নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি কপি- পেস্ট করি ,আপত্তি থাকলে আমার পোস্ট পড়বেন না।।

শাহ আজিজ

আমি ফিচার , কপি পেস্ট , ও অনুবাদ লিখি

শাহ আজিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

এও কি মা?? জননী কি একেই বলে??

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৬


পরকীয়া সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতেই দুই সন্তানকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিই। আর এ জন্য ওদের কাঁথা দিয়ে মুড়িয়ে আগুন ধরিয়ে দেই। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পরকীয়া প্রেমের জের ধরে নিজ সন্তান হৃদয় (৯)কে পুড়িয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে ঘাতক মা শেফালী আক্তার এ কথা বলেন। শনিবার নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক মেহেদি হাসানের আদালতে ১৬৪ ধারায় তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আড়াইহাজার থানার এস আই আবুল কাসেম জবানবন্দির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, স্বীকারোক্তিতে শেফালী আক্তার আদালতকে বলেন, তাদের দুজনের অনৈতিক কাজ ছেলেরা দেখে ফেললে প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেনকে নিয়ে শিশু হৃদয় ও জিহাদকে হত্যার পরিকল্পনা করে শেফালী।


মোমেনকে সঙ্গে নিয়ে নিজের দু’সন্তানকে হত্যার উদ্দেশ্যে কাঁথা মুড়িয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এতে বড় ছেলে হৃদয় (৯)-এর সারা শরীর আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যায় গুরুতর আহত অবস্থায় ছোট ছেলে জিহাদ (৭)কে বাড়ির লোকজন তাৎক্ষণিক ভাবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় সে বেঁচে যায়। সূত্রমতে, আড়াইহাজার উচিৎপুরা ইউনিয়নের বাড়ৈপাড়া গ্রামের বাহরাইন প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী শেফালী আক্তারের সঙ্গে তার বৈমাত্রেয় ভাই রাশেদুল ইসলাম মোমেনের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল। প্রতিরাতেই রাশেদুল ইসলাম মোমেন ভাবি শেফালী বেগমের ঘরেই রাত যাপন করতো। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে এ নিয়ে বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক হয়। তাদের দুজনের অনৈতিক কাজ হৃদয় ও জিহাদ দেখে ফেলায় হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মতো ১২ই এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে তিনটার সময় হৃদয় ও জিহাদকে কাঁথা পেঁচিয়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে ঝলসে যায় নিষ্পাপ দুই শিশুর দেহ। শিশুদের চিৎকারে বাড়ির লোকজন এসে হৃদয়ের সারা শরীর পোড়া ও নিথর দেহ ও জিহাদের অর্ধ পোড়া অবস্থায় কাতরাতে দেখতে পান। সেখান থেকে আহত জিহাদকে উদ্ধার করে প্রথমে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়। নিহত হৃদয় ৩৫ নং বাড়ৈইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির ছাত্র এবং আহত ছোট ভাই জিহাদ প্রথম শ্রেণির ছাত্র।



মানবজমিন

মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
মা নামটি মধুর বটে
সর্বলোকে কয়।
বেহেসত মায়ের পায়ের নিচে
কথা মিথ্যা নয়।
মা'য়ের নামে ডাইনে এযে
কলঙ্ক মা'য়ের নামের,
ক্ষমা নাহি তারে কভু
ভোগ্য শুধু যমের।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৭

শাহ আজিজ বলেছেন: উচিত কাব্যকথা ।

২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৭

রাত জাগা তারা ও আমি বলেছেন: ভালোবাসা মানুষকে যে কোথায় নিয়ে যেতে পারে........এই ঘটনাটি তার জলন্ত উদাহরন.....। :||

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:০১

শাহ আজিজ বলেছেন: প্রতিটি মানুষকে সম্পর্ক স্থাপনের আগে ভাবতে হবে আমরা একে অপরের যোগ্য কিনা বিশেষ করে সন্তান নেওয়ার আগে। এই সন্তান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল দেখেই নিজের নাড়ি কাটা সন্তানকে আগুনে পুড়িয়ে নিষ্কৃতি?????? এও কি সম্ভব ? ফাসিই একমাত্র বিধান তার জন্য ।

৩| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৯

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: কিয়ামত বোধহয় আর বেশি দূরে নয়!

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:০৪

শাহ আজিজ বলেছেন: কি জানি ছোটকাল থেকে শুনে আসছি কিয়ামতের কথা কিন্তু তা ঘটেনি । সামনের মাসে নিবিরু'র সাথে পৃথিবীর সংঘর্ষ এর কানকথা শুনছি , ঘটলে ব্লগে পোস্ট দিমু :((

৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:০৮

সোহাগ তানভীর সাকিব বলেছেন: মা নামে কলঙ্ক। এই ডাইনি মা নামের মমতাময়ী সম্পর্কে কলুষিত করেছে। এই ডাইনির ফাঁসি চাই।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:২৩

শাহ আজিজ বলেছেন: সহমত । যৌনতার জন্য সন্তান হত্যা? সন্তান পরিত্যাক্ত করে তারপর যৌনসুখ হচ্ছে উত্তম পথ ।

৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:২৩

যুক্তি না নিলে যুক্তি দাও বলেছেন: সর্বনাশ!!! কোথায় আছি? আল্লাহ তুমি মাফ কর।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:২৫

শাহ আজিজ বলেছেন: আল্লাহ কখনই মাফ করবেন না।

৬| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:২৭

যুক্তি না নিলে যুক্তি দাও বলেছেন: ডায়নি, ডাহুকিনীর গায়ে আগুন ধরিয়ে চলেন সবাই বুনো উল্লাস করি!"!""

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪২

শাহ আজিজ বলেছেন: তাও সম্ভব নয় , আমরা একটি রাষ্ট্রের নাগরিক বিধায় কিছু আইনে বদ্ধ । রাষ্ট্রই তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিক।

৭| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: স্তম্ভিত হলাম। একটানা পড়তে পারিনি।প্রচন্ড কষ্ট হল পোষ্টটি পড়তে।এটা তো আর গল্প নয় যে কিছু বলবো।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৩

শাহ আজিজ বলেছেন: আসলেই কষ্টের

৮| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩০

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: হে আল্লাহ তুমি এমন ডাইনী জাতীয় নারীকে কেনো পৃথিবীতে পাঠিয়েছো :(

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৪

শাহ আজিজ বলেছেন: ডাইনী সর্বত্র বিরাজমান তবে সন্তান পুড়িয়ে মারার ডাইনী বিরল

৯| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৪

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: জগতর সকল মা সমান নয়।
এমন কিছু মাকে জানি যে তার নিজের সার্থের জন্য সন্তান ত্যাগ করে চলে গেছে।
সুতরাং পাইকারী রেটে সকল মাকে সমানচোখে দেখার সুযোগ নেই।
এগুলো মা-নামের কলংক।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৬

শাহ আজিজ বলেছেন: সব মাকে তো টানা হয়নি শুধু এই ডাইনী ছাড়া

১০| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৪

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: :(:(:(

ছবিটা বীভৎস। এসবের প্রতি আমার ফোবিয়া আছে। শ্রদ্ধেয় যদি প্রিন্ট মিডিয়ার নিয়মগুলো ------
/

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৬

শাহ আজিজ বলেছেন: মণ্ডল , আমায় ক্ষমা করবেন

১১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪২

কানিজ রিনা বলেছেন: পরোকীয়া জঘন্য পাপের নাম,এইপাপ মানুকে
জঘন্য কাজে প্রেরনা দেয়। এই নারী সেই
পাপের অংশীদারি। ওকে জন সম্মুখে পুড়ালেও
শোধ যায়না। আইনত ওর বিচার ফাঁসী।
এইসব জঘন্য নারী পুরষ দুনিয়াতে বাঁচার
অধিকার নাই। এরা দোজকের পোকা। ধন্যবাদ

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৮

শাহ আজিজ বলেছেন: সহমত

১২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: দুঃখজনক।
সবার মন মানসিকতা উন্নত হোক।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৯

শাহ আজিজ বলেছেন: এই উন্নত করার জন্য কাউন্সেলিং দরকার ।

১৩| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৮

ক্স বলেছেন: বেগানা নারী পুরুষে প্রেম তথা অবৈধ মেলামেশা চালু করেছিল কে? আমার কাছে এই পুড়িয়ে মারাটা যতটা, তার চেয়ে বেশি অপরাধ মনে হচ্ছে ঘাম ও রক্ত বিক্রি করে উপার্জন করা প্রবাসী স্বামীর টাকায় সাজগোজ করে আরেক পুরুষকে নিজ বিছানায় আমন্ত্রণ জানানো।

১৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৯

প্রান্তর পাতা বলেছেন: দুঃখজনক

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

শাহ আজিজ বলেছেন: হুম

১৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৮

অর্ক বলেছেন: যারপরনাই দুঃখজনক! আর সবার মতো স্তম্ভিত আমিও। তবে ভদ্রমহিলাকে তার পছন্দমাফিক জীবনযাপন করতে দিলে, এসব কিছুই হতো না। কোনও সমাজ রাষ্ট্র কারই কোনও অধিকারই নেই পরিণত বয়সের দুজন নরনারী’র সম্পর্কে কোনওরকমের বাধা হয়ে দাঁড়াবার। আপনার লেখা থেকে জানলাম এই সম্পর্কের জেরে সামাজিকভাবে তাদের লাঞ্ছিত হতে হয়েছে, মানসিকভাবে উৎপীড়নের স্বীকার হতে হয়েছে। এসব দীর্ঘ ঘটনাক্রমের বিরূপ প্রভাব পড়েছে ভদ্রমহিলার মস্তিষ্কে। তারই পরিণতি আজকের এই বীভৎসতা।

আপনার লেখার সূত্র ধরে একটা কথা এখানে পরিষ্কার বলতে চাই, আমার আপনার বা অন্য কারও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপের অধিকার তৃতীয় কোনও পক্ষের নেই। দুই বাচ্চার মা বাবা, পাঁচ বাচ্চার মা বাবা এসব কোনও বিষয় নয়... তাদেরকে তাদের পছন্দমাফিক জীবনযাপন করতে দিতে হবে। ভদ্রমহিলার ক্ষেত্রেও তা হতে পারতো। সন্তানের ব্যাপারটা আইনানুসারে নিঃসন্দেহে সুষ্ঠু সমাধান করা যেতো। পুরো ব্যাপারটার একটা স্বাভাবিক সুষ্ঠু সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে তার সমাজ।

জানি না কতোটুকু বোঝাতে পেরেছি। আপনকে ধন্যবাদ শেয়ারের জন্য।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০০

শাহ আজিজ বলেছেন: আমি শকড

১৬| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১২

ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: বাচ্চা দুটোর জন্য কষ্ট লাগছে ।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৩

শাহ আজিজ বলেছেন: কষ্ট সবার মনে

১৭| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮

হাঙ্গামা বলেছেন: এক পাপ চাপা দিতে আরো অনেক পাপ করা লাগে।
এটা তার উদাহরন। এই ধরনের মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার নাই।

১৮| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫১

আল ইফরান বলেছেন: সবাই কেবল এই মায়ের দায়টাকেই দেখবে আর ফাসী চাইবে।
কিসের তাড়নায় মা হওয়া স্বত্ত্বেও এই মেয়ে এই ধরনের ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করলো তা কেউ বুঝতে চাইবে না অথবা বুঝলেও চোখে টিনের চশমা পড়ে থাকবে। স্বামীর কি কোন দায়িত্ব ছিল না তার স্ত্রীর শারিরীক ও মানসিক নিঃসঙ্গতাকে দূর করার? দিনের পর দিন বিদেশের মাটিতে থাকা স্বামীরা কি বুঝেও বুঝেন না তাদের স্ত্রীদের প্রতি দায়িত্বের কথা? মাস শেষে কিছু টাকা পাঠিয়ে দিলেই কি দায়িত্ব শেষ হয়ে গেল?
এই মেয়ে কোন অবস্থায় এইভাবে বিপথগামী হল তার ব্যাখ্যা না খুজে ফাসীর দড়িতে ঝুলিয়ে দিলে সমস্যার সমাধান হবে না, আমাদের কারন খুজতে হবে। এই মেয়ের সাইকো-এনালিসিস করে দেখতে হবে এবং তা আম-জনতার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। নিজ সন্তানকে হত্যার সময় সে প্রকৃত অর্থেই সুস্থ ছিলো কি না তাও দেখতে হবে। তার ব্যাকগ্রাউন্ড বিশ্লেষন না করে কাঠগড়ায় দাড় করিয়ে দেয়াটা হয়তো ন্যায়বিচার, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সমাধান নয়।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

শাহ আজিজ বলেছেন: আমি খুব লিবারেল এসব বিষয়ে । মহিলার উচিত ছিল বাচ্চা পরিত্যাগ করে স্বামীকে ত্যাগ করা দীর্ঘ প্রবাস জীবনের কারনে তার জৈবিক চাহিদার সমাধান কল্পে ।

১৯| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫২

ফকির আবদুল মালেক বলেছেন: মানুষের হচ্ছেটা কি? মা কিভাবে নিজ সন্তানকে হত্যা করতে পারে?

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০২

শাহ আজিজ বলেছেন: তাইতো করেছে

২০| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:০২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দু'দিন আগেই আপনার সাথে পরকীয়া নিয়ে কথা হলো!
আসলে পরকীয়ার নেশার কাছে ইয়াবা টিয়াবা কিচ্ছু না! ভয়ংকর নেশা।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৩০

শাহ আজিজ বলেছেন: হ্যা কাকতালীয় বটে । আজ খবরটি দেখে পুড়ে যাওয়া দুটো নিষ্পাপ শিশুর তাগিদেই এই লেখা । অঙ্গের দমন অপরিহারয্য । কারো কারো অর্গাজম এতই তীব্র হয় যে সে তখন সামনে কাউকে দেখেনা শুধু যৌনতা ছাড়া । যত পারো চালিয়ে যাও শুধু হত্যার মতো নিষ্ঠুর কাণ্ড না ঘটিয়ে ।

২১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:০৩

বুদ্বিমান গাধা বলেছেন: আহা, "মা" যে কেবলই মা নয়! সেটা যে সমাজের অতলেই রয়ে যায়। শুধু কালেভেদ্রে দু-একটি ঘটনা পাওয়া যায় দৃশ্যমা।
কিন্তু অদৃশ্য এবং এর থেকেও ভয়ানক বিষাদের কাব্য নিরবে নিরলে এই সমাজের অতলেই ঘটে।
সেই কাব্যে ভিকটম পুরো জীবন ধরে পুড়ে, একটু একটু করে মরে। ওরা তো ভাগ্যবাণ! একবারে পুড়ে বিদায় নিয়েছে।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:২৫

শাহ আজিজ বলেছেন: হ্যা খুবই সত্যি , আমরা আমাদের জীবনে অজস্র দেখেছি ।

২২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৪১

চাঁদগাজী বলেছেন:


অস্বাভাবিক রাজনীতি ও পংগু অর্থনীতি সামজিক বিশৃংখলার সৃষ্টি করেছে।

এই ছবিটি দেয়া সঠিক হয়নি।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:০২

শাহ আজিজ বলেছেন: ব্লগ ছাড়াও ছবি খবর ভাইরাল হয়ে গেছে ।

২৩| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৪৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আপনি সিনিয়র মানুষ। এসব আর নতুন কি! আপনি তো আর কম দেখলেন না এসব খবর এ জীবনে! এত এত গ্রেফতার/খুনের খবরের পরও তো এসব বন্ধ হয়নি। ইদানিং পরকীয়া নিয়ে পরপর দুইটা পোস্ট দিলেন! যাক, আমার কথা হলো, মাত্র ৫ মিনিটের সুখের জন্য কীভাবে মানুষ এটা করতে পারে!? অবশ্য যখন করে তখন আর সে মানুষ থাকে না।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১০

শাহ আজিজ বলেছেন: এত প্রচণ্ড কামুক কিছু মানুষ আছে যারা অদম্য তাদের সিদ্ধি আনতে তেমনি নারীরাও যারা তাদের সঙ্গ দেয়। আজকের পোস্ট দিলাম শুধুই দুটি শিশুর জন্য যারা মায়ের ব্যাভিচারের শাস্তির শিকার । আগুনে পুড়িয়ে মারা আপন নাড়ি ছেড়া ধন আহা ঈশ্বর ,ধরণী দ্বিধা হও ।

২৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৫৫

শামচুল হক বলেছেন: এটা কি মা না অন্য কিছু?

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:৪২

শাহ আজিজ বলেছেন: ডাইনি

২৫| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:২৫

কামরুননাহার কলি বলেছেন: আল্লাহ তুমি মাফ করো, এই সব শয়তান মানুষদেরকে তুমি ঈমান দেও।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫১

শাহ আজিজ বলেছেন: আমিন

২৬| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:১৪

কানিজ রিনা বলেছেন: অর্কর সাথে একমত তথাপি মা সন্তান ছেরে
নিজের সুখ কিভাবে একজন মা চিন্তা করে।
যেখানে মায়ের পদতলে বেহেস্ত। সেতো এই
মা হতে পারেনা। আমার স্বামী বহুগামী ছিল
দেখেছি বছরে দুচারটা নারীর সাথে আনন্দ
করে বেড়িয়েছে। অনেক গোপন করেছি স্বামীর
অপকর্ম গুল। ভাবতাম ছেলে মেয়ে বড় হোলে
ঠিক হবে। কিন্তু না ৬২ বছর বয়সে নিজের
কন্যা সমতুল্য এক কাজের মেয়ে বিয়ে করেছে
মেয়েটা বিবাহীত একটি মেয়ে আছে। স্বামী
অভাবী বলে বড়লোকের হাত ধরেছে। এসব
মেয়েদের কি বলা যায়? সংশার সন্তান থাকা
বড়লোক বেটা ধরা নারীরা কতটা জঘন্য।
আমিও নারী বাদী তথাপি কিছু নারীর কান্ড
দেখে মনে হয় রতনে রতন চিনে শুকরে
চেনে কচু। এটাই সত্য কিছু নারী কচু কিছু
পুরুষ শুকর। এরা নরকের পোকা।
ছেলেদের পুড়িয়ে মারতে ইন্ধন জুগিয়েছে
পরকীয়ার পুরুষ। পতিতা নারীরাও বাবার
পরিচয় ছারা সন্তান বড় করে আর সন্তান
থেকে প্রিয় আর কিছু হতে পারে বলে
আমার জানা নাই। এইসব নারী পুরুষের
উচিৎ বিচার হওয়া প্রয়োজন।
পরোকীয়া জের সন্তানরাই বহন করে কতটা
অসহায় হয়ে পড়ে সন্তানেরা আমি ও আমার
মত যাদের হয়েছে তারাই জানে। সন্তানদের
অসহায় অবস্থায় রেখে যেসব নারী পুরুষ
পরোকীয় জড়ায় শুধুমাত্র নিজের সুখের জন্য
তারা খুনের থেকেও বেশী অন্যায়কারী।
তাদের জন্য আলাদা আইন পাশ হওয়া
দরকার। ইচ্ছা করলেই নারী পুরুষ সন্তানদের
অসহায় বানিয়ে নিজের আনন্দের পথ অবলম্বন
করতে পারেনা। যে ছেলেটি মাড়া গেছে ও
যে ছেলেটি বেঁচে আছে এই বেঁচে থাকা
অনেক কষ্টের। বেঁচে থাকা ছেলেটি সারা
জীবন মায়ের কলংক মাথা নীচু করে বয়ে
বেড়াবে। যেমন বয়ে বেড়াচ্ছে আমার ছেলে
মেয়ে। বাবার অপকর্ম ওরা মাথা নীচু করে
হাঁটে। পরিচিত জন দেখে আঁড়াল হয়ে যায়
বাবার প্রশ্ন আসবে বলে অথচ আমার ছেলে
মেয়ে অত্যান্ত শিক্ষিত। ওদের মাথা নীচু
করেছে বাবা। এখন বলুন এই পরোকীয়ার
বিচার কেমন হওয়া উচিৎ। ধন্যবাদ।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৪৮

শাহ আজিজ বলেছেন: একখানি গদ্য কাব্য হয়ে গেছে কানিজ ।


সম্পর্ক কার কার সাথে করে বেড়াবে এটি তার একান্ত নিজস্ব ব্যাপার তবে বিবাহিত দম্পতির এ সম্পর্কিত আইন থাকা উচিত ।

সন্তানকে বাধা বা বোঝা ভেবে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা ফাসিযোগ্য অপরাধ সেই পুরুষটি সহ । এখানে ক্ষমা নেই । স্বামী প্রবাসে এমন যুক্তি খোঁড়া । প্রবাসের টাকায় তো জীবন যৌবন বেশ তেল তেলে ছিল এখন চৌদ্দ শিকের পেছনে সব কিছু বন্দী । আইন করা উচিত যে ছেলে মেয়ে বিয়ের সময় দ্বিতীয় কারো সাথে সম্পর্কিত নয় এমন ধারা কাবিনে যোগ করতে হবে। প্রমানিত শর্ত ভঙ্গকারিকে দ্বিতীয় পক্ষকে আর্থিক ক্ষতিপুরন দিতে হবে । যারা এওসবে পারবেনা তারা মুক্ত জীবন যাপন করুক এবং স্পারম ব্যাংক থেকে মশলা কিনে নিয়ে বাচ্চার সখ পুরন করুক । এদের নিরুপদ্রবে থাকতে দিন।

২৭| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:২১

আখেনাটেন বলেছেন: অমানবিক।

সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় আমাদের মানুষ থেকে অমানুষে পরিণত করছে। সাথে অাইনের শাসনের অভাব মানুষের চিরাচরিত বোধটুকুও শূন্যের কোঠায় উঠতে শুরু করেছে।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৫১

শাহ আজিজ বলেছেন: সিনিয়রদের দেখে জুনিয়ররা উতসাহিত হয় । সিনিয়রদের বিচার আগে ;)

২৮| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: এই মহিলার শারীরিক ক্ষুধা এতো বেশী যে কে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। তার শাস্তি এক সাথে ১০ টি তামিল বা নিগ্রোর সাথে ১০ বছর সহবাস করানো।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:১১

শাহ আজিজ বলেছেন: কান্নাকাটি করবে :((

২৯| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:০৬

পার্থ তালুকদার বলেছেন: ইশ .... এ ও সম্ভব !!

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:১২

শাহ আজিজ বলেছেন: ইচ্ছেই সব সফলতার মুল ।

৩০| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:০৩

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: মামা আপনার শাশুড়ি কি বেঁচে আছেন থাকলে আমি তার সাথে পরকীয় করমু ;)

১৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:০৬

শাহ আজিজ বলেছেন: জুরাইন কবরস্থানে , কাফন পইরা লও , বিতরে হান্দাইয়া দেই

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.