নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

উন্নয়ন ও মানবাধিকার কর্মী। শিশুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের অধিকার এবং নারীর অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতার জন্য কাজ করি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাজনীতি ইত্যাদি বিষয়ে কৌতূহলী।

মাঈনউদ্দিন মইনুল

মুখোশই সত্য!

মাঈনউদ্দিন মইনুল › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোরিয়া ভ্রমণের সুযোগে চীন দেখা: ঘুমহীন গুয়াংজু (পর্ব ২)

২৫ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৫১





অভিজ্ঞতার বিকল্প নেই। যাবার পথে যত দুর্দশা, আসার পথে তার প্রায় কিছুই পাই নি। প্রধান কারণ, অভিজ্ঞতা! তবে এবার কয়েকটি মজার বিষয় পেলাম। সেগুলো একে একে বলছি। বিমান থেকে নেমে বাসে করে এরাইভাল লাইনে এসে যুক্ত হলাম। ‘আমি ইংরেজি জানি’ লেখা একটি চেস্ট প্লেইট গায়ে লাগিয়ে এক চীনা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছেন একদম নাক বরাবর! ‘ট্রান্সফার প্যাজেন্জার?’ শব্দগুলো উচ্চারণ করায় এবং পেছনের ডেস্কে ‘চাইনা চাউদার্ন’ দেখতে পাওয়ায় আর বুঝতে বাকি রইল না যে, এবার ঠিক জায়গায় এসে পৌঁছেছি। ভদ্র মহিলা প্রত্যেকের গায়ে ‘১৪’ নম্বরের একটি করে স্টিকার লাগিয়ে দিলেন। নম্বরের অর্থ যা-ই হোক, তাতে আমরা স্পেশাল যাত্রী হিসেবে চিহ্নিত হলাম। অতএব কোন ঝামেলা ছাড়াই একদিনের চিনা ভিজা নিয়ে এবার হোটেলে যাবার বন্দোবস্ত হয়ে গেলো।



ফেরার পথে অনেক বাঙালি যাত্রীর মধ্যে ‘মনসুর’ নামের একজনকে পেলাম। বাড়ি তার মুন্সিগঞ্জ। বিশাল আকৃতির ব্যাকপ্যাকসহ অতিরিক্ত আরও একটি ব্যাগ তার হাতে দেখে সঙ্গত কারণেই জিজ্ঞেস করলাম, কেন বিমানে পাঠালেন না। উত্তর এলো, বিমানে আর কত দেওয়া যায়? বুঝা যাচ্ছে অনেক দিন ধরে কোরিয়ায় শ্রম বিক্রি করছেন। পরিশ্রমী দেহ দেখে শ্রদ্ধায় মন ভরে গেলো। একই ফ্লাইটের যাত্রী হওয়ায় হোটেল ভাউচারে আমাদের নামের পাশে তার নামও পেলাম। নামটি বেশ কৌতূহল-উদ্দীপক: ‘কিম মনসুর’! মিস্টার কিম একই হোটেলে থেকেছেন। একই প্রক্রিয়ায় হোটেলে আসা। তবে ভিন্ন হোটেলে।



দুপুরে এসে গুয়াংজু পৌঁছালেও চেক-ইন করে হোটেল রুমে যাওয়া এবং গোসল ও পোশাকাচ্ছাদন বাবদ সাড়ে চারটা লেগে গেলো। তপ্ত আবহাওয়া। দুঃসহ। যেমন গরম, তেমনি আর্দ্রতা। বাংলাদেশের গরমকে হার মানায়। কোরিয়া, বিমান, গাড়ি, হোটেল – কোথাও এরকম গরমের সাথে সাক্ষাৎ ঘটে নি। যা হোক, বের হয়েছি ডাবল উদ্দেশ্য নিয়ে: ডিনার এবং চীন পরিদর্শন। এবার স্বস্তি একটু বেশি। যাবার পথে দেশের বিমানবন্দরেই অপ্রত্যাশিত ট্যাক্স-এ ১০০ আরএনবি হারিয়েছিলাম। অবশিষ্ট ছিলো মাত্র ৮৭ আরএনবি। সঙ্গে ছিলো একজন সহযাত্রী দেশি ভাই। বিদেশের মাটিতে অর্থাভাবের সাথে যুক্ত হয়েছিলো ক্ষুধা। এবার সাথে আছে পর্যাপ্ত চীনা মুদ্রা। তাছাড়া সঙ্গের ক্রেডিট কার্ডটিও এতদিনে ‘প্রাণ’ পেয়েছে। অতএব বিপদের নেই কোন ভয়।



ম্যাকডোনাল্ডস চীনে চিকেন স্ক্যান্ডালে পড়ার প্রেক্ষাপটে কেএফসিতে স্বাভাবিক ব্যস্ততা কম। আমার আবার চিকেনে কোন অভুক্তি নেই। সন্দেহও থাকার কোন ফুরসত আমার ছিলো না। এর প্রধান কারণ, গুয়াংজুতে খাবারের আর কোন বিকল্প না থাকা। টার্কি আকৃতির চিকেন পেলাম এক বাটি আঁঠালো সাদা ভাতের সাথে। কেএফসিতে সন্তুষ্টি নিয়েই খেলাম মাত্র ৫০ আরএনবি (৬৫০ টাকা) দিয়ে। বেড়িয়ে পড়লাম গুয়াংজু দর্শনে।







গুয়াংজু একটি উপ-প্রাদেশিক শহর যেটি ক্যানটন নামে অধিক পরিচিত। মূল প্রদেশের নাম গুয়াংডং। পূর্বদিকে চিনের মধ্যভাগে এর অবস্থান। হংকং থেকে ১২০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত গুয়াংজু চীনের অন্যতম বাণিজ্যিক বন্দর। এই শহরেই প্রতি বছর আয়োজিত হয় চীনের প্রধান বাণিজ্যমেলা ক্যান্টন ফেয়ার। ৭ হাজার ৪ শ’ বর্গকিলোমিটারের শহরটিতে প্রায় ১ কোটি ৩ লাখ লোকের বসবাস।



গুয়াংজুর যে এলাকাটিতে আমি ওঠেছি সেটি অপেক্ষাকৃত কম জনবহুল। পরিচ্ছন্নতা ঢাকার চেয়ে উত্তম নয়, তা রাস্তাঘাট এবং মার্কেটের সামনে জমে থাকা আবর্জনা দেখে বুঝতে পারলাম। কাঁচাবাজারের অবস্থা মোহাম্মদপুরে কৃষি মার্কেটের মতোই পরিষ্কার! ফলগুলোই কেবল কিছুটা অপরিচিত। মাংস খণ্ড দেখে অনেক চেষ্টা করেও বুঝতে পারলাম না, ওগুলো আসলে কিসের মাংস! রেস্টুরেন্ট হলে হয়তো ইশারা করে জানা যেতো। কেনাকাটার স্বভাব, পরিচ্ছদ এবং বাহন দেখে অধিকাংশ অধিবাসীকে মধ্য এবং নিম্নবিত্তের মাঝামাঝি অবস্থানের মনে হলো। প্রত্যেকের আছে একটি সাইকেলের মতো মোটর-বাইক। হাতে-তৈরি গাড়ির মতোই মনে হলো।







সময় পেলে আরও লেখার ইচ্ছা আছে। লেখার অনেক কিছু থাকলেও আপাতত ছবি দিয়ে শেষ করছি:





(গুয়াংজু বিমান বন্দরে নেমে বাসে করে যাচ্ছি এরাইভাল লাউন্জে)





(চীনের কেএফসিতে স্টাফগুলো নীলবর্ণের! বাংলাদেশে লাল/লালছে।)





(লে জিয়া সুপারমার্কেটের সামনে। ছুটির আমেজ, নাকি এমনিতেই মানুষ কম নিশ্চিত হতে পারলাম না।





(ফলের দোকান)





(ওভারব্রিজ থেকে নির্মাণাধীন বিল্ডিং।)









(ওভারব্রিজ থেকে সন্ধার গুয়াংজু)





(চীনের ঐতিহ্যবাহী চায়ের দোকান। হরেক রকমের চা। বিভিন্ন রোগের নিরাময়ের জন্য বিভিন্ন রকমের চা। আমি খেলাম ক্লান্তি দূর করা ও মাথা সতেজ করার চা। এতে কিন্তু দুধ বা চিনি জাতীয় কিছু নেই।)





*পূর্বের পর্ব

মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৫৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ভাল লেগেছে ।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:০১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
ধন্যবাদ সেলিম আনোয়ার ভাই। সময় নিয়ে আবার আসবো।

শুভেচ্ছা জানবেন... :)

২| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:১৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: পূর্ন হয়েও অপূর্ণ যেন..

ভ্রমনের আরো আরো বিস্তারিত চাই....

+++

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
ভাইজান, খুবই চাপের মধ্যে দিনাতিপাত করতেছি। আগের পোস্টে কথা দিয়েছিলাম - কথা রাখলাম ;)

সুযোগমতো আরও লেখার চেষ্টা করবো।

ধন্যবাদ, বিদ্রোহী ভৃগু :)

৩| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:২৯

আজমান আন্দালিব বলেছেন: ভ্রমণের আরো আরো বিস্তারিত চাই....

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
আমারে মাফ কইরা দেওন যায় না....
ঈমানে কইতাছি, আর কুনুদিন বিদেশ যামু না B-) ;)


লেখার মন পাই না রে ভাই....... :(

কিন্তু আপনারে থেংকু :)

৪| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৩১

জুলকার নাইন বলেছেন: আপনার গল্পটা প্রকারান্তে ছোট গল্প,শেষ হইয়াও হইলনা শেষ ।অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ।

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
জুলকার নাইন, তবু একটা প্রকারে ফেলে দিয়ে আমাকে রক্ষা করেছেন, ভাই।

আপনাকেও থেংকু :)

৫| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৫৩

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: এইটা কিছু হইলো ভাইয়া? শুরু হইতে না হইতেই শেষ করে দিলেন… :(

অপেক্ষায় রইলাম।

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
বলছিলাম, আমারে কি এইবার মাফ কইরা দেওনা যায় না?
লেহার সময় পাইতাছি না... মিজাজ ঠিক থাহে না আজকাল B-) ;)


তবু অপেক্ষায় থাকেন, প্রেমের লক্ষণ B-) ;) :D

৬| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৫৩

প্রবাসী পাঠক বলেছেন: ভ্রমন কাহিনীতে ভালো লাগা রইল।

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় প্রবাসী পাঠক :)

৭| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৫৭

আদনান শাহ্‌িরয়ার বলেছেন: যেহেতু হুট করে শেষ হলো তাই পরের পর্বের অপেক্ষা ছাড়া উপায় থাকলো না । মজা লাগছে মইনুল ভাই ! :)

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
নিশ্চয়ই... নিশ্চয়ই। অপেক্ষায় থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

ফ্যাক্ট অভ দ্য ম্যাটার হলো, লেখায় মিজাজ পাইতাছি না B-) ;)
অবশ্য সময়ও বিরাট ফ্যাক্টর হইয়া দাঁড়াইছে...

৮| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:২০

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: যাক এই পর্বে যথেষ্ট ছবি দিছেন !

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
যাক, আপনাকে তবে সন্তুষ্ট করা গেলো...


থেংকু স্বপ্নবাজ অভি :)

৯| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ১:০৮

ডি মুন বলেছেন: মাংস খণ্ড দেখে অনেক চেষ্টা করেও বুঝতে পারলাম না, ওগুলো আসলে কিসের মাংস!

B:-) B:-) B:-)


ছবিগুলো সুন্দর । +++

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
মাংস চেনার কৌতুকটা তো জানেনই....
তাই আর কইলাম না B-) ;)


শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ... প্রিয় ডি মুন :)

১০| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৫:৫২

মামুন রশিদ বলেছেন: ফেরার কাহিনী আমাদেরও ভালো লাগলো । কেবল আসা, কেবল যাওয়া- মুল গন্তব্যের পোস্ট কোথায়?

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

আপনি তো আসল জায়গায় ধরেছেন, ভাই। অন্য সবাইকে বুঝাতে পারলেও আপনাকে নিয়ে দেখছি একটু পপলেম হবেই B-) ;)


মূল গন্তব্যে অনেক বার গিয়েছি... কত দেবো... ?
তবু চেষ্টা থাকবে, জনাব :)

শুভেচ্ছা রইলো...... অফুরন্ত!

১১| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৪

শাহ আজিজ বলেছেন: গুয়াংটৌ যা গুয়াংজু নামে বাংলাদেশে পরিচিত তা গুয়াংতোং প্রদেশের রাজধানী ।এটাকে পৃথিবীর ফ্যাক্টরি বলা হয় । এই একক প্রদেশটি সারা চীনের ৮০% রপ্তানি করে যা এই প্রদেশেই তৈরি হয় । আশা করি এর পরের সুযোগে কদিন থেকে আরও ঘুরে দেখবেন । দেখার মত বহু স্থান আছে এখানে । যোগাযোগ ও যান ব্যাবস্থা খুব আরামদায়ক ।

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:০৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
আরও কিছু জানা হলো। গুয়াংডং এর রাজধানী গুয়াংজু সেটা লেখায় অবশ্য বলেছি। দু’দিনের ভ্রমণে বেশি কিছু লেখার ছিলো না।

পরের বার শুধু চীন দেখতেই যেতে হবে। এবার তো সুযোগ পেযেছিলাম।

ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা জানবেন, জনাব শাহ আজিজ ভাই :)

১২| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:২৬

সানজিদা আয়েশা সিফা বলেছেন: আপনার লেখার হাত বরাবরই ভাল । খুব ভাল লাগছিল , আরেকটু লিখলে আরও তৃপ্তি হত ।

পরবর্তী অংশের অপেক্ষায় :)

২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৩৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, সানজিদা আয়েশা সিফা :)

দেখি পরবর্তিতে আর কী লিখা যায়... লেখার সুযোগ হয় না... :(

শুভেচ্ছা রইলো.........

১৩| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৩৭

জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন: আরেকটু অপেক্ষায় থাকতে সমস্যা নাই। আস্তে ধীরেই লেখেন পরের অংশ।

২৭ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:০৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

আস্তে ধিরে... আচ্ছা।
বড় চাপে পইড়া গেলাম মনে হইতাছে... :|


ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা......

১৪| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:৪৩

স্বপ্নচারী গ্রানমা বলেছেন:
যাক আপাতত ভার্চুয়াল ভ্রমন হয়ে গেল ! |-) |-)

অনেক ভালোলাগা, মইনুল ভাই ।

২৭ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:১২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
দুঃখিত দিল খুলে লেখতে পারলাম না.... :(

শুভেচ্ছা জানবেন :)

১৫| ২৭ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৫:০৮

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


যাক তাহলে কথা রেখেছেন। ছবি সংযুক্ত করার জন্য কৃতজ্ঞতা ভাই। ++++++++

২৭ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:১৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

আপনাকে খুশি করতে পেরে আমিও আনন্দিত, কাণ্ডারি অথর্ব :)

ভালো থাকবেন....

১৬| ২৭ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:১৭

মুনতাসির নাসিফ (দ্যা অ্যানোনিমাস) বলেছেন: আপনার সাথে সাথে আমিও খানিকটা দেখে নিলাম মনোজ্ঞ ভ্রমণ লগটার সুবাদে ... :)

ধন্যবাদ সেজন্য ...

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৯:৩৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

বেশি দেখাতে পারি নি, ভাই। আমিই অতৃপ্ত :(

তবু পড়ে যাচ্ছেন, এজন্য ভালো লাগে।

ভালো থাকবেন, অ্যানোনিমাস! :)

১৭| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ১:২৭

জাফরুল মবীন বলেছেন: প্রাণবন্ত বর্ণনার সাথে এবার বেশ ছবি পাওয়া গেল।ভাল লাগল।ধন্যবাদ মইনুল ভাই।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৯:৪০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

ছবির ওপরই ভরসা। লেখতে বেশি পারি নি।

তবু আন্তরিক মন্তব্যে খুশি হই :)


অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, জাফরুল মবীন :)

১৮| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৯:৫৬

তোমোদাচি বলেছেন: আগের গুলো মিস করেছি পড়তে হবে

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৯:৪১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
ডক্টর তোমোদাচিকে অনেক দিন পর পেয়ে আনন্দিত :)

ভালো থাকুন প্রবাসে...........

১৯| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১২:২৬

লিরিকস বলেছেন: কোরিয়ার ছবি কবে পাব ভাইয়া?

এখানে +

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৯:৪৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
সময় এলেই পাবেন ;)
ভাবছি কীভাবে লেখবো...... চিন্তাগুলো দেরি হলে এলোমেলো হয়ে যায়।

লিরিকসকে অনেক থেংকু :)

২০| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ১২:১৯

আরজু পনি বলেছেন:

বাহ বেশ !

আশা করি সামনে আরো লেখা এবঙ ছবি পেতে যাচ্ছি...
শুভকামনা রইল ।।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৯:৪৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

পুরাতন কিছু ভ্রমণ পোস্ট আছে। প্রথম আলো ব্লগ বন্ধ হবার ফলশ্রুতিতে কিছু ‌'বাস্তহারা পোস্ট' আপনারা শিঘ্রই দেখতে পাবেন, ইনশাল্লাহ! ;)


থেংকু আরজুপনি..........
ভালো থাকা হোক :)

২১| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৮:২১

কালের সময় বলেছেন: ভাই বেশি না হোক সামান্য একটু বেশি করে লেখলে ভাল হতো ।
পোষ্টে ++

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৯:৪৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
একদম খাঁটি কথা। এজন্য আমি আফসোস, পরিতাপ ও অনুশোচনা প্রকাশ করে যাচ্ছি সকল সহব্লগারের কাছে :) ... আপনার কাছেও।

ভাবনাগুলো এলোমেলো এবং অবাধ্য
সময় এবং সুযোগগুলোও পালিয়ে বেড়ায় :(

প্লাসের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, কালের সময় :)
শুভেচ্ছা অফুরন্ত!

২২| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৮:৩১

ইমরান আশফাক বলেছেন: গুয়াংজু শহরের আশেপাশে আমাদের নবীজির আপন মামার (নামটা খেয়াল নেই) মাজার আছে না? আর চীনের যে কোন জায়গায় কি একটা বল্লে ওরা বুঝতে পারে যে আপনি হালাল খাবার চাচ্ছেন (দু:খিত এটাও খেয়াল করে রাখতে পারি নাই)।

আপনি নীচের লিংকটিতে গুয়াংজু শহরের হালাল রেস্তোরাগুলোর খোজ পাবেন:

Click This Link

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৯:৫১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ, নাম আমি বের করে নেবো পরের বারে গেলেই।

ভালো থাকবেন, ইমরান আশফাক :)

২৩| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:০২

লিরিকস বলেছেন: ভাইয়া গানটা আপনার জন্য :)

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:৩১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

পেয়েছি। অনেক ধন্যবাদ :)

২৪| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৩৬

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: মামুন রশিদ বলেছেন: ফেরার কাহিনী আমাদেরও ভালো লাগলো । কেবল আসা, কেবল যাওয়া- মুল গন্তব্যের পোস্ট কোথায়?

মূল গন্তব্যও নেই সাথে নেই সেই প্রতিশ্রুত কিমচি :(

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৪৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

ভাইরে, সময় পাচ্ছি না.... লিখতে তো কতকিছু মন চায় :(

কিমচির সাগর বইয়ে দেবো.... কোন দিন দেখা হোক....
ওটা নিয়ে চিন্তা করবেন না....


অনেক শুভেচ্ছা প্রিয় *কুনোব্যাঙ* :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.