নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যের অন্বেষণে আছি, কিন্তু পথ খুঁজে পাচ্ছি না! আমি সেই অজ্ঞ মানব!

রাফিন জয়

সত্যের অন্বেষণে আছি, কিন্তু পথ খুঁজে পাচ্ছি না! আমি সেই অজ্ঞ মানব!

রাফিন জয় › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোন আওয়াজ নাই

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৫১

কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতি যেখানে সারা বিশ্ব পরিত্যাগ করছে, রাষ্ট্র তখন গো ধরে বসে আছে। থাকার কারণটাও একেবারে অমূলক নয়। রাষ্ট্র পক্ষ NTPC'র পাল্লায় পড়ে যে বসে আছে। সেই খপ্পরে পড়েই বাংলাদেশ এখন ভারতের কয়লা কন্সিউমার হতে যাচ্ছে। তারা দেখাবে বন্ধুত্ব এবং দৃশ্যমান উন্নয়নরাষ্ট্রের চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো দরকার, চিনের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ফলে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশের অঞ্চলে লাঙস এবং কোলন ক্যান্সারের হার একটা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভারতের কোন একটা অঞ্চলে (ঠিক নামটা মনে পড়ছে না এখন) কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পড়ে পরিবেশের এতটাই বিপর্যয় ঘটেছে যে, উক্ত অঞ্চলে এখন আর কৃষি ফসল জন্মায় না। ওখানকার পানির রং ও স্বাভাবিক নয় এখন আর।

গেলো বছর চীনে ১০০টি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির এনার্জি রেগুলেটর। যা কিনা চীনের ১১টি প্রদেশে প্রায় ১০০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতো।

আসা যাক একটু রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দিকে। তবে প্রথমেই বলতে হবে রাষ্ট্রের চিন্তাধারা এখনো বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে পড়ে আছে। কেননা রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রথম প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিলো ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকারের সময়ে। পরবর্তীতে ৬৯'র সময় তা করাচীতে স্থানান্তরিত হয়।

তবে রাষ্ট্র আমাদের দেশে এখন এই তথ্য প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের যুগে সেই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে যে, যেখানে এই পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্র গুলো বর্জন করতে শুরু করেছে। পাশা পাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারকে নিশ্চিত করছে। তাছাড়া এখানেও একটা হারহিম করা বিষয় হচ্ছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য প্রায় ৭৫% ঋণ দিচ্ছে রাশিয়া।

অন্যদিকে চীন এখন সৌর শক্তিকে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য একটা পদ্ধতি ব্যবহার করে সমুদ্রে ভাসমান বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ করছে। যার প্রতি মেগাওয়াট উৎপাদন ব্যয় ৮ কোটি টাকা মাত্র। অন্য দিকে রূপপুর সর্বগ্রাসী বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ব্যয় মেগাওয়াট প্রতি ৬০ কোটি টাকা!

কিন্তু আমাদের তেল-গ্যাস-খনিজ রক্ষার জাতীয় কমিটি এখন নির্বিকার চিত্তে বসে আছে। কোন কর্মসূচী নাই। কোন আওয়াজ নাই। কারণটা কি এটাই যে এখন মিডিয়া আর এসব খায় না?! এখন আর নিজেদের ব্যানার প্রদর্শন সম্ভব হয় না?!

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


মানুষ কি বুঝে যে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত করলে ক্যানসারে মরবে?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫৬

রাফিন জয় বলেছেন: আমরা জাতিগত ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা। কিছু বুঝতে চাই না। ভবিষ্যৎ ও ভাবি না। এখানেই সমস্যা!

২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাফিন জয় ,




আওয়াজ নাই , এটা কিন্তু ঠিক নয় । আওয়াজ উঠছে তবে তা অন্য আওয়াজের নীচে বারে বারে চাপা পড়ে যাচ্ছে । তেল-গ্যাস রক্ষা কমিটি তাদের সাধ্যমত আওয়াজ তুলছেন কিন্তু সুবিধাভোগী, লুটেরাদের গলাবাজীতে তা শোনা যাচ্ছেনা । আম জনতা গলাবাজদের শব্দগুলিই শুনছেন শুধু , নিজেদের জীবন-মরন সমস্যাগুলো তলিয়ে দেখছেন না । দেখার জ্ঞানটুকুও তাদের বোধহয় নেই ।

একটু নজর রাখলেই দেখবেন - কোনও না কোনও সময় আওয়াজ হচ্ছে ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫৫

রাফিন জয় বলেছেন: ঠিক দাদা, তবে জাতীয় কমিটি আগের মতো আর এখন মাথা ঘামাচ্ছে না। এটাও বাস্তব কথা। ২০১৬ সালের অর্ধদিবস হরতাল পালিত হওয়ার পর থেকে এই অবধি তেমন কোন ইফেক্টিভ প্রোগ্রাম দেখছি না। শেষ প্রোগ্রামটা ছিল গেলো ১৬ই ডিসেম্বর রাজু ভাস্কর্যের সামনে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেষণ। আমি নিজেও জাতীয় কমিটির কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে থাকি। তবে এখন আর ভরসা পাই না!

৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৪

মায়াবী ঘাতক বলেছেন: কি আর করবেন? পাবলিক এখন বেশি ব্যাস্ত কোন নায়িকার কার সাথে ডিভোর্স হইসে, মেসি নাকি নেইমার বেলুন ডি ওর পাইসে এইসব খবর নিয়ে। আর **ইয়া মিডিয়াও এইসব বিষয়ে পাম্প দিয়ে যাচ্ছে। এদিকে যে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার সব ব্যাবস্থা আমরা করে যাচ্ছি তা নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। আমাদের নেতা-নেত্রীরা তো মাশাল্লাহ কানাডায়, মালেশিয়ায় নাতি পুতিদের থাকার ব্যাবস্থা করে রাখসেন। মরলে আমরা আম পাবলিক মরবো, কার কি আসে যায় তাতে?? X(( X(

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৩৮

রাফিন জয় বলেছেন: মনটা প্রচুর খারাপ!

৪| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ একটি পোষ্ট।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৩৯

রাফিন জয় বলেছেন: ধন্যবাদ দাদাভাই

৫| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:১৩

রায়হান চৌঃ বলেছেন: জ্বী ভাই......... একটা টোকাই থেকে যখন মন্ত্রী হয় তখন তার চোখ ঐ নোংরা ড্ষ্টবিন পর্যন্ত ই সিমাবদ্ব থাকে বা থাকা উচিৎ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.