নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

DEATH IS BETTER THAN DISGRACE

রসায়ন

রসায়ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিধর্মীর জান্নাত লাভ | চিন্তা পোস্ট

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৫


আল্লাহ মুহাম্মদ স. এর দ্বারা ইসলাম ধর্মকে সম্পুর্ন করেছেন এবং সকল মানুষকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে আদেশ দিয়েছেন । মুসলিম না হয়ে মৃত্যু বরণ করতে না করেছেন কেননা মুসলিম না হয়ে মারা গেলে জান্নাত পাওয়া যাবে না । যতই ভালো কেউ হোক না কেন জান্নাত পেতে হলে মুসলিম হতেই হবে । মুসলিম হলে যেমন পাপের শাস্তি ভোগের পরও জান্নাত পাওয়া যাবে কিন্তু অমুসলিম যতোই ভালো বা খারাপ হোক না কেন সে জাহান্নামই !

মুহাম্মদ স. এর চাচা আবু তালেব তাঁকে লালন পালন ও হেফাজত করলেও মরার সময়ও মুহাম্মদ স. ডাকে সাড়া দিয়ে ঈমান আনেন নি । তার পরিপেক্ষিতে আল্লাহ কোরআনের সূরা কাসাসের ৫৬ নাম্বার আয়াত নাজিল করেন । ঈমান না আনার কারণে অর্থাৎ মুসলিম না হওয়ার আবু তালেবও জাহান্নামি হবে, ইসলাম মোতাবেক। সে যতই মুহাম্মদ স. হে হেফাজত বা লালন পালন করে থাকুক না কেন ।


এই সূত্র ধরেই বলা যায়, এই যে আমাদের চারপাশে এত এত জিনিস যেসবের অধিকাংশই আবিস্কার করেছেন অমুসলিম বিজ্ঞানীরা যেগুলোর উপকার পাচ্ছে সমগ্র মানব বিশ্ব , সেসব বিজ্ঞানীদেরও জাহান্নামে যেতে হবে ! যেমন, ফ্রান্সের লুই পাস্তুর যিনি জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাক্সিন আবিস্কার করেছেন কিংবা ইংল্যান্ডের এডওয়ার্ড জেনার যিনি গুটি বসন্তের ভ্যাক্সিন আবিস্কার করেছিলেন তাদেরও জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে হবে যদিও তাদের এই আবিষ্কারের কারণে কোটি কোটি লোকের প্রাণ বেঁচে গেছে !!! একই ভাবে মুসলিম হওয়ার কারণে ও তওবা করে মারা যাওয়ার নিজামী মুজাহিদ এরকম খুনিরাও শাস্তি ভোগ করে হলেও জান্নাতে যাবে !


সে যাই হোক, আমাদের চারপাশে যত মুসলিম আছে তার সিংহভাগই হলো পারিবারিক সূত্রে মুসলিম । এদের মধ্যে খুব কম লোকই আছে যারা ইসলাম নিয়ে এবং অন্যান্য ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করেছে অতঃপর ইসলামকেই সত্য ধর্ম হিসেবে পালন করছে । ইসলাম মুসলিমদের ধর্ম নিয়ে জ্ঞান অর্জন বা স্টাডি করতে বললেও অধিকাংশ মুসলিমই সেটা করেন না। জন্মসূত্রে পাওয়া ইসলাম ধর্মকে পালন করেন । ইসলাম নিয়ে কয়েকটা প্রশ্ন করলেই এরা আকাশ থেকে পড়ে কেননা এরা জেনে বুঝে ধর্ম পালন করেনা , করে পারিবারিক সূত্রে পাওয়া ধর্ম ।

এখন কথা হলো , যেসব মানুষ অমুসলিম পরিবারে জন্ম নিলো তাদের কি দোষ ? তাদের যদি ইসলাম ধর্ম পালনকারী কোন পরিবারে জন্ম হতো তবে তারাও হয়তো মুসলিম হতো । যেহেতু জন্ম মৃত্যু আল্লাহর হাতে কাজেই কেন তারা জন্মের দায়ে জাহান্নামে যাবে ?

একটা উত্তর হতে পারে যে, তারা তো জ্ঞান বুদ্ধি সম্পন্ন ছিলো কিংবা তাদের জন্য কোরআন হাদিস ছিলো , তাহলে কেন তারা মুসলিম হলো না !

কিন্তু তাহলে আবার পাল্টা প্রশ্ন আসে, কয়জন মানুষ ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করে বা মাথা ঘামায় । সবাই কেবল পারিবারিক ঐতিহ্য হিসেবেই ধর্ম পালন করে , জেনে বুঝে অন্য ধর্ম সম্পর্কে জেনে অতঃপর নিজের ধর্মের সত্যতা পেয়ে ইসলাম বা অন্য ধর্ম পালন করে এমন লোক কয়জন আছেন ?
খুবই কম । আজকে যে লোক মুসলিম পরিবারে জন্ম নেয়ায় আল্লাহ আল্লাহ করছে সেইই যদি হিন্দু পরিবারে জন্ম নিতো তবে হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ জপত !!!

তাহলে যদি কোন অমুসলিমকে কেয়ামত দিবসে জাহান্নাম প্রদান করা হয় অমুসলিম পরিবারে জন্ম নিয়ে ইসলাম বা সত্য ধর্ম সম্পর্কে অনুসন্ধান না করে অমুসলিম থেকে যাবার কারণে তবে যেসব মুসলিম মুসলিম পরিবারে জন্ম নেয়ার কারণেই মুসলিম অথচ অন্য ধর্ম না জেনে নিজের ধর্মকে সত্য প্রমাণ পেয়ে অর্থাৎ জন্মসূত্রেই মুসলিম হয়েছে কিন্তু স্বউদ্যোগে খোঁজ নিয়ে প্রমাণ সাপেক্ষে নয় তাদেরও বিচার হওয়া উচিত বা আরো পরীক্ষা নেয়া উচিৎ ।। নয়তো ন্যায় বিচার হবে না সেটা !

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:২৭

পবন সরকার বলেছেন: যে লোক জীবনে ইসলামের নামই শোনে নাই তার কি হবে?

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:৩৭

রসায়ন বলেছেন: সে ক্ষমা পেয়ে যাবে ।

২| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:৪৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আল্লাহই ভা‌লো জা‌নেন কে কোথায় যা‌বে।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১০:০০

রসায়ন বলেছেন: এরকম কথা বললে মানুষের কি হবে । কারণ একবার মরে গেলে সেটা তো ফেরানো সম্ভব না । আর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ না করে মরলে পরিণাম খুব খারাপ।

৩| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:৪৮

দূর পাহাড়ে বলেছেন: ইয়া আয়্যুহাল্লাযিনা আমানুত্তা কুল্লাহা হাক্কা তুকতিহি ওয়ালা তামুতুন্না ইল্লা ওয়া আঙতুম মুসলিমুন - হে যারা বিশ্বাসী তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, প্রকৃত মুসলমান না হয়ে কবরে এস না।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১০:০১

রসায়ন বলেছেন: এটা তো জানিই। পোস্টের প্রশ্নগুলোর উত্তর কি কারো কাছে আছে ?

৪| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১০:২৪

অর্ক বলেছেন: শেখ ফজলুল করিম’র কবিতা পড়ুন,

কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর?
মানুষেরি মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর!
রিপুর তাড়নে যখনই মোদের বিবেক পায় গো লয়,
আত্মগ্লানির নরক-অনলে তখনি পুড়িতে হয়।
প্রীতি ও প্রেমের পূণ্য বাঁধনে যবে মিলি পরষ্পরে,
স্বর্গ আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদেরি কুঁড়ে ঘরে।

*
এই দর্শন অনুসরণ করুন, সবাই জান্নাত লাভ করবেন। সব্বাই, ধর্ম বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে সবাই।

ধন্যবাদ।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১১:০৭

রসায়ন বলেছেন: এটা তো ফজলুল করিম সাহেবের কথা । আল্লাহ কি এটা মানবে ?

৫| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১১:০৯

বোববুরগের বলেছেন: Arko da agree with you 100%. We are we to say who will go where after death. Being a good human being is more important than chasing heaven. Also it is true a lot of us are muslims only because of our family. I personally think that's not the right way to go about religion. Faith comes from within, after pursuing knowledge. Instead of just passing religion down the family tree like it's property who don't we teach people about all religions? What they stand for what they believe in? Why not we let them aquire the knowledge so they can choose their own path?

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫০

রসায়ন বলেছেন: ভালো বলেছেন ।

৬| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১১:১৪

Mysterious Mystery বলেছেন: না,,, মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করলেই পাপের শাস্তি ভোগ করে একসময়ে জাহান্নাম পাবে সেটাও আপনার ভুল ধারনা। মুসলিম পরিবারের জন্মগ্রহণ করবে আবার শিরক করবে, কুফরি করবে, নামাজ পরবেনা সে অমুসলিমদের কাতারে। আরও জানার জন্য পড়ার অনুরোধ রইলো আল কুরআ। দরকারের চেয়ে আরও বেশী দরকারি জিনিসও জানবেন। আসসালামু আলাইকুম ধন্যবাদ।

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫১

রসায়ন বলেছেন: আপনার কথার রেফারেন্স দিন ।

৭| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১১:২৬

মোঃ মাছুম বিল্লাহ (ভারত) বলেছেন: আপনার লেখাটি পড়ে মনে হলো দুটি প্রশ্ন করেছেন আপনি।

চেষ্টা করবো উত্তর খুজে দেয়ার।
প্রথম প্রশ্নের উত্তরঃ
ড. ইয়াসির ক়াদ়ি লিখেছেন:
ইসলামপূর্ব সময়ে আরবদের মাঝে অন্যতম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি ছিলেন হাতিম তাঈ (মৃত্যু ৬০৫ সাল)। সবাই তার দানদক্ষিণার খবর জানতেন। এ ব্যাপারে তিনি ছিলেন আরবদের মাপকাঠি। তিনি গরিবদের খাবার দিতেন। আজনবিদের আশ্রয় দিতেন। তিনি শত্রুদের প্রতি দয়াপরবশ ছিলেন। মানুষের কাছে তিনি এত বেশি বিখ্যাত ছিলেন যে, আজও আরবরা তাকে ‘দাতা হাতিম তাঈ’ নামে চেনে।
তার ছেলে ‘আদি বিন হাতিম ইসলাম বরণ করেছিলেন। তিনি ছিলেন প্রসিদ্ধ এক সাহাবি। একদিন নবিজির ﷺ কাছে তিনি তার বাবার ব্যাপারে শুধালেন, “আল্লাহর রাসূল, আমার বাবা আত্মীয়স্বজনদের সাথে সদাচরণ করতেন, গরিবদের খাওয়াতেন, তিনি অমুকটা করতেন, তমুকটা করতেন...” এভাবে তিনি তার বাবার অনেক অনেক ভালো কাজের ফিরিস্তি তুলে ধরে বললেন, “...তিনি কি এগুলোর জন্য পুরস্কার পাবেন?”
আল্লাহর রাসূল ﷺ উত্তরে বললেন, “‘আদি, তোমার বাবা কিছু একটা চেয়েছিলেন [মানে খ্যাতি], তিনি সেটা পেয়েছেন।” [আহমাদ তার মুসনাদে বর্ণনা করেছেন এটি]
যতবার কোনো বিখ্যাত লোক মারা যান, ঘুরেফিরে মুসলিমদের মাঝে এই একই প্রশ্ন আর মনোভাব ঘুরপাক খেতে থাকে। অথচ এ প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দেওয়া আছে আমাদের কুরআন-সুন্নাহর ভাষ্যে।
একজন মানুষ কোনো একটি বিষয়ে অগাধ পাণ্ডিত্য অর্জন করতেই পারেন। আবার অন্য একটি বিষয়ে তিনি হতে পারেন শিশু। পাণ্ডিত্যপূর্ণ প্রতিভা মুসলিমরা যেখানেই পান না কেন, তার প্রশংসা করতে পারে, সেখান থেকে নিজেদের উপকৃত করতে পারে। কিন্তু কারও মেধা ও প্রতিভা যদি তাকে আধ্যাত্মিকভাবে কোনো কল্যাণ করতে না পারে সেটা তা হলে চূড়ান্ত ক্ষতি।
এক দার্শনিকের সমালোচনায় ইবনু তায়মিয়্যা লিখেছিলেন, “তাদেরকে মেধা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু শুদ্ধতা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে।”
ইসলামকে বিদ্রুপকারী এক মেধাবী মানুষের জীবনীতে যাহাবি লিখেছেন, “মেধা থাকার পরও যার মধ্যে ঈমান নেই, আল্লাহ তাকে অভিশাপ দেন। অন্যদিকে অতিসাধারণ কারও যদি ঈমান থাকে, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট থাকেন।”
আধুনিক সময়ে ‘মেধা’ হয়ে উঠেছে ভালো মানুষ নির্ণয়ের মাপকাঠি। স্রেফ কারও বুদ্ধিবৃত্তি দেখে মানুষ তাকে ন্যায়পর হিসেবে সনদ দেয়। অথচ এই মেধা তো কেবল মানুষের চোখ আর কানের মতো হাতিয়ার। চোখের মালিক তার চোখ দিয়ে যদি আশেপাশে না-ই দেখেন, তা হলে এ চোখের কী দাম?
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রতিভাবান কারও মেধা যদি তাকে এই মেধার স্রষ্টার সমানে বিনয়ী করতে না পারে, তাঁকে চেনাতে না পারে, তা হলে এর ব্যবহারের স্বার্থকতা কোথায়?
স্টিফেন হকিং কিছু একটা চেয়েছিলেন, তিনি সেটা পেয়েছেন।
পুনশ্চ: একটা জিনিস আমাকে খুব অবাক করে। অনেক মুসলিম, এবং যাদের জ্ঞান আছে বলে ধারণা করা হয়, তারা এ ধারার যেকোনো অভিনয়শিল্পী, তারকা ও বিজ্ঞানীদের মৃত্যুতে দু‘আ করে। এদের জন্য দু‘আ করার ব্যাপারে কুরআন, হাদীস এবং পূর্ববর্তী বিদ্বানদের নিষেধাজ্ঞার স্পষ্ট কথাকে বাদ দিয়ে সহজ একটা প্রশ্ন করি: এ ধরনের মানুষেরা আল্লাহকে বিশ্বাস করতেন না। তাঁর থেকে কোনো ধরনের পুরস্কারও কামনা করেননি কখনো। জীবিত অবস্থায় যারা নিজেরা যেখানে তাদের জন্য এ ধরনের ইচ্ছা পোষণ করেননি, সেখানে অন্যরা কেন তাদের মৃত্যুর পর এ ধরনের দু‘আ করবে?
ড. ইয়াসির ক়াদ়ি
ডিন, আল-মাগরিব ইন্সটিটিউট
অধ্যাপক, রোডস কলেজ, মেম্ফিস, টেনিসি
[কৃতজ্ঞতা - মাসুদ শরীফ]


https://mobile.facebook.com/story.php?story_fbid=1993773747543908&id=1424432717811350

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪

রসায়ন বলেছেন: মেধা কাজে লাগিয়ে ইসলাম না গ্রহণ করাতে যদি বিজ্ঞানীদের ও মনীষীদের শাস্তি হয় তবে যেসব মুসলিম জেনে বুঝে ইসলাম পালন না করে কেবল পারিবারিক সূত্রে মুসলিম তাদেরও বিচার করা উচিত

৮| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১১:২৯

Mysterious Mystery বলেছেন:

জীবনের বাস্তবতায় আসা কষ্টকে মেনে না নিয়ে হতাশ হলেই জীবন হতাশ হয়। কিছু কিছু কষ্ট জীবনে আসে যা ক্ষুদ্র জীবনের কাছে পাহাড় তুল্য। হতাশ নয়, ধৈর্য্য ও সময়ই অনেক সমস্যার সমাধান দেয়।

কষ্ট কখনও কখনও এমন ভাবে আসে যখন চোখ বন্ধ হয়ে যায়। কান বধির হয়ে যায়। কন্ঠ বোবা হয়ে যায়। বুদ্ধি নির্বোধ হয়ে যায়। শরীর পঙ্গু হয়ে যায়। দিশেহারা জীবনে সব পরিকল্পনা ছাড়খার হয়ে যায়। তারপরও মানুষকে বেঁচে থাকতে হয় জীবনের অদৃশ্য প্রয়োজনে।

#সমাধান

● আমি আল্লাহকে বলি আমি নিজের উপর জুলুম করেছি -

আল্লাহ বলেন - "...হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছো তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।..." [সূরা আল-যুমার -৫৩]

● আমি আল্লাহকে আমার অন্তরের অশান্তির কথা বলি -

আল্লাহ বলেন - "...আল্লাহর যিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখো, আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়।" [সূরা রা'দ -২৮]

● আমি আল্লাহকে আমার একাকীত্বের কথা বলি -

আল্লাহ বলেন - "...আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী।" [ সূরা ক্বাফ -১৬]

● আমি আল্লাহর কাছে স্বীকারোক্তি জানাই - আমার গুনাহ অসীম -

আল্লাহ তাঁর বান্দাকে আশ্বস্ত করেন - "আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন?" [সূরা আল-ইমরান -১৩৫]

● আমি আল্লাহর কাছে কাতর প্রার্থনা করি -

আল্লাহ বলেন -"...তোমরা আমাকে স্মরণ করো, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো ..।" [সূরা আল বাক্বারাহ -১৫২]

● আমি আল্লাহর কাছে জীবনের সব সমস্যা জানিয়ে দুঃখ করি -

আল্লাহ বলেন -"...যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্যে নিস্কৃতির পথ করে দেবেন।" [সূরা আত্ব-ত্বালাক -০২]

● আমি হতাশ হয়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় খুঁজি -

আল্লাহ বলেন -"নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।" [সূরা আল ইনশিরাহ -০৬]

● আমি আমার সমস্ত কিছুর জন্য আল্লাহর উপর ভরসা করলাম -
আল্লাহ বলেন -"... যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনি আল্লাহ যথেষ্ট। আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন।..." [সূরা আত্ব-ত্বালাক -০৩]"

আমি দোয়া করবো আপনারাও করবেন :-(

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫

রসায়ন বলেছেন: অমুসলিম কিন্তু ভালো হয়ে জান্নাতে প্রবেশের কোন সম্ভাবনা আছে কি ?

৯| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১২:১৪

আলোর বার্তা বলেছেন: নাজাত এমন একটি বিষয় সেটি নিয়ে মানুষের মত তুচ্ছ একটা জাতির কিছু বলার থাকতে পারে না।
“এরা নাজাতপ্রাপ্ত হবে না” কথাটা বলার ধৃষ্টতা যে দেখাবে তার কপালে দুঃখ ছাড়া আরকিছু থাকবে কিনা রাব্বুল আলামীন জানেন।
পবিত্র কুরআনে সুরা বাকারার শেষের রুকুতে আল্লাহ নিজ পরিচয় দিয়েছেন এভাবে-
“লিল্লাহি মা ফিস সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরয। ওয়া ইন তুবদু মা ফি আনফুসিকুম আও তখফুহু ইউহা বিসকুম বিহিল্লাহ্। ফা ইয়াগফিরু লি মা ইয়াশাও ওয়া ইউ আযযিবু মা ইয়াশাও। ওয়াল্লাহু আলা কুল্লি শাইইন কাদির।”
অর্থাৎ, “আকাশসমূহে যা আছে আর পৃথিবীতে যা আছে সবই আল্লাহর। তোমাদের অন্তরে যা আছে তা তোমরা প্রকাশ কর বা গোপন কর, আল্লাহ তোমাদের কাছ থেকে এর হিসাব নিবেন। অতঃপর তিনি যাকে চাইবেন ক্ষমা করবেন আর যাকে চাইবেন আযাব দিবেন। আর আল্লাহ প্রত্যেক বিষয়ে সর্বশক্তিমান।”
বিস্তারিত জানতে দেখুন- বিধর্মীরা জান্নাতে যাবে কিনা? ইসলাম কি বলে?

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬

রসায়ন বলেছেন: আপনার ভিডিও তো রেগুলার মুসলিমরা প্রত্যাখ্যান করেছে।

১০| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১২:৩২

মোঃ মাছুম বিল্লাহ (ভারত) বলেছেন: আপনার দ্বিতীয় এবং মূল প্রশ্নের উত্তর।

" আমরা সবাই জানি, সকল মুসলিম অবশেষে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এই ধারণাটি কোথা থেকে আসে। এটা আসে আমাদের রাসূল (স) এর দোয়া থেকে। প্রত্যেক মুসলিম যারাই রাসূল (স) কে বিশ্বাস করবে, এবং যারা তাঁর শিক্ষার উপর আমল করবে, যদি তারা সামান্য আমল ও করে, যত বড় পাপীই হউক না কেন, অবশেষে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।"


|| উম্মতের জন্য রাসূল (স) এর ভালবাসা ||
এই উম্মতের জন্য রাসূল (স) এর ছিল অগাধ ভালবাসা। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন ঃ ﻟَﻘَﺪْ ﺟَﺎﺀَﻛُﻢْ ﺭَﺳُﻮﻝٌ ﻣِّﻦْ ﺃَﻧﻔُﺴِﻜُﻢْ "তোমাদের কাছে এসেছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রসূল।" ﻋَﺰِﻳﺰٌ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻣَﺎ ﻋَﻨِﺘُّﻢْ “তোমাদের দুঃখ-কষ্ট তার পক্ষে দুঃসহ।” ﺣَﺮِﻳﺺٌ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢ তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী। হারিস শব্দটি সন্তানের প্রতি পিতা মাতার ভালবাসা প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। তিনি তোমাদের ভালোর জন্য বেশ আগ্রহী। ﺑِﺎﻟْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﺭَﺀُﻭﻑٌ ﺭَّﺣِﻴﻢٌ মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, দয়াময়। আল্লাহ রাসূল (স) এর জন্য এমন দুটি শব্দ ব্যবহার করেছেন যার শুরুতে আলিফ লাম যুক্ত করে আল্লাহর দুটি নাম প্রকাশ করা হয়। আর রাউফ , আর রাহিম। আলিফ লাম কেটে দিয়ে মানুষের জন্য শব্দ দুটি ব্যবহার করা যাবে। সুতরাং আর রাউফ এবং আর রাহিম রাসুল (স) কে রাউফ এবং রাহিম বলে বর্ণনা করেছেন। কাদের প্রতি তিনি রাউফ এবং রাহিম ? মুমিনদের প্রতি। বিশ্বাসীদের প্রতি তিনি রাউফ। রাউফ শব্দের অর্থ হলো চরম স্নেহশীল, রাহিম হলো সাধারণ দয়া। রাউফ হলো বিশেষ ধরণের দয়া। মাতা পিতার সন্তানের প্রতি যে ভালোবাসা তাকে রা'ফা বলে। সুতরাং আল্লাহ যিনি আর রাউফ তিনি রাসুল (স) কে মুমিনদের জন্য রাউফ হিসেবে বর্ণনা করছেন।
রাসূল (স) একবার কুরআন তিলাওয়াত করছিলেন আর তিনি কিছু বিশেষ আয়তের সংস্পর্শে এলেন … তার একটা হলো বিখ্যাত এই আয়াতটি, যখন ইব্রাহীম (আঃ) বলেন - ﺭَﺏِّ ﺇِﻧَّﻬُﻦَّ ﺃَﺿْﻠَﻠْﻦَ ﻛَﺜِﻴﺮًﺍ ﻣِّﻦَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ۖ ﻓَﻤَﻦ ﺗَﺒِﻌَﻨِﻲ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻣِﻨِّﻲ ۖ ﻭَﻣَﻦْ ﻋَﺼَﺎﻧِﻲ ﻓَﺈِﻧَّﻚَ ﻏَﻔُﻮﺭٌ ﺭَّﺣِﻴﻢٌ (সূরা ইব্রাহীম ৩৬)। ইব্রাহীম (আঃ) তাঁর সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য দোয়া করছেন - "ও আল্লাহ! যে আমার অনুসরণ করে, সে আমার। এবং কেউ আমার অবাধ্যতা করলে নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" ও আল্লাহ! এমনকি তাঁকেও ক্ষমা করে দিন। এটাই ইব্রাহীম (আঃ) বলছিলেন- যে আমার অনুসরণ করে সে আমার সাথে আছে, তাকে রক্ষা করুন। কিন্তু যারা আমার অবাধ্য হয় তাদেরকেও ক্ষমা করে দিন।
তারপর তিনি ঈসা (আঃ) এর দোয়া সংক্রান্ত একটি আয়াত পড়লেন। এই আয়াতটি সূরা মায়েদার- ﺇِﻥ ﺗُﻌَﺬِّﺑْﻬُﻢْ ﻓَﺈِﻧَّﻬُﻢْ ﻋِﺒَﺎﺩُﻙَ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﺗَﻐْﻔِﺮْ ﻟَﻬُﻢْ ﻓَﺈِﻧَّﻚَ ﺃَﻧﺖَ ﺍﻟْﻌَﺰِﻳﺰُ ﺍﻟْﺤَﻜِﻴﻢُ -- যদি আপনি তাদেরকে শাস্তি দেন, তবে তারা আপনার দাস এবং যদি আপনি তাদেরকে ক্ষমা করেন, তবে আপনিই পরাক্রান্ত, মহাবিজ্ঞ। অন্য কথায়, আমি চাই আপনি তাদের ক্ষমা করে দেন।
তো, তিনি দুইটি আয়াত তিলাওয়াত করেন। উভয় আয়াতে নবীরা তাদের স্ব স্ব উম্মার জন্য দোয়া করছেন। তারপর তিনি তাঁর নিজের উম্মার জন্য চিন্তা করতে লাগলেন। তিনি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হাত উত্তোলন করে বলতে শুরু করলেন - ইয়া আল্লাহ! আমার উম্মাহ, আমার উম্মাহ। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার উম্মাহর কথা চিন্তা করে কাঁদতে শুরু করেন। আর আমরা তাঁর সেই উম্মাহর সদস্য। স্ব স্ব উম্মাহর জন্য ইব্রাহীম এবং ঈসা আলাইহিস সালামের দোয়া পড়ার পর রাসূলুল্লাহ (স) তাঁর নিজ উম্মাহ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়লেন। তিনি আল্লাহর কাছে দোআ করলে লাগলেন - "ও আল্লাহ! আমার উম্মাহ, আমার উম্মাহ।"
তখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা জিব্রিল আলাইহিস সালামকে বললেন - "মুহাম্মদ (স) এর নিকট যাও, এবং তাকে জিজ্ঞেস করো কেন সে কাঁদছে। " এই হাদীসটি সহীহ মুসলিমে বর্ণিত আছে, খুবই সুন্দর হাদিস। অতঃপর, জিব্রিল (আ) আসলেন এবং রাসূল (স) কে জিজ্ঞেস করলেন কেন তিনি কাঁদছেন? [ আর অবশ্যই আল্লাহ জানেন কেন তিনি কাঁদছেন। আল্লাহ যখন জিব্রিল (আ) কে পাঠান তখন তিনি জানতেন কেন রাসূল (স) কাঁদছেন।] রাসূল (স) বললেন - "আমি আমার উম্মাহর কথা চিন্তা করে কাঁদছি।" তাদের ভাগ্য কী হবে তা চিন্তা করে আমি কাঁদছি।
অতঃপর, জিব্রিল (আঃ) আল্লাহর নিকট ফেরত গেলেন। আল্লাহ বললেন - “হে জিব্রিল! মুহাম্মাদের নিকট ফেরত যাও, এবং তাকে বলো - আমি আপনার উম্মাহর জন্য আপনাকে সন্তুষ্ট করে দিবো।” কারণ আমরা তাঁকে সন্তুষ্ট করতে চাই, আর তাই তাঁর উম্মাহকে পবিত্র করবো। আর আমরা আপনাকে কোনো কষ্ট দিবো না। অন্য কথায়, আপনার জন্য ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা আপনার উম্মাহর বিষয়ে আপনাকে সন্তুষ্ট করে দিবো। আর আমরা আপনাকে কোনো কষ্ট দিবো না।
আমাদের জন্য রাসূল (স) এর কেমন তীব্র ভালোবাসা ছিল তার একটি ইঙ্গিত হলো --- আমি চাই আপনারা এটা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করুন, শুধু আজ নয়, আপনাদের অবশিষ্ট জীবন ধরে সব সময় ভাবুন যে, এই ইস্যুতে রাসূল (স) কেমন ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আর তা হলো- আল্লাহ সুব হানাহু ওয়া তায়ালা প্রত্যেক নবীকে একটি বিশেষ ইচ্ছা করার সুযোগ দান করেছিলেন। প্রত্যেক নবীকে আল্লাহ এই সুযোগ দান করেছিলেন।প্রত্যেক নবীকে বলা হয় যে, তাদের একটি বিশেষ দোয়া কবুল করা হবে। কোনো কোনো নবী তাদের এই বিশেষ দোয়াটি তাদের বিদ্রোহী উম্মাহর বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছিলেন। কারণ তারা তাদের উম্মাহর প্রতি হতাশ হয়ে গিয়েছিলেন।
যেমন, নূহ (আ) দীর্ঘ ৯৫০ বছর ধরে তার উম্মাহকে দাওয়াত দেয়ার পর অবশেষে আল্লাহর নিকট দোআ করলেন - ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻧُﻮﺡٌ ﺭَّﺏِّ ﻟَﺎ ﺗَﺬَﺭْ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟْﺄَﺭْﺽِ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻜَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ ﺩَﻳَّﺎﺭًﺍ - "নূহ আরও বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি পৃথিবীতে কোন কাফের গৃহবাসীকে রেহাই দিবেন না।" আর তাই আল্লাহ সেই সময়ের গোটা মানব জাতিকে ধবংস করে দেন। আর সেটা ছিল একটি শহর। গোটা শহর ধ্বংস করে দেয়া হয়। শুধু যারা তাঁর নৌকায় আরোহন করেছিল তাদের ছাড়া বাকি সবাইকে ধ্বংস করে দেয়া হয়।
ইব্রাহীম (আ) আমাদের রাসূল (স) এর জন্য দোআ করেন। তিনি বলেন - ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻭَﺍﺑْﻌَﺚْ ﻓِﻴﻬِﻢْ ﺭَﺳُﻮﻟًﺎ - "ও আল্লাহ! তাদের মধ্য থেকে একজন রাসূল প্রেরণ করুন।" আর রাসূল (স) বলেছেন - " আমি আমার পিতা ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের দোয়ার ফসল।" তো, ইব্রাহিম (আ) তার জন্য বরাদ্ধকৃত বিশেষ দোয়াটি আমাদের রাসূল (স) এর জন্য ব্যবহার করেন। আর মূসা (আ) তার বিশেষ দোয়াটি ফেরাউনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেন। কারণ ফেরাউন ছিল একজন গণহত্যাকারী মানবতার দুশমন।
আপনারা সবাই জানেন সে কত শত সহস্র বাচ্চাদের হত্যা করে, সে ছিল তার সময়ের হিটলার। তাই মূসা (আ) আল্লাহর নিকট দোআ করেন - "আল্লাহ ফেরাউনকে হেদায়েত দিবেন না। যাই ঘটুক না কেন ফেরাউনকে হেদায়েত দিবেন না।" অবশেষে এটাই ঘটে। তাকে হেদায়েত দেয়া হয়নি। শেষ মুহূর্তে সে ইসলাম গ্রহণ করার চেষ্টা করলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। আরো কত উদাহরণ রয়েছে।
সুলাইমান (আ) আল্লাহর নিকট দোয়া করেন - ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺏِّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﻫَﺐْ ﻟِﻲ ﻣُﻠْﻜًﺎ ﻟَّﺎ ﻳَﻨﺒَﻐِﻲ ﻟِﺄَﺣَﺪٍ ﻣِّﻦ ﺑَﻌْﺪِﻱ - "সোলায়মান বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমাকে মাফ করুন এবং আমাকে এমন সাম্রাজ্য দান করুন যা আমার পরে আর কেউ পেতে পারবে না।" এখানে ﻣُﻠْﻜًﺎ মানে শুধু রাজত্ব নয়, ﻣُﻠْﻜًﺎ অর্থ নিয়ন্ত্রণ। আমাকে এমন নিয়ন্ত্রণ, সাম্রাজ্য দান করুন যা আমার পর আর কাউকে দান করবেন না। আমাকে এমন শক্তি দান করুন, যা আমার পর আর কেউ পাবে না। ﻓَﺴَﺨَّﺮْﻧَﺎ ﻟَﻪُ ﺍﻟﺮِّﻳﺢَ ﺗَﺠْﺮِﻱ ﺑِﺄَﻣْﺮِﻩِ ﺭُﺧَﺎﺀً ﺣَﻴْﺚُ ﺃَﺻَﺎﺏَ - "তখন আমি বাতাসকে তার অনুগত করে দিলাম, যা তার হুকুমে অবাধে প্রবাহিত হত যেখানে সে পৌছাতে চাইত।"
উড়ন্ত কার্পেটের ধারণাটা সুলাইমান (আ) থেকে আসে। সুলাইমান (আ) কার্পেটের উপর বসতেন আর সে কার্পেট তাকে এক রাতের মধ্যে একমাসের দূরত্বে নিয়ে যেত আবার ফেরত নিয়ে আসতো। এখন থেকেই এই কার্পেটের ধারণাটা আসে। জিনদেরকে বোতলে ঢুকিয়ে রাখার ব্যাপারটাও সুলাইমান (আ) থেকে আসে। ﻭَﺍﻟﺸَّﻴَﺎﻃِﻴﻦَ ﻛُﻞَّ ﺑَﻨَّﺎﺀٍ ﻭَﻏَﻮَّﺍﺹٍ - "আর সকল শয়তানকে তার অধীন করে দিলাম অর্থৎ, যারা ছিল প্রাসাদ নির্মাণকারী ও ডুবুরী।" আল্লাহ সুলাইমান (আ) কে পরাক্রমশালী সাম্রাজ্য দান করেন। আবার তিনি সকল প্রাণীদের সাথেও কথা বলতে পারতেন। এখন বুঝতে পারছেন তো এই দোয়াটি একজনকে কেমন অচিন্তনীয় নিয়ামত দান করতে পারে।
আমাদের রাসূল (স) এর ও এরকম বিশেষ দোয়া করার সুযোগ ছিল। অন্যান্য নবীদের মতো তাঁরও একটি বিশেষ দোয়া করার অধিকার ছিল। কিন্তু তিনি তাঁর এই বিশেষ দোয়াটি কোন কাজে ব্যবহার করেন? রাসূল (স) বলেন - “প্রত্যেক নবী এবং রাসূল কে আল্লাহ একটি বিশেষ দোআ দান করেন, যে দোয়াটি আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই কবুল করবেন। প্রত্যেক নবীই তাঁর এই দোয়াটি এই দুনিয়াতে ব্যবহার করেছেন, একমাত্র আমি ছাড়া। আমি এখনো এটা ব্যবহার করিনি। আর আমি এই দুনিয়ায় এটি ব্যবহার করবো না। আমি আমার উম্মতের জন্য এটা রেখে দিয়েছি। আমি কিয়ামতের দিন তাদের জন্য এটা ব্যবহার করবো। আর দোয়াটি হবে - ‘হে আল্লাহ! আমার গোটা উম্মাহকে ক্ষমা করে দিন।’
বিলিয়ন বিলিয়ন মানুষের জন্য। ও আল্লাহ যারাই আমাকে বিশ্বাস করবে তাদের ক্ষমা করে দিন। আর আল্লাহ দোয়াটি কবুল করবেন। আমরা সবাই জানি, সকল মুসলিম অবশেষে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এই ধারণাটি কোথা থেকে আসে। এটা আসে আমাদের রাসূল (স) এর দোয়া থেকে। প্রত্যেক মুসলিম যারাই রাসূল (স) কে বিশ্বাস করবে, এবং যারা তাঁর শিক্ষার উপর আমল করবে, যদি তারা সামান্য আমল ও করে, যত বড় পাপীই হউক না কেন, অবশেষে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। অর্থাৎ সে তার পাপের কারণে হয়তো জাহান্নামে অনেক দিন অবস্থান করবে, কিন্তু অবশেষে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
আর এই ধারণাটি কোথা থেকে আসে? কারণ রাসূল (স) তাঁর এই বিশেষ একটি দোআ কিয়ামতের দিনের জন্য রেখে দিয়েছেন। তিনি নিজের জন্য এটা ব্যবহার না করে আমাদের জন্য সেক্রিফাইস করেছেন। এর চেয়ে বড় কোনো সেক্রিফাইস হতে পারে না। আমাদের জন্য রাসূল (স) এর এমনই গভীর ভালোবাসা ছিল।
-- শায়েখ ডঃ ইয়াসির কাদি

facebook.com/story.php?story_fbid=2009279792659970&id=1424432717811350


আর একটি কথা কিয়ামতের দিন কেউ বলবেনা আমার প্রতি অবিচার হয়েছে বরং বলবে আর একবার সুযোগ দাও ।

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭

রসায়ন বলেছেন: মুসলিমদের না হয় উপায় আছে কিন্তু ভালো অমুসলিমদের ব্যাপারে ডিসিশন কি সেটা বুঝলাম যে

১১| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৮:৩১

অগ্নিবেশ বলেছেন: আপনি আপনার জন্নতে যাওয়ার চেষ্টা করেন, বিধর্মীদের নিয়ে চিন্তা না করলেও হবে। বিধর্মীদেরও নিজ নিজ স্বর্গ বা হেভেন আছে, সেখানে হয়ত আপনি চান্স পাবেন না মুসলমান হওয়ার কারনে।

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮

রসায়ন বলেছেন: আল্লাহ যেহেতু মাথা দিয়েছে সেহেতু আমার চিন্তা করাটাই স্বাভাবিক। মাথা থাকার পরও যারা চিন্তা করে না তারা মানুষের বৈশিষ্ট বহন করে না

১২| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: একজনকে জিজ্ঞেস করলাম ভাই তারাবীর নামাজ ৮ না ২০ রাকাত?
তিনি বললেন - ভাই, আমি এ এলাকায় নতুন এসেছি।

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯

রসায়ন বলেছেন: কারণ অধিকাংশ মুসলিমই নিজের ধর্ম সম্পর্কে জানে না।

১৩| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৩

দূর পাহাড়ে বলেছেন: ● আমি আল্লাহকে বলি আমি নিজের উপর জুলুম করেছি -

আল্লাহ বলেন - "...হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছো তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।..." [সূরা আল-যুমার -৫৩]

● আমি আল্লাহকে আমার অন্তরের অশান্তির কথা বলি -

আল্লাহ বলেন - "...আল্লাহর যিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখো, আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়।" [সূরা রা'দ -২৮]

● আমি আল্লাহকে আমার একাকীত্বের কথা বলি -

আল্লাহ বলেন - "...আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী।" [ সূরা ক্বাফ -১৬]

● আমি আল্লাহর কাছে স্বীকারোক্তি জানাই - আমার গুনাহ অসীম -

আল্লাহ তাঁর বান্দাকে আশ্বস্ত করেন - "আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন?" [সূরা আল-ইমরান -১৩৫]

● আমি আল্লাহর কাছে কাতর প্রার্থনা করি -

আল্লাহ বলেন -"...তোমরা আমাকে স্মরণ করো, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো ..।" [সূরা আল বাক্বারাহ -১৫২]

● আমি আল্লাহর কাছে জীবনের সব সমস্যা জানিয়ে দুঃখ করি -

আল্লাহ বলেন -"...যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্যে নিস্কৃতির পথ করে দেবেন।" [সূরা আত্ব-ত্বালাক -০২]

● আমি হতাশ হয়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় খুঁজি -

আল্লাহ বলেন -"নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।" [সূরা আল ইনশিরাহ -০৬]

● আমি আমার সমস্ত কিছুর জন্য আল্লাহর উপর ভরসা করলাম -
আল্লাহ বলেন -"... যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনি আল্লাহ যথেষ্ট। আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন।..." [সূরা আত্ব-ত্বালাক -০৩]"

১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১০:৪০

রসায়ন বলেছেন: পড়লাম

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.