নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মঞ্জুর চৌধুরী

আমি ঝন্ঝা, আমি ঘূর্ণি, আমি পথ-সমূখে যাহা পাই যাই চূর্ণি’। আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ, আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ। আমি হাম্বার, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল, আমি চল-চঞ্চল, ঠমকি’ ছমকি’ পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি’ ফিং দিয়া দিই তিন দোল; আমি চপলা-চপল হিন্দোল। আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা, করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পান্জা, আমি উন্মাদ, আমি ঝন্ঝা! আমি মহামারী আমি ভীতি এ ধরিত্রীর; আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার আমি উষ্ন চির-অধীর! বল বীর - আমি চির উন্নত শির!

মঞ্জুর চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রাইড প্যারেড

১৪ ই জুন, ২০২৩ রাত ৯:০৭

কিছুদিন আগেই লিখেছিলাম যে আমেরিকা রিলিজিয়াস ফ্রিডমের দেশ। এর মানে হচ্ছে আপনার ইচ্ছা আপনি কোন ধর্ম কিভাবে পালন করবেন, বা কোন ধর্মই পালন করবেন না - সেটা আপনার স্বাধীনতা। কেউ আপনাকে জোর জবরদস্তি করতে পারবে না।
আমার ধর্মে যেমন মদ্যপান মহাপাপ। আমাকে কেউ মদ্যপানে বাধ্য করতে পারবে না।
একই সাথে, আমি যদি মদ পান করি, এবং আমার বয়স একুশের উপর হয়ে থাকে, তাহলে কেউ আমাকে বাধাও দিতে পারবে না। হ্যা, মৌখিক নিষেধ/উপদেশ অবশ্যই দিতে পারবেন। বুঝাতে পারবেন যে এতে আমার ক্ষতি ছাড়া লাভ কিছুই নেই, পয়সা খরচ করে বিষপান, শরীরের ক্ষতির পাশাপাশি নিজের প্রিয়জনদের থেকে দ্রুত বিদায় হবার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছি, ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু আমাকে মারধর করলে পুলিশ এসে জুলুমকারীদের ধরে নিয়ে যাবে।
এখন ইউরোপে মদ্যপানের মিনিমাম বয়স ষোল বছর। ষোল বছর বয়সেই পোলাপান ড্রিংকিং শুরু করতে পারে। যে ছেলে ষোল বছর বয়সে বোতল ধরেছে, সে আঠারো বছর বয়সে আমেরিকায় এসে জানতে পারলো যে ও মদ কিনতে পারবে না। দুঃখে অভিমানে সে আন্দোলন করতেই পারে মদ্যপানের মিনিমাম বয়সকে ষোলতে নামানো হোক! আমি নিশ্চিত, এতে সঙ্গী হিসেবে সে আরও হাজারো যুবক যুবতীকে পাবে। কিন্তু আমি যদি মদ্যপান বিরোধী হয়ে থাকি, আমাকে সেই মিছিলে ওদের আশা করাটা কতটুকু যৌক্তিক?
আমার ততক্ষন পর্যন্ত কিছুই আসে যায় না কে মদ খেল, কতটুকু খেল, কিভাবে খেল যতক্ষন না তা আমার বা অন্য কারোর ক্ষতির কারন হচ্ছে। যেমন মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো ভয়াবহ অপরাধ। সড়কে মানুষ খুনের সবচেয়ে বড় কারন এটি। মদের বিপক্ষে পাবলিকলি আওয়াজ তুলি না মানে এ না যে আমি নিজেও মদ খাই, কিংবা মদ খাওয়াকে সমর্থন করি। এটি এদেশের আইনে স্বীকৃত, কেউ কারোর ক্ষতি না করে খেলে আমার কিছুই আসে যায় না। আমি আমার পরিবারের মানুষদের মাঝে এর অপকারিতার ব্যপারে সচেতনতা বাড়াবো - এইটুকুই আমার গন্ডি।
বিষয়টা বুঝাতে পেরেছি? ক্লিয়ার? কারোর প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন। জবাব দিব।

এখন দ্বিতীয় অংশে যাওয়া যাক। জুন মাস চলছে, যাকে বিশ্বব্যাপী “প্রাইড মান্থ" হিসেবে সেলিব্রেট করা হয়। সমকামী, উভকামী, জেন্ডার আইডেন্টিটি ইত্যাদি নানান বিষয়ে সচেতনতার উদ্দেশ্যে ওরা প্যারেড বের করে। বহুক্ষেত্রে ভালগারিটির পর্যায়ে চলে যায়। তবে ওদের প্রাথমিক উদ্দেশ্য জনতাকে অবহিত করা যে ওরাও মানুষ, এবং ওদের তরিকাতে ভালবাসার স্বাধীনতা ও অধিকার ওদের আছে।
মৌলিকভাবেই আব্রাহামিক তিন ধর্ম, ইহুদি খ্রিষ্টান ও মুসলিমদের বিশ্বাসের সাথে বিষয়টি সাংঘর্ষিক। আমি নিশ্চিত সনাতন ধর্ম ও বৌদ্ধরাও একে সমর্থন করে না। তা অনেক ধর্ম ও সমাজ ব্যবস্থা এর সাথে কম্প্রোমাইজ করলেও ইসলামে কোন উপায়ই নেই। ইসলাম সরাসরি নির্দেশনা দিয়েছে এতে কোন কিছু যুক্ত বা বিযুক্ত করা যাবে না। আজকে আপনি দাবি করবেন “এটি প্রাকৃতিক, পশুপাখির মাঝেও বিদ্যমান। মানুষের মাঝে থাকলে সমস্যা কি?“
তখন পাল্টা যুক্তি আসবে, “ইনসেস্ট প্রথাও পশুপাখির মাঝে পাওয়া যায়। মানুষ নিজের ঘরে নিজের মায়ের সাথে, বোনের সাথে, মেয়ের সাথে শুলে আমার কি? সব প্রাণীই করে। এখন কি একেও স্বীকৃতি দিতে হবে?”
তারপরে দাবি উঠবে পশুপাখির সাথে সেক্সকেও বৈধতা দিতে। ফ্রী লাভ! অনেকেই করে। কারন “ভালবাসা" অনেক পবিত্র ও একে কোন নির্দিষ্ট গন্ডিতে ধরে রাখতে নেই। তখন? সীমারেখাটা কোথায়?
এই কারণেই ইসলাম সাড়ে চৌদ্দশ বছর পুরানো বই আঁকড়ে ধরে আছে, সাড়ে চৌদ্দ হাজার বছর পরেও এর পরিবর্তন হবে না।

এখানে বলে রাখি, ইসলামিক রাষ্ট্রব্যবস্থাতে কারোর অধিকার নেই মানুষের বেডরুমের দরজা নক করে চেক করা সে কার সাথে শুয়েছে। জেনা, পরকীয়া ইত্যাদির শাস্তি তখন হয় যখন তা পাবলিকলি (চারজন সাক্ষী) হয়ে যায়। আপনার গোপন প্রেম সমাজে প্রকাশ্যে এসেছে, বা কোন ভিকটিম অভিযোগ করেছে, তখনই এর বিচার হবে। আমরা গোপনে স্টিং অপারেশন করে আপনাকে ধরে ফাঁসাবো - এই টাইমই নাই। ইসলাম বলে পাপীকে নয়, পাপকে ঘৃণা করতে। যে কারনে যখন কেউ মসজিদে আসে, আমরা ওর ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করিনা। ও মদ্যপ, ঘুষখোর, জেনাহকারী নাকি অন্যকিছু, সেটা ওর আর আল্লাহর ব্যাপার। আল্লাহর ঘর সবার জন্য খোলা। আমাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে ওসব পাপকর্ম এড়িয়ে চলতে। তাই সমকামীরা, ভিন্নধর্মের হলেতো কথাই নাই, এমনকি কোন মুসলিমও ঘরের ভিতরে কাউকে ভিকটিম না বানিয়ে কি করবে না করবে তা নিয়ে অন্য মুসলিমদের কিছু আসে যায় না। ওর শাস্তি বা ক্ষমা ওকে আল্লাহ দিবেন।

এখন প্রাইড প্যারেডে কিভাবে কোন লজিকে কেউ আশা করে কোন প্র্যাকটিসিং মুসলিম উপস্থিত থাকবে? ওটা আমার ধর্মের সাথেই সাংঘর্ষিক। আমি যতই উদারমনা হই, আমার সেখানে উপস্থিতি মানে আমার নিজ ধর্ম থেকে বিচ্যুতি। অন্যের ধর্মের বা বিধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মানেতো এই না যে আমি আমার ধর্ম ত্যাগ করবো!
কেউ তর্ক তুলবে, ওখানে উপস্থিত মানেই যে আমিও সমকামী হয়ে গেলাম তা নয়। উত্তর হচ্ছে, আমাকে এইসব থেকেই দূরে থাকতে বলা হয়েছে। তোমরা প্যারেড করো, পার্টি করো তোমাদের ব্যাপার। আমি ডাক্তার, এবং তোমার চিকিৎসা দরকার, তখন আমি ঠিকই চিকিৎসা করবো। তুমি তৃষ্ণার্ত, আমি তোমাকে পানি দেয়ার আগে প্রশ্ন করবো না তোমার ওরিয়েন্টেশন কি। শুধু এই উৎসবে আমাকে টেনো না।
সমলিঙ্গের বিয়ে হতো, হচ্ছে - ওদের ব্যাপার। আমার কিছুই আসে যায় না। মদ লিগ্যাল মানে এই না যে আমিও মদ্যপ হয়ে যাব। তেমনই আমিও সমকামী হয়ে যাব না।
কিন্তু এখন স্কুলে কলেজে শেখানো হচ্ছে জেন্ডার আসলে দুইটি নয়, তুমি যেটা মনে করবা, তুমি আসলে সেটাই। মানে হচ্ছে হাইস্কুলের একটি ছেলে তার স্কুলের মেয়েদের লকার রুমে, যেখানে মেয়েরা জামা কাপড় পাল্টায়, আরামসে ঢুকে যেতে পারবে কারন সে মনে করে সে আসলে মেয়ে। একটুও বাড়িয়ে বলছি না, এইটাই ঘটছে। মসজিদে মহিলাদের রুমে পুরুষ ঢুকার চেষ্টা করছে কারন সে মনে করে সে মেয়ে। “trapped in a wrong body!” মেয়েগুলিকে প্রশ্ন করছে কেউ যে ওদের কেমন লাগে ওদের প্রাইভেট রুমে একটি ছেলে ঢুকে পড়ায়?
সেক্স চেঞ্জ অপারেশন হচ্ছে। হরমোন ইনজেক্ট করা হচ্ছে। বাবা মা বাঁধা দিলে প্যারেন্টাল রাইটস কেড়ে নেয়া হচ্ছে। অদ্ভুত একটা অবস্থা! যে দেশে আঠারোর নিচের বাচ্চাদের বিড়ি কেনার অনুমতি নেয়, ট্যাটু করার অনুমতি নেই, সেই দেশেই সেক্সুয়াল অর্গান কেটে ফেলতে দিচ্ছে, উল্টা উৎসাহিত করা হচ্ছে! অথচ এর সাইড এফেক্ট কি, কি কি ইনফেকশন হতে পারে, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কি কি ওষুধ খাওয়া বাধ্যতামূলক, কত মিলিওন খরচ হবে - ইত্যাদি কোন ধারনাই আগে দিচ্ছে না।
উনাদের he/she সম্বোধন করা যাবেনা। “they/them” বলতে হবে।
আরও আছে। আপনি বাস্তবে ফকির মিসকিন, আপনার মনে হয় আপনি মিলিওনিয়ার, অতএব আপনি মিলিওনেয়ার! এখন সেরকম আচরণ করুন, সমস্যা নাই।
আপনি কালো, কিন্তু মনে হচ্ছে আপনি সাদা। তাই অন্যান্য কালোদের সাথে বর্ণবাদী গালাগালি শুরু করলেন। ওরা অবাক হয়ে বলল, “এই শালা, তুইওতো কাউলা!”
আপনি বলে বসলেন, “I’m trapped in a wrong body!”
আপনি চল্লিশ বছরের বুইড়া ধামরা। আপনার মনে হলো আপনি পাঁচ বছরের শিশু কন্যা, বা টিনেজ মেয়ে। অতএব আপনি তেমন ড্রেস পরে তেমন আচরণ করবেন, এবং লোকজনকে বলতে হবে “অ.…কি কিউট!” না বললে ওরা টলারেন্ট না।
শুধু তাই না। আপনার মনে হলো আপনি সাপ, আপনি বাঘ, আপনি ঘোড়া! আপনি সার্জারি ট্যাটু করে, লাইফস্টাইল পাল্টায়ে অমন হয়ে গেলেন। আপনারা বলছেন কি আবোল তাবোল বলছি? নারে ভাই, সবই বাস্তবে ঘটেছে। ইন্টারনেট সার্চ করলেই পাবেন।
এখন ইউটিউব ফেসবুকের যুগ। ফলোয়ার পাওয়ার ধান্দায়ও অনেকে এখন এমন কিছু করছে। এর শেষ কোথায়?

আধুনিক দুনিয়ায় কে কার সাথে শুচ্ছে, নিজের শরীরের কি করছে না করছে আমার কিছুই যায় আসে না, তবে, আমাকে বা আমার বাচ্চাকে যেন এসবে সামিল হতে বাধ্য না করা হয়। লিবারেল দেশ ও স্টেটগুলির স্কুলে প্রাইড প্যারেড হচ্ছে, বাচ্চাদের বাধ্য করা হচ্ছে উপস্থিত থাকতে। অনুপস্থিত থাকলে টিচার যা তা শুনিয়ে বকাঝকা করছে। বলছে টলারেন্সের কথা, এইটা টু ওয়ে স্ট্রিট। ওয়েল, তাহলে আমি যে এর অংশ নই, তখন কেন এটা ওয়ানওয়ে হাইওয়ে হয়ে যায়? তখন টলারেন্স কই যায়?
থাকি টেক্সাসে, তাই এসবের ভয়াবহতা এখনও দেখিনি। কতদিন টেক্সাস কনজারভেটিভ থাকে, সেটাই প্রশ্ন।
আমেরিকার সাংবিধানিক অধিকার হচ্ছে কেউ আমাকে গির্জায়, মসজিদে, মন্দিরে যেতে বাধ্য করতে পারবে না। প্রাইড প্যারেডেও না। আমার স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক অধিকার আমি কি করবো, কি করবো না। অথচ এখন দেখা যাচ্ছে আমার সেই অধিকারের তোয়াক্কা করা হচ্ছেনা।
আমার কিছু সমকামী বন্ধু বান্ধবী ও কলিগ আছে। ওদের সাথে মিশেছি বলেই জানি ওরা আমাদের মতোই সাধারণ মানুষ। ওদের উপর কোন অত্যাচার, অন্যায়, গালাগালি আমি সমর্থন করিনা। আমাদের বন্ধুত্বে ওদের সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন বা প্রেফারেন্স কখনই বিবেচ্য হয় না। এর মানে এই না যে আমি নিজে সমকামী হয়ে গেছি, বা ওদের সমকামিতাকে পুন্যজ্ঞান করি। আমাদের প্রত্যেকেরই অনেক খারাপ অভ্যাস আছে, আমরা কি সবকিছুকে মাথায় নিয়ে বন্ধুত্ব করি? “মানুষ" হিসেবে যে মিউচ্যুয়াল রেস্পেক্ট, ভালবাসা সবই আছে। ওদের সাথে মেলামেশার ফলেই ওদের প্রতি স্টেরিওটিপিক্যাল ধারণা আমার নেই। এবং এইটুকু বুদ্ধি আমার মাথায় আছে যে ওদের স্বাধীনতা মানে আমারও স্বাধীনতা। আমার ব্রেন এতটাও নষ্ট না যে এইটা বুঝবো না যে ওদের উপর জুলুমে আমি শরিক হলে কালকে আমার উপরও জুলুম করতে কারোর কোন বাধা থাকবে না। অনেক বোকা মাইনোরিটি এইটাই ভুলে যায়।
নিজের স্বার্থের জন্যই আমি আশা করি ওরা কখনও বুলিড না হোক। একই সাথে ওরাও যেন কাউকে বুলি না করে। মিউচুয়াল রেস্পেক্ট দুই পক্ষ থেকেই আসতে হয়।

আজকাল কেউ যদি বলে আমি সমকামিতার সমর্থক নই, সাথে সাথে হোমোফোবিক বলতে বলতে তেড়ে আসে। সমকামিতার সমর্থন না করা আর ওদের প্রতি সহিংসতা চালানো যে এক না, এই সাধারণ বুদ্ধি কয়জনের মাথায় আছে?
লেখাটা পড়ে এখন আপনাদের কারোর কি মনে হচ্ছে আমিও হোমোফোবিক? তাহলে ভাই আপনি একজন গর্ধব, “trapped in a wrong body.”

মন্তব্য ১৩ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই জুন, ২০২৩ রাত ১০:৫০

কামাল১৮ বলেছেন: যার যে ধর্ম সে সেই ধর্ম পালন করবে ইসলাম এটা সমর্থন করে না।
সমকামিতাকে সমর্থন করা আর নিজে করা এক বিষয় না।আমি সমর্থন করতে পারি কিন্তু নিজে নাও পছন্দ করতে পারি।এটা আমার ব্যক্তি স্বাধীনতা।

১৫ ই জুন, ২০২৩ রাত ২:০৪

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: "যার যে ধর্ম সে সেই ধর্ম পালন করবে ইসলাম এটা সমর্থন করে না" - কথাটা বুঝলাম না। তাহলেতো দুনিয়ায় আর কোন ধর্মেরই অস্তিত্ব রাখতো না মুসলিমরা।

২| ১৫ ই জুন, ২০২৩ রাত ২:৩৫

কামাল১৮ বলেছেন: ইসলাম ধর্মে জিহাদ বলে একটা বিষয় আছে।এটা নিয়ে ভালো করে পড়াশুনা করেন বুঝতে পারবেন।
পারলে রাখতো না।ওয়াজগুলো শুনেন বুঝতে পারবেন।

১৫ ই জুন, ২০২৩ রাত ১০:০৪

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ভাল করে পড়া আছে। আপনি কি পড়েছেন সেটাই ভাবছি।

৩| ১৫ ই জুন, ২০২৩ সকাল ৮:৪৯

কলাবাগান১ বলেছেন: আপনার হয়ত বায়োলজি সম্পর্কে তেমন কোন নলেজ নাই...তাহলে বুঝতে পারতেন যে শুধুমাত্র বাহ্যিক অংগ দিয়েই জেন্ডার ডিটারমিনেশন হয় না....অনেক বাচ্চাই ই মেয়ে হিসাবে বড় হয় কিন্তু তার ক্রমোজম এর কেরিওটাইপ (ইমেজ) করা হলে দেখবেন যে সে আসলে বায়োলজিক্যালি ছেলে উইথ XY chromosomes. উদাহরন হিসাবে দেখুন "androgen insensitivity syndrome" যেটা সম্পর্কে গুগুল বলছে
"Androgen insensitivity syndrome (AIS) is when a person who is genetically male (who has one X and one Y chromosome) is resistant to male hormones (called androgens). As a result, the person has some of the physical traits of a woman, but the genetic makeup of a man."

আবার SRY জিন এক্সটা হিসাবে থাকার জন্য একজন মেয়ে হিসাবে XX থাকার পরও সে ছেলে হিসাবে বাহ্যিক অংগ-প্রত্যংগ ডেভেলপ করে কিন্তু মেন্টালি সে মেয়ে হিসাবেই থাকে
কিন্তু আমরা সেক্স ডিটারমিনেশন এর বায়োলজি ভাল ভাবে না বুঝেই জোর করে বাহ্যিক অবস্হা দেখেই ছেলে বা মেয়ে এই বাইনারী গ্রুপে ফেলে দেই......।
বি রিজেনএবল...।কেউ হটাৎ সকালে ঘুম ঠেকে উঠেই ডিসাইড করে না যে আমি আজ থেকে অন্য জেন্ডার.......দেয়ার আর অলওয়েজ সাম বায়োলজিক্যাল রিজনস বিহাইন্ড ডোস কাইন্ড অফ ডিসিশনস

১৫ ই জুন, ২০২৩ রাত ১০:০৮

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: শোনেন ভাই, বায়োলজি বলে যার XY ক্রোমোজোম, সে ছেলে, এবং যার XX ক্রোমোজোম, সে মেয়ে। ছেলেদের মাসিক হয়না, মেয়েদের মাসিক হয়। ছেলেদের বুকে দুধ আসেনা, মেয়েদের সন্তান জন্মের পরে আসে। ছেলেরা সন্তান পেটে ধরতে পারেনা, শারীরিক ত্রুটি না থাকলে মেয়েরা পারে। এইগুলি বায়োলজিক্যাল ফ্যাক্ট।
জন্মের সময়ে কারোর যদি ত্রুটি থাকে, যেমন তৃতীয় লিঙ্গ, তখন সে অপারেশন করে ঠিক করে ফেলুক, সমস্যা নাই।
এখন যা চলছে, সেটাকে বায়োলজিক্যাল টার্মে ডিফাইন করার চেষ্টাটাই বৃথা।

৪| ১৫ ই জুন, ২০২৩ সকাল ১১:২৯

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আপনার ব্ক্তব্য বুঝতে আমার কোন সমস্যা হয় নি আর বিষয়গুলো নিয়ে আমি বেশ চিন্তিত। ডেমোক্র্যাট স্টেটগুলোতে খুবই বিচ্ছিরি অবস্থা। বাচ্চাদের স্কুলে এগুলো নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্য হলো সামাজিক প্রথাগত ধারণা নষ্ট করে দেয়া। বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকেই মগজ ধোলাই করা। বিভিন্ন স্কুলে বাচ্চাদের অভিভাবকরা এগুলো নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসলেও তেমন কোন লাভ হচ্ছে না। মানব সভ্যতায় এই প্রথম সমাজের মাইনোরিটি অংশ মেজোরিটিকে ডিকটেড করছে, এগুলোকে পজিটিভলি নেয়ার কোন কারণ নেই। আমি নিজেও রিপাবলিকান স্টেটে মুভ করার ইচ্ছে আছে। লিখার জন্য ধন্যবাদ।

১৫ ই জুন, ২০২৩ রাত ১০:০৮

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ডালাস চলে আসেন, পরামর্শ লাগলে বলবেন।

৫| ১৫ ই জুন, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: আপনাকে অন্যের পোষ্ট পড়তে হবে। মন্তব্য করতে হবে।
হ্যাঁ জানি আপনি ব্যস্ত।

১৫ ই জুন, ২০২৩ রাত ১০:০৯

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ওকে।

৬| ১৫ ই জুন, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৫৭

দারাশিকো বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। আমেরিকার এই সিচুয়েশন বাংলাদেশেও হবে - হয়তো আরও বছর কয়েক অপেক্ষা করতে হবে। সেই পরিবেশ যে তৈরী হচ্ছে তার নমুনা এই পোস্টেই পেয়ে গেছেন নিশ্চয়ই।

আপনি যা বলেছেন তার সবটাই ম্যাট ওয়ালসের ডকুমেন্টারিতে উঠে এসেছে - যদি আপনি দেখে থাকেন তাহলে এই পোস্টে সেটার লিংক দিয়ে দিতে পারেন, হয়তো আরও কিছু লোক সচেতন হবে।

ভালো থাকুন। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুক।

১৫ ই জুন, ২০২৩ রাত ১০:০৯

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: না দেখা হয়নি। লিংকটা দিয়ে দিন।

৭| ১৫ ই জুন, ২০২৩ রাত ১০:১৭

কলাবাগান১ বলেছেন: আপনার উত্ত র ই বলে দিচ্ছে যে আপনাদের মত লোকেদের কাছে বাহ্যিক অংগই সব যেটা আমেরিকার কম শিক্ষার ফসল লোকজন এর ধারনা.... একটা লোক যখন সেক্স অপারেশন করে ছেলে থেকে মেয়ে হচ্ছে, তখন সে বাহ্যিক ভাবেই হচ্ছে কিন্তু তার ক্রোমজম সেই এক্স-ওয়াই থেকে যায়...তার মানে শুধু এক্স-ওয়াই দিয়ে জেন্ডার ডিটারমিনেশন হয় না....হরমোন এর তারতাম্যের কারনে (জিন এর মিউটেশন এর ফলে যেটার উপর তার হাত নাই), তার এক্স-ওয়াই ক্রোমজম থাকার পড়ও সে মেয়ে হিসাবে তার চিন্টা-ধারা হতে পারে (বায়োলজিক্যালি)। এই সিম্পল কথা ই যদি না বুঝেন!!! শুধু বুঝেন বুকের দুধ.........

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.