নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

উন্নয়ন ও মানবাধিকার কর্মী। শিশুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের অধিকার এবং নারীর অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতার জন্য কাজ করি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাজনীতি ইত্যাদি বিষয়ে কৌতূহলী।

মাঈনউদ্দিন মইনুল

মুখোশই সত্য!

মাঈনউদ্দিন মইনুল › বিস্তারিত পোস্টঃ

গল্পোকরণ: আলি আহমদ

১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪৩

ছাত্রজীবনের এক কঠিন বাঁকে এসে একটি খণ্ডকালীণ চাকরির যখন খুবই দরকার ছিলো, তখন এক প্রৌঢ় ভদ্রলোক স্বর্গদূতের মতো এসে আমাকে উদ্ধার করলেন। ইন্টারভিউর আগের দিনও তিনি আমাকে চিনতেন না। আমাকে দেখেই কী ভেবে বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের বিব্রত মুখের সামনে বলে দিলেন, এই ছেলেটিকে নিন। সকলকে স্তম্ভিত করে দিয়ে আমার সামনেই তিনি রায় দিয়ে দিলেন। পরবর্তি দু’টি বছর ছিলো আমার জীবনের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তখনও আমার স্নানকোত্তর শেষ হয় নি। মজার ব্যাপারটি হলো এই চাকরিটি প্রথমে খণ্ডকালীণ ছিলো না। এই ভদ্রলোকের সহায়তায় তিনমাসের আমার চুক্তিটিকে পূর্ণকালীণ থেকে খণ্ডকালীণে পরিবর্তন করতে সমর্থ হই।



চাকরি জীবনের প্রাথমিক দিনগুলোতে এই জৈষ্ঠ সহকর্মীকে পেয়েছিলাম, যিনি কখনও তার জৈষ্ঠতার কথা মনে করাতেন না। সকলের সাথে মিশতেন এবং প্রায় সকল কথাই বলতেও দিতেন। ফলে অন্যরা যেমন বেশি আশকারা পেতো, তেমনি তিনিও তাদের সহযোগিতা পেতেন সবচেয়ে বেশি। এজন্য অন্যান্য জৈষ্ঠরা তাকে খুব হিংসা করতেন, কিন্তু বিপদের সময়ে তারই নম্বরে ইন্টারকমের কলটি যেতো। এর মূলে ছিলো, অনেক মানুষের সঙ্গে তার মিশার ক্ষমতা এবং দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য অলৌকিক কিছু কারিশমা।





বলছি আলি আহমদ সাহেবের কথা। এক দিলখোলা মানুষ। এর আগে এরকটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করে অবসর জীবনে এসে বর্তমান কাজটি করছেন। তার নেতৃত্ব এবং প্রতিনিধিত্ব করার গুণাবলী দিয়ে সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানটিকে তিনিই ধরে রেখেছেন বলা যায়। তিনি সহকর্মীদেরকে এতই উৎফুল্ল রাখতেন যে, তিনি কোন কারণে ছুটিতে থাকলে সেদিন অফিস থাকতো অন্ধকার। দেরিতে আসলেও অফিসের সকলে তার অনুপস্থিতি সবাই টের পেতো। বেশি টের পেতো সবুজ। অফিসের পিওন। সে একটু পরপর বলতে থাকতো, ‘আহমদ স্যারের আজ অইলো কী?’



আহমদ সাহেব ছিলেন অফুরন্ত প্রেরণার উৎস। দেখা গেলো, অফিসের কর্মীরা কোন বিশেষ ডেডলাইনের পেছনে কাজ করছে। কিন্তু রাতদিন কাজ করেও যখন ডেডলাইনের মধ্যে কাজ শেষ হচ্ছে না, তখন উদ্ধারকারী হিসেবে তিনিই পথ বাতলে দিতেন। তিনি বলতেন, ‘আসুন...এক কাপ চা খান। আরে ভাই... শুনুন ডেডলাইন হলো দু প্রকার: একটিকে বলে ডেডলাইন; আরেকটিকে বলে ‘আসল’ ডেডলাইন। ডেডলাইনেরও একটি ডেডলাইন আছে। অতএব, চা খেয়ে পূর্ণোদ্দমে আবার লেগে যান। যতক্ষণ কাজে থাকবেন, ততক্ষণ ডেডলাইন আপনার জন্য লাইফলাইন।’





সবসময় বলতেন, ‘কাজ করবেন আনন্দ নিয়ে, তাই বলে জীবন দিয়ে দেবেন না। জীবন একটাই।’ আড্ডা দিতেন সুযোগ পেলেই। পান খাবার কারণে মুখে বিষণ্নতা দেখা যেতো না, থাকলেও। পান খেয়ে ঠোঁট তো লাল করতেনই, হাতও লাল করে রাখতেন। অফিসের পিয়নের সাথে ছিলো তার আলাদা ভাব। ইশারা করলেই পান হাজির।



আড্ডার সুযোগে জুনিয়ররা মাঝে মাঝে দু’একটা অভিযোগের কথা শুনিয়ে দিতেন। অভিযোগগুলো অধিকাংশই বড় বসকে নিয়ে। অথবা অন্য কোন জৈষ্ঠ কর্মকর্তাদের নিয়ে। তিনি শুধু হাসতেন, কিছুই বলতেন না। শেষে শুধু বলতেন, ‘শুনুন, বসকে নিয়ে এতো ঘ্যানর করবেন না। তাকে নিয়ে এতো ধ্যানের কী আছে? কাজ নিয়ে ধ্যান করুন। বস একদিন আপনাকে নিয়ে ধ্যান করবেন।’ অথবা বলতেন, ‘বসের কথা শুনবেন, কিন্তু শুনবেন না।’ সময় থাকলে তার রহস্যময় কথাগুলো ভাঙিয়ে বলতেন। বসের আদেশের বাইরেও নিজের কমন সেন্স ব্যবহার করতে হবে। খালি শুনলেই চলবে না, মাঝে মাঝে না শুনেও অফিসের উপকার করা যায়।



তার অনেক উক্তির মধ্যে মনে রাখার মতো উক্তিটি হলো, ‘অত বেশি চিন্তা করবেন না। চিন্তা করলে কার্যক্ষমতা কমে যায়।’







একবার হলো কী, তার প্রাণপ্রিয় অফিসের পিওন সবুজ মিয়ার মুখের হাসি বন্ধ হয়ে গেলো। সাধারণত সবুজ থাকতো হাসির আগে আর খাবারের পরে। অর্থাৎ হাসির কোন বিষয় হলে, সবুজের উচ্চস্বরে হাসি থেকেই তা বুঝা যেতো; কিন্তু অফিসের খাবারের আয়োজনে পদাধিকারের বলেই সবুজ থাকতো সবার পেছনে! তো, সবুজ হঠাৎ হাসি বন্ধ করে দিয়েছে। আমরাও চিন্তিত। কী ব্যাপার, সবুজ? কোন উত্তর নেই। আলি আহমদ সাহেব দু’দিন ধরেই বিষয়টি খেয়াল করলেও, তিনি সরাসরি কিছু জিজ্ঞেস করছেন না । কিন্তু তৃতীয় দিনে আমাদেরকে চমকে দিয়ে তিনি জিজ্ঞেস করে বসলেন:



-তোর কী হয়েছে রে? অফিসের পরিবেশ গোমট করে রেখেছিস কেন?

-স্যার, আমার অনেক বড় সমস্যা।

-কী সমস্যা, বলবি তো? কী এমন হয়েছে যে তোর হাসি বন্ধ?

-স্যার, ঋণের কিস্তি দিতে ভুলে গেছি।

-তাতে কী হয়েছে? জরিমানাসহ পরের মাসে দিয়ে দিবি?

-স্যার, এর আগেও ভুলে গিয়েছিলাম। এখন আমার অনেক সমস্যা।

-আরে এতে তোর সমস্যা হবে কেন?

-(সবুজ হা করে দাঁড়িয়ে আছে।)

-তুই টাকা দিতে না পারলে তোর সমস্যা হতে যাবে কেন? ওটি তো ব্যাংকের সমস্যা।



আমরা যারা তাদের এই কথোপকথনের শ্রোতা ছিলাম, স্মিত হেসে কাজে মনযোগ দেই। কত সহজেই না তিনি পরিস্থিতিকে হালকা করতে পারেন। আমাদের হাসি থামলে পর তিনি এই বলে শেষ করলেন, ‘ওদের টাকা। ওরাই তোকে পথ বাতলে দেবে। এখন এক দৌড়ে গিয়ে একটি পান নিয়ে আয় তো!’







বাস্তব অভিজ্ঞতার জীবন্ত ভাণ্ডার ছিলেন, আলি আহমদ সাহেব। মাঝে মাঝে অফিসে যখন মন খারাপ হয় অথবা কোথাও কোন স্বস্তি খুঁজে পাই না, তখন তাকে খুবই মিস করি। আমি জানি না তিনি কোথায় আছেন, অথবা আদৌ বেঁচে আছেন কি না। শহর ছেড়েছিলাম আমরা ১২/১৩ বছর আগে। তারও ২/৩ বছর আগে ওই চাকরিটি ছেড়েছিলাম। মোবাইলের তত প্রচলন না থাকায় এক সময় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিন্তু তার সাথে চেতনার যোগাযোগটি কখনও আলাদা হতে পারে নি।











---------

জন্মদিনে কখনও এতো আনন্দ পাই নি। আজ ব্লগে এবং ফেইসবুকে যত শুভেচ্ছা পেয়েছি, তার অধিকাংশই আমার ব্লগ বন্ধুদের থেকে। অনেক আনন্দিত ও সম্মানীত বোধ করছি। সকলকে কৃতজ্ঞতা! আর ভালোবাসা.... :)

মন্তব্য ৩৮ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৩৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:১১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: শুভ জন্মদিন সুপ্রিয় ব্লগার । আর নিরন্তর শুভকামনা । আমার জন্মদিন বাদে সব ব্লগারে জন্মদিনে ওমনটা বেলুন সম্বলিত ছবি ভেসে ওঠুক । :)

১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
প্রিয় সেলিম আনোয়ার ভাই, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ :)

ভালো থাকা হোক!!


(রিপিটেড মন্তব্যটি মুছে দিলাম)

২| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৫৬

ডি মুন বলেছেন: ‘অত বেশি চিন্তা করবেন না। চিন্তা করলে কার্যক্ষমতা কমে যায়।’

আলি আহমেদ সাহেবকে ভীষণ ভালো লাগল।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। :)

সুস্থ ও সুন্দর থাকুন সবসময়।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
ডি মুনকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা :)

৩| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৩৭

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: অলি আহম্মদ লোকটা মানুষ হিসেবে ভালোই মনে হচ্ছে

শুভ হোক জন্মদিন , তার ঠেলায় বাকী জীবন মইনুল ভাই !

১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
হাহাহা! আলি আহমদ লোকটি মানুষ হিসেবে ভালোই ছিলেন।

ধন্যবাদ, প্রিয় স্বপ্নবাজ অভি :)

৪| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:৩১

রুপ।ই বলেছেন: শুভ জন্মদিন ।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:০৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
ধন্যবাদ, রুপাই :)

৫| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১১:৩৩

প্রবাসী পাঠক বলেছেন: শুভ জন্মদিন প্রিয় মইনুল ভাই।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:০৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
প্রিয় প্রবাসী পাঠককে আন্তরিক ধন্যবাদ :)

৬| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৪ সকাল ১১:৫৭

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


শুভ জন্মদিন !:#P !:#P !:#P

১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:১০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ, কাণ্ডারি অথর্ব :)

৭| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১২:৫৭

মামুন রশিদ বলেছেন: শুভ কামনা মইনুল ভাই ।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:১৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
মামুন রশিদ ভাইকে অনেক ধন্যবাদ.... :)

৮| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:৫১

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:১৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, হাসান মাহবুব ভাইজান :)

শুভেচ্ছা........

৯| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৪ সকাল ১০:৪৫

ঢাকাবাসী বলেছেন: আলি আহমদ এর মত লোকের বড্ড অভাব এই ঢাকা শহরে। জন্মদিনের শুভেচ্ছা!

১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:২১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
হুম, কথা ঠিক। ঢাকাবাসীই কেবল এর কদর বুঝবেন :)

অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় ঢাকাবাসী........

১০| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১২:৪০

মোঃ ইসহাক খান বলেছেন: জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানবেন।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:২২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
মোঃ ইসহাক খানকে অনেক কৃতজ্ঞতা ‍:)

১১| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৫

কালের সময় বলেছেন: জন্মদিনের শুভেচ্ছা থাকল ।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৩৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ, কালের সময় :)

১২| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩১

মামুন ইসলাম বলেছেন: শুভ জন্মদিন

১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৩৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা :)

১৩| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:৪২

আরজু মুন জারিন বলেছেন: বাহ !! এই ভদ্রলোক কে আমার সালাম আপনাকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। আপনি যেখানে যাবেন সুযোগ তৈরী করে নিতে পারবেন আপনার ব্যক্তিত্বে ,মাধুর্য্যে , চরিত্র আর গুনে। আপনি লিখেন ও চমত্কার। অল্প লিখেন। যদি অনেক সময় দিতেন লেখালিখিতে বা আমার মত সারাদিন লেখায় বসে থাকতেন তবে আর ও অসাধারণ সব লেখা পেতাম আপনার কাছে থেকে আমরা ।

আপনার প্রতি টি লেখা ছোট প্রবন্ধ বলেন কবিতা সবসময় আমার এক মুগ্ধতা চলে আসে মনে মনের অজান্তে মইনুল ভাই। এ লেখাতে ও তাই।

অনেক অনেক ভাললাগা , ভালবাসা দিয়ে গেলাম লেখায়।

শুভেচ্ছা রইল অনেক অনেক।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:০৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
‘অজান্তেই’ মুগ্ধ চলে আসে জেনে আমি গর্বিত :)

আপনার আন্তরিক মন্তব্য ব্লগের প্রাণ।

ভালো থাকবেন :)

অনেক কৃতজ্ঞতা......

১৪| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:৪৩

আরজু মুন জারিন বলেছেন: বাস্তব অভিজ্ঞতার জীবন্ত ভাণ্ডার ছিলেন, আলি আহমদ সাহেব। মাঝে মাঝে অফিসে যখন মন খারাপ হয় অথবা কোথাও কোন স্বস্তি খুঁজে পাই না, তখন তাকে খুবই মিস করি। আমি জানি না তিনি কোথায় আছেন, অথবা আদৌ বেঁচে আছেন কি না। শহর ছেড়েছিলাম আমরা ১২/১৩ বছর আগে। তারও ২/৩ বছর আগে ওই চাকরিটি ছেড়েছিলাম। মোবাইলের তত প্রচলন না থাকায় এক সময় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিন্তু তার সাথে চেতনার যোগাযোগটি কখনও আলাদা হতে পারে নি। X(( X((

আলী আহমেদ ভাই এর জন্য অনেক শ্রদ্ধা। ..ভালবাসা।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:১০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
এমন চরিত্রের মানুষগুলো সমাজের আলোকবর্তিকা। খুব খুঁজি তাদেরকে। প্রেরণা পাবার জন্য হন্যে হয়ে খুঁজি।


দ্বিতীয়বার আসার জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা :)

১৫| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১১:১৯

মুনতাসির নাসিফ (দ্যা অ্যানোনিমাস) বলেছেন: দেখুনতো কান্ডটা কি হলো...! :( ওই একইদিনে আমার পরিচিত একজনের ও জন্মদিন গেল, অথচ অনলাইনে না থাকায় টের পেলাম দুদিন পরে!!

আর ব্লগে এসেও ৩ দিন পরে আমার সবচে প্রিয় ব্লগারদের একজনের জন্মদিন চলে গেল উনি পোস্ট ও দিলেন আর আমি নির্বোধ তাঁর জন্মদিনের পোস্টটায় মন্তব্য দিয়ে উইশ করছি কিনা তিন তিনটা দিন পর...!! :(

শুভ জন্মদিন আমার সুপ্রিয় সু-ব্লগার .............

শুভ হোক আপনার সামনের পথচলাও ...
শুভ, সুন্দর, সফল আর আনন্দঘন হোক সামনের প্রতিটা দিনও ...

আমার অন্তর থেকে সবরকম ভালোলাগা আর শুভকামনা থাকলো আপনার জন্য ...

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:১৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
আপনার কথায় অনেক আন্তরিকতা খুঁজে পাই। ভালো লাগে।

ব্লগে আমার চেয়ে অনিয়মিত ব্লগার খুব একটা নেই। আমি নিজেই অনেক ভালো লেখা প্রতিনিয়ত মিস করছি। বিলম্ব আমার কাছে কোন বিষয়ই না।

অনেক ধন্যবাদ।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা পেয়ে আনন্দিত, অ্যানোনিমাস :)

আপনার জীবনও হোক আনন্দঘন এবং শুভ এবং সুন্দর :)

শুভেচ্ছা নিরন্তর...........

১৬| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১২:৫১

আরজু মুন জারিন বলেছেন: আপনার গল্পটা আবার পড়লাম। পড়তে গিয়ে ভুলটা ভাঙ্গলো। এ হয়ত গল্প লিখেছেন আমার কাছে যা মনে হল আপনার নিজের জীবনের কথা। এত বিশ্বাসযোগ্য করে ঘটনার বর্ণনা করা সত্যি অপূর্ব। অনেক ভাললাগা রইল।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:১৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
তৃতীয় মন্তব্যে মুগ্ধতা।
আপনার ওরকম বুঝার মধ্যে কোন ভুল নেই। আমার লেখাটি সেরকমভাবেই লেখা। তবে ওটি কেবল গল্পের উপকরণ!

অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় আরজু মুন জারিন :)

১৭| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৪:০৫

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ ভ্রাতা!

আমার কর্মজীবনেও বেশ কিছু অসাধারণ মানুষের সাথে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে। আপনার পোষ্ট পড়ে ইচ্ছে হচ্ছে তাদের নিয়ে কিছু লিখি। ভাল লাগা রইল।

ভালো থাকুন।


১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:১৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

প্রিয় নীলসাধু ভাই, আমার লেখায় আপনার উপস্থিতি অনেক আনন্দের।

অনেক ধন্যবাদ।

আপনার বৈচিত্রময় কর্মজীবন নিয়ে লেখলে, তা প্রজন্মের দিকনির্দেশক হয়ে থাকবে। আমার বিশ্বাস।

ভালো থাকবেন........ :)

১৮| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:১৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: খুব ভালো লাগলো একজন প্রাণবন্ত, প্রেরণাদায়ী জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সম্বন্ধে জানতে পেরে। তাঁর প্রতি আপনার অনুরাগ ও কৃতজ্ঞতা আপনাকেও মহান করলো।

অফিসে এমন ব্যক্তিত্বের খুব অভাব।


ভালো থাকুন প্রিয় মাঈনউদ্দিন ভাই।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৯:৩১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

'অফিসে এমন ব্যক্তিত্বের খুব অভাব।'
-খাঁটি কথা।

আপনার উপস্থিতি সবসময়ই আমার জন্য আনন্দদায়ক, সোনাবীজ ভাই :)

ভালো থাকবেন..................

১৯| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৯

অন্ধবিন্দু বলেছেন:
চেতনার যোগাযোগ পেলাম। এ নৈকট্যবোধে ভালোলালাগা, মইনুল।
শুভ কামনা

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৫৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

‘চেতনা যোগাযোগ পেলেন’ শুনে সম্মানীত এবং গর্বিত বোধ করছি।

‘নৈকট্যবোধ’ পাওয়া সত্যিই তৃপ্তির বিষয়......


অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় অন্ধবিন্দু :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.