নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলছে চলবে

হাসান কালবৈশাখী

আমি দুর্বার, আমি ভেঙ্গে করি সব চুরমার। আমি কালবৈশাখীর ঝড়! আমার ফেসবুকইডি www.facebook.com/norwstorm

হাসান কালবৈশাখী › বিস্তারিত পোস্টঃ

রসুলুল্লার অবমাননা কে করলো?

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:০৯

এখন রসুলুল্লাহের(স) অবমাননা কে করলো?
যারা ফটোকপি করে মসজদে মসজিদে টিটুর স্ট্যাটাসের নামে নবীর কুৎসা বিলি করলো এরা? না টিটু রায়?
টিটু একজন নিরিহ নিরক্ষর, দরিদ্র হিন্দু লোকটি ফুটপাতে কবিরাজি করে, থাকে এলাকার বাইরে, শত শত মাইল দূরে নারায়নগঞ্জে।
তার কোন স্মার্টফোন নেই, ফেবুতো দুরের কথা।

মুলঘটনা হচ্ছে পোষ্টটি ছিল এক মাওলানা আসাদুল্লাহ হামিদির টাইমলাইনে। পোষ্টটি অনেকদিন তার ওয়ালে ছিল, হয়তো এখনো আছে।
উনি অথবা তার চ্যালারা বা অন্যকেউ রংপুরে মোঃ টিটু নামে একব্যক্তির আইডি খুলে,
পরে নামটি এডিট করে টিটু রায়, প্রোপিক টিটুর। রসুল (স) অবমাননা কারি সেই স্যাটাসটি হুবুহু পোষ্ট করে।
এর পর পরিকল্পিত ভাবে সেই পোষ্টটি ফটোকপি করে ৫দিন জাবত মসজিদে মসজিদে প্রচারনা চালায়। মসজিদের মাইকও ব্যাবহার হয়।

এখন রসুলুল্লাহের(স) অবমাননা কে করলো?
যারা ফটোকপি করে মসজদে মসজিদে নবীর কুৎসা বিলি করলো এরা, না টিটু রায়?
মেনে নিলাম এই স্ট্যাটাস টিটুই দিয়েছে, কিন্তু রসুলুল্লার নামে এই অকথ্য নোংড়া জিনিষ মসজিদের মত পবিত্র স্থানে নামাজিদের ভেতর বিতরন করলে, মসজিদের মাইকে সেইসব নোংড়ামি পঠিত হলে ইসলামের সম্মান বাড়ে না কমে?
এর আগে ব্রাহ্মনবাড়ীয়ায়ও রসরাজের নামে এক নিরক্ষর জেলের আইডি খুলে সেই একই রকম তান্ডোব চালিয়েছিল এইসব মিথ্যুক মোল্লারা।

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:১৩

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: বিলি করা বা জনে জনে জানানোটা খারাপ হয়েছে। তবে শুরুর দিকেই যদি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতো তাহলে হয়তো এসব এড়ানো যেত। আর মুসলিমদেরও ভাবতে হবে একজনের স্ট্যাটাসের কারণে তার ঘর পোড়ালে সওয়াব পাওয়া যাবে কিনা বরং তাকে ধরে পুলিশের হাতে দিয়ে দেয়া যেত। সে ওখানে নেই এই কথাটা এলাকাবাসীর জানার কথা। তবুও কেন আগুন লাগালো নাকি তৃতীয় পক্ষ হিন্দু বিতাড়নের সুযোগ নিয়েছে - এসব নিয়ে অনুসন্ধানের দাবী রাখে।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৭:৪৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বিলি করা বা জনে জনে জানানোটা সুধু খারাপ না পাপের কাজ হয়েছে।
এই পাপিষ্ঠ রসুল অবমাননাকারি মিথ্যুক মোল্লাদের সাস্তি কেউ দাবি করছে?
কেউ কি এখনো রিয়েলাইজ করে রসুলকে গালাগালি করা কন্টেন্ট ফটোকপি করে হাতে হাতে ছড়িয়ে দিলে রসুলের আরোবেশী অবমাননা হয়?

পুলিশ টিটুরায়কে গ্রেফতার করবে কিভাবে? সে তো দীর্ঘদিন এলাকার বাইরে থাকে।
আর পোষ্টটিতো মাওলানা আসাদুল্লাহ হামিদি ও তার চ্যালারা করেছিল, তার ফাসি কেউ দাবি করছে?

২| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:


পরিকল্পিত

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৩৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:

সুধু পরিকল্পিত না সুপরিকল্পিত।

মাওলানা আসাদুল্লাহ হামিদি ও তার চ্যালারা।
পরিকল্পিত ভাবে নিরিহ নিরক্ষরের নামে মিথ্যা স্ট্যাটাস বানিয়ে মোল্লা, মুসুল্লি, ইমাম, মোয়াজ্জেন এই মিথ্যার পাহাড়ে বসে বাড়িঘড়ে আগুন দিয়ে ফ্যাসাদ করে অশেষ সাওয়াব হাসিল ..।
সোসাল মিডিয়ায় এই মিথ্যুকদের সমর্থকরাও বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নয়।
বরং নিরপরাধ টিটুকে ধরা হচ্ছে না কেন দাবি জানিয়ে যাচ্ছে।

৩| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৬:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:


সাংগঠনিক শক্তি পরীক্ষা করা হচ্ছে, মনে হয়

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: সাংগঠনিক শক্তি? .. হুজুরদের না আম্লিগের?

৪| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:১৪

গড়ল বলেছেন: দেশে একটা অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা চলছে, সরকারের ক্ষতি করতে যেয়ে দেশের বড় কোন ক্ষতি হয়ে না যায় আবার।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
সরকারের ক্ষতি?
আরে ভাই সরকারি দলের স্থানিয় পান্ডাদের মদত না থাকলে এলাকায় এতবড় তান্ডোব করা সম্ভব?

৫| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:০৪

নিরাপদ দেশ চাই বলেছেন: তাকে কি ধরা হয়েছে? তাদের ধরে বিচারের আওতায় আনা হচ্ছে না কেন?

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:১৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
তাকে ধরার কি দরকার।
সে তো একজন নিরিহ নিরক্ষর, ফুটপাতে কবিরাজি করে, এলাকার বাইরে।
তার কোন স্মার্টফোন নেই, ফেবুতো দুরের কথা।

মাওলানা আসাদুল্লাহ হামিদি ও তার চ্যালারা বা কেউ একজন পরিকল্পিত ভাবে এই হিন্দু লোকটির নামে নামে ভুয়া ফেবু একাউন্ট খুলে।
পরিকল্পিত ভাবে নিরিহ নিরক্ষরের নামে মিথ্যা স্ট্যাটাস বানিয়ে মোল্লা, মুসুল্লি, ইমাম, মোয়াজ্জেন এই মিথ্যা স্ট্যাটাস ফটোকপি করে মসিজিদে মসজিদে বিতরন করে লোক জড়করে শুক্রবার হিন্দু পাড়ায় মহাতান্ডোব চালায়,
দুটি মুল্যবান প্রান ও একটি হিন্দু পাড়া পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

৬| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:০১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আইডি মোঃ টিটু নামে, প্রোপিক ছিল টিটু রায়ের। পুরাই পরিকল্পিত।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আপনি ঠিকই বলেছেন লিটন ভাই।
ফেবু তে যে কেউ যে কোন নামে একাউন্ট তৈরি করতে পারে, নামও চেইঞ্জ করা যায় যখন তখন। যেকোন ছবি প্রোপিক হিসেবে দেয়া তো কোন ব্যাপার না।

মোল্লারা নিরিহ নিরক্ষর লোকটির নামে মিথ্যা স্ট্যাটাস বানিয়ে এরপর এই মিথ্যা স্ট্যাটাস ফটোকপি করে মসিজিদে মসজিদে বিতরন করে লোক জড়করে শুক্রবার নামাজের পর হিন্দু পাড়ায় তান্ডোব চালায়,
দুটি মুল্যবান প্রান ও একটি হিন্দু পাড়া পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
একটা নিরিহ লোকের নামে মিথ্যা অপবাদ দেয়া!
স্থানীয় মাওলানাদের ধর্ম, নৈতিকতা কোথায়?

৭| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:০২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ফেসবুকের ব্যবহারে অনেক বেশি সচেতন হওয়া ছাড়া উপায় নেই।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
এখানে ফেবু সমস্যা না, এই ভুয়া স্ট্যাটাসটি ফেসবুকে খুব একটা ছড়াতে পারেনি।
নতুন ভুয়া একটি একাউন্ট, মোল্লা মুসুল্লিরা এই আইডিতে তখনো এড হয় নি,
কুচক্রিরা বার বার শেয়ার দেয়ার পরও যেহাদি চেতনা জাগ্রত করতে না পেরে পরে স্ট্যাটাসটি ফটোকপি করে মসজিদে মসজিদে বিতরন করে মসজিদের মাইকে শুক্রবার সবাইকে জড় হতে বলে।

৮| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৩৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী ,




এটা যদি মোল্লারা বুঝতেন তবে বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের এমন লেজে গোবরে অবস্থায় পড়তে হতোনা !

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
হ্যা, সেটাই আহমেদ ভাই।

একটা নিরিহ দরিদ্র লোকের নামে জেনেশুনে মিথ্যা অপবাদ দেয়া!
স্থানীয় মাওলানাদের ধর্ম, নৈতিকতা কোথায়?
মিথ্যার মাধ্যমে দাংগাহাংগামা করলে ইসলামের মহিমা বাড়বে না কমবে?

৯| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:০৯

ফাহমিদা বারী বলেছেন: অন্তরের অন্তঃস্তল থেকে তুমুল নিন্দা জানাই যারা প্রিয় নবীজি কে হেয় করার দুঃসাহস দেখিয়েছেন। X((

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১০| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৬:৫২

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: সমস্যাটা হচ্ছে নৈতিক মূল্যবোধের অভাবের | এই সকল সো কল্ড ধর্মীয় নেতাদের অন্তর জুড়ে থাকে লোভ-লালসা এবং ধান্দাবাজি | তাই ধর্মের বিশালতা এদের অন্তরে কোনো স্থান দখল করতে পারে না | নিজের স্বার্থের জন্যমহানবী (সা:) এর অবমাননা করতেও এদের অন্তর একটুকুও কম্পিত হয় না | এরাই কারো সহায় সম্পত্তি দখল করার জন্য দাঙ্গা-ফ্যাসাদ বাধায়, কারো প্রতি প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে | খুব গভীরভাবে চিন্তা করলে বোঝা যায় যে এই সকল কীটগুলোর আসলে কোনো ধর্মই নেই | ধর্মটা সে ব্যবহার করে শুধুমাত্র ইহকালের স্বার্থসিদ্ধির জন্য |

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
সোকল্ড কিছু ধর্মীয় নেতাদের অন্তর জুড়ে থাকে লোভ-লালসা এবং ধান্দাবাজি। শুধু ইহকালের স্বার্থসিদ্ধির জন্য ।
হ্যা, সেটাই।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১১| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৭:০৭

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: এমনও হতে পারে মাওলানা আসাদুল্লা আর তার চ্যালারা কারো প্ররোচনায় এই কান্ডটি ঘটিয়েছে | রাসূলুল্লাহ (সা) নামে নোংরা শব্দ উচ্চারণ করে প্রচারণা চালানোর মতো ধৃষ্টতা একজন প্রকৃত ঈমানদার মুসলিম ব্যক্তির কখনো হতে পারে না |

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মাওলানা আসাদুল্লাহ আর তার চ্যালারা এই কান্ডটি ঘটালেও পেছনে মৌলবাদিদের ব্যাকিং ছিল।
আরো ছিল লোকাল সরকারি দলের মৌন সমর্থন, পুলিশ ও প্রশাসনের অবহেলা
সরকারি দলের স্থানিয় পান্ডাদের মৌন সমর্থন না থাকলে এলাকায় এতবড় তান্ডোব করা সম্ভব হত না।
ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.