নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যই সুন্দর

আমি সত্য জানতে চাই

কোবিদ

আমি লেখালেখি করি

কোবিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়ের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:১৩



বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক ও গল্পলেখক তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়। ছোট বা বড় যে ধরনের মানুষই হোক না কেন, তারাশঙ্কর তাঁর সব লেখায় মানুষের মহত্ত্ব ফুটিয়ে তুলেছেন, যা তাঁর লেখার সবচেয়ে বড় গুন। সামাজিক পরিবর্তনের বিভিন্ন চিত্র তাঁর অনেক গল্প ও উপন্যাসের বিষয়। তাঁর লেখায় বিশেষ ভাবে বীরভূম-বর্ধমান অঞ্চলের সাঁওতাল, বাগদি, বোষ্টম, বাউরি, ডোম, গ্রাম্য কবিয়াল সম্প্রদায়ের কথা পাওয়া যায়। সেখানে আরও আছে গ্রাম জীবনের ভাঙনের কথা, নগর জীবনের বিকাশের কথা। ১৯৭১ সালের আজকের দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।আজ তার ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়ের মৃত্যুদিনে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।



১৮৯৮ সালের ২৪ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়। তাঁর পিতা হরিদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও মাতা প্রভাবতী দেবী। লাভপুরের যাদবলাল হাই স্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাস করে কলকাতায় সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে লেখা পড়া করেন তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়। তারাশঙ্কর কংগ্রেসের কর্মী হয়ে সমাজসেবামূলক কাজ করেন এবং এর জন্য তিনি কিছুদিন জেল খাটেন। একবার তিনি ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টও হয়েছিলেন। ঔপন্যাসিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থঃ



১। নিশিপদ্ম ১৯৬২, ২। ব্যর্থ নায়িকা, ৩। বিচারক, (১৯৫৭), ৪। ফরিয়াদ, ১৯৭১, ৫। তামস তপস্যা, ১৯৫২, ৬। কালবৈশাখী, ১৯৬৩, ৭। কালিন্দী, ১৯৪০, ৮। গণদেবতা, ১৯৪২, ৯। পঞ্চগ্রাম, ১৯৪৪, ১০। আরোগ্য নিকেতন, ১৯৫৩, ১১। নাগিনী কন্যার কাহিনী, ১৯৫২, ১২। রাধা, ১৯৫৮, ১৩। যোগভ্রষ্ট,১৯৬০, ১৪। ডাইনি, ১৫। একটি প্রেমের গল্প, ১৬। রাধারানী, ১৭। সপ্তপদী, ১৯৫৭, ১৮। হাঁসুলি বাঁকের উপকথা, ১৯৫১, ১৯। চিরন্তনী, ২০। কবি, ১৯৪৪, ২১। কীর্তিহাটের কড়চা, ১৯৬৭, ২২। চৈতালি ঘূর্ণি, ১৯৩১, ২৩। ধাত্রীদেবতা, ১৯৩৯, ২৪। না, ১৯৬০, ২৫। পাষানপুরী, ১৯৩৩, ২৬। চাঁপাডাঙার বৌ, ১৯৫৪, ২৭। নীলকন্ঠ, ১৯৩৩, ২৮। রাইকমল, ১৯৩৪, ২৯। প্রেম ও প্রয়োজন, ১৯৩৫, ৩০। আগুন, ১৯৩৭, ৩১। মন্বন্তর, ১৯৪৪, ৩২। স্বর্গমর্ত, ১৯৬৮, ৩৩। সন্দীপন পাঠশালা, ১৯৪৬, ৩৪। ঝড় ও ঝরাপাতা, ১৯৪৬, ৩৫। অভিযান, ১৯৪৬, ৩৬। পদচিহ্ন, ১৯৫০, ৩৭। যতিভঙ্গ, ১৯৬২, ৩৮। ডাকহরকারা, ১৯৫৮, ৩৯। পঞ্চপুত্তলী, ১৯৫৬, ৪০। সংকেত, ১৯৬৪, ৪১। মণি বৌদি, ১৯৬৭, ৪২। বসন্তরোগ, ১৯৬৪, ৪৩। মঞ্জরী অপেরা, ১৯৬৪, ৪৪। বিপাশা, ১৯৫৮, উত্তরায়ন, ১৯৫০, ৪৫। মহাশ্বেতা, ১৯৬০, ৪৬। একটি চড়ুই পাখি ও কালো মেয়ে, ১৯৬৩, ৪৭। জঙ্গলগড়, ১৯৬৪, ৪৮। মহানগরী, ১৯৬৬, ৪৯। কালরাত্রি, ১৯৭০, ৪৯। ভুবনপুরের হাট, ১৯৬৪, ৫০। অরণ্যবহ্নি, ১৯৬৬, ৫১। হীরাপান্না, ১৯৬৬, ৫২। অভিনেত্রী, ১৯৭০ ৫৩। গুরুদক্ষিণা, ১৯৬৬, ৫৪। শুকসারী কথা, ১৯৬৭, ৫৫। শক্করবাঈ, ১৯৬৭, ৫৬। নবদিগন্ত, ১৯৭৩, ৫৭। ছায়াপথ, ১৯৬৯, ৫৮। সুতপার তপস্যা, ১৯৭১, ৫৯। একটি কালো মেয়ে, ১৯৭১, ৬০। বিচিত্র, ১৯৫৩, ৬১। নাগরিক, ১৯৬০, ৬২। কান্না, ১৯৬২ এবং

নাটকঃ ১। দ্বীপান্তর(১৯৪৫), ২। পথের ডাক(১৯৪৩), ৩। দুই পুরুষ(১৯৪৩) ইত্যাদি।

তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়ের 'জলসাঘর ও অভিযান' নিয়ে সত্যজিৎ রায় এর পরিচালনায় এবং ২০১০ সালে 'বেদেনি' নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মান হয়।



সু-সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দোপাধ্যায় তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ১। শরৎস্মৃতি পুরস্কার (কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়), ২। জগত্তারিণী স্মৃতিপদক (কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়), ৩। রবীন্দ্র পুরস্কার, ৪। সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার, ৫। জ্ঞানপীঠ পুরস্কার এবং পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণ উপাধি লাভ করেন। ১৯৭১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন এই জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়। কবি উপন্যাসটি তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি। তারাশংকর বন্দোপাধ্যায় মৃত্যুর পরেও কবি উপন্যাসটির মাধ্যমে পাঠকসমাজে প্রশংসা এবং সার্থকতার সাথেই বেচে থাকবেন। আজ তাঁর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। অমর কথাশিল্পী তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়ের ৪২তম মৃত্যুদিনে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.