ব্যাতিক্রমও আছে, তবে ক্ষমতার দণ্ডে তাদের বিলুপ্তির নজিরই বেশি। বিগত কয়েক বছর ধরে ঘোর-বাম পন্থা ও ঘোর ডাম পন্থা সংবাদ মাধ্যমে খুব বেশি দেখছি। নব-নাৎসিবাদ, চাউভিনিজম, নৈরাজ্যতান্ত্রিক-সাম্যবাদ, নৈরাজ্যতান্ত্রিক- ধনতত্ত্ব, ধর্মতান্ত্রিক থিয়োনমি ইত্যাদি। বেশ সময় ধরে তাদের আদর্শগুলো খেয়াল করছিলাম।

যা বুঝলাম; সমস্যা আসলে আদর্শে কম, মানুষে বেশি। আমাদেরদের অতিবুদ্ধিমান বলা হয় , অথচ আমরা এতটাই ত্রুটিপূর্ণ যে কোন পলিটিক্যাল সিস্টেম আমাদের ঠিক মত হজম হয় না। আমাদের কোন কিছু বিচার বিশ্লেষণ করার কৌশল ও প্রক্রিয়া এতটাই ভিন্ন যে একটা বেসিক লাইন থেকে ১০টা মানুষ ৭টা উপসংহারে যায়। যেকোনো তত্ত্বের সফল প্রয়োগের জন্য অধিকাংশ মানুষের মনন ও অনুশীলনের সাদৃশ্য থাকা জরুরি। কিন্তু আমরা আদর্শিকভাবে এতই গোঁজামিল যে আমরা নিজেদের হাতেই নিজেদের ও চারপাশের ধ্বংস ডেকে আনছি। সেই স্বপ্নদ্রষ্টাদের আজ জগতে কিছু সময়ের জন্য আনা হলে তারা আমাদের চরম কুবচনেই সম্বোধন করবে।

আমার মনে হয়, মানবজাতির "Happliy Ever After"র স্বপ্নটা আসলে রূপকথায় মানায়। বিশ্বব্যাপী লাস্যে- ফেয়ার, বিশ্বব্যাপী সাম্যবাদি সমাজ, শ্রেণিসমাজ, জাতিসমাজ, বিশ্বব্যাপি খিলাফত, বিশ্বব্যাপি স্বৈরতন্ত্র, থিয়োনমি এইসব বাদ -বিবাদে যখন মানবজাতি বর্বাদ হয়ে যাবে ঠিক তখনই কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের অনিবার্য বিলুপ্তি এনে সুন্দর ও ন্যায়ের পৃথিবী তৈরি করবে।

মানবজাতির শেষ Irony, মানবতার স্বপ্নের সুন্দর পৃথিবী আসলে মনুষ্যহীন।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


আংশিকভাবে সঠিক

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৪৬

জিএমফাহিম বলেছেন: শুধরাইতে চাই। কোনটা ভুল?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.