নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মুক্ত সকল চিন্তা করি, নিজের সাথে নিজেই লড়ি।

ফায়েজুর রহমান সৈকত

মুক্ত সকল চিন্তা করি, নিজের সাথে নিজেই লড়ি।

ফায়েজুর রহমান সৈকত › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাকী তরুণদের গল্পও একই

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩২

তরুণ মইরা গেল।
সে একটা তরুণ অথবা
সকল তরুণও হইতে পারে।
যেই তরুণের স্বপ্ন থাকে কিন্তু
সেটিকে বাড়তে দেওয়া হয়না।


তরুণ মইরা গিয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলার অবস্থা জানান দিয়া গেল। প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র পরামর্শক থাকেন। এই বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদটি ছাত্রদের দেখভালের লাইগা দেওয়া হয়। ছাত্রদের আর্থিক, শারীরিক, মানসিক সকল ব্যাপারে পরামর্শ আর সহযোগিতা করা এই পদের কাজ। কিন্তু সেই কাজটিকে বেশিরভাগ সময় অবহেলা করা হয়। এমনকি এই পদটি এত দূরে আর এত অপরিচিত থাকে যে শিক্ষার্থীরা সেটি পর্যন্ত পৌঁছাইতেই পারেনা। এই পদটি ছাড়াও শিক্ষকের দায়িত্ব থাকে তার প্রতিটা শিক্ষার্থীর পড়ালেখার ব্যাপারে খোঁজ রেখে তাকে একাডেমিক বাঁধাগুলা অতিক্রম করতে সহায়তা করা, শিক্ষার্থীর পাশ করন সুনিশ্চিত করা। কিন্তু এসব বিষয়ে কারোর কোন খেয়াল নেই। কোন ছেলেটি পাশ করতে না পেরে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিচ্ছে সেটি জানারও প্রয়োজন মনে করে না অনেক শিক্ষক। এমন ঘটনাও ঘটেছে যে একটা ছেলে অনেক কষ্ট করে পাশ ফেল করে করে কোনমতে ফোর্থ ইয়ারে উঠে আবার ফেল করে শেষ পর্যন্ত আর পড়ালেখাই করেনি। আরেকটি ছেলে নিজের তিন ব্যাচ জুনিয়রদের সাথেও পড়াশুনো চালিয়ে যাচ্ছিল। শেষপর্যন্ত ফেল করে সেও চলে গেল। দুঃখজনক হইলেও সত্যি এইসব ঘটনায় ছেলেগুলোকে ফেরানোর বদলে, তাদের সহযোগিতা করার বদলে উল্টো তাদের নিয়ে তামাশা করেন কিছু শিক্ষক। এমনকি নতুন শিক্ষার্থীদেরকে পাশের ভয় দেখাতে আর তাদের কাছে উদাহরণ হিসেবে ফেল করা ছেলেগুলোর গল্প করা হয়। তরুণও ফেল করেছিল। বিজনেস ম্যাথ-১ সাবজেক্টে সে পরপর দুইবার ফেল করেছিল। কঠিন সাবজেক্ট, আর্থিক সংকট, গায়ের রং, বন্ধুদের হাসি তামাশা, গণরুমের জীবন সবকিছু মিলিয়ে তরুণ অংক কষে দেখল সে লুজার হয়ে গেছে। তাই সে একটিবার অন্তত জেতার চেষ্টা করল। জীবনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ৬তলা থেকে সে লাফ দিল। আচ্ছা, মরে যাবার সময় তরুণের কী মনে পড়েছিল? কতিপয় অসহযোগিতা? নাকি জীবনের সাথে জয়ী হবার সান্ত্বনা?

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৭

করুণাধারা বলেছেন: খুব, খুব দুঃখজনক ঘটনা। মনে পড়ছে কয়েক বছর আগে এক মেডিকেল ছাত্র আত্মহত্যা করেছিল- তাকে সবাই তোতলা বলত এই কষ্ট সে সহ্য করতে পারে নি।

এমন যেন আর কারো জীবনে না হয়।

২| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৩

ফায়েজুর রহমান সৈকত বলেছেন: আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুলা যেন রেসিস্ট তৈরির কারখানা হয়ে গেছে একেবারে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.