নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মঞ্জুর চৌধুরী

আমি ঝন্ঝা, আমি ঘূর্ণি, আমি পথ-সমূখে যাহা পাই যাই চূর্ণি’। আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ, আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ। আমি হাম্বার, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল, আমি চল-চঞ্চল, ঠমকি’ ছমকি’ পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি’ ফিং দিয়া দিই তিন দোল; আমি চপলা-চপল হিন্দোল। আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা, করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পান্জা, আমি উন্মাদ, আমি ঝন্ঝা! আমি মহামারী আমি ভীতি এ ধরিত্রীর; আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার আমি উষ্ন চির-অধীর! বল বীর - আমি চির উন্নত শির!

মঞ্জুর চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ISIS, বকো হারাম, আল কায়েদাসহ সব জঙ্গিরা ধ্বংস হোক

১১ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:২৭

গতকাল একজন ISIS কুলাঙ্গার একটা খ্রিষ্টান দম্পতির গাড়ি আটকে বন্দুকের নলের সামনে জিজ্ঞেস করলো, "তোমরা কী মুসলমান?"
খ্রিষ্টান ভদ্রলোক জবাব দিলেন, "জ্বী জনাব।"
কুলাঙ্গারটার সন্দেহ হলো। তাই সে বলল, "তুমি যদি মুসলিম হয়ে থাকো, তবে কুরআনের একটি আয়াত পড়ে শোনাও।"
খ্রিষ্টান ভদ্রলোক বাইবেল থেকে একটি বাক্য আবৃত্তি করলো।
কুলাঙ্গারটা সন্তুষ্ট হাসি হেসে বলল, "আলহামদুলিল্লাহ! তোমরা যেতে পার।"
গাড়ি সামনে এগিয়ে যাবার পরে ভদ্রলোকের স্ত্রী বললেন, "তুমি কত্তবড় ঝুঁকি নিয়েছিলে বুঝতে পারছো? যদি ধরা পড়তে তাহলে ওরা আমাদের কী করতো কল্পনা করতে পারছো?"
স্বামী খুবই সরল গলায় উত্তর দিলেন, "Relax! ভয়ের কিছু নেই। ওরা যদি জীবনেও কুরআন পড়ে থাকতো, তাহলে কখনই নিষ্পাপ মানুষকে হত্যা করতে পারতো না।"
সন্ত্রাসীদের একটাই ধর্ম। খুনাখুনি। আমাদের মতন তাদেরও একটাই প্রভু। তবে সেটা ইবলিস শয়তান।
উপরের লেখাটির শেষ মন্তব্য ছাড়া পুরোটাই বিদেশী গল্প অবলম্বনে লেখা। এবারে বাস্তব গল্প শোনাই।
কিছুদিন আগে একটা ভিডিও দেখলাম, একজন আশি-নব্বই বছরের বৃদ্ধা কিছু কুলাঙ্গার ISIS সদস্যের একদম মুখের উপর তাদের সন্ত্রাসী, শয়তানের পূজারী, আধুনিক দাজ্জাল ইত্যাদি বলে গালি দিচ্ছিলেন।
ওদের হাতে রাইফেল ছিল - বৃদ্ধার সেদিকে কোন ভ্রুক্ষেপও নেই।
তাঁর অস্ত্র শুধুই কুরআনের বাণী।
"যদি মুমিনদের দুই দল যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে। অতঃপর যদি তাদের একদল অপর দলের উপর চড়াও হয়, তবে তোমরা আক্রমণকারী দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে; যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। যদি ফিরে আসে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে ন্যায়ানুগ পন্থায় মীমাংসা করে দিবে এবং ন্যায় করবে। নিশ্চয় আল্লাহ ন্যায় পরায়নকারীদের পছন্দ করেন।" (আল হুজরাত, আয়াত ৯)
জানোয়ারগুলি এইসব শুনে হাসছিল। নিজের চোখে দেখেছি!
বৃদ্ধা যখন আরবি কবিতা (শান্তির আহ্বান করে) আবৃত্তি করে শোনাচ্ছিলেন, তারা একে অন্যের গা টিপে দাঁত কেলিয়ে বলছিল, "দাদী দেখি কবি! হেহেহে।"
এইটাই কী যথেষ্ট প্রমাণ নয় যে তারা মুসলিম নয়? যারা কুরআনের বাণী শুনে হেসে উড়িয়ে দেয়, তাদের মুসলিম বলবেন কোন যুক্তিতে?
আমি ভয়ে ছিলাম এই বুঝি ওরা বুড়িকে গুলি করে হত্যা করে। বুড়ির তেজ দেখেও মনে হচ্ছিল বেচারী আজকেই পৃথিবীকে বিদায় জানাতে প্রস্তুত হয়ে এসেছেন।
এবং তখনই মনে হলো, এমন মৃত্যুর চেয়ে গৌরবময় আর কী হতে পারে? মরতেতো একদিন আমাদের সবাইকেই হবে, তবে এইভাবে কেন নয়?
সেই যখন কবরেই যাচ্ছি, তবে হেঁটে হেঁটে কেন? লিমুজিনে চড়ে গেলে ক্ষতি কী?
আধুনিক দাজ্জালের মুখের উপর বলা, "তুই শয়তান! তুই ইবলিস! তুই ধ্বংস হ!"
আহা! শ্রদ্ধায় বুড়িকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছা করছিল। তাঁর মতন সাহস যদি আমাদের সবার থাকতো!
ISIS এর হাতে এখন দুইজন বাঙ্গালি ভাই জিম্মি আছেন। তাঁদের ভাগ্যে কী ঘটবে একমাত্র আল্লাহই জানেন। হয়তো তাঁদেরও শিরোচ্ছেদের ভিডিও প্রকাশ হবে ইউটিউবে। হয়তো কোন মিরাকেল ঘটবে, তাঁরা পরিবারের কাছে ফিরে আসতে পারবেন।
তাঁদের পরিবারের লোকেদের কথা কল্পনা করতে পারছেন? কী দুঃসহ তাঁদের দিন কাটছে, কী দুঃস্বপ্নে ভরা রাত?
আমার অন্তত সেটা কল্পনা করার ক্ষমতা নেই।
দিনকে দিন ভাইরাসের মতন এরা ছড়িয়ে পড়ছে, অথচ কেউ কিছু করতে পারছে না। এদের মারতে গেলেই একদল লোক হইহই করে গালাগালি শুরু করেন, "এই শালার আমেরিকা আর তার চ্যালারা মুসলমানদের পৃথিবীর বুক থেকে ধ্বংস না করা পর্যন্ত শান্তি পাবেনা।"
আর ওরা যে মুসলিমদের ধরে ধরে মারছে?
তখন মিনমিনে গলায় উল্টো যুক্তি দেবার চেষ্টা করে, "ইরাকের গণহত্যা কে শুরু করেছিল? আফগানিস্তানের মিলিয়ন মানুষকে হত্যা কে করেছে? এইটা কারা করেছে? ঐটা কারা করেছে? ব্লা ব্লা ব্লা...."
এদেরকে আহাম্মক বললেও "আহাম্মক" শব্দটার প্রতি অবিচার করা হবে। আফসোস, পৃথিবীতে এই ধরনের লোকের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।
নাহলে বিশ্বের প্রতিটা মানুষ একজোট হয়ে এদের নির্মূল করতে কতক্ষনইবা লাগতো?
আপনার শরীরের ভিতর ক্যানসার, আপনি যতই সাবান ডোলে গোসল করেন, শরীর সুস্থ হবে? শরীরের ভিতরেই চিকিৎসা করতে হবে।
পৃথিবীর সব বিধর্মী, সব নাস্তিককে কুপিয়ে হত্যা করলে ইসলামের কোনই লাভ হবেনা। ইসলামকে রক্ষা করতে চাইলে সবার আগে ভিতরকার ক্যানসার, ISIS, বকো হারাম, আল কায়েদাসহ সব জঙ্গিদের ধ্বংস করাটা ফরয। এর কোনই বিকল্প নাই।
আমরা যে কবে বুঝবো!
আমাদের যে কবে সেই বৃদ্ধার মতন বুদ্ধি আর সাহস হবে!
আল্লাহ আমার দেশের দুই বাঙ্গালি ভাইকে জালিমের হাত থেকে হেফাজত করে সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনুন।
আল্লাহ পৃথিবীর প্রতিটা মানুষকে এইসব জালিম এবং তাদের চ্যালাদের হাত থেকে রক্ষা করুন!
আপাতত দোয়া করা ছাড়া আর কী যে করবো বুঝতে পারছি না।

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:৪৬

প্রামানিক বলেছেন: সব জঙ্গিরা ধ্বংস হোক।

২| ১২ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১২:২০

hamidul বলেছেন: ভাই সত্যি বলছি বিরোধীতা বা সমালোচনা করবেন এটলাস্ট কিছু যুক্তিতো দেন ....আপনি নিজেকেই প্রমান করছে অনেক বড় বলদ হিসেবে । আমি শুধু একটা দুইটা প্রমানই দিবো ১ / Yvonne Ridley যিনি একজন খ্রিষ্টান মহিলা তালেবানের হাতে বন্দী ছিলেন পরে ছাড়া পেয়ে দেশে গিয়ে দেড় বছর পর ইসলাম গ্রহন করেছেন এবং তালেবানে উনার সবচেয়ে উত্তম ব্যবহার করেছেন তাও সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন । http://en.wikipedia.org/wiki/Yvonne_Ridley

২/ ইন্ডিয়ান ৪৫ জন হিন্দু নার্স আইএসের হাতে ছিল তা হতে ফিরে এসেছেন এবং তাদের সাথে কিরকম ব্যবহার করা হয়েছিল তা তারা বিমানবন্দরে নামার পরই স্বীকার করেছেন ।

আমি অনেক কিছু আইএসের পছন্দ করি না । যেমন গলা কেটে হত্যা করা তা প্রকাশ করা , বন্দী হত্যা আরো অনেক কিন্তু তার মানে যাতা বানিয়ে লিখে দিবো ।

আর তালেবান-আল কায়দা বন্দী হত্যা করে না , ২০১১ সালে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশীকে গ্রেপ্তার করেছিল এনজিওর হয়ে কাজ করায় পরে চাকরি ছাড়ার শর্ত ছেড়ে দিয়েছিল । এবং আপনার প্রথম আলো রিপোর্ট করেছিল এটা নাকি চরম নির্যাতন । যদি ও বা আপনি বা প্রথম আলো পাশের দেশের ডাইরেক্ট বৌদ্ধরা মুসলিম হওয়ায় রোহিঙ্গাদের হত্যা করা হলেও বা তাদের মানবিদাকার ০.৯৯% ও না দিলে আপনাদের কখনো পোস্ট দিতে বা সহানূভূতি দেভি না । ধন্যবাদ ।

আর জঙ্গীগুলো ধংস হবে না, ইতিহাস পড়েন , সেই ৭৯ থেকে নিয়ে তারা দিন দিন বাড়তেছে । যেভুল রাশিয়া আফগান অগ্রাসন করে করেছিল তা আরো একটা উসমানী সামাজ্রের উত্তানের মধ্য দিয়ে শেষ হতে পারে । অন্যকোন ভাবেই নই ।

৩| ১২ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১২:৪৮

দধীচি বলেছেন: আইএসআইএস এর বিরুদ্ধে বেশিরভাগ প্রচারণা মুলত প্রোপ্যাগান্ডা , পলিটিক্যাল ভিউ থেকে করা। এমন লেখক নিজেই তার পোস্টে কিছু আবাল কথার জন্ম দিয়েছেন।

তখন মিনমিনে গলায় উল্টো যুক্তি দেবার চেষ্টা করে, "ইরাকের গণহত্যা কে শুরু করেছিল? আফগানিস্তানের মিলিয়ন মানুষকে হত্যা কে করেছে? এইটা কারা করেছে? ঐটা কারা করেছে? ব্লা ব্লা ব্লা....


"
এটা সিরিয়াস রকমের প্রশ্নই বটে , উত্তরটা পোস্ট দাতা দিতে পারেন নাই। আইএস এর জন্ম হয়েছে এই প্রশ্নটা থেকেই, সুন্নি অধ্যুষিত ইরাকে হামলার পর সুন্নিরা বারবারই শোষণের শিকার। তারই প্রতিক্রিয়া দেখি আইএসআইএস এর মাঝে। একটা দল অযথা জন্মায় না। আরেকটা কথা মাথায় রাখবেন, জর্ডানের পাইলটকে পুড়িয়ে মারা বা খ্রিস্তান যুবকদের হত্যা যেভাবে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ফলাও হয়েছে, এর পিছনের ব্যাকগ্রাউন্ড সেভাবে হয় নি। আংশিক খবর পক্ষপাতদুষ্ট বায়াসড , বাঙ্গালিরাও হুজুগে জাতি, সামনে যেটা পায় সেটা নিয়েই নাচতে থাকে। ইরাক বা সিরিয়া সংলগ্ন এলাকার আইএস নিওন্ত্রিত জায়গার কতটুকু খবর পান? যেটা আপনাদের জানানো হয়, ততটুকুই, ব্যাস এর বেশি কিছু নয়। কাজেই না বুঝে ব্লগ লেকগার অর্থ অত্যাচারীর হাতকে শক্তিশালী করা।

৪| ১২ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১২:৫৬

রামন বলেছেন:
আই এস হচ্ছে বাংলা ভাষায় প্রচলিত প্রবাদ বাক্যের ' ঘুঘু ' যা মার্কিনীরা আরবের ভিটায় চড়াচ্ছে।

৫| ১২ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ১০:০০

আলী আকবার লিটন বলেছেন: আপনার লেখা পরে বুঝতে পারলাম আমেরিকার মাস্টার প্লান সম্পর্কে আপনি যথেষ্ট অপক্ক।
এক ব্যাককে বলতে চাই তালেবান, আল কায়দা যেমন আমেরিকার আবিস্কার ISIS ও তেমনি ।
৯/১১ বিমান হামলা যে আমেরিকার সাজানো নাটক তা বিশ্ববাসীর নিকট এখন পরিস্কার । এমনকি খোদ আমেরিকান বাসীদের নিকটও ।যা youtube ৯/১১ এর এনালিইসিস ভিডিও তে প্রমানিত । ওসামা বিন লাদেন কে হত্যার পর আমেরিকা আর কতদিন ইস্যু বিহিন রাজত্ব করবে। জঙ্গি ইস্যুটা অবশ্যয় জিইয়ে রাখতে হবে এই পৃথিবীতে । যাতে করে জঙ্গি ইস্যুতে আরও কিছু দেশ দখল করা যায় ।আর সেটাই ISIS
খ্রিষ্টান ভদ্রলোক বাইবেল থেকে একটি বাক্য আবৃত্তি করলো।
কুলাঙ্গারটা সন্তুষ্ট হাসি হেসে বলল, "আলহামদুলিল্লাহ! তোমরা যেতে পার।"

হাঁ এটা কেবল আমেরিকার দালালদের পক্ষেই সম্ভব।

৬| ১২ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ১০:০৩

তার ছিড়া আমি বলেছেন: আমি বুঝি না কিভাবে আমরা মুসলিম হয়ে স্বজাতির বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ খবরটি না জেনে কথা বলি।
আমার মনে হয় আমাদেরকে পাগলা কুত্তা (পশ্চিমা জুজু) কামড়েছে।

মাথা খারাপ করেননা।
আমি বলছি,
ধরুন, কোন এক লোক আপনার আপন মায়ের পেটের ভাই সম্পর্কে একটা জঘন্য অপবাদ বা দোষারোপ করে আপনার নিকট নালিশ দিল। ব্যাস্, আপনি কি ততক্ষনাৎ আপনার ভায়ের চৌদ্দ গুষ্ঠি উদ্ধার করবেন ?
নাকি পুরো বিষয়টি সম্পর্কে ভাল ভাবে খোজ- খবর নিয়ে, তার পর বস্তুনিষ্ঠ সিদ্ধান্ত নিবেন? ( যদি আপনি ন্যায় পরায়ন হন।)

:আল্লাহ আমাদের সবকিছু সঠিক ভাবে বুঝার তাওফিক দিক।


৭| ১২ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ১০:৪৩

শাহ আজিজ বলেছেন: সৌদি আরব এখন শীর্ষ মার্কিন অস্ত্র ক্রেতা। ব্রাদারহুডের মুরসি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরই কিন্তু আইসিস তার কার্যক্রম শুরু করল। এখন বারাক ওবামাকে আইসিসের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়ে থাকে। ওবামার মুল লক্ষ্য অস্ত্র বিক্রি আর সিরিয়া ও ইরাকের মধ্যে বহুমতের স্থিতি বজায় রাখা। সে চাইছে কাতার,কুয়েত এবং খোদ ইরাকের সুন্নি ও শিয়ারা যেন তেলের বিনিময়ে অস্ত্র কেনে ও মার্কিন অর্থনীতিতে কিঞ্চিত চাঙ্গা ভাব এনে দেয়। আইসিস এর ভাব বাদী দল এখন বক হারাম ও লিবিয়ার কট্টর মুসলিম দলগুলো। পাক- আফগান তালেবানদের দুদশকের কার্যকলাপ আইসিসের মুল লক্ষ্য। তবে সামাজিক অস্থিরতা কোথাও বেশিদিন টেকেনা এজন্য যে অধিকাংশ মানুষ শান্তিপ্রিয় । যাহোক এসবই আমাদের প্রভু আরবদের কাণ্ডকারখানা । দেখতে হবে ওটা যেন আমাদের দাস দাসীদের দেশে ছড়িয়ে না পড়ে।

৮| ১২ ই মার্চ, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২১

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: একই সঙ্গে ভণ্ডরাও ধ্বংস হোক। নাস্তিক এবং আইএস বা তালেবানদের মধ্যে ভণ্ডামি নেই। তারা যা বিশ্বাস করে সেই অনুযায়ী কাজ করছে। কিন্তু আমাদের সমাজের ​প্রগতিশীল মুসলিম মানেই ভণ্ড। কারণ ধর্মের সঙ্গে প্রগতির বিরোধ রয়েছে। ধর্মকে লাত্থি​ মেরেই ইউরোপে প্রগতির সূচনা।
উদাহরণ দেই: জন্ম নিয়ন্ত্রণ প​দ্ধতি বিজ্ঞান তথা প্রগতির দান। ধর্মের সঙ্গে এর বিরোধ আছে। ধর্ম স্থির। প্রগতি হলো ইতিবাচক পরিবর্তনকে মেনে নেওয়া। কাজেই জন্ম নিয়ন্ত্রণ মানে হলো, ​ঈশ্বর খাওয়াইবো—এ কথায় বিশ্বাস না রাখা। আমাদের সমাজের মাওলানারাও ইদানিং কনডম দিয়ে লাগান। তাদেরও ইদানিং দুটির বেশি সন্তান হয় না। এরা ভণ্ড কারণ এরা প্রগতি তথা জগতের সব সুবিধাও চায় আবার পরোকালের সুবিধাও চায়।

৯| ১৩ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১২:৫১

মহাকাল333 বলেছেন: মঞ্জুর চৌধুরী ভাই,দারুন বলেছেন।সহমত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.