নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পৃথিবীর নৈসর্গিক সৌন্দর্য আমাকে কেবলই পিছুটানে!!

কামরুন নাহার বীথি

আমি কিছুটা ভ্রমণবিলাসী আর ফুলের প্রতি আছে আমার আজন্ম ভালোবাসা

কামরুন নাহার বীথি › বিস্তারিত পোস্টঃ

আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ ধরে--------- ভুটান ভ্রমণ - (১)

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:২৯




পাহাড়ি দেশ নেপাল দেখেছি, দার্জিলিং দেখেছি, শুনেছি ভুটান আরো আরো সুন্দর। যাবো যাবো ভাবছি অনেকদিন থেকেই। সুযোগের অভাবে হয়ে ওঠে না। শীত আসি আসি করছে, তাই এখনই সময় ভূটান যাবার।
প্রতিদিন একটা এয়ারক্রাফটই আসে ভূটান থেকে, সেটাই ফিরে যায়। Drukair এ টিকেট কাটা হয়েছে, আমরা চার জন যাচ্ছি। সকাল ৮.৩০ এ ফ্লাইট। ছ’টায় বাসা থেকে বেরোবো। খুব ভোরেই ঘুম থেকে উঠে পড়লাম। নামাজ, গোসল সেরে রেডি হয়ে সময়মতই বেরোলাম। আমাদের সাথে দু’জন যাবেন উত্তরা থেকে। ওনারা আগেই পৌছে গেছেন এয়ারপোর্টে, ফোনে জানালেন এয়ারপোর্টে ঢোকার মুখে প্রচন্ড জ্যাম, এই সাত সকালে------- উফফ! দোয়া দরুদ পড়তে পড়তে আধা ঘন্টার রাস্তা এক ঘন্টায় পৌছুলাম। যাক, তবুও ফ্লাইট মিস হয়নি। সব ফর্মালিটি শেষ করে প্লেনে উঠে পড়লাম। ও হ্যা, ওঠার আগে সেল ফোনে দু’চারটা ছবি তুলে ফেসবুকে ছেড়ে দিয়ে দোয়া চাইলাম সবার কাছে।

ড্রুক এয়ারের ছোট একটা প্রোপেলার এয়ারক্রাফট প্রায় চল্লিশ জন যাত্রী নিয়ে ঠিক সময়েই উড়াল দিলো। প্লেন ছাড়ার দশ মিনিটের মধ্যেই নাশতার প্যাকেট চলে এলো। একটা স্যান্ডউইচ, একটা পেটিস, একটা জুস, এক প্যাকেট বাদাম সাথে এক কাপ চা। নাশতা সেরে ক্যামেরা খুলে ছবি তুলতে চাইলাম, দেখি জানালায় ভেতরের রিফ্লেকশন! অগত্যা জানালা দিয়েই দেখলাম ছোট বড় সাদা, কালো পাহাড় দাঁড়িয়ে আছে মাথা উঁচু করে। বরফে ঢাকা হিমালয়ের প্রায় সবগুলো পর্বতশৃঙ্গই দৃশ্যমান! এবার নামার সময় হয়ে এলো। ছেলে বলেছিলো,” আম্মু প্লেন ল্যান্ড করার সময় খুব দোলে। দোয়া দরূদ যা জানো পড়তে থেকো!” ছেলে আমাকে যতটা ভীতু মনে করে, দেখলাম আমি অতটা ভীতু নই! নিচের দিকে নেমে প্লেন ডানে কাত হলে পাহাড় দেখছিলাম, বামে কাত হলে আকাশ দেখছিলাম! এভাবেই নেমে এলাম রানওয়েতে। এক ঘন্টা দশ মিনিটে পৌছে গেলাম ভুটান এয়ারপোর্টে।

ভুটানের একমাত্র এয়ারপোর্ট পারো শহরে। পুরো দেশটাই পাহাড়ি, তাই তাদের এয়ারপোর্টটাও আলাদা, বলা হয়ে থাকে বিশ্বের সবচেয়ে বিপদজনক এয়ারপোর্টের একটি। তাই ফ্লাই করার আগে সবার দোয়া চেয়েছিলাম! এখানে অন্য দেশের প্লেন আসে না, ড্রুক এয়ার আর ভুটান এয়ারলাইন্স যায় বিভিন্ন দেশে! এয়ারপোর্টটা খুব ছোট, তবে বেশ ছিমছাম। on arrival visa নিয়ে খুব তাড়াতাড়িই আমরা বের হয়ে এলাম। আমাদের জন্য গাড়ী নিয়ে অপেক্ষায় ছিল ‘উগান’ নামের ছেলেটি। সে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, ওর বাবাও। ওর বাবা ‘কার্মা জিম্বা’ আমাদের সাথের দুই ইঞ্জিনিয়ারের সাথে (আমার হাসবেন্ড এবং তার কলিগ) আফগানিস্থানে জাতিসংঘের একটা রোড প্রজেক্টে চাকুরী করতেন। এখন দেশে ফিরে তিনি বিশাল ব্যবসায়ী। কনসাল্ট্যান্ট ফার্ম সহ আরো অনেক ব্যবসার সাথে হোটেলের ব্যবসাও (ট্রাভেল এজেন্সি) আছে ওনার। আমরা ওনার হোটেলেই উঠব।


--------------প্রথম ভুটানের মাটিতে নেমে এলাম।





---------চারপাশে পাহাড়ে ঘেরা ছোট্ট এয়ারপোর্টটি।

--------------------এয়ারপোর্টে রাজপরিবারের ছবি।
পারো থেকে সরাসরি থিম্পুর দিকে চললাম আমরা। চারিদিকের সৌন্দর্য্য কোনটা রেখে কোনটা দেখি! আকাশ যেমন নীল, পাহাড় তেমনই সবুজ। গাঢ় নীল আকাশে মেঘগুলো যেন তুষারের চেয়েও শুভ্র। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথে চলেছি আমরা, রাস্তাটিও চমৎকার! পাশ দিয়েই বয়ে চলেছে পাথুরে নদী, পারো নদী নামেই পরিচিত। সে নদীর পাশে থেমে নদীতে নামলাম। উগানের নিষেধ মেনে আর বেশী এগিয়ে যাইনি। ও বলছিলো ভেজা পাথরগুলো খুব পিচ্ছিল। তাই শুধু পা ভিজিয়েই ফিরে এলাম।



------------রাস্তা থেকে নেমে এলাম নদীর পাড়ে।




পথে আরো এক জায়গায় বিরতি দিলাম। নদীটির উপরে একটি ঝুলন্ত সেতু আছে। দেখতে নামলাম সবাই। রাস্তা থেকে অনেকটাই নামতে হলো পাহাড়ি পথ ধরে। সেতুর নীচে নদীটায় বেশ স্রোত, অনেক শব্দ করে বয়ে চলেছে। ঝুলন্ত সেতুতে দাঁড়িয়ে নদীকে দেখতে যেন কষ্টই হচ্ছিল। চারিদিকে শুধু প্রেয়ার ফ্লাগ বাঁধা। ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে মনোকামনা পূরণের উদ্দেশ্যে, মৃত আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে এসব ফ্লাগ লাগানো!! ওপাড়ে ছোটবড় দু’টো মন্দির দেখে ফিরে চললাম আমরা থিম্পুর পথে। পৌছে গেলাম দুপুরের খাবারের আগেই। সেদিন আর কোন দূরের প্রোগ্রাম নয়, শহরটাই একটু ঘুরে দেখব!! -------




------------ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে মনোকামনা পূরণের উদ্দেশ্যে, মৃত আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে এসব ফ্লাগ লাগানো!

----------------------------------নদীর ওপাড়ের মন্দির।

-----------------------------------চলে এলাম থিম্পুতে!

ভুটানে তোলা কিছু ছবি নিয়ে ছবিব্লগঃ পাইন বনের দেশে ---------------!!


ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ

মন্তব্য ৪৫ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৪৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৪৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ভুটানকে পৃথিবীর অন্যতম দরিদ্র দেশ বলে জানতাম। ছবি দেখে সে রকম মনে হল না।
পারো নাকি একসময় ভুটানের রাজধানী ছিল।
যাক , ভিউকার্ড সদৃশ্য ছব গুলি অসাধারণ লেগেছে। তবে সাব্জেক্টে জনমানব এভয়েড করা হয়েছে।
বর্ননাও উপভোগ করলাম।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৩৯

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
দেখে আমারও মনে হয়নি ভুটান পৃথিবীর অন্যতম দরিদ্র দেশ।
আমাদের গাইডের কাছে জানলাম ওদের আয়ের প্রধান উৎস পর্যটন আর জলবিদ্যুৎ।
ভারত ছাড়া অন্য কোথাও ওরা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারছে না।

পারো রাজধানী ছিল কিনা আমার জানা নেই!!

ভিউকার্ড সদৃশ্য ছব গুলি অসাধারণ লেগেছে। তবে সাব্জেক্টে জনমানব এভয়েড করা হয়েছে। ----
জনমানবের চেয়ে প্রকৃতিই যে অনেক অনেক আকর্ষনীয়!!!
তাই জনমানব এখানে বাদ!!! :)

অনেক অনেক ধন্যবাদ লিটন ভাই!!

২| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৭

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: ভূটান মনে হয় খুবই পরিচ্ছন্ন দেশ। ছবিগুলো খুবই প্রাণবন্ত। আমাদের দেশ এরকম পরিষ্কার থাকলে শান্তিতে থাকা যেত।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫০

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
হ্যা, খুবই পরিচ্ছন্ন দেশ।
প্রকৃতিতো, চমৎকার। রাস্তাঘাট বেশ চওড়া আর মসৃণ!!

আমাদের দেশটাকে পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব আমাদেরই!!
ওদের পুরো দেশের জনসংখ্যা ৮/৯ লাখ, আমাদের ঢাকা শহরের চেয়ে কম।
মানুষগুলো চমৎকার মানষিকতার!!
তাই ওরা পারে!!

অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই!!

৩| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:১১

হাসান রাজু বলেছেন: এইবার আপনার চোখে ভুটান দেখবো ।

বুঝা যাচ্ছে, রাজপরিবারে নতুন সদস্য যোগ হয়েছে । এয়ারপোর্টে আগের ছবি ছিল এমন -


সুন্দর পোস্ট। অপেক্ষায় ।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:২৫

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
রাজপরিবারের ছবি দেখে বুঝলাম, আপনিও ভুটান দেখেছেন।
দেড় দু' বছ আগে এমন ছিল রাজপরিবার, এখন নতুন সদস্যের আগমন ঘটেছে।

আপনার ভুটান নিয়ে লেখার লিংক এখানে দিন।
পড়ে আনন্দ পাবো!!

৪| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৬

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: ভূটান সম্পর্কে আমার আগ্রহ আছে!!!:)


সময় সুযোগ হলে হয়তো ভূটানকে চেখে দেখবো কোন একদিন!!:)


পোস্ট ভালো হয়েছে!:)

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:২৭

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই।
যান, ভুটান দেখলে সত্যি মন ভরে যায়।
বুকভরে নিঃশ্বাস নেবার দেশ ভুটান!!

৫| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১৬

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: ছবি গুলো অনেক সুন্দর।
পোষ্টে প্লাস।+++

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:২৯

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
ভুটানের প্রকৃতিই যে অনেক সুন্দর! ছবিতো সুন্দর হবেই!! :)

৬| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৩২

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:

আপা,ছবিগুলোর সুন্দর হয়েছে++

আপনার ভুটান ভ্রমনের অভিজ্ঞতা ভাল লাগল ।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৩৯

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
চমৎকার একটি দেশ, ভালো লাগার মতই যে!!
প্লাসের জন্য, পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ!!

৭| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৪০

সাহসী সন্তান বলেছেন: সাত সকালে গরম ধোঁয়া ওঠা চায়ে চুমুক দিতে দিতে এই ধরনের পোস্ট পড়তে বড়ই সুখকর বলে মনে হয়। আপনার ছবি ব্লগ দেওয়ার স্টাইলটাই ভিন্ন! ছবি উঠানোর স্টাইলও মন্দ নয়? আর সাথের বর্ননা তো এক্সট্রা পাওনা... :)

ভাবতেছি মনবাসনা পূরণের লাইগা হইলেও একবার ভুটান যামু। ইয়ে আপু, কোন কালারের ফ্লাগ ঠিক কিসের প্রতীক বহন করতাছে যদি একটু খোলসা কইরা কইতেন, তাইলে বুঝতে সুবিধা হইতো! আর কারো কাছ থেকে অহেতুক ঝাঁড়ি খাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে হলে কেমন কালারের ফ্লাগ সাথে কইরা নিতে হইবে সেইটাও একটু বইলা দিয়েন? ;)

পোস্টে প্লাস! শুভ কামনা রইলো!

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১১

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
পারিইতো এই দু'চারটে ছবি তুলতে আরে সেগুলো পোষ্ট করতে!!
ছবিগুলো পোষ্ট করতেই যা দু'চার লাইন লিখি।
এই লিখতেই যত আলসি আমার।
ভুটান থেকে এসেছি প্রায় একমাস হতে চললো।
এ পর্যন্ত অতি কষ্টে এই দুইটাই পোষ্ট করা হলো!!
দেখা যাক কতদিনে শেষ হয়!!!


ভাবতেছি মনবাসনা পূরণের লাইগা হইলেও একবার ভুটান যামু। ইয়ে আপু, কোন কালারের ফ্লাগ ঠিক কিসের প্রতীক বহন করতাছে যদি একটু খোলসা কইরা কইতেন, তাইলে বুঝতে সুবিধা হইতো! আর কারো কাছ থেকে অহেতুক ঝাঁড়ি খাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে হলে কেমন কালারের ফ্লাগ সাথে কইরা নিতে হইবে সেইটাও একটু বইলা দিয়েন? ;)

আমি কি ছাই জানি কোন রঙের ফ্লাগে কি মনোবাসনা পূরণ হয়।
তবে, সাদা শান্তির প্রতীক, সাদা পতাকা নিয়ে ভুটানের দিকে দৌড় দ্যান!! :)

অনেকদিন পরে আপনার মন্তব্য পেলাম আমার লেখায়!!
আশা করছি ভাল আছেন!!

৮| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:২০

হাসান রাজু বলেছেন: ধন্যবাদ ।
আমার লেখার অবস্থা খুবই খারাপ । আর আলস্য সে তো পাহাড়সম । তাই দুই পর্ব লিখেই বছর পার করে দিয়েছি ।

ঝকঝকে ছবি আর চকচকে ভুটান । (ফাখানি গফর ব্লগ)

ঝকঝকে ছবি আর চকচকে ভুটান । (ফাখানি গফর ব্লগ) । প্রথম পর্বের পরের পর্ব ।

ভুটানের ফটো - এক।

ভুটানের ফটো - দুই।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:২৩

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
পড়ে এলাম আপনার সবগুলো লেখাই!!
এক কথায় অসাধারণ!!!

৯| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪২

করুণাধারা বলেছেন: দারুন ছবি ব্লগ। অবশ্য বর্ণনা আরেকটু হলে ভাল হত।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:২৬

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
ওই আরেকটু বর্ণনাইতো পারিনে ভাই!!
পারিই শুধু দু'চারটে ছবি তুলতে!! :)

১০| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৩০

আহমেদ জী এস বলেছেন: কামরুন নাহার বীথি ,




অদ্ভুত সুন্দরের দেশ ..................

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৩৩

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
হ্যা অদ্ভুত সুন্দর দেশ, অদ্ভুত সুন্দর প্রকৃতি!!

১১| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৪০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: কবে যাব পাহাড়ে
আহা রে !!!!

অসম্ভব সুন্দর সব ছবি ; মন ভালো হয়ে গেলো পোষ্ট দেখে ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু ।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:০৭

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:

বেশী শীত সহ্য করতে না পারলে এখনই চলে যান আপু!!
চমৎকার দেখবার মতই প্রকৃতি!!!

১২| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৪৬

প্রামানিক বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর। বাস্তবে কেমন জানিনা, তবে ছবিতে অসম্ভব সুন্দর মনে হচ্ছে। এটা কি ক্যামেরার কারসাজি না হাতের কারসাজি বোঝা মুশকিল। তবে ছবিগুলো দেখে মনে হচ্ছে ছবির রানীর নিজ হাতে তোলা।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২২

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
হ্যা অসম্ভব সুন্দর!!
বাস্তবে ছবির চেয়েও সুন্দর! আকাশ যে এত নীল হয়, তা' প্রথম দেখেছি অস্ট্রেলিয়ায়। এরপরে দেখলাম ভূটানে!"
ক্যামেরা কি কারসাজি করবে, সুন্দরটা আগে ধরবে।

তবে ফোকাস করাটা আমার ক্রেডিট!!
আমার গুরুও বলেছেন, আমি নাকি এখন তার চেয়ে ভাল ছবি তুলি!! :)

১৩| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫৪

প্রামানিক বলেছেন: পূর্ব পরিচিত লোকের হোটেলে উঠলেন। ভুটানি লোকের কাছে কেমন সম্মান পেলেন, কি খেলেন, কেমন কাটালেন সামনের পোষ্টে তার বর্ণনা চাই।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৮

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:

থিম্পুতে পরিচিতের হোটেলে ছিলাম, পারোতে নয়।
খাতিরদারি একটু বেশীই পেয়েছি। মাছ খেতে হয়েছে আমাদের।
মুরগী খেলে, আমাদের সাথের হুজুররাই জবাই করে দিয়েছেন!!
ভুটানিরা খুব সুন্দর মনের মানুষ, খুব অতিথিবৎসল!!

১৪| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১৯

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের দেশ বলেই মনে হচ্ছে।। অপূর্ব সুন্দর সব দৃশ্য।। তিরতির করে স্বচ্ছ পানি দেখে সিলেটের কথা মনে পরে গেল।। এমনিতে শান্ত আবার অন্যরূপ প্রলয়ংকরী!!

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৩৬

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বলতে পারেন।
চমৎকার সুন্দর একটি দেশে, ধুলোবালি বিহীন, বুকভরে নিঃশ্বাস নেয়া যায়!!

হ্যা, অল্প পানি নদীতে কিন্তু প্রন্ড খরস্রোতা!
এই স্রোতই ওদের জলবিদ্যুৎ এর উৎস!

১৫| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৪:০০

ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: খুবই সুন্দর বর্ণনা দিয়ে যাত্রা শুরু করেছেন আপা।

ছবিগুলি খুবই সুন্দর। কিন্তু প্লেন নামার কথা যা বললেন শুনে আমি ভয় পাচ্ছি।

বুঝা গেলো আপনি খুব সাহসী।

চলুক ভুটানে ঘুরাঘুরি, সাথেই আছি।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৪১

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
সত্যিই যাবার দিনে বেশ এক্সাইটেড ছিলাম!
সারারাত প্রায় ঘুমই হয়নি!! :)

প্লেন নামাটা একটু ভয়েরই, তবে তোমার ভয় লাগবে না!!
তুমি আমার চেয়েও সাহসী!!

ভুটান ঘোরার বর্ণনা কেমন দেব জানিনা, তবে সত্যিই ছবির মতই দেশটি!!
তাই ছবি তোলাতে কোন কার্পণ্য নেই আমার!!

১৬| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:২১

উড়ালপক্ষী বলেছেন: আমি গিয়েছিলাম গত সপ্তা্য়। চমৎকার।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৪৩

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
সত্যিই চমৎকার।!!
আপনিও লিখবেন আর আমাকে লিংক দেবেন!! :)
পড়বো আমি!

১৭| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৩৩

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: ভুটান সম্পর্কে জেনে ও ছবিগুলো দেখে ভালো লাগছে আমার। ছবিগুলো খুব সুন্দর তুলেছেন।
এয়ারপোর্টের রাজপরিবারের ছবি দেখে বেশি ভালো লাগলো, আমাদের দেশে তা সম্ভব না বলেই।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৪৬

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:

হ্যা, ভালো লাগার মতই দেশটি!!
আমিতো বলবো ছবির চেয়েও সুন্দর!!
আমাদের দেশেও যারা শাষণ করেন তাদের ছবি শোভা পায়!!!

১৮| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৪৬

ঢাকাবাসী বলেছেন: অপুর্ব সুন্দর দেশ ভুটানে আপনার ভ্রমনের সাথে চমৎকার ছবিগুলো দারুণ লাগল। ভুটানের এয়ারপোর্ট দেখে নিশ্চিত হলুম ঢাকার কুখ্যাত জঘন্যতম পৃথিবীর নিকৃস্টতম এয়ারপোর্ট শাহজালাল বিমান বন্দর থেকে ওটা হাজার গুন ভাল।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৫২

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
হা হা হা................. দেশের এয়ারপোর্ট এর উপরে এত ক্ষেপেছেন কেন ভাই?? :)
পারো এয়ারপোর্ট ছোট্ট ছিমছাম!!
ও দেশের জনসংখ্যাই কম, আর খুব সৌন্দর্য সচেতন জাতি!!
তাই ওদের দেশটাকেও ওরা সাজিয়ে রেখেছে!!

১৯| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৪৬

সুমন কর বলেছেন: শুরুর কথাগুলো আগে কি পড়েছিলাম ? ফেবুতে ? লেখা আর বর্ণনা মিলে পোস্ট ভালো লাগল।
+।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:১০

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
না দাদা, ফেসবুকে ভুটান থেকেই টুকটাক যা ছবি দিয়েছি।
ফিরে এসে আর একটা ছবি বা লেখা পোষ্ট করিনি!!!

২০| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৭:০৭

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: চমৎকার পরিচ্ছন্ন শান্তিপ্রিয় একটা দেশ, আমার ভীষণ প্রিয়। আছি আপনার সাথে চলতে থাকুক ব্লগ কথন।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
খুব খুউব পছন্দের একটি দেশ আমারও!!!
লেখাই যে যত আলসেমি, তবুও লিখব সময় করে।

২১| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪৫

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: ছবিতে স্মৃতি রোমন্থন,
জাবর কাটায় একটা নেশা নেশা ব্যপার আছে...................আজ বুঝলুম গরুও একটি মহা নেশাখোর প্রাণী।
তুমি আমার দেখা সেরা লেডি ফটোগ্রাফার।আমার কয়ডা তুইল্যা দিবা?ঘটকরে দিমু................. ;)

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:১৪

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
তুই মানুষ হইলি নারে জেসন!!
কিহ, আমি সেরা লেডি ফটোগ্রাফার, জুন আপু আর ছবিপু আইলো বলে!!!

আমি ঘটকালী করলে সে কাহিনী আর এগোয় না, তাই ঘটকালীর ছবিতে আমি নেই!!

২২| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:২২

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: কি দারুন ভুটানের দৃশ্যগুলি।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:২৫

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
সত্যিই সুন্দর, সবারই ভালো লাগবে!!
অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই কংকাবতী রাজকন্যা!!!

২৩| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:২৩

নিয়াজ সুমন বলেছেন: আপনার দৃষ্টিতে ভুটানের মায়ায় পড়ে গেলাম।
খুব কাছ থেকে দেখার ইচ্ছা হচ্ছে----

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.