নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

pramanik99

আমার স্কুল জীবনের স্মৃতিগুলো বার বার মনে পড়ে। ফিরে যেতে ইচ্ছে করে সেই দিনগুলোতে।

প্রামানিক

শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

প্রামানিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

রেল লাইনের পাশের বাড়ি

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৪৪


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

কলেজ থেকে ফিরতে দুপুরের ট্রেন অল্পের জন্য ফেল হয়ে গেল। এর পরবর্তী ট্রেনে যখন ফিরছি তখন অনেক রাত। ট্রেন থেকে নেমে দ্বিধা-দ্বন্দে পড়ে গেলাম। এই স্টেশন থেকে আরো প্রায় চার মাইল রাস্তা পায়ে হেঁটে যেতে হবে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও আমার গ্রামে যাওয়ার মত কোন সাথী খুঁজে পেলাম না। ঘুটঘুটে অন্ধকার।নিজের শরীর নিজে দেখা যায় না। পথে ভূতুরে পোড়ো ভিটাসহ ঘরবাড়িবিহীন দু’টি ফাঁকা মাঠ পেরিয়ে যেতে হবে। অন্ধকারে এত পথ একা একা যেতে সাহস হচ্ছে না।

ক্লাসমেট বাবু সাথে ছিল। আমার অবস্থা দেখে সে আমার হাত ধরে টানতে লাগল, চল আমার বাড়ি চল, এত রাতে বাড়ি যেতে পারবি না।

কলেজে ভর্তি হওয়ার কিছু দিন পর থেকে বাবুর সাথে পরিচয়। এক ক্লাসেই পড়ি। সেও ট্রেনে যাতায়াত করে। চলার পথে হালকা পাতলা কথা হলেও তেমন ঘনিষ্ট তখনও হইনি। অল্প পরিচয় হওয়ায় ওর সাথে যেতে ইতস্তত করতেছিলাম। কিন্তু বাবু যাওয়ার জন্য বেশ ভালই জোরাজুরি করতে লাগল। মনে মনে ভাবলাম, বাবুর এই আদর উপেক্ষা করলে রাতের ভোগান্তি কপালে ভর করবে। সারা রাত স্টেশনে মশার কামড় খেয়ে বসে থাকতে হবে। অনেক ভেবে চিন্তে অবশেষে বাবুর সাথেই যেতে রাজী হলাম।

আমি রাজী হওয়ায় বাবু আমাকে সাথে নিয়ে স্টেশন থেকে রেল লাইন ধরে সোজা দক্ষিণ দিকে রওনা হলো। বাবুর বাড়ি সম্পর্কে আমার কোন ধারনা নেই। এর আগে কখনও বাবুর বাড়ি যাইনি। কিন্তু আজ বিপদে পড়ে যেতে হচ্ছে। বিড়াল ঠেলায় পড়ে যেমন গাছে উঠে আমারও সেই অবস্থা।

কিছুদূর যেতে না যেতেই ছোট একটি রেলের ব্রিজ। ব্রিজ পার হতে হবে। আমি রেলের ব্রিজ দিনের বেলাতেই পার হতে ভয় পাই। কারণ ব্রিজে একফুট পর পর কাঠের স্লিপার দেয়া থাকে। দুই স্লিপারের মাঝখানে ফাঁকা। এই ফাঁক দিয়ে একবার পা পিছলে পড়ে গেলে আর রক্ষা নাই-- সোজা বিশ ফুট নিচে অথৈ পানিতে তলিয়ে যেতে হবে। ব্রিজের নিচে গভীর কালো পানির তলে দেও দৈত্য কি আছে না আছে আল্লাই ভালো জানে। স্লিপারের ফাঁক দিয়ে নিচের দিকে তাকালে দিনের বেলাতেই মাথা ঘোড়ে, তারোপর অন্ধকার রাত। নানা রকম ভীতির কথা মনে পড়তেই আমার পক্ষে ব্রিজ পার হওয়া সম্ভব হলো না। ব্রিজে উঠে দু’তিনটি স্লিপার টপকাতেই শরীর কাঁপতে লাগল। ভয়ে আবার পিছনে ফিরে এলাম। বাবু হন্ হন্ করে ব্রিজের মাঝামাঝি চলে গেল, ব্রিজের মাঝখানে গিয়ে পিছন ফিরে আমাকে না দেখে ডাক দিল, কিরে-- কই তুই?
অন্ধকারে কেউ কাউকে দেখতে পাচ্ছিলাম না। আমি বাবুর কথায় সায় দিয়ে বললাম, আমি এপারে দাঁড়িয়ে আছি।
-- দাঁড়িয়ে আছিস কেন? ব্রিজ পার হয়ে চলে আয়।
আমি আমতা আমতা করে বললাম, নারে -- আমি ব্রিজ পার হতে পারবো না।
-- কেন কি হয়েছে?
-- ব্রিজে উঠতে আমার ভয় করে।
বাবু ধমক দিয়ে বলল, দূর হারামজাদা, এই বয়সে যদি ব্রিজ পার হতে না পারিস তো কোন বয়সে পার হবি?
বাবু বন্ধুসুলভ ধমকের সাথে কথাগুলো বলেই ব্রিজের মাঝখান থেকে আবার পিছনে ফিরে এলো। আমার কাছে এসে বলল, আমার হাত ধর।
আমি বাবুকে নিষেধ করে বললাম, নারে ভাই, আমি এই ব্রিজ দিয়ে পার হতে পারবো না, তার চেয়ে আমি স্টেশনে ফিরে যাই, তুই বাড়ি চলে যা।
বাবু কিছুটা ধমক দিয়েই বলল, তোকে বাড়ির কাছাকাছি এনে আবার স্টেশনে পাঠাবো-- এটা তুই কি করে ভাবলি? ধর ধর, আমার হাত ধর।

আমি না না করার পরও বাবু সাহস দিয়ে তার হাত ধরে পার হওয়ার জন্য টানতে লাগল। কিন্তু আমি গরসাহস দেখানোর কারণে আমাকে শেষে আর জোর করে ব্রিজে উঠালো না। অবশেষে বাবু নিজেই ব্রিজ থেকে নেমে এসে বলল, ত্রিশ ফুটের ব্রিজের জন্য তোকে এখন তিন মাইল হাঁটতে হবে।
আমি কিছুটা অসহায়ের মত বললাম, তিন মাইল হাঁটতে রাজী আছি তবু আমি এই ত্রিশ ফুটের ব্রিজ পার হতে পারবো না।
আমার কথা শুনে বাবু কিছুটা বিরুক্তমাখা সুরেই বলল, তোর মত এত ভীতু মানুষ তো কখনও দেখি নাই রে। ঠিক আছে আয়, আমার সাথে সাথে আয়। বলেই উল্টো স্টেশনের দিকে রওনা হলো।

আমাকে সাথে নিয়ে আবার স্টেশনের দিকে রওনা হওয়ায় মনে মনে ভাবলাম, বাবুর সাথে এসে বাবুকে খামাখা বিপদে ফেললাম, এতক্ষণ বাড়ি গিয়ে বেচারা খেয়ে দেয়ে ঘুমিয়ে পড়ত। আমার জন্য এখন সে রাত জেগে তিন মাইল রাস্তা হাঁটবে। বাবুর কষ্টের কথা ভেবে নিজের কাছেই খারাপ লাগছে। খারাপ লাগলে কি হবে, বাবুকে এখন যাবনা বলে নিষেধও করতে পারছি না। এত রাস্তা হেঁটে এসে এখন যদি বলি আমি আর যাবনা তাহলে সে আমাকে স্বার্থপর ভাবতে পারে।

স্টেশনের কাছাকাছি গিয়ে বাবু রেল লাইনের পূর্বপাশের খাড়া ঢাল বেয়ে নিচের দিকে নেমে গেল। আমাকেও তার পিছনে পিছনে নামতে বলল। নিচে নেমে পায়ে হাঁটার কাঁচা রাস্তা পেলাম। রাস্তা ধরে প্রায় আধা ঘন্টা হাঁটার পর আবার রেল লাইনে উঠলাম। রেল লাইন ধরে আরো কিছুদূর যাওয়ার পর বাবুর বাড়ি পেলাম।

বাবুর বাড়ি যখন পৌঁছলাম তখন ঘড়িতে রাত এগারোটা বাজে। রেল লাইনের পাশেই বাড়ি। বাবুর থাকার ঘরটি লাইন থেকে মাত্র ৫০ হাত দূরে। গ্রাম এলাকায় রাত এগারোটা মানে গভীর রাত। সবাই ঘুমিয়েছে। কোন কোন ঘর থেকে নাক ডাকার শব্দও কানে আসছে। বাবু বাড়ির ভিতরে গিয়ে দক্ষিণ দুয়ারী ঘরের দরজায় ‘মা’ বলে ডাক দিতেই বাবুর মা ‘উঁ’ বলে জবাব দিলেন। মনে হলো সবাই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হলেও শুধু বাবুর মা একাই জেগে আছেন। মায়েরা এমনই হয়। আমারো মা আমার জন্য রাত জেগে বসে থাকতো। যত রাতেই ফিরি না কেন, মায়ের ঘরের সামনে গিয়ে ‘মা’ বলে ডাক দিতেই মা জেগে উঠত। আজ মা নেই এক ডাকে আর কেউ ঘুম থেকে উঠে না। গভীর রাতে অত সহজে কেউ ভাতও বেড়ে দেয় না। মায়ের সেই স্মৃতিগুলো এখন শুধু চোখে চোখে ভাসে।

প্রথম ডাকেই মায়ের সারা পেয়ে বাবু তার নিজের ঘরে গিয়ে ঢুকল। আমি বাইরে দাঁড়ানো ছিলাম। বাবুর মা ঘরের বাইরে এসে আমাকে দাঁড়ানো দেখে বাবুর নাম ধরে ডেকে বলল, বাবু--তোর সাথে কেউ এসেছে রে?
বাবু জবাব দিল, আমার বন্ধু এসেছে মা।
-- তোর বন্ধুকে বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখেছিস কেন? হাত মুখ ধুতে পানি দে।
বাবু ঘর থেকে কেরোসিনের ল্যাম্প জ্বালিয়ে নিয়ে এলো। ল্যাম্পের আলোতে দুই জনেই কলপাড়ে গেলাম। টিউবওয়েলের পানিতে হাত মুখ ধুয়ে ঘরে ঢুকতে না ঢুকতেই বাবুর মা ভাত নিয়ে এলেন।

আমি আর বাবু একসাথেই খেতে বসলাম। শিং মাছ দিয়ে বেগুন রান্না করেছে, সাথে মশুরের ডাল। গামলায় পর্যাপ্ত পরিমাণ ভাত। (অনেকেই হয়তো ভাবতে পারেন গভীর রাতে হঠাৎ করে উপস্থিত হওয়ার পরও এত ভাত কি করে দিল? গ্রামের গেরস্থ বাড়িগুলোতে সবসময় দু’একজনের ভাত বেশি রান্না করে থাকে। যে কারণে গভীর রাতে কেউ কারো বাড়ি গেলেও নতুন করে ভাত রান্না করতে হয় না। গেরস্থ বাড়ির ভাত বেশি হলেও অসুবিধা নেই, কেউ ফেলে দেয় না, অতিরিক্ত ভাত সকাল বেলা পান্তা করে খায়।)

খুব ক্ষিদে পেয়েছিল। সেই সকালে খেয়েছি, দুপুরে তেমন খাওয়া হয়নি। পেট ভরেই খেলাম। গভীর রাত হওয়ায় ভাত খেয়েই শুয়ে পড়েছি। সারা দিনের পরিশ্রম এবং ক্লান্তির কারণে শোয়ার একটু পড়েই ঘুমিয়ে পড়েছি। হঠাৎ লোহা লক্করের ঝম ঝম ঠুন ঠান খটা খট্ শব্দ আর খাটের ঝাকুনিতে ঘুম ভেঙে গেল। কাঁচা ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠলাম। আমার জীবনেও ঘুমের মাঝে এরকম শব্দ শুনি নাই। শব্দের পাশাপাশি খাটের ঝাঁকুনিতে ভয় পেয়ে গেলাম। মনে হলো এলাকায় বড় ধরনের ভুমিকম্প বা কোন ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়েছে। ভয়ে শরীরের লোম খাড়া হয়ে গেল। অন্তর আত্মা শুকিয়ে কাঠ। অন্ধকারে বেদিশা হয়ে গেলাম। চিৎকার দিব দিব ভাব। এমন সময় কানের কাছে বিকট শব্দে ট্রেনের হুইসেল বেজে উঠল। কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার অবস্থা। মনে হলো হুইসেল যেন আমার কানের উপরে এসে বেজে উঠেছে। তবে হুইসেলে কানের পর্দা ফাটলেও মনের ভিতর থেকে ভীতিভাব কেটে গেল। বুঝতে পেলাম এটা আর কিছু নয় ঘরের পাশ দিয়ে লোহালক্কর ভাঙচুড়ের শব্দ করতে করতে মাল ট্রেন যাচ্ছে। ট্রেনের বিষয়টি মাথায় আসতেই স্বস্তি পেলাম। তারপরেও অন্ধকারে কাঁপতে লাগলাম। বালিশের তলা থেকে ম্যাচ বের করে আলো জ্বালালাম। বাবুর মুখের দিকে তাকিয়ে দেখি বাবু অঘোরে ঘুমাচ্ছে। এত বড় একটা ট্রেন কান ফাটা আওয়াজে দুনিয়া কাঁপিয়ে চলে গেল তারপরেও ওর ঘুমের কোন ব্যাঘাতই হলো না। ওর ঘুমানো দেখে আশ্চার্যই হয়ে গেলাম।

কাঁচা ঘুম ভেঙে গেছে। আমার চোখে আর ঘুম আসছে না। অনেক গড়াগড়ির পর আবার একটু ঘুমিয়েছি। আবার একই অবস্থা। ঝম ঝম ঠন ঠন খটা খাট্ শব্দ করতে করতে ট্রেন যাচ্ছে। শুধু ট্রেনের ঝম ঝম খটা খট্ শব্দ হলে অসুবিধা ছিল না, অসুবিধা হলো শব্দের সমতালে ভুমিকম্পের মত খাটের ঝাকুনি। শব্দ আর ঝাকুনির চোটে ঘুম এমনিতেই ভেঙে যায়। হাজার হাজার মণ ওজনের ট্রেন যখন দ্রুত গতিতে যায়, তখন শুধু রেল লাইন নয়, লোহালক্করের ভারে ও দ্রুত গতির ঠেলায় রেল লাইনের আশেপাশের মাটিও কাঁপতে থাকে। বাবুর ঘরটি রেল লাইনের কাছে হওয়ায় ঝাকুনিটা যেন আরও একটু বেশিই মনে হলো। ঝাকুনি শুরু হলে শুধু খাট নয় খাটের সাথে ঘরও মরমর শব্দ করতে থাকে। ঘুমের ঘোরে এমন ঘটনার আকস্মিকতায় যে কোন নতুন লোক চমকে উঠবে, আমারো তাই হয়েছিল।

অনাভ্যাসের কারণে এমন পরিবেশে ঘুম আর হলো না। যতবার ঘুমিয়েছি ততবারই ট্রেন এসে ঘুম নষ্ট করে দিয়েছে। আমি ঘুমানোর পর থেকে কম পক্ষে পাঁচটি ট্রেন যাতায়াত করেছে। আমার ঘুম না হলে কি হবে বাবু ঠিকই মরার মত ঘুমিয়ে সারা রাত কাটিয়ে দিল।

ভোরের আযান হওয়ার সাথে সাথেই বাবু ঘুম থেকে উঠে গেল। আমি ঘুমিয়েছি মনে করে আমাকে ডাকল না। আমি বালিশে মাথা দিয়ে চোখ বন্ধ করে আছি। ঘুমে চোখ জ্বালা করলেও ঘুম আসছে না। অনেক গড়াগড়ি মোড়ামুড়ি করে অবশেষে ভোরের দিকে আবার একটু ঘুমিয়েছি-- অমনি ট্রেন এলো। আবার ট্রেন চলার ঝন ঝন ঠন ঠন খটা খট্ শব্দে ঘুম ভেঙে গেল। বিরুক্ত হয়ে রাগে দুঃখে ভোর থাকতেই বাড়ির দিকে রওনা হলাম। বাবু বাড়ির সামনে রেল লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল। বাবুর কাছে বিদায় চাইতেই ও নিষেধ করতে লাগল। ওর নিষেধ সত্বেও বাড়ির দিকে রওনা হলাম। আমাকে যেতে দেখে দৌড়ে এসে পাঁজা করে ধরল।
আশ্চার্য হয়ে বলল, তুই কি পাগোল নাকি রে! জীবনের প্রথম আমার বাড়িতে এসে না খেয়ে যাবি, আমি কি তাই তোকে যেতে দিব? তুই কি করে ভাবলি-- সকালের নাস্তা না খাইয়েই তোকে বিদায় দেব!

বাবুর আন্তরিকতার অভাব নাই। আমি জানি গ্রামের বন্ধুরা এমনই হয়। কিন্তু সারা রাত ঘুম না হওয়া চোখে জ্বালা করায় আর মাথা ঘোরার কারণে কিছুই ভালো লাগছিল না। অস্বস্তিবোধ করতেছিলাম। শুধু ঘুমের কারণে চলে যাচ্ছি এ কথা বাবুকে বলতেও পাচ্ছিলাম না।

বাবু আমাকে অক্টোপাসের মত জড়িয়ে ধরে আছে । কোনভাবেই ছাড়ছে না। নাস্তা না খেয়ে যেতেই দিবে না। সহজ কথায় ছাড়ছে না দেখে বাবা মায়ের দোহাই দেয়া শুরু করলাম। অনেক অনুনয় বিনয় করে বললাম, সকালের নাস্তা করতে গেলে অনেক দেরি হয়ে যাবে রে। আমি তাড়াতাড়ি না গেলে মা খুব চিন্তা করবে। আমার মনে হয় এমনিতেই মা আমার জন্য সারারাত ঘুমায়নি, তারোপর যদি যেতে দেরি করি তাহলে হয়তো মা খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়ে লোক দিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে দেবে।

মায়ের কথা বলার পর বাবুর কঠোর মনোভাব কিছুটা নরম হলেও আরো কিছুক্ষণ আমার হাত ধরে রইল। আমি তার এত অনুরোধ সত্বেও দেরি করতে রাজি না হওয়ায় বাবু মুখটা ভার ভার করে হাত দু’টা ছেড়ে দিল।

নাস্তা না খেয়ে রওনা হওয়ায় বাবু খুব মনঃক্ষুন্ন হলো। আমার সাথে সাথে অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়ে এলো। তার মনঃক্ষুন্ন ভাব দেখে একবার মনে হলো-- ফিরে গিয়ে বাবুর সাথে নাস্তা করে আসি। কিন্তু পরক্ষণেই ভাবলাম এত জোরাজুরি সত্বেও যখন জোর করে বিদায় নিয়ে এতদূর এগিয়ে এসেছি তখন আবার ফিরে যাওয়া ঠিক হবে না? তার চেয়ে চলে এসেছি যখন পিছন না ফিরে সামনের দিকে যাওয়াই ভালো।

বাবুর এই আতিথেয়তার কথা আজো ভুলতে পারিনি, বাকি জীবনেও ভুলতে পারবো না। সেই দিনের পর থেকে বাবু খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়েছিল। এর পরে ওই বাড়িতে অনেক গিয়েছি, অনেক খেয়েছি, অনেক রাত কাটিয়েছি। কিন্তু ট্রেনের যন্ত্রনায় কখনই ঘুমাতে পারিনি।

বাবুর বাড়ির প্রথম দিনের সেই স্মৃতি মনে পড়লে আজো হাসি পায়, ভুমিকম্প মনে করে ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠে আমি যখন চিৎকার দিব দিব ভাব ঠিক সেই মূহুর্তেই ট্রেন হুইসেল দিয়েছিল। তা না হলে হয়তো ভয়ে হাউমাউ চিৎকার-চেঁচামেচি করে লঙ্কাকান্ড বাঁধিয়ে ফেলতাম।

মন্তব্য ৯২ টি রেটিং +২২/-০

মন্তব্য (৯২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৫১

চোরাবালি- বলেছেন: স্মৃতিময় লেখা, ভালো লাগলো

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৪

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, পড়ার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:০২

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: প্রামানিক ভাই আমার কমেন্ট মুছে দিলেন! কেন ভাই?





ভালো থাকুন নিরন্তর। ধন্যবাদ।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৯

প্রামানিক বলেছেন: সরি ভাই, আমি আপনার মন্তব্য মুছে দেই নাই, কিছু কারেকশন থাকায় পোষ্টটি মুছে দিয়ে আবার নতুন করে দিয়েছি। আপনার মন্তব্যটি আমার চোখে পড়ে নাই, যে কারণে আমার অজান্তেই এই ঘটনাটি ঘটেছে। মন্তব্য মুছে যাওয়ায় আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থী।

৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:০২

বিষাদ সময় বলেছেন: সাবলিল ভাষায় চমৎকার স্মৃতি বিজরড়িত গল্প, আপনার ছড়ার মতই ভাল লাগলো প্রামানিক ভাই।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪০

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, আপনার মন্তব্য পড়ে উৎসাহিত হলাম। শুভেচ্ছা রইল।

৪| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:২১

কাবিল বলেছেন: প্রামানিক ভাই আপনার স্মৃতিময় লেখাগুলো বরাবরই ভাল লাগে।



আপনার শরীর কেমন?
ভাল থাকুন সব সময়।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৪

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, অনেকটা ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?

৫| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:২২

পুলক ঢালী বলেছেন: হা হা হা ছড়াকার ভাই, আপনার স্মৃতি কথন ভালই লাগলো। মনে মনে ভাবছিলাম পথে দেও দানো আপনাকে ধরবে তারপর হুর পরীরা এসে ওদের হাত থেকে আপনাকে উদ্ধার করে পরীস্থানে নিয়ে যাবে, অবশ্য' দানোদের মন ভজাতে মধ্যিখানে নাচ আর গানাবাজনারও আয়োজন থাকবে, কিন্তু' তা না, শুধু' দৈত্য এসে আমনের ঘুমের ধিসটাফ করছে ;)
ভাবতাছি এখন থেকে আমনেরে লই ইষ্টিশন যাওয়া লাগবে, ট্রেন লেট হইলেই আমনেরে ঘুম পরাইয়া দিতে হপে ব্যাস কেল্লাফতে লগে লগে ট্রেন আইয়া পড়বো কি দারুন টিউনিং !!!! :D =p~ =p~ =p~

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ২:২৮

প্রামানিক বলেছেন: কয়েকদিন আগে নাকি ওই ব্রীজের কাছেই ট্রেনের নিচে পড়ে এক লোক মারা গেছে। সে কথা জেনেছি কয়েকদিন পড়ে। আগে জানলে হয়তো ব্রীজের কাছে যেতেই ভয়ে চিৎ হয়ে পড়ে যেতাম। রেল লাইনে প্রায়ই লোক মারা যায়। রাতের অন্ধকারে অনেক সময় রেল লাইন দিয়ে হাঁটলে লাশের উপরে পা পড়ে। এরকম বাস্তব অভিজ্ঞতায় একবার ভয়ে আৎকে উঠেছিলাম। সে কাহিনী হয়তো পরে লিখব।

ধন্যবাদ ভাই, রসালো মন্তব্য করায় অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

৬| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৭

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: আপনার স্মৃতিচারন পড়ে অনেক ভাল লাগল।সাথে অনেক কথা মনে পড়ে গেল।
আপনার বন্ধুটি এখন কেমন আছেন?

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ২:৩০

প্রামানিক বলেছেন: কয়েক বছর আগে বন্ধুর বাড়ি গিয়েছিলাম। মোটামুটি ভালো আছে।

৭| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৩

মাহবুবুল আজাদ বলেছেন: বাহ অনেক চমৎকার লিখেছেন।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ২:৩০

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

৮| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৪৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: চমৎকার স্মৃতিচারণ ।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ২:৩১

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ লিটন ভাই, আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল।

৯| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ২:১৭

বর্ষন হোমস বলেছেন:
চমৎকার স্মৃতিমধুর পোষ্ট।তা আপনাকে কি দিয়ে খেতে দিল সেটাও মনে রাখলেন এতদিন।বুঝাই যায় মাঝে মাঝে এটা নিয়ে চিন্তা করেন।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ২:৩৩

প্রামানিক বলেছেন: কিছু স্মৃতি আছে যা মন থেকে মুছে যায় না। এটাও সেই রকম একটা স্মৃতিচারণ যে কারণে অনেক কিছুই মনে আছে। ধন্যবাদ ভাই, শুভেচ্ছা রইল।

১০| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ২:২০

তারেক ফাহিম বলেছেন: চমৎকার লিখছেন।
গ্রামের বন্ধুরা অতিথিপরায়ন হয় আবারও প্রমাণিত।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:৪০

প্রামানিক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন ভাই, গ্রামের বন্ধুদের অতিথিপরায়ণতার তুলনা হয় না।

১১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:১১

শামছুল ইসলাম বলেছেন: স্মৃতিময় লেখায় অকৃত্রিম বাবুর ভালোবাসা ফুটে উঠেছে ।
চমৎকার প্রগাঢ় বন্ধুত্ব ।
ভালো লেগেছে ।
পোস্টে + ।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৬

প্রামানিক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন, বাবুর সাথে আগে তেমন পরিচয় ছিল না কিন্ত তারপরেও তার বন্ধুত্বের কোন কমতি পাইনি।

১২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:২৬

রাসেল উদ্দীন বলেছেন: সাধারণ ঘটনা, কিন্তু ভালো লেগেছে!

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৬

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, অনেক অনেক শুভ্চেছা রইল।

১৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: পড়ে ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৪:১৭

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

১৪| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৯

জীবন সাগর বলেছেন: খুব সুন্দর গল্প, ভালো আপনার স্মৃতিপট

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৫:০০

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

১৫| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৫:২২

এফ.কে আশিক বলেছেন: চমৎকার স্মৃতি কথা
আপনার ছড়ার মতই দারুণ লিখেছেন
ভালো লেগেছে...

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৫:৪০

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

১৬| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৩

করুণাধারা বলেছেন: এই চমৎকার স্মৃতিককথা শেয়ার করেছেন, খুব ভাল লাগল পড়তে। অনেক ধন্যবাদ। সত্যি, জীবনের চলার পথে কত রকমের অভিজ্ঞতাই জমে!!

একটা কথা, আপনি প্রতিদিন ট্রেন থেকে নামে চারমাইল হেঁটে বাড়ী যেতেন? আবার ট্রেন ধরতে আরো চারমাইল- প্রতিদিন কলেজ যেতে ট্রেন বাদেও আট মাইল হাটতেন?

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১৭

প্রামানিক বলেছেন: কলেজ জীবনে ট্রেন ধরতে প্রতি দিনই আমাকে আট মাইল রাস্তা হাঁটতে হতো। অনেকের বাড়ি আমার চেয়েও দূরে ছিল তারাও প্রতিদিন সকাল বেলা দৌড়াদৌড়ি করে এসে ট্রেন ধরতো। শরৎচন্দ্রের স্কুলের দূরুত্ব আর আমাদের কলেজ জীবনে স্টেশনের দূরুত্ব সমান ছিল। কলেজ জীবনের অনেক কাহিনী আছে, সময় সুযোগ পেলে হয়তো লিখব। ধন্যবাদ আপনাকে বিষয়টি তুলে ধরার জন্য।

১৭| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
চমৎকার কথার বুনুনীতে ঢাসা স্মৃতিময় স্মৃতি গাথা,
আমার মনে হয় সবার মনেই এমন স্মতি জমে আছে
কেউ প্রকাশ করতে জানে কেউ প্রকাশ করতে না পেরে
স্মৃতি হাতড়ে বেড়ায়। ধন্যবাদ প্রামানিক ভাই

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২০

প্রামানিক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন নুরু ভাই, সবার জীবনেই স্মৃতি আছে, কেউ প্রকাশ করতে পারে কেউ প্রকাশ না করে মনে মনে স্মৃতি আওরে বেড়ায়।

১৮| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

লোহা লক্করের ঝম ঝম ঠুন ঠান খটা খট্ শব্দ

আমি ভেবেছিলাম, নিশ্চিৎ ভূতের কাজ। পরে দেখি ট্রেন! :)

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫৭

প্রামানিক বলেছেন: জী ভাই, আমিও খুব ভয় পেয়েছিলাম। ধন্যবাদ

১৯| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৯

নিয়াজ সুমন বলেছেন: সুন্দর , শুভ কামনা।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫৭

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, শুভেচ্ছা রইল।

২০| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪

সুমন কর বলেছেন: চমৎকার স্মৃতিচারণ। ভালো লাগা রইলো।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:০৯

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই সুমন কর। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

২১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:০৩

কাছের-মানুষ বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা চমৎকার। আপনার বন্ধুর আন্তরিকতার কথা শুনে ভাল লাগল।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:১০

প্রামানিক বলেছেন: জী ভাই, আসলেই গ্রামের এই বন্ধুদের তুলনা হয় না। ধন্যবাদ আপনাকে।

২২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৪৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: প্রামানিক ,



একটি অতি সাধারন ঘটনাও আপনার লেখার গুনে অসাধারণ হয়ে উঠেছে । গল্পটি পড়তে পড়তে মনে পড়লো ---------
রেলগাড়ী ঝমাঝম
পা পিছলে আলুর দম .............

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:১১

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ আহমেদ জী এস ভাই, আপনার মূল্যবান মন্তব্য পড়ে খুশি হলাম। শুভেচ্ছা রইল।

২৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:০৪

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:




বন্ধুত্ব একটি মধুর সম্পর্ক । সকল আলগোছে স্মৃতি যেন বন্ধুত্বের সাথেই জড়িয়ে থাকে ! ভাল লাগলো স্মৃতির আস্ফালন ।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:১৪

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, আপনার মূল্যবান মন্তব্য পড়ে ভালো লাগল। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

২৪| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:২৫

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: চমৎকার স্মৃতিচারণা। তখনকার বন্ধুত্ব, বন্ধুর মা, আন্তরিকতা - এসব আর আজকাল পাওয়া যায় না...

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:৫৩

প্রামানিক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন, আমরা যেভাবে বন্ধুদের সাথে আন্তরিকতাপূর্ণ ছিলাম এখনকার ছেলেদের মধ্যে তা দেখি না।

২৫| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:২৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রামানিক ভাই, আপনার কবিতার মতোই খুব ভালো লাগলো আপনার স্মৃতিচারণ |

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:৫৫

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

২৬| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:১০

ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: স্মৃতিচারণ ভালো লেগেছে। আসলেই যাদের বাড়ি রেল লাইনের কাছে তাদের মনে হয় ট্রেনের শব্দ শুনতে শুনতে আর খারাপ লাগেনা।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:১৫

প্রামানিক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন, ঐ দিনের পর আরো কয়েকবার আমার ঐ বন্ধুর বাড়ি গিয়েছিলাম কিন্তু ট্রেনের শব্দের কারণে কখনই ঘুমাতে পারি নাই। কিন্তু ওরা ঠিকই নাক ডেকে ঘুমায়।

২৭| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:১৫

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: ভূত আমি ডরাই।
জেঁতে ধরলে ছাড়ে না।

আমি ভেবেছিলাম হুমায় ধরেছে! :P

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৪২

প্রামানিক বলেছেন: না ভাইজান, ভূতেও ধরে নাই হুমায়ও ধরে নাই ট্রেনের শব্দে ভয় পাইছিলাম।

২৮| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:২৩

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: লেখা টা খুব গুছানো ছিল ।একটুও বিরক্তি ভাব আসেনি ।ভালো লাগল

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৪৫

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ বোন নূর-ই-হাফসা। আপনার উৎসাহমূলক মন্তব্য পড়ে খুব খুশি হলাম। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

২৯| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৪৫

নীলপরি বলেছেন: খুব ভালো লাগলো গল্প । না থেমে পড়লাম ।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৪৬

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ বোন নীলপরি, গল্প ভালো লাগায় খুশি হলাম। শুভেচ্ছা রইল।

৩০| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:১৪

চিন্তক মাস্টারদা বলেছেন: দাদা প্রামানিক : অনেক দিন ব্লগে আসলাম, এসেই আপনার লেখা আলোচিত ব্লগে দেখে বরাবরের ন্যায় মন্তব্য ককরার পুরনো জোশকে দমিয়ে রাখতে পারলাম না!

আমার দুর্ভাগ্য যে আপনি পাশে নেই, যদি থাকতেন তবে কষ্ট করে আমাকে বিড়ালের পরীক্ষা নিতে হত না,
এখঅন আআমাকে দেখতেই হবে বিড়াল ঠেলায় পড়ে কিভাবে গাছে উঠে :P , দু'আ করবেন যেন ভদ্র একটি বিড়াল পাই।

আপনার জন্য শুভকামনা থাকলো।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৩০

প্রামানিক বলেছেন: আপনাদের মত পুরানো ব্লগারদের পেলে মনের মাঝে খুব আনন্দ লাগে। আপনি কেমন আছেন?

৩১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৪৮

চিন্তক মাস্টারদা বলেছেন:
আলহামদুলিল্লাহ ভাই, চমৎকার আছি।

আপনি কেমন আছেন?

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৫২

প্রামানিক বলেছেন: আল্লাহর রহমতে ভালই আছি।

৩২| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৭:০২

সোহানী বলেছেন: সবাই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হলেও শুধু বাবুর মা একাই জেগে আছেন। মায়েরা এমনই হয়। .......... হাঁ সব মায়েরা এমনই হয়।

আগের দিনের বন্ধু বান্ধবরা মনে হয় এমনই আন্তরিক হয়। আহ্... এমন কেউ যদি থাকতো কি মজাই না হতো...........

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:২৪

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ বোন, মায়ের তুলনা আর কারো সাথেই খুঁজে পাই না।

৩৩| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৩৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
তিন মাইল হাঁটতে রাজী আছি তবু এই ত্রিশ ফুটের ব্রিজ পার হতে পারবো না .....

হা হা হা ... হাসতে হাসতে শেষ ...

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:২৫

প্রামানিক বলেছেন: তাই হেঁটেছিলাম ভাই, তবু ঐ ব্রীজে উঠি নাই। ধন্যবাদ

৩৪| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৩৪

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: যে রান্ধে সে চুলও বান্ধে..........মানে ছড়াকার গল্পও লেখে :D

রেল লাইন ধরে ঢাকা টু চট্টগ্রাম হাটার সময় কতো রেল ব্রীজ যে পার হলাম তার ইয়ত্তা নেই। শুধু ভৈরবের ব্রীজটা পার হতে পারিনি পুলিশি বাধার কারণে।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:২৯

প্রামানিক বলেছেন: শুধু ভৈরবের ব্রীজটা পার হতে না পারায় আপনার জীবনে ভ্রমণের একটা অংশ মনে হয় অপূর্ণ থেকে গেল। জীবনের পরিপূর্ণতা আনতে যেমনেই হোক এটা পার হওয়া দরকার। অসুবিধা হলে কইয়েন ব্যাবস্থা করার চেষ্টা করুম।

৩৫| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৫৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: বাবুর মায়ের কথা পড়ে আমার মায়ের কথা মনে পড়ে গেল। আমিও মাঝে মাঝে বিনা নোটিশে ঢাকা থেকে বাড়ী চলে যেতাম। যত রাতেই পৌঁছাই না কেন, এক ডাকেই মা সাড়া দিতেন। এ কথাটা বোধকরি এর আগেও আমার কোন লেখায় কিংবা মন্তব্যের উত্তরে লিখেছিলাম। এটাই বোধ হয় টেলিপ্যাথী!
ছড়াকার প্রামানিকের গল্পকার হিসেবে নতুন পরিচয় পেয়ে খুব ভাল লাগছে। গল্পটা সাবলীল ভঙ্গীতে বলা, গল্পের পারিপার্শ্বিকতা এবং গল্পের চরিত্রিরগুলো পরিচিত বলে খুব সহজেই রিলেইট করতে পেরেছি।
আমার গ্রামের বাড়ী থেকে এক মাইল দূর দিয়ে একটা রেল লাইন চলে গিয়েছে। মাঝখানে তখন ছিল একটা বড় বিল। বিলটা পানিতে ভরা থাকলে রেলগাড়ীর শব্দ একরকম শোনা যেত, খালি থাকলে অন্যরকম। প্রতিরাতে ১১ টার দিকে একটা ট্রেন যেত, আবার ভোর ৫ টার দিকে ফিরতো। বিছানায় শুয়ে শুয়ে দুটো ট্রেনের শব্দই শুনতাম। নীরবতার কারণে ভোর রাতেরটা একটু বেশী জোরে এবং অনেকক্ষণ ধরে শোনা যেত।
গল্পে ভাল লাগা + +

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৩১

প্রামানিক বলেছেন: গ্রাম্য জীবনে মা নিয়ে সবার বাস্তবতা প্রায় একই। গ্রাম্য মায়েদের পরিশ্রম আর ত্যাগের তুলনা হয় না। আপনার স্মৃতিচারণ মন্দ নয়। বর্ষা কালের আমাদের বিলের সেই দৃশ্য মনে পড়ে গেল। ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৬| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার গ্রামের বাড়ীটা গাইবান্ধা জেলার কোন থানার কোন গ্রামে অবস্থিত?

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৪১

প্রামানিক বলেছেন: আমার গ্রামের বাড়িটি ছিল ফুলছড়ি থানার অন্তর্গত সিংড়িয়া গ্রামে। গ্রামের পূর্ব পাশ্বেই ছিল তিস্তা মুখ বা যমুনা নদী। আমার গ্রমের বাড়িটি ২০০৮সালে যমুনা নদীতে ভেঙে বিলীন হয়ে গেছে। এখন গাইবান্ধা শহরে বাড়ি।

বর্তমানে আমার গ্রামের অবস্থা এই, অথচ এক সময় এখানে আমাদের পাকা বাড়ি ছিল।

৩৭| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:১১

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
কামাল ভাই এর সাথে আমিও একমত।
ছড়াকারের হাতে চমৎকার লেখনী!!

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৪৪

প্রামানিক বলেছেন: হে হে হে যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে। যার চুল নাই তার কি অবস্থা হবে? ধন্যবাদ আপা, মন্তব্যে খুশি হলাম।

৩৮| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৩

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: স্মৃতিচারণা!:)

বন্ধুত্ব!:)

ভালোবাসা!:)


তিনের মিশেলে তৈরি পোস্টে

++

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৪৬

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, মন্তব্যর জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

৩৯| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৮

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: দারুন শেয়ার।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৪৬

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, শুভেচ্ছা রইল।

৪০| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:১০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আহারে!

আপ্নের আমার সাথে যাবার দরকার ছিল..

ব্রীজ থেকে লাফিয়ে নদীতে কিভাবে গোসল করতে হয় শিখায়া দিতাম ;) হা হাহা

আমাদের মজার খেলা ছিল ট্রেনকে ব্রীজের গোড়া পর্যন্ত আসতে দিয়ে পরে টপাটপ লাফীয়ে পড়া! পড়তে পড়তে ড্রাইভারের খিস্তি মাখা মূখ দেখে হাসা, টাটা দেয়া ;)

++++

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:০১

প্রামানিক বলেছেন: আহারে ভাই, কি আর বলবো-- আমার বাড়িটা রেল লাইন থেকে চার মাইল দূরে হওয়ায় এই অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত। ধন্যবাদ স্মৃতিচারণ করার জন্য।

৪১| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৫৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: স্মৃতি কথা দারুন লেগেছে ভাইয়া !

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ২:০৮

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ বোন, অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

৪২| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৪:২৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার গ্রামের বাড়িটি ছিল ফুলছড়ি থানার অন্তর্গত সিংড়িয়া গ্রামে। গ্রামের পূর্ব পাশ্বেই ছিল তিস্তা মুখ বা যমুনা নদী। আমার গ্রমের বাড়িটি ২০০৮সালে যমুনা নদীতে ভেঙে বিলীন হয়ে গেছে - আপনার এই ছোট্ট মন্তব্যটা পড়ে আর আপনার গ্রামের এলাকার বর্তমানের ছবিটা দেখে বুকটা হু হু করে উঠলো।
ফুলছড়ি নামটি আমার স্মৃতির মণিকোঠায় উজ্জ্বল। ছোটবেলার স্মৃতি মনে পড়ে। ভরতখালি থেকে তিস্তামুখঘাট তথা ফুলছড়ি যাবার পথে আমি যমুনা নদীর ভাঙা গড়ার খেলা প্রত্যক্ষ করতাম। সেই স্মৃতি নিয়ে বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন নামে একটা কবিতাও লিখেছিলাম। আপনার এ মন্তব্য পড়ে সেই কবিতাটি আজ এ ব্লগে প্রকাশ করলাম।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৫:৩২

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ খায়রুল আহসান ভাই, আপনার রেলওয়ে জংশন কবিতাটি প্রথমেই আমার নজরে পড়েছে। কবিতাটি পড়ে আমার ছোট কালের স্মৃতি চোখের সামনে ভেসে উঠল। কবিতা পড়তে গিয়ে আমি মূহুর্তেই অতীত জীবনে হারিয়ে গেলাম। এমন একটি স্মৃতিময় কবিতা লেখার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

৪৩| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫২

শাহানাজ সুলতানা বলেছেন: খুব সুন্দর গল্পটা

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৪

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ বোন, শুভেচ্ছা রইল।

৪৪| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৭

শাহানাজ সুলতানা বলেছেন: আপনার প্রতিও রইলো অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ । সময় করে ঘুরে আসবেন আমার পাতা থেকে।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৮

প্রামানিক বলেছেন: ঠিক আছে বোন।

৪৫| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ ভোর ৪:১৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অতীত দিনের স্মৃতি কে নিয়ে লেখা গল্পটি দারুন উপভোগ্য হয়েছে ।
বাবুর বাড়ির প্রথম দিনের সেই স্মৃতি মনে পড়লে আজো হাসি পায়, ভুমিকম্প মনে করে ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠে আমি যখন চিৎকার দিব দিব ভাব ঠিক সেই মূহুর্তেই ট্রেন হুইসেল দিয়েছিল। তা না হলে হয়তো ভয়ে হাউমাউ চিৎকার-চেঁচামেচি করে লঙ্কাকান্ড বাঁধিয়ে ফেলতাম।
লঙ্কাকান্ড কি আর বাঁধার বাকি আছে , আমরা সকলে এসে তা দেখছি দল বেঁধে :)

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:৩৯

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ আলী ভাই, আপনার মন্তব্য পেয়ে খুব খুশি হলাম। আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল।

৪৬| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:৫০

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হঠাৎ লোহা লক্করের ঝম ঝম ঠুন ঠান খটা খট্ শব্দ আর খাটের ঝাকুনিতে ঘুম ভেঙে গেল। কাঁচা ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠলাম। আমার জীবনেও ঘুমের মাঝে এরকম শব্দ শুনি নাই। শব্দের পাশাপাশি খাটের ঝাঁকুনিতে ভয় পেয়ে গেলাম। মনে হলো এলাকায় বড় ধরনের ভুমিকম্প বা কোন ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়েছে। ভয়ে শরীরের লোম খাড়া হয়ে গেল। অন্তর আত্মা শুকিয়ে কাঠ। অন্ধকারে বেদিশা হয়ে গেলাম। চিৎকার দিব দিব ভাব। এমন সময় কানের কাছে বিকট শব্দে ট্রেনের হুইসেল বেজে উঠল। কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার অবস্থা। মনে হলো হুইসেল যেন আমার কানের উপরে এসে বেজে উঠেছে। তবে হুইসেলে কানের পর্দা ফাটলেও মনের ভিতর থেকে ভীতিভাব কেটে গেল। বুঝতে পেলাম এটা আর কিছু নয় ঘরের পাশ দিয়ে লোহালক্কর ভাঙচুড়ের শব্দ করতে করতে মাল ট্রেন যাচ্ছে। ট্রেনের বিষয়টি মাথায় আসতেই স্বস্তি পেলাম। তারপরেও অন্ধকারে কাঁপতে লাগলাম। বালিশের তলা থেকে ম্যাচ বের করে আলো জ্বালালাম। বাবুর মুখের দিকে তাকিয়ে দেখি বাবু অঘোরে ঘুমাচ্ছে। এত বড় একটা ট্রেন কান ফাটা আওয়াজে দুনিয়া কাঁপিয়ে চলে গেল তারপরেও ওর ঘুমের কোন ব্যাঘাতই হলো না। ওর ঘুমানো দেখে আশ্চার্যই হয়ে গেলাম।



দারুন একটি লেখা। মুগ্ধ হয়ে পড়লাম।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১০:৩৭

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ বোন, মন্তব্য করায় উৎসাহিত হলাম। শুভেচছা রইল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.