নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বর্ষার ফুল চাঁদ ভালোবেসে হয়ে গেছে একাকার চাঁদের আলো জড়িয়ে সে যে গড়েছে অলংকার ।

কথার ফুলঝুরি!

ও আমার চাঁদের আলো, আজ ফাগুনের সন্ধ্যাকালে ধরা দিয়েছ যে আমার পাতায় পাতায় ডালে ডালে॥

কথার ফুলঝুরি! › বিস্তারিত পোস্টঃ

খুনসুটির সংসার (গল্প)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪৯



সময় সন্ধ্যা ৬.৩০ । পলাশ বাসায় ফেরার সময় হয়ে গিয়েছে ।
রুপা আজ শাড়ি পরেছে । পলাশের প্রিয় নীল রঙের শাড়ি আর খোঁপায় বেলি ফুলের মালা । রুপা প্রায়ই পলাশ বাসায় ফেরার আগে এমন শাড়ি পরে হালকা সাজগোজ করে থাকে । সংসারের শুরু থেকেই এমনটি করে আসছে । পলাশ অফিস থেকে বাসায় ফিরলে এভাবে শাড়ি পরে সেজে ওকে সারপ্রাইজ দিতে খুব ভালোবাসে রুপা । প্রথম প্রথম পলাশ চমকালেও এখন আর চমকায়না তবে মনে মনে অপেক্ষায় থাকে কবে রুপা ওমন করে সেজে দরজা খুলে দিবে আর ওর হাসি হাসি স্নিগ্ধ মুখখানি দেখে তার সারাদিনের ক্লান্তি একনিমিষে দূর হয়ে যাবে ।
আজকে কোন বিশেষ দিন না হলেও রুপা অনেক খুশী কারন আজ সে পলাশকে ওর জীবনের অন্যতম একটি খুশীর খবর দিতে যাচ্ছে ।
৬.৫০ হয়ে গেল কিন্তু পলাশ এখনও আসছেনা। রুপা একবার ভাবলো ফোন দিবে কিন্তু দিলনা । ও খুব চালাক । বেশী ফোন দিলে ঠিক বুঝে ফেলবে এদিকে রুপা কোন গোল পাকাচ্ছে । শেষমেশ ওর সারপ্রাইজের মজাটাই যাবে শেষ হয়ে ।

এই ফাঁকে রুপা ঘর গোছাতে লেগে গেল । পলাশ অনেক গোছ গাছ সবকিছুতে তাই রুপাও খেয়াল রাখে সবকিছু একটু বেশীই । এই যেমন বিছানার চাঁদর এলোমেলো থাকা ওর একদম পছন্দ না । তাই ও যখনই ওয়াশরুমে যায় রুপা চট করে বিছানার চাঁদরটা টান টান করে ফেলে।
কাজ না করলেও পলাশ আবার খুব সুন্দর গুছিয়ে কাজ করতে পারে । নতুন সংসারে আসার পর রুপা অনেক কিছু পারতো না তখন পলাশ হাতে ধরে ওকে সব শিখিয়ে দিয়েছে । কিন্তু এখন এক গ্লাস পানিও ঢেলে খেতে দেয়না ওকে রুপা ।
একদিন দুষ্টুমি করে পলাশ বলছিলো তুমি আমাকে এত আদর যত্ন কর মাঝে মাঝে আমার নিজেকে মহারাজা মহারাজা লাগে । রুপা হাসি দিয়ে বলেছিল তুমি তো আমার মহারাজাই ।
আচ্ছা? মহারাজাদের কিন্তু অনেকগুলো বউ থাকে জানো তো ? তাহলে আমিও কিন্তু অনেকগুলো বিয়ে করবো । তবে তুমি থাকবে আমার প্রধান রানী। পলাশ হাসতে লাগলো ।
ইশ! আসছে ! আমি কিন্তু অনেক পাঁজি। আমি ছাড়া আর কোন মেয়েকে তোমার ছায়ার কাছেও আসতে দিবোনা । মেরে দিবো কিন্তু একদম ।
হা হা ! আমাকে না মেরে তুমি ওদেরকে মারবে কেন ?
তোমাকে আমি ভালোবাসিনা তোমাকে কেন কিছু করবো ছিঃ ! ওদেরকেই মেরে ভাগিয়ে দিবো ।
মুহূর্তেই যেন ঝাসি কি রানীর রুপ ধারন করে ফেললো রুপা ।

বাসে করে বাসায় ফিরতে ফিরতে পলাশ বার বার হাতের খামটার দিকে তাকাচ্ছে । ওর স্বপ্ন হাতের মুঠোয়। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইচ্ছে সব ছেলেরই থাকে পলাশও তার ব্যতিক্রম নয় । ঢাকায় একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে ভালো পোষ্টে চাকরী করলেও আরও কিছু সাফল্য অর্জনের স্বপ্ন ওকে পেয়ে বসেছিল । সেই স্বপ্ন এখন ওর হাতের খামটির ভেতরে । কিন্তু খবরটি সে রুপাকে কিভাবে দিবে তা ভেবে পাচ্ছেনা । খবরটি শোনার পর বেচারীর মনের অবস্থা কেমন হবে তা ভাবলেই ওর বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠে ।
কেন যে মেয়েটি এতো ভালোবাসে আমাকে । মাঝে মাঝে ওর আমাকে এতো বেশী ভালোবাসাটাও কেমন যেন ভারী মনে হয় । একটু কম ভালোবাসলেও তো বাঁচা যায় । এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে রুপা যদি আমাকে একটু কম ভালোবাসতো তাহলে হয়তো আমার জন্য সবকিছু সহজ হতো ।

পলাশ এবং রুপার সংসারের বয়স ৯ মাস । প্রায় ৩ বছর প্রেম করার পর দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে হয় ওদের । কিন্তু তাও খুব একটা সহজ ছিলনা । রুপার পরিবার সম্পর্ক করে বিয়ের ব্যাপারে রাজী হচ্ছিলো না । কিন্তু রুপার এককথা সে পলাশ ছাড়া আর কাউকে বিয়ে করবেনা তা সে যে হোক না কেন । শেষ পর্যন্ত সবাইকে মানিয়ে সংসার জীবনে পা রাখতে সক্ষম হয় দুজনে । দুই পরিবারই থাকে চিটাগাং । আর ওরা দুজন পলাশের চাকরী সুত্রে ঢাকায় ।

দুই রুমের ছোট ছিমছাম একটা বাসা ওদের । রুপার খুব সখ ছিলো ওদের বাসায় বড় একটা বারান্দা থাকবে । সেখানে বেলি, জবা, গাঁদা ও গোলাপ ফুলের গাছ থাকবে আর থাকবে দুইটা বেতের চেয়ার। যখন ও বাসায় একা থাকবে তখন ওখানে বসে গল্পের বই পড়বে আর পলাশের ছুটির দিনে একসাথে বসে চা খাবে আর গল্প করবে । বাস স্টপ থেকে একটু দূরে হলেও বাসাটায় একটা বড় বারান্দা আছে তাই পলাশ এই বাসাটাই নিয়েছে শুধুমাত্র রুপার জন্য । দুজনে মিলে অনেক ঘুরে ঘুরে সংসারের সবকিছু কিনেছে । আর বারান্দার ফুলগাছগুলো সব রুপার কেনা ।

বিয়ের রাতে পলাশ রুপাকে জিজ্ঞেস করেছিল এখনতো তুমি আমার বউ । বউ হিসেবে তুমি আমার কাছে কি চাও । রুপা হেসে বলেছিল আমার যা চাওয়ার তাতো আমি পেয়েই গিয়েছি । তুমি আমাকে তোমার বউ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছ এর চেয়ে বড় পাওয়া আমার জীবনে আর কিছু নেই । এখন শুধু তোমার বউ হয়ে সারাজীবন তোমাকে ভালোবাসার অধিকারটুকু চাই আর চাই চোখ বন্ধ করে তোমাকে বিশ্বাস করে তোমার উপর ভরসা করে নিশ্চিন্তে তোমার সাথে সংসার করতে । আর আমাকে খুব বেশী ভালো না বাসলেও চলবে তোমার । রুপা হেসে দিল । শুধু যতটুকু ভালোবাসলে আমি ভারমুক্ত থাকতে পারবো ততটুকু বেসো ।
পলাশ কিছু বলতে যাচ্ছিলো । রুপা ওকে চুপ করিয়ে দিয়ে বললো, দেখ আজকে আর কোন কথা না । আমার যে বিশ্বাসই হচ্ছেনা আমি তোমার বউ হতে পেরেছি। এটা যে আমার কত বড় সুখ তা তুমি বুঝবেনা । আজকে আমি সারারাত তোমার বুকে মাথা রেখে চুপ করে শুয়ে থাকবো যতক্ষণ মন চায় আর আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ এই সুখটুকু অনুভব করবো । পলাশ হেসে রুপাকে তার বুকে টেনে নিলো ।

রুপা কেমিস্ট্রি তে মাস্টার্স করেছে । বিয়ের পর খুব ভালো একটা কোম্পানিতে ওর চাকরী হয় । কিন্তু ও বলেছিল আমি শুধুই সংসার করবো । সকালে ঘুম থেকে উঠে তোমাকে নাস্তা করে দিবো, তুমি অফিস যাওয়ার সময় এটা ওটা এগিয়ে দিবো, তোমার কাপড় ধুয়ে দিবো, কাপড় গুছিয়ে রাখবো, তোমার পছন্দের খাবার রান্না করবো, ঘর গোছাবো, তুমি অফিস থেকে ফেরার সময় হলে বারান্দায় দাড়িয়ে তোমার ফেরার অপেক্ষা করবো তারপর তুমি আসলে দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দিবো ।

এসব ভাবতে ভাবতে বাস চলে এলো গন্তব্যে । একটু হেটে বাসায় যাওয়ার আগে সামনে চায়ের দোকানে বসলো পলাশ । মানসিক ভাবে অনেক দুর্বল লাগছে ওর । একদিকে এতদিনের একটা স্বপ্ন পুরণ অন্যদিকে রুপার মলিন মুখখানি। কি করবে কিছুই বুঝতে পারছেনা। প্রথমে সে এতকিছু ভাবেনি কিন্তু আজ যেন দুদিকের টানাপোড়নের যুদ্ধে ভেতরে ভেতরে রক্তাক্ত হচ্ছে ।
সময় যখন ৭.২০ তখন পলাশকে ফোন দিল রুপা ।
কইগো তুমি । দেরী হচ্ছে যে ?
এইতো চলে এসেছি, বাসার কাছেই ।
আচ্ছা ঠিক আছে, আসো ।

সারাদিন কাজ করতে করতে কিভাবে সময় চলে যায় বুঝেইনা কিছু রুপা কিন্তু সন্ধার পর থেকে অপেক্ষার প্রহর যেন আর শেষই হয়না । মানুষটা যখন বাসায় থাকে কোন কথাবার্তা না বলে যদি লাইট অফ করে ঘুমিয়েও থাকে তবুও কি শান্তি লাগে মনে । ঘরে গিয়ে যখন মানুষটাকে দেখে তখন নিজেকে পরিপূর্ণ মনে হয়।
বিয়ের দুই তিন মাস পরের কথা । সব বন্ধুরা মিলে আরেক বন্ধুর বাসায় গেট টুগেদারের পার্টিতে একরকম জোর করে পলাশ কে রাতে রেখে দিয়েছিলো । রাতের বেলা দুঃস্বপ্ন দেখে ভয়ে ওপাশে পলাশকে ধরতে গিয়ে দেখে ও পাশে নেই তখন আরও বেশী ভয় পেয়ে গিয়েছিলো রুপা । তারপর সারারাত লাইট অন করে ঘুমিয়েছিল ।
পরেরদিন বাসায় ফিরলে কাঁদো কাঁদো হয়ে বলেছিল তুমি আর কখনও আমাকে ছেড়ে রাতের বেলা বাইরে থাকবেনা । পলাশ রুপাকে কাছে টেনে নিয়ে বার বার সরি বলছিলো আর কথা দিয়েছিলো আর কখনও ওকে একা রেখে বাইরে থাকবেনা ।
এসব ভাবতে ভাবতে কলিংবেল বেজে উঠলো । কাজের মেয়েটি দৌড়ে যাচ্ছিলো দরজা খুলতে ।
রুপা বলল তোর ভাইয়া এসেছে আমি দরজা খুলবো তুই ভেতরে যা ।
খবরটি শোনার পর পলাশের উচ্ছ্বসিত মুখখানি কল্পনা করতেই কি যে ভালো লাগছে রুপার । সামনা সামনি তা দেখার আর তর সইছেনা ।

একদিন ইউটিউবে ছোট বাচ্চাদের মজার কিছু ভিডিও দেখছিলো আর হাসতে হাসতে গড়িয়ে পরছিলো পলাশ। বাচ্চারা তো আসলেই অনেক কিউট হয় । দেখ দেখ কি করছে দুষ্ট গুলো । আমাদের একটা হলেও অনেক মজা হতো ।
তখনই রুপা ভেবেছিলো পলাশকে একটি লিটল এঞ্জেল উপহার দিবে । যার সাথে ও খেলবে দুষ্টুমি করবে ।

পলাশ ঘরে ঢুকল একদম মনমরা হয়ে । ও ভেবেছে কোনরকম ভুমিকা না করে রুপার হাতেই চিঠিটা দিয়ে দিবে । রুপা এত বেশী আনন্দিত যে পলাশের মনমরা চেহারা খেয়ালই করলো না ।
পলাশ দেখলো টেবিলের উপর একটা কেক, কিছু মোমবাতি আর একগুচ্ছ ফুল ।
আজকে কি কোন বিশেষ দিন ? মানে কোন জন্মদিন বা বিবাহবার্ষিকী এমন কিছু ?
রুপা হেসে দিয়ে বললো তুমি যেদিন আমার জীবনে এসেছো তারপর থেকে প্রতিটি দিনই আমার জন্য বিশেষ । যাওতো তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে আসো । তোমার জন্য একটি সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে ।
আমি আজ তোমাকে যে সারপ্রাইজ দিতে যাচ্ছি তার চেয়ে বড় আর কি সারপ্রাইজ হতে পারে ? পলাশ ভেতরে যেতে যেতে মনে মনে বললো ।
ফ্রেশ হয়ে পলাশ ডাইনিং রুমে গেলো । হাতে চিঠিটা । এই চিঠিটার ভার সে আর নিতে পারছেনা । রুপা কিছু বলার আগেই তার হাতে চিঠিটা দিল পলাশ ।
কি এটা ?
একটা লেটার । খুলে দেখো ।
রুপা চিঠিটা খুলে পড়তে শুরু করলো । মুহূর্তের মধ্যে রুপার চেহারার রঙ পাল্টে গেলো ।
Congratulation Mr Palash Ahmed. We are pleased to inform you that you have been appointed for the position of a Branch Manager for Singapore Branch.
রুপা চিঠিটা পড়তে পড়তে পলাশ কেকের প্যাকেটটা খুলে হতভম্ব হয়ে গেলো ।
Congratulation Love. You are going to be a father.
দুজন দুজনের মুখের দিকে তাকিয়ে স্তব্ধ হয়ে রইলো । দুজনই কি বলবে ভেবে পাচ্ছেনা ।

রাতের খাবার খেয়ে দুজনে বারান্দার মেঝেতে হেলান দিয়ে বসেছে ।
রুপাই শুরু করলো কথা ।
তুমি যে ওখানে অ্যাপ্লিকেশন করেছো আমাকে বলোনি কেন আগে ?
আসলে তখন সিনিয়ররা সবাই করছিলো তাই আমিও করে দিয়েছিলাম । যদিও চাইছিলাম হোক কিন্তু এত বাঘা বাঘা মানুষের মাঝে আমারই যে হয়ে যাবে তা বুঝিনি আর তখন এত কিছু ভাবিওনি । তুমিও তো আমাকে কিছু বলোনি ।
আমি তোমাকে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলাম ।
তারপর দুজনেই চুপ ।
অন্ধকারে পলাশ রুপার মুখটা দেখতে পাচ্ছেনা কিন্তু বুঝতে পারছে ও কাঁদছে ।
পলাশ কিছুক্ষণ ভেবে যা ডিসিশন নেওয়ার নিয়ে ফেললো । এই মেয়েটি, তার ভালোবাসা, তাদের অনাগত সন্তান, ওদের এই খুনসুটির সংসার এসব ফেলে ও কোথাও যাবেনা । এর চেয়ে বড় পাওয়া বড় অর্জন জীবনে আর কি হতে পারে ।

পলাশ একটানে রুপাকে কাছে নিয়ে আসলো ।
আচ্ছা , তুমি আমাকে ভালোবাসোতো ?
রুপা অভিমান করে ঠোঁট বাকিয়ে বললো, না ।
যাহ বাবা, যে কিনা আমাকে ভালোই বাসেনা তার জন্য আমার সিঙ্গাপুরের চাকরী না করে দিয়ে কি লাভ? ভালোবাসলে না হয় একটু ভেবে দেখা যেতো ।
রুপা খুশীতে বোকার মতো আরও বেশী করে কেঁদে উঠলো । আর পলাশ উঠলো হেসে ।

পলাশ বলল , আমাদের ছেলে হলে ভালো হয় না মেয়ে ?
আমার ছেলে পছন্দ রুপা বললো
আল্লাহ যা দেয় আলহামদুলিল্লাহ শুধু তোমার মতো গাধী না হলেই হলো ।
কি আমি গাধী ? তোমার মতো দুষ্টু হলে একটা পিট্টি দিবো ওকে ।
এই খবরদার। আমার বাবুর গায়ে হাত তোলা যাবেনা কিন্তু ।
ইশ তোমার একার নাকি আমারও ।
আমি কিন্তু ওকে স্কুলে পড়াবোনা । নিজে পড়াবো আর ধর্মীয় শিক্ষা দিবো । তবে তোমার কাছে ওকে পড়তে দেওয়া যাবেনা । তুমি যে বোকা কি পড়াতে কি পড়াবে, কি ভুল পড়াবে, পলাশ দুষ্টুমি করতে করতে বললো ।
আচ্ছা! তাই বুঝি ? আমি বোকা ? তোমার বাবু তুমি যেভাবে খুশী সেভাবে বড় করো । আমি আমার সংসার নিয়েই থাকবো ।

এমন হাজারো দুষ্টু আর মিষ্টি কথায় ওদের খুনসুটি চলতে লাগলো আর চলতে লাগলো ওদের খুনসুটির সংসার ।

বিঃ দ্রঃ গল্পটি পাঠকের কাছে কেমন লাগবে ঠিক বুঝতে পারছিনা । তবে চেষ্টা করেছি সর্বোচ্চ । আমি আশা করবো পাঠকরা নিরপেক্ষ মতামত দিবেন যেন সামনে ভালো করতে পারি । এর আগের গল্পে দু একজন সিনিয়র ভাইয়া খুবই আন্তরিক ভাবে কিছু পরামর্শ দিয়েছিলেন এই গল্পটি লেখার সময় তা মাথায় রাখার চেষ্টা করেছি । আজকেও যদি তেমন কিছু পাই তাহলে খুশী হবো ।

মন্তব্য ৬০ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৬০) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৫৬

বলেছেন: সুখী সংসারের গল্প --- এমন সংসার হোক আপনার এটাই নববর্ষের কামনা।


০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫০

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @সুখী সংসারের গল্প -।--- বেশীরভাগ সময়তো বিরহের কবিতা লেখি তাই ভাবলাম এবার একটু সুখ নিয়ে আসি !:#P



@এমন সংসার হোক আপনার এটাই নববর্ষের কামনা-- এই নববর্ষে ভাইয়ার কাছে থেকে পাওয়া এই দোয়া আমার জন্য নববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার । তবে সেই সংসারটি যেন আমার মদন চাঁদের সাথে হয় :P আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করুন আমীন :P

কষ্ট করে সময় নিয়ে গল্পটি পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ প্রিয় লতিফ ভাইয়া ।

২| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: এমন একটা সংসারের স্বপ্ন প্রতিটি নারী পুরুষই দেখে।
তবে নারীরা একটু বেশীই দেখে। পুরুষ হয়তো ঘুমের
ঘোরে দেখে আর নারীরা শয়নে স্বপনে। যা হোক
আপনারও এমন একটি সংসার হোক ছেলে মেয়ে
নাতি পুতি নিয়ে কানায় কানায় পূর্ণ হোক নববর্ষে
সেই প্রত্যাশা রইলো। সংসার হলে দাওয়াত দিয়েন।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৯

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @এমন একটা সংসারের স্বপ্ন প্রতিটি নারী পুরুষই দেখে।
তবে নারীরা একটু বেশীই দেখে। পুরুষ হয়তো ঘুমের
ঘোরে দেখে আর নারীরা শয়নে স্বপনে।
--- হা ভাইয়া সবারই থাকে এমন সুন্দর ও সুখী একটি সংসারের স্বপ্ন । মেয়েরা একটু বেশীই স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে এসব নিয়ে । তবে ছেলেরাও দেখে কিন্তু তারা প্রকাশ করে কম আর ছেলেরা মেয়েদের এসব স্বপ্ন পূরণের জন্যই জীবনের ঘাত প্রতিঘাত এতো বেশী ফেস করে ।


@যা হোক
আপনারও এমন একটি সংসার হোক ছেলে মেয়ে
নাতি পুতি নিয়ে কানায় কানায় পূর্ণ হোক নববর্ষে
সেই প্রত্যাশা রইলো। সংসার হলে দাওয়াত দিয়েন।
--- ভাইয়া, আপনিও লতিফ ভাইয়ার মতো এমন সুন্দর দোয়া দিলেন 8-| আপনার দোয়াও কবুল হোক আমীন :P
আর হ্যাঁ, অবশ্যই অবশ্যই দাওয়াত দিবো, ইনশাআল্লাহ B-)

৩| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:১২

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন:
আগে অনেক গল্প পড়তাম।ইদানিং গল্প পড়া হয়ে ওঠে না।অনেকদিন পরে আপনার লেখা গল্পটা পড়লাম। বেশ ভালই লাগলো। চালিয়ে যান।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫২

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @আগে অনেক গল্প পড়তাম।ইদানিং গল্প পড়া হয়ে ওঠে না।অনেকদিন পরে আপনার লেখা গল্পটা পড়লাম-- কষ্ট করে সময় নিয়ে গল্পটি পড়ে আপনার মতামত জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ হাফিজ ভাইয়া 8-|

@বেশ ভালই লাগলো। চালিয়ে যান।--- অবশ্যই চেষ্টা করবো ভাইয়া । লেখা ভালো লাগায় অনুপ্রাণিত ।

৪| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৬

খাঁজা বাবা বলেছেন: ভাল লেগেছে :)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৪

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @ভাল লেগেছে -- সন্ন্যাসীর কাছে সংসারের গল্প ভালো লেগেছে জেনে খুশী হলাম খাঁজা বাবা :P 8-|

ধন্যবাদ ভাইয়া লেখাটি পড়ে আপনার ভালো লাগা জানানোর জন্য ।

৫| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০৫

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: আপূূূূূূূূূূূূূূূূূূূূূূূ প্রথমে আন্তরিক মাফ চাই ১০০% আজব একটা মন্তব্য করার জন্য-----

শুরু থেকে শুরু করি,
এই ধরনের পুরুষ মানুষ মাদার আর্থে নাই, যারা এই গল্পের মতো বিছানা গোছায়! মানে বিছানার চাদর গোছানো, না কি এইটা দেখার সময় যাদের আছে(!!!) তারা খুবই দজ্জাল প্রকৃতির হয়! ট্রাস্ট মি, আমার একটা খালু আছে এমন- ওনাদের বাসায় গেলে আমরা কাজিনরা দুষ্টুমি কি, লড়াচড়াও করতে পারি না।

মহারাজা মহারাজা লাগে, দেখছেন কেমন কতৃত্ববাদী |!! :P

তোমার ছায়ার কাছেও আসতে দিবোনা কিন্তুক বাস্তবটা হলো, প্রেম করে যারা বিবাহ করে, তারা বিয়ের শুরুতে এইসব কথা বললেও- কয়েকবছর পর থেকে কিযে বলা শুরু করে, আল্লাহ পাক্ ভালো জানেন :| অনেকে আমতলা জামতলা কৃষ্ণচূড়া গাছকেও অভিশাপ দেয়!! B-)

রুপা কেমিস্ট্রি তে মাস্টার্স করেছে তাও সংসার করছে- এই জিনিসটা ভালো -সুন্দর -শিক্ষনীয়! রুপা সমাজের এলিটশ্রেনির নারী বলেই এতো সহজে কাজ টা করতে পারলো!

আচ্ছা আপু, হিন্দি ভাষার উপরে আপনার ভালো দক্ষতা আছে, তাই না?

উনি স্বপরিবারে সিংগাপুর চলে যাক, আমার সাজেশন!!? পলাশমিয়াকে বইলেন আমার সাথে যোগাযোগ করতে!

আমি এই গল্পের প্রতিটা লাইন পড়লাম....প্রতিটা দাড়ি কমা লক্ষ্য করলাম। এই রকম (আমার মতো) মতো মন্তব্যকারী তামাম দুনিয়ায় আর নেই!
আপু গল্পটা সুন্দর! কিন্তু এই গল্পের বাস্তবতা সমাজের এলিটশ্রেনির কাছে স্পষ্ট। আমার মতো ছাপোষা মধ্যবিত্তরা (যারা বিবাহিত, আমিতো ছাত্র =p~ ), এই গল্পটা পড়ে একটু মন খারাপ করবে। সবার ঘরে সুখের কি ভিন্ন সংজ্ঞায়ন!!

আমি এই লেখায় এ প্লাস দিবো, থিম হিসেবে "এলিটদের সুখের সংসার" খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৯

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন:
@এই ধরনের পুরুষ মানুষ মাদার আর্থে নাই, যারা এই গল্পের মতো বিছানা গোছায়! মানে বিছানার চাদর গোছানো, না কি এইটা দেখার সময় যাদের আছে(!!!) তারা খুবই দজ্জাল প্রকৃতির হয়! ট্রাস্ট মি, আমার একটা খালু আছে এমন- ওনাদের বাসায় গেলে আমরা কাজিনরা দুষ্টুমি কি, লড়াচড়াও করতে পারি না।
--- হা হা ! এইটা ঠিক প্রান্ত ভাইয়া, এমন ছেলে পৃথিবীতে নেই যে বিছানার চাঁদর গোছাবে তবে মশারী টাঙায় এমন আছে, আমার বাবা নিজেই =p~ আমার গল্পের নায়ক কিন্তু চাঁদর গোছায় না কিন্তু তার বিছানার চাঁদর টান টান পছন্দ । এমন দু একজন জিনিয়াস মানুষ তো থাকতেই পারে যারা কমপিউটারে গেম খেলতে খেলতে ও সিনেমা দেখতে দেখতেও বিছানার চাঁদর ঠিক আছে কিনা তাও খেয়াল রাখতে পারে =p~ তোমার খালু তো সাংঘাতিক মানুষ আমিতো জানতাম এমনটি সাধারণত মেয়েরা করে :|| পরের বার ঐ আঙ্কেলের বাসায় গেলে তার নিজের বিছানায় উঠেই খেলা শুরু করে দিবে :D

@মহারাজা মহারাজা লাগে, দেখছেন কেমন কতৃত্ববাদী |!! :P
-- বউ যখন বেশী আদর যত্ন করবে তখন তো লাগবেই এমন মহারাজা মহারাজা :P আর গল্পের মত এমন একটা বউ থাকলে কতৃত্ববাদী হলেও সমস্যা কি =p~


@তোমার ছায়ার কাছেও আসতে দিবোনা কিন্তুক বাস্তবটা হলো, প্রেম করে যারা বিবাহ করে, তারা বিয়ের শুরুতে এইসব কথা বললেও- কয়েকবছর পর থেকে কিযে বলা শুরু করে, আল্লাহ পাক্ ভালো জানেন :| অনেকে আমতলা জামতলা কৃষ্ণচূড়া গাছকেও অভিশাপ দেয়!!
-- আমতলা, জামতলা কৃষ্ণচূড়া তাহলে কচু, কলা, গাব এরা বাদ যাবে কেন :-B


@রুপা কেমিস্ট্রি তে মাস্টার্স করেছে তাও সংসার করছে- এই জিনিসটা ভালো -সুন্দর -শিক্ষনীয়! রুপা সমাজের এলিটশ্রেনির নারী বলেই এতো সহজে কাজ টা করতে পারলো!
--- ওখানে আসলে এলিট হিসেবে গণ্য হবে এমন কিছু মেনশন করিনি তবে কিছু কিছু মেয়ের কাছে জীবনে বড় চাকরী নিজের পায়ে দাঁড়ানো এসবের চেয়ে এমন সুন্দর একটি সংসারই সবকিছু আর তার জন্য রুপার মতো মেয়েরা কিছু স্যাক্রিফাইস ও কম্প্রোমাউজ করতেই পারে ।

@আচ্ছা আপু, হিন্দি ভাষার উপরে আপনার ভালো দক্ষতা আছে, তাই না?-- হুম মোটামোটি আছে ভাইয়া ।

@উনি স্বপরিবারে সিংগাপুর চলে যাক, আমার সাজেশন!!? পলাশমিয়াকে বইলেন আমার সাথে যোগাযোগ করতে!--সিঙ্গাপুরের বাসায় কি বড় বারান্দা আছে ? তাহলে বলবো ;)

@আমি এই গল্পের প্রতিটা লাইন পড়লাম....প্রতিটা দাড়ি কমা লক্ষ্য করলাম। এই রকম (আমার মতো) মতো মন্তব্যকারী তামাম দুনিয়ায় আর নেই!
আপু গল্পটা সুন্দর! কিন্তু এই গল্পের বাস্তবতা সমাজের এলিটশ্রেনির কাছে স্পষ্ট। আমার মতো ছাপোষা মধ্যবিত্তরা (যারা বিবাহিত, আমিতো ছাত্র =p~ ), এই গল্পটা পড়ে একটু মন খারাপ করবে। সবার ঘরে সুখের কি ভিন্ন সংজ্ঞায়ন!!
-- সবার আগে ধন্যবাদ ভাইয়া এতো সুন্দর করে গল্পটি পড়ার জন্য । কিন্তু ভাইয়া দুই রুমের ছিমছাম একটা বাসা নিয়ে থাকা ও সিঙ্গাপুরের চাকরী না করে দেওয়ার জন্য এলিট শ্রেণী না হলেও হয় শুধু ভালোবাসাই যথেষ্ট । আমাদের মতো মধ্যবিত্তরাও চাইলে পারে এমন সুখের সংসার গড়তে ।
হুম আমার নিজেরই মন খারাপ লাগছে গল্প পড়ে :( কিন্তু এখানেই গল্প লেখার মজা চাইলেই নিজের ইচ্ছেমত করে নেওয়া যায় সবকিছু যেটা বাস্তবে সম্ভব নয় ।


@আমি এই লেখায় এ প্লাস দিবো, থিম হিসেবে "এলিটদের সুখের সংসার" খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে
-- বড় বোন হিসেবে আমি দোয়া করে দিলাম আমার প্রান্ত ভাইয়ারও যেন ভবিষ্যতে এমন একটি সুখের সংসার হয় :#)

৬| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৬

নয়া পাঠক বলেছেন: 'কথার ফুলছুরি' নামটা মনে হয় স্বার্থক! পুরোপুরি, অসামান্য কথার পিঠে কথা গেঁথে বানানো এক ছোটগল্পের মালা! সুন্দর গল্প, এমন সুন্দর জীবন সকলের হলে পৃথিবীটা কি মধুর হত! সব কিছু পানসে লাগত, দাম্পত্য কলহ না হলে ভালোবাসায় কি সুখ থাকে? ঠিক যেমন: পোলাও কোর্মা যদি তিন বেলাই খাওয়া হয় তাহলে তো সেটার স্বাদও কিছুদিন পর বিস্বাদ হয়ে যাবে, মাঝে মাঝে ঝোল-ঝাল, ভর্তা-ভাজি না খেলে মিষ্টির স্বাদ তো আর মিষ্টি থাকবে না।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১৫

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @কথার ফুলছুরি' নামটা মনে হয় স্বার্থক! পুরোপুরি, অসামান্য কথার পিঠে কথা গেঁথে বানানো এক ছোটগল্পের মালা---আপনি নিয়ে এখন পর্যন্ত ব্লগের অনেক ভাইয়া ও আপুর মুখে শুনেছি আমার নামের সার্থকতা । ভালোই লাগে তবে মাঝে মাঝে দিধাগ্রস্থ হয়ে পরি । তবে "ফুলঝুরি" হবে তা 8-|

@সুন্দর গল্প, এমন সুন্দর জীবন সকলের হলে পৃথিবীটা কি মধুর হত! সব কিছু পানসে লাগত, দাম্পত্য কলহ না হলে ভালোবাসায় কি সুখ থাকে? ঠিক যেমন: পোলাও কোর্মা যদি তিন বেলাই খাওয়া হয় তাহলে তো সেটার স্বাদও কিছুদিন পর বিস্বাদ হয়ে যাবে, মাঝে মাঝে ঝোল-ঝাল, ভর্তা-ভাজি না খেলে মিষ্টির স্বাদ তো আর মিষ্টি থাকবে না।
--- হা হা হা ! সবাই দেখি একই কথা বলে, প্রতিদিন পোলাও মাংস খেলে ভালো লাগেনা । লাগবে কিভাবে ? সেগুলো তো আমাদের প্রধান খাদ্য নয় ওগুলো মাঝে মাঝে খাওয়ার জন্য প্রতিদিন খেলে কিভাবে ভালো লাগবে ? ভাত তো প্রতিদিন খাই তারপরেও খারাপ লাগেনা কারন সেটিই আমাদের প্রধান খাদ্য । তবে আমার পোলাও খুব পছন্দ আমার প্রতিদিনই ভালো লাগে :#) ঠিক সেরকম ভালোবাসা যাদের মনের প্রধান খাদ্য তাদের কাছে তা সবসময়ই ভালো লাগে , কোন কলহ না হলেও :P তবে মাঝে মাঝে ছোট খাটো বিষয়ে একটু মান অভিমান সম্পর্কে আরও মিষ্টতা আনে ।

৭| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৩

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: আমি দোয়া করে দিলাম আমার প্রান্ত ভাইয়ারও যেন ভবিষ্যতে এমন একটি সুখের সংসার হয়
সেইটা যে হবে না, সেটা জেনেই, সেই সব কিছু ক্যালকুলেশন করেই আমি কমেন্ট করেছি :(

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @সেইটা যে হবে না, সেটা জেনেই, সেই সব কিছু ক্যালকুলেশন করেই আমি কমেন্ট করেছি :(--- ওহোরে ভাইয়া । একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আমাদের ভবিষ্যৎ আর কেউ বলতে পারেনা । তাই আমার প্রান্ত ভাইয়ারও সুযোগ থাকতেও পারে 8-| আর জীবনের সবরকম পরিস্থিতিতে একমাত্র আল্লাহ এর উপর ভরসা রাখতে হবে । সো আল্লাহ ভরসা !

৮| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৭

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: গল্পটা পড়লাম। গল্প তো গল্পই তাই না? কল্পনায় রং মিশিয়ে লেখক গল্পকে যে কোন দিকে মোড় নেওয়াতে পারেন। আপনার গল্প পড়ে মনে হল আপনার মনেও এমন সংসারের স্বপ্ন জমা হয়ে আছে। আপনার যদি এমন সংসারের স্বপ্ন থেকে থাকে তাহলে দোয়া করি আপনার সেই স্বপ্ন পূরণ হোক। কিন্তু একটা কথা- ব্লগার প্রান্ত যে কথাগুলো বলেছে আমি তার কথাগুলোর সাথে অনেকাংশেই একমত। এমন সংসার কেবল কল্পনায়ই রচনা করা যায়, বাস্তবে খুব কমই তার প্রতিফলন ঘটে। তারপরও এমন গল্প লিখতে বা স্বপ্ন দেখতে তো কারো জন্য নিষেধাজ্ঞা নেই। তাই আপনিও লিখতে থাকুন। ভালো লিখেছেন।

বাই দ্য ওয়ে- আপনি যদি বর্ষার ফুল হয়ে থাকেন তাহলে আপনার নাম সম্ভবত কেয়া। শাপলাও হতে পারে, তবে কদম নিশ্চয়ই নয়। :) জাস্ট ফান।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @গল্পটা পড়লাম। গল্প তো গল্পই তাই না? কল্পনায় রং মিশিয়ে লেখক গল্পকে যে কোন দিকে মোড় নেওয়াতে পারেন। আপনার গল্প পড়ে মনে হল আপনার মনেও এমন সংসারের স্বপ্ন জমা হয়ে আছে। -- হা সম্রাট ভাইয়া, গল্প তো গল্পই তবে প্রতিটি গল্পই এক একটি মানুষের জীবনের গল্প । আর সেখানেই তো গল্প লেখার মজা, নিজের ইচ্ছে মতো সবকিছু সাজিয়ে নেওয়া যায় । বিরহ ভালো লাগেনা তাই সুখের গল্প লিখেছি । তবে পাঠকরা মনে হয় বিরহ একটু বেশীই পছন্দ করে :|


@আপনার গল্প পড়ে মনে হল আপনার মনেও এমন সংসারের স্বপ্ন জমা হয়ে আছে। আপনার যদি এমন সংসারের স্বপ্ন থেকে থাকে তাহলে দোয়া করি আপনার সেই স্বপ্ন পূরণ হোক-- এমন একটি সুখী সংসারের স্বপ্ন কোন মেয়ের না থাকে ভাইয়া ? অবশ্যই আছে আমারও, তবে একজন বিশেষ কাউকে নিয়ে । ভাইয়ার দোয়া কবুল হোক, আমীন 8-|

@ব্লগার প্রান্ত যে কথাগুলো বলেছে আমি তার কথাগুলোর সাথে অনেকাংশেই একমত। এমন সংসার কেবল কল্পনায়ই রচনা করা যায়, বাস্তবে খুব কমই তার প্রতিফলন ঘটে। তারপরও এমন গল্প লিখতে বা স্বপ্ন দেখতে তো কারো জন্য নিষেধাজ্ঞা নেই। তাই আপনিও লিখতে থাকুন। ভালো লিখেছেন।-- বাস্তবে যদি কোন রুপা আর পলাশের সংসার হয় তাহলে সেই সংসার আমার গল্পের মত হতেও পারে ;) । গল্প লেখা খুব কঠিন, কবিতা অনেক আগে থেকে লিখলেও গল্প কখনো লিখিনি । তবে চেষ্টা করছি আর ভাইয়ার কাছে লেখা ভালো লেগেছে জেনে অনুপ্রানিত 8-|

@বাই দ্য ওয়ে- আপনি যদি বর্ষার ফুল হয়ে থাকেন তাহলে আপনার নাম সম্ভবত কেয়া। শাপলাও হতে পারে, তবে কদম নিশ্চয়ই নয়। :) জাস্ট ফান। -- না মানে ইয়ে ভাইয়া আজ যেন কি বার আমি ভুলে গিয়েছি :P হাড়ি টা হাটে না ভাংলেই কি নয় :(( :P

৯| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:০৪

বিজন রয় বলেছেন: আপনার এই গল্পটি পড়ে আমার মনে হলো গল্প লেখা অনেক সহজ। আমাকেও চেষ্টা করতে হবে। মানুষের মনে সুখ থাকলে এমন গল্প লেখা যেতে পারে।

**** গল্পের ভিতর চরিত্রের মনের অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলা গল্পকারের দায়িত্ব।

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন - বাই দ্য ওয়ে- আপনি যদি বর্ষার ফুল হয়ে থাকেন তাহলে আপনার নাম সম্ভবত কেয়া। শাপলাও হতে পারে, তবে কদম নিশ্চয়ই নয়।............ চমৎকার।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @আপনার এই গল্পটি পড়ে আমার মনে হলো গল্প লেখা অনেক সহজ। আমাকেও চেষ্টা করতে হবে।-- গল্প টি খুবই সহজ সরল আর ঝামেলাহীন তাই হয়তো সহজ মনে হয়েছে ভাইয়া । তবে লিখতে গিয়ে বুঝেছি গল্প লেখা কতটা কঠিন । আপনি লিখেন ভাইয়া গল্প আমার মনে হয়না খারাপ হবে ।

@মানুষের মনে সুখ থাকলে এমন গল্প লেখা যেতে পারে-- কল্পনা থেকে লিখলে সুখে না থাকলেও লেখা যায় সুখের গল্প । আর জানেন তো ভাইয়া পাগলের সুখ মনে মনে ।

@ গল্পের ভিতর চরিত্রের মনের অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলা গল্পকারের দায়িত্ব।-- আমি কি সেটা পেরেছি ভাইয়া ?


@সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন - বাই দ্য ওয়ে- আপনি যদি বর্ষার ফুল হয়ে থাকেন তাহলে আপনার নাম সম্ভবত কেয়া। শাপলাও হতে পারে, তবে কদম নিশ্চয়ই নয়।............ চমৎকার।
--- হা ভাইয়া, সম্রাট ভাইয়া আসলেই বেস্ট :D

১০| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ভালো লেগেছে......

সুখী পরিবারের কথামালা.....
প্রত্যেকটা পরিবারেই যেন এমন খুনসুঁটির দেখা মেলে.....

মদন মিয়া রাখবে তো এমন ;)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @সুখী পরিবারের কথামালা.....
প্রত্যেকটা পরিবারেই যেন এমন খুনসুঁটির দেখা মেলে....
-- বেশীরভাগ সময় তো বিরহের কবিতা লিখি তাই ভাবলাম গল্পে কিছুটা সুখ নিয়ে আসি ।


@মদন মিয়া রাখবে তো এমন -- গল্পটি রুপা আর পলাশের । আমার মদন চাঁদ যদি পলাশ হয় ও কথার ফুলঝুরি রুপা হয় তাহলে সে রাখবে আমাকে এমন ;)

লেখা ভালো লাগায় অনুপ্রাণিত আর্কিওপটেরিক্স ভাইয়া এবং কষ্ট করে গল্প পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

১১| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩০

সুমন কর বলেছেন: মিষ্টি গল্প। ভালো লাগল। +।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @মিষ্টি গল্প। ভালো লাগল। +। ---গল্প ভালো লাগায় অনেক বেশী অনুপ্রাণিত ভাইয়া সাথে প্লাস পেয়ে বেজায় খুশী :#)

কষ্ট করেযে গল্প টি পড়েছেন তার জন্য অনেক ধন্যবাদ সুমন ভাইয়া ।

১২| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪০

কালীদাস বলেছেন: গল্পটা বেশ লেগেছে।

তবে সবটা না! আমি খানিকটা কাঠখোট্টা মানুষ, আপনার জায়গায় আমি এই গল্পটা লিখলে খাম আদানপ্রদানের পর দুজনের হা হয়ে থাকা অবস্হাতেই গল্পটা শেষ করে দিতাম। সাসপেন্সের চুড়ান্ত অব্হায় থামালে গল্পটা আরও অসাধারণ হত। পাঠকদের আগ্রহের চুড়ায় নিয়ে ছেড়ে দিলে পরের অনিশ্চয়তাটুকু পাঠকের নিজের কল্পনায় সাজানোর সুযোগটা মিস করেছি আমি। দুজনের মুখের হা বন্ধ হবার পরের জায়গাটা বোরিং লেগেছে আমার, কারণ শকটা অনেকটাই স্হিমিত হয়ে গেছে ন্যাকা-প্যাকা ডায়লগে :(( ওয়েল, এটা আমার একান্তই আমার মত!

চালিয়ে যান :)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @গল্পটা বেশ লেগেছে।
তবে সবটা না! আমি খানিকটা কাঠখোট্টা মানুষ, আপনার জায়গায় আমি এই গল্পটা লিখলে খাম আদানপ্রদানের পর দুজনের হা হয়ে থাকা অবস্হাতেই গল্পটা শেষ করে দিতাম। সাসপেন্সের চুড়ান্ত অব্হায় থামালে গল্পটা আরও অসাধারণ হত
-- হা হা ছেলেরা একটু কাটখোট্টাই ভালো ভাইয়া :P হা ভাইয়া গল্পে সাসপেন্স থাকলে তাতে অন্যরকম এক অনুভূতি কাজ করে তখন পাঠক হিসেবে কিছুটা ভাবনারও সুযোগ মিলে । বিষয়টি পাঠককে গল্পের আরও ভেতরে নিয়ে যেতে সহায়ক । তবে আমার এই লেখার মূল বিষয় ছিল এমন একটি ছোট সংসারের স্বামী স্ত্রীর খুনসুটি, ভালোবাসা তুলে ধরা তাই কোন রকম সাসপেন্স না রেখে সহজ সমাধান নিয়ে এসেছি :D হা হা ! আর আমি কেন যেন বেশী জটিল করতে পারিনা কোন কিছু । বাট তারপরেও আপনার কাছে গল্প ভালো লেগেছে জেনে অনুপ্রাণিত ।


@পাঠকদের আগ্রহের চুড়ায় নিয়ে ছেড়ে দিলে পরের অনিশ্চয়তাটুকু পাঠকের নিজের কল্পনায় সাজানোর সুযোগটা মিস করেছি-- একটু অপেক্ষা করুন ভাইয়া, এখন যে গল্পের প্লট টা মাথায় আছে তাতে আপনি সেই সুযোগ পাবেন আশা করি ;)


@দুজনের মুখের হা বন্ধ হবার পরের জায়গাটা বোরিং লেগেছে আমার, কারণ শকটা অনেকটাই স্হিমিত হয়ে গেছে ন্যাকা-প্যাকা ডায়লগে :(( ওয়েল, এটা আমার একান্তই আমার মত!
--- ভাইয়া ঐ জায়গাটাই তো আমার বেশী পছন্দের :( ওইটাই গল্পের মূল অংশ :D তবে ভাইয়া তো কাট খোট্টা মানুষ ওইসব খুনসুটি ভালো না লাগাটাই স্বাভাবিক =p~

@চালিয়ে যান :) -- চেষ্টা করছি লেখার আপনাদের ভালো লাগলে অনুপ্রানিত হই !:#P

১৩| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি তো আমার গল্প লিখেছেন।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৪৪

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ 8-| খুবই ভালো লাগলো জেনে যে গল্পের মতই সুখী আর সুন্দর ভাইয়ার সংসার। এমন সংসার কপাল শুণে মিলে।
কারো নজর যেনো না লাগে' ভালো থাকুন সবসময় আমাদের সুরভি ভাবী আর পরীকে নিয়ে। অনেক দোয়া আর ভালোবাসা রইলো ভাইয়ার সংসারের জন্য।

এই ছোট বোনটির জন্যও দোয়া করবেন ভাইয়া।

১৪| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:১৮

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ রাত্রী,
গল্প লেখার আবার চেস্টা করছেন খুব ভালো কথা, কিন্তু হুট করে কিছু লিখতে গেলে একটু ব্যাক গ্রাউন্ড ওয়ার্ক করে নিবেন। আজকে থেকে গল্প লেখার সময় ৩টা জিনিস মাথায় রাখবেন।
১. গল্পের থীম, স্টার্ট আর ফিনিস কেমন হবে সেটা আগেই ঠিক করে নিবেন। ফিনিস অবশ্যই ড্যাসিং হতে হবে।

২. যেহেতু নতুন লিখছেন, ভাষা একদম নিজেরটা স্বাভাবিক ভাবে ব্যবহার করুন। কৃত্রিম কোন ভাষা ভালো ভাবে আপনি বেশিক্ষন লিখতে পারবেন না। আপনার কথোপকথনে অনেক সমস্যা দেখা যাচ্ছে। একই লাইন/থীম ডুপ্লিকেট ভাবে বিভিন্ন রূপে আসছে, এটাতে সতর্ক হবেন। টেনে শুধু গল্প বড় করতে যাবেন না। পাঠক বিরক্ত
হয়ে যাবে।

৩. স্থান, সময় কিংবা প্রেক্ষাপট চেঞ্জ হলে সম্পূর্ন আলাদা ভাবে প্যারাগ্রাফ ব্যবহার করুন, যেন পাঠক বুঝতে পারে এটার সাব টপিক ভিন্ন। গোলমাল যেন না পাঁকিয়ে যায়! পারলে সময়ের ক্রমানুসার হিসেবে লিখবেন।

* ছোট গল্প লেখার জন্য শ্রদ্ধেয় কাওসার ভাইয়ের একটা পোষ্ট আছে সেটা খুব ভালো করে পড়ে নিবেন।
আরও লিখুন লিখতে লিখতেই হাত খুলে যাবে।
কেউ মায়ের পেট থেকে গল্প লেখা শিখে আসে না। আর চেস্টার উপর কিছুই নেই।

ধন্যবাদ আর শুভ কামনা রইল!

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৪১

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @গল্প লেখার আবার চেস্টা করছেন খুব ভালো কথা, কিন্তু হুট করে কিছু লিখতে গেলে একটু ব্যাক গ্রাউন্ড ওয়ার্ক করে নিবেন--- হ্যাঁ ভাইয়া, করলাম একটু চেষ্টা । ব্যাক গ্রাউন্ড ওয়ার্ক এর বিষয়টি আপনার গল্পের মন্তব্যে বলেছিলেন, তখনই বিষয়টি মাথায় নিয়ে নিয়েছি । তবে এই গল্পটি খুবই সাধারন একটি সংসারের গল্প যদিও কিছু পাঠকের কাছে তা অবাস্তব বলেই মনে হয়েছে । একটি মেয়ের কাছে এমন একটি সংসারের গল্প লেখার জন্য কোন ব্যাক গ্রাউন্ড ওয়ার্ক এর প্রয়োজন পরেনা, প্রয়োজন পরে শুধু কিছু সুন্দর ভাবনা যা আমার আছে যথেষ্ট এবং যেগুলো আমি গল্পটির মধ্যে নিয়ে এসেছি । তবে যদি কখনো সিরিয়াস কোন টপিক নিয়ে লিখি তখন অবশ্যই আপনার পরামর্শ অনুযায়ী ব্যাক গ্রাউন্ড ওয়ার্ক করে নিবো ।


@১. গল্পের থীম, স্টার্ট আর ফিনিস কেমন হবে সেটা আগেই ঠিক করে নিবেন। ফিনিস অবশ্যই ড্যাসিং হতে হবে।
---- হা তা তো করতেই হবে আর ফিনিশিং ড্যাসিং ? পাঠক মনে হয় ট্রাজেডি বেশী পছন্দ করে কিন্তু আমার কাছে যে তা ভালো লাগেনা সেক্ষেত্রে কিছুটা দ্বন্দ্ব হবে নিজের মনের সাথে :|

@২. যেহেতু নতুন লিখছেন, ভাষা একদম নিজেরটা স্বাভাবিক ভাবে ব্যবহার করুন। কৃত্রিম কোন ভাষা ভালো ভাবে আপনি বেশিক্ষন লিখতে পারবেন না। আপনার কথোপকথনে অনেক সমস্যা দেখা যাচ্ছে। একই লাইন/থীম ডুপ্লিকেট ভাবে বিভিন্ন রূপে আসছে, এটাতে সতর্ক হবেন। টেনে শুধু গল্প বড় করতে যাবেন না। পাঠক বিরক্ত
হয়ে যাবে।
--- ভাষার বিষয়টি একদম ঠিক । নিজের ভাষা ব্যাবহার করলে সমস্যা কম হবে । কথোপকথনে সমস্যাটা ঠিক ধরতে পারছিনা, আরেকবার পড়ে খেয়াল করবো । তবে আগের গল্পের চেয়ে এই গল্পে তা বার বার চেক করেছি তারপরেও আপনি কোন সমস্যার কথা বলছেন তা উদ্ধার করতে হবে । ব্লগে গল্প লেখা এক ধরনের চ্যালেঞ্জ ভাইয়া, তা লিখতে গিয়ে টের পেয়েছি কারন যখন লেখা শুরু করি তখন কোন কিছু বাদ দিতে ইচ্ছে করেনা আবার গল্প বেশী বড় হয়ে যাচ্ছে কিনা সেদিকেও খেয়াল রাখতে হয় সেক্ষেত্রে পাঠক বিরক্ত হবেনা এমন একটি পরিধিতে সবকিছু মনের মতো করে প্রকাশ করা খুবই কঠিন কাজ । আমি এখনও তা রপ্ত করতে পারিনি ।


@৩. স্থান, সময় কিংবা প্রেক্ষাপট চেঞ্জ হলে সম্পূর্ন আলাদা ভাবে প্যারাগ্রাফ ব্যবহার করুন, যেন পাঠক বুঝতে পারে এটার সাব টপিক ভিন্ন। গোলমাল যেন না পাঁকিয়ে যায়! পারলে সময়ের ক্রমানুসার হিসেবে লিখবেন।
--- ওকে ভাইয়া খেয়াল রাখবো বিষয়টি । আপনার লাস্ট লেখায় এই বিষয়টি দেখেছি নাম্বারিং করে প্যারা দিয়েছেন ।


@ ছোট গল্প লেখার জন্য শ্রদ্ধেয় কাওসার ভাইয়ের একটা পোষ্ট আছে সেটা খুব ভালো করে পড়ে নিবেন।
আরও লিখুন লিখতে লিখতেই হাত খুলে যাবে।
কেউ মায়ের পেট থেকে গল্প লেখা শিখে আসে না। আর চেস্টার উপর কিছুই নেই।
--- কাওসার ভাইয়ার লেখাটি পড়েছি। বাট গল্প লেখার যেহেতু চেষ্টা করছি আবার মনে হয় একটু পড়লে আমার জন্যই ভালো হত । পড়ে নিবো অবশ্যই । উৎসাহ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া ।

লেখাটি পোস্ট করার পর অপেক্ষা করছিলাম ভাইয়া কখন মন্তব্য করবে লেখায় এবং কেমন লাগবে । অবশেষে ভাইয়ার সাজেশন পূর্ণ একটি মন্তব্য পেয়ে ভালো লাগলো কারন এর জন্যই অপেক্ষায় ছিলাম ।

সবশেষে, শুভ সকাল ভাইয়া ।

১৫| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৩০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



কথাপু,
শুভ নববর্ষ। ঢাকায় থেকেও ব্লগ ডে'তে আসলেন না; কষ্ট পেলাম। আশা করি, আগামী দিনগুলোতে পাব। প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই এতো চমৎকার একটি রুমান্টিক জুটিকে গল্পে নিয়ে আসার জন্য। মোর এমন একখান বউ যদি হইতো !! জানি গল্পের রুমান্টিক আর অতি ভাল বউয়েরা বাস্তবে হবে না কখনো। আর আমার বেলায় কপাল বরাবরই পোড়া!!

এবার আসি গল্পের বিষেয়ে। দেখলাম বেশ কয়েকজন গুণী লেখক কমেন্টে মতামত দিয়েছেন। এজন্য আমি এগুলো রিপিট করবো না। আপনি নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন গল্পের নামের সাথে কাহিনীর হুবহু মিলে গেছে!! নামে কোন নাটকীয়তা নেই। এজন্য গল্পের নাম দেখে পাঠকরা যা কল্পনা করবেন কাহিনীও তাই। এটা করা যাবে না। গল্পের ভূমিকা থেকে উপসংহারে যাওয়ার আগ পর্যন্ত পাঠকরা যাতে পরিণতি না বুঝতে পারেন সেদিকে লেখককে সদা সতর্ক থাকতে হবে।

এই গল্পের প্রথম থেকে পাঠক যা ভেবেছেন শেষটাও তাই হয়েছে। এখানে নেই শক্তিশালী প্লট, ছোট খাটো চরিত্র এবং কাহিনীর বৈচিত্র্যতা। এছাড়া এমন গল্পের কাহিনীকে গতিশীল করতে ডায়লগে আরো জোর দিতে হয়; পাশাপাশি টুইস্ট থাকা বাঞ্ছনীয়। কাহিনীর ভেতরের কাহিনী কিংবা বাঁক থাকলে পাঠকের কৌতুহল জাগে। গল্প পড়তে পড়তে পাঠকরা নিজের মত করে একটি সমাপ্তি কল্পনা করেন। লেখকের দায়িত্ব হলো পাঠককে ঠকানো; অর্থাৎ পাঠকের কল্পনাকে ভুল প্রমাণ করা। এটাই লেখকের সার্থকতা।

একজন শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে নিজের মতামতটুকু লেখলাম। যাতে গল্প লেখার হাত আরো পাঁকা হয়। কথা সাহিত্য কঠিন একটি মাধ্যম। এজন্য নিয়মিত অনুশীলনের কোন বিকল্প নেই। দেখবেন লেখতে লেখতে একদিন ঠিকই আপন কক্ষপথ খুঁজে পাবেন।

শুভ রাত্রি, আপু।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০৩

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @কথাপু,
শুভ নববর্ষ। ঢাকায় থেকেও ব্লগ ডে'তে আসলেন না; কষ্ট পেলাম। আশা করি, আগামী দিনগুলোতে পাব
-- যাওয়ার খুব ইচ্ছে ছিল ভাইয়া । কিন্তু একা একা যেতে ইচ্ছে হয়নি আর আপনাদের সাথে সামনা সামনি কমফরটেবল ফিল করবোনা ভাবছিলাম তাই কিছুটা ইতস্তত লাগছিলো । কারন বাস্তবে আমি কিছুটা ইন্ট্রভার্ট টাইপের কিনা, কথা কম বলি একদমই । তবে আপনাদের সবার প্রাণবন্ত হাসিখুশি ছবিগুলো দেখে মনে হয়েছে গেলে ভালোই লাগতো । আগামীবার ইচ্ছে আছে যাওয়ার দেখা যাক কি হয় ।


@প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই এতো চমৎকার একটি রুমান্টিক জুটিকে গল্পে নিয়ে আসার জন্য। মোর এমন একখান বউ যদি হইতো !! জানি গল্পের রুমান্টিক আর অতি ভাল বউয়েরা বাস্তবে হবে না কখনো। আর আমার বেলায় কপাল বরাবরই পোড়া!! --- হা হা ! কথার ফুলঝুরি দোয়া করে দিলো আপনার যেন এমন একটি লক্ষ্মী বউ হয় এবং তা ২০১৯ এই :P আমার কিন্তু পোলাও রোষ্ট খুব পছন্দ ভাইয়া, দাওয়াত চাই কিন্তু । কেন গল্পটি সবার কাছে এত অবাস্তব লাগছে বুঝতে পারছিনা । বাস্তবের মেয়েরা কি এমন হয়না ? এমন সংসার হয়না ? অবশ্য আসেপাশে খুব বেশী নেগেটিভিটি দেখতে দেখতে এখন এমন কিছু অবাস্তব লাগবে এটাই স্বাভাবিক ।


@আপনি নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন গল্পের নামের সাথে কাহিনীর হুবহু মিলে গেছে!! নামে কোন নাটকীয়তা নেই। এজন্য গল্পের নাম দেখে পাঠকরা যা কল্পনা করবেন কাহিনীও তাই। এটা করা যাবে না। গল্পের ভূমিকা থেকে উপসংহারে যাওয়ার আগ পর্যন্ত পাঠকরা যাতে পরিণতি না বুঝতে পারেন সেদিকে লেখককে সদা সতর্ক থাকতে হবে।
--- আপনি তো খুব দুষ্টু গল্পকার ভাইয়া B:-) কেন পাঠকদের ওমন কষ্ট দিবেন ? তবে বিষয়টি অবশ্যই পরেরবার খেয়াল রাখবো । আর এই গল্পের নামটিই যে আমার আগে এসেছিলো মনে, গল্প পরে সাজিয়েছি :P

@এই গল্পের প্রথম থেকে পাঠক যা ভেবেছেন শেষটাও তাই হয়েছে। এখানে নেই শক্তিশালী প্লট, ছোট খাটো চরিত্র এবং কাহিনীর বৈচিত্র্যতা। এছাড়া এমন গল্পের কাহিনীকে গতিশীল করতে ডায়লগে আরো জোর দিতে হয়; পাশাপাশি টুইস্ট থাকা বাঞ্ছনীয়। কাহিনীর ভেতরের কাহিনী কিংবা বাঁক থাকলে পাঠকের কৌতুহল জাগে। গল্প পড়তে পড়তে পাঠকরা নিজের মত করে একটি সমাপ্তি কল্পনা করেন। লেখকের দায়িত্ব হলো পাঠককে ঠকানো; অর্থাৎ পাঠকের কল্পনাকে ভুল প্রমাণ করা। এটাই লেখকের সার্থকতা।
--- হা ভাইয়া, গল্পটির নাম দেখেই কল্পনা করা যায় তার ভেতরে কি আছে । এবং খুবই সিম্পল কাহিনী । টুইস্ট কিছুটা দেওয়ার চেষ্টা করেছিতো ভাইয়া, শেষে সারপ্রাইজের ব্যাপারটা বাট আরও একটু কিছু থাকলে মনে হয় ভালো হত ।


@একজন শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে নিজের মতামতটুকু লেখলাম। যাতে গল্প লেখার হাত আরো পাঁকা হয়। কথা সাহিত্য কঠিন একটি মাধ্যম। এজন্য নিয়মিত অনুশীলনের কোন বিকল্প নেই। দেখবেন লেখতে লেখতে একদিন ঠিকই আপন কক্ষপথ খুঁজে পাবেন।
-- আগের লেখায় কিছু সমস্যা ছিল, তা এই লেখায় কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করেছি, অনেকবার পড়েছি, চেক করেছি । অপেক্ষায় ছিলাম ভাইয়া কখন মন্তব্য করবে তবে আপনি ইদানীং খুব কম সময় দেন ব্লগে তাই সন্দেহ হচ্ছিলো এই লেখায় পাবো কিনা আপনাকে অবশ্য না পেলেও আপনাকে ঠিক দাওয়াত দিয়ে আসতাম ।

ব্লগে গল্পের যাদুকর যারা আছেন ইতোমধ্যে তাদের মন্তব্য আমি পেয়ে গিয়েছি, অপেক্ষায় ছিলাম । এখন বাকী রইলো পদাতিক ভাইয়া । সবশেষে ভাইয়াকে শুভ সকাল এবং অনেক ধন্যবাদ সেই প্রথম থেকে পাশে থাকার জন্য ।

১৬| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৫৫

রাফা বলেছেন: এটা‘তো টিভি নাটকের সিকোয়েন্স হয়ে গেলো । গল্পের সময়কাল আরো বিস্তৃত হলে ভালো হয়।

ধন্যবাদ,ক.ফুলঝুরি।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০৮

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @এটা‘তো টিভি নাটকের সিকোয়েন্স হয়ে গেলো । গল্পের সময়কাল আরো বিস্তৃত হলে ভালো হয়।--- গল্প কখনো লিখিনি ভাইয়া । ব্লগে এসে প্রথম হাতেখড়ি । আট মাসে এইটা আমার ৩ নং গল্প । তেমন পারিনা কিন্তু চেষ্টা করছি লেখার । আপনার মতো কয়জন সিনিয়র ভাইয়া খুব সুন্দর সাজেশন দিয়ে সবসময় পাশে আছেন চেষ্টা করছি সেগুলো মেনে ইম্প্রুভ করার । আপনার সাজেশনটাও মাথায় রাখলাম ভাইয়া ।

আপনাকে আজ প্রথম পেলাম আমার লেখায় এবং খুবই ভালো লাগলো রাফা ভাইয়া । একজন সিনিয়র এর মন্তব্য নতুনদেরকে অনেক অনুপ্রেরণা যোগায় । কষ্ট করে সময় নিয়ে লেখা পড়ে মন্তব্য করে উৎসাহ জোগানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া 8-|

১৭| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৫৭

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: কথা আপু, হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০১৯!

যেসব সমালোচনা আমার মাথায় এসেছিল সেসবই ওপরে সবাই বলেছেন। আমি মনে করি ভালো গল্প লেখার জন্যে ভালো গল্প পাঠ অনেক জরুরি। তাহলে নতুন নতুন আইডিয়া মাথায় আসে। সবার মূল কথা হচ্ছে, অবাস্তব গল্পটি পাঠকের মনকে নাড়া দিতে পারবেনা। আমার মনে হয়, সুন্দরী সেজেগুজে থাকা মহান নিখুঁত নায়িকা এবং সাকসেসফুল সৎচরিত্রের অধিকারী নায়কের মধ্যকার মাত্রাতিরিক্ত, অবাস্তব রোমান্স নয় বরং মেকআপহীন, তেল দিয়ে টাইট খোঁপা করা, তেল মরিচ মাখা শাড়ি/কামিজে থাকা খিটখিটে মেজাজের নায়িকা ও জীবন যুদ্ধে ক্লান্ত, নানা প্রকার মানসিক চাপে ভারাক্রান্ত দুটো মানুষ তুমূল ঝগড়ার এক পর্যায়ে হুট করে যখন একে অপরের দিকে তাকিয়ে হেসে ফেলে, অথবা কয়েকদিন অভিমানে বাতচিত বন্ধ হবার পরে দুজনে থাকতে না পেরে কথা শুরু করার পরোক্ষ চেষ্টা করে, তার মধ্যেই বাস্তবসম্মত এবং প্রকৃত প্রেম থাকে। এর সাথে বেশিরভাগ পাঠক পাঠিকা রিলেট করতে পারে, আর "আল্লাহ! গল্পকার আমার গল্পটি লিখল কি করে?" মুগ্ধতায় আচ্ছন্ন থাকে। হুমায়ূন স্যার এভাবেই সবাইকে মুগ্ধ করতেন। সবচেয়ে বড় কথা নায়ক নায়িকা খারাপও হতে পারে। নায়িকা হয়ত পরকীয়া করছে, নায়ক হয়ত দূর্নীতিবাজ। মানুষের সেই ক্রিটিক্যাল সাইকোলোজিকে পাতায় আনাই তো গল্পকারের কাজ! সেধরণের গল্প লিখতে গেলে গভীর ডায়ালগ ও নিখুঁত চরিত্র নির্মাণের স্কিলটি রপ্ত করতে হবে। কিভাবে করবেন? আপনি অলরেডী তা করছেন, এভাবে লিখতে লিখতেই সেখানে পৌঁছে যাবেন আপু। অল দ্যা বেস্ট!

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:২১

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @যেসব সমালোচনা আমার মাথায় এসেছিল সেসবই ওপরে সবাই বলেছেন। আমি মনে করি ভালো গল্প লেখার জন্যে ভালো গল্প পাঠ অনেক জরুরি। তাহলে নতুন নতুন আইডিয়া মাথায় আসে-- হা ঠিক বলেছেন আপু । পড়লে আইডিয়াও পাওয়া যায় ও লেখার ক্ষেত্রেও অনেক ধারনা পাওয়া যায় । কিন্তু প্রতিটা মানুষের জীবনই এক একটি গল্প সেক্ষেত্রে আমাদের আসে পাশেই আইডিয়ার অভাব নেই ।

@সবার মূল কথা হচ্ছে, অবাস্তব গল্পটি পাঠকের মনকে নাড়া দিতে পারবেনা।
--- আমি আসলেই খুবই দ্বিধাগ্রস্থ আপুর কাছে গল্পটি কেন এত অবাস্তব মনে হল । একটি ওয়েল এডুকেটেড মেয়ে যার স্বপ্ন একজন পারফেক্ট গৃহিণী হওয়া, ভালোবাসার মানুষের সাথে ঘর বাধার পর, দুজনের প্রতি দুজনের বিশ্বাস ভরসা নিয়ে যে সংসারের পথ চলা তা কিভাবে অবাস্তব হয় ? পৃথিবীর সব মেয়েই উচ্চভিলাষী হয়না, সব মেয়েই শ্বশুরবাড়ির মানুষকে অপছন্দ করেনা, সব মেয়েই স্বামীর সাথে খিট মিট ব্যাবহার করেনা, ডমিনেটিং স্বভাবের হয়না, সব মেয়েরই জরু কা গোলাম টাইপ স্বামী পছন্দ না । বাস্তবের কেউ কেউও আমার গল্পের রুপার মত হয় । তবে আমরা আসেপাশে এত বেশী নেগেটিভিটি দেখতে অভ্যস্ত যে এমন সহজ সরল সুন্দর কিছু আমাদের কাছে অবাস্তব মনে হওয়াটা অস্বাভাবিক নয় ।


@আমার মনে হয়, সুন্দরী সেজেগুজে থাকা মহান নিখুঁত নায়িকা এবং সাকসেসফুল সৎচরিত্রের অধিকারী নায়কের মধ্যকার মাত্রাতিরিক্ত, অবাস্তব রোমান্স নয় বরং মেকআপহীন, তেল দিয়ে টাইট খোঁপা করা, তেল মরিচ মাখা শাড়ি/কামিজে থাকা খিটখিটে মেজাজের নায়িকা ও জীবন যুদ্ধে ক্লান্ত, নানা প্রকার মানসিক চাপে ভারাক্রান্ত দুটো মানুষ তুমূল ঝগড়ার এক পর্যায়ে হুট করে যখন একে অপরের দিকে তাকিয়ে হেসে ফেলে, অথবা কয়েকদিন অভিমানে বাতচিত বন্ধ হবার পরে দুজনে থাকতে না পেরে কথা শুরু করার পরোক্ষ চেষ্টা করে, তার মধ্যেই বাস্তবসম্মত এবং প্রকৃত প্রেম থাকে। এর সাথে বেশিরভাগ পাঠক পাঠিকা রিলেট করতে পারে, আর "আল্লাহ! গল্পকার আমার গল্পটি লিখল কি করে?" মুগ্ধতায় আচ্ছন্ন থাকে। হুমায়ূন স্যার এভাবেই সবাইকে মুগ্ধ করতেন। সবচেয়ে বড় কথা নায়ক নায়িকা খারাপও হতে পারে। নায়িকা হয়ত পরকীয়া করছে, নায়ক হয়ত দূর্নীতিবাজ। মানুষের সেই ক্রিটিক্যাল সাইকোলোজিকে পাতায় আনাই তো গল্পকারের কাজ! সেধরণের গল্প লিখতে গেলে গভীর ডায়ালগ ও নিখুঁত চরিত্র নির্মাণের স্কিলটি রপ্ত করতে হবে। কিভাবে করবেন? আপনি অলরেডী তা করছেন, এভাবে লিখতে লিখতেই সেখানে পৌঁছে যাবেন আপু। অল দ্যা বেস্ট! -- হা আপু, তিনি খুবই নিখুত ভাবে জীবন ও সংসারের খুঁটি নাটি বিষয়গুলো এমনভাবে লেখায় তুলে আনতেন পাঠক তা মুগ্ধ হয়ে পড়বে না কেন ? আমার মত এমন একজন সাধারন ও একেবারেই নতুন লেখিকার জন্য তা অনেকটা অসম্ভবই বটে ।

আমি কিন্তু আপু হিন্দি সিরিয়াল এর মতো সারাদিন পটের বিবির মত সেজে থাকবে, ইভেন ঘুমের সময়েও গহনা আর ভারী শাড়ি পড়ে ঘুমাবে এমন কিছু লিখিনি, এসব অবাস্তব কিন্তু যে মেয়েটি সংসারী, ভালোবাসে তার স্বামীকে, একটু রোমান্টিক, মাসের এক দু দিন ইচ্ছে হলে সারাদিনের কাজ কর্ম সেরে স্বামী ঘরে ফেরার আগে একটা সুতির শাড়ি পড়ে একটু পরিপাটি হয়ে সে থাকতেই পারে । আমিও পারি আপনিও পারবেন শুধু প্রয়োজন ইচ্ছা ।
তবে আমরা যা করি, স্বামী ঘরে ফেরার পর সারাদিনের যত অভিযোগ, শাশুড়ি কি করলো, ননদ কি করলো, এটা দিলো না কেন ওটা করলো না কেন এসব নিয়ে প্যান প্যান । কখনো ভেবে দেখিনাযে এই লোকটাও সারাদিন বাইরে ধকল নেওয়ার পর ঘরে ফিরেছে ।

আর সাকসেসফুল ছেলেরা কি সৎ চরিত্রের হয়না ? ছেলেদের চরিত্র কি তার সাকসেস এর উপর ডিপেন্ড করে ? যে চরিত্রবান সে সর্বাবস্থায় চরিত্রবান । রুপার মতো মেয়েও আছে আপু আর আছে পলাশের মত চরিত্রবান ছেলে আর আছে রুপা ও পলাশের মত এমন সুন্দর খুনসুটির সম্পর্ক ।
রোমান্সতো সব সম্পর্কেই থাকে শুধু থাকেনা, ক্যান্ডেল লাইট ডিনার, টাকা খরচ করে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরা, দামী দামী উপহার এসবের মায়া ত্যাগ করে বাসার বারান্দা কিংবা ছাঁদে বসে রোমান্স করার মত মানসিকতা সম্পন্ন মানুষ ।

প্রতিটা গল্পই এক একটি জীবনের গল্প আপু । আপনি যেটা বলেছেন সেটি যেমন একটি পরিবার ও একটি কাঁপলের গল্প তেমনি আমার গল্পেরটিও। ঐ ধরনের গল্পে পাঠক এটা ভেবে অবাক হবে যে গল্পটি তার নিজের গল্পই কারন বেশীর ভাগ সম্পর্কই এমন কিন্তু এমন সুখী সুন্দর সংসারের গল্প পড়ে যদি কারও মনে অনুধাবন হয় কিছু বিষয় যা থেকে সে নিজেও চেষ্টা করবে তার সংসারটাও এমন হোক তাতে কি একজন লেখক হিসেবে আমি বেশী সাকসেসফুল নই?
বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোটা দিবে, কথা শোনাবে, আগুনে ঘি ধেলে দিবে এমন মানুষের অভাব নেই আপু কিন্তু ইন্সপায়ার করবে, আপ্রিশিয়েট করবে এমন মানুষের বড়ই অভাব পরিবার ও সমাজে ।
আমি যা লিখেছি তা একটু ব্যতিক্রম কিন্তু এমন না যে অবাস্তব । যদি অবাস্তব বলেন তাহলে তো ধরতে হয় আমাদের জীবনে ভালোবাসা, আন্ডারস্টান্ডিং, কম্প্রমাইজ, সেক্রিফাইজ এসব বলতে কিছুই নেই আছে শুধু অভিযোগ, ঝগড়া, অবিশ্বাস, সন্দেহ যার কারনে সম্পর্ক, পরিবার আর জীবন গুলো এমন । প্রতিটি মানুষ, তার চিন্তাভাবনা আলাদা তাই সম্পর্ক ও গল্প গুলোও আলাদা । আপনার আইডিয়া টাও মাথায় রাখলাম আপু, কোন একটি গল্পে এটি অ্যাড করে দিবো ।

তবে এই গল্পটি লিখে যা বুঝলাম, আমরা আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে ঝুট ঝামেলা, অশান্তি, দুঃখ কষ্ট, পরকীয়া, অবিশ্বাস, দুর্নীতি এমন যে সকল বিষয় পছন্দ করিনা ঠিক সেই বিষয়গুলোই আমরা গল্পে পড়তে পছন্দ করি । আর ঐ যে বললাম, চারিদিকে এত বেশী নেগেটিভিটি যে সহজ সরল সুন্দর কিছু আমাদের কাছে অবাস্তবই মনে হবে । তবে আমরা চাইলেই এই অবাস্তবকেই বাস্তব করতে পারি কিন্তু এমন স্বর্গীয় সুখ পেতে হলে ভালোবাসা, আন্ডারস্টান্ডিং, কম্প্রমাইজ, সেক্রিফাইজ, ধৈর্য, সাহস এসবের অগ্নিপরীক্ষা অবশ্যই দিতে হবে আর সবাই তা দেওয়ার জন্য প্রস্তত থাকেনা তাই আমাদের এই অবস্থা ।

সবশেষে আপুকে অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে লেখাটি পড়ার জন্য ও পাঠক হিসেবে সুন্দর মতামত দেওয়ার জন্য । ভালো থাকবেন আপু । অনেক ভালোবাসা রইলো ।

১৮| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৪৬

জাহিদ অনিক বলেছেন:
বাহ ! মিষ্টি গল্প।
পড়তে ভালোই লাগলো। তবে আরও উন্নতি করার হয়ত স্কোপ আছে। আমি নিজেই গল্প লিখতে জানি না। এই ব্লগেই বেশ কয়েকজন তুখোড় গল্পকার আছেন। আপনার আরও গল্প ব্লগে আসবে পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।

শুভেচ্ছান্তে

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৩১

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @বাহ ! মিষ্টি গল্প।
পড়তে ভালোই লাগলো।
--- গল্প ভালো লাগায় অনুপ্রাণিত জাহিদ ভাইয়া ।


@তবে আরও উন্নতি করার হয়ত স্কোপ আছে। আমি নিজেই গল্প লিখতে জানি না। এই ব্লগেই বেশ কয়েকজন তুখোড় গল্পকার আছেন। আপনার আরও গল্প ব্লগে আসবে পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
-- হা ভাইয়া, সবে তো শুরু উন্নতির পুরোটাই যে বাকী এখনও । ব্লগে কিছু গল্পের যাদুকর আছেন আমিও ভক্ত তাদের গল্পের । তবে আমি খুবই সাধারন ও আনাড়ি লেখিকা । কখনোই লিখিনি গল্প । শখের লেখিকার গল্প লেখার একটু শখ হচ্ছে তবে চেষ্টা করছি সর্বোচ্চ, ভালো করার । আফটারঅল ব্লগে লিখলে পাঠকদের সন্তুষ্টির কথাও ভাবতে হবে ।

ভাইয়াকে ধন্যবাদ লেখা পড়ার জন্য ও মন্তব্য এর জন্য । শুভকামনা রইলো ভাইয়া ।

১৯| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৪২

নীল আকাশ বলেছেন: কথোপকথনে সমস্যাটা ঠিক ধরতে পারছিনা, আরেকবার পড়ে খেয়াল করবো।
লেখাটি পোস্ট করার পর অপেক্ষা করছিলাম ভাইয়া কখন মন্তব্য করবে লেখায় এবং কেমন লাগবে । অবশেষে ভাইয়ার সাজেশন পূর্ণ একটি মন্তব্য পেয়ে ভালো লাগলো কারন এর জন্যই অপেক্ষায় ছিলাম ।
- ওকে, নীচে আরও কিছু সাজেশন দিলাম, মানতেই হবে এমন কথা নেই তবে মানলে লেখাটা সুন্দর প্রেজেনটেশন পাবে......
১. কথোপকথন এর সময় প্রতিটা লাইনের শুরুতে একটা মাত্র হাইফেন ব্যবহার করবেন, আর আলাদা আলাদা লাইন দিবেন। উদাহরন দিলাম নীচে-
-কি? কি দরকার আমার কাছে?
২. একটানা কারও চারটা লাইন কথোপকথন পর পর চার লাইনে না দিয়ে মাঝখানে ব্রেক দিয়ে অপর জনের এক্সপ্রেশন কিছু একটা দেখান। দেখতে ভাল লাগবে।
৩. ফাইনাল পোষ্ট দেবার আগে অবশ্যই প্রিভিউ ভাল করে দেখে নিবেন। যেন কথোপকথন সুন্দর ভাবে দেখা যায় আর বুঝা
যায়।
৪। আলাদা আলাদা ব্যাক্তির সাথে কথা বলার সময় আলাদা প্যারাগ্রাফ ব্যবহার করুন।
৫। অনুরাগের বা ভাবের কথা লেখার সময় সহজ ভাষায় ছোট ছোট করে কথোপকথন দিবেন। পড়তে ভালো লাগবে।
৬। পড়ুন, বেশি করে পড়ুন। গল্পের থীম ফাইনাল করার পর, কাছাকাছি বিষয়ের যেকোন লেখকের কোন লেখা পড়ে আসুন। কিছুটা ধারনা পাবেন। আমি বিভিন্ন থীম নিয়ে লিখি। কোনটা কি নিয়ে লিখেছি সেটা আপনি খুব ভালো করে জানেন। টক করে দেখে আসবেন। অন্তত কিছুটা হলেও ধারনা পাবেন। কপি হলেও অসুবিধা নেই, আমি তো জানি।
৭। একজন গল্পকারের লিংক দিলাম। পরবর্তি গল্প লেখার আগে উনার সব গল্প পড়ে শেষ করবেন। উনি ব্লগে ক্ল্যাসিক পর্যায়ের একজন গল্পকার। https://www.somewhereinblog.net/blog/ohoritblog

এক গাদা দোষ ধরলাম দেখে মাইন্ড করবেন না। এই লেখাটা আমি যত বার পড়েছি, অন্য কেউ পড়েছে কিনা আমার সন্দেহ আছে! ভূল ধরা কঠিন কাজ। আপনি একজন পছন্দের ব্লগার দেখেই, গত রাতে, এত কষ্ট করে, এত গুলি টাইপ করলাম, যেন
আপনি আরও ভালো লিখতে পারেন।
শুভ কামনা রইল!

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৪৩

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: বাহ! ভাইয়ার পয়েন্ট গুলো দারুন । কাজে লাগবে খুব । প্রেজেন্টেশনে আমার কিছু সমস্যা আছে । দেখি আপনাদের সাজেশন গুলো ফলো করে চেষ্টা করে পারি কিনা ইম্প্রুভ করতে । "অহরিত" ইনার লেখা আমার পড়া হয়নি । চোখেই দেখি পরেনি লেখা, কিভাবে এত লেখা চোখ এড়িয়ে গেল বুঝলাম না । যাই হোক, ধন্যবাদ ভাইয়া, একসময় সময় করে এই ভাইয়ার গল্প গুলোও পড়বো ।


@এক গাদা দোষ ধরলাম দেখে মাইন্ড করবেন না। এই লেখাটা আমি যত বার পড়েছি, অন্য কেউ পড়েছে কিনা আমার সন্দেহ আছে! ভূল ধরা কঠিন কাজ। আপনি একজন পছন্দের ব্লগার দেখেই, গত রাতে, এত কষ্ট করে, এত গুলি টাইপ করলাম, যেন আপনি আরও ভালো লিখতে পারেন।--- হা হা ! মাইন্ড করার কি আছে ? আপনি আমার লেখা পড়ে, আমি যেন ভালো করতে পারি তার জন্য কষ্ট করলেন এত আর আমি কিনা মাইন্ড করবো ? যেটাতে আমার উন্নতি হবে তাতে আমি মাইন্ড করিনা ভাইয়া । আর আপনার মতো এমন একজন সহব্লগার পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার নয় কি ? তবে সত্যি বলছি ভাইয়া, আমি কিন্তু আপনার গল্পের ভক্ত হয়ে গিয়েছি B-)

২০| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:২৯

তারেক ফাহিম বলেছেন: শুভ নতুন বর্ষ।
বেশিরভাগ গল্পে নায়িকার নাম হয় দেখি রুপা B-)

এরকম দুষ্ট-মিষ্ট সংসার কার না ভালো লাগে।

সংসারিক খুটিনাটি সকল কাজই যখন রুপা করে তাহলে কাজের মেয়ে না আসাটাই ভালো ছিলো B-)

গল্পে ভালোলাগা।
আসলে অনেক গল্প পড়ে শেষাংশে বুক ভার হয়ে যায়, আপনারটা ভিন্ন।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:০৩

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @বেশিরভাগ গল্পে নায়িকার নাম হয় দেখি রুপা B-)-- হা হা ! তাইতো ভাইয়া । তবে খিট মিট স্বভাবের, স্বার্থপর, কাট খোট্টা এমন কোন চরিত্র কি দেখেছেন রুপা নামে ? আমার মনে হয়, না । নামটার মধ্যে কেমন একটি স্নিগ্ধ স্নিগ্ধ কোমল ভাব আছে । আমার গল্পের নায়িকাও ঠিক তেমন তাই এই নামটিই যেন উপযুক্ত ছিল । যদিও লেখার সময় নাম নিয়ে না ভেবেই এইটা মনে এসেছে এটাই নিয়ে নিয়েছি ।

@সংসারিক খুটিনাটি সকল কাজই যখন রুপা করে তাহলে কাজের মেয়ে না আসাটাই ভালো ছিলো B-)- বাহ ভাইয়া তো দারুন বিষয়টি ধরেছেন । কাজের মেয়েটি প্রথমে ছিলনা পরে এডিট করার সময় অ্যাড করেছি, কোন কারন নেই, এমনিই । স্বামী তো সারাদিন অফিসে থাকে, একটা ছোট কাজের মেয়ে থাকলে তার সাথে কাজের চেয়ে বেশী টুকটাক কথা বলা যায় । সারাদিন বাসায় একা থাকলে একজন কথা বলার মানুষ তো লাগে :P আর লেখার সময় সেই কাজের মেয়েটিকে খুব বড় কেউ না, ১২ কি ১৩ বছরের একটা বাচ্চা হিসেবে কল্পনা করেছি যতটুক না কাজের জন্য তার চেয়ে বেশী একা একটি গৃহিণী মেয়ে বাসায় থাকলে তার সঙ্গী হিসেবে । আফটারঅল স্বামী আর স্ত্রী দুইজনের একার সংসার হলে আমরা কখনো বড় কাজের মেয়ে রাখিনা বাসায় ।


@আসলে অনেক গল্প পড়ে শেষাংশে বুক ভার হয়ে যায়, আপনারটা ভিন্ন।-- দুঃখ কষ্ট ঝামেলা বাদ দিয়ে আমি একটু সুখের গল্প নিয়ে আসলাম আর আমরা চাইলেই পারি জীবনকে এভাবেও সাজাতে, শুধু প্রয়োজন ইচ্ছা ও চেষ্টা, স্বামী স্ত্রী দুইজনেরই । তবে বেশীর ভাগ পাঠক আমার এ গল্পকে অবাস্তব মনে করেছে দেখে দুঃখ পেয়েছি :( এমন সুখের গল্প কেন হবেনা বাস্তবে ? বিষয়টি আমাদের জন্যই হতাশার । তবে পাঠক গল্পটি মোটিভেশন হিসেবেও নিতে পারে । লেখকদের দায়িত্ব শুধু সমাজের নেগেটিভ বিষয়গুলোই তুলে ধরা না পজিটিভ বিষয়গুলোও হাইলাইট করা ।

ভাইয়ার কাছে গল্পটি ভালো লেগেছে জেনে অনুপ্রানিত । চেষ্টা করবো সামনে আরও একটু ভালো লিখতে ।

ও আচ্ছা ভাইয়াকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা । ভাইয়ারও যেন এমন একটি দুষ্ট মিষ্ট সংসার হয় এই কামনা 8-|


২১| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:০৮

ডার্ক ম্যান বলেছেন: এটা নিছকই সেকেলে গল্প। বর্তমান বাস্তবতার নিরিখে গল্প লিখুন ।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৩৮

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @এটা নিছকই সেকেলে গল্প--- ঠিক বলেছেন ভাইয়া । ভালোবাসা, বিশ্বাস, সেক্রিফাইজ, কম্প্রমাইজ, সুখী সুন্দর সংসার কালের গর্ভে হারিয়ে এখন সেকেলে হয়ে গিয়েছে । একালে শুধু অবিশ্বাস, সন্দেহ, পরকীয়া, স্বার্থপরতা এসবই ।

@বর্তমান বাস্তবতার নিরিখে গল্প লিখুন --- আমি কিছুটা সেকেলে কিনা ভাইয়া, তাই বর্তমান ওসব কঠিন কঠিন বিষয় নিয়ে লেখা কিছুটা কঠিনই আমার জন্য তবে চেষ্টা তো করতেই পারি । চেষ্টা করবো ভাইয়া, অবশ্যই 8-|

২২| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৫৯

ডার্ক ম্যান বলেছেন: সংসার এখন বিষাক্ত একটা জিনিস ।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:১১

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @সংসার এখন বিষাক্ত একটা জিনিস । --- হা হা হা ! তাই বুঝি আসেপাশে অবিবাহিতদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে =p~ আমার ফ্রেন্ড ও কাজিনরাও আমাকে সেম পরামর্শ দেয়, বিয়ে না করার :|| তাহলে আমার মতো সেকেলে মানুষগুলোর কি হবে :((

২৩| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০২

হাবিব স্যার বলেছেন:





ইশরে..........
ভীষণ দেড়ি হয়ে গেল......

আমার জন্য খাবার-দাবার কিছু আছে কি?

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:১২

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @ইশরে..........
ভীষণ দেড়ি হয়ে গেল......
আমার জন্য খাবার-দাবার কিছু আছে কি?
--- গল্পে একটি কেক ছিল কিন্তু নায়িকার কেক অনেক পছন্দ তাই খেয়ে ফেলেছে =p~

২৪| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২১

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আপনার বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে, আর বিয়ে করার প্রয়োজন নাই ।
এখন মেয়েরা সেক্রিফাইজের মর্ম বুঝে না , সবজায়গায় সম অধিকার চায় অথচ নিজের খাবার নিজে রান্না করে না

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫১

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @আপনার বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে, আর বিয়ে করার প্রয়োজন নাই । --- কে বলেছে এই কথা ভাইয়া :|| আমিতো ফরএভার ২০ =p~


@এখন মেয়েরা সেক্রিফাইজের মর্ম বুঝে না , সবজায়গায় সম অধিকার চায় অথচ নিজের খাবার নিজে রান্না করে না --- বাঁচা গেলো আমি সেকেলে মানুষ, এখনকার যুগের মেয়ে নই ;) হা ভাইয়া খুবই সাংঘাতিক :|| সম অধিকার চায় আবার বাসে যাতায়াতের সময় মহিলা সিটেরও অধিকার চায় =p~

২৫| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৩

মুক্তা নীল বলেছেন: বাহ চমৎকার!!! ৯ মাসের সংসার জীবন তো এমনই রোমান্টিক হতে হয়। শুরুতেই আমি আপনার জন্য দেয়া করছি আপনার সারাজীবন যেনো সুখেরই হয়। অনেক মেয়েরা আছে বিয়ে ও সংসার করতে ভয় পায়, তাদের জন্যে ভালোই হলো। আপনার সরল ও সুন্দর একটি মন আছে বুঝা গেলো। ১০০তে ১০০ ভাগ সত্যি একটা কথা বলেছেন, কিছু কিছু মেয়ে সংসারের জন্য অনেক স্যাএিফাইছ করে। ত্যাগ না করলে কি আর সংসার হয়? খুনসুটির সংসারে ভালোই খুনসুটি ফুটিয়ে তুলেছন। আমার নিজের একটা মতামত বলি, সংসার বড়ই কঠিন জায়গা, ঠিক তেমনই মায়ারও। শুভকামনা করছি।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:০৭

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @শুরুতেই আমি আপনার জন্য দেয়া করছি আপনার সারাজীবন যেনো সুখেরই হয়-- আপুটার জন্য অনেক ভালোবাসা রইলো মনের মতো এমন একটি দোয়া করার জন্য !:#P আমিও দোয়া করে দিলাম আপু আপনারও হোক ।

@বাহ চমৎকার!!! ৯ মাসের সংসার জীবন তো এমনই রোমান্টিক হতে হয়। --
-- যাক মুক্তা আপু অন্তত বলেনি এটি একটি অবাস্তব গল্প 8-|

@অনেক মেয়েরা আছে বিয়ে ও সংসার করতে ভয় পায়, তাদের জন্যে ভালোই হলো-- হা হা ! ভয় পাওয়ার কি আছে ? পৃথিবীর সব মানুষতো আর একরকম হয়না তেমন সব সংসারও একরকম হবেনা । ভালো ও মন্দ দুইটাই তো আছে তবে আমরা মন্দ টা বেশী মনে রাখি তো তাই সমস্যা ।

@খুনসুটির সংসারে ভালোই খুনসুটি ফুটিয়ে তুলেছন-- চেষ্টা করেছি আপু । যেহেতু গল্পের থিমটাই সেটি ছিল একটু খুনসুটি না থাকলে কি আর হয় ;)

@নিজের একটা মতামত বলি, সংসার বড়ই কঠিন জায়গা, ঠিক তেমনই মায়ারও। শুভকামনা করছি। -- হা আপু, বাস্তব আসলেই ওতটা গল্পের মত হয়না তবে দুইটা মানুষ একে অপরের প্রতি আস্থা থাকলে ও ভালোবাসা থাকলে সবই সম্ভব ।


গল্প পড়ে মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ মুক্তা আপু । আপনার জন্য অনেক শুভকামনা ।

২৬| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫১

রাকু হাসান বলেছেন:

নানি ;) ,আপনি ভাগ্যবতী । নীল আকাশ,কাওসার ভাইয়া ,সামু পাগলা আপুর মন্তব্য ভালো লেগেছে :) । কিছু আনাড়ি পাঠক হিসাবে কিছু একটা বলতাম ,কিন্তু সেটার প্রয়োজন নেই এখন । আপনি নিয়মিত লিখছেন ,সেটা খুব ভালো । বেশ ভালো মানের মন্তব্য পেয়েছেন । আমার কথা গুলো লেখাটা সাবলীল লাগছে । শুভকামনা করছি ।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১৪

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @নানি ;) ,আপনি ভাগ্যবতী-- আমার কাকু অনেক চালাক তার কাছে কেন এমনটি মনে হলো ;)


@কিছু আনাড়ি পাঠক হিসাবে কিছু একটা বলতাম ,কিন্তু সেটার প্রয়োজন নেই এখন --- কেন ? কেন ? বলে ফেললেই তো হয় ।

@আপনি নিয়মিত লিখছেন ,সেটা খুব ভালো-- ডিপেন্ড করে । ইদানীং লিখতে ভালো লাগছে তাই বেশী লিখছি আবার যখন ভালো লাগবেনা তখন লিখবোনা :|

২৭| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৬

ডার্ক ম্যান বলেছেন: মেয়েদের জন্য কিছু আলাদা বাসের ব্যবস্থা আছে । মহিলাদের আলাদা সিট আরও বাড়ানো দরকার ।
বাস দিয়ে উদাহরণ হজম করে নিয়েছি ।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১৯

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @মেয়েদের জন্য কিছু আলাদা বাসের ব্যবস্থা আছে । মহিলাদের আলাদা সিট আরও বাড়ানো দরকার । -- আশা করি তা হবে । আলাদা বাস থাকলেও সেটিও কম ।


@বাস দিয়ে উদাহরণ হজম করে নিয়েছি ।
--- কথাটি সব মেয়ের জন্য নয় কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক মেয়ের জন্য ছিল ।

২৮| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৫৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: বাপরে বাপ! প্রতিমন্তব্য তো নয় ঝড় যেন! হ্যাপি নিউ ইয়ারের জবাবও পেলাম না! হাহা! অনেক সময় নিয়ে, গুছিয়ে নিজের দিকটা তুলে ধরার জন্যে থ্যাংকস আপু।

তবে এই গল্পটি লিখে যা বুঝলাম, আমরা আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে ঝুট ঝামেলা, অশান্তি, দুঃখ কষ্ট, পরকীয়া, অবিশ্বাস, দুর্নীতি এমন যে সকল বিষয় পছন্দ করিনা ঠিক সেই বিষয়গুলোই আমরা গল্পে পড়তে পছন্দ করি । আর ঐ যে বললাম, চারিদিকে এত বেশী নেগেটিভিটি যে সহজ সরল সুন্দর কিছু আমাদের কাছে অবাস্তবই মনে হবে ।
নাহ ব্যাপারটা তা নয়। এমন গল্পও মানুষ পড়তে ভালোবাসে যেখানে সবাই ও সবকিছু ভালো থাকে। তবে সেক্ষেত্রে লেখক বা লেখিকাকে কথোপকথন, চরিত্র গঠন সহ নানা বিষয় অনেক বেশি জীবন্ত রূপে পাঠকের সামনে তুলে ধরতে হবে। যেন লেখা নয় কোন ভিডিও! নতুন লিখিয়েদের জন্যে সেটা কঠিন বা অসম্ভব বলেই হয়ত সবাই আপনাকে ট্রাজেডির দিকে ঝুঁকতে বলছে। কেননা গল্পের কাহিনিবিন্যাসে শক্তি থাকলে, কম্প্লেকসিটি থাকলে অন্যদিক গুলোর কমতি চোখে পরেনা।

আপু, আমার পয়েন্টটা ক্লিয়ার করি। অবাস্তব নয়। প্রতি দশটায় এমন আছে একটা। মেয়েটির গৃহীনি হতে চাওয়া একেবারেই অবাস্তব কিছু নয়। আমাদের তথা বিশ্বের নানা দেশে উচ্চ শিক্ষিত মেয়েরা স্বামী সন্তানের জন্যে জব ছেড়ে দেয়। নাথিং ইজ রং অর আনরিয়াল এবাউট দ্যাট। আমি এটাও বলিনি একজন পুরুষ একই সাথে সাকসেসফুল ও সৎ চরিত্রের হতে পারবেনা। অনেক আছে তেমন পুরুষ। এমন দুটো পারফেক্ট মানুষের বিয়ে হয়ে পারফেক্ট সংসার হতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে অন্যদিকে আরো নজর দিতে হবে।

যেমন আমি একটি উদাহরণ দেই। আপনি নীল শাড়ির কথা লিখেছেন। আমি প্রচুর গল্প পড়তাম একসময়ে। বাংলায় যতো ব্লগ সাইট আছে সবগুলোই পড়তাম। এখনো সময় পেলে পড়ি। আপু ৯০% রোমান্টিক গল্পে নায়িকা নীল শাড়ি পরে থাকে! এটা নিয়ে অনলাইন পাঠকেরা বিরক্তিও প্রকাশ করেছেন অনেকবার। সাহিত্যে বহুবার ব্যবহৃত হওয়া রূপা নামটির জায়গায় একটু অন্যরকম নামও থাকতে পারত।

নীল শাড়ির জায়গায় যদি লিখতেন, "সরিষা ফুলের হলুদ জমিনে ছোটছোট লাল লাল ফুলের হাতের কাজ! কি সাধারণ কিন্তু তাতেই অসামান্য লাগছে রেহনুমাকে!"
আর বাংলাদেশী মেয়েরা সাধারণত উৎসব অনুষ্ঠান ছাড়া ফুল কিনে সাজে না। তাই সেই ব্যাপারটির একটি সুন্দর রেফারেন্স দিলে হতো।

বিয়ের রাতের কথোপকথনে কিছু রূপক ব্যবহার করা যেত অথবা ভিন্নতা থাকতে পারত। আমি ব্যক্তিগত ভাবে যখন পড়েছি,
"তুমি আমাকে বউ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছ, এর চেয়ে বড় পাওয়া কিছু নেই" কেমন যেন লাগে পড়তে! মেয়েটির নির্লোভী হওয়া, কোনকিছু না চাওয়া আমার সমস্যা নয়। কিন্তু প্রকাশভংগিতে খামতি রয়েছে, এখানে রবিঠাকুরের লাইন জুড়ে দেওয়া যেত।

"আমি তোমারে পেয়েছি হৃদয়মাঝে,
আর কিছু নাহি চাই গো ।"

অথবা নিজস্ব কিছু কবিতা বা কথা যেখানে এই একই সাধারণ কথা অসামান্য রূপে প্রকাশ পাবে।

আমি অনেককিছুই বোঝাতে পারিনি হয়ত। তবে আমার মূলকথাটি নিশ্চই বুঝেছেন। এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই বাস্তবতা অবাস্তবতার পার্থক্য গড়ে দেয়। আপনাকে বাছাই করে নিতে হবে, হয় গল্পের ঘটনাপ্রবাহে নতুনত্ব, টুইস্ট রাখবেন। অথবা অনেকবার লেখা কনসেপ্ট পুনরায় লিখবেন কিন্তু সেক্ষেত্রে ডায়ালগে কিছু রূপক, এবং ভিন্নধর্মী কথা থাকতে হবে। তাহলে পুরোন বোতলের নতুন পানীয় মানুষ মজা করে গিলবে আর কিছু বুঝতেও পারবেনা।

ঐ ধরনের গল্পে পাঠক এটা ভেবে অবাক হবে যে গল্পটি তার নিজের গল্পই কারন বেশীর ভাগ সম্পর্কই এমন কিন্তু এমন সুখী সুন্দর সংসারের গল্প পড়ে যদি কারও মনে অনুধাবন হয় কিছু বিষয় যা থেকে সে নিজেও চেষ্টা করবে তার সংসারটাও এমন হোক তাতে কি একজন লেখক হিসেবে আমি বেশী সাকসেসফুল নই?
ইউ আর দ্যা বেস্ট জাজ অফ ইউরসেল্ফ! পৃথিবীর অনেক বড় লেখিকা লেখকেরা সমালোচিত হয়েছেন। কিন্তু তারা নিজেদের স্টাইল বদলাননি, মনের আনন্দে লিখে সাকসেসফুল হয়েছেন। আমার বা অন্যদের বিচার একরকম, আপনার নিজের কাছে নিজের বিচার আরেকরকম। নিজের বিচারটিকেই গুরুত্ব দিন। তবে হ্যাঁ, আপনি টানা দুবছর লিখে যান, তারপরে পেছনে ফিরে এই লেখাটি পড়লে আপনার চোখেও অনেককিছু ধরা পড়বে, আমরা কি বলতে চাচ্ছিলাম বুঝে যাবেন।

মন্তব্য লিখতে লিখতে আমার মনে হলো আরেকটি বিষয়। টার্গেট অডিয়েন্স!
এই লেখাটির টার্গেট অডিয়েন্স একটু ইয়াং ছেলে মেয়ে যারা নিজেদের বিবাহিত জীবন নিয়ে অনেক ধরণের স্বপ্ন দেখে। ব্লগের মেজোরিটি এই গ্রুপ নন। অন্য কোন সোশাল সাইট যেখানে ইয়াংদের আনাগোণা বেশি সেখানে এই একই লেখা মারাত্মক ভাবে প্রশংসিত হবে। এটাই আসলে ব্যাপার হয়ত আপু। আপনার লেখা নয়, পাঠকের দেখা নয়, সমস্যাটি সেখানে হতে পারে। ব্যাটে বলে মেলেনি হয়ত।

কিন্তু আপনার লেখায় কি যেন একটা ব্যাপার থাকে আপু যার টানে মনে হয়, কিছু আইডিয়া দিলে আপনি অসাধারণ হয়ে উঠবেন। আপনার লেখার মধ্যে সেই ম্যাচিউরিটি মেধার ছাপ আছে।

আপনার জন্যেও আমার তরফ থেকে এত এত এত ভালোবাসা।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:২৯

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: সবার আগে আপু আপনাকে অনেক ভালোবাসা ও ধন্যবাদ এই মন্তব্যটির জন্য 8-| যে কয়জন সহব্লগারকে আমি খুব পছন্দ করি তাদের মধ্যে আপনি একজন আর যেদিন থেকে জানলাম আমার মতো আপুটারও নাকফুল খুব পছন্দ সেদিন থেকে তো আরও বেশী পছন্দ আপনাকে ;)

আগের মন্তব্যটিতে আমার হয়তো কিছু বুঝতে ভুল হয়েছিলো অথবা আপনি বুঝাতে পারেননি । আমি ভেবেছি ওমন সুখী সুন্দর একটি সংসারকে আপনার কাছে অবাস্তব বলে মনে হয়েছে যেখানে আপনার কথা আপুরই এমন একটি সুন্দর সংসারের স্বপ্ন এবং হবেও ইনশাআল্লাহ্‌ তবে শুধুমাত্র যদি তা একটি বিশেষ মানুষের সাথে হয় :(

আর হ্যাঁ, আপু আমি বলেছিলামনা যে লেখা পড়ে মন্তব্য করতে করতে আমার লেখায় লাইক দেওয়ার কথা মনেই থাকেনা হ্যাপি নিউ ইয়ার এর ব্যাপারটিও ঠিক তেমন হয়েছে আমি না একদম ভুলেই গিয়েছিলাম :P যাই হোক ভালোবাসার ক্ষেত্রে দেরী বলে কিছু নেই, তাই দেরীতে হলেও নববর্ষের অনেক শুভেচ্ছা রইলো আপু !:#P

এবার আসি লেখার কথায়, কাওসার ভাই ও নীল আকাশ ভাইয়া আমাকে অনেক ভালো কিছু সাজেশন দিয়েছেন যেগুলো একটি গল্পের কারিগরী দিক কিন্তু আপনি যেগুলো বলেছেন সেগুলো কখনো আমার মাথায়ই ছিলোনা কিন্তু গল্পের ক্ষেত্রে সেগুলো অনেক গুরত্বপুর্ণ যা আসলেই একটি লেখাকে জীবন্ত করে তুলতে পারে ।
যেমন

@আপনি নীল শাড়ির কথা লিখেছেন। আমি প্রচুর গল্প পড়তাম একসময়ে। বাংলায় যতো ব্লগ সাইট আছে সবগুলোই পড়তাম। এখনো সময় পেলে পড়ি। আপু ৯০% রোমান্টিক গল্পে নায়িকা নীল শাড়ি পরে থাকে! এটা নিয়ে অনলাইন পাঠকেরা বিরক্তিও প্রকাশ করেছেন অনেকবার। সাহিত্যে বহুবার ব্যবহৃত হওয়া রূপা নামটির জায়গায় একটু অন্যরকম নামও থাকতে পারত।-- হা হা ! নীল রঙটা আমার কল্পনা থেকে এসেছে আপু আর তার কারন হচ্ছে আমার একজন বিশেষ মানুষের পছন্দের রঙ নীল =p~ আর রুপা নামটি এসেছে একেবারেই অবচেতন মনে । নামটির মধ্যে কেমন একটি স্নিগ্ধ ও কোমল ভাব আছে । গল্পের নায়িকাও সেম তাই আর চেঞ্জ করিনি কিন্তু আপনি যে বিষয়গুলো বললেন তার জন্য আসলেই ভাবা উচিত ছিল এই দুটো পয়েন্ট নিয়ে।

খোঁপায় বেলি ফুলের বিষয়টি আমি এভাবে ভেবেছি রুপা যখন কেক আর ফুল কিনতে দোকানে গিয়েছিল তখন দেখতে পেয়ে তিন চারটি বেলি ফুলের মালাও কিনে নিয়ে এসেছিলো আর সেগুলোই লাগিয়েছিল খোঁপায় । এটা ঠিক আনুষ্ঠানিক ভাবে সাজার মতো নয় । তবে বিষয়টি আমি লেখিকা হিসেবে বুঝবো কিন্তু কোন রেফারেন্স না দিলে পাঠকের অবশ্যই বোঝার কথা না এবং তখন এই বিষয় প্রশ্ন তুলবেই যেটি আপনি তুলেছেন । তাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু, প্রশ্নটি তোলার জন্য তা না হলে আমার তো বিষয়টি আসতোই না মাথায় । এখন ভবিষ্যতে রেফারেন্স এর বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল রাখবো ।

রবি ঠাকুর কিংবা নিজের লেখা দুটি লাইন বিয়ের রাতের কথোপকথনে দেওয়া যেতো কিন্তু আপু আমরা সাধারণত চিঠি লেখার ক্ষেত্রে এই ধরনের কিছু ব্যাবহার করি কিন্তু কথা বলার সময় খুনসুটি করলেও অত কাব্যিক ভাবেতো আর কথা বলিনা তাই ঐ ধরনের কিছু আমার কাছে ঠিক সামঞ্জস্য মনে হয়নি ।

টার্গেট অডিয়েন্সও একটি ইম্পরট্যান্ট বিষয় ।
একটি লেখা ১০০ জনের কাছেই যে ভালো লাগবে তা কখনোই নয় । কারও কাছে লাগবে কারও কাছে নয় যেমন এই লেখাটিই অনেকে পছন্দ করেছেন আবার অনেকে করেননি । কিন্তু লেখক হিসেবে যেটা করতে হবে, পাঠকের ভালোলাগা উৎসাহ দিবে নতুন লেখার ক্ষেত্রে আর ভালো না লাগা ও সমালোচনা নিয়ে ভাবতে হবে পরের লেখার কিভাবে তা উৎরে যাওয়া যায়, লেখার ভুলগুলো, খুতগুলো নিয়ে ভাবতে হবে, তবেইনা ধীরে ধীরে লেখার মান বৃদ্ধি পাবে ।


@কিন্তু আপনার লেখায় কি যেন একটা ব্যাপার থাকে আপু যার টানে মনে হয়, কিছু আইডিয়া দিলে আপনি অসাধারণ হয়ে উঠবেন। আপনার লেখার মধ্যে সেই ম্যাচিউরিটি মেধার ছাপ আছে।--- এই লেখায় অনেক ইম্পরট্যান্ট কিছু বিষয় মনে করিয়ে দিয়েছেন আপু । অনেক ধন্যবাদ তার জন্য । আশা করি পরের লেখায়ও আপনাকে পাবো ।

শুভকামনা রইলো আপু সাথে এক ঝুড়ি ভুলের শুভেচ্ছা, ফুলঝুরি শুভেচ্ছা !:#P

২৯| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৩০

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন। গল্প এবং মন্তব্য প্রতি মন্তব্য পড়তে যদিও অনেকটা সময় চলে গেছে। কিন্তু গল্পটি যে ভাল লেগেছে তা বলতে কৃপণতা করবো না। আরো গল্প নিয়ে আসেন আমাদের জন্য। শুভ কামনা সবসময়ের জন্য।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১৯

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @গল্প এবং মন্তব্য প্রতি মন্তব্য পড়তে যদিও অনেকটা সময় চলে গেছে।--- কষ্ট করে সময় নিয়ে যে পুরো গল্প ও মন্তব্য প্রতিমন্তব্য গুলো পড়েছেন সাথে নিজেও মন্তব্য করেছেন তার জন্য অনেক ধন্যবাদ সুজন ভাইয়া 8-|


@কিন্তু গল্পটি যে ভাল লেগেছে তা বলতে কৃপণতা করবো না-- ব্লগে আসার আগে গল্প কখনো লেখাই হয়নি । এখানে এসে টুকটাক চেষ্টা করছি আর লেখার সাথে সাথে চেষ্টা করছি ভুল ও ত্রুটি গুলো শুধরে আরও ভালো লেখার । আপনার ভালোলাগা আমার পরবর্তী লেখার জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে রইলো ভাইয়া ।


@আরো গল্প নিয়ে আসেন আমাদের জন্য। শুভ কামনা সবসময়ের জন্য। --- আমার জন্য গল্প লেখা খুবই কঠিন কাজ ভাইয়া :(( তবে আমি ইন্টারেস্ট পাচ্ছি লেখার। চেষ্টা করবো সামনে আরও লেখার এবং এমনভাবেই লিখবো যেন আপনাদের ভালো লাগে ।

আপনার জন্যও অনেক শুভকামনা রইলো সুজন ভাইয়া ।

৩০| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৯

নীল আকাশ বলেছেন: আপনাকে কথোপকথন নিয়ে কাজ করতে বলেছিলাম। আমি আমার নতুন একটা গল্পটা প্রায় কথোপকথনের উপর নির্ভর করেই লিখেছি। গল্প – স্বাধীনতা আমার অহংকার! Click This Link
এখানে কথোপকথন কিভাবে দিয়েছি সেটা খুব ভালো করে দেখে রাখবেন। আপনার পরবর্তি গল্প লেখার সময় অনেক হেল্প হবে.........
শুভ কামনা রইল!

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:০৩

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @আপনাকে কথোপকথন নিয়ে কাজ করতে বলেছিলাম।-- হা ভাইয়া, মনে আছে । ভেবেছিলাম এই লেখাটিতেই ঠিক করে দেই কিন্তু এটাতে আবার এডিট করে কষ্ট করতে ইচ্ছে হচ্ছেনা ।


@আমি আমার নতুন একটা গল্পটা প্রায় কথোপকথনের উপর নির্ভর করেই লিখেছি। গল্প – স্বাধীনতা আমার অহংকার! Click This Link--- অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া এতটা আন্তরিক ভাবে পাশে থাকার জন্য । আমি আসলেই অনেক লাকি !:#P যেখানেই যাই সবাই আমাকে অনেক ভালোবাসে । আলহামদুলিল্লাহ B-) সময় করে অবশ্যই দেখবো ভাইয়া ।

তবে পরের লেখা কবে লিখবো জানিনা । ইদানীং ভালো লাগছেনা লিখতে :( ঘর সংসার ছেড়ে সন্ন্যাস জীবন যাপন করবো ভাবছি :|

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.