নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাংলা ভাষা অনেক সুন্দর একটি ভাষা। বাংলা আমার ভাষা। বাংলা আমার দেশ।

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন

আমি কেউ না। কবে যে কেউ হতে পারবো।

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রতি দিন অন্তত একটি মশা মারুন

২৯ শে জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:১৮

বর্তমানে বাংলাদেশের লোকসংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি। এই বিরাট জনগণ কে পাগল বানিয়ে ফেলেছে অতি ক্ষুদ্র মশকের দল। অথচ সামান্য চেষ্টা করলেই মশক নিধন করা সম্ভব।



18 কোটি মানুষের মধ্যে যদি 10 কোটি লোক মশা মারার কাজে অংশ নেয় এবং প্রতিটি লোক দুইটা করে মশা মারে তাহলে প্রতি দিন 20 কোটি মশা মারা সম্ভব ।

আন্তরিক ইচ্ছা থাকলে প্রতি দিন একটি করে মশা মারা হলেও বেশ কিছু দিন পরে দেখা যাবে এদেশে মারার জন্য কোন মশাই খুঁজে পাওয়া যাবে না। মশকরা যত ভয়ঙ্কর প্রাণীই হোক না কেন মানুষের চেয়ে ভয়ঙ্কর নয়।


কিছু কিছু প্রাণী আছে যে প্রাণী গুলো স্বভাবগত কারণেই মশা খেয়ে থাকে। এই প্রাণী গুলির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ব্যাঙ, টিকটিকি
ও কিছু বিশেষ প্রজাতির মাছ। ঢাকা শহরে ব্যাংঙ ও মশা খাদক মাছের প্রচলন করা দরকার। এই প্রাণী গুলো নীরবে মশা নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

তাই আসুন সবাই মিলে আজ থেকে মশা মারা শুরু করি।

গণপিটুনি দিয়ে মানুষ না মেরে গণপিটুনি দিয়ে মশা মারুন। দেশ ও জাতির অশেষ কল্যাণ করুন।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:০৪

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: মশাদের মধ্যে জন্ম নিরোধক সামগ্রী বন্টন করলে কেমন হয় ? অবশ্য এর আগে তাদের মধ্যে সচেতনতা ও শিক্ষার প্রসার ঘটানো খুবই প্রয়োজন |

২৯ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:০১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: অত ছোট বেলুন কৈ পাবেন?

২| ২৯ শে জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: একসময় ৫০০ মশা মারতে পারলে একশ' টাকা পাওয়া যেত। সম্ভবত রংপুরে।

২৯ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১:৫৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: রেট বাড়িয়ে দিয়ে আবারো মশা কেনা শুরু করা যেতে পারে। এটা নিয়ে ভেবে দেখতে হবে। আর ব্যাঙ ছেড়ে দিতে হবে প্রচুর পরিমাণে।

৩| ২৯ শে জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:২৩

আখেনাটেন বলেছেন: 18 কোটি মানুষের মধ্যে যদি 10 কোটি লোক মশা মারার কাজে অংশ নেয় এবং প্রতিটি লোক দুইটা করে মশা মারে তাহলে প্রতি দিন 20 কোটি মশা মারা সম্ভব । --- হা হা হা; এক হাতিরঝিলের পচা পানিতেই ২০০ কোটি ডেঙ্গির জ্ঞাতি-গোষ্ঠীরা দীর্ঘকাল ধরে সুখে-শান্তিতে বসবাস করে আসছে।
শুধু হাতির ঝিলের মশককূলকে গনপিটুনি দিতে মাননীয় নেত্রীর নিগূঢ় তত্ত্বাবধানে ১০ কোটি লোক ঝিলের পাড়ে জমা হতে হবে। এবং ২০০/২০ = ১০ দিন লাগবে এক ঝিল পাড়ের মশক বংশগৌরব ধুলিসাৎ করতে। =p~ :P :-P

মশক রাজধানী কল্যাণপুর খালের কথা বাদ দিলাম। হা হা হা।

২৯ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১:৫৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ঢাকা শহরে ৫০ হাজার ব্যাঙ থাকলেই সব মশা খেয়ে সাবাড় করে দেবে। মশা নিয়ে ভাবনা কেন।

৪| ২৯ শে জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:৫৩

নজসু বলেছেন:



মশাদের বহুবিবাহ, বাল্যবিবাহ বন্ধ করে মশা মারা শুরু করতে হবে। :-B
আপনি প্রতিদিন দুটি করে মশা মারতে বলেছেন। মশারা যে চক্রাকারে বংশ বিস্তার করবে সেটাও হিসেব করতে হবে।
আমি দিনে একটা মশা মারলে; অন্য একটা মশা দিনে কতগুলো ডিম দেবে? কতগুলো নতুন মশকের সৃষ্টি হবে?

২৯ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১:৫০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: পুরুষ মশা গুলো কে মেরে ফেলুন। তখন মহিলা মশারা ডিম দিলেও কোনো লাভ হবে না। ডিম পারবে কিন্তু বাচ্চা হবে না।

৫| ২৯ শে জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:২২

মা.হাসান বলেছেন: এইটা কি কথা? মশা কই পাইলেন? চিড়িয়াখানায় দুএকটা থাকতে পারে, বাইরে নাই, সব গুজব।

২৯ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১:৫২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: দেশের আনাচে কানাচে সর্বত্র ব্যাং ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে। তারা মশা খেয়ে সাবাড় করে দেবে।

৬| ২৯ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৩:৪০

নীল আকাশ বলেছেন: স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: মশাদের মধ্যে জন্ম নিরোধক সামগ্রী বন্টন করলে কেমন হয় ? অবশ্য এর আগে তাদের মধ্যে সচেতনতা ও শিক্ষার প্রসার ঘটানো খুবই প্রয়োজন | স হ মত।
এদের মধ্যে ছাত্রলীগের আর্দশ ছড়িয়ে দেয়া দরকার।
এই সব মশারা দেশের স্বাধীনতা বিরোধী বিএনপির সমর্থক।
এদের গন-পিটুনি দিয়ে মেরে ফেলা উচিত!

৩০ শে জুলাই, ২০১৯ ভোর ৬:০৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আমার নিজের ধারণা, দেশের আপামর জনগণ সচেষ্ট হলে মশা তো কো ছাড় কে যে কোন কাজেই সফলতা আনা সম্ভব। সবাইকে আন্তরিক হয়ে কাজ করতে হবে। সততা বজায় রাখতে হবে।

৭| ২৯ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:০০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: দেশের জন্য কাজ করার মন মানসিকতা কার আছে? সাজ্জাদ ভাই এটি বাংলাদেশ! মালয়েশিয়া নাহ,
২২৫০ সনেও বাংলাদেশ ২০১৯ সনের মালয়েশিয়া হতে পারবে না।

৩০ শে জুলাই, ২০১৯ ভোর ৬:০৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: মালয়েশিয়ার জনসংখ্যাও কিন্তু আমাদের মশার মতোই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই তাদের এই রকম সুদিন যে চিরকালই থাকবে তা নাও হতে পারে। পাশের দেশ ভিয়েতনাম এগিয়ে যাচ্ছে। লাওস, ক্যাম্বুডিয়াও কিন্তু পিছিয়ে নেই।

আমাদের দেশে কিছু সমস্যা আছে। আমার নিজের ধারণা, দেশের আপামর জনগণ সচেষ্ট হলে মশা তো কো ছাড় কে যে কোন কাজেই সফলতা আনা সম্ভব। সবাইকে আন্তরিক হয়ে কাজ করতে হবে। সততা বজায় রাখতে হবে।

কিছু ধার্মিক মানুষ অসততাকে বুকে লালন করেন। তারা হতে পারতেন সমাজের বাতি ঘর।

আমি আশাবাদী কোন এক দিন দেশের মানুষ সুন্দর পরিবর্তন আনবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.