নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দীপ ছিলো, শিখা ছিলো, শুধু তুমি ছিলেনা বলে...

শায়মা

দিয়ে গেনু বসন্তেরও এই গানখানি বরষ ফুরায়ে যাবে ভুলে যাবে, ভুলে যাবে,ভুলে যাবে জানি...তবু তো ফাল্গুন রাতে, এ গানের বেদনাতে,আঁখি তব ছলো ছলো , সেই বহু মানি...

শায়মা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মে থেকে সেপ্টেম্বর - ডেঙ্গু জ্বরের এখুনি সময় আর এখুনি সময় সাবধানতার......

২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৩৩


আপডেট-
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ বদলে গেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, এই জ্বরের জীবাণু আগের চেয়ে শক্তিশালী হয়েছে। ডেঙ্গু জ্বরের ভাইরাস ৪ ধরনের। এতদিন ভাইরাস ওয়ান দিয়ে আক্রান্ত হতো মানুষ। এখন আক্রান্ত হচ্ছে ভাইরাস টু এবং থ্রি দিয়ে। এই ধরনের ভাইরাস মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ায়।

এবছর হেমরেজিক বা ঝুঁকিপূর্ণ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যাই বেশি। এ জ্বর হলে এক দুদিনেই আক্রান্ত ব্যক্তি মৃত্যুঝুঁকিতে পড়ছেন। আগে রক্তে প্লাটিলেট কমে যাওয়াকে বিপজ্জনক ধরা হতো, এবার প্লাজমা লিকেজ বা রক্তনালী থেকে পানি সরে যাওয়াকে বিপজ্জনক অবস্থা বলছেন চিকিৎসকরা।

এজন্য, কারো জ্বর হলে তাকে প্রচুর পরিমাণ পানি, তরল খাবার খাওয়াতে হবে। এছাড়া, জ্বর হলেই পরীক্ষা করিয়ে নিশ্চিত হতে হবে যে, এটা ডেঙ্গু কিনা।

আর কোনভাবেই প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোন ব্যাথানাশক ওষুধ খাওয়া যাবে না, এমনকি হৃদরোগীরা জ্বর হলে এসপিরিনও খেতে পারবেন না। চিকিৎসকরা বলছেন, প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য ওষুধে রোগী মৃত্যুর সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

বাসার চারিদিকে কোন জায়গায় পানি জমে আছে কিনা লক্ষ্য রাখুন..
অনেকই এখন বারান্দায় বা ছাদে পাত্রে পানি জমিয়ে ওয়াটার লিলি অথবা মানি প্ল্যান্ট এর গাছ লাগাচ্ছেন,বর্ষাকালে সেদিকে একটু সতর্ক দৃষ্টি দিন। সেই পানিতে ছোট ছোট মাছ ছেড়ে দিলে মশার লার্ভা আর বড় হওয়ার সুযোগ পাবে না..

যদি সিটি কর্পোরেশন থেকে ব্যাবস্থা না নেয়, এলাকার সবাই মিলে সম্ভব হলে বাড়ির আশে পাশে মশার ঔষধ ছিটানোর ব্যাবস্থা করুন..দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় মশারী ব্যাবহার করুন।



গত বছর আমার এক কলিগের বোনের ১৪ বছরের হাসিখুশি প্রানোচ্ছল একটি ছেলে ডেঙ্গু জ্বরে সেন্ট্রাল হসপিটালে মারা গেলো! এই ঘটনা আমার মনে দারুন রেখাপাত করেছিলো। বাবা মায়ের একমাত্র ছেলেটি তার কিছুদিন আগেই তাদের নতুন প্রাসাদোপম বাসাতে উঠেছিলো। যেই রবিবার সে মারা গেলো তার আগের রবিবারেই তার হাসিখুশি কে,এফ,সিতে তোলা ছবিটি আমি কত বার যে দেখেছি আর অবাক হয়েছি! এত সহজেই এই ভয়াবহ রোগটি একটি মানুষের অমূল্য জীবন এইভাবে অনায়াসে নিয়ে নিতে পারে! এতই অসহায় আমরা এই রোগটির কাছে? প্রশ্নটি হয়ত অনেকের মাথাতেই আসে কিন্তু বেশিক্ষন তা ধরে রাখে না তারা আর তাই এই ডেঙ্গু চুপিসারে তার ভয়াল থাবা লাগিয়ে বসে। ফলশ্রুতিতে ডেঙ্গুর মত একটি জ্বরে মৃত্যুর হার বেড়েই চলে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভাষায় ডেঙ্গু একটি অবহেলিত বা নেগলেগটেড ডিজিজ। অধিকাংশ ডেঙ্গু জ্বরেই প্রথম দিকে মানুষ সাধারণ জ্বর ভেবে বসে তার কারণে ডেঙ্গু ভেতরে ভেতরে যা ক্ষতি করার করে ফেলে। ডেঙ্গুর মত আরেকটি রোগও আছে চিকুনগনিয়া। তবে চিকুনগুনিয়ার ধর্ম চিকেন পক্সের মতো এটি দ্বিতীয়বার একবার আক্রান্ত ব্যক্তির কাছে ফিরে আসে না। কিন্তু ডেঙ্গু ফিরে ফিরে আসে বার বার এবং দ্বিতীয়বার সে আগের চেয়ে শক্তিশালী হয়ে আসে। কাজেই ডেঙ্গু নিয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থাকবার কোনো কারণ নেই। মে থেকে সেপ্টেম্বর ডেঙ্গু বা এডিস মশার কারণে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি থাকে তাই এই সময়ে জ্বর জারি বাঁধিয়ে বসলেই সেদিকে রাখুন সাবধানতার চোখ।


ডেঙ্গুর চিহ্নিত ভাইরাস চারটি-
ডেন-১
ডেন-২
ডেন-৩
ডেন-৪
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য থেকে জানা গেছে,
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী এই ভাইরাসগুলির যে কোনো একটাতে একবার আক্রান্ত হলে তার শরীরে ওই বিশেষ ডেঙ্গুর প্রতিরোধ শক্তি গড়ে ওঠে। এটি আশার কথা কিন্তু সে অন্য প্রকৃতির ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে আন্তঃপ্রতিরোধ বা ক্রস ইমিউনিটি (অর্থাৎ এক প্রকৃতির ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে সব ধরনের ডেঙ্গু থেকে নিস্তার পাওয়া) প্রাপ্তির সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। দু–একটি ক্ষেত্রে ঘটলেও তা নেহাত স্বল্পমেয়াদি। এবং সবচেয়ে ভয়াবহ দিকটি হলো, দ্বিতীয়বার আক্রান্ত ব্যক্তিরা আরও ভয়ানক পরিণতির শিকার হতে পারে।

গত বছর হতে বাংলাদেশে নাকি ডেন–৩ ডেঙ্গুর প্রভাব বেড়েছে যা আগের বছরগুলোয় দেখা যায়নি। এই জাতের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। তা ছাড়া হার্ট, কিডনিসহ শরীরের অভ্যন্তরের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অকেজো হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে গত ১৬ বছরের মধ্যে ২০১৮ তে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা সবচেয়ে বেশি ছিলো। ডেঙ্গুর সময়কাল মূলত মে থেকে সেপ্টেম্বর। গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে সরকারি হাসপাতালগুলোতেই ভর্তি হয়েছিলো মোট ৬ হাজার ৪৭৯ জন, মারা গিয়েছেন ১৬ জন। এ ছাড়াও অন্যান্য বেসরকারী হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ছিলো। দুঃখের বিষয় গত বছরের সরকারী হাসপাতাল হিসাবে সেই ১৬ জন মৃতের মাঝে ৮ জনেরই বয়স ছিলো ১২ বছরের নিচে।

গত বছর নিউজপেপারগুলোতে দেখা গেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হবার খবর। এদের প্রায় সবাই অচেতন অবস্থায় বা শকে চলে যাওয়া রোগী ছিলো। তাদের রক্তের চাপও মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় রক্তের প্লাজমা ক্ষরণ শুরু হয়েছিলো। আমার এক নিকটাত্মীয়কে দেখেছি গত বছর। তার অবস্থা ভয়াবহ ছিলো। কিন্তু আমি তখনও এই রোগের ভয়াবহতা বুঝিনি। তবে তার ভয়াবহ অবস্থা দেখে ও পরবর্তীতে কলিগের বোনের ছেলের মৃত্যু দেখে হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। কাজেই শকে যাবার আগেই সাবধানতা প্রয়োজন।


সাবধানতার জন্য সবার আগে জানতে হবে ডেঙ্গু জ্বরের সিম্পটমগুলি -

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার চার-পাঁচ দিন পর থেকেই রোগীর শরীরে প্লাটিলেট কমতে থাকে। একটা পর্যায়ের পরে শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে প্লাজমা ক্ষরণ হতে শুরু হয়। প্লাটিলেটের মাত্রা প্রতি মিলিগ্রাম রক্তে ২০,০০০-এ এসে ঠেকলে রোগীকে বাইরে থেকে প্লাটিলেট দিতে হয়। না হলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। আর সবচেয়ে বড় সমস্যার বিষয় হলো প্লাটিলেট পাঁচ দিনের বেশি সংরক্ষণ করা যায় না। ফলে কোনো রোগীর প্লাটিলেটের প্রয়োজন হলে দাতারও প্রয়োজন হয়ে পড়ে। ঢাকার বাইরে এই সুযোগ একেবারে নেই বললেই চলে।

সিমপটম বা লক্ষণগুলো - ডেঙ্গু জ্বর দু, প্রকার, ক্লাসিকাল ডেঙ্গু জ্বর ও হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর।

ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বর- এই জ্বরে সাধারণত তীব্র জ্বর ও সেই সঙ্গে শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। জ্বর ১০৫ ফারেনহাইট পর্যন্ত হয়। শরীরে বিশেষ করে হাড়, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি ও মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা হয়। এ ছাড়া মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা হয়। অনেক সময় ব্যথা এত তীব্র হয় যে মনে হয় হাঁড় ভেঙে যাচ্ছে। তাই এই জ্বরের আরেক নাম ‘ব্রেক বোন ফিভার’।

জ্বর হওয়ার চার বা পাঁচদিনের সময় সারা শরীরজুড়ে লালচে দানা দেখা যায়। যাকে বলা হয় স্কিন র‍্যাশ, অনেকটা অ্যালার্জি বা ঘামাচির মতো। এর সঙ্গে বমি বমি ভাব এমনকি বমি হতে পারে। রোগী অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করে এবং রুচি কমে যায়। কোনো কোনো রোগীর ক্ষেত্রে এর দুই বা তিনদিন পর আবার জ্বর আসে। একে ‘বাই ফেজিক ফিভার’ বলে।

ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বর- এই অবস্থাটা সবচেয়ে জটিল। এই জ্বরে ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও উপসর্গের পাশাপাশি আরো যে সমস্যাগুলো হয়, সেগুলো হলো :

• শরীরে বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত পড়া শুরু হয়। যেমন : চামড়ার নিচে, নাক ও মুখ দিয়ে, মাড়ি ও দাঁত থেকে, কফের সাথে, রক্ত বমি, পায়খানার সঙ্গে তাজা রক্ত বা কালো পায়খানা, চোখের মধ্যে এবং চোখের বাইরে রক্ত পড়তে পারে। মেয়েদের বেলায় অসময়ে ঋতুস্রাব অথবা রক্তক্ষরণ শুরু হলে অনেকদিন পর্যন্ত রক্ত পড়তে থাকা ইত্যাদি হতে পারে।

• এই রোগের বেলায় অনেক সময় বুকে পানি, পেটে পানি ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেক সময় লিভার আক্রান্ত হয়ে রোগীর জন্ডিস, কিডনিতে আক্রান্ত হয়ে রেনাল ফেইলিউর ইত্যাদি জটিলতা দেখা দিতে পারে।

ডেঙ্গু শক সিনড্রোম- ডেঙ্গু জ্বরের ভয়াভহ রূপ হলো ডেঙ্গু শক সিনড্রোম। ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারের সঙ্গে সার্কুলেটরি ফেইলিউর হয়ে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হয়। এর লক্ষণ হলো :

• রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া।
• নাড়ির স্পন্দন অত্যন্ত ক্ষীণ ও দ্রুত হওয়া।
• শরীরের হাত-পা ও অন্যান্য অংশ ঠান্ডা হয়ে যায়।
• প্রস্রাব কমে যায়।
• হঠাৎ করে রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারে।
• এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা-

ভাইরাসজনিত অন্য রোগের মতোই ডেঙ্গু জ্বরের সরাসরি কোনো প্রতিষেধক নেই, নেই কোনো টিকা। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশা কোনো ব্যক্তিকে কামড়ালে সেই ব্যক্তি চার থেকে ছয়দিনের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। এবার এই আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোনো জীবাণুবিহীন এডিস মশা কামড়ালে সেই মশাটি ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। এভাবে একজন থেকে অন্যজনে মশার মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়িয়ে থাকে। ডেঙ্গু প্রধানত দুই ধরনের হয়। এক. ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু ফিভার। দুই. হেমোরেজিক ফিভার।

ডেঙ্গু জ্বর কখন বেশি হয়-

মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, বিশেষ করে গরম এবং বর্ষার সময়ে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেশি থাকে। শীতকালে সাধারণত এই জ্বর হয় না বললেই চলে। শীতে লার্ভা অবস্থায় এই মশা অনেক দিন বেঁচে থাকতে পারে। বর্ষার শুরুতে সেগুলো থেকে নতুন করে ডেঙ্গু ভাইরাসবাহিত মশা বিস্তার লাভ করে।

সাধারণত শহর অঞ্চলে, অভিজাত এলাকায়, বড় বড় দালান কোঠায় এই প্রাদুর্ভাব বেশি, তাই ডেঙ্গু জ্বরও এই এলাকার বাসিন্দাদের বেশি হয়। বস্তিতে বা গ্রামে বসবাসরত লোকজনের ডেঙ্গু কম হয়। ডেঙ্গু ভাইরাস চার ধরনের হয়। তাই ডেঙ্গু জ্বরও চারবার হতে পারে। তবে যারা আগেও ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে রোগটি হলে সেটি মারাত্মক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি বেশি দেখা যায়।



কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন

ডেঙ্গু জ্বরের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। তবে এই জ্বর সাধারণত নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়। তাই উপসর্গ অনুযায়ী সাধারণ চিকিৎসা যথেষ্ট। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো। যেমন :

• শরীরের যেকোনো অংশে রক্তপাত হলে
• প্লাটিলেটের মাত্রা কমে গেলে
• শ্বাস কষ্ট হলে বা পেট ফুলে পানি আসলে
• প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে
• জন্ডিস দেখা দিলে
• অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা দেখা দিলে
• প্রচণ্ড পেটে ব্যথা বা বমি হলে।


কী কী পরীক্ষা করা উচিত?

আসলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডেঙ্গু জ্বর হলে খুব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার দরকার নেই, এতে অযথা অর্থের অপচয় হয়।

• জ্বরের চার থেকে পাঁচদিন পরে সিবিসি এবং প্লাটিলেট করাই যথেষ্ট। এর আগে করলে রিপোর্ট স্বাভাবিক থাকে এবং অনেকে বিভ্রান্তিতে পড়তে পারেন। প্লাটিলেট কাউন্ট এক লাখের কম হলে ডেঙ্গু ভাইরাসের কথা মাথায় রেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

• ডেঙ্গু অ্যান্টিবডির পরীক্ষা পাঁচ থেকে ছয়দিনের পর করা যেতে পারে। এই পরীক্ষা রোগ শনাক্তকরণে সাহায্য করলেও রোগের চিকিৎসায় এর কোনো ভূমিকা নেই। এই পরীক্ষা না করলেও কোনো সমস্যা নেই। এতে শুধু শুধু অর্থের অপচয় হয়।

• প্রয়োজনে ব্লাড সুগার, লিভারের পরীক্ষাগুলো যেমন এসজিপিটি, এসজিওটি, এলকালাইন ফসফাটেজ ইত্যাদি করা যাবে।

• চিকিৎসক যদি মনে করেন রোগী ডিআইসি জাতীয় জটিলতায় আক্রান্ত, সে ক্ষেত্রে প্রোথ্রোম্বিন টাইম, এপিটিটি, ডি-ডাইমার ইত্যাদি পরীক্ষা করতে পারেন।


আবারও আসি চিকিৎসায়

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগী সাধারণত পাঁচ থেকে ১০ দিনের মধ্যে নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়। এমনকি কোনো চিকিৎসা না করালেও। তবে রোগীকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই চলতে হবে। যাতে ডেঙ্গুজনিত কোনো মারাত্মক জটিলতা না হয়। ডেঙ্গু জ্বরটা আসলে গোলমেলে রোগ, সাধারণত লক্ষণ বুঝেই চিকিৎসা দেওয়া হয়।
• জ্বর কমানোর জন্য শুধুমাত্র প্যারাসিটামল-জাতীয় ব্যথার ওষুধই যথেষ্ট। সাপোজিটারীও দেওয়া যেতে পারে।
• এসপিরিন বা ডাইক্লোফেনাক-জাতীয় ব্যথার ওষুধ কোনোক্রমেই খাওয়া যাবে না। এতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়বে।
• জ্বর কমানোর জন্য ভেজা কাপড় দিয়ে গা মোছাতে হবে।
• মাথায় আইস ব্যাগ দেবার পাশাপাশি জ্বর বেশি হলে মাথায় পানি ঢালতে হবে। মোট কথা জ্বর কমিয়ে রাখতে হবে।
• সম্পূর্ণ ভালো না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রামে থাকতে হবে।
• যথেষ্ট পরিমাণে পানি, শরবত, ডাবের পানি ও অন্যান্য তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে।
• খেতে না পারলে দরকার হলে শিরাপথে স্যালাইন দেওয়া যেতে পারে।


ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা কি করতে পারি? হ্যাঁ আমরাই পারি ঘরে ঘরে এই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে -

ডেঙ্গু জ্বরে যেন আর কোনো মৃত্যু না হয় বা ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের উপায়গুলো কি কি তা আমাদের শিক্ষিত সমাজের প্রায় সকলেই জানেন। তবুও কেন যেন আমাদের মাঝে সময়োপোযোগী উদ্যোগের অভাব। আর এ কারনেই এই ভয়াবহ রোগটি আমাদের যেমনই ভোগাচ্ছে তেমনই মৃত্যুর আশঙ্কাও বাড়ছে।

ডেঙ্গুর কারণ- এই রোগটি প্রতিরোধের আগে এই রোগের কারণ বা মাধ্যমটি জানতে হবে। যদিও প্রায় সবাই জানি এটি এডিস মশাবাহিত একটি রোগ। এডিস মশা না থাকলে এই রোগটি আমাদের শরীরে প্রবেশ করার সুযোগ পেত না। কাজেই মশার বংশ নির্বংশ করাটাই আসল প্রতিরোধ! এখন এই নির্বংশ করার পিছে আমাদের সকলেরই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন দরকার। আমরাই পারি এই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে একটু সচেতন হলে। হয়তো নিমূর্ল করা সম্ভব হবে না এত তাড়াতাড়ি তবে প্রকোপ কমানো সম্ভব হবে। অবশ্যই হবে। আর আমরাই পারি ঘরে ঘরে এই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে -

সবাই এই শয়তানটাকে চিনে রাখুন..... দেখামাত্র শেষ করুন.... X((
১. দু'ধরনের ডেঙ্গু ক্লাসিক্যাল ও হেমোরেজিকের মাঝে হেমোরেজিক জ্বর বেশি ভয়াবহ। এ জ্বরের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে এডিস মশা যাতে কামড়াতে না পারে তার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এটাই প্রথম পদক্ষেপ আমার মতে। তাই-

ক) প্রত্যেকের নিজ নিজ বাড়ির চারপাশে ও বাড়ির ভেতরে মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা জোরদার করতে হবে। এডিস মশা স্বচ্ছ ও পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং পরিষ্কার রাখতে হবে। ফুলগাছ, টব, টবের নীচের প্লেট এইগুলিতে মশা ডিম পাড়ে। কাজেই এইসব দিকে নজর দিতে হবে। প্রয়োজনে
প্রতিনিয়ত পানি পরিষ্কার করতে হবে।

এছাড়াও

খ) ঘরে ধূপ, ধুনা কিংবা যে কোনো মশানাশক স্প্রে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর বলে খালি রুমে স্প্রে করে মশা দূর করতে হবে।

গ) অন্তত এই বর্ষাকালীন ডেঙ্গু রোগের সময়টাতে বাচ্চাদের ফুল স্লিভ জামা কিংবা ফুল প্যান্ট পরানো উচিৎ তা যত গরমই পড়ুক না কেনো বলে আমি মনে করি। এছাড়াও মশার কিছু লোশন বা ক্রিম আছে সেসব লাগিয়ে রাখা যেতে পারে।

ঘ) মশা নিধনের জোরালো কিছু ওষুধ রয়েছে কাউরান বাজারের দিকে পাওয়া যায়। সেসব নিয়ে স্প্রেতে করে বাড়ির আশে পাশে ছিটিয়ে দেওয়া দরকার । আমার আশে পাশে প্রতিবেশীদেরকে আমি এমনটা দেখার পরে নিজেই সেটা সংগ্রহ করেছি। এতে মশার প্রোকোপ একদমই কমে যায়। এই গেলো বাড়িতে মশা না কামড়ানোর জন্য ও জন্মবৃদ্ধি হ্রাসের জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা।

কাজেই-

• বাড়ির আশপাশের ঝোঁপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
• যেহেতু এডিস মশা মূলত এমন বস্তুর মধ্যে ডিম পাড়ে, যেখানে স্বচ্ছ পানি জমে থাকে। তাই ফুলদানি, অব্যবহৃত কৌটা, ডাবের খোলা, পরিত্যক্ত টায়ার ইত্যাদি সরিয়ে ফেলতে হবে।
• ঘরের বাথরুমে বা কোথাও জমানো পানি পাঁচদিনের বেশি যেন না থাকে। অ্যাকুয়ারিয়াম, ফ্রিজ বা এয়ারকন্ডিশনারের নিচেও যেন পানি জমে না থাকে।
• এডিস মশা সাধারণত সকালে ও সন্ধ্যায় কামড়ায়। তবে অন্য কোনো সময়ও কামড়াতে পারে। তাই দিনের বেলা শরীরে ভালোভাবে কাপড় ঢেকে বের হতে হবে, প্রয়োজনে মসকুইটো রিপেলেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। ঘরের দরজা-জানালায় নেট লাগাতে হবে।
• দিনের বেলায় মশারি টাঙ্গিয়ে অথবা কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমাতে হবে।
• বাচ্চাদের যারা স্কুলে যায়, তাদের হাফ প্যান্ট না পরিয়ে ফুল প্যান্ট পরিয়ে স্কুলে পাঠাতে হবে।
• মশা নিধনের স্প্রে, কয়েল, ম্যাট ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে মশার কামড় থেকে বাঁচার জন্য দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার করতে হবে।
• ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই সব সময় মশারির মধ্যে রাখতে হবে, যাতে করে কোনো মশা কামড়াতে না পারে।


এবার সরকারীভাবে যা প্রয়োজন-

সিটি কর্পোরেশনকে এডিস মশা নিধন এবং এডিসের বংশ বিস্তার রোধের কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করতে হবে।

ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলো সম্পর্কে মানুষকে জানাতে হবে।

ডেঙ্গু হলে করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে রাজধানী ও জেলা-উপজেলা সদরের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ ও চিকিৎসায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

আক্রান্তদের সঠিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করে ডেঙ্গু আতঙ্ক থেকে জনগণকে রক্ষা করা হবে।

দেশব্যাপী একটা দাতা তথ্য ব্যাংক গড়ে তুলতে হবে। ডেঙ্গু রোগীরা যাতে খুব সহজে প্লাটিলেট পেতে পারেন, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

জ্বরাক্রান্ত ব্যক্তিকে বিনামূল্যে আইজি–৬ পরীক্ষা করে প্রকৃত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ঘোষণা করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে৷



আমি কোনো ডাক্তার নই। আমি নিজে সদা ও সর্বদা নানা রকম আনন্দময় কর্মকান্ড নিয়ে থাকতে পছন্দ করি। তবুও এডিস মশা নামক এই ক্ষুদে প্রানীটি তার ভয়ংকর বাজে অস্তিত্ব নিয়ে আমাদের যে চরম ক্ষতি করে চলেছে তা মেনে নেওয়া অসম্ভব। এই মশা নিধন বা ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাবার জন্য আমাদেরকে অবশ্য অবশ্য হতে হবে সচেতন। তাই গত বছরের ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে আমি যুগান্তর, বনিকবার্তা এনটিভি অনলাইনের গত বছরের কিছু আর্টিকেল ও নিউজ থেকে তথ্য নিয়ে এই সচেতনটা সৃষ্টির জন্য চেষ্টা করেছি। মে থেকে সেপ্টেম্বর এই পোস্টের মেয়াদ। এবং আমি যেহেতু ডাক্তার না সেহেতু আমি চাই এই ব্লগে আহমেদ জি এস ভাইয়ার মত অন্যান্য যারা ডক্টর আছে বা ডেঙ্গু সম্পর্কে আরও কিছু জানেন যা আমাদেরকে সহায়তা করতে পারে তারা তাদের মূল্যবান উপদেশ দিয়ে আমাদেরকে সাহায্য করবেন।

শেষ কথা-

১। যে কোনো উপায়ে মশা থেকে দূরে থাকতে হবে এই মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তাই-

২। যত দূর সম্ভব ফুল হাতা শার্ট, ফুল প্যান্ট পরতে হবে।

৩। রোজ নিয়ম করে সকাল ও সন্ধ্যায় ঘরের আনাচে কানাচে মশা নিধন অভিযান চালাতে হবে।

৪। ঘরের ভেতরের সাথে সাথে ঘরের বাইরের টব ফুল পাতা, ড্রেইন খান খন্দ সব সময় কড়া নজরে রাখতে হবে সেখানে পানি জমে আছে কিনা দেখবার জন্য। পানিওয়ালা মানিপ্লান্ট বা যে কোনো পানি জমে থাকা প্ল্যন্টসগুলি এই সময়ে সরিয়ে ফেলতে হবে।

৫। বাড়ির আশেপাশের ঝোঁপঝাঁড় গলি ঘুচি পরিষ্কার রাখতে হবে যেন মশা না ডিম পাড়তে পারে।

এইটুকু আমরা নিজেরাই করতে পারি, বাকী পদক্ষেপগুলি যা সরকারী ভাবে বেওয়া উচিৎ সেসবের কথা আমি উপরে বলেছি। যাইহোক যে কোনো মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ব্যবস্থায় আমাদেরকেই সামিল হতে হবে।

সকলে সুস্থ্য থাকুক, ভালো থাকুক আর আমার মত আনন্দে থাকুক..... :) :) :)

ছবি- Click This Link



গ্রামীনফোন সাস্থ্য সেবা - কল ৭৮৯


গ্রামীণফোন এবং টেলিনর হেলথ, রবিবার ৫ জুন, ২০১৬ এ বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য নতুন ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা ‘টনিক’ চালু করেছে।


টনিক সদস্যরা চার ধরনের সুবিধা পাবেন: ‘টনিক জীবন’-এর মাধ্যমে টনিক সদস্যরা এসএমএস, ওয়েব ও ফেসবুকের মাধ্যমে প্রতিদিনকার সুস্থজীবন যাপনে ভালো খাওয়া, সক্রিয় থাকা এবং মানসিকভাবে সজীব থাকা নিয়ে বিভিন্ন টিপস ও তথ্য পাবেন।

‘টনিক ডাক্তার’ সদস্যদের সুযোগ করে দিবে সপ্তাহের সাত দিন ২৪ঘণ্টা ফোনের মাধ্যমে অভিজ্ঞ ডাক্তারের তথ্যবহ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরামর্শ পাওয়ার।

‘টনিক ডিসকাউন্ট’ দেশজুড়ে স্বনামধন্য ৫০টিরও বেশি হাসপাতালে, হাসপাতাল ফি-এর ওপর সর্বোচ্চ ৪০শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্টের সুযোগ করে দিবে।

‘টনিক ক্যাশ’-এর মাধ্যমে এর সদস্যরা তিন রাত কিংবা তারও বেশি হাসপাতালে প্রদত্ব বিল থেকে ৫শ’ টাকা পরিশোধ করা হবে।

গ্রামীণফোনের যেকোনো গ্রাহক ইউএসএসডি *৭৮৯# নাম্বারে ডায়াল করে অথবা http://www.mytonic.com এই ওয়েবসাইটে গিয়ে কিংবা ৭৮৯ নাম্বারে কল করার মাধ্যমে বিনাখরচে টনিকের সাথে যুক্ত হতে পারবেন। একজন গ্রাহক শুধু একবার টনিকের সাথে যুক্ত হলেই হবে। পরবর্তী মাসে সদস্যপদ অব্যাহত রাখতে গ্রাহককে অবশ্যই তার গ্রামীণফোন সিম এর মাধ্যমে ফোন কল, এসএমএস অথবা ডাটা প্যাকেজ ব্যবহার করতে হবে। গ্রাহকরা বিনামূল্যে ‘টনিক জীবন’, ‘টনিক ডিসকাউন্ট’ ও ‘টনিক ক্যাশ’ সুবিধা পাবেন। শুধুমাত্র ‘টনিক ডাক্তার’ সেবা নেয়ার জন্য কল দেয়ার ক্ষেত্রে প্রতি মিনিটের খরচ পড়বে ভ্যাট ও অন্যান্য কর ছাড়া ৫ টাকা।


আমি এইখানে খুব ভালো সেবা পেয়েছি। কারণ সশরীরে ডক্টরের কাছে গিয়ে চিকিৎসা আমার পছন্দের কাজ নয় এ ছাড়াও দ্রুত চিকিৎসা ব্যবস্থা পেতে এই কল সেন্টার ফাস্ট এইডের মত কাজ করে। :)



ডেঙ্গু জ্বরে পেয়ারাপাতার গুনাবলী করুণাধারা আপুনির দেওয়া লিঙ্ক থেকে।


কয়েকটি সিটি করপোরেশনের নাম্বার ( নেট থেকে পাওয়া)

Dhaka South City Corporation
02-9563510


Councilor Office, Banasree, Dscc
01713-865666

Ward 12 DSCC Councilor office
01683-551434
Closes soon ⋅ 5PM

Councilor Office, Ward -03, DSCC
01713-865666

ফোন দিলেই বাসায় গিয়ে মশার ওষুধ ছিটাবে ডিএসসিসি

মন্তব্য ১২৪ টি রেটিং +২৮/-০

মন্তব্য (১২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৫৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সচেতনামূলক পোস্ট ! ধন্যবাদ !

২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:০১

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া আসলেও আমি অনেক কেঁদেছিলাম ঐ বাচ্চাটার খালা যখন তার কথা বলতো আমার বুক ফেটে কান্না আসতো!

আমি সত্যিই চাই সবাই সাবধান হোক নিজেরা নিজেরাই অন্যের আশায় বসে না থেকে।

২| ২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৫৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অন্য অনেক গুনের সাথে সাথে তুমি যে পাবলিক হেলথ এক্সপার্ট তা জানতাম না। দরকারী পোষ্ট। প্রিভেনশান ইজ দ্য বেস্ট মেডিসিন.....এতে কোন সন্দেহ নাই।

২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:১১

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া সাস্থ্যই যে সকল সুখের মূল তা কি আমাকে দেখে তুমি বুঝোনা!! এত আনন্দ এত উচ্ছাস কই থেকে আসতো যদি আমি অসুস্থ্যতায় ভুগতাম বারো মাস! হা হা

আসলেই আমি মহা সতর্ক মানুষ। তবুও শয়তান মশার বাচ্চাকে বিশ্বাস নেই। বেটা সুই হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বের হয়!

এই মশা তাড়াতেই হবে যে কোনো উপায়ে আর অন্যের উপর নির্ভর না করে সেটা তো আমরা নিজেরাও পারি ভাইয়া!

আমার ফুপী কাউরান বাজার থেকে একটা মেডিসিন আনেন যা বড় স্প্রেতে করে নিজেরাই আশে পাশে ছিটানো যায়। সেটা দুই রকমের আছে একটা ঝোঁপঝাড়ের জন্য আরেকটা পানি জমা জায়গায় মশার ডিম নষ্ট করে দেবার জন্য!

৩| ২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৫৮

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: অনেক সুন্দর একটা পোস্ট। আসলে নিজেদের সচেতন হতে হবে। সিটি কর্পোরেশন শুধু ধোঁয়া এবং শুধু মশা মারার ভিডিও ভাইরাল করবে।

মশা মারতে ঢাকা সিটি করপোরেশনের কামান ব্যবহার

মশা মারতে কামান

২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:১৪

শায়মা বলেছেন: সেদিন টিভিতে দেখছিলাম সিটি কোরপোরেশনের নাম্বার থাকবে আরও কার কার নাম্বার থাকবে যেখানে জনগন মশার জন্মস্থান দেখা মাত্র কল করে দিতে পারবে।

ওকে ওয়েট ভাইয়া সেই তথ্যটা যোগাড় করে নিয়ে আসি।

থ্যাংক ইউ সো মাচ এটা মনে করিয়ে দেবার জন্যে! :)

৪| ২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:০২

রাজীব নুর বলেছেন: সিটি করপোরেশন কি করবে?

যাই হোক, সাবধান থাকতে হবে প্রতিটা মুহুর্ত।

২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:১৫

শায়মা বলেছেন: সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব আছে ঠিকই তবে আমাদের দায়িত্ব আরও জরুরী বলে আমি মনে করি।

৫| ২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:০৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: সময়োপযোগী পোস্ট।

কোন কোন ওষুধ খাওয়া যাবে না সেগুলো বোল্ড করে দাও। আলাদা প্যারায় লিখতে পারো।

জ্বরে ৫-৭ দিন ভুগলে ব্লাড টেস্টে সমস্যা নেই বলেই আমি জানি।

২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:১৭

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ ৫ দিনের আগে টেস্ট করলে সঠিক রেজাল্ট নাও আসতে পারে এমনটাই শুনেছি।

আর কোন কোন ওষুধ খাওয়া যাবে না এ্যাড করে দিচ্ছি!

তোমার জানা থাকলে তুমিও দাও।

৬| ২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:১৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: লাস্টের লিংকটা মুছে দাও।

২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:১৯

শায়মা বলেছেন: ছবি দিয়েছি তো সেটা দিয়ে..... :(

আসলো না :( :(

৭| ২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:১৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: আমি জানবো ক্যামনে শামা B:-)

২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:১৯

শায়মা বলেছেন: জানার চেষ্টা করলেই সব জানা যায়! :)

৮| ২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:২১

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: এটা ইমেজের লিংক নয়। ইমেজের লিংকে লাস্টে .jpg or .png or .gif or .svg থাকে।

২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৩৮

শায়মা বলেছেন: না যেই পোস্ট থেকে ইমেজ নিয়েছিলাম সেই পোস্টের পুরা লিঙ্ক দিয়েছিলাম!

আসছে না........


কি আর করা!

৯| ২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আসলেই আমি মহা সতর্ক মানুষ। এটাই হচ্ছে আসল কথা। আমাদের দেশটা এমন একটা দেশ যেখানে প্রত্যেকেরই মহাসতর্ক হওয়ার কোন বিকল্প নাই। একটু অসাবধান হলেই বিপদ। বিপদ যে কোনদিক দিয়ে আসবে, তা টেরও পাওয়া যাবে না। এমনকি বিয়ে করার কারনেও রাস্তাঘাটে দিনে-দুপুরে বেঘোরে প্রান দিতে হতে পারে!!

২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৪১

শায়মা বলেছেন: এই ছেলেটাকে পেলে আমি ফাঁসির আগে দুইটা থাপ্পড় দিতাম!

গাধামীর একটা লিমিট থাকে!

এ যুগের মজনু হয়েছেন! তাও যদি ইতিহাসে জায়গা পেতো! নেগেটিভ সাইকো আর ইডিওট একটা মানুষ!

এই লোকের অন্যকে খুন করার আগেই নিজেকেই খুন করা উচিৎ ছিলো।

১০| ২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৫৬

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: অতীব গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট। এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। বাড়ির আশপাশ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিকল্প নেই। মশার কামড়ও যে প্রাণঘাতি হতে পারে তা অনেকেই বিশ্বাসই করবে না। গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটি যথাসময়ে পাবলিশ করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৫৮

শায়মা বলেছেন: নিজের সতর্কতা সবার আগে। :(

১১| ২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:১৩

নজসু বলেছেন:




খুবই সুন্দর আর গুরুত্বপূর্ণ একটি পোষ্ট।

২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:১৬

শায়মা বলেছেন: সিটি করপোরেশনের নাম্বারগুলো এ্যাড করে দেবার চেষ্টা করছি। নিজের সাবধানতার সাথে সাথে মশা জন্মস্থান দেখলেই সোজা ফোন দিয়ে ডেকে আনবে ভাইয়া।

১২| ২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:১৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: থিংকু আপ্পি

২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:১৯

শায়মা বলেছেন: আপু বাবুদেরকে ফুলস্লিভ আর রোজ সন্ধ্যায় স্প্রে, কয়েল যেমন করে হোক মশা নিধনে কাউকে লাগিয়ে দাও।

আর বাড়ির বাইরে আশেপাশে নিজে স্প্রে করতে না পারলে সিটি করপোরেশনে ফোন দিয়ে জানাও।

ফোন না ধরলে আমাকে জানাবে! আমি ফোন দিয়ে দিয়ে জীবন অতিষ্ঠ কাকে বলে সেটা বুঝিয়ে দেবো!

আমাদের অধিকার এটা .....

১৩| ২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:২৪

নতুন নকিব বলেছেন:



যথাসময়ে উপযুক্ত পোস্ট। ধন্যবাদ। ধন্যবাদ ব্লগ কর্তৃপক্ষকেও। এই পোস্ট পিনাবদ্ধ করায়।

২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৩০

শায়মা বলেছেন: তোমাকেও ধন্যবাদ ভাইয়া।
সিটি করপোরেশনের নাম্বারগুলো জুড়ে দেবার চেষ্টা করছি!

১৪| ২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪০

নতুন নকিব বলেছেন:



তোমাকেও ধন্যবাদ ভাইয়া।

-আহ! এই 'তোমাকে' সম্বোধন করার মানুষগুলো হারিয়ে যাচ্ছে দিনে দিনে! অনেক ধন্যবাদ আমার মায়াবতী বোনকে।

হ্যা, নম্বরগুলো জুড়ে দিলে অনেকের উপকার হবে। আচ্ছা, ঢাকার বাইরের অন্যান্য জেলার লোকদের হেল্প নেয়ার প্রয়োজন হলে তারা কিভাবে তা নিতে পারবেন?

২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ ভাইয়া সেই চেষ্টা চালাচ্ছি! নম্বরগুলো জুড়ে দেবার। কয়েকটা পেয়েছি মাত্র। :(


Dhaka South City Corporation
02-9563510


Councilor Office, Banasree, Dscc
01713-865666

Ward 12 DSCC Councilor office
01683-551434
Closes soon ⋅ 5PM

Councilor Office, Ward -03, DSCC
01713-865666

১৫| ২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৩

করুণাধারা বলেছেন: খুব দরকারি পোস্ট দিয়েছ; অনেক কিছু জানা গেল। এখন কষ্ট করে সিটি কর্পোরেশনের নাম্বার গুলো জোগাড় করে দাও। আমার পাশের বাড়িতেই ছাদে একটা চৌবাচ্চা মত বানিয়ে রেখেছে, সব সময় পানি জমে থাকে। কিন্তু কিছু বলা যাচ্ছে না, তার বাড়িতে সে পানি জমাবে কি জমাবে না সেটা তার ব্যাপার!! X((

আমার এক পরিচিত মেয়ের ডেঙ্গু হয়েছিল। শুনেছিলাম প্রতিদিন সে অনেক কচিতম পেয়ারা পাতা খেয়েছিল, এটাই নাকি ডেঙ্গুর ওষুধ। পরে আমি অন্তর্জালেও দেখেছিলাম, পেয়ারা পাতা প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়ায়!! এখন মনে করতে পারছি না সেটা কোথায় দেখেছিলাম! আপাতত এই লিংকটা দিলাম: view this link

২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৭

শায়মা বলেছেন: আপু সিটি করপোরেশনের নাম্বারগুলো যোগাড়ের ট্রাই করছি! কয়েকটা মাত্র পেয়েছি।

Dhaka South City Corporation
02-9563510


Councilor Office, Banasree, Dscc
01713-865666

Ward 12 DSCC Councilor office
01683-551434
Closes soon ⋅ 5PM

Councilor Office, Ward -03, DSCC
01713-865666


আপু তোমার পাশের বাড়ির ছাদে আমার এই পোস্টখানা প্রিন্ট করে পাঠিয়ে দাও। নইলে তাদের ফোন নাম্বার দাও আমাকে আমি বলছি। সব থেকে বড় কথা ঐ প্রতিবেশীকে ডেকে একটু বুঝিয়ে বললে হয়না এই পানি জমে থাকাটা তার জন্যও বিপদজনক! মানে যে কোনো মূল্যে মশাদেরকে ধ্বংশ করতেই হবে।

আপু পানিতে ডিম নষ্ট করে দেবার ওষুধ পাওয়া যায়। আমি নামটা জেনে নিয়ে দিচ্ছি!

আর পেয়ারা পাতা, তুলশীপাতা এসব নাকি ডেঙ্গুতে খুব কার্য্যকরী। দাঁড়াও তোমার লিঙ্কটাও জুড়ে দেই।

১৬| ২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


"চিকিৎসকের কাছে কখন যেতে হবে", এই প্যারাগ্রাফে বলেছেন :
: প্লাটিলেট কমে গেলে!

প্লাটিলেট কমছে, নাকি বাড়ছে, সাধারণ মানুষ জানবেন কি করে?

২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৬

শায়মা বলেছেন:
ভাইরাসজনিত অন্য রোগের মতোই ডেঙ্গু জ্বরের সরাসরি কোনো প্রতিষেধক নেই, নেই কোনো টিকা। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশা কোনো ব্যক্তিকে কামড়ালে সেই ব্যক্তি চার থেকে ছয়দিনের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। এবার এই আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোনো জীবাণুবিহীন এডিস মশা কামড়ালে সেই মশাটি ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। এভাবে একজন থেকে অন্যজনে মশার মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়িয়ে থাকে। ডেঙ্গু প্রধানত দুই ধরনের হয়। এক. ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু ফিভার। দুই. হেমোরেজিক ফিভার। এদের মাঝে হেমোরেজিক ফিভারটা বেশি বিপদজকন। তবে সাধারণত ডেঙ্গু জ্বর ১০ দিনের মাঝে এমনিতেও সেরে যায়। তবে এর ভয়াবহতা ছোট করে দেখবার নয়। কারণ এই ১০ দিনের মাঝেই প্লাটিলেটের পরিমান এবং সিম্পটমগুলো থেকেই বুঝতে হবে রোগীকে ডক্টর বা হসপিটালাইজড করতে হবে কিনা।

কাজেই ডেঙ্গু জ্বরের সিম্পটমগুলো যদি দেখা যায়। যেমন-
• শরীরের যেকোনো অংশে রক্তপাত হলে
• প্লাটিলেটের মাত্রা কমে গেলে
• শ্বাস কষ্ট হলে বা পেট ফুলে পানি আসলে
• প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে
• জন্ডিস দেখা দিলে
• অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা দেখা দিলে
• প্রচণ্ড পেটে ব্যথা বা বমি হলে।

তখন ডক্টরের কাছে বা হসপিটালে নিতে হবে ।




তার আগে ৫ দিন পরই হাই ফিভার যা ১০৫ এর উপরে থাকে ও সহজে নামে না এমন দেখলে এই সিজনের জ্বরে কিছু পরীক্ষা করাতে হবে


• জ্বরের চার থেকে পাঁচদিন পরে সিবিসি এবং প্লাটিলেট করাই যথেষ্ট। এর আগে করলে রিপোর্ট স্বাভাবিক থাকে এবং অনেকে বিভ্রান্তিতে পড়তে পারেন। প্লাটিলেট কাউন্ট এক লাখের কম হলে ডেঙ্গু ভাইরাসের কথা মাথায় রেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

সেই পরবর্তী পদক্ষেপটাই ডক্টর কিংবা হসপিটাল। নয়তো শুধু শুধু খরচের মুখোমুখি হতে হবে। আমার মতে ডেঙ্গুর সকল পরীক্ষা নিরীক্ষা ও চিকিৎসা বিনা মূল্যে হওয়া উচিৎ।


এইভাবেই প্লাটিলেট কমছে না বাড়ছে তা ডক্টরের কাছে যাবার আগেই পরীক্ষার মাধ্যমে জেনে নিয়ে চিকিৎসা নিলে অযথা হয়রানী কম হবে। ডেঙ্গু মারত্বক জ্বর এবং প্রাণঘাতি তার মানে এই নয় যে ভয়ে দিশেহারা হতে হবে। নয়তো জ্বর নিয়ে ডক্টরের কাছে গেলে ডক্টরও এই টেস্টগুলি দিয়েই তারপর চিকিৎসা করাবেন।

কিন্তু তার আগে মনে রাখতে হবে। প্লাটিলেট কমছে না বাড়ছে সেটার রেজাল্টের আশায় বসে না থেকে যে কোনো মূল্যে হাই ফিভার কমিয়ে রাখার চেষ্টা করতে হবে। জ্বর কমানোর নিয়মগুলো, প্যারাসিটামল, সাপোজিটারী, গা স্পঞ্জ করে দেওয়া ও সবচেয়ে উপকারী আমার মতে মাথায় পানি ঢালা যতক্ষন জ্বর না ১০২ পর্যন্ত কমে।

ভাইয়া গ্রামীন ফোনের ২৪ আওয়ার্স যে ডক্টর আছে তারাও বেশ সাহায্যকারী এবং যে কোনো সময় যে কোনো চিকিৎসার তড়িৎ সাজেশন তাদের থেকেও পাওয়া যায়।

আর হ্যাঁ ডেঙ্গি জ্বরে সালাইন খুব উপকারী। মুখে ও প্রয়োজনে স্যালাইন পুশ করা প্রাননাশের আশঙ্কা কমায়।





১৭| ২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১০

এমজেডএফ বলেছেন: অনেক বড় ও দরকারি পোস্ট। ধন্যবাদ।
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী সাধারণত ৫ - ১০ দিনের মধ্যে নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়। আবার এই রোগটিতে একজন মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। ডাবল স্ট্যান্ডার্ড, সমস্যাটা এখানেই! একে হালকাভাবেও নেয়া যাবে না, আবার এর জন্য অতিমাত্রায় দুশ্চিন্তা করে টেনশন করলেও চলবে না।

২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৩

শায়মা বলেছেন:
ঠিক তাই। ডেঙ্গু মারত্বক জ্বর এবং প্রাণঘাতী তার মানে এই নয় যে ভয়ে দিশেহারা হতে হবে। জ্বরের ধরণ দেখে এই সিজনে ডেঙ্গুর কথা মাথায় রেখে লক্ষনগুলো খেয়াল করতে হবে। তারপর ৫ দিনের পরেই প্লাটিলেট পরীক্ষা করে ডক্টরের কাছে যেতে হবে নয়তো জ্বর নিয়ে ডক্টরের কাছে গেলে ডক্টরও এই টেস্টগুলি দিয়েই তারপর চিকিৎসা করাবেন।

কিন্তু তার আগে মনে রাখতে হবে। প্লাটিলেট কমছে না বাড়ছে সেটার রেজাল্টের আশায় বসে না থেকে যে কোনো মূল্যে হাই ফিভার কমিয়ে রাখার চেষ্টা করতে হবে। জ্বর কমানোর নিয়মগুলো, প্যারাসিটামল, সাপোজিটারী, গা স্পঞ্জ করে দেওয়া ও সবচেয়ে উপকারী আমার মতে মাথায় পানি ঢালা যতক্ষন জ্বর না ১০২ পর্যন্ত কমে।

এছাড়াও গ্রামীন ফোনের ২৪ আওয়ার্স যে ডক্টর আছে তারাও বেশ সাহায্যকারী এবং যে কোনো সময় যে কোনো চিকিৎসার তড়িৎ সাজেশন তাদের থেকেও পাওয়া যায়।

আর হ্যাঁ ডেঙ্গি জ্বরে সালাইন খুব উপকারী। মুখে ও প্রয়োজনে স্যালাইন পুশ করা প্রাননাশের আশঙ্কা কমায়।





১৮| ২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:


ঢাকা শহরের ২ কোটী মানুষকে মশা মারার ভার দেয়ার কোন উপায় আছে?

২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৫

শায়মা বলেছেন: আছে।

এর জন্য চাই নিজের সচেতনতা।

যার যার বাড়ি ঘর আশপাাশে যত মশা আছে মেরে ফেলবে।

১৯| ২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: অত্যন্ত দরকারি পোস্ট। সবার সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ । ডেঙ্গু একটা ভয়াবহ থ্রেট। সচেতনতাই পারে এ থেকে রক্ষা করতে । পোস্টটি কয়েকবার পরে কমেন্ট করলাম। :)

২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৬

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ। নিজেদের সচেতনতার উপর আর কিছু নেই বলে আমি মনে করি।

২০| ২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৪

করুণাধারা বলেছেন: আমার প্রতিবেশীর ফোন নাম্বার নেই, :( তাই সেটা দেওয়া গেল না। তবে তোমার পোস্ট প্রিন্ট করে তাকে দেবার কথাটা পছন্দ হয়েছে। সেটা দিয়ে দিতে পারি। খুব অসচেতন এই লোক, তার ছয় তলা বাড়ির ছাদে পানির ট্যাংকের উপরে রেলিং দিয়ে রেখেছে যাতে পানি জমে, আর সেই ট্যাংকের উপরে বিশাল মোবাইল টাওয়ার বানিয়েছে। এই টাওয়ারও বিপজ্জনক।

একটা গল্প শোনাই। আমার পরিচিত এক বাচ্চার জ্বর কমছিল না। পাঁচ দিনের দিন তার রক্ত পরীক্ষা করে দেখা গেল প্লাটিলেট ২০,০০০! সঙ্গে সঙ্গে তাকে অন্য একটা হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে নেওয়া হলো, হাসপাতালে ভর্তি করে আবার ব্লাড টেস্ট। এবার দেখা গেল প্লাটিলেট কাউন্ট ২ লক্ষ! প্রথম ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হল। তারা ব্যাখ্যা দিল, রিপোর্ট টাইপ করার সময় একটা শূন্য ভুল করে বাদ পড়ে গেছে! এটাও কিন্তু ঢাকার একটা নামকরা ডায়াগনস্টিক সেন্টার। সুতরাং এই ধরনের ভুল করলে ভুল চিকিৎসার ভয় থেকে যায়।

২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০০

শায়মা বলেছেন: সাথে সাথে কেইস আপু! ঐ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোনো রাইট নেই আর কাজ করার। :(

আপু মানুষ যে কি পরিমান অন্ধ। সেই আন্ধা কানুন সিনেমার মত তাই আইন নিজের হাতেই তুলে নিতে হবে মনে হয়। নিজের ঘাড়ে না আসা পর্যন্ত কোনোদিকেই চোখ যায় না।

আপু হসপিটালকে তো আমার আরও ভয়। যে দুটি বাচ্চার কথা বললাম তারা কিন্তু হসপিটালে যাবার পরেই মারা গেছে। হসপিটাল তো মাথায় আইসব্যাগ দিয়ে আর স্যালাইন দিয়েই হয়ে গেলো।

আমার মতে হসপিটালাইজ করার পরেও নিজে যদি মনে হয় জ্বর ১০৩ এর নীচে নামছে না তবে মাথায় পানি দেবার ব্যবস্থা করতে হবে। আর হালকা গরম পানিতে গা মুছানো।

সাথে স্যালাইন .......

২১| ২৭ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: দেখো। আমরা মানুষ হিসেবে সচেতন হতে পারি সাবধানতা অবলম্বন করতে পারি। আর অন্যকে সচেতন করার ব্যবস্থা নিতে পারি। যেমন তুমি পোস্টখানা দিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির দায়িত্ব পালন করলে। সচেতন হলাম আমরা ব্লগাররা । যারা ব্লগিং করে না তাদের এ ব্যাপারে জানা উচিৎ সচেতন হওয়া উচিৎ। সে দায়িত্ব কিন্ত সমাজের প্রতিনিধিদের। তাই সচেতনতার ক্ষেত্রটি সার্বজনীন হওয়া দরকার এক্ষেত্রে প্রাথমিক মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণও কার্যকরি ভূমিকা নিতে পারেন।

২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ তাহলে কি স্কুলে স্কুলে এই পোস্ট পাঠিয়ে দেবো? :(

২২| ২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

আরোগ্য বলেছেন: দরকারি পোস্ট তবে আমি কিন্তু বেশ ভয় পেয়েছি পড়ার সময় আপু।

২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১১

শায়মা বলেছেন: কেনো ভাইয়া? ভয় পেলে ভয়কে জয় করো!
আর ভয়কে জয় করলেই ডেঙ্গুকেও জয় করে ফেলা যাবে।

২৩| ২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সবার জানা উচিৎ। সতর্ক হওয়া উচিৎ। এটুকু বলতে পারি।

২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ সেটাই। সবাইকেই সচেতন হতে হবে। আর বিন্দু বিন্দু করেই একদিন মহাদেশ গড়ে ওঠে।

২৪| ২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সময়োপয়োগী দারুন পোষ্টে ধন্যবাদ আর ষ্টিকি করায় কর্তৃপক্ষকেও ধন্যবাদ :)

সবাই সচেতন হোক।
সবাই সুস্থ থাকুক।
সুস্থতা আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নেয়ামত।

+++++++++

২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪

শায়মা বলেছেন: এই রকম একটা রোগ অসচেতনতার অভাবে বৃদ্ধি পেয়ে চলবে এটা মানা যায় না। :(

২৫| ২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: তোমার পরবর্তী পদক্ষেপ কি শুনি? তোমার স্কুলের বাচ্চাদের বলবে নিশ্চয়।

আমরা সবাই এ বিষয়ে পোস্ট দিতে পারি । মানে লেখালেখি করতে পারি আরকি। আমি হয়তো কবিতা লিখতে পারবো.....প্রামাণিক ভাই ছড়া লিখবে কি করিও ছড়া লিখবে, হামা ভাই লিখবে গল্প, গিয়াস লিটন ভাই রম্য, নষ্টালজিক ভাই গান আর এডমিন একটা স্টিকি পোস্ট দিতে পারে.... এভাবে আর কি। তুমি কি বলো....??

২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ বাচ্চা এবং প্যারেন্টদেরকে। আসলে এই লেখাটা আমি আমার আশেপাশের মানুষদেরকে সতর্ক করবার জন্যই লিখতে চেয়েছিলাম।

কবিতা লেখার চাইতে সিটি করপোরেশনের নাম্বারগুলো যোগাড় করে আনো! উপরে অনেকেই সেটাই চেয়েছে। ঢাকার বাইরের নাম্বারগুলোও দরকার।

আর দরকার গ্রামীন ফোন বা অন্যান্য টেলি যোগাযোগের যেই ডক্টর হেল্প অপশন আছে তাদের নাম্বারগুলো।

২৬| ২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: শ্রীলংকাতেও দেখেছি‌। মালয়েশিয়াতেও দেখছি । এখানে ওরা বলে ডেঙ্গি। আমরা বলি ডেঙ্গু।

২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

শায়মা বলেছেন: হুম এখানেও ডক্টরেরা ডেঙ্গিই বলে। ডেঙ্গু হোক আর ডেঙ্গি হোক এইটাকে প্রতিহত করা চাই।

একটা গল্প পড়েছিলাম উপেন্দ্র কিশোর রায়ের । সেখানে লেখা ছিলো হাতীও মশার কাছে পরাজিত হয়েছিলো তাদের দলবদ্ধ আক্রমনে।

কিন্তু এই গল্প শুনে ভয় পেয়ে গেলে চলবেনা । মানুষ তো হাতীকেও বশ মানিয়েছে তাহলে মশা কোন ছার!

২৭| ২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫১

আহমেদ জী এস বলেছেন: শায়মা,




প্রথম পাতায় শিরোনাম আর নামটি দেখেই ভেবে রেখেছিলুম মন্তব্যে এমনটা লিখবো - "হায়...হায়.. আমাদের সাজুগুজু- রন্ধন পটিয়সী শায়মা মাদ্রাসা থেকে আবার কবে ডাক্তারী পাশ করলো আর ডেঙু নিয়ে "ডেঙু ঘোষক" হলো!!!!!!!"

কিন্তু গভীরে যেতেই দেখলুম ডেঙুর আদ্যপান্ত নিয়ে অসাধারন একটি লেখা। পাঠক হয়তো এতোদিনে ডেঙু নিয়ে খুচরো খাচরা অনেক কিছুই পড়েছেন এখানে সেখানে। কিন্তু এ বিষয় নিয়ে কম্পোজিট একটি লেখা মনে হয় আপনিই লিখে ফেলেছেন। খুঁটিনাটি বাদ যায়নি বলতে গেলে কিছুই। শুরুটা আর শেষটাও করেছেন বেশ মুন্সীয়ানায়।

ব্লগের ডাক্তারদের কাছ থেকে আরো কিছু জানতে চেয়েছেন। আমার তো মনে হয়, এর চেয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ লেখা আর হয়না। বাড়তি কিছু যোগ করার মতো বাকী রাখেননি কিছুই। এটা সম্পূর্ণ আমার মতামত। অন্যেরা কি বলবেন আমি জানিনে।

হাতের কাছে এমন রেডী রেফারেন্স পেয়ে সবাই আপনার মতো আনন্দেই থাকুক।

থাম্বস আপ টু শায়মা!

২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৫

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া আরও অনেক কিছুই বাকী আছে। যেমন সিটি করপোরেশনের নাম্বারগুলোর লিস্ট জুড়ে দিলে সকলেই যে যেখানে মশক নিধনের প্রয়োজন দেখতো এট লিস্ট নিজেদের মত করে চেষ্টা করে দেখতে পারতো তাদেরকে ফোন দিয়ে।

আরও একটা ব্যপার আছে রাত বিরেতে যখন ডেঙ্গু রোগীকে হসপিটাল নেওয়ার অবস্থা থাকবেনা তখন ফোনের ডক্টর হেল্পলাইনগুলি সাহায্য করতে পারে।

আমার এই অভিজ্ঞতা আছে। আর বিশেষ করে গ্রামীন ফোনের ডক্টরেরা অসাধারণ সহায়ক। আমি তাদের সেবায় মুগ্ধ!

যাইহোক আমি মাদ্রাসা থেকে ডক্টরী, ইন্জিনীয়ারিং অনেক কিছুই পাস করে এমন অনেকগুলিই পন্ডিতি করেছি আমার ইহজীবনের নানা নেকাবের অন্তরালে। কিন্তু এইবার স্বনামে আসতেই হলো কারণ আসলেই আমার ভীষন মন খারাপ হয়েছে আমার একজন কাছের মানুষের বাচ্চার ৩ দিন আগে মৃত্যুর খবরটা শুনে। মনে হয়েছে প্রপার সচেতনতা হয়নি। প্রপার ট্রিটমেন্ট হয়নি। আমি থাকলে হয়তো রাত জেগে হলেও মাথায় পানি ঢেলে হলেও জ্বরটাকে এটলিস্ট নিয়ন্ত্রনে রাখতাম।

এমনটা আমার অনেক সময়ই মনে হয় । ওভার কনফিডেন্ট তো তাই এমন হয়। যেমন অরিত্রী যেদিন মারা গেলো সেদিন আমার মনে হয়েছিলো এই মেয়েটা আর তার প্যরেন্টসের সাথে আমি কথা বললে সে কখনও মৃত্যুর মত ডিসিশন নিত না। এখানে টিচার প্যারেন্টস রিলেশনের একটা ভুল ছিলো!

:( :( :(

আসলে যা হবার হয়ত তা হবেই তবুও আমি আশাবাদী মানুষ। হাল ছাড়তে পারিনা ....

২৮| ২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে থেকে মানবতা নামক সুন্দর গুণটি ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। আফসোস।

২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৪

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ তার জন্য আমার মতে যখনই ছেলে মেয়ে সন্তান ভাই বোন যে কারো মাঝে অমানবিক আচার আচরন দেখা যাবে। নিজে বা বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিয়ে হলেও তার সাইকোলজীকাল স্টাবিলিটির ব্যবস্থা করতে হবে। আসলে আমাদের পরিবারের যেমন সময় নেই সদস্যদের জন্য সদস্যদেরও সময় নেই পরিবারের জন্য। তাই বাড়ছে হতাশা, ক্ষোভ এবং জীবননাশী ভুল ডিসিশন!

২৯| ২৭ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: আগে দেখতাম মাঝে মধ্যে সরকার থেকে মশার ওষুধ দিত এখন আর দেখিনা যাই হোক বিশাল উপকারী পোষ্ট দিয়েছেন আপু ।

২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৬

শায়মা বলেছেন: না সরকার থেকে না দিলে সিটি করপোরেশনকে জানাও। তারা সেটা দিতে বাধ্য থাকবে। ওষুধ নাই হেন তেন বলে বা পানি ভরে স্প্রে করলেও তাদেরকে করতেই হবে। আর সাথে নিজেই সতর্ক থাকতে হবে। আশাপাশ বাড়ি মশা মুক্ত রাখতে হবে।

৩০| ২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:১২

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: আমাদের দুধভাত ব্লগার ছায়মা, রান্নাবাটি ছেড়ে এমন কাজের পোস্ট লেখা শিখলো কবে!!?? কপি-পেষ্ট নাকি?? প্রতিউত্তরেও!!!!!!!!!!!!!! চিহ্ন নেই। আইডি কি হ্যাক হলো নাকি?? :D


স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে জানা গেছে, এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ জুন পর্যন্ত৭০৭ জন রোগী (নারী, পুরুষ ও শিশু) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ভর্তি রোগীদের মধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়ে ৫৮৭ জন বাড়ি ফিরে গেছেন। শুধু জুনেই ৪৪০ জন ভর্তি হয়েছে। অর্থাৎ দিনে গড়ে ১৪ জন ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১৯ ও ২০ জুন ৯১ জন হাসপাতালেভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৩৬ জন, ফেব্রুয়ারিতে ১১৮, মার্চে ১২, এপ্রিলে ৪৪, মে-তে ১৩৯ জন ভর্তি হন। আক্রান্তদের মধ্যেদু’জন এপ্রিলে মৃত্যুবরণ করেছেন। গত বছর এ রোগে ৯ হাজার ২২৮ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং এর মধ্যে ২৪ জনের মৃত্যু ঘটে।

সুতরাং সতর্ক থাকি, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখি, মশারী টানিয়ে ঘুমাই।

২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৯

শায়মা বলেছেন: হা হা দুধভাত ব্লগার! কাকে বলে ? ডেফিনেশন কি?
আগে উত্তর দাও তারপর বাকীটুকুর উত্তর দিচ্ছি।

এখন উঠছি আপাতত ১ ঘন্টার জন্য।

সন্ধ্যায় ভোরের রাগ ভায়রো প্রাকটিস করতে যাচ্ছি! :)

৩১| ২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:২৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



জনসচেতনতামূলক এই চমৎকার লেখাটির জন্য ধন্যবাদ। আমি নিজেও এই বিষয়ে তেমন জানি না। পড়ে সচেতন হলাম। আশা করি, সরকারও সচেতন থাকবে যাতে মশার বংশবৃদ্ধি কম হয়। সবচেয়ে বেশি জরুরী জনসচেতনতা।

২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৯:০৯

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়া। মশার বংশবৃ্দ্ধি রোধের সাথে সাথে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকেও সঠিক যত্ন নিতে হবে। নইলে বিপদজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

৩২| ২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে প্রতিটা মুহুর্ত আমাদের সচেতন থাকতে হবে।

২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৯:১০

শায়মা বলেছেন: ঠিক তাই ভাইয়া। পুচকে মশা বলে হেলা করা চলবে না।

৩৩| ২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:৪৬

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: সচেতনামূলক পোষ্টটি ষ্টিকি করেছেন বলে সামু কৃর্তপক্ষকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপুনি তোমার চিন্তায় চেতনা উন্নত বলেই সমাজ উন্নয়নে চিন্তা করে যাও। তুমার উত্তম প্রতিদান মিলবে। ভাল থাক তুমি ভাল থাকুক তোমার গোটা পরিবার।

২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৯:১১

শায়মা বলেছেন: অনেক অনেক থ্যাংকস ভাইয়া। তুমিও ভালো থেকো অনেক অনেক। :)

৩৪| ২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৯:৪২

শায়মা বলেছেন: আমার এক কলিগের ফেসবুকে শেয়ার করা তার একটা সংগৃহীত পোস্ট হতে-


পাশের ফ্ল্যাটের আন্টি সিড়ির করিডোরে তিনটা গ্লাস কন্টেইনারে পানি ভর্তি করে মানিপ্ল্যান্ট সাজিয়েছে। বার বার বলার পরেও উনি এটা সরাবেন না। অথচ তাঁর দু'টা ছোট নাতি নাত্নি নিজের বাসাতেই আছে। আমাদের বাসাতেও বাচ্চা। এত আজব লাগে।

গাছ ও বাগানের প্রতি মানুষের ঝোঁক এখন আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। অনেকেই ছাদে পদ্ম, শাপলা এসব করে থাকে, আবার টবের নিচে প্লেট দেয় যাতে সহজেই অল্প কিছু পানি আটকে থাকে। এগুলো খেয়াল করতে হবে। আর এই সিজনটায় পানি ভরা রাখতে হয় এমন গাছ না রাখার অনুরোধ রইলো। জীবনের চাইতে শখ বড় না।

আপনি যদি বাড়িওয়ালা হোন তাহলে আশে পাশে কয়েকজন বাড়ি ওয়ালা একসাথে হয়ে যার যার বাড়ির আশপাশ ছাদ, বারান্দা, পরিষ্কার করিয়ে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দিন এবং মশার ওষুধ ছিটানোর ব্যবস্থা করুন। আপনি নিজেরটা করিয়ে বসে থাকবেন না, আশে পাশের বাড়িওয়ালাও যেন করায় তা জানান কারন এটা করতে সে বাধ্য, একজনের অবহেলা বা নোংরা থাকার মাশুল কিন্তু আশপাশের বাচ্চাদেরকেও দিতে হবে।

# আপনি যদি ফ্লাটের মালিক বা ভাড়াটিয়া হন তাহলে বাড়ির সব ভাড়াটিয়া একসাথে হয়ে বাড়িওয়ালাকে জানান এবং এই কাজটি করতে সবাই মিলিতভাবে সাহায্য করুন।।

# আপনি যদি মার্কেটের দোকান / ক্ষুদ্র দোকান মালিক হন, আপনার আশেপাশের ক-জন মালিক একসাথে হয়ে আপনাদের মার্কেট, প্রতিষ্ঠান বা দোকানের আশপাশ পরিষ্কার করিয়ে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দিন। বিশেষ করে গলির মোড়ের মুদির দোকান যেসবের টিনের ছাদ এ রাখা নানা জিনিস এ পানি জমে থাকে। এলাকাবাসী হিসেবে তাকে বাধ্য করুন এসব পরিষ্কার করতে।

# আপনার বাড়ির পাশে যদি কন্সট্রাকশনের কাজ চলে তাহলে আপনি সবচেয়ে রিস্কি সিচুয়েশনে আছেন। আশে পাশে কজন মিলে খোজ নিন। তাদেরকে বাধ্য করুন যেন প্রতি সপ্তাহে তারা মশা নিধনের ব্যাবস্থা করে।

# কমার্শিয়াল ভবন যেমন স্কুল, অফিস, ব্যাংক এসবের ছাদে মানুষের আসা যাওয়া ও দেখাশুনা কম হওয়াতে এগুলোতে বিভিন্ন ভাবে পানি জমে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আপনি এমন কোন বিল্ডিং এর সাথে সংশ্লিষ্ট হয়ে থাকলে প্লিজ জানান এবং ব্যবস্থা নিন। বৃষ্টির সিজনে সপ্তাহে দুদিন তা চেক করুন। ছাদের ফ্লোর থেকে দ্রুত পানি সরে যাবার পাইপলাইন গুলি পরিষ্কার রাখুন। এক বার করে এক মাস বসে থেকেন না। এই সিজনে এটা নিয়মিত করুন। আপনি যেই পোস্টে থাকুন সেখানে দায়িত্ব টা নিজের স্বার্থ মনে করে করুন।

# যদের ছাদ বা বারান্দায় বাগান আছে তারা এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি সতর্ক হোন

# আপনার যদি পরিষ্কার করানোর লোকের অভাব হয় একটা বুদ্ধি দিতে পারি। আপনার এলাকায় ময়লাওয়ালা কে যদি কিছু টাকার বিনিময়ে সাপ্তাহিক ভাবে এই কাজটি দেন যে সে এসে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার করে দিবে, সে এটি সানন্দে করবে।

সবাই এভাবে করতে পারলে ডেঙ্গু কেন, অনেক জীবাণুই বংশ বিস্তার করতে পারবেনা

শুধু মাত্র আমার পরিচিতের মধ্যেই তিনটা ডেথ নিউজ শুনলাম ডেঙ্গুর কারনে। হেমোরেজিক ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ছে। অথচ এর সমাধান আমাদের হাতেই।
কি দুঃখজনক! গা বাঁচানো স্বভাব নিয়ে আর কতদিন চলবো! ক্ষতি নিজেদের উপর পড়বেই একসময়। সরকার কিছু করছে কি করছেনা এ নিয়ে শুধু আলাপ করে সময় নষ্ট করবেন না।

এটি কোন চ্যারিটি নয়, আমারা আমাদের নিজেদের সাহায্য করতে বলছি। আমাদের বাচ্চাদের সেফটির জন্য, বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা।

৩৫| ২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: খুবই মুল্যবান জনগুরুত্বপুর্ণ পোষ্ট
প্রিয়তে নিয়ে গেলাম ।

শুভেচ্ছা রইল

২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫৬

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া থ্যাংক ইউ । ভালো থেকো অনেক অনেক। নিশ্চয় এখন শরীর ভালো আছে তোমার। অনেক ভালো থাকো। অনেক অনেক ভালোবাসা।

৩৬| ২৮ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:১৫

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: খুবই সুন্দর ও প্রয়োজনীয় পোস্ট, আশাকরি অনেকেরই কাজে লাগবে, একই পোস্টে রোগ, প্রতিরোধ ও প্রতিশোধন সহ সবিস্তারে পরামর্শ পাওয়া গেল।
আল্লাহ আপনার এমন মহৎ পোস্ট লেখার উদ্দেশ্য কবুল করুক ।

শুভকামনা জানবেন আপু

২৮ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩০

শায়মা বলেছেন: উদ্দেশ্য সবাই সচেতন হোক আর সঠিক চিকিৎসা করুক।

২৮ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩১

শায়মা বলেছেন: # আপনি যদি ফ্লাটের মালিক বা ভাড়াটিয়া হন তাহলে বাড়ির সব ভাড়াটিয়া একসাথে হয়ে বাড়িওয়ালাকে জানান এবং এই কাজটি করতে সবাই মিলিতভাবে সাহায্য করুন।।

# আপনি যদি মার্কেটের দোকান / ক্ষুদ্র দোকান মালিক হন, আপনার আশেপাশের ক-জন মালিক একসাথে হয়ে আপনাদের মার্কেট, প্রতিষ্ঠান বা দোকানের আশপাশ পরিষ্কার করিয়ে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দিন। বিশেষ করে গলির মোড়ের মুদির দোকান যেসবের টিনের ছাদ এ রাখা নানা জিনিস এ পানি জমে থাকে। এলাকাবাসী হিসেবে তাকে বাধ্য করুন এসব পরিষ্কার করতে।

# আপনার বাড়ির পাশে যদি কন্সট্রাকশনের কাজ চলে তাহলে আপনি সবচেয়ে রিস্কি সিচুয়েশনে আছেন। আশে পাশে কজন মিলে খোজ নিন। তাদেরকে বাধ্য করুন যেন প্রতি সপ্তাহে তারা মশা নিধনের ব্যাবস্থা করে।

# কমার্শিয়াল ভবন যেমন স্কুল, অফিস, ব্যাংক এসবের ছাদে মানুষের আসা যাওয়া ও দেখাশুনা কম হওয়াতে এগুলোতে বিভিন্ন ভাবে পানি জমে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আপনি এমন কোন বিল্ডিং এর সাথে সংশ্লিষ্ট হয়ে থাকলে প্লিজ জানান এবং ব্যবস্থা নিন। বৃষ্টির সিজনে সপ্তাহে দুদিন তা চেক করুন। ছাদের ফ্লোর থেকে দ্রুত পানি সরে যাবার পাইপলাইন গুলি পরিষ্কার রাখুন। এক বার করে এক মাস বসে থেকেন না। এই সিজনে এটা নিয়মিত করুন। আপনি যেই পোস্টে থাকুন সেখানে দায়িত্ব টা নিজের স্বার্থ মনে করে করুন।

# যদের ছাদ বা বারান্দায় বাগান আছে তারা এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি সতর্ক হোন

# আপনার যদি পরিষ্কার করানোর লোকের অভাব হয় একটা বুদ্ধি দিতে পারি। আপনার এলাকায় ময়লাওয়ালা কে যদি কিছু টাকার বিনিময়ে সাপ্তাহিক ভাবে এই কাজটি দেন যে সে এসে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার করে দিবে, সে এটি সানন্দে করবে।

সবাই এভাবে করতে পারলে ডেঙ্গু কেন, অনেক জীবাণুই বংশ বিস্তার করতে পারবেনা

৩৭| ২৮ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩৯

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: অনেক সুন্দর পরামর্শ রেখেছেন আপু, ভালো লাগলো, মনে রাখার চেষ্টা করবো।

আপনার মতো এমন করে আমরা সবাই যদি নিজেদের দায়িত্ববোধ বোঝার চেষ্টা করি তাহলে শুধু ডেঙ্গু দূর হবে না, সমগ্র বাংলাদেশকে বদলে সুন্দর ভবিষ্যৎ রচনা হতে পারে।

২৮ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:৫০

শায়মা বলেছেন: নিজেদের জন্যই নিজেদের দায়িত্ব বাড়াতে হবে ভাইয়া।

৩৮| ২৮ শে জুন, ২০১৯ রাত ১:২২

নতুন বলেছেন: সচেতনতার বিকল্প নাই.... +++

২৮ শে জুন, ২০১৯ রাত ১:৩০

শায়মা বলেছেন: সাথে ডেঙ্গু যদি হয়েই যায় তো প্রপার কেয়ার আর সঠিক চিকিৎসা।

৩৯| ২৮ শে জুন, ২০১৯ রাত ১:৪৫

নতুন বলেছেন: এই জন্য আমি পরামশ` দেই প্রএক্টিভ ভাবে ডাক্তারের কাছে যাবার জন্য.... যদি প্রাথমিক স্টেজে ধরা পরে তবে ডাক্তারের পরামশে সেটা খারাপের দিকে যাবেনা...

দেশে বেশির ভাগ মানুষই টুকটাক ডাক্তারীকরে এবং নিজেই ওষুধ কিনে এনে দেয় এবং জটিল হলে ডাক্তারের কাছে যায়....

তাই মৃত্যুর হার বাড়ার পেছনে এটাও একটা কারন....

২৮ শে জুন, ২০১৯ রাত ১:৫২

শায়মা বলেছেন: ডেঙ্গু হলে বা এই সিজনে বেশি জ্বর হলে মানুষ ডক্টরের কাছে গেলে তারা ডেঙ্গু টেস্ট দেন তারপরই চিকিৎসা করেন। কিছু পন্ডিৎ আবার এন্টিবায়োটিক খেয়ে বসে থাকেন নিজেরা মাতবরী করে। তখনই হয় বিপত্তি! ডেঙ্গু জ্বরে এন্টিবায়োটিক খাওয়া নিষিদ্ধ। একমাত্র উপায় প্যারাসেটামল বা যে কোনো উপায়েই জ্বর কমিয়ে রাখা।

ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যু চাইনা তাই সচেতনতা আর সঠিক যত্ন চাই।

৪০| ২৮ শে জুন, ২০১৯ রাত ২:১০

ব্লগ মাস্টার বলেছেন: পোস্ট টির জন্য ধন্যবাদ । সকলের সচেতন হওন দরকার ।

২৮ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৮

শায়মা বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ তোমাকেও ভাইয়া! গতবছর আমাদের বাসার একজন ডেঙ্গু জ্বরে পড়লে আমিও নেটে খুঁজেছিলাম এটার সিম্পটমগুলো, কি করে হয়, কি করে পরিত্রান পাওয়া যায় ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। কাজেই অনলাইনে কারো সাহায্য লাগলে অন্তত সার্চ দিলে তাদের একটু হলেও কাজে আসলে তাই এই লেখা।

৪১| ২৮ শে জুন, ২০১৯ ভোর ৫:১৯

বলেছেন: ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী নিজে নিজে ভালো হয়ে যায় তাহলে চিন্তা কি!!!

বাড়ি আঙ্গিনা, ঘরের চারপাশ, লেফট ওভার খাবার যেখানে সেখানে ফেলে না দেয়া,
মশারীর ব্যবহার এগুলো বাড়াতে হবে।।।।

তথ্য উপাত্ত দিয়ে ঠাসা পোস্টে লাইক।।।।

২৮ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:১৩

শায়মা বলেছেন: নিজে ভালো হয়ে যায় ঠিক আছে কিন্তু তবুও নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থাকা যাবেনা। কারণ ডেঙ্গুর ধরন যদি হেমোরেজিক হয় এবং প্লাটিলেট কমে গিয়ে রোগী শকে চলে যায় তাহলে মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে তাই লক্ষনগুলোর দিকে খেয়াল রেখে টেস্ট করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। ১০৫/১০৬ জ্বরে দরকার হসপিটাল কেয়ার। যদি আমার নিজের বাসর হসপিটালের উপরে আর কোনো হসপিটালে আমার ভরষা হয় না।

আমি আমার বাসার সুফিয়াবুয়াকে নিজে ট্রিটমেন্ট করেছি-

তার লক্ষন ছিলো ১০৫/১০৬ জ্বর
চোখ লাল টকটকে
জিভে হালকা লাল ছোপ আর দাঁতের মাড়ি দিয়ে অল্প ব্লাড

আমি কন্টিনিউয়াস তার মাথায় পানি ঢালার ব্যবস্থা করেছিলাম
গা স্পণ্জ - সে আবার ৫'৯ লম্বা চওড়া মানুষ
আধা ঘন্টা পর পর স্যালাইন পানি ও জ্বর মাপা
৫ দিন পর দেখেছিলাম তার প্লাটিলেট ৩০,০০০ হয়ে গেছে
তখন জ্বর কমেছিলো কিন্তু তার অবস্থা খুব খারাপ ছিলো। আমরা তাকে হসপিটালে দিতে পারতাম কিন্তু সেটা ভরষা না করে সে আমাদের কাছেই থাকতে চেয়েছিলো এবং আমারও মনে হয়েছিলো আমার থেকে ভালো তার আর কেউ করতে পারবেনা। সে আমাকে ভরষা করেছিলো এবং সুস্থ্য হয়ে উঠেছিলো।

নরম ভাত দু এক গাল আর ইলিশ মাছ ভাঁজা একটু খানি বা ঢেড়স ভাঁজা
আর শরবৎ/ স্যালাইন
আর মাল্টার রস

এই খেয়েছে কিছুদিন আর কিছু খেতে পারছিলো না। তবুও সে ভালো হয়ে উঠেছিলো এবং সে আমার কাছে তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে এই ব্যপারে। আমিও অনেক খুশি হয়েছি কারণ আমার সচেতনতা বা চিকিৎসা সফল হয়েছে।

৪২| ২৮ শে জুন, ২০১৯ ভোর ৬:৫৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: নিজে ডাক্তার না হয়েও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে এমন চমৎকার একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ পোস্ট লিখার জন্য আপনাকে জানাচ্ছি আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিবাদন। মূল পোস্টে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়েছেন, প্রতিমন্তব্যসমূহে আরো অনেক সাপ্লিমেন্টারী তথ্য দিয়ে নিজেই নিজের পোস্টকে আরো সমৃদ্ধ করেছেন। আপনার এই শুভ উদ্যোগের প্রতি শুভকামনা রইলো।

চমৎকার ব্লগিং! পোস্টে প্লাস + +

২৮ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:২৮

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ ভাইয়া কিছু ব্যাপারে ডাক্তার না হয়েও বা ডাক্টারের কাছে না গিয়েও ভালো থাকা যায়। শুধু চাই একটু সচেতনতা বা জ্ঞান। সাস্থ্যই সকল সুখের মূল। আর সুস্থ্য থাকলেই আনন্দময় জীবন কাটানো যায় আমার মত তাই ডাক্তার না হয়েও আমাকে আমার নিজের ডাক্তারীই করতে হয়। :)

৪৩| ২৮ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৫০

রাকু হাসান বলেছেন:

শায়মা আপু :) ,ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ । প্রিয়তে নিলাম । ;)

২৮ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৩১

শায়মা বলেছেন: তোমাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া! :)

৪৪| ২৮ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৬

হুদাই পাগলামি বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।
পাগলার কৃতজ্ঞতা গ্রহণ করুন।

২৮ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

শায়মা বলেছেন: তোমাকেও ধন্যবাদ ভাইয়া! ভালো থেকো অনেক অনেক।

৪৫| ২৯ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৩৩

শায়মা বলেছেন: হেলথ কেয়ার সেন্টার যোগাযোগ নাম্বার- (Health Call Centre 16263)
http://www.dghs.gov.bd/index.php/en/home/2551-government-and-non-government-ambulance-enlist-notice

http://www.dghs.gov.bd/images/docs/Notice/Shastho_Batayon_16_11_2015.pdf

৪৬| ২৯ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৩৪

শায়মা বলেছেন: গ্রামীনফোন সাস্থ্য সেবা - কল ৭৮৯
গ্রামীণফোন গ্রাহকদের জন্য চালু হলো বিনামূল্যের স্বাস্থ্যসেবা টনিক
জুন ০৫ 2016

স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য, ডাক্তারদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন ও আর্থিক সুবিধাদানের মাধ্যমে ‘ভালো থাকা’ অর্জন করতে সদস্যদের সহায়তা করবে বিনামূল্যের ‘টনিক’ সেবা

গ্রামীণফোন এবং টেলিনর হেলথ, রবিবার ৫ জুন, ২০১৬ এ বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য নতুন ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা ‘টনিক’ চালু করেছে। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, এমপি, এবং বিটিআরসি চেয়ারম্যান ডঃ শাহজাহান মাহমুদ, এবং এদেশের স্বাস্থ্য খাতে টেলিনর হেলথ এর সহাযোগীদের উপস্থিতিতে স্থানীয় একটি হোটেলে টনিক উদ্বোধন করা হয়।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং চিকিৎসকসহ সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে ব্যাপক গবেষণা ও ধারণা উন্নয়নের পথ ধরে সষ্টি হয়েছে টনিক। টনিকের লক্ষ্য, বাংলাদেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠির সুস্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে প্রাসঙ্গিক থাকা।

টনিক সদস্যরা চার ধরনের সুবিধা পাবেন: ‘টনিক জীবন’-এর মাধ্যমে টনিক সদস্যরা এসএমএস, ওয়েব ও ফেসবুকের মাধ্যমে প্রতিদিনকার সুস্থজীবন যাপনে ভালো খাওয়া, সক্রিয় থাকা এবং মানসিকভাবে সজীব থাকা নিয়ে বিভিন্ন টিপস ও তথ্য পাবেন। ‘টনিক ডাক্তার’ সদস্যদের সুযোগ করে দিবে সপ্তাহের সাত দিন ২৪ঘণ্টা ফোনের মাধ্যমে অভিজ্ঞ ডাক্তারের তথ্যবহ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরামর্শ পাওয়ার। ‘টনিক ডিসকাউন্ট’ দেশজুড়ে স্বনামধন্য ৫০টিরও বেশি হাসপাতালে, হাসপাতাল ফি-এর ওপর সর্বোচ্চ ৪০শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্টের সুযোগ করে দিবে। ‘টনিক ক্যাশ’-এর মাধ্যমে এর সদস্যরা তিন রাত কিংবা তারও বেশি হাসপাতালে প্রদত্ব বিল থেকে ৫শ’ টাকা পরিশোধ করা হবে।

এ নিয়ে টেলিনর গ্রুপের ইভিপি ও প্রধান বিপণন কর্মকর্তা বিবেক সুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ও এশিয়ার দেশগুলোর প্রতি টেলিনরের দায়বদ্ধতার একটি উদাহরণ হচ্ছে টনিক। প্রায় দু’ বছর গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করার ফলে বাংলাদেশের সমাজের সাথে আমার গভীর যোগাযোগ ও বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশে টনিক চালু হওয়া আমার জন্য খুবই আনন্দের বিষয়। প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও স্বাস্থ্যখাতে গভীর দক্ষতার মিশেলে তৈরি এই সেবা নিয়ে আমরা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো এবং জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় আরও ইতিবাচক আবদান রাখার ব্যাপারে দারুণ রোমাঞ্চিত।

গ্রামীণফোনের ৫৬ মিলিয়ন গ্রাহক বিনামূল্যে টনিকের সাথে যুক্ত হতে এবং নিজ নিজ ‘ভালো থাকার মাস্টার প্ল্যান’ অর্জনে এর বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা কাজে লাগাতে পারবেন।

গ্রামীণফোনের যেকোনো গ্রাহক ইউএসএসডি *৭৮৯# নাম্বারে ডায়াল করে অথবা http://www.mytonic.com এই ওয়েবসাইটে গিয়ে কিংবা ৭৮৯ নাম্বারে কল করার মাধ্যমে বিনাখরচে টনিকের সাথে যুক্ত হতে পারবেন। একজন গ্রাহক শুধু একবার টনিকের সাথে যুক্ত হলেই হবে। পরবর্তী মাসে সদস্যপদ অব্যাহত রাখতে গ্রাহককে অবশ্যই তার গ্রামীণফোন সিম এর মাধ্যমে ফোন কল, এসএমএস অথবা ডাটা প্যাকেজ ব্যবহার করতে হবে। গ্রাহকরা বিনামূল্যে ‘টনিক জীবন’, ‘টনিক ডিসকাউন্ট’ ও ‘টনিক ক্যাশ’ সুবিধা পাবেন। শুধুমাত্র ‘টনিক ডাক্তার’ সেবা নেয়ার জন্য কল দেয়ার ক্ষেত্রে প্রতি মিনিটের খরচ পড়বে ভ্যাট ও অন্যান্য কর ছাড়া ৫ টাকা।

টেলিনর গ্রুপের স্বাস্থ্য ভিত্তিক অঙ্গ প্রতিষ্ঠান টেলিনর হেলথ নরওয়েতে নিবন্ধিত এবং এটি টনিক এবং এর সার্বিক কর্মকান্ডের জন্য চিকিৎসা সম্পর্কিত সর্বোচ্চ মানসহ অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে নিজস্ব ক্লিনিকাল টিম। এ টিমের দায়িত্বে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন উঠতি বাজারে ব্যাপক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন প্রধান মেডিকেল কর্মকর্তা। টেলিনর হেলথ, এর স্বাস্থ্য বিষয়ক সকল লেখা শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান বুপা ও মায়ো ক্লিনিক থেকে নিয়ে থাকে। এছাড়াও, প্রতিষ্ঠানটির পরামর্শ নেয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে পৃথক মেডিকেল উপদেষ্টা প্যানেল। যে প্যানেলে রয়েছেন দেশের প্রখ্যাত সব চিকিৎসকগণ। এদের মধ্যে আছেন অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল মালিক, জাতীয় অধ্যাপক এম. আর খান এবং অধ্যাপক আজাদ খান।

দায়বদ্ধতার প্রতি সঙ্গতি রেখে ও ‘সমাজের ক্ষমতায়ন’ নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে টেলিনর গ্রুপ টনিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সাথে কৌশলগত অংশীদারিত্বেরও ঘোষণা দিয়েছে। স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম এ অংশীদারিত্বের ঘোষণা দেন। ডিজিএইচএস ও টেলিনর হেলথের অংশীদারিত্বের লক্ষ্য ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের সব মানুষের জন্য মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করা। এ অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে টেলিনর হেলথ ডিজিএইচএস- এর বিদ্যমান স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক হেলপ লাইন স্বাস্থ্য বাতায়ন উদ্যোগে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। এছাড়াও, ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ, স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত তথ্যপ্রযুক্তিগত আন্তঃপরিবর্তন এবং অসংক্রামক রোগ নিয়ে ডিজিএইচএস- এর নতুন সব প্রকল্প উদ্বোধনে টনিক ডিজিএইচএস- এর সাথে যৌথ অংশীদারিত্বে কাজ করবে।

টনিক নিয়ে টেলিনর হেলথের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিদ রহমান বলেন, ‘শিশু মৃত্যুহার ও মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মতো সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ অবিশ্বাস্য রকমের অগ্রগতি অর্জন করেছে। বাংলাদেশ এর সব বয়সের মানুষের জন্য সুস্থজীবন ও ভালো থাকা নিয়ে নতুন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা সামলে উঠেছে। এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার আমাদের নির্ভরযোগ্য মনে করেছে এজন্য আমরা সম্মানিত ও একইসাথে বিনীত বোধ করছি। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে এক্ষেত্রে আমাদের ছোট্ট ভূমিকা রাখার ব্যাপারে আমরা উন্মুখ হয়ে আছি।’

সরকারি প্রতিনিধি ও টেলিনর গ্রুপের নির্বাহীরা ছাড়াও ২শ’র বেশি আমন্ত্রিত অতিথি রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে টনিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অতিথিদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, দূতাবাস ও উন্নয়ন সহযোগী কর্মকর্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক অংশীদারেরা উপস্থিত ছিলেন। টনিকের এ উদ্যোগ শুধুমাত্র বাংলাদেশে অভিনব ডিজিটাল সেবার উদ্বোধনই নয় এছাড়াও এটা টেলিনর হেলথের প্রথম কোনো সেবার উদ্বোধন। এর লক্ষ্য উচ্চমানসম্পন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য, পরামর্শ ও সেবা বিস্তৃতশীল এশিয়ার সব গ্রাহকের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া।

আমি এইখানে খুব ভালো সেবা পেয়েছি। কারণ সশরীরে ডক্টরের কাছে গিয়ে চিকিৎসা আমার পছন্দের কাজ নয় এ ছাড়াও দ্রুত চিকিৎসা ব্যবস্থা পেতে এই কল সেন্টার ফাস্ট এইডের মত কাজ করে। :)


৪৭| ০৩ রা জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:২০

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ❤

০৩ রা জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:৪৩

শায়মা বলেছেন: আহা আমাদের সামু! :)

৪৮| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:২০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কঠিন দায়িত্ব।ব্লগার ঘুড্ডির পাইলটকে লাগবে মনে হচ্ছে । মনে রেখো শিপু ভাই ও আছে। সম্প্রতি শের শায়েরি জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন...জ্ঞানের ভান্ডার; অনেক দিন সরেজমিনে কথা হলো......আমি যে অঞ্চলে রাজা সেই খানে..

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:৪১

শায়মা বলেছেন: তুমি আবার কোন অঞ্চলের রাজা!

স্বপ্নের দেশে নাকি ভাইয়ামনি!


এই সব পাগলামী কথা কোথায় কখন বলে ভাবছি!:(

৪৯| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:৪৭

আশমএরশাদ বলেছেন: এটা নিয়ে একটু ডিটেইলস বলবেন? মানে কাউরান বাজারের কোন জায়গা বা দোকান থেকে এবং জিনিসটা কি ? ---------------"মশা নিধনের জোরালো কিছু ওষুধ রয়েছে কাউরান বাজারের দিকে পাওয়া যায়। সেসব নিয়ে স্প্রেতে করে বাড়ির আশে পাশে ছিটিয়ে দেওয়া দরকার । আমার আশে পাশে প্রতিবেশীদেরকে আমি এমনটা দেখার পরে নিজেই সেটা সংগ্রহ করেছি। এতে মশার প্রোকোপ একদমই কমে যায়। এই গেলো বাড়িতে মশা না কামড়ানোর জন্য ও জন্মবৃদ্ধি হ্রাসের জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। "
হেড টু হেডে আমরাই এগিয়ে। ম্যাশ সাকিব মুশফিক ওফকার সাব্বির, লিটন সৌম্য তামিম ভাই তোমাদের বউয়ের দোহাই লাগে

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৩

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া ফার্মগেট লিঙ্ক রোড ধরে গেলে একটা দোকান আছে সুন্দরবন! সেখানে সাইনবোর্ডও লাগানো আছে। এই দোকানে পাওয়া যায় মশা নিধনের খয়বই কার্য্যকরী মেডিসিন যা মশার ডিম ও মশা দুইই ধ্বংস করে। দুই রকম মেডিসিন দুইটার জন্য!

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:০৪

শায়মা বলেছেন: অ্যাডাল্টিসাইড ও লার্ভিসাইড নিরোধে টেলফোস নামক ওদুধ ব্যবহার করা হয়। এই ওষুধ পানি মিশিয়ে স্প্রে করতে হয়।

৫০| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:৫৯

অদ্বিতীয়া আমি বলেছেন: কি ভালো আর কাজের একটা পোস্ট শায়মা আপু । ব্যাপারটা নিয়ে টেনশন লাগছে । আচ্ছা কি ওষুধ যেটা কাওরান বাজার এ পাওয়া যায় ? ওষুধের কি কোন নাম আছে ?

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:৩০

শায়মা বলেছেন: ওষুধের অনেক নাম আছে তবে আমি যে দোকান থেকে আনিয়েছি সেটা ফার্মগেট লিঙ্ক রোডে। দোনাকের নাম সুন্দরবন। কাওরান বাজারেও পাওয়া যায়। তবে সুন্দরবন নানা কীট নাশকের আখড়া। সেখানেই নিশ্চিৎ পাবে। লার্ভা আর এডাল্ট দুই শয়তানের বাচ্চা ডেঙ্গু এডিস মশার জমদেরকে।

৫১| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:১৮

জুন বলেছেন: শায়মা তোমার লেখাটি পড়ে মন্তব্য দেয়ার আগেই সামুর দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল । তখন ভেবেছি এত গুরুত্বপুর্ন লেখাটিও হারিয়ে গেল সবার চোখের সামনে থেকে ।
বাংলাদেশে ডেঙ্গুতে মৃত প্রথম ব্যাক্তিটি আমার পরিচিত একজন ।

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:৩৩

শায়মা বলেছেন: সামান্য এই মশার বাচ্চার কাছে হেরে যাবো! :(
এও কি হয়? তাই মশা যেমন ঝাঁকে ঝাঁকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আমাদেরকেও ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে ঝাঁকে ঝাঁকেই তাদের রুধে দিতে।

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:৩৫

শায়মা বলেছেন: আপু সামু বন্ধ হয়েছিলো যখন তোমাকে আমরা মিস করেছিলাম। খুঁজেছিলাম খবর দিতে সামু ফেসবুক গ্রুপের। কিন্তু তোমাকে খুঁজে পাইনি। পুরোনো আইডিতে তুমি আর লগ করো না! :(

৫২| ০৬ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:৫৪

অগ্নি সারথি বলেছেন: সচেতনতাটা জরুরী! পোস্টের জন্য ধন্যবাদ কঙ্কাবতী।

০৬ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:৪০

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়া। তবে শুধু সচেতন না বড় বেশি সচেতনতা প্রয়োজন আসলে।

৫৩| ০৮ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ওগো চক্ষের শীতলতা

তুমি কী নও নিরাপদ,

এই অবণীর পাষাণ বুকে?

শঠের লোলুপ দৃষ্টি কেবল

তোমাকেই খুঁজে ফেরে তবে

বৃদ্ধা–শিশু-কিশোরী

অথবা যৌবনের মধ্যগগণে

তুমি কী কখনোই নও নিরাপদ?

তুমি নির্যাতন সয়ে যাও অম্লানবদনে

তবু তিলে তিলে গড়ে তোল

মানব সন্তান—আপন জঠরে

ধারণ করেছো যারে।

কী তার প্রতিদান

বিশ্ব বিবেকের কাছে

সযতনে রাখা আছে?

কেবলই কি প্রবঞ্চণা, খুন

অথবা ধর্ষণ কিংবা নিপীড়ন

তাদের ললাটের লিখন

এই সংসার কারাগারে।



এটা কি কিছু হয়েছে??? #:-S

০৮ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:০৯

শায়মা বলেছেন: এইখানে এই কবিতার মানে কি ?

৫৪| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:০১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

আজকের খবর
ভয়াবহ রূপে ডেঙ্গু ॥ রাজধানীতে ঘণ্টায় ৪ রোগী হাসপাতালে

মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে ডেঙ্গু। রোগের প্রাদুর্ভাব এবার অন্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি। একই সঙ্গে পাল্টে গেছে রোগের ধরন। ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পরও রোগীর শরীরে থাকা জীবাণুর ধরন বুঝতে সময় লাগছে চিকিৎসকদের। ততক্ষণে রোগীর শরীরে থাকা ডেঙ্গুর জীবাণু দ্রুত আরেক রূপ ধারণ করছে। কিছু বুঝে উঠার আগেই আঘাত হানছে রোগীর ব্রেইন, হার্ট ও লিভারে। দ্রুত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে আক্রান্তকে ( সুত্র-জনকন্ঠ)
এই পোষ্টের কল্যানে সংস্লিষ্টদের মাঝে সচেতনতা আসুক , প্রতিরোধ ও প্রতিকারের জন্য সর্বাত্বক ব্যাবস্থা নেয়া হোক ।

১০ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

শায়মা বলেছেন: কি সাংঘাতিক।

এবারের ডেঙ্গু নিয়ে ৫ দিন প্লাটিলেট কাউন্টের জন্য বসে না থেকে মানুষের এক/দুই দিনের মাঝেই ডেঙ্গু টেস্ট করা উচিৎ। প্যারাসিটামল সাথে যে কোনো মূল্যে বর কমিয়ে রাখা। সাথে লিকুইড আর স্যালাইন।

৫৫| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:১৭

starit বলেছেন: Thanks for more informative article
Pest Control BD

১০ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৮

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়া!

এবারের ডেঙ্গু আসলেই সচেতনতার বিষয়।

৫৬| ১১ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৫

সেজুতি_শিপু বলেছেন: সুন্দর ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পোস্ট। অনেকটা কষ্ট , সময় ও শ্রমসাধ্য একটি লেখা ।অনেক ধন্যবাদ।

১১ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

শায়মা বলেছেন: তোমাকেও ধন্যবাদ আপুনি। সবাই মিলে মশার সাথে যুদ্ধে জয়ী হতেই হবে।

৫৭| ১২ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১২:৪৬

আখেনাটেন বলেছেন: অসাধারণ। অসাধারণ।

মোক্ষম সময়েই এই জিনিস সামনে এনেছেন। স্টিকি করে মডুরা ভালো কাজ করেছে। ডেঙ্গি নিয়ে এই মহাকাব্যিক পোস্টে সবকিছুই তুলে ধরেছেন দেখছি।

আমরা সবাই সচেতন হই।

*আপনার মেইল পাওয়ার পর মনে করেছিলাম ব্লগ বন্ধ হয়ে গেছে। এখন তো দেখছি চলছে। আমাকে তো ভয় পাইয়ে দিয়েছিলেন। :D

১২ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৯

শায়মা বলেছেন: শয়তান ভাইয়া

মেইল পড়ে এমন রাগ লেগেছিলো!!!!! X((

আমরা সবাই মিস করছিলাম তোমাকে আর তুমি কিনা বলো যোগ দিতে পারবেনা আমাদেল কথা মনে পব্বে হেন তেন! X(

যাইহোক অনেক কষ্টে ফিরেছে এই সামু।
একেবারেই আশা হারিয়ে গিয়েছিলো তাই কাভা ভাইয়াই ফেসবুকে গ্রুপ খুলেছিলো। আমরা সবাই সবাইকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলাম আর তোমাকে খুব মিস করছিলাম বলেই তোমাকে সেখানে যেতে বলছিলাম আর এই ছিলো তোমার মনে! :(

সামু বন্ধ হলে তুমিও হাওয়া হয়ে যাবে!

ওক্কে জানা হলো! আর জীবনেও ডাকবো না !

ডাকবো ডাকবো না
এমন করে মেইল দিয়ে আর ডাকবোনা
পারি যদি অমার বাড়ি ডাক পাঠাবো
ভাবীকে চিঠি দিয়ে ....
( তখন ভালো শিক্ষা হবে :D )

যাইহোক আমরা তো প্লাটিলেটই বলি! :(

ওকে প্লেটলেট বলবো এখন থেকে ! আর এই ডেঙ্গু নিয়ে আমি বিশেষ চিন্তিত! এবারের ডেঙ্গু খুব খারাপ ভাবে এসেছে! দিনে দিনে খারাপ হচ্ছে!

আমরা কি পারিনা এই ছোটলোকের ছোটলোক মশার বাচ্চার সাথে লড়তে! X((

৫৮| ১২ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১২:৫০

আখেনাটেন বলেছেন: ধন্যবাদ বাদ পড়ে গিয়েছিল। এত সুন্দর একটি পোস্টের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে গেলাম। :D

*প্লাটিলেট নয় প্লেটলেট বা থ্রুম্বোসাইট।

১২ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:৫০

শায়মা বলেছেন: উফ এইটার উত্তর ঐটাতে হয়ে গেছে! :)

যাইহোক আমরা তো প্লাটিলেটই বলি! :(

ওকে প্লেটলেট বলবো এখন থেকে ! আর এই ডেঙ্গু নিয়ে আমি বিশেষ চিন্তিত! এবারের ডেঙ্গু খুব খারাপ ভাবে এসেছে! দিনে দিনে খারাপ হচ্ছে!

আমরা কি পারিনা এই ছোটলোকের ছোটলোক মশার বাচ্চার সাথে লড়তে! X((

৫৯| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম। তথ্যবহুল পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

১৩ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১১:২৩

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ। মশামুক্ত ঢাকা করতে হবে। নইলে রক্ষা নাই।

৬০| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১:৩৮

অবেলার পানকৌড়ি বলেছেন: অনেক সুন্দর লেখা। আমার তো ফেসবুক নাই তাই এখানেই পড়ে ফেললাম :(
ঈদের পর আন্দোলন হবে (২২-২৮ আগস্ট)। দুর্বার আন্দোলন করে সামুকে ফিরিয়ে আনা হবে ইনশাআল্লাহ।

১৬ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:৪৭

শায়মা বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক অনেক ভাইয়া!

৬১| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:৩৮

তারেক ফাহিম বলেছেন: উপযুক্ত সময়ে জনসচেতনমুলক পরিপাটি একটি পোষ্ট।

সামুর আশা ছেড়েই দিলাম। মাঝখানে কয়েকদিন ভিপিএন দিয়ে ঢুকা গেলো। এর কিছু দিন পর আর ঢুকতেই পারিনি।

অনেক অনেক মিস করছি প্রিয় প্রাঙ্গন, প্রিয় ব্লগারদের।

পোষ্টটি স্টিকি করায় ধন্যবাদ মডুকে, লগইন করার সাথে সাথে জনসচেতনমুলক পোষ্ট পড়ে ভয়-ই লাগলো। না জানি আমারও কোন ডেঙ্গু হল নাকি :| রোগের স্থায়ীত্ব আর ডেঙ্গু সুযোগে স্বেচ্চায় নিজ থেকে আসে যায় বলে দুশ্চিন্তা দূর হল :-/

নিজে সচেতন হয়েও কাজ হয় না, যদি প্রতিবেশি সচেতন না হয়। করুনাধারাপুর ন্যায় আমিও ভুক্তভোগী। আমার প্রতিবেশি তেড়া বললেই চলে। ভাবলা একবার চেয়ারম্যান বরাবরে নালিশ দিবো।

১৬ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:০১

শায়মা বলেছেন: আসলে সবাইকে যার যার জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে!
আর এইবারের ডেঙ্গুতে ৪/৫ দিন অপেক্ষা না করে ডেঙ্গুর টেস্ট করতে হবে।

৬২| ২১ শে জুলাই, ২০১৯ রাত ১১:৩২

মা.হাসান বলেছেন: ডাক্তার শায়মা,আপনার এই পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ। সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত এটা স্টিকি করে রাখা হলে বেশি ভালো হতো বলে আমার মনে হয়। আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন এমন একটা পোস্ট দেওয়ার জন্য। আমার বিশ্বাস এই রকমের পোস্ট অনেক জীবন বাঁচাতে সাহায্য করবে।

কাজের কথা--আপনার সুফিয়া বুয়ার মত আমার গা টাও বেশ গরম গরম মনে হচ্ছে, চোখ গুলো ও লাল। একটু নরম ভাত ইলিশ মাছ আর ঢেড়স ভাজা পেলে ভালোই লাগতো । কোথায় যে যাই :P

২২ শে জুলাই, ২০১৯ রাত ১:০৭

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া নো ফান! ইলিশ মাছ খাওয়া যাবে কিন্তু গা গরম হলেই মানে এখন যে খারাপ প্রজাতির ডেঙ্গু এসেছে তা থেকে বাঁচতে জ্বরের ৬ ঘন্টার মাঝে ডেঙ্গু টেস্ট করতে হবে।
ফ্লুইড কমে যায় তাই স্যালাইন প্লাজমা জরুরী।
হসপিটাল কেয়ার লাগবেই।

:(

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.