নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভাবছি ব্যবসা করবো। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাস্তায় পাওয়া ডায়েরী থেকে- ৪৮

১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪১



ঢাকা শহরের যে বিষয় গুলো আমার কাছে খুব বাজে লাগে-
১। রাস্তায় যখন কোনো মেয়ে হেঁটে যায়- সব শ্রেনীর পুরুষ লোলুপ চোখে তাকিয়ে থাকে। ওই বদ গুলো এত কুৎসিত ভাবে তাকিয়ে থাকে যে নিজের কাছেই লজ্জা লাগে।

২। প্রতিটা অলিতে গলিতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শাক-সবজি মাছ সহ অন্যান্য দ্রবাদি'র দোকানপাট। ফলাফল সারাদিন যানজট। অফিসগামী লোকেরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা যথা সময়ে কর্মক্ষেত্রে ও স্কুলে পৌছাতে পারে না। পুলিশ তাদের কিছু বলে না। কারন গাড়ি করে এসে পুলিশ তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে যায় নিয়মিত।

৩। বাসে কিছু লোকজন হেলপার-কন্টাকটরদের সাথে ৪/৫ টাকার জন্য নোংরা ভাষায় কথা বলে। এরাই আবার প্রেমিকাকে নিয়ে ফাস্টফুডের দোকানে নানান খাবারের অর্ডার দিয়ে বসে।

৪। রিকশা বাস, গাড়ি সিনএনজি এবং হোন্ডা রং সাইড দিয়ে যাতায়াত করে। ফলাফল গিটটু লেগে যায়। রং সাইড দিয়ে যাওয়ার মানসিকতা কবে বন্ধ হবে?

৫। ফুটপাত দিয়ে শান্তিমত চলাচল করা যায় না। দোকানের জিনিজপত্র ফুটপাতে সাজিয়ে রাখে। ফুটপাত মানেই চা সিগারেটের দোকান। ৪/৫ জন মিলে চা খায়, গল্প করে। এদিকে যে পথচারীদের হাঁটার সুযোগ নেই- সেদিকে কারো লক্ষ্য নেই।

৬। ঢাকা শহর হলো ভিক্ষুকের শহর। সিগনালে বাস থামলে- বাসের ভিতরেও ভিক্ষুক চলে যায়। এমন কোনো জায়গা বাকি নেই যেখানে ভিক্ষুক পাবেন না। ইদানিং ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে-মেয়েরা ভিক্ষা চাইছে।

৭। কিছু ছেলে বাসে উঠলেই বলে আমি স্টুডেন্ট। ভাড়া অর্ধেক। তারা ভালো করেই জানে এই বাসে উঠলে হাফ পাশ সিস্টেম নেই, এবং বাসে উঠার সময় হেলপারও হাফ পাশ নেই জানিয়ে দেয়। তারপরও তারা সেই বাসে উঠবে এবং হই চই ৩/৫ টাকার জন্য। অথচ এইসব পুলাপান'ই আবার সারারাত জেগে গার্ল ফ্রেন্ডের সাথে মোবাইলে কথা বলে। গিফট কিনে দেয়। এটা অবশ্যই মানসিকতার দোষ।

৮। ঢাকা শহরের ৯৫% রিকশাওয়ালা এবং সিএনজি ড্রাইভার'রা প্রচন্ড বেয়াদপ। এদের মামা বললেও কোনো লাভ নেই।

৯। ঢাকা শহরের লোকজন ধাক্কা-ধাক্কি করা ছাড়া বাসে উঠতে পারে না। বাস যদি খালিও থাকে তবুও তারা ধাক্কা-ধাক্কি করবেই। এবং বাসে উঠার পর মেয়েদের সীটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকবে। পেছনে জায়গা থাকলেও সেখানে যাবে না। আজকাল কিছু লোক মেয়েরা দাঁড়িয়ে থাকলেও সিট ছেড়ে দেয় না। অথচ তারা মহিলা সীটেই আছে। আজিব!

১০। ঢাকা শহরের যেখানেই যাবেন, সেখানেই মানুষের ভীড়। বাস, লঞ্চ, ব্যাংক, ফ্লাইওভার ব্রীজ, অফিস-আদালত, বাজার, ফ্ল্যাক্সির দোকান। এমন কি রাস্তার পাশের চায়ের দোকান পর্যন্ত।

১১। গাড়ি, বাস, ট্রাক, সিএনজি ইত্যাদি যানবাহন অকারনে হর্ন বাজাবেই। ফলাফল শব্দদূষন। সবার মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যায়। কে কার আগে যাবে।

১২। চেক পোষ্টের নাম দিয়ে পুলিশ সাধারন মানুষকে হয়রান করে। একবার তাদের থামালে, নানান তালবাহানা করে ৫০ টাকা হলেও নিবে। অথচ তারা ভালো করেই জানে কে কোথায় ইয়াবা বিক্রি করছে। তাদের ধরবে না। কারন তারা নিয়মিত টাকা দেয়।

১৩। ঢাকা শহরের প্রতিটা লোক কোনো না কোন ভাবে প্রতারনার স্বীকার হবেই। প্রতিটা ব্যবসার সাথে মিশে আছে মিথ্যা আর প্রতারনা।

১৪। সরকারি অফিস আদালত ব্যাংক হাসপাতালের লোকজন টাকার জন্য জিববা বের করে বসে থাকে। এবং তাদের ব্যবহার খুব খারাপ।

১৫। গুলিস্তান, ফার্মগেটে, মিরপুর-১০, কমলাপুর, এবং সদরঘাট দুষ্টলোকদের আড্ডাখানা। এসব জায়গায় চুরি, ছিনতাই, পকেটমার, মলমপাটি থাকবেই।

১৬। হিজড়া'রা খুব বেশি ত্যাক্ত করে। অশোভন আচরন করে। ইদানিং তো তারা বাসে উঠে পড়ে। টাকা না দিলে ঝামেলা করে।


মন্তব্য ৬৩ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৬৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সবগুলোই ১০০% সত্যি, আমরা যারা নিয়মিত রাস্তায় যাতায়াত করি এগুলোই দেখি প্রতিদিন।

১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: সমাধান কি?

২| ১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫

আবু আফিয়া বলেছেন: প্রতিটি বিষয় বাস্তব, এর সমাধান: আমাদের নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি আগে বদলাতে হবে।
ধন্যবাদ আপনাকে

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:৫৯

রাজীব নুর বলেছেন: একসাথে পুরো দেশের মানূষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো সম্ভব না।

৩| ১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সবার সচেতনতা, এবং কঠোর আইন।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:০০

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মনের কথা বলেছেন।

৪| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সমস্যা গুলি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা । মানুষের মোরালিটি দিনকে দিন কমে যাচ্ছে । সর্বত্র একটি অশুভ প্রতিযোগিতা আমাদের এই চ্যালেঞ্জের মধ্যে নিয়ে চলেছে । সব শ্রেণির মধ্যে একটা চলমান হতাশা এর অন্যতম কারন। আর মুখ্য কারন আর্থিক বৈষম্য। দেশের ক্ষয়িষ্ঞু রাজনীতি যাকে বহুগুন বাড়িয়ে দিচ্ছে । এসবের হাত থেকে নিস্তার পাওয়ার রাস্তা বোধহয় নেই।

অনেক অনেক শুভ কামনা আমার প্রিয় ছোট ভাইকে।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: আজ তো দক্ষিন সিটির মেয়র দৈনিক পত্রিকায় দুই পাতা উন্নয়ন তুলে ধরেছে।
সেটা দেখুন। চরম বিনোদন।

৫| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:০৩

অনুতপ্ত হৃদয় বলেছেন: সবগুলো কথা বাস্তব ছিলো, আমাদের প্রশাসন এদের এদের কাছ থেকে ভিক্ষা নেয়তখন আফসোস হয় আমি নিজেও দেখেছি এসব

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: সমাধান আমাদের'ই করতে হবে।

৬| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:১৯

সোহানী বলেছেন: রাজিব ভাই, আপনি যে সমস্যাগুলোরকথা বলেছেন তা দিন দিন অারো বাড়বে বৈ কমবে না। কারন একটাই জনসংখ্যার আধিক্য। তারউপর আছে আইনের শাসন না থাকা, সরকারী পরিকল্পনার অভাব, সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাব। কোনভাবেই কোন আলাদিনের চেরাগের বিনিময়ে এর হাত থেকে নিস্কৃতি নেই। একমাত্র সরকার যদি কঠিনভাবে নিয়ন্ত্রন না করে। কারন যে সমস্যা বলেছেন তা পুরোপুরি মানুষের সৃষ্ট......................

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১২

রাজীব নুর বলেছেন: কি যে কষ্ট বোন এই শহরে।
দিন দিন বেড়েই চলেছে।
দম বন্ধ হয়ে আসে। আর মানুষ গুলো হয়ে গেছে পুরা অমানুষ।

৭| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:


৩য় লিংগের মানুষেরা সরকারের সাহয্য পাওয়া উচিত।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: সরকার এত টাকা পাবে কই?
তারা নিজেরা খেয়ে পড়ে আমাদের জন্য কিছু অবশিষ্ট রাখে। ৩য় লিঙ্গদের জন্য কোথা থেকে দিবে?

৮| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:২৭

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: নিরেট সত্য কথা!!
পুলিশ আর ডাক্তর এরা আমার.... বিষ!!



@"বাসে কিছু লোকজন হেলপার-কন্টাকটরদের সাথে ৪/৫ টাকার জন্য নোংরা ভাষায় কথা বলে। এরাই আবার প্রেমিকাকে নিয়ে ফাস্টফুডের দোকানে নানান খাবারের অর্ডার দিয়ে বসে।"
--- ওদের দেখলে থাপড়াইতে ইচ্ছে করে!!!X(

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: আমার জুতা দিয়ে মারতে ইচ্ছা করে।

৯| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:২৮

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: আজকের পোস্টটা দারুন।



আরো কমেন্ট করতে চাচ্ছিলাম।
আপনি নাই, তাই টা টা...;)

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: আমি নাই মানে??
এই যে আমি !!

১০| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:৩৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: উন্নয়নের মহাসড়কে দেশ। স্যটেলাইট পাঠাচ্ছে মহাকাশে।সামনে নাসা হবে দেশে। এর মধ্যে আপনি কি ভ্যানভ্যান শুরু করলেন?

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমার চোখে রঙ্গিন চশোমা নাই। তাই যা দেখি প্রতিদিন তাই'ই তুলে ধরেছি।

১১| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:৪০

সনেট কবি বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: চাচাজ্বী শুকরিয়া।

১২| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:৪৩

ফারহানা সুন্দর মন বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

১৩| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:০৩

ANIKAT KAMAL বলেছেন: সম‌য়ের শেষ্ঠ লেখার জন্য ধন্যবাদ। অসম্ভব ভা‌লো লে‌গে‌ছে। অাচ্ছা ব্লগার বন্ধু সম‌ধিকা‌রে এই দেশে নারীরা এত সু‌যোগের ম‌ধ্যেও বা‌সে নারী দাঁড়ি‌য়ে থাক‌লে ছিট ছে‌ড়ে দি‌তে হ‌বে।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: অবশ্যই ছিট ছেড়ে দিতে হবে। সবার আগে মানবতা।

১৪| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১১

করুণাধারা বলেছেন: ছবিটা যদি আপনার তোলা হয়ে থাকে তবে বলতেই হবে, আপনি দারুন photographer।

গলিঘুঁজি রাস্তায় মাছ সবজি ফল বিক্রি করার কথা যে লিখেছেন, আসলে এই রাস্তায় বসার জন্য তারা একেক জন প্রতিদিন 50 টাকা করে চাঁদা দেয়। দেখুন হিসাব করে, পুলিশ মাসে কত টাকা পায়!!

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: না ছবিটা আমার তোলা না।

প্রতিদিন ৫০ না এক শ' করে দেয়।

১৫| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আজ রা‌তে সেহ‌রি খা‌বো।দোয়া রইল।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: আমরা আগামীকাল রাতে সেহরি খাবো।

১৬| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:২৩

প্রান্তর পাতা বলেছেন: মনের কথা কহিয়াছেন জনাব, +++
আজকে আপনার একটা ছবি ব্যবহার করলাম।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১০:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: ওকে।

১৭| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:৩৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর ,




মেজাজ গরম করা প্রচন্ড বাস্তবতার ছবি । তবে উপরের ছবিতে পদ্মফুলের শুভ্রতার চেয়েও বাচ্চা মেয়েটির শুভ্র হাসিতে মনটা ভালো হয়ে গেলো ।
৬নম্বর মন্তব্যে সোহানী র সাথে সহমত ।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১০:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১০:১৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ঢাকা শহরের চির-চেনা চিত্র তুলে এনেছেন। আপনার অবজার্ভেশান বেশ ভালো।

১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১২:১২

রাজীব নুর বলেছেন: শুকরিয়া।

১৯| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১০:৩৬

বিষাদ সময় বলেছেন: ভাল পর্যবেক্ষণ।
তবে একটি মন্তব্যের সাথে একমত হতে পারলাম না-
আজ তো দক্ষিন সিটির মেয়র দৈনিক পত্রিকায় দুই পাতা উন্নয়ন তুলে ধরেছে।
সেটা দেখুন। চরম বিনোদন।

এবারের নগরপিতা দুজনই তাদের সীমিত সামর্থ্য দিয়ে যথেষ্ট চেষ্টা করছেন। উত্তরের নগরপিতাকে তো আমরা বাঁশ দিলাম মৃত্যুর আগ মুহুর্ত পর্যন্ত। মৃত্যুর পর বুঝলাম তিনি ছিলেন একজন রোল মডেল।

ভাল থাকুন।

১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১২:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: ঢাকা শহরের রাস্তা গুলো একটু ঘুরে ঘুরে দেখুন। লোকাল বাসে উঠুন। বাজারে যান।
তারপর আপনি নিজেই বুঝবেন।

২০| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১০:৪৩

কৃষ্ণ কমল দাস বলেছেন: আপনার প্রতিটা পয়েন্ট ......প্রতিদিন দেখি.এই শহরে.......। দেখি আর ভাবি সৃষ্টিকর্তা কবে আমাকে গ্রামে নিয়ে যাবে

১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১২:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: গ্রামেও আজকাল শান্তি নাই।

২১| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১০:৪৫

কলাবাগান১ বলেছেন: Recycled post? Satellite is a slap in the face of those people who is blaming government for everything including their constipation.

২২| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ১১:১৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: রাজীব ভাই। ষোলটা চরম সত্য কথা বলেছেন। এটাই এখন দেশের বাস্তবতা।

১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১২:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: আপনাকে তো শহরের ভোগান্তি পায় না।
আপনি থাকেন লন্ডন।

২৩| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১:০৪

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: ষোলটা পয়েন্টে চরম বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন। কিন্তু আফসোস যে এর কোনো প্রতিকার নেই। সচেতনতার ধুঁয়া তুললেও তা আসলে কল্পলোকের ফানুস ছাড়া আর কিছুই নয়।

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:২০

রাজীব নুর বলেছেন: বছরের পর বছর একই অবস্থা। কোনো পরিবর্তন নাই। কিন্তু তারা বলছেন দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে। আমি তো উন্নয়নের কোনো আলামত দেখতে পাই না।

২৪| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১:২৪

ঢাকার লোক বলেছেন: এই আমাদের ঢাকা ,
এরই সাথে যুদ্ধ করে মরে বেঁচে থাকা !

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:২২

রাজীব নুর বলেছেন: কিন্তু আমার ভাবতে ভালো লাগে, ঢাকা একদিন সত্যি সত্যি সিঙ্গাপুরের মতো হবে।

২৫| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১:৫৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: খুব খারাপ কিছু সত্যি তুলে ধরেছেন।

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:২২

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ বোন।

২৬| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৭:০২

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: এর অনেকগুলোর সমাধান কিন্তু আমরা নিজেরাই করতে পারি........চলতে থাকুক এই ডায়েরী

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: তা ঠিক।
আমি সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

২৭| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৪৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ১৪ নং পয়েন্টের সাথে একমত নই।

সব সরকারী প্রতিষ্ঠান যেমন এক নয় তেমনি সব সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীও খারাপ নয়।

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: আমি আপনার মন্তব্যের সাথে একমত না।
সব এক। সব রসুনের।

২৮| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:২১

MirroredDoll বলেছেন: so true. আমার প্রিয় ঢাকা এখন বাস করার অযোগ্য হয়ে যাচ্ছে ।
খুব সুন্দর ছবি টা।
বাবু টা এত সুন্দর!!!

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

২৯| ১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ২:০৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: মানুষ তু মি মা নু ষ হও

১৭ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩০| ১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ২:৫৮

ঈপ্সিতা চৌধুরী বলেছেন: প্রতিদিনের সমস্যা ! হু আমরা এসব শুধু দেখি কিন্তু প্রতিবাদ করি না তেমন!

১৭ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা উচিত।

৩১| ১৭ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৪:১৭

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: ১ নং এর ক্ষেত্রে কিছু সময় মেয়েদের ও দোষ থাকে। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।
৩ নং টা আসলেই খুব বিরক্তি কর লাগে আমার নিজের কাছে ও, ৪/৫ টাকার জন্য অযথা নিজেকে ছোট করা।
৪ নং এ, অনেক সময় রঙ সাইড দিয়ে যাতায়াতে আমরা যাত্রী রা ও চালকদের উৎসাহিত করি।
৬ নং এ, এখন রমজান মাসে আরও শত গুন বেড়ে যাবে ভিক্ষুক।
৭ নং, আসলেই মানসিকতার দোষ।
৯ নং এ, লেগুনা তে ও এমন হয়, একটা সিরিয়াল পরে যাবেনা অথচ ঝুলে ঝুলে যাবে।
১১ নং, বিষয়টি আমিও ভেবেছি, কিছুদিন বাইরের দেশে ছিলাম, সেখানে দেখেছি গাড়ির সামনে মানুষ হাটতে থাকলেও খুব বেশী প্রয়োজন না হলে হর্ন বাজায়না।
সবশেষে, ঢাকা শহরে রাস্তা ঘাটে চলাচলের সবগুলো চিত্র একই ফ্রেম এ !
১৫ নং এ যে জায়গা গুলোর কথা বলেছেন, আমার কাছে ঢাকা শহরে সবচেয়ে জঘন্য জায়গা। বিশেষ করে মেয়েদের জন্য জায়গা গুলো খুব ই বাজে।

১৭ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: চমৎকার মন্তব্য করেছেন।

৩২| ১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
৯ নং মেয়েদের সমান অধিকার চাওয়ার কুফল বলা যেতে পারে

১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:২২

রাজীব নুর বলেছেন: হয়তো বা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.