নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কি বলা যায়! কিছু কথায় নিজেকে ব্যক্ত করা সম্ভব না আমার পক্ষে। তাই একটা সিরিজে কিছু কিছু করে সবই বলছি।

সামু পাগলা০০৭

আমি অতিআবেগী, আগে ব্যাপারটা লুকানোর চেষ্টা করতাম। এখন আর করিনা।

সামু পাগলা০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৩) - সুখে থাকতে কিলায় ভূতে! (কুইজ বিজেতা ঘোষিত)!

১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৮:৪৭

পূর্বের পর্বের লিংক: তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (২) - জীবনের গল্প শুরু হলো এইতো! অন্যান্য পর্ব এবং সিরিজের লিংকও পেয়ে যাবেন এখান থেকে।

পূর্বের সারসংক্ষেপ: কানাডায় যেয়ে এপার্টমেন্টে উঠলাম সবাই। সেখানে প্রথম সকাল কেটে গেল লাগেজ খালি করতে গিয়ে। পড়ন্ত দুপুরে ফোন কিনতে গিয়ে কিছু মজার অভিজ্ঞতা হলো। বাড়ি ফিরতে ফিরতে সন্ধার আলোয় দেশের নানা কথা মনে ঘুরতে থাকল।

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

দুদিনের কঠিন জার্নি শেষ করে কানাডায় এসে একটু রেস্ট নেব ভেবেছিলাম। কে জানত আরো বড় জার্নির মধ্যে পরতে যাচ্ছি? এখানে আসার পর থেকে ছোটাছুটিতেই দিন কেটে যাচ্ছে। এখন যেমন যাচ্ছি এক প্রবাসীর দেওয়া ঠিকানায়।

ফোন কেনার পরে বাবা পরিচিত এক প্রবাসীকে ফোন করে যিনি অন্য প্রভিন্সে থাকতেন। পুরোপুরি লস্ট আমাদেরকে তিনি আইডিয়া দিলেন যে এখানে নানা অফিস আছে ইমিগ্র্যান্টদের সাহায্য করে। তেমন কোথাও গেলে ওরা আমাদের সব বুঝিয়ে দেবে কোথায় কিভাবে কি কি করতে হবে। তিনি ইন্টারনেট ঘেটে আমাদের শহরে এমন একটি প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দিয়ে দিলেন।

সেখানে গিয়ে রিসিপশনে বাবা সব বললেন যে আমরা বাংলাদেশ থেকে এসেছি, কানাডার জীবন নিয়ে এসিসট্যান্স দরকার। তখন উনি আমাদেরকে অপেক্ষা করতে বললেন। বেশ কিছুক্ষন অপেক্ষা করার পরে একজন কানাডিয়ান সোনালী চুলের লম্বা নারী খুব হাসতে হাসতে আমাদের দিকে হেঁটে এলেন। এসেই হ্যান্ডশেক করলেন সবার সাথে।
আমরা কতদিন কানাডায় তা জানতে চাইলেন, যখন বলা হলো যে দুদিন, উনি বললেন, "ওয়াও! ব্র্যান্ড নিউ! ওয়েলকাম টু কানাডা!"

ওনার অফিসে নিয়ে গিয়ে আমাদেরকে বসতে বললেন। অফিসটি ছোট কিন্তু ভীষন পরিষ্কার এবং গোছালো। উনি আমাদের সবার বেশ কিছু তথ্য জানতে চাইলেন। যেমন নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার ইত্যাদি। সবকিছু কম্পিউটারে টাইপ করতে লাগলেন। এখানে এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার, যেখানেই যাই নিজেদের হাজারটা তথ্য দিতে হয়। আর সেসব তথ্য তাদের কম্পিউটারে সেভ করে রাখে। এমনকি ফোন কিনতে যাবার সময়েও এমনকিছু হয়েছিল। আমাদের খটমটে বাংলাদেশী নামের বানান অক্ষর বাই অক্ষর বলতে হয়। উচ্চারণে পার্থক্য থাকায় একেকটি অক্ষর অনেকবার বলতে হয়। বিরক্তিকর ব্যাপার।

সব ফর্মালিটি শেষ হবার পরে জিজ্ঞেস করলেন আমাদের কি ব্যাপারে সাহায্য দরকার।
বাবা বলল, "ম্যাম, একচুয়ালি উই ডোন্ট নো হোয়েআর টু স্টার্ট ফ্রম!"
অভিজ্ঞ উনি সাথে সাথেই যেন সব বুঝে গেলেন! মাথা ঝাঁকিয়ে "ওকে ওকে" বলে একটা কাগজ নিয়ে এক দুই করে পয়েন্ট আকারে লিখতে লিখতে আমাদেরকে অনেককিছু বোঝাতে লাগলেন।

যার সারমর্ম করলে দাড়ায় আমাদেরকে নানা ধরণের কার্ডস অর্জন করতে হবে। কানাডায় এসে এসব কার্ড জোগাড় করা নিঃশ্বাস নেবার চেয়েও বেশি জরুরি!

যেমন সিন কার্ড বা সোশাল ইন্সুরেন্স নাম্বার কার্ড যেটা না থাকলে কানাডায় কাজের জন্যে এপ্লাই করা যায়না। সেই কার্ডটি ছাড়া কানাডায় থাকা সম্ভবই না একপ্রকার।
হেলথ ইন্সুরেন্স কার্ড যেটা থাকলে বেশিরভাগ সাধারণ হেলথ সার্ভিস ফ্রি পাওয়া যায়।
সেটা ছাড়াও আরো নানা ধরণের বেনিফিট কার্ডের কথা বললেন যেগুলো নানাভাবে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করে।
জিজ্ঞেস করলেন আমরা এখন কিভাবে ট্রাভেল করছি? বাবা জানালেন ট্যাক্সি। উনি পরামর্শ দিলেন যে এখানকার বাস এবং ট্রেইন সার্ভিসও বেশ ভালো, আর ভাড়া অনেক কম হবে।
বাস কার্ডের ব্যাপারে জানালেন। বাস কার্ড কিনলে পুরো মাসে যতবার ইচ্ছে টিকেট ছাড়া সেই কার্ড দেখিয়ে বাসে ট্রাভেল করা যায়। অথবা বাসে উঠে ড্রাইভারের কাছ সিংগেল টিকিট ও কেনা যেতে পারে। উনি বললেন, বাস কার্ড বেশি সাশ্রয়ী হবে, যেহেতু আমাদেরকে এখন নানা জায়গায় যেতে হবে।
একটা ব্যাংক একাউন্ট করতে হবে সেটা মনে করিয়ে দিলেন।
কোন কাজটি কোথা থেকে করাতে হবে সেটার ঠিকানাও লিখে দিলেন।

সব কাজের লিস্ট শুনে বাবা আর মা চিন্তিত মুখে ওনার দিকে তাকাল। উনি মুচকি হেসে বললেন, "আই নো ইটস এ লট, বাট ইউ উইল ডু গ্রেট! লেট মি নো ইফ ইউ নিড এনি হেল্প।"

কানাডিয়ানদের ব্যবহার অসম্ভব নরম ও আন্তরিক। এমনভাবে সাহায্য করে এবং সমব্যাথী হয় যেন ওদের কত আপন আমরা! আমরা ওনাকে ধন্যবাদ দিয়ে বের হয়ে এলাম।

ট্যাক্সিতে বসে বাবা মা আলোচনা করছেন কোন কাজটি কিভাবে করা যায়।

আমি বাইরে তাকিয়ে ভাবছি, এখানকার রাস্তাগুলো কি প্রতিদিন তেল দিয়ে মালিশ করে? কোথাও কোন গর্ত নেই, এত মসৃণ কিভাবে! গাড়িতে যে বসে আছি বুঝতেই পারছিনা! কোন ঝাঁকি নেই, ট্রাফিকও তেমন না। সরলভাবে চলে যাচ্ছে। বোরিং!

দেশে তো রিকশাতেও কত মজা হত। তখন নতুন নতুন ওড়না পরা শুরু করেছি, বড় হয়ে গিয়েছি এমন ভাব। দুই বা তিন বান্ধবী মিলে একসাথে বসতাম রিকশায়। বাড়ি থেকে বারবার বলে দেওয়া হতো যেন ওড়না হাতের মধ্যে থাকে, চাকার মধ্যে আটকে না যায়। বাড়ির কাছে কোলে ঘুরতে যেতাম। সবাই যার যার বাড়ি থেকে কোনভাবে দশ বিশ টাকা জমা করে আনত, তাতে আচাড়, চিপস, কোল্ডড্রিংকস এসব খেতাম। আমাদের তো দাপটই আলাদা। পুরো শহরের মালিকিন যেন! ক্লাসের নানা মজার ঘটনায় হাহা হিহি শেষই হতোনা। বন্ধুরা পাশে থাকলে ছোট্ট একটা মজার বিষয়ও মারাত্মক হাসির কারণ হয়ে যায়। ছেলেরা একটু আকটু অন্যভাবে তাকানো শুরু করেছে। আমি তো বরাবরই এসব বিষয় বুঝতে পারতাম না। কোন ছেলে হা করে তাকিয়ে থাকলে আমার বান্ধবীরা লজ্জায় হাসি বন্ধ করে চুপ হয়ে যেত।
আমি কিছুই বুঝতাম না, বলতাম, "এই কি হলো? হাসি বন্ধ করলি কেন?" ওরা আমাকে বিষয়টি বললে, আমি ওদের চেয়ে দ্বিগুণ লজ্জা পেয়ে চুপ হয়ে যেতাম!

এসব ভাবতে ভাবতে খিলখিল করে হেসে উঠলাম! মা আমার দিকে প্রশ্নসূচক চোখে তাকাল। আমি মাথা নেড়ে বললাম কিছুনা! ধুর কল্পনার জগৎ এতো ক্ষনস্থায়ী হয় কেন! দেশের মিষ্টি কল্পনা থেকে বারবার বাস্তবের বিদেশী জমিনে আছড়ে পড়ছি!

ভীষন খিদে লেগেছে। কিছু খেয়ে লিস্টের অন্যকোন কাজে হাত দেওয়া হবে।

ছিমছাম ছোটখাট একটা রেস্টুর‌েন্টে ঢুকে পরলাম সবাই। মৃদু মিউজিক বেজে চলেছে। লোকজন খেতে খেতে নিচু স্বরে কথা বলছে।
আমরা একটি টেবিলে বসে পরলাম। মেন্যুর অনেককিছু মন মতো হলোনা। কিছু কিছু চিনলামই না ঠিকমতো। শেষে ঠিক করা হলো ফিশ ফ্রাই আর মিল্কশেক খাওয়া হবে। অর্ডার দিয়ে ওয়েট করতে করতে আশেপাশে ভালোভাবে তাকালাম। বড় বড় মগে কেমন যেন একটা ফেনা ফেনা ড্রিংক! দেখে বুঝে গেলাম এলকোহল। ইশ! সবাই এত স্বাভাবিকভাবে মদ খাচ্ছে যেন এটা কোল্ডড্রিংক! অস্বস্তি বোধ করলাম। আসলে চোখে ধাঁধা লেগে যায় এতো রং বেরং এর মানুষ আর তাদের উদ্ভট সব কাজ কারবার দেখে!

অবশেষে খাবার এলো সামনে। মানুষ বলে খিদের পেটে যেকোন কিছুই অমৃত মনে হয়। পুরোপুরি ভুল প্রমানিত হলো তত্ত্বটি। মশলা, লবণ ছাড়া এ কেমন ফিস ফ্রাই? যা এক্সট্রা লবণ ছিল তা একটু একটু করে ঢেলে খাবার চেষ্টা করলাম। ঢালতে ঢালতে লবণ শেষ, কিন্তু স্বাদের বালাই নেই! কেউই দু তিন বারের বেশি নিতে পারল না। বিদঘুটে টেস্ট। মিল্ক শেকটা অসাধারণ ছিল। তাতেই কোনভাবে লাঞ্চ সারা হলো। কিন্তু মন বা পেট কিছুই ভরল না তাতে।

এরপরে সেই মহিলার ঠিকানা অনুযায়ী আরেক অফিসে যাওয়া হলো। সবজায়গায় বাবা কথা বলে, এবং আমি আর মা চুপচাপ শুনি। ওরা দু একটা প্রশ্ন করলে আমরা ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংলিশে জবাব দেই। ওরা তখন বলে, "পারডন মি! ক্যান ইউ প্লিজ রিপিট?" মানে ক্ষমা করুন, বুঝতে পারিনি, আবারো বলুন! বেশ কয়েকবার এক কথা বললে বোঝে। খুবই বিরক্তিকর ব্যাপার। আর লজ্জারও। শিশুদের মতো বাকহীন মনে হচ্ছে নিজেকে। আমি ভয়ে ভয়ে থাকি কখন কে কিছু জিজ্ঞেস করে ফেলে।

এই কাজ সেই কাজে দিনই কেটে গেল। বাড়িতে আসার পথে মাসিক বাস কার্ড কেনা হলো তিনজনের। সেই সকালে বেড়িয়ে সন্ধ্যা নামতে নামতে বাড়ি ফিরলাম।

বাইরের জামা কাপড় চেঞ্জ না করেই বিছানায় পরে গেলাম। পুরো শরীর ক্লান্তিতে অবশ হয়ে গিয়েছে। এখানে আসার পর থেকে সর্বদা মারাত্মক একটা ক্লান্তি ছড়িয়ে থাকে শরীর মন জুড়ে। হয়ত এতসব পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে গিয়ে মনে কোন এফেক্ট পরছে। জেট লেগ এর কারণে ঘুম খাওয়া সবকিছুর রুটিনও উল্টেপাল্টে গিয়েছে। হুট করে অবেলায় প্রচন্ড খিদে লাগে, অসময়ে ঘুম আসে। সবমিলে শরীর মনের যা বাজে অবস্থা বলার না!

আমি প্রায় ঘুম ঘুম তখন মা এসে জোর করে ওঠালো। আমি ঘুম জড়ানো কন্ঠে বললাম, মাআআ ক্লান্ত!
মা বললেন, "খেলেই ঠিক হয়ে যাবে, সারাদিন তো কিছু খাসনি।"
মা জোর করেই যাচ্ছে, আমি শুনছি না। শেষমেষ বললাম, তোমরা আমাকে এখানে আনলে কেন? আমার ভালো লাগেনা।
মা তখন বলল, "তোমরা বলিস না, তোর বাবা এনেছে আমাদেরকে এখানে। তোর বাবার তো সুখে থাকতে ভূতে কিলায়। দেশে কি এমন খারাপ ছিলাম?"
দেশ পাল্টেও মায়ের এই স্বভাবটা গেল না, সবসময় ঝগড়ায় আমাকে ব্যবহার করবে। কথা আমার সাথে বলছে, কিন্তু শোনানোর টার্গেট বাবা! জোরে জোরে বলছে পাশের রুমের দিকে তাকিয়ে!
বাবা তখন এসে বলল, "আবার শুরু করো না তো, প্রথম প্রথম একটু স্ট্র্যাগল করতে হয়। সব গোছাতে পারলে আর কোন সমস্যা থাকবেনা।"

মা তখন বাবার পেছনে পেছনে গেল আরো কিসব বলতে বলত। আর আমি কোনমতে বিছানা থেকে শরীরটাকে উঠিয়ে ফ্রেশ হয়ে খেতে বসলাম। খাবার পরে সত্যিই একটু ভালো লাগল।

ঘরে যেয়ে শুয়ে শুয়ে চিন্তা করছিলাম, ব্যাপার কি? আজকে অফিসের মানুষজনের প্রায় ৬০ - ৭০ ভাগ কথাই আমি বুঝতে পেয়েছি! একদিন আগেও তো এপার্টমেন্ট ম্যানেজার, ফোনের দোকানের কারো কথার একটা শব্দও সেভাবে বুঝতে পারিনি। আমি কি একদিনেই ইংলিশ শিখে ফেলেছি? ভেবেই ভীষন আনন্দ হলো। এসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পরলাম।
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

পাঠকের জন্যে কুইজ: আমি হুট করে একদিনে ইংলিশে বিদুষী হয়ে গিয়েছিলাম কি করে? :)
আমি ১৯ নাম্বার মন্তব্যে উত্তর লিখে দিয়েছি। কৌতুহলী পাঠক চেক করে নেবেন।

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:২৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: যাক অবশেষে অপেক্ষার শেষ হল :)

বরাবরের মতোই দুর্দান্ত আরেকটি পর্ব।
সহজ, সরল প্রঞ্জল বর্ণনায়, খুটিনাটি বিষয়কেও দারুন উপস্থাপনায় দারুন উপভোগ্য করার অসাধারন গুনটি সখির বিশেষত্ব।
পাঠক বুদ হয়ে থাকে সাবলীলতায় প্রতিদিন তেল মাখানাো কাডানিয়ান রাজপথের বোরিং স্মুথনেসে ;)

জীবনের খেরোখাতার অনন্য অনুভবের মুক্তো মানিকে বর্ণিল স্মৃতিকথা
শেয়ার করে আমাদেরও ঋদ্ধ করায় অন্তহীন ধন্যবাদ সখি

জন্মান্তরের শুভকামনা :)

১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৫৭

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: সখা!

কি সুন্দর করে বলেন! ভীষনভাবে অনুপ্রাণিত হই। যতই ধন্যবাদ দেই না কেন কম হবে।

আপনার জন্যেও একগুচ্ছ শুভকামনা।

২| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার আবেগ খুব বেশি।
লেখা মন দিয়ে পড়লাম।
ভালো থাকুন।

১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৫৮

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন একদম। সেই বয়সে আবেগ অনেক বেশি ছিল।

মন দিয়ে পাঠ করে এবং মন্তব্য করে কৃতজ্ঞ করেছেন।
শুভেচ্ছা রইল।

৩| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:০৬

সোহাগ তানভীর সাকিব বলেছেন: ভালো লাগলো।

১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:১৩

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমারো ভালো লাগল।

ধন্যবাদ।
অনেক ভালো থাকুন।

৪| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:২১

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: বরাবরের মতই সুন্দর লেখনী।
একদিনেই কি ভাবে ইংলিশ শিখে গেলেন?উত্তরটা আপনিই দিয়ে দেন ;)
আপনারা কি কানাডায় স্থায়ী ভাবে থেকে যাবেন,দেশে আর আসবেন না?

১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:২৪

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ।

আচ্ছা আরো কিছু পাঠক ট্রাই করার পরে উত্তর দিয়ে দেব। :)

জানি না, আসার ইচ্ছে আছে। কিন্তু কানাডায় গিয়ে যেমন সব শুরু থেকে শুরু করতে হয়েছিল, দেশে গেলে আবার তাই করতে হবে। সেই ভয়েই হয়ত পা টা পিঁছিয়ে যায়! দেখা যাক, পড়াশোনা শেষ করার পরে সিরিয়াসলি এ বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে।

সুখ ও শান্তিতে থাকুন।

৫| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:০১

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: শুভ সকাল সামুপাগলা আপুনি

দেশের গল্পগুলো সব একঘেয়ে হয়ে গেছে। চাঁদগাজী ভাইকে বলেছিলাম হাসিনা খালেদার ক্যাচাল বাদ দিয়ে আমেরিকার গল্প লিখুন মন ভরে পড়ি। তিনি আমার কথা শুনলেন না, তিনি ভুট্টু সাহেবের কথামত সেই ক্যাচালই চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আজ সকালে অফিসে আসতে আসতে আপনার এবং সোহানী আপুর দুইটা লেখা পড়ে মন ভরে গেল।

সামনের পর্বের প্রতিক্ষায় রইলাম। আপনার কুইজের উওর দিতে অপারগ।
পোষ্টে লাইক।

১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:০৫

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: শুভ সকাল!
অনেক ভালো লাগল আপনাকে পোষ্টে পেয়ে।

বাহ, আপনার সকালটা তবে কানাডার গল্পগাঁথায় ভরপুর ছিল! আনন্দিত হলাম মন ভরেছে জেনে।

পরের পর্ব লেখার উৎসাহ দেবার জন্যে ধন্যবাদ। পাশে থাকুন।

সমস্যা নেই, একটু কঠিনই ধাঁধাটি। আমি পরে উত্তর দিয়ে দেব।
পাঠ, মন্তব্য এবং লাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

ভীষন ভীষন ভালো থাকুন।

৬| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:৪১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: কুইজের উওরে মনে এল-
সারভাইবাল ইনটেনশন, কানাডিয়ানদের সহানুভূতি পূর্ন আচরণ, বিনয়ের সাথে বারবার জানতে চাওয়া সহজাত জড়তা মুছে দিয়েছে এবং বাস্তবতায় ঠেকে গিয়ে ওভারকাম করার নিজের দৃঢ় প্রত্যয় সব মিলিয়েই - একদিনেই বিদ্বান হয়ে গেছে সখি :)

উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম। দেখী ভাবনা মেলে কিনা? নাকি কোন মিরাকল ছিল :) একদিনেই বিদ্বান হওয়াতে!

১৬ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৫:০১

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেই সখা!

যাক কুইজের কারণে হলেও আবার সখার দেখার পেলাম! হাহা।

হমমম, অনেক সুন্দর, গুছিয়ে লিখেছেন। অনেক ধন্যবাদ ভেবেচিন্তে উত্তর লিখে যাবার জন্যে।
এই উত্তর ঠিক নাকি ভুল সেটা আরো কিছু পাঠক ট্রাই করার পরে জানিয়ে দেব।

শুভেচ্ছা অফুরান!

৭| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:৪৮

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: কানাডিয়ানদের ইংলিশ এ্যাকসেন্ট গুলো সম্ভবত তুমি খুব মনোযোগ দিয়ে ফলো করেছিলে। যথেষ্ট মেধা থাকার কারণে খুব অল্প সময়েই তুমি তা' বুঝে ফেলেছ। আমার কাছে এমনটাই মনে হচ্ছে।

কানাডায় নানা ধরনের কার্ডস সংগ্রহের ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং। এরকম ব্যবস্থা প্রবাসীদের জন্য, বিশেষ করে নিউ কামারদের জন্য খুবই ভালো। আর ওদের আন্তরিকতাপূর্ণ সহযোগিতা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তোমাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। আমাদের মতো দেশে এসব তো কল্পনাই করা যায় না। আর মদ খাওয়া তো ওদের মতো শীত প্রধান দেশের ফিজিক্যাল ও মেন্টাল কালচারের অচ্ছেদ্য অংশ। এটা দিয়ে ওদেরকে বিচার করা ঠিক হবে না।

এ পর্যন্ত তিনটি পর্বই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ সামু পাগলা০০৭।

১৬ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৫:০৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেনাভাই, প্রথমেই ধন্যবাদ কুইজের প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্টা করেছেন বলে। উত্তরটি ঠিক নাকি ভুল তা আমি জানিয়ে দেব বেশ কজন পাঠক ট্রাই করার পরে।

আসলে শুধু প্রবাসী নয় বিভিন্ন ধরণের কার্ডস এখানে প্রত্যেকেরই লাগে।

আমার মনে হয়না শীতপ্রধান দেশের কারণে মদ খেতেই হবে। নানা মানুষ কানাডায় আসে যাদের কালচারে মদপান নিষিদ্ধ তারাও ঠিকই সার্ভাইব করে। আমি নেশাজাতীয় কোন জিনিস পছন্দ করিনা। এর পেছনে কোন যৌক্তির কারণ আমার চোখে পরেনা।
তবে হ্যাঁ, এটা ওদের মেন্টাল কালচারের অংশ, গরমেও বারবিউব করতে করতে মদ খাবে। এটা দিয়ে ওদেরকে বিচার করার কিছু নেই। ওরা অনেক ভালোমানুষ।

তিনটি পর্বেই আপনাকে পাশে পেয়েছি। আর আপনার ভালো লাগা জেনে ভীষনই লাকি ফিল করছি।
আপনাকেও ধন্যবাদ।

ভীষন ভালো থাকুন।

৮| ১৬ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৪

জাহিদ অনিক বলেছেন:

হুম ! বেশ ঝক্কিঝামেলা গেলো বোঝা গেল, ইহা তো অনেক আগের কথা তাই না ? এখন তো বেশ মানিয়ে গুছিয়ে গেছ !

একদিনে কি করে ইংরেজীতে জাহাজ হয়ে গেলে ? বিরাট বড় প্রশ্ন !!!!

১৬ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৫:১৩

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেই অনিক!

হ্যাঁ তা ঠিক বলেছ। ঝক্কিঝামেলা বলে ঝক্কিঝামেলা! ভাবলে এখনো ক্লান্ত লাগে!

হ্যাঁ তা বেশ আগের কথাই হবে। বলতে পারো মানিয়ে গুছিয়ে নিয়েছি। কিন্তু হেনাভাইকে অন্য একটা পোষ্টে বলছিলাম, আর তোমাকেও বলি, আসলে মানুষ কখনো পুরোপুরি সেটেলড হয়না। একটু বেটার কিছুর জন্যে নিত্যদিনই সংগ্রাম করে যায়!

এত বড় প্রশ্নের উত্তরটি তোমার ব্রেইনে আসবে না, তা আমি ভালো করেই জানি। চেষ্টা না করে ভালোই করেছ। ;) :D

পড়ে মন্তব্য করার জন্য থ্যাংকস।
শুভেচ্ছা রইল অনিক।

৯| ১৬ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১:১৩

আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: ঐসব অফিসাররা জানতো যে, ইংলিশ আপনার সেকেন্ড ল্যাংগুয়েজ। তাই তারা সেইভাবে বলেছে যেন আপনি বুঝতে পারেন। এইটা আমার ধারণা অবশ্য।

১৬ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৫:১৫

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভেবেচিন্তে প্রশ্নটির উত্তর দেবার চেষ্টা করেছেন বলে। আরো কজন পাঠক চেষ্টা করার পরে আমি উত্তর দিয়ে দেব। তখন মিলিয়ে নেবেন নিজের সাথে, ঠিক না ভুল বুঝে যাবেন। :)

ভালো থাকুন, সবাইকে ভালো রাখুন।

১৯ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আপনি ঠিক উত্তর দিয়েছেন। আপনার বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ।
অভিনন্দন।

১০| ১৬ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৫:১৫

মনিরুল ইসলাম বাবু বলেছেন: প্রাঞ্জল দিনলিপি । R উচ্চারণের বিষয় দিয়ে ওদের ইংলিশ ধরতে পেরেছিলেন ?

১৬ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৫:২৪

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। উৎসাহিত হলাম।

ধন্যবাদ কুইজের উত্তর দেবার চেষ্টা করেছেন বলে। আরো কিছু পাঠক চেষ্টা করার পরে আমি উত্তরটি লিখে দেব। তখন জেনে যাবেন আপনার উত্তরটি ঠিক না ভুল।

শুভকামনা রাশি রাশি।

১১| ১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩১

উম্মে সায়মা বলেছেন: তোমার এই সিরিজটা পড়া হয়নি। সময় করে প্রথম থেকে পড়তে হবে :)
না পড়েই বুঝতে পারছি বরাবরের মত খুব ইন্টারেস্টিং হবে!

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:১৩

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: সায়মা আপু! তুমি! তোমাকে পোষ্টে পেয়ে অনেক ভালো লাগল।

ওহ! আচ্ছা আপু, হাতে সময় থাকলে পড়ে নিও। আশা করছি পড়ার পরেও মনে হবে যে সিরিজটি ইন্টারেস্টিং।

ভীষন ভীষন ভালো থেকো আপু।

১২| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:৩৯

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: গুরুদক্ষিণার সাথে তো কথাই হয় না???;)
কুইজের উত্তর আর কি দিব...


আগে অবজেকশান দেইঃ
কনেডিতে নাকি হাতির মত বড় বড় পাহাড়। লেখক কি পোস্টের সাথে দু-একটা ছবি দিতে পারে না??X(


অফটপিকঃ
আড্ডাঘরে যাবার ইচ্ছে ছিল। আমি গেলে আড্ডাই মাটি হবে, তাই যাই না"!!:(
এদিকে হ্যাঁ-না ভাই (হেনা/আবুহেনা মোঃ আশরাফুলইসলাম), আমাকে দেখলেই লাঠি নিতে তাড়াবে!!:P

আমি পালাই....;)

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:৪৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: জ্বি কানাডায় ভীষন সুন্দর সব পাহাড় আছে। না পারিনা, কেননা আমি একেকটি পর্ব শুধু শব্দ দিয়ে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছি । এটা কোন ফটো ব্লগ তো নয়। আমার লেখার মাধ্যমে পাঠককে কল্পনায় সেই জায়গাটি দেখাতে পারলেই সার্থক বোধ করব।

ওহ! আপনি আড্ডাঘরের সদস্যও ছিলেন! প্রচুর হিন্ট দিয়েছেন। কিন্তু আমি আসলেই আপনাকে চিনতে পারছিনা। কোনদিন এমন কি ঘটিয়েছেন যার কারণে আড্ডাঘরে আপনার উপস্থিতি সবার অশান্তির কারণ হবে তা বুঝতে পারছিনা।
আর হেনাভাইয়ের মতো অসাধারণ মানুষ কাউকে লাঠি দিয়েই বা কেন তাড়া করবে। এটা ঠিক না।

যাই হোক, ধন্যবাদ মন্তব্যে।
শুভেচ্ছা।

১৩| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১২:২৫

নিওফাইট নিটোল বলেছেন: এইটাই বরং আগে চোখে পরেছিল........তারপর আগেরটাতে ব্যাক করেছিলাম........কিন্তু কমেন্টাইতে দেরি হয়ে গেল আরকি!

আর জাতি যখন হাইবারনেশনে থাকবে তখন লেখক কিছুই বলতে পারবে না.......জানেনইতো কাষ্টমার ইজ অলওয়েজ রাইট........সো জাতির সাত খুন মাফ, মাগার রাইটারের পান থেকে চুন খসলেই তেব্র পর্তিবাদ X(

আই নো ইটস এ লট, বাট ইউ উইল ডু গ্রেট! লেট মি নো ইফ ইউ নিড এনি হেল্প।
আপনার কি ওইসময়ও ডায়েরী লেখার অভ্যাস ছিল নাকি? এমন হুবহু ঘটনাপ্রবাহ মনে রাখতে পারাতো অস্থির ব্যাপার- বলেন কী! আমি ইমপ্রেসড! আর যদি তাই না হয় তাহলে আপনার সুপারশার্প ব্রেইনকে বহুত হিংসা হচ্ছে.......ইহজীবনে কখনো কানাডায় পদধূলি দেয়ার সৌভাগ্য হলে আপনার কয়েকটা ব্রেইনসেল কালেক্ট করব- কী জানি হয়তো শল্যবিদরা আমার ব্রেইনে গ্রাফটিং করলেও করতে পারে.......আমার যেই শর্ট মেমোরি- স্কুল-কলেজতো ভাল, ভার্সিটির কত কথাই ভুলে গেছি.......বোঝেন তাইলে প্রেজেন্ট লাইফ... বিপদে আছি আইজুদ্দিন :((

......এখানে নানা অফিস আছে ইমিগ্র্যান্টদের সাহায্য করে।
এসব সার্ভিস কি সরকারী না বেসরকারী? ট্রাম্পের বিদেশ নিষেধাজ্ঞার সময় এয়ারপোর্টে অনেক লইয়াররা ইমিগ্র্যান্টদের হেল্প করেছিল স্বত:প্রণোদিত হয়.......আর সার্চ করিনি এসব নিয়ে- তাই জানিনা লইয়াররা কি এরকম অফিসেরই ছিল না কমপ্লিটলি প্রাইভেট ছিল তারা?

আমি তো বরাবরই এসব বিষয় বুঝতে পারতাম না
জাতি এই চাপার ভার নিতে পারল না........পেটে যাদের জিলাপীর প্যাঁচ তারা নাকি নাদান! :P

এখানে নানা অফিস আছে ইমিগ্র্যান্টদের সাহায্য করে।
কারণটা হয়তো এই যে- বেশিরভাগ জায়গায় একই ধরনের বিষয়ের ওপরই কোয়েশ্চেন করেছে আপনাদের......সেইম কোশ্চেন যেগুলো হোটেল ম্যানেজার প্রথমদিনই করেছিল- আর সেগুলোর সাথে অ্যাকাষ্টমড হয়েই গিয়েছিলেন একটু একটু.......তাই বেশিরভাগই বুঝেছিলেন :-B

********************************************
মালিকিন - < মালকিন,

বিদ্বান না বলে 'বিদুষী' বললেও হত আরকি :D .........বোঝেনইতো জাতির পূর্বপুরুষরা এত কষ্ট করে সম্মানপূর্বক নারীদের জন্য শব্দের ভেদ করে গেছেন, এখন আস্তাকুঁড়ে ফেলে রাখলে তাদের আত্মারা বিমর্ষ হয়ে যাবে :P ........তবে রাষ্ট্রপতি-র কেন লিঙ্গভেদ নেই তা জানতে চেয়ে পূর্বপুরুষদের রেসিস্ট মনকে আঘাত করবেন না- তাতেও ঊনারা কষ্ট পাবেন :#)

১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ২:৫৮

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আর জাতি যখন হাইবারনেশনে থাকবে তখন লেখক কিছুই বলতে পারবে না.......জানেনইতো কাষ্টমার ইজ অলওয়েজ রাইট........সো জাতির সাত খুন মাফ, মাগার রাইটারের পান থেকে চুন খসলেই তেব্র পর্তিবাদ X(
নাহ, এটা মানতে পারলাম না। যদি পাঠকের যখন ইচ্ছে পড়ার এবং গায়েব হবার স্বাধীনতা থাকে তাহলে রাইটারেরও যখন ইচ্ছে লেখার এবং উধারও হবার মন হতেই পারে। পাঠক এবং লেখকের পারস্পারিক লেনদেনের সম্পর্কে জবাবদিহিতা একপাক্ষিক হতে পারেনা। কেননা ভালো লেখক ও লেখা এবং ভালো পাঠক ও মন্তব্য একে অপরের পরিপূরক। :)

হাহা কিসব যে বলেন, আই বিলিভ ইউ আর প্রিটি স্মার্ট! আমার ব্রেইন থেকে কিছু নিলে আপনি তো শেষ হয়ে যাবেন!
না আমার ডায়েরী লেখার অভ্যাস ছিলনা, নেই। হুমম, আসলে অনেককিছুই মনে নেই। সেদিন আমরা ঘন্টার পর ঘন্টার আলোচনা করেছি। আমার মেমোরিতে শুধু প্রধান কিছু কথা স্টোরড হয়ে আছে। শার্প ব্রেইন না ছাই, আমি যা মনে রাখতে পেরেছি তাই আপনি জানেন, যদি যা আমি মনে করতে পারিনা তাও জানতেন, তবে আর এটা মনে হতো না! তবে আপনি এখনো ইমপ্রেসড থাকতে পারেন, আমার সমস্যা নেই। :)
একটা মজার ব্যাপার শেয়ার করি। প্রতি পর্ব লেখার পরে মনে হয়, আমার আর কিছুই মনে নেই। কি লিখব? কিন্তু লিখতে বসলে হুট করে স্মৃতির স্লাইড প্রেসেন্টেশন শুরু হয়ে যায়! এভাবে করেই কত পর্ব লেখা হয়ে গেল।

আমি যতদূর জানি সরকার সেসব সার্ভিস পুরোপুরি ফ্রিতে ইমিগ্র্যান্টদের জন্যে অরগানাইজ করে। মানে সরকারী প্রতিষ্ঠান ছিল।

জাতি এই চাপার ভার নিতে পারল না........পেটে যাদের জিলাপীর প্যাঁচ তারা নাকি নাদান! :P
হাহাহা! হোয়াট ডু ইউ মিন? আপনি আমাকে জানেন না, তাই চাপা টাপা মনে হচ্ছে। তবে আমি যা লিখেছি সত্যি লিখেছি। :)

অনেক ধন্যবাদ কুইজের উত্তর দেবার চেষ্টা করায়। আমি পরে উত্তর লিখে দেব, তখন জেনে যাবেন আপনারটা ঠিক না ভুল।

আমি আসলে মালিকিনই লিখতে চেয়েছি। কেননা আমাদের হাহা হিহি দেখে মা, খালাম্মারা বিদ্রুপ করে এটাই বলত যে শহরের মালিকিনরা এলো তবে! মেয়ে না? প্রাণখুলে হাসার মতো অপরাধে বকা তো খেতেই হত। তবে তাদের বকাতেও অনেক মমতা, ভালোবাসা থাকত, তাই সেসবও মিষ্টি স্মৃতি হয়ে আছে।

বিদ্বান না বলে 'বিদুষী' বললেও হত আরকি :D .........বোঝেনইতো জাতির পূর্বপুরুষরা এত কষ্ট করে সম্মানপূর্বক নারীদের জন্য শব্দের ভেদ করে গেছেন, এখন আস্তাকুঁড়ে ফেলে রাখলে তাদের আত্মারা বিমর্ষ হয়ে যাবে :P ........
হুমম তা হতো! জাতির পূর্বপুরুষের ভূতেরা এসে আমার ঘাড় না মটকালেও, তাদের প্রতিনিধি, আলোর মশাল জ্বালিয়ে বাংলা ভাষাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া মাস্টারসাহেব কি আর ছাড় দেবেন? ;) :D
যদিও এটা ঠিক করার মতো কিছু না, হিউমারাস টোনে লেখা হয়েছিল, তবে যেহেতু অনেকদিন আপনার কথায় এডিট বাটনে হাত দেওয়া হয়না, বিদুষীই সই! :)

ধন্যবাদ সময় ব্যয় করে পাঠ এবং লম্বা মন্তব্যে।
শুভকামনা রইল।

১৪| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১২:২৯

নিওফাইট নিটোল বলেছেন: স্যরি........লাষ্টের প্যারাটার হেডিংটা হবে আমি হুট করে একদিনে ইংলিশে বিদ্বান হয়ে গিয়েছিলাম কি করে?......আপনার কুইজের উত্তর......শালার কমেন্ট এডিট করতে না পারার কষ্ট যে কী /:)

১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ৩:০২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হাহা, অন্যের ব্লগে কমেন্ট করার পরে জরুরি কিছু বাদ পরে গেলে বা বানান ভুল হলে, এটা আমারো মনে হয়। এডিট করার সুবিধা থাকলে ভালো হতো।

যাই হোক, সমস্যা নেই। ক্লিয়ার করে দেবার জন্যে ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন।

১৫| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১:০১

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: হেই নাহ্(হেনা) ভাই নাই! :D
এই সুযোগে আমি গোলটা দিয়ে দেই...:P


@"ওহ! আপনি আড্ডাঘরের সদস্যও ছিলেন! প্রচুর হিন্ট দিয়েছেন। কিন্তু আমি আসলেই আপনাকে চিনতে পারছিনা।"
-- নো প্রবলেম ম্যান!!!
নতুন নিকেই আমি ব্লগ কাঁপাবো।।

"পাঠক কখনো জানাবেনা কাউকে আগের নিকটা কি?
বীরের এক কথা, "জাস্ট ওয়েট অ্যান্ড সি!!!";)


পুনশ্চঃ গল্পের স্টাইল সুন্দর। তবে আমি ছবি পছন্দ করি, তাই বলেছিলাম। জানেন'ই তো যে কোন প্রেজেন্টেশনে ছবিকেই বেশী গুরুত্ব দেয়া হয়!!!
(আমার বেশী মন্তব্য করার বদঅভ্যাস আছে। লেখক বিরক্ত হলে জানাতে পারে!!)

১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ৩:১২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আচ্ছা নতুন নিক ও পরিচয়ে ব্লগ কাঁপান। অল দ্যা বেস্ট।

প্রেজেন্টেশন বলতে যদি স্লাইড প্রেসেন্টেশন বা ইউনিভার্সিটি, চাকরিতে করা প্রেসেন্টেশনের কথা বলেন, তবে বলব হ্যাঁ অবশ্যই ঠিক। তবে লেখালেখি সবসময় ভিজুয়াল হয়না। ছবি না ব্যবহার করেও শব্দ দিয়ে ছবি আঁকাটাই তো লেখালেখির আসল মজা! :)

না লেখিকা কখনো বিরক্ত হয়না পাঠকেরা ফিরে ফিরে এলে। তবে কিছু কিছ অপ্রিয় ব্লগারদেরকে নিজের ব্লগে বারবার দেখতে পছন্দ করিনা। আর আপনার ব্যাপারে যা হিন্ট দিচ্ছেন তাতে মনে হচ্ছে আপনার আমার মধ্যে কোনকালে কোন ঝামেলা ছিল।
কিন্তু গুড নিউজ হচ্ছে আমি আপনাকে চিনতে পারছিনা, তাই কোন রাগ নেই আপনার প্রতি। তাই যতদিন পর্যন্ত আপনার পূর্ব নিক এবং আমাদের সমস্যার ব্যাপারে না জানতে পারছি, ইউ আর মোস্ট ওয়েলকাম টু মাই ব্লগ! :)

১৬| ১৭ ই মে, ২০১৮ ভোর ৬:৩৪

সোহানী বলেছেন: তুমি এরকম চুলচেরা প্রতিটি স্টেপই নিয়ে এসেছো, যা নতুনদের অনেক কাজে লাগবে। জানি না কতদিন পর লিখছো কিন্তু যেভাবে বর্ননা দিলা তাতে তো মনে হচ্ছে এই সেদিনের ঘটনা। যাহোক দেশের প্রতি বা ফেলে আসা জীবনের প্রতি তীব্র ভালোবাসা টের পাওয়া যায়...............

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৩৩

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: সোহানী আপু! পোষ্টে পেয়ে ভীষন খুশি হলাম।

আমি আশা করি, অনেকের কাজে লাগবে, এবং অনেকে রিলেট করতে পারবে। আসলে স্বদেশীরা প্রবাস জীবনের সুন্দর অংশগুলোই বেশি জানেন, কিন্তু স্ট্র্যাগলের অংশগুলো কাছ থেকে জানেন না অনেক সময়ে। তাদেরও দোষ নেই, প্রবাস থেকে দেশের আত্মীয়দের সবসময় "ভালো আছি" বলতেই হয়। আর মিথ্যে নয়, একটা পর্যায়ে ভালো থাকা যায়। তবে সমস্যাও ফেস করতে হয় অনেক। খারাপ ভালো সবকিছু মিলিয়েই লিখে যাচ্ছি।

হাহা, না বেশ অনেক বছর আগের ঘটনা। সবকিছু মনেও নেই, তবে প্রথমদিকের কিছু কিছু বিশেষ অভিজ্ঞতা আসলেই ভোলার নয়।

হুমম, ঠিক ধরেছেন। যেকোন সমস্যায় চোখ বন্ধ করে দেশের কথা ভাবলে শান্তি লাগে। বাংলাদেশের স্মৃতিই এখনো আমাকে শক্তি দেয়।

পাঠ ও সুন্দর মন্তব্যে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
শুভ হোক প্রতিটি ক্ষন!

১৭| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:১২

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন একদম। সেই বয়সে আবেগ অনেক বেশি ছিল।

মন দিয়ে পাঠ করে এবং মন্তব্য করে কৃতজ্ঞ করেছেন।
শুভেচ্ছা রইল।


ভালোবাসা নিরন্তর।

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৩৫

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: পোষ্টে আবারো এসে প্রতিমন্তব্যটি দেখেছেন এটা জানিয়ে যাবার বিষয়টি আমার কাছে অনেক আন্তরিক লাগে। ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন।

১৮| ১৯ শে মে, ২০১৮ ভোর ৫:৪১

নির্বাক শাওন বলেছেন: সিরিজ ভাল লাগছে।
আর ইংলিশ বুঝতে পারার কারণ হিসেবে আমার বিশেষভাবে কিছু বলার নেই যদিও, তারপরও নিজের একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করি, অ্যাডেল-এর "হ্যালো" অথবা "স্কাইফল" গানগুলো যখন প্রথম দিকে শুনতাম, বুঝতাম না একবিন্দুও। তারপরও কেন শুনতাম জানিনা। ভালো লাগতো শুনতে।
আস্তে আস্তে যখন গানের কথাগুলো বুঝতে পারতাম, তখন অনেক আনন্দ হতো। অন্যরকম একটা ফিলিংস কাজ করতো।

মানুষ আসলে অভ্যাস্ত হয়ে যায়।

১৯ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪১

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: ভালো লাগছে জেনে উৎসাহিত বোধ করছি।

আপনার অভিজ্ঞতাটি আমারো হয়েছে। আমি ইংলিশ গানের মানে অনেকদিন পর্যন্ত একদমই বুঝতে পারতাম না। কানাডায় বেশ কয়েক বছর হয়ে গিয়েছিল, সবার কথা ঠিকভাবে বুঝি, বলতে পারি। মুভি, ড্রামাও বুঝতে পারি। কিন্তু গান সাবটাইটেল ছাড়া বুঝতে পারতাম না! কেননা গান, কবিতার ক্ষেত্রে যা বলা হচ্ছে অনেকসময় মানেটা লিটারেলি তাই দাড়ায় না। রুপক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর আর্টিস্ট সুরে সুরে একটু অন্যরকম ভাবেও উচ্চারণ করেন। আমার মনে হয় একটি দেশের গান, সাহিত্য বুঝতে সেই দেশের ভাষার সাথে সাথে সংস্কৃতির ব্যাপারেও কিছু আইডিয়া লাগে। একদিন হুট করে খেয়াল করি সাবটাইটেল ছাড়াই নতুন শোনা একটি গান বুঝে যাচ্ছি! কি ভীষন আনন্দ হচ্ছিল!

নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে সুন্দর মন্তব্য করার জন্যে অনেক ধন্যবাদ।
শুভকামনা!

১৯| ১৯ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আমি এ পর্বে একটি ধাঁধা দিয়েছিলাম। ধাঁধাটি সহজ ছিলনা, আমি ধারণা করেছিলাম কাছাকাছি গেলেও হয়ত এক্যুরেইট উত্তরটি অনেকেই খুঁজে পাবেন না।

আমাকে অবাক করে দিয়ে একজন একদম পারফেক্ট জবাব দিয়েছেন! অনেকেই ভীষন কাছাকাছি ছিলেন, তবে নিচের উত্তরটি আমার কাছে সবচেয়ে যথাযথ মনে হয়েছে।

আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: ঐসব অফিসাররা জানতো যে, ইংলিশ আপনার সেকেন্ড ল্যাংগুয়েজ। তাই তারা সেইভাবে বলেছে যেন আপনি বুঝতে পারেন। এইটা আমার ধারণা অবশ্য।

আসলেই তাই। ইমিগ্র্যান্টদের সাহায্যকারী অফিসারেরা নিত্যদিন এমন সব মানুষের সাথে ডিল করেন যাদের ভাষা আলাদা। তারা ভীষনই ধীরে ধীরে প্রতিটি শব্দ আলাদাভাবে উচ্চারণ করেন। যতক্ষন না পর্যন্ত আমাদের চেহারা দেখে তার মনে হচ্ছে আমরা বুঝেছি, একই কথা কয়েকভাবে কয়েকবার বোঝান! তাদের পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতার আসলেই তুলনা নেই। শব্দগুলোর মানে জানলে একসেন্ট কোন সমস্যা না অন্তত তাদের সামনে।

আমি ব্লগার হইছি! কে আন্তরিক অভিন্দন!

২০| ২০ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:৩৬

আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: ধন্যবাদ সামুপাগলা০০৭ । আমার উত্তর ঠিক হয়েছে জেনে খুব ভালো লাগলো। আসলে আমি অনেকদিন বাংলাদেশ থেকে আমেরিকান দের সাথে কাজ করেছি অনলাইনে। প্রথম দিকে এই ব্যাপারটা আমার সাথেও হয়েছিল। আর আমার ইউনিভার্সিটিতেও কিছু নর্থ আমেরিকান টিচার ছিল। তারা আমাদের বুঝার সুবিধার জন্যে সহজ একসেন্টে লেকচার দিতেন। :)

২০ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৭

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেই!
আবারো আপনাকে অভিনন্দন জানাই।

আচ্ছা আচ্ছা! হুমম, নিজের অভিজ্ঞতার থেকে অন্যেরটা বোঝার বুদ্ধি সবার থাকেনা। আপনার আছে। :)
শুভেচ্ছা অফুরান!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.