নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

উন্নয়ন ও মানবাধিকার কর্মী। শিশুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের অধিকার এবং নারীর অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতার জন্য কাজ করি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাজনীতি ইত্যাদি বিষয়ে কৌতূহলী।

মাঈনউদ্দিন মইনুল

মুখোশই সত্য!

মাঈনউদ্দিন মইনুল › বিস্তারিত পোস্টঃ

লেখার ‘মুড’ না থাকলে আপনি কী করেন/করবেন? লেখকের মনস্তাত্ত্বিক দেয়াল ভাঙার উপায়...

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫০



১.
লেখার মনোভাব নিয়ে একেকজনের একেক মত। কেউ বলেন বসন্তকাল এলে আমার লেখার ভাব আসে। পাখ-পাখালির ডাক আর ফুলের গন্ধ আমার জন্য নিয়ে আসে লেখার বার্তা। শরতের শুভ্র কাশফুলের মেলা কোন লেখকের জন্য অত্যাবশ্যক হয়ে পড়ে। বলুন, শীত না এলে কি কিছু লেখা যায়? কিন্তু কেউ আবার বলেন, বর্ষাকালই আমার লেখার সময়। টিনের চালে বৃষ্টির ঝমঝম শব্দ আমার লেখার মুডকে সচল করে দেয়। কেউ বলেন সবঋতুতেই আমি লেখতে পারি, শুধু রাতটা একটু গভীর হতে হয়।

কেউ কেউ একটু অদ্ভুত কিসিমের। বলে কিনা, হাতের কাজ শেষ না করে আমি লেখতে বসে পারি না! বাচ্চাকে ঘুম পাড়িয়ে, হাড়িপাতিল ধুয়ে, বাচ্চার বাপরে ‘গুডবাই’ জানিয়ে তারপর আমি লেখার মুড হাতে পাই। “বাসনকোসন ধোয়ার সময় হলো বই লেখার পরিকল্পনা করার শ্রেষ্ট সময় (আগাথা ক্রিস্টি, ক্রাইম নোভেলিস্ট)”। কেউবা বলে, গ্যাসবিদ্যুৎপানির বিল, বাড়িভাড়া, স্কুলের বেতন, গাড়ির তেল, অর্থাৎ মাসের সব বিল পরিশোধ না করা পর্যন্ত আমি লেখায় মন বসাতে পারি না। অতএব লেখালেখি সবকিছু মাসের পনের তারিখের পর।

আরেক পক্ষ আছে যারা ব্লগার নামে পরিচিত। তাদের কেউ কেউ বলেন, ব্লগের টেম্পলেট ছাড়া তাদের লেখার মুড আসে না। এমনকি অফলাইনে বা এমএস-ওয়ার্ডে গেলেও হবে না। ব্লগ ছাড়া লেখার ভাব আসে না!

পরীক্ষা খারাপ হয়েছে, বা আম্মুর সাথে ঝগড়া হয়েছে, অথবা সোয়ামি/বিবির সাথে কিঞ্চিৎ মনোমালিন্য হয়েছে, অথবা কাছের বন্ধুটির সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। এরকম পরিস্থিতিতে কি কিছু লেখা যায়, বলুন?

এরা সকলেই পরিস্থিতির কাছে আবদ্ধ। পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে তারা লেখতে পারেন না। ভাবনার স্বাধীনতা হয়তো এদের আছে, তবে সেটি কোন একটি শর্তের অধীন। এটি একটি মানসিক অবস্থা – কোন নেতিবাচক দিক নয়।

লেখার জন্য ‘ভাবনার স্বাধীনতাকে’ বিবেচনায় এনে, চলুন দুনিয়ার লেখককুলকে দু’ভাগে ভাগ করে নেই। একদলের নাম দিলাম, গণ্ডিভুক্ত। আরেক দলের নাম গণ্ডিমুক্ত। গণ্ডিভুক্ত যারা, তারা সবসময় লেখার জন্য একটি অজুহাত/কারণ/উসকানির প্রয়োজনীয়তা বোধ করেন। অতএব, লেখার শুরুতে যাদের কথা বললাম, তারা হলেন গণ্ডিভুক্ত।

এবার বলছি, গণ্ডিমুক্ত লেখকদের কথা। কবি টাইপের এই লেখকেরা একটু স্বাধীনচেতা। কবি টাইপ বলতে অত্যাবশ্যকভাবে কবি বা কবিতার লেখককে বলছি না। কবিতার লেখক হতে পারেন, অথবা গল্প/প্রবন্ধের লেখকও হতে পারেন। লেখক মানসকে বুঝাচ্ছি। তারা চলন্তগাড়িতেও দিব্বি লেখে যান। হাঁটতে দৌড়াতে সাঁতার কাটতে ওয়ার্কআউটে ঘুমাতে ইয়ে করতে সবকিছুতে তারা লেখে চলেন। কলম নিয়ে অথবা কলম ছাড়া। কমপিউটারে অথবা শূন্য আকাশে। লেখে অথবা না লেখে। সকল অবস্থায় তারা লেখে চলেন। কিছু লেখা কাগজে পায় প্রকাশ, কিছু লেখা থেকে যায় মস্তিষ্কে। লেখা থেমে থাকে না।

উচ্ছ্বাস আবেগ চেতনা দ্বারা যারা তাড়িত হন, তাদের না আছে পরিস্থিতির প্রয়োজন, না আছে কোন প্রতিবন্ধকতা। মার্কিন কবি ও সমাজকর্মী মায়া এন্জেলো’র মতে, মানুষের ভেতরে না-বলা-কাহিনির যে বেদনা, এর চেয়ে পীড়াদায়ক আর কিছু নেই।


২.
লেখক কখনও পরাধীন নন। তিনি পরিস্থিতির অপেক্ষায় থাকেন না, পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। তিনি খণ্ডকালীন লেখকও নন। তিনি দিনের চব্বিশ ঘণ্টা এবং সপ্তাহের সাতদিনই লেখক। হতে পারে, তার অন্য একটি পেশাগত নাম আছে। হতে পারে, তার অন্য একটি সামাজিক পরিচয় আছে। তিনি লেখক সবসময়ের। কিন্তু মনের ভেতর একটি অদৃশ্য দেয়ালের কারণে গভীর জীবনদর্শন থাকলেও অনেকেই লেখতে পারে না। তার আত্মপ্রকাশের বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে একটি মনস্তাত্ত্বিক দেয়াল। নিজে ছাড়া কেউ তা জানে না।

প্রশ্ন হলো, এই মনস্তাত্ত্বিক দেয়াল কীভাবে অতিক্রম করা যায়? লেখক কি সবসময়ই পরিস্থিতি-নির্ভর হয়ে থাকবেন বা থাকেন? আমি মনে করি, না। লেখার চিন্তা মাথায় থাকার পরও লেখতে না পারার এই সমস্যাটি প্রাথমিক পর্যায়ের। কেউ স্বাভাবিক নিয়মেই একে অতিক্রম করেছে, কেউবা সচেতন চেষ্টার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে।

মনস্তাত্ত্বিক দেয়ালটি ভাঙার জন্য প্রথমেই নিজের সাথে বোঝাপড়াটুকু শেষ করে নেওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি একান্তই নিজের সাথে নিজের। প্রশ্নটি হলো কেন লেখক হতে হবে? কী ‘বিষয়’ আছে যে, তা লেখে যেতে হবে? ডায়েরি লেখে লেখক হয়েছিলেন জার্মানির অ্যান ফ্রান্ক। তিনি বলেছিলেন, লেখার মধ্য দিয়ে আমি সব (নেতিবাচকতা) ঝেড়ে ফেলতে পারি। আমার দুঃখ সব দূর হয়ে যায়, সেখানে জন্ম নেয় সাহস। তার মতে, লেখার মধ্য দিয়ে সমাজে নিজের আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

যারা নিজের সময়-সমাজ-প্রেক্ষিতকে ইতিহাসের ক্যানভাসে এঁকে যেতে চান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য, তারা লেখা থেকে শক্তি পাবেন। মার্কিন ছোটগল্প লেখক স্কট ফিটজেরাল্ট বলেছেন, আপনি ‘বলতে চান’ বলেই যে লেখছেন বিষয়টি তা নয়, বরং আপনার ‘বলার কিছু আছে’ বলেই আপনি লেখেন।

জীবনকে এর নিজস্বতায় না দেখলে এই বলার ভঙ্গি সৃষ্টি হয় না। এটি আসে স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই – জীবনকে যাপন করার মধ্য দিয়ে। সচল রাখতে হয় স্বাভাবিক অনুভূতিগুলো: আনন্দ পাওয়া, মজা পাওয়া, বিস্মিত হওয়া, তৃপ্ত হওয়া ইত্যাদি। লেখক নিজে যদি বিস্মিত না হন, তবে তার কথা পাঠককে কখনও বিস্মিত করবে না। লেখক অনুভূতিপ্রবণ। তার অশ্রু ঝরলে পাঠকেরও অশ্রু ঝরবে (রবার্ট ফ্রস্ট)।


৩.
মনস্তাত্ত্বিক দেয়াল। প্রতিনিয়ত আমরা ভেতরের অগণিত দেয়াল ভেঙ্গে চলি। এভাবে আমরা সামাজিক প্রাণীতে উন্নীত হই। মনে পড়ে, প্রাইমারি স্কুলের লাজুক সময়ের কথা অথবা ছোটবেলার স্বার্থপর সময়গুলোর কথা, যখন সবকিছুকে ‘নিজের’ মনে হতো? দেয়াল ভাঙ্গার মধ্যেই যেন নিজেকে প্রকাশের সকল রহস্য আটকে আছে। লেখতে গেলে প্রথম যে দেয়ালটি ভাঙতে হয় তা হলো, নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে ভয়ঙ্কর অবিশ্বাস। এত লেখকের ভিড়ে আমি আর কী লেখবো, এরকম মনোভাব লেখক সত্ত্বাকে জন্মের আগেই মৃত্যু ঘটায়।

লেখক হবার বিষয়টি স্বাভাবিক হোক, কিংবা সচেতন প্রচেষ্টার মাধ্যমে হোক, লেখক কিছু প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে চলেন। স্বাভাবিক ধারাতেই দেয়াল ভেঙ্গে চলেন। এগুলো তাকে লেখক হিসেবে স্বাধীন সত্ত্বা দান করে। অভ্যাসবশতই মানুষ এমন কিছু করে, যা তাকে লেখক হিসেবে গড়ে তোলে। যেমন: বইপড়া, প্রকৃতির প্রতি অনুভূতিশীল হওয়া, রোজনামচা রাখা ইত্যাদি। কেউবা ইচ্ছাকৃতভাবেই কিছু অতিরিক্ত কাজ করেন, যার মধ্য দিয়ে তিনি লেখকের মনোভাব লাভ করেন। এসব নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা করার চেষ্টা করেছি। কিছু বিষয়কে আমি তারকাচিহ্নিত করেছি, যা নবীন লেখকদের জন্য বিশেষ উপকারী।

1) প্রিয় লেখকের বই পড়া: প্রিয় এবং নিজের ঘরানার লেখক/বিষয়ে বই পড়া। পড়ার বিকল্প একটি বিষয়ই আছে। সেটি হলো, পড়া। ইন্টারনেটের যুগে পড়া আরও সহজ হয়েছে।

2) প্রচলিত মাধ্যমের সাথে সংযোগ রাখা: অনেক সময় একটি সিনেমা দেখে লেখক অনুপ্রাণিত হয়ে সম্পূর্ণ মৌলিক একটি রচনা সৃষ্টি করেন। ব্লগ/পত্রিকা পড়া, নাটক দেখা এবং বন্ধুর সাথে আড্ডা দেবার অভ্যাসকে ধরে রাখা।

3) চোখ-কান-নাক সচল রাখা: নিজের পর্যবেক্ষণকে সচল রেখে এবং অনুভূতিশীল থেকে সামাজিক জীবনকে বোঝার চেষ্টা থাকা।

4) *লেখার উদ্দেশ্য থাকা: নজরুল চেয়েছিলেন ঔপনিবেশিক শাসনের বিলুপ্তি আর নিজের সমাজে সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য। স্টিভ জবসের বায়োগ্রাফার (ওয়াল্টার আইজাকসন) চেয়েছিলেন তার লেখায় স্টিভ জবসকে মানুষ চিনুক।

5) লেখার অডিয়েন্স ঠিক থাকা: লেখার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট পাঠকশ্রেণী লেখকের মনে থাকা। অনেক নবীন ব্লগার আছেন, যারা ব্লগের পাঠকদের মনোভাবকে লক্ষ্য করে লেখেন। (এটি অবশ্য সকলের ক্ষেত্রে কার্যকর নয়।)

6) প্রতিদিন লেখা: লেখক হতে চাইলে আপনাকে প্রতিদিন লেখতে হবে, কারণ (পানি আনতে) কূয়োর কাছে আপনি মাঝে মাঝে যান না, প্রতিদিনই যান (ওয়াল্টার মোসলি, মার্কিন ঔপন্যাসিক)।

7) সহজ উপস্থাপনা: লেখার বিষয় ও ভাষাকে যথাসম্ভব সহজ ও প্রাঞ্জল রাখার চেষ্টা।

8) *ঘুমানো/ ঠাণ্ডা মেজাজ: সুযোগ পেলে লেখার পূর্বে ঘুমিয়ে নেওয়া। ঘুমের ওপর ওষুধ নেই। সেরা মুড-বুস্টার। মেজাজ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় থাকলে ভালো। এলক্ষ্যে অনেকে ইয়োগা চর্চা করেন।

9) গুণী মানুষের উদ্ধৃতি: উদ্ধৃতিকে বলা যায় একেকটি দর্শন-কণা যা একটি জীবনমুখী সত্যকে মূর্ত করে তোলে। লেখার ধারণা সৃষ্টি করার জন্য উদ্ধৃতি বিশেষভাবে সাহায্য করে।

10) ধর্ম ও ইতিহাস: ধর্মীয় পুস্তক এবং ইতিহাস উভয়েরই নিজস্ব কিছু তথ্য ও সত্য রয়েছে, যা না পড়লে অন্য কোথাও জানার সুযোগ নেই। অথচ লেখকের প্রেরণার জন্য তা অত্যন্ত প্রয়োজন।

11) নিজস্বতাকে গ্রহণ করা: সবারই স্বকীয়তা আছে। কথা বলার ভঙ্গি যেমন এক নয়, লেখার ভঙ্গিও সকলের এক হয় না। নিজের স্বাভাবিক প্রকাশভঙ্গিকে বুঝা এবং মেনে নেবার মধ্যে লেখক স্বত্ত্বা গড়ে ওঠে।

12) লেখক পরিচয়: লেখক হিসেবে পরিচয় দেওয়া। তাতে লেখক হিসেবে দায়িত্ববোধ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে ছোট মনে হলেও, পরিশেষে বিশাল সুফল নিয়ে আসে।

13) লেখক মানস: লেখকের মনে থাকতে হয় লেখকের মানসিকতা। বিষয় থেকে ব্যক্তিকেন্দ্রীকতা আলাদা করা। নিজের সমাজ-পরিস্থিতিকে লেখ্যরূপ দেবার সার্বক্ষণিক চিন্তা।

14) মানুষের সাথে সম্পর্ক: মানুষের সাথে সহজাত সম্পর্কের মধ্য দিয়ে আসে লেখার মৌলিক উপাদান। মানুষের আচরণকে বুঝতে না পারলে লেখার বিষয় খুঁজে পাওয়া কঠিন।

15) প্রেরণার নিজস্ব উৎসকে খুঁজে নেওয়া: ভিক্টোর হুগো কফির গন্ধ না পেলে লেখতে পারতেন না।

16) *নোট রাখা: যখন ভাবনা তখনই লেখে রাখার ব্যবস্থা রাখা। নোটবুক/ডায়েরি/ট্যাব/স্মার্টফোনে লেখে রাখলেই পাখির মতো চঞ্চল ভাবনাগুলোকে আটকে রাখা যায়।

17) *মুক্তলেখা: দিনের একটি স্বস্তিদায়ক সময়কে বেছে নিয়ে ১০মিনিট যেকোন বিষয়ে লেখা।

18) *ছোট ছোট কথা: হয়তো সব লেখাই সাহিত্য হবে না। তবু সবকিছু লেখে প্রকাশ করার অভ্যাস রাখুন। ফেইসবুকে হলেও লেখুন। বন্ধুকে মেসেজ পাঠাবেন: যত্ন করে গুছিয়ে লেখুন আপনার বার্তা। ছোট ছোট কথা হতে পারে ভবিষ্যত লেখার পাথেয়।

(... এমন আরও অনেক পাওয়া যাবে অভিজ্ঞতা থেকে)



লেখার মুড/মনোভাব বিষয়ক এই পোস্টগুলোতে শুধুই কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হলো। কোন নীতিমালা বা মতবাদকে প্রতিষ্ঠিত করা এই লেখার উদ্দেশ্য নয়। পাঠক আছেন বিভিন্ন মতের/পথের ও মনোভাবের। সবার জন্য সবকিছু একই সাথে প্রযোজ্য হবে না, হবার নয়। এই লেখার বড় ত্রুটি হলো, সংক্ষিপ্ততা। বিশদ কোন আলোচনা নেই। তাই ওপরের আলোচনাকে শুধুই একটি রেফারেন্স হিসেবে বিবেচনা করলে বাধিত থাকবো। এটি কোন নির্দেশিকা/পরামর্শ নয়। [সমাপ্ত]


লেখার ‘মুড’ নিয়ে সূচনা পোস্টটি Click This Link

ভাষার সাথে ভাবনার সংঘাত: লেখা নিয়ে লেখা Click This Link



---------------------------
*ছবিটি libbycole.files.wordpress.com থেকে নেওয়া।

মন্তব্য ১১০ টি রেটিং +২২/-০

মন্তব্য (১১০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫৯

গেম চেঞ্জার বলেছেন: চা টা শেষ করেই মন্তব্য করি?

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

হাহাহা.... তাই করুন :)

২| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৯

বাসার বলেছেন: ভাল লেখা।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
ধন্যবাদ....
আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগত জানাই, বাসার :)

৩| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫২

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: আমি মারাত্মক স্বাধীনচেতা লিখিয়ে(লেখক বলব না)| কোন বাঁধা কাজ করে না| বাবা অসূস্থ ছিলেন, অপারেশন থিয়েটারে, তখনও লিখেছিলাম ফোনে, অবশ্য ঐ সময়ের বর্ণনা| যখন ইচ্ছা লিখি, যা ইচ্ছা লিখি| লেখার কিছু না থাকলে পড়ি, যা পড়েছি তা নিয়ে লিখি, প্যারডি করি| ডাইরি তো আছেই| এভাবে যে কত বুক রিভিউ জমা হয়েছে, বলতে পারব না|
আপনার পোস্টটা দারুন| পরিচ্ছন্ন উপস্থাপনা

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
ভালো অভ্যাস....
আপনার মন্তব্য অন্যের জন্য প্রেরণার হতে পারে!

৪| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:০০

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া আমার তো মন খারাপ থাকলেও লেখা আসে, মন ভালো থাকলেও, হাসি হাসি ম্যুডে থাকলেও , রাগ রাগ ম্যুডে থাকলেও, পাগলামী ম্যুডে থাকলেও।


:) :)


তবে লেখা হয়না। কারণ আমি ইজি কাজে বিজি থাকি। থালাবাটি ধোয়া টাইপটা আমার হবে।:)

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
আরে.... ইস্টার ব্লগার শায়মা যে!!!!

আপনি তো জাতি লেখক... সব লেখায় আপনার রয়েছে ঈশ্বর-প্রদত্ত দক্ষতা...
এর যত্ন নিন... ইজি কাজে বিজি থাকবেন না... :)

শুনুন... থালাবাটি ধোয়া খারাপ কিছু না... কিন্তু লেখালেখি আরও ভালো!
যা লেখবেন তা-ই থাকবে.... হুম /:)

৫| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:১১

গেম চেঞ্জার বলেছেন: লেখতে গেলে প্রথম যে দেয়ালটি ভাঙতে হয় তা হলো, নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে ভয়ঙ্কর অবিশ্বাস। এত লেখকের ভিড়ে আমি আর কী লেখবো, এরকম মনোভাব লেখক সত্ত্বাকে জন্মের আগেই মৃত্যু ঘটায়।


এই পোস্টের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাক্য বলে এটাই মনে হলো।

এখন আমার কথা বলি। আমি র‌্যানডমলি লিখি। কোন সময় কোবতে, কোন সময় ছড়া, কোন সময় প্রবন্ধ, কোন সময় গল্প। ড্রাফটে সবসময় ৪০-৫০টা লিখা থাকে।

মইনুল ভাই! এই অভ্যাসটা কি ভাল? না ভাল না? আপনার মত বলেন। অবশ্যই ক্লিয়ার করে বলবেন।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

খুবই ভালো অভ্যাস। একসময় একটি জেনারে গিয়ে থামবে... ওখান থেকে মাস্টারপিস বের হয়ে আসবে...

কিন্তু অভ্যাস ধরে রাখাটাই চ্যালেন্জ! ধরে রাখুন এবং ব্লগে লেখুন...
ঠেকায় কে!

৬| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:১৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: 18) *ছোট ছোট কথা: হয়তো সব লেখাই সাহিত্য হবে না। তবু সবকিছু লেখে প্রকাশ করার অভ্যাস রাখুন। ফেইসবুকে হলেও লেখুন। বন্ধুকে মেসেজ পাঠাবেন: যত্ন করে গুছিয়ে লেখুন আপনার বার্তা। ছোট ছোট কথা হতে পারে ভবিষ্যত লেখার পাথেয়।

এটা বেশি ভাল লেগেছে ।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ, জনাব গিয়াস উদ্দিন লিটন ভাই....
সঙ্গে থাকলে প্রেরণা পাই :)

৭| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৬

শামছুল ইসলাম বলেছেন: প্রচন্ড আগ্রহ নিয়ে আপনার লেখাটার জন্য অপেক্ষা করছিলাম।

পুরোটা এখনো শেষ করিনি, রবার্ট ফ্রস্ট-এ এসে থমকে গেলামঃ

//জীবনকে এর নিজস্বতায় না দেখলে এই বলার ভঙ্গি সৃষ্টি হয় না। এটি আসে স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই – জীবনকে যাপন করার মধ্য দিয়ে। সচল রাখতে হয় স্বাভাবিক অনুভূতিগুলো: আনন্দ পাওয়া, মজা পাওয়া, বিস্মিত হওয়া, তৃপ্ত হওয়া ইত্যাদি। লেখক নিজে যদি বিস্মিত না হন, তবে তার কথা পাঠককে কখনও বিস্মিত করবে না। লেখক অনুভূতিপ্রবণ। তার অশ্রু ঝরলে পাঠকেরও অশ্রু ঝরবে (রবার্ট ফ্রস্ট)।//


বাকী টুকু পড়ে বিশেষ কিছু পেলে আবারও ফিরব।

ভাল থাকুন। সবসময়।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:১৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
নিয়মিত মন্তব্য দিয়ে অনুপ্রাণিত করার জন্য আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ হয়ে আছি :)


//জীবনকে এর নিজস্বতায় না দেখলে এই বলার ভঙ্গি সৃষ্টি হয় না। এটি আসে স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই – জীবনকে যাপন করার মধ্য দিয়ে। সচল রাখতে হয় স্বাভাবিক অনুভূতিগুলো: আনন্দ পাওয়া, মজা পাওয়া, বিস্মিত হওয়া, তৃপ্ত হওয়া ইত্যাদি।// -এই অংশটুকু ফ্রস্ট সাহেবের নয়, পোস্ট লেখকের... হাহাহা :)

ভালো থাকবেন....

৮| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৩

শামছুল ইসলাম বলেছেন: আপনার লেখায় অনেক চিন্তার খোরাক আছে।

এই ভাবনার জানালাটা খুলে দেওয়ার জন্য মইনুল ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

তবে [সমাপ্ত] কথাটা বুকে খুব বেজেছে।

ভাল থাকুন। সবসময়।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:২৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
লেখার 'মুড' নিয়ে আর লেখার মুড পাচ্ছি না ;)

অন্যকিছুতে যেতে চাই....

এবং ভবিষ্যতে লেখার শেষে 'চলবে' বলা থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকার চেষ্টা করবো ;)

'সমাপ্ত' মানে লেখক এবার দায়মুক্ত। দায়মুক্তি সৃজনশীলতার খালাম্মা... হুম /:)

৯| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৪

ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: ইশ লেখকদের কত্ত সমস্যা। একেকজনের একেক সময় লেখার মুড আসে।

তবে

কেউ কেউ একটু অদ্ভুত কিসিমের। বলে কিনা, হাতের কাজ শেষ না করে আমি লেখতে বসে পারি না! বাচ্চাকে ঘুম পাড়িয়ে, হাড়িপাতিল ধুয়ে, বাচ্চার বাপরে ‘গুডবাই’ জানিয়ে তারপর আমি লেখার মুড হাতে পাই। “বাসনকোসন ধোয়ার সময় হলো বই লেখার পরিকল্পনা করার শ্রেষ্ট সময় (আগাথা ক্রিস্টি, ক্রাইম নোভেলিস্ট)”। কেউবা বলে, গ্যাসবিদ্যুৎপানির বিল, বাড়িভাড়া, স্কুলের বেতন, গাড়ির তেল, অর্থাৎ মাসের সব বিল পরিশোধ না করা পর্যন্ত আমি লেখায় মন বসাতে পারি না। অতএব লেখালেখি সবকিছু মাসের পনের তারিখের পর।

এই ব্যাপারগুলি জানা ছিলনা। বুঝা গেল যারা লেখক/লেখিকা বাসনকোসন ধুয়া থেকেও সৃজনশীল কিছু হয় তাহলে।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:২৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
হুম... বুঝলেন তো এবার.... ভান্দবি ;)

এবার যেন আর লেখা বন্ধ না করেন....
যা লেখবেন, তা-ই থেকে যাবে...

ভালো থাকুন.... পেদুচা আফা B-)

১০| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৭

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: চমৎকার লেখা, পছন্দের সাথে প্রিয়তে রইল। আপনার লিস্ট ধরে নিজের মাঝে বিষয়গুলো খোঁজ করে দেখলাম, ফলাফলটা নাইবা বললাম। ধন্যবাদ আপনাকে এমন একটা টপিক নিয়ে পোস্ট দেয়ার জন্য। ভাল থাকুন সবসময়, শুভকামনা রইল। :)

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:২৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

বোকা মানুষ... আপনার আন্তরিক মন্তব্যে সবসময় শক্তি পাই... যা খুবই দরকারি বিষয় :)

ভালো থাকা হোক....

১১| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:১১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: মানুষের ভেতরে না-বলা-কাহিনির যে বেদনা, এর চেয়ে পীড়াদায়ক আর কিছু নেই। সহমত +

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:২৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
কৃতজ্ঞতা জানবেন, প্রিয় কবি :)

১২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:০১

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন: অতি প্রয়োজনীয় পোস্ট । নিয়মিত লেখা মানুষের হতাশা বিলুপ্ত করে । সুন্দর মন গড়ে তোলে । ভাবতে শেখায় ।

একেকটা লেখার সমাপ্তি লেখককে একেকটা যুদ্ধ জয়ের সমান আনন্দ দেয় !!!

খুব ভাল লেগেছে পোস্টে ।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

//নিয়মিত লেখা মানুষের হতাশা বিলুপ্ত করে। সুন্দর মন গড়ে তোলে। ভাবতে শেখায়। একেকটা লেখার সমাপ্তি লেখককে একেকটা যুদ্ধ জয়ের সমান আনন্দ দেয়।//

-দারুণ বলেছেন :)

১৩| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: ১৬ আর ১৮ আমার বেলায় খাটে।
খুব সাবলীলভাবে বলে যাওয়া কথাগুলো পড়ে মুগ্ধ হ'লাম।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানবেন..... জনাব খায়রুল আহসান ভাই :)

১৪| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ২:৩৩

মৃদুল শ্রাবন বলেছেন:

একটা প্রশ্ন বেশ কয়েক বছর ধরে মনের মধ্যে ঘুরপাক খায়। লেখালেখি টা মানুষের ভেতরের কোন সয়ংক্রিয় স্বত্তা নয় কি? এটা কি ভেতর থেকে নিজে নিজে আসে নাকি টেনে আনতে হয়?

কখনো মনে হয় লেখালেখিটা টেনে আনার কিছু না। এটা স্বাভাবিক ভাবেই যদি বেরিয়ে আসে তবে তুমি লেখক। না হলে টানাটানির কিছু নেই। কোন কবিকে কবিতা লেখার জন্য কলম কামড়াতে হয় না। কবির মনে যদি ভাব আসে তবে হাতে কলম একটা থাকলেই হল। এফোর সাইজ বা রুলটানা খাতার প্রয়োজন পড়ে না। আমি আমার পুরানো পান্ডুলিপি গুলো দেখে এখন অবাক হই। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর পোষ্টার থেকে শুরু করে ফিজিক্স প্রথম পত্রের প্রশ্নের পেছনও বাদ যাইনি।
কিন্তু এখন অনেক বছর হল অমন ভাব আর আসে না। আমি ভাব আনার জন্য জোরও করিনা। অপেক্ষা করছি। স্বত্তাটা যদি বেঁচে থাকে তবে হয়তো নিজেই বেরিয়ে আসবে আবার কোন একদিন।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

চমৎকার আত্মসাক্ষ্য! মৃদুল শ্রাবণকে অনেকদিন পর পেয়ে ভালো লাগছে....

সত্যিই জোরের বিষয় নয়। লেখক সত্ত্বাটাও মরে যাবার নয়।
লেখার ভাব আসুক... এই কামনায় :)

১৫| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:০৯

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


কি জানি ভাই ! এতকিছু মাথায় ঢোকেনা। তবে এইটুকু বুঝি প্রচুর জ্ঞান এবং মেধা না থাকলে লেখক হওয়া সম্ভব না। কেউ কেউ হুদাই লেখে এই যেমনঃ আমি।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

হুম... আপনি নিজেই এক চমৎকার দৃষ্টান্ত।
ব্লগে অনেক লেখকের প্রেরণা...


ধন্যবাদ.... কাণ্ডারি অথর্ব :)

১৬| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৪০

রাহমান বিপ্লব. বলেছেন: একসময় পাগলের মত লিখতাম। বাসে-ট্রেনে দাঁড়িয়ে থেকেও খাতায় লিখে ফেলতাম। এরপর একটা সময় বিভিন্ন আইডিয়া/বিষয়/দর্শন টাইম বাক্য মাথায় আসলে তা মোবাইলের টেক্সট এ লিখে রাখতাম চলার পথেই। খুব দ্রুত এত কবিতা লিখেছি যা শুনে আশপাশের মানুষ অবাক হতই, সাথে লেখক আড্ডাগুলোতে কবিতাগুলো মানোত্তীর্ণ হিসেবে স্বীকৃতি পেত। হঠাত কী যে হল! মায়ের এক বাক্স কবিতা ো লেখা গুলো নিয়ে চিন্তা করে দেখলাম লেখার মূল্য ঠিক কোথায়?

এরপর ইচ্ছাকৃত লেখা বন্ধ করে দিয়েছিলাম আজ থেকে ৩ বছর আগে। এর মাঝে একটা কবিতাও লেখা হয়নি। খুব একটা তাড়াও অনুভূত হয়নি। কিছু যায় আসেনি। আমি আসলে কাব্যিক চেতনাকে দেখেছি আর্থিক উন্নতির একটি বড় বাধা হিসেবে। দেখেছি আমার লেখক সত্ত্বার বিদ্রোহপ্রধান রস আমাকে ধীরে ধীরে সামাজিক সাভাবিকত্ব থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে। আমার ক্যারিয়ার আমাকে টানছিলো না। মোদ্দাকথা বাস্তব জগতের বাস্তবতা অস্বীকার করে আভ্যন্তরীন জগত মোহাবিস্ট করে রাখায় হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে সব কিছু ওলট পালট দেখতে আমি প্রস্তুত ছিলাম না। এখনও প্রস্তুত নই।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
আপনার কথাগুলো পড়ে ভালো লাগলো।

লেখার মূল্য লেখক নির্ধারণ করার কাজ লেখকের নয়। এটি লেখা নিজেই খুঁজে বের করবে।

// আমি আসলে কাব্যিক চেতনাকে দেখেছি আর্থিক উন্নতির একটি বড় বাধা হিসেবে।//
-হতেও পারে! নাও হতে পরে।

আবারও শুরু করুন। লেখা মানুষের ভবিষ্যতের অস্তিত্ব....

আন্তরিক শুভেচ্ছা...

১৭| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪৬

সাহসী সন্তান বলেছেন: প্রিয় মইনুল ভাই,

আপনার পোস্টটা আদোপান্ত পড়ে এইমাত্র শেষ করলাম! আগেও একবার পড়েছিলাম কিন্তু ব্যস্ততার কারনে মন্তব্য করা হয়ে ওঠেনি! চমৎকার লেখার মাধ্যমে আপনি লেখক সত্তাকে খুবই সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছেন! সেজন্য অবশ্যই আপনার ধন্যবাদ প্রাপ্য! একচুয়ালি ইন্ডিকেট করে বলার মত কিছু নেই। কারণ লেখার প্রত্যেকটা লাইন, প্রত্যেকটা প্যারাই অসাধারণ.......!!


তবে পোস্টটা পড়ে একটা জিনিস উপলব্ধি করতে পারলাম। যদি কেও প্রকৃত ভাল লেখক হতে চায়, তাহলে তাকে অবশ্যই আপনার মত লেখক হওয়া উচিত!

শুভ কামনা জানবেন!

বিঃদ্রঃ- আপনার ফেসবুকের পরিসংখ্যান নামক ছবি/পোস্টটা বুঝিনি! আসলে আপনি ঐ পোস্টটা করে কি/কাকে বুঝাতে চাইছিলেন?

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

বিরাট বড় প্রশংসা.... নিজেকে অনেক বড় মনে হচ্ছে, সাহসী :)

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে!

১৮| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৮

সাহসী সন্তান বলেছেন: প্রিয় মইনুল ভাই,
আবারও ফিরে আসলাম! আপনার ব্লগ পর্যবেক্ষণ করে দেখলাম, আপনি গত ২রা নভেম্বর প্রায় একই শিরোণামে আরো একটা পোস্ট করেছিলেন! যদিও দুই পোস্টের লেখা খুবই ভিন্ন তবে পোস্ট গুলোতে যদি পর্ব (১ম/২য়) করে লিখে দিতেন তাহলে আমাদের মত পাঠকদের জন্য বুঝতে সুবিধা হতো! কথাটা এজন্য বললাম, আমি পোস্টটার শিররোণাম দেখে ভাবছিলাম যে এই পোস্টটাতো পুরানো একটা পোস্ট! আর আপনার আগের পোস্টে আমার মন্তব্য করা ছিল। তাই আর পোস্টে ঢুকতে চাইনি। কিন্তু মন্তব্যগুলো পড়ার আশায় ঢুকে তো অবাক.....!! দেখলাম এটা নতুন পোস্ট! আর সেজন্য পর্ব লেখা থাকলে বুঝতে সুবিধা হয়!

আমার মনে হয় আপনি আমার কনফিউশনটা ধরতে পারবেন? ভাল থাকবেন!

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
বুঝতে পেরেছি। ধন্যবাদ... বিষয়টি এভাবে তুলে ধরার জন্য, সাহসী :)

আসলে পর্ব করতে চাই নি। এই পোস্টের শিরোনাম কিন্তু ভিন্ন.... হুম! হাচা! B-)
ভালোমতো দেখুন তো!... হাহাহা!

ভালো থাকবেন আপনিও.....
অনেক শুভেচ্ছা, প্রিয় সাহসী সন্তান :)

১৯| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:২৩

আলম দীপ্র বলেছেন: প্রিয় ব্লগার ,
বহু দিনের চাকায় পিষ্ট হইয়া অতঃপর ব্লগে আসিয়া আপনার চমৎকার এই পোস্ট দেখিয়া অফুরান ভাললাগা জানাতে ভুললাম না !
চমৎকার !
আছেন কেমন ?
ভাল থাকুন , ভাল লিখুন ! :P

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

আলম দীপ্র.... এত দিন পর!!! :)
কোথায় ছিলেন?
কবিতা কই গেলো সব? ;)


ভালো আছি। ভালো থাকবেন :)

২০| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৫৬

আহসানের ব্লগ বলেছেন: আমি পোস্ট টা পুরোটা পড়ি নাই । তবে লেখার মুড আনার জন্য আমি ফরেস্ট গাম্প মুভিটার শেষের ৫ মিনিটের মিউজিক টা শুনি । মুড চলে আসে ।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

হাহাহাহ.....!

ধন্যবাদ :)

২১| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:১৬

শতদ্রু একটি নদী... বলেছেন: আমি অনিচ্ছায় কিছুই করিনা। মাঝে মাঝে অবশ্য ভালো না লাগলে কোন প্রিয় লাইন বারবার টাইপ করতে থাকি। কবিতার ব্যাপারে অনেক সময় কিছু শব্দ টুকে রাখি। এভাবে দেখা যায় যে অনেকগুলা টূকে রাখা হইছে। কোনটা আগে শেষ হয় কোনটা পরে। গল্পের ব্যাপারে সময় ঠিক করে লিখি, আগে প্লট ভেবে কিছু হয় না। আর অন্যকিছু লিখবার জন্য পড়তে হয় প্রচুর, আর পড়ার ব্যাপ্তীটা অনেক হলে অনেককিছুই বলতে ইচ্ছা করে, তাই লেখার মুড থাকুক আর না থাকুক, লিখে যেতে সমস্যা হয়না।

তবে প্রতিটা মানুষই যেহেতু আলাদা, তাই একেকজনের উপর আলাদা আলাদা ব্যাপার টনিকের মত কাজ করে। সেটা নিজেকেই খুঁজে বের করতে হবে। কেউ কাউকে ছকে কিছু বেঁধে দিলেই সেটা কাজ করবে এমন না। উল্টাও হতে পারে।

পোস্টে ভালোলাগা রইলো। :)

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
অসাধারণ সংযুক্তি দিয়েছেন। এটি অন্যের জন্য দিকনির্দেশনা হতে পারে। .... উল্টা নাও হতে পারে... :)

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, শতদ্রু একটি নদী :)

২২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৫৩

বিদ্রোহী সিপাহী বলেছেন: ভাই, আপনার লেখাটি অসম্ভব ভালো লাগলো।
কিন্তু আপনি বড্ড বেশী বিনয়ী।
আমাদেরকে কিছু তো শিখতে দিবেন।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
একদম লেখককে নিয়ে মন্তব্য... হাহাহা!
বেশ আন্তরিক! মজা পেলাম ভাই :)

২৩| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৫৬

আলোরিকা বলেছেন: উচ্ছ্বাস আবেগ চেতনা দ্বারা যারা তাড়িত হন, তাদের না আছে পরিস্থিতির প্রয়োজন, না আছে কোন প্রতিবন্ধকতা। মার্কিন কবি ও সমাজকর্মী মায়া এন্জেলো’র মতে, মানুষের ভেতরে না-বলা-কাহিনির যে বেদনা, এর চেয়ে পীড়াদায়ক আর কিছু নেই। - অনেক সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন ভাইয়া ! আমার মধ্যে এই বোধটিই বেশী কাজ করে । আমি কখনও জোর করে কিছু লিখতে পারিনা । আমার ভিতরের ভাল - মন্দ প্রতিক্রিয়ায় আমার লেখায় প্রতিফলিত হয়ে থাকে ।

অনেক শুভ কামনা । ভাল থাকবেন ।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

সেই বোধটিকেই জাগিয়ে রাখুন.... :)
বোধই (উপলব্ধি) লেখার প্রাণ! .... (আমি মনে করি)

আলোরিকাকে অনেক ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা............

২৪| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:০১

হাসান মাহবুব বলেছেন: মূল্যবান পোস্ট। ব্লগের লেখকদের কাজে লাগবে আশা করি।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

গল্পকার ও কবি ভাইয়া...!!
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ :)

২৫| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪১

বিষের বাঁশী বলেছেন: বলার তাগিদ অনুভূত না হলে লেখা যায় না, মুডও আসে না। আজকাল নিজের কাছে মনে হয় লিখে কি হবে? সমাজ বদলে যাবে? নাকি সমাজের প্রচলিত ধারাকে লেখার মাধ্যমে ধরে রাখতে হবে? কি জানি!

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
কী জানি :)
সত্যিই বিষয়গুলো আমাদেরকে চিন্তিত করে। সেই চিন্তাটুকুই যদি লেখে রাখি, তবে সেটি নোবেল প্রাইজ এনে দেবে না। কিন্তু তবু সেটি আমার চিহ্ন...পদচিহ্ন।... এবং হতে পারে একটি পথনির্দেশ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানবেন, বিষের বাঁশী :)

২৬| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:০০

তাশমিন নূর বলেছেন: সুন্দর পোস্ট দিয়েছেন, ভাইয়া। সে জন্য ধন্যবাদ।


আমি নিজে উদ্দেশ্য ঠিক করে মাঝে মাঝে লিখি, কিন্তু সেসব লেখা দুর্বল হয়। স্বাধীনভাবে মাথায় কিছু না এলে আমি লিখতে পারি না, মৃদুল ভাই যেটা বললেন। আবার, একই সাথে আমি গন্ডিমুক্ত, এবং গন্ডিতে আবদ্ধ। মাথার ভেতর কিছু না কিছু চলছে, শুধু টাইপ করতে পারছি না, বা কাগজে লিখতে পারছি না। ভয়ানক আলস্য কাজ করে। তবে ভাল লেখক হতে হলে ভালো পাঠকও হতে হবে, এতে একশ ভাগ একমত। এর বিকল্প নাই।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
আলসেমি তো লেখক হবার এক নম্বর শর্ত।
অতএব আপনি লেখক হয়েই আছেন :)

২৭| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:১১

জনাব মাহাবুব বলেছেন: কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


কি জানি ভাই ! এতকিছু মাথায় ঢোকেনা। তবে এইটুকু বুঝি প্রচুর জ্ঞান এবং মেধা না থাকলে লেখক হওয়া সম্ভব না। কেউ কেউ হুদাই লেখে এই যেমনঃ আমি। :P

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

হাহাহা... এই যেমন আপনি!
ব্যস! এবার লেখা পোস্ট করুন ;)

শুভেচ্ছা জানবেন, জনাব মাহাবুব!

২৮| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:১৮

আহমাদ ফিরোজ বলেছেন: আমি খুব অলস। আমার জন্য পরামর্শ কি??

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

আলসেমি ধরে রাখুন ;)
ভবিষ্যত লেখকের জন্য এটা খুব দরকার।

২৯| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৪

তাহসিনুল ইসলাম বলেছেন: বেশ গুরুত্বপূর্ণ লেখা। ভালো লাগলো :)

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
তাহসিনুল ইসলাম,
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ :)

৩০| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১৫

সুলতানা রহমান বলেছেন: টিপস ভাল। কিন্তু লেখক বলতে আমার লজ্জা লাগে। গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

হাহাহা :)
ঠিক আছে। আপনি ব্লগার :)
ভালো থাকবেন...

৩১| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২১

নীলসাধু বলেছেন: ভ্রাতা! আপনি রত্ন বিশেষ সেটা এই পোষ্ট পরে আবার মনে হল।

হাতে কি কিছুতা ফুরসত পাচ্ছেন। ব্লগে পাচ্ছি। আমি অবশ্য নিজেই ব্লগে আসি আর যাই টাইপ অবস্থায় অবস্থান করছি।
ভাল থাকবেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা -

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

ব্যস্ততা আগের মতোই আছে। তবু সুযোগ পেলেই ব্লগে ঢু মারছি। বেশি ঘরমুখী হবার কারণে এটি হয়েছে। তাতে একটি সুবিধা হলো, বাসার লোকেরা সুখে-শান্তিতে আছে। B-)

কিছু না লেখলে অস্বস্তিতে... লেখলেই ভালো লাগে।
আড্ডাবাজি চলুক এভাবে... যতদিন ভালো লাগে :)
জানি না বছর শেষে কী শেডুল নাজেল হয় :(

আন্তরিক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, নীলসাধু ভাই...
ভালো থাকবেন!

৩২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৮

প্রামানিক বলেছেন: পড়ি নাই পরে পড়বো, কারণ ব্যাস্ত আছি। এখন হাজিরা দিয়ে গেলাম।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
হাহাহা... আচ্ছা :)
হাজিরার জন্য ধন্যবাদ, প্রামানিক ভাই!

৩৩| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪২

নাতাশা মজুমদার বলেছেন: আমার ত বাথরুমে গেলেই লেখার ভূত চাপে :/ বাথরুম থেকে বের হতে হতে গুছানো লেখাটা নষ্ট হয়ে যায়,, রাস্তায় ও একই অবস্থায় পড়ি,, আপনার পোস্টটা দারুন লেগেছে,,কিছু সঠিক গাইড লাইন পেলাম এবং অনুপ্রাণিত হলাম.।। ধন্যবাদ পোস্ট টার জন্য :)

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

হাহাহা.... :)
লেখার আইডিয়া যেন জানালার পাশের চড়ুই পাখিটি... ধরতে গেলেই ফুরুৎ করে ওড়ে যায়...

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, নাতাশা মজুমদার
এবং আমার লেখায় স্বাগতম :)

৩৪| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫০

সাহসী সন্তান বলেছেন: শিরোনাম ভিন্ন সেটা বুঝেছি আপনার ব্লগে ঢুকেই! তাছাড়া দুইটা শিরোনাম যে একই আমি কিন্তু তা বলিনি! আমি আগে একটা 'প্রায়' শব্দ যোগ করেছি! মনে শিরোনামের '?' চিহ্ন পর্যন্ত তো একই? তাছাড়া আগের পোস্টের শিরোনামটা সামথিং সামথিং মনে পড়ছিল! আর ক্যাচাল টা বাঁধছে সেখানেই........!!

যাহোক, পাঠক হিসাবে আমি আমার অভিমতটাই শুধু প্রকাশ করেছি মাত্র! মানতে হবে এমন তো বলছি না? আপনি আমার প্রিয় লেখকদের মধ্যে একজন কিনা, তাই একটু ইয়ে মানে ঐ.......হেঃ হেঃ হেঃ!

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:১২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা.... সাহসী সন্তান :)
ভালো থাকুন... সর্বদা!

৩৫| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:০১

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: আমি শুধু জানি , লেখা না আসলে মইনুল ভাইকে ধরব । B-)
প্রিয়তে নিলাম ।

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
হাহাহা.. এই কামডা কইরেন না... হতাশ হবেন ;)

পাশে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ, মাহমুদ০০৭...

৩৬| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৬

অপর্ণা মম্ময় বলেছেন: আমার কোনো গল্পের বই পড়তে পড়তে কোনো লাইন পছন্ধ হলে সে মুহূর্তেই আমি মনে মনে দুই তিন লাইন লেখা শুরু করে দেই বা সেটা নিয়ে ভাবতে থাকি। এমনও সময় গেছে আমি প্রচুর স্বপ্ন দেখতাম সব আজগুবি স্বপ্ন, দীরঘ এবং এক ঘটনার পর আরেক ঘটনা অটোম্যাটিক চলে আসছে। যেদিন স্বপ্ন দেখে ভয় পাই, ঘুম ভেঙেই মোবাইলে সে স্বপ্ন লিখে রাখি । ভয়ে হাত কাপ্তেছে তাও লিখতেছি। আমার ঘুম খুব পাতলা। এই পর্যন্ত আমি স্বপ্ন দেখে তিনটা গল্পও লিখছি স্বপ্নের থীম নিয়ে। আমার ফ্রেন্ড ভেঙায় " স্বপ্নে পাওয়া গল্প " আর হাসব্যান্ড বলে " তুমি মুজিবের আদর্শ লোক। স্বপ্ন দেখায় মুজিব কে ছাড়াইয়া যাবে। উনি দেখত স্বপ্নের বাংলাদেশ আর তুমি দেখো নাই নাই সব জিনিসপত্র " :P

ভালো লাগলো পোস্ট

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
-হাহাহাহা..... স্বপ্নে পাওয়া লেখা... মজার তো!!!

//ভয়ে হাত কাঁপতেছে... তবু লেখতেছি//...দারুণ! :)

নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ, গল্পকার অপর্ণা মম্ময়.......

৩৭| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:১৪

সুমন কর বলেছেন: কি আর বলবো, সবই তো বলে দিয়েছেন। এতো সাবলীল ভাবে উপস্থাপন করলে, প্রতিটি কথাই পড়তে ভালো লাগে।

আশা করি, পোস্টটি সবার উপকারে আসবে। অনেক ধন্যবাদ এমন একটি পোস্ট দেবার জন্য।

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা, সুমন কর :)

৩৮| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০০

কিরমানী লিটন বলেছেন: "অনেক কথার মরন হলে হৃদয় কথা বলে... " তাই হৃদয়ের কথার শুনা বা বলা অবশ্যই মুডের উপর নির্ভরশীল,এই মুড বিভিন্ন জনের বিভিন্ন ভাবে আসে ...।অনেক অভিবাদন প্রিয় মাঈনউদ্দিন মইনুল ভাই,চমৎকার বিষয় উপজীব্য করে সুন্দর পোষ্টের জন্য, অনেক শুভকামনা আপনার জন্য ...

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
//অনেক কথার মরন হলে হৃদয় কথা বলে// সত্যিই তাই....

//সুন্দরী গো দোহাই তোমায়... মান করো না// আমার প্রিয় গানের মাঝ বরাবর টান দিলেন, কবি :)

আপনার জন্যও শুভ কামনা... ভালো থাকবেন :)

৩৯| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৭

আধখানা চাঁদ বলেছেন: 'লেখক' মাত্র ৩ অক্ষরের শব্দ হলেও কী বিশাল তার ব্যাপ্তি। হওয়ার বাসনা ছিল (আছে বলতেও সাহস পাই না!)। লেখার অনেকগুলো দিক আমার সাথে মিলে যায়, কতশত লেখা মাথার ভেতরেই মরে গেছে। কত শুদ্ধতম চিন্তার মৃত্যু ঘটেছে (বা ঘটিয়েছি)। অনুপ্রেরণা পেলাম, টিপস পেলাম। প্রতিদিন লিখতে হবে, সে যাই হোক।

আপনার জন্যে নিরন্তর শুভকামনা।

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: "কত শুদ্ধতম চিন্তার মৃত্যু ঘটেছে"... খুব সুন্দর করে বলেছেন।

অনেক ধন্যবাদ :)

৪০| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:০১

রাবেয়া রব্বানি বলেছেন: খাসা পোষ্ট

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, রাবেয়া রব্বানি। ভালো থাকবেন :)

৪১| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫০

আরজু পনি বলেছেন:

আমি বলি ব্যাপার খানা কী ! মইনুল সাহেব একই শিরোনামে আবার পোস্ট করলেন কেন...ওমা নাতো এটা তো পরের অংশ । :D

আরেক পক্ষ আছে যারা ব্লগার নামে পরিচিত। তাদের কেউ কেউ বলেন, ব্লগের টেম্পলেট ছাড়া তাদের লেখার মুড আসে না। এমনকি অফলাইনে বা এমএস-ওয়ার্ডে গেলেও হবে না। ব্লগ ছাড়া লেখার ভাব আসে না!
...হাহা আমার এই সমস্যা আছে মিছে বলবো না ।
তবে ফেসবুকের টাইম লাইনে কবিতা আর অনুগল্প গুলোর সৃষ্টি হয়...ফেসবুক বন্ধ এখন আমার কী হবে ? :((

পড়ার বিকল্প্ও পড়া আসলেই এর বিকল্প নেই ।
ধন্যবাদ মইনুল, ব্লগ লেখকদের জন্যে বেশ পোস্ট ।
যারা ব্লগার না অফলাইনে পড়েন...তাদের জন্যেও বটে ।

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: প্রিয় আরজুপনি, বাসার কম্পু থেকে সামুতে ঢুকতে পারছি না। আপনার আন্তরিক মন্তব্যে সবসময় শক্তি পাই। শুভেচ্ছা :)

৪২| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:০৪

ইছামতির তী্রে বলেছেন: অসাধারণ একটা পোস্ট বস। আমার মত গন্ডিযুক্ত নবিশ ব্লগারদের ব্যাপক কাজে লাগবে। ধন্যবাদ আপনাকে।

একটা বইতে পড়েছিলাম, লালনের মধ্যে যখন কোন নতুন চিন্তা উকি দিত তখন নাকি তিনি বলতেন, 'ওহে, পুকুরে নতুন কিছু পোনা মাছ আসছে। এগুলো ধরতে হবে"। [কথার কিছু এদিক-সেদিক হতে পারে] তার আগে নাকি তিনি কিছু লিখতে পারতেন না।
কাজী নজরুল ইসলামকে নাকি শামসুন্নাহার নামের একজন শুভাকাংখী রাতে তার ঘরে খাতা-কলম রেখে দিতেন আর সকালে দেখা যেত খাতা ভরতি লেখা। এরকম আরো অনেকেই আছেন যারা 'ভাব' আসলে ভাল লিখতে পারেন।

আমার মনে হয় সকলের মধ্যে কিছু না কিছু 'গণ্ডিমুক্ত' এবং 'গন্ডিযুক্ত' ভাব আছে। কিভাবে? আমি রবী ঠাকুরের গল্প উপন্যাস রচনার পেছনের যে কয়েকটি কাহিনী পড়েছি তাতে দেখা গেছে সব গল্পেরই একটা সুন্দর পটভূমি আছে। অতি ক্ষুদ্র একটি ঘটনাই তিনি অসাধারণ 'চোখ' দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন। এ ক্ষেত্রে তাকে গণ্ডিযুক্তও বলা যায়। আবার তার এমন অনেক লেখা আছে যা তার নিজস্ব চিন্তা। এই লেখাগুলো অবশ্য গভীর অর্থপূর্ণ।

আমি এটাও বিশ্বাস করি লেখালেখি 'শিখে পড়ে আসার' বিষয় নয়। এটা ভাল লাগার, ভালবাসার বিষয়। মনের গহীন থেকে এই অনুভূতি বের হয়ে আসে। কলমের মাধ্যমে তার প্রকাশ ঘটে। এজন্যই আমরা অনেককেই দেখি নিজে 'কেমন আছেন' এই কথাটাও সুন্দর করে লিখতে বা বলতে পারেন না। কারণ তার মন 'লেখক স্বত্তা' মুক্ত। কেউ লিখতে চাইলে অবশ্যই তার একটা লেখক স্বত্তা থাকতে হবে।

নিজেকে ভাল মানের লেখক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বই পড়ার কোন বিকল্প নেই। এক একটা বই এক একটা দিগন্ত উন্মোচন করে দেয়।

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: ইছামতির তীরে,
আপনাকে অনেক দিন পর পেয়ে ভালো লাগছে। লালনেন বিষয়টি বেশ মজার।
মানুষের মন বড় বিচিত্র। এটি যেকোন রূপ নিতে পারে। আপনার একমত।

মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন :)

৪৩| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫৮

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: ব্যাপক পোস্ট দিছেন ভাই... :)

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:০০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৪৪| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৪

আমিই মিসির আলী বলেছেন: ভালো লেখা ভালো কোনে মুড থাকলেই লেখন যায়! এটা কিন্তু খাঁটি কথা!
তবে ঋতু চক্রের কারনে লেখার ভাব পরিবর্তন হওটাই স্বাভাবিক! :)

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: লেখার ভাব আর মনের ভাব একই রকম। :)

৪৫| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৬

সায়েম মুন বলেছেন: এখন লেখার মুড আসে না তাই হাত পা কীবোর্ড গুটায় দোকান বন্ধ করে বসে আছি। এক সময় লেখা না আসলেও জোড় করে দু চার কলম লেখার চেষ্ঠা করতাম। এবং শুরু করতাম এরপর থেকে। সে গল্প কোবতে যাই হোক না কেন।

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: আবার শুরু করে দিন :)

ভাব আসতে কতক্ষণ!

৪৬| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৮

নাজমুল হাসান মজুমদার বলেছেন: চমৎকার পোস্ট +++++++++++++++++্

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

ধন্যবাদ :)

৪৭| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:
ভালো টিপস।

অনেক দরকারী বিষয় মগজে না রেখে পোস্ট করেই যাচ্ছি; তাই তো, প্রায় গাল মন্দ খাচ্ছি; অবশ্য, আমি সাহিত্যিক নই, লেখার মান নিয়ে কেহ তেমন কিচু বলে না, বিষয় নিয়ে গাল দেয়!

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: হাহাহা!! আপনার কথায় হাসলাম।
আপনার বিষয়টি এমন যে, ওখানে সাহিত্য মান জরুরি নয়।

ধন্যবাদ :)

৪৮| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৭

প্রামানিক বলেছেন: এই মাত্র পড়া শেষ করলাম।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: ;) ধন্যবাদ ভাইজান!

৪৯| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫১

অন্ধবিন্দু বলেছেন: ভাষাবিজ্ঞান/ব্যাকরণ-প্রকরণ জানলেও লেখকের-লেখালেখির “ল”ও জানিনে ভাইটি। তবে আমাদের ব্লগার কান্ডরির মতো আমিও এইটুকু অন্তত বুঝি, যে প্রচুর জ্ঞান এবং মেধা না থাকলে লেখক হওয়া/থাকা মুস্কিল বটে।

বিশদ আলোচনা এড়িয়েও ধর্তব্য পর্যবেক্ষণ হাজির করেছেন। বলি, ইহা অবশ্যই সু-পরামর্শ। লেখকদের আরও বলে দিবেন; তাঁরা যেন ঠাণ্ডা মাথায় সমালোচনা গ্রহন করেন। ক্রিটিসাইয করলেই নিন্দুক/অমিত্র ভাবতে নাই[অন্ধবিন্দু আপনাদের শুভাকাঙ্খী;)]

সহজ উপস্থাপনা: লেখার বিষয় ও ভাষাকে যথাসম্ভব সহজ ও প্রাঞ্জল রাখার চেষ্টা। হুম, উদাহরনস্বরুপ জনাব মাঈনউদ্দিন মইনুল এর লিখিত আওয়াজগুলো পড়ে দেখুন।

*শ্রেষ্ট *কূয়োর

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
//ক্রিটিসাইয করলেই নিন্দুক/অমিত্র ভাবতে নাই//

এই কথা বুঝানো কঠিন। বিশেষত কমবয়সী লেখকদের মধ্যে এই অসহিষ্ণুতা বেশি দেখা যায়। লেখায় গঠনমূলক সমালোচনা করলেও, সেটি তারা ব্যক্তিগতভাবে নেন। কাণ্ডারির কথা একদম ঠিক!

সংশোধনের জন্য ধন্যবাদ।


অনেক কৃতজ্ঞতা এবং শুভেচ্ছা... অন্ধবিন্দু :)

৫০| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৩০

জুন বলেছেন: আগের একটি লেখার সাথে একই শিরোনাম হওয়ায় ভুল বুঝেছি , গুরুত্বপুর্ন পোষ্টটি নজর এড়িয়ে যাবার জন্য দেশের বাইরে থাকাও একটি কারন অবশ্য :( তাছাড়া ব্লগের টেম্পলেট ছাড়া তাদের লেখার মুড আসে না। এমনকি অফলাইনে বা এমএস-ওয়ার্ডে গেলেও হবে না। ব্লগ ছাড়া লেখার ভাব আসে না! এই লাইনটা আমার জন্য ১০০% সত্যি :``>>
নেটের সমস্যয় এটা খুব সাম্প্রতিক ঘটে চলেছে আমার সাথে ।
নীচের কথাগুলো আমি মনে প্রানে বিশ্বাস করি মাইনুদ্দিন মইনুল #:-S

১) সহজ উপস্থাপনা: লেখার বিষয় ও ভাষাকে যথাসম্ভব সহজ ও প্রাঞ্জল রাখার চেষ্টা।

10) ধর্ম ও ইতিহাস: ধর্মীয় পুস্তক এবং ইতিহাস উভয়েরই নিজস্ব কিছু তথ্য ও সত্য রয়েছে, যা না পড়লে অন্য কোথাও জানার সুযোগ নেই। অথচ লেখকের প্রেরণার জন্য তা অত্যন্ত প্রয়োজন।

11) নিজস্বতাকে গ্রহণ করা: সবারই স্বকীয়তা আছে। কথা বলার ভঙ্গি যেমন এক নয়, লেখার ভঙ্গিও সকলের এক হয় না। নিজের স্বাভাবিক প্রকাশভঙ্গিকে বুঝা এবং মেনে নেবার মধ্যে লেখক স্বত্ত্বা গড়ে ওঠে।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

লেখার বিষয়ের সাথে পাঠকের মনের মিল পাওয়াটা বিশাল একটি আনন্দের বিষয়, জুন আপা। আপনার আন্তরিক মন্তব্যে অনেক গর্বিত বোধ করছি :)

একটি চমৎকার মূল্যায়ন দিয়েছেন আপনার মন্তব্যে।

অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা জানবেন :)

৫১| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫৩

আফরীন সুমু বলেছেন: চমৎকার একটা পোষ্ট। ভালো লাগলো।

আমার মাথায় অনেক লেখা গিজ গিজ করে। কিন্তু আমি অনেক অলস। তাই লেখাগুলি মাথা থেকে খাতায় আসে না। মাঝে মাঝে ভাবি এমন একটা যন্ত্র যদি থাকতো যেটা আমার চিন্তাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোন জায়গায় লেখায় রুপান্তর করে দেবে। এই বিষয়ে কোন টিপস থাকলে দিয়েন।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:৫৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

ডায়েরি লিখুন :)

৫২| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ ভোর ৫:০১

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: খুব ভাল লেখা ।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:২৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

ধন্যবাদ আপনাকে, রাবেয়া রাহীম :)

৫৩| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ ভোর ৬:২৩

তুষার আহাসান বলেছেন:

পোস্ট প্রিয়তে + সহ।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:২৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:


অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, তুষার আহাসান :)

৫৪| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:৩০

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: আপনি তো কবিতা, গল্প, উপন্যাস এসবের লেখকদের মুড নিয়ে কথা বললেন। পুরোটাই মনোযোগ দিয়ে পড়েছি। কিন্তু কোথাও আমার মতো দলিল লেখকদের মুড নিয়ে কিছু বলতে দেখলাম না। দলিল লেখকরা (মানে রম্য লেখকরা) কী অস্পৃশ্য?

চমৎকার পোস্ট। ধন্যবাদ মইনুল ভাই।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:১১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:


ও আচ্ছা... দলিল লেখক? মানে যাদের কোন পরিস্থিতির প্রয়োজন নেই লেখার জন্য।
তাই তো?

আপনি তো ন্যাচারাল রাইটার.... মানে গণ্ডিমুক্ত! দ্রষ্টব্য ১ম পরিচ্ছেদের শেষ দু'টি প্যারা :)

ধন্যবাদ আবুহেনা ভাই....

৫৫| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:৪৬

রিপি বলেছেন: বাহ চমৎকার এবং শিক্ষনীয়...। অনেক কিছুই জানা ছিলনা.. ধন্যবাদ..। :)

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:১৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.