নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\n

মা.হাসান

মা.হাসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

শুভ জন্মদিন হে প্রিয়/ মান্যবর কম্পিউটার মানব

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১১:২২



বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি জগতের কিংবদন্তী, একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোস্তাফা জব্বার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির জন্য পরিচিত হলেও তাঁর কর্মকান্ড কেবল এই জগতেই সীমিত নয় । তিনি নিজ গ্রামসহ দেশব্যাপী সাধারণ শিক্ষার প্রসার ও শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ব্যাপারেও অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর মাইলফলক কাজের মাঝে রয়েছে কম্পিউটারে বাংলা ভাষার প্রয়োগ, প্রচলন ও বিকাশের যুগান্তকারী বিপ্লব সাধন করা, শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার। তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার এবং বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - এর লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রত্যয়ী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির একজন সৈনিক হিসেবে কাজ করে তিনি অবিস্মরণীয় অবদান রেখে চলেছেন। তথ্যপ্রযুক্তি ও সাধারণ বিষয়ের ওপর অনেকগুলো বইয়ের লেখক, কলামিস্ট ও সমাজকর্মী জনাব মোস্তাফা জব্বার এরই মাঝে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অনেকগুলো পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন।



বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশে মোস্তাফা জব্বার ১৯৮৭ সাল থেকেই নিরলসভাবে কাজ করছেন। তাঁরই প্রচেষ্টায় গৃহীত পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশে কম্পিউটার আমদানীর ওপর শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার হয়। তিনি বাংলাদেশ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য রপ্তানীতে নগদ সহায়তা পাবার উদ্যোগের সফল নেতৃত্ব দেন। তিনিই বাংলাদেশকে একটি আমদানীকারক দেশ থেকে উৎপাদক ও রপ্তানীকারকের দেশে পরিণত করার জন্য সরকারের ইতিবাচক নীতিমালাসমূহ প্রণয়নে উদ্যোগী ভূমিকা রাখেন। তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালা, সম্প্রচার নীতিমালা, অনলাইন নীতিমালা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, সম্প্রচার আইন ও কপিরাইট আইনসহ ডিজিটাল আইন কাঠামো তৈরিতে তিনি ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক সম্মান এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রীপ্রাপ্ত মোস্তাফা জব্বারের পৈত্রিক নিবাস নেত্রকোণা জেলার খালিয়াজুরী থানার কৃষ্ণপুর গ্রামে। ১৯৪৯ সালের ১২ই আগষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার চর চারতলা গ্রামের নানার বাড়ীতে তাঁর জন্ম। মোস্তাফা জব্বারের বাবা আব্দুল জব্বার তালুকদার পাটের ব্যবসায়ী ও সম্পন্ন কৃষক ছিলেন। তাঁর দাদা আলিমুদ্দিন মুন্সি ছিলেন বিশাল ভূ-সম্পত্তির মালিক, যার উপাধি ছিল তালুকদার। তাঁর মা রাবেয়া খাতুন একজন গৃহিণী । তিনি দাদা ও বাবা প্রতিষ্ঠিত নিজ গ্রামের প্রাইমারি স্কুল থেকে ১৯৬০ সালে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষা সম্পন্ন করেন। নিকটবর্তী এলাকায় কোন হাইস্কুল ছিলো না, কিন্তু এ অদম্য লড়াকু সৈনিকের পড়া লেখা তাতে থেমে থাকেনি। সব চেয়ে কাছের স্কুল ছিল আজমিরীগঞ্জেে। স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রতিদিন মাননীয় মন্ত্রীকে ৪০ কিলোমিটার পথ হেঁটে যেতে হতো এবং এবং সম পরিমাণ পথ হেঁটে আসতে হতো। । তাঁর এই অদম্য মানসিকতাই তখন বুঝিয়ে দিয়েছে এই ছেলে বড় হয়ে বড় কিছু হবে। তিনি বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার অধীনস্থ বিরাট নামক একটি গ্রামের হাইস্কুল থেকে ১৯৬৬ সালে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করেন এবং বিখ্যাত ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৬৮ সালে কৃতিত্বের সাথে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে ১৯৭২ সালে দ্বিতীয় শ্রেণিতে স্নাতক সম্মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭২ সালের পরীক্ষা ১৯৭৪ সালে সম্পন্ন করে দ্বিতীয় শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে মোস্তাফা জব্বার একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তাঁর বাড়ীর পাশের সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ১৬১ জন রাজাকার যুদ্ধোত্তরকালে তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করে । ছাত্রজীবনে তিনি রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ, সাহিত্য চর্চা, সাংবাদিকতা, নাট্য আন্দোলন; এসবের মাঝে ব্যাপকভাবে জড়িত ছিলেন। ৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তাঁর লেখা বাংলাদেশের প্রথম গণনাট্য “এক নদী রক্ত” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিক্ষক কেন্দ্রে মঞ্চস্থ হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অন্যতম নেতা ছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি ছাত্রলীগের পক্ষে নির্বাচন করে সূর্যসেন হলের নাট্য ও প্রমোদ সম্পাদক নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার আগে তিনি সাপ্তাহিক জনতা পত্রিকায় লেখালেখির সাথে যুক্ত ছিলেন।



ছাত্র থাকাকালেই মোস্তাফা জব্বারের কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৭২ সালের ১৬ জানুয়ারি সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে। তিনি ট্রাভেল এজেন্টদের সংগঠন আটাব (এসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ)- এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। জনাব মোস্তাফা জব্বার ১৯৮৭ সালের ২৮শে এপ্রিল মেকিন্টোস কম্পিউটারের বোতাম স্পর্শ করার মধ্য দিয়ে কম্পিউটার ব্যবসায়ে প্রবেশ করেন। সেই বছরের ১৬ মে তিনি কম্পিউটারে কম্পোজ করা বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা আনন্দপত্র প্রকাশ করেন। ১৯৮৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি প্রকাশ করেন বিজয় বাংলা কীবোর্ড ও সফটওয়্যার। সেটি প্রথমে মেকিন্টোস কম্পিউটারের জন্য প্রণয়ন করেন। পরে ১৯৯৩ সালের ২৬ মার্চ তিনি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্যও বিজয় বাংলা কীবোর্ড ও সফটওয়্যার প্রকাশ করেন। এরপর লিনাক্স এবং এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের জন্যও তিনি বিজয় বাংলা সফটওয়্যার প্রকাশ করেন।



জনাব মোস্তাফা জব্বার দেশের সংবাদপত্র, প্রকাশনা ও মুদ্রণ শিল্পের ডিটিপি বিপ্লবের অগ্রনায়ক। তিনি আনন্দ প্রিন্টার্স এবং আনন্দ মুদ্রায়ণের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর হাতেই গড়ে ওঠে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল বাংলা নিউজসার্ভিস আনন্দপত্র বাংলা সংবাদ বা আবাস। তিনি এর চেয়ারম্যান ও সম্পাদক।



তিনি ইতোপূর্বে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির নির্বাহী পরিষদের সদস্য, কোষাধ্যক্ষ ও সভাপতি (চারবার) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস ( বেসিস ) এর প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি ও পরিচালক এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার ক্লাবের সভাপতি ছিলেন। ২০০৮-০৯ সময়কালে তিনি দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।



২০১০-১১ সালে তিনি তৃতীয় বারের মতো বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১২-১৩ সময়কালেও তিনি এই সমিতির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৩-১৪ সময়কালে তিনি আবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। জনাব মোস্তাফা জব্বার বেসিস-এর প্রতিষ্ঠাতা সহ সভাপতি এবং পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৬-১৮ সময়কালের জন্য তিনি বেসিস এর সভাপতির দায়িত্বপালন করেছেন। তিনি ই-ক্যাব-এর উপদেষ্টা।



দেশে কম্পিউটারের শুল্ক ও ভ্যাট মুক্ত আন্দোলনের অগ্রণী নেতা ও শিক্ষায় কম্পিউটার প্রচলনের একনিষ্ঠ সাধক মোস্তাফা জব্বার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বাধীন ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক অনেক কমিটির সদস্য। তিনি কপিরাইট বোর্ড এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের কাউন্সিল সদস্য। ২০০৭ সালের ২৬ মার্চ তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণা সম্পর্কে প্রথম নিবন্ধ লেখেন এবং ২০০৮ সালের ৬ আগস্ট বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার লিপিবদ্ধ হয় । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র দিকনির্দেশনায়, প্রধানমন্ত্রীর মাননীয় তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সজীব আহমেদ ওয়াজেদ এর নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে ।



জনাব মোস্তাফা জব্বার কম্পিউটার বিষয়ে অনেকগুলো বই লিখেছেন। দেশের কম্পিউটার বিষয়ক পত্রিকাসমূহে ব্যাপকভাবে লেখালেখিতে ব্যস্ত মোস্তাফা জব্বার নবম ও দশম শ্রেণীর কম্পিউটার বিষয়ক পাঠ্যপুস্তক মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা বইটির লেখক। তার লেখা “কম্পিউটার ও ইনফরমেশন টেকনোলজি” এবং “একাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেম’’ স্নাতক পর্যায়ের পাঠ্য বই। উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, দুই খন্ডের প্রাথমিক কম্পিউটার শিক্ষা, মাল্টিমিডিয়া ও অন্যান্য প্রসঙ্গ ছাড়াও তাঁর লেখা কম্পিউটারে প্রকাশনা, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট এক্সেল ও তাঁর সম্পাদিত কম্পিউটার অভিধান ব্যাপকভাবে প্রচলিত কম্পিউটার বিষয়ক বই। তাঁর প্রথম উপন্যাস নক্ষত্রের অঙ্গার ২০০৫ সালে প্রকাশিত হয়েছে। সুবর্ণে শেকড় নামে আরেকটি উপন্যাস তিনি লিখছেন। এছাড়াও কম্পিউটার কথকতা, ডিজিটাল বাংলা, একুশ শতকের বাংলা, বাঙালি ও বাংলাদেশ, ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং একাত্তর ও আমার যুদ্ধ তাঁর লেখা বইগুলোর অন্যতম। বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘কম্পিউটার’ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ টক শো-এর মাধ্যমে তিনি এখনও কম্পিউটার প্রযুক্তিকে জনপ্রিয় করে চলেছেন। এটিএন বাংলার ‘কম্পিউটার প্রযুক্তি’ এবং চ্যানেল আই এর ‘একুশ শতক’ অনুষ্ঠানের সহায়তায় ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমেও তিনি কম্পিউটারকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেন।






শিক্ষানুরাগী মোস্তাফা জব্বার তাঁর নিজ গ্রামে বাবা প্রতিষ্ঠিত হাইস্কুলের সম্প্রসারণ করেছেন, বাবা-মার নামে গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং গ্রামের হাজী আলী আকবর পাবলিক ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে কম্পিউটার শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন ও কম্পিউটার স্বাক্ষরতা প্রসারে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছেন। দেশজুড়ে মাল্টিমিডিয়া প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা ছাড়াও তিনি বিজয় ডিজিটাল স্কুল এবং আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের সাহায্যে শিক্ষাব্যবস্থার নতুন পদ্ধতি প্রবর্তন করেছেন। কম্পিউটারকে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করে একুশ শতকের নতুন শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা তাঁর জীবনের লক্ষ্য। তিনি এখন প্রধানত কম্পিউটারে বাংলা ভাষার প্রয়োগ এবং শিক্ষামূলক সফটওয়্যার তৈরীতে ব্যস্ত আছেন।



গত ৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখ তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করেন। তিনি ৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখ দ্বিতীয়বারের মত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লাভ করেন । মন্ত্রিত্ব লাভের পর তিনি পর্ণো এবং জুয়া ভিত্তিক ওয়েব সাইটের উপরে জিহাদ ঘোষণা করেন, বন্ধ করে দেওয়া হয় হাজার হাজার নোংরা ওয়েবসাইট। ধ্বংসের হাত থেকে মুক্তি পায় যুব সমাজ। তাঁর উদ্যগে ডাক বিভাগের আর্থিক সেবা কার্যক্রম ' নগদ' চালু করা হলে দেশের প্রান্তিক মানুষের জন্য আর্থিক লেনদেন আগের চেয়ে সহজতর হয়েছে। বিকাশ বা অন্যান্য সার্ভিসের মাধ্যমে যেখানে ব্যক্তি হিসেবে সর্বোচ্চ কুড়ি হাজার টাকা এক বারে লেন দেন করা যেত, এখন সেখানে 'নগদ'-এর মাধ্যমে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানো যাবে। মন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁর মন্ত্রীত্বের সময়ে অন্য দেশের মন্ত্রীরা তাঁর অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য, তাঁর পরামর্শের জন্য সিরিয়াল দিয়ে অপেক্ষা করছে এবং করছে। জাতির জন্য তিনি মহা সম্মান বয়ে এনেছেন।


তথ্যপ্রযুক্তিতে বিশেষ অবদান রাখা ও বিজয় বাংলা কীবোর্ড ও সফটওয়্যার আবিষ্কার করার জন্য তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সেরা সফটওয়্যারের পুরষ্কার, পশ্চিমবঙ্গের কমপাস কম্পিউটার মেলার সেরা কমদামী সফটওয়্যারের পুরষ্কার, দৈনিক উত্তরবাংলা পুরষ্কার, পিআইবির সোহেল সামাদ পুরষ্কার, সিটিআইটি আজীবন সম্মাননা ও আইটি এ্যাওয়ার্ড, বেসিস আজীবন সম্মাননা পুরষ্কার ও বেস্টওয়ে ভাষা-সংস্কৃতি পুরষ্কার, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির আজীবন সম্মাননা, চয়ন গোল্ড মেডাল, ইস্টার্ণ ইউনিভার্সিটি পদক, পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশ এর জ্ঞানবন্ধু পুরষ্কার ২০১৬, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটী আজীবন সম্মাননা পুরস্কার এবং ইউনাইটেড বিশ্ববিদ্যালয় আজীবন সম্মাননাসহ ২৭টি পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর বাইরেও তাঁর রয়েছে অসংখ্য স্মারক ও সম্মাননা। তবে এখনো তিনি একুশে পদক বা স্বাধীনতা পদক লাভ করেন নি। আমরা আশা করি শিঘ্রই তাঁকে একুশে পদক বা স্বাধীনতা পদক বা উভয় পদক প্রদান করে তাঁর কর্মের স্বীকৃতি প্রদান করা হবে।


** দেশ প্রেমিক ভুয়া মফিজ ভাই পোস্টটির কিছু অপূর্ণতা দূর করতে সাহায্য করেছেন, ওনার প্রতি কৃতজ্ঞতা। এমন জ্ঞানী-গুনি, চৌকস ব্যক্তিত্বের পূর্নাঙ্গ জীবনী রচনা করা অসম্ভব কাজ। পাঠক কে ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করছি। কোন অসপূর্ণতা পাওয়া গেলে মন্তব্যে জানানোর অনুরোধ করছি, শুধরে নেয়ার চেষ্টা করবো।

***মহান এই নেতার জন্মদিন ছিল গতকাল। ভ্রমণে থাকার কারণে এবং সব সময় ইন্টারনেটে সংযুক্ত না থাকতে পারার কারণে গতকালকে এই পোস্ট করা সম্ভব হয়নি। উদার মানসিকতার মন্ত্রী এই বিষয়টি খুব সহজভাবেই নেবেন আমি ভালো করে জানি। আশা করব সামুর পাঠকরাও বিষয়টি সহজভাবে নেবেন । ঈদের ব্যস্ততার কারণে সামুর পাঠকদের সবার পক্ষে পাঠ শেষে মন্তব্য করা সহজ হবে না, যাদের এরকম সমস্যা তাদের সুবিধার্থে আমি মন্তব্য গুলো লিখে দিলাম, শুধু নম্বর প্রেস করবেন। । মন্তব্যের জবাব গুলোও নম্বর আকারে দিয়ে দিলাম । পুরো জবাব দিতে সময় না পেলে আমিও শুধু নম্বর প্রেস করে দেবো।



মন্তব্য ও নম্বরঃ
১) মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের দীর্ঘ কর্মময় জীবন কামনা করছি ।
২) নোংরা ওয়েব সাইট বন্ধে ওনার জারী করা সংস্কার সমূহ অক্ষয় হোক।
৩) ওনার জীবনী স্কুলের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
৪) মন্ত্রী মহোদয়ের চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র ।
৫) উনি আমাদের আদর্শ ও প্রেরণা।
৬) ওনাকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত এই পদে দেখতে চাই ।
৭) পোস্টে প্লাস।

মন্তব্যের জবাব ও নম্বরঃ
৯) ধন্যবাদ।
০) সহমত।



মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:১০

রাজীব নুর বলেছেন: এই তো লোক তো মহান।
উনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা করবেন। শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবেন। দেশকে আধুনিক করবেন। সব ঠিক আছে। মানলাম। আর আমরা দেশে থেকে সামু চালাতে পারবো না?? ভিপিএন দিয়ে সামু চালাতে হবে??
তার ১০০ টা ভালো কাজ মূল্যহীন হয়ে গেছে সামু বন্ধ করে।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:২৯

মা.হাসান বলেছেন: ৯


মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের শপথ নিয়েছেন অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী হয়ে কোন কাজ না করার।সামুকের ব্লক করার সিদ্ধান্ত মন্ত্রী মহোদয়ের একক সিদ্ধান্ত বলে আমি মনে করি না। উনি নিজেই এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে তথ্য নিয়ে তালিকা করে তারপরে সেই তালিকা মোতাবেক ওয়েবসাইট বন্ধ করা হয়েছে। তাছাড়া টর বা ভিপিএন ব্যবহার করে তো সব দেখা যাচ্ছে, অসুবিধা কি? ঈদের শুভেচ্ছা।

২| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:১২

রাজীব নুর বলেছেন: আমি নিজে একবার উনার সাক্ষাতকার নিতে গিয়েছিলাম উনার আরামবাগের অফিসে।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৩২

মা.হাসান বলেছেন: গুণী ব্যক্তিদের সঙ্গে বেশি সময় কাটানো দরকার। ওনাদের গুন আমাদের মধ্যেও সঞ্চারিত হোক। আপনাকে অভিনন্দন।

৩| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:২৯

বিষন্ন পথিক বলেছেন: ব্লগের জীন তাড়াতে আপনার এই পোস্ট কামরূপ কামাক্ষার তাবিজের কাজ দেবে বলে আশা রাখি। জনাবা জানা কে বহিঃস্কৃত করে আপনাকে সেই পদে বসানোর দাবী জানাই। ডিজিটাল বাংলাদেশের ধোলাইখালের কারিগরকে জানাই লক্ষ কোটি টেরাবাইটের বাইনারী সালাম

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৫৪

মা.হাসান বলেছেন: দেশে কম্পিউটারের মূল্য শুলভ হওয়ার পিছনে মন্ত্রী মহোদয়ের অবদানের কথা পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে। কম্পিউটারের মূল্য সুলভ না হলে আমার মত হাজার হাজার মধ্যবিত্তের পক্ষে কম্পিউটার চালানো সম্ভব হতো না। কম্পিউটারে যে বাংলা ভাষাও ব্যবহার করা যায় তা মন্ত্রী মহোদয়ই আমাদেরকে দেখিয়েছেন। আর জানা আপার অবদান হল বাংলা ভাষায়ও যে ব্লগিং করা যায় তা তিনি দেখিয়েছেন, ব্লগিং কাকে বলে তা তিনি বুঝিয়েছেন । তবে বাংলা ভাষায় কম্পিউটার ব্যবহার করতে আগ্রহী এমন একটি গ্রুপ তৈরি না হলে বাংলা ব্লগিং শুধু এলিটদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতো । কাজেই মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের অবদানকেই আমার বেশি বড় বলে মনে হয়।

সালামের বিষয়েে ০

৪| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সামু বন্ধের মুল হোতা।
উনার প্রতি আমার কোন সন্মান নাই।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:১৫

মা.হাসান বলেছেন: লিটন ভাই, গুণীদের কদর না করলে সমাজে গুণীরা জন্মাবে কিভাবে?

জয় ঈদ।

৫| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:২৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: আমাকে ভিপিএন ব্যবহার করতে হয় না। এরজন্যে ধন্যবাদটা কার প্রাপ্য বুঝতে পারছি না।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৫০

মা.হাসান বলেছেন: আপনার আইএসপি সরকারি আইন মানছে না। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনার আইএসপির বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে নালিশ করতে পারেন।

৬| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৪০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মা.হাসান ভাই,

হাসবো না কাঁদবো ভেবে পাচ্ছি না। তবে আপনার জুড়ি মেলা ভার। হাহাহাহা.... স্যালুট আপনাকে।
ফুটনোট অনুযায়ী:-
১-যেকোনো মানুষের দীর্ঘায়ু কামনা করা সমীচীন সেই যুক্তিতে মন্ত্রী মহোদয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করি।
(২-৬) নৈব নৈব চ
৭-পোস্টে লাইক। আপনার উদ্ভাবনী লাইক চিন্তনকে স্বাগত জানিয়ে রাখলাম। হাহাহাহাহা .....
বিদেশ সফরে আছেন, একটু সাবধানে থাকবেন।
পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা নিয়েন।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:০৮

মা.হাসান বলেছেন: পদাতিক ভাই, হাসা-কাঁদা কোনটার দরকার নেই, মাঝা মাঝি থেকে একটা ভেংচি কাটতে পারেন।
জয় ঈদ।
আশা করি কেন্দ্র সরকারের সমৃদ্ধি কামনা করে ঈদের মাঠে বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে।

৭| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৪৪

ইসিয়াক বলেছেন: উনি মুক্ত মনের মানুষ নন ।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:১৯

মা.হাসান বলেছেন: ইসিয়াক ভাই, কেমন আছেন? মানুষের মনের কথা বলা তো মুশকিল, কার মনে কি আছে তা বলতে পারব না। তবে এটুকু বলতে পারি খোলামেলা জায়গায় অনেক ময়লা পড়ে। বদ্ধ জায়গা সে তুলনায় পরিষ্কার থাকার কথা । মন্ত্রী মহোদয় কে পরিষ্কার মনের লোক বলেই আমার মনে হয়।

৮| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৫৬

মাহের ইসলাম বলেছেন: মন্তব্যের জবাদ দেয়ার আইডিয়া কিন্তু দারুন হয়েছে।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

মা.হাসান বলেছেন: ৯
সফরের সময় প্রায়ই ইন্টারনেট কানেকশন পাওয়া যায় না, কখনো আবার হাতে সময় পাওয়া যায় না, এজন্য কমেন্টের জবাবে নম্বরের ব্যবস্থা।
অনেক পাঠক আছেন পড়েন, কমেন্ট না করে চলে যান। যদি সময়ের অভাবে এরকম করেন তবে তাদের সময় বাঁচানোর জন্য এই ব্যবস্থা পরীক্ষা করে দেখলাম । ফলাফলে দেখা যায় যারা অন্যসময় কমেন্ট করেন, তারা পূর্ণাঙ্গ কমেন্টই করছেন, যারা কমেন্ট করেন না তারা কমেন্ট করছেন না (এখন পর্যন্ত) ।

৯| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:২৭

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন:
বিজয় কীবোর্ড-এর সত্বাধিকারী

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

মা.হাসান বলেছেন: ০

১০| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: বহু পরিশ্রম করে, বহু রেকর্ড ঘাঁটাঘাটি করে এমন একজন বিজ্ঞ, বিদ্বান ব্যক্তির সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। এহেন একজন প্রবাদপুরুষের জীবনী পাঠ করে আপনার দেখানো মাত্র ৭টি পয়েন্টের মাধ্যমে মন্তব্য করলে আপনার এ গবেষণাধর্মী পোস্টের উপর নিতান্তই অবিচার করা হবে। তাই আমি আপনার প্রদর্শিত পথে না হেঁটে আমার নিজস্ব দুটো সেন্ট এখানে রেখে যেতে চাচ্ছি।
ওনার সম্বন্ধে অনেক না জানা তথ্য জানতে পেরে যারপরনাই বিস্মিত হ'লাম। সবচেয়ে বেশী তাজ্জব বনে গেছি ওনার পদযুগলের মাংসপেশীর অসাধারণ, আসুরিক শক্তির কথা জেনে। স্কুলে যাওয়া আসার জন্য প্রতিদিন চল্লিশ চল্লিশ আশি কি,মি পথ অতিক্রম করার পরেও তিনি পড়াশুনার জন্য সময় বের করে নিতে পারতেন, এটা ঐশী সহায়তা ছাড়া কিছুতেই সম্ভবপর নয়। নিশ্চয়ই উনি একজন ঐশী সাহায্যপুষ্ট দেবতুল্য ব্যক্তি। ৫-৫-৫-৫-৫!
বাংলা ভাষাকে ডিজিটালাইজড করার জন্য নোবেল পুরস্কারের মত একটি মামুলী পুরস্কার ওনার অনেক আগেই প্রাপ্য ছিল। উক্ত পুরস্কারের জন্য লাইনে দাঁড়ানো অপরাপর ব্যক্তি যদি কিছু মনে না করেন, তবে ওনাকে আমি লাইনের শীর্ষে টেনে আনার প্রস্তাব রাখছি।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৩৮

মা.হাসান বলেছেন: ৯
আপনার সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। রাজীব নূর ভাই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি কারন উনি গুণী ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসার সুযোগ পেয়েছেন। সকলের ভাগ্য সমান না। সাধারণ লোকদের উচিত হবে গুণী ব্যক্তিদের জীবনী পাঠ করা। সেই জন্য আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। সরকার বাহাদুর দেশ ডিজিটালাইজ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় এর জীবনী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আপলোড করা আছে । আমার লেখার প্রায় পুরোটাই ওখান থেকেই নেয়া। দুটি জায়গায় পরিবর্তন করেছি । ১)। সরকারি ওয়েবসাইট অনুসারে মন্ত্রী মহোদয়ের বাড়ি থেকে হাই স্কুল এর দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার । গুগল ম্যাপ অনুসারে খালিয়াজুড়ি থেকে আজমিরিগঞ্জের এই দূরত্ব ২৫০ কিলোমিটার। দুই তথ্যই ঠিক । সরকারি ওয়েবসাইট অনুসারে এরিয়াল ডিসটেন্স দেয়া আছে । ওই অঞ্চল বছরের অধিকাংশ সময় জলমগ্ন থাকে বলে বলে গুগুল এ পাকা সড়ক পথের দূরত্ব দেখানো হয়েছে যা অনেক ঘুর পথ। মন্ত্রী মহোদয় কে হাটা পথে যেতে হয়েছে জমির আল ধরে ধরে। সেই হিসেবে দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার হওয়ার কথা। তবে বর্ষাকালে সম্ভবত মন্ত্রী মহোদয়ের সাঁতার কেটে এই দূরত্ব পার হতেন। মাননীয় মন্ত্রী এই কথাটি উল্লেখ করেননি সম্ভবত তাঁর বিনয়ের কারণে। হেঁটে ৪০ কিলোমিটার পার হওয়ার ঘটনায় এই লিঙ্কে দেয়া আছে Click This Link
৪০ কিলোমিটার সাতারের বা নৌকা বাওয়ার ঘটনা কারনে ওনার পদযুগলের ন্যায় হস্তদ্বয়ও সমান পবিত্র বলে মনে করি।

২) উনি যুব সমাজকে যেভাবে অবক্ষয়ের হাত থেকে বাঁচিয়েছেন তা সরকারি সাইটে উল্লেখ নেই।


নোবেলের দাবীদার আরো কেউ কেউ আছেন, তবে অন্য ক্যাটাগরিতে। কাজেই ০-১-২-৩-৪-৫-৬।

১১| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৪

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: বাংলাদেশের সরকারে যাওয়ার পর কেউ ভালো মানুষ থাকেন না। ভিলেন হয়ে যান। তিনিও অলরেডি ভিলেন হয়ে গেছেন।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪১

মা.হাসান বলেছেন: আপ ভালা তো জগৎ ভালা।

১২| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: সামুর পক্ষ থিকা একটা সারপ্রাইজ বার্থডে পার্টি এরেঞ্জ করা দরকার ছিল। B:-/

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৫১

মা.হাসান বলেছেন: ৯


রাজীব নূর ভাইয়ের মন খারাপ, কেন না ঈদের দিনে সামু কোনো ব্যানার টাঙায়নি। কিন্তু প্রতিদিনই তো কোন না কোন দিবস থাকে, প্রতিদিন কি আর ব্যানার টাঙানো সম্ভব? তবে গতকাল সামু যদি 'আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে' লিখে একটা ব্যানার টাঙিয়ে দিতো তবে এক ঢিলে দুই পাখি পার হয়ে যেত। আমি কেক আর বেলুন দিয়ে দিলাম, আপনি গিফট পাঠিয়ে দিয়েন।

১৩| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ক্রোধ গুন নাশিনী।
উনার ক্রোধউন্মত্ততায় সকল গুন চাপা পড়ে গেছে।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:০১

মা.হাসান বলেছেন: ৯
আমার বেশি রাগ উঠলে বিজয় বাংলা কিবোর্ড ওপেন করে এর লোগো তে ক্লিক করার পর কন্ট্রোল প্লাস শিফট প্লাস পি কি প্রেস করি। রাগ কমে যায়।

১৪| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

জুন বলেছেন: মাননীয় মন্ত্রীর প্রতি রইলো আমার অসীম শ্রদ্ধা । যে আমি কি না পিসি অন অফ করতে জানতাম না, সেখানে আজ আমি ভিপিএন ইন্সটল এবং ব্যবহার করার এক গর্বিত নাগরিক ।
তাঁর জন্মদিনটি আরো হাজার বার ঘুরে আসুক সেই কামনা করি ।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:০৫

মা.হাসান বলেছেন: ৯
দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টালে জীবন বদলে যায়। আপনি অনুপম উদাহরণ। অনেক শুভকামনা।
০-০।

১৫| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ¡!!!!!!!!!!

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:০৫

মা.হাসান বলেছেন: ???

১৬| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

অন্যদের মন্তব্য গুলো পড়লাম।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:০৬

মা.হাসান বলেছেন: ৯
তারপর?

১৭| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


মোস্তফা জাব্বার সামুর বিপক্ষে গিয়ে, পুরো ব্লগিং'এর বিপক্ষে অবস্হান নিয়েছে, উনাকে ভৎসনা করা দরকার। উনি মুক্তিযোদ্ধা; কোন মুক্তিযোদ্ধা ব্লগিং'এর বিপক্ষে যাবার কথা নয়, উনি গেছেন; খুবই খারাপ

কিন্তু আপনি আবার মুক্তিযু্দ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিরোধী; ফলে, কার থেকে কে বেশী খারাপ দেখার বিষয়! আপনি কি উনাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে টার্গেট করে ২ পাখী শিকার করছেন?

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:৩৯

মা.হাসান বলেছেন: ৯
উনি বাকসর্বস্ব মুক্তিযোদ্ধা না (হাইকোর্ট ভুয়া শব্দ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করেছে বলে বাকসর্বস্ব ব্যবহার করলাম), দেরাদুনের ট্রেনিং নেওয়া বিএলএফ এর সদস্য। এই বাহিনীর সদস্যরা বঙ্গবন্ধুর নিজের হাতে বাছাই করা ছিল।

আমি পাখি শিকার করি না, তবে ডোডো পাখি পেলে এর মায়া ভরা চোখের দিকে তাকিয়ে থেকে কাতুকুতু দিতে আমার খুব ভালো লাগে। আজকাল ডোডো পাখি আছে খুব কম, মাত্র দু একটা দেখা যায়।

১৮| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:


মোস্তফা জাব্বার ব্লগিং'এর বিপক্ষে অবস্হান নিয়েছে, এটা ভয়ানক।

আপনারাও মৌলিকভাবে ব্লগিং'এর বিপক্ষে; কিন্তু আপনারা ব্লগিং করেন নিজেদের প্রচারণা চালিয়ে যেতে, এটা আরো ভয়ানক।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:৪৩

মা.হাসান বলেছেন: আপনার মন্তব্য স্ববিরোধিতা পূর্ন। বিবর্তনের যে পর্যায়ে মস্তিষ্ক লজিক নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে শিখেছে সেই পর্যায় সবাই পার হতে পারেনি। তা বলে লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই, চেষ্টা করতে থাকুন।

১৯| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:২৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: মা.হাসান,




নিঃসন্দেহে মোস্তফা জব্বার সাহেব একজন গুনী লোক। অনেক কৃতিত্বের অধিকারীও।
তবে বাংলা ব্লগের বিপক্ষে তার অবস্থান মেনে নেয়া যায়না। তিনি যদি বাংলাভাষার প্রচার ও প্রসারে সত্যিকার অর্থেই আন্তরিক হন তবে তার সুযোগ রয়েছে বিষয়টি নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবার।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:৪৯

মা.হাসান বলেছেন: ৯
আহমেদ জী এস ভাই, ঈদ কেমন কাটলো? অনেক অনেক শুভেচ্ছা। ১০,১৪,এবং ২১ নম্বর মন্তব্যের পর পোষ্টের ব্যাপারে আমি আর কথা বাড়াবো না। :-B

২০| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:৩০

সুপারডুপার বলেছেন: মোস্তাফা জব্বার একটা প্রতারক। মুনিরুল আবেদিন পাপ্পানা বুয়েটে পড়াকালীন (Level 3 Term 1) -এ বিজয় তৈরী করলো , নাম হলো মোস্তাফা জব্বারের। মোস্তাফা জব্বার, পাপ্পানার পাওনা টাকা ও শোধ করে নি।
প্রমান দেখুন লিংক

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:৫৪

মা.হাসান বলেছেন: ৯
আামি দুঃখিত যে আমার এই পোস্ট আপনার ভালো লাগেনি। এই পোস্টটি পড়ার অনুরোধ রইলো - https://www.somewhereinblog.net/blog/mhsn/30272699

২১| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:১৮

সোহানী বলেছেন: মাহা, এইবার সামুরে কেউই ব্লকাইতে পারবো না কইলাম। জয় জয় মন্ত্রী মহোদয়ের জয়।

খায়রুল ভাইয়ের মন্তব্যে সুপার লাইক...... হাঁ উনার পদযুগল ও হস্তযুগলের কথা বিবেচনায় আনিয়া উনাকে নোবেলের মতো মামুল পুরস্কারের প্রতি আন্তরিক সমর্থন রইলো..।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:৫৬

মা.হাসান বলেছেন: ৯-০-০
আপু ঈদের অনেক শুভেচ্ছা। :)

২২| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৬:১৩

আনমোনা বলেছেন: 1 yes
2 no no no

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:৫৭

মা.হাসান বলেছেন: ৯-০- এমা, সে কি! কেন?!

২৩| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৯:৫৩

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: ৮
এই মহান ব্যক্তিত্বের লক্ষাধিক গুনের মধ্য থেকে মাত্র ৮৫টি গুনের বর্ণনা করার জন্য

এই মহান ব্যক্তিটিকে খায়রুল আহসান ভাই ঐশীলাভকারী হিসাবে চিনে ফেলার জন্য

এই মহান ব্যক্তিত্বের কারণে বাংলাদেশ নামক পশ্চাদপদ একটি দেশ আজ ডিজিটালি শীর্ষস্থানীয় দেশে পরিণত হওয়ার কারণে

এই মহান ব্যক্তিটিকে সামুর অধিকাংশ ব্লগার যথাযথ মূল্যায়ন না করার কারণে আমি চরম সংক্ষুব্ধ হয়ে | সামুর কোনো ব্লগারই এই মহান ব্যক্তিটিকে ৮ প্রদান করেন নি যা আমাকে চরম ব্যথিত করেছে

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:০২

মা.হাসান বলেছেন: স্বামীজি, চরম দুঃখিত আট নম্বর বাদ পড়ে গেছে। আপনি বলে দিন আমি অ্যাড করে দেব। B-)) তবে আপনার বক্তব্যের সঙ্গে ০-০-০

২৪| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:৩৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আচ্ছা, অন্যান্য দেশের মন্ত্রীরা যে পরামর্শ আর উপদেশের জন্য আমাদের মন্ত্রীদের এপয়েন্টমেন্ট চায় এ ব্যাপারে উনার ভূমিকা নিয়ে আলাপ করলেন না! এ হেন, দামী লোকের জন্মদিন আমার মতে প্রত্যেক মাসের ওই দিনে করা উচিত। যথাযোগ্য সন্মান জানানোর এটা একটা ভালো উপায় বলে আমি মনে করি। :P

জানেন তো, যে দেশে গুনি ব্যক্তিদের যথাযোগ্য সন্মান দেয়া হয় না, সে দেশে গুনি ব্যক্তিরা জন্মগ্রহন করেন না। =p~

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৪৬

মা.হাসান বলেছেন: মফিজ ভাই আমি বড়ই শর্মিন্দা যে অনেকগুলো জিনিস আসলে বাদ পড়ে গেছে। ১৬ তারিখে আপডেট করে ঠিক করে নেব। প্রতি মাসের ১২ তারিখে আসলেই গুণী জন্মোৎসব পালন করা উচিত।


২৫| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১১:৩৫

করুণাধারা বলেছেন: এমন তথ্যপূর্ণ পোস্ট স্টিকি করা হোক। সেক্ষেত্রে শিরোনামটি বদলে "শুভ জন্মদিন হে প্রিয়/ মান্যবর কম্পিউটার মানব" করে দেবেন দয়া করে।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৫৬

মা.হাসান বলেছেন: তৈলাক্ত বাঁশ বেয়ে বানরের উপরে ওঠার অংকের কথা মনে আছে? সামু এখন ভারতীয় ভেজাল শরিষার তেলে সয়লাব । ভেজাল তেলের কারণে কারো শিরোঃপীড়া, কারো পেটে পীড়া কারো বা চক্ষুপীড়া। মরার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে সামুর স্টিকি বোর্ড তেলের কারণে পিছলা হয়ে গেছে। শায়মা আপার ডেঙ্গু বিষয়ক পোস্টটা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকতে পারতো, কিন্তু পিছলে পড়ে গেছে। সামুর আঠা সরবরাহকারীরা ব্লগে কয়েক দিন ধরে কম উপস্থিত। আপাতত আঠার অভাবে কোনো পোস্ট স্টিকি করা দুরূহ হয়ে পড়েছে। সামনের বছর নিশ্চয়ই করা যাবে। । শিরোনাম বদলে দিলাম আপাতত।

২৬| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৭

এমজেডএফ বলেছেন: ১ :(( , ২ :P , ৩ !:#P , ৪ :| , ৫ |-) , ৬ /:) এবং ৭ :D

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:০০

মা.হাসান বলেছেন: ১- কেন!
২-০
৩-০
৪-?
৫-ওহ
৬-আহা
৭-৯

২৭| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: কবি ম্যাকবেল পাটোয়ারী বলেছেন,'৫'। আখেনাটেনের অভিব্যক্তি-- /:)

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৭

মা.হাসান বলেছেন: আইল অফ ওয়াইট লেখাটায় আপনার এক কমেন্ট এর মাধ্যমে কবি ম্যাকবেল পাটোয়ারীর সাথে পরিচয় হয়। ওনাকে ০ এবং আপনার জন্য সহমর্মিতা।

২৮| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫০

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " আপনার মন্তব্য স্ববিরোধিতা পূর্ন। বিবর্তনের যে পর্যায়ে মস্তিষ্ক লজিক নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে শিখেছে সেই পর্যায় সবাই পার হতে পারেনি। তা বলে লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই, চেষ্টা করতে থাকুন। "

-সব বিবর্তনই সময় সাপেক্ষ; আপনাদের বেলায় সময়টাকে এগিয়ে নিয়ে এসেছে শেখ হাসিনা; আপনাদের পালের কারো কারো বেলায় বিবর্তনটা দ্রুত ঘটেছে শেখ হাসিনার বদৌলতে।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৭

মা.হাসান বলেছেন: ৯

আফসোস - ওনার পিতা, বঙ্গবন্ধু, আপনার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছেন।

আপনার হয়তো একদিন দিন আসবে।
এক বার না পারিলে দেখ শত বার।

২৯| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:১৫

আরোগ্য বলেছেন: মা হাসান ভাই ঈদের শুভেচ্ছা জানবেন। ঐ ফটকার নাম দেইখা আর পোস্টে লাইক দিতে পারলাম না। ১ নং কথাটার উল্টাটাই মন থেইকা বের হয়। কি করুম কন।

একটা গোপন আবদার ব্লগার রিভিউ ২ নামের হাস্যকর পোস্ট নিয়া একখান ফাটাফাটি গল্প আশা করতাসি আপনার কাছে।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৩৯

মা.হাসান বলেছেন: আরোগ্য ভাই, ঈদের শুভেচ্ছা। অনেক দুঃখিত বিলম্বে জবাবের জন্য।

আপনার মন্তব্য এবং মফিজ ভাইয়ের পোস্টের পর ঐ লেখা পড়েছি। শিবরামের একটা গল্প আছে, আমার সম্পাদক শিকার - এর কথা মনে পড়ে গেল। বিনা পয়সার ব্লগে এই বিনোদন একটু বেশিই হয়ে গেল, সামু এই বিনোদনের জন্য আমাদের কাছে পয়সা চাইতেই পারতো।
আমি পারিবারিক ব্যস্ততার কারণে ২০ তারিখ থেকে সামনের মাসের ৮ তারিখ পর্যন্ত লো নেটোয়ার্ক এলাকায়/ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবো। আপনার আইডিয়াটা চমৎকার, এর মধ্যে ব্যান না খাইলে সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এই আইডিয়ার উপর কিছু লেখার চেষ্টা করবো, মাফ চেয়ে নিচ্ছি, এর আগে আসলেই লেখা সম্ভব হবে না, এর আগে ভ্রমন সংক্রান্ত একটা লেখা দেয়ার ইচ্ছা আছে।
আশা করি নানু এখন সুস্থ, আপনার ঈদ ভাল কেটেছে। অনেক শুভ কামনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.