নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যই সুন্দর

আমি সত্য জানতে চাই

কোবিদ

আমি লেখালেখি করি

কোবিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রবীণ রাজনীতিবিদ, অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মিজানুর রহমান চৌধুরীর ৮৬তম জন্মবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১০:৪৬


সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বর্ষীয়ান জননেতা, অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সাবেক সদস্য মরহুম মিজানুর রহমান চৌধুরী। ১৯৭০ এর নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পরে স্বাধীন বাংলাদেশর ১৯৭৩সালের সংসদে তিনি সংসদ সদস্য ছিলেন। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রী সভায় তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধূ স্বপরিবারে নিহত হলে আবদুল মালেক উকিল এবং মিজানুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের দু’টি পৃথক ধারার সৃষ্টি হয়। আশির দশকের শুরু দিকে মিজানুর রহমান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক সরকারকে সমর্থন দেন এবং ১৯৮৪ সালে তিনি জাতীয় পার্টিতে (সেসময়ের নাম জাতীয় দল) যোগ দেন । এরশাদের আমলে ১৯৮৬ সালের ৯ জুলাই ১৯৮৮ সালের ২৭ মার্চ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯২৮ সালের এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। আজ এই প্রবীণ নেতার ৮৬তম জন্মবার্ষিকী। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মিজানুর রহমান চৌধুরীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা।

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মিজানুর রহমান চৌধুরী ১৯২৮সালের ১৯ অক্টোবর চাঁদপুর জেলার পুরাণবাজারস্থ পূর্ব শ্রীরামদী গ্রামে এক সমভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম মোঃ হাফিজ চৌধুরী এবং মাতা মরহুমা মোসাম্মৎ মাহমুদা বেগম। কলেজ থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৬২ সালে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থি হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।১৯৬২ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। যখন শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ কারাগারে ছিলেন তখন তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। ১৯৬৭ সালে তিনি নিজেও গ্রেফতার হন।আয়ূব খানের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় তিনি সম্মিলিত বিরোধী দলের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭০ এর নির্বাচনে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য হন। স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ এর সংসদে তিনি সংসদ সদস্য ছিলেন। ১৯৭৩ শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রী সভায় তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধূ স্বপরিবারে নিহত হলে আবদুল মালেক উকিল এবং মিজানুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের দু’টি পৃথক ধারার সৃষ্টি হয়। আশির দশকের শুরু দিকে মিজানুর রহমান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক সরকারকে সমর্থন দেন এবং ১৯৮৪ সালে তিনি জাতীয় পার্টিতে (সেসময়ের নাম জাতীয় দল) যোগ দেন । এরশাদের আমলে ১৯৮৬ সালের ৯ জুলাই থেকে ১৯৮৮ সালের ২৭ মার্চ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৮৮৮ সালের মার্চ মাসের শেষেরে দিকে মওদুদ আহমেদ তার স্থলে প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৯০ সালে এরশাদ ক্ষমতা ছেড়ে দিলে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এরশাদ জেলে থাকাকালীন মিজানুর রহমান জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে মিজানুর রহমান পুনরায় আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন। ২০০৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারী তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

(মিজানুর রহমান চৌধুরীর রুহের মাগফেরাতের জন্য প্রার্থনা)
আজ তার ৮৬তম জন্মবাির্ষিকী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক রাজনীতিবিদ মিজানুর রহমান চৌধুরীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১১:১১

ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন: জতীয় পার্টির এক সময়ে কান্ডারী বীর মুক্তিযুদ্ধা জনাব মিজানুর রহমান চৌধুরীর ৮৬তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা।

২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:৩০

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: প্রবীণ রাজনীতিবিদ, অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মিজানুর রহমান চৌধুরীর ৮৬তম জন্মবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা!

৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:১৬

জাতির বোঝা বলেছেন: তথ্য মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধু নাকি তাকে চড় মেরেছিলেন- কথাটি কি সত্য?

পোস্টে +++।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.