নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পাঠক।

জুনায়েদ বি রাহমান

আমার ভিতর বাস করে এক অস্থির বেনামি বাউণ্ডুলে পাখি; যার কাঙ্ক্ষিত কোনো গন্তব্য নেই।

জুনায়েদ বি রাহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

সংবাদভিত্তিক শীর্ষ ৫টি টিভি চ্যানেলের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি এবং ৭১ ও ডিবিসি\'র নির্লজ্জ হলুদ সাংবাদিকতার পেছনের কারণ

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:৪৭


ইনডিপেনডেন্ট টিভি
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক দরবেশ বাবা খ্যাত সালমান এফ রাহমানের মালিকানাধীন টিভি চ্যানেলটি ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করে। এম শামসুর রহমান চ্যানেলটিতে সিইও অ্যান্ড এডিটর-ইন-চিফের দায়িত্বে আছেন।

৭১ টিভি
সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও মেঘনা গ্রুপের মালিকানাধীন চ্যানেলটি ২০১২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। সাংবাদিক মো. বাবু চ্যানেল'টির সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু এবং এই চ্যানেলটির জন্ম সম্পর্কে জানতে সামুর ব্লগার জ্বীনের এই ব্লগটি দেখতে পারেন। Click This Link

এটি এন নিউজ
এটি মাহফুজুর রাহমানের মালিকানাধীন এটিএন বাংলার একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। চ্যানেলটির সিইও হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন ফিরোজ সরকার এবং পরিচালনা করছেন মুন্নী সাহা।

সময় টিভি
গুগোলে পাওয়া তথ্যানুযায়ী শুরুতে যৌথভাবে চ্যানেলটির মালিক ছিলেন আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলামের ভাই মোরশেদুল ইসলাম, বর্তমান পরিচালক সাংবাদিক আহমেদ জুবায়ের, নিয়াজ মোরশেদ কাদেরি এবং তুষার আব্দুল্লাহ। ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করে ৮ মাসের মাথায় তারা(মালিক'রা) ৫০ শতাংশ শেয়ার সিটি গ্রুপের কাছে বিক্রি করেন। ফলে চ্যানেলটির বর্তমান চেয়ারম্যান সিটি গ্রুপের ফজলুর রহমান।

ডিবিসি
চ্যানেল'টি ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী চ্যানেলটির চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে শহীদুল আহসান এবং প্রধান সম্পাদক হিসেবে মঞ্জুরুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করছেন।


পক্ষপাতিত্বের সম্ভব্য কারণঃ

আমাদের দেশের সরকার পরিবর্তন হওয়ার সাথে রাস্তার টং থেকে শুরু করে বড়বড় গাড়ি-বাড়ি, চ্যানেল ফেনেল সব কিছুতেই পরিবর্তন আসে। বিরোধীরা কোনরকম নিজেদের অবস্থান থেকে লেজ গুটিয়ে কেটে পড়ে। শুরু হয় সরকার দলের ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, চোর ছেচ্চড়দের রাজত্ব। আওয়ামী সরকারের ছত্রছায়ায় বেড়েওঠা এমন একজন ছিচকে সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু। আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার পরই তিনি পেয়েছে একটি টিভি চ্যানেল।
হ্যা, মোজা. বাবুর টিভি চ্যানেল ৭১ টিভি অনুমোদন পায় ২০০৯ সালে। ৭১ টিভি নামটি অনৈতিকভাবে দখলের অভিযোগ আছে মোজা বুবুর উপর। গোগলের কল্যাণে উনার অতীত-বর্তমান সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পারলাম। আসলে উনি অন্ধ, দলকানা, চাটুকার টাইপের একজন বিবেকহীন মানুষ। ৭১'রের চেতনা বিক্রি করে করেই আজকের এই অবস্থান গড়েছেন। সিনহার দুর্নীতির প্রসঙ্গে একদিন উনাকে দেখে এর্টেনি জেনারেল নাকি বলেছিলেন- "এটা তো আরও বড় ক্রিমিনাল, এটাকে আস্তে ধীরে দেখতে হবে।" জেনারেল সাহেব ঠিকই বলেছিলেন, এই মানুষটা বড় মাপের একটা ক্রিমিনাল। আওয়ামীলীগ ক্ষমতা হারালে উনিও হারাবেন কোটি টাকার সংবাদ বিজনেস। হলুদ সাংবাদিকতার অপরাধে জেলও খাটতে হতে পারে। সুতরাং, সরকারের পরিবর্তন তিনি কোন অবস্থাতেই চাইবেন না। ফারজানা রূপাসহ উনার অধীনে যারা কাজ করছেন তারা সবসময় উনাকে খুশি করতে চাইবেন- এটাই স্বাভাবিক।


"ডিবিসি নিউজ" নামক চ্যানেলটির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সুবাহান এবং পরিচালক শহিদুল আহসান। এই শহীদুল আহসান কিছুদিন আগে দুর্নীতির দায়ে মার্কেন্টাইল ব্যাং‌কের পরিচালক থেকে অপসারিত হয়েছেন। প্রধান সম্পাদক মঞ্জুর ইসলামের কর্মকাণ্ডও তেমন ভালো নয়। সরকার পরিবর্তন হলে তারা তাদের অবস্থান হারাবেন। ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি'r চেয়ারম্যান সালমান এফ রাহমানের কোটি কোটি টাকার বিজনেস লাটে উঠবে। কেউকেউ জেলে পচবে, কেউকেউ দেশ ছেড়ে পালাবেন। এটিএন নিউজের মুন্নি সাহা, সময় টিভির আহমেদ জুবায়ের সহ অন্যান্যরা প্রথম কয়েকদিন নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকবেন; তারপর আস্তে আস্তে ক্ষমতাসীনদের চাটুকারিতা শুরু করবে। ইহাই বাংলাদেশের সংবাদ মিডিয়ার মূল চরিত্র।


(বি.দ্রঃ পোস্টের যাবতীয় তথ্য যথাসম্ভব যাচাইবাছাই করে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তবুও ভুল-ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টি দেখবার অনুরোধ থাকলো। )

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


পেছনের বেঞের লোকজন চাকুরী না পেলে, কিভাবে কিভাবে পত্রিকা, মন্ত্রিকা, টিভি, মিভি, হিবিজিবিতে কাজ শুরু করে, এরাই আমাদের সাংবাদিক।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫১

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: সহমত। সুশাসন বা জনগণের অধিকার নিয়ে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের কলম বা মুখ চালাতে খুব একটা দেখা যায় না।
তাঁরা চাটুকারিতা নিয়েই ব্যস্ত।
দেশের উন্নয়নে তারা কতটা ভূমিকা রাখতে পারেন, সেটা অনুধাবন করতে তারা ব্যর্থ।

২| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৭:৪২

সিগন্যাস বলেছেন: আমার মনে হয় বাঙালিরা না পেরে এইসব চ্যানেল দেখে। গাজী সাহেবের কথাই ঠিক। যারা ভাল কিছু করতে পারেনা তারাই সাংবাদিকতা পত্রিকাতে যোগ দেয়। কিছুদিন পরে বাঙালি পুরুষরাও মেয়েদের মতো জলসা দেখা করবে এদের অত্যাচারে।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৩

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: বাংলাদেশের মানুষ এসব তেমন দেখে না। যারা দেখে, তারা সুযোগ পেলেই এইসব সাংবাদিকদের গালাগালি করে। আর এটাই তাদের (হলুদ সাংবাদিকদের) প্রপ্য।

৩| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:২৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হলুদেরও লজ্জ্বা আছে- এরা যা করছে তা লাল সাংবাদিকতা হয়ে গেছে!

নূন্যতম লজ্ব্বা, নৈতিকতা, দেশপ্রেম আমজনতার প্রতি দায় রেখে যখন স্বার্থপরতা করে তাই হলুদ
আর এরাতো পুরোপুরি বেহায়া, মিথ্যাবাদী এবং চাটুকারীতার নিম্নতম স্তরে নেমে গিয়ে
আমজনতার চাওয়া, দেশ আর স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বেরই বিরোধীতায় পর্যন্ত প্রতিযোগীতায় লিপ্ত
কে কার চেয়ে বেশী করতে পারে!

একসময় জনতার কাঠগড়ায় দাড়াতে হবে সবাইকে
আত্মার কথা বাদই দিলাম কারণ সে জিনিষ তো তাদের নাইই!!!

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৫

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন:
ঠিক বলেছেন। এরা অতিরিক্ত করছে। স্পেশালি, ৭১ টিভি। এই একাত্তর টিভির মতো দলকানা টিভি চ্যানেল দেশে আর একটাও নেই।
তুলনায় গেলে আওয়ামী নেতাদের মালিকানাধীন ইন্ডিপেন্ডেন্ট, সময়, ডিবিসি এই ৭১ টিভি থেকে অনেক অনেক অনেক ভালো।

জনতার কাঠগড়ায় তাদের অবশ্যই দাঁড়াতে হবে। আর সেই সময়টা সন্নিকটে।

৪| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৩৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপাতত গ্যালারিতে বসলাম। এই ব্লগে মিডিয়ায় চাকুরি করা প্রচুর ব্লগার আছে।তাদের বক্তব্য পড়তে বিশেষভাবে আগ্রহী।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৬

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: তাদের বক্তব্য শুনতে আমিও আগ্রহী। দেখা যাক কেউ কিছু বলেন টলেন কি না!

৫| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৪১

কলাবাগান১ বলেছেন: দৈনিক সংগ্রাম/এনটিভি এরা হল বাংলাদেশের একমাত্র নিরপেক্ষ পত্রিকা/টিভি...একেবারে নিস্পাপ...তারা কখনও চাদে সাঈদী কে দেখেনি দেখবে ও না তার হলুদ /লাল সাংবাদিকতা কি জিনিষ জানেও না

আপনাদের বিপক্ষে গেলেই হলুদ/লাল সাংবাদিকতা.....



২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:০০

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: দৈনিক সংবাদ, নয়া দিগন্ত, আমার দেশ; দিগন্ত টিভি, ইসলামি টিভি, চ্যানেল নাইন এইগুলা বিএনপি পন্থি এতে সন্দেহ নেই। দিগন্ত টিভি, ইসলামি টিভি, চ্যানেল নাইনসহ কয়েকটি তো সম্প্রচার আইনের খপ্পরে পড়ে অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গেছে।

আপনি এটিএন বাংলাকে নিরপেক্ষ বলছেন! সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যার বিচারের দাবীতে করা মানববন্দনগুলোতেও প্রায়ই এটিএনবাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে প্রায়ই গ্রেফতারের দাবী করা হইতো। এখনো হয়।সরকার পরিবর্তিত হলো সেটা আরো জোরদার হবে।

আপনি অবশ্য সাদেক হোসেন খোকার বাংলা ভিশনের উদাহরণ দিতে পারতেন।

৬| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:৩৫

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: সৎ সাংবাদিকরা দেশের সম্পদ। কিন্তু এখনকার দলকানা, চাটুকারেরা, দেশের গর্বেজ। X(

পোস্টে লাইক।
আজকাল(অতিতেও ছিল) অন্ধ, দলকানা, চাটুকার টাইপের বিবেকহীনেরা ৭১'রের চেতনা বিক্রি করে নিজেদের অবস্থান গড়তে ব্যস্ত।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:০১

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: সহমত।

৭| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:৩৯

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন:

পুনশ্চঃ
নিষ্ঠার সাথে সাংবাদিকতা করা অনেক রিক্স। এতে সরকারী ও বিরোধী দলের চক্ষুশূল হতে হয়। সুবিধাবাদীদের কথা আলাদা।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:০৩

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: ঠিক। সত্যের পক্ষে অবস্থান নিলে আরো বেশি বিপদ। আর দেশের বেশিরভাগ মানুষই চাটুকারিতা পছন্দ করে। তারা চায় প্রতিটা মানুষই সরকারের পক্ষে বা বিপক্ষে- যেকোনো এক পক্ষে অবস্থান নিক। মধ্যখানে অবস্থানকারীদের মুনাফেক মনে করে।

সরকার ও বিরোধীদলের যথাযথা সমালোচনা করলেও মনে করে সুবিধাবাদী অবস্থান নেওয়া হচ্ছে।

৮| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৫৬

শিখণ্ডী বলেছেন: এটা খুব সহজ হিসাব, যেহেতু দেশের অধিকাংশ মানুষ আওয়ামী লীগের চামচা তাই টিভিগুলোও এথেকে বাইরে নয়। দিনকাল কয়জনে পড়ে? মিডিয়াকে টিকে থাকতে হলে দেশের অধিকাংশ মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। ওরা সেটাই করছে।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:০৫

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: তারা সাধারণ মানুষের মতামত গুরুত্ব দিচ্ছেন কি না সেটা তাদের চ্যানেলের সোশ্যাল পেইজগুলোর কমেন্ট এরিয়ার চোখ রাখলে দেখা যায়। আপনি সময় করে দেখে নিয়েন।
আর বর্তমান মিডিয়াতে টিকে থাকতে হলে জনগণের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন বিতর্কি কর্মকাণ্ডের সাথে সাথে ক্ষমতাসীনদের চাটুকারিতা।

৯| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:২৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
অন্ধ, দলকানা, চাটুকার বলা হলেও এদের অনুষ্ঠানেই বিএনপি নেতারা বেশী যায়।
মুলত এই দলকনারাই বিএনপিকে এখনো বাঁচিয়ে রেখেছে।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:০৭

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: বিএনপি একটা বেকুবের কারখানা। এরা রাজনীতি বুঝে না, বুঝলে এদের এই অবস্থা হইতো না।
তারা সংসদ, নির্বাচন এসব বয়কট করে চড়া মূল্য দিয়েছে, দিচ্ছে। এখন ভাবছে, মিডিয়া ছাড়লে সব হারাতে হবে। অথচ, এখন তাদের উচিত ৭১ টিভির মতো দলকানাদের বয়কট করা।

১০| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: হলুদ সাংবাদিকতা না করে উপায় নাই।
কর্তার ইচ্ছায় কর্ম।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৪৫

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

যারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন তারা পরিচালককে খুশি রাখতে চাইছেন, আর যারা পরিচালকের দায়িত্বে আছেন তারা মালিককে।
মালিক সরকারকে....

নিরপেক্ষ সংবাদ সম্প্রচারের সুযোগ বা উপায় তাদের সামনে নেই।

১১| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৫:০৮

বিদ্যুৎ বলেছেন: হলুদ সাংবাদিকতা সব সময় থাকবে। এরা এমনি একটি চক্র যে, যারা ক্ষমতায় যাবে তাদের হয়েই কাজ করবে। তবে আপনি যে বলেছেন সরকার পরিবর্তন হলে এদের জেল জুলুম বা অনেক কিছু হারাতে হবে, এটা আমার মনে হয় হবে না কারণ যাহারা ক্ষমতায় যাবে তাদের এইরকম পা চাটা নির্লজ্জ হলুদ সাংবাদিক লাগবে তাদের উন্নয়নের কনসার্ট প্রচার করা আর বিরোধীদের নাকানি চুবানি করার জন্য। সেই ক্ষেত্রে এরাই হয়ত থেকে যাবে এই পা চাটা নির্লজ্জ প্রতিযোগিতায়। ফালু এবং মাহফুজ এর জলন্ত উদাহরণ। সেকালেও ছিল ক্ষমতাসীনদের বগলদাবায় এখনও আবার ক্ষমতাসীনদের বগলদাবায়।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:১৬

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: মাহফুজ, ফ.র সাগর এরা সুবিধাবাদী। এরা থাকবে।

তবে একাত্তর টিভি'র থাকার সম্ভাবনা কম। আর থাকলেও মোজাম্মেল বাবুর মালিকানা আরো কমে আসবে। উনি বিক্রি করে পালাতেও পারে।

১২| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৫৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: সাংবাদিক ও মিডিয়া জগত একটা পুরো দেশকে নির্লজ্জের মত নষ্ট করে দিতে পারে! সেটার অনেক উদাহরণ রয়েছে! সাংবাদিক ও সংবাদ মাধ্যমের দ্বারা সরকার জনগণের সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করে জনগণকে নির্লজ্জের মত হত্যা করতে পারে! জনগণের টাকায় কেনা রোলার দিয়ে প্রতিনিয়ত হত্যা করতে থাকা সরকার কেবলই মিডিয়ার মাধ্যমে বেঁচে যায় বারংবার! এটা ইতিহাসের কথন!

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৩৩

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: ঠিক বলেছেন। গতকাল টোল নিয়ে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে একজন মারা গেছে। দুঃখের বিষয়, একাত্তর সহ তথাকথিত শয়তান, দুর্নীতিবাজ, চাটুকার সংবাদ চ্যানেল এই ইস্যু নিয়ে কোনপ্রকার টকশো করে নি। সময় ছাড়া কাউকে এই ঘটনা নিউজ করতেও দেখিনি।


ধিক্কার এদের!

১৩| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:২৬

রাকু হাসান বলেছেন:

অনেক দেরিতে পড়লাম ভাই! অনেক কিছু জানালেন । দেখছি সব সরকার দলীয় লোকের ! অনেক ধন্যবাদ এমন পোস্ট দেওয়ার জন্য । লিংকের লেখাটিও দেখছি ।

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:৫২

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: এই চ্যানেলগুলোর একমাত্র কাজ ক্ষমতাসীনদের চামচামি করা। কয়েকদিন আগে, টুল বৃদ্ধি নিয়ে শ্রমিক পুলিশ সংঘর্ষে এক শ্রমিক মারা গেলেও তারা (সময় টিভি ছাড়া) নিউজ করেনি। এটা নিয়ে কোনো টকশোও করেনি। খুব খারাপ লাগে এসব।

১৪| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: পচন শুরু হয় মাথা থেকে। মাথার পচন রোধ করা গেলে, দেহের অন্যান্য অংশের পচনক্রিয়াও রোধ হবে।

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৮

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.