নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের (বরিশাল স্টীমারঘাটের সৌন্দর্য্য দেখে বিমোহিত হয়েছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। বলেছিলেন, বরিশাল হচ্ছে প্রাচ্যের ভেনিস) উজিরপুর ধানাধীন সাতলা গ্রামে। পিতা প্রাইম

নূর মোহাম্মদ নূরু

দেখি শুনি স্মৃতিতে জমা রাখি আগামী প্রজন্মরে জন্য, বিশ্বাস রাখি শুকনো ডালের ঘর্ষণে আগুন জ্বলবেই। ভবিষ্যৎকে জানার জন্য আমাদের অতীত জানা উচিতঃ জন ল্যাক হনঃ ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভাল, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ। তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে সামুর পাঠকদের জন্য আমার নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’। জন্ম-মৃত্যু, বিশেষ দিন, সাথে বিশ্ব সেরা গুণীজন, এ্ই নিয়ে আমার ক্ষুদ্র আয়োজন

নূর মোহাম্মদ নূরু › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধান-নদী-খাল এই তিনে বরিশালঃ ইতিহাস ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ বরিশাল আমার গর্ব

১০ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৮


কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত ধান-নদী খালের অপূর্ব সমাহার বরিশাল। বরিশাল দক্ষিণ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা এবং বরিশাল বিভাগের সদর দপ্তর। দেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে গঙ্গা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র পলি জমে সৃষ্ট কয়েকটি দ্বীপ বরিশাল। এ অঞ্চল বা এর অংশ বিশেষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সময়ে পরিচিত ছিল। প্রাচীন নাম বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ। পাঙ্গালা, সাগরদ্বীপ, চন্দ্রদ্বীপ, বঙ্গাল প্রভৃতি ছত্রিশটি নামার পরিচয় পাওয়া যায়। চন্দ্রদ্বীপ কখনো পরগণা, কখনো বা রাজ্য হিসেবে সুপরিচিত ছিলো। চতুর্থ শতাব্দী পর্যন্ত এ অঞ্চল চন্দ্রদ্বীপ নামে প্রসিদ্ধ লাভ করে। দক্ষিণ পূর্ব বাংলায় মুসলিম আধিপত্য বিস্তারকালে দনুজমর্দন কর্তৃক চন্দ্রদ্বীপ নামে এ স্বাধীন রাজ্যটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রাচীনকাল থেকেই নদী ভাঙ্গন, ঝড়-জলোচ্ছ্বাস মোকাবেলা করে বেঁচে থাকা এ অঞ্চলের মানুষের পেশা কৃষি ও মৎস্য শিকার। গঙ্গার মোহনায় অবস্থিত চন্দ্রদ্বীপে লোকবসতি কবে শুরু হয়েছে তার সঠিক কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রাচীন পুঁথি থেকে ধারণা পাওয়া যায় বাকলা-চন্দ্রদ্বীপের জন্ম ৪ হাজার বছর পূর্বে। প্রাচীনকালে এই দ্বীপে ছিল অসংখ্য নদী-নালা।

এ রাজ্য প্রতিষ্ঠার পূর্বে ১৭৯৬ সাল পর্যন্ত এ অঞ্চল বাকলা নামে পরিচিত ছিলো। নবাব আলীবর্দী খানের সময় আগা বাকের খান চন্দ্রদ্বীপের একাংশের জমিদারী লাভ করে বাকেরগঞ্জ বন্দর প্রতিষ্ঠা করেন। ১৭৯৭ সালে ঢাকা জেলার দক্ষিণাঞ্চল নিয়ে বাকেরগঞ্জ জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮০১ সালে জেলার সদর দপ্তর বাকেরগঞ্জ থেকে বরিশাল (গিরদে বন্দর; গ্রেট বন্দর) স্থানান্তরিত করা হয়। কালক্রমে জেলার মূল নাম বাকেরগঞ্জের পরিবর্তেস বরিশাল নামটিই পরিচিতি লাভ করে। দেশের খাদ্যশস্য ও মৎস্য উৎপাদনের অন্যতম মূল উৎস বরিশাল। একে বাংলার ভেনিস বলা হয়।

(বরিশালের ঐতিহ্যবাহী বিবির পুকুর)
বরিশাল নামকরণ সম্পর্কেও অনেক মতভেদ রয়েছে। বড় বড় শালগাছের কারণে, (বড়+শাল)> বরিশাল, বড় বড় ঘর (শাল) থাকার কারেণে বড়ি (বড়) + শাল (ঘর) বরিশাল; পর্তুগীজ বেরী ও শেলীর প্রেম কাহিনীর জন্য বরিশাল; বড় বড় লবনের বরিশাল ইত্যাদি। গিরদে বন্দরে ঢাকার নবাবদের বড় বড় লবণের গোলা ও চৌকি ছিলো। ইংরেজ ও পর্তুগীজ বণিকরা বড় বড় লবণ চৌকিকে 'বরিসল্ট' বলতো। পরবর্তীতে শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে 'বরিশাল' হয়েছে। ১৯৬০ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত ও ১৯৬১ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ছিল খুলনা বিভাগের অন্তর্গত। নদীর অববাহিকার এ জেলার বয়স দু’শ’ বছর পেরিয়ে গেছে।

সংক্ষেপে এর সীমারেখা হচ্ছে উত্তরে শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ, পশ্চিমে গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি, দক্ষিণে বরগুনা ও পটুয়াখালী এবং পূর্বে ভোলা ও লক্ষ্মীপুর। সর্ব শেষ তথ্য অনুযায়ী এ জেলার আয়তন: ২৭৯০.৫১ বর্গ কিলোমিটার একং মোট ভোটার সংখ্যা (পুরুষ ও মহিলা)- ১১,৯৭,৭২২(পুরুষ) ১১,৫৮,২৪৫(মহিলা) জন ।

বরিশাল দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর। এককালের বরিশাল জেলা শহর বর্তমানে রূপ নিয়েছে বরিশাল বিভাগীয় শহরে। কবি কাজী নজরুল ইসলাম বরিশালের রূপ সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়ে নাম দিয়েছিলেন প্রাচ্যের ভেনিস। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে এ শহরের আত্মীয়তা ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। এখানে জন্ম নিয়েছেন মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্ত, বাংলার বাঘ বলে খ্যাত শেরেবাংলা একে ফজলুল হক, সাংবাদিকতার পথিকৃৎ নির্ভীক সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, কবি সুফিয়া কামাল, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা অগ্নিপুরুষ বিপ্লবী দেবেন্দ্রনাথ ঘোষ, নলিনী দাস, মনোরমা মাসিমা অমৃত লাল দে, মহাপ্রাণ যোগেন্দ্রনাথ ম-ল, কৃষক কুলের নয়নমণি আব্দুর রব সেরনিয়াবাতসহ অনেক ক্ষণজন্মা নারী-পুরুষ।

একুশে ফেব্রুয়ারি ও মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে বরিশালের রয়েছে গর্বিত ইতিহাস। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের নিয়ে রচিত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি’ গানের রচয়িতা ও বিশিষ্ট কলামিস্ট আবদুল গাফ্্ফার চৌধুরী এবং গানটির সুরকার ও শিল্পী আলতাফ মাহমুদ জন্ম নিয়েছেন এ জেলায়। আলতাফ মাহমুদের নামে নগরীতে রয়েছে একটি সঙ্গীত বিদ্যালয়। এছাড়াও স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিনিয়ার ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল, বীরোত্তম আব্দুস সত্তার ও মেজর জলিলকে নিয়ে এখানকার মানুষ এখনও গর্ববোধ করেন। রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের শৈশব-কৈশোর ও শিক্ষকতা জীবন কেটেছে বরিশাল শহরে। একইভাবে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অপর নেতা চারণ কবি মুকুন্দ দাসের শৈশব-কৈশোর কেটেছে এই শহরে।

(বরিশাল অক্সফোর্ড মিশন)
এ অঞ্চলে বিপুল পরিমাণ ধান উৎপাদন হওয়ায় নদী ও খালের সঙ্গে যুক্ত করেই প্রবাদ রচিত হয় ‘ধান-নদী-খাল এই তিনে বরিশাল’। বালাম চাল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত এ জেলা।

(দুর্গাসাগর)
১৭৮০ খ্রিস্টাব্দে চন্দ্রদ্বীপ পরগনার তৎকালীন রাজা শিবনারায়ণ এলাকাবাসীর পানির সঙ্কট নিরসনে মাধবপাশায় একটি বৃহৎ দীঘি খনন করেছিলেন। তার মা দুর্গা দেবীর নামে দীঘিটির নামকরণ করা হয় দুর্গাসাগর। প্রত্নতত্ত্ব সংরক্ষণ অধিদফতরের পরিবর্তে দুর্গাসাগর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছে জেলা প্রশাসন। দুর্গাসাগরের তিনদিকে তিনটি ঘাটলা ও দীঘির ঠিক মাঝখানে ৬০ শতক ভূমির ওপর টিলা রয়েছে। দুর্গাসাগরের অদূরেই রয়েছে অত্যাধুনিক বায়তুল আমান জামে মসজিদ কমপ্লেক্স ও শেরেবাংলা একে ফজলুল হক জাদুঘর। এ জাদুঘরটি বানারীপাড়ার চাখারে শেরেবাংলার জন্ম ভিটায় অবস্থিত। লাকুটিয়া জমিদার বাড়িটি প্রায় তিন’শ’ বছরের পুরনো।

(বরিশাল বিমান বন্দর)
খাল-বিলে ভরা এ জেলার মানুষের এক সময়ে যাতায়াতের মাধ্যম ছিল একমাত্র নৌকা। গয়নার নৌকা থেকে শুরু করে এখন যাত্রীসেবায় যুক্ত হয়েছে বিলাসবহুল দোতলা-তিনতলা লঞ্চ। যোগাযোগের মাধ্যম নৌপথের পাশাপাশি আজ সড়ক ও আকাশ পথের উন্নতি হয়েছে।

(বাইতুল আমান মসজিদ বরিশাল)
জীবনান্দদের স্মৃতিবিজড়িত রূপসী বাংলার রূপের মাধুর্য ছড়িয়ে ছিটেয়ে আছে এখানের প্রতিটি পথে প্রান্তরে । ঘর হতে শুধু দু'পা ফেলিয়া সময় করে আসুননা প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালে। নিমন্ত্রণ রইলো সবার।

(গুঠিয়া মসজিদ, উজিরপুর)

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
nuru.etv.news@gmail.com

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:০৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট নূর ভাই। বরিশালের জন্মবৃত্তান্ত জেনে আনন্দ পেলাম। কৃতজ্ঞতা আপনাকে। তবে এখনে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার ব্যবস্থা নিয়ে যদি একটু জানান।

অনেক ভাল লাগা রেখেগেলাম।

১০ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:১৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
চৌধুরী ভাই অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে
চমৎকার মন্তব্যে উৎসাহিত করার জন্য।
অনেকদিন হয় ছেড়েছি বরিশাল,
তার পরেও চেষ্টা করবো
কোন একদিন আপনার
অনুরোধ রাখার।

২| ১০ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: বরিশাল শহটা কিন্তু খুব সুন্দর। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন।

১০ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৩২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ধন্যবাদ রাজীব ভাই
সত্যি খুব সুন্দর শহর বরিশাল
যদিও ডিজিটালের হাওয়ায় কিছু
পুরাতন স্থাপনা বিলিন হয়ে গেছে।
আমার কাছে ৭০ দশকের বরিশাল
অনেক ভালো লাগতো।

৩| ১০ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


নামকরণ ইত্যাদি দিয়ে ভরে ফেলেছেন পোষ্ট, দরকারী তথ্য খুবই সমান্য; শিল্প, কৃষি, চাকুরীর সুযোগ, শিক্ষা, মানুষের আয় ব্যয়, এলাকার সামাজিক পরিবেশ কোন কিছুই নেই; আপনার লেখায় পানির পরিমাণ কমান।

১০ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৪০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
এটাই মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি
তার কাছে যেটা ভালো লাগে
সেটিই উঠে আসে তার লেখায়।
আপনার বেলায় যেমন প্যাঁচা !!

বরিশালবাসীর জীবনে পানির প্রভাব
বেশী, পানি কমানোর সুযোগ নাই
পানিকে ভয় ফেলে দূরে থাকুন!!

৪| ১০ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:২০

সিগন্যাস বলেছেন: আপনার থমাস এডিশন নিয়ে একটা লেখা ছিল।সেটা খুজে পাচ্ছিনা।ডিলিট করে দিসেন নাকি?

১০ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আজকের দিনে তার খোঁজ কেন?
থমাস আলভা এডিসন জন্মেছিলেন
১৮৪৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি আর
মৃত্যুবরণ করেন ১৮ অক্টোবর ১৯৩১ সালে
আজ কি তার খোঁজ পাবেন?

৫| ১০ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৫

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: হায়! হায়!
অনেক কিছুই তো জানতাম না!!!:(
ভাবতাছি বরিশালে আরেকটা শ্বশুরবাড়ী বানামু:P
ঘটকালির দায়িত্ব আপনার!

১০ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
বরিশাইল্যা মাইয়ায় পাল্লায় পড়লে বিয়ার নাম ঘুচে যাবে!!
নিজেতো করবেনইনা ছেলেকেও বিয়া না করার
পরামর্শ দিবেন।

৬| ১০ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৭

রাকু হাসান বলেছেন: তথ্যবহুল ! লাইক দিতে বাধ্য হলাম । শেয়ার করার জন্য জানতে পারলাম । বরিশাল অক্সফোর্ড মিশনের কথা একজন বিখ্যাত লেখকের উপন্যাসেও পেয়ে ছিলাম । আপনার লেখায় ও পেলাম ।ভাল লাগলো ।শুভকামনা রইলো আপনার প্রতি .শ্রদ্ধেয় নরু ভাইয়া

১০ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ রাকু হাসান
আমার ব্লগে স্বাগতম।
আশা করি ভবিষ্যতেও
কাছে পাবো।
শুভেচ্ছা
রইলো।

৭| ১০ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৩

সিগন্যাস বলেছেন: বরিশাইল্যা মাইয়ায় পাল্লায় পড়লে বিয়ার নাম ঘুচে যাবে!!
নিজেতো করবেনইনা ছেলেকেও বিয়া না করার
পরামর্শ দিবেন।

হে হে

১০ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
হাসিটা খুব সুন্দর !!

৮| ১০ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালীর মানুষরা বরিশাইল্যাদের দেখতে পারে না। যদিও সব জেলাতেই ভালো মন্দ আছে...

১০ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
বরিশাইল্যারাও চট্রগ্রাম, নোয়াখালী ফেনীর
লোকেদের দেখতে পারেনা।
হিসাব বরাবর !!

৯| ১০ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫২

মোহাম্মদ জন চক্রবর্ত্তী বলেছেন: নুরু ভাই ,খুব সুন্দর হ্য়ছে । খুব ভাল লেগেছে। বরিশাল আমার কাছে খুব গর্বের জায়গা। ভাই বরিশালের গ্রামের কিছু ধর্মীয় স্থান ( মুসলিম ও হিন্দু উভয়ের ) সম্বন্ধে লেখেন, খুব ভাল লাগবে। ধন্যবাদ ।

১০ ই জুন, ২০১৮ রাত ৮:০৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ধন্যবাদ মোহাম্মদ জন চক্রবর্ত্তী ভাই,
আমি নিশ্চয়ই আগামীতে আপনার
অনুরোধ রাখার চেষ্টা করবো।
রমজানে খুবই টাইট সময়
পার করছি। এখনই উঠতে হবে!

১০| ১০ ই জুন, ২০১৮ রাত ৮:৫৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: নূর মোহাম্মদ নূরু ,




অশেষ ধন্যবাদ বরিশালকে নিয়ে লেখার জন্যে ।
সত্তর দশকের বরিশাল হয়তো নেই তবুও যা আছে তা প্রানকাড়া, স্নিগ্ধ ।

১০ ই জুন, ২০১৮ রাত ৯:৪১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আহমেদ ভাই
যথার্থ বলেছেন, নিজের জেলা বলে নয়
বরিশাল যে না দেখেছে তাকে বলে
বোঝানো যাবেনা জীবনানন্দরে
রূপসী বাংলা'র কি রূপ
আছে বরিশালে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.