নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কি বলা যায়! কিছু কথায় নিজেকে ব্যক্ত করা সম্ভব না আমার পক্ষে। তাই একটা সিরিজে কিছু কিছু করে সবই বলছি।

সামু পাগলা০০৭

আমি অতিআবেগী, আগে ব্যাপারটা লুকানোর চেষ্টা করতাম। এখন আর করিনা।

সামু পাগলা০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৬) - কানাডিয়ান স্কুলে ভর্তির ইন্টারভিউ অভিজ্ঞতা! (কুইজ সলভড!)

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৯:১৭

পূর্বের সারসংক্ষেপ: কানাডিয়ান স্কুলের কাউন্সিলরের সাথে এপয়েন্টমেন্ট করা হলো ফোনে। আমি নানা ধরণের প্রিপারেশন নিলাম এবং বাবা মার সাথে স্কুলে গেলাম।

পূর্বের পর্বগুলোর লিংক:
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (১) - প্রথমবার প্রবাসে প্রবেশের অনুভূতি!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (২) - জীবনের গল্প শুরু হলো এইতো!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৩) - সুখে থাকতে কিলায় ভূতে! (কুইজ বিজেতা ঘোষিত)!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৪) - বাংলাদেশ ভার্সেস কানাডার দোকানপাট, এবং বেচাকেনার কালচার! (কুইজ সলভড)!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৫) - কেমন ছিল কানাডিয়ান স্কুলে ভর্তি হবার প্রস্তুতি পর্ব?!
পূর্বের সিরিজের লিংক: কানাডার স্কুলে একদিন এবং কানাডার স্কুলে একেকটি দিন

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

বাবা মা কে নিয়ে স্কুলের মেইনগেটের সামনে দাড়িয়ে আছি। হার্টবিট যেন ড্রাম বাজাচ্ছে জোরে জোরে! কাঁপা হাতে মেইন ডোরটা খুলে ভেতরে ঢুকে গেলাম। ঢুকে এদিক ওদিক তাকাতেই ডানে একটা সাইনবোর্ড দেখলাম, "মেইন অফিস!" সেদিকে যেতে যেতে পথে দেখলাম বেশ কিছু হোয়াইট মেয়ে এবং একটি ব্ল্যাক মেয়ে গল্প করতে করতে আসছে। ব্ল্যাক মেয়েটি বিশেষভাবে নজর কাড়ছে। কেননা সে ভীষনই ফ্যাশেনবল; কোকড়া কালারড চুল, হেভী মেকআপ, হাতে অনেকগুলো ব্রেসলেট! লেস দিয়ে ডিজাইন করা স্টাইলিশ শর্টস্কার্ট পরে আছে! মেয়েটি এবং তার সঙ্গী সাথীদের পোশাক আশাক, ভাবসাব দেখে আমার মনে হলো না এটা কোন বিদ্যালয়! মনে হলো হলিউড মুভির সেটে চলে এসেছি! মেয়েটি নায়িকা, এখনই ডাইরেক্টর তাকে নির্দেশ দেবে সিন শুরু করার জন্যে!
ওদের দেখে আমার টেনশন মুহূর্তেই বহুগুণে বেড়ে গেল। যে স্কুলে মেয়েরা এমন পোশাক পরে, সেখানে আমি কিভাবে!? মায়েরও দেখি চোখমুখ শুকিয়ে গেছে, এখানে নিজের মেয়েকে কিভাবে ছাড়বে সে ভাবনায়!

মা আমাকে আস্তে আস্তে বলল, "কোনদিকে তাকাবি না, মিটিং এ কি কি বলবি সেটা ভাব শুধু!"
আমিও ভাবলাম ঠিকই, এখন আশেপাশের বিষয় নিয়ে টেনশন করা যাবেনা। আগে ভর্তি তো হই, পরে এদের মধ্যে কিভাবে সার্ভাইভ করব সেটা ভাবা যাবে।

মেইন অফিসে গিয়ে রিশিপসনিস্টের সাথে বাবা কথা বলল। আমাদের এপয়েন্টমেন্ট আছে জানালে তিনি কম্পিউটারে চেক করে অপেক্ষা করতে বললেন।
রিশিপসনিস্টের ডেস্কের সামনে সোফা ছিল। আমি আর বাবা মা সেখানে বসে অপেক্ষা করছিলাম। কিছুক্ষনেই বুঝতে পেরেছি স্কুলের সিলিং, ফ্লোর, পরিবেশ, মানুষ কোনকিছুই দেশের স্কুলের মতো না। অপরিচিত, অচেনা পরিবেশে টেনশন বেড়ে যাচ্ছে, নিজের হার্টবিট শুনতে পাচ্ছি খুব ক্লিয়ারলি। নিজেকে সামলানোর জন্যে মনোযোগ অন্যদিকে নিতে হবে। তাই আমি পুরো অফিসটাতে চোখ বোলাতে লাগলাম।

ছিমছাম পরিপাটি অফিস। টাইলস দেওয়া ঘিয়ে মসৃণ, ঝা তকতকে ফ্লোরে নিজের চেহারাটি ভালোভাবেই দেখতে পাচ্ছি! সোফার দুপাশে আর্টিফিশিয়াল গাছ দেওয়া। সোফার সামনে একটি ছোট কাঁচের টেবিলে ছোট্ট ফুলদানি রাখা। অফিসটির একদম মাঝখানে রিশিপনিস্টের লম্বা ডেস্ক। ডেস্কের ওপরে ফোন, কম্পিউটার, একটা কাঁচের জারে অনেকগুলো আর্টিফিশিয়াল ফুল। ডেস্কের ডান এবং বাম পাশে দুটো গলি। বাম পাশে অনেকগুলো ছোট ছোট রুম অবস্থিত। রুমগুলোর দরজার ওপরে আঁটা নেম প্লেট দেখে বুঝলাম একটি প্রিন্সিপালের, একটি ভাইস প্রিন্সিপালের, একটি কাউন্সিলরের। পাশে আরো রুম আছে, আমার চোখ অতোদূর যেতে পারছেনা। রুমটির ডান পাশে একটি সরু গলি, সেখানে বিশাল একটি প্রিন্টার রাখা!
অফিসটির মানুষজনের যে নি:শ্বাস ফেলার সময় নেই তা ভালোই বোঝা যায়। রিশিপসনিস্ট লাস্ট পাঁচ মিনিটে পঁচিশটি ফোন এটেন্ড করে ফেলেছেন! অনেকেই হন্তদন্ত হয়ে প্রিন্টিং রুমে যাচ্ছেন, প্রিন্টকৃত পেপার নিয়ে বেড়িয়ে যাচ্ছেন এমনভাবে যেন ট্রেইন মিস হয়ে যাবে এখনি! রিশিপসনিস্টের ডেস্কের সামনে স্কুলের বেশকিছু ছাত্রছাত্রী ভীর করেছে। নিজের নিজের সমস্যা বলছে।
রিশিপসনিস্ট নিজের মতো উত্তর দেবার চেষ্টা করছেন, কখনো কখনো প্রিন্ট নিতে আসা টিচারদেরকে থামিয়ে জিজ্ঞেস করছেন। ভীষনই শান্ত ছিমছাম ডেকোরেশনের অফিসটি আসলে পুরো স্কুলের সকল সমস্যা মাথায় নিয়ে দাড়িয়ে থাকে!

এসব দেখতে দেখতে একজন শার্ট প্যান্ট পরিহিতা হোয়াইট, চিকন চাকন ফেস কাটিং এর নারী আমাদের সামনে এসে আমার নাম জিজ্ঞেস করলেন। নাম বলার পরে, তিনি জানালেন তার সাথেই আমাদের এপয়েন্টমেন্ট!

তিনি কি ভীষন মিষ্টি, অমায়িক একটা হাসি যে দিচ্ছেন প্রতিটি কথায়! আমার অনেকখানি চিন্তা শুধুমাত্র তার হাসিতে কমে গেল! তার গলার স্বরটা এত নরম যে স্পর্শ করার মতো কিছু হলে তুলার মতো মনে হতো! তখনো পর্যন্ত আমার জীবনে দেখা সবচেয়ে ইমপ্রেসিভ ব্যক্তিত্ব তিনি!
তিনি আমাদেরকে, "ফলো মি!" বলে একটা রুমে নিয়ে গেলেন।
সেই রুমটি ছোটখাটো বোর্ড রুমের মতো। মাঝখানে ডিজাইন করা লম্বা টেবিল, এবং চারপাশ দিয়ে লম্বা সব রোলিং চেয়ার। আমাদেরকে বসতে বলে নিজে বসলেন। তার হাতে পেন, ফাইল। আমি মনে মনে ভাবছি প্রশ্নপত্র ওরমধ্যেই আছে নিশ্চই! একেবারেই অফিস ইন্টারভিউয়ের মতো সেটিং! হে আল্লাহ! আমাকে সাহায্য করো!

উনি আমাকে আবারো নামটি জিজ্ঞেস করলেন, ঠিকমতো বলছেন কিনা জানতে চাইলেন। আমি একটু হেসে ইয়েস বললাম। তারপরে আমার বাবা মায়ের সাথে কথা বলা শুরু করলেন। কানাডায় কতদিন হলো আছি, কেমন লাগছে কানাডা, আমরা কেন এলাম কানাডায় ইত্যাদি ইত্যাদি। ওনার কথার কিছু কিছু জিনিস বুঝতে না পারলেও খেয়াল করে শুনে আমি মোটামুটি ধরতে পারছিলাম। হয়ত কমন সব প্রশ্ন করছিলেন বলে বা ওনার আস্তে আস্তে নরম স্বরে কথা বলার ভঙ্গিমায়!

বাবা সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাচ্ছে, আমি আর মা চুপচাপ বসে আছি। এসব ভদ্রতাপূর্ণ কথা শেষ করে, তিনি বললেন যে, "আপনারা ভর্তির জন্যেই এসেছেন বোধ করি?" বাবা তখন সাথে সাথে হ্যাঁ বলল।
উনি বললেন, "এক্সিলেন্ট! আমরা ওকে স্টুডেন্ট হিসেবে পেয়ে খুশি হবো!"
আমি অবাক! বলে কি! পরীক্ষা হলো না কিছুনা, কেমনে কি? কিছু ভুল বুঝেছি নিশ্চই!
বাবা তাড়াতাড়ি করে মায়ের কাছ থেকে আমার দেশের স্কুলের সার্টিফিকেট ওনার হাতে দিলেন। উনি সেগুলোতে আলতো করে চোখ বোলালেন। যেন ওনার দরকারই নেই, আমরা কষ্ট করে এনেছি বলে দেখলেন ব্যাস!
তারপরে নিজের ফাইল থেকে একটা কাগজ বের করলেন, আমি ভয় পেয়ে গেলাম। টেস্ট! মনে মনে প্রস্তুত হচ্ছি।
খেয়াল করে দেখি, ব্ল্যাংক পেপার! সেই পেপার নিয়ে উনি আটটি সাবজেক্টের নাম লিখলেন। আমি মনে মনে ভাবছি এইসব বিষয়ে পরীক্ষা নেবে!?
উনি বললেন, আমাদের বছরে দুটো সেমিস্টারে চারটি করে সাবজেক্ট নিতে হয়। আমার মনে হয় প্রথম সেমিস্টারে এই চারটি সাবজেক্ট ওর জন্যে ভালো হবে। সাবজেক্টগুলো হচ্ছে: সমাজবিজ্ঞান যাতে প্রচুর ইংলিশ থাকে, আরেকটি ইংলিশ, জিম ক্লাস এবং ম্যাথ। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, "ডু ইউ লাইক দিস প্ল্যান?"
আমি একটু নার্ভাসভাবে বললাম, হ্যাঁ!
বাবা আমার মনের কথা বুঝতে পেরে বলল, "ম্যাম, ওর জন্যে এখনি সোশাল স্টাডিসটা কঠিন হয়ে যাবে। এখন সাইন্স রিলেটেড কিছু হলে ভালো হতো। দেশের পড়ার সাথে মিল পেত। ইংলিশ একটু ইমপ্রুভ করলে পরের সেমিস্টারে নিতে পারে সোশাল স্টাডিস!"
তিনি তখন একটু চিন্তা করে বললেন, "আমার মনে হয় ওর জন্যে এটাই ভালো হবে। ইংলিশ শেখাটা তো জরুরি। ইংলিশের পাশাপাশি সোশাল স্টাডিসেও ইংলিশ চর্চা করতে করতে ও সহজে ধরে ফেলতে পারবে ভাষাটি! একটু স্ট্র্যাগল করতে হলেও, যতো তাড়াতাড়ি ও শিখতে পারবে সামনে ততোই ভালো করবে! তারপরেও আপনারা চাইলে আমি সোশাল স্টাডিসের বদলে সাইন্স দিতে পারি, সমস্যা নেই।"
বাবা কি করবে বুঝতে পারছেনা, মা বাবাকে কি যেন ইশারা করল। বাবা সাথে সাথে বলল, "ইউ নো বেটার! আমাদের সমস্যা নেই!"
উনি তখন আন্তরিকভাবে হাসলেন। আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, "ইউ আর নাও এ পার্ট অফ আওয়ার ফ্যামিলি! ওয়েলকাম টু আওয়ার স্কুল!
আমি তখনো বিশ্বাস করতে পারছিনা। এত সহজে আমি ভর্তি হয়ে গেলাম! স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে গত করাতে নানা স্বপ্ন দুঃস্বপ্ন দেখেছি। বাস্তব অভিজ্ঞতাটি আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর স্বপ্নটার চেয়েও সুন্দরভাবে এগোচ্ছে! এত ওয়েলকামিং মানুষ যে স্কুলে আছে, সেখানে আমি পড়তে পারব! বিশ্বাসই হয়না!

মা ইংলিশে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না, এজন্যে বাইরে গেলে চুপচাপ বসে থাকে। তবুও সেদিন ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংলিশে একটা কথা জিজ্ঞেস করল কাউন্সিলরকে। আমার পরনে থাকা সালোয়ার কামিজটা দেখিয়ে জিজ্ঞেস করল আমি অমন পোশাক পরে ক্লাস করতে আসতে পারব কিনা?
কাউন্সলির হেসে কোন ব্যাপারই না এমন ভাবে হাত নেরে বললেন, "এবসোলুটলি! নো প্রবলেম! আমাদের স্কুল একটি ইন্ট্যারন্যাশনাল স্কুল! এখানে কোন ইউনিফর্ম নেই। প্রায় তিরিশটিরও বেশি দেশের ছাত্রছাত্রী এখানে পড়ে। প্রতিটি স্টুডেন্টেরই নিজস্ব কালচারে চলার স্বাধীনতা আছে। ওর কোন অসুবিধাই হবেনা।"
মা এবং আমি তখন এমনভাবে হাসলাম যেন আমাদের মাথার ওপর থেকে একটা আস্ত পাহাড় নেমে এসেছে! যেদিন থেকে কানাডায় আসব জেনেছি, সেদিন থেকে পোশাকের ব্যাপারে খুবই ভয় ছিল। আমার ছোটমনের ভয়কে কানাডিয়ান মহিলা বিশাল মনে তাড়িয়ে দিলেন!

তারপরে উনি আমার দিকে তাকিয়ে, প্রাণবন্ত হাসি দিয়ে, ফট করে চেয়ার থেকে উঠে বললেন, "হেই লেটস গো! তোমাকে পুরো স্কুলটি ঘুরিয়ে নিয়ে আসি! জরুরি কিছু মানুষের সাথে পরিচয় করাই!"
তারপরে বাবা মার দিকে তাকিয়ে বললেন, "আপনারাও জয়েন করতে চান!?"
আমার বাবা বলে ফেলল, "না, ঠিক আছে, আপনি ওকে নিয়ে যান, আমরা এখানে ওয়েট করি?"
উনি বললেন, "নো প্রবলেম!"
তারপরে আমাকে ফলো করতে বলে সামনে হাঁটা শুরু করলেন। আমার মা তখন পারলে আমার বাবাকে গিলে খায়। মায়ের চোখ বলছে, একা একা ওকে কেন ছাড়তে গেলে? আমিও বাবার দিকে তাকিয়ে একই লুক দিলাম। বাবা হুট করে বলা কথাটার রেজাল্ট বুঝতে পেরে নিজেও থতমত খেয়ে গেল। বিদেশী মানুষটার সামনে যদি তারা পাশে থাকত তবে আমি সাহস পেতাম। এতক্ষন তো বাবাই আমার হয়ে সব কথা বলছিল, আমি ইয়েস নো ছাড়া তেমন কিছু বলিনি। উফফ! এক চিন্তা যেতে না যেতেই আরেক চিন্তার মধ্যে পরলাম। জীবনে প্রথম এক বিদেশীর সামনে একদম একা হয়ে গেলাম! এখন কিভাবে সামলাবো? কাউন্সিলর তো বকবক করেই যায়! একটার পর একটা প্রশ্ন করবে। বুঝে উত্তর দিতে পারব তো? কেমনই বা হবে আমার স্কুলটি; এর অলিগলি, ক্লাসরুম, ক্যাফেটেরিয়া!? কার কার সাথে পরিচয় হবে আজ?

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আজকে এখানে শেষ। পরের পর্বে আপনাদেরকে বিদেশ বিভুঁইয়ে আমার সবচেয়ে আপন জায়গা হয়ে ওঠা স্কুলটি ঘুরে ঘুরে দেখাব!

পাঠকের জন্যে কুইজ: এত সহজে ওনারা কেন আমাকে স্কুলে ভর্তি নিয়ে নিলেন? যিনি সবচেয়ে গুছিয়ে সঠিক উত্তরটি দিতে পারবেন তিনিই জয়ী হবেন।
কৌতুহলী পাঠক, ৩০ এবং ৩১ নাম্বার মন্তব্য চেক করে নেবেন কুইজের উত্তর জানতে হলে।

মন্তব্য ৬৭ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৬৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৯:৩০

লাবণ্য ২ বলেছেন: আগে প্রথম হই তারপর পড়ি আপু।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৯:৩২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: লাবণ্য আপু! সো সুইট অফ ইউ! প্রথম হয়েছেন, অভিনন্দন! :)
ঠিক আছে, পড়ে ফেলুন জলদি করে!

২| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৯:৩৩

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: বরাবরের মতই সাবলীল বর্ননার লেখাটিতে প্লাস।
আপনার প্রশ্নের উত্তরটি আমি জানি কিন্তু বলব না, কারন উত্তর দিতে পারলে কোন পুরষ্কারের ব্যাবস্থা রাখেননি ;)

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৯:৩৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: পাঠ, মন্তব্য এবং প্লাসে বরাবরের মতোই উৎসাহিত করলেন।

আরেহ! সঠিক উত্তর দিয়ে, সবাইকে পেছনে ফেলে বুদ্ধি পরীক্ষায় জিতে, গৌরব অনুভব করার চেয়ে বড় পুরষ্কার আর কি হতে পারে? ;)

৩| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৯:৩৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
দারুণ লাগলো।

যকযকে তকতকে বর্ণনা।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৯:৪২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আপনাকে পোষ্টে পেয়ে অনেক ভালো লাগল।

বেশ ইউনিক উপমায় উৎসাহ দিলেন! আন্তরিক ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা অজস্র!

৪| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৯:৪০

শামচুল হক বলেছেন: একটানে সব পড়ে ফেললাম। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৯:৪৪

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হুমম সময়মতো এর পরের পর্বও এসে যাবে। পাশে থাকবেন তখনো আশা করি।

অনেক ধন্যবাদ উৎসাহ দিয়ে যাবার জন্যে।
শুভকামনা জানবেন!

৫| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৯:৫০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা মজার। বিদেশে সবাইকেই প্রথম প্রথম কমবেশী এসবের মধ্যে দিয়েই যেতে হয়।
দেখি, আস্তে আস্তে সবগুলো পর্বই পড়ে ফেলবো।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:০২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: সেটাই। সবার গল্পের ফ্রেমটা একই, শুধু কিছু কিছু ছবি ইউনিক হয়। সেসব ছবিই একজনকে সবার থেকে আলাদা করে এবং তার জীবনকে ডিফাইন করে।

অবশ্যই, সময় করে পূর্বের পর্বগুলোও পড়ে ফেলুন। ভালো লাগবে আশা করি।

পাঠ ও মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা রইল।
ভালো থাকুন অনেক।

৬| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:০৬

লাবণ্য ২ বলেছেন: এত সুন্দর সাবলীল লেখা ক্যামনে লেখেন আপু।অনেক ভালো লাগা।পরের পর্বের অপেক্ষায়।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:১২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: কেমন করে লিখি সেটা যে কিভাবে বলি! ট্যালেন্টেড আর কি! হাহাহা, জাস্ট কিডিং! :)

আপনার প্রশংসা ও ভালোলাগার কারণে উৎসাহ পেলাম পরের পর্ব লেখার। সময়মতো পরের পর্বও এসে যাবে। পাশে থাকুন।
সবসবময় ভালো থাকবেন।

৭| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:১২

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: পাঠককে ভীষণ টেনশনে রেখে এই সিরিজটা লিখছো তুমি। এই পর্বেও আমার হার্ট বিট মনে হচ্ছে কিছুটা বেড়ে গেছে। বিশেষ করে বাবা মা ছাড়া একা ঐ কানাডিয়ান মহিলার সাথে স্কুল ঘুরে দেখতে এবং স্কুলের ইম্পরট্যান্ট মানুষদের সাথে পরিচিত হতে তোমার যাওয়ার ব্যাপারটা আমাকে টেনশনেই রেখে দিল। যদিও বুঝতে পারছি যে কোন সমস্যা হয়নি। তবু একটু অস্বস্তি থেকেই গেল।

তোমার কুইজের উত্তরে জানাচ্ছি যে, ওরা আমার মতো ভদ্রলোক বলেই তোমাকে এত সহজে স্কুলে ভর্তি করে নিয়েছে। ভদ্রলোকরা দুনিয়ার সব দেশেই আমার মতো। হে হে হে। =p~

ধন্যবাদ সামু পাগলা০০৭।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:১৭

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: যাক, আপনার মন্তব্যে মনে হচ্ছে উদ্দেশ্যে সফল হলাম! হাহা। আসলে আমার কানাডিয়ান জীবন এমনই ছিল। প্রতিদিনই নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে এসে দাড়াত। তাই পর্বগুলোও সেভাবেই এগোচ্ছে, এগোবে! :)

আপনার কুইজের উত্তরটি সবচেয়ে সঠিক হোক না হোক, সবচেয়ে মজার ক্যাটাগরিতে অলরেডি পড়ে গিয়েছে। অভিনন্দন! :)

আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ হেনাভাই। আপনার মতো লেখকের কাছ থেকে যেকোন মন্তব্য যে কি ভীষন উৎসাহ দেয়!
ভালোবাসার মানুষগুলোকে নিয়ে অনেক ভালো থাকুন।

৮| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:১৪

যুক্তি না নিলে যুক্তি দাও বলেছেন: সুন্দর হাতের সু্ন্দর, ঝরঝরে লেখা মুগ্ধ হলাম।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:১৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হাত সুন্দর সেটা কিভাবে বুঝলেন? হাহা, কিডিং!

আন্তরিক ধন্যবাদ মন্তব্যে।
ভীষন ভালো থাকুন।

৯| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার এই ধারাবিহিক পোষ্ট টি আমি খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ি।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৪৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: জেনে খুশি হলাম যে সিরিজটি আপনার আগ্রহ ধরে রেখেছে। আশা করি সামনেও পাশে থাকবেন।

অনেক ধন্যবাদ পাঠ ও মন্তব্যে।
আপনজনদের নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকুন।

১০| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৩৯

আবু ছােলহ বলেছেন:



পাগলা সোনামনি,

এগুলো তো (কানাডিয়ান স্কুল বিষয়ক পর্বগুলো) আগে পড়েছি। আর কত! কাহাতক আর লেখার যাদুতে ভুলিয়ে ভালিয়ে রাখার চেষ্টা! (দু:খিত, এই পোস্ট কিন্তু পড়িনি। তবে সময় করে পড়ার ইচ্ছে রয়েছে।) আগের পর্বগুলো অসাধারন ছিল। আশা করি এটাও তাই হবে।

অনেক শুভকামনা।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:০০

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: প্রথমেই আন্তরিক ধন্যবাদ আগের সিরিজটি পড়ার জন্যে।

আর আমি কোন ভুলিয়ে ভালিয়ে রাখার চেষ্টা করছিনা ভাই। দুটো সিরিজ ভীষনই আলাদা। সেই সিরিজটিতে এই পর্বের ডিটেইলগুলো একদমই ছিলনা। ওখানে কয়েক বাক্যে অগোছালো ভাবে লিখেছিলাম। আর এখানে সেই মুহূর্তে আমার মনে কি চলছিল, আমার বাবা মার মনে কি চলছিল সহ আশেপাশের পরিবেশ, মানুষের কথাবার্তা সবকিছু নিয়ে বিস্তারে লেখা হচ্ছে। দুটো সিরিজ আলাদা ভাবে এগোচ্ছে। আর পরের পর্বও স্কুলেই থাকবে, তবে এরপরে আবারো স্কুলের বাইরের কাহিনীতে ফোকাস করা হবে। প্রথম ৪ টি পর্বও স্কুলের বাইরেই ছিল। এই সিরিজটি স্কুল বেসড না। আপনি পড়ে মন্তব্য করলে আগেই বুঝতে পারছেন আমি কি বলছি।

আবারো ধন্যবাদ, এই সিরিজেরও আগের পর্বগুলো পড়েছেন মনে হচ্ছে। আশা করছি, সময় করে এই পর্বটিও পড়ে ফেলবেন। আর আগে যা পড়েছিলেন তার সাথে পুনরাবৃত্তি পাবেন না খুব একটা। :)

অনেক শুভকামনা আপনার জন্যেও।

১১| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৪৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম! বুঝেছি, বেশ বুঝেছি!
সখি রোজায় কাহিল হয়ে গেছে!!! :P
নইলে গত পর্বও ৫ এইবারও ৫!!!!!!!!!!! কেম্নে কি??? :-/

পর্ব-৬ এ দারুন রিলিফ পেলাম। গত পর্বের টেনশনতো বড় মনের মহিলা এক ফুতেই উড়িয়ে দিলেন!
আহা আমাদের বিদ্যালয় গুলো কোনো জনমে কি এমন হবে?
শিক্ষার্থীরা ভয়ের বদলে আনন্দে স্কুলে যেতে চাইবে! জ্ঞানার্জন হবে দারুন উপভোগ্য এক সাধনা!

অন্তহীন শুভকামনা


০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:০৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হাহা, শুধু সখিই না, দেশের মানুষও রোজায় কাহিল হয়ে গিয়েছে। নাহলে এতক্ষনে কেউ খেয়াল করল না কি করে? ;) সখা তো সারাবছরই সাধনা করে, তাই তাকে রোজার ক্লান্তি ছুঁতে পারেনি। :)

অনেককক ধন্যবাদ ভুলটি ধরিয়ে দেবার জন্যে। ঠিক করে দিয়েছি।

আসলেই, ওনার মতো মানুষ হয়না। উনি না থাকলে আমি স্কুলটিতে সার্ভাইভ করতে পারতাম না। যেকোন বিপদে আপদে পাশে পেয়েছি তাকে।

অবশ্যই হবে। কানাডার শিক্ষাব্যবস্থাও একসময়ে আমাদের দেশের মতো ছিল। বাচ্চাদেরকে মারধোর করা হতো স্কুলে। আস্তে আস্তে ওরা আজকের জায়গায় এসেছে। আমরাও একদিন উন্নত হয়ে সে জায়গায় চলে যাব।

ভীষন ভালো থাকবেন সখা আমার!

১২| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৫২

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: ও হ্যা সামুপাগলা এবার আপনাকে একটা প্রশ্ন করি।আমি যে আপনার প্রশ্নের উত্তর জানলাম এইটা ক্যামনে?
উত্তর দিতে পারলে নিশ্চিত পুরষ্কার :D
হেনা ভাইয়ের মন্তব্য দারুন মজার।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:০৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হাহা, আপনি জানলেন আড্ডাঘরে থেকে থেকে। সব দুষ্টু পাগলদের সাথে থেকে আপনার মাথায় ইনস্ট্যান্ট দুষ্টিমি বুদ্ধি এসে যায়। ;)
স্বাভাবিক মানুষের মতো সোজা পথে না গিয়ে পাগল হয়ে ব্যাকা পথে যান। এখানে যেমন কুইজটির উত্তর না দিয়ে আমাকেই কুইজে ফেলে দিলেন!
ঠিক বলেছি না? দিন পুরষ্কার দিন! :D

১৩| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৫৮

গড়ল বলেছেন: ভর্তি করে নিল কারণ ওরা ভর্তি করতে বাধ্য, স্কুল শিক্ষা সবার জন্য বাধ্যতা মূলক তাই কেউ শিক্ষা নিতে চাইলে ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ নাই।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:১২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পাঠ এবং মন্তব্যে কুইজটির উত্তর দিতে চেষ্টা করার জন্যে। এটা ঠিক না ভুল উত্তর তা জানতে একটু অপেক্ষা করতে হবে। অন্যান্য পাঠক ট্রাই করলে আমি উত্তরটি দিয়ে দেব। :)

শুভকামনা!

১৪| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:০৮

আবু ছােলহ বলেছেন:



নিছক মজা করার জন্যই 'ভুলিয়ে ভালিয়ে রাখার' কথা বলেছি। অনেক দিনের পুরনো বন্ধু তো তাই একটু খোঁচা দেয়ার চেষ্টা আর কি। যদিও বন্ধু বন্ধুকে অনেক সময় চিনতে না পারার ঘটনা ঘটতেই পারে।

যাক, পুরনো বন্ধুর জন্য অাবারও শুভকামনা।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:১৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আপনার পরের প্রশংসামূলক আন্তরিক কথাগুলো পড়েই বুঝেছিলাম যে মজা করছেন। কিন্তু অন্য যারা মন্তব্য পড়ে ভাবতেন যে দুটো সিরিজে একই জিনিস লিখে যাচ্ছি তাদের জন্যে ক্লিয়ার করে বলতে হতো। বন্ধু হয়ে বন্ধুর পয়েন্ট অফ ভিউ এবং অবস্থান বুঝবেন আশা করি।

বন্ধুর জন্যে সকল শুভকামনা আমার তরফ থেকেও।

১৫| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:১২

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: যাহ্! লেখা পড়তে গিয়ে মিস করে ফেললাম। তাহলে আমার ছড়ার কি হবে??:(
ওহে পাগলু?
তোমার বিদ্রোহী সখার সাথে আমার লড়াই হবে!!X(

@"তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৫) - কানাডিয়ান স্কুলে ভর্তির ইন্টারভিউ অভিজ্ঞতা!"

ভর্তি হবার টেনশনে
পেয়েছ কি ভয়?
আবার কেন পাঁচ হে? :(
পর্ব হবে ছয়!!!;)


বি. দ্রঃ আমি সব লেখকদের থেকে স্পেশাল সুবিধা ভোগ করি(কয়েকটি কমেন্ট করি;))

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:২৩

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হাহা মজার কমেন্ট এজ উইজাল!

দয়া করে করবেন না লড়াই
সখাকে বলবেন না যা তা
লেট হয়েছেন, তাতে ভুল আপনারই
দোষ তাকে দেবেন, হয় কি তা? ;)

ভুলটি ঠিক করে দেওয়া হয়েছে তাতো দেখতেই পাচ্ছেন আশা করি। ধন্যবাদ অনেক।
শুভেচ্ছা অজস্র!

১৬| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৩৪

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আবারো জমজমাট একটি পর্ব, যতই পড়ছি ততই আগ্রহ বাড়ছে।

আপনার কুইজের এবারের উওরটি মনে হয় সঠিক হলেও হতে পারে।

উওর: ওটা একটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল বিভিন্ন দেশ থেকে আসা বিভিন্ন ভাষাভাষী ছেলেমেয়েদের জন্যই স্কুলটি তাই ওরা আপনাকে সহজেই ভর্তি করে নিলো।

লাইক।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৪০

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেই তারেক_মাহমুদ!

বাহ! প্রথম লাইনেই সিরিজটি সামনে এগোনোর উৎসাহ পেয়ে গেলাম। আশা করি আগ্রহ ধরে রাখতে পারবে পরের পর্বগুলোতেও।

অনেক ধন্যবাদ কুইজের উত্তর দেবার চেষ্টা করায়। বেশ কিছু পাঠক ট্রাই করলে আমি সঠিক উত্তরটি দিয়ে দেব। তখন জেনে যাবেন আপনার উত্তরটি ঠিক না ভুল! :)

পাঠ, মন্তব্য এবং লাইকের জন্যে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
শুভকামনা সকল!

১৭| ০৬ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:০৪

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: কি ব্যাপার লেখক?
আপনি বি. দ্র: সম্পর্কে কিছু বললেন না কেন??X(


পর্ব ৫;
লেখক? আপনার আগের পর্বটি(৫) মিস হয়েছিল?)!
ওটা পড়লাম! সুন্দর বর্ণনা! আমি বলবো, এটা আপনার নিজস্ব স্টাইল! (ছবি না দিয়েও আপনি হিরো);)

#"স্কুলটির সামনে হালকা স্রোতের মতো করে কানাডিয়ান পতাকা উড়ছিল। দেখেই মনটা ধক করে উঠল! এই স্কুলটা যদি আমার হয়েও যায়, দেশটা বিদেশই থাকবে! এখানে লাল সবুজের পতাকায় স্যালুট করে প্রতিটি দিন শুরু হবেনা। কিভাবে এই স্কুলটিকে আপন ভাবব আমি?"
-- লেখাটি পড়ে আমার বুকটাই তো ধক্ করে উঠলো!!
আহা! স্বদেশের প্রতি কি টান??
স্যালুট ভাই!!


পর্ব ৬;
সুন্দর বর্ণনা!
আচ্ছা? এটা কি আগে ডায়রিতে লেখা ছিল??
সব পর্বেই লেখক একাই তার আব্বু-আম্মুর সাথে বাইরে যায়! এতে বোঝা যায় সে একাই ১০০.;)

"ইউ আর নাও এ পার্ট অফ আওয়ার ফ্যামিলি! ওয়েলকাম টু আওয়ার স্কুল!"
-- সবচেয়ে পছন্দের লাইন!


পুনশ্চঃ
(এই ব্লগের মানুষগুলো আমার অদেখা বটে, তবে অনেক অনেক আপন। আর তাই ছেলে বুড়ো সবাই আমার কাছে তুমি তুমি, সে ছোট্ট ভাইয়াই হোক বা বড়ই। ভাইয়া বা আপুদেরকে কেউ আপনি বলে নাকি!)

ডায়লগটা শায়মা আপার,
তবে আমি তার দুই ধাপ উপরে!:P
আমি আপনি/তুমি/তুই সব মোডেই চলি!!:P
আমার কাছে আপনি, প্রথম দুটি মোডে থাকবেন!



সঠিক বানান কোনটি: মুড/মোড, হ্যাঙ/হ্যাং
বি. দ্রঃ ইহা একটি মাথা হ্যাং করা মন্তব্য!

০৬ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৫

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: লেখক, হিরো, ভাই! একটা মেয়ের জন্যে সব রকম পুরুষবাচক শব্দ ব্যবহার করে ফেললেন! হাহা।

ওরে মা! বি. দ্র: নিয়েও বলতে হবে! আচ্ছা বলছি।

বি. দ্রঃ আমি সব লেখকদের থেকে স্পেশাল সুবিধা ভোগ করি(কয়েকটি কমেন্ট করি;))
আপনি কি আমার এখানেও কয়েকটি কমেন্ট করার সুবিধা ভোগ করতে চাইছেন? চাইলে ঠিক আছে, পোষ্ট বিষয়ক কথায় কেউ ২৫ বার আমার ব্লগবাড়িতে বেড়াতে আসলেও আমার সমস্যা নেই। :)

ওটা পড়লাম! সুন্দর বর্ণনা! আমি বলবো, এটা আপনার নিজস্ব স্টাইল! (ছবি না দিয়েও আপনি হিরো);)
একদম ঠিক ধরেছেন। এটাই আমার স্টাইল। কারো ভালো লাগবে, কারো লাগবে না। বাট দিস ইজ মি এন্ড থ্যাংকস ফর লাইকিং মাই ওয়ে অফ এক্সপ্রেসিং মি! :)

আহা! স্বদেশের প্রতি কি টান?? স্যালুট ভাই!!
স্যালুট দেবার কিছু নেই। দেশের জন্যে তো এখনো কিছু করতে পারিনি। আমার অনুভব করা টানে দেশের কোন উন্নতি হচ্ছে না। দোয়া করবেন যেন সত্যিই দেশের ভালো হয় এমনকিছু কোনদিন করতে পারি।

আচ্ছা? এটা কি আগে ডায়রিতে লেখা ছিল?? সব পর্বেই লেখক একাই তার আব্বু-আম্মুর সাথে বাইরে যায়! এতে বোঝা যায় সে একাই ১০০.;)
নাহ, ছিল না। ডায়েরিতে লেখা থাকলে বোধহয় ব্লগে লিখতাম না। বোরড হয়ে যেতাম একই জিনিস আবারো লিখতে গিয়ে। এখন বেশ মজা করে স্মৃতিগুলোকে উল্টেপাল্টে দেখে দেখে লিখি!
হাহা। আপনি মজার বিষয়টি ভালোই নোটিশ করেছেন। আমি এমনিও বাবা মায়ের অনেক আদরের, তারা দেশেও আমাকে একা ছাড়তে চাইতেন না। তবুও বন্ধু, আত্মীয় পাশে থাকলে ছাড়তেন। কিন্তু কানাডায় গিয়ে তো আপন কেউ ছিলনা। আমরা তিনজনই ছিলাম শুধু তিনজনের জন্যে। তাই তাদের অফিসের কাজেও আমি যেতাম আবার আমার স্কুলের কাজে তাদের তো যেতেই হতো! পরে আস্তে আস্তে ঘটনা পরিবর্তিত হতে থাকে। সেসব আসবে সামনের পর্বগুলোতে! :)


-- সবচেয়ে পছন্দের লাইন!

আমারো। ওনার আন্তরিকতার তুলনা হয়না।

(এই ব্লগের মানুষগুলো আমার অদেখা বটে, তবে অনেক অনেক আপন। আর তাই ছেলে বুড়ো সবাই আমার কাছে তুমি তুমি, সে ছোট্ট ভাইয়াই হোক বা বড়ই। ভাইয়া বা আপুদেরকে কেউ আপনি বলে নাকি!)
শায়মা আপু কত্ত সুইট করে কথা বলেন! আসলেই ওনার মতো গুণী ও আন্তরিক ব্লগার আর হয়না!

হুমম, থাকলাম দুটো মোডে। সমস্যা নেই।
আর আমার কাছে আপনি আপাতত আপনি মোডেই থাকবেন। আমার মনে হয় আপনি ডাকে ভালোবাসা, আন্তরিকতা কোনকিছুই কমেনা। একেক সম্পর্কের একেক রং! ডাক যেমনই থাক বন্ডিং মজবুত হলেই হলো!

মুড বলতে তো মনের অবস্থা বোঝায়, আর মোড মানে হচ্ছে কোনকিছুর ধরণ। আপনার অর্থে মোড হবে।
আর হ্যাং সঠিক আমি যতোদূর জানি।

না আমার মাথা তো হ্যাং হয়নি আপনার মন্তব্যে। আপনি শুধু বেশি বেশি বলেন। ;)

শুভেচ্ছা।

১৮| ০৬ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:২৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
এই রকম গুছিয়ে সুন্দর করে বিদেশে থাকার অভিজ্ঞতা কেবল আমার আপুমণিই লিখতে পারে। খুবই চমৎকার। মন জুড়িয়ে গেল।

০৬ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৭

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: সাজ্জাদ ভাইয়া! হ্যাঁ সব ভাইয়ের কাছে তার আমুনিমণিই বেস্ট হয়! হাহা।

থ্যাংকস আ লট! এত এত উৎসাহ পেলাম আপনার কথায়।
ভালো থাকবেন ভীষন।

১৯| ০৬ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: জেনে খুশি হলাম যে সিরিজটি আপনার আগ্রহ ধরে রেখেছে। আশা করি সামনেও পাশে থাকবেন।

অনেক ধন্যবাদ পাঠ ও মন্তব্যে।
আপনজনদের নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকুন।


আছি। থাকব।

০৬ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৮

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আবারো ঘুরে আসার জন্যে ধন্যবাদ।
ইনশাল্লাহ! সবসময় এমনই সুখে থাকুন।

২০| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার অভিজ্ঞতার বর্ণনা !!
অনেক অনেক ভালো লেগেছে।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: মনিরা আপু! পোষ্টে পেয়ে ভালো লাগল।

অনেক উৎসাহিত হলাম মন্তব্যে।
ভীষন ভালো থাকুন।

২১| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৭

হাসান রাজু বলেছেন: এত সহজে ওনারা কেন আমাকে স্কুলে ভর্তি নিয়ে নিলেন?
সম্ভবত বারি থেকে সবচেয়ে কাছের স্কুল ছিল এটি । এবং সেজন্য তারা ভর্তি করতে বাধ্য।
আবারো অসাধারণ উপস্থাপনায় একটা সুন্দর পোস্ট।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেই হাসান রাজু!

অনেক ধন্যবাদ কুইজের উত্তর দিতে চেষ্টা করায়। উত্তরটি ঠিক না ভুল সেটা জানতে একটু অপেক্ষা করতে হবে।

অনেক ধন্যবাদ। মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম।
শুভেচ্ছা।

২২| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

হাসান রাজু বলেছেন: বারি -< বাড়ি

০৬ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: ঠিক করে দেবার জন্যে ধন্যবাদ। :)

২৩| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১২

পবন সরকার বলেছেন: আপনার এই সিরিজটার জন্য অপেক্ষায় থাকি। খুব ভালো লাগল।

০৬ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: অনেক ভালো লাগল জেনে কেউ আমার লেখা সিরিজের অপেক্ষায় থাকে! সিরিজটি কন্টিনিউ করার উৎসাহ পেলাম। আন্তরিক ধন্যবাদ।
শুভকামনা!

২৪| ০৬ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৫

নিওফাইট নিটোল বলেছেন: অবশেষে দিনরাত্রি সিরিজটি একটি সার্থক ডেইলি সোপে রূপান্তরিত হয়েছে.......আগের পর্বের অসমাপ্তি পাঠককুলকে যেভাবে উত্তেজিত করে রাখছে তাতে অচিরেই এদেশে ইয়াবার ব্যবসায় ভাটা পড়তে যাচ্ছে- নব্য এই নেশার ব্যবসায়ীকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট দিয়ে খুঁজে বের করার চেষ্টায় মগ্ন.....র‍্যাবও সম্মুখযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত আছে =p~

নয়া সিরিজটার নাম নিয়ে প্রথমে আমার আপত্তি থাকার কারণ হল- নামটা বেশ বড় আর ক্লিশে লাগছিল......আর এখন মনে হচ্ছে ডেইলি সোপ হিসেবে মন্দ না যদি মাঝের "এক" শব্দটা না থাকে.......অন্তত আমি হলে তাই-ই করতাম :D

স্বরটা এত নরম যে স্পর্শ করার মতো কিছু হলে তুলার মতো মনে হতো!
হাহ........এ কেমন তুলা যে শুধু হাত দিয়েই স্পর্শ করতে মন চায়? আমি হলে যদিওবা স্পর্শ করতাম কিন্তু সেটা হালকা ঠোঁটের গভীর বন্ধনে :P

"এক্সিলেন্ট! আমরা ওকে স্টুডেন্ট হিসেবে পেয়ে খুশি হবো!"
"ইউ আর নাও এ পার্ট অফ আওয়ার ফ্যামিলি!.........

ভিনদেশীদের প্রতি পশ্চিমাদের আচার-আচরণ আর যাই হোক, এরকম ওয়েলকামিং কথাবার্তায় যে কেউই গলে যাবে- প্লাস অসাধারণ শ্রদ্ধাবোধ কাজ করবে........মুভি প্লাস অন্যান্য লেখাতেও এটার প্রমাণ পেয়েছি.......ইভেন এক বাংলাদেশী পিএইচডি স্টুডেন্টের ভাষ্য এরকম ছিল যে- তাদের উইকলি মিটিংয়ে প্রফেসর ল্যাবের স্টুডেন্টদের যেরকম ইন্সপারেইশন দিয়েছিল, তাতে মনে হচ্ছিল প্রত্যেকেই সুপারম্যান- যেন ল্যাবে প্রফেসর হচ্ছে দুধ-ভাত আর স্টুডেন্টরা সব কান্ডারী :D .......তো এরকম এনকারেজমেন্ট পেলে চরম ফেল্টুস স্টুডেন্টও শেষবারের মতো ভাল করতে চাইবে!! ......আমার স্কুলেও অনেক ভাল অমায়িক স্নেহময় টিচার পেয়েছি- কিন্তু এমন ইন্সপারেইশন দেওয়া লোকের প্রচন্ড অভাব ছিল তখন!

কুইজের সঠিকতম জবাব- দু'টো অপশন একটি বোনাস:
১) আপনার এডমিশনটা কন্ডিশনাল ছিল- ওরা পুরো বছরটা রিভিউ করত আপনার রেজাল্ট দেখে....আরও কী কী সব থাকে না ওরকম আরকি....
২) এশিয়ান স্টুডেন্ট বলে আপনার সার্টিফিকেটের ওপর ভরসা করেই নেক্সট ক্লাসে এডমিট করে নিয়েছে চোখ বন্ধ করেই- কারণ এশিয়ান পোলাপানরা বেশিরভাগ বুকিশ মানে আঁতেলই হয়- সো সাফিশিয়েন্ট নলেজ আপনার আছে বলেই ধরে নিয়েছিল......

মাত্রই বৃষ্টিটা শুরু হয়েছিল এটা পড়ার শুরুতেই......দু-চারদিন গরমের পর শান্তির বৃষ্টি.......অমন শান্তিময় শুভেচ্ছা পোষ্টে ;)









০৬ ই জুন, ২০১৮ রাত ৮:২৪

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হাহা! হিহি! হাহা! আমি বেশ কিছুক্ষন হাসলাম আপনার মন্তব্যের প্রথম কয়েক লাইন পড়ে। উফফ! এত্ত ফাজিল কেন আপনি? কারো মাস্টারসাহেব এত ফাজিল হয়? মাস্টার এমন হলে ছাত্রীর কি হবে? :)

নয়া সিরিজটার নাম নিয়ে প্রথমে আমার আপত্তি থাকার কারণ হল- নামটা বেশ বড় আর ক্লিশে লাগছিল......আর এখন মনে হচ্ছে ডেইলি সোপ হিসেবে মন্দ না যদি মাঝের "এক" শব্দটা না থাকে.......অন্তত আমি হলে তাই-ই করতাম :D
আসলে আমি যখন নামটি ডিসাইড করেছিলাম আমার কাছেও ভীষন লম্বা এবং ক্লিশে লেগেছিল। কিন্তু বেশ কিছুক্ষন ভাবার পরেও আমি একটিও শব্দ পরিবর্তন করতে পারিনি! মনে হয়েছিল প্রতিটি শব্দই জরুরি! হনেস্টলি দিস টাইটেল ডিডন্ট সাউন্ড গুড টু মি ইদার, বাট ইট ফেল্ট রিয়েলি গুড! অলসো ক্লিশে ইজ গুড এট টাইমস! আমার এবং বেশিরভাগ মানুষের জীবনের পুরো গল্পই তো ক্লিশে। সেই গল্পের শিরোনাম ক্লিশে হলে দোষ কোথায়?
আপনি এখন জানলেও, আমি তো আগেই জানতাম সিরিজে কি আসতে চলেছে, সেই হিসেবে মানানসই ছিল। আমি একটা ছোট, সুন্দর - ভাবুক, কাব্যিক টাইপের শিরোনাম দিলাম কিন্তু সেটা মেইন লেখার সাথে খাপ খেল না, তাহলে তো লাভ হবেনা। আমার পূর্ব দুটো সিরিজের টাইটেলও অনেক সাদামাটা ছিল। এই নামটিও এখন আমার মনের কাছের হয়ে গেছে! আপনারও হতে শুরু করেছে বোধ করি। অল গুড দেন! :)

হাহ........এ কেমন তুলা যে শুধু হাত দিয়েই স্পর্শ করতে মন চায়? আমি হলে যদিওবা স্পর্শ করতাম কিন্তু সেটা হালকা ঠোঁটের গভীর বন্ধনে :P
সরিইইই? আমি ইহা কি পড়িলাম আর কি বুঝিলাম! মাথা ভনভন করছে! :D

আমি দেশে থাকতে টিচারদের প্রচুর স্নেহ, ইন্সপারেশন পেয়েছি। আবার বিদেশেও পেয়েছি। আমার মনে হয় দেশে একটু শাসনের সুরে মমতা দেখানো হয়, আর এখানে সবার ব্যবহার অতি নরম! দুদেশের প্যারেন্টিং এর ব্যাপারেও এটা সত্যি। আসলে কানাডায় থাকার কারণে কানাডিয়ান সহ নানা দেশের টিচারই পেয়েছি। একটা ব্যাপার বলতে পারি, শিক্ষকেরা সন্তানের মতো স্নেহ করে নিজের স্টুডেন্টদের, সে যে জাতিরই হোক না কেন। স্নেহ দেখানোর ওয়ে আলাদা হতে পারে যদিও। আসলে শিক্ষক হচ্ছে শিক্ষক, দেশ জাতি ভেদে আমরা ওনাদের কাছে ঋণী। উই জাস্ট কান্ট রেসপেক্ট দেম এনাফ!

এত কষ্ট করে কুইজের উত্তর দেবার চেষ্টা করায় ধন্যবাদ। ঠিক না ভুল জানতে আরেকটু ওয়েট করতে হবে। ওয়ানস আই হ্যাভ এনাফ রিডারস ট্রাইং ইট, আই উইল পোষ্ট দ্যা আন্সার!

মাত্রই বৃষ্টিটা শুরু হয়েছিল এটা পড়ার শুরুতেই......দু-চারদিন গরমের পর শান্তির বৃষ্টি.......অমন শান্তিময় শুভেচ্ছা পোষ্টে ;)
হাহা! বেচারা! আবারো আসতে হবে সেই ভয়ে জলদি করে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়ে দৌড় দিয়েছে! :D
বৃষ্টিটা আমিই শুভেচ্ছা হিসেবে পাঠিয়েছিলাম, সেটাই আমাকে ফেরত দেবার মানে আছে? হাহা কিডিং।

যা কিছু সুন্দর তা আপনাকে খুব কাছ থেকে স্পর্শ করে রাখুক সবসময়!

২৫| ০৬ ই জুন, ২০১৮ রাত ৯:০১

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: আমার ক্লাসে আমি বাংলাদেশের গ্রাম থেকে আসা মেয়ে দেখেছি। কিন্তু কাউকে কখনো সেলোয়ার কামিজ পরে ক্লাস করতে দেখিনি।

০৬ ই জুন, ২০১৮ রাত ৯:৩৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আমিও এখানে সালোয়ার কামিজ পরা ইয়াং মেয়ে খুব একটা দেখিনি নিজেকে ছাড়া! হাহা।
একবার ভার্সিটিতে এক ইন্ডিয়ান মেয়েকে তামিল সম্ভবত, শাড়িতে দেখেছিলাম, কপালে ঘিয়ে টিকার মতো!

ইয়াং মেয়েদের এসব পোশাকে সাধারণত দেখা যায়না, অনেকে হুড পরে জিন্স শার্ট এর সাথে।
অনেকে ভাবে বিদেশে দেশী পোশাক পরলে বিদেশীরা মিশবে না।
আর কেউ কেউ বিদেশে এসে স্বাধীনভাবে সমাজের জাজমেন্ট ছাড়াই ইচ্ছেমতো ওয়েস্টার্ন পরাকে এনজয় করে।
টু ইচ দেয়ার ওন!

সে যাই অনেকে, পাঠ ও মন্তব্যে আপনাকে ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা!

২৬| ০৬ ই জুন, ২০১৮ রাত ৯:৫০

শামচুল হক বলেছেন: আপনার নামে উৎসর্গ করা আছে সময় পেলে পড়বেন।
কানাডার জঙ্গলে এক রাত

০৭ ই জুন, ২০১৮ রাত ১:৪১

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আপনার এই লেখাটি প্রথম পাতাতেই আমার চোখে পড়েছিল। শিরোনাম দেখেই ভেবেছিলাম যে এটা পড়ব। পড়তে যাব তখন আমাকে কি একটা কাজে মা ডাকল, আর পড়তে পারলাম না। এখন সময় করে ব্লগে এলাম, ভেবেছিলাম প্রতিউত্তর করে আপনার ব্লগে যেয়ে কানাডা নিয়ে লেখাটি পড়ে আসব! ওমা! বেশ ভালো সারপ্রাইজ পেয়ে গেলাম আপনার মন্তব্যেই! আমাকে উৎসর্গ করার জন্যে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমি গিয়েছি, পড়েছি, মন্তব্য করেছি। থ্যাংকস এ লট এগেইন! সো কাইন্ড অফ ইউ!

২৭| ০৬ ই জুন, ২০১৮ রাত ১০:০২

শিখা রহমান বলেছেন: এই সিরিজটা আমি ফলো করার চেষ্টা করছি। তোমার বর্ণনা ও জীবনকে দেখার ভঙ্গী আমাকে মুগ্ধ করে। শুধু লেখার জন্যই লেখা নয়, তোমার লেখা যে নিজেকে খুজে ফেরে সেই ব্যাপারটা মন ছুঁয়ে যায়।

ববাবরের মতোই একরাশ ভালোলাগা রইলো। শুভকামনা। তুষারদেশে ভালো থেকো পাগলী রাজকন্যা।

০৭ ই জুন, ২০১৮ রাত ১:৪৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেই শিখা আপু! আপনাকে পোষ্টে পেয়ে ভীষনই খুশি হই, কেননা এমন সুইট মন্তব্য খুব কম মানুষই করতে পারে। :)

থ্যাংকস এ লট, ব্যস্ত জীবন থেকে সময় বের করার চেষ্টা করছেন সিরিজটি পড়ার জন্যে। আপনি যে গুণী লেখিকার সাথে সাথে ভীষন ভালো পাঠিকা সেটার প্রমাণ পেলাম। আপনি ধরতে পেরেছেন লেখায় অন্তর্নিহিত সোলসার্চিং এর ব্যাপারটি! আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম।
আমার মনের কথাগুলো আপনার মন ছুঁয়ে যাচ্ছে জেনে তৃপ্তি বোধ করছি।

হাহা! কত আদর করে ডাকেন! পাগলী রাজকন্যা! থ্যাংকস এ লট এমন সুন্দর মন্তব্য উৎসাহ দেবার জন্যে।
আপনার প্রতিটি প্রহর সুন্দর হোক, শুভ হোক।

২৮| ০৭ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৮:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আবারো ঘুরে আসার জন্যে ধন্যবাদ।
ইনশাল্লাহ! সবসময় এমনই সুখে থাকুন।


দোয়া করবেন।

০৭ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৩৭

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: অবশ্যই দোয়া করি ভাই! আমার জন্যেও দোয়া করবেন।

২৯| ০৭ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৩৫

প্রথমকথা বলেছেন: ভীষণ ভাল লেগেছে বলে বুঝাতে পারবোনা।

০৭ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৩

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: বলে বোঝাতে না পারলে লিখে বোঝান! হাহা কিডিং।

ভালো লগায় অনুপ্রাণিত করলেন। আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
শুভকামনা রাশি রাশি!

৩০| ০৭ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: কুইজের উত্তর: কানাডা পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ দেশ, এবং এর জনসংখ্যা মাত্র ৩৬ মিলিওন! কানাডায় প্রতি স্কুলে প্রতি ক্লাসে স্টুডেন্ট লিমিট ৩০, এর বেশি স্টুডেন্ট ওরা নেয়না। এখানে জায়গা অনেক বেশি মানুষ অনেক কম। সে কারণে ভর্তিযুদ্ধের মতো ব্যাপারটি নেই। নিজের জায়গা পেতে হলে অন্য ১০০ জনকে পেছনে ফেলার প্রতিযোগিতা নেই। এজন্যে যে কাউকে সহজেই ভর্তি নেবার ক্যাপাসিটি ওদের আছে।

দ্বিতীয়ত প্রতিটি ক্লাসে কয়েকটি করে সেকশন থাকে। একটা সেকশন যদি ৩০ টি স্টুডেন্টে ফুল থাকে তবে, অন্য সেকশনে নেওয়া হয়। যদি সকল সেকশন ৩০ টি স্টুডেন্টে পূর্ণ থাকে তবে সেই সেমিস্টারে সেই কোর্সটি না দিয়ে স্টুডেন্টকে অন্য সেমিস্টারে সাবজেক্টটি দেওয়া হয়। এখানে একটি সাবজেক্ট সারাবছর পড়তে হয়না, দুটো সেমিস্টারে সাবজেক্টগুলো ভাগ করা থাকে। প্রথম সেমিস্টারে কিছু বিষয় পড়বেন, দ্বিতীয় সেমিস্টারে নতুন কিছু। সবদিক দিয়ে এরা এত বেশি অপশন তৈরি করে রেখেছে যে ভর্তি পরীক্ষার কোন মানেই নেই।

এই প্রশ্ন করতে পারেন যে তাহলে ওরা বোঝে কি করে কে যোগ্য নিজের গ্রেইডের জন্যে? সত্যি কথা বলতে স্টুডেন্ট ক্লাস শুরু করার আগে ওরা বোঝেনা।
কেউ যদি নিজের গ্রেইডে কমফর্টেবল না হয় তবে তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়। সেটা স্কুলের দায়িত্ব, স্কুল স্টুডেন্টের ক্যাপাসিটি অনুযায়ী তাকে গড়ে তুলবে। স্টুডেন্ট উইক হলে ভর্তিই নেবে না তেমন কোন নীতি এখানে নেই।

আরেকটা বিষয় হচ্ছে কানাডিয়ানরা সহজেই বিশ্বাস করে মানুষকে। আমরা অভ্যাসবশত সার্টিফিকেট দেখিয়েছি কিন্তু ওরা চায়নি। সার্টিফিকেট না দেখালেও মুখের কথায় বিশ্বাস করত যে স্টুডেন্ট নিজের দেশে অমুক গ্রেইডে পড়ত। কানাডায় সেখান থেকেই শুরু করতে চাইবে, সেটাই ওদের জন্যে সহজ হিসাব!

৩১| ০৭ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৭

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: কে হলো জয়ী?

এই প্রশ্নটির উত্তর দেবার অনেক রকম উপায় ছিল। আমার মতে কেউই একেবারে সঠিক উত্তরটিকে ধরতে পারেননি। যেসব মানুষ একটু কাছাকাছি গিয়েছেন তাদের উত্তরটি আমি কেন নিতে পারছিনা সেটা ব্যাখ্যা করি।

নিওফাইট নিটোল বলেছেন: ১) আপনার এডমিশনটা কন্ডিশনাল ছিল- ওরা পুরো বছরটা রিভিউ করত আপনার রেজাল্ট দেখে....আরও কী কী সব থাকে না ওরকম আরকি
কন্ডিশনাল এডমিশন মানে হচ্ছে তুমি যদি এই শর্তগুলো পূরণ করতে পারো তবে তুমি আমাদের স্টুডেন্ট হবে। যেমন, আপনি গ্রেইড ১১ এ অনেক হাই মার্কের অধিকারী, ভার্সিটিতে এপ্লাই করলেন। তারা তখন আপনাকে নিয়ে নেবে এবং বলবে, হাই স্কুল গ্র্যাডুয়েট করে গ্রেইড ১২ এও এমন মার্ক ধরে রাখলে তোমার কন্ডিশনাল এডমিশনটি ফাইনাল হবে।
স্কুলের ক্ষেত্রে তেমন কিছু ছিলনা। ওখানে কিছু না করেই অলরেডি স্টুডেন্ট। স্টুডেন্ট যদি খারাপ করে, রেজাল্ট রিভিউ করে স্কুলই সাহায্য করবে তাকে উন্নত হতে। সো নট এক্যুরেট বাট গ্রেইট গেস! :)

গড়ল বলেছেন: ভর্তি করে নিল কারণ ওরা ভর্তি করতে বাধ্য, স্কুল শিক্ষা সবার জন্য বাধ্যতা মূলক তাই কেউ শিক্ষা নিতে চাইলে ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ নাই।
এই ব্লগারটি কাছাকাছি গিয়েছেন। আসলেই ওনারা বাধ্য। তবে স্কুল শিক্ষা অনেক দেশেই বাধ্যতা মূলক, তাই বলে সব দেশ এত সহজে ভর্তি করে নেওয়া এফোর্ড করতে পারেনা। কানাডা কেন পারে তা কুইজ উত্তরের প্রথম লাইনেই দেওয়া আছে। আরেকটু ঠিক জায়গায় হিট করতে পারলে উত্তরটি নিতে পারতাম। গুড ট্রাই দো! :)

কাউকে জয়ী ঘোষনা করতে পারছিনা বিধায় ক্ষমাপ্রার্থী! যারা কুইজটি মন্তব্যে লিখে অথবা মনে মনেও ট্রাই করেছেন তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

৩২| ০৯ ই জুন, ২০১৮ রাত ২:০০

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন। আপনার স্কুলটি দেখার অপেক্ষায়।

০৯ ই জুন, ২০১৮ ভোর ৬:৪০

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: পোষ্টে আপনাকে পেয়ে ভালো লাগল সুজন ভাই। ধন্যবাদ মন্তব্যে।

হুমম, সময়মতো স্কুলটি দেখিয়ে দেব। সাথে থাকুন।
শুভকামনা অফুরান!

৩৩| ০৯ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৪৬

মঈনুদ্দিন অারিফ মিরসরায়ী বলেছেন: ইয়াবা হুজুর: আটটি প্রশ্নের জবাব চাই Click This Link

৩৪| ১০ ই জুন, ২০১৮ ভোর ৪:৩২

Mahmudul Hasan Milhan বলেছেন: প্রথম লাইন দ্বিতীয় লাইনকে আকর্ষণ করে তাই পাঠক নিজের অজান্তেই শেষ লাইনে পৌঁছে যায়। তবে পর্বগুলো চুম্বকের বিপরীত মেরুর ধর্ম প্রদর্শন করে। অপূর্ব লিখনশৈলী!!!!

১০ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৭:১৭

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: ওমা! কি সুন্দর ভাবে প্রশংসা করলেন! মন ভালো হয়ে গেল পড়ে!
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

ভীষন ভালো থাকবেন।

৩৫| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৩৫

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: খুব সুন্দর আর গোছানো লেখা! তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:২৪

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: থ্যাংকস এ লট। আপনিও তরতর করে পড়ে গেলেন সময় ব্যয় করে। উৎসাহিত হলাম অনেক আপনার আন্তরিকতায়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.