নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

এরশাদ এর মৃত্যু নিয়ে সাধারন মানুষ যা ভাবছেন

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৮



১। এরশাদের মৃত্যু নিয়ে কান্নাকাটির আগে জেনে রাখুন- ১৯৮৭ সালে নূর হোসেন নামক এক যুবক গায়ে পিঠে 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক' লিখে দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল ঢাকার রাজপথ।

২। মৃত্যুর পর কোন মানুষের অতীত নিয়ে তামাশা করা উচিৎ না মানুষ হয়ে যদি আমাদের মাঝে মনুষ্যেত্বই না থাকে তাহলে আমরা কিসের মানুষ..!

৩। দুঃখ নাই স্বৈরাচার এরশাদ চলে গেছেন...দেশ বা জাতীর কোনো ক্ষতি নাই।

৪। এরশাদের তৈরি 'পথশিশু' নামটি এখনো মনে আছে, আর '৮৮-এর বন্যায় তাঁর লিখিত গান - 'আজকের চেষ্টা আমার' - গানটি নিয়ে আমরা ব্যাপক ব্যঙ্গ করতাম। আমরা যখন কলেজে, তখন শুরু হল '৯০-এর গণ আন্দোলন।

৫। ট্রল করার আগে চিন্তা করে দেখেন, তাঁর শাসনামলই ছিল এদেশের উন্নয়নের স্বর্ণযুগ।

৬। এরশাদের অনেক দোষের মধ্যে একটা গুণও ছিলো। তিনি তুলনামুলক সহনশীল ছিলেন।

৭। সর্বপরি এরশাদ সাহেব ভাল মানুষ ছিলেন - বাংলাদেশের উন্নয়ন এর রুপকার ছিলেন এরশাদ - তাকে জান্নাত দান করুক আল্লাহ

৮। এত দুঃখ করার কি আছে! ভরপুর বাঁচছে, বোনাস টাইম বাঁচছে এমনকি স্বাভাবিক মৃত্যু পাইছে! শুধু মাত্র ঢাবি ক্যাম্পাসের দোয়েল চত্তর থেকে শুরু করে নীলক্ষেত পর্যন্ত আসলেই নির্মমতার যে ইতিহাস দেখা যাবে সেটার রচয়িতা আর কেউ না! জিরো পয়েন্টে নিহত নূর হোসেনের কথা আর না বলি! তার যথেষ্ট অপমান ইতোমধ্যেই হয়েছে!
শুধু মৃতের নাকি অসম্মান করতে হয় না! তাই নামটা নিলাম না!

৯। এরশাদের বিরুদ্ধে নব্বইয়ের যে আন্দোলন হয়েছিল সেটা শুধু শহরকেন্দ্রিক কিছু মুষ্টিমেয় মানুষের দ্বারাই হয়েছিল গ্রামে গঞ্জে মাঠে-ঘাটে কোথাও এরশাদের বিরুদ্ধে কোন আন্দোলন হয় নাই । রাজধানী কেন্দ্রিক আন্দোলন এরশাদের পতন হয়েছে দুটি ক্ষমতা লোভী নারীর যাঁতাকলে পিষ্ট হয়েছে এরশাদ।

১০। কবি, খুনি ও স্বৈরাচার এরশাদের মৃত্যুতে গভীর শোক জানাচ্ছি...

১১। স্বৈরাচার শব্দটা শুধু এরশাদের বেলায়,জিয়ার বেলায় নয় কেন!

১২। তিনি কবি ছিলেন। বিভিন্ন মসজিদে নামাজ পড়ে স্বপ্নের কথা বলতেন। তার আগে আবহাওয়ার সংবাদ অবশ্যই নিয়ে নিতেন। তিনি প্রেমিক ছিলেন। শুধু দুলাভাই বলে তার কাছ থেকে অনেক কিছুই আদায় করা সম্ভব ছিলো। একজন মহান অভিনেতাও ছিলেন বটে।

১৩। এরশাদের মৃত্যু নিয়ে বিএনপির প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে রিজভী আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা এখন আমাদের নেত্রীর মুক্তি দিয়ে ব্যস্ত। অন্য কিছু নিয়ে ভাবনার সময় এখন নেই।’

১৪। মরে গেলেই মানুষের দোষ মাফ হয়ে যায় না!!

১৫। চল্লিশ বছর দেশের রাজনীতি ঘুরপাক খেয়েছে যে ৩ জনকে ঘিরে তাদের একজন চলে গেলেন।

১৬। আমি এরশাদকে ঘৃনা করি ।তার জন্য (এরশাদ ভেকেশন) জীবন থেকে আমাদের ৩/৪ বছর অপচয় হয়েছে ।দূর্বৃত্তায়ন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে ।তার স্বাভাবিক মৃত্যু আমি চাইনি ।আমাদের নষ্ট -ক্ষমতালোভী রাজনীতির জন্য সে শাস্তি পায়নি -জামাই আদর পেয়েছে ।ক্ষমতার রাজনীতি তাকে ক্ষমা করলেও নূর হোসেনদের আত্মা আর ইতিহাস তাকে ক্ষমা করবেনা।

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:


১৯৭৫ ষআলএ, জেনারেল জিয়া ২০/২২ জন মুক্তিযোদ্ধা জেনারেলকে ডিংগিয়ে জেনারেল এরশাদকে 'সেকেন্ড ইন কমান্ড' বানায়েছিলেন; জিয়া ভয়ংকর অপরাধ করেছিলেন, এবং ফলও হাতেনাতে পেয়েছেন।

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:১১

রাজীব নুর বলেছেন: এরশাদ তখন ক্ষমতায়। রওশন এরশাদ ফার্স্টলেডি। প্রেসিডেন্ট এরশাদ যেখানে যান, রওশন এরশাদও তার পেছনে পেছনে যান। দুইজনের মধ্যে বিরাট প্রেম-ভালোবাসা। দেখতে ভালো লেগেছে।

২| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: এরশাদ সম্পর্কে আমার ধারনা নেই; লোক মুখে অনেক শুনেছি; ইতিহাস খুজেছি; সঠিক ইতিহাসও খুজে পাচ্ছি না।সব খানে দুই নম্বরি ইতিহাস।

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: আগামীকালের সব গুলো পত্রিকা পড়ুন।

৩| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:৫৩

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: ফেবু থেকে কপি করা মন্তব্য দিয়ে পোস্ট?

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: শিরোনামটা পড়ুন।

৪| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:০৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আমার মনে আছে, ১৯৮৭ সালে আমাদের এলাকায় এক তরুণ মাইকে শ্লোগান দিচ্ছিলেন, "এরশাদ তোর মরণ হবে, কাফন ছাড়া দাফন হবে"।

১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর ঢাকার রাজপথে বিশাল জনতার বিজয় মিছিলে অনেকের হাত উঁচিয়ে ধরা দৈনিক সংবাদ এর বিশেষ টেলিগ্রাম সংখ্যা। তাতে হেডলাইন মাত্র দুটি শব্দের "এরশাদের বিদায়।

আজ তিনি সত্যি সত্যি বিদায় নিলেন।

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: তিনিই কি একমাত্র, যিনি এই দেশে স্বৈরাশন কায়েম করেছেন? তাহলে ৯০ এর পর সবাই সুশাসকই ছিলেন? অথচ অর্থ পাচার, দুর্নীতিতে তিনি বিএনপি বা আওয়ামী লীগকে পেছনে ফেলতে পারলেন না। এটা একজন স্বৈরশাসক হিসেবে তার ব্যর্থতা। তিনি কথিত স্বৈরশাসক হিসেবে উপাদি পেয়েছেন। যেটা বরজোড় স্বৈর বীর প্রতীক হবার যোগ্যতা রাখে। আর ৯০ পরের শাসকরা স্বৈর বীরশ্রেষ্ঠ হয়ে গেছেন।এই দেশের মানুষ কখনোই সত্য বলেনি, বলবেও না।

৫| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:১৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: মূল সমস্যা অন্য জায়গায় । আসলে তিনি সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতায় আসেন নি। সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন। বন্দুক উঁচিয়ে রাষ্ট্রপতি কে হটিয়ে নিজেই রাষ্ট্রপতি হয়ে গেছেন। সমস্যাটা এখানেই। এছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে তিনি যে যোগ্য ব্যক্তি ছিলেন সেটা বলাই বাহুল্য।

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষ তো ফেরেশতা না। কিছু দোষ তো থাকবেই।

৬| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:৫৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: একাদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা এরশাদ সামরিক শাসক হিসেবে ক্ষমতায় আসেন ১৯৮২ সালে। এর পরের বছর তিনি নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা দেন।
পরে জাতীয় পার্টি গঠন করে তিনি ১৯৮৬ সালে এক বির্তকিত নির্বাচনে জয় লাভ করেন। স্বৈরাচারবিরোধী প্রবল গণ-আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

.......................................................................................
এ সকলই ইতিহাস ! অনেক অনৈতিক কাজের মাঝে ও তিনি বেশ কিছু ভালো কাজ করেছেন ।
আমি তার আত্নার মাগফেরাত কামনা করি ।

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:২৭

নজসু বলেছেন:




এরশাদের আমলে আমাদের এলাকায় গরুর মাংস ছিলো ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি।
২০ টাকা দিয়ে বড় একটা ইলিশ মাছ পাওয়া যেতো।

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:০২

রাজীব নুর বলেছেন: সে সময় লোকসংখ্যা কম ছিল।

৮| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১১:১২

এম ডি মুসা বলেছেন: এরশাদ কাকুর আমল দেখিনি দেখে বুঝতে পারছি।

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:০২

রাজীব নুর বলেছেন: হুম।

৯| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১১:১৪

এম ডি মুসা বলেছেন: এরশাদ আমল দেখিনি দেখে বুঝতে পারছি।
শুফল দিক কম শুনেছি।তবে কিছু কিছু কাজ তাকে আর এই পথে
হারিয়ে গেছে, তবে এই বাংলার দেশের গদিতে একবার আসলে কেও যে তে চায়না ।

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: কেউ যেতে চায় না মানে??
সবাইকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হয়।

১০| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১১:২৬

আহা রুবন বলেছেন: এরশাদের শাসন আমলে গ্রামের মানুষ তাকে অপছন্দ করে তেমনটা মনে হয়নি। স্বৈরাচারী ছিল প্রধানত শহুরে শিক্ষিতদের কাছে। ছোট বেলায় আমরা বিভিন্ন গ্রামে ফুটবল খেলা দেখতে গেলে গামছা নিয়ে যেতাম, হাট-বাজারে যেতে চার/পাঁচবার গলায় লুঙ্গি গিট্টু গিয়ে বেঁধে পানিতে নামতে্ হত--পানি বাড়ত ধীরে ধীরে লুঙ্গি ওপরে উঠত =p~ চোখে যতটুকু দেখেছি গ্রামের ছোট ছোট অসংখ্য ব্রিজগুলো করেছিল এরশাদ সরকার। কলেজ জীবনে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের দাবড়ানি-লাঠির বাড়ি খেয়েছি। এরশাদ পদত্যাগের ঘোষণা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাড়ার সবাই হৈ হৈ করে মিছিলে নেমে পড়লাম। আনন্দ মিছিলে সামনের দুজন খুশিতে সার্ট-প্যান্ট-আন্ডাওয়্যার খুলে লাফাতে লাগল :P এরশাদের মৃত্যুতে ফেলে আসা দিনের সব মনে পড়ছে।

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: সরকারের কাজ'ই দেশের জন্য কাজ করা। ক্ষমতায় যে থাকবে সেই ই কাজ করবে এটাই নিয়ম।

১১| ১৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১:৩৪

কালো যাদুকর বলেছেন: নুর হোসেন যেদিন শহীদ হন, তার কয়েকদিন আগে "দোয়েল চত্তরে" পুলিশের টিয়ার গ্যাস খেয়েছি। এরশাদ আমাদের জীবন থেকে কয়েক বছর শিক্ষাজীবন কেড়ে নিয়েছিলেন।

যোগাযোগ ব্যাবস্হা উন্নতি করেছিলেন ঐ সময়, এজন্য গ্রামের মানুষের তাকে পছন্দ করত। কিন্ত যোগাযোগ ব্যাবস্হা উন্নতির পিছনে এরশাদের উদেশ্য ছিল অন্য। সব জেনারেলরাই দেশের যোগাযোগ ব্যাবস্হা ঠিক রাখতে চায়, কারন হল, দেশের সব সামরিক ঘাটি যাতে কানেকটেড থাকে। এরশাদ এটা ভাল করেই জানত। দিত্বী্য় মহাযুদ্ধের সময় হিটলারও যোগাযোগ ব্যাবস্হা ঠিক রেখেছিলেন।

এতকিছু বলতে গেলে অনেক সময় লাগবে।

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: কেউ'ই ফেরেশতা না। দোষ গুন মিলিয়েই মানুষ।

১২| ১৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১:৪৬

আমিই মুসাফির বলেছেন: বালা মানুষ আছিলেন।

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: বানা না ভালা হবে।

১৩| ১৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ২:১১

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: মৃত্যুর পর মানুষ সবকিছুর উর্ধে চলে যায় ... একথা সত্য | তবে জাতি হিসাবে যদি আমরা নিজেদেরকে উত্তম বলে মনে করতে চাইলে আমাদের এবং আমাদের নেতাদের কিছু নূন্যতম নৈতিক গুণাবলী থাকা উচিত |

একটি জাতির শীর্ষ নেতাকে শ্রদ্ধা করার আগে প্রত্যেকেরই চিন্তা করা উচিত ওই নেতা কি :
- একজন লম্পট যিনি অন্যের স্ত্রী সহ একাধিক নারী নিয়ে পরকীয়ায় লিপ্ত থাকেন ?
-চরম দুর্নীতিবাজ যিনি নিজে ও তার স্ত্রী দুর্নীতিতে লিপ্ত থাকেন ?
- প্রতিবাদী ছাত্র জনতাকে পোষা বাহিনী দিয়ে গুলি করে অথবা ট্রাক চাপা দিয়ে হত্যা করেন ?
- ভন্ড বকধার্মিক যিনি মসজিদের মতো পবিত্র স্থানে গিয়ে চরম মিথ্যা কথা বলতে পারেন ?
- চরম লোভী ও মিথ্যাবাদী যিনি বিরোধী দলের নেতা হিসাবে ক্ষমতার ভাগিদার হওয়ার জন্য ফেইক অসুস্থতার ভান করে ঘন ঘন হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেন ?

জাতি হিসাবে নৈতিকতার অনেক অধঃপতন হয়েছে বলেই আমরা আমাদের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে উন্নত চারিত্রিক গুণাবলী আছে কিনা তার ধার ধারি না |

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো বলেছেন।

১৪| ১৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:৩৫

বলেছেন: ২ নাং ২০০% সহমত

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫| ১৫ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:২৪

আপেক্ষিক মানুষ বলেছেন: সবার চেয়ারের তলায় হাত দিয়ে দেখেন, পাহাড় দেখতে পাবেন।

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:২২

রাজীব নুর বলেছেন: হআ হআ হআ----

১৬| ১৫ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:৩০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দোষ-ত্রুটি, ভালো-মন্দ মিলিয়েই একজন মানুষ। তবে, উনি এখন সবকিছুর উর্ধে চলে গিয়েছেন। যারা এখনও জীবিত আছেন, তারা উনার কর্ম থেকে শিক্ষা নিতে পারেন.....যদি চান।

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: ---ইয়েস।
সহমত।

১৭| ১৫ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:৩২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: এরশাদ দোষী ছিলেন । স্বৈরাচার ছিলেন। কিন্ত তার গড়া রেকর্ড পরের স্বৈরাচার ভেঙে চুড়ে গুড়ে দিয়ে তাকে নিষ্পাপ বাচ্চার মতো অবস্থায় ফেলেছে। যাইহোক মরার বয়সে মরেছে। ২০০ বছর তো আর কেউ বাচে না। সেতো বেচেছে ৯০ বছরের মতো সেঞ্চুরীর কাছাকাছি। সে অসুস্থ অবস্থাও অনেক দিন বেঁচেছে। আল্লাহ তারে ক্ষমা করুক।

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৮| ১৫ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: এরশাদ স্মরণে একটা লেখা লিখেছি আমি দিবো কি না ভাবছি

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: অবশ্যই দিবেন।

১৯| ১৮ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১:২৪

ইসিয়াক বলেছেন: এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তখনকার দিনের স্কুলে পড়া শিশুদের মিছিলে নিয়ে যেতো কলেজে পড়ুয়া বড় ভাইয়েরা। মনে পড়ে মোহাম্মদ পুর সরকারী বালক বিদ্যালয়ে পড়তাম। এরশাদের বিরুদ্ধে না বুঝেই শ্লোগান দিতাম : এরশাদের দুই গালে জুতো মারো তালে তালে। বেশ মজার শ্লোগান।৮৮ বন্যার কারণে সম্ভবত সেই আন্দোলনটা ভেস্তে যায়।
ধন্যবাদ

১৮ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: তখন যে রাস্তার বড় রাস্তার মোড়ে মোড়ে এরশাদ আর রওশন এরশাদের ছবি থাকতো তা কি মনে আছে?

২০| ১৮ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৪

ইসিয়াক বলেছেন: আছে।

১৮ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.