নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি কপি- পেস্ট করি ,আপত্তি থাকলে আমার পোস্ট পড়বেন না।।

শাহ আজিজ

আমি ফিচার , কপি পেস্ট , ও অনুবাদ লিখি

শাহ আজিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সিরিয়া যুদ্ধ: অস্ত্রের প্রতিযোগিতায় কে এগিয়ে?

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৩২


সিরিয়ায় যৌথ হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। তারা তিনটি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়া দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকাংশই সিরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে সমর্থ হয়েছে।

এখন একটা প্রশ্ন সামনে এসেছে। সিরিয়ার যুদ্ধে শক্তিধর দেশগুলোর কাছে কি ধরনের অস্ত্র আছে? আর রাশিয়া এবং সিরিয়া তাদের জবাব কীভাবে দিতে পারে?

যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাজেট ৬০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। ইতিমধ্যেই ভূমধ্যসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র-বিধ্বংসী ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস ডোনাল্ড কুক অবস্থান করছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে যুদ্ধের আঘাত এড়াতে দেশটি সিরিয়ার স্থাপনাগুলোতে ক্রুজ মিসাইল দিয়ে আঘাত করতে পারে। এর ফলে যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার আশঙ্কাও আর থাকবে না।

এছাড়া যুদ্ধবিমান বহনকারী বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজও পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করছে মার্কিন নৌবাহিনী। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে কাতারে। এখানে রয়েছে আছে এফ-১৬ জঙ্গিবিমান। এছাড়াও রয়েছে সাবসনিক বি-৫২ বোমারু বিমান। যুদ্ধবিমানটিকে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে আগেও ব্যবহার করেছে।

যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা বাজেট পাঁচ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। দেশটির যুদ্ধবিমান সাইপ্রাসে রাফ এক্রোতিরি ঘাঁটিতে অবস্থান করছে। সেখানে ব্রিটেনের আটটি সুপারসনিক টর্নেডো যুদ্ধবিমান রয়েছে। সম্প্রতি এগুলোতে আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটেনের মনুষ্যবিহীন ১০টি বিমান আছে। এগুলোকে রিপার ড্রোন বলা হয়। ইরাক ও সিরিয়ার যুদ্ধে এগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও যুক্তরাজ্যের আছে নজরদারি বিমান রিভেট। যেকোনো ধরনের আবহাওয়ার মধ্যে এটি কাজ করতে পারে।

ফ্রান্স

ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা বাজেট ৩৪০০ কোটি মার্কিন ডলার। ফ্রান্সের নৌবাহিনীর রয়েছে পরমাণু শক্তি পরিচালিত এয়ারক্রাফ্ট কেরিয়ার শার্ল দ্য গল। এটি অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা বহন করতে পারে। একই সঙ্গে ১৯শ সেনাও বহন করতে পারে এই এয়ারক্রাফ্ট কেরিয়ার। ফ্রান্স জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে তারা বেশ কিছু মিরাজ ও রাফাল বিমান মোতায়েন করেছে। সিরিয়া ও ইরাকে ইসলামিক স্টেটের যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে তারা এগুলো ব্যবহার করেছে।

সিরিয়া

সিরিয়ার প্রতিরক্ষা বাজেট ২৫শ কোটি মার্কিন ডলার। সম্প্রতি ইসরাইলের হামলায় সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতগ্রস্ত হয়েছে। সিরিয়ার রয়েছে এসএ-৫ গামন বিমান হামলা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এটি সম্প্রতি উন্নত করা হয়েছে। এর ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র খুব দ্রুত যেকোন যুদ্ধবিমানকে আঘাত করে মাটিতে নামিয়ে আনতে পারে। সঙ্গে রাশিয়ার এসএ-২২ এবং এসএ-১৭ ধরনের অস্ত্রও যুক্ত করা হয়েছে। সিরিয়ার আছে চীনের সরবরাহ করা স্পর্শকাতর কিছু রাডার ব্যবস্থা। তবে সিরিয়ার বেশিরভাগ বিমানই পুরনো। এগুলো ব্যবহার করতে হলে বড়ো ধরনের মেরামত প্রয়োজন।

রাশিয়া

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা বাজেট ছয় হাজার ৯শ কোটি মার্কিন ডলার। ধারনা করা হচ্ছে রাশিয়া তাদের এস-৪০০ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করবে। রাশিয়ার কিছু বহুস্তরের বিমানবিধ্বংসী ব্যবস্থা সিরিয়াতে মোতায়েন করা হয়েছে।

সিরিয়াতে রাশিয়ার আরও কয়েক ধরনের যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে সুখয় -২৪ বোমারু বিমান, সুখয়-২৫ যুদ্ধবিমান, বহু ভূমিকা পালন করতে পারে এরকম জঙ্গি বিমান, পরিবহন বিমান, গোয়েন্দা বিমান এবং হেলিকপ্টার গানশিপ। এছাড়া দেশটি সিরিয়াতে মিগ ২৪ এবং মিগ ৩৫ ব্যবহার করছে।
বাংলা ইনসাইডার









রাশিয়ার আকাশে মিসাইল নিরোধ প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা , কম করেও ৭৩ টি ত্রি শক্তির ছোড়া মিসাইল অকেজো করেছে।

মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৭

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: মাঝখান থেকে একটি দেশ ধুলোর সংগে মিশে যাচ্ছে! আগামী ৫০ বছরেও উঠে দাড়াতে পারবেনা।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:১১

শাহ আজিজ বলেছেন: ইরাকের দিকে চেয়ে দেখলে যুদ্ধের ভয়াবহতা টের পাওয়া যায়।

২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৫১

শাহারিয়ার ইমন বলেছেন: সিরিয়ার অবস্থা তো তাহলে খুব খারাপ হবে

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:১০

শাহ আজিজ বলেছেন: পয়লা বৈশাখের সকালে শুরু হয়ে গেছে তিন সন্ত্রাসীর তাণ্ডব । গেল দশ বছরে সিরিয়া বিরান এলাকা । এখন দখল করার যুদ্ধ ।

৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:২১

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: সুখেই, মিগ আর মিসাইল তিনটাতেই রাশিয়া বস। ট্রাম্পের মোড়লগিরির দিন শেষ।


সিরিয়ার ধ্বংস প্রাপ্ত বাড়ীগুলো দেখলে খুব খারাপ লাগে। :(

যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই।।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৫২

শাহ আজিজ বলেছেন: সিরিয়ার আন্তঃ দন্ধ আরও বেশি সুযোগ এনে দিয়েছে যুদ্ধবাজ এই তিন শয়তানকে । আফরিন শহর যা তুর্কি ব্যাক সিরিয়ান ফ্যাক্ট সেনাদের গোলাবর্ষণে ঝাঁজরা হয়ে গেছে । কুর্দিরা এরদোগানকে সাহায্য করে এখন নিজেরাই বিপদে। আইসিস এখন তুরস্কতে বিশ্রাম নিচ্ছে মরছে সেই কুর্দিরা । এক আজব আরবীয় শয়তানদের কাহিনী এখানে।

৪| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৫৩

কালীদাস বলেছেন: কি কুৎসিত রাজনীতি!! এই সমস্যাগুলো নিজেরাই সৃষ্টি করেছে অনেক বছর ধরে পরবর্তীতে সুবিধা পাওয়ার জন্য। মাঝখানে নিরীহ সিরিয়ানরা মরছে।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৫৯

শাহ আজিজ বলেছেন: ঠিক লেবানিজদের মতো । ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় দিয়ে নিজেরাই পরদেশী হয়েছে। আফরিন ধ্বংস করার সময়ে নিয়মিত মনিটর করতাম । এখন আবার শুরু করেছি ।

৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:২৯

নূর আলম হিরণ বলেছেন: পুরূদমে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে বাংলাদেশ তথা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনি সংকেত।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:১৬

শাহ আজিজ বলেছেন: এই যুদ্ধ রাশিয়া - আমেরিকার মক ওয়ার । দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের মতো ঢাকঢোল পিটিয়ে আর যুদ্ধ হবেনা কারন এখন সময় দূরবর্তী ক্ষেপণাস্ত্রের । যুদ্ধ হবে বিমান থেকে কেমিক্যাল বোমা ফেলে মানুষকে ধীরে ধীরে হত্যা করা। আরবরা পৃথিবীর সবচে বেশি গোত্রভিত্তিক সমাজ আর এই অসামঞ্জস্য পশ্চিমীদের পুরো জ্ঞাত । তাই দেখুন তারা কাকে কিভাবে ধরতে হবে আর কার সাথে কেমন তরবারি উচানো সম্পর্ক সব ডাটা তাদের আছে। ৯০ সাল থেকে ওই যে শুরু তা আর থামার লক্ষন নেই । আফগানিস্তানে মার্কিনীরা রাশিয়ার বিরুদ্ধে জয়ী হয়েছিলো ওই এলাকার মানুষদের গোত্র ভিত্তিক বিচ্ছিন্নতাকে আশ্রয় করে। আমাদের দুর্ভাগ্য ।

৬| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:০৮

প্রান্তর পাতা বলেছেন: দুঃখজনক

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:১৮

শাহ আজিজ বলেছেন: গত ১০ বছরে সিরিয়ানরা দুর্ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে যাচ্ছে শুধু ।

৭| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:২২

প্রান্তর পাতা বলেছেন: সহমত।
আপনি ফ্রি থাকলে আমার গল্পটি পড়ে মতামত দিবেন কি?
Click

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:১৮

শাহ আজিজ বলেছেন: পড়ব , দেব।

৮| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:২৫

গড়ল বলেছেন: এটা কোন যুদ্ধ না, এটা হচ্ছে গিয়ে অস্ত্রের প্রদর্শনী। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য প্রস্তুতকারকেরা তাদের অস্ত্রের কার্য্যকারীতা প্রদর্শন করার একটা স্থায়ী ক্ষেত্র তৈরী করেছে। সামনে ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, সৌদিআরব, তুরস্ক প্রায় ট্রিলিয়ন ডলারের সমরাস্ত্র কেনার পরিকল্পনা করছে। এছাড়াও বার্মা, তাইওয়ান, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, কাযাকিস্তান, উজবেকিস্তান, মিশর, নাইজেরিয়া,
মোজাম্বিক, ইয়েমেন, তিউনিসিয়ার মত দেশগুলোও অল্প হলেও সমরাস্ত্র বাড়াতে আগ্রহী। তাই বাজার এখন রমরমা।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:২৭

শাহ আজিজ বলেছেন: সত্য কথন তবে এটাকে দুটি দেশের পরিকল্পিত যুদ্ধ তৃতীয় একটি ক্ষেত্রে সংগঠন বলা হয়। এবারের শো ডাউন দুর্বল সিরিয়ায় ।

৯| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫১

আবদুল মমিন বলেছেন: গড়ল বলেছেন: এটা কোন যুদ্ধ না, এটা হচ্ছে গিয়ে অস্ত্রের প্রদর্শনী। হুম তাইতো হারাম জাদারা মাঝে মাঝে বার্মা কে দিয়া বাংলাদেশ কে কাতুকুতু দেয় , যেন ওদের সাথে মিশে একটু হাসাহাসি করে ।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৫৩

শাহ আজিজ বলেছেন: :-/

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.