নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঐক্য এবং সংগ্রাম= মুক্তি

পাঠক লাল গোলদার

শোষণ-বৈষম্য হীন একটা মানবিক সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনে কাজ করি আমি। বুর্জোয়া আধিপত্যের বিপরীতে রাজেনৈতিক, সামাজিক, আর্থিক, সাংস্কৃতিক ও মনজাগতিক ক্ষেত্রে শ্রমিক কৃষক মেহনতী মানুষের পাল্টা আধিপত্য গড়ে তোলাই প্রথম কাজ।

পাঠক লাল গোলদার › বিস্তারিত পোস্টঃ

বোধদয় হতে সময় লাগলো ১৮ বছর!

২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৭:৪১

ভারত সরকার ২০১২ সালে জামদানি, ফজলি আম ও নকশি কাঁথা নিজেদের পণ্য হিসেবে ডব্লিউটিও থেকে নিবন্ধন করিয়ে নিয়েছে। আর আমাদের সরকারের ঘুম নাকি এতক্ষণে ভেঙেছে। চলতি সংসদেই নাকি পাস হতে পারে ভৌগোলিক নির্দেশক আইন।

এই আইনের ফলে দেশীয় ঐতিহ্যবাহী এবং বিভিন্ন অঞ্চলের পরিচয়বহনকারী পণ্যগুলোর স্বত্ব সুরক্ষিত হবে। কেউ এক অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী পণ্য আরেক অঞ্চলে নকল করতে পারবে না। পাশাপাশি দেশের পণ্য হিসেবে বগুড়ার দই, টাঙ্গাইলের চমচম, পদ্মার ইলিশ, রাজশাহীর সিল্ক ও ফজলি আম, কুমিল্লার রসমালাইসহ বিভিন্ন পণ্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) থেকে নিবন্ধন নেয়া যাবে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তত্ত্বাবধান ও উদারীকরণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ২৩টি চুক্তির একটি হচ্ছে ‘বাণিজ্য-সম্পর্কিত মেধাস্বত্ব অধিকার চুক্তি বা ট্রিপস (ট্রেড রিলেটেড আসপেক্টস অব ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস)। ১৯৯৫ সালে এতে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির ২৭.৩ (খ) ধারায় পৃথিবীর সব প্রাণ-প্রকৃতি-প্রক্রিয়ার ওপর পেটেন্ট করার বৈধ অধিকার রাখা হয়েছে। এই চুক্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেসব প্রাকৃতিক, মানুষের তৈরি এবং কৃষিজাত পণ্য দীর্ঘকাল ধরে উৎপাদিত হয়ে আসছে, তার ওপর সংশ্লিষ্ট দেশের মালিকানা প্রতিষ্ঠার জন্য ভৌগোলিক নির্দেশক আইন করে নিবন্ধন করে রাখার বিধান রয়েছে। এ লক্ষ্যেই দেরিতে হলেও বাংলাদেশে এ আইন পাস হতে যাচ্ছে।

কিন্তু কথা হচ্ছে ১৯৯৫ সালে ট্রিপস স্বাক্ষরের পর এতদিন কি বাংলাদেশ সরকার ঘুমিয়ে ছিলো? আদা, হলুদ, নিম, জামদানী, আমসহ অনেক কিছুরই ইতিমধ্যে পেটেন্ট নিয়ে নিয়েছে ভারত সরকার যা শুধু ভারতের একক পন্য নয়! বিশেষ করে জামদানী তো কোন অবস্থাতেই ভারতের পণ্য নয়। এটা বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পের নিদর্শন!

আফ্রিকার জঙ্গলে নাকি এক ধরণের গন্ডার আছে! যাদেরকে গুতা দিলে নাকি ছয়মাস পর মোড়া দিয়ে ওঠে। অর্থাত সেই গন্ডারের আঘাতের অনুভূতি হতে সময় লাগে ছয় মাস। আর আমাদের সরকারগুলোর অনুভূতি জাগতে সময় লাগে ১৮ বছর কখনও তারও বেশি!

তবুও ভাল এতদিনে বোধদয় হয়েছে!!!

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৯:৫৩

এন ইউ এমিল বলেছেন: এইসব নিয়া কোন সরকারেরই কোন মাথা ব্যাথা নাই, ওনারে মাথা ব্যাথা শুধু কোন দিক দিয়া নিজের পকেটে দুইটা টাকা আসবে

২| ২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ২:০৭

সাদা রং- বলেছেন: যে পণ্যগুলোর সত্ত্ব নিয়ে নিলো সেগুলোকি ফিরে পাওয়া যাবে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.