নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি কপি- পেস্ট করি ,আপত্তি থাকলে আমার পোস্ট পড়বেন না।।

শাহ আজিজ

আমি ফিচার , কপি পেস্ট , ও অনুবাদ লিখি

শাহ আজিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:২০


চৈত্র সংক্রান্তিতে তেঁতো খাওয়া অপরিহার্য । ১৯৭৮ সালে আমরা তিন যুবক যারা সহপাঠী এবং রুমমেট বটে সাইকেল চালিয়ে টাঙ্গাইল জামালপুর হয়ে ময়মনসিংহ পৌঁছেছি গতকাল ।জামালপুরে আমাদের সহপাঠীদের বাসায় থাকা খাওয়া আনন্দে মেতে ওঠা তারপর পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের পাশ দিয়ে যে রাস্তা ময়মনসিংহ গেছে সাইকেল চালিয়ে পৌঁছান । আজকের দিনে ব্রহ্মপুত্রের পাড় দিয়ে গড়ে ওঠা খুঁটির ওপর কাঠের বাড়িতে বিউটি আপার বাড়িতে আমাদের দুপুরের দাওয়াত । এই প্রথম জানলাম আজ চৈত্র মাসের শেষ দিন এবং খাবারে তেঁতো খাওয়া অতিআবশ্যিক । কোন একধরনের পাতা বেটে যে তেঁতো ভর্তা তৈরি হয়েছিলো তা মন্দ নয় খেতে , সাথে মাছ, মুকুল আমের ডাল । পরশু রাতে বেদম কালবৈশাখী উপভোগ করেছি জামালপূরে সহপাঠী রিনার বোনের বাড়িতে । রিনা তখন জামালপুরে । সিদ্ধার্থ আমাদের সপ্ত ব্যাঞ্জন সহকারে দুপুরের খাবার খাইয়েছিল কাঁসার থালা বাটি আর ভারি গ্লাসে । বিউটি আপার বাসায় ছুটি কাটাচ্ছেন স্বপ্না আপা । তেতোর গুনাগুন বর্ণনা করলেন বিউটি আপা । বাড়ির পিছন দরজা দিয়ে দেখছিলাম শীর্ণ ব্রহ্মপুত্র । ঝড়ে পড়া আম ডাল চুমুক দিয়ে মনে হচ্ছিল অমৃত খাচ্ছি । সেই থেকে আমি কি দেশে কি বিদেশে করলার তেঁতো খেয়ে সংক্রান্তি উদযাপন করি একাই । আজ গৃহকর্মী করল্লা ভর্তা আর পাবদা মাছ রেধেছে আমার জন্য। গতকাল ছোট দুটি আম কিনেছি ৩৭ টাকায় , কন্যা তার অফিসের গাছ থেকে একটি কুঁড়ি আম এনেছে বৈশাখের ভর্তা খাবে আর আমি খাব আমের টক কারন ডাল নিষিদ্ধ হয়েছে বাকি জীবনের জন্য । বাঙালি সংস্কৃতির এই যে কিছু ব্যাপার আছে তা দৃঢ় হয়েছে পরবাসে তাদের উজ্জ্বল সংস্কৃতির আবহে থেকে । তেঁতো আমাকে প্রতিদিন খাওয়া লাগে । আমার মনে হয়েছে বাঙ্গালির কিছু খাবার আছে যা হৃদ , ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উত্তম যে কারনে ইব্রাহিম সাহেব যে খাবার ফর্দ দিয়েছিলেন তা এইসকল রোগীদের জন্য একদম পারফেক্ট । আমি বাঙালি তাই গর্ব করি আমার সংস্কৃতি আর খাবারদাবার নিয়ে । বিদায় বাংলা সন এবং বিদায় বসন্ত ।

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৪২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
ভাল লেগেছে।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:০৫

শাহ আজিজ বলেছেন: ধন্যবাদ।

২| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:০৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
আমার ব্লগে একদিন ঘুরে যান।

৩| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: তেঁঁতো শাকের মধ্যে পাটশাক আমার প্রিয়। সব্জীর মধ্যে করল্লা। সেদিন এক বুড়ি শাক বিক্রেতার কথায় প্রলুব্ধ হয়ে এক আঁঁটি নাম না জানা শাক কিনে আনলাম। আমার মত বাড়ীর গিন্নী আর গৃহকর্মীর কাছেও এ শাকটা ছিল অচেনা, তাই ওরা রাঁঁধতে চায়নি তবে আমি জোর করাতে রাঁধলো। এতই তেঁতো ছিল যে শেষ পর্যন্ত রান্না করা শাকটাকে ফেলেই দিতে হলো।
তবে চৈত্র সংক্রান্তিতে তেঁতো শাক সব্জী খাওয়ার রেওয়াজ এ দেশে পুরনো। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা এটা বেশী মানে। তবে অনভ্যাসের কারণে এ রেওয়াজটা হয়তো অচিরেই উঠে যাবে।
চৈত্র সংক্রান্তিতে সুন্দর পোস্ট লিখেছেন। ধন্যবাদ।
বিদায় বঙ্গাব্দ ১৪২৪, বিদায় বসন্ত!

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৪১

শাহ আজিজ বলেছেন: তেঁতো আমার বাবা খেতেন খুব এবং আমাদের উপর চাপ প্রয়োগ করতেন তেঁতো খাওয়ার জন্য । ১২ মাসি যে খাবারের বিষয় ছিল আমার বাবা মৌলভি সাহেব তা কঠিন ভাবে মানতেন। শুভ বাংলা নববর্ষ ।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:১৭

শাহ আজিজ বলেছেন: গিমা শাক এনেছিলেন কি । আমার প্রিয় , কিছু চিংড়ি দিলে স্বাদ অপূর্ব !!

ওটা আনলে গৃহ কর্মীরা চেইতা যায় বাছতে বাছতে ।

৪| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:০৪

ক্স বলেছেন: হিন্দুরা বেশি বেশি করে - এরকম কিছু করা যাবেনা। মঙ্গল শোভাযাত্রাকে হিন্দুয়ানী ঘোষণা করে তা প্রতিহতের ডাক দিয়েছে হেফাজত।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:১৫

শাহ আজিজ বলেছেন: আপাতত তুমি এশা আর শায়লার দিকে নজর ফিরাও । বেচারিরা খুব বিপদে আছে।

হেফাজতের শাপলা চত্বরে এক ধোলাইয়ে হয়নাই , আরও লাগব । B-) B-)

৫| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:০৭

রাজীব নুর বলেছেন:

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:০৯

শাহ আজিজ বলেছেন: শুভ বাংলা নববর্ষ

৬| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫

প্রান্তর পাতা বলেছেন: চৈত্র সংক্রান্তিতে তেতো খাওয়ার বিষয়টা বুঝিয়ে বলবেন? বিষয়টা জানতাম না!

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:০২

শাহ আজিজ বলেছেন: সারা বছরের ভালো ভালো খাবারের বিপরিতে তেঁতো খেয়ে পরিচ্ছন্ন শরীর আশা, তেতোকে রক্ত পরিস্কারক মনে করা হয় । তদুপরি এক ধরনের বিশ্বাস কাজ করে। করল্লা একটি নানাবিধ অসুখের মহাঔষধ তেমনি অন্যান্য তেঁতো পাতাও এর অন্তর্ভুক্ত। চৈত্র সংক্রান্তিতে আবহাওয়া খুব গরম থাকে বলে অম্ল বা পেটের পীড়া থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই এসময় করল্লা বা অন্যান্য তেঁতো খান। আবার বৈশাখ উৎসবে মিষ্টি খাওয়াকে মনে করা হয় সারাটি বছর ভালো যাক ।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:১৫

শাহ আজিজ বলেছেন: যেমন ইংরেজি নিউ ইয়ারসের সময় প্রচণ্ড ঠাণ্ডা তাই নানা রকমের ড্রিংক্স পান করে শরীর গরম করার জন্য । একটু নেশা না করলে আনন্দ হয়না। আমরা একসময় তালের রসের তাড়ি খেতাম, দুর্দান্ত জিনিস।

৭| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:০৭

প্রান্তর পাতা বলেছেন: আর আমরা আজকে দই মিস্টি খেলাম_ /:)
ও আরেক কথা আমার ব্লগে আপনার নিমন্ত্রন।ধন্যবাদ।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:১১

শাহ আজিজ বলেছেন: ওতে কিছু এসে যায় না । তেঁতো আমার প্রতিদিন দুপুরের খাবার, করল্লা ভর্তা । ঠাণ্ডা করে পেট ।

৮| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:২৬

প্রান্তর পাতা বলেছেন: করলা ভর্তা আমার প্রিয় খাবার B-) তবে শাকে টাকে বিশেষ অনুরাগ নাই।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৩৯

শাহ আজিজ বলেছেন: পরশু লাল শাক খেয়ে প্রচণ্ড গ্যাস হচ্ছে, কি জানি ঠিক মতো ধোয়া হয়নি হয়ত ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.