নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কি বলা যায়! কিছু কথায় নিজেকে ব্যক্ত করা সম্ভব না আমার পক্ষে। তাই একটা সিরিজে কিছু কিছু করে সবই বলছি।

সামু পাগলা০০৭

আমি অতিআবেগী, আগে ব্যাপারটা লুকানোর চেষ্টা করতাম। এখন আর করিনা।

সামু পাগলা০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (১০) - লাভ বার্ডসের প্রথম কানাডিয়ান ক্লাসের অভিজ্ঞতা (কুইজ সলভড)

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৫০

পূর্বের সারসংক্ষেপ: বাবা মা এমন একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেন যেখানে ফ্রিতে কানাডিয়ান সিস্টেমে রেজুমে লেখা, ইন্টারভিউ্যুতে কথাবার্তা, ম্যানারস, জব মার্কেট ইত্যাদি সম্পর্কে শেখানো হয়। নানা দেশের মানুষের পাশাপাশি জবলেস কানাডিয়ানরাও এই কোর্সটিতে ভর্তি হয়। মা ভর্তি হতে চাচ্ছেনা, কিন্তু বাবা বুঝিয়েই যাচ্ছে।

পূর্বের পর্বগুলোর লিংক:
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (১) - প্রথমবার প্রবাসে প্রবেশের অনুভূতি!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (২) - জীবনের গল্প শুরু হলো এইতো!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৩) - সুখে থাকতে কিলায় ভূতে! (কুইজ বিজেতা ঘোষিত)!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৪) - বাংলাদেশ ভার্সেস কানাডার দোকানপাট, এবং বেচাকেনার কালচার! (কুইজ সলভড)!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৫) - কেমন ছিল কানাডিয়ান স্কুলে ভর্তি হবার প্রস্তুতি পর্ব?!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৬) - কানাডিয়ান স্কুলে ভর্তির ইন্টারভিউ অভিজ্ঞতা!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৭) - কানাডার স্কুল ভ্রমণ এবং দেশীয় মফস্বলের স্কুলের টুকরো স্মৃতি!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৮) - কানাডার প্রথম খারাপ অভিজ্ঞতা!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৯) - আবারো দুটিতে একসাথে, প্রেমের পথে... :`> (কুইজ সলভড)
পূর্বের সিরিজের লিংক: কানাডার স্কুলে একদিন এবং কানাডার স্কুলে একেকটি দিন

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

ডিনার করতে করতে মা হুট করে বলল, "একটা বড় সমস্যা আছে! এটা তো আমি ভাবিইনি! না আমি যাচ্ছিনা কোনভাবেই। তুমিই যাও ট্রেনিং নিতে।"

আমি আর বাবা একে অপরের দিকে তাকালাম, তারপরে মায়ের দিকে তাকিয়ে বললাম: মাআআ আবার কি হলো?
মা: তোকে একা বাড়িতে রেখে যাব নাকি? যখন তখন এপার্টমেন্ট ম্যানেজার ঢুকে পড়তে পারে যে দেশে, সেখানে প্রশ্নই ওঠেনা।
বাবা: আহ! এখন তো বাড়িতে কোন কাজ নেই, উনি তো আর বেড়াতে আসবেন না। এটা কেমন চিন্তা?
মা: সে নাহয় না আসল, কিন্তু কোন সমস্যা হলে ও কাকে বলবে? একদম একা বাড়িতে বিদেশে আমি আমার মেয়েকে রেখে যাব না।
আমি: মাআআ আমি বাচ্চা না, আমার কোন অসুবিধা হবেনা। দেশেও তো একা থেকেছি মাঝেমাঝে তুমি আর বাবা বাইরে গেলে।আর একবার ছুটিতে মামার বাড়িতে থাকলাম না? সারাদিন একাই থাকতে হতো, মামা মামী তো অফিসে থাকত।
মা: দেশে আমরা কখনো তোমাকে ছেড়ে এত লম্বা সময় বাইরে যাইনি। কয়েক ঘন্টা খুব বেশি হলে, আর এটা তো সারাদিনের ব্যাপার। আর তোমার মামার বাড়িতে কাজের লোক ছিল। এখানে তো কেউ নেই।
আমি: কোন সমস্যা হবেনা মা। কয়েক ঘন্টা পারলে সারাদিনও আমি একা থাকতে পারব।
বাবা: আমার মেয়ে অতো ভীতু না, দেখলে না এডমিশনের দিন কিভাবে স্কুল কাউন্সিলরের সাথে গটগট করে কথা বলতে বলতে গেল স্কুল দেখতে? ও যেকোন পরিস্থিতি সামলাতে পারবে। তুমি ওকে চোখেচোখে রেখে ভীতু, তোমার ওপরে নির্ভরশীল করে দিচ্ছো।
এই কথার পরে মা চুপ মেরে গেল, কিছু না বলে খেতে লাগল।

আমি আর বাবা একে অপরের দিকে তাকিয়ে ইশারা করলাম। এর মানে হ্যাঁ নাকি না? কালকে কি মা ক্লাসে যাবে?

পরের দিন সকালে.......

ঘুম থেকে ভোরেই উঠে পড়লাম অভ্যাস মতো। উঠে খুটখাট শব্দ কানে এলো রান্নাঘর থেকে! গিয়ে দেখি মা রান্নাঘর পরিষ্কার করছে। খেয়াল করে দেখলাম কিচেন কাউন্টারটপে অনেক খাবার রাখা। বুঝলাম যে মা অনেক ভোরে উঠে তিন বেলার খাবার রান্না করে ফেলেছে! তার মানে মা যাচ্ছে! ইয়েসসস!

আমাকে দিকে চোখ পড়া মাত্রই লেকচার শুরু করে দিল। কি কি রান্না করেছে সব গরগর করে বলে গেল। যেন আমি খাবার দেখে সেটার নাম বুঝতে পারিনা! বললেন, সারাদিন যেন ঠিকমতো খাই। কেউ নক করলেও যেন দরজা না খুলি কোনভাবেই। কোন সমস্যা হলে সাথে সাথে যেন তাদেরকে ফোন করি। ইত্যাদি ইত্যাদি!

আমি আচ্ছা আচ্ছা করে গেলাম সবকিছুতে।

একটু পরে মা আমার কাছে এলো, দেখি খুব সুন্দর একটা হলুদ সালোয়ার কামিজ পরেছে, হলুদ ফুলের মতো লাগছে! এসে এদিক ওদিক তাকাচ্ছে, আমি বললাম কি হয়েছে?
মা: "না তোর বাবা বলছিল একটা হলুদ টিপ দিতে, আমি তো অনেকদিন টিপ পরিনা। তাই নিজের জন্যে কেনা হয়না। তোর একটা নেই?"

আমি হো হো করে হাসতে হাসতে বললাম, মাআআআ!!! হিহি হাহা। রোমান্টিক! নাও না! যেটা ইচ্ছা নাও।
মা লজ্জা পেয়ে গেল।

মনে মনে ভাবছি, রাতে এত ভাব দেখিয়ে এখন এমন আহ্লাদী মুডে ক্লাস করতে যাবার জন্যে রেডি হচ্ছে! আমি তো ভেবেছিলাম হয় যাবেনা, আর গেলেও বাবার ওপরে খুব রাগ দেখিয়ে গজগজ করতে করতে যাবে! হায়রে নারী জাতি! আমি নারী হয়েও কোনদিন নারী মন বুঝব না মনে হয়!

জায়গাটা বেশ দূরে ছিল, এজন্যে সকাল সকালই চলে গেল দুজনে। মা আমার দিকে তাকিয়ে বলল, "লক্ষ্মী হয়ে থেকো মা!"

আমি মাথা নেড়ে দরজা দিয়ে দিলাম। পুরো বাড়িতে একা। বেশ ভালোই লাগছে। স্বাধীন স্বাধীন! ফুর্তি মেজাজের কিছু গান শুনে ফেললাম। কয়েকঘন্টা পরে মনে হলো এতক্ষনে তো পৌঁছে যাবার কথা। না জানি ওখানে কি হচ্ছে! আমার মা টা যে কি করছে! সন্তান যখন প্রথম স্কুলে যায় বাবা মার মনে অনেক চিন্তা লেগে থাকে, আমারো তেমনি আমার মায়ের জন্যে চিন্তা লাগছে। আবার ভাবছি, বাবা তো আছে পাশে, সামলে নেবে মাকে।
সারাদিনে প্রচুর গান শুনে, ইউটিউবে বাংলা নাটক দেখে দিন বেশ আনন্দেই কাটিয়ে দিলাম। একটু পরে পরে ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছিলাম অবশ্য, কখন মা বাবা আসবে আর সারাদিনের গল্প শুনব!

সেই বিকেলে এলো দুজনে। দুজনকেই বেশ ক্লান্ত লাগছিল।

মা এসে ফ্রেশ না হয়েই হেলান দিয়ে দিল বিছানায়। পানি চাইল। আমি পানি এনে দিলাম।
বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম, "কি কি হলো বাবা ওখানে?"

বাবা বলল, "এইতো গেলাম, ১২ টা পর্যন্ত এক টিচার লেকচার দিলেন, তারপরে লাঞ্চ ব্রেইক। এক ঘন্টার ব্রেইকের পরে বিকেলে পর্যন্ত আরেক টিচার ক্লাস করিয়ে গেলেন। একজন ইন্ডিয়ান ছেলের সাথে পরিচয় হলো, নাম সামির। আর একটা কানাডিয়ান ছেলে, ইয়াং, ২০/২২ বছর হবে, নাম হিউ, ওর সাথেও কিছু কথা হলো।"
এসব বলে বাবা টাওয়েল নিয়ে গোসল করতে চলে গেল।

মায়ের দিকে তাকিয়ে ভাবগতি বোঝার চেষ্টা করছি। শেষমেষ জিজ্ঞেস করেই ফেললাম, মা কি কি করলে আজ?

মা উঠে বসল, জাতজুত করে পা গুছিয়ে বসল, বুঝলাম এখন পুরো ইতিহাস বলবে। বলতে শুরু করল:
"প্রথম দিন বলে আমি আর তোর বাবা তো বেশ আগেই গেলাম। গিয়ে ক্লাস খুঁজে গিয়ে বসে থাকলাম। তেমন কেউ আসেনি তখনো। এক কোণায় এক চ্যাপ্টা চেহারার লোককে মাথা নিচু করে বসে থাকতে দেখলাম। চাইনিজ, জাপানিজ হবে হয়ত। ছোটখাট ক্লাস, প্রতি ডেস্কে কম্পিউটার রাখা। একটু পরে একজন কোকড়া চুলের বয়স্কা, কানাডিয়ান মহিলা এলেন। আর জানিসস টমেটোর মতো টকটকে গাল! মহিলা কম বয়সে মারাত্মক সুন্দরী ছিলেন নিশ্চই। এসেই আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, "ওহ মাই গড! হাও বিউটিফুল! গরজিয়াস আউটফিট!"
আমি লজ্জায় পড়ে গেলাম, হেসে থ্যাংক ইউ বললাম।
তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন কোন দেশ থেকে এসেছি, তোর বাবা বলল বাংলাদেশ! তারপরে আরো কিছুক্ষন গল্প করলেন। ওদিকে বেশ কিছু মানুষ আসতে শুরু করেছে। ক্লাস ক্রমেই ভরে উঠল। তিনি এসে সবাইকে ইন্ট্রোডিউস করতে বললেন। আমি নাম বললাম, দেশের নাম বললাম। তোর বাবা বলল। ক্লাসে অনেক দেশের মানুষ। একটা মেয়ে কোরিয়ার, জাপানের ও চায়নার কয়েকটা ছেলে, মেক্সিকোর কিছু ছেলে মেয়ে, কানাডিয়ানও ছিল বেশ কয়েকজন। আর ইন্ডিয়ান আছে একটা, সে আমাদের কাছাকাছিই বসল। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে অনেক গল্প করল।

আমি বললাম, "মা কোন বাংলাদেশী ছিল না?"

মা বলল, "নারে। তো একটু পরে ম্যাডাম লেকচার শুরু করলেন। নিজের ব্যাপারে অনেককিছু জানালেন। কানাডার জব মার্কেট নিয়ে কিসব ভ্যাজর ভ্যাজর করে গেলেন। গল্পের মতো করে পড়িয়ে গেলেন। মাঝেমাঝে দু একটা প্রশ্ন করছিলেন, তোর বাবা আর সেই ভারতীয় ছেলেটা ফটফট করে উত্তর দিয়ে গেল। তোর বাবার ব্রেইন কত ভালো তা তো জানিসই। লোকটা আসলেই জিনিয়াস। আমিও ওনার কথা অনেকটা বুঝতে পারলাম। অনেককিছু বুঝলামও না।

লাঞ্চ ব্রেইকের সময় হলে তিনি বিদায় নিয়ে চলে গেলেন। আমি আর তোর বাবা মিলে কাছের কফি শপে গিয়ে কফি, কেক, স্যান্ডউইচ খেলাম।
এরপরে আমার খারাপ সময় শুরু হলো। দ্বিতীয় ক্লাস করাতে এলো এক ইয়াং হোয়াইট লোক। লম্বা, নাকখাড়া। চোয়াল শক্ত করে রাখে সবসময়। মুখে হাসি নেই কোন। আমি প্রথমে ভাবলাম কানাডার, পরে জানলাম জার্মানের। আবারো ইন্ট্রোডাকশন পর্ব হলো। তারপরে তিনি ঝড়ের বেগে সবার সামনে একটা করে ওয়ার্কশিট রেখে দিলেন। তার লেকচার শুনে শুনে শিটের গ্যাপগুলো ফিল করতে হবে। তিনি খটমটে একসেন্টে কিসব বলে গেলেন আমি কিছুই বুঝলাম না। বোর্ডে দু একটা কি পয়েন্ট লিখলেন, গ্রাফ আঁকলেন, সবাই লিখছে ওয়ার্কশিটে। আমি কিছু বুঝতে পারছিনা, তাই এমনি এমনি বোর্ডের লেখাগুলো নোট করলাম বসে বসে। লেকচার শেষে বললেন, সবাই যেন ওয়ার্কশিট কমপ্লিট করে জমা দিয়ে যায়।
আমি তো কিছুই তুলতে পারিনি। তোর বাবার দেখি পুরোটা শেষ! ভাবলাম তোর বাবার কাছ থেকে লিখে দেই। আর বলিস না, দেখি তার আর আমার ভার্সন আলাদা! তারপরে তোর বাবা আমারটা পড়ে পড়ে উত্তর অনুমান করে বলতে লাগল আর আমি তুলতে লাগলাম। পুরোটা করতে পারিনি রে। সবাই জমা দিয়ে দিল, আমাকেও দিতে হলো। খুব খারাপ লাগছে। আমারটা পড়ে তিনি কি ভাববে বলতো?"

আমি বললাম, ধুর মা! মন খারাপ করো না তো! কিছু ভাবলেই বা তোমার কি?
মায়ের মুখ সাথেসাথে ঝলমল করে উঠল। "তা ঠিক বলেছিস। আর তো যাচ্ছিনা। দেখাও হবেনা। যা ভাবার ভাবুক!"
আমি বললাম, "সত্যিই আর যাবেনা?"
মা বলল, "একটানা বসে বসে শরীর ব্যাথা হয়ে গেছে। কানাডিয়ান মহিলাকে তো তাও সহ্য করা যায় কিন্তু ঐ জার্মান টিচারকে! নাহ! আবার যেতে হলে আমি তো মরেই যেতাম!"
"তোর বাবাকে কালকে লাঞ্চ দিয়ে দেব সাথে। বাইরের খাবার খেয়ে পেট ভরে না। এত লম্বা ক্লাস করতে এমনিতেও ক্লান্তি লাগে, ক্ষিদে পেটে থাকলে তো আরোই।"

এসব বলতে বলতে বাবা গোসল শেষ করে এসে পরল। মা বলল, "আমি যাই এখন, শাওয়ার নিয়ে আসি। এসেই তোদেরকে নাস্তা দিচ্ছি।"

বাবা আমাকে বলল, "কি রে, মায়ের সাথে কি কথা হলো?"
আমি বাবাকে বললাম, তোমার ক্লাসমেট কালকে থেকে আর যাচ্ছেনা। তার ভালো লাগেনি ওখানে। বাবার মুখের হাসি সাথে সাথে উধাও হয়ে গেল।
বলল, "কেন? ওখানে তো সবাই খুব ভালো। তোর মা খুব স্মার্টলি বসে ছিল। কোন জড়তা দেখলাম না।"
আমি বললাম, সেটা বাইরে বাইরে, কিন্তু আসলে জার্মান টিচারের কথা সে কিছুই বোঝেনি। কি ওয়ার্কশিট পূরণ করতে পারেনি বলল।
বাবা বলল, "সেটা কোন ব্যাপার? প্রথমদিনে নাও পারতে পারে, কয়েকদিন গেলেই ঠিক হয়ে যাবে। এটা খুব ভালো একটা সুযোগ, তোর মা কে বোঝা।"
আমি বললাম, না বাবা, আমার মা মনে চাপ নিয়ে, জোর করে কোন কাজ করুক সেটা আমি চাইনা। ভীষন স্যাড লাগছে মা কে। চোখমুখ কেমন শুকিয়ে গেছে একদিনেই! এমনিও দেশ ছাড়ার পর থেকে তার মনে শান্তি নেই, তারপরে এই জোর জবরদস্তি ঠিক হবেনা। এখন যে আগ্রহটা দেখাচ্ছ সেটা অনেক আগেও দেখাতে পারতে। এখন মা এতবছর ধরে একভাবে অভ্যস্ত হবার পরে তাকে জোর করার অধিকার কারোর নেই।
বাবা কিছুক্ষন চুপ থেকে বলল, "হুম! ঠিক বলেছিস। তোর মা যে একদিন সাহস দেখালো তাতেই আমি খুশি। সবাই যা প্রশংসা করল তোর মায়ের! তার পোশাক, চেহারার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে ছিল!"
বাবার বলার ধরণে আমি হিহি করে হেসে ফেললাম। কি মুগ্ধতা চোখেমুখে!

আহা, কি প্রেম দুজনের! একজন আরেকজনের ব্রেইনের প্রশংসা করে, আরেকজন সাহসের! লাভবার্ডস একেবারে!
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

আমি সরি খুব ডিটেইলে লিখতে পারিনি তাদের অভিজ্ঞতার কথা। আমি শিওর সারাদিনে ছোট ছোট অনেক ঘটনাই ঘটেছিল, অনেক কথাই হয়েছিল যা আমার অজানাই থেকে যাবে। যেহেতু তাদের অভিজ্ঞতা, তাদের কাছ থেকে যতটা শুনেছি ততটুকুই বলতে পেরেছি।

পাঠকের জন্যে কুইজ: আপনাদের কি মনে হয়? আসলেই সেদিন মায়ের শেষ দিন ছিল ক্লাসে? হ্যাঁ নায়ের পক্ষে যুক্তি দেখান!
আজকাল পাঠকেরা কুইজে খুব একটা ভালো করছেন না, তাই আমি প্রথম প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিচ্ছি। সেদিন শেষ দিন ছিলনা। এখন অনুমান করুন কি হয়েছিল শেষমেষ?

৩৩ নাম্বার কমেন্টে কুইজের উত্তর দেওয়া আছে। কৌতুহলী পাঠক চেক করে নেবেন। ধন্যবাদ! :)

মন্তব্য ৬৯ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৬৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:১৬

লাবণ্য ২ বলেছেন: ব্লগে ঢুকেই ঝরঝরে প্রানবন্ত একটি লেখা পড়লাম।অনেক ভালো লাগল আপু।

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:১৮

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: লাবণ্য আপু, অনেক ধন্যবাদ। উৎসাহ পেলাম আপনার সুইট কমেন্টে।
ভীষন ভালো থাকুন।

২| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:২৯

সিগন্যাস বলেছেন: হে হে আপনার বাবামায়ের ঘটনা শুনে মজা পেলাম।
কুইজের উত্তরে বলবো আপনার মা অবশ্যই আবার ক্লাসে গিয়েছিল।আসলে হয়েছে কি উনি শুরুর দিকে কিছুটা জড়তা দেখালেও আশেপাশের পরিবেশ আর মানুষজন দেখে কিছুটা প্রভাবিত হয়েছিলেন।তাছাড়া মুখে না বললেও মনে মনে অবশ্যই ক্লাস পছন্দ হয়েছিল।সেটা আপনার পোষ্ট পড়েই বোঝা যাচ্ছে :-<

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৩৫

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: মজা দিতে পেরে আনন্দিত!

হুমম, অনেক ধন্যবাদ কুইজে অংশ নেবার জন্যে। উত্তরটি ঠিক না কি ভুল সেটা জানার জন্যে অপেক্ষা করতে হবে। বেশকিছু পাঠক ট্রাই করার পরে আমি সঠিক উত্তরটি দিয়ে দেব।

পাঠ ও মন্তব্যে আন্তরিক ধন্যবাদ।
অনেক ভালো থাকবেন।

৩| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার পোষ্ট টি খুব মন দিয়ে পড়লাম।

ভালো থাকুন।

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৪২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আজকালকার ব্যস্ত ও দ্রুত জীবনে, মনোযোগী পাঠক পাওয়া অনেক কঠিন। আপনার মন্তব্য তাই আনন্দিত করল।
আপনিও পরিবার পরিজন নিয়ে ভলো থাকুন।

৪| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৩৮

সিগন্যাস বলেছেন: ঠিক আছে ঠিক আছে।আপনার হয়তো জানা নেই যে ব্যক্তি ঘন্টায় দেড়শো পৃষ্ঠা পড়তে পারে সে সব সময় ভালোই থাকে /:)

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৪৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: ঠিক আছে? আরেহ, আমি উত্তর দেবার আগে কি করে বলতে পারেন ঠিক আছে? বেশি কনফিডেন্স ভালো না মশাই! :)

আমি আসলেই জানতাম না, ফাস্ট রিডিং এর সাথে ভালো থাকার কোন সম্পর্ক আছে। আমার এক টিচার ফাস্ট রিডার, সারাক্ষন মুখে বিরক্তি লেগে থাকে। এটা আসলে মানুষভেদে নির্ভর করে।

আপনি সবসময় ভালো থাকেন জেনে খুশি হলাম, আপনাকে আর ভালো থাকার কথা বলবনা। হাহা।

৫| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৫৭

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:

ঘন্টায় দেড়শ পৃষ্ঠা! :((

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:০২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: লেখা পড়েছেন কিনা জানিনা, তবে মন্তব্যগুলো পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।

হুমম, উনি ফাস্ট রিডার। অনেক তাড়াতাড়ি পড়তে পারেন। তাতে আপনি আপসেট হচ্ছেন কেন?

৬| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:০৫

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:


ইন্ডিয়ান আছে একটা। কাছাকাছি বসল! হুম! এটা ফ্যাক্ট!

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:০৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: মানে কি? পুরো লেখাটাই ফ্যাক্ট। লেখার সেই অংশটুকুই আপনার নজর কাড়ল কেন স্যার?

৭| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:০৮

নাজিম সৌরভ বলেছেন: গত পর্বের কুইজের ব্যপারে আমি যা গেস করেছিলাম তা মিলে গেছে । তবে আমার গেস সাধারণত ভালো হয় না, তাই সেদিন উত্তর দেইনি ।
আজ অবশ্য গেস করতে পারছি না ।
বাংলাদেশি কিশোরীর দিনরাত্রির সাথে বাংলাদেশের যুব দম্পতির দিনরাত্রিও ভালো লাগছে । :)
ভালো লাগা জানবেন ।

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:১২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: ওহো! মিস! কেউ সঠিক উত্তর দিয়ে দিলে আমি অনেক আনন্দ পাই। আপনি সবসময় নিজের গেসগুলো বলবেন প্লিজ।

আচ্ছা, অসুবিধা নেই। পরে জেনে যাবেন সময় হলে।

হাহা, তা ঠিক বলেছেন। এখন শুধু আমিই না আমার চারিপাশের মানুষের দিনরাত্রিও জুড়ে গিয়েছে। ভালো লাগায় আনন্দিত করলেন।

আপনার প্রোফাইল পিকটা বেশ সুন্দর।

সকল শুভকামনা রইল।

৮| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:১১

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:

ধুর লেখায় গিট্ট লেগে গেছে। তাই ভুলভাল বলছি! সরি!

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:১৩

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: লেখায় না আপনার মাথায় গিট্টু লেগেছে। হাহা।

ইটস ওকে। সমস্যা নেই।

৯| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:১৭

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:
কি যে হচ্ছে সকাল সকাল বুঝছি না। তবে গল্পটা অটো মনে হল!

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:১৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: অটো মনে হলো মানে?

১০| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:২১

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:
অটো মানে অটোবায়োগ্রাফি আরকি! =p~

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:২২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: কোথায় গিট্টু লেগেছে? দুষ্টুমির ট্রেইন তো ভালোই চলছে! ;)

১১| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:২৫

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:



একটু আধটু দুষ্টামি করার জন্যে পাগলীর লেখায় আসতেই হয় :-B



#স্যাভেজ ফ্যাক্ট

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:২৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: ওহো! তাই? যাক জাতি আপনার মুখেই আপনার ইন্টেনশন জানিয়া গেল! :P

১২| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:২৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: বাবা মা মানে সন্তানের কাছে ছেলে মেয়ে। তোমার এই পর্বের প্রাণবন্ত লিখনীতে সেই কথাটাই আবার নতুন করে মনে পড়লো। আর নিজের জীবনের একটা বাস্তব ঘটনার কথা চোখের সামনে ভেসে উঠলো।। আগে কখনো বলেছি কী না মনে নেই। আমার মায়ের যখন বিয়ে হয়, তখন তিনি ফাইভ পাশও ছিলেন না। বিয়ের অনেক বছর পরে (যখন আমাদের চার ভাই বোনের জন্ম হয়ে গেছে) আব্বার উৎসাহে মা ম্যাট্রিক পাশ করার জন্য আবার লেখাপড়া শুরু করলেন। বড় ভাইয়ের সাথে সাথে প্রাইভেটে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিয়ে ভালোভাবেই পাশ করলেন। ইন্টারমিডিয়েটও পাশ করলেন। ইতিমধ্যে আমাদের আরও দুই ভাইয়ের জন্ম হয়েছে। এরপর মা অসুস্থতার কারণে কয়েক বছর পড়াশুনা থেকে বিরত ছিলেন। এরপর মা আবার পড়াশুনা শুরু করলেন এবং প্রাইভেটে বি, এ পরীক্ষা দিয়ে পাশ করলেন। আব্বার ইচ্ছা অনুযায়ী তিনি ল' কলেজে নাইট শিফটে ভর্তি হলেন এবং ল'ও পাশ করলেন। তারপর বার কাউন্সিলে পরীক্ষা দিয়ে তিনি এ্যাডভোকেট হয়ে বারে জয়েন করলেন। এই পিরিয়ডে আমাদের আরও একটি বোনের জন্ম হয় এবং সে মাত্র ছয় মাস বয়সে মারা যায় (তার নাম ছিল কেয়া এবং তার নামেই আমি আমার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়েছি কেয়া পাবলিশার্স)।

যাই হোক, বারে জয়েন করার পর প্রথম যেদিন মা বাবার সাথে একসঙ্গে রিক্সায় চড়ে কোর্টে গেলেন, সেদিনের কথা খুব মনে পড়ছে। আমরা ছেলেমেয়েরা সবাই খুব খুশি। মায়ের প্লিডার গাউনটা ঠিক মতো পরা হয়েছে কী না, দুপুরের খাবার ঠিক মতো নেওয়া হয়েছে কী না, ডায়েরি কলম এসব নেওয়া হয়েছে কী না আমরা ছেলেমেয়েরাই তদারকি করে ঠিকঠাক করে দিলাম। তারপর উনারা স্বামী স্ত্রী যখন রিক্সায় উঠে বসলেন, তখন মায়ের লাজুক লাজুক মুখের দিকে তাকিয়ে আমাদের কী যে আনন্দ হয়েছিল তা' ভাষায় প্রকাশ করার নয়।

তোমার বাবা মার মাল্টিন্যাশনাল ক্লাসের বর্ণনা খুব ভালো লাগলো। সেই সাথে তাঁদের দুইজনের ক্লাস করার অভিজ্ঞতাও। ধন্যবাদ সামু পাগলা০০৭।

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:৫০

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেনাভাই, ভীষনই সুন্দর একটি মন্তব্যে আপনাকে পেয়ে খুব খুশি হলাম।

বাবা মা মানে সন্তানের কাছে ছেলে মেয়ে।
এক্স্যাক্টলি, একটা বয়সে এসে এটাই সত্য হয়ে যায়। আমার বাবা মার বয়স যতো বাড়ছে, আমি ততো বেশি করে এটা উপলব্ধি করছি। সময়মতো ঔষুধ খাওয়া নিয়ে রীতিমত বকতে হয়, আর মা চুপচাপ শোনেও বকা বাচ্চার মতো মুখ করে! হাহা। এটাই রীতি, মানুষ, সময়ের মতো সম্পর্কগুলোও পরিবর্তনশীল!

আপনি আড্ডাঘরে বলেছিলেন এসব কথা। আপনার আব্বা এবং মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মানে মন ভরে গিয়েছিল এসব জেনে। আবারো পড়ে ভালো লাগল। বেশ কিছু নতুন ডিটেইল জানলাম। সব মানুষের জীবনেই কিছু কমন ব্যাপার থাকে, যতোই সময়, দেশ, পরিস্থিতি আলাদা হোক! ভীষনই ইন্টারেস্টিং একটা ব্যাপার।

আপনার মতো লেখকের ভালো লাগার চেয়ে বড় প্রেরণা আর কি হতে পারে? মোস্ট ওয়েলকাম। আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ হেনাভাই, সময় ব্যয় করে এমন একটি মন্তব্য করার জন্যে।
ভীষন ভালো থাকুন।

১৩| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:৩০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: লাভ বার্ডসের ইতিকথায়ও সেই সাবলিলতা সেই মুগ্ধতা!

ভবিষ্যতের লেডি হুমায়ুনকে দেখছিনাতো! অথবা জেকে রাওলিং!
অগ্রিম অটোগ্রাফ বুকড করে রাখলাম সখি :)

দারুন সিরিজে বরাবরের মতোই ভালোলাগা। আহ কি ভালবাসা দুজনের। একজন করে ব্রেইনের প্রশংসা আরেকজন সাহসের! :)
যেন দুজনে দুজনার :)

হ্যা। উনি ক্লাশেতো গিয়েছিলেন হিন্টস বলে দেয়। উনি খুব বিস্ময়কর ভাল করেছিলেন শেষে! ঠিক?

সবসময়ের শুভকামনা জন্মান্তরেও
ভাল থেকো শুভকামনাওপারেও :)

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আপনাকে এত্তগুলো ভেংচি। বেশি বেশি বলে! অটোগ্রাফ বুক করার কিছু নেই, আমি অটোগ্রাফ দেবার মতো কেউ হবোনা। আপনি তো অলরেডি অটোগ্রাফ দেবার মতো মানুষ। কত অসাধারণ সব কবিতা লেখেন! তবে আমি অটোগ্রাফ চাইবনা, দূরের মানুষ হলে স্মৃতি রেখে দেয় অটোগ্রাফে। আপন সখার কাছে আর অটোগ্রাফ কিসের? :)

আসলেই দুজন দুজনার! এভাবেই লাভবার্ডসে পৃথিবী ভরে উঠুক। ব্রেকআপ, ডিভোর্সের খবর শুনতে শুনতে মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। ভালোবেসে ভালোবাসাকে বেঁধে রাখা হোক জনম জনম।

অনেক ধন্যবাদ কুইজে অংশ নেবার জন্যে। ঠিক কি ভুল সেটা জানার জন্যে তো ওয়েট করতে হবে সখা!

অনেক সুন্দরভাবে শুভকামনা জানালেন।
আমি দোয়া করি, আপনার জনম জনমের শূন্যতাগুলো পূর্ণতায় পরিণত হোক।

১৪| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:২১

গড়ল বলেছেন: রাতে ডিসিশন নিয়ে পরের দিনই কোর্স শুরু করতে পারল? অ্যাপয়েন্টমেন্ট, অ্যাডমিশন, রেজিস্ট্রেশন, কোর্স শিডিউল এসব না হয় বাদ দিলাম, সবার জন্যই কোর্সটা ঠিক পরের দিনই শুরু হয়ে গেল। কারণ নিশ্চই কোন চলমান কোর্সের মাঝখানে কাউকে ঢুকিয়ে দিবে না। দু:খিত, জাস্ট কিউরিয়াসিটি।

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৪

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: ওদের ব্যাপারে আমরা জেনেছিলাম ইমিগ্র্যান্ট সার্ভিস সেন্টার থেকে। ওখানে যারা সাহায্যের জন্যে যায়, তাদের সবার ইমেইল নিয়ে রাখে। পুরো শহরে কোথায় কি অপোর্চুনিটি তৈরি হচ্ছে, কাজ সহ বেড়াতে যাওয়া, ফেস্টিভালস সবকিছু নিয়ে কিছুদিন পরে পরে গ্রুপ ইমেইল পাঠাতে থাকে।
তাদের ইমেইলটি একটি রিজনেবল টাইমেও দেওয়া হয়। ভর্তি নিচ্ছে, নতুন ক্লাস শুরু হচ্ছে তেমন একটা টাইমেই জেনে ওখানে যাওয়া হয়। তবে একদমই পরের দিন হওয়াটা কাকতালীয়। মা মাঝেমাঝেই বলে, কানাডায় এসে অনেককিছু খাপে খাপে মিলে গেছিলরে আল্লাহর রহমতে। সেই লিস্টে নানাকিছুর পাশাপাশি গেলাম আর পরের দিনই ক্লাস শুরু করলাম সে কথাও বলে। মায়ের জন্যে তো স্মরণীয় স্মৃতি।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট, অ্যাডমিশন, রেজিস্ট্রেশন, কোর্স শিডিউল এসব না হয় বাদ দিলাম,
না না বাদ দেবেন কেন? ধরে রাখুন? হাহা হিহি!
আগের পর্বে এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে ওখানে যাওয়া, ওখানে এক মহিলার সাথে কথার ব্যাপারগুলো লেখা হয়েছে। তিনি বাবা মা, আমাকে কোয়ালিফিকেশন জিজ্ঞেস করেন, বাবা মাকে ভর্তি হবার পরামর্শ দেন, এবং তখনই ভর্তি করিয়ে সবকিছু সেট করে দেন।
এটা কোন স্কুল ভার্সিটি না, একধরণের সাহায্যকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে পারেন। ওখানে যে কেউ ভর্তি হতে পারে, বয়স, জাতি ব্যাপার না। এমন না যে সারটেইন মার্ক বা এক্সপেরিয়েন্স লাগবে ভর্তি হতে, ভর্তি হয়ে বাকায়দা পার সেমিস্টার ৬ টি কোর্স করতে হবে। ফি দিতে হবে। সেসব কিছুই না, তাই কোন কম্প্লিকেটেড প্রসেস নেই। যেটুকু আছে সেটুকু সেদিন সেই মহিলা করে দিয়েছিলেন, যেহেতু কোর্স শুরু হচ্ছিল পরের দিনই। আর ক্রাশ কোর্সগুলো জলদিই শেষ হয়ে নতুন শেসন দ্রুতই শুরু হতে থাকে। বেশ কয়েকটি সেকশনও একসাথে চলতে থাকে খুব সম্ভবত। এজন্যে সো কলড ভর্তি এবং ডেট পাবার ব্যাপারটি এত সহজ ছিল।

আর এমন অনেক ইংলিশ লার্নিং কোর্স থাকে যেখানে চলমান কোর্সেই মানুষজন আসতে যেতে থাকে। নানা লেভেলের ক্লাস কন্টিনিউয়াসলি চলতে থাকে। যখন ভর্তি হবে তখন থেকে নিয়ে পার্টিকিউলার হাওয়ারস যোগ করে সার্টিফিকেট দেয়। ফ্রি কোন সার্ভিসেই স্ট্রিক্ট রেসট্রিকশন থাকেনা, কেননা সেটা শুধুই সাহায্যের জন্যে। এধরণের কোর্সের জন্যে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হলে নতুন ইমিগ্র্যান্টরা সমস্যায় পড়ে যেত! এগুলোকে সম্বল করেই তো এগোতে থাকে অনেকে। কানাডায় আসলে জীবনটাকে সহজ করে নিতে জানে। সবকিছুর ব্যবস্থাপনাই নিজের ও অন্যের সুবিধামতো করে ফেলে।

আরেহ দুঃখিত হবার কি আছে? আপনি যে খেয়াল করে পড়েছেন এবং এটা নিয়ে ভেবেছেনও সেটা জেনে ভালো লাগল। আমি লেখায় অনেককিছু ক্লিয়ার করতে পারিনা। কেননা কিছু কিছু জিনিস লেখায় হুটহাট আনা যায়না, গল্পে ছেদ পড়ে যায়। আর একই জিনিস নিয়ে বেশি লিখে গেলে একঘেয়েমির সৃষ্টি হয়। মন্তব্যে সেসব জানাতে পেরে ভালো লাগে। আমাকে সুযোগ করে দেবার জন্যে আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।

ভীষন ভীষন ভালো থাকবেন।

১৫| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:০৬

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: খুব ভাল লিখেছেন।
ধন্যবাদ সামুপাগলা।

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৭

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেই মোস্তফা সোহেল! পোস্টে পেয়ে ভালো লাগল।

ভালো লাগা জানিয়ে কৃতজ্ঞ করেছেন।
মোস্ট ওয়েলকাম এবং আপনাকেও পাঠ ও মন্তব্যে ধন্যবাদ।

শুভকামনা জানবেন।

১৬| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:২৩

অচেনা হৃদি বলেছেন: বাংলাদেশি কিশোরীর পিতামাতা সারাজীবন এভাবে কাছাকাছি থাকুক, সুখে থাকুক ।
:)
আপু আপনি তো লেখায় ভালো সাস্পেনশন তৈরি করেন । ভালো লাগে পড়তে ।
আচ্ছা আপু লেখালেখির ক্ষেত্রে কি আপনি কাউকে ফলো করেন ? কোনো সাহিত্যিক ? (বাংলা/ইংরেজি)

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৫

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হৃদি আপু! খুশি হলাম পোস্টে পেয়ে।

তা থাকবে ইনশাল্লাহ। আপনাকে ধন্যবাদ তাদেরকে শুভকামনায় রাখার জন্যে।

থ্যাংকস এ লট আপু। উৎসাহিত হলাম।

নাহ, কাউকে ফলো করিনা। আর করা উচিৎও না, আমি নিজ স্টাইল, নিজ আবেগ ও মেধায় যা লিখব সেটাই ভালো হবে সবচেয়ে। কাউকে ফলো করলে তার সাথে আমার লেখার ধরণে মিল থাকবে। তখন লেখাকে তুলনা করা হবে, বিরাট মাপের মানুষদের সাথে তুলনায় ভীষনভাবে পেছনে পড়ে যাব। তাদের মতো হতে তো পারবনা। শেষে হারিয়ে যাব। নিজের একটা স্টাইলে চললে সেসব হবেনা। ভালো হোক খারাপ হোক, মানুষজন আমার লেখা পড়ার সময়ে শুধু আমার কথাই ভাববে। অন্যকারো লেখার ঝলক তাদের চোখে ভাসবেনা।

আই এম দ্যা বেস্ট ভার্সন অফ মি
দ্যা ওয়ার্ল্ড উইল এভার সি!

ওপরের লাইনগুলোকেই ফলো করি সবকাজে! :)

ভীষন ভালো থাকবেন আপু!

১৭| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫১

ভ্রমরের ডানা বলেছেন: এহেম এহেম...







ইয়ে ভাল কোন গান হবে নাকি?

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০১

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হুমম হবে! এটা কেমন? view this link

১৮| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৪

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:

বেশ লাগল। খুব ভাল গান। মায়া নাইরে....

আমিও দিলাম একটা

হিপহপ

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ গানটি শেয়ার করার জন্যে, তবে গানটি বুঝলাম না!

ঝাকানাকা গান: view this link

১৯| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪২

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:

ধ্যাত্রেকি!!! কান ফাইইইট্টা গেল ভায়া...

এইডা শোনেন-


এই নিন দুষ্ট গান..

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: এগুলো আসলে আমাদের ইয়াংদের গান, আপনার মতো সিনিয়ার সিটিজেনদের কান ফেটে যায়, হাড় ভেঙ্গে যায়। কতকিছু হয়! হেহে।

এট শোনেন আপনি: view this link

গানটি অনেক সুন্দর, আমার খুব প্রিয় একটা গান। থ্যাংকস এ লট ফর শেয়ারিং!

২০| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:০৯

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:




এগুলো আসলে আমাদের ইয়াংদের গান, আপনার মতো সিনিয়ার সিটিজেনদের কান ফেটে যায়, হাড় ভেঙ্গে যায়। কতকিছু হয়!


what?? R U Serious! :-B

ওয়ে,

বুঝছ নিবা ভাই
আমরা যদি গান গাইতো ভালা কইরা গাই
তোমরা খালি ফুচ ফ্যাচফ্যাচ ভিত্রে কিছুই নাই...
তোমার মত ইয়াঙ্কি আমরা ভাজি করে খাই..



আসল গান শোনেন

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:২৩

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: what?? R U Serious!
হোয়াট ডু ইউ থিংক? ;)

মাছ ভাজাই তো পারেন না খেতে
কতই বা জোর বেঁচে যাওয়া দু একটা দাঁতে? ;)
ইয়াংদের ভেতর পূর্ণ জ্ঞানে, পুরোন নতুন মেশে সবিতে
নতুনদের ছোট করে দেখাই বয়স্কদের স্বভাব বটে! :D

হেহে, কি গান একেকটা! ভালো গান শোনা হয়না মনে হয় আপনার! এজন্যেই তো এলেন আমার কাছে, একদম ঠিক জায়গায় এসেছেন! ;)
গান: view this link

২১| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৩৩

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:
গান টা অনেক ভাল। লিরিক্স আর ভিজুয়াল খুব ভাল ছিল থ্যাংকস!


লাল ভাই এইডা কি গাইল। মাথার উপ্রে দিয়া গেল। দেখুন শোনে-



view this link

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪০

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: মোস্ট ওয়েলকাম। এটা শোনেন, এই লিরিক্সটা আমার সবচেয়ে প্রিয়: view this link

আমার মাথা ঘুরছে। ইহা আমি কি শুনিলাম? :D

আপনার কানাডায় আসার কি হলো? লম্বা লাফ কবে দিচ্ছেন? ;)

২২| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:২২

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:


হতচ্ছাড়াকে সুপারভাইজার ছাড়ছে না। পিএইডি করতে বলছে এখানেই। আমি ভাবছি। দেখি, টপিক দেখে পছন্দ হলে দেশেই থেকে যাব। আর দেশেই থাকার ইচ্ছে বেশি । তবে সাসকাটন কানাডা, জার্মানি কিংবা আম্রিকা তে ট্রাই করে যাব ফর হাইয়ার স্টাডি।

স্টাডি টপিক অ্যান্ড ইন্টারেস্ট ফ্যাক্ট মশাই! মিলে না। মিলতেও চায় না। প্যাঁচাল! আর পাওয়াও মুশকিল!



গান শোনেন-
view this link

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৩৫

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: পিএইডি আর আপনি? আপনাকে পিএইডি টাইপ মনে হয়না। পেঁয়াজডি টাইপ মনে হয়! ;) :D

মন যেটা চায় সেটাই করুন, মনের বিরুদ্ধে গেলে মন পরে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ত্যক্ত বিরক্ত করে দেবে। দেশে থাকার ইচ্ছে হলে দেশেই থাকুন, আশা করছি ভালো একটা টপিক খুঁজে পাবেন। টপিক খোঁজা এবং টাইটেল সিলেক্টই কঠিন, পরে সব কাজ জলদিই এগিয়ে যাবে। আর বিদেশে যাবার ইচ্ছে থাকলেও এখন থেকেই প্রস্তুতি নিন, ইটস আ লং, টায়ারিং প্রসেস! একটা সময়ের পরে অতো ছোটাছুটি, খাটনির ধৈর্য্য থাকবেনা।

ওমা! কি সুন্দর গান! থ্যাংকস এ লটটটট ফর শেয়ারিং।
গান: view this link

২৩| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:২৮

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:

সরি, গানের কথা বলতে ভুলেই গেছি। গানটা খুবিই রোমান্টিক। ভলকানো দুটোর মধ্যেকার কেমিস্ট্রি খুব ভাল লেগেছে!

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৩৭

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: ইটস ওকে। আসলেই ইন্টারেস্টিং, শেষে "আই লাভা ইউ" ইজ জাস্ট অসাম!

২৪| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৫৫

তারেক ফাহিম বলেছেন: সবিতো ঠিক আছে, পড়েও মজা পেলাম, আগের পর্বগুলো পড়ারও ইচ্ছা জাগলো কিন্তু সময়............??
আচ্ছা দেখি দু-একদিনের ভিতরেই শেষ করবো।

১০ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৪২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: বেশ আন্তরিক একটি কমেন্ট। মজা লেগেছে জেনে ভালো লাগল। সময় ও সুযোগ করে আরো কয়েকটি পর্ব পড়ে ফেলুন। আশা করছি সেগুলোও মজা লাগবে।

অনেক ধন্যবাদ পাঠ ও মন্তব্যে।
শুভকামনা।

২৫| ১০ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:০৫

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: ওয়েল! ওয়েল! লাভ বার্ডসের প্রথম কানাডিয়ান ক্লাসের অভিজ্ঞতা ইন্টারেস্টিং লেগেছে! বর্ণনাকারির বর্ণনার স্টাইলটাও বেশ আকর্ষণীয়! এগিয়ে যাক কাহিনী! সঙ্গে আছি।

১০ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৪৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেই মিস্টার বোকা, ভালো আছেন আশা করি!

ওয়েল! ওয়েল!
হাহা, খুব স্টাইল করে, ভাব নিয়ে কথা বলা মানুষেরা কথায় কথায় "ওয়েল!" বলে। আপনি ডুড টাইপ! ;)

আন্তরিক ধন্যবাদ, আপনার মন্তব্যে অনেক অনুপ্রেরণা মেশানো ছিল।
সাথে থাকুন, এগিয়ে যাব।

২৬| ১০ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:০২

সেতু আমিন বলেছেন: সবগুলো পর্ব পড়ে শেষ করেছি। ভালো লিখেছেন।

১১ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৬:৫৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: ওমা তাই? সময় ব্যয় করে কষ্ট করে সবগুলো পর্ব পড়ার জন্যে আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। উৎসাহিত হলাম।
শুভকামনা।

২৭| ১০ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:৪০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
একটু একটু করে জীবনের গল্পতো
ঘরে ঘরে সাজানো থাকবে
কখনো সূর্য দিন কখনো চন্দ্র রাত
কখনো বা গ্রহণ তো লাগবে।

১১ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৬:৫৮

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আপনাকে পোস্টে পেয়ে অনেক ভালো লাগল।

বাহ! গানটি একদম পারফেক্ট বসেছে জীবনের গল্পের এই সিরিজে। সুন্দর কমেন্ট! ধন্যবাদ অজস্র।
ভালো থাকবেন।

২৮| ১০ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:৫৭

শামচুল হক বলেছেন: এ পর্বও ভালো লাগল। ধন্যবাদ

১১ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৬:৫৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: মোস্ট ওয়েলকাম!
প্রতি পর্বে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন আন্তরিকতার সাথে। মন থেকে ধন্যবাদ জানাই।

ভালো থাকুন।

২৯| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:০৯

জাহিদ অনিক বলেছেন:


কুইজের উত্তর কি !!
আই থিংক তোমার মা ক্লাসটা কন্টিনিও করেছিল।

১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: অনিক, মাই ডিয়ার বান্দর, পুরো লেখা না হোক, এট লিস্ট কুইজের লাইনগুলোই ঠিকমতো পড়ে নিতে! X( ;) তুমি যে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছ তা আমি অলরেডী দিয়ে দিয়েছি, কারণ কি সেটা আসল প্রশ্ন ছিল!

এমন দায়সারা গোছের মন্তব্যে তো আমি ধন্যবাদ ও দেবনা। :D

৩০| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:০৬

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:
লেখক বলেছেন: পিএইডি আর আপনি? আপনাকে পিএইডি টাইপ মনে হয়না। পেঁয়াজডি টাইপ মনে হয়! ;) :D



কিন্তু হুয়াই? কি দোষ করেচি আমি! :||



১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৮

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আপনে এত্ত ফাজলামি করেন, যে আমার মন এহনো মানবার চাইতাচে না যে আপনে পেঁয়াজডি থুক্কু পিএইডি করতাচেন! পিএইডি মানে হইতাচে গিয়া ডক্টর অফ ফিলোসফি! আর পেঁয়াজডির মানে হইতাচে যে মা অথবা বউয়ের বকায় পেঁয়াজ কাইট্টা কাইট্টা নাজেহাল হয়। আপনেই কন আপনের লগে কোনডা মানায়? ফিলোসফি শব্দডা আপনের মতোন দুষ্টু, মহা ফাজিলের লগে যায়? অন্তরে উঁকি মাইরা হাচা কন দেহি! :D

৩১| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:১৮

চঞ্চল হরিণী বলেছেন: কাল রাতেই গল্পটা পড়েছিলাম। লগইন করলাম এখন। ঘটনাগুলো পড়তে খুব মজা পাচ্ছিলাম আপু। বুঝতেই পারছি আগের পর্বগুলোতেও এরকম মজার অনেক কিছু আছে। আপনার মা যেন ঠিক আপনার বান্ধবী। কল্পনায় হলুদ ড্রেস পড়া এক সুন্দরী নারীকে দেখতে পাচ্ছিলাম, যে ক্লাসের পড়া বুঝতে পারছে না কিন্তু খুব ভাব নিয়ে বসে আছে B-) । গল্পগুলো চলতে থাকুক। পড়তে থাকি, জানতে থাকি জীবনের ঘটনা :)

১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: কল্পনায় হলুদ ড্রেস পড়া এক সুন্দরী নারীকে দেখতে পাচ্ছিলাম, যে ক্লাসের পড়া বুঝতে পারছে না কিন্তু খুব ভাব নিয়ে বসে আছে B-)
আপনি খুব নিখুঁত একজন পাঠক। একদম এটাই হয়েছিল। মায়ের ভেতরে যাই থাকুক, বাইরে ঠাটেবাটে থাকে। আমার এত ভালো লাগল ছোট্ট এক লাইনে আপনি এই বিষয়টি ধরে ফেলেছেন! মুগ্ধ হয়ে গেলাম।

আপনার মজা লেগেছে জেনে ভালো লাগল। উৎসাহিত হলাম।

সাথে থাকুন যাত্রী হয়ে, চলবে তাহলে জীবন গল্পের ট্রেইন...

পাঠ ও সুন্দর মন্তব্যে ধন্যবাদ।
শুভকামনা!

৩২| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪১

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:

শুরু করি নাই এখনো! মাগার অফার ডা কিন্তু পাইছি! =p~ বল আমার কোর্টে! তয় আপনি ঠিকি কইছেন। অন্তর ঝাইক্কা দেখলাম দার্শনিক ভাই ভষ্ম হইয়া গিয়াছে, তার উপর উনুনে আমি পেয়াচের চচ্চড়ি বানাইতেছি!



ইইইইউউউউউউউউ... এইডা আমি কি দেখলাম.. :P

১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২১

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আমার কারণে আপনে মিয়া নিজের অন্তরের আসল স্বরূপ দেইক্কা ফেলাইলেন। আমারে কাচ্চি খাওয়ান উইথ লাচ্চি! লগে আপনের স্পেশাল পেঁয়াজের পাকোড়াও চাই! ;)

নিজেরে দেইক্কা যে এমন চিক্কুর দেয়, তারে দেইক্কা অন্যেরা কি লুক দেয় ভাইব্বাই হাস পাইতাছে! :P



আমার মা যদি দেখে আমি এমন সব ভাষায় কথা বলছি, কি যে শকড হবে! তারপরে আমাকে যে কি করবে আল্লাহই জানেন! হাহা।

৩৩| ১২ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:১৭

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: কুইজের উত্তর: আমার মা ক্লাস কন্টিনিউ করার ডিসিশন নেয় নিজে থেকেই। বাবা আর আমি খুব অবাক হয়েছিলাম, এটা আশাই করিনি। তখন এটা সেটা জিজ্ঞেস করেনি কেউ, মুড বিগড়ে যাবে সে ভয়ে। এজন্যে পরের পর্বে আপনারা আমকে ও বাবাকে পাজলডই পাবেন।
তবে কাহিনী ফাস্টফরওয়ার্ড করে বলে দেই কারণটি। মাকে অনেকদিন পরে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তোমার তো ক্লাস খুব ভয় ভয় লাগত, প্রতিদিন মন খারাপ করে যেতে, এনজয় করতে না। তবে কেন নিজ ডিসিশনে আবারো গেলে?
মা বলেছিল, "যদি না যেতাম তোর বাপ আমাকে সারাজীবন শোনাত, একদিন গিয়েই তো আর পারলে না!"
আমি বললাম, না মা, বাবা সেদিন তো খুবই খুশি ছিল, তুমি একদিন যে সাহস দেখিয়েছ তাতেই প্রাউড ছিল।
মা বলল, "সে ভালো সময়ে, ঝগড়ার সময়ে ঠিকই ওটা নিয়ে টান দিত! তুই চিনিস না তোর বাবাকে। আমি কি আর সে সুযোগ দেই? এজন্যে দাঁতে দাঁত চেপে ঐ জার্মান টিচারকে, উদ্ভট ছেলে মেয়েকে সহ্য করেছি, বুড়ো বয়সে পড়াশোনা করেছি!"

এই হলো ঘটনা! :)

৩৪| ১২ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:০৮

শামচুল হক বলেছেন: আগেও পড়েছি আবার পড়লাম, শেষের কুইজও পড়লাম, বাবা মায়ের লাভবার্ড জুটিই বটে! পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪৭

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: ওমা! দুবার পড়লেন? ভীষনভাবে উৎসাহিত হলাম জেনে। আন্তরিক ধন্যবাদ।

আসলেই, তারা লাভবার্ড জুটি! আমি অনেক লাকি তাদের কে পেয়ে।

পাশে থাকুন, পরের পর্ব এসে যাবে......

৩৫| ১৩ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৬

নিওফাইট নিটোল বলেছেন: লাভবার্ডদের শুরুটা যে এমনই হবে সেটা গেস করেছিলাম- এই বয়সে সেই দিনগুলোর স্মৃতিচারণ নিশ্চয়ই মারাত্মক রোমাঞ্চ তৈরি করে- আপনার না, তাদের মনে? :D

মা লজ্জা পেয়ে গেল
আহা রে.......আমিই মনে হয় দুনিয়ার গুটিকয়েক হতভাগাদের একজন যে বাবার জন্য মাকে রোমান্টিক হতে দেখা কিংবা লজ্জা পাওয়ার স্মৃতি ভুলে যাওয়া পাবলিক......মাঝামাঝি বড়বেলায়- পাশের বাসার আন্টি/আপু এমনকি যখন বাবার কলিগরা রয়ে সয়ে মা-র রূপ-গুণের প্রশংসা করত, তখনকার রক্তিম গালের কিছু চেহারা আবছা মনে আছে ঠিকই, কিন্তু মা-বাবার রোমান্টিসিজম সামনে থেকে কবে চোখে পড়েছিল ভুলেই গেছি :-< ......ব্লগার আবুহেনা-র মত অভিজ্ঞতা আমারও হয়েছে, কিন্তু আপনার মতো কোন ঘটনা এখন আর মনেও করতে পারি না!!

কুইজ নিয়ে এখন আর তেমন ভাবিনা......নারীমন বোঝাই কঠিন, আর এ তো নারীকুইজ =p~

অফুরন্ত শুভেচ্ছা :)

১৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেই মাস্টারসাহেব! ভালো আছেন আশা করি।

হাহা, শুধু তাদেরই নয়, আমার মনেও ভালোই রোমাঞ্চ তৈরি করে! তারই ফল এই পর্বগুলো! :)

আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্যে ধন্যবাদ।
আপনার জন্যে রইল সকল শুভকামনা!

ওহ, পরের পর্ব এসে গেছে! :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.