নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দীপ ছিলো, শিখা ছিলো, শুধু তুমি ছিলেনা বলে...

শায়মা

দিয়ে গেনু বসন্তেরও এই গানখানি বরষ ফুরায়ে যাবে ভুলে যাবে, ভুলে যাবে,ভুলে যাবে জানি...তবু তো ফাল্গুন রাতে, এ গানের বেদনাতে,আঁখি তব ছলো ছলো , সেই বহু মানি...

শায়মা › বিস্তারিত পোস্টঃ

~!!এক টুকরো স্বর্গের দেশ বালিতে কয়েকদিন.....!!~

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:১০


এবারের উইন্টার ভ্যাকেশনে মালয়েশিয়া যাবার কথা ছিলো তবে শেষ মুহুর্তে ডিসিশন ক্যানসেল করে আমরা বেছে নিলাম মর্ত্যের স্বর্গ বা ভূস্বর্গ ইন্দোনেসিয়ার বালিকেই। যেহেতু বালি যেতে কোনো ভিসা লাগেনা কাজেই ভিসা টিসার ঝামেলারও কোনো চিন্তা নেই। এছাড়াও আমাদের আপনার চেয়েও আপন যে জন জাভেদ আঙ্কেলকে বললেই উনি টিকেট থেকে শুরু করে হোটেল, ট্রান্সপোর্ট ট্যুরগাইড সব কিছুর ব্যাবস্থা করে দেবেন নিজের ক্রেডিট কার্ড দিয়েই। কাজেই সোজা ফোন কল আর তারপর প্যাক করাকরি শুরু হলো। আমাদের প্রথম গন্তব্য ঠিক করা হলো নুসা দুয়া বিচের কোনো রিসোর্টে।

আমি অনলাইনে হোটেল বা রিসোর্ট খুঁজতে খুঁজতে নুসা দুয়াতে পেয়ে গেলাম একেবারেই রুপকথার মত মনোমুগ্ধকর এক হোটেলের খোঁজ। কোটইয়ার্ড ম্যারিয়ট, ছবি দেখেই আমি মুগ্ধ কাজেই এখানেই আমাকে থাকতেই হবে। জাভেদ আঙ্কেল সকল ব্যাবস্থা করে দিলেন। ব্যাস, সকল ব্যাবস্থা রেডি কিন্তু ফ্লাইট হিসাবে উনি উপদেশ দিলেন মালিন্দো এয়ার লাইন্সের কথা। এই এয়ার লাইন্স নাকি সস্তা তবে লাস্ট মোমেন্ট বলে কথা, কি আর করা? কিন্তু উনি বললেন তাদের সেবা নাকি বেশ ভালো। যাইহোক উনার মতামত শেষ পর্যন্ত মেনে নিতে হলো। যদিও এই এয়ারলাইন্স সম্পর্কে যে সব নেগাটিভ কথাগুলি শুনেছি তাই নিয়ে একটু ভয় ভয় ভাবটাও ছিলো। সে যাইহোক নতুন বছরের প্রথম দিনটিতেই আমাদের যাত্রা হলো শুরু....

~আমাদের যাত্রা হলো শুরু ~ ফ্লাইট ছিলো সেই রাত দুপুরে মানে ১২ টা ৫০ শে। এমনিতে আমি যতই বীর সাহসী অকুতভয় হই না কেনো, কিছু কিছু ব্যাপারে আমার অকারনেই ভয় পাবার ব্যাধি আছে। তার মধ্যে যেমন একটা, রাত দুপুরে বদ্ধ প্লেনের জানালা দিয়ে দেখা বাইরের ঘুরঘুট্টি অন্ধকার। মনে হয় যেন আমি অকূল পাথারে আছি, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেলো বলে।:( কিন্তু দিনের বেলা আলোকজ্জ্বল সুনীল আকাশের সাদা সাদা পেঁজা তুলো মেঘের মাঝে পরীর মত উড়ে চলা বা পাখির মত ভেসে যাওয়াতে আমার কোনোই সমস্যা নেই বরং তখন আমি থাকি আনন্দে ঝলমল। যাইহোক কি আর করা। হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরে পৌছে বোর্ডিং পাস টাস পাবার পরে অপেক্ষা সেই ঘুরঘুট্টি আঁধারে ভেসে চলার জন্য। যথাসময়ে প্লেনে উঠলাম এবং খেয়াল করলাম ভীষন সুন্দর সাদা টপস আর গোলাপী কালো ডিজাইনের ইন্দোনেসিয়ান ড্রেস পরা ঝকঝকে তকতকে পরিপাটি এয়ার হোস্টেজদেরকে এবং প্ল্যান করে ফেললাম এই ড্রেস আমাকে কিনতে হবে। :) যদিও ওদের সামনের দিককার উন্মুক্ত পার্ট ডিজাইনটা আমার স্যুইটেবল মনে হয়নি। যাইহোক, সিট বেল্ট টেল্ট বেঁধে বুঁধে বসার কিছুক্ষন পর যখন ফুড দেওয়া হলো। ফুড দেখে আমার চক্ষু চড়কগাছ! ঘ্রানে অর্ধায়নং ভোজনং বলে একটা কথা শুনেছিলাম কিন্তু ঘ্রানে ভোজনং পলায়নং বলে নতুন একখানা প্রবাদ নিজের জন্যই সেদিন আবিষ্কার করলাম। এয়ার হোস্টেজ বললো সেটা নাকি ভেজি বিরিয়ানী! ( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।) বলে কি! কুকটাকে দেখার বড় ইচ্ছা হলো। এই ইচ্ছা আমার পরবর্তীতে কয়েকবারই হয়েছিলো। সে যাইহোক, ৪ ঘন্টা ঘুরঘুটি আঁধার পাড়ি দিয়ে শাহরুখ খানের সিনেমা রায়ী শেষ করে গিয়ে পৌছালাম মালয়েশিয়া এয়ার পোর্ট। এখানে একটা কথা বলি রায়ি সিনেমা আমার তেমন ভালো লাগেনি কিন্তু ছোটবেলার শাহরুখ চশমার সন্ধানে গান্ধিজীর স্ট্যাচু থেকে গ্লাসহীন চশমা চুরি করে নিয়ে আসে এটা মজা লেগেছিলো খুব খুব।
~কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়া এয়ারপোর্টে আড়াই ঘন্টা~ কোনো কাজ ছাড়া আমি চুপচাপ কোথাও বসে থাকতে পারিনা। আবার কোথাও গিয়ে মোবাইলে চোখ ডুবিয়ে রাখতেও আমার ভালো লাগে না কাজেই এই আড়াই ঘন্টা কি করবো ভেবেই আমি বিরক্ত হচ্ছিলাম কিন্তু ঝকঝকে সুন্দর এই এয়ারপোর্টের সুশোভিত বিপনীবিতানগুলি ঘুরে ঘুরে এবং অসাধারণ আইসকফি আর পেস্ট্রি আস্বাদনে প্রাণ জুড়ালো! ফের মালিন্দো করে বালির উদ্দেশ্যে যাত্রা এবং আবারও ভয়ংকর জঘন্য টাইপ রান্নার ভেজি স্প্যাগেটির গন্ধেই তাহা আমি প্রত্যাখান করিয়া দিলাম এবং জানালায় চোখ রেখে দেখলাম নীচে সুনীল সমুদ্রের পাড় জুড়ে এক আশ্চর্য্য সুন্দর সর্পীলাকৃতির রেইনবো বিচ। বিচের গোলাপী পিচ রং বালির ধার ঘেষে সবজেটে পান্না রং আর ফিরোজা নীল, গাঢ় নীলের লেয়ার লেয়ার জলরাশি যেন সাগরের তীরেও এক রংধনুমালা নিয়ে আছড়ে পড়েছে।

~বালির মাটিতে পা দিয়ে প্রথম প্রহর~ বালি ডেনপাসার এয়ারপোর্টে যখন পৌছালাম তখন দুপুর ১২ টা।এখানে বলে রাখি
ডেনপাসার বালির রাজধানীও ।এয়ারপোর্টে নেমেই অপরুপ সুন্দর সব স্টাচু দর্শনে মন ভরালো। কিন্তু মন ভরাবার আরও বাকী ছিলো। আমরা এয়ার্পোর্টের ট্রান্সপোর্টের গাড়ি করে হোটেলে উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবার পথে চারিদিকের এক ঝকঝকে পরিবেশে মুগ্ধ হলাম। প্রতিটা গাছের পাতা যেন কেউ কেবলি হোস পাইপে ধুয়ে দিয়ে গেছে। উজ্জ্বল রং এর ফুলগুলি সব আলো ছড়াচ্ছিলো। আর দু কদম ফেলতে না ফেলতেই শুধুই অপরুপ কারুকার্য্যমন্ডিত ভাস্কার্য্য। হোটেল পর্যন্ত পুরো রাস্তায় নাক ঠেকিয়ে রাখলাম গাড়ির কাঁচে। যত দেখি যেন পলক পড়ে না।

~কোর্টইয়ার্ড বাই ম্যারিয়ট~ পুরো ভ্যাকেশনই কাঁটিয়ে দেওয়া যায় যে রিসোর্টে~ রিসোর্টে পৌছুতেই অপূর্ব সোনালী সজ্জায় সজ্জিত এক বালিনীজ মেয়ে গেটের কাছে তার অপূর্ব সৌন্দর্য্য নিয়ে তাদের ঐতিহ্যবাহী নাচের মাধ্যমে আমাদেরকে স্বাগত জানালো। তার আগে অবশ্য বিশাল এক গার্ড ডগ দিয়ে আমাদের গাড়ির আনাচে কানাচে সার্চ করা হয়েছিলো নিরাপত্তার সুবিধার্থে। নৃত্যের পরে আপ্যায়ন করা হলো শরীর জুড়িয়ে যাওয়া ছোট ছোট মাটির গ্লাসে করে দেওয়া আইস লেমন পানীয়ে। অতঃপর সুসজ্জিত রুম আমাদের সকল ক্লান্তি কাটিয়ে দিলো।

একটু রেস্ট নিয়ে গোসল এবং খাওয়া সেরে আমি হেঁটে হেঁটে রিসোর্টের চারিপাশ ঘুরে দেখলাম এবং মুগ্ধ হলাম এবং মুগ্ধ হলাম! মনে হলো কোথাও আর যাবার নেই এখানেই কাটিয়ে দেওয়া যায় পুরো ভ্যাকেশন।

~নুসাদুয়া বিচ~ বিকেলে রিসোর্টের নিজেদের গাড়িতেই নিয়ে গেলো নুসাদুয়া বিচে। সুনীল জলরাশির শেষ প্রান্তে আছড়ে পড়া শ্বেত শুভ্র ঊর্মিমালা। নয়ন জুড়িয়ে যায়। তীরে আছড়ে পড়া ঢেউগুলো দিয়ে নীল সবুজ গোলাপী রঙে মেশানো এক অপূর্ব রৈখিক জলরাশির মিলনমেলা, মন ভরিয়ে যায়। কিছু পরে এলো সুর্য্য ডোবার পালা। আমরা হাঁটতে হাঁটতে এলাম লাইট ফেসটিভ্যাল পার্কে। সেখান থেকে বালি কালেকশন সুবিশাল উদ্যান শপিংমল এরিয়ায় কাঁটালাম কিছুক্ষন। একজন গায়ক অপূর্ব মোহনীয় সূরে গান গেয়ে চলেছিলো। ট্যুরিস্টরা অনেকেই তাকে রিকুয়েস্ট করছিলো গান গাইতে। আমরা কাঁঠের বেঞ্চে বসে ছিলাম। কিছু পরে সামনের মলগুলো ঘুরে দেখলাম। পানি, চিপস, বিস্কিট আর চুলের কিছু মন মাতানো হেয়ার ক্লিপ কিনে হট পিজাতে খেলাম রাতের খাবার। এই এতটুকু শপিং এই আমাদের লক্ষ্য লক্ষ্য কোটি কোটি শেষ হয়ে গেলো! এই লক্ষ্য এবং কোটি প্রথমে অবাক হয়েছিলাম। আমি তো শেষ পর্যন্তও হিসাব করতে পারিনি। এদের অর্থনৈতিক অবস্থা বেশ বেশ ভালো। তবে শুনেছি রাজনৈতিক সংকটে নাকি ব্যাংক কয়েকবার রুপিয়ার মান কমিয়ে দেয় । এছাড়া বেশ বছর কয়েক আগে এখানে বেশ কয়েকবার মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। তাই একটা টপস কিনতে হয় এক থেকে দেড় লাখ রুপিয়ায় আর একটা চুলের ক্লিপ তিরিশ/ চল্লিশ হাজার টাকায়! ২ বোতল পানির দাম ১০ হাজার! তার মানে এই বালির মাটিতে পা দিলেই আমরা সবাই কোটি কোটি কোটি পতি হয়ে যাই! সে যাইহোক খুব খুব ক্লান্ত থাকায় লক্ষ কোটি টাকা পয়সা খরচ করে রুমে ফিরে ঘুমিয়ে পড়লাম সেদিন......
এই গেলো প্রথমদিনের বালি ভ্রমনের কিচ্ছা কাহিনী। ইন্দোনেশিয়া অন্য সব প্রদেশ গুলোর মধ্যে সবচাইতে ক্ষুদ্র প্রদেশ হচ্ছে বালি। কিন্তু এখানে রয়েছে নীল সবুজে মেশানো এক অপুর্ব জলরাশি সমৃদ্ধ সমুদ্রতট বা বালুকাবেলা, মোহনীয় পর্বতমালা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য মন্ডিত পর্যটকদের জন্য দর্শনীয় স্থান, অপূর্ব স্থাপত্যশৈলীর মন্দির, স্মৃতিস্তম্ভ, সাফারি পার্ক, আর্ট মিউসিয়াম ইত্যাদি ইত্যাদি ও ইত্যাদি যা দেখবার, ঘুরবার ও মন মাতাবার জন্য পরদিনের অপেক্ষায় রইলাম।






সেকেন্ড ডে ইন বালি- ভেবেছিলাম খুব ভোরে উঠে আমাদের অপূর্ব সুন্দর রিসোর্টের উদ্যান ঘুরে দেখবো। এমন এক স্বর্গীয় উদ্যানে মর্নিং ওয়াক ভাবাই যায় না। কিন্তু বিঁধি বাম। এত ক্লান্তির পরে এমন ঘুম ঘুমিয়েছি যে চিরদিনের ভোরের পাখি আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুললো অন্যেরাই। কি আর করা তখন বাজে সকাল ৮টা । তাড়াতাড়ি হাত মুখ ধুয়ে ব্রেকফাস্টের উদ্দেশ্যে বের হলাম। চারিদিকে রোদ্র ঝলমল সোনালী দিন, গাছের পাতায় রোদের ঝিলিমিলি। বিশাল সুনীল স্যুইমিং পুলের ধার ঘেষে টেবিল চেয়ার পেতে সকলে প্রাতঃরাশ সারছে। আমি মুগ্ধ মুগ্ধ এবং মুগ্ধ! রাশি রাশি খানা পিনা। সবচেয়ে আশ্চর্য্য যেটা শুধু ব্রেকফাস্টের উদ্দেশ্যেই বানানো হাজার হাজার খানা নয়, স্বাদে ও গন্ধে এবং পরিবেশনাতেও তারা মন মাতানো, চোখ জুড়ানো। এত এত খাবারের কথা বললে মনে হয় দিন ফুরিয়ে যাবে।

ব্রেকফাস্টের পর আমরা আমাদের রিসোর্টের ট্রান্সপোর্ট থেকেই সারাদিনের জন্য গাড়ি ভাড়া করে ফেললাম। অন্য কোথাও থেকে গাড়ি নিলে আরও ২/৩ লাখ কমে পাওয়া যেত হয়তো কিন্তু নিরাপত্তা ও বিলাসের কথা ভেবে আমরা সেটাই নিয়ে ফেললাম। প্রথম দিনে ১০ ঘন্টার জন্য তারা চাইলো ১০ লাখ। সেটাকে টেনে টুনে পরদিন থেকে সাত লাখ করা হয়েছিলো। তবে গাড়ি, সার্ভিস, গাইড এবং ড্রাইভার ছিলো এক্সসেলেন্টো! :)

আমাদের ড্রাইভার কাম গাইডের নাম ছিলো কেটুট। আমি প্রথমে তাকে কেতক( কেতক কেতকী ভেবেছিলাম আর কি) তারপর কেটুক আরও নানা কিছু বানাবার পর বুঝলাম তার নাম কেটুট। এটা নাকি ওদের ছোট ছেলেদের নাম। যাইহোক নামের প্রসঙ্গ নিয়ে তাদের আছে বিশাল ইতিহাস। যাইহোক তো কেটুট আমাদেরকে নিয়ে চললো বাতওয়ান ভিলেজে-

~বাতুওয়ান ভিলেজে বাতুওয়ান মন্দির~ মন্দিরে ঢোকার আগে ওদের নারী পুরুষ নির্বিশেষে ওদের ড্রেস সিরং পরতে হয়। এটা এক ধরনের লুঙ্গি টাইপ পোষাক যা আমাদের দেশের রাঙ্গামাটি চিটাগংএও পরতে দেখেছি। যাইহোক ওরা একটা হাতে উঠে আসা যে কোনো সিরং দিতে চাচ্ছিলো আমাকে আমি নিজে বেঁছে নিলাম আমার ড্রেসের সাথে ম্যাচ করে। যাইহোক মন্দিরে ঢুকে অপূর্ব শৈল্পিক কারুকার্য্যে চোখ জুড়িয়ে গেলো।

~মড আর্ট গ্যালারী~ মন্দির থেকে ফেরার পথে ড্রাইভার আমাদেরকে নিয়ে গেলো এক অপরুপ আর্ট শপে। সেখানে কাঁঠের মূর্তীগুলির শৈল্পিক কারুকার্য্যময় সৌন্দর্য্য মনে গেঁথে যাবার মত। কিন্তু আকাশ ছোঁয়া দাম আর লাখ লাখ কোটি দামের কারণে সেসব ছোঁয়াই আমাদের দুসাধ্য ছিলো তবুও আমি জিদ ধরলাম আমার লাগবেই লাগবে বালিনিজদের এই সব হাতের কাজগুলি অন্তত দুটি হলেও। শেষে লাখ লাখ কোটি কোটি দিয়ে আমার সঙ্গীসাথীদের রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে দুটি কাঁঠের মূর্তী বগলদাবা করে গাড়িতে উঠলাম।

~কার্মা স্যুভেনিয়র শপ~ এরপরে ড্রাইভার আমাদেরকে নিয়ে গেলো যেখানে সেই শপটিকে মোটামুটি আমাদের দেশের আড়ং বলা যায়। জামা কাপড় থেকে শুরু করে নানা রকম হস্তশিল্প, জ্যুয়েলারী রয়েছে সেখানে। সেখান থেকে আমি নিয়ে নিলাম টপাটপ কয়েকটি সিরং এবং টপস এছাড়াও বালীনিজদের তৈরী নানা রকম জ্যুয়েলারী, ডেকোরেশনের ছোট্ট থালা প্লেট, ক্যাপ এসব....আমি ছাড়া অন্য সকলেই আমার এই শপিং বাতিকে মহা বিরক্ত হচ্ছিলো কিন্তু তাতে চোখ এবং মন দেবার সময় ছিলো না আমার। :)

~উবুড সিটি~ চললাম আমরা উবুড সিটির পথে। চারিদিকে মনোমুগ্ধকর ঘরবাড়ি, গাছ পালা। অবাক হয়ে দেখি আর ভাবি এ দেশের ৯৯% মানুষই কি শিল্পী আর সৃষ্টিশীল কাজেই জড়িত? প্রতিটা বাড়ি, দেওয়াল, গেট, বাড়ির পাশের এক টুকরো জায়গা সবই নানা রকম মূর্তী শোভিত। মাইলের পর মাইল বড় বড় মূর্তি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আর্ট ফ্রাক্টরী বা শপগুলো। আমরা রিসোর্ট নিয়েছিলাম নুসা দুয়া শান্ত শিষ্ট এলাকায় কিন্তু উবুড বেশ ক্রাউডি এবং পর্যটকে ভরা রাস্তা। সেই সময়টা লাঞ্চ টাইম থাকায়। রোডসাইড খাবারের দোকানগুলো গিজ গিজ করছিলো পর্যটকে। আমাদের গাড়ি মাংকি ফরেস্টে পার্ক করে ড্রাইভার বললো আমাদেরকেও লাঞ্চ সেরে নিতে।
আমরা হেঁটে হেঁটে উবুডের রাস্তা ধরে আবিষ্কার করে চললাম সেখানকার জীবনযাত্রা। খুব গরম পড়েছিলো সেদিন। আমি এসিওয়ালা কোনো খানাশপ খুঁজছিলাম কিন্তু পাওয়াই যাচ্ছিলোনা সবই খোলা মেলা হাওয়া খেলানো রেস্তোরা। শেষ মেষ তেমনই এক রেস্তোরায়, বার্গার, পিজ্জা এসব দিয়েই লাঞ্চ সারা হলো এবং সেই পিজ্জা বার্গার শপে বসেই আমি দেখলাম এক কাপড়ের দোকানে ঝুলানো মনোমুগ্ধকর টপস আমি খাওয়া ছেড়ে সেদিকে দৌড় দিলাম এবং ২লাখ টাকা দিয়ে ২টা টপস কিনে আনলাম। :) এরপর সবাই নাকি মাংকি ফরেস্টে ঢুকবে। এটা শুনে আমার আক্কেল গুড়ুম আমি সোজা বলে দিলাম তোমাদের ইচ্ছা হলে যাও আমি এখানেই এই নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য্যে হাওয়া খাবো। সেখানে আমি রয়ে গেলাম।
আমি এক দিকে কাঁঠের বেঞ্চে বসে প্রথমে কুমীরটাকে আঁকার ট্রাই করলাম তারপর ব্যার্থ হয়ে সারাদিনের দিনপঞ্জী লেখায় মন দিলাম।

~ মোহনীয় কেচাক ডান্স~ মাংকি টেম্পল থেকে ওরা সবাই ফেরার পর ড্রাইভার বললো আমাদেরকে নিয়ে যাবে উলুয়াটু মন্দিরে সেখানে সূর্যাস্তের পর দেখবো আমরা তাদের ঐতিহ্যবাহী মোহনীয় নৃত্য কেচাক ডান্স। এই নাচের কথা আমি আগেই শুনেছি কাজেই নাচের চাইতেও ওদের সেই অপরূপ সাজসজ্জার প্রতি ছিলো আমার মহা কৌতুহল কাজেই সোৎসাহে গাড়িতে চেপে বসলাম। এই কেচাক ডান্সের জন্য টিকেট লাগে। এবং টিকেট কাটার সাথে সাথে দুইজন বালিনিজ গার্ল তাদের অপরুপ সাজসজ্জায় আমাদের সাথে ছবি তোলার জন্য রেডি ছিলো।

আমি তো লাফ দিয়ে একের পর এক ছবি তুললাম তবে এর উদ্দেশ্য যে আরও কিছু তা পরে বুঝলাম। যাইহোক তারা আমাদেরকে এই নাচের ইতিহাস ও গল্প বিষয়ক একটি লিফলেট দিলো। সারি সারি চেয়ার দিয়ে সাজানো গ্যালারীতে শুরু হলো আমাদের অপেক্ষা। যথাসময়ে নাচ শুরু হলো। অবাক হয়ে দেখলাম এক বিশাল দলের লোকজন চেক চেক সাদা কালো সিরং পরে কেচ কেচ কেচ কেচ করে শব্দ করছে এটাই নাকি ঐ নাচের মিউজিক। তারা সবে গোল হয়ে বসলো শুরু হলো একে একে সীতা, রাম, লক্ষণের ইতিহাস।হুনুমান দেবতার আবির্ভাব হলো। সব চেয়ে মন মাতানো নাচটাই ছিলো অগ্নিদেবের আগুনের উপর দিয়ে তান্ডব নৃত্য। এমনকি সে মাঝে মাঝে আগুন তুলে খেয়েও ফেলে! সে যাইহোক শো শেষে আমি দৌড়ে গিয়ে অগ্নিদেবের সাথে ছবি তুললাম। তাকে বললাম তার পারফরমেন্সে আমি তার প্রেমে পড়ে গেছি। এইভাবে কাউকে আগুন দিয়ে পোড়াতে হলে আমি তাকে স্মরণ করিবোক! :) :) :)

যাইহোক সব শেষে ফেরার পালা। বের হবার গেটের ধারেই ক্ষুদে পসারীদের মেলা । তারা নানা রকম মালা, দুল চুড়ি, ক্যাপ বিক্রির জন্য আমাদেরকে ছেকে ধরেছিলো। কিন্তু সব ছাপিয়ে আমি ওই কেচাক ডান্সের মুকুট দেখে মহা মুগ্ধ! সাথে সাথে লুফে নিলাম সেই মনো মুগ্ধকর কেচাক নৃত্যের মুকুট। এবার এগিয়ে আসলো একজন সেই প্রবেশ দ্বারে আমরা যে বালিনীজ নৃত্য সজ্জায় সজ্জিত মেয়েদের সাথে ছবি তুলেছিলাম সেই ছবি প্লেটে করে স্টান্ড সহ ছাপিয়ে এনেছেন তারা। কিনতে হবে ১ লক্ষ্য আশি হাজার টাকা দিয়ে। কি আর করা! শখের তোলা মাত্র আশি টাকা আর এই আজব রাজার দেশে শখের তোলা এক লক্ষ আশি হবে এ আর নতুন কি!

ফেরার পথে আমরা সবাই ম্যাকডোনাল্ডে রাতের খাবার খেয়ে ফিরে এলাম....
বালির তৃয় দিনঃ
~আমাদের সেদিনের প্ল্যান ছিলো কিন্তামানি মাউন্ট বাটুর দর্শন~ সমুদ্র থেকেও আমার পাহাড় বেশি প্রিয়। কিন্তু এই পাহাড় তার বুকে আগ্নেয়গিরি নিয়ে ঘুমিয়ে রয়েছে বছরের পর বছর। হ্যাঁ এটি একটি পুরনো ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি।এর নিচে রয়েছে লেক বাটু যা বালির সবচাইতে বড় প্রাকৃতিক হ্রদ। তো শুরু হলো আমাদের যাত্রা। যথারীতি কোর্টইয়ার্ড ম্যারিয়টের রাজকীয় ব্রেকফাস্ট বা ব্রাঞ্চ সেরে আমরা চললাম কিনতামানির পথে। পথে যেতে যেতে আবার সেই পলক না পড়া বিশাল সব মন ভরানো প্রাণ জুড়ানো স্ট্যাচু। আমাদের ড্রাইভারকে ধরে আমরা রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে ছবি তুললাম সেসবের কিছু কিছু। পথের ধারেই পটারী ফ্যাক্টরী। শৈল্পিক এসব চিত্রে সত্যই অবাক হতে হয়।

আড়াই ঘন্টা পথ পরিক্রমায় আমরা পৌছালাম কিনতামানি মাউন্ট বাটুর বা সুপ্ত আগ্নেয়গিরির পদপ্রান্তে। আমাদের ড্রাইভার সেখানে এক বিশাল রেস্টুরেন্টে গাড়ি পার্ক করিয়ে দিলো। বললো এ ছাড়া নাকি গাড়ি পার্ক করার জায়গা নাই! আমরা ব্রাঞ্চ করে এসেছি এখন খাবো কি করে! তবুও ড্রাইভারের জ্বালায় এখানে কিছু মিছু অর্ডার দিতে হলো এবং যথারীতি না শেষ করেই উঠতে হলো। তবে খাবার খেতে না পারলেও মাউন্ট বাটুরের অপরূপ সৌন্দর্য্যে প্রাণ জুড়িয়ে গেলো।
বাটুরের পাশেই বয়ে চলা সুনির্মল লেক প্রাণ ভরিয়ে দিলো। সেখানে কিছু স্যুভেনিয়র শপ ছিলো। আমি সুযোগ বুঝে ঝপাঝপ কয়েকটা হস্তগত করলাম।

~লুয়াক কফি গার্ডেন~ফেরার পথে কিছুক্ষনের জন্য একটি লেকের ধারে দাঁড়াতে গিয়ে বাঁধলো বিপত্তি। এক ঝাঁক ক্ষুদে পসারী আমাদেরকে ছেকে ধরলো। তাদের হস্তশিল্পগুলি না কিনে আমাদেরকে আসতেই দেবেনা। যাইহোক কোনো রকমে তাদের থেকে পরিত্রান পেয়ে আমরা ছুটলাম বিশ্ব বিখ্যাত কফি লুয়াক প্লান্টেশন গার্ডেনে ।

একটা দারুন স্মার্ট মেয়ে বর্ননা করছিলো কি ভাবে আদা, তুলশী নানা রকম হারবালে কফি তৈরী করে তারা এবং কফি বিন কেমন দেখতে হেন তেন। এরপর দেখি খাঁচার মাঝে বিড়ালের মত দেখতে কিছু প্রাণী। এরাও নাকি কফি বানায় মানে সিভেট নামের এই প্রানীর হাগু থেকে নাকি হয় কপি লুয়াক ( copy luwak)। সিভেটকে কফি ফল খেতে দেয়া হয়। খেয়ে দেয়ে কফি বীজ হজম করতে পারে না এরা। তাই আস্ত বীজগুলো হাগুর পরে বেরিয়ে আসে এসবই ধুয়ে মুছে কপি লুয়াক পাওয়া যায়। এটা নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কফি। এককাপ কফির দাম নাকি পাঁচ/ছয় হাজার টাকা। তাও নাকি এখানে একটু দাম কম কারণ এই কফি এই দেশে জন্মায়।
যাইহোক সেই স্মার্ট মেয়েটা আমাদেরকে ছোট ছোট কাপে চা-কফি এনে দিলো। ভ্যানিলা, ডার্ক চকলেট, আদা চা, লেমন গ্রাস চা, জিনসেং কফি। সবগুলো টেস্ট করে আমরা নিলাম হার্বাল, লেমন গ্রাস আে জিনসেং কফি। তাদের আসল বিশ্বখ্যাত কফি লুয়াক দিলো না সেটা নাকি দেওয়াই যাবেনা । খেতে গেলে নাকি সেই ৫/৬ হাজার খরচ করতে হবে। কাজ নাই তো! মনে মনে বললাম, এই বিশ্বখ্যাত আসল কফি লুয়াক ফ্রিতে দিলেও চাইনা। মাফ চাই।

~হোলি স্প্রিং~ এই হোলি স্প্রিং এ দেশ বিদেশ থেকে মানুষ আসে শাওয়ার নিতে। আমরা যখন সেখানে পৌছালাম সেটি ছিলো বৃষ্টিস্নাত পড়ন্ত দুপুর। চারিদিক ঝকঝকে তকতকে এবং অজস্র কারুকার্য্যমন্ডিত পাথরের মূর্তী। হোলি স্প্রিং কারু খচিত মন্দিরগুলিও মন ভরিয়ে দেয়। অনেকেই ঝর্না থেকে ঝরে পড়া পানিতে গোসল করছিলো, প্রার্থনা করছিলো।



সেই মোহনীয় পবিত্র দৃশ্য হৃদয়ে প্রশান্তির পরশ বুলিয়ে দেয়। এই হোলি স্প্রিং এর পাশেই রয়েছে সুবিশাল হান্ডিক্রাফটস মার্কেট। নানা রকম চোখ জুড়ানো শিল্পকর্মে হৃদয় ভরে নিয়ে আমরা জীমবারান বিচের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম।
~জীমবারান বীচ~ জীমবারান বীচে পৌছালাম যখন বিকালের সমুদ্র বিলাসে তখন গা ভাসাবার বেলা। হিমেল বাতাসে চারিদিক উন্মাতাল। বীচের বালুকা বেলায় চেয়ার টেবিল পেতে বসে আছে হাজারও পর্যটক। হালকা নাস্তা করছে, চা কফি ওয়াইন খাচ্ছে। কেউ কেউ বীচের পানিতে পা ভিজাচ্ছে । সবারই প্রতীক্ষা সূর্যাস্তের জন্য। একসময় দিকচক্রবাল আলো করে সূর্য্য অস্ত গেলো। বীচের সাথেই মনোহর মঞ্চে নেমে আসলো পরীদের মত বরমা ড্যান্সাররা। তাদের নাচ দেখতে দেখতেই চলে এলো ফিস গ্রীল, ফিস ফ্রাই সাথে বেতের ঝুড়িতে কলাপাতা বিছিয়ে সাদা ধপধপে ভাত আর শাকের ভর্তা। নানা রকম সস আর সালাদ। লবস্টার গ্রীল আর রেড স্ন্যাপার ফ্রাই অর্ডার দেওয়া হয়েছিলো। সেসব এ্যকুরিয়ামে কাঁচা সাজানোই থাকে অর্ডার দিলে সেখান থেকেই ভেঁজে দেওয়া হয়।

ফিস গ্রীল, যুই ফুলের মত স্টিমড রাইস আর নানা রকম মসলা মাখানো শাকের ভর্তা দিয়ে ডিনার সেরে ফিরবার পথে আকাশ আলো করে আতশবাজী উড়ছিলো। গানের দল মাঝে মাঝেই গান গেয়ে ঘুরছিলো। সে এক সমুদ্র বিলাসী সন্ধ্যা পিছে ফেলে আমরা ফিরে গেলাম আমাদের রিসোর্টে সেদিনের মত.....


চতুর্থ দিন বা ফোর্থ ডে ইন বালি

~মোহনীয় রোড স্ট্যাচু~ সেদিনের মেইন প্ল্যান ছিলো উলানদানু ফ্লোটিং টেম্পল। কিন্তু উলান দানু যাবার পথেই থমকে দাঁড়ালাম। বালীতে দেখা আমার হাজার হাজার সুদৃশ্য স্ট্যাচুগুলির মাঝে সব চাইতে মুগ্ধ করা স্টাচুটার সামনে। এই সুবিশাল সৌন্দর্য্য ক্যামেরায় বন্দী করা যায় না, যায় না দুচোখের স্মৃতিতেও বুঝি আটকানো। তাই তো যে দিকেই তাকাই সেদিকেই রহস্য যেন ফুরায় না। সুবিশাল যুদ্ধ প্রান্তরে বিশালদেহী ছুটন্ত ঘোড়াগুলি। দুটি তেজস্বিনী ঘোড়ার মাথার উপরে দুই পা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বীর যোদ্ধা। মুখোমুখি রথে ধনূর্বাণ হাতে আরেক অকুতোভয় সাহসী যোদ্ধা। মুগ্ধ করে দেয়। এই স্টাচুর পিছে ধর্মীয় ইতিহাস আছে দেব দেবী রাম লক্ষন সীতা রাবন জড়িত কিছু একটা। এই ইতিহাস তখনও আমি জানতাম না। Sang Satria Sejati, Gatotkaca | Patung Kuda বালিনিজ ভাষায় সকল ইতিহাস, তাই আমি বুঝিনি সে গল্প। আমাদের ড্রাইভার কাম গাইডও তেমন কিছু বলতে পারলো না তবে বাসায় ফিরে আমি অনেক কষ্টে এই স্টাচুর কিছু ইতিহাস পেলাম। এই স্টাচু গাতোকতাকে রি প্রেজেন্ট করে। ষে ছিলো একজন সাহসী এবং শক্তিশালী নাইট। বিমার ছেলে আর পঞ্চপান্ডবদের একজন। উড়্ন্ত দেবতা বা ফ্লাইং নাইট হিসাবে পরিচিত ছিলো। যার কাজ ছিলো আকাশ পথে পান্ডুয়া রাজধানীকে নিরাপত্তা ও রক্ষা দান করা। এই স্টাচু রিপ্রেজেন্ট করছে যুদ্ধক্ষেত্র পান্ডুয়া। গাতকতা ও রাজপুত্র কর্নের এই যুদ্ধে যার ঘোড়াগাড়ি চালক ছিলো সালিয়া কুরুয়া। গাতকতা নিজের জীবন উৎসর্গ করে কর্নের প্রানঘাতী অস্ত্রের কাছে। যে অস্ত্র একবারই ব্যবহার করা যেত অর্জুনকে বাচাতে। মহাভারতের নানা কাহিনীর ইতিহাস নিয়ে এখানে রয়েছে নানা রকম নাটক, নাচ বা স্থাপত্য শিল্প। তবে এই সুবিশাল সৌন্দর্য্যমন্ডিত স্টাচুটি শুধু সৌন্দর্য্যের জন্য নয় তাদের বিশ্বাস এয়ারপোর্টের আগত ও বহির্গত মানুষদের প্রটেকশনের জন্য এই মূর্তী বা মূর্তীর পিছে রক্ষাকারী দেব দেবীগণ ভূমিকা রাখে।

শুধু এই স্থাপত্য শিল্পটি নয় আরও অবাক করা দৃশ্য, এই স্টাচুর বিশাল রাজপথের ঠিক মধ্যখানে বিশাল প্রান্তরের সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলো যা সম্প্রীতি, পারস্পারিক সন্মান ও সৌজন্যবোধের প্রতীক। সেটি একটি মসজিদ, মন্দির এবং গীর্জা । এই মূর্তীর সামনেই গলাগলি করে দাঁড়িয়ে আছে তারা।একই প্রান্তরে একই কাতারে এই তিন ধর্মের উপসনালয় পাশাপাশি দাঁড়িয়ে বন্ধুর মত যেন হাত ধরাধরি করে।


~উলানদানু ফ্লোটিং টেম্পল~ যাইহোক দীর্ঘ আড়াই ঘন্টা পাড়ি দিয়ে পৌছালাম উলানদানু টেম্পলে। পথে বজ্রবৃষ্টি দেখে চিন্তায় পড়েছিলাম তবে আমরা যখন পৌছুলাম তখন বৃষ্টি ধরে গেছে। ঝিরঝির শীতল পানির ছাট হিম ধরিয়ে দেয় গায়ে। একজন ছাতাওয়ালী আমাদেরকে টাকার বিনিময়ে ছাতা ভাড়া দিলো। কিন্তু রংধনু সাতরঙ্গের সেই ছাতা যেন উলানদানু মন্দিরের রংধনু রঙ্গের সাথে মিলে মিশে একাকার হয়ে গেলো। অপরূপ সৌন্দর্যের দ্বীপ এই বালিতে রয়েছে অসংখ্য মন্দির। পুরা ইন্দোনেশিয়ায় বালীই একমাত্র স্থান যেখানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। বেশ কিছু মন্দির রয়েছে এখানে যা পর্যটকদের অবশ্য দর্শনীয়। যেমন- উলুন দানু, তামান আয়ুন, উলুওয়াতু ওয়াটার মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির।

উলানদানু মন্দিরটির আশপাশ জুড়ে রয়েছে বাগান ও হংসমিথুন সদৃশ বোটে করে নৌ ভ্রমন করা যায়। সুনীল জলরাশির মাঝে সুউচ্চ মন্দিরের সৌন্দর্য্য প্রান ভরিয়ে দেয়। এর পাশেই রয়েছে খাবারের দোকানগুলি। আমরা সেখানে বিকালের নাস্তা খেলাম। এরপর তাদের হস্তশিল্প মার্কেটে ঢুকে আমি আর সহজে বের হতে পারলাম না। যখন বের হলাম সাথে ছিলো সিরং, টপস, ক্যাপ,চুড়ি, মালা, ব্রেসলেট, ফ্রিজ ম্যাগনেট,ব্যাগ, বেল্ট ও নানা রকম জিনিসপাতি তবে সবচেয়ে আনন্দ হলো যা কিনে তা হলো কেচাক ড্যান্স ডল। একটা নেবো নাকি দুইটা নাকি তিনটা করে করে শেষে ৪টা ডল নিয়ে নিলাম। ওহ আরেকটা কথা। কেচাক ডান্স ডলের মতই কেচাক ড্যান্সের মুকুটগুলি কিনেও আমি কম আনন্দিত হইনি।

এরপর ফিরে এলাম ফের নুসা দুয়া বালি কালেকশনে। এক গাঁদা হাবিজাবি কিনে ব্যাগ বোঝাই করে রুমে ফিরলাম আমরা।

বালিতে পঞ্চম দিন

~স্যুইমিং পুল~হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়তে চাইনি বলে এই রিসোর্টের মনোমুগ্ধকর স্যুইমিং পুলে ঘন্টার পর ঘন্টা ডুবে থাকার ইচ্ছাটা এই কদিন দমন করেছিলাম। কিন্তু যাবার সময় ঘনিয়ে আসছিলো তাই লাস্ট দুদিন আর স্যুইমিং পুলে না নেমে পারলাম না। আগেই বলেছি স্বর্গীয় উদ্যানের মত সাজানো এই রিসোর্টটি। স্যুইমিং এ বসেই পাওয়া যায় নানা রকম পানীয়। চারিদিকে লাইফ গার্ডের সতর্ক অবস্থান ও যে কোনো রকম সাহায্যের আয়োজন সত্যিই অবাক করে। আসলে শুধু এই হোটেলটিতেই নয় পুরো বালীর সকল মানুষের সৌহার্দ্যপূর্ন আচরণ আর হাসিমুখ মনে রাখবার মত।

~কুটা বীচ ও কুটা স্কোয়ার~পুরো সকালটাই বলতে গেলে স্যুইমিং এ কাটিয়ে আমরা গেলাম কুটা বীচ। কুটা বিচ এখানকার দীর্ঘ বালুকাময় সমুদ্র সৈকত। এই বিচ কখনো ঘুমায় না যত রাত বাড়ে এই বিচ ও আশেপাশের দোকান পাট মানুষজন তত জেগে ওঠে। সারা বিকেল বিচে কাটিয়ে আমরা বের হলাম কুটা স্কোয়ারের উদ্দেশ্যে । এ মাথা থেকে ও মাথা হেঁটে হেঁটে চষে বেড়িয়েছি। পুরো শহর আনন্দে ঝলমল। তাজা মাছের গ্রীল, চিকেন, বীফ থেকে শুরু করে নানা রকম খাবারের পসরা। ম্যাক ডোনাল্ড, বার্গার কিং এর মত শপগুলোও রমারমা আগমনী বার্তা জানা্চ্ছে। বড় বড় শপিং মলগুলোর আলোকিত সজ্জা আমাকে হাত ছানিতে ডাকছিলো। আমি পারফিউম, দুল আর কিছু শো পিস কিনে চরম শপিং বিদ্বেষী আমার সঙ্গী সাথীদের বিরক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে ঘুরে ঘুরে তাদেরকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে সেদিনের মত শপিং এ ক্ষ্যান্ত দিলাম।

~আর্ট মার্কেট~ কুটা স্কোয়ারের আর্ট মার্কেটের কথা ভোলা যায় না। কি নেই এখানে!! এমনিতেই হস্তশিল্পের দারুন পরিচায়ক বালীনিজরা। তাদের কারুকার্য্যের বিশাল বিশাল নিদর্শন ছড়িয়ে আছে সারা দেশ জুড়েই। তবুও এই আর্ট মার্কেটগুলোতেও দেখার ও কারো সংগ্রহের শখ থাকলে তা অতি সহজেই পেয়ে যাবার জন্য এই আর্ট মার্কেটগুলি অতুলনীয়। এখানে বিশাল বড় এ্যকুরিয়ামে ছোট ছোট মাছের মাঝে হাত ডুবালেই তারা ঝাক বেঁধে ছেকে ধরে ও হাতের ডেড সেলগুলি খেয়ে ফেলে। যাই হোক মাছ দিয়ে আমার হাত খাওয়াবার কোনো সাধ নেই আমার যদিও, তবে অনেকেই এই কাজে দারুন মজা পাচ্ছিলো।

ফেরার সময় আমরা ফের গেলাম ম্যাকডোনাল্ডে। বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ আর কোক হলেই আমাদের রাতের ডিনার চলে যায় আর তাছাড়া সারাদিন ঘুরাঘুরিতে চিপস বাদাম আর বিস্কিটের সাধ্যে আমাদের তেমন খিধেও ছিলো না। রাত প্রায় ১১ টায় হোটেলে ফিরলাম আমরা রাতের মনোমুগ্ধকর কুটার আলোকজ্জ্বল নগরী পরিভ্রমন করে।







ষষ্ঠ ও শেষ দিন ইন বালি
~ এক টুকরো স্বর্গীয় উদ্যানের কোর্টইয়ার্ড বাই ম্যারিয়ট~ শেষমেষ এলো ফিরে যাবার বেলা।স্যুইমিং আর ব্রেকফাস্ট শেষে। আমরা পুরো হোটেল ট্যুরের আয়োজন করলাম। এই হোটেলের মনোহর সৌন্দর্য্যের কথা আগেই বলেছি এখন শুধু ছবি তোলার পালা। আমাদের রিসোর্টর্টি ছিলো কোর্টইয়ার্ড বাই ম্যারিয়ট। এখানে রয়েছে অপূর্ব সুন্দর সজীব সবুজ ঘাস আর ভাস্কর্য্যের উদ্যান, গল্ফ মাঠ, স্যুইমিং পুল, নিজেদের বিচ এরিয়া, বিচ রেস্টুরেন্ট, ফ্রি ট্রান্সপোর্ট টু বিচ আরও আরও নানা সুবিধাবলী। যতটুকু পেরেছি ছবি তুলে রাখার চেষ্টা করেছি আমি। যদিও আমার এহেন কার্য্যকলাপে আমার সঙ্গী সাথীরা বড়ই বিরক্ত ছিলো। আমি তাতে নো পাত্তা....

~ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা ~ শেষ মেষ আকাশপথে দীর্ঘ পরিভ্রমন শেষে পা রাখলাম দেশের মাটিতে। তখন রাত ১২ টা। বুক ভরে শ্বাস টেনে নিলাম। চোখে নিয়ে ভ্রমনের স্মৃতি, বুকে নিয়ে রাশি রাশি ভালোলাগাময়তা তবুও স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে গেয়ে ওঠে প্রাণ.....ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা.......অস্ফুটে চুপি চুপি নিজেকেই বললাম, সকল দেশের সেরা সে যে আমার জন্মভূমি......

মন্তব্য ১৯৬ টি রেটিং +২৫/-০

মন্তব্য (১৯৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৩১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ও নবর্ষে ব্লগানন্দ বালি করে বালিতে ভালোইতো বেড়ালেন দেখি ! চায়না ক্লের মতো দারুন ঝকঝকে বর্ণনা পাওয়া গেলো বালির | ফটোগুলো খুবই সুন্দর উঠেছে ফটোগ্রাফার যেই হোক | ম্যারিয়টের খাবারগুলোর চেয়ে আপনি আমাদের যে প্লেটভর্তি যে খাবারগুলো সবসময় খাওয়ান সেগুলোই মনে হয় বেশি মজা |খাবারের ফটোগুলো দেখে তাই মনে হলো | ও আরেকটা কথা বালি-তো ইয়োগা আর মেডিটেশন রিট্রিটের জন্য খুব নামকরা |আপনার ইয়োগা করার কোনো ফটোতো দেখলাম না ! লেখার প্রত্যেকটা লাইনে লাইনে আপনার হাতের ছোয়া | মানে লেখা খুব সুন্দর সেটা কি আবার বলতে হবে ?

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৩৮

শায়মা বলেছেন: ভয়ে ছিলাম এত ছবি দেওয়ায় পোস্টই খুলবে কিনা এটা ভেবে আর পোস্ট না খোলার কারণে মনে মনে বকা খাওয়ার কথা ভেবে।
যাইহোক ভাইয়া বালি দেখে এখনও মন ভরেনি। আরও এক সপ্তাহ বেশি থাকলেই মনে হয় ভালো ছিলো। যাবার আগে স্বপ্নেও ভাবিনি সে এক স্বপ্নের দেশে যাচ্ছি।

রোজ রাতে ফিরে এসেই লিখে রাখতে চেয়েছিলাম সারা দিনের বৃত্তান্ত। তবে এই পোস্ট লিখতে গিয়ে মানে পাবলিসের পরে মনে হলো কেচাক ডান্সার পুতুলগুলোর ছবি দেওয়া হয়নি! :(

আমার খাবার তো বিশ্ব সেরা কিন্তু ম্যারিওটের খাবারও আমি মিস করছি রোজ সকালে! :( আহা ডোনাটস!!!!!ইয়াম্মী ইয়াম্মী!!!!!

ইয়োগা মিওগা কে করে আমি তো সারাদিন ঘুরছিলাম ইয়োগায় বসার টাইম নাই ভাইয়া!!!!! :P

এই লেখা লিখতে গিয়ে তিনটা কলম ভেঙ্গেছি !!!!!!!!! :P

২| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৩২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: ছবিগুলো চোখ জুড়ানো।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪০

শায়মা বলেছেন: আর লেখাটা!!!!!!!


বলো বলো মন ভরানো!!!!!!! :P

৩| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৩৪

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: কি সুন্দর !

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪১

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়া!!!!!!

কেমন আছো ভাইয়ামনি!!!!!!!

৪| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৩৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


বিরাট কাহিনী, গালিভার'স ট্রাভেল বইটা কত পাতা ছিল ভুলে গেছি।

সর্বশেষ ছবিতে, যেখানে মহিষ চরাতে দেখা যাচ্ছে, ঐ লোকটার কাপড় চোপড়ে কেমন মনে হয়েছে, গরীব?

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৬

শায়মা বলেছেন: ৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৩৪ ০

চাঁদগাজী বলেছেন:


বিরাট কাহিনী, গালিভার'স ট্রাভেল বইটা কত পাতা ছিল ভুলে গেছি।



ভুলেই তো যাবে। এ আর কি আশ্চর্য্য কথা! সে কত বছর হলো যখন তুমি বালক ছিলে তখন পড়েছিলে। এখন তুমি বুড়া হয়ে গেছো ভাইয়া। এই বয়সে এত কিছু কি মনে থাকে বলো! যাইহোক আমি বলে দিচ্ছি আমার কাছে যেটা আছে সেটা ২৬২ পেজের। :) মনে রেখে দিও আবার ভুলো না । রোজ রোজ মনে করাতে পারবোনা।

(সর্বশেষ ছবিতে, যেখানে মহিষ চরাতে দেখা যাচ্ছে, ঐ লোকটার কাপড় চোপড়ে কেমন মনে হয়েছে, গরীব?)

না গরীব মনে হয়নি। বরং খুবই সুন্দর ঝকঝকে তকতকে বাংলার কৃষক আর বাংলার মনোমুগ্ধকর ছবি । তাই তো সারা বিশ্ব দেখে আসলেও আমার এই ছবিই ভালো লাগে। তুমি বিদেশ থেকে থেকে চোখ নষ্ট করে ফেলেছো ভাইয়া।


:( :( :(

চোখের ডক্টর লাগবে ভাইয়ামনি!!!!!!!!!! :P

৫| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৩৬

জাহিদ অনিক বলেছেন:





জাভেদ আংকেল নিজের ক্রেডিট কার্ড দিয়ে সব কিছু করে দিয়েছে এই তথ্যটা যদি জানা যেত!
ইশ!!!
আমার পুরো একটা উইন্টার ভ্যাকেশন ছিল!!


১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৮

শায়মা বলেছেন: আরে না!!!!!!!! পরে আবার নিয়ে নেয়!!!!!!! :(

৬| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৩৯

আল ইফরান বলেছেন: যথেস্ট সময় ও ধৈর্য্য নিয়ে লিখেছেন, প্রথমবার দেখে ভাবলাম পরে পড়বো। আর এই দিকে লেগে গেলো বিশাল জ্যাম, মাঝখান দিয়ে পড়াও হয়ে গেলো।
ভালো লিখেছেন, পড়ে ভালো লাগলো :)

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫০

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ ঠিকই বলেছো ভাইয়া যথেষ্ঠ সময় ও ধৈর্য্য নিয়েই লেখা। এই আইডিতে আমি অনেকদিন হলো সময় নিয়ে ভেবে চিন্তে ছাড়া আর লিখিনা অন্য কিছু আইডিগুলোকে যা খুশি তাই লেখার জন্য অপশনাল রাখি! হা হা হা যাইহোক আসলে রোজ রোজ ফিরে এসেই সেদিনকার সকল বৃত্তান্ত লিখে রেখেছিলাম তাই তো লেখাটা সহজ হলো!

অনেক অনেক থ্যাংকস ভাইয়ামনি! অনেক ভালো থেকো।

৭| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: আমি বড় বাংলা লেখা পড়তে পারি না। :|

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫২

শায়মা বলেছেন: হায় হায় কেনো কেনো !!!!!!

এইটা একটা অধৈর্য্য ও অমনোযোগীতার লক্ষন রোগ। শিঘ্রী মেডিটেশন করো ভাইয়ু!!!!!!

৮| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫৬

একটি আটলান্টিক বলেছেন: লেখাটা এখনো পড়ছি আপু।

পড়ার মাঝখানে এসে ঘন্টা বাজিয়ে গেলাম।

পুরোটা পড়ে শেষ করে আবার আসছি।ছবিগুলো দেখে তো কাইত হয়ে গেছি !:#P

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০২

শায়মা বলেছেন: হাহাহা ওকে ভাইয়ু!!!!:)

৯| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


"না গরীব মনে হয়নি। বরং খুবই সুন্দর ঝকঝকে তকতকে বাংলার কৃষক আর বাংলার মনোমুগ্ধকর ছবি । তাই তো সারা বিশ্ব দেখে আসলেও আমার এই ছবিই ভালো লাগে। তুমি বিদেশ থেকে থেকে চোখ নষ্ট করে ফেলেছো ভাইয়া। "

- যে ছবিটি আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে, শুধু সেটার কথাই জানতে চেয়েছি, শুধু সেই লোকটার কথা জানতে চেয়েছি, বাকীগুলো নিয়ে তো প্রশ্ন করিনি।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৯

শায়মা বলেছেন: আমারও যে কথাটি মনে হয়েছে আমিও সেটাই বলেছি তোমার চোখে ভালো লাগার ছবিটির মানুষটিকে গরীব গরীব লাগছে বলে সন্দেহ প্রকাশ কারণ একখানা প্রশ্নবোধক চিহ্নও দিয়েছো ভাইয়া তাই আমিও বলেছি!

তুমি যেমন অনেকেরই প্রশ্ন না করা নিয়েও প্রশ্ন করো তেমন আর কি ব্যাপার টা! :) :) :)

১০| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: ডাইলেক্সিয়া'র মত হয়ে গেছে মনে হয়!!! :)

গত ১ বছর ধরে এই অবস্থা। অনেক বই কিনি, কিন্তু পড়া হয় না।

তবে, ছবিও কিন্তু কথা বলে।

তোমার ছবিগুলো কথা বলছে।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৫

শায়মা বলেছেন: দাঁড়াও বাদ পড়ে যাওয়া মানে ভুলে যাওয়া ছবিগুলো এখানে দিয়ে দেই! :)

১১| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৪

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: বালি তে যাওয়ার প্ল্যান করছিলাম লাভ হলো তোমার পোস্টে তাই প্রিয় তে নিলাম।

কোথায় কোথায় যাওয়া যাবে আগেভাগেই জেনে নিলাম

ভালোবাসা আপু

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২৪

শায়মা বলেছেন: আরও জানতে চাইলে জানাবো আপুনি!!!!!


অনেক অনেক ভালোবাসা!!!!!! :)

১২| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৮

শুভ_ঢাকা বলেছেন: শায়মা আপু,

চমৎকার লেখা আর ছবির অনবদ্য সমন্বয়। এক্সিলেন্ট।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২৪

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়ামনি!!!!!!

১৩| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


বালির লোকজনের আর্থিক অবস্হা কেমন মনে হলো?

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪৫

শায়মা বলেছেন: বালির অর্থনৈতিক অবস্থা বেশ ভালো। সবচেয়ে ভালো তাদের সুখী সুখী চেহারা এবং বন্ধুত্বপূর্ন আচরন। বালিতে মানে ইন্দোনেশিয়াতেই মুদ্রার নাম রুপিয়া। মুদ্রাগুলো দেখো---


২ বোতল পানির দাম ১০,০০০ রুপিয়া, ম্যাকডোনাল্ড বার্গার ২ টা ১ লক্ষ। দুইটা কাঠের মূর্তী কিনেছি ৭ কোটি ।

এত লক্ষ কোটী টাকার বেচা কেনা যেখানে সেখানে মানুষ কি গরীব থাকতে পারে!!!!!!!!

আর তাই তো এত হাসিখুশীও তারা।

এই যে আমার ৭ কোটি মূল্যের দুইটা কাষ্ঠ মূরতী! :)

১৪| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২০

মরুচারী বেদুঈন বলেছেন: বিশাল পোষ্ট!
আগে বলেন ছবিগুলো কে কে তুলেছে?

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪৭

শায়মা বলেছেন: বলবোনা যাও!!!!!!! :(


তবে কানে কানে বলে রাখি----


ফটোগ্রাফার - মাই রোবো হাসব্যান্ড! :)

১৫| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: ছবিগুলো'র জন্যে ধন্যবাদ।

আর.......মোহাম্মাদ রকিবুল হাসান-কে তুলে ধরার জন্যে অনেক বড় ধন্যবাদ।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৩

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ, থ্যাংক ইউ!!!!!! সবই আমার রবো হাসব্যান্ডের কেরামতী! :)


আর রকিবুল হাসান রিয়েল ফটোগ্রাফার। যদিও সেটা আজই জানলাম আমার অপরূপা বাংলাদেশের একখানা অপরুপ ছবি খুঁজিতে গিয়ে!!!!!!!!!!

১৬| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩১

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: যদি স্বর্গের দেশ যেতে পারতাম। ;)

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৫

শায়মা বলেছেন: চলো চলো যাই ভাইয়ু!!!!!!!!!!

১৭| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩৩

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: প্লেনে উঠলে আমার বমি বমি লাগে; একারণে দেশের বাহিরে যাই না। :P

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৮

শায়মা বলেছেন: শুধু বমি!!!!!!!

আমার যে কত কিছু হয়----

১। হায় হায় চারিদিকে বন্ধ এখন যদি নিশ্বাস বন হয়ে যায়!
২। হায় হায় এসি নষ্ট হয়ে গেলে কি হবে!!!!!!
৩। হায় হায় এত উপর থেকে কই যে পড়ি!!!!!!!
৪। হায় হায় মাটিতে পড়বো নাকি সাগরে!!!!!!
৫। সাগরে পড়লে উফফ!!!!! নিশবাস বন হয়ে তিল তিল করে হাসফাস মরা!!!!
৬। মাটিতে পড়লে এক আছাড়েই শেষ!!!!!!!
৭। পড়ার সময় ঐ যে রোলার কোস্টারে যেমন বুকের মধ্যে থেকে জাানটা বের হয়ে আসে তেমন হবে নাকি অন্য রকম
৮। ইয়া খোদা চারিদিক বন করে দিসে, প্লেনটাও আকাশের উপরে কোন দিক দিয়ে এখন নামি!!!!!!!!

আম্মা!!!!!!!!!! বাঁচাও আমারে!!!!!! :( :((

১৮| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩৫

প্রামানিক বলেছেন: বালি পুরোটাই হিন্দু এলাকা

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:০৫

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ ভাইয়া!! ৯৫% হিন্দু। কিন্তু সেখানে পারস্পারিক সহমর্মিতা সমঝোতার এক আশ্চর্য্য প্রমান মেলে।


এই দেখো একই কম্পাউন্ডে একই গেটের ভেতরে মসজিদ, মন্দির আর গীর্জার সহাবস্থান।

১৯| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: এতো লম্বা পোস্ট!!! বতুতার সুদীর্ঘ বয়ান।এতো বড় পোস্ট এর সঙ্গে চা ফ্রি হলে ভালো হতো। চা না থাকা সত্ত্বেও পড়লাম। সমুদ্র সৈকত আমার খুব ভালো লাগে। গভীর রাত পর্যন্ত মাদুর পেতে শুয়ে ছিলাম পেনাং বীচে। কবিতা ও লিখেছি। ছবিগুলো বেশ হয়েছে।লেখার সাবলীল। তবে ঢঙ ঠিক ই বহাল তবিয়তে বিরাজমান। খাবার বেশ লোভনীয় মনে হচ্ছে।বালি দ্বীপ যাইনি এখনও। সুযোগ পেলে যাবো। তবে এতো লম্বা পোস্ট দিতে পারবোনা। একখানা লম্বা কবিতা লেখার চেষ্টা করবো। +++

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১১

শায়মা বলেছেন:
এই নাও। চা বানায় খাও। বালি দ্বীপে গিয়ে আরও চা নিয়ে এসো। তারপর বানায় খেও!:)

২০| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪২

নির্লিপ্ত হিমু বলেছেন: একটা প্রশ্ন: আমি এখনো নিরাপদ ব্লগার হচ্ছি না কেন? আমার ব্লগ এখনো প্রথম পাতায় যাচ্ছে না কেন? এটার জন্য আমি ভাল করে লেখতেও পারছি না। ব্লগ প্রথম পাতায় না প্রকাশিত হলে ব্লগ লেখাটাই বৃথা।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২১

শায়মা বলেছেন: প্রথম পাতায় লেখা না প্রকাশ হওয়া আসলেই কষ্টের । কিন্তু ব্লগে এবং ব্লগ লেখার এবং প্রথম পাতায় সেটা নিয়ে যাবার এক অব্যার্থ পদ্ধতি আছে।

১। রোজ রোজ বা দু এক দিন বাদে বাদে পোস্ট লেখা।
২। পোস্টের কনটেন্ট ফেসবুক স্টাইলে হলে চলবে না মানে কয়েক লাইন লিখে স্টাটাস দিয়ে দিলাম সেটা হলে জীবনেও প্রথম পাতায় যাওয়া হবে না।

৩। ব্লগের পোস্ট আর ফেসবুকের স্টাটাসের পার্থক্য বুঝতেই হবে।

৪। ব্লগেও যা মনে আসে তা লেখা যায় তবে তার মাঝেও কিন্তু আছে।

৫। মোট কথা ভালো লেখা বা একটু সময় নিয়ে মন দিয়ে আর্টিকেল টাইপ কিছু লেখার চেষ্টা করো ভাইয়া। কবিতা বা গল্পও হতে পারে। তোমার লেখাই তোমাকে প্রথম পাতায় এনে দেবে।

৬। অন্যের ব্লগ পড়ো, মন্তব্য আদান প্রদান এসবও ব্লগ লিখতে শেখায়। আমি তো আগে অবাক হয়ে ভাবতাম মানুষ এত টপিক কোথায় খুঁজে পায়!

৭। আজ মাথায় অনেক টপিক। লেখার সময় নাই ! :(

২১| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৮

মরুচারী বেদুঈন বলেছেন: রেডি থাকেন বিশাল কমেন্ট রেডি করতেছি! আর পুর্বের মন্তব্যের জন্য :(:)(

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৪

শায়মা বলেছেন: বিশাল কমেন্ট করো নো প্রবলেম! কিন্ত পূর্বের মন্তব্যে কি হলো!!! #:-S

২২| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৯

মরুচারী বেদুঈন বলেছেন: রেডি থাকেন বিশাল কমেন্ট রেডি করতেছি! আর পুর্বের মন্তব্যের জন্য :(:)(

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৬

শায়মা বলেছেন: কি হয়েছে!!!

২৩| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:০৫

মরুচারী বেদুঈন বলেছেন: নির্লিপ্ত হিমু বলেছেন: একটা প্রশ্ন: আমি এখনো নিরাপদ ব্লগার হচ্ছি না কেন? আমার ব্লগ এখনো প্রথম পাতায় যাচ্ছে না কেন? এটার জন্য আমি ভাল করে লেখতেও পারছি না। ব্লগ প্রথম পাতায় না প্রকাশিত হলে ব্লগ লেখাটাই বৃথা।


ভাই, এটা কাভা ভাইকে বলিয়েন অথবা ইমেইল করেন!
ধৈর্যধারণ করেন না পারলে নিজেরে বুঝান লেইখা কোন টাকা পয়সা নাই সুতরাং........!
কাভা কাল্পনিক ভালোবাসা
আশা করি বুঝেছেন!

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৮

শায়মা বলেছেন: কাভা ভাইয়া কি এত উপদেশ দিতে পারবেন!!!!!

আমি দেখো সব ভালো ভালো উপদেশ দিয়ে দিয়েছি!

এই সব অব্যার্থ নীতি!!!!!


কত নিক প্রথম পাতায় আনলাম !!!!!!!!! :)

২৪| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১২

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: হুমম, বুঝলাম.... :P

শায়মা আপা, উপরের ছবিতে দেখলাম; তোমকে এক বেটার লগে কি যেন এক প্রর্থনা করতে!!
এখন তাহা কি কবুল হইয়াছে? :P

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩২

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ ঐ বেটা অগ্নিদেব। মানে আগুনের উপরে নাচতে পারে । আগুন দিয়ে অগ্নিবাণ মারতে পারে। এমনকি আগুন খেয়েও ফেলতে পারে। :)

তার সাথে প্রার্থনা করলাম এই বছরে যদি কেউ আমার সাথে বেত্তমিজি করতে আসে তাইলে যেন অটো আগুনে ভস্ম হয়ে যায়! :)

প্রার্থনা কবুল হয়েছে কিনা দেখার জন্য এখন আমার সাথে লাগার কারু জন্য ওয়েট করিতে হইবেক! :)

২৫| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১৬

প্রামানিক বলেছেন: ক্যামেরাম্যান মনে হয় খুবই আনাড়ি, ছবি আছে তো দেহের অর্ধেক নাই, আবার দেহ আছে তো মাথা নাই, আবার দেহ মাথা দু'টোই আছে অথচ হাত জোড় করে দাঁড়ানো ছবিতে কে যেন মুখে কালি লেপে দিয়েছে, যে এইরকম ছবিগুলো তুলেছে সে মোটেই ভালো কাজ করে নাই। ভ্রমণের স্মৃতিটাই নষ্ট করে দিয়েছে।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৪

শায়মা বলেছেন: কি আর করবো বলো! রোবো বলে কথা! ছবিই তুলতে পারে না ! :( শুধু ঝাপসা করে দেয় বা হাত পা মাথা কেটে দেয়! :(

২৬| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩২

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: বালি গিয়ে খেয়েদেয়ে স্বাস্হ্য অনেক বাড়িয়েছেন। এবার পদ্মার চরে গিয়ে হেটে অতিরিক্ত স্বাস্হ্য কমাবেন।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৬

শায়মা বলেছেন: কেনো কেনো!

সাস্থ্য কমাবো কেনো!!!!!!

পদ্মার চরে গিয়ে বুঝি ইলিশ খাবো না!!!!!!


তারপর ফুচকা, চটপটি। ফজলী আম, ল্যাংড়া আম। :)

২৭| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৮

ধ্রুবক আলো বলেছেন: ছবি গুলো সুন্দর লাগলো। সকালে পুরো লেখাটা পড়বো।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৪১

শায়মা বলেছেন: ওকে ভাইয়া!!

২৮| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫৮

মরুচারী বেদুঈন বলেছেন: আমি কুড়ের বাদশার শিষ্য হওয়াতে কবে যে বিশাল কমেন্টটা দিতে পারব!!!

আপাদত-
প্রত্যাখ্যান করা খাবারের ছবি হবে?
৫ নং ছবি দেখে চিন্তা আসল - মেয়েরা হাতের নখ বড় রাখে কেন? খেতে সমস্যা হয় না? কেউ কিছু বলেনা? ঝামেলা লাগেনা?

দু একটা হেয়ার ক্লিপ দেখানতো! :) ভবিষ্যৎ এ কাজে লাগতে পারে ;)

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:২৩

শায়মা বলেছেন: আরে না প্রত্যাখান করা খাবারের আবার ছবিও তুলবো!!!!!!!!!!

ওয়াক থু!!!!!!

আর আমি হাত দিয়ে খাইনা ভাইয়া!

চামচ দিয়ে খাই!

আর আমাকে কে কি বলবে রে!!!!!!!!!

কার ঘাড়ে কয়টা মাথা!!!!!!!!


ক্লিপগুলোর ছবি তুলে দেখাবো পরে!!! :)

২৯| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৩৬

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: অনেক বড় পোষ্ট । মাঝখানে ফাঁকি দিয়ে পড়েছি । ছবি গুলো আর বর্ণনা অসাধারন ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৪৩

শায়মা বলেছেন: নো ফাকি দেওয়া হাফসামনি!!!!!!!!!!

মন দিয়ে পড়ো!!!!!! :)

৩০| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৫৫

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: 'বালিতে তোমার নাম লিখে দেব, জলে ধুয়ে যাবে; জলে ধুয়ে যাবে'

বালীর কথা শুনলেই আমার এই গানটার কথা মনে পড়ে। খুব আনন্দ করেছেন নিশ্চয়ই। আমি আনন্দিত।

আপনার বাসায় আমার কিন্তু দাওয়াত পাওনা। চাইলে দিতে পারেন

আপনার রান্নার সপ্রশংসা রিভিউ দেব

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:১৩

শায়মা বলেছেন: ওকে দাওয়াৎ দিলাম!!!!!!!!! :D

শুধু প্রশংসায় চলিবেক না।


একখানা শাড়ি গিফটো লাগিবেক!!!!!! :P

৩১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:৩৪

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: পোস্টে এন্টি রাত ৮:৩০ কিন্তু শেষ করতে লেগেছে বাকীটুকু সময়। এতো মনো যোগে আর কোন পোস্ট দেখেছি কিনা মনে পড়ে না আপুনি। তোমার পোস্ট এমনিতে আমার কাচে অমৃত। যাইহোক এহেন এই সুন্দর কর্মের জন্য তোমাকে অনেক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:৪১

শায়মা বলেছেন: অনেক অনেক ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতা ভাইয়া! :)

৩২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ২:২৬

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: বালির নাম স্বভাবতঃই জানতাম।। আজ দেখলাম ও জানলাম।।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৩৭

শায়মা বলেছেন: আমার পোস্টের মাঝ দিয়ে দেখা ও জানার জন্য অনেক অনেক থ্যাংকস ভাইয়ামনি!!!!

৩৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ ভোর ৫:১১

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: এক সাথে এতো ছবি এতো লেখা পড়ে শেষ করার নয়, তবে বাড়ির বাড়িঘর গুলো দেখলে মনে হয় এটা হাজার বছরের প্রাচীন কোন নগর............ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম আপু।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:১২

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া এ কমেন্ট পড়ে বুঝলাম এই পোস্ট এখনও অসম্পূর্ণ আছে। বালি বাড়িঘরগুলি দেখে আমারও মনে হয়েছে হাজার বছরের প্রাচীন ঐতিহ্য এখনও তারা বয়ে নিয়ে আসছে!প্রতিটা বাড়ি ঘরের দেওয়াল গেট দরজা জানালা সবই নানা রকম ভাস্কর্য্য খচিত! সে যেন এক অন্য জগত!

দাঁড়াও আমি আরও আরও ছবি এড করে দিচ্ছি!

৩৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৮:৫২

নতুন নকিব বলেছেন:







পোস্ট পড়ে আর ছবিগুলো দর্শনে রবী ঠাকুরের কথাগুলোই মনে বেজে ওঠে-

বহু দিন ধরে, বহু ক্রোশ দূরে
বহু ব্যয় করি, বহু দেশ ঘুরে
দেখিতে গিয়াছি পর্বতমালা, দেখিতে গিয়াছি সিন্ধু।
দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া
একটি ধানের শিসের উপরে, একটি শিশির বিন্দু

ধন্যবাদ। শুভকামনা।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:১৫

শায়মা বলেছেন: একদম তাই ভাইয়া।


নিজের দেশের মত আর কিছু নাই!

তবে একটি ধানের শিশির বিন্দু নহে আমার দেশের প্রতিটা ধানের পরে প্রতিটা শিশির বিন্দুই আমার দেখা হয়েছে!

মানে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া! :)

৩৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:২৭

জুন বলেছেন: কেন জানি বহুবার প্রোগ্রাম করেও কল্পনা আর ছবিতে দেখা প্রাচীন দুই বিখ্যাত শহর ইন্দোনেশিয়া আর ইস্তাম্বুল যাওয়া হয়ে ওঠেনি শায়মা । তবে তোমার এই ম্যাগনিফিসেন্ট পোষ্ট দেখে আবার সেই ইচ্ছেটা জেগে উঠলো মনে । দিন সাতেক আগে আমরা অবশ্য আলোচনা করছিলাম ইন্দোনেশিয়ার প্রাচীন + ঐতিহাসিক বরবদুর ঘুরে আসার । তোমার লেখা পড়ে মনে হলো ভ্রমন কাহীনি লেখার অনেক কিছুই শেখার আছে তোমার কাছ থেকে :)
অনেক অনেক ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম ।
+

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২২

শায়মা বলেছেন: হা হা হা আপুনি!!!!!!!


কালকে সোহানী আপু বললো আমি নাকি সামু ব্লগের ব্র্যান্ড নেম। এটা শুনে টেবিলের নীচে লেপ কাঁথা কম্বল নিয়ে ঢুকেছিলাম সাথে এই ল্যাপটপ যা দিয়ে এই ভ্রমন কাহিনী লিখলাম। আর আজ তোমার কাছে মানে ব্লগ বতুতার কাছে শুনলাম আমার কাছে নাকি সে শিখবে ভ্রমন কাহিনী লেখা!!!!!!!!!! আমি নাই নাই নাই একদম নাই! মাটির নীচে গোপন কুঠুরীতে ঢুকে গেলাম!!!!!! :P

৩৬| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:০১

রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর পোষ্ট।
ভালো লাগলো।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩২

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়ামনি! :)

৩৭| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:২০

নিয়াজ সুমন বলেছেন: আহ !- পৃথিবী কত্ত সুন্দর !!
পঙ্খীরাজের ডানায় ভর করে দিয়ে যদি এক পলক পুরা পৃথিবী চক্ষর দিয়ে আসতে পারতাম!!!
অপূর্ব ছবি আর চমৎকার বর্ণনায় এই শীতের জম কুয়াশায় শীতল ঠান্ডা পালিয়ে যে গেল –

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৯

শায়মা বলেছেন: হা হা ঠিক তাই ভাইয়া আলাদীনের ম্যাজিক কার্পেট লাগবে!!!!!! এক চক্করে পৃথিবী ভ্রমন!!!!! :) :) :)

৩৮| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৩৫

একটি আটলান্টিক বলেছেন: আপু পোষ্টটা প্রিয়তে নিলাম।

এরকম ভ্রমনকাহিনী নিয়ে সামুতে বছরে তিন-চারটার বেশি লেখা হয়না।লেখাটা PDF করে রেখে দেব।ইন্দোনেশিয়াকে আমি আগে লিলিপুটিয়ানদের দেশ ভাবতাম।এখন দেখছি দেশটা খুব সুন্দর।তোমাকে ৯.৪/১০ দিলাম

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:০১

শায়মা বলেছেন: ৯.৪ কেনো!!!!!!

১০ দাও এখুনি!!!!!

এমন আঁতি পাতি খুটি নাটি আর কে লিখবে আমি ছাড়া!


তবে হ্যাঁ আরও কিছু ছবি এ্যাড করে দেবো সাথে বালির একটু সংক্ষিপ্ত ইতিহাস! :)

৩৯| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২৭

এম. হাবীব বলেছেন: প্রত্যেকটা টপিক সুন্দর সুন্দর ছবি ও সাবলীল বর্ণনায় ফুটে উঠেছে। আপনার হাতের জাদু মিশ্রিত লেখনি পড়তে পড়তে বালি ঘুরে এলাম.. ভীষণ ভালো লাগা জানবেন।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:০২

শায়মা বলেছেন: অনেক অনেক থ্যাংকস ভাইয়ামনি! :)

৪০| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৩

ধ্রুবক আলো বলেছেন: খাবারের ছবিগুলো ফেসবুকে দিয়েছিলেন, আমি তখনও বুঝতে পারিনি ইন্দোনেশিয়ার বালি থেকে তোলা :D
আমার এখনও প্লেনে চড়ার সৌভাগ্য হয়নি :)

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:০৪

শায়মা বলেছেন: হা হা হা হ্যাঁ ভাইয়া এসব ঐ হোটেলের খানা পিনা! তাই তো বললাম ৭ দিনে ৭ কেজি হা হা হা হা







অনেক অনেক থ্যাংকস ভাইয়ামনি!

৪১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫০

ধ্রুবক আলো বলেছেন: ভ্যাজি স্প্যাগেটি টা কি..?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:১৫

শায়মা বলেছেন: কি আবার ! অখাদ্য, কুখাদ্য দূর্খাদ্য কোনো এক বিদিকিচ্ছিরি কুকের ভেজিটেবল দিয়ে রান্না করা স্প্যাগেটি!!! :-P


৪২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:০৭

শোভন শামস বলেছেন: অপূর্ব লিখেছেন, অসাধারণ ++++++++

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:১৬

শায়মা বলেছেন: অনেক অনেক থ্যাংকস ভাইয়ামনি! :)

৪৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:১৮

দুঃখ হীন পৃথিবী বলেছেন: আপু মাত্র অফিসের কাজ কিছুটা কমতেই আপনার লেখাটা পড়তে চলে আসলাম, অসাধারন লিখেছেন। আপনার বর্ণনা করার ক্ষমতা অনেক সুন্দর, সিঙ্গাপুর থেকে খুব সহজেই ইন্দোনেশিয়া যাওয়া যায় তাই মাঝে মাঝে গল্প করার জন্যও যাওয়া হয় কিন্তু আপনার বর্ণনার মত এত সুন্দর করে কখনো দেখা হইনি।
বলতে গেলে আমার বেড়াতে যাওয়ার চেয়ে আপনার বর্ণনাতে অনেক বেশি সুন্দর লেগেছে, ইন্দোনেশিয়ার মানুষগুলি আসলে অনেক মিশুক। এরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে থাকে পর্যটকদের।
গাড়ির ভাড়াটা একটু বেশিই ছিল প্রথম দিন, দ্বিতীয় দিন ঠিকই ছিল। যদিও আমি ৫ লক্ষ রুপিয়ার বেশি দিয়ে গাড়ি নেইনি, হোটেলের গাড়িটা একটু বেশি নিরাপদ তারপরও আমার কাছে ইন্দোনেশিয়ার সবটাই নিরাপদ মনে হয়েছে। জাকার্তা একটু গিন্জি মনে হয় তারপরও মানের দিক থেকে ১০/৮.৫ দিতেই পারেন যেখানে বালিকে ১০/৯.৯ দেয়া যায়।

একদিন সিঙ্গাপুরে বেড়াতে আসেন, আসার আগে একটু নক করবেন। ভিসা থেকে শুরু করে যাবতীয় কিছু আমি ম্যানেজ করে দেব, এই পাগল মানুষটার বাসায় নিশির হাতের এক কাপ কফি খাওয়ার নিমন্ত্রন থাকল।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:০০

শায়মা বলেছেন: হা হা ভাইয়া সিঙ্গাপোর আমার দেখা আরেক আশ্চর্য্য দেশ! যদিও আমি যখন সিঙ্গাপোরে যাই তখন আমি এই ব্লগে লেখা শুরু করিনি তাই কোনো ভ্রমন কাহিনী নেই কিন্তু সি লায়ন আর সেন্টোসার স্মৃতি আজও চোখে লেগে আছে।

অনেক অনেক থ্যাংকস ভাইয়া। আমার ব্লগ পড়ার জন্য ! :)

৪৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:২২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: চমৎকার একটি ভ্রমন পোস্ট উপভোগ করলাম।
লুয়াক কপি? ওয়াক! ওয়াক!! না খাইয়া ভাল করছো। হাতির ল্যাদা থেকেও নাকি এটা বানায়। আমারে কেউ মাগনা দিলেও খামু না। =p~

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:০০

শায়মা বলেছেন: হা হা হা ঠিক ঠিক ভাইয়া! আমিও খাবো না! গলায় চাকু ধরলেও না! :P

৪৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:২৭

দুঃখ হীন পৃথিবী বলেছেন: আপু এখন "সিঙ্গাপুরে গার্ডেন বাই দা বে" এবং "মেরিনা বে সেন্ড" দেখার মত অসাধারন সুন্দর করেছে, একদিন চলে আসেন।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:১০

শায়মা বলেছেন: তার থেকেও আমার মজা লেগেছে তোমার এই পরীর পাখার সাথে ছবি তোলা দেখে ভাইয়া! আমিও তুলতে চাই!!!!!

অনেক আগে আমার কিশোরীবেলায় হপার ভিলা নামে এক এমিউজমেন্ট পার্ক ছিলো। যেন এক রুপকথার রাজ্য! এখন মনে হয় সেটা আর নেই।

৪৬| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:০৪

ধ্রুবক আলো বলেছেন: সময় নিয়ে পুরো লেখাটা পড়লাম। বেশ উপভোগ্য এক ভ্রমন কাহিনী।
তবে, ২ বোতল পানির দাম ১০ হাজার টাকা, আর দুইটা টপস ২ লাখ টাকা জেনে মাথা ঘুরোচ্ছে B:-)
মড আর্ট গ্যালারি আর কাৰ্মা সুভ্যেনিয়ের শপের তথ্য টা জেনে ভালো লাগলো।

পরবর্তী ভ্রমন আরও সুখকর হোক এই শুভ কামনা রইলো।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:১১

শায়মা বলেছেন: হা হা হা ভাইয়া ২ লাখ মানে আমাদের টাকায় ৬০০/৭০০ মনে হয়!!!! হা হা হা


কাজেই মাথা ঘুরালেও নো প্রবলেমো আসলে! :)


অনেক অনেক থ্যাংকস ভাইয়া.......

৪৭| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:১১

ধ্রুবক আলো বলেছেন: বাটু মাউন্টেন ও জীমবারান বীচের সৌন্দর্য্য অতুলনীয়।

শেষের কথা গুলো কোনো জুড়ি নেই, সকল দেশের সেরা আমার জন্মভূমি।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:২১

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া শুধু কি বাটুর আর জীমবারান সেখানে সারা দেশই যেন শিল্পকলা মন্ডিত। রাস্তায় চলার পথে মাইলের পর মাইল তাদের পটারী বা ভাস্কর্য্য শিল্প দোকান বা ফ্যাক্টরী।



এমনি এক পটারী ফ্যাক্টরীর মাঝে ছবি তুলে আনলাম।

৪৮| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:১৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: কোন টা রেখে কার কথা বলি , তাতে তুমি মন খারাপ কর ;)

এক কথায় অসাধারন !!! দারুন !!
মুগ্ধ মুগ্ধ :P

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:২২

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ !!!!!!!! মুগ্ধ হয়ে আমি তো লিখলাম আপুনি!!!!

৪৯| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৩

একটি আটলান্টিক বলেছেন: আহা! পোষ্টটা মহাভারত হয়ে গেছে।খুব বড়।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৩

শায়মা বলেছেন: আরও কিছু ছবি বাদ পড়েছে। জুড়ে দেবো ভাবছি! :)

৫০| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৫

একটি আটলান্টিক বলেছেন: কত নিক প্রথম পাতায় আনলাম !!!!!!!!! :)
আমার নিকটার যে কি হবে আপু :( :( :(

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:২০

শায়মা বলেছেন: মন প্রান ঢেলে লিখতে থাকো।

নিকের কি হবে আবার। লেখার জন্য নিক কাজেই লিখিবেক! :)

৫১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অসাধারণ ভ্রমন বিবরণী ও ছবির সমাহার ।
সময় নিয়ে পড়তে হবে ।
এখন প্রিয়তে নিয়ে গেলাম ।
শুভেচ্ছা রইল ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৪

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া ইদানিং কি লেখালিখি কমিয়ে দিয়েছো!!!!!


শরীর ভালো আছে??


অনেক অনেক থ্যাংকস আমার লেখা পড়ার জন্য ভাইয়ামনি!

৫২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: আপু অনেক কষ্টে অর্ধেক এর বেশি পড়লাম । আর সম্ভব নয় । :)
ছবি সবগুলো কিন্তু দেখেছি । ফাঁকি দেইনি ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

শায়মা বলেছেন: কেনো কেনো !!!!!!!!

অনেক কষ্টে অর্ধেক পড়লে কেনো??? এত বাজে হয়েছে নাকি লেখাটা!!!!!!! :(

৫৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: লেখা দারুন । কিন্তু একটু বেশি বড় । যারা পুরো পড়েছেন তারা প্রকৃত অর্থে ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়েছেন আর পাশ করেছেন ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮

শায়মা বলেছেন: হায় হায় ব্লগ পড়তে গেলে তো ধৈর্য্য বাড়ে জানোনা!!!!!!!! B:-)


আমাকে দেখেও শিখলে না হাফসামনি!!!!!!!

৫৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫২

শকুন দৃিষ্ট বলেছেন: এত লক্ষ-কোটি টাকা তুমি বালিতে ফেলে নস্ট করলে?

ভ্রমণ-কর দিয়েছ?
শিগ্‌গির-ই এই পোস্ট লুকাও!!!
নইলে, মাল কাকা জানলে দুদক-তলব করবে বলে দিলাম!!!:)

জাননা, তোমার এই বিলাস-বহুল ভ্রমণে তুমি যে রদ্দি-মাল খরচ করেছ, তার কর দিয়েই পদ্মা সেতুর ২য় পিলারটি বসানো যেত!!!:)

আচ্ছা, তুমি যে শপাং-শপাং এত শপিং করেছ, সাথে তোমার ঐ আব্দুল পোলাডা ছিল? উঁ হু!!! থাকার কথা নয়!!!
তুমি এই আব্দুলরে সাথে নিতে!!!:) গাটি-বোচকা টানার জন্যও ত লোক লাগে, না কি!!!

পরের বার এমন ভুলটি আর করবা না ও.খে.???

তোমার এই বস্তা-পচা ভ্রমণ-কাহানি এত ভাল লাগল কেনে ওকাপিও যে প্রিয়তে নিতে হল???

ভাল থেক আপুনি!!!

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯

শায়মা বলেছেন: ফুহ!!!!!!!!!!!

পোস্ট লুকাবো কেনো!!!!

আসুক মাল কাকা তাকে মালয়েসিয়া বা মালদ্বীপে বেড়াতে পাঠাবো!!!

দূর পদ্মা সেতুর দুইটা পিলারে কি আর সে দাঁড়ায় থাকতে পারবে! কি দরকার আমার ভ্রমনে তার চোখ বসানো!!!!!!!

আব্দুল বলো কাকে !!!!!!!!!!!

আমার সাথে তো ছিলো রিমো!!!!!!!!! দ্যা অনলি ওয়ান হিরো নাম্বার ওয়ান! :)

৫৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬

শকুন দৃিষ্ট বলেছেন: ওহ! তোমার সাথে ২০১৭-এর একটা হিসাব রয়ে গেছে!

অনেক বক-বক করেছি ১৭ তে, বিশেষ করে তোমার রিমোকে নিয়ে। ওগুলো ভুলে যেও আর ১৮-এর শুভেচ্ছা নাও।
হ্যাপি নিউ ইয়ার!

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:০০

শায়মা বলেছেন: হা হা হা আমারও হিসাব নিয়ে আসছি। একটু জুড়িয়ে নেই!!!!!!


আর রিমোকে হিংসা করে লাভ নেই! সে আমার প্রানের রিমো!!!!!!

আমার প্রাণের পরে চলে গেলো কে!!!!!

বসন্তের বাতাসটুকুর মত !!!!!!!! :(

৫৬| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:২০

লক্ষণ ভান্ডারী বলেছেন: চিত্রময় সুন্দর উপস্থাপনা।
স্মৃতি-বিজড়িত মধুময় দিনগুলির সুন্দর চিত্রায়ণ।
প্রিয়কবিকে মকর-সংক্রান্তির আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই।
শুভকামনা রইল নিরন্তর ও সতত।
সাথে থাকুন, পাশে রাখুন।
সদা সর্বদাই।
জয়গুরু! জয়গুরু! জয়গুরু!

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:২৯

শায়মা বলেছেন: বাপরে! কমেন্ট পড়ে কিন্তু ভয় পেয়ে গেলাম ভাইয়ামনি!!!! পুরা কমেন্টখানাই তো কবিতা হয়ে গেছে। থ্যাংক ইউ!!!!!! :)

৫৭| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ৩ দিনের যাত্রা সবে শেষ হলো!

আপাতত ৩ দিনের কমেন্টস ;)
মুগ্ধ মুগ্ধ মুগ্ধ! কেন মুগ্ধ জানিনা ;) :P হা হা হা

দারুন সব ছবি! আর সেইরাম বর্ণনা.।

মন্তব্য চলবে - - - B-)

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৪

শায়মা বলেছেন: হা হা হা ভাইয়ামনি!!!!!

কমেন্ট দেখে হাসছি!!!!!!

আমার সেই মুগ্ধ করা গুণ মুগ্ধরাও আজ নেই, আমার কোনো নতুন ক্রিয়েটিভিটিও আর বাড়ছে না তাই।

নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ না ছুড়ে দিলে আমার উন্নতি হবে কেমনে! :(

৫৮| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১১

তারেক ফাহিম বলেছেন: পুরো বালি শহর নিয়ে এলেন আপুমনি।

সুন্দর ভ্রমন পোষ্ট, অনেক উপভোগ করলেন বুঝায় যায়।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪৭

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ!!!!!!! অনেক অনেক মজায় কেটেছে ভাইয়া!!!

অনেক অনেক থ্যাংকস তোমাকে!!! :)

৫৯| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১২

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: ছবিগুলো সুন্দর হয়েছে !!! :)

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫০

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ!!!!!!
আরও ছবি এ্যাড করা হবে! :)

৬০| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩৪

কুঁড়ের_বাদশা বলেছেন: আপনার ভ্রমন কাহিনী পড়িয়া বাদশা ভাই অতীব মুগ্ধ হইয়াছেন। ;) :P

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫১

শায়মা বলেছেন: বাদশা মানে কুঁড়ের বাদশা!!!!!!! :P

৬১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৫

সুমন কর বলেছেন: ২০তম +। তোমার ছবি পুরো দিলে যে !!!

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:০০

শায়মা বলেছেন: হা হা থ্যাংক ইউ ভাইয়া।


এতদিনে কল্লা, হাত মাথা এসব পুরোপুরি গজিয়েছে তাই দিলাম ভাইয়া!!!!!!!! :P

৬২| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:৪২

সোহানী বলেছেন: লিখাটা তোমার পোস্টের দিনই ট্রেনে বসে পড়েছি। কিন্তু মোবাইলে বাংলা লিখতে পারি না তাই মন্তব্য করা হয়নি।

যাহোক, বর্ননা ও ছবি মিলেয়ে এক কথায় অসাধারন। এখনি ছুটে যেতে ইচ্ছে করছে.... আমার যাওয়া হয়নি এখনো। এখনতো আর আগের মতো ফ্রি টাইম নেই, লাইফ তেজপাতা প্রায়। তাই সমস্যাই বটে অন্তত ঘোরার জন্য। তবে সামারে খুব ঘুরি এখন। কানাডার আনাচে কানাচে বাকি রাখিনি। সত্যিই সুন্দর দেশ..........

আর হাঁ, জাবেদ আংকেলের মোবাইল নাম্বারটা দিয়ে দিও, ও রকম ফ্রি ক্রেডিট কার্ড পেলে সব বাদ দিয়ে ছুট দিবো....... :P

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:০৮

শায়মা বলেছেন: আরে না!!!!!!!! আপুনি!!!!!!!!!!!!!! জাভেদ আঙ্কেল তখন তখন সব বুক করে দেয় পরে কান ধরে সব আদায় করে নেয় তো!!!!!!!! মোটেও ফ্রি না!!!!!!! ভুল ভুল ভুল!!!!!!!!!! হা হা হা হা!!!!!!!!!!


যাইহোক আপু সত্যিই সে এক স্বর্গের দেশ!

১। অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য
২। কারুশিল্প ও স্থাপত্য
৩। সৌহার্দ্যপূর্ন মানুষজন
৪। সকল ধর্মের সহাবস্থান
৫। ঐতিহ্য বহন করে চলা.....

বলতে গেলে শেষ হবে না আপুনি!!!!!!!!

আরও আরও ছবি এ্যাড করে দেবো। একটু সময় করে.....:)

৬৩| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:১০

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: সায়মাপু লেখা পড়ে এতটুকুই বলিতে পারি,আমি মুগদ্ধ!আমি মুগদ্ধ!!আমি মুগদ্ধ!!!

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:১৮

শায়মা বলেছেন: হা হা হা হা মুগ্ধ মুগ্ধ শুনলেই আমার তাদেরকে মনে পড়িয়া যায়!!!!!

যদিও আমি সত্য সত্যই মুগ্ধিত হই!!!!!!! :P

যাইহোক আসলেই আমি বালি ভ্রমনে মুগ্ধ হয়েই লিখেছি ভাইয়া!

তোমার কমেন্টেও মুগ্ধ হলাম! :)

৬৪| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯

দুঃখ হীন পৃথিবী বলেছেন: আপু শুধু পরীর পাখার সাথে কেন, পরীর সাথেই ছবি উঠাবেন। আলীবাবা মিউজিয়াম নামের একটা মিউজিয়াম আছে, আমি বেড়াতে বেড়াতে মনে হবে বোরিং একটা ব্যপার কিন্তু ছবি তুলে নিজেই অবাক হয়ে যাবেন আপনি উড়ছেন মেঘের উপরে বাস করছেন, পীর ডানায় ভর করে উড়ে বেড়াচ্ছে...... আরো অনেক মজার ঐ মিউজিয়ামটা।

"হপার ভিলা" এখনো আছে, বরং আগের চেয়ে অনেকটা সুন্দর করেছে, পাশেই এমআরটি ষ্টেশন হয়েছে....... যাতায়াত অনেক সুভিধা হইছে।
আপু শুধু পরীর পাখার সাথে কেন, পরীর সাথেই ছবি উঠাবেন। আলীবাবা মিউজিয়াম নামের একটা মিউজিয়াম আছে, আমি বেড়াতে বেড়াতে মনে হবে বোরিং একটা ব্যপার কিন্তু ছবি তুলে নিজেই অবাক হয়ে যাবেন আপনি উড়ছেন মেঘের উপরে বাস করছেন, পীর ডানায় ভর করে উড়ে বেড়াচ্ছে...... আরো অনেক মজার ঐ মিউজিয়ামটা।

"হপার ভিলা" এখনো আছে, বরং আগের চেয়ে অনেকটা সুন্দর করেছে, পাশেই এমআরটি ষ্টেশন হয়েছে....... যাতায়াত অনেক সুভিধা হইছে।


এইযে ভিলার সামনে আমি, যদিও ছবিটা অনেক বছর আগের।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৩৪

শায়মা বলেছেন: হপারভিলার ছবি দেখে অনেক অনেক ভালো লাগছে ভাইয়া। এইখানেই আমি জীবনে প্রথম ওয়াটার রোলার কোস্টারে চড়েছিলাম! ভয়াবহ সেই অভিজ্ঞতা। একবার ছোটটার উপর থেকে ফেলে পরেরবারে আরও উঁচু। হা হা হা।


আর সে যেন এক রুপকথার রাজ্য!!!!!! পুরা সিঙ্গাপোরই তো সাজানো গুছানো ঝকঝকে।

আলীবাবা মিউজিয়ামে তো তাহলে যেতেই হবে। ওকে নেক্সট উইন্টার ভ্যাকেশন ভাইয়া! আমি আসবো! :)

৬৫| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:১৭

সৌম্য বলেছেন: খুব মজা পাইলাম লেখাটা পড়ে।
বালি বাকেট লিস্টে ঢুকিয়ে রাখলাম।:) ইনশাল্লাহ, বালির বালিতে গড়াগড়ি দেব একদিন।
ভিসার ব্যাপারটা একটু ক্লিয়ার করবেন যদি আপু।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:১৮

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

কি আশ্চর্য্য!!!!!!!!!!!!!!!!!!! B:-)

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২৭

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া!~!!!!!!!!

জানো যখনই কোনো ভ্রমন পোস্ট লিখি বা কোথাও বেড়াতে যাই মনে পড়ে তোমাকে।

কিন্তু তুমি আর লেখোনা। তোমার কোনো হদিসও কোথাও জানিনা আর।

আজ হঠাৎ তোমার নিক লগ ইন দেখে আমি তোমার পোস্টে কমেন্ট করলাম।

আর অবাক হয়েছিলাম বালি নিয়ে লিখতে গিয়েও তোমাকে মনে পড়েছিলো আমার আর আজকেই তুমি লগ ইন!

আমার এখন সন্দেহ হচ্ছে লগ না করলেও তুমি সামুর পোস্টগুলোতে ঠিকই ঢু মারো । হা হা হা তাই তো তোমার প্রিয় ভ্রমন পোস্ট দেখে আর লগ ইন না করে পারলে না।



যাইহোক শুনো এইবার পোস্টেই লেখা আছে বালিতে কোনো ভিসা লাগেনা। অন এরাইভাল ভিসা।
শুধু টিকেট বুক দিয়ে রাখলেই হলো।
মালিন্দোতে গিয়েছিলাম ভাইয়া।
তবে জার্নী বেশ লং জার্নী।

বিরক্ত হয়ে যাবার কথা ছিলো তবে বিরক্ত হইনি। আনন্দেই ছিলাম !

তুমিও যাও বালির নুসাদুয়া, কুটা, সানুর বা জীমবারান বিচের বালিতে গড়াগড়ি দিয়ে আসো!!!!!

সেখানে জোঁক নেই । হা হা হা দেখলে তোমাকে সেই পাহাড়ী জোঁক ধরার কথাটাও মনে রেখেছি আমি। ৬ ফিটের দশাসই তোমাকে এক জোঁকের কাছে কুপোকাৎ হবার ছবিটাও মনে পড়ছে। হা হা হা

৬৬| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৩

অর্ক বলেছেন: বিরাট লেখা! শুরুর কিছুটা পড়লাম। পুরোটা পড়া সময় সাপেক্ষ ব্যাপার নিঃসন্দেহে! ছবিগুলোও ভারি সুন্দর। আপনার নিজের তোলা? মাঝখানের একটা ছবিতে যে দাঁড়িয়ে আছে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে, আপনি নিজে? সত্যি ব্লগিংকে আরেক মাত্রায় নিয়ে গেছেন আপনি! কি লেখা, কি আর্ট যাই করেন, তাই যেন তার শেষ কথা! অপূর্ব!

সত্যি দারুণ পোস্ট। নিটোল মুগ্ধতা।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫০

শায়মা বলেছেন: হা হা হা থ্যাংক ইউ এংরিম্যানভাইয়া!!!!!!! :P

এই বিরাট লেখাটা পুরোটা পড়া সময় সাপেক্ষ তাহলেই বুঝো লেখার সময় আমার কি অবস্থা হয়েছিলো? ছবিগুলো জাস্ট মোবাইলে তোলা। ছবিগুলো আমি এবং আমার সঙ্গী সাথীদের তোলা। নানা রকম মোবাইল ক্যামেরায়। মাউন্ট বাটুরের ছবিগুলা আলোর বীপরীতে হওয়ায় জাস্ট ভূতের মত কালো কালো ছিলো। এডিট করে একটু লাইট দিতে হয়েছে।

আর মাঝখানে যে দাঁড়িয়ে আছে সে আরেকজন ভূত!!!! মানে আমি ভূত!!!!!

আর লাস্টের কথাগুলো পড়ে আমি কিন্তু এইবার আকাশে উড়ে গেলাম!!!!!!! :P

৬৭| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৬

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: সায়মা আপু আপনার লেখা পড়ে মাথার ভেতরে অনেক কথায় ঘুরছিল কিন্তু শীতের সকালে হাত এত পরিমানে ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল যে তা আর গুছিয়ে লিখতে পারিনি।তাই শুধু মুগ্ধতা জানিয়ে গিয়েছিলাম।
এখন আবার একটু বিজি হয়ে পড়ছি।ঠিক সময়ে ডেলিভারি (কমেন্ট) না দিলে আসলে পরে ঠিক ঠাক ডেলিভারি করা অনেক কঠিন।
ছবি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে।আরও বেশি বেশি ঘুরে বেড়ান আর আমাদের সাথে তা শেয়ার করুন।
শুভ কামনা সব সময়।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৯

শায়মা বলেছেন: হা হা হা ভাইয়া!!!!!!!!!

ওকে নেক্সট মিশন নিয়ে অচীরেই লিখিবোক! :)

কাল থেকে স্কুল খুলে যাচ্ছে তাই এখন আমি এই ভ্যাকেশনের শেষ শপিং করে আসি। বাইবাই ভাইয়া!

অনেক অনেক থ্যাংকস! :)

৬৮| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:১০

পলক শাহরিয়ার বলেছেন: তুমি কবে গিয়েছিলে আপু? আমরা মানে আমি আর আমার বউ গিয়েছিলাম এইতো ডিসেম্বরের শেষে। তোমার সাথে দেখা হলো না কেন?
যাইহোক বেশ ভাল লেগেছে বালি।
১। অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য
২। কারুশিল্প ও স্থাপত্য
৩। সৌহার্দ্যপূর্ন মানুষজন
৪। সকল ধর্মের সহাবস্থান
৫। ঐতিহ্য বহন করে চলা.....
তোমার এই মতামতের সাথে একমত আমি। তবে কুটা বিশেষত জিমবারান বিচ বেশ নোংরা লেগেছে। নুসাদুয়া আর সানুর ভাল।
উলুয়াতু, তানহা লট টেম্পল দারুণ। উত্তরের দিকে যাবার সময় পাইনি।
কমপক্ষে ৭ দিন লাগার কথা বালি ঘোরার জন্য। লুয়াক কপি ( Luwak copy) খেয়েছ?
আমি একটা পোস্ট দিয়েছিনু বালির মজার অভিজ্ঞতা নিয়ে। তোমার অভিজ্ঞতার সাথে নগদে মিলিয়ে নিতে পার।
যাই হোক তোমার লেখাটা বেশ ভাল হয়েছে।
আমারটাও দেখতে পার
টাকার সাগরে হাবুডুবু খাওয়া দিন




১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:১৬

শায়মা বলেছেন: আরে সেই পোস্ট পড়ে তো মন্তব্য করে এলাম ভাইয়া!!!!!!!!!


আমি গিয়েছি ১লা জানুয়ারী।

তাই তো দেখা হয়নি!!!! :(

লুয়াক কপি খাইনি !!!!!! থু থু!!!!!!

যাইহোক শপিং এ যাই। ফিরে এসে তোমাকে আমার কপি/কফিগুলার ছবি দেবো ভাইয়ু!!!!! বাই বাই!

৬৯| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:১৭

বৃতি বলেছেন: চমৎকার লাগলো তোমার ভ্রমণ ব্লগ। ছবি, বর্ণনা সব খুব সুন্দর! :)

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২২

শায়মা বলেছেন: বৃতিমনি!!!!!!!!!!!

থ্যাংক ইউ সো মাচ!!!! :)

৭০| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:২৮

পলক শাহরিয়ার বলেছেন: আচ্ছা, টা টা বাই।
কপির/কফিগুলার ছবি দিয়া কিতা করতাম। আসল কপি খাওয়াইতেন নি?
মেয়েমানুষ সারাদিন এত শপিং এ যায় কেনু? আমার বউ এর শপিং এর জ্বালায় ফেরার পথে কুয়ালালামপুর এয়ারপোর্টে প্লেন মিস করেই ফেলেছিলাম প্রায়। কি আর কমু দুঃখের কতা।
তোমারে কইয়াও তো লাভ নাই। তুমি সেই গোত্রের লোক।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৮

শায়মা বলেছেন: আসল কপি আমি কিনিনি ইয়াক থু!!!!!!!!!!!

আমি কিনেছি জিনজার, লেমনগ্রাস, জিনসেং এইসব! :)




হা হা হা হা ভাইয়া ভাবীর কান্ড শুনে হাসছি তবে আমি সাথে বিউটি পারলারও যাই ! :P

৭১| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: শায়মা ,




যথারীতি চপলতা মাখানো লেখা । তবে ছবির আধিক্য লেখা পড়ার ফ্লো-টা থামিয়ে দিয়েছে বার বার ।

তবে চতুর্থ দিনে আপনার দেখা রোড স্ট্যাচুর ছবি অনবদ্য , তাকিয়ে তাকিয়ে দেখায় বিভোর হওয়ার মতো ।
প্রথম মাঘের শুভেচ্ছা ।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৫

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া ইচ্ছা হচ্ছিলো পুরোটা শহর, বন্দর গ্রামগঞ্জ রাস্তাঘাট গলি ঘুচি সবই ক্যামেরায় ধরে রাখি।তাই প্লেন থেকে নেমেই ছবি তুলেই যাচ্ছিলাম কাঁচের ভেতর দিয়েই। দুদিন যেতেই নিশ্চল বসে রইলাম গাড়িতে। কত আর তুলবো? সবখানেই তো দু সেকেন্ড পর পর অসাধারণ সব মূর্তী!

যাইহোক তোমার জন্য এই ছবি। ছবিগুলি বড় করে আসছেনা তাহলে আরও মুগ্ধ হতে ভাইয়ামনি!

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৮

শায়মা বলেছেন: আরও একটা অসাধারণ স্ট্যাচু। এটা দেবতা অর্জুণের স্টাচু। হুনুমানদেভও আছে.....


৭২| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩১

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: বালিতে বালি কই? সবই দেখি পাকা দালান

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৫১

শায়মা বলেছেন: হা হা হা বালি আছে সী বিচে!!!!!!

ঝকঝকে বালি উইথ ব্লু এ্যান্ড গ্রীনিশ ওয়াটার! :)

৭৩| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫৯

পার্থ তালুকদার বলেছেন: ছবি দেখেই মুগ্ধ হলাম। জানিনা লেখার মধ্যে কী মুগ্ধতা লুকিয়ে আছে। একটা সময় পড়ে নিবো।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:০৪

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়া!!!! :)

৭৪| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ ভোর ৪:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্টের ভ্রমন বিবরণী ও ছবিগুলি ভাল লাগার কথা পুর্বেই বলেছি । গতকাল সময় অভাবে বেশী কিছু বলতে পারিনি । বালীর ৪ মিলিয়ন লোক সংখ্যার মধ্যে শতকরা ৮৬ ভাগই হিন্দু সম্প্রদায় , তাই সেখানকার লোক সংস্কৃতি ও স্থাপত্য কর্মে হিন্দু সংস্কৃতিরই প্রাধান্য । এ পোষ্টের লেখা ও ছবিতেও তা ফুটে উঠেছে সুন্দরভাবে ।

একটি ইন্টারন্যাশনাল স্টাডি টিমের সদস্য হিসাবে একসময় বালীতে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল । এখন বালী বিষয়ক এই পোষ্টে মন্তব্য লেখার সুযোগে সেসময় সামান্য যা কিছু জেনেছিলাম ও দেখেছিলাম তার মধ্য থেকে দুএকটি বিষয় এখানে তুলে ধরলাম । বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, গ্লোবাল জিউগ্রাফীতে বালীর একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে , তাহল মনোরম সি বিচের পাশাপাশি কোরাল ট্রায়াঙ্গেলে অবস্থিত বালীর সাগর তলের প্রবাল সাম্রাজ্যের কথা । প্যসিফিক রিজিয়নের বিখ্যাত কোরাল ট্রায়াঙ্গেলে অবস্থিত বালীর সাগরতলে রয়েছে বিশ্বের অনেক গুরুত্বপুর্ণ সুন্দর সুন্দর জীব বৈচিত্র যা ক্যরিবিয়ান কোরাল জীব বৈচিত্রের থেকে প্রায় ৭ গুন বেশী ।

নবম শতকের বালির সোবাক ইরিগেশন সিসটেম এখন UNESCO World Heritage Site, সেটাও অনেকের দেখার বিষয়, যাত্রাপথে এটাও পোষ্ট লেখকের নজরে না পরে যায়না বলেই মনে হয়। বিষয়টির প্রতি আমার বেশ আগ্রহ থাকায় বালির সোবাক ইরিগেশন সিসটেম এর দুটো ছবি নেট হতে তুলে এখানে জুরে দিলাম । আমাদের দেশের পার্বত্য চট্রগ্রাম অঞ্চলে এর প্রয়োগ হতে পারে ।



পোষ্টে দেয়া লুয়াক কফি গার্ডেনের বিবরণটিও আমার দৃষ্টি কেরেছে । এক কাপ কফির দাম ৫/৬ হাজার ইন্দোনেশিয়ান রুপি , যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৩০/৩৫ টাকার মত । তাইতো ফেয়ার ট্রেড কফি হিসাবে সেখানকার লুয়াক গার্ডেনের কফি এরাবিকা কফি নামে বেশ সুনাম কুড়াচ্ছে । বালীর জলবায়ুর সাথে আমাদের দেশের জলবায়ুর বেশ মিল থাকায় এই আর্গানিক কফি এদেশে চাষ করার বিষয়টি গুরত্ব দিয়ে দেখার অবকাশ আছে বলেই মনে হয় ।

হস্ত শিল্পি পশারিদের কথামালাও ভাল লাগল । বালির Wood carving বেশ সমৃদ্ধ । তাই সেখানকার মড আর্ট গ্যলারী এবং হস্ত শিল্পের বিপনী বিতানে গেলেও তা দেখতে পাওয়া যায়, পোষ্টের ছবি ও বিবরণিতেও এগুলি উঠে এসেছে সুন্দরভাবে ।

কেচাক ডেন্সারের সাথে তোলা ছবিগুলি নিয়ে নিলে আমরা দেখতে পেতাম :) , এক লক্ষ ৮০ হাজার ইন্দোনেশিয়ান রুপি বাংলাদেশী টাকায় মনে হয় ১১০০ টাকার মত হবে, জাভেদ আংকেলের ক্রডিট কার্ডটা ইয়ুজ করলে মন্দ হতোনা :) । যাহোক, অগ্নি দেবীকে আমিউ স্মরণ করিবেক ।

ঠিকই বলা হয়েছে , বিবিধ কারণে ইদানিং আমার লেখালেখি কমে গেছে । শরীরটাও বেশি ভাল যাচ্ছে না ।

অনেক অনেক শুভ কামনা রইল

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৬

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ ভাইয়া বালী হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা।

মনোরম সি বিচের পাশাপাশি কোরাল ট্রায়াঙ্গেলে অবস্থিত বালীর সাগর তলের প্রবাল সাম্রাজ্যের কথা । প্যসিফিক রিজিয়নের বিখ্যাত কোরাল ট্রায়াঙ্গেলে অবস্থিত বালীর সাগরতলে রয়েছে বিশ্বের অনেক গুরুত্বপুর্ণ সুন্দর সুন্দর জীব বৈচিত্র যা ক্যরিবিয়ান কোরাল জীব বৈচিত্রের থেকে প্রায় ৭ গুন বেশী ।
এসব দেখারও কিছু ব্যাবস্থা আছে, আছে প্যারা সেইলিং, আন্ডার ওয়াটার ওয়ার্ল্ড। আমি বীর সাহসী অবশ্য সে সাহস দেখাতে পারিনি।

এখানে রাইস টেরাসও বিশেষ দর্শনীয় তবে আমার কাছে জুমচাষের মত লেগেছে।

লুয়াক কফি এখানেও চাষ করতে চাও!! :(

কেউ কি আর কিনবে এই কফি?? মনে তো হয় না । তবে বিদেশে পাঠানো যায়। :)

কেচাক ডান্সারের সাথে ছবি আছে। :)

না নিয়ে কি আর আমি যাই!!!!!!


ভাইয়া এই যে টুকি!!!!!!!!!!! :P


৭৫| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৪১

বাবুরাম সাপুড়ে১ বলেছেন: জাভেদ আংকেল কে ধন্যবাদ .......তার ক্রেডিট কার্ড না থাকলে আপনার এতো দারুণ ভ্রমণ হতো না , আমাদের অসাধারণ ভ্রমণ কাহিনী পড়া হতো না ......আসুন আমরা সবাই জাভেদ আংকেলএর ......মানে তাঁর ক্রেডিট কার্ডের জয়ধ্বনি করি ...... আসছে বছর আবার হবে !!

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৪

শায়মা বলেছেন: হা হা ভাইয়া!

কেমন আছো???

৭৬| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:১৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

বালিতে ঘুরতে যাওয়া মানে স্বর্গে যাওয়া... অনেকটাই তাই। এত ভাইয়ার মধ্যেও আপনার একজন আংকেল আছে, এটি কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বর্ণনা যথারীতি বিজ্ঞাপনী ভাষায় রচিত। যাবার ইচ্ছে জাগছে এখনই। ছবিগুলোও অনেক সুন্দর হয়েছে। অবশ্য ঢংয়ের জন্য অনেক ছবির অনেক কিছু বুঝতে এখনও অসুবিধা হয় 8-|

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৬

শায়মা বলেছেন: ওহ সেটাও আমার আঙ্কেলভাইয়া! :)

যাও যাও শীঘ্রই যাও ভাইয়া। আসলেই স্বর্গ!

আর ঢং ছাড়া কি আমি হতে পারি ভাইয়া!!!!

তাইলে ছবিগুলি হবে কেমনে!!!

৭৭| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৪১

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:



বেশ ঘোরাঘুরি হয়েছে দেখছি ! হঠাৎ হঠাৎ একটা ঝাপসা মেয়েকে বার বার ফ্রেমে আসতে দেখছি ! এটা কী আপনি !!

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৪১

শায়মা বলেছেন: এটা একটা ভূত!!!!!!!!!!!!! :P


৭৮| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৩২

কুঁড়ের_বাদশা বলেছেন: আফা, আপনার চেহারা চাকমা গো মত ক্যান? :P

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:২১

শায়মা বলেছেন: আমার চেহারা চাকমা হবে কেনো কানা!!!!!!

তুই চাকমাদের চেহারাই দেখছিস! মানে বালিনীজদেরকে! হি হি হি :D

৭৯| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৯

মিথী_মারজান বলেছেন: খুব সুন্দর ছবি আর বর্ণনা আপু।
বিনা পয়সায় বালির সৌন্দর্য উপভোগ করে ফেললাম।
বালিতে যাদের বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান আছে তাদের জন্য সুন্দর গাইডলাইন হিসাবে কাজ করবে এটা।


১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৯

শায়মা বলেছেন: ঠিক তাই ! আর কেউ যদি আরও কিছু জানতে চায় আমার জানা থাকলে সেসবও জানাবো আপুনি! :)

৮০| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:৩০

কুঁড়ের_বাদশা বলেছেন: আফা,আপনি কি চাকমা না, রহিঙ্গা? :)

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:৩৫

শায়মা বলেছেন: আমি পরীরাণী!


তুমি কানা বাদশা .....

৮১| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:০৯

ট্রাম্প বিন পুতিন বিন হিটলার বলেছেন:






হিটলার বলছেনঃ পর্ব করে দিলে পড়া যেতো।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:১১

শায়মা বলেছেন: এবারের উইন্টার ভ্যাকেশনে মালয়েশিয়া যাবার কথা ছিলো তবে শেষ মুহুর্তে ডিসিশন ক্যানসেল করে আমরা বেছে নিলাম মর্ত্যের স্বর্গ বা ভূস্বর্গ ইন্দোনেসিয়ার বালিকেই। যেহেতু বালি যেতে কোনো ভিসা লাগেনা কাজেই ভিসা টিসার ঝামেলারও কোনো চিন্তা নেই। এছাড়াও আমাদের আপনার চেয়েও আপন যে জন জাভেদ আঙ্কেলকে বললেই উনি টিকেট থেকে শুরু করে হোটেল, ট্রান্সপোর্ট ট্যুরগাইড সব কিছুর ব্যাবস্থা করে দেবেন নিজের ক্রেডিট কার্ড দিয়েই। কাজেই সোজা ফোন কল আর তারপর প্যাক করাকরি শুরু হলো। আমাদের প্রথম গন্তব্য ঠিক করা হলো নুসা দুয়া বিচের কোনো রিসোর্টে।

আমি অনলাইনে হোটেল বা রিসোর্ট খুঁজতে খুঁজতে নুসা দুয়াতে পেয়ে গেলাম একেবারেই রুপকথার মত মনোমুগ্ধকর এক হোটেলের খোঁজ। কোটইয়ার্ড ম্যারিয়ট, ছবি দেখেই আমি মুগ্ধ কাজেই এখানেই আমাকে থাকতেই হবে। জাভেদ আঙ্কেল সকল ব্যাবস্থা করে দিলেন। ব্যাস, সকল ব্যাবস্থা রেডি কিন্তু ফ্লাইট হিসাবে উনি উপদেশ দিলেন মালিন্দো এয়ার লাইন্সের কথা। এই এয়ার লাইন্স নাকি সস্তা তবে লাস্ট মোমেন্ট বলে কথা, কি আর করা? কিন্তু উনি বললেন তাদের সেবা নাকি বেশ ভালো। যাইহোক উনার মতামত শেষ পর্যন্ত মেনে নিতে হলো। যদিও এই এয়ারলাইন্স সম্পর্কে যে সব নেগাটিভ কথাগুলি শুনেছি তাই নিয়ে একটু ভয় ভয় ভাবটাও ছিলো। সে যাইহোক নতুন বছরের প্রথম দিনটিতেই আমাদের যাত্রা হলো শুরু....



~আমাদের যাত্রা হলো শুরু ~ ফ্লাইট ছিলো সেই রাত দুপুরে মানে ১২ টা ৫০ শে। এমনিতে আমি যতই বীর সাহসী অকুতভয় হই না কেনো, কিছু কিছু ব্যাপারে আমার অকারনেই ভয় পাবার ব্যাধি আছে। তার মধ্যে যেমন একটা, রাত দুপুরে বদ্ধ প্লেনের জানালা দিয়ে দেখা বাইরের ঘুরঘুট্টি অন্ধকার। মনে হয় যেন আমি অকূল পাথারে আছি, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেলো বলে।:( কিন্তু দিনের বেলা আলোকজ্জ্বল সুনীল আকাশের সাদা সাদা পেঁজা তুলো মেঘের মাঝে পরীর মত উড়ে চলা বা পাখির মত ভেসে যাওয়াতে আমার কোনোই সমস্যা নেই বরং তখন আমি থাকি আনন্দে ঝলমল। যাইহোক কি আর করা। হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরে পৌছে বোর্ডিং পাস টাস পাবার পরে অপেক্ষা সেই ঘুরঘুট্টি আঁধারে ভেসে চলার জন্য। যথাসময়ে প্লেনে উঠলাম এবং খেয়াল করলাম ভীষন সুন্দর সাদা টপস আর গোলাপী কালো ডিজাইনের ইন্দোনেসিয়ান ড্রেস পরা ঝকঝকে তকতকে পরিপাটি এয়ার হোস্টেজদেরকে এবং প্ল্যান করে ফেললাম এই ড্রেস আমাকে কিনতে হবে। :) যদিও ওদের সামনের দিককার উন্মুক্ত পার্ট ডিজাইনটা আমার স্যুইটেবল মনে হয়নি। যাইহোক, সিট বেল্ট টেল্ট বেঁধে বুঁধে বসার কিছুক্ষন পর যখন ফুড দেওয়া হলো। ফুড দেখে আমার চক্ষু চড়কগাছ! ঘ্রানে অর্ধায়নং ভোজনং বলে একটা কথা শুনেছিলাম কিন্তু ঘ্রানে ভোজনং পলায়নং বলে নতুন একখানা প্রবাদ নিজের জন্যই সেদিন আবিষ্কার করলাম। এয়ার হোস্টেজ বললো সেটা নাকি ভেজি বিরিয়ানী! ( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।) বলে কি! কুকটাকে দেখার বড় ইচ্ছা হলো। এই ইচ্ছা আমার পরবর্তীতে কয়েকবারই হয়েছিলো। সে যাইহোক, ৪ ঘন্টা ঘুরঘুটি আঁধার পাড়ি দিয়ে শাহরুখ খানের সিনেমা রায়ী শেষ করে গিয়ে পৌছালাম মালয়েশিয়া এয়ার পোর্ট। এখানে একটা কথা বলি রায়ি সিনেমা আমার তেমন ভালো লাগেনি কিন্তু ছোটবেলার শাহরুখ চশমার সন্ধানে গান্ধিজীর স্ট্যাচু থেকে গ্লাসহীন চশমা চুরি করে নিয়ে আসে এটা মজা লেগেছিলো খুব খুব।
~কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়া এয়ারপোর্টে আড়াই ঘন্টা~ কোনো কাজ ছাড়া আমি চুপচাপ কোথাও বসে থাকতে পারিনা। আবার কোথাও গিয়ে মোবাইলে চোখ ডুবিয়ে রাখতেও আমার ভালো লাগে না কাজেই এই আড়াই ঘন্টা কি করবো ভেবেই আমি বিরক্ত হচ্ছিলাম কিন্তু ঝকঝকে সুন্দর এই এয়ারপোর্টের সুশোভিত বিপনীবিতানগুলি ঘুরে ঘুরে এবং অসাধারণ আইসকফি আর পেস্ট্রি আস্বাদনে প্রাণ জুড়ালো! ফের মালিন্দো করে বালির উদ্দেশ্যে যাত্রা এবং আবারও ভয়ংকর জঘন্য টাইপ রান্নার ভেজি স্প্যাগেটির গন্ধেই তাহা আমি প্রত্যাখান করিয়া দিলাম এবং জানালায় চোখ রেখে দেখলাম নীচে সুনীল সমুদ্রের পাড় জুড়ে এক আশ্চর্য্য সুন্দর সর্পীলাকৃতির রেইনবো বিচ। বিচের গোলাপী পিচ রং বালির ধার ঘেষে সবজেটে পান্না রং আর ফিরোজা নীল, গাঢ় নীলের লেয়ার লেয়ার জলরাশি যেন সাগরের তীরেও এক রংধনুমালা নিয়ে আছড়ে পড়েছে।
~বালির মাটিতে পা দিয়ে প্রথম প্রহর~ বালি ডেনপাসার এয়ারপোর্টে যখন পৌছালাম তখন দুপুর ১২ টা।এখানে বলে রাখি
ডেনপাসার বালির রাজধানীও ।এয়ারপোর্টে নেমেই অপরুপ সুন্দর সব স্টাচু দর্শনে মন ভরালো। কিন্তু মন ভরাবার আরও বাকী ছিলো। আমরা এয়ার্পোর্টের ট্রান্সপোর্টের গাড়ি করে হোটেলে উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবার পথে চারিদিকের এক ঝকঝকে পরিবেশে মুগ্ধ হলাম। প্রতিটা গাছের পাতা যেন কেউ কেবলি হোস পাইপে ধুয়ে দিয়ে গেছে। উজ্জ্বল রং এর ফুলগুলি সব আলো ছড়াচ্ছিলো। আর দু কদম ফেলতে না ফেলতেই শুধুই অপরুপ কারুকার্য্যমন্ডিত ভাস্কার্য্য। হোটেল পর্যন্ত পুরো রাস্তায় নাক ঠেকিয়ে রাখলাম গাড়ির কাঁচে। যত দেখি যেন পলক পড়ে না।
কোর্টইয়ার্ড বাই ম্যারিয়ট~ পুরো ভ্যাকেশনই কাঁটিয়ে দেওয়া যায় যে রিসোর্টে~ রিসোর্টে পৌছুতেই অপূর্ব সোনালী সজ্জায় সজ্জিত এক বালিনীজ মেয়ে গেটের কাছে তার অপূর্ব সৌন্দর্য্য নিয়ে তাদের ঐতিহ্যবাহী নাচের মাধ্যমে আমাদেরকে স্বাগত জানালো। তার আগে অবশ্য বিশাল এক গার্ড ডগ দিয়ে আমাদের গাড়ির আনাচে কানাচে সার্চ করা হয়েছিলো নিরাপত্তার সুবিধার্থে। নৃত্যের পরে আপ্যায়ন করা হলো শরীর জুড়িয়ে যাওয়া ছোট ছোট মাটির গ্লাসে করে দেওয়া আইস লেমন পানীয়ে। অতঃপর সুসজ্জিত রুম আমাদের সকল ক্লান্তি কাটিয়ে দিলো।
একটু রেস্ট নিয়ে গোসল এবং খাওয়া সেরে আমি হেঁটে হেঁটে রিসোর্টের চারিপাশ ঘুরে দেখলাম এবং মুগ্ধ হলাম এবং মুগ্ধ হলাম! মনে হলো কোথাও আর যাবার নেই এখানেই কাটিয়ে দেওয়া যায় পুরো ভ্যাকেশন।

~নুসাদুয়া বিচ~ বিকেলে রিসোর্টের নিজেদের গাড়িতেই নিয়ে গেলো নুসাদুয়া বিচে। সুনীল জলরাশির শেষ প্রান্তে আছড়ে পড়া শ্বেত শুভ্র ঊর্মিমালা। নয়ন জুড়িয়ে যায়। তীরে আছড়ে পড়া ঢেউগুলো দিয়ে নীল সবুজ গোলাপী রঙে মেশানো এক অপূর্ব রৈখিক জলরাশির মিলনমেলা, মন ভরিয়ে যায়। কিছু পরে এলো সুর্য্য ডোবার পালা। আমরা হাঁটতে হাঁটতে এলাম লাইট ফেসটিভ্যাল পার্কে। সেখান থেকে বালি কালেকশন সুবিশাল উদ্যান শপিংমল এরিয়ায় কাঁটালাম কিছুক্ষন। একজন গায়ক অপূর্ব মোহনীয় সূরে গান গেয়ে চলেছিলো। ট্যুরিস্টরা অনেকেই তাকে রিকুয়েস্ট করছিলো গান গাইতে। আমরা কাঁঠের বেঞ্চে বসে ছিলাম। কিছু পরে সামনের মলগুলো ঘুরে দেখলাম। পানি, চিপস, বিস্কিট আর চুলের কিছু মন মাতানো হেয়ার ক্লিপ কিনে হট পিজাতে খেলাম রাতের খাবার। এই এতটুকু শপিং এই আমাদের লক্ষ্য লক্ষ্য কোটি কোটি শেষ হয়ে গেলো! এই লক্ষ্য এবং কোটি প্রথমে অবাক হয়েছিলাম। আমি তো শেষ পর্যন্তও হিসাব করতে পারিনি। এদের অর্থনৈতিক অবস্থা বেশ বেশ ভালো। তবে শুনেছি রাজনৈতিক সংকটে নাকি ব্যাংক কয়েকবার রুপিয়ার মান কমিয়ে দেয় । এছাড়া বেশ বছর কয়েক আগে এখানে বেশ কয়েকবার মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। তাই একটা টপস কিনতে হয় এক থেকে দেড় লাখ রুপিয়ায় আর একটা চুলের ক্লিপ তিরিশ/ চল্লিশ হাজার টাকায়! ২ বোতল পানির দাম ১০ হাজার! তার মানে এই বালির মাটিতে পা দিলেই আমরা সবাই কোটি কোটি কোটি পতি হয়ে যাই! সে যাইহোক খুব খুব ক্লান্ত থাকায় লক্ষ কোটি টাকা পয়সা খরচ করে রুমে ফিরে ঘুমিয়ে পড়লাম সেদিন......
এই গেলো প্রথমদিনের বালি ভ্রমনের কিচ্ছা কাহিনী। ইন্দোনেশিয়া অন্য সব প্রদেশ গুলোর মধ্যে সবচাইতে ক্ষুদ্র প্রদেশ হচ্ছে বালি। কিন্তু এখানে রয়েছে নীল সবুজে মেশানো এক অপুর্ব জলরাশি সমৃদ্ধ সমুদ্রতট বা বালুকাবেলা, মোহনীয় পর্বতমালা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য মন্ডিত পর্যটকদের জন্য দর্শনীয় স্থান, অপূর্ব স্থাপত্যশৈলীর মন্দির, স্মৃতিস্তম্ভ, সাফারি পার্ক, আর্ট মিউসিয়াম ইত্যাদি ইত্যাদি ও ইত্যাদি যা দেখবার, ঘুরবার ও মন মাতাবার জন্য পরদিনের অপেক্ষায় রইলাম।







১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:২৭

শায়মা বলেছেন: সেকেন্ড ডে ইন বালি- ভেবেছিলাম খুব ভোরে উঠে আমাদের অপূর্ব সুন্দর রিসোর্টের উদ্যান ঘুরে দেখবো। এমন এক স্বর্গীয় উদ্যানে মর্নিং ওয়াক ভাবাই যায় না। কিন্তু বিঁধি বাম। এত ক্লান্তির পরে এমন ঘুম ঘুমিয়েছি যে চিরদিনের ভোরের পাখি আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুললো অন্যেরাই। কি আর করা তখন বাজে সকাল ৮টা । তাড়াতাড়ি হাত মুখ ধুয়ে ব্রেকফাস্টের উদ্দেশ্যে বের হলাম। চারিদিকে রোদ্র ঝলমল সোনালী দিন, গাছের পাতায় রোদের ঝিলিমিলি। বিশাল সুনীল স্যুইমিং পুলের ধার ঘেষে টেবিল চেয়ার পেতে সকলে প্রাতঃরাশ সারছে। আমি মুগ্ধ মুগ্ধ এবং মুগ্ধ! রাশি রাশি খানা পিনা। সবচেয়ে আশ্চর্য্য যেটা শুধু ব্রেকফাস্টের উদ্দেশ্যেই বানানো হাজার হাজার খানা নয়, স্বাদে ও গন্ধে এবং পরিবেশনাতেও তারা মন মাতানো, চোখ জুড়ানো। এত এত খাবারের কথা বললে মনে হয় দিন ফুরিয়ে যাবে।
ব্রেকফাস্টের পর আমরা আমাদের রিসোর্টের ট্রান্সপোর্ট থেকেই সারাদিনের জন্য গাড়ি ভাড়া করে ফেললাম। অন্য কোথাও থেকে গাড়ি নিলে আরও ২/৩ লাখ কমে পাওয়া যেত হয়তো কিন্তু নিরাপত্তা ও বিলাসের কথা ভেবে আমরা সেটাই নিয়ে ফেললাম। প্রথম দিনে ১০ ঘন্টার জন্য তারা চাইলো ১০ লাখ। সেটাকে টেনে টুনে পরদিন থেকে সাত লাখ করা হয়েছিলো। তবে গাড়ি, সার্ভিস, গাইড এবং ড্রাইভার ছিলো এক্সসেলেন্টো! :)
আমাদের ড্রাইভার কাম গাইডের নাম ছিলো কেটুট। আমি প্রথমে তাকে কেতক( কেতক কেতকী ভেবেছিলাম আর কি) তারপর কেটুক আরও নানা কিছু বানাবার পর বুঝলাম তার নাম কেটুট। এটা নাকি ওদের ছোট ছেলেদের নাম। যাইহোক নামের প্রসঙ্গ নিয়ে তাদের আছে বিশাল ইতিহাস। যাইহোক তো কেটুট আমাদেরকে নিয়ে চললো বাতওয়ান ভিলেজে-
~বাতুওয়ান ভিলেজে বাতুওয়ান মন্দির~ মন্দিরে ঢোকার আগে ওদের নারী পুরুষ নির্বিশেষে ওদের ড্রেস সিরং পরতে হয়। এটা এক ধরনের লুঙ্গি টাইপ পোষাক যা আমাদের দেশের রাঙ্গামাটি চিটাগংএও পরতে দেখেছি। যাইহোক ওরা একটা হাতে উঠে আসা যে কোনো সিরং দিতে চাচ্ছিলো আমাকে আমি নিজে বেঁছে নিলাম আমার ড্রেসের সাথে ম্যাচ করে। যাইহোক মন্দিরে ঢুকে অপূর্ব শৈল্পিক কারুকার্য্যে চোখ জুড়িয়ে গেলো।
~মড আর্ট গ্যালারী~ মন্দির থেকে ফেরার পথে ড্রাইভার আমাদেরকে নিয়ে গেলো এক অপরুপ আর্ট শপে। সেখানে কাঁঠের মূর্তীগুলির শৈল্পিক কারুকার্য্যময় সৌন্দর্য্য মনে গেঁথে যাবার মত। কিন্তু আকাশ ছোঁয়া দাম আর লাখ লাখ কোটি দামের কারণে সেসব ছোঁয়াই আমাদের দুসাধ্য ছিলো তবুও আমি জিদ ধরলাম আমার লাগবেই লাগবে বালিনিজদের এই সব হাতের কাজগুলি অন্তত দুটি হলেও। শেষে লাখ লাখ কোটি কোটি দিয়ে আমার সঙ্গীসাথীদের রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে দুটি কাঁঠের মূর্তী বগলদাবা করে গাড়িতে উঠলাম।
~কার্মা স্যুভেনিয়র শপ~ এরপরে ড্রাইভার আমাদেরকে নিয়ে গেলো যেখানে সেই শপটিকে মোটামুটি আমাদের দেশের আড়ং বলা যায়। জামা কাপড় থেকে শুরু করে নানা রকম হস্তশিল্প, জ্যুয়েলারী রয়েছে সেখানে। সেখান থেকে আমি নিয়ে নিলাম টপাটপ কয়েকটি সিরং এবং টপস এছাড়াও বালীনিজদের তৈরী নানা রকম জ্যুয়েলারী, ডেকোরেশনের ছোট্ট থালা প্লেট, ক্যাপ এসব....আমি ছাড়া অন্য সকলেই আমার এই শপিং বাতিকে মহা বিরক্ত হচ্ছিলো কিন্তু তাতে চোখ এবং মন দেবার সময় ছিলো না আমার। :)
~উবুড সিটি~ চললাম আমরা উবুড সিটির পথে। চারিদিকে মনোমুগ্ধকর ঘরবাড়ি, গাছ পালা। অবাক হয়ে দেখি আর ভাবি এ দেশের ৯৯% মানুষই কি শিল্পী আর সৃষ্টিশীল কাজেই জড়িত? প্রতিটা বাড়ি, দেওয়াল, গেট, বাড়ির পাশের এক টুকরো জায়গা সবই নানা রকম মূর্তী শোভিত। মাইলের পর মাইল বড় বড় মূর্তি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আর্ট ফ্রাক্টরী বা শপগুলো। আমরা রিসোর্ট নিয়েছিলাম নুসা দুয়া শান্ত শিষ্ট এলাকায় কিন্তু উবুড বেশ ক্রাউডি এবং পর্যটকে ভরা রাস্তা। সেই সময়টা লাঞ্চ টাইম থাকায়। রোডসাইড খাবারের দোকানগুলো গিজ গিজ করছিলো পর্যটকে। আমাদের গাড়ি মাংকি ফরেস্টে পার্ক করে ড্রাইভার বললো আমাদেরকেও লাঞ্চ সেরে নিতে।
আমরা হেঁটে হেঁটে উবুডের রাস্তা ধরে আবিষ্কার করে চললাম সেখানকার জীবনযাত্রা। খুব গরম পড়েছিলো সেদিন। আমি এসিওয়ালা কোনো খানাশপ খুঁজছিলাম কিন্তু পাওয়াই যাচ্ছিলোনা সবই খোলা মেলা হাওয়া খেলানো রেস্তোরা। শেষ মেষ তেমনই এক রেস্তোরায়, বার্গার, পিজ্জা এসব দিয়েই লাঞ্চ সারা হলো এবং সেই পিজ্জা বার্গার শপে বসেই আমি দেখলাম এক কাপড়ের দোকানে ঝুলানো মনোমুগ্ধকর টপস আমি খাওয়া ছেড়ে সেদিকে দৌড় দিলাম এবং ২লাখ টাকা দিয়ে ২টা টপস কিনে আনলাম। :) এরপর সবাই নাকি মাংকি ফরেস্টে ঢুকবে। এটা শুনে আমার আক্কেল গুড়ুম আমি সোজা বলে দিলাম তোমাদের ইচ্ছা হলে যাও আমি এখানেই এই নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য্যে হাওয়া খাবো। সেখানে আমি রয়ে গেলাম।
আমি এক দিকে কাঁঠের বেঞ্চে বসে প্রথমে কুমীরটাকে আঁকার ট্রাই করলাম তারপর ব্যার্থ হয়ে সারাদিনের দিনপঞ্জী লেখায় মন দিলাম।

~ মোহনীয় কেচাক ডান্স~ মাংকি টেম্পল থেকে ওরা সবাই ফেরার পর ড্রাইভার বললো আমাদেরকে নিয়ে যাবে উলুয়াটু মন্দিরে সেখানে সূর্যাস্তের পর দেখবো আমরা তাদের ঐতিহ্যবাহী মোহনীয় নৃত্য কেচাক ডান্স। এই নাচের কথা আমি আগেই শুনেছি কাজেই নাচের চাইতেও ওদের সেই অপরূপ সাজসজ্জার প্রতি ছিলো আমার মহা কৌতুহল কাজেই সোৎসাহে গাড়িতে চেপে বসলাম। এই কেচাক ডান্সের জন্য টিকেট লাগে। এবং টিকেট কাটার সাথে সাথে দুইজন বালিনিজ গার্ল তাদের অপরুপ সাজসজ্জায় আমাদের সাথে ছবি তোলার জন্য রেডি ছিলো।
আমি তো লাফ দিয়ে একের পর এক ছবি তুললাম তবে এর উদ্দেশ্য যে আরও কিছু তা পরে বুঝলাম। যাইহোক তারা আমাদেরকে এই নাচের ইতিহাস ও গল্প বিষয়ক একটি লিফলেট দিলো। সারি সারি চেয়ার দিয়ে সাজানো গ্যালারীতে শুরু হলো আমাদের অপেক্ষা। যথাসময়ে নাচ শুরু হলো। অবাক হয়ে দেখলাম এক বিশাল দলের লোকজন চেক চেক সাদা কালো সিরং পরে কেচ কেচ কেচ কেচ করে শব্দ করছে এটাই নাকি ঐ নাচের মিউজিক। তারা সবে গোল হয়ে বসলো শুরু হলো একে একে সীতা, রাম, লক্ষণের ইতিহাস।হুনুমান দেবতার আবির্ভাব হলো। সব চেয়ে মন মাতানো নাচটাই ছিলো অগ্নিদেবের আগুনের উপর দিয়ে তান্ডব নৃত্য। এমনকি সে মাঝে মাঝে আগুন তুলে খেয়েও ফেলে! সে যাইহোক শো শেষে আমি দৌড়ে গিয়ে অগ্নিদেবের সাথে ছবি তুললাম। তাকে বললাম তার পারফরমেন্সে আমি তার প্রেমে পড়ে গেছি। এইভাবে কাউকে আগুন দিয়ে পোড়াতে হলে আমি তাকে স্মরণ করিবোক! :) :) :)

যাইহোক সব শেষে ফেরার পালা। বের হবার গেটের ধারেই ক্ষুদে পসারীদের মেলা । তারা নানা রকম মালা, দুল চুড়ি, ক্যাপ বিক্রির জন্য আমাদেরকে ছেকে ধরেছিলো। কিন্তু সব ছাপিয়ে আমি ওই কেচাক ডান্সের মুকুট দেখে মহা মুগ্ধ! সাথে সাথে লুফে নিলাম সেই মনো মুগ্ধকর কেচাক নৃত্যের মুকুট। এবার এগিয়ে আসলো একজন সেই প্রবেশ দ্বারে আমরা যে বালিনীজ নৃত্য সজ্জায় সজ্জিত মেয়েদের সাথে ছবি তুলেছিলাম সেই ছবি প্লেটে করে স্টান্ড সহ ছাপিয়ে এনেছেন তারা। কিনতে হবে ১ লক্ষ্য আশি হাজার টাকা দিয়ে। কি আর করা! শখের তোলা মাত্র আশি টাকা আর এই আজব রাজার দেশে শখের তোলা এক লক্ষ আশি হবে এ আর নতুন কি!



ফেরার পথে আমরা সবাই ম্যাকডোনাল্ডে রাতের খাবার খেয়ে ফিরে এলাম....

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:২৯

শায়মা বলেছেন: বালির তৃয় দিনঃ
~আমাদের সেদিনের প্ল্যান ছিলো কিন্তামানি মাউন্ট বাটুর দর্শন~ সমুদ্র থেকেও আমার পাহাড় বেশি প্রিয়। কিন্তু এই পাহাড় তার বুকে আগ্নেয়গিরি নিয়ে ঘুমিয়ে রয়েছে বছরের পর বছর। হ্যাঁ এটি একটি পুরনো ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি।এর নিচে রয়েছে লেক বাটু যা বালির সবচাইতে বড় প্রাকৃতিক হ্রদ। তো শুরু হলো আমাদের যাত্রা। যথারীতি কোর্টইয়ার্ড ম্যারিয়টের রাজকীয় ব্রেকফাস্ট বা ব্রাঞ্চ সেরে আমরা চললাম কিনতামানির পথে। পথে যেতে যেতে আবার সেই পলক না পড়া বিশাল সব মন ভরানো প্রাণ জুড়ানো স্ট্যাচু। আমাদের ড্রাইভারকে ধরে আমরা রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে ছবি তুললাম সেসবের কিছু কিছু। পথের ধারেই পটারী ফ্যাক্টরী। শৈল্পিক এসব চিত্রে সত্যই অবাক হতে হয়।

আড়াই ঘন্টা পথ পরিক্রমায় আমরা পৌছালাম কিনতামানি মাউন্ট বাটুর বা সুপ্ত আগ্নেয়গিরির পদপ্রান্তে। আমাদের ড্রাইভার সেখানে এক বিশাল রেস্টুরেন্টে গাড়ি পার্ক করিয়ে দিলো। বললো এ ছাড়া নাকি গাড়ি পার্ক করার জায়গা নাই! আমরা ব্রাঞ্চ করে এসেছি এখন খাবো কি করে! তবুও ড্রাইভারের জ্বালায় এখানে কিছু মিছু অর্ডার দিতে হলো এবং যথারীতি না শেষ করেই উঠতে হলো। তবে খাবার খেতে না পারলেও মাউন্ট বাটুরের অপরূপ সৌন্দর্য্যে প্রাণ জুড়িয়ে গেলো।
বাটুরের পাশেই বয়ে চলা সুনির্মল লেক প্রাণ ভরিয়ে দিলো। সেখানে কিছু স্যুভেনিয়র শপ ছিলো। আমি সুযোগ বুঝে ঝপাঝপ কয়েকটা হস্তগত করলাম।

~লুয়াক কফি গার্ডেন~ফেরার পথে কিছুক্ষনের জন্য একটি লেকের ধারে দাঁড়াতে গিয়ে বাঁধলো বিপত্তি। এক ঝাঁক ক্ষুদে পসারী আমাদেরকে ছেকে ধরলো। তাদের হস্তশিল্পগুলি না কিনে আমাদেরকে আসতেই দেবেনা। যাইহোক কোনো রকমে তাদের থেকে পরিত্রান পেয়ে আমরা ছুটলাম বিশ্ব বিখ্যাত কফি লুয়াক প্লান্টেশন গার্ডেনে ।
একটা দারুন স্মার্ট মেয়ে বর্ননা করছিলো কি ভাবে আদা, তুলশী নানা রকম হারবালে কফি তৈরী করে তারা এবং কফি বিন কেমন দেখতে হেন তেন। এরপর দেখি খাঁচার মাঝে বিড়ালের মত দেখতে কিছু প্রাণী। এরাও নাকি কফি বানায় মানে সিভেট নামের এই প্রানীর হাগু থেকে নাকি হয় কপি লুয়াক ( copy luwak)। সিভেটকে কফি ফল খেতে দেয়া হয়। খেয়ে দেয়ে কফি বীজ হজম করতে পারে না এরা। তাই আস্ত বীজগুলো হাগুর পরে বেরিয়ে আসে এসবই ধুয়ে মুছে কপি লুয়াক পাওয়া যায়। এটা নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কফি।

এককাপ কফির দাম নাকি পাঁচ/ছয় হাজার টাকা। তাও নাকি এখানে একটু দাম কম কারণ এই কফি এই দেশে জন্মায়।
যাইহোক সেই স্মার্ট মেয়েটা আমাদেরকে ছোট ছোট কাপে চা-কফি এনে দিলো। ভ্যানিলা, ডার্ক চকলেট, আদা চা, লেমন গ্রাস চা, জিনসেং কফি। সবগুলো টেস্ট করে আমরা নিলাম হার্বাল, লেমন গ্রাস আে জিনসেং কফি। তাদের আসল বিশ্বখ্যাত কফি লুয়াক দিলো না সেটা নাকি দেওয়াই যাবেনা । খেতে গেলে নাকি সেই ৫/৬ হাজার খরচ করতে হবে। কাজ নাই তো! মনে মনে বললাম, এই বিশ্বখ্যাত আসল কফি লুয়াক ফ্রিতে দিলেও চাইনা। মাফ চাই।
~হোলি স্প্রিং~ এই হোলি স্প্রিং এ দেশ বিদেশ থেকে মানুষ আসে শাওয়ার নিতে। আমরা যখন সেখানে পৌছালাম সেটি ছিলো বৃষ্টিস্নাত পড়ন্ত দুপুর। চারিদিক ঝকঝকে তকতকে এবং অজস্র কারুকার্য্যমন্ডিত পাথরের মূর্তী। হোলি স্প্রিং কারু খচিত মন্দিরগুলিও মন ভরিয়ে দেয়। অনেকেই ঝর্না থেকে ঝরে পড়া পানিতে গোসল করছিলো, প্রার্থনা করছিলো।
সেই মোহনীয় পবিত্র দৃশ্য হৃদয়ে প্রশান্তির পরশ বুলিয়ে দেয়। এই হোলি স্প্রিং এর পাশেই রয়েছে সুবিশাল হান্ডিক্রাফটস মার্কেট। নানা রকম চোখ জুড়ানো শিল্পকর্মে হৃদয় ভরে নিয়ে আমরা জীমবারান বিচের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম।

~জীমবারান বীচ~ জীমবারান বীচে পৌছালাম যখন বিকালের সমুদ্র বিলাসে তখন গা ভাসাবার বেলা। হিমেল বাতাসে চারিদিক উন্মাতাল। বীচের বালুকা বেলায় চেয়ার টেবিল পেতে বসে আছে হাজারও পর্যটক। হালকা নাস্তা করছে, চা কফি ওয়াইন খাচ্ছে। কেউ কেউ বীচের পানিতে পা ভিজাচ্ছে । সবারই প্রতীক্ষা সূর্যাস্তের জন্য। একসময় দিকচক্রবাল আলো করে সূর্য্য অস্ত গেলো। বীচের সাথেই মনোহর মঞ্চে নেমে আসলো পরীদের মত বরমা ড্যান্সাররা। তাদের নাচ দেখতে দেখতেই চলে এলো ফিস গ্রীল, ফিস ফ্রাই সাথে বেতের ঝুড়িতে কলাপাতা বিছিয়ে সাদা ধপধপে ভাত আর শাকের ভর্তা। নানা রকম সস আর সালাদ। লবস্টার গ্রীল আর রেড স্ন্যাপার ফ্রাই অর্ডার দেওয়া হয়েছিলো। সেসব এ্যকুরিয়ামে কাঁচা সাজানোই থাকে অর্ডার দিলে সেখান থেকেই ভেঁজে দেওয়া হয়।

ফিস গ্রীল, যুই ফুলের মত স্টিমড রাইস আর নানা রকম মসলা মাখানো শাকের ভর্তা দিয়ে ডিনার সেরে ফিরবার পথে আকাশ আলো করে আতশবাজী উড়ছিলো। গানের দল মাঝে মাঝেই গান গেয়ে ঘুরছিলো। সে এক সমুদ্র বিলাসী সন্ধ্যা পিছে ফেলে আমরা ফিরে গেলাম আমাদের রিসোর্টে সেদিনের মত.....

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৬

শায়মা বলেছেন: চতুর্থ দিন বা ফোর্থ ডে ইন বালি
~মোহনীয় রোড স্ট্যাচু~ সেদিনের মেইন প্ল্যান ছিলো উলানদানু ফ্লোটিং টেম্পল। কিন্তু উলান দানু যাবার পথেই থমকে দাঁড়ালাম। বালীতে দেখা আমার হাজার হাজার সুদৃশ্য স্ট্যাচুগুলির মাঝে সব চাইতে মুগ্ধ করা স্টাচুটার সামনে। এই সুবিশাল সৌন্দর্য্য ক্যামেরায় বন্দী করা যায় না, যায় না দুচোখের স্মৃতিতেও বুঝি আটকানো। তাই তো যে দিকেই তাকাই সেদিকেই রহস্য যেন ফুরায় না। সুবিশাল যুদ্ধ প্রান্তরে বিশালদেহী ছুটন্ত ঘোড়াগুলি। দুটি তেজস্বিনী ঘোড়ার মাথার উপরে দুই পা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বীর যোদ্ধা। মুখোমুখি রথে ধনূর্বাণ হাতে আরেক অকুতোভয় সাহসী যোদ্ধা। মুগ্ধ করে দেয়। এই স্টাচুর পিছে ধর্মীয় ইতিহাস আছে দেব দেবী রাম লক্ষন সীতা রাবন জড়িত কিছু একটা। এই ইতিহাস তখনও আমি জানতাম না। Sang Satria Sejati, Gatotkaca | Patung Kuda বালিনিজ ভাষায় সকল ইতিহাস, তাই আমি বুঝিনি সে গল্প। আমাদের ড্রাইভার কাম গাইডও তেমন কিছু বলতে পারলো না তবে বাসায় ফিরে আমি অনেক কষ্টে এই স্টাচুর কিছু ইতিহাস পেলাম। এই স্টাচু গাতোকতাকে রি প্রেজেন্ট করে। ষে ছিলো একজন সাহসী এবং শক্তিশালী নাইট। বিমার ছেলে আর পঞ্চপান্ডবদের একজন। উড়্ন্ত দেবতা বা ফ্লাইং নাইট হিসাবে পরিচিত ছিলো। যার কাজ ছিলো আকাশ পথে পান্ডুয়া রাজধানীকে নিরাপত্তা ও রক্ষা দান করা। এই স্টাচু রিপ্রেজেন্ট করছে যুদ্ধক্ষেত্র পান্ডুয়া। গাতকতা ও রাজপুত্র কর্নের এই যুদ্ধে যার ঘোড়াগাড়ি চালক ছিলো সালিয়া কুরুয়া। গাতকতা নিজের জীবন উৎসর্গ করে কর্নের প্রানঘাতী অস্ত্রের কাছে। যে অস্ত্র একবারই ব্যবহার করা যেত অর্জুনকে বাচাতে। মহাভারতের নানা কাহিনীর ইতিহাস নিয়ে এখানে রয়েছে নানা রকম নাটক, নাচ বা স্থাপত্য শিল্প। তবে এই সুবিশাল সৌন্দর্য্যমন্ডিত স্টাচুটি শুধু সৌন্দর্য্যের জন্য নয় তাদের বিশ্বাস এয়ারপোর্টের আগত ও বহির্গত মানুষদের প্রটেকশনের জন্য এই মূর্তী বা মূর্তীর পিছে রক্ষাকারী দেব দেবীগণ ভূমিকা রাখে।

শুধু এই স্থাপত্য শিল্পটি নয় আরও অবাক করা দৃশ্য, এই স্টাচুর বিশাল রাজপথের ঠিক মধ্যখানে বিশাল প্রান্তরের সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলো যা সম্প্রীতি, পারস্পারিক সন্মান ও সৌজন্যবোধের প্রতীক। সেটি একটি মসজিদ, মন্দির এবং গীর্জা । এই মূর্তীর সামনেই গলাগলি করে দাঁড়িয়ে আছে তারা।একই প্রান্তরে একই কাতারে এই তিন ধর্মের উপসনালয় পাশাপাশি দাঁড়িয়ে বন্ধুর মত যেন হাত ধরাধরি করে।

~উলানদানু ফ্লোটিং টেম্পল~ যাইহোক দীর্ঘ আড়াই ঘন্টা পাড়ি দিয়ে পৌছালাম উলানদানু টেম্পলে। পথে বজ্রবৃষ্টি দেখে চিন্তায় পড়েছিলাম তবে আমরা যখন পৌছুলাম তখন বৃষ্টি ধরে গেছে। ঝিরঝির শীতল পানির ছাট হিম ধরিয়ে দেয় গায়ে। একজন ছাতাওয়ালী আমাদেরকে টাকার বিনিময়ে ছাতা ভাড়া দিলো। কিন্তু রংধনু সাতরঙ্গের সেই ছাতা যেন উলানদানু মন্দিরের রংধনু রঙ্গের সাথে মিলে মিশে একাকার হয়ে গেলো। অপরূপ সৌন্দর্যের দ্বীপ এই বালিতে রয়েছে অসংখ্য মন্দির। পুরা ইন্দোনেশিয়ায় বালীই একমাত্র স্থান যেখানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। বেশ কিছু মন্দির রয়েছে এখানে যা পর্যটকদের অবশ্য দর্শনীয়। যেমন- উলুন দানু, তামান আয়ুন, উলুওয়াতু ওয়াটার মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির।

উলানদানু মন্দিরটির আশপাশ জুড়ে রয়েছে বাগান ও হংসমিথুন সদৃশ বোটে করে নৌ ভ্রমন করা যায়। সুনীল জলরাশির মাঝে সুউচ্চ মন্দিরের সৌন্দর্য্য প্রান ভরিয়ে দেয়। এর পাশেই রয়েছে খাবারের দোকানগুলি। আমরা সেখানে বিকালের নাস্তা খেলাম। এরপর তাদের হস্তশিল্প মার্কেটে ঢুকে আমি আর সহজে বের হতে পারলাম না। যখন বের হলাম সাথে ছিলো সিরং, টপস, ক্যাপ,চুড়ি, মালা, ব্রেসলেট, ফ্রিজ ম্যাগনেট,ব্যাগ, বেল্ট ও নানা রকম জিনিসপাতি তবে সবচেয়ে আনন্দ হলো যা কিনে তা হলো কেচাক ড্যান্স ডল। একটা নেবো নাকি দুইটা নাকি তিনটা করে করে শেষে ৪টা ডল নিয়ে নিলাম। ওহ আরেকটা কথা। কেচাক ডান্স ডলের মতই কেচাক ড্যান্সের মুকুটগুলি কিনেও আমি কম আনন্দিত হইনি।

এরপর ফিরে এলাম ফের নুসা দুয়া বালি কালেকশনে। এক গাঁদা হাবিজাবি কিনে ব্যাগ বোঝাই করে রুমে ফিরলাম আমরা।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৮

শায়মা বলেছেন: বালিতে পঞ্চম দিন
~স্যুইমিং পুল~হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়তে চাইনি বলে এই রিসোর্টের মনোমুগ্ধকর স্যুইমিং পুলে ঘন্টার পর ঘন্টা ডুবে থাকার ইচ্ছাটা এই কদিন দমন করেছিলাম। কিন্তু যাবার সময় ঘনিয়ে আসছিলো তাই লাস্ট দুদিন আর স্যুইমিং পুলে না নেমে পারলাম না। আগেই বলেছি স্বর্গীয় উদ্যানের মত সাজানো এই রিসোর্টটি। স্যুইমিং এ বসেই পাওয়া যায় নানা রকম পানীয়। চারিদিকে লাইফ গার্ডের সতর্ক অবস্থান ও যে কোনো রকম সাহায্যের আয়োজন সত্যিই অবাক করে। আসলে শুধু এই হোটেলটিতেই নয় পুরো বালীর সকল মানুষের সৌহার্দ্যপূর্ন আচরণ আর হাসিমুখ মনে রাখবার মত।
~কুটা বীচ ও কুটা স্কোয়ার~পুরো সকালটাই বলতে গেলে স্যুইমিং এ কাটিয়ে আমরা গেলাম কুটা বীচ। কুটা বিচ এখানকার দীর্ঘ বালুকাময় সমুদ্র সৈকত। এই বিচ কখনো ঘুমায় না যত রাত বাড়ে এই বিচ ও আশেপাশের দোকান পাট মানুষজন তত জেগে ওঠে। সারা বিকেল বিচে কাটিয়ে আমরা বের হলাম কুটা স্কোয়ারের উদ্দেশ্যে । এ মাথা থেকে ও মাথা হেঁটে হেঁটে চষে বেড়িয়েছি। পুরো শহর আনন্দে ঝলমল। তাজা মাছের গ্রীল, চিকেন, বীফ থেকে শুরু করে নানা রকম খাবারের পসরা। ম্যাক ডোনাল্ড, বার্গার কিং এর মত শপগুলোও রমারমা আগমনী বার্তা জানা্চ্ছে। বড় বড় শপিং মলগুলোর আলোকিত সজ্জা আমাকে হাত ছানিতে ডাকছিলো। আমি পারফিউম, দুল আর কিছু শো পিস কিনে চরম শপিং বিদ্বেষী আমার সঙ্গী সাথীদের বিরক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে ঘুরে ঘুরে তাদেরকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে সেদিনের মত শপিং এ ক্ষ্যান্ত দিলাম।
~আর্ট মার্কেট~ কুটা স্কোয়ারের আর্ট মার্কেটের কথা ভোলা যায় না। কি নেই এখানে!! এমনিতেই হস্তশিল্পের দারুন পরিচায়ক বালীনিজরা। তাদের কারুকার্য্যের বিশাল বিশাল নিদর্শন ছড়িয়ে আছে সারা দেশ জুড়েই। তবুও এই আর্ট মার্কেটগুলোতেও দেখার ও কারো সংগ্রহের শখ থাকলে তা অতি সহজেই পেয়ে যাবার জন্য এই আর্ট মার্কেটগুলি অতুলনীয়। এখানে বিশাল বড় এ্যকুরিয়ামে ছোট ছোট মাছের মাঝে হাত ডুবালেই তারা ঝাক বেঁধে ছেকে ধরে ও হাতের ডেড সেলগুলি খেয়ে ফেলে। যাই হোক মাছ দিয়ে আমার হাত খাওয়াবার কোনো সাধ নেই আমার যদিও, তবে অনেকেই এই কাজে দারুন মজা পাচ্ছিলো।

ফেরার সময় আমরা ফের গেলাম ম্যাকডোনাল্ডে। বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ আর কোক হলেই আমাদের রাতের ডিনার চলে যায় আর তাছাড়া সারাদিন ঘুরাঘুরিতে চিপস বাদাম আর বিস্কিটের সাধ্যে আমাদের তেমন খিধেও ছিলো না। রাত প্রায় ১১ টায় হোটেলে ফিরলাম আমরা রাতের মনোমুগ্ধকর কুটার আলোকজ্জ্বল নগরী পরিভ্রমন করে।



ষষ্ঠ ও শেষ দিন ইন বালি
~ এক টুকরো স্বর্গীয় উদ্যানের কোর্টইয়ার্ড বাই ম্যারিয়ট~ শেষমেষ এলো ফিরে যাবার বেলা।স্যুইমিং আর ব্রেকফাস্ট শেষে। আমরা পুরো হোটেল ট্যুরের আয়োজন করলাম। এই হোটেলের মনোহর সৌন্দর্য্যের কথা আগেই বলেছি এখন শুধু ছবি তোলার পালা। আমাদের রিসোর্টর্টি ছিলো কোর্টইয়ার্ড বাই ম্যারিয়ট। এখানে রয়েছে অপূর্ব সুন্দর সজীব সবুজ ঘাস আর ভাস্কর্য্যের উদ্যান, গল্ফ মাঠ, স্যুইমিং পুল, নিজেদের বিচ এরিয়া, বিচ রেস্টুরেন্ট, ফ্রি ট্রান্সপোর্ট টু বিচ আরও আরও নানা সুবিধাবলী। যতটুকু পেরেছি ছবি তুলে রাখার চেষ্টা করেছি আমি। যদিও আমার এহেন কার্য্যকলাপে আমার সঙ্গী সাথীরা বড়ই বিরক্ত ছিলো। আমি তাতে নো পাত্তা....

~ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা ~ শেষ মেষ আকাশপথে দীর্ঘ পরিভ্রমন শেষে পা রাখলাম দেশের মাটিতে। তখন রাত ১২ টা। বুক ভরে শ্বাস টেনে নিলাম। চোখে নিয়ে ভ্রমনের স্মৃতি, বুকে নিয়ে রাশি রাশি ভালোলাগাময়তা তবুও স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে গেয়ে ওঠে প্রাণ.....ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা.......অস্ফুটে চুপি চুপি নিজেকেই বললাম, সকল দেশের সেরা সে যে আমার জন্মভূমি..


৮২| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩২

যৌণ বলেছেন: মুখ ঢাকা কেন?

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৫২

শায়মা বলেছেন: কই !!! কই !!!!

৮৩| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৪৪

নীল-দর্পণ বলেছেন: গলা কাটা মাথা কাটা ভুত্নী পেত্নী শায়মা আপুনিইই। B-))
অনেক অনেক সুন্দর ছবি, অনেক সুন্দর গুছিয়ে গাছিয়ে বর্ণনা দিয়েছো। একদম অপ্সরীয় স্টাইলে। ;)
ভাল লেগেছে অনেক।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৩

শায়মা বলেছেন:


আরে গলা কাঁটিনিতো এইবার!!!!!!!! :(

৮৪| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:০৪

তাসবীর হক বলেছেন: এত সুন্দর সুন্দর ছবি আর তার সাথে এত রকম বর্ণনা দেয়াটা কিন্তু খুব অন্যায়।সব দেখে আমারো এখনি যাইতে মন চাইতেছে যে..কিন্তু কুনু উপায় নাই..এত বড় অন্যায় আল্লাহ সইবেনা!আপনার উপর বদদোয়া লাগবে সিউর!আপনার আঙ্কেলের ক্রেডিট কার্ড হ্যাক হইবে..আমি বলিয়া রাখিলাম

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৩

শায়মা বলেছেন: শিঘ্রী যাও স্বপ্নের দেশ বালিতে!!!!!!! :)

৮৫| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩১

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:

চমৎকার ছবি ও লেখা!

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ডানাভাইয়া!!!!! :)

৮৬| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:২০

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:




ছাতা হাতে আপনার একদিকে তাকিয়ে দাঁড়ানো ছবিটা আমার কাছে বেশ ভাল লেগেছে। দারুণ শৈল্পিক !!

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৫৮

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ!!!!!!!!!!!! :) :) :)

৮৭| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:০৭

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:




তাহলে এক টুকরো স্বর্গে লুয়াকের হাক্কুও বিক্রি হয় ! আপনি খাননি কেন তবে এই স্বর্গীয় কফি !!!

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:২৭

শায়মা বলেছেন: ইয়াক থু!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! থু!!!!!!!!!!!!!! থু!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! সেসব কে খায়!!!!!!! :-P



এই সব এনেছি!!!!!!! :)


৮৮| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:



নিয়ম করে পান করছেন তো ? কোন ডিফরেন্স টের পাচ্ছেন কী !!

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০০

শায়মা বলেছেন: এই জিংসেং কফি দারুণ মজা!!!!!!!!! মাদকতাময়!!!!!!!

৮৯| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৪

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:




তার মানে আপনি এখন মাদকাসক্ত!

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:০৪

শায়মা বলেছেন: হা হা হা হতে পারে!!!!!!

নিম ফুলের মৌ পিয়ে ঝিম ধরেছে ভোমরা ....


:P

৯০| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আদতে আমি বড় গবেষক নহি। সেটাও বাড়িয়ে বলা ।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৮

শায়মা বলেছেন: সে আর বলতে!

আমরা জানি তুমি বাড়িয়েই বলো ভাইয়ু!~ :)

৯১| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: না ঠিক তা না। নিজেকে বড় ভাবিনা ।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৪

শায়মা বলেছেন: কি ভাবো??? কবি?

৯২| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: আপনি পারেনও বটে! এত বড় পোস্ট, এত লেখা, এত বর্ণনা।

সবই সার্থক হয়েছে। যেমন ঝড় ঝড়ে বর্ণনা তেমনি তক তকে ছবি।

ব্লগের সবাইকে যেন বালিতে ভ্রমণ করিয়ে ছাড়লেন।

ভাল থাকুন।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪৫

শায়মা বলেছেন: হা হা হা বালি ভ্রমন কেমন হলো ভাইয়া তোমার ??? :)

৯৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৩৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: আপনি পুরো আনন্দ পেয়েছেন আর আমরা কিঞ্চিত কম আনন্দ পেলাম।

তবুও ভাল লাগিয়াছে।

ধন্যবাদ।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২৭

শায়মা বলেছেন: হা হা হা থ্যাংক ইউ ভাইয়া!!!!! :)

৯৪| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

গব্বু বলেছেন:
আপনি আনন্দ নিয়ে মেতে থাকেন মনে হচ্ছে। কি সুন্দর সব ছবি। খুব ভাল লাগল আপু।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২৯

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়া!!!! :)

৯৫| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৮

আখেনাটেন বলেছেন: এতো দেখছি বালির সব নালী-ডোবা, গলি-তলি সব চষে এসেছেন। বেশ বেশ।

হরেক রকম প্রাণবন্ত ছবির সমাহার। প্রিয়তে রাখলাম। যদি কাজে লেগে যায়।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৯

শায়মা বলেছেন: হা হা হা হা হুম ভাইয়া!!!!!!

অলি গলি ডোবা নালা মাঠ ঘাট পাহাড় পর্বত সব!!!!!!

কাজে লাগবেই!!!!!!! এমন স্বর্গের দেশ না দেখলে কি চলে!!!!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.