নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দীপ ছিলো, শিখা ছিলো, শুধু তুমি ছিলেনা বলে...

শায়মা

দিয়ে গেনু বসন্তেরও এই গানখানি বরষ ফুরায়ে যাবে ভুলে যাবে, ভুলে যাবে,ভুলে যাবে জানি...তবু তো ফাল্গুন রাতে, এ গানের বেদনাতে,আঁখি তব ছলো ছলো , সেই বহু মানি...

শায়মা › বিস্তারিত পোস্টঃ

তোমার আর আমার গল্প- সায়ান তানভি ও শায়মার গল্প

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:১৭


আদালতের কাঁঠগড়ায় ঠিক ওর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও চোখ তুলে তাকাতে পারছিলাম না আমি।আমার উলটোদিকে, আমারই মত মৌন মুখে দাঁড়িয়ে ছিলো শাওন। আজ পাঁচ মাস পাঁচ দিন হলো আমাদের বিয়ে হয়েছে অথচ এই কদিনের মাথাতেই ওকে ডিভোর্স দিতে এসেছি আমি।
-আপনি অভিযোগ করেছেন আপনার স্বামী আপনাকে শারীরিক নির্যাতন করেন, অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন, আপনাকে ...ব্লা ব্লা ব্লা ।
মাথাটা টলে উঠলো আমার। তবুও দাঁতে দাঁত চেপে কাঠগড়ার সামনের দিকটা ধরে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম । ম্যাজিস্ট্রেট আবারও আমাকে জিগাসা করলেন..... বলুন এসবই তো আপনার অভিযোগ, নয় কি?
আমি কোনোমতে উত্তর দিলাম - হ্যাঁ ।
আমার চোখ দিয়ে জল পড়তে শুরু করলো অঝোরে, ঝাপসা চোখে এক পলক দেখলাম শাওনের ভাবলেশহীন নির্বিকার মুখটি। সে ওর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ,মিথ্যা তো অবশ্যই, অপকটে মেনে নিলো।আমি জ্ঞান হারিয়ে ফ্লোরে লুটিয়ে পরলাম ।
এমনই ছিলো সাড়ে নয় বছরেরও একটু বেশি সময় আগে শাওনের সাথে আমার দেখা হবার শেষ মুহুর্তটুকু। আজ এতগুলো দিন পরে শাওন বসে আছে আমার সামনে। শাওন, আমার গভীর ভালোবাসা,খুব যতনে গোপন করে রাখা অসীম অনুভুতির সেই মায়াময় মুখটি, ঠিক সেদিনের মতই ভাবলেষহীন- নির্বিকার, যেন কিছুই হয় নি। মাঝে এতগুলো দিন কেটে যায় নি, বছরের পর বছর বয়ে বেড়ানো দুঃসহ বেদনার কোনো ছাঁপই নেই ওর চোখে মুখে। ঠিক আগের মতই আছে শাওন। খুব একটা বদলায় নি। সেই সাদামাটা সাদা নিলের কুচি চেক শার্ট, উস্কোখুস্কো চুল, একটা বলপয়েন্ট পেন উঁকি দিচ্ছে ওর বুক পকেটে ।অস্ফুটে বেড়িয়ে আসা একটি গভীর দীর্ঘনিশ্বাস আমি চেপে ফেলি গোপনে। কি ক্ষমাহীন অন্যায় করা হয়েছে ওর সঙ্গে । আমার বুক ফেটে কান্না আসে। চোখ জলে টলমল করতে থাকে।আমি অন্যদিকে তাকিয়ে কান্না লুকোতে চেষ্টা করি। শাওন মুখ খোলে।
- কেমন আছো রুমকি? ওর স্বাভাবিক শান্ত কন্ঠ আজ এতগুলো দিন পরেও বুকের মধ্যে ঝড় তোলে আমার। আমি কান্না চেপে রাখতে পারি না আর। দুহাতে মুখ ঢেকে ডুকরে কেঁদে উঠি। শাওন চুপচাপ বসে থাকে। আমাকে কাঁদবার সুযোগ দেয় ও। ও তো আমার অন্তর্যামী বলতো নিজেকে,ও কি জানে না কি অপরিসীম কষ্ট বুকে চেঁপে আছি আমি! কি দুঃসহ বেদনার কাঁটা অহর্নিশ গেঁথে আছে আমার বুকের মধ্যে।
আমার চোখ পড়ল টেবিলের ওপর রাখা ওর হাত দুটোর উপর । সেই মায়াময় শিল্পীর হাত। যেই হাঁত একটা সময় একের পর এক এঁকে গেছে আমারই ছবি। কত কত চুম্বন একেছিলাম আমি ওর দুহাতে। ওর হাত দুটো আমার ভীষন প্রিয় ছিলো।এই হাত দিয়ে বেরিয়ে আসা বহু অনন্য ছবির সাক্ষী আমি,এই সেই শিল্পী শাওন, যার প্রেমে পড়েছিলাম আমি, সে এক উথাল পাথাল প্রেম।
মুখ তুলে ভেজা চোখেই ওর হাতে হাত রাখি আমি। ঠিক সেই প্রথম দিনের মতই সম্পূর্ণ মুঠোয় পুরে ফেলে ও আমার হাত দুটো। সেই দিনের মতই অভয় জাগায় মনে। আমি একা নই । কেউ আছে আমারই সাথে..আজও..


**********************************************


রুমকির সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয় একটা আর্ট একজিবিশনে, আমার প্রথম একজিবিশন ছিল সেটা, রুমকি খুব আগ্রহ নিয়ে আমার আঁকা জল রঙের কাজগুলো দেখছিল আর আমি সবার অগোচরে খুব মনোযোগ দিয়ে ওর মুখ দেখছিলাম। মায়াময় অনিন্দ্য এক ঝলমলে মুখ,সাথে মিশে আছে প্রচ্ছন্ন বিষাদ। এই মুখ অসাধারণ,দুর্লভ, দুষ্প্রাপ্য আর মোহময়। আমি অনেকটা সময় আচ্ছন্ন হয়ে ছিলাম রুমকির সৌন্দর্যের আভিজাত্যে। ও যখন গ্যালারী থেকে বেরিয়ে যেতে উদ্যত হলো আমার সম্বিৎ ফিরলো হঠাৎই ,আমি দৌড়ে গিয়ে ওর সামনে দাঁড়ালাম। কোন ভূমিকা ছাড়াই তড়িঘড়ি বললাম,আপনার একটা স্কেচ করতে চাই আমি, সত্যি বলতে আপনি আমার দেখা সবচেয়ে আকর্ষণীয়া রমণী, আপনার সৌন্দর্য যেকোনো জীবিত অথবা মৃত রমণীকে হার মানাবে। আপনার ছবি আমাকে আঁকতেই হবে। রুমকি কিছুক্ষণ হা করে তাকিয়ে ছিল, এরপর চোখ মুখে বেশ বিরক্তি ফুটিয়ে বলল, ননসেন্স। স্রেফ এইটুকুই, আর কিছুই না। গট গট করে হেঁটে চলে গেলো। একটু নাটকীয় মনে হলেও সেদিন এমনই ঘটেছিল।
রুমকির এমন শীতল আর অপমানজনক ব্যবহার একটু নিরাশ করলেও হৃতোদ্যম করতে পারে নি আমাকে। ওই দিনের পর থেকে আমি ওকেই খুজতাম পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ। কিন্তু ওকে খুঁজে পাই নি, কোথাও না, কলা ফ্যাকাল্টি, চারুকলা, টি এস সি, কার্জন হল, পলাশীর মোড় অথবা শাহবাগের ক্ষয়িষ্ণু বাম দলগুলোর বাকসর্বস্ব জনশূন্য মিটিংগুলোর ভীড়ে, কোথাও না!
অবশেষে রুমকিকে পেলাম একদিন আচমকাই অপ্রত্যাশিত ভাবে, মহিলা সমিতিতে নাটক দেখতে গিয়ে। মেয়েটা আমাকে দেখে হাসছিলো, ঠোঁটে ঠোঁট চেপে এতো অবিশ্বাস্য মুগ্ধকর হাসি আমি এর আগে কোন অষ্টাদশীর মুখে দেখি নাই। শুধু মুগ্ধতা নয়, সে হাসিতে মিশে ছিল রহস্যময়তা -প্রেম, প্রশ্রয়ের আভাসও। আমি খানিকটা অবাক হয়েছিলাম আর ওকে খুঁজে পাওয়ার আনন্দের কথা তো বলাই বাহুল্য।
আমি থ হয়ে দাড়িয়ে ছিলাম! রুমকি বলল, শাওন আমি তোমাকে খুব ভালো ভাবেই জানি- চিনি, তুমি যে এখানে আসবে আজ তাও জানতাম। তুমি গত এক মাস আমাকে খুঁজে পেতে কি কি করেছ তাও আমি জানি। আমি তোমাকে প্রায় প্রতিদিনই দেখতাম, তোমার পাশ দিয়ে হেঁটে যেতাম, একদিন তো তোমার সঙ্গে ধাক্কাও লাগিয়েছিলাম। বলেই হেসে ফেললো। আমি যেদিন থেকে টের পেলাম তুমি পিছু লেগেছ, আমার মাথায় একটা দুষ্ট বুদ্ধি এলো, আমি পরদিন থেকে মুখ ঢেকে বোরখা পরে ক্যাম্পাসে আসতাম।
রুমকির এসব কথা শুনে আমার তখন পুরোপুরি বোকা বনে যাওয়ার অবস্থা, ফ্যালফ্যাল করে ওর কথা শুনছিলাম আর ওর অনিন্দ্য সুন্দর হাসিমাখা মুখটা দেখছিলাম ।ও আমাকে কিছুটা পাশে নিয়ে গেলো, একটু নির্জন জায়গাটা। আমরা দুজন পাশাপাশি বসলাম। রুমকি গত একমাসের গল্প বলতে শুরু করলো। আমি জানলাম ওর পুরো নাম হুমায়রা রুমকি ,নামটা শুনেই আমার বাকরুদ্ধ হওয়ার অবস্থা, কি অদ্ভুত মুগ্ধতা নামটায় জড়িয়ে আছে ।একটা রাজকীয় আভিজাত্য,কাব্যিক ছন্দ,শ্রুতিমধুর সুর আর সুরার মাতালতা অথবা বেলির ঘ্রান যেন হুমায়রা রুমকির প্রতিটা পরতে পরতে মিশে আছে ।
রুমকি গল্পের ঝাপি খুলে বসলো, সেদিন একজিবিশনে তোমার সঙ্গে দেখা হওয়ার মুহূর্তটা আমার চোখে এখনো স্পষ্ট ভাসে ,যদিও সেটা আমার জন্য খুবই অস্বস্তিকর ছিল ।আমি মনে মনে বেশ রেগে ছিলাম, তুমি আমাকে পুরোটা সময় লুকিয়ে লুকিয়ে দেখছিলে ,আমি ঠিকই টের পেয়েছিলাম, তুমি শুধু মুখ না পুরো শরীরই গিলছিলে চোখ দিয়ে, শিল্পীগুলো চরিত্রহীনই হয় সেদিন খুব ভালো ভাবেই মনে হচ্ছিল, তুমি এটা অস্বীকার করতে পার না,আমি যথেষ্ট বিরক্ত হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম তোমাকে কিছু কথা শোনাবো কিন্তু ভদ্রতার খাতিরে কিছু বলি নাই, শত হলেও শিল্পী মানুষ তুমি কিন্তু বের হওয়ার মুখে তুমি যখন আমার পথ আগলে দাঁড়ালে আর আমার স্কেচ করতে চাইলে আমি মনে মনে খুশিই হয়েছিলাম ,যদিও সেটা আমার আচরণে প্রকাশ করি নি। আমি তোমাকে একটু বাজিয়ে দেখতে চাচ্ছিলাম। রুমকি হাসতে শুরু করলো। সেই কাঁচভাঙ্গা জলতরঙ্গ হাসি। আমি মুগ্ধ হয়ে দেখলাম স্বর্গ থেকে নেমে আসা এক মোহিনীকে, যার হাসির সঙ্গে দুলে উঠে পুরো শরীর, মোহনীয় ভঙ্গিতে।


**********************************************


আমরা খুব তাড়াতাড়ি ছ'মাসের মধ্যেই বিয়ে করে ফেললাম! এত শিঘ্রী বিয়ের কোনো পরিকল্পনা ছিলো না আমাদের তবুও করতে হলো। বাবা আমাকে জোর করে বিয়ে দিতে চাচ্ছিলেন ।
আলিশান বাড়ি আর নিশ্চিন্ত জীবন ছেড়ে উঠলাম শাওনের এক রুমের বাসায়। ঐ রুমের সাথেই ছিলো এক টুকরো ছাদ। সে রাতে সারা আকাশ জুড়ে ছিলো ঝিকিমিকি তারার মেলা। আমার গায়ে কোনো নববধুর গয়না ছিলো না। খুব সাদামাটা একটা আকাশী রঙ শাড়ি আর খোঁপায় জড়ানো ছিলো সুবাসিত বেলিফুলের মালা। সেই ঝিকিমিকি তারা ভরা রাত আর বেলিফুলের স্নিগ্ধ অপরূপ সুবাস আজও হঠাৎ হঠাৎ কোথা থেকে যেন ভেসে আসে বাতাসে। আমার পঞ্চইন্দ্রীয় দিয়ে প্রাণপনে তা কিছুক্ষণ ধরে রাখার চেষ্টা করতে না করতেই পালিয়ে যায় আবার। হঠাৎ আসে, হঠাৎই যায়। কি ভীষন সুন্দর রোমান্টিক রাত ছিলো সেদিন। খুব দখিনা বাতাসও বইছিলো সেই রাতে। কখনও ওর কোলে মাথা রেখে শুয়ে ছিলাম, কখনও পাশাপাশি, ছাদে ছিলাম আমরা প্রায় মধ্যরাত্রী পর্যন্ত! সেই স্বর্গীয় মধুর মধুচন্দ্রিমার রাত ঠিক ঐ ভাবে অপার্থীব সুন্দরভাবে সবার জীবনে আসে কি না জানা নেই আমার।
কিছুদিনের মাঝেই শাওনের সেই পলেস্তারা খসে পড়া বিতিকিচ্ছিরি কামরাকে স্বর্গ বানিয়ে ফেললাম আমি। শাওন শিল্পী ছিলো বটে তবে ওর সেই পুরনো আবাসস্থলটাকে শিল্পসন্মত করে তুললাম আমি আমার মনের প্রতি বিন্দু ভালোবাসায় মুড়িয়ে।
শাওন ছবি আঁকতো আর আমি হতাম ওইসব ছবির মডেল । ঘন্টার পর ঘন্টা জামা কাপড় খুলে চুপচাপ বসে- দাড়িয়ে বা শুয়ে থেকেছি ওর সামনে , চেয়েছি শাওন অনেক বড় কিছু একটা করে ফেলুক ,বিখ্যাত কোন শিল্পকর্ম উপহার দিক, যেই ছবি সাড়া জাগাবে পুরো বিশ্বে মোনালিসার মত ।
আমাদের সেই পাঁচমাসের জীবনে কোনো দুঃখ ছিলো না । ছিলো শুধু ভালোবাসা আর অনিঃশেষ বাঁধভাঙ্গা প্রেম। লাগামহীন, বাঁধনছেড়া। আমরা ভালোবাসতাম, অভিমান করতাম, আবারও ভালোবাসতাম!

**********************************************

সাড়ে নয় বছর! একদম কম নয় সময়টা। আমি বেঁচেই ছিলাম কিন্তু এটাকে জীবন বলা হলে এরচেয়ে মরে যাওয়াই ভালো। রুমকি আমাকে ডিভোর্স দিয়েছিল, আমি জানি না, হয়তো বাধ্য হয়েছিল বা যাইহোক, আমি কষ্ট পেয়েছিলাম প্রচণ্ড। কেউ দেখতে পায় নি, অনুভব করতে পারে নি কি পরিমান যন্ত্রণা -ব্যথা আমি বয়ে চলেছি এই দীর্ঘ সময় ধরে ।গভীর রাতে অন্ধকার ঘরে গাল বেঁয়ে গড়িয়ে পড়া জলের স্পর্শ কেবল অন্ধ রাতই হয়তো টের পেতো ।
আমি এমনিতেই একা আর স্বজনহীন ছিলাম, রুমকি চলে যাওয়ার পর একদমই একা হয়ে গিয়েছিলাম, কিছুই ভালো লাগতো না ।সারাদিন কেবল পুরনো দিনের কথা ভাবতাম,ক্ষণস্থায়ী সংসারের দিনগুলো চোখের সামনে ভাসতো। সেই প্রথম দেখার মুহুর্ত, সেই টিএসসির বিকেল, মধুর ক্যান্টিন, সব ছাপিয়ে রুমকির হাস্যোজ্জ্বল অনিন্দ্য মুখশ্রী!
রুমকির সাথে বিচ্ছেদের পর আমি চলে গেলাম লোকালয় ছেড়ে বহুদূরে। আদিবাসীদের গ্রামে। আমার জীবনের সকল আশা, ভরসা, আবেগ, উচ্ছাস বুঝি রুমকির সাথেই বিলীন হয়ে গিয়েছিলো। কোনোদিন আমি উচ্চাকাঙ্খী ছিলাম না। শুধু আপনমনে ছবি আঁকতেই আমার ভালো লাগতো। নানা রকম রঙে আমি সুখ ও দুঃখের ছবি আঁকতাম তবে রুমকি আমাকে চিনিয়েছিলো ভালোবাসার রঙ।
রুমকির সাথে এক একটি ছুটির মধ্য দুপুর, পাশাপাশি বিছানায় শুয়ে খুনসুটি, জানালা দিয়ে ধেয়ে আসা গ্রীস্মের প্রচন্ড দাবদাহে কাঁঠাল গাছের পাতার ফাঁকে বসে থাকা কাক দম্পতি, এসব প্রচন্ড ভালোবাসার ছবি আমি অনেকদিন আঁকতে চেয়েছি।আঁকতে চেয়েছি পড়ন্ত বিকেলের কোমল আলোয় ছাদে মোড়া পেতে চা আর মুড়িমাখার ভালোবাসার ছবি অথবা প্রথম বর্ষায় আমাদের যুগল স্নানের স্মৃতি।
অজস্র ভোর আমরা পর্ণকুটিরের সামনের এক চিলতে পার্কের ঘাসে হেঁটে ফিরেছি । তারপর দুজন মিলে রান্নার আয়োজন, কলতলায় স্নান। রুমকি, ঝকঝকে পলিশ করা দেহ বল্লরীর রুমকি পরম ভালোবাসায় আকড়ে ছিলো ছন্নছাড়া সেই আমাকে স্বল্প কয়েকটা দিন। তার আগে এই দুনিয়ার সবখানেই আমি ছিলাম চরম অপাংক্তেয় । এমন করে কেউ কখনও আগে ভালোবাসেনি আমায়! এমন করে কেউ কখনও দুঃখও দেয়নি আমাকে।

**********************************************

আমার নিজ হাতে গড়া সেই স্বপ্ন সুন্দর একরতি স্বর্গের মত সংসার ছেড়ে চলে আসতে হয়েছিলো যেদিন, সেদিনটা আমার খুব মনে পড়ে। সেদিন হঠাৎ এক পড়ন্ত দুপুরে আকস্মিক সংবাদ আসে! বাবা খুব অসুস্থ। এক নিমিশে আমি সব ভুলে হাউ মাউ করে কাঁদতে থাকি। বাবার কাছে যাবার জন্য আকুল হয়ে উঠি।আর এই যাওয়াই হয় আমার শেষ প্রস্থান ।বাবা আমাকে আর আসতে দেন নি, ব্লাকমেইল করে শাওনকে ডিভোর্স দিতে বাধ্য করেন ।
কিন্তু বহু চেষ্টা করেও বাবা আমাকে আবার বিয়ে দিতে পারেন নি। কয়েক বছর পর বাবার মৃত্যু হয় । শুরু হয় আমার একাকী পথচলা। তবুও লজ্জায় আর কখনও শাওনের মুখোমুখি দাঁড়াবার সাহস পাই নি আমি। যদিও আরও একটি যুদ্ধ আমাকে একাই যুঝতে হয় এরপর। ডিভোর্সের সময় আমি ছিলাম ৩ মাসের অন্তঃসত্বা,বাবার শত হুমকি ধামকি, অনুরোধের পরেও আমি এবরসন করতে রাজি হই নি ।
শ্রাবনকে নিয়ে আমি একাকী পাড়ি দেই এর পরের নয়টা বছর। শ্রাবন আমাকে প্রায়ই প্রশ্ন করে ওর বাবার কথা। আমি ওকে আশ্বাস দিয়েছিলাম খুব শিঘ্রী আমি বাবার সাথে দেখা করিয়ে দেবো তাকে।

**********************************************

এতগুলো বছর পর রুমকি আমার সাথে দেখা করতে চেয়েছে! এটা কি ভীষন বিস্ময়কর! আমিতো চিরতরেই ওকে বিদায় বলেছিলাম । আমি কারো কাছে কখনো কিছু চাই নি, চরম দূর্দিনেও না ।আমি কেবল আমার মতো বাঁচতে চেয়েছি আর তাই বেঁছে নিয়েছিলাম এই একাকী,নির্ঝঞ্ঝাট,নিস্তরঙ্গ জীবন!
রুমকি বুড়িয়ে গেছে অনেকটা, ওর বিষাদ ভরা চোখে ভিড় করেছে যেন রাজ্যের বেদনা ।রুমকির এমন রুপ আমার অদেখা। ও ছিল প্রাণবন্ত, জ্বলজ্বলে, উচ্ছল। ওর উপস্থিতি যেকোনো পরিস্থিতিতেই উদ্দীপ্ত করতো আমাকে। এই রুমকি আমার অপরিচিত তবুও ওর সেই বিষাদমাখা চোখে চোখ রেখে বুকের ভেতরটা মুচড়ে ওঠে আমার।
রুমকির অনুরোধে পরদিন ওর বাড়িতে গেলাম। এই প্রথম এ বাসায় আসা আমার। রুমকির পেছনে আড়াল হতে উঁকি দেয় ছোট্ট ৮/৯ বছরের ঝাঁকড়াচুলো মিষ্টি এক ছেলে । ওকে দেখে চমকে উঠি । মনে হয় কোথায় যেন দেখেছি এই ছেলেকে।
এতগুলো বছর পর রুমকীর আমাকে ডাকার কারণ পরিষ্কার হয়ে যায়। হিম শীতল রক্তস্রোত বয়ে যায় আমার মেরুদন্ড বেয়ে। দূরারোগ্য কান্সারে ভুগছে রুমকি। তার মৃত্যুর পর এই ছেলের দায়িত্ব সে তার বাবাকেই দিয়ে যেতে চায়। আমি নির্বাক বসে থাকি।

**********************************************

প্রায় বছরখানেক হলো, এখানে আছি আমরা। শ্রাবন আর আমি খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠি। পাহাড়ী পাথুরে পথ বেয়ে হেঁটে যাই আমরা বহুদূর। ফিরে এসে আমি ওর জন্য নাস্তা বানাই, চা বানাই। দুজনেই স্কুলের পথ ধরি। একই স্কুলে বাচ্চাদেরকে ছবি আঁকা শেখাই আমি । ফিরে আসি বিকালে। আমি ওকে সাইকেল চালানো শিখাই, শিখাই কিভাবে মার্বেল খেলতে হয়, রোজ বিকেলে ডাংগুলি খেলি আমরা পাহাড়ী বাচ্চাদের সাথে। শ্রাবন এই মুক্ত বিহঙ্গ জীবনে সবটুকু স্বাধীনতা আর আনন্দ নিয়ে বাঁচুক, বুক ভরে শ্বাস নিতে শিখুক, সেটাই চাওয়া আমার। আমি চাই না যে স্নেহ, মমতাহীন একাকী পরাধীন জীবন আমি কাঁটিয়েছিলাম আমার শৈশব আর কৈশোরে, সেই জীবনের এক ফোটা নিরানন্দ প্রবেশ করুক শ্রাবনের জীবনে।
আমি ওকে আমার শৈশবের কথা বলি। কেউ ছিলোনা আমার। আমার কোনো আনন্দ ছিলোনা, ভালোবাসা ছিলো না। সব এক লহমায় পূর্ণ করে দিয়েছিলো এক রমনী, সে তার মা। আমার সারাজীবনের অপ্রাপ্তির বেদনা ভরিয়ে দিয়েছিলো সে। আমি ওকে আমাদের দেখা হবার কথা বলি। বিয়ের কথা, সংসারের কথা...... এত আনন্দের কথা বলবার সময়ও আমার চোখ দিয়ে নিজের অজান্তে কখন জল গড়ায় বুঝতে পারি না আমি। শ্রাবন তার ছোট ছোট হাতে মুছে দেয় আমার চোখের গড়িয়ে পড়া জল।

রুমকি মারা যাবার দিন সন্ধ্যায় শ্রাবন আকাশে আবিষ্কার করেছিলো একটি তারা। রোজ সন্ধ্যায় আমরা দুজন ঐ তারাটার সাথে সারাদিনের সব গল্প করি। তারাটা চুপ করে শোনে। শ্রাবণ জানে মানুষ মরে গেলে আকাশের তারা হয়ে যায়।
এক পরম মায়াবিনী দুখী প্রেমিকা আর মমতাময়ী মায়ের স্মৃতি আর ভালোবাসা নিয়ে কাটতে থাকে আমাদের দিনগুলো .. আমরা অপেক্ষা করি..






*** সায়ান তানভি ভাইয়া। আমার এবং অনেকেরই অনেক অনেক অনেক প্রিয় লেখক। তার গল্প পড়ে মুগ্ধ হই আর মুগ্ধ হই! তাই তার সাথে আমার এই গল্প লেখার প্রচেষ্টা! :)

মন্তব্য ২০৮ টি রেটিং +২৪/-০

মন্তব্য (২০৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:২৩

বিজন রয় বলেছেন: প্রথম প্লাস।

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:২৫

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ !!!!!!!:)

এইবার পড়ো। মন দিয়ে পড়ো ভাইয়া। তারপর বলো গল্পটা নিয়ে বলো!!!!!!!:)

২| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:২৪

বিজন রয় বলেছেন: সায়ান তানভি'র সাথে গল্প লিখলেন, তাহলে কবিতা লিখবেন কার সাথে?

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:২৬

শায়মা বলেছেন: তুমি বললে তোমার সাথেও ট্রাই করে দেখতে পারি ভাইয়ামনি!:)

৩| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:২৬

বিজন রয় বলেছেন: শায়মা আপা গল্পটি কি পড়বো? বেশ বড়।

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:২৯

শায়মা বলেছেন: তো পড়বা না!!!!!!!!! B:-)


এমনিতেই তোমার এত বদনাম লেখা না পড়ে কমেন্ট দাও। তবুও জিগাসা করো পড়বা কিনা!!!!!!!!!!


এখুনি পড়ো!!!!!!! X((

৪| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:৩৩

বিজন রয় বলেছেন: শায়মা আপা, আপনিও দুষ্টু লোকের কথায় মজে গেলেন। কোন অথর্ব, নষ্ট ব্লগার কি বলল সেটাই আপনি গুরুত্ব দিলেন!!

শোনেন আমি কোন পোস্ট না পড়ে মন্তব্য করি না। সেটা আমার ভিন্ন একটি কৌশল।
কেউ তা জানেনা। এই কৌশলে আমার নেট খরচ অনেক বেঁচে যায়।

তাই আর কখনো ওকথা না বলাই শ্রেয়।

হা হা হা ........... বলে কয়ে কবিতা লেখা যায়?
সায়ান কি আপনাকে বলেছিলেন?

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:৩৮

শায়মা বলেছেন: এক নাম্বার সেই কথার সত্যতা প্রমান করিতে তুমি এই গল্প পড়ো ও সংক্ষেপে কাহিনী বর্ণনা করো।

দুই বলে কয়ে লেখা যাবেনা কেনো!!!!!!!! B:-)

কত লিখলাম এই জীবনে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! :||


আর সায়ান ভাইয়ু বলেছেই তো নাইলে দুজনে মিলে লিখলাম কেমনে! :-/

আসলে সায়ান ভাইয়া না তার লেখা পড়ে মুগ্ধ হয়ে আমিই বলেছিলাম!:) তারপর লিখে ফেললাম!:)

৫| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:৪১

জেন রসি বলেছেন: এই টাইপ এক্সপেরিমেন্ট ভালো পাই। তবে আমিও বিজন ভাইয়ের মত গল্প না পড়েই চলে এসেছি। :P গল্প পইড়া আবার আসিতেছি। :)

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:৪২

শায়মা বলেছেন: হা হা হা এই এক্সপেরিমেন্ট এবার তোমার সাথে হোক ভাইয়ু!!!! কোন টপিকে হইবেক বলো বলো বলো !!!!!!!!:) :) :)

৬| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:৪৭

মোঃ সাইফুল্লাহ শামীম বলেছেন: আমি ভাই আমার মতো করেই বলি!
গল্পের কাহিনী গতানুগতিক। আবহমান কাল ধরে যেগুলা সাধারণত আমরা বাংলা গল্পে দেখতে পাই। এটা গল্পের দূর্বল দিক।
আর যেই জিনিসটা সবচেয়ে ভালো লেগেছে সেটা হলো গল্পের সাবলীল উপস্থাপন এবং গল্প বলার ধরন। শব্দ চয়নও চমৎকার ছিলো।
গল্প পড়ার পর যেটা মনে এসেছে সেটাই লিখলাম। কষ্ট পেলে ক্ষমাপ্রার্থী।

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:৪৯

শায়মা বলেছেন: আর দুজন মিলে এক্সপেরিমেন্ট সেটা কিছু লাগলো না!!!!!!:(

সেটাই তো আসল দিক ছিলো ভাইয়ু!!!!!!!:) :) :)

সে সম্পর্কে কিছু বলো!!!!!!!!

৭| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:৪৯

বিজন রয় বলেছেন: পড়বো. অবশ্যই পড়বো।
ধৈর্য্য ধরেন।

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:৫১

শায়মা বলেছেন: কবে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

X((

৮| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:৫৫

কল্লোল পথিক বলেছেন:



শায়মা আপু গল্পটা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়লাম।
শেষের টুকু নাটকীয় হলেও, প্রথম অংশে মনে হচ্ছিলো
আমি আমার নিজের জীবনের গল্প পড়ছি!

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:০৪

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ এ্যান্ড লাভ ইউ ভাইয়া গল্পটা মন দিয়ে পড়ার জন্য!!!!!!!!!


আর শিঘরী তোমার গল্প বলো !!!!!!!!! ভাবিজীর সাথে প্রেম কাহানী আমি শুনতে চাই!!!!!!!!:)

৯| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:৫৯

মোঃ সাইফুল্লাহ শামীম বলেছেন: ...........উপস্থাপন এবং গল্প বলার ধরন।
আমি আগেই বলেছি কিন্তু।
সায়ান তানভীর খুব বেশী গল্প আমি পড়িনি। যে কয়টা পড়েছি তাতে তাকে শুধুমাত্র একজন গল্পকার বল্লে কম বলা হবে।
আর আপনার সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। আপনি এ ব্লগের সবচেয়ে দামী রত্ন গুলোর একটি।

দুজন মিলে দুই দিক থেকে যে স্টাইলে গল্প বলেছেন সেটা অসাধারণ ছিলো। সেজন্যই বলেছিলাম যে, উপস্থাপন এবং গল্প বলার ধরন খুবই ভালো লেগেছে।

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:০৭

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া এত প্রশংসায় আকাশে উড়ছি!!!!!!!!!:) :) :)



থ্যাংকস আ লট!!!!!!!!!!!!:)

১০| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:০৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

অনেক আবেগ... ... গল্পকারের মননকে বুঝার চেষ্টা করছি!

মেয়েরাই বেশির ভাগ সময় ত্যাগ করে... গল্পেও তাই পাওয়া গেলো।

ভালো লেগেছে। অনেক ক্ষেত্রেই পূর্বধারণার সাথে মিলে গেছে।
এটি গল্পকারের সফলতা বা ব্যর্থতা উভয়ই হতে পারে।

দু'জন মিলে একটি গল্প লেখা... এরকম আমি প্রথম পেলাম।
কাজটি তো কঠিন... অন্তত আমার তাই মনে হয়।
এর জন্য উভয়ই কৃতীত্বের দাবিদার...

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:০৮

শায়মা বলেছেন: হা হা হা ভাইয়া দুজন মিলে লিখেছি বটে তবে সায়ান তানভি ভাইয়ার একার লেখা পড়লে আরও আরও বেশি মনে থেকে যাবে!!!!!!!!!


থ্যাংক ইউ ভাইয়ামনি!:)

১১| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:২৯

জেন রসি বলেছেন: আপনি রুমকির অংশটা আর সায়ান ভাই শাওনের অংশটা লিখেছে বলে মনে হচ্ছে। গল্পের প্লটে আরেকটু বৈচিত্র্য আনা যেত। তবে গল্পটা পড়তে অনেক ভালো লেগেছে।

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৫৮

শায়মা বলেছেন: ঠিক ঠিক ঠিক জিনিভাইয়ু!!!!!!!!!!

:) :) :)


দুজন দুই মানুষের কথা লিখেছি!:)


গল্পের প্লটে বৈচিত্রে আমার ভাবনায় ছিলো রুমকীর সেকেন্ড বিয়ে হয় এবং শ্রাবন জন্মায়। তবে বাবার মৃত্যুর পর পর, সেকেন্ড হাসব্যান্ডেরও মৃত্যু হয়। এবং রুমকী নিজের ক্যান্সার জানার পর উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে কোথায় রেখে যাবে তার প্রাণপ্রিয় সন্তানকে সেটা ভেবে বিচলিত হয়। তখন সে সারা পৃথিবীতে একমাত্র রিলায়েবল শাওনকেই দেখে যার কাছে নিশ্চিন্তে তার প্রানের নিধিকে রেখে যেতে পারে।

শাওনের প্রতি তার বিশ্বাস আর ভালোবাসাটা এখানেই প্রকাশিত হত আর কি। তারপর দু দুজন রুমকীর পরম ভালোবাসার মানুষ রুমকীর জন্যই এক সুত্রে বাঁধা পড়ে জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত। এমনি ছিলো আমার ভাবনায়। কিন্তু সায়ানভাইয়া রাজী হলো না শাওনকে দিয়ে অন্যের সন্তানকে মানুষ করাতে তাই গল্পটা এমনই হলো! :P মানে বেশি রিয়েলিস্টিক।:)

১২| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৩৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: চমৎকার এক্সপেরিমেন্টাল লিখা ! এক সময় প্রায়এরকম একটি লিখা যায়যায়দিন বিশেষ সংখ্যায় প্রথম পুরষ্কার পেয়েছিল ।

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:০১

শায়মা বলেছেন: এইবার তুমি আমাদেরকে সামু ব্লগের বিশেষ সংখ্যার প্রথম পুরষ্কার দাও।:)

১৩| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৩৮

সায়ান তানভি বলেছেন: শায়মাপুর মতো সব্যসাচী গুণী একজন মানুষের সাথে মিলে কিছু একটা করতে পেরেছি এটা ভেবেই আমি আনন্দিত ।মান টান মুখ্য ভাবি নাই ,জাস্ট একটা গল্প দাড় করানোর চেষ্টা করেছি আমরা ,বলা যায় এটা খুবই কমন একটা গল্প ।আসলে একটা সম্প্রীতির বহিঃপ্রকাশই মূল লক্ষ্য ছিল ।আমি খুব উপভোগ করেছি ব্যাপারটা ।

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:০৪

শায়মা বলেছেন: আমি আবারও আকাশে উড়ছি। :P

১৪| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৪০

বিজন রয় বলেছেন: এখনো পড়ি নাই। কখন পড়তে পারবো বলতে পারছি না।

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:০৫

শায়মা বলেছেন: হায় আল্লাহ!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

১৫| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৪৩

রোকসানা লেইস বলেছেন: প্রচেষ্টা ভালো হয়েছে

২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:০৬

শায়মা বলেছেন: অনেক অনেক থ্যাংকস আপুনি।

১৬| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:১৩

গেম চেঞ্জার বলেছেন: না পড়ে মন্তব্য করলাম। :) দেখি পড়া যায় কি-না। হাঃ হাঃ হাঃ

২২ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:২৯

শায়মা বলেছেন: পড়া যাবেনা কেনো!!!!!!


এতদিনে জানলাম তুমি পড়ালেখা শিখোনি!!!!!!!!!!! B:-)


হায় হায় হায়!!!!!!

১৭| ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ১১:২৩

শামিল কায়সার বলেছেন: ভালোই হইছে। :)

২২ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৫০

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়ামনি!!!:)

১৮| ২২ শে জুন, ২০১৬ রাত ১:০৭

পুলহ বলেছেন: প্রথম দৃশ্যটা পড়ে বাংলা সিনামার কোর্টে আর উকিলের জেরার ছবি মাথায় ভাসছিলো, যে কোর্টের জাজ থাকে সাদা-মাথাভর্তি-চুল এক লোক ....
ফান এপার্ট- গল্প ভালো লেগেছে। বিশেষতঃ ফিনিশিংটা খুবই সুন্দর; গল্পের নায়কের আঁকা ছবির মতই...
এরকম এক্সপেরিমেন্ট আরো চলুক। আপনাদের দু'জনকেই অসংখ্য ধন্যবাদ চমৎকার একটা গল্প উপহার দেয়ার জন্য।
ভালো থাকা হোক!

২২ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৫২

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ থ্যাংক ইউ থ্যাংক ইউ ভাইয়া!!!!!

:):):)

১৯| ২২ শে জুন, ২০১৬ রাত ১:১২

অনিক বলেছেন: তুমি জানো এতবড় লেখা আমি পড়তে পারিনা। কবিতা পড়ে পড়ে অভ্যাস কবেই খারাপ হয়ে গেছে। আর চশমা পরে এতবড় লেথা পড়তে কষ্ট হয়। এবার থেকে আমার কথা ভেবে ছোট লেখা লিখবে নইলে পর্ব করে পোস্ট করবে। =p~

২২ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৬

শায়মা বলেছেন: ভাইয়ামনি!!!!!!!!!!!!!!!


সোনারখনি!!!!!!!!!!!!!:)

এর পর থেকে ছোট ছোট ভাগে বড় গল্প!!:)

২০| ২২ শে জুন, ২০১৬ রাত ১:৩২

আব্দুল্লাহ তুহিন বলেছেন: আপনার সব পোস্ট গুলার প্রিয়তে রাইখা দিতে মুঞ্চায়! কি যে করাম...? :(
এ এক অশান্তির ভিত্রে আছি।। :-P

২২ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৫:০০

শায়মা বলেছেন: হায় হায় অশান্তি কেনো!!!!!!!

প্রিয়তেই রেখে দাও ভাইয়ু!!!!!!!!!!!:)

২১| ২২ শে জুন, ২০১৬ রাত ১:৪০

অবনি মণি বলেছেন: আমরা অপেক্ষা করি...।.।.।.।.।.।

২২ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৫:০৮

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ অবনিমনি!!!

২২| ২২ শে জুন, ২০১৬ রাত ২:২৮

অশ্রুকারিগর বলেছেন: আহা! শিরোনাম দেখে আমি প্রথমে ভেবেছিলাম এইটা শায়মা আপু আর শায়মা আপুর উনির গল্প :( (নো অফেন্স, শায়ান তানভী, আমি নামটা খেয়াল করিনি :P

পড়তে গিয়ে নস্টালজিক হয়ে গেলাম।

আমার অনেক প্রিয় ব্লগার রিয়েল ডেমোন, ত্রিনিত্রি আপুসহ আরেকজন ব্লগার মিলে কফিশপ নামে একটি যৌথ প্রযোজনার গল্প লিখেছিলেন। কতদিন আগের ? কারো মনে আছে ? উনাদের খুব মিস করি। ডেমোন ভাইয়া তো এখন লেখালেখি ছেড়েই দিসেন, ত্রিনিত্রি আপুর কি খবর ? কেউ জানেন ? আচ্ছা, ওইটা কি এই জনরার প্রথম লেখা ছিল ? কেউ জানাবেন প্লিজ, আর কেউ এভাবে লিখে থাকলে সেটাও একটু লিংক দিবেন।

গল্পটা সুন্দর হয়েছে। অবশ্য জিনিয়াসরা যা করে তাই ভালো হয় !

প্রিয় ব্লগার শায়মা আপুকে আর কত ধন্যবাদ দেব, এবার নাহয় শুধু শায়ান তানভীকেই ধন্যবাদ দিলাম ! ;)

২২ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৫:২১

শায়মা বলেছেন: আহা আমি বুঝি আদালতের কাঁঠগড়ায় দাঁড়াবো!!!!!!!!!!!

আহা আহা আহা


আর এটা শায়ান তানভি না এটা সায়ান তানভি ভাইয়া!!!!:)

রিয়েল ডেমোন ভাইয়া আমার এই ব্লগে দেখা সর্বশ্রেষ্ঠ গল্পকার!!! ত্রিনিত্রি আপুনি আর নীরবভাইয়াও অসাধারণ!!!:):)

আর তোমাকেও অনেক অনেক ভালোবাসা ভাইয়ামনি!!!

২৩| ২২ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৯:০৩

জুন বলেছেন: ভালো লাগলো যৌথ গল্প শায়মা। এমন ভাবে মিলেমিশেই চলুক আমাদের সবার লেখালেখি।


@অশ্রুকারিগর সেই অসাধারন তিন পর্বের কফিশপ সিরিজের আরেক লেখক ছিলেন নীরব ০০৭। প্রান প্রাচুর্য্যে ভরা রিয়েল ডেমোন ত্রিনিত্রির লেখা আর নীরবের কবিতা খুব মিস করি। ত্রিনিত্রি একটা পোষ্ট দিয়েছিল অনেক দিন আগে। উনি এখন পরিপুর্ন ডাক্তার। বিয়ে করে অস্ট্রেলিয়ায় আছেন বলে উল্লেখ করেছিলেন।

২২ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৫:২৪

শায়মা বলেছেন: মিলেমিশে লেখালেখি!!!!!!!


তোমার সাথে মিলেমিশে লিখতে গেলে তো আমাকে এখন বৈদেশ ভ্রমনে যেতে হবে!!!!!!!! B:-)

চলো চলো এই ছুটিতেই যাই। :)

কই যাবো বলো আপুনি!!!!!!:):)


তোমাকে আর ছাড়ছি না!!!!!!!!!:)

২৪| ২২ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৯:৩১

রিকি বলেছেন: এত্তো বড় গল্প.... :(

২২ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

শায়মা বলেছেন: নো ফাঁকিবাজি রিকিমনি!!!!!!!!!!!!!!!!!!:)

২৫| ২২ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৯:৫৯

অন্তু নীল বলেছেন: যাহহহ.....................।
শেষ করেই ফেললাম।
খুবি মচৎকার হয়েছে আপুনি। প্রতিটি ভাগই ইয়াম্মি।
++

২২ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩১

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ইয়াম ইয়াম গল্প খানার জন্য !:)

এবার মমো খাও ভাইয়ু।:)




আজ বানিয়েছি!!!!!!:)

২৬| ২২ শে জুন, ২০১৬ সকাল ১০:১৬

অন্তু নীল বলেছেন: আর
তানভি ভাইয়াকেও ++।
শেষ একটু মন খারাপের বেলাতেও মধুমাখা ছিল।

২২ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫

শায়মা বলেছেন: :):):)


থ্যাংক ইউ ভাইয়ামনি!!:)

২৭| ২২ শে জুন, ২০১৬ সকাল ১১:৪১

গাওসেল এ. রাসেল বলেছেন: ১। চরিত্রের নামকরন পছন্দ হয় নাই। শাওন নামের ছেলের সাথে রুমকী নামের মেয়ের নামটা যায় না। আবার শাওনের ছেলের নাম হিসেবে শ্রাবণ নামটা যায় না।
২। ক্যান্সার নিয়ে বাংলা সাহিত্যে অনেক কচলা-কচলি হইছে। রুমকীর মৃত্যুর কারন হিসেবে অন্য কিছু আনা যেত।
৩। গল্পের কাহিনী নব্বই এর দশকের বাংলা সিনেমায় কাছাকাছি ভাবে বহুল ব্যবহৃত।
৪। কাহিনীর ডেপ্থ কম। সংক্ষিপ্ত রেখেই আরোও ডিটেইল লিখা যেত।
৫। ব্লা...ব্লা... ব্লা...।

ওহুম.. শায়মাপা, বহুৎ গবেষনা কইরা ফালাইছি। বিজন রয় দার প্রথম কমেন্টের জবাবে আপনি বলছিলেন, গল্প পড়ে মন্তব্য করতে- তাই করলাম। অনধিকার চর্চা হলে মার্জনীয়।

২২ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫১

শায়মা বলেছেন: শাওন আসলে সায়ান তানভির সাথে মিলাইছিলাম! হাহাহাহাহাহাহাহহাহাহাহাহাহাহাহা সায়ানভাইয়াও এইটা বুঝেনি! :P

আর রুমকি নাম সায়ান ভাইয়ু বানাইছে আমি দিয়েছিলাম দীপা-মনিদীপা!! হাহাহাহাহাহা এইসব গল্পের আড়ালের গল্প!!!!!!!:)

আর তুমি বললে-
২। ক্যান্সার নিয়ে বাংলা সাহিত্যে অনেক কচলা-কচলি হইছে। রুমকীর মৃত্যুর কারন হিসেবে অন্য কিছু আনা যেত।<<<<<<<ওকে ওকে এইবার ক্যান্সারের বদলে এইডসে মারবো। তবে অবশ্যই নায়িকাকে না নায়ককে!:)

আর এই গল্পের নাম প্রথমে ছিলো পূর্ণ দৈর্ঘ্য বাংলা নাটক। সেই হিসাবে ঠিকই বলেছো আমি নাম চেঞ্জ করে দিচ্ছি আবার। আর আমি তো তিরিশ, চল্লিশ, সত্তর আশী নব্বই এর আদ্দিকালের বদ্দিবুড়ির মেন্টালিটি টাইপ নইলে ভাইয়া এই দশক কেনো একদম হাফপ্যান্ট পরা নায়িকা আনছিলো। আমি নাকচ করে দিসি। তুমি চাইলে সে গল্পও পাবলিশ হইবেক!:)

২৮| ২২ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ১২:০৯

সায়ান তানভি বলেছেন: গাওসেল এ. রাসেল ,আপনার সাথে পুরোপুরি একমত ,আসলে আমরা গতানুগতিক বাংলা নাটক বা সিনেমার স্ক্রিপ্টই দাড় করেছি বলতে পারেন ,জাস্ট দুইভাবে লিখেছি দুজন ।

২২ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৩

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া এইবার তাইলে সেই নাম চেঞ্জের সময় আসছে!!!!!!!!!!:)

২৯| ২২ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ২:০৭

জসিম বলেছেন: গল্প তো জীবনেরই . ফুটে উঠা প্রতিচ্ছবি পড়তে ভালোই লেগেছে. এত উত্থান, পতন সবকিছু এমনি স্বাভাবিক.
চিন্তাগুলোকে একত্র করে সুন্দর গল্পটার জন্য তোমাকে তো অবশ্যই সায়ান তানভিকেও অনেক ধন্যবাদ.

ভালো থাকার শুভকামনা.

২২ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪

শায়মা বলেছেন: তোমাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া!!!!!!!!:)

৩০| ২২ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ২:১৭

তাসলিমা আক্তার বলেছেন: দুর্দান্ত ফিচারওয়ালী এবার গল্পওয়ালী। তোমার গল্প আগে পরিনি, লিখেছো কিনা তাও জানিনা। তবে শুরু হিসাবে খারাপ না। চালিয়ে যাও শানিত হবে।

২২ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:২৬

শায়মা বলেছেন: শুরু না তো আপুনি!!!!!!!

কত কতবার কত শত নিকে লিখলাম!!!!!!!!:)

~পরবাসী স্বর্ণলতা~

রানু ও তার লাল নীল সংসার

আরিত্রিকা- দ্যা গার্ল অব শ্যাডো

বাঁধিনু যে রাখি পরানে তোমার সে রাখি খুলো না খুলো না- ভুলো না

~~~ ও বন্ধু আমার~~~!!!

অন্যভুবনে তুমি~কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই তুমি!

হাবলুর খাতা গোবলুর গাছ.........

ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছিলেম দান, আমার আপন হারা প্রাণ..আমার বাঁধনছেড়া প্রাণ...
প্রিয়তম হে জাগো জাগো জাগো
এ জীবন পুণ্য করো দহন দানে.....


উফ এ কটা লিঙ্ক দিতে গিয়ে হাপিয়ে গেলাম!!!!!!

আবার একটু রেস্ট নিয়ে আসছি!:)

২২ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:৩৪

শায়মা বলেছেন: তুই নেই তাই.........(শেষ পর্ব সারাবেলা)


আপু এই সিরিজ আমার বিশেষ প্রিয়!!!!:)

২২ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৫৩

শায়মা বলেছেন: ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনে আমার নামটি লিখো তোমার হৃদয় মন্দীরে

রক্তকরবি ও মিথিলা নামের একটি মেয়ে ....

গল্পটা এমনও হতে পারতো........

নিপুণের দিনরাত্রী- শেষ পর্ব

এক দুপুরের গল্প ..............

খেলিছো এ বিশ্ব লয়ে, বিরাট শিশু আনমনে...............

আমার মাঝে বিখ্যাতদের সকল গুণাবলী থাকা সত্বেও..... (২)

ঘুমপুরীর এক রাজকন্যার গল্প

ব্যাবর্ত বিভাস

ও আমার ছোট্ট পাখি চন্দনা

http://www.somewhereinblog.net/blog/saimahq/29150071
বঁধু কোন আলো লাগলো চোখে!!


এই নিকের এই গল্পগুলির তালিকা তোমার সৌজন্যে হইলো!:)

৩১| ২২ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ২:১৭

অশ্রুকারিগর বলেছেন: @জুন আপু, হ্যা, মনে পড়েছে নীরব০০৭। আমি কবিতা একটু কম পড়ি বলেই হয়তো উনাকে মনে রাখতে পারিনি। ত্রিনিত্রি আপুর অবস্থা জেনে ভালো লাগলো আবার খারাপও লাগলো। উনি হয়তো মিস করেন সামুকে, অথবা করেন না। রিয়েল ডেমোন তো লেখালেখিই বাদ দিয়ে দিয়েছেন। নীরব ভাইয়ের কোন খবর জানেন ?

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাকে উত্তর দিয়ে সহায়তা করার জন্যে।

২২ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৫৮

শায়মা বলেছেন: আমি নীরবভাই এর খবর জানি!:)

সে এখন জব নিয়ে বিজি!:)

৩২| ২২ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ২:৪৯

রানার ব্লগ বলেছেন: গল্প খানি অতি মিষ্টি , অত মিষ্টি সহ্য হচ্ছে না ।

একটু চাছা ছোলা হলে লাগতো বেশ !!

২২ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:০০

শায়মা বলেছেন: কালকে তাই বুট ছোলা ঝাল ঝাল গল্প লিখবো ভাইয়া!!!:)

৩৩| ২২ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:২৯

অদৃশ্য বলেছেন:



গল্পটা চমৎকার... কোন প্রকার প্যাঁচগোঁচ ছাড়া... যদিও গল্পটাকে মনে হয়েছে পেছনের সময়কে কেন্দ্র করে তৈরি করা... এখনকার সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এই গল্পটা লিখলে কি এর বেশ কিছু পরিবর্তন আসতো নাকি এমনই থাকতো?

শুভকামনা...

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:৩০

শায়মা বলেছেন: থ্যাংকস আ লট ভাইয়া!!:)

আসলে ইচ্ছা করেই নতুনত্ব বা কোনো নতুন চমক আনিনি ভাইয়া। দুজন মিলে কিছু লিখবো ভাবতেই নতুন দিনের সায়ানভাইয়া যে চমক দেখাইছিলো!!! আমি তো ভয় পেয়ে গেলাম!!!!আমি বললাম ভাইয়া এটা তুমি একাই লিখো আমরা বরং একসাথে পূর্ন দৈর্ঘ্য বাংলা নাটক লিখি। আসলে ফানি কিছু লিখতে চেয়ে দুঃখ হয়ে গেলো!!




৩৪| ২২ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৫

ইয়াশফিশামসইকবাল বলেছেন: তোমার কোনো লেখায় এটাই আমার শেষ কমেন্ট...

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:৪০

শায়মা বলেছেন: কেনো!!!!!!!!!!!!!!!:(


আমি কি করছি!!!!!!!!!!!!!! :((

৩৫| ২২ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২১

মোটা ফ্রেমের চশমা বলেছেন: প্রথমে ভেবেছিলাম এত্ত বড় গল্প! প্রিয়তে রেখে দেই,পড়ে পড়ব। তারপর মনে পড়লো, নাহ! শায়মাপু-সায়ান ভাইয়ের ডুয়াল ডিরেকশনের লেখা না পড়লে নিজেরই মিস।

১। গল্পের বর্ণনার ধরন খুবই সহজ-সাবলীল। পড়তে গিয়ে বিন্দু মাত্র স্কিপ করিনি।
২। শাওনের কথা গুলো পড়তে গিয়ে মনে হচ্ছিল আমিই শাওনের জায়গায়। দারুন কথামালা।
৩। রুমকির অংশটি আরেকটু বড় হলে ভালো লাগত। গল্পটায় শাওনের উপর ফোকাস হয়েছে বেশি। কিন্তু আমার মতে দুজনের গল্পটাই আকর্ষনীয় ছিল(শায়মাপু প্লিজ ডোন্ট মাইন্ড। কারন আপনি রুমকির দায়িত্বে ছিলেন আমি জানি)
৪। রিয়েল লাইফেই তো আমরা বাস করি। তাইনা? আপনার মত করে গল্পটা শেষ করলেই বরং একটু অন্যরকম হত (রুমকির দ্বিতীয় স্বামীর সন্তানকে দিয়ে গেলে শাওনের কাছে)

সবশেষে, খুব ভালো একটা সময় কাটলো পড়তে গিয়ে।

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৫

শায়মা বলেছেন: হায় হায় তুমিও শাওনের মত সময় পার করছো নাকি!!!!!!!!!

আর আমার অংশ ছোট!!!!!!!!!!!:(

ভুল ভুল কেনো ভুল বলবো না!!!!!!!!!!!!:)

আপনার মত করে গল্পটা শেষ করলেই বরং একটু অন্যরকম হত (রুমকির দ্বিতীয় স্বামীর সন্তানকে দিয়ে গেলে শাওনের কাছে)


কিন্তু কি করবো বলো!! সায়ান ভাইয়া যে অন্যের বেবি মানুষ করতে রাজীই হলো না!!!!!!!:(


:P
:P
:P

৩৬| ২২ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩

অশ্রুকারিগর বলেছেন: কমেন্ট পোস্ট হওয়ার পরেই টের পাইছি ভুলটা! ভাবছিলাম সায়ান তানভী ছাড়া আর কেউ টের পাবে না, হাহাহাহাহাহা।

স্যরি, সায়ান তানভী। প্রথম কমেন্টে আপনার নিকের বানান ভুল লেখার জন্যে।

অঃটঃ আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়ান এটা কখনোই চাইবো নাহ, কিন্তু আপনার আসল কাহিনী তো জানতেই পারি আমরা, কি বলেন ? আসল গল্পটা একদিন শুনাবেন।

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:৫২

শায়মা বলেছেন: হি হি হি ভাইয়ু!!!!!!!!

আমার কাহিনী আমি আকাশে থাকি। সাত আসমান উপরে এক মেঘের রাজ্যে। এটাই আসল কাহিনী !!!:)

আর সায়ান তানভি ভাইয়া মাটির মানুষ সে রাগ করতেই জানেনা!!!:)

৩৭| ২২ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৯

সুলতানা রহমান বলেছেন: দুজনের যৌথ প্রযোজনায় গল্প ভালো হয়েছে।

তবে ছবি আঁকানোর জন্য যত সময় এবং যেভাবে যেভাবে দিছ এত সময় কিন্তু লাগার কথা না =p~ ;)

তুমি যদি রাজী থাকো তোমার সাথে আমি একটা গল্প লিখতে পারি। আমি বেশ ইয়ে … মানে প্রভাবিত হয়েছি।

রাজী থাকলে বইলো।

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:০২

শায়মা বলেছেন: আপুনি!!!!!!!!!!

এককোটিবার আমি রাজী!!!!!!!!!

বলো কবে থেকে শুরু করবো!!!!!!:)

৩৮| ২২ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:০১

সুমন কর বলেছেন: সায়ান তানভীর গল্প খুব ভালো লাগে আর আপনার পোস্ট।

বর্ণনায় আবেগ-অনুভূতি ভালো ভাবেই প্রকাশ পেয়েছে। কাহিনী কমন কিন্তু বর্ণনায় তা পার পেয়ে গেছে। !:#P

যৌথ প্রযোজনায় +।

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:০৪

শায়মা বলেছেন: অনেক অনেক থ্যাংকস ভাইয়া !!!!!!!!!:)

৩৯| ২২ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:৩২

ঈশান আহম্মেদ বলেছেন: মেয়েরা সেই ছেলেদের প্রেমে পড়ে,যাদের একটা স্পেশাল গুন আছে।তাই না আপু? গল্পটা খুব ভালো লাগছে।প্রানচঞ্চন কাহিনি,বর্ননা গতিশীল। যেহেতু যৌথ প্রযোজনা,তাই ভালো লাগা দুজনকেই দিলাম। ভাগাভাগি করে নিয়ে। :D

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:১১

শায়মা বলেছেন: ঠিক ঠিক আমিতো গুনদর্শী!!!!!

তবে গুন গুলো আবার কখন কি দর্শন করি জানা নেই!!!:)

৪০| ২২ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:৩৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: শায়মা ,




কাহিনী গড়পরতা হলেও দুজনের লেখা ঠিকঠাক সিনক্রোনাইজড হয়েছে বলেই তেমন হোচট খায়নি । দীর্ঘ এই গল্পটি তাই একনাগাঢ়ে পড়া গেছে দু'জনার অর্কেষ্ট্রা একই তাল লয়ে বেজে গেছে বলে ।

তবে -আপনি অভিযোগ করেছেন আপনার স্বামী আপনাকে শারীরিক নির্যাতন করেন, অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন, আপনাকে ...ব্লা ব্লা ব্লা । এখানে বাক্যটি বা লাইনটি একটি অসমাপ্ত উক্তি । এখানে উপস্থাপনার কারনে "ব্লা ব্লা ব্লা" শব্দক'টি এই উক্তিরই অংশ হয়ে গেছে । অথচ "ব্লা ব্লা ব্লা" কথকের মনের ভাব । তাই আমার ধারনা, উক্ত উক্তিটির সাথে "ব্লা ব্লা ব্লা" একত্রে বসার কথা নয় । আলাদা লাইনে হবে ।

শুভেচ্ছান্তে ।

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:১৭

শায়মা বলেছেন: থ্যাংকস আ লট ভাইয়া!!!!


ব্লা ব্লা ব্লাটাই এখন ফানি লাগছে । :(

এডিট করে দেবো ভাইয়া!:)

৪১| ২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ১২:১৬

প্রোফেসর শঙ্কু বলেছেন: এক্সপেরিমেন্ট দেখে ভাল লাগল।

শুভেচ্ছা।

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৪

শায়মা বলেছেন: অনেক অনেক থ্যাংকস প্রিয় গল্পকার ভাইয়া!:)

৪২| ২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ১২:২৪

কালনী নদী বলেছেন: দুজনের প্রচেষ্ঠাই সার্থক হয়েছে, এটাও সংগ্রহে গেল বোন।

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৫

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়া!:)

৪৩| ২৩ শে জুন, ২০১৬ ভোর ৫:১৯

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: গল্প মোটামুটি ভালোই হয়েছে, এই ধরণের লেখায় অনেকেই কো অরডিনেশন ঠিক রাখতে পারেন না, আপনাদের বেলায় তা হয়নি দেখে বেশ লাগল

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৮

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়ু!!!!!!!!!!!:)

৪৪| ২৩ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৮:২৪

বিপ্লব06 বলেছেন: গল্পটা বেশ নাইস হইছে। ভাল্লাগছে!

নায়িকারে বিয়ে না দিয়ে ভালো কাজ করছেন। না হইলে মনে হইত নায়িকা বিট্রে করছে। ভিলেন হইয়া যাইত। আর ছ্যাকা না থাকলে কি পিরিত পিরিত হয়।

ইদানিং একটা মুভি দেখলাম সিমিলার টাইপের। সময় থাকলে দেখতে পারেন।

সায়ান তানভি ভদ্রলোকের লেখার হাতও অনেক ভালো।

ভালো থাকবেন

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৫:১১

শায়মা বলেছেন: হা হা থ্যাংক ইউ কষ্ট করে এই বাংলা নাটক মার্কা গল্পটা পড়ার জন্য।:)


ছ্যাকা ম্যাকা জানিনা আমরা খুব সাধারণ একটা জীবনের গল্প লিখতে চেয়েছিলাম।:)

তোমার দেওয়া ম্যুভিটা দেখবো!!!:)

আর সায়ান তানভিভাইয়া একজন শ্রেষ্ঠ লেখক!:)


থ্যাংকস আ লট ভাইয়ামনি!:)

৪৫| ২৩ শে জুন, ২০১৬ সকাল ১০:৩৪

বিজন রয় বলেছেন: এখনো পড়তে পারি নাই।

কারণ মেঘালয়ে গিয়েছিলাম বালিহাঁস দেখতে, গারো পাহাড়ে গিয়েছিলাম বুনোহাঁস মারতে, আর শিলং-এর পাইন বরে গিয়েছিলাম সারসের সাথে মিতালি করতে।

তাই কখন পড়তে পারবো জানিনা।

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৫:১৬

শায়মা বলেছেন: বাপরে তুমি দেখি পুরাই টারজান!!!!!!!!!

৪৬| ২৩ শে জুন, ২০১৬ সকাল ১১:০৮

জে.এস. সাব্বির বলেছেন: আল্লাহ....!!!!!!!!!! দ্বৈত প্রযোজনায় গল্প লেখাও যায়!

গল্পটা খুব বেশি বড় না হলেও ৩ বার এসে তবে শেষ করতে পারলাম ।কিন্তু সায়ান তানভি ভাইয়ের কমেন্ট দেখার আগ পর্যন্ত বিশ্বাসই হচ্ছিল না এটা....যৌথ প্রযোজনায়!!

গল্প নিয়ে কোন কথা নাই ।কিন্তু আপনারা যা দেখাইলেন....আমিতো পুরাই টাস্কিত (আমার মত আরো অনেকেই আছেন ,গ্যারান্টেড!) ।গল্পের গল্পে তেমধ কোনই নতুনত্ব নেই বলতে গেলে ।বরং বলা যায়- লেখিকা+লেখক গল্পের গল্পে নতুনত্ব আনার কোন চেষ্টাই করেন নাই ।।কিন্তু সেই পুরান ধাচের গল্পটা কীভাবে যে সম্পূর্ণই নতুন মডেলের একটা গল্প হয়ে গেল ,তা আমার মত অযোগ্য পাঠক বুঝতেও পারল না!! আমি বারবার বিচলিত !

যাই হোক ,সায়ান ভাইয়ার কমেন্ট দেখার পর গল্পটা আবার পড়তে হলো বাধ্য পাঠক হিসেবে ।।সায়ান ভাইয়ার গল্পের তুলনা হয়না ,কিন্তু শায়মাপু অনবদ্য ।দুজনের অংশ নিয়ে তুলনা করতে গল্পটা পঞ্চমবার পড়ে আসলাম ।তবে কার অংশ বেটার মনে হয়েছে ডিসাইট করতে পারছি না ।অতঃপর বলবো ,যিনি এইভাবে গল্প উপস্থাপন করার ধারণাটা দিয়েছেন তার অংশটুকুন বেটার ।কে তিনি? :)

এইবার একটা কথা বলবেন আপু?? গল্পের এই সেপের ইতিহাস কি? নাকি আপনারাই এর উদ্ভাবক!?

২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:১০

শায়মা বলেছেন: হুম যায় তো!!!!!!!

হা হা হা হা

তোমার কমেন্ট পড়ে হাসছি!!!!!!!

এই সেপের উদ্দেশ্য একটি পূর্ণ দৈর্ঘ্য বাংলা নাটক রচনা!:) :) :)


আমরাই উদ্ভাবক, আমরাই লেখক, আমরাই প্রযোজক! :)

৪৭| ২৩ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ১২:১৮

নীলপরি বলেছেন: দুজনের একসাথে কাজ ভালো । গল্প বলার স্টাইল ও সুন্দর । ++

২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:১১

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ নীলপরি আপুনি!!!!!!!!!:)

৪৮| ২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৪

সুলতানা রহমান বলেছেন: তুমি যদি বলো আজ পোস্ট দিবা তাহলে আজই লিখবো। একটা গল্প মাথায় ঘুরছে।

তুমি যদি এক পর্বে শেষ করতে চাও তাহলে একরকম হবে। আর যদি দু পর্বে চাও তাহলে একরকম হবে।

তোমার যা লম্বা সিরিয়াল! আমি তো উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে করতে শেষ।

২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:১২

শায়মা বলেছেন: স্যরি!!!!!!!!!!!!!!

সিরিয়াল ভেঙ্গে তো তখুনি আমার জবাব দেবার ইচ্ছা ছিলো !!!!!!! কিন্তু অনেকেই সেটা করলে দা কুমড়া লাঠি সোটা ইট পাটকেল নিয়ে বসে থাকে তাই ভয়ে সিরিয়ালী আসতে হলো!:)

৪৯| ২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৩৯

জে.এস. সাব্বির বলেছেন: আপনারাই উদ্ভাবক, আপনারাই লেখক, আপনারাই প্রযোজক!
আবার ওইদিকে আপনারাই অভিনেত্রী+অভিনেতা হওয়ার পায়তারা করতেছেন দেখতে পাই!

আর কত রূপ দেখাইবেন!!! :)

২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৫৭

শায়মা বলেছেন: আরো রুপ দেখবা ভাইয়া অচিরেই!!

আসিতেছে সুলতানা আপুর সাথে আমার দ্বৈত রচনা অতি শিঘ্রই!:)

৫০| ২৪ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ১:০২

বিজন রয় বলেছেন: সুলতানা রহমান অার আপনার যৌথ লেখাটি যেন সুলতানা রহমানের ব্লগে পোস্ট হয়।

২৪ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৪

শায়মা বলেছেন: কেনো!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

হবে না !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

আমার ব্লগেই হবে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

আপুনিও সেটাই চায়!!! তেমনি বলেছেন!!!!!!!!!!!!!!!!!!

এহ রে তোমার কথা মত নাকি!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! :D

৫১| ২৪ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ২:৫৭

শাহজালাল হাওলাদার বলেছেন: সায়মা আপু, আমার ব্লগে " দয়া করে মন্তব্য করুন" নামক পোস্টে ভিজিট করবেন কি?

২৪ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৬

শায়মা বলেছেন: আচ্ছা এখুনি করছি!!!!!!:)

৫২| ২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:১৪

লেখোয়াড়. বলেছেন:
কি খবররররররর!!!!!

মাল্টিপ্রতিভার অধিকারিনী, বাকপটু প্রিয়ভাষিনী, গীতগায়িকা, নৃত্যনাচিকা, পটঅঙ্কিতা, ছড়াকারিনী, আবৃত্তিপ্রবাহিনী, পাপেটারিনী, শিশুশিক্ষাদায়িনী, রন্ধনপটিয়সিনী সদা হাস্য-লাস্যমোহিনী শায়মা?????/

২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৪৩

শায়মা বলেছেন: B:-) B:-) :-B


এতদিন পর কই থেকে আসলে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!


তোমাকে কে গুম করেছিলো ভাইয়ামনি!!!!!!!!!!!!!!


৫৩| ২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:১৭

লেখোয়াড়. বলেছেন:
হে হে হে হে হে হে
ওহে শায়মা???

এসব ভাং ভুং ছাড়েন। নিজে পারেন না গল্প লিখতে। এখন আরেকজনের নাম নিয়ে দাম কামাচ্ছেন!!!!

লজ্জা, লজ্ঝা!!!!

আর, আর , আর কত ভন্ডামি????

২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৪৫

শায়মা বলেছেন: ঐ আমি পারিনা কে বলছে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
মাল্টিপ্রতিভার অধিকারিনী, বাকপটু প্রিয়ভাষিনী, গীতগায়িকা, নৃত্যনাচিকা, পটঅঙ্কিতা, ছড়াকারিনী, আবৃত্তিপ্রবাহিনী, পাপেটারিনী, শিশুশিক্ষাদায়িনী, রন্ধনপটিয়সিনী সদা হাস্য-লাস্যমোহিনী শায়মা?????


গল্পলেখিকা বাদ পড়ছে!!!!!!!! :)

৫৪| ২৫ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৯:৩১

জে.এস. সাব্বির বলেছেন: "মাল্টিপ্রতিভার অধিকারিনী, বাকপটু প্রিয়ভাষিনী, গীতগায়িকা, নৃত্যনাচিকা, পটঅঙ্কিতা, ছড়াকারিনী, আবৃত্তিপ্রবাহিনী, পাপেটারিনী, শিশুশিক্ষাদায়িনী, রন্ধনপটিয়সিনী সদা হাস্য-লাস্যমোহিনী শায়মা" টেরোরিয়াম শিল্পীও বাদ পরছে লেখোয়ার ভাইয়ের কমন্টে! :)

সুলতানা আপুর সাথে আপনার দ্বৈত ভূমিকার অপেক্ষায় রইলাম আপুনি

২৫ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৯:৪৭

শায়মা বলেছেন: নাট্য পরিচালিকা আই মিন নাটিকা পরিচালিকাটাও বাদ পড়েছে ভাইয়া। শ্রুতি নাট্য ও অন্যান্য নাট্যে ভয়েসদানকারিনীকাটাও আসলে সব বাদ দিয়ে শমসেরিকা নাম দিয়ে দাও!!!!!!!!! :) মানে সবজান্তিকা শমসেরিকা!!!!!!!!!! সকলিকা কাজরীকা কাজিকিনীকা!!!!!!!!!!!!

তাই আমি খুশি!!!!!!!!!!
সাত দুগুনে চোদ্দ আসমান উপরে উড়বো!!!!!!!!!!:) :) :) :D

৫৫| ২৫ শে জুন, ২০১৬ সকাল ১১:১৫

জে.এস. সাব্বির বলেছেন: এতএত প্রতিভাবতীর আরো কত সিক্রেট/লুপ্ত প্রতিভা অপ্রকাশিতই আছে আল্লাহ মালুম !

এরচেয়ে বরং "সবজান্তিকা শমসেরিকা শায়মাপু"ই ডাকবো! সাত-সাতা ঊনপঞ্চাশ তম আকাশ থেকে একটা সেলফি দিয়েন... :)

২৫ শে জুন, ২০১৬ সকাল ১১:২২

শায়মা বলেছেন: হা হা হা হা মেঘের দেশে সেলফি তোলা নিষিদ্ধ ভাইয়ামনি!!!!!!!!!!

৫৬| ২৫ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, জয়েন্ট ভেঞ্চার গল্পটি ভাল লাগল ,অপুর্ব সৃষ্টি । গল্পের শুরুটা দেখে ভাবছিলাম চরম রাগের প্রকাশে হয়তবা গল্পটির শেষ পরিনতি হবে কিন্তু রাগের পরিবর্তে এক বিশাদসিন্ধুময় কাহিণী । এক বাবার ব্লেক মেইলের কারণে সারা জীবনের শিকার আরেক বাবার চির দু:খী শ্রাবন যাকে জীবনভর আকাশের তারার পানে চেয়ে চেয়ে কাটাতে হবে । তবে ব্লেক মেইলটা ব্লেক না রেখে কোন এক জায়গায় একটু ফর্সা করলে গল্পের ভিতরটা অআরো একটু বেশী উপভোগ্য হতো । যাহোক ভাল লাগল নীচের কটি লাইন ।
রুমকি মারা যাবার দিন সন্ধ্যায় শ্রাবন আকাশে আবিষ্কার করেছিলো একটি তারা। রোজ সন্ধ্যায় আমরা দুজন ঐ তারাটার সাথে সারাদিনের সব গল্প করি। তারাটা চুপ করে শোনে। শ্রাবণ জানে মানুষ মরে গেলে আকাশের তারা হয়ে যায়।
শ্রাবনের জন্য কস্ট হয় । কামনা করি যেদিন মেঘে ডাকা রাতের আকাশে উঠবেনা কোন তারা সেদিন শ্রাবন যেন দেখে শিল্পী বাবার কেনভাসে মোরা মায়ের মায়াময় আচল তলায় নীজের স্মৃতি মাখা মুখ খানা ঠিক যেন এমনি করে ।

২৫ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:৩৬

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়ু!!!!!!

তবে ব্ল্যাক মেইল আবার ফরসা বানাবো কেমনে!!!!!!!!!!

৫৭| ২৫ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আমি জানতাম উত্তর এটাই আসবে তাই কায়দা করে ব্ল্যাক মেইল এর সাথে ফরসা কথাটি লাগিয়ে দিয়েছিলাম উত্তর টা যেন সহজ হয়ে যায় আপুমনির জন্য, এখন বুঝেন আপুমনির জন্য কত সুন্দর ভাবনা আমার !!!

২৫ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:৫৪

শায়মা বলেছেন: বুঝেছি তুমি গণক বিদ্যা চর্চা করছো!!!!!!!:)

৫৮| ২৫ শে জুন, ২০১৬ রাত ১১:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: গণক বিদ্যা চর্চা করার সুযোগ আর কোথায় পাচ্ছি , আমার প্রিয় তাঁতীদের সমস্যা নিয়ে হিমসিম খাচ্ছি ।Honbl’ মন্ত্রীর ইমেইলে পাঠাইছিলাম ১০০ জামদানী , বেনারসী টাংগাইল মসলিন শাড়ীর ডিজাইন তাঁতীদের কাছে বিনা মুল্যে বিতরণ করার জন্য , এখন তার কোন হদিস নাই । বলেন কোন দিকে যাই ।

২৫ শে জুন, ২০১৬ রাত ১১:১৮

শায়মা বলেছেন: আরে নিজেই ডিজাইন বানায় ফেলো না !!!!!! এত অন্যের আশায় কেনো????

৫৯| ২৬ শে জুন, ২০১৬ রাত ১২:৪৩

শাহজালাল হাওলাদার বলেছেন: ক্ষুরধার ক্ষুরধার, লেখনি যে আপনার, স্বীকার করতে নেই দ্বিধা।
আপামনি, আমি মনে করি আপনি আমার চেয়ে অনেক অভিজ্ঞ ব্লগার। বাংলার কিছু সমস্যার সমাধানে আসতে চাই তাই আবার আপনার কাছে আসলাম। ১) পদ্মা যদি পদ্দা্ উচ্চারণ হয় বা পদ্ম যদি পদ্দ উচ্চারণ হয় ২) আত্ম যদি আত্ত উচ্চারণ হয় তবে জন্ম, যুগ্ম, গুল্ম, গ্রীষ্ম, উষ্ম, অশ্ম এর উচ্চারণ বুঝিয়ে লিখুন। ( একটু কষ্ট দিচ্ছি আলোচনার তাগিদে)।

২৬ শে জুন, ২০১৬ সকাল ১০:৪৫

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া!!!!!!!!!!!!!!

আমি তো বাংলা উচ্চারণ নিয়ে মানে কবিতা আবৃত্তি, গান গাওয়ার খাতিরে উচ্চারণ শুনে শুনে শিখেছি কিন্তু এত বিশ্লেষন তো জানিনা। সবচেয়ে ভালো হবে বাংলা বিষয়ে যারা পড়েছেন তাদের থেকে জানতে পারলে। আমি অবশ্যই সেটা জানার ট্রাই করে তোমাকে জানাবো!:)

৬০| ২৬ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৭:৫৮

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: আবারো অপ্রকাশিত পান্ডুলিপি
তোমার আর আমার গল্প ( যৌথ প্রযোজনায়- সায়ান তানভি ও আমি শায়মা ) এর বায়োপসি



প্রথম পর্ব পড়ে
রেগে উঠি ধমকি;
শয়তান বদ ছেরি
গল্পের রুমকি।

শাওনের কাম শুনে
রেগে হনু কাঁই;
মর্দানি নেই নাকি
আস্ত ভোদাই।

দ্বিতীয়তে রূপ দেখে
অপলক শাওন;
ভুলে গেছে খাওনদাওন
পড়েনা যে চাওন।

রূপ শোনে মনে হলো
মোনালিসা চেয়ে কম কি;
শাওনের দোষ কিবা
ভালোবেসে রুমকি।

তৃতীয়তে (ফিসফিস)
শাওন আর রুমকি;
এডাল্ট সব কাজ কাম
হয় হ্যাগো ঘুম কি?;)

চার-এ সেই টিপিক্যাল
শাওননামি মজনু;
এ যুগের দেবদাস
রুমকিতে ভজনু।

পাঁচ-এ ফের কিরকিরে
রাগে খাড়া লোম কি;
বাপটার কথা শুনে
কি করলি রে রুমকি?

ছয়-এ হনু বে-জবান
গেনু পুরো চমকি;
ক্যান্সারে ধুকে মরে
শাওনের রুমকি!!!

সাত-এ মোর বুক খা খা
চোখ ছলোছল;
চাইনি এ ফিনিশিং
শ্রাবনের ঢল।

লেখনিতে আছে টুইস্ট
লেখকের জোট;
লোকে কউক শত ভালা
মোর আছে খোট।

শ্রাবনরে একা করে
খুব নিলে দম কি?
বিষাদের প্রেমগীত
শাওন এন্ড রুমকি। X( X((



গল্পের ক্রিটিসাইজ
পাটা নেই বুকে অত;
বিষাদটি ছুঁয়ে গেলো
পড়ে পেনু বুকে ক্ষত।

এরেই হয়তো কয়
লেখনির স্বার্থকতা;
স্রেফ ক'ব ক্ষমো মোরে
চাইনে এমন ব্যথা। :(

২৬ শে জুন, ২০১৬ সকাল ১১:০৪

শায়মা বলেছেন: হাসিতে হাসিতে মোর
পেটে হলো ব্যাথা
ভাইয়াটা জিনিয়াস
আছে বটে মাথা!

এত কিছু গড়গড়
কেমনে যে লিখলে!
ঘটনার মারপ্যাচ
এত কিছু দেখলে!

ভাবতাম গুরু আমি
তুমি মোর ছাত্র
কি এমন লিখবে
যে দেবো দাম মাত্র!

এখন তো তুমি সেরা
আমি হনু মিথ্যে
শিখে গেছো তুমি আজ
গুরু মারা বিদ্যে!!!

তবু ভাইয়া খুশী আমি
মেরা সেরা ভাই
এমন রত্নটি যে গো
দুনিয়াতে নাই!

লাভ ইউ ভেরী মাচ
থেকো সদা হাস্যে
ছড়িতা, কবিতা কিবা
লাস্যে ও ভাষ্যে!:)

৬১| ২৭ শে জুন, ২০১৬ রাত ১২:২৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপুমনি তোমার চিঠি পাইয়া ,
সেই চিঠি পইড়া নীচে নামতে
নামতে তোমাগো ছড়া গান দেইখ্যা
চিঠির কথা গেছি হগল ভুইল্যা ।

ভাল থাক কথায় কথায়
সুন্দর সুন্দর ছড়া হোক ।
মনে পড়ছে ডিজাইন গুলা
আমি তার কাছে পাঠাইছিলাম
তাঁতীদেরকে ফ্রি দেয়ার জন্য
তার নীচের লোকজন সে গুলি
কি করেছে তার হদিস তার
কাছে নেই এই হল বিষয় ।


২৭ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৮:২১

শায়মা বলেছেন: জামদানী, মসলিন, রেশম বা খাদি
গুনে মানে সেরা আর বাংলার আদি
গর্ব ছিলো যে তারা আজও আছে তাই
বাঁচাও তাঁত শিল্পকে সময় যে নাই!!!!!

বিদেশী শাড়ীকে বলো, হটো দূর হ্স্ত
পা বাড়ালে এইদিকে ছাল ছাড়াবো সাথে গোস্ত! X((





:P


হা হা হা ভাইয়া মজা করে ছড়াটা লিখলেও আসলেই বিদেশী শাড়ীকে দূর করে দেবার সময় এসেছে!!!!!!



৬২| ২৭ শে জুন, ২০১৬ রাত ২:৩৭

মহা সমন্বয় বলেছেন: পোস্ট পুরোটা পড়তে গেলে তো রাত শেষ হয়ে যাবে। এত বড় পোস্ট যে করেন আপনার হাত ব্যাথা করে না? :-P
আগে সবার কমেন্ট পড়ে লই, দেখি কে কি বলে। B-)

২৭ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৮:৫৩

শায়মা বলেছেন: আরে আমি একা করিনিতো!!!!!!!!!!


দেখছো না এটা তার আর আমার মানে সায়ান ভাইয়া আর আমার যৌথ গল্প!!!!!!


তাই একটু বড় না হলে চলবে!!!!!!


তাই তো উপরে এক ভাইয়া বললো আমি নাকি কম কম লিখে ফাঁকিবাজি করেছি!!!!!!!


আমি ফাঁকিবাজি করিনি!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!:( :( :(

৬৩| ২৭ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৮:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু । তুমি মাষ্টার মানুষ, তাই তোমাকে দেশী জামদানী শাড়ির একটি জ্যামিতিক ডিজাইন দিলাম , ভাল লাগলে তাঁতীদের হাতে তুলে দিব । একটু তারাতারি জানিও হাতে সময় খুব কম ঈদ এসে গেছে ।

২৭ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৮:৫৬

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া এটা কি জামদানী শাড়ি নাকি জামদানী ডিজাইনে রেশম বা কাতান টাইপ কোনো শাড়ি। শাড়ির ম্যাটেরিয়াল তো জামদানী লাগছে না!!!!!!!!!


তবে ডিজাইন ইজ এক্সসেলেন্টো!!!!!!!!!!:)

বিশেষ করে ময়ুর আর বন আরও সুন্দর হয়েছে পাড়ের প্রান্তে দাঁত দাঁত ডিজাইন।

এই শাড়ি বানানো হলে যত দাম লাগে তত দাম ছাড়া আমাকে পাঠিয়ে দিও!!!!!!!!!!:)

৬৪| ২৭ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৯:০৬

Md Jahed Hasan বলেছেন: এত্তো বড় পোস্ট রে বাবা!! একবার তো ভেবেই ফেলেছি পড়বই না । কিন্তু আবার ছাড়তেও ইচ্ছা করে না । কি করি বল? তো এক্কেবারে গোগ্রাসে গিলে ফেল্লাম । অনেক সুন্দর । এমন প্রচেষ্টাটার তারিফ করতে হয় ।

২৭ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৯:১৯

শায়মা বলেছেন: হা হা জাহেদভাইয়া!!!

এই প্রজেক্ট এখন মাথায় ভুত হয়ে ঢুকেছে আর এই ভুত সংক্রমিত হয়েছে অন্যের মাথাতেও কাজেই এই প্রজেক্ট কতদিন চলিবেক ঠিক নাই!!!!!!!!!!:)

তোমাকেও অনেক অনেক থ্যাংকস তবে এত বড় পোস্ট কারন এটা যৌথ রচনা!:)

৬৫| ২৭ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৯:৩১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ আপুমনি । ঠিকই ধরেছ । ডিজাইনটি মালটি পারপাছ । ডিজাইটি , জামদানী , ব্রোকেড বেনারসী, কাতান , টাংগাইল ও রাজশাহী সিলক শাড়িতে বয়ন উপযোগী করে করা । এখন এটি চলে যাবে জামদানী ও বেনাররশী তাঁতী ও টাংগা্ইল তাঁতী সমিতির সভাপতির কাছে তাঁতীদেরকে দেয়ার জন্য with technical specification । জামদানী তাঁতীরা ডিজাইন একবার চোখে দেখেই তার ভাল লাগা অংশ টুকৃ হৃদয়ৈ ধারণ করে নিয়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে তা বস্ত্রে ফুটিয়ে তুলে । তার কোন জ্যাকার্ড লাগেনা বা সম্মুখে ডিজাইনের কোন ছবিও থাকেনা , এটা বিধাতা প্রদত্ত তাদের সৃজনশীল ক্ষমতা ।
ভাল থাকার শুভেচ্ছা রইল ।

২৭ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৯:৩৯

শায়মা বলেছেন: এই শাড়ি কোথায় পাওয়া যাবে কতদিনের মাঝে? মানে ঈদের পরে নাকি আগে জানিও ভাইয়া!

আর শোনো ব্রাউন- গোল্ডেনেও এক্সসেলেন্ট হয়েছে শাড়িটা। তবে গাঢ় সবুজ বা বটল গ্রীনে ম্যাট গোল্ডেন পাড় আচল বা হাল্কা সবুজেও এই শাড়ি অনেক অনেক গর্জিয়াস লাগবে!:)

আমার বটলগ্রীনটা লাগবে ভাইয়া! ফান না ......সত্যি বলছি!:(

২৭ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৯:৫০

শায়মা বলেছেন: আর একটা কথা......
আজকাল প্লেইন জামদানীতে বর্নিল এপলিকের কাজও জামদানীকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলেছে!




এই ফ্যাশন ট্রেন্ড অবশ্য তাঁতীদের জন্য হুমকীস্বরুপ!:(

২৭ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৯:৫২

শায়মা বলেছেন: শুধু একপ্লিক না হ্যান্ড পেইন্ট, এমব্রোয়ডারী ইত্যাদি ইত্যাদি......

উপরের ছবিটা এপলিক জামদানীর না হ্যান্ড পেইন্টের ছিলো।

৬৬| ২৭ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ১:৪২

বাকরখানি বলেছেন: +++++++

২৭ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ১:৫২

শায়মা বলেছেন: বাকরখানি ভাইয়াজান! :)


কেমন আছো?

তোমার মেইল আইডি দাওতো! :)

৬৭| ২৭ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:১৪

বিল্রাল বলেছেন: এতবড় লেখা প্রথম দৃশ্যটা পড়েছি ভাল লেগেছে, অফিসে ব্যস্ত পড়বো পরে.....

২৭ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৭

শায়মা বলেছেন: মাত্র প্রথম দৃশ্য!!!!!!!!!:(


হায় হায়


তাইলে তো এই জীবনে এই লেখা আর পড়া হবেনা ভাইয়া!:(


তার আগেই আরেকটা এসে যাচ্ছে!:)

৬৮| ২৭ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপুমনি । বাংলাদেশের নিজস্ব তাঁত শিল্প ও তাঁতীদের উপর উপর তোমার মমতা মাখানো কথাগুলো আমাকে অভিভুত করেছে । নীচের বোল্ড লিখাগুলো তাঁত , তাঁতী ও তাঁত জাত বস্রের উপর তোমার করা মন্তব্যের কথা ।
আমার মনে হয় আমাদের দেশের জামদানী, মসলিন, টাঙ্গাইল, রেশম সিল্কের মত আর কোনো শাড়ী পৃথিবীতে নেই আমার মনে হয় আমাদের দেশের জামদানী, মসলিন, টাঙ্গাইল, রেশম সিল্কের মত আর কোনো শাড়ী পৃথিবীতে নেই
বিশেষ করে ময়ুর আর বন আরও সুন্দর হয়েছে পাড়ের প্রান্তে দাঁত দাঁত ডিজাইন।
এই শাড়ি কোথায় পাওয়া যাবে কতদিনের মাঝে? মানে ঈদের পরে নাকি আগে জানিও ভাইয়া!

আর শোনো ব্রাউন- গোল্ডেনেও এক্সসেলেন্ট হয়েছে শাড়িটা। তবে গাঢ় সবুজ বা বটল গ্রীনে ম্যাট গোল্ডেন পাড় আচল বা হাল্কা সবুজেও এই শাড়ি অনেক অনেক গর্জিয়াস লাগবে
আজকাল প্লেইন জামদানীতে বর্নিল এপলিকের কাজও জামদানীকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলেছে
শুধু একপ্লিক না হ্যান্ড পেইন্ট, এমব্রোয়ডারী ইত্যাদি ইত্যাদি......


উপরের লিখাগুলি প্রমান করে তাঁতের শাড়ির ডিজাইনের উপর তোমার অগাধ পান্ডিত্য । বাংগালী ললনাদের অনেকেই বাহারী তাঁতের শাড়ি অনেক দাম দিয়ে কিনে পরিধান করে ( আড়ং এর ওয়েব সাইটে http://www.aarong.com/women/saree/jamdani দেখা যায় এবার ঈদ উপলক্ষে ছাড়া জামদানী শাড়ির দাম হাকা হয়েছে মান ও ডিজাইন ভেদে ১৮০০০ টাকা থেকে ৪৯০০০ হাজার টাকা , তবে শাড়ির এ দামের শিকি ভাগ ও উৎপাদন কারী তাঁতীরা পায়না মধ্যসত্বভোগী ও মহাজনি দাদন প্রথার আওতায় তাঁত বস্রের উৎপাদন ও বিপনন হয় বিধায় )
শাড়ি পরিধানকারীদের অনেকেই জানেনা ডিজাইনটার সঠিক বিবরণ কিংবা নাম , কোনটার সাথে কোনটা ভাল মানায় এটাও জানেনা তাঁত বস্রের অনেক ডিজাইনারও । তাঁত বস্রের বিকাশ ও উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এটার বিশেষ প্রয়োজন আছে । কিন্তু এ শিল্প বিকাশের জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত সরকারী সংস্থা কোন কার্যকরি প্রয়াস নিচ্ছেনা ইচ্ছে করলে তাত বোর্ডের ওয়েব সাইটে গিয়ে দেখতে পার http://www.bhb.gov.bd/
তাঁত শিল্পের উপর আমার ছোট্ মামুলী একটি পোষ্টের উপর কিছু পাঠকের মন্তব্য দৃষ্টে মনে হয়েছে এ শিল্পের প্রতি রয়েছে অনেকের উদাশীনতা ও প্রকারান্তরে নেতিবাচক মনোভাব।
তাই তোমার প্রতি আমার একান্ত অনুরোধ থাকল , তাঁত শিল্পের আরো বিকাশ ও তাঁতীদের ভাগ্যকে আরো সুপ্রন্ন করার জন্য তুমি একটি প্রয়াস নাও । আমার দৃঢ় বিশ্বাস তোমার হাতের নিপুন ছোয়ায় বাংলাদেশী তাঁত জাত বস্রের অভাবনীয় উন্নতি দৃষ্টি গোচর হবে অনেকের কাছে ।
অমার বদ্ধমুল ধারনা তোমার স্টকে বাহারী মন কেরে নেয়া তাঁতের শাড়ির বিপুল স্টক রয়েছে । তাই তুমি টেরারারিয়ামের মত বাহারী জামদানী , বেনারসী , কাতান , টাংগাইল রাজশাহী সিল্কের শাড়ি ও তার ডিজাইনের হালকা কিছু বিবরণ দিয়ে একটি পোস্ট এবারের ঈদ পর্বে সামুতে উপহার দাও । তোমার লিখার অগনিত পাঠক, কোন কোন লিখার পাঠক সংখ্যা কয়েক দিনের মধ্যে ৩২০০০ হাজারকেও ছাপিয়ে গেছে যা বিশ্ময়কর । তাই তুমি যদি এটকু হাল ধর তাহলে তাঁত শিল্পের অপার সম্ভাবনার আশা জাগানিয়া কথা জানতে পারবে দেশের অগনিত সচেতন পাঠক । বিভিন্ন মাধ্যমে তা পৌঁছে যাবে নিরাশ হয়ে যাওয়া তাঁতী সম্প্রদায়ের কাছে । সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অবহেলিত তাঁত শিল্প এগিয়ে যাবে এটা আমার বিশ্বাস ।

তাঁতীদের কাজ একটু ধীর গতিতে আগায় । সংস্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করে জানা গেছে ঈদের আগে নতুন কোন ডিজাইন নিয়ে কাজ করার মত এখন অবকাশ নেই । তবে ঈদের পরে কাজ শুরু হবে নতুন ডিজাইন নিয়ে । তখন তোমার অনুরোধ অবশ্যই যথাযথ মর্যাদা পাবে ।
ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

২৮ শে জুন, ২০১৬ রাত ১২:৩৫

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া এ ব্যাপারে কাল সকালে তোমাকে বিস্তারিত মতামত দেবো।

৬৯| ২৮ শে জুন, ২০১৬ রাত ১২:৪৯

গেম চেঞ্জার বলেছেন: গল্পের মধ্যে পরিপুর্ণতা ব্যাপারটা এখানে আছে। তবে মনোযোগি পাঠক ছাড়া অন্যরা একটু গুলিয়ে ফেলতে পারে ঘটনার প্রবাহে। ছোট্ট ছেলেটার ছুটোছুটি আমার চোখে ভাসছে যেন। আর বিশেষ করে শাওনের সময়গুলোও কল্পনার পর্দায় জীবন্ত ভেসে ওঠছে।

গল্প লেখায় আপনারা দুজনই অসাধারণ!! শুভকামনা রইলো সায়ান ভাইডি ও আপুনি'র জন্য!!! :)

২৮ শে জুন, ২০১৬ রাত ১২:৫১

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ এতদিন পর এসে পড়ার জন্য!

এখন যাও সুলতানা আপুর সাথেরটা পড়ো!:)

৭০| ২৮ শে জুন, ২০১৬ রাত ১:০৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপুমনি । অপেক্ষায় থাকলাম ।

২৮ শে জুন, ২০১৬ রাত ১:১৪

শায়মা বলেছেন: :) :) :)

৭১| ২৮ শে জুন, ২০১৬ রাত ১:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: এতক্ষন অপেক্ষা করে মাত্র তিনটা হাসি !!!! আরো বেশী খুশী হব প্রত্যাশিত পোস্টটা দেখতে পেলে, লাগে অারো সময় নাও, নো প্রবলেম ।

২৮ শে জুন, ২০১৬ সকাল ১০:৫৫

শায়মা বলেছেন: পোস্ট লিখতে হবে নাকি ভাইয়া!!!!!!!!!!!!!!!! :((


বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্প নিয়ে সেই লেখা তো অলরেডি প্রকাশিত হইয়াছিলো অন্য কোথাও অন্য কোনোখানে!!!!!

আমি শুধু প্রয়োজনীয় অংশাবলী তোমাকে দিতে চাচ্ছিলাম!:)

২৯ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ১:১৭

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া তোমার সাথে যৌথ প্রযোজনায় এইবার একটা শাড়ি পোস্ট লেখা যায় কিনা ভাবছিলাম....

তাই একটু নমুনা দিলাম......:)

জামদানি - বাংলার আদি ও অকৃত্রিম ঐতিহ্যের ধারক
বাংলার নারী আর জামদানি শাড়ি। এ যেন একে অন্যের পরিপূরক। বাংলার বিখ্যাত ঢাকাই মসলিনের মত এই ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যায়নি বরং দেশে ও বিদেশে আজও বেঁচে রয়েছে স্বনামে ও সগৌরবে। ঢাকাই মসলিনের মত জামদানিও কার্পাস তুলা দিয়ে প্রস্তুত একধরনের সূক্ষ্ম বস্ত্র। সম্পূর্ণ হাতে তৈরি রেশম এবং তুলার সুতার সংমিশ্রনে প্রস্তুত এই শাড়ী যা মোঘল আমল থেকে এখনো সর্বজন সমাদৃত । জামদানী শাড়ীর ডিজাইন গুলো জ্যামিতিক, ওজনে হালকা এবং ব্যাবহারে অনেক আরামদায়ক হয়। তাই অভিজাত মহিলাদের কাছে এই শাড়ীর কদর অনেক।
জামদানির নামকরণ নিয়ে রয়েছে নানাধরনের মত। ফার্সি শব্দে জামা অর্থ কাপড়, দানা অর্থ বুটিদার সেই বিচারে জামদানিকে বুটিদার কাপড় বলা যেতে পারে। আরেকটি মতে, ফারসিতে জাম অর্থ এক ধরনের উৎকৃষ্ট মদ এবং দানি অর্থ পেয়ালা। জাম পরিবেশনকারী ইরানী সাকীর পরনে থাকতো মসলিন সেই হিসাবে জামদানি নামের উৎপত্তি ঘটেছে বলেও মনে করা হয়।
জামদানি বিখ্যাত ছিল তার বিচিত্র নকশার কারণে। প্রতিটি নকশার ছিল ভিন্ন ভিন্ন নাম, পান্নাহাজার, বুটিদার, দুবলিজাল, তেরসা, ঝালর, ময়ূরপাখা, কলমিলতা, পুইলতা, কল্কাপাড়, কচুপাতা, আঙুরলতা, প্রজাপতি, শাপলাফুল, জুঁইবুটি, চন্দ্রপাড়, হংসবলাকা, শবনম, ঝুমকা, জবাফুল ইত্যাদি। ভিন্ন জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্যের বয়নশিল্প হিসেবে প্রাচ্যের বয়নশিল্পের ধারাবাহিকতা রক্ষায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল জামদানি মোটিভ।
বর্তমান সময়ে লুপ্তপ্রায় গৌরবের আলোকশিখাকে দীপ্যমান করবার প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধতা প্রয়োজন। সকল প্রতিকূলতাকে দূরে ঠেলে উপযুক্ত পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে জামদানি শিল্পের সেই স্বর্ণযুগের পুনঃস্থাপনার উদ্যোগ গ্রহণের দায়িত্ব আমাদের সবার।

টাঙ্গাইল শাড়ি
‘নদী, চর, খাল, বিল, গজারির বন,
টাঙ্গাইল শাড়ি তার গর্বের ধন।’
টাঙ্গাইলে নদী, চর, খাল, বিল বা চমচম যা কিছুই বিখ্যাত হোক না কেনো টাঙ্গাইলের নাম প্রসিদ্ধ বুঝি তার প্রসিদ্ধতর শাড়ীর কারণেই। টাঙ্গাইল শাড়ির সুনাম আজ দেশ পেরিয়ে বিশ্বের দরবারে সুপরিচিত। ঈদ কিংবা পুজা পার্বণে অথবা বাঙ্গালী রমণীর বিয়ের স্যূটকেসে কাতান, বেনারসীর পাশাপাশি পছন্দের শাড়ির তালিকায় তাই প্রায়শই দেখা যায় টাঙ্গাইল শাড়ি। আমাদের দেশের শাড়ির সুখ্যাতির ইতিহাস বহু প্রাচীন। ঢাকাই মসলিন, জামদানীর মত টাঙ্গাইল শাড়িও আমাদের বাংলার ঐতিহ্য। এছাড়াও রাজশাহীর সিল্ক, নরসিংদীর তাঁত বা পাবনাই তাঁতের শাড়ির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস তো সবারই জানা। দেশের বৃহত্তম তাঁত শিল্পেরই অঞ্চল এই টাঙ্গাইল। টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ির মান যেমনই ভালো, তেমনি তা দেশের সবস্থানেই সহজলভ্য কাজেই এ শাড়ির কদর অম্লান।

৭২| ২৯ শে জুন, ২০১৬ রাত ৩:২০

রাজু মাষ্টার বলেছেন: গল্পটা পড়তে পড়তে কখন যে গল্পের ভেতর হারিয়ে গিয়েছিলাম টের এ পাইনি !! :( :(

২৯ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৮:৩৫

শায়মা বলেছেন: এমন প্রশংসার জন্য অনেক অনেক থ্যাংকস ভাইয়া। তবে গল্পটা একেবারেই গল্প! যদিও জীবন থেকেই গল্প হয়।

৭৩| ২৯ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৯

রাজু মাষ্টার বলেছেন: ওয়েলকাম আপুনি !! :)
আসলে তোমার গল্পগুলো জীবনের মতই জীবন্ত!! :)
তাই এই গল্পগুলোর মাঝে হারিয়ে নিজেকে একটু কল্পনা করি আর কি !! :P :P

২৯ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:০৮

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়া!:)

৭৪| ২৯ শে জুন, ২০১৬ রাত ১১:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপুমনি । জামদানী ও টাংগাইল শাড়ির উপর তোমার তথ্য বহূল আকর্ষনীয় লিখা দেখে আমি অভিভুত । দেশের ঐতিহ্যময় তাঁত শিল্প তোমার নিপুন হাতের ছোয়ায় বিশ্ব পরিমন্ডলে ব্যপকভাবে পরিচিতি পাবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস । তাঁত শিল্পের জন্য খুব কম মানুষই হৃদয়ের মমতা দিয়ে কাজ করে । দেশের তাঁত শিল্পের উন্নয়নের জন্য গঠিত তাঁত বোর্ডে সে সমস্ত সরকারী উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা নিয়োজিত আছেন তারা সরকারের প্রশাসন বিভাগের কর্মকর্তা। এখানে পোস্টিংকে তারা মনে করেন ডামপিং পদায়ন , এসেই শুধু যাই যাই করেন আর নতুন নতুন উদ্ভট প্রকল্পের খসড়া প্রনয়ণ ও নীজ স্বার্থ সংস্লিস্ট বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকেন । কাজের কাজ কিছু হয়না । তাঁত বোর্ডের নিজস্ব স্থায়ী জনবল বাহির থেকে প্রেষণে আসা উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ফরমায়েসি কাজেই ব্যাস্ত থাকেন । নীজস্ব সৃজনশীলতার সুযোগ বলতে গেলে একেবারেই নেই । সেরকম যোগ্যতা সম্পন্ন বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের কেহ আছেন বলেও তাদের কর্যকান্ড পর্যালোচনায় প্রতিভাত হয়না ।
বর্তমান ডিজিটাল ই কমার্স ও বিশ্বায়নের যুগে প্রতিবেশী দেশ ভারতের তুলনায় একেবারেই তলানীতে আছে বাংলাদেশর কার্যক্রম । তাঁত শিল্পের উন্নয়ন ও তাঁতীদের আর্থ -সামাজিক উন্নয়নের জন্য ভারত যেরকম প্রকল্প ও কর্মসুচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড ও প্রশাসনিক বস্র মন্ত্রণালয় তার ধারে কাছেও নেই । কিছু কিছু এনজিও ও বেসরকারী সংগঠন কাজ করলেও তা সুসম্বনিত নয় । দেশি বিদেশী বিনিয়োগকারী ও সহায়তাকারীদেরকে তাঁত শিল্পের প্রতি আকৃস্ট করতে পারছেনা ।

এমতাবস্থায় তোমাদের মত সৃজনশীল লিখকেরা যদি উদ্ভাবনীমুলক প্রকল্প নিয়া এগিয়ে আসে তাহলে খুব ভাল হয় । একটি উপযুক্ত উদ্ভাবনী ধারনাই দারুন ভাবে মসৃন করে দিতে পারে একটি ক্ষীয়মান শিল্পের ভবিস্মত ।

তোমার লিখাটি সুন্দর ভাবে শুরু হয়েছে । এর সাথে আরে যুক্ত হতে পারে পার্বত্য চট্টগামের পাহাড়ী উপজাতীয়দের কোমড় তাতে বোনা তাদের নিজন্ব বাহারী কিছু তাঁত বস্র , রংপুরের শাওতাল উপজাতীয়দের তাঁতে বোনা শতরঞ্চি, কুমারখালী ও রুপগঞ্জের তাঁতীদের কিং সাইজ বাহারী বিছনার চাদর , সিলেটের মনিপুরী তাঁতীদের তাঁতের বাহারী তাঁত বস্র ।
সিলেট অঞ্চলের শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ এ দুটি উপজেলায় বসবাসরত আদিবাসীদের মধ্যে অন্যতম মনিপুরী সম্প্রদায়। এ সম্প্রদায়ের ৯৫ শতাংশ মহিলা জড়িত তাঁত শিল্পের সঙ্গে। তাদের হাতে তৈরি বিভিন্ন পণ্যের শৈল্পিক ও নান্দনিক ডিজাইন আজ দেশ ছাড়িয়ে ইউরোপ ও আমেরিকাতে স্থান করে নিয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ট্রেড ফেয়ারে মনিপুরীরা দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন। এদের তৈরি পোষাক হল মনিপুরীদের হাতে বুনা শাড়ি,শাল,থ্রি-পিচ,ফতুয়া, নকশী কথা, বেডশীট। সিলেটে জাফলং,মাধবকুন্ড এ বেড়াতে আসা পর্যকদের প্রায় সকলেরি পছন্দের তালিকায় থাকে মনিপুরী পোষাক। মনিপুরী পণ্য ক্রয় না করলে অনেক পযটকদের অতৃপ্তি থেকে যায়। বিষয়গুলি নান্দনিকভাবে প্রচার মাধ্যমে, গণসাহিত্যে ফুটিয়ে তোলা যায় সহজেই শুধু প্রয়োজন সৃজনশীল লিখকদের মমতা মাখনো লিখা ।
আপু তুমি এগিয়ে যাও । তুমি সফল হবে । আমার বাংলা লিখার হাত খুবই কাঁচা । তোমার লিখার পাশে বড় বেমানান মনে হবে । তার পরে ও তুমি চাইলে আমি সানন্দে থাকব তোমার পাশে ।

নিজস্ব তাঁতে তৈরী বস্রের পোশাকে মনীপুরী তরুন তরুনী

২৯ শে জুন, ২০১৬ রাত ১১:৩৭

শায়মা বলেছেন: মনিপুরী নিয়েও আমার একটা লেখা আছে ...... এইটা কিছু অংশ ভাইয়া :)


বাংলাদেশের প্রাচীন ঐতিহ্যে মণিপুরি শাড়ি বা মণিপুরি বস্ত্রশিল্প

মণিপুরি শাড়ি বা বস্ত্রের সাথে পরিচিতির আগে আমার পরিচয় হয়েছিলো মণিপুরি নৃত্যের সাথে। খুব ছোটবেলায় টিভিতে প্রথম দেখি সেই মণিপুরি নৃত্য। কারুকার্য্যময় জরিদার নক্সাখচিত গোল ঘেরাটোপের মত সেই অসাধারণ অদ্ভুত পোষাকে নাচতো মণিপুরি নৃত্যশিল্পীরা। মাথায় চূড়াকৃতির ছোট্ট মুকুট। নানারকম মনোমুগ্ধকর গহনা। ভারী মন কাড়া আকর্ষনীয় ছিলো সে নৃত্যের সাজসজ্জা ও পোষাক। পরে বড় হবার পর জেনেছি শুধু নাচের পোষাকটিই নয় মণিপুরি শাড়ী, চাদর , ফতুয়া ইত্যাদি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রশিল্পেরও এক ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে মণিপুরি সম্প্রদায়ের মাঝে।
বাংলাদেশের সিলেট বিভাগে এ দেশের অন্যতম নৃ-গোষ্ঠী মণিপুরি সম্প্রদায়ের বাস। শোনা যায় আঠারো শ’ শতক থেকে এই এলাকায় গড়ে উঠেছে তাদের আবাস। বর্তমানে বাংলাদেশে রয়েছে প্রায় দেড় লাখ মণিপুরি । মণিপুরি নারীদের হাতে তৈরী তাঁত কাপড়ের জন্য রয়েছে পৃথিবীব্যাপী সুখ্যাতি। শ্রীমঙ্গল ও বিশেষ করে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জের প্রায় ৬০টি গ্রাম বিখ্যাত মণিপুরি তাঁতশিল্পের জন্য প্রসিদ্ধ । এটি বাংলাদেশের প্রাচীন হস্তশিল্পগুলোর মধ্যে একটি । মণিপুরি সমাজে মেয়েদের তাঁতবুনন কার্য্যের দক্ষতা বিয়ের ক্ষেত্রে পূর্বযোগ্যতা হিসেবে দেখা হয় । আসলে নিজেদের তৈরি পোশাকের চাহিদা মেটাতেই মণিপুরি সম্প্রদায়ের মধ্যে তাঁত শিল্প গড়ে উঠেছিল। পরবর্তীতে তাদের তৈরী মনহরণকারী বস্ত্রশিল্প বাঙালি সমাজে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে নকশা করা ১২ হাত মণিপুরি শাড়ি, নকশি ওড়না, মনোহারী ডিজাইনের শীতের চাদর এসবের জনপ্রিয়তা বাংলাদেশসহ প্রবাসীদের মাঝেও দেখা যায়।

মণিপুরি তাঁত ও তাঁতে বুনন পদ্ধতি-
মণিপুরিদের বস্ত্র তৈরির তাঁতকল বা মেশিন প্রধানত তিন প্রকার যেমন, কোমরে বাঁধা তাঁত, হ্যান্ডলুম তাঁত ও থোয়াং। এই তাঁতগুলো দিয়ে সাধারণত টেবিল ক্লথ, স্কার্ফ, লেডিস চাদর, শাড়ি, তোয়ালে, মাফলার, গামছা, মশারী, ইত্যাদি ছোট কাপড় তৈরি হয়।
চাকমা তাতিদের মতো মণিপুরি তাঁতিদেরও তাঁতে কাপড় বুননের জন্য নিজস্ব তাঁত আছে। তাঁতে বুনন পদ্ধতিটা মোটামুটি চাকমাদের বুনন পদ্ধতির মতই । তাঁতে ব্যবহৃত উপাদান গুলোর নাম ও কাপড়ে তোলা নক্সার ক্ষেত্রে কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় । সূতা তাঁতের সাথে বাঁধা হয়ে গেলে তাঁতি বুনন করতে বসে পড়েন তার পিঠে তাঁতের সাথে সাটানো চামড়ার ব্যকস্ট্রিপটা পিঠে আটকে নেন । বুনন করার জন্য বুননকারী তাঁতের দৈর্ঘ্য বরাবর আটকানো সুতাগুলোকে উপর নিচে চালাতে থাকে নাচাই বা বয়ার নেসির মাধ্যমে; এগুলো এক ধরণের এবং শেড নামের এক ধরণের স্পেস তৈরি করতে সাহায্য করে ।
পরে শেডের মধ্যে উল্লম্ব বরাবর বেং বা টেয়াম স্থাপন করা হয় । পরবর্তীতে বুননকারী শেডের ভেতর দিয়ে একটা সাঁটল ঢুকিয়ে দেয় । এরপর তাঁতি বেং বা টেয়াম চ্যাপ্টা প্রান্ত ব্যবহার করে বুনন করা কাপড়ের বিপরীত দিকে প্রস্থ বরাবর স্তাহপ্ন করা সূতাগুলোকে ধাক্কা বা বাড়ি দিতে থাকে । এসময় বেং বা টেয়াম বের করে নেয়া হয় । এবং এর পরিবর্তে উটোং ব্যবহার করা হয় সুতাগুলোকে বিপরীত দিকে নেয়ার জন্য । পরে বেং বা টেয়াম কে আবার শেডের মধ্যে উলম্ব বরাবর প্রতিস্থাপন করা হয় এবং বাম থেকে ডান দিকে একটা সাঁটল ঢুকানো হয় ।
জনপ্রিয় মণিপুরি ডিজাইনগুলো ঝাউ গাছ, শেফালি ফুল, এবং মন্দির বা মইরাং ফি । রাজকুমারি মইরাং থইবি নাম অনুসারে এই নামকরণ হয়েছে ।তাঁতে কাপড়ে নকসা তোলার জন্য তাঁতি এক ধরণের সুচালো যন্ত্র ব্যবহার করে মণিপুরি জামদানীর ক্ষেত্রে ।
কি ধরণের কাপড় বুনা হবে তা অনেক সময় স্থানীয় আবহাওয়ার উপরও নির্ভর করে । যেমন তাঁতিরা শীতকালে কাপড় বুনার জন্য উল ও পলিয়েস্টারের সূতা ব্যবহার করে অন্যদিকে গ্রীষ্মকালে তুলার সূতা ব্যবহার করে গামছা ও ফিদু তৈরির জন্য । সাধারণত তারা তুলা ত্রিপুরা সম্প্রদায় থেকে সংগ্রহ করতো । তবে বর্তমানে বাজার থেকে সুতি সূতা ক্রয় করে । মণিপুরিদের তৈরি ফানেক খুব আকর্ষণীয় উজ্জলও বিপরীতমুখী রং ব্যবহার করা হয় শরীরের অংশে আর বর্ডারের । প্রতিদিন পড়ার কাপড়ে তারা সমতল পাড়ের কাপড় তৈরি করে । কিন্তু বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি কাপড়ে “টেম্পল মোটিফ” ডিজাইন থাকে ।
মণিপুরি মেয়েরা বাড়িতে বসেই নিজের হাতে তাঁতে বুনে থাকে অসাধারণ সব শাড়ি, বিছানার চাদর, সালোয়ার কামিজ, শাল, ওড়না, ব্লাউজ পিস ইত্যাদি। মণিপুরি দের বুননে রং আর নকশার রয়েছে এক অপূর্ব সমন্বয়। বৈচিত্র্য থাকার কারণে এক নজরেই সবাই পছন্দ করে মণিপুরি তাঁতের পণ্যসামগ্রী। মণিপুরি সালোয়ার কামিজ, শাড়ি ইত্যাদি যেমন দেখতে সুন্দর তেমনি ব্যবহারেও আরামদায়ক। মণিপুরি এলাকার বাড়িতে বাড়িতে ঘুরলে প্রতি চার বাড়িতে অন্তত একটি কাপড় বোনার হস্তচালিত তাঁত দেখতে পাওয়া যাবে।
মণিপুরি শাড়ির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে গাঢ় বা হাল্কা যে রংয়েরই শাড়ি হোক না কেন পাড়ের রং হবে গাঢ়। সাধারণত শাড়ির পাড়ের নকশাটি হয়ে থাকে ত্রিভুজাকৃতির আর শাড়ির ভেতরে থাকে হালকা সুতায় বোনা লতা পাতা ।

২৯ শে জুন, ২০১৬ রাত ১১:৪৩

শায়মা বলেছেন: মিরপুর কাতান বা বেনারসী নিয়েও একটা লেখা আছে...

লাল টুকটুকে বৌ ও বাংলার বেনারসী বা মিরপুর কাতান
"বেনারসী শাড়ি" শব্দটা শুনলে প্রথমেই চোখে ভেসে ওঠে চির পরিচিত একটি দৃশ্য! একরাশ ফুল, পাতা ও আলোকসজ্জিত ঝলমলে একটি মঞ্চ বা শজ্জা। আর তাতে বসে আছে লাল টুকটুকে জমকালো শাড়ি পরা, চন্দন চর্চিত অপরূপা মুখায়াবের একটি কোমলমতী নববঁধু।
বাঙ্গালী মেয়েদের হৃদয়ে তাদের বিয়ের দিনটি এবং এ দিনে বউসাজের চিরায়ত স্বপ্নটি ধনী দরিদ্র নির্বিশেষে প্রায় একই থাকে। প্রতিটি বঙ্গললনার হৃদয়ের মনিকুঠুরীতে তাদের এই বিশেষ দিনটির বিশেষ সাজসজ্জাটি ঘিরে লুকিয়ে থাকে একটি বিশেষ স্বপ্ন।
আর বিয়ের দিনের সেই বিশেষ সাজটিতে অপরিহার্য্যভাবেই যেন এসে যায় একটি শাড়ির নাম, সেটি "বেনারসী শাড়ি"। একজন বিয়ের কণের স্বর্ণকমল অঙ্গ ঘিরে চিরায়ত লালটুকটুকে বেনারসী শাড়ির সৌন্দর্য্যের সাথে বুঝি আর কোনো শাড়ীরই তুলনা হয়না। একটি নারীর বেনারসী শাড়ির মাঝে যুগ যুগ বেঁচে থাকে একটি পরিবারের বংশ পরম্পরার ইতিহাস। একটি বেনারসী বহন করে একটি নারীর জীবনের বিশেষ সুখময় স্মৃতির লুকানো গল্পগাঁথা।আলমারীর তাকে তুলে রাখা তার বিশেষ দিনের বিশেষ লগ্নের বেনারসীটি ছুঁয়ে বুঝি সে ভুলে যেতে পারে তার সারাজীবনের যত দুঃখ বেদনা ,চাওয়া এবং না পাওয়ার ব্যাথা। বেনারসী কোনো হেলাফেলার শাড়ী নয়। এই শাড়ি খুব যতনে তুলে রাখার মত মূল্যবান এক সম্পদ, এ যেন মোহনীয় ভালোলাগা ও স্বর্গীয় ভালোবাসায় রচিত এক অনবদ্য সঙ্গীত। এত কথা যেই বেনারসী শাড়িকে নিয়ে সেই বেনারসী শাড়ির জন্ম কোথায় তা জানা অপরিহার্য্য। বেনারসী শাড়ির জন্ম ভারতের একটি বহুল পরিচিত শহর "বেনারসে"। মুঘল আমল থেকে এই বেনারস প্রসিদ্ধ ছিলো সেখানকার তাঁত শিল্পের জন্য। সোনালি, রুপালি জরির মনোমুগ্ধকর কারুকার্য্যময় সৌন্দর্য্যের জন্য সকলের অতি পছন্দের ছিলো এই বেনারসের শাড়ি। কাজেই বেনারসী শাড়ি নামাকরণের ইতিহাসটি সুস্পষ্ট। বেনারসী শাড়ি এসেছে ভারতের বেনারস থেকে আর তাই এ শাড়ির নাম বেনারসী।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় বেনারস থেকে কিছু মুসলিম পরিবার আসে বাংলাদেশে। তারা আশ্রয় নেয় পুরান ঢাকা আর মিরপুরে। জীবিকার তাগিদে তারা বুনতে শুরু করে শাড়ি। বেনারস থেকে আসা তাঁতিদের তৈরি শাড়িগুলি আমাদের দেশে পরিচিত হয় বেনারসি শাড়ি নামে।

৭৫| ৩০ শে জুন, ২০১৬ রাত ১২:৪২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপু আমি বিমুগ্ধ লিখা , তথ্য ও তার নান্দনিক প্রকাশ দেখে । দোহাই তোমার, লিখাগুলার সাথে তোমার পছন্দণীয় কিছু ছবি দিয়ে আলাদা পোস্ট দাও । এর একটা ইতিবাচক দিক আসবে বিভিন্নভাবে । মনে হচ্ছে তাঁত শিল্পের উপর তোমার অগাধ দখল । তোমাদের সৃজলশীলদের হাত ধরে তাঁত শিল্প এগিয়ে গেলে তা নিম্মের বিবরণ থেকে হাজারগুণ ভাল হবে :

৮২-৮৩ সালে আমেরিকান নাগরিক ড: মেলনীকে তাঁত বিশেযজ্ঞ হিসাবে তখনকার রেট ১৬০০০০ টাকা মাসিক বেতনে একটি কারীগরী সহায়তা প্রকল্পের আওতায় তাঁত বোর্ডে বসানো হয়েছিল তাঁত শিল্পের উন্নয়নের জন্য কাজ করার লক্ষে । তিনি তাঁত শিল্পের উন্নয়নের জন্য কি করে গেছেন সেটা গোচরীভুত হয়নি আজোও তবে চাকুরী শেষে চলে যাওয়ার সময় তাকে প্রদত্ত দামী গাড়িটি তিনি দিয়ে যান MIDAS এর কাছে যার শানে নযুল কভু জানা যায়নি ।

ভাল থাকার শুভ কামনা থাকল ।

৩০ শে জুন, ২০১৬ রাত ১:০২

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়া। ওকে আলাদা পোস্ট দেবো।:)

৭৬| ৩০ শে জুন, ২০১৬ রাত ১:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ আপুমনি

৩০ শে জুন, ২০১৬ সকাল ১০:২১

শায়মা বলেছেন: :) :) :)

৭৭| ০২ রা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:০৯

কাওসার_সিদ্দিকী বলেছেন: আম্মাজান পোস্ট প্রিয়তে নিছি পরে পড়ে তোমাকে জানাবো! :)

০৩ রা জুলাই, ২০১৬ রাত ১২:০৮

শায়মা বলেছেন: আচ্ছা।:)

৭৮| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১২:০৮

তামান্না তাবাসসুম বলেছেন: মন খারাপ করা গল্প :(

চমৎকার লেখনী।

ভালবাসা আপুনি। ♥♥

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১২:১৯

শায়মা বলেছেন: তোমার জন্যও ভালোবাসা আপুনিমনি!:)

৭৯| ০৫ ই জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১:৩৩

গাজী বুরহান বলেছেন: প্রথমে ধন্যবাদ দেই আমার লেখায় মন্তব্য করার জন্য। নইলে আপনার লেখার সাথে পরিচিত হতাম না।

জানালা দিয়ে ধেয়ে আসা গ্রীস্মের প্রচন্ড দাবদাহে কাঁঠাল গাছের পাতার ফাঁকে বসে থাকা কাক দম্পতি।

এ রকম কয়েকটা লাইন পড়ে মুগ্ধ।

০৫ ই জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১:৪১

শায়মা বলেছেন: :P

হা হা এটা একটা প্রেমের গল্প লেখার প্রচেষ্টা ছিলো ভাইয়া!

থ্যংকস অনেক অনেক পড়ার জন্য।


কিন্তু আমি কি মন্তব্য করার সুযোগ বন্ধ রেখেছিলাম নাকি? কেনো বললে মন্তব্য করার সুযোগ দেবার জন্য ধন্যবাদ?

৮০| ০৫ ই জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৪:৩০

গাজী বুরহান বলেছেন: কিন্তু আমি কি মন্তব্য করার সুযোগ বন্ধ রেখেছিলাম নাকি? কেনো বললে মন্তব্য করার সুযোগ দেবার জন্য ধন্যবাদ?


আমি কিন্তু এ কথা বলি নাই। :|| আমি বলতে চাচ্ছিলাম আমার লেখায় মন্তব্য করেছেন বলে আপনার লেখার সাথে পরিচিত হতে পেরেছি। মানে আপনার লেখা এর আগে পড়িই নি। ব্লগে এর আগে দেখিই নি।

০৫ ই জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৪:৪১

শায়মা বলেছেন: হায় হায় কি বলো!!!!!!


এতটা সময় ব্লগে লগ ইন থাকি!!!!!

এত কমেন্ট করি তবুও দেখোনি!!!!!!!!!!! B:-)

৮১| ০৫ ই জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৫:০৭

গাজী বুরহান বলেছেন: ইহা আমার ব্যর্থতা :-& |-)

আমি এমনিতে কারো ব্লগে গিয়ে টু মারি না। যার লেখা ভালো লাগে তার প্রোফাইল ঘুরে দেখি একবার দেখি, বার বার দেখি। :`> :>

০৫ ই জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৫:০৯

শায়মা বলেছেন: হা হা

এখন থেকে সবার ব্লগ দেখবা!!!!!


কথায় আছে না পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রতন!!!!!!
:) :) :)

৮২| ০৫ ই জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৫

গাজী বুরহান বলেছেন: হা হা
'পাইছি পাইছি! অমুল্য রতন পাইছি, মুল্য বুজিস রে ভ্যাদাই,
যেখানে দেখিবে ছাই, যেখানে দেখিবে ছাই! :-B
পড়ি আর না পড়ি টু মেরে যাই'

০৫ ই জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৯

শায়মা বলেছেন: না পড়ে এইখানে অমূল্য রতন পাবেনা।

কাজেই এত খুশি হয়ে লাভ নেই!:)

৮৩| ০৫ ই জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৫

গাজী বুরহান বলেছেন: নো চ্যান্স! ওকে?

পড়িতে হপে
পড়িতে হপে
পড়ার জন্য পড়তে হপে
জানার জন্য পড়তে হপে।

মা বলতেন 'লেখা পড়া করে যে গাড়ি গুড়া চড়ে সে
খোকা যদি চাও চড়তে গাড়ি পড়তে হপে পড়তে হপে'

কত কিছুর জন্যে যে পড়তে হয়!! :-*

০৫ ই জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৩

শায়মা বলেছেন: হায় হায় !!!


তোমার কি হলো!!!!!!!!!!!

তোমার বয়স কত ভাইয়া!!!!!!!!! B:-)

৮৪| ০৫ ই জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৮

গাজী বুরহান বলেছেন: লজ্জা দিয়েন না :-B

০৬ ই জুলাই, ২০১৬ সকাল ১১:০৭

শায়মা বলেছেন: ঈদ মোবারক ভাইয়া!:)

৮৫| ০৬ ই জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১:০৯

গাজী বুরহান বলেছেন: আপনাকেও অগ্রিম 'ঈদ মোবারক'


আপনার জন্য
ঈদ মোবারক

০৬ ই জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১:৪০

শায়মা বলেছেন: আজ শেষ রোজা। প্রতি বছরের মত এবারেও ইফতার পোস্ট ঈদ পোস্ট দেবো ভাবছিলাম। এটা একটা স্মৃতির মত। আমার সামু স্মৃতি এ্যালবাম! কিন্তু এবারে সব রেডি থাকা সত্বেও কোথায় যেন ছন্দপতন! :(


অনেক অনেক শুভকামনা তোমার জন্য পুচ্চিভাইয়া!:)

৮৬| ২২ শে জুলাই, ২০১৬ দুপুর ২:৪৪

সিলা বলেছেন: kemon acho appi........ :)
is.... ki koster ekta golpo :(
r kicho bolahobena nirobota palon korchi.

২২ শে জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৪:০৯

শায়মা বলেছেন: ভালো আছি আপুনি!!!!!!


আসলেই কষ্টের। মানুষকে কষ্ট দিতে মজা লাগে !!!!!

কিন্তু লেখার সময় নিজেই কষ্ট পাই।

৮৭| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ১২:১২

সামিয়া বলেছেন: গল্প গুলো এত সুন্দর কীভাবে হয়!! অসাধারণ।

০৬ ই আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ২:৫৬

শায়মা বলেছেন: সায়ানভাইয়ার জন্য হয়েছে। আমি তো এত ভালো পারিনা !!!!!!:)

৮৮| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:১৫

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: কমন প্লট/ মোটামুটি লেগেছে/। শুভকামনা

০৬ ই আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৫:১০

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়ু!!!!!!!!!:)


৮৯| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৯

আরিয়ান রাইটিং বলেছেন: সুন্দর ছিলো। পড়ে ভাল লাগল।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:০৪

শায়মা বলেছেন: অনেক অনেক থ্যাংকস আরিয়ানভাইয়া!!!!!! :)

৯০| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ৮:২২

খায়রুল আহসান বলেছেন: দিঘীতে কেউ ঢিল ছুঁড়লে তরঙ্গের সৃষ্টি হয়। ঠিক সে রকমের তরঙ্গ নয়, মাঝরাতে দিঘীর বুকে গাছের পাতা পড়লে যেমন নিঃশব্দ কিছু ripples (মৃদুহিল্লোল) সৃষ্টি হয়ে সবার অগোচরেই মিলিয়ে যায়, আপনার গল্পে সেরকম কিছু ripples তৈরীকারী কথাঃ
রুমকি আমাকে চিনিয়েছিলো ভালোবাসার রঙ---
এমন করে কেউ কখনও আগে ভালোবাসেনি আমায়! এমন করে কেউ কখনও দুঃখও দেয়নি আমাকে ---
শ্রাবন তার ছোট ছোট হাতে মুছে দেয় আমার চোখের গড়িয়ে পড়া জল ---
এক পরম মায়াবিনী দুখী প্রেমিকা আর মমতাময়ী মায়ের স্মৃতি আর ভালোবাসা নিয়ে কাটতে থাকে আমাদের দিনগুলো .. আমরা অপেক্ষা করি... ---
অনেকে আমাকে অনুরোধ করে গল্প লিখতে, যদিও আমি ছোটগল্প লিখতে পারিনা। কারণ, আমার গল্প অহেতুক, অনিয়ন্ত্রিতভাবে বড় হয়ে যায়। চরিত্রগুলোকেও ঠিকমত ফুটাতে পারিনা। কিন্তু যারা পারে, আমি তাদেরকে খুব শ্রদ্ধা করি। ঈর্ষাও করি।
আপনাকেও করি।
যদিও কবিতাই আমার ফার্স্ট লাভ, ভাল গল্পেও আমি আন্দোলিত হই।


০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ৮:৩৪

শায়মা বলেছেন: অনেক অনেক থ্যাংকস ভাইয়া!

এই গল্প যৌথ লেখনী ছিলো। সায়ান তানভীভাইয়া একজন সেরা গল্পকার।

৯১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:১৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: সায়ান তানভী এবং আপনার এই যৌথ প্রয়াসকে অভিনন্দন! আমার তো মনে হয় যৌথভাবে লেখার চেয়ে এককভাবে লেখাটা সহজতর হবার কথা। দুজনের লেখার মাঝে ভাল সমন্বয় ছিল, যদিও তা মেইনটেইন করাটা কঠিন কাজ। আপনারা উভয়ে মিলে সে কঠিন কাজটাকে খুব সহজে করে ফেলেছেন।
আসলে একটা সম্প্রীতির বহিঃপ্রকাশই মূল লক্ষ্য ছিল ।আমি খুব উপভোগ করেছি ব্যাপারটা (১৩ নং মন্তব্য) - ভালো লাগলো ব্লগারদের মাঝের এ সম্প্রীতি!
"ব্লা ব্লা ব্লা" নিয়ে আহমেদ জী এস এর ৪০ নং মন্তব্য তার মনযোগী পাঠ এবং তীক্ষ্ণ দৃষ্টির পরিচায়ক।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:৪৮

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ এরপর সুলতানা আপু, তানিমভাইয়ারাও এসেছিলো আমার সাথে যৌথভাবে লিখতে। আরও অনেকেই লিস্টে ছিলো ! হা হা হা মজা করে লেখা আসলে। কিন্তু পরে আমি লেখাই থামিয়ে দিয়েছিলাম ও বছরে। :)

মাঝে মাঝেই আমি ইজি কাজে বিজি হয়ে পড়ি আর তাই একদম মরো মরো অবস্থা থাকে! :(

৯২| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:২৩

আখেনাটেন বলেছেন: যৌথভাবেও গল্প লেখা যায়। অভিনব অাইডিয়া। ভালো লেগেছে উপস্থাপনা!!!!!!

আর শব্দের কারুকাজও মসলিন কারিগরদের মতো না হলেও জামদানী বলে চালিয়ে দেওয়া যায়। শেষের দিকে অারেকটু অাবেগী হলে মনে হয় পাঠকের মনে অারো বেশি ছাপ ফেলত, যেহেতু গল্পের অন্যতম প্রোটাগনিস্টকে মেরেই ফেললেন।!!!

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:৩০

শায়মা বলেছেন: হা হা ভাইয়া আসলেই মজার ছিলো লেখার সময়টা।

মানে সায়ান তানভী ভাইয়া একটা লিখে আমার হবে না আবার আমি লিখি তার হয় না। আর লিখতে গিয়ে মানে আলোচনার সময় হাসতে হাসতে মারা গেছিলাম!!!!!!!!

আমার নায়িকার নাম তার হয় না তার নায়কের নাম আমার হয় না!!!!!!! আর আমি অন্য লোকের বেবিকে নায়ককে দিয়ে মানুষ করাটে চাইলাম ভাইয়া রাজীই হলো না তার নিজেরই বেবি লাগবে !!!!!!!!!


হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহা


চলো তুমি আর আমি লিখি ওকে!!!!!!!!

লেখাটা হবে অবশ্য রম্য!!!!!!!!!!!

৯৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: চলো তুমি আর আমি লিখি ওকে!!!!!!!!

লেখাটা হবে অবশ্য রম্য!!!!!!!!!!!
-------অাপুনি, আমি অনেক অনেক অাগে নিচের ঐ ফাজিল টাইপের গল্পের মতো কিছু একটা লেখার চেষ্টা করে দেখেছিলাম। এই ব্লগেও (তিলের উপর ক্রাশ) একটা পোষ্ট করেছিলাম। উইথড্র করেছি, অখাদ্য মনে হয়েছে। তাই মনে হয় এ হবার লয় :|

ধুতরা ফুলে কি প্রেম হয়?

-- ওফ্, আবার গাইছে। ওকে অামি চিবিয়ে খেয়ে ফেলব।

-- 'ন্যাড়া ন্যাড়া তেলকা ন্যাড়া, তেলে ভাজা বড়া/ডুঙ্গি মাথা, তেলুক চাটা, গাইব অামি ছড়া'- বাসায় ঢুকবার ও বেরুবার মূহুর্তে এই কাব্যসুধা যিনি বর্ষণ করছেন তিনি পাশের বাড়ির শফিক চাচার একমাত্র রুপবতী স্কুলপড়ুয়া কন্যা মাইশা।

হতভাগা অামি- মাথায় উকুন বাবাজীরা ঘর-সংসার পাতায় রাতে প্রচন্ড চুলকানিতে ঘুম হত না। তাই কয়েকদিন অাগে বলা-নেই-কওয়া-নেই অাম্মু-অাব্বু-অাপু মৈত্রীজোট করে জোর করেই মাথা ন্যাড়া করে দিয়েছে। অার তারপর থেকে শুরু হয়েছে ঐ যন্ত্রণা। কিছু বলতেও পারিনা। কারণ বললেই দুই পরিবারে লেগে যাবে চুলোচুলি।

বলে রাখা ভাল- দুই পরিবারের মধ্যে সাপে-নেউলে সম্পর্ক বাড়ির সীমানা প্রাচীর নিয়ে। প্রায়শই খিটমিট লেগেই থাকে। তাই শুধু অামার জন্য অারেকটা কুরুক্ষেত্র শুরু হোক তা অামি চাই না। কিছুটা অহিংসবাদী অার কী!

তবে এখানে একটা 'কিন্তু' আছে। আমি মনে মনে মাইশাকে 'ইয়ে' করি। এখনো বলা হয়নি।

আমি ও চাচাত ভাই শাকির একসাথে কলেজে পড়ি।ঐ যন্ত্রণার মাঝেই একদিন শাকিরকে বললাম,' আমি মনে হয় মাইশার প্রেমে পড়ে গেছি রে!'

শাকির সাথে সাথে বলল,' দেখ, যা করবি আমাকে বাদ দিয়ে করবি, চাচা জানতে পারলে মেরে বেগুন ভর্তা করে পাড়াপড়শীকে দাওয়াত দিয়ে খাওয়াবে'।

আমি ওকে বললাম,' প্রেমে ডরে না বীর', তোকে শুধু একটুস খানি সাহায্য করতে হবে'।

সিদ্ধান্ত হল- ফুল আর চিঠি পাঠানো হবে রাতে। মফস্বল শহর তখন ফুল কিনে পাওয়া যেত না। তাই একমাত্র পথ অন্যের বাড়ি থেকে চুরি করা। হঠাৎ শাকির বলল,'বাসার পিছন দিকে সাদা সাদা বাঁশির মতো ফুলগুলো দিলে কেমন হয়'। উল্লেখ্য-বাসার পিছন দিকের জঙ্গলের মতো জায়গায় এরকম ফুল ফুটতে দেখেছি আমরা। কিন্তু নাম জানি না।

যা ভাবা তাই। কিছু ফুল তুলে বান্ডল করা হল। তারপর খুবই খুবই যত্ন সহকারে জীবনের প্রথম প্রেমপত্র লিখলাম,' প্রিয় মাইশা, তুমি আমাকে দেখলেই মেজাজ খারাপ করা ছড়া বল, ভেংচি কাটো এবং খুবই জ্বালাতন কর। তারপরও আমি তোমাকে অনেক অনেক পছন্দ করি। তোমাকে কিছু ফুল পাঠালাম। ফুলের রস উপভোগ করতে পারলে আমাকে জানাইও'। ইতি তোমার ইয়ে।
রাতে মাইশার ঘরের জানালা দিয়ে চিঠি ও ফুল ভেতরে ফেলে দিলাম। তারপর দুজনে বাসায় এসে পড়াশুনায় মারাত্নক মনোযোগী হলাম।

রাত ১১টা। মেইন গেটের বাইরে হঠাৎ চিৎকার চেঁচামেচি। বুঝলাম দুই পরিবার আবার লেগে গেছে কোনো কারণে। পড়ায় মন বসছে না। মনে উৎকন্ঠা। ইতোমধ্যে কিছু টুকরো টুকরো কথা 'ধুতরা', 'ফুলের রস', 'পাগলী' ইত্যাদি ভেসে আসছে। ভাল করে শোনার জন্য আমরা দুজন দরজার কাছে গিয়ে যা শুনলাম তাতে তাৎক্ষনিকভাবে মনে হল কষে একটা পাগলা দৌড় দিয়ে যদি হারিয়ে যেতে পারতাম!!

শানে নযুল এরকম-'মাইশার মা অভিযোগ করছে তার মেয়েকে পাগলী করার জন্য সুপরিকল্পিতভাবে ধুতরা ফুলের রস (চিঠিতে ফুলের রস উপভোগ করার কথা লেখা ছিল--খাওয়া নয়) পান করাতে ছেলেকে অামার মা-বাবা লেলিয়ে দিয়েছে'। কিন্তু আমরা তো জানতাম না যে ওটা ধুতরা ফুল। আর তার রসের এত মাজেজা। জানলে এমন ভুল আমি করি। আমি যতই তাদের বুঝাই আমার উদ্দেশ্য ওকে বাস্তবে পাগলী বানানো নয়- 'প্রেমের পাগলী বানানো'। কে শোনে কার কথা।

পরের দিন সারাদেহে প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে বিছানায় কোঁ কোঁ করছি। জানালার গ্রীলের কাছে মাইশা এসে বলছে,' ন্যাড়া মাথা, কেমন মজা। ঠিক হয়েছে। ধুতরা ফুলের রস খাইয়ে আমাকে পাগলী বানাবে'।

আমি মনে মনে বললাম,' আপসোস্‌-তুই শুধু ধুতরা ফুলের অপকারী দিকটাই দেখলি। ঐ রসের ভেতরে যে একজনের প্রথম ভালবাসার রস জমা ছিল তা তোর চোখ এড়িয়ে গেল।অাপ্‌সুস্‌'।এখন--দূর হ! চউক্ষের সামনে থেকে!!!!!!!!!

(বাল্যকালে লেখা একটি রম্যপ্রেমের গল্প :-P :-P :-P অন্যনামে এই ব্লগে অনেক আগে প্রকাশিত হয়েছিল। )

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:৩৯

শায়মা বলেছেন: হা হা হা মজার হয়েছে ভাইয়া!!!!!!!!!!!!!!!!!

সত্যি আমি হাসছি অনেক!!!!!!!!

৯৪| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ৮:৪৯

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: এই গল্পটি আমি অাগে কখনো কি পড়েছি? না পড়িনি কেননা দেশে ছিলাম ছুট্টিতে তাই চোখে পড়েনি। যাই হোক আজ অর্ক সাহেবের কমেন্ট বক্স থেকে চোখে পড়ায় এক টানে পড়ে নিলাম। অনেক ভাল লেগেছে আপুনি । ভাল থেকো।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:২৬

শায়মা বলেছেন: হা হা ভাইয়া!!!!!!

ছুটিতে থাকলে তুমি অনলাইন থেকে দূরে থাকো জেনে খুশিত হইলাম! ইটস আ গুড হ্যাবিট!!!!!! :)

আমিও তাই করি!!!!!!!!

সায়ান ভাইয়ার সাথে যৌথ রচনা করেছিলাম!!!!!

কবে ভাইয়া আবার বিরাট লেখক হয়ে যায় বলাও যায় না! যা ভালো লেখে ভাইয়াটা তাই আগেই জোট বেঁধে রাখলাম যেন সবাইকে বলতে পারি এই আমাদের সায়ান ভাইয়া ছিলো!!!! হা হা

৯৫| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:৩৪

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: সামুতে থাকতে মন চায় সারাক্ষন। তবে ছুট্টিতে যখন থাকি তখন নিয়মিত হতে পারিনা। এই বার মোটেই নেটে আসিনি ১০০ দিন এ ১দিন ও না। শুধু আমার জুনিয়রকে নিয়ে ব্যাস্ত ছিলাম। তোমাকে হয়তো জানানো হয়নি । অামি বাবা হয়েছি। অামার ছেলের নাম রেখেছি রোহান। ১২ মাস চলে। অর যখন ৪ মাস এইজ ছিল দেশে গিয়েছিলাম । দোয়া করো আমার বাবনটির জন্য। হা হা একটু বেশি বগ বগ করে গেলাম কি। তুমি ভাল থেকো।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:৪০

শায়মা বলেছেন: আরে কি বলো ভাইয়া!!!!!!

রোহান বাবুর জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা!!!!!! ৪ মাস এইজটা তো খুবই মজার ভাইয়ামনি...... ইশ তোমার তাকে ছেড়ে আসতে কত কষ্ট হয়েছে বুঝতেই পারছি। এরপর বাবু আর তার মা মানে আমাদের ভাবীজিকেও নিয়ে যাও তোমার কাছেই আর তোমার বাবুর একটা ছবি দেখাও আমাদেরকে!:)

৯৬| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:৩০

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: আপনার গল্পটা অনেকদিন আগে একবার পড়েছিলাম।



দুনিয়াতে সবচেয়ে কষ্টের সময় যেন অপেক্ষার প্রহর গুলো। শেষই হতে চায় না!
কিছু কিছু অপেক্ষা থাকে যা কখনওই শেষ হয় না। কিছু কষ্ট থাকে যা কাউকে বোঝানো যায় না। কেউ বুঝেও না।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:০৬

শায়মা বলেছেন: হুম!!!!!!!!!!!
তবে কষ্ট যারা না বুঝে আমিও তাদের সাথে নাই!!!!!!!!


এহ রে কাজ নাই তো পড়ে থাকি কষ্ট নিয়ে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

তার থেকে গল্প লিখি আর কবিতা লিখি সেই ভালো সেই ভালো !!!!!!!!!!!!!!

৯৭| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:১৫

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: কষ্টের মাঝে খুঁজে পাওয়া সুখগুলোই বেশি মিষ্ট হয়। আমার কাছে তাই মনে হয়।

বিরহ আছে বলেই হয়তো প্রেম এত সুন্দর।


ভালো লাগলো কষ্ট বুঝার মতো সুন্দর একটা মন আছে আপনার।
আমিও কষ্টের মাঝেই পড়ে থাকি। সুখ খুঁজি কষ্টের ভাঁজে ভাঁজে।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:১৯

শায়মা বলেছেন: কষ্টগুলো রেখে দাও কবিতার জন্য
কষ্ট নিয়ে পড়ে থাকলে তো জীবন চলবেনা ভাইয়ুমনি!!!!!

কাজেই কবিতায় বন্দী করে ফেলেই খাতাটাও বন্ধ করে রাখো তারপর মেতে ওঠো জীবনের আনন্দে। মানুষ কেন যেন দুঃখবিলাসী। দুঃখ কষ্ট আনন্দ বেদনা এই জীবনেরই অংশ। মানুষ সব কিছুর মাঝে কষ্টটাকেই চর্চা করে জিইয়ে রাখে কিন্তু সেটাই জীবনের বড় ভুল...........

৯৮| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৩

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: আপনার শেষ প্রতিউত্তরের প্রতি শ্রদ্ধা রইল।



আমি একটু দুঃখবিলাসী, কষ্ট মনে রাখি। তবে সেটা ব্লগ, ফেসবুকেই সীমাবদ্ধ। আমি কষ্টে পুড়ি, কিন্তু সেটা কেবল লেখতে বসেই স্মৃতিতে টেনে আনি। আমি কষ্ট নিয়ে পথ চলি না। আমি সামান্য একটা চাকরি করি। সরকারি চাকরি হওয়াতে সময় একটু বেশিই পাই ব্লগ ফেসবুকে ঘুরতে। আমি থেমে নেই। চলছি। আমাকে দেখে কেউ বুঝতেই পারেনা, আমার মনে কোনো কষ্ট আছে। আমার লেখাগুলো দেখেই বুঝে। আমি এতটাই প্রফুল্লিত যে, অসুস্থ হলেও কেউ বিশ্বাস করতেই চায় না আমার অসুখ হয়েছে। আমি হাসি খুশি থাকতেই সাচ্ছান্দ বোধ করি। তবে লেখাতে কষ্ট গুলোই ব্যবহার করি। কষ্টে ডুবে জীবন হারাতে রাজি নই। তবে দুঃখ গুলি স্মরণে কিছু সুখ পাই। আর ভালো লাগে যখন প্রকাশ করতে পারি। একটু হাল্কা মনে হয় নিজেকে।

আপনার প্রতিউত্তরই ফলো করে চলি, চলছি।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:৫০

শায়মা বলেছেন: ঠিক তাই
মনোবিজ্ঞানীরাও একই কথাই বলেন, রাগ, ক্ষোভ, কষ্ট দুঃখকে লিখে ফেলো খসখস তারপর খাতা বন্ধ করে তুলে রাখো তালাবদ্ধ ড্রয়ারে। জীবনের জয়গানে সামিল হও। আর সবথেকে বড় উপায় কি জানো লেখার পর হতাশা বা পরাজয়ের লেখনীগুলিকে কুটি কুটি করে ছিড়ে ফেলা। জীবন বহমান। এই সব নিয়ে বসে থেকে এই ক্ষুদ্র জীবনের অমূল্য সময় নষ্ট করার মানেই নেই।

এইবার তাকিয়ে দেখো তোমার পিছনের বা বর্তমানের বা ভবিষ্যতেরও অনেক অনেক আনন্দের বারতা আছে যা চর্চা করেও সকল দুঃখ স্মৃতি সমূলে উৎপাটিত করা সম্ভব!!!!!!

৯৯| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১:০১

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: হ্যা আমার মিষ্টি আপু। স্মরণে থাকবে আপনার উপদেশগুলো।




ভালো লাগা জানবেন।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১:১১

শায়মা বলেছেন: হুম আমি আবার ভেরি গুড মোটিভেটর!!!!!!!!

নিজেকে যেভাবে মোটিভেট করেছি আমি নিজেই মুগ্ধ ভাইয়ামনি!!!!!!!!!!!!!

১০০| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১:০৩

একজন সত্যিকার হিমু বলেছেন: এতো আবেগী প্রেমের গল্প পড়ার ক্ষমতা আমার নেই ।অর্ধকে পড়ে তাই রেখে দিলাম ।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১:১৩

শায়মা বলেছেন: ছি ছি এত ফাকিবাজ হলে চলিবেক না ভাইয়ু!!!!!!!!!!


এখুনি পুরাটা পড়ো!!!!!!!!!!!!!


যতই পড়িবে ততই শিখিবে!!!!!!!!!!!!!!!!!!


না পড়লে কি আর লিখতে পাব্বে বলো!!!!!!!!!!!! :(

১০১| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৭ ভোর ৬:৪০

আলী প্রাণ বলেছেন: মাল্টিপ্রতিভার অধিকারিনী, বাকপটু প্রিয়ভাষিনী, গীতগায়িকা, নৃত্যনাচিকা, পটঅঙ্কিতা, ছড়াকারিনী, আবৃত্তিপ্রবাহিনী, পাপেটারিনী, শিশুশিক্ষাদায়িনী, রন্ধনপটিয়সিনী সদা হাস্য-লাস্যমোহিনী শায়মা?????

ভালো লাগা রেখে গেলাম।

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০২

শায়মা বলেছেন: হা হা হা আলীভাইয়া!!!!!!!!


থ্যাংক ইউ!!!!!!!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.