নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

“Those who have the privilege to know have the duty to act.”― Albert Einstein

মোস্তফা কামাল পলাশ

"সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে"

মোস্তফা কামাল পলাশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

শীতকালে বাংলাদেশের মানুষ বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু ও হাঁপানি রোগে আক্রান্ত মানুষরা বেশি শ্বাসকষ্টে ভুগে কেন?

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:৪২



বায়ুদূষণ পরিমাপের জন্য যে সূচক ব্যবহার করা হয় তা হলো, প্রতি ঘনমিটারে পার্টিকুলেট ম্যাটারের পরিমাণ। এক ঘনমিটারের মধ্যে কত মাইক্রোগ্রাম পার্টিকুলেট ম্যাটার আছে। পার্টিকুলেট ম্যাটার হলো— বাতাসের মধ্যে ধূলিকণা, ময়লা, আবর্জনা, লতাপাতার ভগ্নাংশ, ফুলের রেণু ইত্যাদি। সাইজ অনুসারে পার্টিকুলেট ম্যাটারকে দুভাগে ভাগ করা হয়— ব্যাসার্ধ ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটার (পিএম ২.৫) বা তার চেয়ে কম ও ১০ মাইক্রোমিটারের চেয়ে কম। ১ মাইক্রোমিটার হলো ১ মিটারের ১০ লক্ষ ভাগের এক ভাগ বা ১ মিলিমিটারের ১ হাজার ভাগের এক ভাগ। পার্টিকুলেট ম্যাটার দেখতে কত ক্ষুদ্র তা নিচের চত্রে মানুষের চুলের সাথে তুলনা করলেই বোঝা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, গ্রহণযোগ্য ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটার ব্যাসার্ধের পার্টিকুলেট ম্যাটারের পরিমাণ এক ঘনমিটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ মাইক্রোগ্রাম ও ১০ মাইক্রোমিটার দৈর্ঘ্যের পার্টিকুলেট ম্যাটারের পরিমাণ প্রতি ঘনমিটারের সর্বোচ্চ ২০ মাইক্রোগ্রাম। পিএম ২ দশমিক ৫ এতটাই ক্ষুদ্র যে তা চোখে দেখা যায় না।



প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট বিভিন্ন ক্ষুদ্রাতি-ক্ষুদ্র দুষিত পদার্থ বাতাসে ভাসতে থাকে। বাংলাদেশে যেহেতু শীতকালে কোনো বৃষ্টিপাত হয় না, তাই অক্টোবর থেকে পিএম ২ দশমিক ৫ ও পিএম ১০-এর পরিমাণ বাড়তে থাকে। এই বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে মে মাসের শেষ সময় পর্যন্ত।

ছবি কৃতজ্ঞতা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

ঢাকায় অবস্থিত আমেরিকান দূতাবাস তাদের অফিস কম্পাউন্ডে একটি যন্ত্র বসিয়েছে যা ঢাকা শহরের বাতাসের গুনগত মান পরিমাপ করে থাকে (Dhaka US Consulate Air Pollution: Real-time Air Quality Index (AQI))। ঐ যন্ত্রের পরিমাণ অনুসারে আজ ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৮ ঢাকা শহরে পিএম ২ দশমিক ৫-এর ঘনত্ব ৩০২ মাইক্রোগ্রাম। অর্থাৎ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে প্রায় ৩০ গুণ বেশি। বাতাসে পিএম ২ দশমিক ৫-এর ঘনত্ব ৩০০ এর বেশি মাইক্রোগ্রাম থাকলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা হলো এই মাত্রা মানব স্বাস্হ্যের জন্য ভয়ংকর বলে চিহ্নিত করেছেন (Health alert: everyone may experience more serious health effects; Everyone should avoid all outdoor exertion)। নিশ্চিত করেই বলা যায়, ঢাকার আমেরিকান দূতাবাসটি সবচেয়ে কম দূষণ পূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। বায়ুদূষণ মাপক যন্ত্রটি আমেরিকান দূতাবাস থেকে নিয়ে শাহবাগ কিংবা ফার্মগেটে বসালে পিএম ২ দশমিক ৫-এর ঘনত্বের মান অনেক বেড়ে যাবে নিশ্চিত করেই বলা যায়।



বাতাসে ভাসমান আকারে বড় দুষিত পদার্থ নিজের ভরের কারণে ভূমিতে পতিত হয় ১-৭ দিনের মধ্যে। অত্যন্ত ক্ষুদ্র দুষিত পদার্থ বৃষ্টির পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ভূমিতে পতিত হয়। যেহেতু বাংলাদেশে শীতকালে প্রায় বৃষ্টি হয় না বললেই চলে তাই ক্ষুদ্রাতি-ক্ষুদ্র দুষিত পদার্থ দীর্ঘ সময় ধরে বাতাসে ভাসতে থাকে। ফলে আ্যাজমা রোগে আক্রান্ত বয়স্ক ও শিশু বা শ্বাসকষ্টে ভুগা মানুষ শীত কালে বেশি পরিমাণ দূষিত বায়ুর সংস্পর্শে থাকলে ঐ দুষিত বায়ু নিঃশ্বাসের সাথে ফুস-ফুসে প্রবেশ করে। বাতাসে ভাসমান ঐ সকল ক্ষুদ্রাতি-ক্ষুদ্র দুষিত পদার্থের মধ্যে রাসায়নিক কম্পাউন্ড থাকে যা মানুষের নিঃশ্বাসের সঙ্গে সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করে ফুসফুসে অবস্থিত তরল পদার্থে দ্রবীভূত হয়ে সেই পদার্থের সাথে বিক্রিয়া করে নতুন রাসায়নিক যৌগ তৈরি করে যা অনেক সময় মানুষের ফুসফুসে প্রদাহ বা খুসখুসানি সৃষ্টি করে। যে কারণে আ্যাজমা রোগে আক্রান্ত য়ষ্ক ও শিশু (যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে) বা শ্বাসকষ্ট রোগে ভোগা মানুষরা শীতকালে অনেক কষ্টে ভুগে থাকেন।



বায়ুদূষণ সারা বিশ্বে হৃদরোগ ও হাঁপানি বা আ্যাাজমা রোগের অন্যতম কারণ হিসেবে প্রমাণিত। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও সমৃদ্ধ স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যভাণ্ডার Global Burden of Disease (GBD) যে ১০টি রোগে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ অকালে মৃত্যুবরণ করে, তার পরিসংখ্যান তুলনা করেছে দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার ১৪টি দেশের সঙ্গে। ওই পরিসংখ্যানমতে, ১৪টি দেশের মধ্যে হৃদরোগ ও ফুসফুসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে। অধিকন্তু, বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চমাত্রার পিএম ২ দশমিক ৫-এর উপস্থিতি ব্রংকাইটিস, উচ্চ-রক্তচাপ, হাইপার টেনশন, ফুসফুস ক্যান্সার, ডায়াবেটিস রোগের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত বা ওইসব রোগ বৃদ্ধি করে।

বাংলাদেশে চলমান ও প্রস্তাবিত কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো স্থাপিত হলে বাতাসে পার্টিকুলেট ম্যাটারের পরিমাণ কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে তা নিশ্চিত করেই বলা যায়। সেসঙ্গে বাড়বে শীতকালে কুয়াশাযুক্ত দিনের সংখ্যা। ফলে নিশ্চিতভাবেই বৃদ্ধি পাবে পরিবহন দুর্ঘটনার সংখ্যা। কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ভলে শীত কালে ভয়ংকর বায়ু দূষণের উত্তম উদাহরণ ভারত ও চিন ( Air pollution in China is killing 4,000 people every day.)
। এই দুইটি দেশের রাজধানী সারা বিশ্বে বায়ু দূষণের জন্য প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে অবস্থিত।

প্রাকৃতিক কারণে যেহেতু বাংলাদেশে শীত কালে বৃষ্টি হয় না সেই সাথে অর্থ-সামাজিক, বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক কারণে বায়ু দূষণ কমিয়ে আনার আপাত কোন সম্ভাবনা নাই তাই গ্রাম বাংলায় প্রচলিত প্রবাদ-প্রবচন "চাঁচা আপনার প্রাণ বাঁচা" মনে চলাই সুস্থ থাকার একমাত্র উপায়। নিজেদের পরিবারের বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু ও আ্যাজমা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বায়ু দূষণ এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিন বা চলার ব্যবস্হা করুন।

===========================================================================
বায়ু দূষণ ও মানব দেহের উপর তার প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানার আগ্রহ থাকলে নিম্নক্ত প্রবন্ধ গুলো পড়ার আমন্ত্রণ রইল।
===========================================================================

১) Polluted air causes 5.5 million deaths a year

২) Increased air pollution cuts victims' lifespan by a decade, costing billions

৩) Air pollution in China is killing 4,000 people every day

৪) Air pollution exposure during pregnancy linked with asthma risk

৫) Toxic air pollution particles found in human brains

৬) Researchers discover potentially harmful nanoparticles produced through burning coal

৭) Air pollution leads to more drug resistant bacteria

===========================================================================
রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাম্ভব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে দৈনিক বনিকবার্তা পত্রিকায় প্রকাশিত আমার লেখা উপসম্পাদকীয়:
==========================================================================

প্রথম পর্ব:

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত্ প্রকল্প নিয়ে কিছু কথা: প্রথম পর্ব

দ্বতীয় পর্ব:

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত্ প্রকল্প নিয়ে কিছু কথা: দ্বিতীয় পর্ব

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৩৯

ফারুক আহাম্মেদ বলেছেন: গুরুত্বপূর্ন তথ্য। ধন্যবাদ

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১৭

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ফারুক ভাই।

২| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: এই ধরনের পোষ্টের নাম মহৎ পোষ্ট।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১৯

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
রাজীব নুর ভাই, ভাবিরে নিয়া কিন্তু এই শীত কালে বাহিরে বের হবে না। আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৩| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:০৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমি ঢাকা ছিলাম মোট দশদিন ;ফিরেছি ১৬ দিন হলো ;এখন ও সমস্যায় ভুগছি ।


বেশ জন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ লেখা ভাইয়া । অনেক অনেক ধন্যবাদ ।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২২

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
আপু অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। দেশে কি শীতের পিঠা ও খেজুরের গুড় খেতে গিয়েছিলেন? দুবাইতে তো এই সময় মনে হয় ধুলি ঝড় হয়? শীতকালে ঢাকার রাস্তায় ঘুরে বাসায় ফিরে আয়নায় নিজের নাখ দেখলে মনে হয় ট্রাকের সইলেন্সার পাইপ হে হে হে =p~

৪| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:১৩

জাহিদ অনিক বলেছেন:


ভালো তথ্য।
শীতে শুকনা ধুলাবালি বেশি থাকে বাতাসে। মাস্ক ব্যবহার করা দরকার।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৫

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:

সরকারি লেভেলে উপযুক্ত পলিসি মেকিং ও সেই পলিসির যথাযথ বাস্তবায়ন করতে না পারলে শীত কালের এই বায়ু দূষণ থেকে আপাতত মুক্তির কোন সম্ভাবনা না। আমি কেন জানি মাস্ক ব্যবহার করতে কম্ফোর্ট ফিল করি না। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:৫৮

শুজা উদ্দিন বলেছেন: গবেষণাধর্মী আলোচনা। ভালো লাগলো। চালিয়ে যান।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩০

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ পড়ে মন্তব্য করার জন্য। জেনে খুশি হলাম যে আপনার ভাল লেগেছে।

৬| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:২৩

সোহানী বলেছেন: কে যে শুনে কার কথা..... কোন কি কান আছে দেশের কর্তাব্যাক্তিদের যে শুনবে। তাই কোনই লাভ নেই.... যা ভোগার আমরাই ভুগবো।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৯

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:

গতকালকে একটা সংবাদপত্রে পড়লাম যে বাংলাদেশে হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যবরণকরারী অর্ধেক মানুষই হৃদরোগে আক্রান্ত রোগী। দিনে দিনে যেভাবে এই রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়তেছে তাতে করে আগামী ১০ বছর পরে অবস্থা কল্পনা অযোগ্য।

যাই হউক, আপনি হয়ত জানেন যে পুরো কানাডার মধ্যে ওন্টারিওর বায়ু সবচেয়ে পরিষ্কার। কারণ ওন্টেরিওতে কোন কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নাই। আর প্রতিটি গাড়িকে ২ বছর পর-পর দূষণ পরীক্ষা করতে হয় বাধ্যতামূলক। ঐ পরীক্ষা ছাড়া লাইসেন্স প্লেট রিনুয়াল করা যায় না।

আপু, মনে করলাম ঠান্ডা চলে গেল; ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ঠান্ডা ফিরে এসেছে তার শশুরবাড়ি ওন্টারিওতে =p~

৭| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৫৭

তারেক ফাহিম বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৯

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ।

৮| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:২৯

করুণাধারা বলেছেন: শুধুমাত্র এই বায়ুদূষণের জন্য অনেকের এখন হাঁপানি হচ্ছে। ধন্যবাদ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানোর জন্য।

রামপাল নিয়ে লেখাটাও ভাল- এটা আলাদা করে পোস্ট দিলে ভাল হত।

পোস্টে লাইক।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৪১

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ নিজের ভালোলাগা জানানোর জন্য। রামপাল নিয়ে লেখাটা পত্রিকায় প্রকাশ করেছিলাম বলে সরাসরি ব্লগে দেই নি। তবে ঐ একই পোষ্টে সংক্ষিপ্ত ভার্ষন ব্লগে দিয়েছিলাম।

৯| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৩৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর পোস্ট। এখন আমি ঢাকা মহানগরীর ডিপ একুইফার নিয়ে কাজ করছি। ঢাকা শহরের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর গুনগত মানে ওয়ার্ল্ড এর মধ্যে বেস্ট। তার পর ও ওয়াসার পানি নিয়ে আশঙ্কার শেষ নেই।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৪৮

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:

সেলিম ভাই, জেনে খুশি হলাম যে আপনি ঢাকা শহরের ভূগর্ভস্থ পানি স্তর নিয়ে কাজ করতেছেন। ওয়াসার পানি নিয়ে আশঙ্কার শেষ নেই তার কারণ হলও প্রতিবছর যে পরিমাণ পানি রি-চার্জ হচ্ছে আমরা তার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণ পানি উত্তোলন করছি। ফলে বছর শেষে ঢাকা শহরের পানির স্তর নেমে যাচ্ছে। এমনিতে ঢাকা শহর গড়ে উঠছে জলাশয় ভরাট করে; সেই সাথে যদি একই হারে ভূগর্ভস্থ পানি স্তর নিচে নামতে থাকে তবে ভবিষ্যতে বড় ভূমিকম্পের ফলে (যার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে) বিল্ডিং ধ্বসের বড় একটা কারণ হবে অপরিকল্পিত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন।

আপনার গবেষণার বিষয় নিয়ে বিস্তারিত জানার আগ্রহ রইল। দরকার না থাকলেও আমি গতবছর "Ground Water Mideling" নামক একটা কোর্স নিয়েছিলাম শুধুমাত্র ভবিষ্যতে ঢাকা শহরের ভূগর্ভস্থ পানি নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে থাকার কারণে।

১০| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫০

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: শীত আসলে আমারই সমস্যা শুরু হইয়া যায় ভাই। এমনিতেই ডাস্ট এলার্জি নিয়া জন্মিছি বাঙ্গাল মুল্লুকে তারমধ্যে পলিউশন। গ্যাস মাস্ক নিয়া চলাচলের চিন্তা করতেছি।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫৪

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:

ঢাকা শহরে শীত কালে বাহিরে চলাচল করে বাসায় ফিরে আয়নায় নিজের নাখ দেখলে মনে হয় ট্রাকের সইলেন্সার পাইপ; নাখ পরিষ্কার করতে গেলে মনে হয় নাখ থেকে যে কয়লা বাহির হচ্ছে তা দিয়া ইটের ভাটা চালানো যাবে হে হে হে =p~

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.