নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পরম সত্য বলে কিছু নেই।

জেন রসি

সময়ের সাথে দাবা খেলি। বোর্ডের একপাশে আমার অস্তিত্ব নিয়ে বসে আছি। প্রতিটা সিদ্ধান্তই এক একটা চাল। শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত খেলাটা উপভোগ করতে চাই!

জেন রসি › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেউ একজন ভেসে ছিল, ভরদুপুরে......

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৪১



একদল মানুষ সুর করে করে মন্ত্রের মত কি যেন পাঠ করছে। সময়টা ভর দুপুর। সূর্য মানুষকে পুড়িয়ে দিচ্ছে। ঠিক সেসময় আমি মানুষটাকে দেখলাম। মানুষটা দাড়িয়ে আছে। পৃথিবীটা ঘুরছে। পৃথিবী সূর্য পূজারি। মানুষটা গাছের মত। দেখে মনে হয় বোধহীন। এই বোধহীন মানুষটাকে কেন্দ্র করে একদল লোক নাচছে। এবং মন্ত্রপাঠ করছে। তারা কি বলছে বুঝার জন্য আমি কাছে গেলাম।

যে বৃক্ষে জ্ঞান ঝুলে থাকে, সে বৃক্ষ পাহারা দেয় এক বিষধর সাপ। সে সাপের বিষে যাদের নেশা হয় তারা জ্ঞানপাপী হয়ে ফিরে আসে। মানুষটার নেশা হয়েছে। সেও জ্ঞানপাপী হয়ে ফিরে এসেছে। রোদ আরো তীব্র হচ্ছে। স্যুরিয়্যল ভাবনা চিন্তা বন্ধ করে একগ্লাস ঠাণ্ডা পানি খাওয়া দরকার। তারপর এক কাপ গরম চা।

আমি চা পান করতে করতে মুঠোফোনে কবিতা লিখে ফেললাম। স্যুরিয়্যল ভাবনা চিন্তা বাদ দিয়ে একদম ডাইরেক্ট এ্যাকশন টাইপ কবিতা!

কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধ।
মুচকি হাসেন বুদ্ধ।
কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা
খুনিরা সব শুদ্ধ।
শান্তিবাদি গান্ধীজীও
কৃষ্ণকথায় মুগ্ধ।

অতিসরলিকরন হয়ে গেল মনে হয়। ডাইরেক্ট এ্যাকশন টাইপ ভাবনা চিন্তার আউটকাম এমনই হয়। তার চেয়ে আরো গভীর যুক্তির কাছে ফেরা যেতে পারে। একটা সিগারেট হলে মন্দ হত না। তবে ধূমপান ছেড়ে দিয়েছি। তার চাইতে বরং একটা মিষ্টি পান চাবাতে চাবাতে ভাবা যাবে। টঙ্গটা ভালো। দেয়ালের সাথে হেলান দিয়ে বসার সুবিধা আছে!

ইম্যাজিনড রিয়্যালিটি

ধরা যাক আমার আস্তিক সত্ত্বা নাস্তিক স্বত্বার অতিসরলিকরন কবিতায় মর্মাহত। সেও তার প্রতিক্রিয়া জানাল। সে বলে বসল নাস্তিকতাও একটা বিশ্বাস। অন্ধ বিশ্বাস। আমার নাস্তিক সত্ত্বা নড়েচড়ে বসল। সে ফিরে গেল বিশুদ্ধ যুক্তির কাছে। সে এ বিষয়ে কি ধরনের লেখা লিখে ফেলতে পারে তার একটা খসরা মনে মনে বানিয়ে ফেলা যায়। একটা টোকাই বেশকিছুক্ষন ধরে পা ধরে বসে আছে। সে বিরক্ত করার চেষ্টা করছে। সে জানে হয় লাথি খাবে নাহয় টাকা পাবে! এটা অনেকটা জুয়া খেলার মত। পকেটে পাঁচ টাকার একটা কয়েন আছে। দিয়ে দিলাম। সে জুয়া খেলায় জিতে গিয়ে আমার পা ছেড়ে দিল। আমি মুঠোফোনে আবার লিখতে শুরু করলাম।

নাস্তিকতাকেও একটা অযৌক্তিক বিশ্বাস মনে হতে পারে যদি সেটা একটা সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের বলয়ে থেকে সেটার আলোকে ভাবা হয়। তবে কেউ যদি সত্য আবিষ্কার করতে চায় তবে তাকে ইতিহাস থেকে ঘুরে আসতে হবে। ইতিহাসের আলোকে সমাজবিজ্ঞান, বিজ্ঞান, মানুষের মাঝে গড়ে ওঠা বিভিন্ন রকম অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বিভিন্ন ধর্মের উৎপত্তি, বিকাশ এসব যদি সে বুঝে তবে খুব সহজেই সে বুঝতে পারবে পরম সত্য বলে কিছু নেই। তবে পরম সত্যের অনেকগুলো ধারনা সে পাবে।সত্য আবিস্কার করতে গিয়ে দেখবে সময়ের সাথে রিলেটেড অনেক রকম আপেক্ষিক সত্যের ধারনা। জ্ঞানের যেহেতু কোন সীমা নাই বা সেটার সীমা সম্পর্কে আমাদের জানা নেই, তাই মানুষ সব যুগেই নিজেদের প্রয়োজনে বিভিন্ন রকম ধ্যান ধারনার জন্ম দিয়েছে। মতবাদের জন্ম দিয়েছে। আবার সময়ের প্রয়োজনে সেসব ভেঙ্গেও ফেলেছে। বিজ্ঞান দিয়ে মানুষ ক্রমাগত নিজেকে এবং প্রকৃতিকে বুঝার চেষ্টা করেছে। এখনো করছে। এখনো থিয়োরি অব এভরিথিংক বলে কিছু পাওয়া যায়নি বিজ্ঞানেই। বরং কোয়ান্টাম মেকানিক্স এসে আরো জটিল করে দিচ্ছে সব!অমরত্ব নিয়ে গবেষণা চলছে। কি হবে ভবিষ্যতই বলে দিবে। তবে বিজ্ঞান প্রমানে বিশ্বাস করে। অন্ধ বিশ্বাসের কোন জায়গা বিজ্ঞানে নেই। বিজ্ঞানের সবচেয়ে বেসিক কনসেপ্ট থেকেই ধর্মীয় কনসেপ্ট বাতিল হয়ে যায়। সেটার জন্য বিজ্ঞানী হওয়ার দরকার হয়না। প্রাথমিক জ্ঞান থাকলেই সেটা বুঝে ফেলা যায় যদি কেউ বুঝতে চায় আরকি। এখন বিজ্ঞানকেও বাদ দিলাম। মানুষের মাঝে কল্পনাশক্তি বলে একটা ব্যাপার আছে। এই কল্পনাশক্তি থেকেই যুগে যুগে সাহিত্য, দর্শন, মতবাদ, ধর্মের জন্ম হয়েছে। নিজের কল্পনাশক্তির সাথে মানুষ তার পারিপার্শ্বিক যাপিত জীবনকে রিলেট করে অনেক রকম ধ্যান ধারনার জন্ম দিয়েছে। এখনো দিচ্ছে। ভবিষ্যতেও দিবে। বিভিন্ন ধর্মীয় কনসেপ্টগুলোও এভাবে সৃষ্টি হয়েছে। কিছুটা কল্পনা এবং কিছুটা তৎকালীন সময়ের পর্যবেক্ষণ থেকে। যেমন ধরা যাক আমি যদি বলি যে আমি কাল চাঁদে ছিলাম। কেউ যদি যুক্তি দিয়ে বিচার করে তবে তা বিশ্বাস করবে না। বিশ্বাস করতে হলে তাকে অন্ধ বিশ্বাসী হতে হবে। ধর্মের ব্যাপারটাও এমন। যেমন ধরা যাক আমি যদি বলি হ্যারি পটারের কি কোন অস্তিত্ব আছে? আছে। হ্যারি পটার নামক এক বইয়ে সে আছে। তাকে ঘিরে অনেক কাহিনী আছে। সেসব কি সত্য? হ্যাঁ সেসব কাল্পনিক সত্য যার জন্ম হয়েছে জে কে রাওলিং এর কল্পনা থেকে। এটাই যৌক্তিক ভাবনা। ধর্মপ্রচারকরা কি সত্য? তারা কেউ কেউ পৌরাণিক চরিত্র আবার কেউ কেউ ঐতিহাসিক চরিত্র। তাদের ভাবনা চিন্তাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে আরেক কাল্পনিক সত্য। অন্ধবিশ্বাসীরা এমন একটা কল্পনার বলয়ের মধ্যে নিজেদের আবদ্ধ করে রাখে। যেমন ধরা যাক, জিউস এবং থর দুজনই মিথ। কিন্তু কেউ জিউসকে বাদ দিয়ে থরের কাছে গেল। বা ভাইস ভারসা! এ বেছে নেওয়ার ব্যাপারটা আসে অন্ধ বিশ্বাস থেকে। যে মানুষ যুক্তি দিয়ে বিচার করবে দুটোই তার কাছে কাল্পনিক মিথ হিসাবে আবির্ভূত হবে যার জন্ম মানুষের কল্পনা থেকে। এখন মানুষের কল্পনারও অস্তিত্ব আছে। তবে সেটা কল্পনা হিসাবেই। সেটা পরম বা একমাত্র সত্য না। এটাই যৌক্তিক ভাবনা। কিন্তু আস্তিকরা যেটা করবে সেটা হচ্ছে প্রশ্নাতীত ভাবে কনসেপ্টগুলোকে একমাত্র পরম সত্য হিসাবে বিশ্বাস করবে। তারা ধর্মপ্রচারকদের কাল্পনিক বলয়টাকেই একমাত্র পরম সত্য মনে করবে। বিজ্ঞান, সমাজ বিজ্ঞান, যাপিত জীবন, মানুষের ইতিহাস সবকিছুই এই মনে করাটাকে যৌক্তিক ভাবে বাতিল করে দেয়। তবুও মানুষ মনে করে। কার্ন একমাত্র অন্ধবিশ্বাসী হলেই এমনটা মনে করা যায়। যেমন কেউ যিশুর পুনর্জন্মে বিশ্বাস করে কিন্তু অলিম্পাস পাহাড়ে জিউস আছে এটা করে না। এই করা না করায় যুক্তি নাই। আছে বিশ্বাস। আর আমি এই সব কয়টাকেই কাল্পনিক সত্য হিসাবে দেখি যা মানুষের কল্পনা থেকে এসেছে। এটাই নাস্তিকতা। এবং এভাবে ভেবে দেখলে দেখা যাবে নাস্তিক হওয়াটাই যৌক্তিক। যা কোন বিশ্বাস না। যা প্রাপ্ত জ্ঞানের আলোকে নেওয়া একটা যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। আস্তিকতার সিদ্ধান্ত আসে অন্ধ বিশ্বাস থেকে।

এখন প্রশ্ন হলো ধর্মপ্রচারকদের কনসেপ্ট কি আমি গ্রহন করব না বাতিল করব? একজন নাস্তিক হিসাবে আমি জানি, ধর্মপ্রচারকরা তার চারপাশ কে জেনে বুঝে মানুষের জন্য একটা পরম সত্য সৃষ্টি করতে চেয়েছেন। ইতিহাসের প্রথম থেকেই মানুষ এটা করে আসছে। সব কনসেপ্টের সাথেই একই সাথে পর্যবেক্ষণ এবং কল্পনা মিশে থাকে। মার্ক্সের ব্যাপারও তাই। আবার গত শতকের নিতশের ব্যাপারও তাই। তবে ধর্মের বেলায় যেহেতু একটা পরম এবং একমাত্র সত্যের ব্যাপার আরোপ করা থাকে তাই এটা একটু বেশি বিপদজনক। যাইহোক, আবার যৌক্তিক ভাবে ভাবলে ধর্মপ্রচারকদের দেওয়া অনেক সমাধান আমার কাজে লাগতে পারে। আবার সময়ের প্রয়োজনে যা বাতিল করা দরকার তা বাতিলও করা যায়। এটাই যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি যা নাস্তিক হওয়ার যৌক্তিক সিদ্ধান্ত থেকে আসে।

ফেবু স্ট্যাটাস হিসাবে লেখাটা খারাপ হয় নাই। তবে দেওয়া যাবেনা। দিনকাল খারাপ। যদিও উদাহরন হিসাবে জিউস আর থরকে এনেছি তবুও বলা যায়না! তার চেয়ে বরং অন্যরকম কিছু ভাবা যাক!

মায়াবাস্তব ভ্রম

রোদ কিছুটা কমে এসেছে। ঘাম শুকিয়ে কেমন ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা লাগছে। এই সময়টাকে রাত ভাবলে কেমন হয়। একটা ভ্রমের জন্ম দেওয়া যায় কনসাসলি। যেমন এখন আসলে ভর দুপুর না। এখন রাত। এমন রাত যে রাতে চাঁদ ডুবে গেছে। জোনাকি পোকারা নেমে এসেছে। আর আমি কবিতা লিখছি,

চাঁদ ডুবে গেলে
জোনাকি পোকাদের উৎসব শুরু হয়।
সময়বন্দি মানুষের অসময়ে।
ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে ভেঙ্গে যায় শূন্যতা
এক অদ্ভূত আঁধার ভেসে থাকে
ভেসে ভেসে খুব কাছে দিয়ে যায়
সমুদ্র এবং মদ এবং নারী ও জ্যেৎস্না।
আমি নেশার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি!
তারপর হাটি অন্যকোথাও—অদেখা ভুবনে!
নেশার কাছে ফিরে আসা যাবে, যেকোন সময়!

ভর দুপুরের গল্প শেষ করে বাসায় যাওয়া দরকার। বরফপানিতে গোসল করে এক কাপ ধূমায়িত কফি নিয়ে গেম অব থ্রোনসের নতুন পর্বগুলো দেখা শুরু করা যেতে পারে। পথে হাঁটতে হাঁটতে দেখলাম এক জন্মান্ধ ফকির বসে মনের সুখে বিড়ি টানছে।তার পাশে একজন মানুষ মরে পরে আছে। মানুষটার চোখ দুটো খোলা । তবে তারা কেউ কাউকে দেখছে না।

সমাপ্ত......

প্রিয় ব্লগার শায়মা আপুকে জানাচ্ছি জন্মদিনের শুভেচ্ছা। যদিও জন্মদিন কাল। কিন্তু আজকেই জানিয়ে দিলাম। শুভজন্মদিন শায়মা আপু। :)


মন্তব্য ৭৭ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (৭৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৭

বিজন রয় বলেছেন: পড়িনাই।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৯

জেন রসি বলেছেন: হাহা..পড়বেন?

২| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধ।
মুচকি হাসেন বুদ্ধ।
কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা
খুনিরা সব শুদ্ধ।
শান্তিবাদি গান্ধীজীও
কৃষ্ণকথায় মুগ্ধ।

কবিতায় আমি মুগ্ধ । :)

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৬

জেন রসি বলেছেন: কেন মুগ্ধ? মানে মুগ্ধ হওয়ার পেছনে আপনার যুক্তি কি?

৩| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২২

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:




আমরা মানুষ, সবাই একই রকম । ভাবনা এবং নীতির ভিন্নতা যুগে যুগে ভাগ করে দেয় মানুষকে ভিন্ন সমাজ, জাতি, গুষ্টিতে। জীবের মধ্যে মানুষই সেরা এটা নিঃসন্দেহে বলা যায় । তার মানে এই সেরার মধ্যে আস্তিক, নাস্তিক, সন্ত্রাস, খুনী, বেইমান,স্বার্থপর, পরচর্চাকারী সবাই আছে । এখন কেউ যদি বলে, একজন খুনী দেখতে মানুষ হলেও সে কীভাবে সেরা জীব হয় ! এই প্রশ্নের যুক্তিযোক্ত উত্তর কী হতে পারে ? কারণ এই 'মানুষ খুনি' অন্যান্য 'জীব জানোয়ার খুনি' থেকে ভালোভাবে খুন করতে জানে !

তাই বলি যে যার বিশ্বাস নিয়ে থাকুক, তবে মানুষ হয়ে থাকুক বাইরে এবং হৃদয়ে। মানূষের মাপকাঠিতে মানুষের মূল্যায়ণ বেশি জরুরী ।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৯

জেন রসি বলেছেন: একজন মানুষ তার সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করতে পারেনা। আবার তার এমন কিছু ক্ষমতা আছে যা তাকে অন্যান্য প্রাণী থেকে আলাদা করেছে। একটা কল্পনা করার ক্ষমতা। আরেকটা যুক্তি দিয়ে পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতা। দুটোই খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সমাজ কাঠামো মানুষের নানা রকম কাল্পনিক ভাবনা চিন্তা থেকেই বিকশিত হয়ে আসছে। কিন্তু কল্পনাকে কাল্পনিক সত্য ভেবে চর্চা করার বোধটা আসে যুক্তি থেকে। এভাবে ভাবলে ধর্ম, বিজ্ঞান, সাহিত্য সবই হাতে হাত রেখে চর্চা করা যায়। কে কিসে বিশ্বাসী সেটা একটা চয়েস হিসাবে দেখলে সহাবস্থান কঠিন কিছুনা। ধন্যবাদ মূল্যবান মন্তব্যের জন্য।

৪| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: দারুন এলোমেলো মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না । মানুষের মাথা তার ছেড়ার প্রচেষ্টা !:#P

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৩

জেন রসি বলেছেন: এটা একটা গল্প! আমি ভাবছিলাম এই গল্প পড়ার পর হয় মানুষ বিরক্ত হবে নাহয় তারা রেগে যাবে! ;)

৫| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


জীবন থেকে জীবনের গল্প অনেক বড়

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৮

জেন রসি বলেছেন: ছোটও হতে পারে।

৬| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:০৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: জেন রসি ,




গল্পের ঢংয়ে লিখলেও বেশ তর্ক জমে উঠতে পারে । কারন, যা বলতে চেয়েছেন তা আপনার বিশ্বাস থেকেই । এ বিশ্বাস অবশ্যই আপনার নিজের যুক্তিতে দাঁড় করিয়েছেন। এ যুক্তি আবার কোন আঙিকে করছেন তারও চরম সত্যসত্য নির্ণয়ের ব্যাপারটা রয়েই যায় । এখন এ ব্যাপারটির সত্যাসত্য কে নির্নয় করবেন ? যিনি করবেন , তার সেটা করার মতোন নৈর্ব্যক্তিক যোগ্যতা , নিরঙ্কুশ প্রজ্ঞা আছে কিনা তাও তো ভেবে দেখতে হয় । এ ভাবনা-ই বা ভাববেন কে ??

বিশ্বাস- অবিশ্বাস, আস্থা - অনাস্থা , যুক্তি - প্রমান ; মানে সব কিছুই লতায় পাতায় অবিচ্ছেদ্য ভাবে একটার সাথে আর একটা জড়িয়ে আছে । কালের কোন শুভক্ষনে এই জট খুলবে সে কাল গননার বিদ্যেটুকুও যে আমাদের এখনও হয়ে ওঠেনি । অপেক্ষা করতে হবে ! আর কতো কাল কে জানে !

জটিল লেখা নিঃসন্দেহে ।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৪০

জেন রসি বলেছেন: আমি কিছু বলতে চাইনি। এসব আমার গল্পের চরিত্রের কথা! :P তবে সে যা বলতে চেয়েছে তা হচ্ছে কোন কিছুকে বা কোন মতবাদকে বা কোন মানুষের ধারনাকে পরম এবং একমাত্র সত্য হিসাবে ভেবে নেওয়ার মধ্যে একধরনের অন্ধত্ব আছে। কল্পনাকে কল্পনা হিসাবে বেছে না নিলে বিপদও আছে। যেমন রূপকথাকে আমরা রুপকথা ভেবেই উপভোগ করি। রুপকথার রাক্ষস আমাদের কল্পনা। এই কল্পনা সত্য। কিন্তু কাল্পনিক সত্য। এটাকে বাস্তব ভেবে সিদ্ধান্ত নিলে তা অর্থহীন বা অযৌক্তিক ডগমায় রুপান্তরিত হবে। মানুষের ক্ষমতা আছে তার কল্পনাকে আরো উন্নত করা। এবং অন্ধবিশ্বাসের কারনে মানুষ সেটা পেরে উঠে না। এখন আমার চরিত্রকে প্রশ্ন করা যেতে পারে তার কথার জন্ম কোন বিশ্বাস থেকে? তার বিশ্বাস নেই। সেত নিজেই বেছে নেওয়ার কথা বলে। সে বলে কোনটা কাল্পনিক আর কোনটা ঘটছে সেটার ব্যাপারে কনসাস থাকার কথা। এ গল্পে সে নিজেই ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ভাবে। কিন্তু সে তার নিজের ভাবনার বা বেছে নেওয়ার ব্যাপারে কনসাস।

জী এস ভাই, আপনার মন্তব্যের জবাবে কিছু কনক্রিট উদাহরন দেওয়া যেত। কিন্তু শুধু ব্লগ কেন এদেশই এখন গতানুগতিক ভাবনার বাইরে অন্য ভাবনা শুনতে বা নিতে আগ্রহী না। কিছু বললে বিতর্ক করতে আসার বদলে হয় গালিগালাজ করবে নাহয় চাপাতি নিয়ে আসবে!

৭| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২১

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: ৬ নং মন্তব্যর সাথে একমত

খুব ভালো লাগা রইলো।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৪৫

জেন রসি বলেছেন: ধন্যবাদ রাবেয়া আপু।

জী এস ভাইয়ের প্রশ্নগুলোর জবাব আমার গল্পের ভেতরেই আছে। মানে গল্পের চরিত্রের ভাবনা চিন্তায়! :)

৮| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৪১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সমুদ্র এবং মদ এবং নারী ও জ্যেৎস্না।
আমি নেশার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি!
তারপর হাটি অন্যকোথাও—অদেখা ভুবনে!
নেশার কাছে ফিরে আসা যাবে, যেকোন সময়! :)

আগে বরফপানিতে গোসল করে এক কাপ ধূমায়িত কফি নিয়ে আসুন ;) পরে গল্প হবে ! হা হা হা

শায়মাপুকে আপনার মাধ্যমে জন্মদিনের অগ্রিম শুভেচ্ছা :)

++++

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৫৭

জেন রসি বলেছেন: আপনার সাথে গল্প না করে বরং ধ্যানে মগ্ন হওয়া যায়। আপনার লেখা পড়লে মনে হয় একজন ধ্যানমগ্ন মানুষের দিকে তাকিয়ে আছি যিনি নিজের ভেতর নিজেকে খুঁজে চলেছেন অবিরাম। তবে দরকার হলেই সেখান থেকে বের হয়ে দেশ, জাতি নিয়েও অস্থির হয়ে যান। :)

৯| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: জেন রসি ,



সে আশঙ্কার জন্যেই শুরুতে বলেছি ---- "গল্পের ঢংয়ে লিখলেও বেশ তর্ক জমে উঠতে পারে ।" তা যাতে না হয় সেজন্যে আবার শেষটা টেনেছি এভাবে --- " -কালের কোন শুভক্ষনে এই জট খুলবে সে কাল গননার বিদ্যেটুকুও যে আমাদের এখনও হয়ে ওঠেনি । অপেক্ষা করতে হবে ! আর কতো কাল কে জানে ! "

ধন্যবাদ, প্রতিমন্তব্যের জন্যে ।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:১৮

জেন রসি বলেছেন: একজন মানুষ তার সমসাময়িক সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করতে পারেনা। আবার তার এমন কিছু ক্ষমতা আছে যা তাকে অন্যান্য প্রাণী থেকে আলাদা করেছে। একটা কল্পনা করার ক্ষমতা। আরেকটা যুক্তি দিয়ে পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতা। এক দিক দিয়ে মানুষ তার ভাবনা চিন্তা কল্পনা দিয়ে সমাজ, অর্থনীতি, দর্শন, ধর্ম, সাহিত্য এসব বিনির্মাণ করছে অন্য দিক দিয়ে পর্যবেক্ষণ এবং যুক্তি দিয়ে প্রকৃতিকে বুঝার চেষ্টা করছে। এই দুইয়ের মধ্যে কোন বিরোধ নেই। বিরোধটা সৃষ্টি হয় তখন যখন মানুষ একটা সুনির্দিষ্ট কাল্পনিক ভাবনার ভেতর ঘুরপাক খেতে থাকে। সেটাই অন্ধবিশ্বাস।

অনেক ধন্যবাদ প্রিয় জী এস ভাই। :)

১০| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:০৪

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: গল্প ভাল লিখেছেন +


শুভ জন্মদিন শায়মা আপু। ;)

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২০

জেন রসি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে! :)

গিফট দিবেন না? ;)

১১| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:০৮

সোহানী বলেছেন: জটিল......মাথা পুরোটাই খাটাতে হচ্ছে+হয়েছে.......... তারপর অনেক ভালোলাগলো..............

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২৭

জেন রসি বলেছেন: আমার গল্পে কিছু হালকা পাতলা পাজলের উপদ্রব থাকে। :P

ধন্যবাদ সোহানী আপু। :)

১২| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২৭

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: গিফট দিবেন না?

এখন কোন অনুষ্ঠানে গিফট ছাড়া যাওয়া,একটা বড় গিফট বা সারপ্রাইজ ! =p~আপনি যদি এই দলে লোক হয়ে থাকেন, তাহলে একটু আওয়াজ দিয়েন। :P

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩৫

জেন রসি বলেছেন: তাহলে হয় গিফট পাঠান নাহয় নিজে যান! ;) আমি প্রোগ্রামের দিন ঘরে থেকে ঘুমানোদের দলে! ;)

১৩| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৪৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পড়েছি। বিরক্ত হইনি, রেগেও যাইনি ।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫২

জেন রসি বলেছেন: হাহা........ধন্যবাদ লিটন ভাই। :)

১৪| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৪৮

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: হুনলাম আপুমনিতার, বাসার কুকুর টম নাকি কাউকে তার বাসায় যেতে দেয় না। আমি এসবের মধ্যে নেই, ডর লাগে, ১০০০ গজ দূরে....... !! :P একারণে, ভাবছি আমিও যাবো না ! তারচেয়ে ভালো আপনার মত আমিও্ কাল ঘুমদিবস বানাই । :P

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫৫

জেন রসি বলেছেন: কুকুর মানুষের বন্ধু। এই জন্যই মনে হয় যেতে দেয়না! ;)

১৫| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৪৯

শায়মা বলেছেন: হায় হায় !!!!!!

সবাই দেখি অগ্রীম শুভেচ্ছা শুরু করেছে!!!!!!


আমি টেবিলের নীচে লুকাই লুকাই!!!!!!!!!


তার আগে প্রিয়তে নিয়ে যাই যাই!!!!!!!!

আর টেবিলের তলা থেকে বাকীটা বলছি পোস্ট পুরাটা পড়ে!!!!!!!! :)

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫৭

জেন রসি বলেছেন: পড়েন !

তবে পড়ে আবার ভয় পাইয়েন না! :P

এবং ভয়ে আবার টেবিলের তলায় লুকাইয়েন না! ;)

১৬| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫৯

নুর ইসলাম রফিক বলেছেন: প্রিয় শায়মাপু আলোকিত হয়ে নিজে তুমি আলোকিত করো ভুবন।

আলোকিত হয়ে উঠুক পৃথিবী আলোকিত হওয়া শায়মাপুর হাত ধরে।

শুভ জন্মদিন সাথে ভালবাসা ও অনেক অনেক শুভ কামনা সায়মাপু।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:০৭

জেন রসি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। :)

১৭| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:১৪

শায়মা বলেছেন: পুরাটা পড়ে চোখের সামনে দেখিলাম এক ভরদুপুরে রৌদ্রাহত যুবক!!!!!

রাস্তার জনস্রোতে ভেসে চলে আর পকেট থেকে মোবাইল বের করে করে কবিতা টুকে রাখে......

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:২২

জেন রসি বলেছেন: এইটা আধুনিক যুগের আশীর্বাদ। প্রযুক্তির আশীর্বাদ! মোবাইলে যেখানে সেখানে বসে লিখে ফেলার ব্যাপারটা! তবে রৌদ্র আঘাতে আহত হওয়ার ব্যাপারটা অভিজ্ঞতার দিক থেকে চার্মিং না!

১৮| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৩১

শায়মা বলেছেন: বাট দেখো সে কারণেই এই মুক্ত গদ্যের সৃষ্টি হলো!!!!!!

জগতে কোনো কিছুই মূল্যহীন নহে!!!!!!!!!

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৫৮

জেন রসি বলেছেন: মূল্য ব্যাপারটা আপেক্ষিক। আর অভিজ্ঞতার আউটকামও ভিন্ন হতে পারে।

১৯| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৪০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধর্মপ্রচারকরা তার চারপাশ কে জেনে বুঝে মানুষের জন্য একটা পরম সত্য সৃষ্টি করতে চেয়েছেন।
ইতিহাসের প্রথম থেকেই মানুষ এটা করে আসছে। সব কনসেপ্টের সাথেই একই সাথে পর্যবেক্ষণ এবং কল্পনা মিশে থাকে।
তবে ধর্মের বেলায় যেহেতু একটা পরম এবং একমাত্র সত্যের ব্যাপার আরোপ করা থাকে তাই এটা একটু বেশি বিপদজনক।

ভাবনার খোরাক।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:০১

জেন রসি বলেছেন: পড়ার জন্য এবং মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ হাসান ভাই!

২০| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:১০

বিদগ্ধ বলেছেন:


একজন আপুরে এভাবে এইথিইজম শেখাচ্ছেন - অথচ কাল তার জন্মদিন!
এটা কেমন কথা হলো, জেন রসি!

আপনার তো জানা উচিত - জন্ম মৃত্যু বিয়ে এসব সময়ে আস্তিক্য থাকতে হয় সর্বোচ্চ ডিগ্রিতে।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:২১

জেন রসি বলেছেন: হাহাহাহা.......

এটা একটা সাধারন গল্প। ইশপের গল্পনা। সুতরাং এই গল্প পড়ে কারো কিছুর শিখার সম্ভাবনা নাই। ;) আর গল্পের সাথে শুভেচ্ছার সম্পর্কও নাই। :)

আমার জন্মদিন, এবং বিয়ার দিন ব্যাপারটা মাথায় রাখব! তবে মৃত্যুদিনে মনে কনসাসলি ভাবাটা কঠিন হয়ে যাবে! :P

২১| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:২৪

বিদগ্ধ বলেছেন:

আস্তিকেরা ঈশ্বরকে বিশ্বাস করে না। আমি আস্তিকদেরকে বিশ্বাস করি না। এদের অধিকাংশই মৃত্যুর ক’বছর আগে হজ্জ করে আসে বলবে, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ সোবহানাল্লাহ তা’লা হজ্জ করাইলেন।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:৩৯

জেন রসি বলেছেন: মানুষকে প্রতিনিয়তই কিছু না কিছু বিশ্বাস করতে হয়। বিশ্বাস না করে বেঁচে থাকা সম্ভব না। ধর্মে বিশ্বাস, গণতন্ত্রে বিশ্বাস, মতবাদে বিশ্বাস! তবে এটা যৌক্তিক ভাবে করার উপায় আছে। মানে জেনে শুনে এবং কোনটা কেন সেটা বুঝে। বিশ্বাস থেকে অন্ধত্বটা বাদ দিলে আর ঝামেলা থাকেনা। ভণ্ডামিও। এবং যখন যা দরকার তা বাদ দিয়ে ফেলা যায়! বিশ্বাসের নামে ঝুলে থাকাটাই সমস্যা!

২২| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:৫০

বিদগ্ধ বলেছেন:

‘যৌক্তিকভাবে’ ‘জেনে শুনে’ এসব বিষয় কি একেক জনের কাছে একেক রকম নয়? যে ধর্মে বা ঈশ্বরে বা দেবদেবীতে বিশ্বাস করে, সে তো যৌক্তিকভাবেই এবং জেনে শুনেই করে।

‘বিশ্বাসের নামে ঝুলে থাকাটাই সমস্যা’ - এটা ঠিক আছে।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:০৬

জেন রসি বলেছেন: জেনে শুনে বিশ্বাস আমরা প্রতিনিয়তই করি। আবার বিরোধিতাও করি। ধরেন ব্যাংকিং সিস্টেম। এই সিস্টেমকে আমরা বিশ্বাস করি। ব্যাংককে বিশ্বাস করেই টাকা পয়সা রাখি! আমরা এটাও জানি এ বিশ্বাস কোন পরম বিশ্বাস না। এই সিস্টেম মানুষের তৈরি। তাই দরকার হলেই ব্যাংকের বিরুদ্ধে কথা বলি। তাদের পলিসির বিরুদ্ধে কথা বলতে পারি নিজেদের প্রয়োজনে। এসব হচ্ছে মোটাদাগে জেনেশুনে বা যৌক্তিক ভাবে বিশ্বাসের উদাহরন। ধর্ম নিয়েও এমন করা যায়। আপনার প্রার্থনা করে শান্তি লাগছে করুন। আবার যেটা কোন ভাবেই সময়ের প্রয়োজনে মিলছে না ফেলে দিন। কিন্তু এই ফেলে না দিতে পারাটাই হচ্ছে অন্ধবিশ্বাস। একটা অতীত সময়ের নির্দিষ্ট ধারনার মধ্যে ঘুরপাক খাওয়া। এইটা বিপদজনক।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:১৯

জেন রসি বলেছেন: ‘যৌক্তিকভাবে’ ‘জেনে শুনে’ এসব বিষয় কি একেক জনের কাছে একেক রকম নয়? যে ধর্মে বা ঈশ্বরে বা দেবদেবীতে বিশ্বাস করে, সে তো যৌক্তিকভাবেই এবং জেনে শুনেই করে।

এটা অন্ধবিশ্বাস। যুক্তি না। ধরেন কেউ একজন যিশুর পুনর্জন্ম বিশ্বাস করে। সে আরেকজন ধর্মপ্রচারকের মুক্তি বেগ ভেদ করে ভ্রমনের কথা বিশ্বাস করেনা। বা ভাইস ভারসা। কোনটাই কিন্তু প্রমানিত না। তবুও মানুষ একটাকে বিশ্বাস করছে আরেকটাকে বাতিল করছে। তাহলে যদি বলি উভয়ের এই বিশ্বাস করা বা বাতিল করার উৎস কি? উত্তর সোজা। অন্ধের মত বিশ্বাস। যুক্তি বলে দুটোই কাল্পনিক সত্য।

২৩| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৩৪

কানিজ ফাতেমা বলেছেন: একজন রৌদ্রস্নাত জ্ঞানপাপী যুবকের চিন্তা ভাবনার সরলীকরণ বা যৌক্তিকতা প্রতিউত্তরে বলতে হয় বিশ্বাস হচ্ছে একধরনের আশ্রয়, এক ধরনের সান্তনা, যেটা না থাকলে জীবন আরো হতাশাময় হয়ে উঠতো । যদিও বিশ্বাস সম্পর্কে এটি আমার ব্যাক্তিগত ধারনা ।

তবে লেখাটির প্রথম এবং দ্বিতীয় স্তবকে একটি অদ্ভুদ মাদকতা আছে ।

শুভ কামনা রইল ।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:৫০

জেন রসি বলেছেন: এ লেখায় বিশ্বাসের বিপক্ষে কিছু বলা হয়নি। বিশ্বাস মানুষকে করতেই হয়। ধরেন অন্ধকারে কিছু একটা আছে। এখন দুজন মানুষ সেটা নিয়ে কথা বলছে। একজন সম্পূর্ণ অনুমান করে বলল এখানে একটা পুতুল আছে। এটা তার কল্পনা। এখন তার অনুমানকে অনুমান হিসাবে নেওয়াটা হচ্ছে যৌক্তিক। আর পুতুল আছেই এটা বিশ্বাস করাটা হচ্ছে অন্ধবিশ্বাস। সেখানে বিষধর সাপও থাকতে পারে।

ধন্যবাদ ফাতেমা আপু। শুভকামনা।

২৪| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৫২

নীলপরি বলেছেন: দারুন লাগলো লেখার বিষয়বস্তু । কাল প্রথম অংশ পড়েছিলাম । আজ পুরোটা ।

ধার্মিক আর অন্ধবিশ্বাসীদের মধ্যে বোধহয় পার্থক্য আছে । ধর্ম এসেছিল মানুষকে অনুশাসনে বাঁধতে । নাস্তিকতাতেও কিছু অনুশাসন আছে । কিন্তু শৃঙ্খলা যদি শৃঙ্খলে পরিনত হয় , তখনই বিপত্তি তৈরী হয় । কমিউনিজমে এই শৃঙ্খলের কাঠিন্য ধর্মের শৃঙ্খলকেও ছাপিয়ে যায় । এজন্যই তা বোধহয় বিশ্বে প্রান্তিক হয়ে যাচ্ছে । ধর্মে যেমন অন্ধবিশ্বাসীরা আছে , নাস্তিকদের মধ্যেও আছে সুবিধাবাদীরা । আর আস্তিক বা নাস্তিক কনসেপ্টটাও আলটিমেট না । মানে আস্তিক মানুষ যে কোনো সময়ে নাস্তিক বা আস্তিক মানুষ যে কোনো সময়ে নাস্তিক হতেই পারেন ।
পোষ্টে ++++++++++++
শুভকামনা । :)

১৭ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:১৮

জেন রসি বলেছেন: নাস্তিকতা অন্ধ বিশ্বাস কিনা সে প্রশ্ন থেকেই গল্পের চরিত্র নিজের সাথে নিজে কথা বলে। ইমাজিনড রিয়্যালিটিতে সে ব্যাপারটাই এসেছে।

নাস্তিকতা একটা বেছে নেওয়ার ব্যাপার। ধর্মীয় ডগমাগুলোকে পরম এবং একমাত্র সত্য হিসাবে বিশ্বাস না করা বা মানুষের তৈরি একধরনের সামাজিক নিয়ম কানুন হিসাবে দেখা। একজন নাস্তিক নামায পরতে পারেন। পূজাও দিতে পারেন সামাজিক রিচুয়াল হিসাবে। কিন্তু একজন মানুষ যখন কোন একটা ধর্মকে অন্ধের মত বিশ্বাস করা শুরু করে তখন সে গ্রন্থের কিছু সুনির্দিষ্ট টেক্সটের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে যায়। সে ধরেই নেই এই একমাত্র জগতটাই সত্য। আর বাকি সব মিথ্যা। একজন ধর্মপ্রচারকের ভাবনা চিন্তার বলয়ের মধ্যেই সে ঢুকে যায়। ফলে পরে যখন তার চেয়েও বেটার কোন সমাজ কাঠামো বা রীতিনীতির দেখা সে পায়, সে অন্ধত্বের কারনে সেটা নিতে পারেনা। এ জন্যই যৌক্তিক বিশ্বাসের কথা বলেছি। অর্থাৎ কোনটা মানুষের তৈরি সামাজিক রীতি নীতি আর কোনটা ন্যাচারাল সাইন্স, এটা বুঝতে পারাটা দরকার। শুধু ধর্ম না, অন্যান্য মতবাদের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা প্রযোজ্য।

সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নীলপরি আপু। শুভকামনা।

২৫| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:০৮

এস ওয়াই গ্লোবাল এলটিডি বলেছেন: পোস্টটি পড়ে অনেক ভাল লাগল । শুভ কামনা রইল নতুন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:২৭

জেন রসি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৬| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: গল্পটিতে যে দর্শন ও নির্মাণশৈলী ব্যবহার করা হয়েছে তাতে এর মধ্যে ইমাজিনড রিয়ালিজমের বেশ গুরুত্বপুর্ণ উপাদান রয়েছে দেখতে পাওয়া যায়। আসলে অনেক সময় মানুষ কল্পনার জগতেই বেশী বাস করে । বিশ্বের সমস্যাকে অতিক্রম করে অপ্রাকৃত জগতের দিকে মানুষ তার মনকে নিয়ে যায়। সেই জগতটা যতই কাল্পনিক বা অপ্রাকৃত হোক না কেন লেখকের মুন্সিয়ানায় তা বিশ্বাস্য হয়ে ওঠে। তবে পড়তে পড়তে পাঠক জানেন যে গল্পে বর্ণিত আখ্যান সম্ভব হতে পারে না। আবার অসম্ভবও হতে পারে না । সম্ভব-অসম্ভবের একটি বিভ্রম সৃষ্টি করে।

কোনো গল্পে হয়তো বেশ কয়েকটি উপাখ্যান থাকতে পারে এদের মধ্যে হতে পারে সবগুলোই বাস্তব । কল্পনার কোনো স্থান নেই , কিন্তু এতে একটি বা দুটি উপাখ্যান এমন কাল্পনিক বিষয়ের অবতারণা করে যা সম্ভব বা অসম্ভব উভয়টিই হতে পারে বলে মনে হতে পারে। এটা জানা কথা বুদ্ধ জগতের দুঃখের কারণ দূর করতে সাধনায় বসেছিলেন । জীবনে অশান্তির নিরাময়ের উপায় বের করতে চেয়েছেন । অনেক লেখকও ইমাজিন্ড বাস্তবতাকে সত্যি মিথ্যে আকার দান করেন কোন একটি মহৎ লক্ষকে সামনে রেখে । আনন্দ ও বিনোদনের খাতিরে পাঠক একই লেখা থেকে নানা মজা পেতে পারেন। যেমন, Tolkein এর lord of the Rings, Harry potter এর উপন্যাস এবং এমন কি Issac Asimov এর সায়েন্স ফিকশন এর সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে।Over Imagination বা অতি কল্পনা অথবা কল্পনাতীত বলতে যা বোঝায় এই সব কল্পকাহিনীতে খুঁজে পাওয়া যায়। স ্বএটাও সত্যযে বাস্তবতা বলতে পৃথিবীতে অভিজ্ঞতা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষণের মাধ্যমে প্রমাণিত সত্য বস্তু বিষয় বা ঘটনাকে বোঝায়। নাক কান চোখ ত্বক বা ইন্দ্রিয় দিয়ে এর অস্তিত্ব বোঝা যায়। এখানে কল্পনার কোনো স্থান নেই। কোনো রহস্যময়তা নেই। নেই কোনো ফাঁকিঝুকি।

এপ্রসঙ্গে মনে পরে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের খোয়াবনামা উপন্যাসে কাৎলাহার বিলের পাকুড় গাছে এক অলৌকিক মুন্সির উপস্থিতি এলাকার চাষিরা ধরে নেয় । মনে করে ১৭৯৪ সালের বাংলায় যে ফকির সন্নাসী বিদ্রোহ হয়েছিল মুন্সি সেই বিদ্রোহের অন্যতম নেতা। প্রায় তিনশো বছর ধরে এই মুন্সি কাৎলাহার বিলে আশ্রয় নিয়ে আছে। চাষিদের আন্দোলন সংগ্রামে প্রেরণা যোগায়। এই কাল্পনিক মুন্সি এলাকার চাষিদের কাছে বাস্তবতার প্রতীক তার অস্তিস্বকে তাদের জীবনে অস্বীকার করা যায় না। ।
এটা সত্য যে ইমাজিন্ড বাস্বতাগুলি সমাজের সমালোচনাকারী বা ক্রিটিক হিসেবে কাজ করে। এদের মধ্যে এক ধরনের সিরিয়াসনেস থাকে। সত্যি মানুষের মতো আচরণ করে। এগুলি সিরিয়াস এবং তাৎপর্যপূর্ণ না হলেও ইতিহাস ও পুরানের ব্যবহার হওয়ার ফলে তা সমসাময়িক বিষয়ের জন্য অনেকসম বাস্তব হয়ে ওঠে।

পোষ্টের কথামালাগুলিকে দর্শনাত্মক অথবা প্রতীকাশ্রয়ী আখ্যান হিসেবে বিবেচনা করলে অনেক গুঢ় বিষয়ের অবতারনা হয়েছে বলেই দেখা যায় । সহজেই বুঝা যায় কেন লেখকের ধারনার রূপান্তর ঘটল এবং সে কীভাবে পরিবির্তিত পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক হতে গিয়েছিল। এই পোষ্টের লেখার রূপান্তরটাই হল সত্যিকারের একটি ইমাজিন্ড বাস্তবতার উপাদান । এটা সত্য যে, কোন ঘটনাক্রমে মানুষের স্বভাবে যে আমূল পরিবর্তন ঘটে যায় তা কিন্তু অতি কল্পনা নয়।

অনেক অনেক ধন্যবাদ মুল্যবান ভাবগাম্ভির্যময় লেখাটির জন্য । লেখাটি প্রিয়তে গেল ।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:০৩

জেন রসি বলেছেন: প্রথমেই ধন্যবাদ জানাচ্ছি এমন একটি চমৎকার মন্তব্যের জন্য। খুব গুছিয়ে আপনি বিষয়টা বিশ্লেষণ করেছেন। আসলে মানুষের জ্ঞান কখনো পরিপূর্ণ অবস্থায় থাকেনা। সব যুগেই সেটার একটা সীমাবদ্ধতা থাকে। কিন্তু সেটা আবার এক জায়গায় বসেও থাকেনা। আজ থেকে ২০০০ বছর আগে মানুষ যা জানত না এখন আমরা তার অনেক কিছুই জানি। একসময় মানুষের ন্যাচারাল সাইন্স নিয়ে কল্পনা করা ছাড়া কোন উপায় ছিলনা। কিন্তু যুগের সাথে জ্ঞান বিজ্ঞানের প্রসারের সাথে সাথে মানুষের কল্পনাশক্তি এবং যৌক্তিক বিশ্লেষণের ক্ষমতাও বারবে এটাই স্বাভাবিক।একজন মানুষ তার সমসাময়িক সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করতে পারেনা। আবার তার এমন কিছু ক্ষমতা আছে যা তাকে অন্যান্য প্রাণী থেকে আলাদা করেছে। একটা কল্পনা করার ক্ষমতা। আরেকটা যুক্তি দিয়ে পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতা। এক দিক দিয়ে মানুষ তার ভাবনা চিন্তা কল্পনা দিয়ে সমাজ, অর্থনীতি, দর্শন, ধর্ম, সাহিত্য এসব বিনির্মাণ করছে অন্য দিক দিয়ে পর্যবেক্ষণ এবং যুক্তি দিয়ে প্রকৃতিকে বুঝার চেষ্টা করছে। এই দুইয়ের মধ্যে কোন বিরোধ নেই। বিরোধটা সৃষ্টি হয় তখন যখন মানুষ একটা সুনির্দিষ্ট কাল্পনিক ভাবনার ভেতর ঘুরপাক খেতে থাকে। সেটাই অন্ধবিশ্বাস।

যেমন ধরা যাক, হ্যারিপটার বইয়ে যে জগতটা আছে তা রাওলিং তার কল্পনাশক্তি দিয়ে সৃষ্টি করেছে।রাওলিং এর এই কল্পনাশক্তিকে আমরা বাতিল করতে পারিনা। সেটা অবশ্যই সত্য। কিন্তু সেটাকে আমরা বইয়ের ভেতর থেকে এনে যখন আমাদের বাস্তব মানে অভিজ্ঞতার জগতে এনে বলব যে এই গ্রন্থই একমাত্র পরম সত্য তখন সেটা অন্ধবিশ্বাস হয়ে যাবে।

ব্যাখ্যাতিত বলে কিছু নেই। ব্যাখ্যা করার সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু যেটা ব্যাখ্যা করতে হবে সেটা প্রমান করেই করতে হবে। কল্পনা থেকে যে ব্যাখ্যা তা কাল্পনিক হাইপোথিসিস। সেটাকে পরম সত্য ভাবাই অন্ধ বিশ্বাস।

শুভকামনা আলী ভাই।

২৭| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:১০

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধ।
মুচকি হাসেন বুদ্ধ।
কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা
খুনিরা সব শুদ্ধ।
শান্তিবাদি গান্ধীজীও
কৃষ্ণকথায় মুগ্ধ।


ছড়াপাঠে নিজের প্রতি ঘেন্না ধরে গেলো কি লিখি অগাবগা ভেবে................ :( /:)
জয়তু হে গুরু রসিরাজ

১৮ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:১৮

জেন রসি বলেছেন: জয়তু হে গুরু রসিরাজ
বইলা আমার মাথায়
ফেললেন লম্বা একখান বাজ! ;)
কি দরকার, খুলেন এবার
বিনয় নামক হরেক রকম ভাজ!

ব্লগের সবাই জানে ছড়ায় আপনি বস!
দরকার নাই কোন রকম টস! :)


২৮| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৭:৪৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

ভালো লাগা রইলো।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:১৯

জেন রসি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। শুভকামনা।

২৯| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৭:৫৩

জুন বলেছেন: আপনার লেখাগুলো সব সময়ই ব্যাতিক্রমী জেন রসি ।
ভালোলাগলো অনেক ।
+

১৮ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:২০

জেন রসি বলেছেন: ধন্যবাদ জুন আপু। শুভকামনা। :)

৩০| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৩৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: গল্প হলেও ঠিক গল্প মনে হয় নি, বিশেষ করে ইম্যাজিন্ড রিয়ালিটি অংশটকু। অত্যন্ত গভীর বিশ্লেষণ। এগুলো বোঝা বা আলোচনা করার জ্ঞান আমার নেই। আমি সরল বিশ্বাসী সাদাসিধা মানুষ। যেখানে যেভাবে আছি সেভাবেই থাকতে আগ্রহী।

ড: এম এ আলী ভাইয়ের স্বভাবসুলভ বিশদ মন্তব্য ভালো লাগল।


শুভেচ্ছা প্রিয় জেন রসি।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:২২

জেন রসি বলেছেন: পড়ার জন্য এবং মূল্যবান মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ সোনাবীজ ভাই। শুভকামনা। :)

৩১| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৫

সুমন কর বলেছেন: লেখায় অনেক প্রশ্ন আছে, উত্তরও কি আছে !! বাকিটা পাঠকের দায়িত্ব......

উপরে অনেকে বিশদ মন্তব্য করেছেন তাই আমি ছোট করে দিলাম......... ;)

২৬ শে আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০১

জেন রসি বলেছেন: প্রশ্নগুলোও সোজা আর উত্তরত জানা! ;)

ধন্যবাদ দাদা। শুভকামনা। :)

৩২| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:১৬

গেম চেঞ্জার বলেছেন: ডাইরেক্ট এ্যাকশন টাইপ কবিতা-

কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধ।
মুচকি হাসেন বুদ্ধ।
কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা
খুনিরা সব শুদ্ধ।
শান্তিবাদি গান্ধীজীও
কৃষ্ণকথায় মুগ্ধ।


হাঃ হাঃ হাঃ আমার কাছে এটা ইনডাইরেক্ট একশন মনে হয়েছে। ;)

কাল লেকের পাশে ফুচকা খাবার সময় এই টাইপ ঘটনা ঘটেছিল।
"একটা টোকাই বেশকিছুক্ষন ধরে পা ধরে বসে আছে। সে বিরক্ত করার চেষ্টা করছে। সে জানে হয় লাথি খাবে নাহয় টাকা পাবে! এটা অনেকটা জুয়া খেলার মত।"
কালকের সুন্দর সন্ধ্যাটার কথা মনে হয়ে গেল। আমি অবশ্য ঐ পথশিশুকে খাবার দিয়েছিলাম! আর ক্ষীন সময়ের জন্য ভেবেছিলাম, আমাদের রাজনীতির প্রতিযোগিতা কোথায় হওয়া উচিত ছিল আর কোথায় হচ্ছে!!
আত্মিক শুদ্ধির পাশাপাশি শান্তির আয়োজনে নুন্যতম অবদান রাখার জন্য আমাদের চিন্তা হওয়া উচিত!

//জ্ঞানের যেহেতু কোন সীমা নাই বা সেটার সীমা সম্পর্কে আমাদের জানা নেই//

একমত না। সীমা নেই এমন কিছু আমার জানার বাইরে। অসীম বলতে কোনকিছু আমি পাইনি, অসীমকে সৃষ্টি করেছে জ্ঞানই! যেমন ১ ও ২ এর মধ্যবর্তী সংখ্যা লুপ করে অসীম করা হয়েছে। যেটার সমাধান অবশ্যই বের করা যেত। :)


//বিজ্ঞানের সবচেয়ে বেসিক কনসেপ্ট থেকেই ধর্মীয় কনসেপ্ট বাতিল হয়ে যায়। সেটার জন্য বিজ্ঞানী হওয়ার দরকার হয়না। প্রাথমিক জ্ঞান থাকলেই সেটা বুঝে ফেলা যায় যদি কেউ বুঝতে চায় আরকি। এখন বিজ্ঞানকেও বাদ দিলাম। //

একমত। ধর্মের কনসেপ্ট হলো বিশ্বাস নির্ভর যেখানে বিজ্ঞান লজিক নির্ভর! কিন্তু সমস্যা এর ঠিক পরপরই! সবচেয়ে বেসিক প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞান দিতে পারেনি! আর একারণেই গেমু আজো ব্যস্ত! ;)


ধরা যাক আমি যদি বলি যে আমি কাল চাঁদে ছিলাম। কেউ যদি যুক্তি দিয়ে বিচার করে তবে তা বিশ্বাস করবে না। বিশ্বাস করতে হলে তাকে অন্ধ বিশ্বাসী হতে হবে। ধর্মের ব্যাপারটাও এমন।

হাঃ হাঃ হাঃ যেভাবে সরলীকরণ করেছেন, ব্যাপারটা এমন না। বেশিরভাগ ধর্ম এভাবে বললেও আমার মতে পবিত্র তিন ধর্মের ব্যাপারে বিশেষত ইসলাম এভাবে বিশ্বাস করতে বলে না। তবে ইসলামের প্রতিনিধিত্ব দাবীদাররা এটা করতে পারে। আমি যতদুর দেখেছি ইসলাম পড়াশোনা করতে সবচেয়ে বেশি উৎসাহিত করেছে অন্য যেকোন ধর্মীয় মতবাদের তুলনায়। চিন্তা করতে গবেষণা করতে মানুষকে বলা হয়েছে।

ভর দুপুরের গল্প শেষ করে বাসায় যাওয়া দরকার। বরফপানিতে গোসল করে এক কাপ ধূমায়িত কফি নিয়ে গেম অব থ্রোনসের নতুন পর্বগুলো দেখা শুরু করা যেতে পারে।

আমি তো মুখিয়ে আছি ২৭ তারিখের জন্য!! আপনি কি পুরো সিরিজ দেখেছেন?


অনেক কথাই বলে ফেললাম। আছেন কেমন?

২৬ শে আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৯

জেন রসি বলেছেন: আপনাকে দেখে ভালো লাগছে। আপনার মন্তব্য পড়েও। :)

একমত না। সীমা নেই এমন কিছু আমার জানার বাইরে। অসীম বলতে কোনকিছু আমি পাইনি, অসীমকে সৃষ্টি করেছে জ্ঞানই! যেমন ১ ও ২ এর মধ্যবর্তী সংখ্যা লুপ করে অসীম করা হয়েছে। যেটার সমাধান অবশ্যই বের করা যেত। :)

জ্ঞানের সীমা আমার জানা নেই। ১০০ বছর পর মানুষের অর্জিত জ্ঞান কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে এটা বলতে গেলেই হিমশিম খাব! এই না বলতে পারাটাই এবং শেষ কোথায় হবে সেটা না জানতে পারার কথাই বলা হয়েছে।

একমত। ধর্মের কনসেপ্ট হলো বিশ্বাস নির্ভর যেখানে বিজ্ঞান লজিক নির্ভর! কিন্তু সমস্যা এর ঠিক পরপরই! সবচেয়ে বেসিক প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞান দিতে পারেনি! আর একারণেই গেমু আজো ব্যস্ত! ;)

এই কথার মধ্যে একটু শুভঙ্করের ফাঁকি আছে। বেসিক প্রশ্নের উত্তর লজিক দিয়ে প্রমান করা আর কাল্পনিক কিছু বানিয়ে বানিয়ে বলে ফেলা ফেলার মধ্যে পার্থক্য আছে। আধুনিক সময়ের ফ্যান্টাসি লেখকরা প্রমান করেছেন যে দ্বিতীয়টার ব্যাপারে তারা অনেক ধর্মপ্রচারকের চেয়েও ক্রিয়েটিভ! ;)

হাঃ হাঃ হাঃ যেভাবে সরলীকরণ করেছেন, ব্যাপারটা এমন না। বেশিরভাগ ধর্ম এভাবে বললেও আমার মতে পবিত্র তিন ধর্মের ব্যাপারে বিশেষত ইসলাম এভাবে বিশ্বাস করতে বলে না। তবে ইসলামের প্রতিনিধিত্ব দাবীদাররা এটা করতে পারে। আমি যতদুর দেখেছি ইসলাম পড়াশোনা করতে সবচেয়ে বেশি উৎসাহিত করেছে অন্য যেকোন ধর্মীয় মতবাদের তুলনায়। চিন্তা করতে গবেষণা করতে মানুষকে বলা হয়েছে।

হাহাহাহাহা.......ইসলামে খুব সুনির্দিষ্ট ভাবে বলে দেওয়া আছে কি বিশ্বাস করতে হবে। এবং বলা আছে সেটাই পরম সত্য। এ ব্যাপারে কোন প্রশ্ন করা যাবেনা। আপনি আল্লাহর অস্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন, এটা ইসলাম সমর্থন করেনা। অর্থাৎ একটা কাল্পনিক থিওরিকে অন্ধের মত বিশ্বাস করার কথাই বলা আছে। গবেষণা করে প্রমানিত হবে, তারপর মেনে নেওয়া এমন কোন কথা বলা নেই!

যাইহোক, আছেন কেমন? :)





৩৩| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
@ ৩২ এর উত্তরের কিয়দংশ : ....
হাহাহাহাহা.......ইসলামে খুব সুনির্দিষ্ট ভাবে বলে দেওয়া আছে কি বিশ্বাস করতে হবে। এবং বলা আছে সেটাই পরম সত্য। এ ব্যাপারে কোন প্রশ্ন করা যাবেনা। আপনি আল্লাহর অস্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন, এটা ইসলাম সমর্থন করেনা। অর্থাৎ একটা কাল্পনিক থিওরিকে অন্ধের মত বিশ্বাস করার কথাই বলা আছে। গবেষণা করে প্রমানিত হবে, তারপর মেনে নেওয়া এমন কোন কথা বলা নেই!

আমার মনে হয় এখঅনে আপনার অনুসন্ধানে একমূখীতা আছে। অথবা অন্ধ বিশ্বাস! কিংবা যা গড়ডরতা জেনেছেন তাকেই এবসলিউট বলে ধরে নিয়েছেন। কিন্তু খুঁজে দেখেন নি প্রকৃত ইসলাম আসলেই কি বলেছে? কোরআনের অনুবাদে অনুবাদকের সীমাবদ্ধতা কোরআনের সীমাবদ্ধতা নয়।

আপনি আল্লাহর অস্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন, এটা ইসলাম সমর্থন করেনা- বলেছেন আপনি। অথচ দেখুন কলেমা বা বাক্যের প্রথম অংশেই তার কি চমৎকার অপশন রেখেছেন। লা ইলাহা = নাই কোন প্রভু বলে আপনাকে প্রচলিত সকল বোধ চেতনা থেকে মুক্ত হতে অনুপ্রানীত করছে। তারপর সত্যের ইশারা দিচ্ছে- ইল্লা আল্লাহ = ব্যাতিত সেই পরম শুন্যানুভব / মাধ্যম (নিজ) মাঝেই পরম স্বত্তা! আর শেষ করেছেন- সেই পরম সমর্পিত প্রশংসিত স্বত্তাই তা অনুভব করে প্রচার করে, বার্তা বহন করে।

নিশ্চয়ই চমকে উঠেছেন। কলেমার প্রচলিত অর্থে যে অবোধ্যতা তার অনুসন্ধান কি আপনার ব্রত হতে পারতো না? জ্ঞান পিপাসু হিসেবেই ;)
আমিতো অনুভব করি মূল যে অর্থ আজো উচ্চারনে সেই পরম পরিবর্তন বিপ্লবের সফলতা হাতের মুঠোয়। যে অগ্নি বীজ লুকানো তার ফুল ফুটলেই সকল প্রতিক্রিয়াশীল- প্রচলিত ধার্মিকেরা সবার আগে ;) এবং ভোগবাদী, পূজিবাদী সকলেই তেড়ে আসবে আপনাকে দমাতে :)

গবেষণা করে প্রমানিত হবে, তারপর মেনে নেওয়া এমন কোন কথা বলা নেই! কথাটি কি সত্য রইল দাদা :)

ভাল থাকুন। আসুন গবেষণা করি ;)

২৬ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:২৩

জেন রসি বলেছেন: বিদ্রোহী ভাই,

মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে দেখি চার পাতার বেশী হয়ে গেছে। যাইহোক, সেটা আর দিলাম না। সামু আবার কিছু ব্যাপারে বায়াসড! ;)

অনেক গ্রন্থের মতই কোরআনেরও ভাবানুবাদ এবং আক্ষরিক অনুবাদ করা যায়। এধরনের গ্রন্থের অনেক রকম বিশ্লেষণ হতে পারে। এবং একই তথ্যকে বা ভারসকে অনেক রকম ভাবে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। তাই এখানে কোন ব্যাখ্যাকে প্রকৃত মনে করাটা একটা সাবজেক্তিভ দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার। এমন অনেক ভারস কোরআনে আছে। এসব ভারসকে ইচ্ছা করলে প্রাচীন অনেক মতবাদের সাথে মিলিয়েও ব্যাখ্যা করা যায়। আবার পরস্পর বিরোধী ভারসও আছে। আবার কিছু আছে সরাসরি নির্দেশ। এবং কিছু আছে বেসিক ব্যাপার। যারা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনা, বা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উপাসক তাদের ব্যাপারেও সুস্পষ্ট মতামত আছে। সেসব কি তা আপনাকে রেফারেন্স দিয়ে বলাটা অপ্রাসঙ্গিক। কারন আপনি জানেন। এমন কিছু ভারস আছে সেটা আপনি যেভাবেই ব্যাখ্যা করেন না কেন, অর্থ একই দাড়ায়। যেমন এখানে আপনি যে উদাহরণটা দিলেন তা দেখে আমি চমকে উঠিনি। আপনি একই কথা কিছুটা অন্যরকম ভাবে বলেছেন। অপশন আছে কি নেই সেটা কিন্তু আমি বলিনি। বলেছি ইসলাম সমর্থন করেনা। আপনি যে কলেমার উদাহরন দিলেন এবং যেভাবে অনুবাদ করলেন সে অনুবাদেও সমর্থনের কোনই আলামত নেই। বরং এখানে ব্যাতিত শব্দের পর খুব সুনির্দিষ্ট ভাবে একটা পরম সত্য আরোপ করে দেওয়ার ব্যাপার আছে। এবং এটা মেনে নেওয়া বা না নেওয়া সম্পূর্ণ অন্ধ বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে। এবার একটা প্রাসঙ্গিক উদাহরন দেই। দেওয়ানবাগী নামে এদেশে এক পীর আছে। তার এক লেখায় পড়লাম আল্লাহ নাকি নবীদের নিয়ে মিছিল করে এবং দেওানবাগীর আদর্শ প্রচারে স্লোগান দেয়! আমি জানি ব্যাপারটা আপনি বিশ্বাস করবেন না। অন্য ধর্মে বিশ্বাসী কেউ এটা বিশ্বাস করবেনা। আমিও করিনা। কিন্তু তার মুরিদরা করে। কারন তারা তাকে অন্ধের মত বিশ্বাস করে। সে যা বলে তাদের কাছে তা প্রশ্নাতীত। এখন মজার ব্যাপার হল সব ধর্মের অনুসারীদের ব্যাপারেই কথাটা সত্য।মানে মূল ভিত্তিটা অন্ধবিশ্বাস।( লক্ষ্য করুন আমি এখানে কে ভালো কে খারাপ সমাজ বা মানুষের জন্য সেটা বলিনি।শুধু বিশ্বাসের মূল ভিত্তির কথা বলেছি।)

সুফিবাদি হোক, বা আইএসের জঙ্গি হোক ইসলামের এমন কিছু ব্যাপার আছে যা সবাই একই রকম ভাবেই বিশ্বাস করে। অন্ধের মত। সেটা না করলে যে কেউ সংশয়বাদীতে পরিনত হবে যৌক্তিক ভাবেই।

মূল কথা হলো পরম সত্য জানার জন্য যে জ্ঞান বা তথ্য দরকার তা মানুষ এখনো অর্জন করতে পারেনি। পারবে কিনা বা তার আগেই সূর্য নিভে যাবে কিনা তা আমি জানিনা। তবে মানুষ একটু একটু করে প্রকৃতিকে বুঝছে। আর একটা ব্যাপার হচ্ছে কোনটা প্রকৃতির নিয়ম কানুন আর কোনটা মানুষের অসম্ভব কল্পনা শক্তি এটা মাঝেমাঝে কমন সেন্স থেকেই বুঝে ফেলা যায়! এই আরকি।

হালকা ভাবে বললাম। চার পাতার মন্তব্য দেই নাই। তারপরও যদি ব্লগের কাঠমোল্লারা আমাকে ব্যান করার জন্য আন্দোলন করে তবে আপনি উকিল হবেন আমার! ;)


৩৪| ২৭ শে আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৫৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম :)

চার পাতার অপেক্ষায় :) মেইলে পাঠিয়ে দিন ;)

bidrohyvrigu@gmail.com
B-)

ভাল থাকুন। শুভেচ্ছা সতত

২৭ শে আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৪

জেন রসি বলেছেন: কোন একদিন নাহয় চা পান করতে করতে এসব নিয়ে আলোচনা করা যাবে। :)

আসলে এখানে আপনার সাথে আমার কোন বিরোধ নেই। পার্থক্য আছে। পার্থক্যটা হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন পথ বেছে নেওয়া। আর এ বেছে নেওয়ার ব্যাপারটা সাবজেক্টিভ। আমার কাছে লাইফ ইজ পাজল ট্যু সলভ। আপনার কাছে মিস্টিরি ট্যু লিভ। আমি যুক্তির সিড়ি দিয়ে বিশ্বাসের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করি। আপনি বিশ্বাস থেকে যুক্তির সিড়ি নির্মান করেন। আমি, আপনি দুজনই প্রকৃতির অংশ। তবে এই প্রকৃতিকে বুঝতে আমরা ভিন্ন ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছি। :)










৩৫| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:০৩

জাহিদ অনিক বলেছেন: আচ্ছা আচ্ছা আচ্ছা ।

অবশেষে এটা আমার পড়া শেষ হল।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:২০

জেন রসি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।










৩৬| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:০৭

গেম চেঞ্জার বলেছেন: যাইহোক, আছেন কেমন? :)

ভাল আছি। এটা বলা যায়। :) গেম অফ থ্রোনস নিয়ে আপনার মতামত তো পেলাম না। ;)

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:২৪

জেন রসি বলেছেন: এ মাস পুরোটাই জ্বরে আক্রান্ত ছিলাম। এখনো সেরে উঠিনি পুরোপুরি।

গেম অব থ্রোনস খেলার বিষয়। কোনদিন খেলায় অংশগ্রহন করতে পারলে মতামত দিব। ;)





















গেম অব থ্রোনস খেলার বিষয়। কোনদিন খেলায় অংশগ্রহন করতে পারলে মতামত দিব।










৩৭| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:০৭

গেম চেঞ্জার বলেছেন: জ্ঞানের সীমা আমার জানা নেই। ১০০ বছর পর মানুষের অর্জিত জ্ঞান কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে এটা বলতে গেলেই হিমশিম খাব! এই না বলতে পারাটাই এবং শেষ কোথায় হবে সেটা না জানতে পারার কথাই বলা হয়েছে।

আপনি বলতে পারবেন না এই মুহুর্তে(পড়ার) পৃথিবীতে ঠিক কতজন মানুষ আছে। কারণ ১ সেকেন্ডের মধ্যেই অনির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষ জন্ম নিচ্ছে আবার অনির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষ স্বাভাবিক/অস্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করছে।
আপনি চিন্তা করতে করতে এই পৃথিবীর মোট মানুষের সংখ্যা পরিবর্তিত হবে মানে এই তথ্যটা অসংজ্ঞায়িত।

জ্ঞান ব্যাপারটাও অসংজ্ঞায়িত বলে আমি মনে করি। তবে অসীম না।

// একমত। ধর্মের কনসেপ্ট হলো বিশ্বাস নির্ভর যেখানে বিজ্ঞান লজিক নির্ভর! কিন্তু সমস্যা এর ঠিক পরপরই! সবচেয়ে বেসিক প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞান দিতে পারেনি! আর একারণেই গেমু আজো ব্যস্ত! ;) //

এই কথার মধ্যে একটু শুভঙ্করের ফাঁকি আছে। বেসিক প্রশ্নের উত্তর লজিক দিয়ে প্রমান করা আর কাল্পনিক কিছু বানিয়ে বানিয়ে বলে ফেলা ফেলার মধ্যে পার্থক্য আছে। আধুনিক সময়ের ফ্যান্টাসি লেখকরা প্রমান করেছেন যে দ্বিতীয়টার ব্যাপারে তারা অনেক ধর্মপ্রচারকের চেয়েও ক্রিয়েটিভ! ;)

সবচেয়ে বেসিক প্রশ্ন ইশ্বর সংক্রান্ত ধারণা। লজিক দিয়ে তাঁর অস্তিত্ব পাওয়া যায় তবে ফিজিক্যালী পাওয়া যায় না। ধর্ম ব্যাপারটায় সন্দেহাতীতভাবে বিশ্বাস করতে বলে। বিজ্ঞান ব্যাপারটা নিয়ে কনফিউশন ছাড়া কিছু দিতে পারে না।
ধর্ম কাল্পনিক অনেক কিছুই বানায়। তবে ইশ্বরের অস্তিত্ব ব্যাপারটা কেবল কাল্পনিক কিছু নয় রসি ভাই।

//".......ইসলামে খুব সুনির্দিষ্ট ভাবে বলে দেওয়া আছে কি বিশ্বাস করতে হবে। এবং বলা আছে সেটাই পরম সত্য। এ ব্যাপারে কোন প্রশ্ন করা যাবেনা। আপনি আল্লাহর অস্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন, এটা ইসলাম সমর্থন করেনা।"//

শেষ থেকে আসি- :) ১. কোন প্রশ্ন করা যাবেনা। আপনি আল্লাহর অস্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন, এটা ইসলাম সমর্থন করেনা।
হানিফঢাকা, নতুন সহ আরো ব্লগার আছেন তাদেরকে দেখুন। ইসলামে কিন্তু প্রশ্ন করাকে নিরুৎসাহিত করা হয়নি। বরং জানার জন্য জোর দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন করতে বলা হয়েছে।
ইসলামকে শাসক/মোল্লাতন্ত্রের সুবিধার জন্য নানান সুবিধাজনক তত্ত্ব যোগ করা হয়েছিল। এইসবের সাথে ইসলামের কোর কনসেপ্টের পার্থক্য হিউজ। আমিও জানতাম না তবে পড়াশুনা করে সামান্য জেনেছি বলেই এ ব্যাপারে কথা বলছি। ইসলাম গ্রহণ করার আগ পর্যন্ত ইশ্বরকে নিয়ে প্রশ্ন করলে কোন সমস্যা তো নয়ই বরং সেটাই করা উচিত। এমনকি ইসলাম গ্রহণ করার পরও আধ্যাত্মিক উন্নতির স্বার্থে তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন করা কোন সমস্যা না বলেই জানি।

ইসলামে খুব সুনির্দিষ্ট ভাবে বলে দেওয়া আছে কি বিশ্বাস করতে হবে। এবং বলা আছে সেটাই পরম সত্য। এ ব্যাপারে কোন প্রশ্ন করা যাবেনা।

এই ব্যাপারটা খানিকটা সত্য। ইসলাম সন্দেহাতীভাবে গ্রহণ করার পর কিছু ফান্ডামেন্টাল থিওরী আছে সেগুলোকে সন্দেহের উর্ধ্বে স্থান দিতে হয়। মানে ব্যাপারগুলো হচ্ছে অ্যাবসলিউট ট্রুথ।
(আমার ধারণা) এখন এর মানে এই নয় যে এখন সে আর চিন্তা করতে পারবে না। চিন্তা করতে বারবার বলা হয়েছে যা মোল্লারা সবসময়ই উল্টোটা করতে বলছে। ইসলামের অনুসারী(!)রা পিছিয়ে পড়ার পেছনে এটাই সবচেয়ে বড় কারণ বলে আমার মনে হয়।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৭

জেন রসি বলেছেন: ইশ্বরের কনসেপ্টটা পুরোটাই কাল্পনিক। ইশ্বরের প্রশ্নটা বেসিক না। বেসিক প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কোথা থেকে এসেছি, কেন এসেছি এসব। এসব প্রশ্নের একটা কাল্পনিক সমাধান বা উত্তর হচ্ছে ইশ্বরের কনসেপ্ট।

যাদের কথা বললেন তাদের লেখা আমি পড়েছি। কিন্তু তাদেরকেও দিনশেষে অন্ধের মত কিছু ব্যাপার বিশ্বাস করতে হয়। মেনে নিতে হয়। আর কোন টেক্সটের মিনিং নিয়ে বিতর্ক করা আর কোন মিনিং পরম সত্য সেটা নিয়ে বিতর্ক করা আলাদা ব্যাপার। যাইহোক, জ্বর থেকে সেরে উঠি। তারপর ডিটেইলস উত্তর দেওয়া যাবে।










৩৮| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:২৭

গেম চেঞ্জার বলেছেন: দিনশেষে অন্ধের মত কিছু ব্যাপার বিশ্বাস করতে হয়।

হাঃ হাঃ হাঃ :)

জেনারালাইজ করেছেন। সব বিশ্বাসকে শুধুমাত্র অন্ধদের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করাও কিন্তু ভুল। যাইহোক, আপনার পুর্ণ উত্তরের জন্য অপেক্ষিত। ;)

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:১৮

জেন রসি বলেছেন: না জেনারালাইজ করিনি। অন্ধ বিশ্বাসই। তবে কোন বিশ্বাস সমাজের জন্য ভালো বা খারাপ সেটা ভিন্ন বিতর্ক। দুটো ব্যাপার আপনি এক করে ফেলেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.