নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সায়েমা খাতুনঃ নৃবিজ্ঞানী, এথনোগ্রাফার এবং গল্পকার

সায়েমার ব্লগ

সায়েমা খাতুনঃ নৃবিজ্ঞানী, গবেষক ও লেখক

সায়েমার ব্লগ › বিস্তারিত পোস্টঃ

"পিছিয়ে পড়া মুসলমান" এর বয়ান এবং একটি নেতিবাচক রাষ্ট্রচিন্তা

২৬ শে মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:২৪

বার হাজার মাইল দূরত্বে ব্রিটিশ ভারতের দুই বিপরীত সীমান্তবর্তী অঞ্চল নিয়ে যে অস্বাভাবিক নজীরবিহীন একটি রাষ্ট্র ব্রিটিশ-ভারতের ঔপনিবেশিক শক্তি শেষ মুহূর্তে সৃষ্টি করে দিয়ে গিয়েছিল, তা জন্ম থেকেই স্বল্পায়ু ছিল। গোড়া থেকেই এটা ছিল রেসিপি ফর ডিজাস্টার।এটা ছিল কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি করা মানবসৃষ্ট বিপর্যয় যাতে ৭৫,০০০- ১০,০,০০০ নারীকে অপহৃত ও ধর্ষিত হতে হয়েছিলো, বিশ লক্ষ মানুষ দুই কোটি মানুষকে গৃহহারা হতে হয়েছিলো এই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে। এই বাড়ি-ঘর, সহায়-সম্পদ, জমি- জান-মাল-সম্মান- মর্যাদা-নিরাপত্তার এই বলিদান কোন ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামে দেয়া হয় নাই। ভারতীয় উপদ্বীপে সৃষ্ট কৃত্রিম এক নজিরবিহীন গৃহযুদ্ধে এই বিপুল প্রাণের অপচয় ঘটলো।

দুনিয়ার নিপীড়িত ইহুদীদের জন্যে একটি রাষ্ট্রের মত কৃত্রিম একটি রাষ্ট্রের আদলে "নিপীড়িত মুসলমানদের জন্যে রাষ্ট্র"- ধারনাটা এই জন্যে খুব আশ্চর্যজনক যে, দুনিয়াতে মুসলমানরা প্রথম যুগের খেলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে কখনও persecuted statelss ছিল না, সংখ্যালঘু ছিলও না। বরং ছিল সংখ্যায় জ্যামিতিক হারে ক্রমবর্ধিষ্ণু এবং শক্তিশালী রাষ্ট্র ব্যবস্থার স্রস্টা। কোন অঞ্চলে সংখ্যায় কম হওয়া নিয়ে তাদের অস্তিত্ব হারানোয় কোন ভয় ছিল না। বরং তাদের জীবনাচরণ ছিল সহজেই সংক্রামক এবং সমাজ ছিলও সহজেই বর্ধিষ্ণু এবং সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময়। আমি এখনও ভেবে পাই না, কেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মুসলমানদের প্রতিনিধিত্বকারীদের "নিপীড়িত মুসলমান" দের "সুরক্ষা"র জন্যে ইহুদীদের জন্যে ইসরায়েলের আদলে রাষ্ট্র কল্পনার চাইতে ভাল কিছু চিন্তা করা গেল না। মুসলমানদের জীবনে বৈশ্বিক উম্মাহর কালেকটিভ কন্সাসনেস আধ্যাত্মিক ও পারলৌকিক জীবনের জন্যে জাতিরাষ্ট্রের চাইতে অনেক বেশী অর্থবহ। পাকিস্তান নামক তথাকথিত মুসলমানের আবাসভূমিটি এই জাতিরাষ্ট্রের নামে সাংস্কৃতিকভাবে ভিন্ন আরেক মুসলমান ভাই-ব্রাদারদের সমাজে গণহত্যা-গণ ধর্ষণ পর্যন্ত সংঘটিত করে ফেললো। এর চেয়ে বড় অধঃপতন আর কি হতে পারে?

হাজার বছরেরও বেশী সময় ধরে মুসলমানরা বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডের বিচিত্র ভাষাভাষী, বিচিত্র জাতিগোষ্ঠী ও সংস্কৃতির শত শত কোটি মানুষের শাসক ছিল, অটোম্যান, মুঘল সাম্রাজ্য সেই সময়ের জন্যে ছিলও সদ্য বিগত বাস্তবতা। এখনও আধুনিক বিশ্বের বিপুল অংশে মুসলমানরাই রাষ্ট্র পরিচালক। স্পেন, মরক্কো থেকে ইন্দোনেশিয়া অব্দি এক বিরাট পৃথিবী বিভিন্ন মুসলমান খিলাফত ও রাজতন্ত্রের অধীনে ছিল। সেটা কোন হারিয়ে যাওয়া অতীতকালও নয়। ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে বিপুল ভূভাগে তারা শক্তিশালী রাষ্ট্র কায়েম করে আছে। এবং এদের সংখ্যা বাড়া ছাড়া কমে যাওয়ার কোন লক্ষণ নাই। "নিপীড়িত ইহুদী"র ইতিহাস বা বাস্তবতার সাথে কি মুসলমানদের ইতিহাস ও অবস্থার কোন তুলনা চলতে পারে? বাংলার উইলিয়াম হান্টার জাতীয় ব্রিটিশ প্রশাসকেরা "পিছিয়ে পড়া মুসলমান" এর বয়ান সৃষ্টি করেন এবং সেই "ব্যাকওয়ার্ড মুসলমান" এর ধারনা আজও পশ্চিমা শিক্ষিত আধুনিক প্রগতিশীল বয়ানের মৌল আলাপ। এই রকম রাষ্ট্রকল্পনার সবচেয়ে দুর্বল জায়গাটাই ছিল এটা। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এ সময় জাতি একটা শক্তিমত্তার কল্পনায় গড়ে না উঠে, দুর্বলতার কল্পনায় ভিত্তি করে গড়ে উঠল।

পার্টিশনের ২৩ বছরের মধ্যেই পাকিস্তান ভেঙ্গে যাওয়াতে নিঃসন্দেহে ভারতের আঞ্চলিক আধিপত্য নিশ্চিত হয়েছে, পাকিস্তান ভাঙ্গার ফলে ভারত সবচেয়ে লাভবান হয়েছে। তবে, 'আঞ্চলিক আধিপত্য সৃষ্টির জন্যে ভারতের ষড়যন্ত্রে পাকিস্তান ভেঙ্গে যায়' - বহুদিন ধরে এই ধরনের আলাপ যারা করছেন, তারা ভুলে যাচ্ছেন (কিম্বা ভুলে যাওয়ার ভান করছেন) যে, ঢাকার বুকে পাকবাহিনীর অপারেশন সার্চ লাইট নামক নৃশংস গণহত্যা ঘটানোর পরে পাকিস্তানের আর এক টুকরা থাকার সুযোগ থাকে না।এটাকে সম্ভবত তারা ভারতের কৃতিত্ব বলবেন না।পাকিস্তানে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি না হওয়া, পাকিস্তান ভাঙা সামরিক জান্তা সরকারেরই কৃতিত্ব। তাদের অভ্যন্তরীণ ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রনীতির কৃতিত্ব। এই ধরনের রাষ্ট্রনীতি কি মুসলমান আইডেন্টিটি দিয়ে ভ্রাতৃত্ববন্ধনে যুক্ত থাকার সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পেরেছিল? আমার তো মনে হয় না। এই সামরিক এক নায়কতন্ত্র যে কোন ধরনের ঐক্যের সম্ভাবনাকেই অঙ্কুরে বিনাশ করে দিয়েছে। পাকিস্তানের জনসাধারণের মূল অংশটুকু সেই সরকারকে নির্বাচিত করে নাই, সেই রাষ্ট্র ব্যবস্থা নির্বাচন করে নাই। পাকিস্তানের জনসাধারণ আজও সেই বে-ইনসাফ ভিত্তিক নীতির মাসুল গুনছে এবং আজ পর্যন্ত গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করবার সংগ্রাম করে যাচ্ছে। পাকিস্তানের আমজনতা সামরিক-আমলা-ভূস্বামী- রাজনীতিক কতিপয়তান্ত্রিক এলিট গোষ্ঠীর ক্ষমতা দখলে রাখার এই অন্যায্য খেলার ভিকটিম হয়েছে। এত বছর বাদে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের ইতিহাসের এই এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো করবার শক্তি হয়েছে।

মানচিত্র ও ছবিঃ সংগৃহীত

২৬ শে মার্চ, ২০২৪
মিলওয়াকি, উইসকন্সিন

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে মার্চ, ২০২৪ রাত ৮:০৬

শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার এই লেখায় বেশ কিছু ভালো চিন্তাশীল উপকরণ আছে।


আপনার প্রথম প্রশ্ন এবং উত্তরটি "পিছিয়ে পড়া মুসলমান এর ধারণা থেকে যে রাষ্ট্রচিন্তা তা নেতিবাচক কী না?" যার উত্তর আপনি দিয়েছেন "হ্যা" আমার কাছে যুক্তিশীল এবং কৌতুহলোদ্দীপক মনে হয়েছে।

তারপর দ্বিতীয়টি - বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান মিলিয়ে কৃত্রিমভাবে জোড়ালাগানো দুটি ভুখন্ড মিলে তৈরী পাকিস্তান, যা আপনার আলোচনায় গোড়া থেকেই ছিল রেসিপি ফর ডিজাস্টার" এবং এর পরিণতির আলোচনাও কৌতুহলোদ্দীপক মনে হয়েছে।

তবে চিন্তার পরিবেশনটা মনে হয়েছে জট পাকানো। খুবই এলোমেলো আগোছালো ভাবে আলাপটা এগিয়েছে।

২| ২৬ শে মার্চ, ২০২৪ রাত ৮:১৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
খুব সুন্দর করে অনেক কিছু বর্ণনা করে লিখেছেন। ভালো লাগলো।
এখন অবশ্য যুগের পরিবর্তন হয়েছে। এখন আর জোরপূর্বক কোন দেশ দখল করে নিজের করে ফেল ার কোন উপায় নেই।

শতভাগ স্বায়ত্তশাসন প্রাদেশিক নিজেদের শাসন থাকলে বৃহত্তর ভারত হিসেবে থাকলে সেটাই সবচেয়ে ভালো হতো। বহু ভাষাভাষী হিসাবে যেভাবে ভারত এখনো টিকে আছে। এবং বিপুল সংখ্যক ভিন্নবাসী উপজাতি নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা টিকে আছে। আমেরিকার পঞ্চাশটি স্টেট প্রত্যেকটি স্টেটে নিজস্ব আয় নিজস্ব আইন। টিকে আছে। ব্রিটেনের স্কটল্যান্ড এবং ওয়েলস গণভট করে পৃথক হওয়ার মেন্ডেট নিয়েছিল, এবং ব্রিটেন ছেড়েও দিয়েছিল। কিন্তু তারা পৃথক হয়নি সঙ্গত কারণেই । কারণ একত্রে থাকলে অনেক সুবিধা। আর স্বাধীনতার সুবিধার শতভাগ স্বায়ত্তশাসন ও আর্থিক স্বাধীনতা থাকলেই চলে।

৩| ২৬ শে মার্চ, ২০২৪ রাত ৯:০২

কামাল১৮ বলেছেন: বিনয়ের সাথে দ্বিমত প্রকাশ করছি,একাত্তরে কোন গৃহযুদ্ধ ছিলো না।এটা ছিলো জাতীয় যুদ্ধ,স্বাধীনতার যুদ্ধ।ভারত কোন আদর্শ রাষ্ট নয়।ভারতের পূর্ব অংশ এখনো জাতীয় নির্যাতনের শিকার।ভারত শক্তিশালী রাষ্ট্র হওয়াতে তারা সুবিধা করতে পারছে না।বৃহত কোন শক্তি তাদের পাশে নাই।যেমন আমাদের পাশে ছিলো রাশিয়া,ভারত।

০২ রা এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:০৪

সায়েমার ব্লগ বলেছেন: আপনার সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ। এখানে ১৯৪৬-৪৭ সালের দাঙ্গাকে গৃহযুদ্ধ বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে নয়। ভারতকে আদর্শ রাষ্ট্রও বলা হয় নাই। ঐতিহাসিকভাবে ব্রিটিশ-ভারতের কথা বলা হয়েছে।

৪| ২৬ শে মার্চ, ২০২৪ রাত ১১:০৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: মুসলমানদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র গঠন ছিল একটা টাইমলি ডিমান্ড। তবে, লাহোর প্রস্তাবের মূল পয়েন্ট অনুযায়ী দেশ ভাগের সময়েই মুসলমানদের জন্য ২টা রাষ্ট্র হওয়া দরকার ছিল - পশ্চিম বেল্টে পাকিস্তান, আর 'বাংলাদেশ' হিসাবে পূর্ব বেল্টের ইস্ট বেঙ্গল। ১২০০ মাইলের বিশাল ব্যবধানে এক দেশের দুই অংগ, মাঝখানে ভারত - এমন উদ্ভট রাষ্ট্র ব্যবস্থা হয়েছিল সুচতুর জিন্নাহ'র হঠকারী সিদ্ধান্তে। ১৯৭১-এ না হলেও পাকিস্তানের ২ ভাগ হওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার - যেভাবে পূর্ব পাকিস্তান ফুঁসে উঠছিল, এমন জ্বলন্ত অবস্থায় এক পাকিস্তান আর বেশিদিন টিকতো না, ভাগ হয়ে যেতোই।

অন্যদিকে, শরৎ বোস - সোহরাওয়ার্দীর প্রস্তাবনা অনুযায়ী ইস্ট বেঙ্গল আর ওয়েস্ট বেঙ্গল মিলে আলাদা রাষ্ট্র হলেও অচিরেই দুই বাংলার মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়ে যেত এবং একটা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের রূপ নিত, এবং 'বাংলাদেশ'-এর অভ্যূদয় ঘটতোই। দুই বাংলার ভাষা এক হলেও ধর্ম ও সংস্কৃতিগত কারণে এবং পূর্ব থেকেই মুসলমানগণ বঞ্চিত, অবহেলিত থাকায় এবং মুসলমানদের আলাদা রাষ্ট্র 'পাকিস্তান' সৃষ্টি হওয়ার কারণে দুই বাংলার একত্রিকরণ বজায় রাখা সম্ভব হতো না।

১৯৪৭-এ দেশভাগ না হলে আজকে ৩টা দেশের জায়গায় হয়ত ৭/৮টা দেশ থাকতো। বাংলাদেশসহ সেভেন সিস্টার্স অনেক আগেই আলাদা হয়ে যেত। পাঞ্জাব, বেলুচিস্তান আলাদা হতো। আরো কিছু কিছু প্রভিন্স আলাদা হয়ে যেত। তবে, আলাদা না হলে এ 'বাংলা' অঞ্চলের মানুষ পাকিস্তান আমলের মতোই নির্যাতন ও বঞ্চনার শিকার হতে থাকতো।

স্মরণাতীত কাল থেকে এ বঙ্গভূমি একটা আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল। মারাঠা বর্গী, পর্তুগিজ দস্যুদের অত্যাচার, ব্রিটিশ ও পাকিস্তানিদের অত্যাচারের ২/৩ শত বছর বাদ দিলে ইতিহাসের পুরোটাই বাংলাদেশ ছিল বীর বাঙালিদের হাতে।

০২ রা এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:০৭

সায়েমার ব্লগ বলেছেন: আপনার সুচিন্তিত আলোচনার জন্যে ধন্যবাদ!
আপনার এই মন্তব্যের সাথে একমতঃ "স্মরণাতীত কাল থেকে এ বঙ্গভূমি একটা আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল। মারাঠা বর্গী, পর্তুগিজ দস্যুদের অত্যাচার, ব্রিটিশ ও পাকিস্তানিদের অত্যাচারের ২/৩ শত বছর বাদ দিলে ইতিহাসের পুরোটাই বাংলাদেশ ছিল বীর বাঙালিদের হাতে।"

৫| ২৬ শে মার্চ, ২০২৪ রাত ১১:৩৬

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: মুসলিমরা নিজেরাই নিজেদের পিছিয়ে দিয়েছে। এর পেছনে দায়ী ধর্মীয় গোঁড়ামি।

৬| ২৭ শে মার্চ, ২০২৪ বিকাল ৪:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর একটা লেখা লিখেছেন।

মুসলমানরা তাদের পুরাতন দুটি গ্রন্থ থেকে একদম বেড়িয়ে না আসলে তাদের উন্নতি হবে না। নো নেভার।

৭| ২৯ শে মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১২:৪৪

ভগবান গণেশ বলেছেন: মুসলমানরা পিছিয়ে পড়ছে কথাটা বিশ্বাসযোগ্য মনে হলো না। এটা হয়তো কোনো-কোনো মহল থেকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বলা হচ্ছে। আর মুসলামনরা যদি পিছিয়েই পড়ে তাহলে নিজেদের দোষেই।

৮| ০২ রা এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:০৮

সায়েমার ব্লগ বলেছেন: আপনাদের সবাইকে বিজ্ঞ আলোচনার জন্যে অশেষ ধন্যবাদ জানাই!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.