নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি সাধারণ মানুষ ৷দশের সাথে চলতে চাই ৷

শাহিন-৯৯

সত্যের পরাজয় বলতে কিছু নেই, পরাজিত বলতে যা দেখি তা হল কুচক্রিদের সাময়কি সাফল্য, সত্যের জয় চিরন্তন

শাহিন-৯৯ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছোট ইসলামী দলগুলোর দেশ চালানোয় সক্ষমতা কতটুকু বা তাঁরা কি প্রস্তুত করছে নিজেদের?

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৬



আমাদের দেশে মূলত চারটি দলকে সব এলাকার লোক চেনে বা জানে, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকায় এই চারদলের কিছু না কিছু সমর্থক আছে এবং সমর্থকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। কিন্তু এই চার দলের বাহিরে নিবন্ধিত বা অনিবন্ধিত প্রায় ডজন চারেক দল আছে, এই সব দলগুলোর অন্য সময় কদর না থাকলেও, নির্বাচনের আগে একটু আধটু কদর বাড়ে বড় দলগুলোর কাছে।

(আমার আজকের লেখা ছোট ইসলামী দলগুলোকে নিয়ে)

এই ছোট ছোট দলগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়, ১) বামপন্তী দল ২) ইসলামী দল

আমার আজকের লেখা ইসলামী দলগুলোকে নিয়ে, প্রতিটি দল রাজনীতি করে তাঁরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে নিজেদের বিশ্বাস মতে বা নিজেদের ইশতেহার অনুযায়ী দেশ চালানো করবে যদি জনগন তাদের সেই ম্যান্ডেড দেয়। ইসলামী দলগুলো নিশ্চই তার বাহিরে নয়।

একটি দেশ চালাতে মেীলিক কিছু কাঠামো ঠিক রাখতে হয়, সেই জন্য প্রয়োজন কিছু দক্ষ জনবল। যদি মেীলিক কাঠামো ঠিক না রাখা যায়, তাহলে ব্যার্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয় দেশ।

১) অর্থনীতি সেক্টর: দেশ চালাতে অর্থের বিকল্প নেই, কিভাবে এই অর্থ আসবে, কিভাবে খরচ হবে, কোথায় কি পরিমাণ খরচ হবে, তার জন্য একদল দক্ষ অর্থনীতিবিদ দরকার।
আমাদের দেশের এই দলগুলোর মধ্যে কি এই লোক মিলবে? তাঁরা কি এই রকম লোক তৈরী করার চেষ্টা করছে?

০২) শিক্ষা সেক্টর: শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড, দেশ চালাতে বিভিন্ন শিক্ষার সমন্বয় ঘঠাতে হয়। এক দল উন্নত মানের স্যাহিত্যিক তৈরি করতে হয়।
বর্তমানে কতটুকু সম্ভব এই দলগুলোর পক্ষে তা করার বা তাঁরা সেই মানের লোক তৈরি করছে কি?

০৩) বিচার বিভাগ: বিচারহীন রাষ্ট্র কি কল্পনা করা সম্ভব।
বিচার বিভাগ চালানোর মত লোক কি তাঁরা তৈরি করছে, বা তাদের কি সেই পরিমাণ দক্ষ জনবল আছে তাদের মাঝে?

এই রকম অনেক সেক্টর আছে যা পরিচালিত করতে হলে দক্ষ জনবল প্রয়োজন, আমাদের এই দলগুলো কি সেই পথে হাঁটছে?

আসুন দেখি, বর্তমান যুগের প্রেক্ষিতে কতটুকু সক্ষমতা আছে এই দলগুলোর দেশ চালানোর বা তারা কি সেই পথে হাঁটছে?

ছোট দলগুলোর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন (চোরমানাই পীরের দল) বেশ কিছুটা এগিয়ে জনসর্মথন দিক দিয়ে কিন্তু তাঁরা যে পদদ্ধিতে তাদের দল চালায় তাতে মনে হয় আগামী ১০০ বছরে শক্ত কোন অবস্থান তারা রাজনীতিতে করতে পারবে। কারণ তাঁরা নিজেরা শুধু আলেম বানানোর পক্ষে তাহলে অর্থনীতিবিদ, বিচারপতি কোথায় থেকে আসবে? তাঁরা ক্ষমতায় আসলে অর্থনীতি সেক্টর, বিচার বিভাগের কি অবস্থা হবে?

এভাবে যদি বলি খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোটসহ দলগুলো এক ব্যাক্তি কেন্দ্রীক চিন্তা-ধারনা নিয়ে এগুচ্ছে যার জন্য রাজনীতির মাঠে তাদের ফলাফল শুন্য।

কেন ইসলামের নামে এত দল?

এই দলগুলোর সবার একই উত্তর, আকিদা, আর্দশের কারণে তাঁরা একজন আরেক জনের সঙ্গে মিশে গিয়ে কিছু করতে পারছে না। কিন্তু তারা জানেনা তাদের সামন্য এই চিন্তার কারণে ইসলামী আন্দোলনের কত ক্ষতি হচ্ছে। তাদের এই বিভেদ কে কাজে লাগিয়ে বাতিল শক্তি দিনকে দিন নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করছে।

আমি বলছি না আলেম প্রয়োজন নেই কিন্তু সবাইকে আলেম হতে হবে তেমন না, অন্য মাধ্যমে পড়েও ইসলামী জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব নয় কি? সম্ভব। যদি এই সব দলগুলো তাদের চিন্তায় পরিবর্তন আনে তাহলে ইসলামী রাষ্ট্রের তারা যে স্বপ্ন দেখে তা করা সম্ভব, আর যদি বর্তমানের মত জিদ নিয়ে বসে থাকে তাহলে সারা জীবন নাস্তিকবাদী, সাম্জ্রবাদীরা তাদের সামনে মুলা ঝুলিয়ে ক্ষমতা ভোগ করে যাবে আর তাদের জীবন শুধু ইসলাম নেই কোথাও এই চিৎকারে শেষ হবে।


মন্তব্য ২২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইসলাম একটি ধর্ম, পলিটিক্স হলো সায়েন্স; আপনি কিসের সাথে কি মিলাতে চাচ্ছেন?

ইসলামের সময়, আরবের বেদুইনরা (যারা প্রাকৃতিক কারণে যোদ্ধা ও হিংস্র ছিলো) ও তুর্কি যোদ্ধারা এক হয়ে আশেপাশের সব দখল করতে সমর্থ হয়েছিল; তখন ছিলো রাজতন্ত্রের সময়। এখন দেখেন আরবের অবস্হা

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২০

শাহিন-৯৯ বলেছেন: আমি যা বলতে চাচ্ছি তা কখন আপনার মাথায় ঢুকবে না, কারণ আপনার বিশ্বাস ভিন্ন। ইসলামের মেীলিক ঠিক রেখে সায়েন্স চর্চা করলে তো দোষের নাই আমি এটা বুঝাতে চেয়েছি।

ইসলামের সময়, আরবের বেদুইনরা (যারা প্রাকৃতিক কারণে যোদ্ধা ও হিংস্র ছিলো) তাই নাকি?
ঐ যে বললাম, আপনার বিশ্বাসের কথা,
এখনতো সায়েন্স পৃথিবী চালাচ্ছে, তাহলে এত যুদ্ধ কেন?
এত দখলদারি কেন?

২| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

বিদেশে কামলা খাটি বলেছেন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট সেবা দেয়ার নামে চলছে হরিলুট আর সরকারী টাকার শ্রাদ্ধ। সরকারী টাকা যে কত সস্তা তা এখানে একবার না গেলে কেউ বুঝতে পারবে না। তাদের দেশের প্রতি দরদ দেখে আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম।


প্রায় বছর দুয়েক আগে অনেক ঢাক-ঢোল পিটিয়ে প্রবাসী জনগণকে আরো বেশী করে পাসপোর্ট সেবা দেয়ার আব্দার করে দূতাবাসে খোলায় হয় পৃথক পাসপোর্ট বিভাগ। সেখানে বরাদ্দ করা হয় প্রায় ৩০ কোটি টাকা। দূতাবাসে পর্যাপ্ত জনবল থাকার পরও পাসপোর্ট বিভাগে ঢাকা থেকে আনা হয় প্রশাসন ক্যাডার থেকে এক জন সিনিয়ার সহকারী সচিব যিনি কিনা এখানে প্রথম সচিব নামে পরিচিত। সেই সাথে ঢাকা থেকে পাঠানো হয় আরো চার জন পদস্থ কর্মচারী। ফলে দূতাবাসে অতিরিক্তি জন বল হিসাবে যোগ হয় আরো ৫ জন। সরকারের খরচ বেড়ে যায় কোটি কোটি টাকা।

এছাড়া ঢাকার আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে প্রায় প্রতি মাসেই কর্মকর্তারা নানা ছল ছুতোয় মালয়েশিয়া সফর করছেন। বিদেশ সফরের সময় কর্মকর্তারা নিয়মিত বেতন ভাতার বাইরেও প্রতিদিন প্রায় ৩০০ মার্কিন ডলার করে ভাতা নেন সরকারের কোষাগার থেকে। ফলে শ্বেতহস্তী পোষতে সরকারকে গুণতে হচ্ছে কোটি কোটি টাকা।

জানা গেছে, আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের বড় কর্তারাই নন, প্রায় সময়ই সেখান থেকে ১০/১৫ জন কর্মচারী বিশেষ সেবা দেয়ার নাম করে মালয়েশিয়া সফর করেন। প্রতিবার সফরে তারা ১ মাস বা তার চেয়েও বেশী সময় কাটান। ফলে তাদের পেছনে নিয়মিত বেতন ভাতা ছাড়াও ডলারে ভাতা দিতে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা নষ্ট হচ্ছে।

চলতি মাসে ঢাকার আগারগাঁও থেকে সেবার দেয়ার নাম করে আবার পাঠানো হয়েছে ২৫ জন কর্মচারী আর ২ জন কর্মকর্তা।তারা নাকি ২ মাস ধরে প্রবাসী জনগণকে সেবা প্রদান করবে।
এদিকে তারা পাসপোর্ট অফিসে সেবা দেয়ার নাম করে রাষ্ট্রের টাকার শ্রাদ্ধ করে চলেছেন। কারণ এই মুহূর্তে প্রায় ৩০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়মিত বেতন ভাতা দেয়া ছাড়াও তাদেরকে প্রতিদিন জন প্রতি ২/৩ শত মার্কিন ডলার করে বিদেশ ভাতা দিতে হচ্ছে। যা আসছে গরীব দেশের গরীব মানুষের জন্য বরাদ্দ করা বাজেট থেকে। এর বিনিময়ে সাধারণ মানুষ কি পাবে। লাভের মধ্যে লাভ হবে এই সব কর্মকর্তা কর্মচারী সরকারী টাকায় বিদেশে ঘুরবে আর শপিং করে লাগেজ ভর্তি করবে। খুব্ই আনন্দের বিষয়।

সেবা দেয়ার নাম করে এতো মানুষ এক সাথে মালয়েশিয়াতে আসার কোন রেকর্ড নেই বলে জানা গেছে। কারণ দূতাবাসে এক সাথে এতো গুলো মানুষ কাজ করার মতো কোন জায়গা, মেশিন বা অবকাঠামোগত কোন সুযোগই নেই।

এ ব্যাপারে ভালো জানেন এমন এক জন সাবেক সরকারী কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে জানা গেছে যে, পৃথিবীর অনেক দেশের দূতাবাসে মোট স্টাফ সংখ্যাএ ৩০ জন হয় না।অথচ মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের পাসপোর্ট অফিসে জনগণের টাকার শ্রা্দ্ধ আর হরিলুটের জন্য নানান রাজনৈতিক তদবির করে তাদেরকে পাঠানো হয়েছে। তাদেরকে যে অফিসে থেকে পাঠানো হয়েছে সেই অফিসের কাজ কর্ম কি করে চলে এটাও একটা বিরাট প্রশ্ন। কারণ কোন একটি অফিস থেকে এক সাথে ২৫/৩০ জন কর্মকর্তা, কর্মচারী ২ মাসের জন্য বিদেশে চলে গেলে সেই অফিসটি কি ভাবে চলে।

এই লুটপাট আর সরকারী টাকার শ্রাদ্ধ দেখার মতো কোন লোক নেই বাংলাদেশে?

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২১

শাহিন-৯৯ বলেছেন: আপনি চাইলে এই নিয়ে একটা পোস্ট দিতে পারতেন। কমেন্ট ঘরে কেন দিচ্ছেন?

৩| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


সময় ও সভ্যতাকে কেহ একই অবস্হানে ধরে রাখতে পারার কথা নয়।

এখনো যুদ্ধ হচ্ছে, কারণ মানুষের মাঝে এখনো বিভক্তি রয়ে গেছে; তবে, রাজতন্ত্রের যুদ্ধে সাধরণ মানুষের কোন নিরপত্তা ছিলো না; এখন যু্দ্ধে সাধারণ মানুষকে যুদ্ধের বাহিরে রাখার চেষ্টা চলছে

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

শাহিন-৯৯ বলেছেন: কিন্তু দেখা মিলছে এখনও মরছে সব সাধারণ মানুষ।
আমি কখনও নিদিষ্ট তন্ত্রে বিশ্বাসী না, জনমত বিশ্বাসী, রাষ্ট্রে অধিকাংশ জনগন যে ম্যান্ডেড নিবে সেটাই আমি মেনে নিব, আমার আর্দশের বাহিরে হলেও, আমি যেটা করতে পারি আমার আর্দশ ভাল দিকগুলো মানুষকে বুঝিয়ে সমর্থন আদায় করতে পারি।

৪| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:

আপনি লিখেছেন, "আমি কখনও নিদিষ্ট তন্ত্রে বিশ্বাসী না, ... "

আপনি কোন তন্ত্রে বিশ্বাসী নন? এই পোষ্টটি আপনি লিখেছেন, ছোট ছোট ইসলামী দলগুলো কিসের জন্য লড়ছে? তারা কি "ইসলামিক শাসনতন্ত্র" বা মদীনা সনদ ইত্যাদির জন্য লড়ছে না? এইগুলো কোন তন্ত্রের মাঝে পড়ে না? আপনি কি তাদের পক্ষে কথা বলছেন না?

নিজে কি লিখছেন, কি বলছেন, সেটার মাঝে সামন্জস্য রাখার চেষ্টা করুন, পলিটিক্স অনেক সায়েন্সের সমষ্টি, একটি কমপ্লে্ক্স সায়েন্স!

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:১৭

শাহিন-৯৯ বলেছেন: আমি এই লেখায় বলতে চাচ্ছি, দলগুলো যে লক্ষ্যে রাজনীতি করছে তারা তাদের লক্ষ্য পেীঁছানোর জন্য ঠিক পথে চলছে কি? নাকি শুধু রাজনীতির করছে নিজের আখেরের জন্য।

আর তন্ত্র বুঝাতে বুঝিয়েছি , রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, গনতন্ত্র, ইত্যাদি,
বাংলাদেশের অধিকাংশ লোক গনতন্ত্র বিশ্বাসী, তাই এ দেশে গনতন্ত্র চলছে, যদি সমাজতন্ত্র বিশ্বাস করত তাহলে তাই চলত, আমার একার বিশ্বাস দিয়ে চলত কি?
ধরুন, আমি গনতন্ত্র বিশ্বাস করি কিন্তু দেশের সবাই সমাজতন্ত্র মানে, আমি এখন কি করতে পারি বড় জোর মানুষকে গনতন্ত্রের ভাল দিকগুলো বলতে পারি যাতে ভবিষ্যতে সমর্থন আদায় করা যায়।

৫| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


"ধরুন, আমি গনতন্ত্র বিশ্বাস করি কিন্তু দেশের সবাই সমাজতন্ত্র মানে, ..."

-ঠিক আছে, সেটাই ধরলাম যে, আপনি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।

ছোট ছোট ইসলামী দলগুলো গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নন, তারা শরিয়া , মদীনা সনদ ইত্যাদির পক্ষে, যা এখন অচল; যাক, আপনি কোনদিকে কিভাবে আছেন, সেটা আপনার পোষ্টে সবই উঠে আসছে।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:৩৩

শাহিন-৯৯ বলেছেন: আপনার ক্ষেত্রেও কিন্তু একই কথা প্রযোজ্য।

৬| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:৪৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমার পোষ্টগুলো আমার মনোভাব সব সময় বহন করছে; আমি হঠাৎ করে ঘোষণা দিইনা যে, আমি কোন তন্ত্র পন্ত্র বিশ্বাস করি না।

আপনি শুধু গণত্ন্ত্র নয়, আপনি "জেনারেল জিয়ার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী"; জেনারেল আইয়ুব খান এক গণতন্ত্র আবিস্কার করেছিলেন, উহার নাম ছিল "বেসিক গণতন্ত্র"; জেনারেল জিয়া আবিস্কার করেছেন, "বহুদলীয় গণতন্ত্র"; এই ২ জেনারেল সক্রেটিসের ছাত্র।

জেনারেলরা আরেকটা গণতন্ত্র দিয়ে ক্ষমতা দখল করেন, উহার নাম মার্শাল-ল।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:০৪

শাহিন-৯৯ বলেছেন: আপনাকে যে কি করে বুঝাব, আমি জিয়ার গণতন্ত্রের কেন বিশ্বাসী হতে যাব, আমি শুধু তার ভাল-মন্দ দিক তুলে ধরেছি যেমন বঙ্গবন্ধুর ক্ষেত্রে করি, আপনার মত শুধু বিদ্বেষ পোষন করি না।

৭| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


"আপনার মত শুধু বিদ্বেষ পোষন করি না। "

-এটা আপনার ভালো দিক

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

শাহিন-৯৯ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

শাহীন ভাই, বর্তমান ইসলামী দলগুলোকে দেশ শাসন করতেই হবে, এমন কেন মনে হচ্ছে?

দেশ শাসনের জন্যে দরকার যোগ্য নেতা। তেমন কেউ কি বর্তমান ইসলামী দলগুলোতে আছে? পুরো পৃথিবীতে যতগুলো ইসলামী দল আছে, তার মাঝে একজনের নাম বলুন তো যিনি হযরত আবুবকর, উমর, উসমান আর আলী'র সমকক্ষ হতে পারেন? নিদেনপক্ষে উমর ইবনে আব্দুল আজিজের সমকক্ষ কেউ আছেন কি?

যদি না থেকে থাকেন, তাহলে জনগণ কেন তাঁদের ভোট দিবে?!!! শুধু কোরআনে বর্ণিত শাসন থাকলেই তো হলো না, সেই মোতাবেক দেশ পরিচালনা করার মত মানুষ তো দরকার। মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য সেই মানুষ কোথায় এখন!!!

সেই ধরণের মানুষ না আসা পর্যন্ত কি রাজনীতি থেকে ইসলামকে পৃথক করে রাখাই শ্রেয় না?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

শাহিন-৯৯ বলেছেন: আশা করি আপনার পোষ্টে উত্তর পেয়েছেন।

৯| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৪৯

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: এই মূর্খরা ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান-আফগানিস্তান হতে বেশিদিন লাগবে না।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৫

শাহিন-৯৯ বলেছেন: আপনি জানেন একজন আলেম হতে গেলে কতটুকু পড়তে হয়, তারা যদি শুধু ইসলামী জ্ঞানের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত জ্ঞান নিত, তাহলে আপনি তাদের দেীঁড়ে ধরতে পারতেন না।

১০| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪৮

প্রামানিক বলেছেন: পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫০

শাহিন-৯৯ বলেছেন: আপনাকেও আমার আন্তরিক ধন্যবাদ।

১১| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:০৯

সনেট কবি বলেছেন: ভাল বলেছেন।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:১১

শাহিন-৯৯ বলেছেন: কষ্ট করে এসে পড়েছেন এই জন্য আমার আন্তরিক ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.