নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাংলা ভাষা অনেক সুন্দর একটি ভাষা। বাংলা আমার ভাষা। বাংলা আমার দেশ।

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন

আমি কেউ না। কবে যে কেউ হতে পারবো।

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রকাশ্যে যত্রতত্র পশু জবাই নৃশংসতা আর নির্মমতা বৃদ্ধি করে

২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৬



আজ থেকে প্রায় ৬/৭ বছর আগের ঘটনা। আমি যাত্রাবাড়ীর কাছে একটি বাজারের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম । সেখানে রাস্তার পাশে একটি মাংসের দোকানে দেখলাম পাশাপাশি দুইটি গরু বেঁধে রাখা আছে । আরেকটি গরুকে তাদের সামনেই জবাই করে চামড়া সরিয়ে নেয়া হচ্ছে‌ । গরুটির শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে বিভিন্ন অংশ আলাদা করা হচ্ছে । ফ্যাল ফ্যালল করে তাকিয়ে সেই দৃশ্য দেখছে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গরু দুটি। দেখে আমার খুবই খারাপ লাগলো । গরু হলেও তারাও কিন্তু প্রাণী। তাদের ও অনুভূতি আছে।

তারা হয়তো ভেতরে ভেতরে আতঙ্কে থর থর করে কাঁপছিল । আর ভাবছিল, একটু পরেই তাদের ও পালা আসবে । চকচকে ধারালো ছুরি দিয়ে তাদের গলা কেটে নেওয়া হবে । তাদের চামড়া খুলে ফেলা হবে । কুপিয়ে আলাদা করা হবে পুরো শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ।।

প্রকাশ্যে সাধারন মানুষের চোখের সামনে পশু জবাই করলে সেটা মানুষের মনে দারুণ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। বিশেষ করে শিশুদের মনের খুবই প্রভাব ফেলে। বারবার এই দৃশ্য দেখলে তাদের হৃদয়ের সংবেদনশীলতা ধীরে ধীরে কমে যাবে। তাদের মন থেকে মায়া মমতা ও উঠে যেতে থাকবে। বড় হতে হতে তাদের মাঝে নিশংসতা ও বাড়বে।

সারা পৃথিবীর কোথাও বাংলাদেশের মতো এমন প্রকাশ্যে পশু জবাই করার দৃশ্য চোখে পড়বে না। কুরবানীর সময় তো একটা মহা উল্লাসের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। তারা প্রকাশ্যে যেখানে সেখানে পশু জবাই করে। পশুর রক্তে পথঘাট ভেসে যায় । তাদের শরীরের বর্জ্য পরিবেশ নোংরা করে। পুরো ঢাকা শহরে বিশ্রী এক ধরনের গন্ধ বাতাসে ভেসে বেড়ায়। পরিবেশ হয়ে দাঁড়ায় অস্বাস্থ্যকর ও অসহ্য।

সারা পৃথিবীর কোথায় সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত কসাইখানা ছাড়া প্রকাশ্যে পশু জবাই করার কোন নিয়ম নেই । কেবলমাত্র বাংলাদেশেই যেখানে ইচ্ছা পশু জবাই করে বেড়ায় মানুষ। মানুষের মাঝে নিসংসতা আর নির্মমতা ছড়িয়ে পড়ে । এক সময় তাদের হাতে চলে যায় পশু জবাই করার ছুরি। তারা সেই ছুরি চালায় অন্য মানুষের বুকে , গলায়।

ব্লগার রাজীব নূর সাহেবের পিতা এক জন মুক্তহস্ত আরো উদার মনের মানুষ। উনি বর্তমানে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর দ্রুত রোগ মুক্তির জন্য কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করি। উনি যেন খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠেন । আবার মুক্তহস্তে দরিদ্রদের দান করেন। তাঁর আগের মত সুন্দর জীবন ফিরে আসুক।

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


বিদেশে থাকার সুবাদে, নিশ্চয় বাংগালীদের সাধারণ জ্ঞানের পরিমাণ বুঝতে পারছেন!

২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: বিদেশে আসতে না পারলে আমি আমার নিজেকে ও নিজের দেশকে চিনতে পারতাম না । বিদেশে আসার কারণে আমি বুঝতে পারছি আমাদের দেশ এখনো কত পেছনে পড়ে আছে । আমি বুঝতে পারছি, আমাদের দেশকে যারা চালায় তারা সবাই ব্যক্তিগত স্বার্থটাই বড় করে দেখেন। দেশের প্রতি তাদের টান খুবই সামান্য অথবা নেই বললেও চলে। তাদের অনেকেই এক পা দেশে আরেক পা বিদেশের মাটিতে রাখা।

২| ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: আমার বাসার সামনে খলিল মাংস বিতান।
প্রতিদিন ৬/৭ টা গরু রাস্তায় জবো করে। শুক্রবার ১০/১২ টা গরু জবোহ করে।
ব্যস্ত রাস্তা। সব সময় হাজার হাজার মানূষ যাতায়াত করে। আশে পাশে স্কুল আছে, কোচিং সেন্টার আছে।
দেখার কেউ নেই, বলার কেউ নেই। গত পনের বিশ বছর ধরে এরকমই চলছে।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:২৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: খলিল মিয়ার পায়য় দড়ি বেঁধে দোকানের সামনে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা দরকার । ব্যাটা বুঝুক।

৩| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:২৬

আরোগ্য বলেছেন: আমার স্কুল পড়ুয়া এক ভাতিজা গরু জবেহ দেখে কাঁদতে থাকে আরেক ভাতিজা ওর চেয়ে বেশ কয়েক বছরের ছোট কিন্তু কোরবানি ঈদের সময় গরু জবেহ করতে একটুও হাত কাপে না যদিও একজন হাত ধরে নেয়। ওর বাবা আবার একটু মাস্তান টাইপের তাই ছেলেদের সাহস খুব বেশি।

রাজিব ভাইয়ের বাবার আশু আরোগ্য কামনা করছি।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: শিশুদের সুন্দর ও মানসম্মত পরিবেশে বড় হবার সুযোগ নেই। অথচ এটা তাদের অধিকার।

৪| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৯:১৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সুন্দর একিটি বিষয় উপস্থাপন করেছেন আসলেই বিষয়টি ভাববার মত আমাদের শিশুরা নির্মম নিষ্ঠুর হয়ে বেড়ে উঠুক এটা আমরা কেউই চাই না।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে। শিশুদের সুন্দর ও মানসম্মত পরিবেশে বড় হবার সুযোগ নেই। অথচ এটা তাদের অধিকার। তাদেরকে সেই সুযোগ দেয়া হোক। তারা সুন্দর ভাবে মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠুক।

৫| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৯:২৩

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: চীনারা আবেগহীন নিষ্ঠুর জাতি - পশুপাখি সহ সবকিছূই পারলে জ্যান্ত সাবাড় করে ফেলতে পারে, প্রয়োজনে মানুষের কিডনি খুলে বিক্রি করে ফেলতেও তাদের বাধে না |

অন্যদিকে বাঙালিরা হচ্ছে চরম আবেগপ্রবন জাতি | এতো আবেগপ্রবণ হওয়া সত্বেও এরা এতো পশুপাখির প্রতি এতো নিষ্ঠুর কেন ?

রাজীব নূরের পিতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি |

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: পশু পাখির প্রতি আমাদের অবশ্যই সদয় হওয়া দরকার‌। আমাদের শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। তাদেরকে সুন্দর ভাবে বাড়তে দিতে হবে । তাদের আবেগ-অনুভূতির জায়গাগুলোর যত্ন করতে হবে।

৬| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১১:০২

রাজীব নুর বলেছেন: রাস্তায় গরু জবো করে, স্থানীয় লোকজন কিছু বলে না। আর থানার লোকজন মনে হয় নিয়মিত টাকা পায়। তাই চুপ।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: বাংলাদেশের লোক সংখ্যা 18 কোটি। কিন্তু মানুষ দেখতে চাইলে দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হয়। আফসোস!

৭| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১১:২২

নতুন নকিব বলেছেন:



ভাল এবং গুরুত্ববহ একটি বিষয়ে লিখেছেন, ধন্যবাদ।

ব্লগার রাজীব নূরের পিতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। আল্লাহ পাক তাকে সুস্থতা দান করুণ।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আসলেই সকল প্রাণীর প্রতি আমাদের সবারই সদয় থাকা দরকার। বিশেষ করে শিশুদের কে বেশি করে যত্ন নিতে হবে। তারাই আগামীর বাংলাদেশ।

৮| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:২৪

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: আমি মুরগি জবাই করতে গেলেও কাঁপতে থাকি। সর্বশেষ কবে যে করেছি মনে নেই। জীবজন্তুর প্রতি মানুষের নির্মমতা ব্যথিত করে। মানুষ তো এখন বর্বর, পশু কেন? মানুষকেই কী নির্মমভাবে হত্যা করে!

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৩৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: বাস্তবিকই প্রতিটি কাজের জন্য প্রফেশনাল লোক দরকার । সবার দ্বারা সব কাজ হয় না । জবাই জাতীয় কাজগুলি যারা করবে তাদের জন্য বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষণ থাকতে হবে এবং আইনগত সার্টিফিকেট থাকতে হবে। তাহলেই এই কাজগুলি সুন্দর ভাবে সু-সম্পন্ন হবে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন সব সময়।

৯| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৫৬

তাসনুভা রায়া বলেছেন: গরুটির শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে বিভিন্ন অংশ আলাদা করা হচ্ছে । ফ্যাল ফ্যালল করে তাকিয়ে সেই দৃশ্য দেখছে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গরু দুটি। দেখে আমার খুবই খারাপ লাগলো । গরু হলেও তারাও কিন্তু প্রাণী। তাদের ও অনুভূতি আছে। তারা হয়তো ভেতরে ভেতরে আতঙ্কে থর থর করে কাঁপছিল । আর ভাবছিল, একটু পরেই তাদের ও পালা আসবে । চকচকে ধারালো ছুরি দিয়ে তাদের গলা কেটে নেওয়া হবে । তাদের চামড়া খুলে ফেলা হবে । কুপিয়ে আলাদা করা হবে পুরো শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ।। প্রকাশ্যে সাধারন মানুষের চোখের সামনে পশু জবাই করলে সেটা মানুষের মনে দারুণ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। বিশেষ করে শিশুদের মনের খুবই প্রভাব ফেলে। বারবার এই দৃশ্য দেখলে তাদের হৃদয়ের সংবেদনশীলতা ধীরে ধীরে কমে যাবে। তাদের মন থেকে মায়া মমতা ও উঠে যেতে থাকবে। বড় হতে হতে তাদের মাঝে নিশংসতা ও বাড়বে।

সহমত

চমৎকার লিখেছেন ভাইয়া

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, আপু। ভালো থাকুন সব সময়।

১০| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৭:১৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আহারে আহারে প্রাণী জগতে মানুষের মতো এতো নিষ্ঠুর আর কি কোনো প্রানী আছে ?

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:২১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: মানুষ খুবই খারাপ প্রাণী।

১১| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৩৪

আরোগ্য বলেছেন: সাজ্জাদ ভাই আমার এক কাজিন মালয়েশিয়ার স্যাগি ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে। কোন আইডিয়া দিতে পারবেন?

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৩৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ভর্তি হয়ে যাওয়ার পর ভাইয়া আর কি আইডিয়া দিব। ভর্তি তো শেষ। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মালয়েশিয়াতে পড়াশোনা করার চেয়ে অন্য কোন দেশে পড়াশোনার ব্যাপারে আগ্রহী। সেটা সম্ভব হলে আয়ারল্যান্ড, ইউকে কিংবা কানাডাতে কিংবা অস্ট্রেলিয়াতে।

১২| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১৫

করুণাধারা বলেছেন: প্রকাশ্যে যত্রতত্র পশু জবাই নৃশংসতা আর নির্মমতা বৃদ্ধি করে

সহমত। আমার মনে হয় এভাবে প্রকাশ্যে পশু জবাই মানুষের দাম্ভিকতার প্রকাশ।

২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: এক জন মহাপুরুষ বলেছিলেন, জীবে দয়া করে যেই জন/ সেই জন সেবিছে ঈশ্বর । প্রতিটি মানুষেরই উচিত প্রাণী জগতের প্রতিটি সদস্যের প্রতি সদয় থাকা, মমতা প্রকাশ করা। মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইল । ভাল থাকুন সব সময়।

১৩| ২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৩:৩৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ভাল বিষয়ে লিখেছেন । পশু জবাইএর জন্য আধুনিক মানসন্মত জবাইখানা একান্ত প্রয়োজন । তবে এখানে প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য যে , ঢাকায় এখন সিটি করপোরেশনের তিনটি জবাইখানা চালু আছে। একটি মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের ভেতরে, একটি মিরপুর ১১ নম্বরের নিউ সোসাইটি মার্কেটে, আর একটি মহাখালিতে । মহাখালী নতুন কাঁচাবাজার-সংলগ্ন স্থানের আধুনিক পশু জবাইখানায় রয়েছে পশু বিশ্রামাগার, বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট, বৃষ্টির পানি সংগ্রহ, সৌরবিদ্যুৎ, বর্জ্য ও রক্ত সংগ্রহ এবং ব্যবস্থাপনা সুবিধা, চামড়া, শিং, হাড় সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা এবং যন্ত্রাংশ জীবাণুমুক্ত করার জন্য পানি গরম করার ব্যবস্থা ।

তরিঘরি করে চালুকরা এই কুরবানীর ঈদে এই আধুনিক পশু জবাইখানায় সেবা নিয়েছেন মাত্র একজন নাগরিক। একটি গরু, একটি খাসি জবাই ও মাংস কাটার জন্য নিয়ে আসেন তিনি। দেশের বেসরকারী টিভিতেও একটি গরু জবাইএর ছবি দেখানো হয়েছে ।

কথা ও ছবি সুত্র : Click This Link
এর আগে মহাখালী পশু জবাইখানায় নাগরিকদের পশু নিয়ে আসা উৎসাহিত করতে কসাইয়ের মূল্যের ওপর ২৫ শতাংশ মূল্যছাড় ও কাটা মাংস বিনামূল্যে নাগরিকদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা দেয় সিটি করপোরেশন। তবে এত অফারের পরেও মহাখালীতে নাগরিকদের আকর্ষণ চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তবে মহাখালীতে ভালো সেবা পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন সেই নাগরিক । মাত্র এক ঘণ্টায় নাকি তার গরু ও ছাগল কাটা শেষ।

যাহোক, সিটি কর্পোরেশনের দৃইজন মেয়র ও কাউন্সিলরগন যদি তাদের নীজেদের পশুও এখানে জবাই দিতেন তাহলে শখানেকের বেশী হতো । এই যদি হয় অবস্থা তাহলে যতই আধুনিক পশু জবাইখানা স্থাপন করা হোক না কেন , তাতে কোন কাজ হবে বলে মনে হয় না । এর জন্য মানুষকে সচেতন করতে হবে । আপনার এ পোষ্ট এ সচেতনতা বাড়াক এ কামনা রইল ।
শুভেচ্ছা রইল

২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা স্যার আপনার প্রতি। আপনার মন্তব্যটি আমার পোস্টের চেয়ে ও অত্যন্ত সুন্দর এবং যুক্তিপূর্ণ হয়েছে। আপনার মন্তব্য পড়ে আমি অভিভূত ‌ সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। আপনি ভালো থাকুন সব সময়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.