নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

pramanik99

আমার স্কুল জীবনের স্মৃতিগুলো বার বার মনে পড়ে। ফিরে যেতে ইচ্ছে করে সেই দিনগুলোতে।

প্রামানিক

শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

প্রামানিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

গভীর রাতে এটা কিসের দৃশ্য?

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২১


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

আমাদের বাড়ি থেকে প্রায় দেড় মাইল পূর্বে রতনপুর চরে কয়েক বিঘা জমি আছে। গত রাতে আমাদের ক্ষেতের পাশের ক্ষেত থেকে চোরেরা ধান কেটে নিয়ে গেছে। ক্ষেত ভরা পাকা ধান। কামলার অভাবে ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে না। চোরের ভয়ে বাবা ক্ষেত পাহারা দেয়ার জন্য আমাদের বাড়ির চাকর নাদের আলী আর সেকান ভাইকে কাঁথা বালিশ দিয়ে পাঠালেন। রাত বিরাতে মাঠে ঘাটে ঘুরে বেড়ানো আমার ছোট থেকেই নেশা। বিরান বালুচরের মাঝখানে রাত কাটানোর নেশায় পেয়ে বসল। আমি বাবাকে না জানিয়েই চাকরদের পিছু নিলাম। আমার উদ্দেশ্য ফাঁকা মাঠে রাতের অন্ধকারে মনের আনন্দে গলা ছেড়ে গান গাইবো। বাড়িতে তো চিল্লিয়ে গান গাওয়া যায় না। গাইলেও বেসুরো কণ্ঠের জন্য অনেকের ধমক খেতে হয়। কাজেই মনে মনে চিন্তা করলাম এই সুযোগ হাত ছাড়া করা ঠিক হবে না।

একে তো অগ্রাহায়ণ মাস তারোপর চর এলাকা। চারিদিকে নিরব নিস্তব্ধ ফাঁকা আর ফাঁকা। শীতের আমেজ শুরু হলেও খুব একটা শীত পড়ে নাই। চরের পশ্চিমে মানাস নদী পূর্ব দিকে যমুনা নদী। উত্তর দক্ষিণে ধুধু বালুচর। জমির আশেপাশে তো দূরের কথা দুই এক মাইলের মধ্যেও কোন ঘরবাড়ি নেই। যে কারণে ক্ষেতের পশ্চিম পাশে নদীর কাছাকাছি বাবা আগে থেকেই ধানের নাড়া দিয়ে অস্থায়ী ডেরা তৈরী করে রেখেছে।

নদীর পশ্চিম তীরে শ্মশান ঘাট। কয়েক দিন আগেও এখানে হিন্দুদের মরা পুড়েছে। আমাদের ক্ষেতে যেতে হলে এই শ্মশান ঘাটের পাশ দিয়েই যেতে হয়। মানাস নদী পার হওয়ার রাস্তাটিও এই শ্মশান ঘাটের পাশ দিয়ে। নদী অনেকটা শুকিয়ে গেছে তারপরেও এক তলকাছা পানি। নদী পার হয়ে আমরা যখন ক্ষেতে পৌঁছলাম তখন রাত দশটার কম হবে না। গ্রামে রাত দশটা মানে অনেক রাত। তিনজনের হাতেই তিনটি লাঠি। নাদের আলীর মাথায় কাঁথা বালিশ। ডেরায় ঢুকে হ্যারিকেনের আলোতে ধানের নাড়া বিছিয়ে বিছানা তৈরী করে গোল হয়ে বসলাম। অবাধ স্বাধীনতায় মনের আনন্দে তিনজনেই গলা ছেড়ে গান শুরু করে দিলাম। আহা! সে কি গান! আমাদের কোরাস গানের সম্মিলিত কণ্ঠ শুনে চোরদের চুরি করা তো দূরের কথা চরের শিয়ালগুলো পর্যন্ত চুপ হয়ে গেছে। অন্যান্য দিন রাতের বেলা চরে এলে শিয়ালের কণ্ঠ শুনতে পাই কিন্তু আজ আর তাদের কণ্ঠও শুনতে পেলাম না। ঘরবাড়ি বিহীন ফাঁকা মাঠে নিরব নিস্তব্ধ অবস্থায় গান যেন মনের অজান্তেই একটার পর একটা গলা দিয়ে বের হয়ে আসছে।

রাতের অন্ধকারে এরকম নিরিবিলি পরিবেশ খুব একটা পাওয়া যায় না। তিনজনের কেউ ভালোভাবে গান জানি না, তারপরেও খায়রুণ সুন্দরী থেকে শুরু করে গুনাই বিবি, রুপভান, সিনেমার গান, ভাওইয়া, পল্লীগীতি কোনটাই বাদ গেল না। প্রায় ঘন্টা খানেক এ গানের দুই লাইন ও গানের তিন লাইন এভাবে গাইতে গাইতে ক্লান্ত হয়ে পড়লাম। নাদের আলী আর সেকান ভাই গান গাইতে গাইতে সারাদিনের পরিশ্রমে ক্লান্ত দেহ বিছানায় এলিয়ে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ল।

আমার আর ঘুম আসে না। ওরা ঘুমিয়ে পড়ায় আমি গলা ছেড়ে গান না গেয়ে গুনগুন করে গাইতে লাগলাম। রাত প্রায় বারোটার দিকে আকাশে চাঁদ উঠল। আস্তে আস্তে পুরো চর চাঁদের আলোয় আলোকিত হয়ে গেল। ইচ্ছা হলো সাথে কেউ সঙ্গ দিলে এমন চাঁদনী রাতে দুধের মত সাদা ফকফকা বালুচরে হেঁটে বেড়াতাম। মন ভরে চাঁদনি রাতের স্বাদ নিতাম। কিন্তু একা একা এই বিরান বালুচরে বের হওয়ার সাহস হলো না। নদীর পশ্চিম পারেই শ্মশান ঘাট। শ্মশানের ভূতের কথা মনে পড়ে গেল। এই শ্মশানে মাঝে মাঝে নাকি ভূত প্রেতের উৎপাত হয়। যদি ভূতগুলো নদী পার হয়ে এপারে বালুচরে চলে আসে, তাহলে একা পেয়ে ঘাড় মটকে বালুর ভিতর পুঁতে ফেলতে পারে। সেই কথা চিন্তা করেই ডেরার ভিতরে শুয়ে শুয়ে ডেরার ফাঁক ফোকর দিয়ে চাঁদ দেখতে লাগলাম। চাঁদের আলোয় ডাইনে বায়ে অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়। আকাশে এক ফোটা মেঘ নেই। পুরো পরিষ্কার আকাশ। ডেরায় শুয়ে শুয়ে চাঁদ দেখতে খুবই ভালো লাগছে। তন্ময় হয়ে এদিক ওদিক তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছি। চাঁদনী রাত অনেক দেখেছি কিন্তু আজকের মত এত ভালো কখনও লাগেনি।

হঠাৎ পশ্চিম দিকে তাকাতেই থমকে গেলাম। আমাদের ডেরা থেকে মাত্র পঞ্চাশ হাত দূরে কি যেন দাঁড়িয়ে আছে। চিৎ হয়ে শুয়ে ছিলাম। দৃশ্যটি ভালো করে দেখার জন্য উপর হয়ে শুয়ে মুখটি পশ্চিম মুখ করে ঘুরে দেখতে লাগলাম। ডেরাটি পূর্ব মুখ করে তোলা। কারণ পূর্ব দিকেই আমাদের ধান ক্ষেত। আমরা পশ্চিম দিকে মাথা দিয়ে শুয়ে আছি। ডেরার পশ্চিম পাশটা ধানের নাড়া দিয়ে আড়াল করা আছে, যাতে শীতের ঠান্ডা বাতাস মাথায় না লাগে। নাড়ার ফাঁক দিয়ে ভালো করে তাকাতেই চক্ষু ছানা বড়া হয়ে গেল। সাদা শাড়ি পড়া এক মহিলা নদীর কিনারে পশ্চিম মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে। মাথার চুলগুলো এলোমেলোভাবে কোমরের নিচ পর্যন্ত ঝুলে আছে। মহিলা ঠাঁয় দাঁড়ানো কোন নড়াচড়া করছে না। ভয়ে মুষড়ে গেলাম। পশ্চিম দিকেই শ্মশান ঘাট। মনে মানে ভাবলাম, এ কি শ্মশান থেকে উঠে এলো নাকি!

নাদের আলী আর সেকান ভাই নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। ডাক দেয়ার সাহস হচ্ছে না। কি জানি মহিলা যদি ডাইনি হয়ে থাকে। নাদের আলীকে ডাক দিলে যদি দৌড়ে এসে গলা টিপে ধরে, ঘাড় মটকে বুকের রক্ত চুষে খাওয়া শুরু করে। ভয়ে অন্তরাত্মা শুকিয়ে গেল। ওদেরকে ডাক দেয়ার যেমন সাহস পেলাম না তেমনি ঐ দৃশ্য থেকে চোখও সরাতে পারছিলাম না। আমি তন্ময় হয়ে তাকিয়ে আছি। হঠাৎ দেখি মহিলা সোজা পশ্চিম দিকে কাছার বরাবর নিচের দিকে খাড়া অবস্থায় আস্তে আস্তে নেমে গেল। আমি আরো ভয়ে পড়ে গেলাম। ওখানে তো নদীর খাড়া কাছার। কমপক্ষে বারো হাত গভীর। কেউ এখানে ঝাপ দিলে ঝপ করে নিচে পড়ার কথা, কিন্তু মহিলা কিভাবে আস্তে আস্তে নেমে গেল! কোন মানুষের পক্ষে তো এভাবে নামা সম্ভব নয়। ভয়ে শরীরের লোম খাড়া হয়ে গেল। দৃশ্যটি দেখার পরে মুহুর্তেই কাঁথা দিয়ে মাথা ঢেকে শুয়ে পড়লাম। কিন্তু মাথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকলে কি হবে সারা রাত আর ঘুম হলো না।

সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেও রাতের ঐ দৃশ্যই মনে পড়তে লাগল। কিন্তু এই ঘটনা ওদের দুইজনকে বললাম না। ঘটনা শুনলে যদি ওরা আবার ভয় পেয়ে যায়, তাহলে রাতে আর ধান পাহাড়া দিতে আসবে না। ক্ষেতে পাহারা না থাকলে চোরে সুযোগ পেয়ে যেতে পারে।

পরদিন বাবা প্রায় বারো তেরোজন কামলা নিয়ে ক্ষেতের ধান অনেকটা কাটলেও পুরোপুরি কাটা শেষ করতে পারলেন না। ধান কাটা বাকি থাকার জন্য সেরাতেও পাহাড়া দিতে আসতে হলো। রাতের দৃশ্য মনে হওয়ায় আমি না যাওয়ার চেষ্টা করলাম, কিš ‘নাদের আলী আর সেকান ভাই আমাকে ছাড়লো না। গত রাতের মত গানের আনন্দ উপভোগ করার জন্য জোর করেই ওরা আমাকে টেনে নিয়ে এলো। রাস্তায় এসে সেকান ভাই পাশের বাড়ির আছর উদ্দিনকেও সাথে নিল।

আজকে চারজন হওয়ায় সাহস অনেকটা বেড়ে গেল। সাহস বেড়ে গেলেও গত রাতের মত আনন্দ পাচ্ছিলাম না। বার বার রাতের দৃশ্য মনে পড়তে লাগল। ওদের তিনজনের মনে খুব আনন্দ, কারণ ওরা তো রাতের সেই দৃশ্য দেখে নাই। ভয় ভীতির মাঝে অনিচ্ছা সত্বেও ওদের সাথে সাথে গানের তাল মিলাতে লাগলাম।

আমি গান বন্ধ করে চুপ হয়ে গেলেও নাদের আলী আর সেকান ভাই গুনগুন করে অনেকক্ষণ গান গাইল। গান গাইতে গাইতে সেকান ভাই ঘুমিয়ে পড়লেও নাদের আলী জেগে আছে। চাঁদ উঠলেও আমি আর বাইরে তাকানোর সাহস পাচ্ছি না। কাঁথা দিয়ে মাথা ঢেকে শুয়ে আছি। এমন সময় নাদের আলী আমাকে কুনুই দিয়ে গুতা দিয়ে ফিস ফিস করে বলল, ও চাচা-- ঘুমাইছেন?
আমার ঘুম আসছিল না, গত রাতের দৃশ্য বার বার মনে পড়ছিল। আস্তে করে বললাম, না।
নাদের আলী আস্তে আস্তে বলল, ও চাচা পশ্চিম দিকে দেখেন তো এডা কি?
নাদের আলীর কথায় বুঝে ফেললাম, এটা সেই গতকালের দৃশ্য। যে ভয়ে কাঁথার তলে মাথা ঢুকিয়েছি সেই দৃশ্য পুনঃরায় দেখার সাহস হলো না। ভয়ে আরো কাঁথার ভিতরে ঢুকে আস্তে আস্তে বললাম, যাই হোক না কেন, মাথা ঢাইকা ঘুম দে।
না চাচা ঘুমান যাইবো না, এরকম জিনিষ তো আগে কোন দিন দেহি নাই, চাচা আপনে একটু চায়া দেহেন তো।
আমি কাঁথার তলে মাথা রেখেই বললাম, আমি গতকাল দেখছি আইজকা আর দেখুম না।
নাদের আলী আশ্চার্য হয়ে বলল, কন কি চাচা! আপনি গত কাইল দেখছেন তারপরেও আমাগো কইলেন না ক্যান?
-- কইলে যদি তোরা ভয় পাস এর লাইগা কই নাই।
এমন সময় নাদের আলী আশ্চার্য হয়েই বলে উঠল, চাচা দেহেন দেহেন, আস্তে আস্তে জিনিষটা উপর দিকে লম্বা হইতেছে।
নাদের আলীর কথায় দেখার আগ্রহ দমাতে পরলাম না। কাঁথা দিয়ে মাথা ঢাকা অবস্থায় শুধু চোখ দু’টো বের করে নাড়ার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে দেখি সাদা শাড়ি পড়া অবস্থায় দশ বারো হাত লম্বা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মাথার চুলগুলিও পাঁচ ছয় হাত লম্বা। তবে কালকের মতই পশ্চিম মুখ করে শ্মশানের দিকে তাকিয়ে আছে। চুলসহ শরীরের পিছন অংশ দেখা গেলেও মুখ দেখা যাচ্ছে না। আমরা দুইজন পাশাপাশি শুয়ে শুয়ে দৃশ্যটি দেখছি। এমন সময় পাশের বাড়ির আছর উদ্দিন বলে উঠল, ওই শালা নাদের আলী, ঘুমান বাদ দিয়া এত রাতে ফুসুর ফুসুর করতাছোস ক্যান?
নাদের আলী আছর উদ্দিনের কানের কাছে মুখ নিয়ে আস্তে আস্তে বলল, কথা কইস না, আস্তে কইরা পশ্চিম দিকে চায়া দেখ।
আছর উদ্দিও কৌতুহলী হয়ে পশ্চিম দিকে তাকিয়েই বলে উঠল, ও আল্লাহ গো, এইডা কি খাড়ায়া আছে?
নাদের আলী দাঁতে দাঁত চিপে ধরে ফিস ফিস করে বলল, ওই শালা, কথা কইস না, বিপদ আছে।
নাদেরের কথা শুনে আছর উদ্দিন ভয়ে চুপসে গেল। মাথা কাঁথার নিচে দিয়ে আল্লাহ আল্লাহ করতে লাগল। আছর উদ্দিনের পাশেই ছিল সেকান ভাই, আস্তে আস্তে কুনুই দিয়ে সেকান ভাইকে গুতা দিতেই সেকান ভাই জোরে চিল্লিয়ে উঠল, এই শালারা কি শুরু করছোস রে- - । ঘুমাইতে দিবি না লাঠি দিয়া পেটন ফালামু। ঘুম দে হারামজাদারা।
সেকান ভাইয়ের চিল্লানের সাথে সাথেই মহিলাটি কাছারের উপর থেকে সোজা নিচে নেমে গেল। মানুষ লিফটে যেভাবে উপর থেকে নিচের দিকে নেমে যায় ঠিক সেভাবেই আস্তে আস্তে নেমে গেল। স্বাভাবিকভাবে কোন মানুষের পক্ষেই এভাবে নামা সম্ভব নয়।
এর পরে নাদের আলীকে বললাম, পশ্চিম দিকে আর চায়া দেহনের দরকার নাই, মাথা কাঁথার নিচে দিয়া চোখ মুখ বন্ধ কইরা ঘুম দে।
নাদের আলীকে ঘুমাতে বলে আমি মাথা ঢেকে শুয়ে শুয়ে এই অদ্ভুত দৃশ্য নিয়ে চিন্তা করতে করতে কখন যে ঘুমিয়েছি আর বলতে পারি না।

সকাল বেলা নাদের আলী কাঁথা বালিশসহ বাড়ি গিয়ে হাজির। বাড়ি ফিরে বাবাকে বলল, দাদা-- বেশি করে কামলা নেন, ওই চরে আর থাকা যাইবো না। আমাগো ডেরার পশ্চিম পাশে এক দুষ্টা আইসা খাড়া থাকে।
-- কিসের দুষ্টা রে?
-- আমাগো ডেরার ঠিক পশ্চিম পাশে কাছারের উপর সাদা শাড়ি পরা এক মহিলা চুল আউলা ভাউলা কইরা পশ্চিম মুখ হয়া খাড়ায়া থাকে। আমরা দেইখা ডরাইছি।
বাবা সাহস দেয়ার জন্য বলল, ধূর পাগল, ঘর বাড়ি নাই ফাঁকা বালুচরে মহিলা যাইবো কোইত্থিকা?
-- না দাদা আমি একলা না তো, আমরা তিনজনে দেখছি। দশ হাত লম্বা একটা মহিলা খাড়ায়া আছিল।
-- তিনজনে দেখার পরে ছাইড়া দিলি ক্যান? তগো কাছে লাঠি আছিল না, লা ই লাহা কালেমা পাইড়া পাছায় পেটন দিলেই তো জিন্দিগীর মতো চইলা যাইতো। আর জীবনেও ্ওই এলাকায় আইতো না।
বাবার কথা শুনে নাদের আলী হাসি হাসি মুখে বলল, দাদা পেটন দিমু কি, মহিলারে ওই অবস্থায় দেইখাই তো আমরা খেতার তলে ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে মরার অবস্থা।
-- ধূর পাগল, মহিলা কি তগো দাঁত বাইর কইরা ভেচকি দিছে?
-- ভেচকি দেয়ার আগেই তো আমরা খেতার তলে ঢুইকা কাঁপাকাঁপি শুরু করছি। ভেচকি দিলে তো আঁৎকা চিক্কুর দিয়া মইরাই যাইতাম।
-- তাইলে কি তোরা আসলেই ভয় পাইছস?
-- হ দাদা, আমরা আসলেই ভয় পাইছি।
-- সামান্য একটা মহিলা দেইখাই তোরা ভয় পাইলি?
-- দাদা আপনের কাছে সামন্য হইলেও আমাগো কাছে বিরাট কিছু। বিরান বালু চরে আউলা ঝাউলা মহিলা আইল কোইত্থিকা এইডা ভাইবাই আমরা ভয় পাইছি।
নাদের আলীর কথা শুনে বাবা তাড়াতাড়ি কাসার গ্লাস ভরে এক গ্লাস পানি এনে দোয়া পড়ে ফুঁ দিয়ে চারজনকেই খেতে দিল। বাকি পানি বালটিতে ঢেলে চারজনকেই গোসল করিয়ে দিল। পড়া পানি খেয়ে আর গোসল করে ওদের ভীতিভাবটা কেটে গেলেও আমার চোখে চোখে দৃশ্যটি অনেক দিন পর্যন্ত ভাসতে লাগল।
নাদেরের কথা শুনে বাবা বেশি করে কামলা নিয়ে পুরো ক্ষেতের ধান কেটে সাফ করে নিয়ে এলেন। ধান না থাকায় পরে আর কাউকেই পাহারা দিতে যেতে হয় নাই।
সেই রাতের দৃশ্যটির কথা মনে হলে আজো আমার চোখে চোখে ভাসে। জানিনা এটা কিসের দৃশ্য।

(সমাপ্ত)

মন্তব্য ৯২ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৯২) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩০

আটলান্টিক বলেছেন: পড়ছি :) :) :)

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৪

প্রামানিক বলেছেন:
প্রথম হওয়ার জন্য চমচম খান।

২| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৪২

আটলান্টিক বলেছেন: প্রামাণিক ভাই গল্পটা রাত্রে দিলে ভাল হতো :) :) কাথা-বালিশের নিচে আরাম করে পড়তাম আর গল্পটা কল্পনা করে ভয়ে কাঁপতাম।এখন তো ভয় লাগছে না।ওই সাদা শাড়ি মহিলাটাকে এখন মানুষ বলেই মনে হচ্ছে :)

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৭

প্রামানিক বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন ভাই গল্পটি রাতে দেয়া উচিত ছিল, রাতে সময় পাবো না এইজন্য দিনে দিয়েছি। ধন্যবাদ

৩| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৪২

ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: ওটা কিছের দৃশ্য ?

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৭

প্রামানিক বলেছেন: ওটা যে কিসের দৃশ্য এইটাই তো এখনো আবিষ্কার করতে পারি নাই।

৪| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৩

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: প্রামানিক ভাই,আপনার গলার গান শুনতে হবে একদিন।
লেখা ভাল হয়েছে।সেদিন কি দেখেছিলেন উপরওয়ালাই ভাল জানেন।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৫১

প্রামানিক বলেছেন: আমার জীবনে এরকম তিনচারটি দৃশ্য চোখে পড়েছে। তবে পাকিস্তান আমলেই এসব বেশি দেখেছি দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ইরি ধান চাষ করার কারণে এসব কমে গেছে (ইরি ধানে সারারাত পনি দিতে হয় যে কারণে সারা রাত মানুষ মাঠে থাকে।)। বর্তমানে নাই বললেই চলে।

৫| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৩

আবু তালেব শেখ বলেছেন: যে বিজ্ঞান যতই থিওরি দিক এরকম বস্তু অবশ্যই আছে।আমিও একবার সরাসরি প্রত্যক্ষ করেছি।
আপনি যদি একা দেখতেন তাহলে হইতো বোঝা যেত দৃষ্টিভ্রম হয়েছে কিন্তু তিনচারজনের চোখ তো মিথ্যা হতে পারে না।
যতদুর ধারনা দুষ্টু জ্বিনেরা নানারকম রুপ নিয়ে মানুষ কে ভয় দেখায়।

আপনার ঘটনাটা ভালো লাগলো প্রামনিক ভাই। তবে এখন মনে হয় কাটা ধান চুরি করার মত চোর নেই?

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০২

প্রামানিক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন ভাই, ভৌতিক আরো কিছু ঘটনা আমিও দেখেছি। আরো একটি বাস্তব কাহিনী আছে ভৌতিক একটি দৃশ্য দেখে একটি রহস্য উদ্ধার করেছিলেন আমার বাবা। সেসব কাহিনী সময় সুযোগ পেলে লিখবো। ধন্যবাদ আপনাকে।

৬| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৮

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন: দারুন একটা গবেষনার বিষয় । যাব ভাবতেছি।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৫

প্রামানিক বলেছেন: জী ভাই, এরকম ভৌতিক দৃশ্য শুধু বাংলাদেশেই নয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও দেখা যায়। ভারতের পশ্চিম বঙ্গের একটি রেল স্টেশন আছে যেটি ভৌতিকতার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ রাখা হয়েছিল।

৭| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৯

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: বেশ ভৌতিক একটা গল্প।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৬

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, মন্তব্য করার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

৮| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:০১

সুমন কর বলেছেন: বাস্তবিক বর্ণনার গল্প ভালো লেগেছে। এখনো কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায় না !!

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৭

প্রামানিক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন ভাই, ভৌতিক কিছু দৃশ্য অনেক সময় চোখে পড়ে কিন্তু বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায় না।

৯| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:০৩

গালিব আফসারৗ বলেছেন: পরে পড়মু, অনেক বড়।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৭

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, শুভেচ্ছা রইল।

১০| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:১৮

রোকসানা লেইস বলেছেন: অনেক দিন পর ভুতের গল্প পড়লাম তাও রাতের বেলা। দেখি ভয় লাগে কিনা।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৮

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ বোন, গল্প পড়ার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

১১| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৪৩

মাআইপা বলেছেন: খুব সুন্দর হয়েছে।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৯

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

১২| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৪৫

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: গল্পটি ভালো লাগলো।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৯

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

১৩| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৫২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: চোরেরা সুবিধা করতে না পারলে এরকম ভয় দেখায়।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:১১

প্রামানিক বলেছেন: লিটন ভাই. আসলে এটা চোর ছিল না, যেখানে মুর্তিটি নেমে গেছে সেখানে কমপক্ষে বারো তেরো হাত গভীর ছিল।

১৪| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:১১

বিজন রয় বলেছেন: ধুর!

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৯

প্রামানিক বলেছেন: চমৎকার

১৫| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:১১

বিজন রয় বলেছেন: ভুত!!

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৯

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৬| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:২৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

ভীষণ ভয়ের ব্যাপার, প্রামানিক ভাই :)
ছড়ার পর এবার ভৌতিক গল্প। আপনি সব্যসাচী লেখক হয়ে যাচ্ছেন।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৫০

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ মইনুল ভাই, আপনার উৎসাহমূলক মন্তব্য আমার জন্য লেখার প্রেরণা। শুভ্চেছা রইল।

১৭| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:২৬

খাঁজা বাবা বলেছেন: পেত্নীইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইই

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০০

প্রামানিক বলেছেন: ভূত পেত্নী হয়তো একটা কিছু হবে। ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।

১৮| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:২০

রাজীব নুর বলেছেন: ধানক্ষেত, শ্মশান, গভীর রাত ----

গল্পটি পুরোটা পড়ার পর মনে হলো- বানানো গল্প না।
বাস্তব।
আছর উদ্দিন, নাদের আলী এবং সেকান কি আসল নাম?

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৫

প্রামানিক বলেছেন: জী ভাই, নাদের আলী আর সেকান ভাই আমাদের বাড়ির রাখাল ছিল আর আছর উদ্দিন আমার জ্যাঠার বাড়ির রাখাল ছিল। ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।

১৯| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৩০

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: লেখায় মুন্সিয়ানা আছে।
বাস্তব বলে মনে হলো।
আপনাকে পড়ি, আমার ভালো লাগে।
শুভকামনা।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০১

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ বড় ভাই, আপনার মূল্যবান মন্তব্য পড়ে উùসাহিত হলাম। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

২০| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৯

শামছুর রহমান বলেছেন: আমার ছেলেবেলায় আমি একা এবং মাসহ এমন দৃশ্য দেখেছি ! মা এখনোও মনেরেখেছেন সেই দৃশ্যের কথা ৷আমি আজও এর কোন ব্যাখ্যা পাই নাই ! আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই এমন ঘটনা জানানোর জন্য ৷

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৪

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, যারা গ্রামে মানুষ তাদের অনেকের সামনেই এরকম ভৌতিক দৃশ্য কম বেশি চোখে পড়েছে। তবে বর্তমানে এসব দৃশ্য খুব কম দেখা যায়। আপনার স্মৃতিচারণ পড়ে ভালো লাগল। শুভেচ্ছা রইল।

২১| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০২

রিফাত হোসেন বলেছেন: +

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৫

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, শুভেচ্ছা রইল।

২২| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৩

জনৈক অচম ভুত বলেছেন: মানুষ যেমন ভূত-পেত্নীদের ভয় পায়, ভূত-পেত্নীরাও তেমনি মানুষকে ভয় পায় বলে মনে হচ্ছে! নইলে সেকান ভাইয়ের চিল্লানি শুনে মহিলা পালিয়ে যাবে কেন! 8-|
ভৌতিক গল্প ভাল লেগেছে।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৭

প্রামানিক বলেছেন: মানুষকে সবাই ভয় পায়, তার কারণ মানুষের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা আছে, দলে বলে থাকলে ভূত কখনও মানুষের সামনে আসে না। যে কারণে সেকান ভাইয়ের চিল্লানী শুনে ভূত পেত্নী যাইহোক পালিয়েছিল। ধন্যবাদ মূল্যবান মন্তব্য করার জন্য।

২৩| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:২২

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: যদিও ভৌতিক গল্প পড়তে ভয় লাগে তারপরেও পড়লাম । :)
ভালো লিখেছেন,প্রমাণিক ভাই।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১৫

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, আপনি ভয় ভয় লাগার পরও পড়েছেন জেনে খুশি হলাম। শুভ্চেছা রইল।

২৪| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:৪৩

সপ্তর্ষি নাথ বলেছেন: আপনি যেভাবে জায়গাটার বর্ননা দিলেন তাতে আমার মনে হচ্ছে ভদ্রমহিলা সম্ভবত ওই জায়গা থেকে নদীতে পড়ে গিয়েছিলেন বা আত্মহত্যা করেছিলেন।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২০

প্রামানিক বলেছেন: আপনার ধারণা সত্যও হতে পারে, কারণ আমরা যেখানে শুয়েছিলাম সেই এলাকায় আগে হিন্দু বসতি ছিল, নদী ভেঙে তারা সবাই ইন্ডিয়া চলে গেছে, যে কারণে কেউ আত্মহত্যা করলেও আমরা হয়তো জানি না। ধন্যবাদ আপনাকে।

২৫| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:০৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সত্যি ই কি কিছু ছিলো !!!
বেশ গুছিয়ে লিখেছেন প্রামানিক ভাই ।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২১

প্রামানিক বলেছেন: জী বোন, সাদা শাড়ী পরা এক মহিলাকে দেখেছিলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

২৬| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৩৮

সোহানী বলেছেন: ধ্যাৎ.... ভুত পেত্নিগুলা শুধু আগের দিনেই দেখা দিত। এখন হাতে যেই ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল আসলো ওমনি পালালো, আর দেখা দেয় না।

যথারীতি প্রামানিক ভাইয়ের সুপার ডুপার পরিবেশনা।++++++++++++

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৩

প্রামানিক বলেছেন: আপনার কথা যথারীতি সত্য। আমার জীবনে ভূত প্রেত যা কিছু দেখেছি তা সবই আশি সালের আগে, আশি সালের পরে আর কিছুই চোখে পড়ে নাই। এর কারণ হলো দেশে ইরি ধানের চাষ ব্যাপকভাবে প্রসার হওয়ায় স্যালো মেশিনের ভটর ভটর শব্দ আর সারা রাত মানুষ জনের ক্ষেতে খামারে দৌড়াদৌড়ি, জঙ্গল কেটে পরিষ্কার, পোড়ো ভিটাগুলিও আগাছা পরিষ্কার করে ঘরবাড়ি করা, গ্রামের বড় বড় গাছগুলিও কেটে ইটভাটায় পোড়ানো ইত্যাদি কারণে ভূত প্রেতদের কার্যকলাপ দেশ থেকে একেবারেই উঠে গেছে। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।

২৭| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৪

কাতিআশা বলেছেন: আপনার সুন্দর বর্ণনায় যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে গ্রামীণ বাংলার জোৎস্না মাখা রাতের পটভূমি..বেশ ভসলো লাগলো!

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৪

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, আসলেই জোস্না রাতে বালুচরের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ভোলার মত নয়।

২৮| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৫

অাব্দুল্লাহ অাল কাফি বলেছেন: এরকম কিছু অভিজ্ঞাতা আমারও কিছু আছে।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৫

প্রামানিক বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা ব্লগে পোষ্ট করবেন সেই অপেক্ষায় রইলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

২৯| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি নিজে যখন দেখেছেন, বলার কিছু নেই; কিন্তু এগুলো নিয়ে আমার সমস্যা আছে

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৭

প্রামানিক বলেছেন: চাঁদগাজী ভাই, ভূত প্রেত আমিও বিশ্বাস করি না তবে আমার দেখা কয়েকটি ঘটনার সঠিক উত্তর আজও খুঁজে পাই না।

৩০| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৪০

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: কোন প্রশংসা করে শেষ হবার নয় ভালো লাগা। প্রিয়তে থাকেন।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫৪

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই নাঈম জাহাঙ্গীর, মন্তব্যর জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল।

৩১| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫৮

জাহিদ অনিক বলেছেন:



সেই কবে পড়েছিলাম ছেলেবেলায় ভুতের গল্প!
আজ আবার পড়া হল।
ভয় পাইই নাই !!!!!!!!

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:০০

প্রামানিক বলেছেন: ভয় পাবার মত করে লিখি নাই। মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৩২| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৫৪

তৌহিদ তাজ বলেছেন: রাতে পড়েছি বলে ভালই মজা পেলাম। গল্পটা সুন্দর

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:১৯

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, আপনি রাতে পড়ে মজা পেয়েছেন জেনে খুশি হলাম। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

৩৩| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:৫৫

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: ভয়ংকর মুহূর্ত ছিল বুঝাই যাচ্ছে । কি সাংঘাতিক ।
কি হতে পারে বলে মনে করেন । এরপর আর কেউ কি দেখেছিল?
লেখা দারুন হয়েছে।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:২২

প্রামানিক বলেছেন: জী-- এর পরেও একজন দেখেছিলেন, তিনি দেখেছিলেন সন্ধ্যার পরে সাদা কাপড় পড়ে রাস্তার পাশে একটি বউ দাঁড়িয়ে ছিল, কাছে যেতেই উধাও হয়ে যায়।

৩৪| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:১০

আটলান্টিক বলেছেন: ভৌতিক আরো কিছু ঘটনা আমিও দেখেছি। আরো একটি বাস্তব কাহিনী আছে ভৌতিক একটি দৃশ্য দেখে একটি রহস্য উদ্ধার করেছিলেন আমার বাবা।

কৌতূহল হচ্ছে কি রহস্য উদ্ধার করেছিলেন আপনার বাবা সেটা নিয়ে যতো তাড়াতাড়ি পারেন লিখুন।আর হ্যা ভাই অবশ্যই রাতে লিখবেন :) :) :)

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:২৪

প্রামানিক বলেছেন: ভৌতিক থেকে বাস্তবে রুপ নেয়ায় কাহিনীটি পোষ্ট করতে দ্বিধাবোধ করছি।

৩৫| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:০৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ভুত ভুত ভুতং
কাহিনী মজার হরং ;)

যাহা লৌকিক নয়- তাহাই মিথ্যা নয়....ব্যাখ্যাতীত হলেই অবিশ্বাসের কারণ নেই!
আমাদের সীমাবদ্ধতা ৩ মাত্রায়ইতো, ৪র্থ ৫ম মাত্রার ঘটনা কি করে বুঝৈ আসবে???

@ সোহানী কে বলেছৈ ভুতেরা ডিজিটাল সময়ে পিছিয়ে আছে!
গুগল করে দেখূন সিসিটিভিতে কত ভূতের ফুটেজ ;) :P
হা হা হা

+++++


০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:২৬

প্রামানিক বলেছেন: আগে এই দেশে যেরকম ভূতের কাহিনী চোখে পড়তো এখন পড়ে না সেই কারণে মনে করছি ডিজিটাল হওয়ার কারণে ভূতেরা এলাকা ছেড়েছে। ধন্যবাদ যুক্তিসম্মত মন্তব্য করার জন্য।

৩৬| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৯

পুলক ঢালী বলেছেন: সুন্দর বর্ণনা। ভুতপেত্নীর গল্প মজা লাগে আপনার লেখনীও খুব চমৎকার। ভূতপেত্নী বাদ থাক আমনে গান করেন আমরা হুনি। ;) :D

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৪৫

প্রামানিক বলেছেন: আমার বেসুরো গান শুনে যেখানে শিয়াল চুপ হয়ে গেছে সেখানে আপনি শুনলে তো কানে আঙুল দিয়ে বসে যাবেন। ধন্যবাদ ভাই রসালো মন্তব্য করার জন্য।

৩৭| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:২৮

করুণাধারা বলেছেন: বড় লেখা- তাই একবারে পড়ে উঠতে সময় লাগল। আপনার বর্ণনা গুনে মনে হচ্ছিল সব কিছু দেখতে পাচ্ছি- শুধু শুনতে পেলাম না শেয়ালের ডাক থামিয়ে দেয়া আনন্দ সংগীত!

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৪৮

প্রামানিক বলেছেন: আপনার রসালো মন্তব্য পড়ে ভালো লাগল এবং সেই সাথে উৎসাহও পেলাম। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

৩৮| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আমার খুব ভুত দেখার শখ ছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন ভুত দেখতে পেলাম না। আফসোস।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫৭

প্রামানিক বলেছেন: ছোট থাকতে ভূতের ভয়েই পালিয়ে থাকতাম তারপরেও ভূত সামনে পড়তো। ধন্যবাদ আপনাকে ভূত দেখার আগ্রহ নিয়ে মন্তব্য করার জন্য।

৩৯| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৯

এম এম করিম বলেছেন: এরকম অব্যাখ্যনীয় কিছু ব্যাপার ঘটে। আমি দেখিনি তবে শুনেছি।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫৯

প্রামানিক বলেছেন: জী ভাই আমার জীবনে কয়েকবার এরকম ঘটনা ঘটেছে কিন্তু এর সঠিক ব্যাখা পাইনি। ধন্যবাদ আপনাকে।

৪০| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:০৫

কালীদাস বলেছেন: সারছে!! এটা কি সত্যি ঘটনা নাকি গল্প?
যেটাই হোক, আপনার চিল্লিয়ে গাওয়া গান শুনতে মন চায় B-))

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:১২

প্রামানিক বলেছেন: সেই তরুণ বয়সের গাওয়া গান তো এখন হবে না ভাই, তারপরেও আপনাকে মন্তব্যর জন্য খুশি হয়ে শুভেচ্ছা জানাই।

৪১| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:২৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যখন ঘাড় মটকায় নাই তাহলে এটা ভূত না , মনের ভূত
.....................................................................

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৪৪

প্রামানিক বলেছেন: তিন চার জন থাকায় ঘাড় মটকানোর সুযোগ পায় নাই, একলা থাকলে হয়তো মটকাতো। ধন্যবাদ

৪২| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৪১

ওমেরা বলেছেন: আরে ভাইয়া এইটা এতদিনেও বুঝেন নাই তাহলে আজকে বুঝে নেন এটা আমার ছায়া ছিল!!


অনেক মজা পেয়েছি ধন্যবাদ

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:২০

প্রামানিক বলেছেন: হুম হতেও পারে, এটা আগে জানা ছিল না। ধন্যবাদ

৪৩| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫

বিদেশে কামলা খাটি বলেছেন: নতুন ছড়া পাই না কেন?

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩৪

প্রামানিক বলেছেন: নতুন ছড়া দেব ভাই, সময় পাচ্ছি না যে কারণে ব্লগে নিয়মিত হতে পারছি না। ধন্যবাদ আপনার আগ্রহ প্রকাশ করার জন্য।

৪৪| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:৪৭

সৈয়দ ইসলাম বলেছেন: ভাউ, আপনার লেখায় এতো আকর্ষণ কেরে?




আপনার লগে প্রেম করুম! থুক্কু। ভালবাসা।

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩৫

প্রামানিক বলেছেন: হে হে হে - -- ভালোবাসা নতুন করে আর করার প্রয়োজন নাই, আপনার আমার মধ্যে পুরাণ যে ভালোবাসা আছে সেইটা ঠিক থাকলেই চলবে। ধন্যবাদ

৪৫| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:০৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: সুন্দর বর্ণনা...

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩৬

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

৪৬| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৩

জাহিদুল ইসলাম চৌধুরী শান্ত বলেছেন: রহস্যময় ভৌতিক গল্প ভালোলাগলো.......

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৭

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, শুভেচ্ছা রইল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.