নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

প্রতি যুগে একদল সত্যের অনুসারী থাকে। আমি সে দলে আছি।

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া)

সকল মানুষের মধ্যে কিছু কিছু ভুলত্রুটি আছে যা মানুষ নিজে বুঝতে পারে না, সেই ভুলগুলো ধরিয়ে দেয়া এই অধমের দায়িত্ব

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) › বিস্তারিত পোস্টঃ

এক ঈশ্বরের সংজ্ঞা এবং আত্মা ও ঈশ্বর তথ্যে নাস্তিক্যবাদীদের কর্মপন্থা।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:১৩


ধর্ষক গুরু রাম-রহিম সিং

ঈশ্বর:
ঈশ্বর কারো মুখাপেক্ষী নন, তিনি কারো জন্ম দেননি, আর তিনি কারো জন্মের নন।
ইসলাম ধর্মে ঈশ্বরের যে সমস্ত বৈশিষ্ট্য দেয়া আছে, এই সমস্ত বৈশিষ্ট্য সূচক সিম্বলের মধ্যে পরস্পর যোগ সাজেশ করলেও ঈশ্বরের কর্ম ক্ষমতা নির্ধারণ করা এবং তার গঠন আকৃতিকে মূর্ত করা যায়না। অর্থাৎ কোরানিক বর্ণনা মতে, ঈশ্বর একটি বিমূর্ত ধারণা (নিরাকার)।

এখন প্রশ্ন আসে ঈশ্বর তাহলে কেমন বা কি?


আমার মতে, সৌরজগৎ/ মহাজগৎ/ সৃষ্টির জগৎের দৃশ্যমাণ বা অদৃশ্যমান অথবা এর বাইরে যা কিছু থাকুক না কেন তা সচল রাখতে এবং সৃষ্টির ধারাক্রম ঠিক রাখতে একটি কেন্দ্রীয় একক শক্তির প্রয়োজন হয়। এই কেন্দ্রীয় একক শক্তিই হলেন আমাদের বিশ্বাসকৃত ঈশ্বর।

ধর্মে ঈশ্বরের কনসেপ্ট (ধারণার) তারতম্যের কারণে অনেক সময় তার সাধারণ অনুসারীদের বিপদ ডেকে আনতে পারে। বর্তমান সময়ে ভারতের রাম-রহিম এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। এই ধর্ষক গুরুর কারণে অনেকগুলো প্রাণের অকাল প্রায়াত হয়েছে। এখন এই রাম-রহিমের জন্য যে আত্মাগুলো বিগত হইছে তারা যখন জানতে পেরেছে রাম-রহিম ঈশ্বরের বৈশিষ্ট সূচক কেউনা, তখন তাদের (রাম-রহিমের জন্য উৎসর্গকৃত আত্মা) আত্মার ভিতর যে উত্তেজক সৃষ্টি হয়েছে তা নিশ্চয় সুবিধাজনক ছিলোনা। এখানে এই দায় কে নিবে?
ধর্মের প্রবর্তকগণ নাকি রাম-রাহিম অথবা যারা অহেতুক জীবন দিয়েছে তারা?

------ -
আত্মার প্রস্হান এবং নাস্তিকদের কর্মপন্থা:


আমি জানি, একদিন আমাদের আত্মা খাঁচা ছাড়া হবে। আচ্ছা, আত্মা যখন খাঁচা ছাড়া হবে তখন কি দেহ আত্মা কে ত্যাগ করতে চাইবে? আর আত্মাই কি দেহকে সঙ্গ পাওয়ার জন্য আকুতি জানাবেনা? কেননা দেহ ছাড়া আত্মা তার রুপ/স্বরুপ প্রকাশিত করতে পারেনা। তাহলে কেন তাদের মধ্যে এই প্রস্হান?

প্রকৃত পক্ষে আত্মার অবস্হান নির্ভর করে দেহের অবস্হানের উপর। যতক্ষণ পর্যন্ত দেহে আত্মা ধারণের উপযোগী থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত আত্মা দেহের মধ্যেই থাকে। কিন্তু কোন কারণে দেহ তার আত্মাকে ধরে রাখার যোগ্যতা হারালে তখন আত্না দেহ থেকে চলে যায়।

এখন প্রশ্ন হলো আত্মা কোথায় যায়?

এক্ষেত্রে আপনি দুটি মাধ্যমের আশ্রয় নিতে পারেন:

এক. ধর্ম
দুই. বিজ্ঞান

এক. বিভিন্ন ধর্মে আত্মার প্রস্হান সম্পর্কে কতগুলো তথ্য প্রধান করেছে। এর মধ্যে আলোচিত তথ্য হলো- নরক (জাহান্নাম) স্বর্গ (জান্নাত)। এটা স্ব-স্ব অনুসারীরা ধর্ম অনুযায়ী বিশ্বাস করে থাকে যে আত্মা হয় নরকে না হয় স্বর্গে যাবে।

দুই.: বিজ্ঞান এই বিষয়ে এখনো পরিস্কার কোন ধারণা দিতে পারেনি। বিজ্ঞান যদি এবিষয়ে প্রমাণযোগ্য কোন ব্যাখ্যা দাড় করাতে পারে; আর সে ব্যাখ্যা যদি কোন কারণে ধর্মের বিরুদ্ধে যায় তাহলে পৃথিবীর বড় বড় ধর্মগুলো তার বিশ্বাস যোগ্যতা হারাবে। এবং বিলুপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

তাই যে সমস্ত নাস্তিকরা ঈশ্বর তথ্যকে ব্যর্থ করার জন্য বার বার বিফল মনোরথে ফিরে আসছেন তাদের উচিৎ হবে মৃত্যু পরবর্তী আত্মার রহস্যের প্রামাণ ও বিজ্ঞান ভিত্তিক তথ্য আবিষ্কার করা। তারা যদি এই কর্মে সফল হন এবং তাদের নব্য আবিষ্কৃত বিজ্ঞান ও প্রমাণ ভিত্তিক তথ্য যদি ধর্মীয় মতবাদের বাহিরে যায়, তাহলে যুগ যুগ ধরে ঈশ্বর মতবাদ নিয়ে আস্তিক এবং নাস্তিকদের মধ্যে যে মত বিরোধ চলছিল তার সমাধান হবে- আশা করা যায়। ধর্মীয় কারণে পৃথিবীতে যে হানাহানি বিদ্যামান রয়েছে তাও লোপ পাবে।
আর যদি ধর্মীয় মতবাদের সাথে মিলে যায় তাহলেও মঙ্গল; কারণ এতে বিশ্বাস- অবিশ্বাস ব্যবধান ঘুচে যাবে।

খেয়াল: আত্মার রহস্যের প্রমাণ ও বিজ্ঞান ভিত্তিক তথ্য কোন আস্তিক আবিষ্কার করতে পারবেনা বা সেদিকে যাবেনা বিশ্বাসের কারণে। আর যে সমস্ত নাস্তিক ঈশ্বর তথ্যকে ব্যর্থ করার প্রচেষ্টা চালান তারা পারবেনা তাদের মানুষিক অক্ষমতার কারণে। কারণ তাদের মানুষিক সংকীর্ণতার ধরুণ তাদের মস্তিষ্ক এই তথ্য আবিস্কারের পর্যায়ে যাবেনা বা তারা কখনো তাদের মাথার ঘিলুকে সে লেভেলে নিতে পারবেনা ।

বুঝতে হবে:
আজ পর্যন্ত যে সমস্ত বিজ্ঞানীরা মানব সভ্যতার আবদান রেখেছেন তার অধিকাংশ কোননা কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন। দুই চারজন নাস্তিক থেকে থাকলেও তারা ঈশ্বর তথ্যকে নিয়ে এত ভাবতে যাননি। কারণ ঈশ্বর নিয়ে ভাবলে তারা মানব সভ্যতা নিয়ে ভাবার অবকাশ পেতেন না। এছাড়াও যদি দুই চারজন ভেবে থাকেন তারা 'ঈশ্বরের ব্যর্থ তথ্য' আবিস্কারে পর্যায়ে যেতে পারেনি । আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, বর্তমানে নব্য নাস্তিকতায় অভিনয় কারীদের মত তারা অত গোড়াপন্হী ছিলেন না।

এখন আমাদের মধ্যম পন্থা অবলম্ভনকারী বিজ্ঞানীদের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে আত্মার অর্ন্তধানের রহস্য নিয়ে।

(আমার ব্যক্তিগত চিন্তাধারা)।

মন্তব্য ৩৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০৩

রানার ব্লগ বলেছেন: আপনার লেখার সাথে ছবির এই ছাগলটার কি সম্পর্ক বুঝলাম না।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০৮

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ভারতে অনেকের ধারণা ছিল এই লোকটির ভিতর ঈশ্বরের বৈশিষ্ট্য আছে! তার কারণে কতগুলো প্রানের প্রস্হান হইছে।

হয়ত আমার ছবি সিলেকশনে ভুল আছে যা পোষ্টের সাথে মানান সই না।

২| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১৪

এস,এম,মনিরুজ্জামান মিন্টু বলেছেন: ঈশ্বর কারো মুখাপেক্ষী নন, তিনি কারো জন্ম দেননি, আর তিনি কারো জন্মের নন।

রানা ব্লগারের মত ছবিটাতে আমারও আপত্তি আছে।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১৮

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপত্তির কারণ যদি দয়া করে বলতেন তাহলে সরিয়ে দেব নিশ্চিত।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৪৬

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: উনি যে ঈশ্বরের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ নয় এটা বুঝাতে এই ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

৩| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪৪

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: ভাই, আল্লাহ নিরাকার কোথায় বলা আছে? আসলে নিরাকার না বলাই উচিত। দুনিয়ার কোন কিছুই আল্লাহর ক্ষেত্রে খাটে না। তাই আকার নিরাকার দিয়ে তুলনাও চলবে না। বিমূর্ত ধারণার কথা কুরআনে আছে? আমি আপনার সাথে তর্কের সুরে কথা বলছি না। লিখাটি এডিট করুন প্লিজ।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৫৪

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ভাই, আল্লাহ নিরাকার কোথায় বলা আছে? আসলে নিরাকার না বলাই উচিত। দুনিয়ার কোন কিছুই আল্লাহর ক্ষেত্রে খাটে না। তাই আকার নিরাকার দিয়ে তুলনাও চলবে না। বিমূর্ত ধারণার কথা কুরআনে আছে? আমি আপনার সাথে তর্কের সুরে কথা বলছি না। লিখাটি এডিট করুন প্লিজ।

আপনি প্রশ্ন করেছেন আবার একই সাথে এডিট করতে বলেছেন। এটা দ্বি-মুখী আচরণ। এডিট করার যথাযথ কারণ আপনি উল্লেখ করেন্নি। কারো শুধু অনুরোধের ভিত্তিতে পোষ্ট এডিট করার দায়বদ্ধতা পোষ্ট দাতার নেই।

আমার পোষ্টে আমি বলেছি- এটা আমার ব্যক্তিগত চিন্তাধারা।

৪| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:০১

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: আচ্ছা না করলে নেই। আমিই হয়ত বুঝাতে পারি নাই। তবে আপনিই বা প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন না কেন?

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:২৮

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: সৃষ্টির কর্তা কিরুপ সেটা নির্ভর করবে আপনার আরধনার উপর এবং আপনি কোন ধরণের সৃষ্টি কর্তায় বিশ্বাস করেন তার উপর।

তবে কথা থাকতে পারে, সৃষ্টি কর্তা আকার নাকি নিরাকার?

কোন কিছু আকার থাকলে তার সীমাবদ্ধতা চলে আসে। কিন্তু নিরাকার বলা হলে সীমাবদ্ধতার প্রশ্ন থাকতে পারে না।

এখন যদি বলা হয়; ঈশ্বরের আকার আছে, তাহলে ঈশ্বর সম্পর্কে মানুষ নির্দিষ্ট রেখা, লাইন টেনে তাকে একটি সীমাবদ্ধতায় আবদ্ধ করে ফেলবে, এতে ঈশ্বরের ইশ্বর হওয়ার মৌলিকত্ব ক্ষুন্ন হবে।

আর যদি বলা হয় নিরাকার, তাহলে প্রশ্ন থাকার অবকাশ নেই।

কারো যদি মনে প্রশ্ন জাগে ঈশ্বরের কুদরতী হাত কতটুকু হতে পারে? তাহলে উত্তর হবে অসীম, অপরিমানযোগ্য, যার কোন শেষ নেই ইত্যাদি।

আর যদি উত্তর হয় ঈশ্বরের হাত পৃথিবীর সমান, গ্রহের সমান বা নির্দিষ্ট পরিমান তাহলে আবার প্রশ্ন জাগবে, এই পরিমাপের বাহিরে কি ঈশ্বরের হাত কিছু করতে বা যেতে পারে না অর্থাৎ ঈশ্বরের হাতের ক্ষমতা সম্পর্কে মানুষ সন্দিহান হয়ে যাবে। তার ফলে ঈশ্বর আর ঈশ্বর থাকবে না।

তাই ধর্ম গ্রন্থে ঈশ্বর কে নিরাকার হিসেবে দেখানো হয়েছে (যেমন হিন্দু ধর্মে)। আবার কোন কোন গ্রন্হে বিমূর্ত ( যেমন ইসলাম; তবে ইস লামী ধর্মে সরাসরি আকারের কথাও বলা হয়নি। আকারের-বিপরীত নিরাকার) এখন কথা থাকতে পারে- আল্লাহ কোরানে বলেছেন; তিনি সব কিছু দেখেন এবং শুনেন আবার কোথাও কোথাও তার কুদরতী হাতের কথা বলেছেন, তিনি যদি তার এই কুদরতী হাতের, কানের চোখের কথা না বলতেন তাহলে লোকে প্রশ্ন করত: আল্লাহর হাত, কান, চোখ ইত্যাদি নেই তাই তার পক্ষে খবরদারি করা অসম্বব! অবিশ্বাসধারীদের মুখে ছাই দিতেই তিনি এই উপমা ব্যবহার করছেন

। আমার মতে, কেউ যদি ঈশ্বর কে সীমা রেখায় ফেলতে চায় তাহলে তার মনে যে ঈশ্বর রয়েছে সে ঈশ্বর হওয়ার যোগ্য নয়।

অতএব, যদি কেউ ঈশ্বরে বিশ্বাস করে তাহলে তাকে নিরাকার/বিমূর্ত এবং এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করা উচিত।

বি:দ্র: আমার পোষ্টে-
আমার মতে, সৌরজগৎ/ মহাজগৎ/ সৃষ্টির জগৎের দৃশ্যমাণ বা অদৃশ্যমান অথবা এর বাইরে যা কিছু থাকুক না কেন তা সচল রাখতে এবং সৃষ্টির ধারাক্রম ঠিক রাখতে একটি কেন্দ্রীয় একক শক্তির প্রয়োজন হয়। এই কেন্দ্রীয় একক শক্তিই হলেন আমাদের বিশ্বাসকৃত ঈশ্বর।


এবং বিমূর্ত এর সমধর্মী অর্থ বুঝাতে নিরাকার উল্লেখ করেছি। যেমন: অর্থাৎ কোরানিক বর্ণনা মতে, ঈশ্বর একটি বিমূর্ত ধারণা (নিরাকার)।
(প্রথম প্যারার শেষের লাইন দেখুন। তাই এখানে ভুল বুঝার অবকাশ নেই।

৫| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৫৪

মানিজার বলেছেন: সুজা কথা হইল ইশ্বর নিয়া ভাবার মত যথেষ্ট সময় পাবলিকের হাতে নাই ।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৫৯

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: সুজা কথা হইল ইশ্বর নিয়া ভাবার মত যথেষ্ট সময় পাবলিকের হাতে নাই । - যাদের নাই তারা তাদের পথে থাকুক, আবার যাদের আছে তারা ঈশ্বরের পথে ব্যয় করুক। কিন্তু ক্যাচাল লাগ্লে সমস্যা।

৬| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:০৯

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: ধন্যবাদ উত্তরের জন্য। যেহেতু আল্লাহ কুরআনে হাতের কথা উল্লেখ করেছেন(শয়তানের সাথে কথা বলার সময়) তাই আমি উক্ত ব্যাপারটি তুলেছি। আল্লাহর হাত কেমন তা আমরা জানি না। তাই আমাদের আকার দিয়ে তাকে তুলনা করা যায় না। আবার নিরাকার ও বলা যায় না। কারণ হাতের কথা বলেছেন। তাই বলেছি আপনি হয়ত বুঝেই নিরাকার উল্লেখ করেছেন। কিন্তু অনেকেই হয়ত নিরাকার দেখে বিভ্রান্ত হতে পারে। তাই জেনারেল ভাবে বলেছি আকার-নিরাকার দিয়ে তার তুলনা চলে না। যাই হোক। আমার বুঝায়ও ভুল থাকতে পারে। আল্লাহ ক্ষমা করুন।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৩২

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: সামগ্রিক বিচার-বিশ্লেষণের পর সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হয়।

ধন্যবাদ।

৭| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:১৯

কানিজ রিনা বলেছেন: ধর্মদর্শন জ্ঞান বিজ্ঞান কোনওটাই সাঙ্ঘর্সীক
না। শক্তির বিন্যাশ নাই আত্বাাও শক্তি যার
বিন্যাশ নাই আত্বা অবিন্যাসী।
মহা নাস্তিক বস্তুবাদী বিজ্ঞানী এন্থনিফ্লু
মহাবিজ্ঞানী আইনস্টাইন আরও বস্তুবাদী
বিজ্ঞানী একমত প্রশনে স্বীকৃতি দিয়ে
বলেছেন। বিগব্যাঙ বিস্ফোরন এক সুনিয়ন্ত্রিত
সুনিপুন সত্বার হাতে নিয়ন্ত্রিত। তিনি এক
অদ্বিতীয় সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ্।
বিজ্ঞান পরিবর্তনশীল সকল মনুষ্য সৃস্টির
মস্তিস্ক এক নয়। যুগে যুগে মানব কুলের
কল্যানে সৃস্টি হয়েছেন নবী পয়গম্বর মনি
ঋষী। তারাই ধর্মদর্শন প্রতিষ্ঠা করেছেন
মানবকুল কল্যান সাধনে। সেই সাথে জ্ঞান
বিজ্ঞান যান্ত্রীক সভ্যতায় এনেদিয়েছে মানব
সুবিধা। তাই সকল মস্তিস্ক সমান ভাবে সৃষ্টি
হয়না। মানুষের জ্ঞান পরিধির বাইরে সৃস্টি
কর্তার অস্তিত্ব। অত্যান্ত উন্নত মস্তিস্ক ছাড়া
আল্লাহকে চোখে দেখা যায়না। তৃতীয় নয়ন
সাধারন মস্তিস্ক খবর রাখেনা।
হযরত মোহাঃ সঃ শ্রেষ্ঠ মহামানব যিনি উন্নত
মস্তিস্ক দিয়ে আল্লাহর সান্বিধ্যে পৌছে ছিলেন
যার নাম মেরাজ। মানব কল্যানে নবী মোহাঃসঃ উপর আল্লাহর আসমানী কোরআন
নাজীল হয়। জগতের সকল মানুষের উপহার
স্বরুপ শেষ আসমানী কিতাব আর সব
কিতাবের থেকেও জ্ঞানের পরিধি মহাকাশ
সাগর মহাসাগর থেকেও বড়। অসংখ্য ধন্যবাদ
আপনার সুন্দর লেখার জন্য।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৩৯

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: নাস্তিক্যবাদ আস্তিক্যবাদের জন্য সমস্যা নয়, সমস্যা হলো যারা নাস্তিক্যের অভিনয় করে তারা।
আমরা মুখে স্বীকার করি আর নাই করি অন্তরে এটা বিশ্বাস করি যে, মহা জগৎের নিয়ম-শৃঙখলার রক্ষার জন্য একটি কেন্দ্রীয় একক শক্তি ক্রিয়াশীল

৮| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:১৬

জাহিদ অনিক বলেছেন: কোন কারণে দেহ তার আত্মাকে ধরে রাখার যোগ্যতা হারালে তখন আত্না দেহ থেকে চলে যায়। - ঠিক কোন কোন কারনে দেখ আত্মাকে ধারণ করার অযোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারে?

আর প্যানথিজম নামে আমার একটা টার্ম জানা ছিল ।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:২৪

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: প্যানথিজম- একটি ব্যাপক বিষয়। এটা বিস্তারে ভারতীয় মুনিঋষিদের যেমন ভূমিকা আছে তেমতি বিভ্রান্তিও আছে।

৯| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৪০

আবদুল মমিন বলেছেন:


কোরআনে আত্মাকে রুহ বলা হয়েছে , আর আল্লাহ পাক রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি অয়াসাল্লাম কে এই রুহ সম্পর্কে যানাচ্ছেন যে " কাপের রা তোমাকে রুহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে , তখন তুমি বলবে রুহ আল্লাহর আদেশ মাত্র " এ থেকে বুজা যায় যে রুহ বা আত্মা এটা কোন বস্তু নয় , যে কোন বডি আস্তে আস্তে সেই বস্তূ কে ধারন করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে । বরং আল্লাহ পাকের আদেশটাই হোলও আত্মা । হাঁ করিম তুমি বেঁছে থাক এই বেঁছে থাকার অনুমধন টাই করিমের মাঝে আত্মার উপস্থিতি বুজায় ,তেমনি ভাবে না করিম তুমি মরে যাও এই মরার আদেশটাই করিম থেকে আত্মাকে বাহির হওয়া বুজায় ।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৩৭

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: " কাপের রা তোমাকে রুহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে , তখন তুমি বলবে রুহ আল্লাহর আদেশ মাত্র "- ঈশ্বরের ফ্যাক্টরি নেই যে সেখানে ম্যানেজমেন্ট এর মাধ্যমে যন্ত্র দ্বারা রুহ তৈরি হবে। তিনি আদেশ করা মাত্র সেটি প্রস্তুত হবে। এখানেই ঈশ্বরের বৈশিষ্ট্য। কথা হলো, মানব দেহ অচল হওয়ায় পর ঈশ্বরের আদেশে তৈরিকৃত আত্মার সর্বশেষ অবসস্হার কি হয় তার বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রমাণ।

১০| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৩৬

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: " কাপের রা তোমাকে রুহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে , তখন তুমি বলবে রুহ আল্লাহর আদেশ মাত্র "- ঈশ্বরের ফ্যাক্টরি নেই যে সেখানে ম্যানেজমেন্ট এর মাধ্যমে যন্ত্র দ্বারা রুহ তৈরি হবে। তিনি আদেশ করা মাত্র সেটি প্রস্তুত হবে। এখানেই ঈশ্বরের বৈশিষ্ট্য। কথা হলো, মানব দেহ অচল হওয়ায় পর ঈশ্বরের আদেশে তৈরিকৃত আত্মার সর্বশেষ অবসস্হার কি হয় তার বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রমাণ।

১১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:০৭

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: গুরমিত রাম রহিম সিং-এর মতো একজন ভণ্ড লোকের ছবি এই পোস্টের সাথে মানানসই নয়।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:২২

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: গুরমিত রাম রহিম সিং-এর মতো একজন ভণ্ড লোকের ছবি এই পোস্টের সাথে মানানসই নয়।- জি- ঠিক বলেছেন।

এই লোকটির আনুষঙ্গিক উপসর্গের কারণে অনেকে ঈশ্বর তথ্যের ভুল ব্যাখা বুঝে প্রত্যারিত হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত মানুষের কারাগারে কথিত ঈশ্বর বৈশিষ্টয সম্পূর্ণ লোকটি জেল খাটছে!

১২| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:২১

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: গুরমিত রাম রহিম সিং-এর মতো একজন ভণ্ড লোকের ছবি এই পোস্টের সাথে মানানসই নয়।- জি- ঠিক বলেছেন।

এই লোকটির আনুষঙ্গিক উপসর্গের কারণে অনেকে ঈশ্বর তথ্যের ভুল ব্যাখা বুঝে প্রত্যারিত হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত মানুষের কারাগারে কথিত ঈশ্বর বৈশিষ্টয সম্পূর্ণ লোকটি জেল খাটছে!

১৩| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৬

স্বতু সাঁই বলেছেন: এক. বিভিন্ন ধর্মে আত্মার প্রস্হান সম্পর্কে কতগুলো তথ্য প্রধান করেছে। এর মধ্যে আলোচিত তথ্য হলো- নরক (জাহান্নাম) স্বর্গ (জান্নাত)। এটা স্ব-স্ব অনুসারীরা ধর্ম অনুযায়ী বিশ্বাস করে থাকে যে আত্মা হয় নরকে না হয় স্বর্গে যাবে।

স্বর্গ নরকে যদি শুধু আত্মাই যাবে তবে কেয়ামতের দিন কবর থেকে মানুষকে কেনো তোলা হবে? আপনার জানা ভুল হচ্ছে। সঠিকটা ভালো করে জানুন।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৯

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ওটা আত্মার চূড়ান্ত পরিণতি।

১৪| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:০৩

স্বতু সাঁই বলেছেন: তাহলে আপনি কোন আত্মার কথা বলছেন? কেয়ামতের আগে তো নরক দোজখে যাবার কথা কোথাও লিখা নাই?

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:২৩

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: এখানে রচনা লিখি নাই, পোষ্টে চূড়ান্তকরণের দিকে ইংগিত করা হয়েছে।

কেয়াতের আগে আত্মা ইল্লিয়্যিন এবং সিজ্জিনে সংরক্ষিত থাকে। এটা ধর্ম তাত্ত্বিক বর্ণনা। এটা কোরানে আছে। ধর্ম অনুসারী নিঃসংকোচে বিশ্বাস করে থাকে। তাই এটা নিয়ে ত্যানা প্যঁাচানো অবান্তর। আপনার অবিশ্বাস থাকলে ভিন্ন কথা। তখন উত্তর অন্য রকমম হতে পারে।

আমার পোষ্টের মূল আলোকপাত ছিল মৃত্যুর পর আত্মার কি হয়, তার বিজ্ঞান ভিত্তিক ব্যাখ্যা।

১৫| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৩৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


আস্তিক, নাস্তিক, মাস্তিক সমস্যা সায়েন্স থেকে আসেনি, উহা এসেছে ধর্ম থেকে

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৪২

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: সভ্যতার অগ্রগতিতে সমস্যা সমাধানে আধুনিক সায়েন্সের ভূমিকা রয়েছে। সায়েন্সের দায়বদ্ধতা থেকেই এই সমস্যার সমাধান করা দরকার।

১৬| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:০৫

স্বতু সাঁই বলেছেন: মৃত্যুর পর আত্মার কি হয়, তার বিজ্ঞান ভিত্তিক ব্যাখ্যা।

এ ব্যাখ্যা তো বিজ্ঞানের বাপেরও দেওয়ার ক্ষমতা নাই। কারণ আত্মাকে দেখার কোন মাইক্রোসকোপ আবিস্কার হয় নি এবং হবেও না কখনও। তবে এটা জানবার একটা উপায় আছে। যদি আপনি আপনার জন্মের কারণ জানতে পারেন তহলে সম্ভব।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৫৮

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: জ্ঞানের লেভেলে স্তর বাড়লে অনেক কিছু সম্ভব। আঠারো শতকে যা মানুষ কল্পণা করত আজ তা বাস্তব।

১৭| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:৫২

অনল চৌধুরী বলেছেন: ব্রুনো,গ্যালিলিও,কোপার্নিকাস,ডারইউন,মার্কস,ফ্রয়েড,হকিং-সব বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিকই নাস্তিক ছিলেন।হকিং বলেছেন মৃত্যুর পর আর কোন জগত নাই।

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ৭:৩১

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: তারা স্ব-ঘোষিত নাস্তিক ছিলোনা। তাদের থিউরি তাদের নিয়ে মানুষ সন্দেহ প্রবণ থাকতে পারে। আর স্ব-ঘোষিত নাস্তিকরা তাদের কে দলে টেনে নিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো তারা কখনো ধর্মের সাথে দ্বন্দে জড়ান্নি। চার্চগুলো স্বেচ্ছায় তাদের সাথে দ্বন্দে জড়িয়েছে। স্ব-ঘোষিত আর তাদের মধ্যে এখানে পার্থক্য।

১৮| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: আত্মাকে দেখার কোন মাইক্রোসকোপ আবিস্কার হয় নি এবং হবেও না কখন-একথা কিভাবে বলেন?মানুষ বিদ্যুত,বিমান,কম্পিউটার বা মোবাইল আবিস্কারের মাধ্যমে অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করেছে,যা ৫০ বছর আগেও অচিন্তনীয় ছিল।
আত্মার ব্যাপারটাও সমাধান হয়েছে হকিং এর কথায়।আরো অনেক কিছু জানা যাবে।

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ৭:৩২

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: @সাইঝি

১৯| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:৫৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: তারা স্ব-ঘোষিত নাস্তিক ছিলোনা। তাদের থিউরি তাদের নিয়ে মানুষ সন্দেহ প্রবণ থাকতে পারে। আর স্ব-ঘোষিত নাস্তিকরা তাদের কে দলে টেনে নিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো তারা কখনো ধর্মের সাথে দ্বন্দে জড়ান্নি। চার্চগুলো স্বেচ্ছায় তাদের সাথে দ্বন্দে জড়িয়েছে। স্ব-ঘোষিত আর তাদের মধ্যে এখানে পার্থক্য। -সত্য যেভাবেই বলা হোক না কেন,তা সত্যই।ব্রুনো,গ্যালিলিও বা ডারউইন যতো নীরিহ ভাষাতেই বলে থাকেন না কেন,তাদের তত্ব সম্পূর্ণভাবে খ্রিষ্টিয় ও সেমেটিক ধর্মগুলির সৃষ্টিতত্ব বিরোধী।
ঈশরে অবিশ্বাসী নাস্তিক একথা সরাসরি বললে তত্ব প্রচারের অগেই তাদের হত্যা করা বা জেলে পাঠানো হতো। শেষপর্যন্ত তাই হয়েছিল।

২০| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৭ রাত ২:০৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: বাইবেল বলছে, ঈশ্বর মানুষ সৃষ্টি করেছে।কিন্ত ডারউইননে বলছেন বিবর্তনের একটা পর্যায়ে বনমানুষ থেকে মানুষ সৃষ্টি হয়েছে।
তার তত্ব সম্পূর্ণভাবে ধর্মবিরোধী।এরপরও কি তাকে নিজমুখে নাস্তিক্যের কথা স্বীকার করতে হবে?
নাস্তিকরা তাকে দলে টানেননি,তিনি নিজেই অন্ধ ধর্মশ্বিাসের পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার জন্ম দিয়েছেন।
সারা পৃথিবীর প্রায় সব বিদ্যালয় অার বিশ্বদ্যিালয়েই তার বিবর্তনবাদ পড়নো হয়।বেদ,গীতা,বাইবেল বা উপনিষদ বা ত্রিপিটক না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.