নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাংলা ভাষা অনেক সুন্দর একটি ভাষা। বাংলা আমার ভাষা। বাংলা আমার দেশ।

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন

আমি কেউ না। কবে যে কেউ হতে পারবো।

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

মালয়েশিয়ান বিড়ালের খাবার

২৮ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৬

বিড়াল একটি সুন্দর আর শান্ত প্রাণী। মালয় ভাষায় বিড়ালকে কুচিং (Kuching) বলে। এই নামে তাদের একটি শহরও আছে যেটা পূর্ব মালয়েশিয়ার Sarawak প্রদেশের রাজধানী।

বাংলাদেশে একটি প্রবাদ আছে- গরম ভাতে বিলাই বেজার। অর্থাৎ বিড়ালকে যদি গরম ভাত পরিবেশন করা হবে তাহলে সে খাবে না। তার মন খারাপ হবে। কিন্তু ঠান্ডা ভাত দিলে সে খাবে।

বাংলাদেশের বেড়ালগুলো বাংলাদেশের অনেক মানুষের মতোই দুঃখী। তারা সামান্য মাছের কাটা, মুরগীর হাড়গোড় আর সামান্য ভাত কিংবা দুধ খেতে পেলেই মহাখুশী হয়ে চোখ বুজে খেতে শুরু করে । আর নানা ভাবে তার আনন্দ প্রকাশ করে। দেখতে খুবই ভালো লাগে।

মালয়েশিয়ার বিড়ালগণ এমন নন। তারা বাংলাদেশের বিড়ালের মতো এটো কাটা হাড় খাননা। তাদের জন্য দোকান থেকে বিশেষ ধরনের খাবার কিনে আনতে হয়। সেই খাবার ছাড়া অন্য কিছু তারা তাকিয়েও দেখে না। প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে মালয়েশিয়াতে আছি। কোন বেড়ালকে দেখলাম না যে তারা মাছ ভাত কিংবা দুধ খাচ্ছে। আমি নিজে চেষ্টা করে দেখেছি । কিন্তু তারা খেতে আগ্রহ প্রকাশ করে না।

গুড়ো দুধের মতো প্যাকেটে বড় বড় শপিং মল কিংবা পেটশপে বিড়ালের খাবার সাজানো থাকে। উল্লেখ্য যে, কুকুরের খাবার থাকলেও দোকানে বিড়ালের খাবারই বেশী দেখা যায়। ৫০০ গ্রাম থেকে শুরু করে ১২ কেজি ওজনের খাবার প্যাকেটও পাওয়া যায়।

পেটশপগুলোতে বিড়াল ছানার সাথে সাথে তাদের বিশেষ ধরনের খেলনা, মলত্যাগের জন্য বিশেষ ধরনের মাটিও বিক্রি করা হয়।

মালয়েশিয়ার মানুষ মনে হয় বিড়াল খুব ভালো বাসে। এখানে বিড়াল বিষয়ক একটি ক্লাব আছে। Malaysia Cat Club নামে পরিচিত। এর লিংক - বিড়ালের ক্লাব

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৯

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: বাঙালী প্রবাসীদের জন্য এখন মালেশিয়ার অবস্থা কেমন?

২৮ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: মালয়েশিয়াতে যারা কামলা দিতে আসেন সেই সব শ্রমিক ভাইদের অবস্থা খুবই খারাপ। একটি বিড়াল এক মাসে যে টাকার খানা খায় সেই টাকা্ও কেউ কেউ দেশে পাঠাতে পারে না। তারপরও জীবনের প্রয়োজনে জমি জমা, ঘর বাড়ি বিক্রি করে এখনো মানুষ আসে।

২| ২৮ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: মনে কৌতুক জাগলো,প্রবাসীদের অবস্থা ওদেশে এদের মত? নাকি উন্নত!

২৮ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: প্রবাসী বলতে দুই ধরনের- যারা সেকেন্ড হোম নিয়ে আসে তারা তো ধনী ব্যক্তি। দেশের প্রচুর টাকা তাদের। আর যারা গরীব মানুষ তারা আসে শ্রম বিক্রি করতে। তাদের অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। কম বেতন। আসতে প্রচুর খরচ। সব মিলিয়ে তারা খুব একটা ভালো নেই। তাদের কথা ভাবার লোক কম।

৩| ২৮ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংগালীরা কাজ করেন মালয়েশিয়ান, সুতরাং বাংগালীদের বিড়ালের অবস্হা মালয়েশিয়ানদের মতো হবে না; মালিকের বিড়াল!

২৮ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: বস, আপনি যথার্থই বলেছেন। এদেশের বিড়াল হতে পারলেও অন্ততঃ ভালো খাবার দাবার জুটত।

৪| ২৮ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৮

সৈয়দ তাজুল বলেছেন:
চাঁদগাজী ভাইয়ের প্যাঁচানো কথাগুলো ব্যাপক মজা দেয় =p~ =p~ যদিও কষ্টমিশ্রিত।


বিড়াল নিয়ে তথ্যবহুল আলোচনা করে ফেললেন। এখন মলাইয়ে বসবাসরত বাঙালিদের নিয়ে কিছু ধারাবাহিক ব্লগ লেখুন।
(আমার ব্লগে আপনি আমন্ত্রিত)

২৯ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: বাংদেশের মানুষ যেন দেশেই কোন কাজ কর্ম করে খেতে পারে সেইটাই আমার কথা। বিদেশে কাজ করা কোন গৌরবের বিষয় নয়। বিশেষ করে শ্রমিকদের কাজ। শ্রমিকরা কি দেশে একটা কাজ পেতে পারে না?

৫| ২৮ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২০

বিদেশে কামলা খাটি বলেছেন: বিড়াল হতে পারলেও ভালো হতো।

২৯ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: বাংলাদেশে মানুষ হয়েই কি এমন সুবিধা পান? বিড়াল হলে লাথি খেতে হবে সব সময়।

৬| ২৮ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ধন্যবাদ,লেখকে।আমি কৌতুক করে যে প্রশ্ন করেছিলাম,উনি সুন্দর উত্তর দিয়েছেন।আর তাজুল ভায়ের সঙ্গে আমিও একমত যে চাঁদগাজি স্যারের প্যাঁচানো কথাগুলো খুবই অর্থবহ।যে কারনে ব্যক্তিগত ভাবে আমি ওনাকে স্যার বলে সম্মান করি।সবাই ভাল থাকুন।

২৯ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: জনাব চাঁদগাজী দেশকে নিয়ে ভাবেন। উনার মতো ভাবনার লোক কম। আরো ভাবনার লোক দরকার। তাতে সবার মাঝে সচেতনতা আসবে।

৭| ২৯ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ১০:১৩

শায়মা বলেছেন: হা হা বিড়াল হতে চাও দেখে অনেক হাসছি ভাইয়া!!!!!!!


সেই গানের মত -

মানব জনম দিয়া বিঁধি পাঠাই্য়োনা পৃথিবীতে
এত দুস্ক পেলাম আমি মাপার মত নেই তো ফিতে ....


তবুও মানব জনম নিয়ে বেঁচে থাকা বড় আনন্দের।

৩১ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: বিড়ালরা খুব আদর যত্নে থাকে। আমরা বাংলাদেশের অনেক মানুষই তো এখনো ঠিক মতো খেতে পড়তে পাইনা। তাই বিড়ালে যদি হতে হয় তবে যেন মালয়েশিয়ার বিড়াল হই। ইউরোপ আমেরিকার বেড়ালগণ কেমন আছেন জানি না।

৮| ২৯ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ১১:০৭

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: বিড়াল যদিও একটি ধূর্ত কিসিমের প্রানী, তবুও উদারতার কারনে তারা মানুষের ভালবাসা আদায় করতে পেরেছে। আমিও বিড়াল প্রিয়। যদিও বিড়ালের আপাত নিরীহ চেহারার পেছনে তার ধূর্ত রূপটি সম্পর্কে আমি সম্যক অবগত।

৩১ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: বাংলাদেশের বেড়ালরা ঠিক মতো খেতে পায় না বলে তারা চুরি চামারি করে। মালয়েশিয়ার বিড়ালগুলোকে দেখি সুবোধ আর শান্ত। পার্ক করা গাড়ীর উপরে বসে চোখ বুঝে ঝিমায়। কোন ঝামেলায় যায় না। কারণ খাবারের কোন চিন্তা নেই।

আমরা মানুষরাই খেতে পাই না। বিড়ালের যত্ন আমরা কি ভাবে নিব?

৯| ২৯ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৪

সৈয়দ তাজুল বলেছেন:
পেত, যদি আমাদের সরকারগুলো নিজেদের সাথে সাথে জনগণেরব একটু খোঁজখবর নিত!

৩১ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আমাদের দেশের ধারণ ক্ষমতার চেয়ে জনগণ একটু বেশীই। ভেবে দেখেন পুরো মালয়েশিয়ার লোক সংখ্যা প্রায় তিন কোটির একটু বেশী। আর আয়তনে বাংলাদেশের চেয়ে সাড়ে তিনগুণ বেশী।

ছোট্ট আয়তনের বাংলাদেশের লোক সংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। এতো মানুষের আহার যোগানো যেন তেন কথা নয়। মানুষ বিদেশে কামলা দিয়ে টাকা আয় করে পেটের ভাত যোগাচ্ছে। অমানুষিক পরিশ্রম করছে।

১০| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫১

রোদেলা বলেছেন: উন্নত দেশের উন্নত প্রাণি ।গ্রামে গিয়ে দেখি অভুক্ত মানুষ ,বেড়াল কুকুর আর খাওয়া পাবে কই !!!

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:০১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ঠিকই বলেছেন। মানুষেরই খাবার নেই। সেখানে অন্য প্রাণীর খাদ্য বিলাস আমরা কিভাবে করবো।

১১| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:২৯

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "বাংলাদেশের বেড়ালরা ঠিক মতো খেতে পায় না বলে তারা চুরি চামারি করে।"

বিড়াল জাতেই একটি ভন্ড কিসিমের প্রানী। এমন ভাব ধরে থাকে যেন নিরীহ, কিছুই বোঝে না। সুযোগ পেলে ঠিকই শিকারের উপর ঝাপ দিয়ে পড়ে। এভাবেই সে শিকারদের প্রতারিত করে থাকে। সেজন্যেই বাংলাতে "ভিজে বিড়াল" "বিড়াল তপস্বী" জাতীয় বাগধারার প্রবর্তন হয়েছে।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:০০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: অভাবে স্বভাবে। আমাদের স্বভাব যেমন অভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ঠিক তেমনি বিড়ালের স্বভাবও হয়তো অভাবের কারণে নষ্ট। এই্ দেশের কোন বিড়ালেকে চুরি করতে দেখিনি। বাংলাদেশের বিড়াল পরিবেশের কারণে স্বভাবচ্যুত হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের পন্ডিতগণ কিছু প্রবাদ আর প্রবচন লেখার সুযোগ পেয়েছে। কুকুরগণ ভাগ্যবান। তাদেরকে নিয়ে কোন প্রবাদ-প্রবচন রচিত হয়নি।

১২| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৩২

প্রামানিক বলেছেন: বাংলাদেশের বিড়াল ঝুটাই পায় না প্যাকেট পাবো কোইত্থিকা।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৫:৫৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আমি শুনেছি, ঢাকার কোন এক লোক নাকি মালয়েশিয়া থেকে বেড়ালের খাবার কিনে নিয়ে যান। তার বিড়ালটি অবশ্যই ভাগ্যবান।

১৩| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৯

মনিরুল ইসলাম বাবু বলেছেন: জানা হল অজানা কিছু ।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৫২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: প্রাণীদের প্রতি এবং অপর মানুষের প্রতি সবার সদয় হওয়ার প্রয়োজন আছে।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.