নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

উন্নয়ন ও মানবাধিকার কর্মী। শিশুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের অধিকার এবং নারীর অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতার জন্য কাজ করি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাজনীতি ইত্যাদি বিষয়ে কৌতূহলী।

মাঈনউদ্দিন মইনুল

মুখোশই সত্য!

মাঈনউদ্দিন মইনুল › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোরিয়ার যাবার পথে চীন দেখা: ঘুমহীন গুয়াংজু

১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:২৫





চাইনা সাউদার্ন এয়ারলাইনসে যারা দক্ষিণ কোরিয়ার যাত্রী তাদেরকে ‘ট্রানজিট/ট্রান্সফার ভিজায়’ এক রাত গুয়াংজুতে থাকতে হবে। পরদিন সকাল সাড়ে ন’টায় ইনছনের (দ. কোরিয়া) ফ্লাইট। ব্যাপারটা হলো এরকম যে, চীনের কোন এয়ারলাইনসে আপনি যেখানেই যান, তাদের কোন শহরের ওপর দিয়ে যেতে হবে। সেটি গুয়াংজু হতে পারে, অথবা কুনমিংও হতে পারে। অথবা হংকং। যেমন এমিরেটস এয়ারলাইনসে আপনি আফ্রিকা, আমেরিকা বা ইউরোপের যে দেশেই যান, দুবেইয়ে একবার পা রাখতে হবে। ২০০৭ সালে এমিরেটস এয়ারলাইনসে কাজাখস্তানে যাবার পথে দুবেই শহরে ট্রানজিট নিতে হয়েছিলো! নিজ দেশ থেকে এতটুকু সুবিধা তো তারা নিতেই পারে। আমাদের ‘বিমান’ এক্ষেত্রে কতটুকু সুবিধা নিচ্ছে বা নিতে পারছে জানি না; তবে তারা যে কোনদিন লাভের মুখ দেখতে পাবে না, সেটি খুব ভাল জানি। যাত্রীসেবা আর পেশাদারিত্বের কথা বাদ দিলেও, অন্তত লাভ-লোকসানের হিসাবটা যদি ‘বিমানের’ বিমলা দিদিরা করতে পারতেন, তবু একদিন তারা যাত্রীসেবার মূল্য বুঝতে পারতেন। যাক যে কথা!



বিমানবন্দরে প্রথম ধাক্কা খেলাম বোর্ডিং পাস নেবার সময়। এক হাজার টাকা ‘অপ্রত্যাশিত’ ট্যাক্স দিতে হবে! কেন? সরকারের নতুন রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার কারণে জুলাই থেকে এটি কার্যকর হয়েছে। ভালো কথা, তো সেটি আমাকে আগে জানানো হলো না কেন? আমার তো লোকাল কারেন্সি নেই? উত্তর, লোকাল কারেন্সি না দিলেও চলবে, ১০০ আরএনবি (চাইনিজ) দিলেও হবে। বলে কী? আরএনবি ১০০ মানে তো কমপক্ষে ১৩০০ টাকা? উত্তর, তাহলে ১০০০ টাকা দিন। (বুঝুন ‘মিজাজটা’ কেমন লাগে!) এসব বিষয়ে যাত্রীদেরকে আগেই জানাবার প্রয়োজন মনে করেন নি আপনারা? উত্তর, জানিয়েছি তো! কই, আমি তো জানলাম না?



আর কত বাদানুবাদ করা যায়? পেছনের যাত্রীরা সকলেই ১০০০ টাকা হাতে নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। অতএব ১০০ আরএনবি (অভিশম্পাৎ সমেত) পরিশোধ করে শুধুমাত্র ‘ঢাকা-টু-গুয়াংজু’ রুটের একটি বোর্ডিং পাস হাতে করে মনে অনেক অনিশ্চয়তা নিয়ে ইমিগ্রেশনের দিকে পা বাড়ালাম। অনিশ্চয়তার কারণটি হলো, দক্ষিণ কোরিয়া পর্যন্ত বোর্ডিং পাস না থাকলে, চীনারা আমাকে একদিনের ট্রানজিট ভিজা দেবে কি না সেটি নিয়ে। ‘টিকেট দেখালেই হবে। তাছাড়া, গুয়াংজু বিমানবন্দরে নামার পর আমাদের লোকেরাই আপনাদেরকে রিসিভ করে সবকিছু করিয়ে দেবে।’ কাউন্টারে দেশি ভাইদের এতটুকু ভরসায় ভরসা পাচ্ছি না।



বাঙালি নিজ দেশেই বৈষম্যের শিকার। বোর্ডিং-এর সময় একটি চরম বৈষম্য দেখলাম বিমানের কর্মকর্তাদের আচরণে। স্থানীয় যাত্রীদেরকে আবারও চেকিং! সাদা চামড়ার যাত্রীদেরকে হাসিমুখে ব্যাগ ওঠিয়ে নিয়ে চলে যেতে দিচ্ছে। অন্যদিকে স্থানীয়দের ব্যাগ মানি ব্যাগ জুতা মোজা সবকিছু চেক করছে। একটা বিষয় চোখে পড়লো: স্থানীয়দেরকেও কাউকে কাউকে তারা বাদ দিচ্ছে। কম বয়সী এবং কর্মপ্রত্যাশী যুবকদেরকে তারা বেশি অনুসন্ধান করছে। লক্ষণ ভালো ঠেকছে না! মতলব খারাপ, উদ্দেশ্য আরও খারাপ! এনডোর্সমেন্ট ছাড়া বেশ কিছু বিদেশি ডলার পাওয়া গেলো এক যুবকের মানিব্যাগে।



পেছনের লাইন থেকে এসব দেখছি আর নিজের করণীয় নিয়ে ভাবছি। ভাবলাম, এখানে নমনীয়তা আর ভদ্রতার মানে হবে দুর্বলতা। অবশেষে আমার টার্ন আসলো। আমি সোজা বলে দিই যে, আমি দু’সপ্তাহের পারিবারিক ভিজিটে বাইরে যাচ্ছি আমার সবকিছু ঠিক আছে। তারা ‘আপনি ব্যাগ নিয়ে চলে যান।’ বলে আমাকে ওয়েটিং লাউন্জে ঢুকতে দেওয়া হলো। আমি তাতে খুশি না হয়ে বরং রেগে আছি, কারণ তারা বিদেশীদের সামনে নিজ দেশের যাত্রীদেরকে ছোট করতেছে। সন্দেহ থাকলে তা অন্যভাবে সমাধা করতে পারতো।





বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টায় ছেড়ে স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে পাঁচটায় চীনের গুয়াংজু’র রানওয়েতে আমাদের বিমান এসে ধাক্কা খেলো। এই অল্প সময়ের মধ্যে যতটুকু পারি চীন দেখবো, এই পূর্বসিদ্ধান্তে অটল থাকলাম। কিন্তু সকল সিদ্ধান্ত মাটি করে দিলো গুয়াংজু বিমান বন্দরের বেরসিক কর্মকর্তারা। আমাদেরকে (ট্রান্সফার প্যাসেন্জার) কেউ অভ্যর্থনা জানাতে আসলো না। (হয়তো, এসেছিলো টের পাই নি! কারণ দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ফেরার পথে তাদেরকে খুঁজে পেয়েছি। কিন্তু অভ্যর্থনা জাতীয় কিছু পাই নি! আমরাই তক্কে তক্কে থেকে তাদেরকে চিহ্নিত করেছি।) ফলে সাধারণ যাত্রীর মতো আমরা ইমিগ্রেশনের মুখোমুখী হলাম এবং যা আশঙ্কা করেছিলাম, তা-ই হলো। আমাদেরকে সন্দেহ করা হলো। আমার মতো আরও কয়েকজন ট্রানজিট প্যাসেন্জারকে আমি চিহ্নিত করলাম। তাদের যা হবে, আমারও তা-ই হবে! একজন বয়স্ক ভদ্রলোক কানাডার যাত্রী। লাইনে তিনি আমার অগ্রবর্তী। তাকে বলা হলো ‘উনিশ নম্বর’ কাউন্টারে যেতে। আমি চুপচাপ লাইন বদল কলে উনিশ নম্বরে দাঁড়ালাম। সবুজ রঙের সাইনর্বোডে ‘স্পেশাল লেইন’ লেখা। অন্যগুলো নীল রঙের। ভালো। সবুজ দেখে অবুঝ মন শান্তি পেলো। এবার একটা সমাধান হবে। ইমিগ্রেশন পুলিশ আমাদের বোর্ডিং পাস চাইলেন, যা আমরা দিতে পারলাম না। আমার ক্ষেত্রে আমি বলতে চেষ্টা করলাম যে, টিকেটে সবকিছু লেখা আছে এবং আমাদেরকে কেবল গুয়াংজু পর্যন্ত বোর্ডিং পাস দেওয়া হয়েছে। চীনা পুলিস ইংরেজি বলতে না পারার কারণে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ। এবার তার অনুসন্ধান চালালেন আমার পাসপোর্টের ওপর। প্রসঙ্গত, আমার পাসপোর্টের ছবিটিতে চশমা নেই! কিন্তু পুলিসের আচরণ অস্বস্তিকরভাবে সন্দেহপ্রবণ। তার হাবভাব দেখে এবং নিজের মানইজ্জতের কথা ভেবে নিজেই চশমা খুলে তার দিকে তাকালাম। অগ্রিম বুঝতে পারার পুরস্কার হিসেবে পুলিস ‘ভিজা স্ট্যাম্প’ দেবার জন্য আমার পাসপোর্টটি পাশের কাউন্টারে পাঠিয়ে দিলেন। আমি নিষ্কৃতি পেলাম। সঙ্গে দু’জন বাঙালি যাত্রী।



আরও কিছু আনুষ্ঠানিকতা সেরে ‘হোটেল একোমোডেশন ভাউচার’ নিয়ে ‘ড্রাগন লেইক প্রিন্সেস হোটেলের’ বাসে যখন ওঠতে পারলাম, তখন স্থানীয় সময় সাতটা অতিক্রম করেছে। সন্ধার রঙ দেখছি চীনের আকাশে। গন্তব্যে পৌঁছতে তিরিশ মিনিট লাগবে, জানালেন হোটেল কর্মী। বসতিহীন বিস্তির্ণ এলাকাটি ছেড়ে ছোট্ট বাসটি এগিয়ে চলেছে। বাঁ দিকে উচু দালান, ডান দিকে একতলা দু’তলা বসতবাড়ি। অনেকটা জনমানবহীন। হয়তো মানুষ আছে, তবে আমার চোখে তেমন পড়লো না। হাইওয়ে ছেড়েছি কিছুক্ষণ হলো। সেটিও ডানে রেখে ‘ড্রাগন লেইক কমিউনিটি’ নামের একটি বড় গেইট অতিক্রম করে আরেকটি ছোট রাস্তায় ঢুকলাম। এবারের দালানগুলো ক্যাসলের মতো দেখাচ্ছে। সমস্ত কৌতূহল নিয়ে দেখছি সন্ধার গুয়াংজুকে। হোটেলে আমরা চেক-ইন পেলাম। সকাল ৬টায় ওয়েইক-আপ কলের অনুরোধ রেখে এলিভেটরের দিকে পা বাড়ালাম।



হোটেল কক্ষ পেতে কমপক্ষে পাঁচ মিনিট হাঁটতে হলো অভ্যন্তরের গলিতে। শোবার, বসার, পড়ার, জামা পরিধানের, মুখ ধোবার, গোসল করার এবং পয়কর্ম সম্পন্ন করার আলাদা আলাদা ব্যবস্থা। গোসলের জন্য আছে বাঙালি এবং পশ্চিমা ব্যবস্থা: বাতটাব তো আছেই আবার আলাদা কক্ষে শাওয়ারও আছে। আছে গোসল, শেভিং, ব্রাশিং ও ড্রেসিং-এর জন্য উপযুক্ত প্রসাধনী। পানীয় জল এবং কফি বা চা খাবার ব্যবস্থা তো আছেই। বড় স্ক্রিনের এলইডি টেলিভিশন। পাঁচতারা হোটেলের স্যালুন-সদৃশ স্যুটটিতে প্রবিষ্ট হয়ে বিমানবন্দরের বিমাতাসুলভ আচরণ ভুলতে চেষ্টা করলাম। ফেরার পথে টের পেলাম বাধ্য হয়েই এতো দামি হোটেলে আমাদেরকে রাখা হয়েছিলো। যাত্রী বেশি থাকায় অন্য হোটেলগুলো আগেই অকুপাইড হয়ে গিয়েছিলো। আসার পথে তিনতারা হোটেলে ছিলাম।



এমনিতেই সময় দু’ঘণ্টা এগিয়ে, তারপর হোটেলে বিভিন্ন সুবিধাদি চেক করতে করতে রাত প্রায় শেষ হবার পথে। ওয়েইক আপ কলের অনেক আগেই আমি জেগে স্যুটেড-বুটেড হয়ে বসে আছি। ঘুম না হলেও পরদেশ দেখার কৌতূহলে ক্লান্তি সব মুছে গেলো। প্রভাতের আলো আসার সাথে সাথে বারান্দায় বের হয়ে দেখতে লাগলাম একটুকরো চীনকে।



লেখাটি দীর্ঘ হয়ে গেলো। ফেরার পথে গুয়াংজু’র অভিজ্ঞতা দ্বিতীয় পর্বে শেষ করে দেবো।















--------------------

*ছবিগুলো মোবাইলে তোলা। কেউ যেন শিল্প না খুঁজেন ;)

মন্তব্য ৫৩ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৫৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:৩৮

মামুন রশিদ বলেছেন: বাঙালি নিজ দেশেই বৈষম্যের শিকার! -চরম সত্য ।

মাত্র দুইখান ছবি, হতাশ হতাশ..

ওক্বে, পোস্ট মুখবন্ধ হিসেবেই নিলাম । পরের পোস্টে হতাশা মিটে যাবে আশা রাখছি :)

১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:৪৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
শিঘ্রই হতাশা কাটবে...মুপাইলের ফডো দিয়া জাতিরে বিব্রত করতে চাই না


কৃতজ্ঞতা আর শুভেচ্ছা, মামুন রশিদ ভাই :)

২| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:৪২

পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: ভ্রমন কথা বেশ ভালই লাগল ।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:৪৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
ধন্যবাদ, প্রিয় পরিবেশ বন্ধু... :)

শুভেচ্ছা নিরন্তর.........

৩| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:৪২

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


হতাশ হতে হলো।

আপনার মোবাইল দিয়ে যত ছবি তুলছেন সব শেয়ার করেন নাইলে পোস্ট বয়কট করলাম।

:-0 :-0 :-0

১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:০০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
ওরা বাপরে... বয়কট শুনলে ভয় পাই..... :|

ধরুন, আপাতত ফল খান... পরের পোস্টের জন্য বাছাইপর্ব চলতেছে :)

[আসল কথা হলো, ছবি তুললে মজা করবে কিডা? ;) ]




থেংকু, কাণ্ডারি অথর্ব :)

৪| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:৪৪

খাটাস বলেছেন: আপনার চোখে এক টুকরো চীন দেখে ভাল লাগল, হতাশার চিত্র টা ও চোখে লাগল। তবু আশা .।.।।। ++++

১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:০২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
খাটাসকে ধন্যবাদ :)

জানি না আমার কাছে যে ছবি আছে, তাতে জাতির হতাশা কাটাতে পারবো কি না :|| :#>

শুভেচ্ছা...........

৫| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:০০

নীলসাধু বলেছেন: ভাল লাগা রইল। বিমানে বাইরে বা দেশে এলে এমন অনেক অনিয়ম আমাদের চোখে পড়ে। আল্লাহ মালুম এসব যে নিয়ম তা আমরা বুঝতে চাইনা। নিজ দেশে আমাদের যাত্রীরাই পরদেশি বা ভিনদেশি। বিমানবন্দরের লোকজনের আচরন তার প্রমান।

শুভেচ্ছা সুপ্রিয় ভ্রাতা!
পরের পর্বের অপেক্ষায়।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:০৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
খুবই হতাশ হই। দেশের বাহির না হলে বৈষম্যের নিষ্ঠুর রূপটি পুরোপুরি দেখা যায় না।


অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা, কবি নীলসাধু ভাই :)

৬| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:২৭

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


তাও অবশ্য কথা। ;)

কিন্তু ফল খাইতে ভালু লাগেনা। :(

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৫৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
আমার মতো। আমার ভালো জিনিস ভালো লাগে না :(

৭| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:৫২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: দোরীয়ান ফলের ছবি। :) কান্ডারীর কমেন্টের জবাবে !দোরিয়ান ভাল লাগলো ।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৫৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
ধন্যবাদ... জনাব :)

৮| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:২৬

মুনতাসির নাসিফ (দ্যা অ্যানোনিমাস) বলেছেন: বাঙালি নিজ দেশেই বৈষম্যের শিকার! - এ আর নতুন কি! বাঙালীর অস্তিমজ্জা বৈষম্য পেয়ে পেয়ে যেন ধাতস্থ হয়ে গেছে ...!

আর,

বিমানবন্দরে প্রথম ধাক্কা খেলাম বোর্ডিং পাস নেবার সময়। এক হাজার টাকা ‘অপ্রত্যাশিত’ ট্যাক্স দিতে হবে! কেন? সরকারের নতুন রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার কারণে জুলাই থেকে এটি কার্যকর হয়েছে। ভালো কথা, তো সেটি আমাকে আগে জানানো হলো না কেন? আমার তো লোকাল কারেন্সি নেই? উত্তর, লোকাল কারেন্সি না দিলেও চলবে, ১০০ আরএনবি (চাইনিজ) দিলেও হবে। বলে কী? আরএনবি ১০০ মানে তো কমপক্ষে ১৩০০ টাকা? উত্তর, তাহলে ১০০০ টাকা দিন। (বুঝুন ‘মিজাজটা’ কেমন লাগে!) এসব বিষয়ে যাত্রীদেরকে আগেই জানাবার প্রয়োজন মনে করেন নি আপনারা? উত্তর, জানিয়েছি তো! কই, আমি তো জানলাম না?

আর কত বাদানুবাদ করা যায়? পেছনের যাত্রীরা সকলেই ১০০০ টাকা হাতে নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। অতএব ১০০ আরএনবি (অভিশম্পাৎ সমেত) পরিশোধ করে শুধুমাত্র ‘ঢাকা-টু-গুয়াংজু’ রুটের একটি বোর্ডিং পাস হাতে করে মনে অনেক অনিশ্চয়তা নিয়ে ইমিগ্রেশনের দিকে পা বাড়ালাম
-আমিও এজায়গাটায় এসে যেন ধাক্কাই খেলাম ...! /:)

এ কেমন কথা!? X(

ফেরার পথে গুয়াংজু’র অভিজ্ঞতার অপেক্ষায় রইলাম সাগ্রহে... :)

চমৎকার ভ্রমণ লগে ৩য় ভালোলাগা (+) ...

আর পরিসর নিয়ে চিন্তা করেন কেন!? পরিসর, আকার আকৃতি যাই হোক, পড়ে যখন মনে হয় যে আমিও দেখতে পাচ্ছি কল্পনার চোখে, আমিও বুঝি যাচ্ছি আপনার সাথে সাথেই ... তখন ভ্রমণ লগ সার্থক ...
তা সে যত বড়ই হোক ...

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৫৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
পাবলিক ব্লগ তো। সকলেই বেশি সময় নিয়ে আসেন না। এভারেজ পাঠকের পছন্দকে বিবেচনা রাখতেই হয়, অন্তত লেখার আকৃতি বিষয়ে। লেখার সারবস্তু নিয়ে পাঠকের কথা তেমন ভাবা হয় না ;)

নিজের মতোই লিখি। এটিই সহজ পদ্ধতি কিনা! B-)


তৃতীয় ভালোলাগার জন্য ধন্যবাদ, প্রিয় অ্যানোনিমাস :)
শুভেচ্ছা অফুরন্ত!

৯| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:৩১

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য এবং একটি শৈল্পিক ছবি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ !

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৫৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
মানে আপনি শিল্পকে খুঁজে বের করেই ছাড়লেন ;)

ধন্যবাদ, স্বপ্নবাজ অভি.......
শুভেচ্ছা.......

১০| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৫

আজাইরা পেচাল বলেছেন: শুন্দর লেখা। শুভকামনা রইল

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৫৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
ধন্যবাদ জানবেন :)

১১| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ভ্রমণ কাহিনীটা তো ভালোই জমে উঠেছিল। হঠাৎ ব্রেক করে পরের পর্বের লোভ দেখিয়ে রাখলেন কেন?
ঠিক আছে। থাকলাম পরের পর্বের অপেক্ষায়।

ধন্যবাদ, মইনুল ভাই।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৫৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
লেহা থাকলে তো দিমু। এক বসায় কত লেখা যায়... দিনকাল যা পড়ছে ;) B-)

ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা জানবেন, প্রিয় আবুহেনা ভাই :)

১২| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৪:৩০

সেতু আশরাফুল হক বলেছেন: ভালই চলছে, লিখে যান।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৫৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
কৃতজ্ঞতা :)

১৩| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:৪৩

মৃদুল শ্রাবন বলেছেন: বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন এয়ারপোর্টে বৈষম্যের শিকার হতে হয় একটা স্বাভাবিক এবং সাধারণ ঘটনা।

গোয়াংজু এয়ারপোর্টে আমার যাবার সুযোগ হয়নি তবে গোয়াংজু'র হোয়াংফুতেই আমি ১০০ দিন ছিলাম। চায়নার অনান্য আরো দশটি শহরে গিয়েছি আমি। বিদেশী বিশেষ করে আমাদের মতো বাংলাদেশী বা ইন্ডিয়ানদের দেখলা চাইনিজরা চেষ্টা করে বাটে ফেলে কিছু খসিয়ে নিতে। তবে তুলনামূলক ভাবে আমি দেখেছি গোয়াংজু এলাকার লোকদের (অনান্য বিশেষ করে চায়নার নর্থের লোকদের থেকে) মন মানুষিকতা ভালো।

আপনার গোয়াংজু ভ্রমনের কম্পিলিট অভিজ্ঞতা জানতে চাই।

পোষ্টে ++++।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:০২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

বাহ!... আপনি তো অল্প কথায় আমার চেয়েও বেশি বললেন!
হোয়াংফুর অভিজ্ঞতা কি একদিন জানাবেন না?

গুয়াংজু নিয়ে আরেকদিন বসে শেষ করে দেবো। দুঃখিত অপেক্ষায় রাখার জন্য। লেখার মেজাজ পাই না সব সময় ;)

ধন্যবাদ প্রিয় মৃদুল শ্রাবণ :)
এবঙ শুভেচ্ছা......

১৪| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৩:০৫

এ কে এম রেজাউল করিম বলেছেন: সুন্দর হসির অধিকারী মাঈনউদ্দিন মইনুল, লেখাতেও যেন সেই মৃদু হাসি।
ভালো লাগা র'ল।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:০৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
আরে ভাই, আপনি তো বিশাল বড় কথা বলে দিলেন :)

অনেক ধন্যবাদ। দোয়া করবেন, যেন হাসতে পারি পর্যাপ্ত।

আমার এক সিনিয়ন বলতেন: অকারণে হাসবেন। তাতে মানুষ বোকা বলুক। মনে মনে আপনিই তাদেরকে বোকা মনে করে হাসি বাড়িয়ে চলুন! আপনার মানসিক অবস্থা ভালো থাকলে দুনিয়া ভালো।

শুভেচ্ছা...... :)

১৫| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ সকাল ১০:৩৪

সুমন কর বলেছেন: অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। পরের পর্বের অপেক্ষায়..........

১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:০৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ.......

পরের পর্বটি নিয়ে একটু চিন্তায় পড়ে গেলাম।
খণ্ড লেখা আমার গায়ে সয় না ;)
এক বসায় যা হয়, তাই সই। দোয়া করবেন, যেন শিঘ্রই আবার বসতে পারি... 8-|

সুমন করকে অনেক শুভেচ্ছা....... ;)

১৬| ২০ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১৪

আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় বলেছেন:
পোস্টের দৈর্ঘ্য না দেখে পড়ছিলাম আর ভাবলাম অনেকগুলো ছবিও পাবো। পুরাই হতাশ। অভিজ্ঞতা শেয়ারে ধন্যবাদ।

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
মেলা দেরি হয়ে গেছে... প্রথমেই দুঃখিত :)

কবি সাহেব, বেশি ছবি তুলতে পারি নি। এইডা আমার কামও না...
আমার কাম অইলো, যত পারো দেখো B-) ;)

১৭| ২১ শে আগস্ট, ২০১৪ ভোর ৬:৩৭

আরজু মুন জারিন বলেছেন: কোরিয়া গিয়েছেন বাহ ! বাচ্চাদের নানার দেশ বেড়াতে ?

পোস্ট এ ভাল লাগা রইল। শুভেচ্ছা রইল সাথে।

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
ধন্যবাদ, প্রিয় আরজু মুন জারিন :)

১৮| ২১ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৪৯

আদনান শাহ্‌িরয়ার বলেছেন: মুখবন্ধে আগ্রহ চাগিয়ে তুলেছেন । দ্বিতীয় পর্ব চাই শিগগীরই

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
থেংকু, আদনান শাহরিয়ার। অনেক দিন পর :)

ভালো থাকবেন.......

১৯| ২২ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৩৬

ইমরান আশফাক বলেছেন: আরও বিস্তারিতভাবে জানতে চাই, লিখার আকার নিয়ে ভাববেন না। আমারও চীনে ভ্রমন করার ইচ্ছা আছে। ভ্রমন বিষয়ক লিখাগুলি পড়ি মূলত: সচেতন ও সতর্ক হবার জন্যে, তাছাড়া এটি আমার নেশাও। বিমানের কর্মকান্ডের কথা অনেক শুনেছি কিন্তূ যাদের শুনবার কথা তারা বধির হয়ে থাকলে কি করবেন?

যাই হোক পরবর্তী লিখায় ঐ দেশের লোকদের আচারন ও স্বভাব সম্বন্ধে আরও বিস্তারিতভাবে জানতে চাই, তাছাড়া প্রতিকুল পরিস্তিথী কিভাবে মোকাবেলা করতে হবে সেই সমপর্কে ধারনা পেতে চাই।

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
আসলে সময়ই হচ্ছে না। লেখতে চাই কিন্তু ব্যস্ততার কারণে থেমেও যেতে হয়।

পরের পর্বে আরও কিছু বলার চেষ্টা করেছি।

আপনার আন্তরিক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ :)

২০| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:৪১

লিরিকস বলেছেন: আরো ছবি চাই।

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
পরের পর্বে আরও কিছু দেবার চেষ্টা করেছি।

ধন্যবাদ, লিরিকস :)

২১| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৪

জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন: ছোটবেলা থাইক্যাই আমি চিনের ভক্ত। কিন্তু কেন যেন দেশটাতে ঢুকবার সাহস বা আগ্রহ হয় নাই। সামর্থ্যের কথা তো আরো পরের ব্যাপার। এমনিতেই দেশটার মোটামুটি যে কিছু ছবি আর চলচ্চিত্র, গ্রামের ছবি দেখছ্‌ তাতে সুন্দর একটা গ্রাম গ্রাম ভাব আছে। কিন্তু আপনার চোখে এক ফালি দেখার পর মনটা কেমন তৃষ্ণার্ত হইয়া থাকলো।

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
চীন সুন্দর দেশ। পরিচ্ছন্নও। খুব অল্প সময়ে যতটুকু দেখেছি, তাতে তৃষ্ণা মেটে নি। আরও কিছু জানাবার চেষ্টা করেছি দ্বিতীয় পর্বে।

ধন্যবাদ, সিদ্দিকী ভাই :)

২২| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৪০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ভ্রমণকাহিনি ভালো লাগলো। অনেক বিড়ম্বনা সইতে হয়েছে সেটাও জানতে পারলাম। আগামী পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।


আমি অবশ্য যতবার যাতায়াত করেছি, এসব জানতাম বলেই আগেই মাইন্ড সেট করে নিতাম। ফলে অনেক কিছুই সহজ হয়ে যেতো ;)

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
আগেই মাইন্ড সেট রাখার অনেক সুবিধা। অনেক দেশ বেড়ানোর সুযোগ হয়েছে। অনেক প্রবঞ্চনাও পেয়েছি। আমার ব্যাপারটি হলো, যতই সেট করে রাখি - খেয়াল থাকে না ;)

শুধু বিড়ম্বনা দিয়ে দশ প্রস্থ ব্লগ লেখা যাবে।

ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা জানবেন, সোনাবীজ ভাই :)

২৩| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৩৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাঈনউদ্দিন মইনুল ,



চোস্ত লিখেছেন ।

বিমানের বিমলা দিদিরা সহ বিমল দাদারাও লাভ-লোকসানের হিসেব আমার-আপনার চেয়ে অনেক ভালো বোঝেন , তবে নিজেদেরটা ।
সে কারনেই বিমান দেশের আকাশে অশান্তির নীড় হয়ে রইবে চিরটাকাল ।

বাঙালি নিজ দেশেই বৈষম্যের শিকার, একথাও ধ্রুব সত্য । কী বিমান বন্দরে , কী পথেঘাটে , কী সরকারী কাজে ....

২৭ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:১৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

//সে কারনেই বিমান দেশের আকাশে অশান্তির নীড় হয়ে রইবে চিরটাকাল//
-হাহাহাহা! কথার যুক্তি আছে কিন্তুক :)

কৃতজ্ঞতা আর শুভেচ্ছা রইলো জনাব আহমেদ জী এস....

২৪| ২৭ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৫২

বাকি বিল্লাহ বলেছেন: আপনারা কেমনে যে এতো দেশে যান দেখলে খালি আফসোস লাগে। :(
এমন একটা চাকরি দরকার যারা এক দেশ থেকে আরেক দেশে শুধু ঘুড়াবে।
খুব বোরিং লাইফ কাটাচ্ছি । খালি ঘুড়তে মন চায়।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ১০:০৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

আর ক'টা দিন অপেক্ষা করুন। হয়তো সময় আসে নি :)

বিশ্বায়নের যুগে আগামি সময়ের অধিকাংশ চাকরিতেই বিদেশ ভ্রমণের ব্যবস্থা থাকবে। তখন যেন আপনাকে প্রস্তুত পাওয়া যায় :)



'‌লাইফের বোরিংনেস' কেটে যাক.... এই শুভেচ্ছা :)

২৫| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ১:১৯

জাফরুল মবীন বলেছেন: মাঈনউদ্দিন মইনুল ভাই ক্ষমা করুন আমার অক্ষমতাকে।এত চমৎকার একজন ব্লগারের ব্লগে আসতে এই নবীনের কিছুটা সময় লেগেছে।অনুসরণে নিলাম ভবিষ্যতে যেন আর কখনও মিস না হয় কোন পোস্ট।ভাললাগা ও শুভকামনা জানবেন এই অনিয়মিত ও ক্ষণ অবস্থানকারী লেখকের পক্ষ থেকে।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ১০:১০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

জাফরুল মবীন নামটি কিন্তু অপরিচিত নয়। মনে হচ্ছে না আপনি আমার ব্লগে প্রথম এসেছেন। তবু স্বাগত জানাই.......

মন্তব্যের জন্য এবং অনুসরণে নেওয়ার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা!

আমরা সবাই কোন-না-কোনভাবে ‌'অনিয়মিত এবং ক্ষণস্থায়ী' ;)
অতএব........


শুভেচ্ছা জানবেন, জাফরুল মবীন :)

২৬| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:২৫

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: আপনি কি জানেন, গত তিন মাস যাবত ব্যাক্তিগত উদ্যোগে আমি একটা মাসিক ভ্রমণ সংকলন করছি। SOMEWHEREINBLOG'S ব্লগারস ট্রাভেলিং ডায়েরী -আগস্ট ২০১৪ (ভ্রমণ সংকলন -আগস্ট ২০১৪) 'তে আপনার এই লেখাটি সেরা তালিকায় স্থান পেয়েছে। আপনি চাইলে পোস্টটি দেখে আসতে পারেন।

বিঃদ্রঃ এটা কোন পোস্ট পাবলিসিটি বা মার্কেটিং নয়, সহ-ব্লগার এবং পোস্টদাতা হিসেবে দায়বদ্ধতা।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৫৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

আপনার এরকম একটি লেখায় আমি হয়তো আগেই মন্তব্য করে এসেছি...

ভ্রমণবিষয়ক লেখাগুলো আরও গুরুত্ব পাবার দাবি রাখে।


অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় বোকা মানুষ :)

২৭| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:৫০

ইন্জিনিয়ার জনি বলেছেন: দারুন, ইনশাল্লাহ যাচ্ছি কয়েকদিন পর একটি অফিসের মিটিং এর সুবাদে। :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.