নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

উন্নয়ন ও মানবাধিকার কর্মী। শিশুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের অধিকার এবং নারীর অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতার জন্য কাজ করি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাজনীতি ইত্যাদি বিষয়ে কৌতূহলী।

মাঈনউদ্দিন মইনুল

মুখোশই সত্য!

মাঈনউদ্দিন মইনুল › বিস্তারিত পোস্টঃ

কলকাতা ভ্রমণের সারসংক্ষেপ

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:১১

ভিনদেশে ভ্রমণকে স্বস্তিদায়ক করে তোলার জন্য আগেই কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছিলাম। যথা: স্থানীয় খাবার খাবো, বিপদে না পড়লে ট্যাক্সি নেবো না, হোটেলের সাথে স্থায়ি চু্ক্তি করবো না, যেখানে রাত সেখানেই কাত হবো! অর্থাৎ যে এলাকায় আমার ভ্রমণ শেষ হবে, সেখানেই হোটেল খুঁজে রাত কাটাবো। অবশ্য কলকাতা না হলে ওরকম চিন্তা করা যেতো না। এয়ারপোর্ট থেকে বের হবার পথে ডলারকে রুপিতে রূপান্তর করে বের হলাম। কোন গাইড নেই, যাকে যখন পাই, তার কাছ থেকেই পরামর্শ নেবো। বের হবার পথে একজনকে পেয়ে শান্তি নিকেতনে যাবার কথা জিজ্ঞেস করতেই উত্তর এলো এভাবে: আপনি সান্তিনিকেতন যাবেন? তাহলে তো আপনাকে হাওড়া গিয়ে ট্রেনে ভোলপুরে যেতে হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য দ্বিতীয়বার যাকে সামনে পেলাম, তিনি উত্তরে বললেন: বাংলা মালুম নেহি। ইংরেজিতেও যা চাইলাম, তিনি হিন্দিতে সে বিষয়ে অপারগতা জানালেন। এবার ভাবলাম, সত্যিই তবে ভারতে আসা হলো। মাত্র এক ঘণ্টায় কলকাতায় নেমে আমার মনেই হয় নি যে, আমি কোন ভিন দেশে এসেছি।





হাঁটতে থাকলাম সামনের দিকে। ডান দিক দিয়ে বিভিন্ন শাখা-প্রশাখায় বের হয়ে যাচ্ছে কলকাতার ফ্লাইওভারগুলো। আধুনিক শহরের চিহ্ন চারপাশে। একটি সাইনবোর্ডে মমতা বন্দোপাধ্যায় আমাকে ‘পশ্পিমবঙ্গে স্বাগত’ জানালেন, জোড় হাতে। ভেতর থেকে কোন তাড়া না থাকলেও অনিশ্চিতভাবে দাঁড়িয়ে থাকলাম বাস স্টপে। পাশে যারা দাঁড়িয়ে আছেন, বেশভূষণে সকলকেই স্থানীয় মনে হচ্ছে। একটি মাত্র ব্যাকপ্যাকে আমাকেও খুব বেশি ‘বিদেশী’ দেখাচ্ছে বলে মনে হয় নি।





প্রায় মিনিট বিশেক পর একটি এসি বাস এসে থামলো। ওঠে জিজ্ঞেস করলাম কুটিঘাট যাবে কি না। বাস কন্ডাক্টর নিকটস্থ একটি বাস স্টপের নাম জানতে চাইলেও আমি কোন উত্তর দিতে পারলাম না। গরজও করলাম না। ভেতরে প্রবেশ করলাম - যেখানে বাস যাবে সেখানেই আমি যাবো! পাশের সহযাত্রীকে এবার জিজ্ঞেস করলাম, ‘বেলুর মঠ যাবার জন্য কুটিঘাটে’ যাওয়া যায় কীভাবে। মধ্যবয়স্ক ভদ্রলোক স্মিত হেসে বললেন, এই বাসে তো আপনার ‘কোই ফায়দা’ নেই বাবু! তার বক্তব্য হলো, আমি নাকি সম্পূর্ণ উল্টোপথে চাচ্ছি। সাহায্যের জন্য তিনি বললেন, এবার আপনি ‘উল্টাডাঙ্গা’ নেমে ডান দিকের বাস ধরতে পারেন। উল্টোপথে এসেছি বলেই কি এখন আমাকে উল্টাডাঙ্গা নামতে হবে? B-)





যা হোক, বাস এগিয়ে চলেছে। দুদোল্য মনে এবার জিজ্ঞেস করলাম, তাহলে সাইয়েন্স সিটিতে যাওয়া যায় কীভাবে। আমার পাশের সহযাত্রীটি এবার খুশি হলেন: এ বাসেই সাইয়েন্স সিটিতে যেতে পারবেন - এটি ঠিক সেখানেই থামিয়ে যাবে। স্বস্তি পেলাম, যাক একটি জায়গায় তো যাওয়া যাবে! অতএব গন্তব্য সাইয়েন্স সিটি। সচক্ষে যা দেখলাম, সাইয়েন্স সিটি হলো কলকাতার নির্মিয়মান একটি বিনোদন কেন্দ্র। স্পেইস থিয়েটারটি বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটারের চেয়ে বেশি কিছু নয়। রয়েছে টাইম মেশিন সিমিউলেটর যাতে আছে অতীত পৃথিবীর কিছু বাস্তব নির্দশন। আছে ত্রিমাত্রিক থিয়েটার এবং ইভোলিউশন পার্ক। প্রবেশপত্র মাত্র বিশ টাকা হলেও ভেতরে গিয়ে প্রতিটি প্রদর্শনীর জন্য আলাদা টিকেট কাটতে হয়। বেশি আকর্ষণ টাইম মেশিনে, কিন্তু সিট মাত্র তিরিশটি।





ব্যাকপ্যাক বুকে জড়িয়ে ধরে মুগ্ধ নয়নে কলকাতা দেখছি। ভক্সওয়াগন টাইপের হলুদ ট্যাক্সিতে পরিপূর্ণ। বড় বড় বিলবোর্ড। তাতে বেশির ভাগই ইন্সুরেন্স, ব্যাংক আর আবাসন বিষয়ক বিজ্ঞাপন। ঢাকার রাস্তা ঘাটের মতো রাজনীতিকদের ছবিতে কলকাতার দেয়াল পূর্ণ নয়। তবে মমতাহীন* মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নাম ও ছবি দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন ব্যানারে। পক্ষী প্রদর্শনী থেকে শুরু করে, নাট্য প্রতিযোগিতা কিংবা বিবেকানন্দের চেতনাসভা, সর্বত্রই মমতা। সিনেমার পোস্টারে প্রসেনজিতের ছবিই বেশি: জাতিস্মর, হনুমান ইত্যাদি। নতুন ছবি আসছে - চাঁদের পাহাড়। বাসে যাত্রীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে - এবার দাঁড়ানোর জায়গাটুকুও পূর্ণ হচ্ছে মেয়ে-পুরুষ যাত্রীদের দ্বারা। গণপরিবহনে নারী যাত্রীদের চিরাচরিত অস্বস্তি বা দ্বিধা দেখা যায় নি কলকাতার দিদি-মাসিদের মধ্যে। বাসের এক জায়গায় ইংরেজিতে লেখা আছে, একদম যতটুকু ভাড়া ততটুকুই দিতে হবে, বড় নোট দেওয়া যাবে না। আমি প্রমাদ গুণতে লাগলাম।





এসি বাস বিভিন্ন স্টপিজ পেরিয়ে এগিয়ে চলেছে। ওদিকে এগিয়ে আসছে বাস কন্ডাক্টর! গন্তব্য জিজ্ঞেস করলে নিয়মিত যাত্রীদের মতোই আত্মবিশ্বাসের সাথে জানিয়ে দিলাম যে, এয়ারপোর্ট থেকে সাইয়েন্স সিটি থামবো। ধরিয়ে দিলাম পঞ্চাশ টাকার নোট। পাঁচ টাকা চেইন্জ আছে কিনা জানতে চাইলো, যা সঙ্গত কারণেই আমার কাছে নেই। হয়তো ভাড়া হবে পঁয়তাল্লিশ টাকা। এরকম পরিস্থিতি খুব সম্ভব তারা সমমানের একটি কুপন দেয় যা পরবর্তিতে একই বাসে যাতায়াতে ব্যয় করা যায়। কিন্তু আমার পাশের সহযাত্রীটি হিন্দিতে জানিয়ে দিলেন যে, আমি স্থানীয় নই এবং আমাকে টাকা দিয়েই নিষ্পত্তি করতে হবে। অবশেষে চল্লিশ টাকার টিকিটসহ দশ টাকা ফেরত পেলাম।





আরও চার-পাঁচটি স্টেশন অতিক্রম করার পর সাইয়েন্স সিটিতে নামার ডাক পেলাম। নেমে তো সাইয়েন্স সিটির কোন চিহ্নই পেলাম না। চারপাশের শহর দেখতে লাগলাম। প্রাচীন শহরের কোন নির্দশন এখানে পেলাম না। একটি পারিবারিক দল এসে আমাকে আচমকা জিজ্ঞেস করলো সাইয়েন্স সিটি কোনদিকে। এরকম আস্থাশীল জিজ্ঞাসায় ভেতর থেকে আনন্দিত হলেও তাদেরকে কোন সদুত্তর দিতে পারলাম না। তবে এরপর থেকে তাদের পিছু নিলাম। তারা রাস্তা পার হলেন, আমিও হলাম। ডান দিকে বাঁকানো একটি পায়ে-হাঁটা রাস্তায় আরেকটি বড় সড়কের বাঁ পাশে পেলাম সাইয়েন্স সিটির প্রবেশ পথ। সামনে ঢাকার শিশু পার্কে প্রবেশপথের মতো অস্থায়ি খাবারের বেশ কিছু দোকান। তবে কোথাও চটপটির দোকান নেই! নিচে বাস স্টপিজ, ওপরে ফ্লাইওভার।





বিজ্ঞানের কৃতীত্ব দেখার জন্য সাইয়েন্স সিটিতে আসি নি। মনে হয়, ভারতীয়রাও স্রেফ বিনোদনের জন্যই আসেন। সকল বয়সের দর্শনার্থীর ভিড় দেখে তাই মনে হলো। ভবনগুলোর মাঝখানে পার্ক এবং বসার জায়গায় বসে আছেন বিভিন্ন বয়সের দর্শনার্থীরা। লাইন ধরে প্রবেশ টিকিট নিলাম। ভেতরেও প্রতিটি প্রদর্শনীর জন্য দীর্ঘ লাইন পেলাম। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও টাইম মেশিনের পরবর্তি প্রদর্শনীর টিকিট পেলাম না। প্রথম দিনের ভ্রমণের ক্লান্তি, পেছনের ব্যাগ এবং দাঁড়ানোর ঝক্কি নেবার পর ‘না পাওয়ার’ বিষয়টি আরও ক্লান্ত করে দিলো। লাইন ছেড়ে বের হয়ে গেলাম - কিছুই দেখবো না! সিঙ্গাড়ার জোড়া পনের ও বিশ। সাথে কাগুজে থালায় পাতলা রকমের একটু সস। দোকানী পরিস্কারভাবে বাংলা বলতে পারে না - হিন্দি মিশ্রিত। সিঙ্গাড়াতেও মিশিয়েছে অজানা কোন মসলা। তবু শাহবাগের সিঙ্গাড়ার মতো মজা পেলাম না। ক্ষুধা মেটালাম। সামনের পার্কে বসে বিশ্রাম নিলাম ও চারপাশের কিছু দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করলাম। কিছুই না দেখে বের হলে সেটা পরে আফসোসের কারণ হবে। তাই স্পেইস থিয়েটারের টিকিটের জন্য ফের লাইনে দাঁড়ালাম। একটি এডভেন্চার মুভি। দেখলাম করোরেডো নদীতে পানির প্রবাহ। মোরাল হলো: মিঠা পানি ব্যবহারে আমাদেরকেও আরও মিতব্যয়ী হতে হবে।







কলকাতা ভ্রমণের সারসংক্ষেপ



কলকাতা ভ্রমণের প্রথম উদেশ্য ছিলো প্রাচীন এবং অবিভক্ত বাংলার প্রধান শহর ক্যালকাটাকে দেখা। সেটি পরবর্তি দিনগুলোতে দেখেছি। ব্রিটিশ আমলের লাল ও দীর্ঘ দালানগুলোতে পরিপূর্ণ কলকাতা শহর। চামড়ার ব্যাগে এখনও পানি বহন করে মানুষগুলো। রাস্তায় এখনও পানির কল আছে। ১৯৩২ সালে প্রতিষ্ঠিত নিজামস রেস্তোরাঁয় খেয়েছি। থেকেছি ধর্মতলার একটি হোটেলে, সেটিও একটি প্রাচীন ভবন। নিকটবর্তী এলাকা তালতলায় মাদার তেরিজা হোম এবং ভিক্টোরিয়া স্মৃতি প্রাসাদ। দু’টি জায়গাই ঐতিহাসিক এবং অতীত-বিলাসী হিসেবে আমার জন্য যথেষ্ট আনন্দদায়ক ছিলো। গিয়েছিলাম হাওড়া জেলায় অবস্থিত বেলুর মঠেও। উদ্দেশ্য হুগলি নদী দেখা। সেই ছুঁতোয় দেখা হলো বৃহৎ মন্দির দক্ষিণেশ্বরও। চোখে পড়েছে হাজী মুহম্মদ মহসিন চত্ত্বর, হাজী মহম্মদ মহসিন সরনি এবং বিদায় নিয়েছি কাজী নজরুল ইসলাম সরনি দিয়ে বিমানবন্দরে এসে। কথোপকথনে বাংলা ভাষার ব্যবহারে যে অবহেলা দেখেছি, তা যদি কলকাতার সত্যিকার চিত্র হয়, তবে সেটি হবে অত্যন্ত ব্যথাদায়ক। আমাদের মতো গর্ব ভরে ওখানে কেউ বাংলা বলতে শুনি নি। বাংলাকে নিজের ভাষা হিসেবে কেউ বলে নি আমার সামনে। উচ্চবিত্তরা ইংরেজি মেশায় আর নিম্নবিত্তরা মেশায় হিন্দি। কেবল ভিক্ষুক আর ঠেলাগাড়িওলাদের মুখে অমিশ্রিত বাংলা শুনার সৌভাগ্য হয়েছে। তবে সেটি খুবই নগণ্য।





*মমতাহীন মমতা বন্দোপাধ্যায় বলার কারণটি বোধ হয় সকলেরই জানা। তিস্তা পানিচুক্তিতে মমতার মারমুখী বিরুদ্ধাচরণ বাংলাদেশীদেরকে হতাশ করেছে। অন্যদিকে আমরা তার স্বদেশপ্রেমে মুগ্ধ হয়েছিলাম। কিন্তু বিষয়টি পুরোপুরি রাজনৈতিক চাল। খবরের ভেতরে গিয়ে অন্য খবর পেলাম। কেন্দ্রীয় সরকার এবং তৎকালীন অর্থমন্ত্রী প্রনব বাবুর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের একটি বিশেষ অনুদান না পাওয়ার কারণে হতাশ মমতা প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃক আয়োজিত ওই পানিচুক্তিতে পানি ঢেলেছেন। আরেকটি কারণ ছিলো, হাসিনা সরকারের বিরোধীতা করে পশ্চিমবঙ্গের উর্দভাষী বিহারি মুসলিমদের সমর্থনকে স্থায়ী করা। মমতা একজন ঝানু রাজনীতিবিদ না হলে শত বছরের কংগ্রেস থেকে বের হয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে জনগণের কাছে এতো ‘আবেদনময়’ করতে পারতেন না।









কিছু ছবি: অনেক ছবি তুলেছি। সব দেওয়া গেলো না :(























[ দু’টি রাস্তার সংযোগ স্থলে ‘ইন্দিরা উদ্যান’ - স্থাপত্যটির শিরোনাম: নারীর ক্ষমতায়ন। নিচে শোয়া জীর্ণ-দেহী পুরুষটি কি শিরোনামটিকে তাচ্ছিল্য করছে না? ]

মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:২৩

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: চা খেয়েছেন ওখানে ??
ছোট্ট কাপে করে !
ভ্রমণ কাহিনী বেশ লাগলো

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: মাটির কাপ। দেখতে খুব আকর্ষণীয় মনে হয় নি আমার কাছে।

ভ্রমণ কাহিনী লেখতে পারি নি ভাই - কেবলই খবর জানালাম। তবু পড়ে মন্তব্য দিয়েছেন, এজন্য অনেক ধন্যবাদ।

অনেক শুভেচ্ছা জানবেন, প্রিয় স্বপ্নবাজ অভি :)

২| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৪:০২

নিরুদ্দেশ বলেছেন: ভালোই লাগল আপনার চোখে আমার শহর।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: আরও দেখতে হতো। সময়টি অনেক কম ছিলো।

ধন্যবাদ আপনাকে, নিরুদ্দেশ :)
এবং আমার ব্লগে স্বাগতম...

৩| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৪:২০

হাসান মাহবুব বলেছেন: ভালো লাগলো পড়তে।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: আপনার ভালো লাগায় আমি খুশি।


কেমন আছেন?
অনেক ধন্যবাদ, হাসান মাহবুব ভাই... :)

৪| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৫:১৫

পথহারা নাবিক বলেছেন: তা দাদা কতো খরচ হলো!!

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: কলকাতা ভ্রমণের বিষয়টি টাকায় হিসেব করি নি। তবে বেশি খরচ হবে না। ভিসায় মাত্র ৪০০ টাকা, বিমান আসা যাওয়ায় ১১/১২ হাজার - বাকিটুকু আপনার হাতে... ;)

ঝুঁকি নিন একবার, যদি না গিয়ে থাকেন... :)
ভালো লাগবে!

ধন্যবাদ, পথহারা নাবিক!

৫| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৯

রাজীব বলেছেন: স্থানীয় খাবার খাবো, বিপদে না পড়লে ট্যাক্সি নেবো না, হোটেলের সাথে স্থায়ি চু্ক্তি করবো না, যেখানে রাত সেখানেই কাত হব।

আপনি আমার ভ্রমনের বেসিক প্রপার্টিজ কপি পেস্ট করেছেন ;) ;)

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: তাই নাকি? কীভাবে এটি হলো!

ভ্রমণের শান্তিকে দুনিয়াবী চিন্তায় নষ্ট করি নি, ভাই!

ধন্যবাদ আপনাকে, সুন্দর মন্তব্যের জন্য, রাজীব :)

৬| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৫

েবনিটগ বলেছেন: ottonto shundor vromon kahini

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: বেনিটগকে অনেক ধন্যবাদ :)

৭| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৮

অলওয়েজ এ্যান্টি গর্ভণমেন্ট বলেছেন: VERY INTERESTING

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা নিন :)

৮| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:২৫

মামুন রশিদ বলেছেন: খুব ভালো লাগলো, আপনার বর্ণনায় মুগ্ধ!


আপনার ক্যালকাটা ভ্রমনের কারনটা আমার কাছে জাস্টিফাইড লেগেছে । অবিভক্ত বাংলার বড় শহর ছাড়া আরও একটি কারণে কোলকাতা ঘুরতে চাই । তারুন্যে যত বই পড়েছি তা বেশিরভাগই ওপারের লেখকদের । ঘুরেফিরে বিভিন্ন বইয়ে কোলকাতা এসেছে । একসময় মনে হত কোলকাতা আমার হাতের তালুয়, উত্তরের ঘটিপাড়া থেকে দক্ষিনে ডায়মন্ডহারবার, হাওরা ব্রীজ-কালীঘাট হয়ে সোনাগাছি..

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:০১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: কলকাতা হাতের তালুতে থাকলেও দেখুন এতোটি বছর পেরিয়ে গেলো, যেতে পারলাম না! ব্যস্ততায় সময় কম নিলেও ভালো লেগেছে সব মিলিয়ে।

আপনার ভালো লাগায় আমিও খুশি হলাম, মামুন রশিদ ভাই!
শুভেচ্ছা জানবেন :)

৯| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৪৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ছবি ভ্রমণ কাহিণী দুটোই ভাল লেগেছে। সুন্দর+

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:০২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ, সেলিম আনোয়ার ভাই :)

শুভেচ্ছা রইলো!

১০| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৪৬

মশিকুর বলেছেন:
আপনার এই পোস্টের প্রতীক্ষায়ই ছিলাম। ছবি ও বর্ণনা ভালো হয়েছে। আরও কিছু ছবি দিতে পারতেন।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:০৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: যথেষ্ট সময় দিতে পারি নি। আগে একটি পোস্টে জানিয়ে রাখার কারণে আরেকটি পোস্ট দেবার জন্য একটু দায়েই পড়েছিলাম। ব্লগারদের প্রতি আমার ব্যক্তিগত দায়। অনেক কথা বলা হয় নি। ছবিও সব দেবার মতো হয় নি। তবে সময় করে আরও লেখার আশা রাখছি।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, জনাব মশিকুর ভাই :)

১১| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:০৯

এম ই জাভেদ বলেছেন: আমি কলকাতা গিয়ে আধখানা ডিমের পুরোটাই সাবাড় করে দিলুম দাদা।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:০৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: হাহাহা!
আপনার দেখা পেয়ে অনেক খুশি হলাম, দাদা! ;)

ভালো থাকবেন...

১২| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:২৬

সুমন কর বলেছেন: অনেক সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন। পড়তে পড়তেই যেন ভ্রমণ করছিলাম। মাঝে মাঝে কিছু হাস্য উপাদান থাকায় আরো ভাল লাগল। শেষের সার-সংক্ষেপটায় দারুণ। ভালো থাকুন।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:০৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: তাই! অনেক ধন্যবাদ ভাই। এখানে হয়তো পাঠকেরও কিছু গুণ আছে। আমি তো অনেক কথাই লেখতে পারি নি লেখা দীর্ঘ হয়ে যাবে ভেবে।

মনযোগ দিয়ে পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

শুভেচ্ছা জানবেন, সুমন কর :)

১৩| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:৩৭

নাসিম আহমেদ সুমন বলেছেন: mughdhotay makhano ekti vromon kahini.
onek valo laglo.

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:০৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: নাসিম আহমেদ সুমনকে অনেক ধন্যবাদ :)

১৪| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১:১৩

সোজা কথা বলেছেন: আপনাকেই কিনা জিজ্ঞেস করল সা.সিটি কোথায় ! হাহাহা।যাহোক, পড়ে অনেক ভালো লাগল।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:০৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: :)

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, সোজা কথা।
ভালো থাকুন এই শীতে :)

১৫| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ৮:৪০

কয়েস সামী বলেছেন: ভ্রমণ করতে ভাল না লাগলেও অন্যদের ভ্রমণ বৃত্তান্ত পড়তে বা শুনতে বেশ লাগে। তাই পড়ে ফেললাম।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:০৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: আমার ক্ষেত্রে বিষয়টি একটু উল্টো। ভ্রমণ করতে ভালো লাগে, কিন্তু লিখতে ভালো লাগে না ;)

ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা জানবেন, জনাব কয়েস সামী ভাই :)

১৬| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:১৩

মোঃ ইসহাক খান বলেছেন: প্রাণবন্ত ভ্রমণ কাহিনী। ছবিগুলোতেও ভালোলাগা রইলো।

নিরাপদ সফর হোক।

শুভেচ্ছা জানবেন।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:০৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: ভ্রমণ নিরাপদই হয়েছে।

কেমন আছেন?
ধন্যবাদ আপনাকে, ইসহাক খান :)

অনেক অনেক শুভেচ্ছা :)

১৭| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:১৬

জাতীয়বার্তা বলেছেন: গেলেন কবে ? থাকলেন কয়দিন?

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:১০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: গত সপ্তাহে গিয়েছিলাম। কাজের চাপে থাকতে পারি নি বেশি দিন। সর্বমোট চারদিন :(

শুভেচ্ছা জানবেন, জাতীয়বার্তা :)

১৮| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৯

িজৎ বলেছেন: আমি ও ঘুরে আসলাম বেশ কিছুদিন আগে কলকাতা, আগ্রা, মথুরা, বিন্দাবন, দিল্লি,
কি ভাবে যাবেন আগ্রা !!! বিস্তারিত এই ভাবে ।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:১১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: দ্বিতীয়বারে দিল্লি যেতে চাই। তখন আপনার তথ্যগুলো ভীষণ কাজে আসবে।

ধন্যবাদ, জিৎ, আপনাকে :)

১৯| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:৪০

ভুেতরগলি বলেছেন: অনেক ভাল লাগলো। খুব সুন্দর করে লিখেছেন। :)

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: ‘খুব সুন্দর’ লেগেছে জেনে আনন্দিত :)

ভূতের গলিকে আন্তরিক ধন্যবাদ!

২০| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:১৮

জাতীয়বার্তা বলেছেন: কিছু মনে না করলে সব মিলিয়ে টোটাল কত খরচ হয়েছে জানাবেন ?? বিমান ভাড়া কত গেল ? আমিও যাবো সামনের মাসে

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: দেখুন পথহারা নাবিককে এবিষয়ে বলেছি :)

যান, ভালো লাগবে। বেশি খরচ হবে না। অনেকটাই আপনার নিয়ন্ত্রণে!

ধন্যবাদ আবারও আসার জন্য!

২১| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:৩৬

আলোর পরী বলেছেন: কয়েকদিন পরই কলকাতা যাচ্ছি , আপনার ভ্রমনকাহিনীটি কাজে দিবে ।

লেখা ভাল হয়েছে , আরও একটু বড় হলে আরও ভাল লাগত । শুধু কি কলকাতাই গিয়েছিলেন ?

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: শুধুই কলকাতা :)
এতটুকুই ছিলো পরিকল্পনা।

সময়ের জন্য সব লিখতে পারি নি।
আপনাদেরও সময়ের কথা ভেবেছি :)

সুন্দর মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে, আলোর পরী :)

২২| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:৩৮

জাতীয়বার্তা বলেছেন: িজৎ বলেছেন: আমি ও ঘুরে আসলাম বেশ কিছুদিন আগে কলকাতা, আগ্রা, মথুরা, বিন্দাবন,.....
"১৫০ ডলার এ দিল্লি, আগ্রা আর কলকাতা ঘুরে আসলাম"
িজৎ ভাই কিন্তু আপনার পোস্ট পড়ে বুঝলাম না ১৫০ ডলার দিয়ে কিভাবে এতো জায়গা ঘুরে আসলেন

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: বাসে করে গেলে ১৫০ ডলার তো অনেক টাকা!
লোকাল পরিবহনে যাতায়াত করবেন।
ভ্রমণেও মজা, খরচও কম হবে।

২৩| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:৫৭

আদনান শাহ্‌িরয়ার বলেছেন: ভ্রমন কাহিনী পড়ে মজা লাগছিলো , হুট করে সারসংক্ষেপ এনে দেওয়ায় বিরক্ত হলাম । বড় হয়ে যাচ্ছে মনে হলে সিরিজ করে লিখতে পারতেন । পোস্টে যত গুলো প্লাস, বিস্তারিত না বলায় ততগুলোই মাইনাস ! :P X(

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: বুঝেছি বিরক্তির কারণ। সিরিজ লেখায় আলসেমি আছে...
( আরে ধুর, আমি কি লেখক নাকি! )

সময় পেলে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাদাভাবে আরও লিখবো।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, প্রিয় আদনান শাহরিয়ার :)

২৪| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৩৬

খেয়া ঘাট বলেছেন: স্থানীয় খাবার খাবো, বিপদে না পড়লে ট্যাক্সি নেবো না, হোটেলের সাথে স্থায়ি চু্ক্তি করবো না, যেখানে রাত সেখানেই কাত হবো - হাহাহহাহা।

উচ্চবিত্তরা ইংরেজি মেশায় আর নিম্নবিত্তরা মেশায় হিন্দি। কেবল ভিক্ষুক আর ঠেলাগাড়িওলাদের মুখে অমিশ্রিত বাংলা শুনার সৌভাগ্য হয়েছে। তবে সেটি খুবই নগণ্য।

দারুন পর্যবেক্ষণ ভাইজান।


চমৎকার লাগলো।
কলকাতা শহর দেখা আমার খুউব ইচ্ছে। গল্প, উপন্যাস, ইতিহাস, কবিতা, গানে এতো জেনেছি এই শহর -দেখার লোভটা শুধুই বাড়ছে। কিন্তু সুযোগ মিলছে না।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:২৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: দেশে আসলে কলকাতায় যাওয়া ওয়ান-টু’র ব্যাপার :)

তাই, যখন স্বদেশে বেড়াতে আসবেন, তখন ইটিনেরারিতে কলকাতা যোগ করে রাখবেন আর কি!

লেখায় বদান্য মন্তব্যের জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা, জনাব :)

২৫| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৪৭

কালীদাস বলেছেন: আরি এর মধ্যে ঘুরে চলে এসেছেন নাকি? ভাল লাগল পোস্টের কনটেন্ট; আপনার বর্ণনাটা সাবলীল, সুন্দর! তবে মনে হচ্ছিল আগের কিছু কথা মিস করেছে পোস্ট...

আবার কোনদিন ইন্ডিয়ায় গেলে কাজে লাগবে আশা করি আপনার টিপসগুলো।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৪১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: লেখক বলেছেন: “মনে হচ্ছিল আগের কিছু কথা মিস করেছে পোস্ট...”

-মিস্ করবেন না মানে, আলবৎ মিস্ করবেন... এত্তগুলো ঘটনা এত কম শব্দে লেখা যায়? আমি তো শুধু একদিনের কথা বললাম। শীতের দিনে কত অঙ্গুলি চালানো যায় বলুন B-)

ইন্ডিয়াতে গিয়ে আসুন, ভালো লাগবে। এতো কাছের একটি বিচিত্র দেশে মাত্র ৪৫মিনিটে যাওয়া। সেটি মিস্ করা কি ঠিক?

জনাব কালিদাশ ভাই, আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ, ‍সুন্দর মন্তব্যের জন্য :)

২৬| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:২৯

জাতীয়বার্তা বলেছেন: ভাই আরেকটু বিরক্ত করবো ভিসা পেতে কি কি কাগজ না হলেই নয়?? ভিসা পেতে কোন ঝামেলা হয়েছে ?? আপনি কি কি ডকুমেন্ট দিয়েছেন?

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:৩৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: মনে হচ্ছে যাবেনই! ভালো।

কোন ঝামেলা নেই। অনলাইনে ভিজা আবেদন করবেন । পূরণকৃত আবেদনপত্র, পাসপোর্ট ও বিদ্যুত/টেলিফোন বিলের রশিদ...এই হলো গুরুত্বপূর্ণ। তারপরও বিস্তারিত জানার জন্য সংশ্লিষ্ট হোমপেজে পাবেন।

আরও কিছু তথ্য পেতে আমার আগের পোস্টটিতে একবার দৃষ্টি দিতে পারেন।

শুভেচ্ছা থাকলো :)

২৭| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ৯:৩৩

জাতীয়বার্তা বলেছেন: " আমি মনে হয় একটু বেশী বেশী করে ফেলছি " ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন :(
ভাই গত একমাস যাবৎ যাবো চিন্তা করেছি জানুয়ারির মধ্যে যাবোই "ইনশাআল্লাহ" আমিতো বুঝি কম নেট থেকে কিছু তথ্য নিয়েছি একটু দেখবেন ঠিক আছে কিনা .. আর কিছু প্রশ্ন !!
১. বিদ্যুৎ বিলের রশিদ,
২। ছবি ২ ইঞ্চি বাই ২ ইঞ্চি
৩। ২০০ ডলার পাসপোর্ট এ এন্ডোস করা থাকতে হবে। (এন্ডোস কোন ব্যাংক থেকে করবো ? যে কোন শাখা থেকে করলেই কি হবে? এন্ডোস এর সার্টিফিকেট নিতে হবে কিন্তু এ্ই সার্টিফিকেট টা কি?
৪। নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট বা ন্যশনাল আইডি কার্ডের ফটো কপি ।
৪। ব্যবসা হলে আপনার ট্রেড লাইসন্সের ফটো কপি কিংবা চাকুরী করলে যথাযত পক্ষের থেকে লেটার। ( ট্রেড লাইসেন্স কি মেইন কপি লাগবে নাকি ফটোকপি হলেই হবে?? )
আপনি কি কি নিয়েছিলেন জানতে চাচ্ছিলাম এই কারনে যে, আমি যাতে এমব্যাসি থেকে কোন ভাবেই যেন ফেরত না আসি এবং তারা যাতে আমার কোন ফল্ট দেখাতে না পারে।
( যতদূর জানি ইন্ডিয়ান এমব্যাসির লোকজনের ভাব খুব বেশী তাদের সাথে কথা বললে বাজে ব্যবহার সয্য করার মন মানসিকতা থাকতে হয় )

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৩৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: যা জেনেছেন সবই ঠিক আছে। কিন্তু এমবেসিতে একবার ভিজিট করেই সব শেষ করতে পারবেন কিনা, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই। হয়তো পারবেন। তবু কমপক্ষে একটি দিন রাখুন বরাদ্দ করে।

আমি কোন বাজে ব্যবহার পাই নি। তারা যথেষ্ট সহযোগিতার মনোভাব দেখিয়েছেন।

আপনাকে যা করতে হবে, অনলাইনে আবেদনের ছক পূরণ করে তার প্রিন্ট হাতে রাখতে হবে। যথেষ্ট সময় নিয়ে আবেদন করুন, কমপক্ষে ৫/৬ সপ্তাহ। ফেব্রুয়ারিতে যেতে হলে এখনই কম্পুতে বসে পড়ুন! আপনাকে একটি তারিখ দেওয়া হবে। সে মোতাবেক হাজির হোন।

শুভেচ্ছা আপনার জন্য :)

২৮| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৫৬

জাতীয়বার্তা বলেছেন: বস আমিতো কয়েকটা প্রশ্ন করেছিলাম উত্তর গুলো পেলে বড়ই উপকৃত হতাম। :(
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:০১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: আমার অভিজ্ঞতায় ওইগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নয়। আপনি শুরু করুন, কিছু উত্তর নিজেই বের করতে পারবেন।

*২০০ ডলার এনডোর্স করা বাধ্যতামূলক নয়। আপনি পরেও ইচ্ছেমতো করিয়ে নিতে পারেন। আমি তো পরে করেছি।

*ট্রেড লাইসেন্স তো অবশ্যই ফটোকপি দেবেন। একটি লাইসেন্সের অরিজিনাল তারা চাইবে কেন! তবে মূল কপিটি সাথে রাখবেন।

একটি অতিরিক্ত বিষয় বলে রাখছি, ট্রেড লাইসেন্স দিলে নিজের ‘বিসনেস/ভিজিটিং কার্ডটিতে’ যেন প্রতিষ্ঠানের নাম একই হয়।

বড় কথাটি হলো, আমার সব কথায় ভরসা না করে আপনি আরও খুঁজ নিন। তবে বিষয়টি এতো ভয়ংকর নয়। এটুকুই বলে রাখছি!

আবারও শুভেচ্ছা... :)

২৯| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ৯:১৩

বাকি বিল্লাহ বলেছেন: আবারো অসংখ্য ধইন্না :)

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:২৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: =p~ =p~ =p~

শুভেচ্ছা আপনাকে, বাকি বিল্লাহ্ :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.