নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\n

মা.হাসান

মা.হাসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

পাপ্পুর মোজো কাকু

০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:০০



কাঁধের কাছে কেউ একজন হাত রাখতে চমকে ফিরে তাকাই। 'কতবার নাম ধরে ডাকছি, ছাড়া সবাই দিচ্ছিস না যে বড়?' হাসান ডাকটা কয়েকবার শুনেছি, কিন্তু এটা খুব কমন নাম, তাছাড়া এই এলাকায় আমি নতুন, পরিচিত কেউ নেই, কাজেই মোটামুটি নিশ্চিতই ছিলাম এ ব্যাপারে যে আমাকে কেউ ডাকছিলনা।

আমার চোখে প্রশ্ন দেখে ওদিক থেকে জবাব, ' আমি পাপ্পান, তোদের পাপ্পু।' আমার চোখ ছোট হতে দেখে এবার অপরপক্ষের সংযোজন - 'ময়মনসিংহ জেলা স্কুল।' এতক্ষণে চিনতে পারি আমি। বলি, ' ও মোজো কাকুর ভাতিজা পাপ্পু!' 'মাইরি তুই এখনো ভুলে যাস নি।' দুজনেই হাসিতে ফেটে পড়ি ।

নিমেষেই ২৩ বছর পিছনে চলে যাই। ক্লাস ফোর। বাবার বদলির চাকরির কারণে আমি তখন ময়মনসিংহে। পাপ্পু ছিল ক্লাসের ফোর্থ বয়, কিন্তু আমার চোখে সবার সেরা। ক্লাসের অন্য ছেলেরা যখন পকেটে মার্বেল নিয়ে ঘুরে বেড়ায় তখন পাপ্পুর পকেটে কিছুদিন দেখেছি একটা ম্যাগনেট থাকতো । ওর একটা খাতায় লিখে রাখতো ম্যাগনেট কোন কোন জিনিসকে কিরকম আকর্ষণ করছ কোনটাকে আকর্ষণ করছে না। একটা মেটাল ডিটেক্টর তৈরি করবে বলেছিল। ওর মুখেই মেটাল ডিটেক্টর শব্দটা প্রথম শুনি। বড় অদ্ভুত ছেলে ছিল। ওর বাবা পাশের থানার হাইস্কুলের শিক্ষক, কিন্তু লেখাপড়ার সুবিধার জন্য ও ওর খালার বাসায় থেকে পড়তো। তবে ম্যাগনেট না , ওর সঙ্গে আমার খাতির বইয়ের হাত ধরে। ওর ব্যাগে পাখির ছবিয়ালা একটা বইদেখে পড়তে চাওয়া থেকে শুরু। ওর খালার বাসায় দেওয়াল জোড়া এক বড় আলমারি ভর্তি বই ছিল আমার প্রথম আকর্ষন। তা থেকে ধীরে ধীরে ওর সঙ্গে বন্ধুত্ব। ক্লাসের ছেলেরা অবশ্য খুব খ্যাপাতো ওকে ওর মোজো কাকুর জন্য। খ্যাপাবে নাই বা কেন? কারন ওর মুখে সবসময় খালি মোজো কাকু। মোজো কাকু এই করেছে, মোজো কাকু এই পারে, ওই পারে এর সমস্ত গল্প। মোজো কাকু কে বা কি করে জানতে চাইলে ধীরে ধীরে অনেক কিছু জেনেছিলাম । ওর কাছে জেনে ছিলাম যে ওর বাবার ছোট ভাই মোজো কাকু আমেরিকাতে কম্পিউটারে বড় গবেষণা করে। কম্পিউটার কি জিনিস ধারনা ছিল না। ওকে জিজ্ঞেস করলে অবাক হয়ে বলেছিল, ' কম্পিউটার কি জানিস না! এটা এমন একটা যন্ত্র তোর রসগোল্লা খাওয়ার ইচ্ছে হলে বলবি রসগোল্লা খাব; কম্পিউটার রসগোল্লা তৈরি করে দেবে। বিরিয়ানি খেতে চাইলে বিরিয়ানি তৈরি করে দেবে। সিনেমা দেখার ইচ্ছে হলে সিনেমা দেখাবে।' আরো বলতো ওর মোজো কাকু স্টিভ জবস এবং বিল গেটস নামের দুই জন লোকের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। মোজো কাকুর অনেক টাকা। বিল গেটস আর স্টিভ জবসের নাম শুনিনি । এরা কারা জানতে চাইলে ও বলেছিল এরা আগে মোজো কাকুর অ্যাসিসট্যান্ট ছিল এখন আলাদ হয়ে নতুন করে ব্যবসা করছে। মোজো কাকুই কিছু টাকা পয়সা দিয়ে ওদের সাহায্য করেছেন। মোজো কাকুর এত টাকার উৎস কি জানতে চাইলে বলেছিল পৃথিবীতে যত কম্পিউটার তৈরি হয়, তার সবগুলো হয় ছাই-সাদা রঙের হবে অথবা কালো রঙের হবে। এটা পেটেন্ট করে মোজো কাকু নির্ধারণ করে দিয়েছে। । কাজেই, পৃথিবীতে যারাই কম্পিউটার বানায়, তারা সবাই মোজো কাকুকে রয়ালটি দিতে বাধ্য। এছাড়া স্টিভ জবস এবং বিল গেটস এর কোম্পানিতে ওনার অনেক শেয়ার আছে যেখান থেকে বড় টাকা আসে। আমেরিকাতে নাকি সিলিকন ভ্যালি নামের কোন একটা বড় শহর আছে সেখান মোজো কাকুর বড় মূর্তি তৈরি করে তার গলায় মালা ঝোলানো আছে। মোজো কাকুর ছবিওয়ালা টি-শার্ট পড়ে নাকি ওখানকার ইউনিভার্সিটির ছেলেমেয়েরা ঘুরে বেড়ায়। পাপ্পুর মুখে সব সময় মোজো কাকুকে নিয়ে নিয়ে এরকম আরো অসংখ্য গল্প। এসব গল্পের কতটা সত্য কতটা মিথ্যা যাচাই করার সুযোগ আমাদের ছিল না, তবে লাভের লাভ এই যে ক্লাসের অনেকেই ওকে মোজো কাকুর নাম নিয়ে ক্ষেপাতো । তবে পাপ্পু এসব গায়ে লাগাতো না। পাপ্পুর বাসায় আমার আরও একটা বড় আকর্ষণ ছিল, সেটা হল ওর খালাতো ভাই মেহেদী। মেহেদী ভাই ঢাকা নটরডেম কলেজ থেকে পাশ করে তখন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়েছেন । যদিও শহরেই কলেজ এবং শহরেই ওনাদের বাসা, পড়ার চাপের কারণে উনি বেশিরভাগ সময় হোস্টেলেই থাকতেন। ছুটির দিনগুলোতে মাঝে মাঝেই দেখা হয়ে যেত। উনি আমাদের পড়ার আগ্রহটা আরো বাড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করতেন। কি পড়তে হবে, কি পড়া দরকার খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে বলতেন। ওনার কাছেই প্রথম আকাশ দেখা শিখি। কোথায় কোন তারা, কোন তারার কি নাম, উনি খুব সুন্দর করে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে হাতেনাতে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। ওনার একটা প্রিয় খেলা ছিল প্রতিশব্দ বলার খেলা। কোন একটা শব্দ বলে আমাদেরকে তার প্রতিশব্দ বলতে বলতেন। যেহেতু আমাদের বয়স কম, আমরা দুইটা বললে উনি পাঁচটা বলতেন। ওনার কাছেই প্রথম শিখি আকাশের প্রতিশব্দ অভ্র । উনি প্রায়ই বলতেন মনটাকে আকাশের মত বড় করো। প্রতিদান পাবার আশা না রেখে মানুষের জন্য কিছু করে যাও, দেশের জন্য কিছু করে যাও।

ক্লাস ফাইভে পড়ার সময় হঠাৎ ঘটে গেল এক বড় দুর্ঘটনা। স্ট্রোক করে আংশিক প্যারালাইজড হয়ে গেলেন পাপ্পুর বাবা। মেহেদী ভাই ছুটাছুটি করে অনেক চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু গ্রাম থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত আসতে আসলে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। অকালে অবসর নিয়ে নিতে হয় পাপ্পুর বাবাকে এবং নির্ভর করতে হয় জমি জমার উপর। মোজো কাকু অবশ্য কয়েকটা বড় বড় প্রজেক্টে ব্যস্ত ছিলেন, যার কারণে সে সময় দেশে আসতে পারেন নি। তবে মোজো কাকুর দেখা পেতে খুব দেরি হয়নি। সে বছরই তিনি ঢাকায় এসেছিলেন। এবং জমি জমার ফসলের হিসাব নেয়ার জন্য একবার গ্রামেও আসলেন। তার মুখে শুনেছিলাম ঢাকায় কে যেন ছাই-সাদা বা কালোর বদলে খযেরি রঙের কম্পিউটার তৈরি করেছে। তার পেটেন্ট ডিজাইন এর বাহিরে কম্পিউটার তৈরি করায় মোজো কাকু ক্ষুব্ধ ছিলেন। তাছাড়া খয়েরি তো কালো এবং লাল রঙের মিশেল। কাজেই কালো রঙের ব্যবহার করলে তাকে রয়েলটি অবশ্যই দিতে হবে। একারণে নাকি মামলা করতে হয়েছে। তো পাপ্পুর লেখাপড়ার খবর নেওয়ার জন্য অবশ্য মোজো কাকু একদিন পাপ্পুর খালার বাসায় আসলেন। বিশেষ একটা কারণে মোজো কাকু ঐদিন খুব ক্ষেপে গিয়েছিলেন। কারণটা আর কিছুই না, পাপ্পুর কাছে একটা বই ছিল মানব দেহের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের ছবিওয়ালা। মেহেদী ভাই বইটা দিয়েছিলেন। স্বাভাবিক ভাবেই মানব শরীরের প্রজনন অঙ্গের বিভিন্ন অংশের ছবি সহ বৈজ্ঞানিক নামও বইটিতে ছিল। এসব জিনিস পড়ে ছেলেপুলেরা খারাপ হয়ে যাচ্ছে এই সমস্ত কথা বলে পাপ্পুর খালাকে বেশ দু কথা শুনিয়ে দিয়েছিলেন। ভেবেছিলাম ব্যাপারটা ওখানেই শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু না, কদিন পরেই পাপ্পুকে জেলা স্কুল থেকে ছাড়িয়ে মোজো কাকু একটা স্থানীয় মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিলেন। পাপ্পুর বাবা অসুস্থ হওয়া মোজো কাকুই তখন বাড়ির কর্তা। কাজেই মেহেদী ভাই বা পাপ্পুর খালা প্রতিবাদ করে বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি । তবে পাপ্পুর মাদ্রাসায় পড়াও খুব বেশি স্থায়ী হয় নি। মামলার কাজ উপলক্ষে মোজো কাকুকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি দিন দেশে থাকতে হয়েছিল। তো তিনি একদিন মাদ্রাসায় যেয়ে দেখলেন সব পাপ্পু সুর করে পড়ছে - 'গোসল ফরজ হওয়ার কারণ ৬টি, গোসল ফরজ হওয়ার কারণ ৬টি, গোসল ফরজ হওয়ার কারণ ৬টি, ১ নম্বর কারন স্ত্রী...।' যেখানে এ সমস্ত অশালীন জিনিসপত্র শিক্ষা দেওয়া হয় সেখানে পাপ্পুর আর পড়া হয়নি। এরপর পাপ্পুর গন্তব্য গ্রামে, জমিজমা ইত্যাদি দেখভাল করা। আমার সঙ্গে দেখা খুব কম হয়েছে। শেষ যেবার দেখা হয়, শুনেছিলাম গাই গরু গরম হয়েছে পাল দিতে নিতে হবে এ কথা বলায় কাকু মহা গরম হয়েছিলেন। গ্রামের পরিবেশ পাপ্পুর খুব ক্ষতি করছে বলে ওকে শহরে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। এরপর আমার বাবা ময়মনসিংহ থেকে বদলি হয়ে যাবার কারণে ইচ্ছে থাকা সত্তেও আর যোগাযোগ রাখা সম্ভব হয় নি।

বর্তমানে ফিরে আসি । 'চিনলি কি করে?' আমার প্রশ্ন। 'পত্রিকায় তোর ছবি দেখেছিলাম।' একটা সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেয়ার পর পুলিশ অ্যারেস্ট করেছিল। পত্রিকায় ছবিও এসেছিল। ভেবেছিলাম ছবিটা খুব পরিষ্কার আসেনি। দেখে কেউ চিনতে পারবে না।পরিচিত অনেকে একই কথা বলে সান্তনাও দিয়েছিল। কিন্তু বুঝলাম ভুল করেছিলাম। যাহোক জামিন পাওয়ার পর আগের বাড়িয়ালা নোটিশ দিয়ে দেওয়ায় নতুন বাসায় উঠতে হয়েছে। বউ এখনো বাপের বাড়ি, বাসায় নেই। বললাম চল, চা খাই। একটা দোকানের বারান্দার বেঞ্চে বসে চা -সিঙ্গারা- সমুচা-চপের অর্ডার দেই। খাবার আসতে আসতে কথা চলতে থাকলো। জানলাম গ্রাম থেকে মোজো কাকু পাপ্পুকে তার ঢাকার বাসায় নিয়ে আসে। কাকু বাইরে থাকায় এখানে অনেকটা কেয়ারটেকার হিসেবেই তার জীবন কেটেছে। মোজো কাকুর বাসার কম্পিউটার ঘাঁটতে ঘাঁটতে অবশ্য পাপ্পু কম্পিউটার সম্পর্কে অনেক কিছু জেনে নিয়েছে। ওর মাথাটা বরাবরই পরিষ্কার ছিল। ওর কাছেই জানলাম মোজো কাকু এখন নতুন প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছে। বললো মোজো কাকুর নতুন প্রজেক্টের নাম আই স্কয়্যার বা ইন্টারনেট ফর ইনফ্যান্টস। প্রজেক্ট এর কাগজপত্র ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে জমা দেওয়া আছে। মোট ৫০ বিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্প মোজো কাকুকে কথা দিয়েছে মেক্সিকো সীমান্তে দেওয়াল নির্মাণ হয়ে গেলেই এই প্রজেক্ট এর কাজ শুরু হবে। মোজো কাকু অবশ্য পাপ্পুর কম্পিউটার প্রতিভার কথা জেনে গিয়েছিল । আই স্কোয়্যার প্রজেক্টের অনেক কাজ নাকি পাপ্পুর করা। টাকা পয়সা কিছু দিয়েছে কি না জানতে চাইলে পাপ্পু জানালো, 'না সেরকম কিছু দেয়নি। তবে একটা কাজ আমি করে রেখে এসেছি। আই স্কোয়্যার প্রজেক্ট এর লোগোতে ক্লিক করে কন্ট্রোল প্লাস সিফট প্লাস পি কি চাপ দিলে প্রজেক্টের মূল কর্মীদের নামটা স্ক্রিনে ভেসে ওঠে।' ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে পাপ্পু বলে, ' ঢাকায় আর মনে হয় থাকা হচ্ছে না। বাবা মারা গিয়েছেন অনেকদিন। মা বাসায় একা। বিয়ের জন্য অনেক দিন ধরেই চাপ দিচ্ছেন। বিয়ের ভদ্র বয়স প্রায় শেষের দিকে। গ্রামে জমিজমা গুলোর দায়িত্ব বুঝে নেওয়া দরকার। তাছাড়া ওপেন ইউনিভার্সিটি থেকে এসএসসি এবং এইচএসসি পাশ করে নিয়েছি। গ্রামের পাশের থানায় একটা টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট খুলেছে। ওরা চাচ্ছে ওখানে কম্পিউটার ইন্সট্রাক্টর হিসেবে আমি জয়েন করি। সিলেবাস দেখেছি। পড়াতে খুব একটা সমস্যা হবে না। '
আমি মোজো কাকুর কথা ভাবি । চায়ের দোকানের বেঞ্চে বসে আকাশের দিকে তাকাই। মেহেদী ভাইয়ের কথা মনে পড়ে। মোজো কাকুরা কী কখনও আকাশের দিকে তাকান?



পাপ্পুর নামটি বুয়েটের সিএসইর প্রাক্তন গ্রাজুয়েট মুনিরুল আবেদিন পাপ্পানের নাম থেকে নেয়া । তবে চরিত্রটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক, মুনিরুল আবেদিন এর সঙ্গে গল্পের পাপ্পুর চরিত্রটি নাম ছাড়া কোন মিল নেই। মেহেদী নামটি অভ্রর স্রষ্টা ডক্টর মাহদীর নাম থেকে নকল করেছি। এখানেও ডক্টর মেহদীর চরিত্রের সঙ্গে গল্পের মেহেদির কোন মিল নেই। ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বাস্তব চরিত্র এবং তার পাঁচ বিলিয়ন ডলারের দেওয়াল প্রজেক্টও একটি বাস্তব ঘটনা। তবে আই স্কোয়্যার প্রজেক্ট বাস্তব কিনা জানা নেই। মোজো কাকু একটি কাল্পনিক চরিত্র। আমার চেনা বা জানা কারো সঙ্গে তার নাম বা চরিত্রের মিল নেই। তবে খাজা নাজিম উদ্দিন বা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নাম শুনলে আমার মনের মধ্যে এরকম একটি চরিত্র ভেসে ওঠে। গত দু সপ্তাহ ধরে গল্পটির প্লট মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল, আজ ভার নামালাম। পুরো গল্পটি কাল্পনিক তাই সবাইকে অনুরোধ করবো কোন বাস্তব কোন ঘটনার সঙ্গে এর মিল না খোঁজার। যেহেতু এটি গল্প, সবার কাছে অনুরোধ, বানান ভুল গুলো ধরিয়ে দিন, এডিট করে ঠিক করে নেব।

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৩

হাবিব স্যার বলেছেন: হাজিরা দিয়ে গেলাম। পরে দেখা হবে।

০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৬

মা.হাসান বলেছেন: হাবিব স্যার, প্রথম মন্তব্য, প্রথম লাইকের জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা। আশাকরি দেখা হবে। ভালো থাকবেন।

২| ০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫২

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: যথাযথ বলেছেন। মোজোরা দখলদার, চাটুকার শ্রেণীর ইতর প্রাণীগুলো কেরে নেয় মেহনতি মানুষদের শ্রেষ্ঠ অর্জন।

০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৭

মা.হাসান বলেছেন: যথার্থ বলেছেন, ধন্যবাদ।

৩| ০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৯

নীল আকাশ বলেছেন: আপনার পোস্ট পেয়েছি। পুরোটা পড়ে কিছু সাজেশন সহ বড় মন্তব্য করব।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল!

০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:০৮

মা.হাসান বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমি গল্প লেখক না, তার পরেও পুরো মন্তব্যের আশায় রইলাম।

৪| ০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:০৯

নীল আকাশ বলেছেন: আপনি কি এক্স বুয়েট? হলে কোন ডিপার্টমেন্ট? আর কোন হল?

০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:২১

মা.হাসান বলেছেন: না নীল আকাশ ভাই, আমি বুয়েটের না, বা প্রকৌশলীও না। আমি জাহাঙ্গীনগরে পড়েছি ১৯৯২-৯৮ সময়ে।

৫| ০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৪১

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: গুড, গপ্পোটা দারুন।



@মোজো কাকুরা কী কখনও আকাশের দিকে তাকান?
ঘি, তেল, মাখন ছেড়ে বাঁশযুক্ত পোস্ট! তাও আবার কাক্কুর নামে?? X(
OMG
লেখককে আজীবন ব্যান করা হোক:P(কন্ট্রোল প্লাস অলটার প্লাস ডিলিট);):D

০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৫২

মা.হাসান বলেছেন: ভাই, ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়া সকল চরিত্র কাল্পনিক, ট্রাম্পকে বাঁশ দেয়ার ইচ্ছা আমার নেই। ব্যান কখনো খাই নি, ব্যান হলে নতুন আইডি খুলে অাসা কতখানি সম্ভব হবে জানি না। গল্প ভালো লেগেছে বলায় অশেষ কৃতজ্ঞতা। লাইক দেয়ায় অনুপ্রেরণা পেলাম। ভালো থাকবেন।

৬| ০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: পাপ্পুর কাকুর মতোন আমারও একটা কাকু আছে।
আমরা বলি লাল চাচা।

০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৩১

মা.হাসান বলেছেন: রাজীব ভাই, আপনার লাল চাচা দীর্ঘজীবি হোন। তবে গল্পের মোজো কাকু কাল্পনিক, জীবিত-মৃত যে কারো চরিত্রের সঙ্গে মোজো কাকুর যে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালিয় ধরে নেবেন। ভালো থাকবেন।

৭| ০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:৩৭

আরোগ্য বলেছেন: লেখার ধারে মোজো কাকুদের মস্তক কাটা পড়ুক।

পোস্টে পেলাস।
+++++++++++

০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:৪৫

মা.হাসান বলেছেন: পোস্টে লাইক দেয়ায় এবং সুন্দর মন্তব্য করায় অশেষ কৃতজ্ঞতা।
মানুষের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। মানুষ তার অহংকার ও সমস্ত সংকির্নতা থেকে বের হয়ে আসুক। ভালো থাকবেন।

৮| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১২:১৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মা.হাসানভাই,

গল্প পড়া হয়নি । আপনি যে লিংক দিয়েছেন সেই লিঙ্ক শুনছিলাম । আগামীকাল আবার গল্প পড়ে মন্তব্য করব ।

শুভ রাত্রি ।

১০ ই মার্চ, ২০১৯ ভোর ৬:২৯

মা.হাসান বলেছেন: যখন একাধিক বড় মাপের ব্লগার মন্তব্যে বলেন - আগামীকল্য আসিয়া তোমার খবর করিব - তখন কিঞ্চিত ভিত হই বটে, তবে আত্মরক্ষার্থে ইহাই বলিয়া যাই, আমি জানি আমি কোন মহৎ সাহিত্যকর্ম রচনা করি নাই, মনের মধ্যে যে চুলকুনির উদ্রেক হইয়াছিল তাহা প্রশমন করিয়াছি মাত্র। তিন সপ্তাহ পূর্বে যে সূর্য্য অস্তমিত হইয়াছে এই সুবোধ তাহার পুনোরুদয়ের ভরসা ছাড়িয়া দিয়াছে।

দিনশুভ কাটুক, একটা গান শুনুন

৯| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৪৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: অসাধারন একটা লেখা। মনে হচ্ছিল জাফর ইকবালের কোন লেখা পড়ছি। বোঝাতে চাচ্ছি যে যে একটানে মন্ত্রমুগ্ধের মত পড়লাম লেখাটা।

১০ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:২৭

মা.হাসান বলেছেন: আপনি যা বলেছেন তা আমার জন্য বিশাল কমপ্লিমেন্ট। অশেষ ধন্যবাদ। শিশুতোষ ইন্টারনেট শব্দগুচ্ছ কিন্তু আপনার লেখা থেকে চুরি করা।

১০| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:৪৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: গল্পটা দারুণ হয়েছে। এক বসায় পড়া শেষ করতে পারি নি। কমেন্টগুলো পড়ে আমি একটু কনফিউশনে পড়ে গিয়েছি। আমার ফার্স্ট ইম্প্রেশনে গল্পের সবাইকে এ দেশের কৃতী সন্তান বলে মনে হয়েছে। মোজো কাকুকেও একজন কৃতী সন্তান হিসাবেই দেখেছি, স্বয়ং স্টিভ জভস আর গেটস যার অ্যাসিস্ট্যান্স ছিল। কোন জায়গা থেকে মোজো ক্যারেকটারটা নেগেটিভ হলো তা ধরতে পারি নি তাহলে।

শুভেচ্ছা রইল।

১০ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:৩৭

মা.হাসান বলেছেন: আসলে এই লেখাকে যে লোকে গল্প বলে স্বীকার করবে, আমি তা আসাই করিনি, অনেক কৃতজ্ঞতা সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবার মধ্যেই সাফল্য। যে লোকটা ইট ভাঙে বা ঠ্যালা গাড়ি চালায় আর যে লোকটা সুপিরিয়র এফ টাইপের বাসায় থাকে, সবারি দায়িত্ব আছে দেশের প্রতি, হয়তো কারো মজুরি কম, কারো বা বেশি, কিন্তু দায়িত্ব সবারই আছে। আমি নিশ্চিত, মোজো কাকুরও জীবনে অনেক বড় অ্যাচিভমেন্ট আছে। আমি যেহেতু পাপ্পুর গল্প শুনিয়েছি তাই হয়তো পাঠক পাপ্পুর প্রতি সহানুভতিশীল হয়ে মোজো কাকুকে খারাপ বলছে, যদি মোজো কাকুর গল্প বলতাম তাহলে হয়তো উল্টো ঘটনা ঘটতো।
যদি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত ব্লগের ব্লক না ওঠে তবে হয়তো মোজো কাকুর গল্পটাও লিখবো।

১১| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মা .হাসানভাই ,

অত্যন্ত সুন্দর একটি গল্প লিখেছেন । গল্পে অনেকগুলো শিক্ষনীয় বিষয় তুলে ধরেছেন । চরিত্রগুলি হয়তো কিছুটা বাস্তব কিছুটা কাল্পনিক এসবের মিশ্রণে চিত্রায়ন করেছেন । কিন্তু ঘটনাগুলি আকসার আমাদের মধ্যেই ঘটে থাকে । মেজ কাকুর চরিত্রটি অত্যন্ত ভালো লাগলো ; লিখেছেনও বেশ মজাদার ভঙ্গিতে । বাস্তবে আমাদের মধ্যে যখন কেউ গা- গঞ্জে থেকে প্রতিষ্ঠিত হয়ে শহরে বা বিদেশে অভিবাসী জীবন কাটায় , তাদের চলন-বলন আমাদের কাছে অনেকটা স্বপ্নের মতো মনে হয়। ছোট বাচ্চাদের কাছে কাছে তারা আরো বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেন । অবশ্য বাচ্চাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই, বড়রা কথায় কথায় প্রবাসী বা অভিবাসী বন্ধুকে এত বড় করে দেখান যে বাচ্চারা তাদেরকে নিয়ে এরকম ভাবতেই থাকে । যে কারণে গল্পে পাপ্পু কাকুকে এত বড় আকারে দেখেছেন । বাচ্চাদের ডাকাতিও শুরু শাড়ি তারাও তো বাদ বিচার করে না তাদের কাছে যেটা বলে তারা তা সত্য বলে মেনে। যে কোনো গল্পের শুরুতে প্রাথমিকের ঘটনাগুলি এতটাই জীবন্ত বলে মনে হলো ।

গল্প আরেকটি দিক উঠে এসেছে। বড় ভাইয়ের অসুস্থতার কারণে যখন মেজকাকুর উপর সংসার চালানোর দায়িত্বে এসে পড়ল তখন কিন্তু মেজকাকু তার কূপমন্ডুক মানসিকতা দিয়ে গল্পের একজন যথার্থ ভিলেনের পরিচয় দিয়েছেন । স্বদেশী ভাইয়েরা আত্মীয়-স্বজন আকাশে তুলে রাখলেও তাই মেজ কাকু তার কূপমন্ডুক মানসিকতা থেকে বের হতে পারেননি বা ভাইপো আত্মীয় স্বজনের জন্য কোন উদার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেননি । শহরে নিজের সুবিধার জন্য একজন কেয়ারটেকার দরকার। দরদী মেস কাকু সংসারিক আবেগকে জলাঞ্জলি দিয়ে তাই ভাইপোকে কেয়ারটেকার করতে ও বিন্দু মাত্র কার্পন্ন করলেন না ।

কে বলতে পারে যে মেজকাকু ভাইপোকে মিথ্যা আন্তরিকতা দেখিয়ে একের পর এক স্কুল ছাড়িয়ে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে তার উদ্যমী মানসিকতাকে ভোতা করে দিয়ে কৌশলের ভাইপো যাতে কোনো ভালো রেজাল্ট না করতে পারে তার জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে গিয়েছেন এবং সফল হয়ে শহরে কেয়ারটেকার হিসেবে ভাইপোকে নিযুক্ত করেছেন । অথচ ভাইপোর মধ্যে কাকার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ তখনও আছে ।
সুন্দর এবং দারুণ জমাট গল্প লিখেছেন । এরকম গল্প আগামীতে আমরা আরো পেতে চাই ।

অনিঃশেষ শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন ।





১০ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩

মা.হাসান বলেছেন: আপনার লাইক এবং সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা। বাস্তবিকই মোজো কাকু একজন হিরো, আমরা তার চরিত্রে কেউ কেউ কাদা লাগানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি।
ব্লগের গল্প হিসেবে একটু বড় হয়ে যায় বলে আরো কিছু ঘটনা ইচ্ছা থাকা সত্তেও বাদ দিয়েছি।
লোভ সামলাতে না পেরে এখানে একটা লিখলামঃ
মোজো কাকুর কোম্পানির লোগো অ্যাপেল কোম্পানি চুরি করায় মোজো কাকু অ্যাপেলের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। মোজো কাকুর কোম্পানির লোগো ছিল এটা :

ছবি কিন্তু আমার আঁকা না, ছবিটা এখান থেকে চুরি করা (৩৬ নম্বর কমেন্ট)।
অনেক শুভেচ্ছা।
পুনশ্চঃ আপনার পোস্টে কাল একটা মন্তব্য করার চেষ্টা করেছিলাম। গিয়েছে কি না বুঝতে পারি নি। না পেয়ে থাকলে জানাবেন, আবার পাঠাবো।

১২| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: ভালো লাগলো

১০ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪

মা.হাসান বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ মাহমুদুর রহমান ভাই। ভালো থাকবেন।

১৩| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:৫৫

নীল আকাশ বলেছেন: ঢাবিয়ান বলেছেন: অসাধারন একটা লেখা। মনে হচ্ছিল জাফর ইকবালের কোন লেখা পড়ছি
এই জাফর ইকবাল হলো আরেক চোর, মহা চোর! বিদেশী সব সাইন্স ফিকশন বই থেকে টুকলীফাই করে বই বের করে আজ এত বড় চাপাবাজ হয়েছে। চোরটা আজ পর্যন্ত কোন বইতে কৃতজ্ঞতার নামে অরিজিনাল বইটার নাম পর্যন্ত উল্লেখ করে না...

আপনার এই কাহিনী আমি বুয়েটে পড়ার সময় শুনেছিলাম। বড় ভাই আমাদের সিনিয়র ছিলেন। দেখা হয়নি কখনো! উনি কিভাবে যে এত বড় বাটপারের সাথে কাজ করেছেন! প্রতিটা মানুষ তার কৃতকর্মের ফল এই দুনিয়ায়ই পাবে। অপেক্ষা করুন। চোরা কাগুর শেষ পরিনতি সময়ই দেখিয়ে দেবে...

এবার শুধুই গল্প হিসেবে- ছোট গল্পের প্লট হিসেবে ঠিক আছে। সাইজ গুড। লেখার ফ্লো সাবলীল। তবে আপনি কথপোকথন এর সময় প্রতিটা লাইন আলাদা আলাদা ব্যবহার করুন, এই ভাবেঃ
-কি খবর তোর? অনেক দিন পরে তোকে দেখলাম?

ফিনিসটা আরেকটু সুন্দর করে হয়ত দিতে পারতেন!
পাপ্পুর কথাগুলি শুনে হুট করেই ওর মোজো কাকুর কথা মনে পড়ে গেল! চায়ের দোকানে বসে চায়ের অপেক্ষায় থেকে নীল বিস্তৃত/অবারিত আকাশের দিকে তাকাই, যেই আকাশের মতো বিশাল হৃদয় গড়তে বলেছিলেন মাহাদী ভাই। আকাশের এই সুবিশাল ব্যাপ্তি কি মোজো কাকুরা কখনোও দেখতে পায়........

ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল!


১১ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১২:২৮

মা.হাসান বলেছেন: নীল আকাশ ভাই, খুঁটিয়ে পড়ে বিস্তারিত মন্তব্য করার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা।
গল্প লেখক হতে যে ক্রিয়েটিভিটি ও ধৈর্য লাগে আমার তার অভাব রয়েছে। ১৭ তারিখের পর অন্য সবার মতই মন খিচড়ে রয়েছে, ঐ চুলকুনি থেকেই লেখা।
ফিনিশিং বা গল্পের নাম, কোনটাতেই আমি সন্তষ্ট না। গল্পের শুরুতে ছবি যা দিয়েছি তা না দিয়ে কাঠালের যে ছবিটা মন্তব্যে দিয়েছি তা দিলে সম্ভবত ভিউ কিছু বাড়তো, কিন্তু মূল পোস্টে অন্যের ছবি ব্যবহার এড়াতে চেয়েছি।
যারা ভিতরের ঘটনা জানেন এবং বর্তমানে কি হচ্ছে জানেন তারা লেখাটা পড়ে হয়তো কিছুটা স্বাদ পাবেন, অন্যদের ক্ষেত্রে জোড়াতালির পাগলামি ভরা একটা পোস্ট হয়েই হয়তো থাকবে। তবে আপনি যেমন বলেছেন, সবাই তার কৃতকর্মের প্রতিফল পাবে। ৮-৯ বছর আগে এই বিষয়ে ব্লগে যা লেখা হয়েছিল তা কিন্তু দলিল হয়ে রয়ে গিয়েছে।
ভবিষ্যতে যদি কখনো অাদৌ গল্প লিখি তবে কনভারসেশনের বিষয়ে আপনার পরামর্শ মাথায় রাখবো, তবে ফিনিশিং কখনোই আপনার মতো করা সম্ভব হবে না।
শবনমঃ সবগুলো পর্ব আবার পড়েছি, যেহেতু আপনি সমালোচকের মন্তব্য চেয়েছেন, দেব; তবে লিখতে একটু সময় লাগবে, আশা করি ১২ তারিখের মধ্যে পাবেন।
অনেক শুভ কামনা।

১৪| ১১ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১২:২০

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: @নীল আকাশ, ঢালাওভাবে জাফর ইকবালের মতো একজন মানুষকে চোর, মহাচোর, চাপাবাজ বললে কি আপনার নিজের মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে, বলুন? ভালো বইয়ের পাশাপাশি তাঁর তেমন-ভালো-নয় এরূপ কিছু বইও আছে, কিন্তু তিনি সব টুকলিফাই করেন, এর সপক্ষে কী প্রমাণ আছে আপনার? সমালোচনা করেন, প্রয়োজনে কঠোর সমালোচনা করেন, ঠিক আছে, কিন্তু তাঁর মতো একজন মানুষকে এতটা তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার কারণ কী?

১১ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১২:৩৩

মা.হাসান বলেছেন: আমার পাতায় পদধূলি দেয়ায় ধন্যবাদ। বহুদিন ওনার লেখা পড়িনি, এবং আপনার মন্তব্যও আমাকে লক্ষ্য করে নয়, কাজেই আমি নীরব রইলাম। ভালো থাকবেন।

১৫| ১৪ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

করুণাধারা বলেছেন: খুবই চমৎকার লিখেছেন!! এটা পড়ার পর আমি অন্য সব আপনার অন্য সব পোস্ট গুলো পড়লাম! এতো ভালো লিখেন, এতদিন কোথায় ছিলেন!!!!

আপাতত ভালো লাগা জানিয়ে যাই। আপনার অন্য পোস্টগুলোতেও পরে ফিরে আসার আশা রাখলাম।

১৫ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ২:২০

মা.হাসান বলেছেন: করুণাধারা ভাই, আপনার এত প্রেরণাদায়ক মন্তব্য ও লাইক পেয়ে আমি আপ্লুত । আমি মূলত পাঠক, লেখার অভ্যাস নেই । আমি ধারণা করতে পারিনি যে এই লেখাকে লেখা হিসেবে কেউ কেউ ভালো বলবে। জাদিদ ভাইয়ের একটা লেখায় পাওয়া কমেন্ট থেকে পাওয়া সূত্র থেকে একটা কি ওয়ার্ড দিয়ে ব্লগে সারচ দিয়ে যা পাই তার থেকে এই লেখাটা লেখার ইচ্ছে জাগে । সে সময়ে যারা ব্লগে ছিলেন তাদের মধ্যে মাত্র দুজন লেখাটা পড়ে মন্তব্য করেছেন। অন্য লেখা গুলোতে আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম।
অনেক শুভ কামনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.