নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পেশায় ভূতত্ত্ববিদ ।ভালো লাগে কবিতা পড়তে। একসময় ক্রিকেট খেলতে খুব ভালবাসতাম। এখন সময় পেলে কবিতা লিখি। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হল ভালো লাগে খুব। ভালোলাগে রবীন্দ্র সংগীত আর কবিতা । সবচেয়ে ভালো লাগে স্বদেশ আর স্বাধীন ভাবে ভাবতে। মাছ ধরতে

সেলিম আনোয়ার

[email protected] Facebook-selim anwarবেঁচে থাকা দারুন একটা ব্যাপার ।কিন্তু কয়জন বেঁচে থাকে। আমি বেঁচে থাকার চেষ্টা করি।সময় মূল্যবান ।জীবন তার চেয়েও অনেক বেশী মূল্যবান।আর সম্ভাবনাময়।সুন্দর।ঢাকাবিশ্বদ্যিালয়ের পাঠ চুকিয়ে নিরস চাকুরীজীবন। সুন্দরতর জীবনের প্রচেষ্টায় নিবেদিত আমি সেলিম আনোয়ার।

সেলিম আনোয়ার › বিস্তারিত পোস্টঃ

সাধু সাবধান

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:৫৮

মানুষ বিভ্রান্ত হয়;

বিভ্রান্তির বীজ সেই মানব সৃষ্টির সময় থেকেই

প্রচন্ড রকম বিদূষী এক শত্রু তার মেধার ষোল আনা নিয়ে পিছু লেগেছে মানুষকে ব্যর্থ

করতে হবে — দৃপ্ত শপথ তার।



যে মানুষের কারণে সে অভিশপ্ত হয়েছে তার বিনাশসাধণ একান্ত কর্তব্য তার।



যে কোন উপায়ে ক্ষতিসাধণ করা তাকে বিজয়ের আনন্দ দান করে।

যে পাপ কাজে লিপ্ত তাকে অধিতর পাপে নিয়োজিত করতে সদাব্যস্ত তার

চেলা চামুন্ডোরা।



তার রয়েছে সুস্পষ্ট নীতিমালা ;



মন্দলোককে মন্দ কাজে প্রেরণা দেয়া ,



ভালোদেরকে মন্দকাজে নিয়োজিত করতে না পারলেও অন্তত ভালকাজ করা থেকে বিরত

রাখা অথবা অধিকতর ভাল কাজ থেকে সরিয়ে কম ভালতে নিয়োজিত করা।



বদসুরতের পাশাপাশি নেকসুরতেও সে ধোকা দিয়ে থাকে ;



তার সত্তর হাজার প্রকার ধোকার মধ্যে মাত্র দশহাজার বদসুরতে দেয়া



বাকী ষাট হাজার নেক সুরতে ।



যে সাধক সমাজের হিতৈষী তার মধ্যে খ্যাতির নেশা কিংবা আত্নগরিমা ঢুকিয়ে দেয়

সুকৌশলে,



তাই মানব হিতৈষীর প্রতি অনুরোধ,



যিনি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে জনসেবা করবেন তার জন্যে রয়েছে অফুরন্ত কল্যাণ

দুই জাহানের— তাতে মানব সমাজের প্রভুত কল্যাণ সাধন হবে ।



যিনি অন্য কোন মোহে করবেন তাতে আপাত কল্যাণ পরিলক্ষিত হলেও মানবের জন্য

তা অকল্যাণ ডেকে আনবে বৃহৎপরিসরে ।



যেহেতু প্রকৃত করণেওয়ালা শুধু মাত্র মহান স্রষ্টা ;



তাই মনকে যাচাই করতে হয় সেবাকর্মের শুরুতে , মাঝে এবং শেষে।



তা না হলে ত্রাণকার্য শেষে দাঁড়িয়ে মূত্র বিসর্জন দেয়ার মত তথাকথিত পুরুষত্ব প্রদর্শনের

বিষয়টি মূখ্য হয়ে দাঁড়ায় ।



সেটি সুসভ্যতার পরিচায়ক নয় মোটেই ।



কাজেই সাধু সাবধান ।





সুপ্রিয় মৃদুল শ্রাবণের উপস্থানায় কবিতাটি এমন



মানুষ বিভ্রান্ত হয়; বিভ্রান্তির বীজ সেই মানব সৃষ্টির সময় থেকেই। প্রচন্ড রকম বিদূষী এক শত্রু তার মেধার ষোল আনা নিয়ে পিছু লেগেছে মানুষকে ব্যর্থ করতে হবে — দৃপ্ত শপথ তার। যে মানুষের কারণে সে অভিশপ্ত হয়েছে তার বিনাশসাধণ একান্ত কর্তব্য তার। যে কোন উপায়ে ক্ষতিসাধণ করা তাকে বিজয়ের আনন্দ দান করে। যে পাপ কাজে লিপ্ত তাকে অধিতর পাপে নিয়োজিত করতে সদাব্যস্ত তার চেলা চামুন্ডোরা।



তার রয়েছে সুস্পষ্ট নীতিমালাঃ



১) মন্দলোককে মন্দ কাজে প্রেরণা দেয়া



২) ভালোদেরকে মন্দকাজে নিয়োজিত করতে না পারলেও অন্তত ভালকাজ করা থেকে বিরত রাখা অথবা অধিকতর ভাল কাজ থেকে সরিয়ে কম ভালতে নিয়োজিত করা।



বদসুরতের পাশাপাশি নেকসুরতেও সে ধোকা দিয়ে থাকে। তার সত্তর হাজার প্রকার ধোকার মধ্যে মাত্র দশহাজার বদসুরতে দেয়া, বাকী ষাট হাজার নেক সুরতে।যে সাধক সমাজের হিতৈষী তার মধ্যে খ্যাতির নেশা কিংবা আত্নগরিমা ঢুকিয়ে দেয় সুকৌশলে। তাই মানব হিতৈষীর প্রতি অনুরোধ,যিনি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে জনসেবা করবেন তার জন্যে রয়েছে অফুরন্ত কল্যাণ দুই জাহানের— তাতে মানব সমাজের প্রভুত কল্যাণ সাধন হবে। যিনি অন্য কোন মোহে করবেন তাতে আপাত কল্যাণ পরিলক্ষিত হলেও মানবের জন্য তা অকল্যাণ ডেকে আনবে বৃহৎপরিসরে। যেহেতু প্রকৃত করণেওয়ালা শুধু মাত্র মহান স্রষ্টা ;তাই মনকে যাচাই করতে হয় সেবাকর্মের শুরুতে , মাঝে এবং শেষে। তা না হলে ত্রাণকার্য শেষে দাঁড়িয়ে মূত্র বিসর্জন দেয়ার মত তথাকথিত পুরুষত্ব প্রদর্শনের

বিষয়টি মূখ্য হয়ে দাঁড়ায়। সেটি সুসভ্যতার পরিচায়ক নয় মোটেই।



কাজেই সাধু সাবধান ।

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৫৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কবিতাটি কোন একটা মহৎকাজ করতে গিয়ে নিজে নিয়ে লিখা ।

২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৫৭

মামুন রশিদ বলেছেন: ভালো কিছু একটা বলতে চেয়েছেন, বুঝতে পারছি । কিন্তু কবিতা হলো কি!

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: মামুন ভাই ইহা একটি অকবিতা ।

এটির ভাবার্থ হলো বেশির ভাগ মানুষ স্বভাবগত ভাবে ভাল । ভাল কাজ করতে গিয়েও শয়তানের প্ররোচনায় সে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ।


এটি না হয় ছন্দ মাত্রার মিল রেখে লিখা হয়নি ।


এটা এভাবে লিখতে ইচ্ছে হলো ।



মালয় খাবার মুরগী পোড়া আর ভাতের পিঠার সাইড ইফেক্ট বোধ হয় । :P

৩| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:০৩

নাসরিন চৌধুরী বলেছেন: কবিতা মনে হয়নি ---কিন্তু কথাগুলো যথার্থ।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আমারও সেরকম মনে হয় ।কবিতা হয়নি । ধরে নিতে পারেন আমার কবিতা মরে গেছে। কিংবা মৃত প্রায় ।

কথাগুলো আমার নয় কোরআন আর হাদিসের আলোকে ।


ওগুলোর চেয়ে বড় কোন দর্শন আছে বলে আমার জানা নেই ।

মানুষের মনগড়া ব্যাপারগুলো ধ্বংস ডেকে আনে ।

৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:২৮

যাযাবর বেদুঈন বলেছেন: আপনার এই মুক্ত কবিতা পড়ে বিমোহিত হলাম।

কিছু মানুষের ধর্মই থাকে অধর্ম করার জন্য। নিজেকে বড় প্রমাণ করতে হলে অন্যকে ছোট দেখানই কর্ম হয়ে দাঁড়ায় তার কাছে। বাংলায় একটা প্রবাদ আছে ফাঁকা কলস বাজে বেশি। এই জাতীয় মানুষ সমাজ এর জন্য ভয়ংকর রকম বিপদজনক। কিন্তু সমস্যাটা হয় সেইসব মানুষদের জন্য যারা অন্ধের মত এইসব কুচক্রী মানুষদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে মাথায় তোলে।

আমাদের দেশের জন্য এই সমস্যাগুলো প্রকট। সে কারণেই যে কোন দুর্যোগেও আমরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ালেও এরা তাঁদের ষড়যন্ত্রের জাল নিয়ে হাজির হয়। এদের কাছে মানব সেবা মানেই হল নিজের পকেটে টুপাইস ইনকাম। লোক দেখাতেই এরা বেশি পছন্দ করে। সব কিছুতেই এরা ব্যবসা খুঁজে ফেরে।

কিন্তু যারা প্রকৃত মানব সেবা করে তারা কখনও নিজেকে প্রচার করেনা। ধর্মে আছে এক হাতে দিলে যেন অন্য হাত টের না পায়।

শুধু মানব সেবা নয় যে কোন কাজেই এই একই সমস্যা। ভাল মানুষ পেলে তাকে দাবিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলে। চলে নগ্ন খেলা। কিন্তু আক্ষেপ হয় সেইসব অবুঝ মানুষের জন্য যারা এইসব মুখোশ ধারী মানুষগুলোকে চিনতে পারেনা। তারা যে তার সাথে থেকেই তার ক্ষতি করে যাচ্ছে সেই বিষয়ে না বুঝে উল্টো ক্ষতি করে ফেলে যে প্রকৃত মানুষ।

পৃথিবীতে এই কারণেই যত সংঘাত।

আপনি অনেক ভাল থাকুন।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:১৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: চমৎকার কমেন্টে ধন্যবাদ । দারুন বিশ্লেষণ করেছেন ।

৫| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৪

সাজিদ উল হক আবির বলেছেন: গদ্যেবন্দী সুন্দর কথামালা +++

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:২১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর কমেন্টে ও পাঠে ধন্যবাদ ।নিরন্তর শুভকামনা ।

৬| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৮

কালের সময় বলেছেন: অসাধারন কথামালা হয়েছে সেলিম ভাই দ্বিত্বীয় প্লাস

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৪৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ও পাঠে ধন্যবাদ সুপ্রিয় কালের সময় ।নিরন্তর শুভকামনা ।

৭| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:১৫

আবু শাকিল বলেছেন: কথা গুলো খুব সুন্দর ।কবিতার আকারে লিখেছেন কিন্তু আপনার আগের কবিতার লেখার স্টাইলের সাথে এটা মিলে না।
পড়তে ভাল লেগেছে।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৪৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: পড়তে ভাল লাগায় ধন্যবাদ।একটু পরিবর্তন আনলাম স্টাইলে ।কবিতা কথা বলে যাবে সত্যের পক্ষে ।


কবিতা পাঠে ও কমেন্টে ধন্যবাদ ।

৮| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:০৯

পার্সিয়াস রিবর্ণ বলেছেন: কিছু মনে করবেন না, মনে হলো জুম্মার নামাজের খুতবা শূনলাম !!!

কথাগুলো অবশ্যই সুন্দর ।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৫৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: মনে করার কি আছে ।এটা জুম্মার দিনে স্টিকি পোস্ট হিসেবে দিলে ভাল হতো ।
খুতবা কিন্তু আগামী এক সপ্তাহের করনীয় সম্পর্কিত উপদেশ নামা । তার মানে প্রতি এক সপ্তাহে এমন একখানা নছিহত নামা ব্লগে স্টিকিতে ঝুলিয়ে দিলে মন্দ হতো না ।

প্রতিদিন ব্লগিং এর আগে এমন একখান পোস্ট পড়ে ব্লগিং শুরু হবে।
!:#P #:-S ;)

৯| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪০

অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: অকবিতার কথাগুলো ভালো লাগলো ভ্রাতা ।

ভালো থাকবেন কিন্তু :)

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৫৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কথাগুলো ভাললাগায় ধন্যবাদ । আর নিরন্তর শুভকামনা ।

১০| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৫৮

মৃদুল শ্রাবন বলেছেন: অর্থগুলো যতার্থভাবে অনুধাবন করার জন্য পুরোপুরি গদ্যে সাজিয়ে নিলাম। অনধিকার চর্চা হিসেবে নিলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।




মানুষ বিভ্রান্ত হয়; বিভ্রান্তির বীজ সেই মানব সৃষ্টির সময় থেকেই। প্রচন্ড রকম বিদূষী এক শত্রু তার মেধার ষোল আনা নিয়ে পিছু লেগেছে মানুষকে ব্যর্থ করতে হবে — দৃপ্ত শপথ তার। যে মানুষের কারণে সে অভিশপ্ত হয়েছে তার বিনাশসাধণ একান্ত কর্তব্য তার। যে কোন উপায়ে ক্ষতিসাধণ করা তাকে বিজয়ের আনন্দ দান করে। যে পাপ কাজে লিপ্ত তাকে অধিতর পাপে নিয়োজিত করতে সদাব্যস্ত তার চেলা চামুন্ডোরা।

তার রয়েছে সুস্পষ্ট নীতিমালাঃ

১) মন্দলোককে মন্দ কাজে প্রেরণা দেয়া

২) ভালোদেরকে মন্দকাজে নিয়োজিত করতে না পারলেও অন্তত ভালকাজ করা থেকে বিরত রাখা অথবা অধিকতর ভাল কাজ থেকে সরিয়ে কম ভালতে নিয়োজিত করা।

বদসুরতের পাশাপাশি নেকসুরতেও সে ধোকা দিয়ে থাকে। তার সত্তর হাজার প্রকার ধোকার মধ্যে মাত্র দশহাজার বদসুরতে দেয়া, বাকী ষাট হাজার নেক সুরতে।যে সাধক সমাজের হিতৈষী তার মধ্যে খ্যাতির নেশা কিংবা আত্নগরিমা ঢুকিয়ে দেয় সুকৌশলে। তাই মানব হিতৈষীর প্রতি অনুরোধ,যিনি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে জনসেবা করবেন তার জন্যে রয়েছে অফুরন্ত কল্যাণ দুই জাহানের— তাতে মানব সমাজের প্রভুত কল্যাণ সাধন হবে। যিনি অন্য কোন মোহে করবেন তাতে আপাত কল্যাণ পরিলক্ষিত হলেও মানবের জন্য তা অকল্যাণ ডেকে আনবে বৃহৎপরিসরে। যেহেতু প্রকৃত করণেওয়ালা শুধু মাত্র মহান স্রষ্টা ;তাই মনকে যাচাই করতে হয় সেবাকর্মের শুরুতে , মাঝে এবং শেষে। তা না হলে ত্রাণকার্য শেষে দাঁড়িয়ে মূত্র বিসর্জন দেয়ার মত তথাকথিত পুরুষত্ব প্রদর্শনের
বিষয়টি মূখ্য হয়ে দাঁড়ায়। সেটি সুসভ্যতার পরিচায়ক নয় মোটেই।

কাজেই সাধু সাবধান ।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:০০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা পরিশ্রম করে আমার লিখাটি নতুন ভাবে উপস্থাপন করার জন্য।

১১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:০৮

সুমন কর বলেছেন: কাজেই সাধু সাবধান ।

মনের ক্ষোপ কি কবিতায় প্রকাশ পেল !!

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: মনের কোন ক্ষোভ নয় সুমন কর । এটা ভালবাসা থেকে।সব কিছু ঠিকমত হয় যেন ।

কমেন্টে ও পাঠে ধন্যবাদ । নিরন্তর শুভকামনা।

১২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:১১

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: সাধু সাবধান !

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:০০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ও পাঠে ধন্যবাদ । নিরন্তর শুভকামনা ।

১৩| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৫০

এহসান সাবির বলেছেন: কবি কেমন আছেন?

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১:৫৮

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ভাল আছি এহসান সাবির ভাই । আপনি কেমন আছেন ?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.