নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি বিশুদ্ধ কোন মানব নই ,তুমি তোমার মত করে শুদ্ধ করে নিও আমায়

সৈকত জোহা

সৈকত জোহা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আওয়ামীলীগের ভবিষ্যৎ প্রতিদ্বন্দ্বী ও বাংলাদেশের রাজনীতি

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪১

আওয়ামীলীগ এদেশের সবচেয়ে পুরানো দল নয় বরং স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বে দিয়ে নিজেদের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছিল। গত এক দশক ধরে তারা শাসন করে চলেছে তাদের নিজস্ব ধ্যানধারণায় । তাদের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা দেশে সুশাসন কায়েম করতে না পারা এবং দুর্নীতিকে শিল্পে রূপান্তরিত করা। শক্তিশালি বিরোধী দলবিহীন একটি দেশে কখনো সুশাসন আসে না। বিএনপি বা তার মিত্রজোটের ক্ষমতা নাই দেশ শাসন করার এবং তারা ভাল কিছু দিতে পারবে না ।
কারো কারো ধারণা ২০৪১ সাল পর্যন্ত আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকবে। যেহেতু তাদের চ্যালেঞ্জ জানানোর ক্ষমতা কারো নাই তাই তারা এটা ভাবছে। প্রকৃতি কখনো শূন্যতা পছন্দ করে না। কেউ না কেউ তাদের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে যাবে। হয়ত আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আবির্ভাব ঘটতে পারে। ভারতের সাপোর্ট ছাড়া তা সম্ভব নাও হতে পারে। ভারতের সমর্থন কিংবা সহায়তা ছাড়া কেউ বাংলাদেশে ক্ষমতায় থাকতে পারে না।
২০০১ সালে বাংলাদেশে ক্ষমতায় এসেছিল বিএনপি। আর এতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে ভারত। শেখ হাসিনা এখনও অভিযোগ করেন , খালেদা জিয়া গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। কিন্তু সেটা সত্য নয়। মূল কারণ হল, ২০০১ সালে বিডিআর-বিএসএফ সংঘাত । ঐ সময় বিএসেফের অনেক ক্ষতি হয়। ভারতীয় নীতিনির্ধারকরা কখনো কল্পনা করেননি আওয়ামীলীগ আমলে বিএসএফ এভাবে সীমান্তে মার খাবে। তারা তখনই আওয়ামীলীগকে মাইনাস করে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা নেয়।
বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ভারত বেশ কিছু অর্থনৈতিক সুবিধা আদায় করে নেয়। তারেক জিয়া পাকিস্তান আর চীনের সাথে সম্পর্ক জোরদার করে। চীন পাকিস্তানের সহায়তায় উলফাকে অস্ত্র সাপ্লাইয়ের পরিকল্পনা নেই। কিন্তু গোয়েন্দা তৎপরতায় তা বাংলাদেশে আটক হয় যা দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা নামে পরিচিত।
এরপর আওয়ামীলীগকে নিশ্চিহ্ণ করার মিশনে ২১শে আগস্ট নারকীয় হামলায় চালায় বিএনপির পেইড এজেন্টরা । খালেদা জিয়া পুত্র আর ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে এই জঘন্য পরিকল্পনার কথা জেনেও চুপ থাকেন।
২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি পাশার দান উল্টে গেল। বিএনপির একতরফা নির্বাচনের স্বপ্ন ভেঙ্গে দিল রাষ্ট্রপতি আর সেনাপ্রধান। দুই বছর নানা চরাই উৎরায় পেরিয়ে ক্ষমতায় আসেন শেখ হাসিনা। আওয়ামীলীগের সৈয়দ আশরাফ এবং প্রধামমন্ত্রীর বর্তমান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গওহর রিজভি আওয়ামিীলীগ ক্ষমতায় আসার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।

চলবে

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মিশনে ২১শে আগস্ট নারকীয় হামলায় চালায় বিএনপির পেইড এজেন্টরা
.........................................................................................................
বাস্তবতা সর্মথন যোগ্য

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:২৭

সৈকত জোহা বলেছেন: ধন্যবাদ ভ্রাতা

২| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:১৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


আশরাফ ও গওহর রিজভীদের বড় বড় পদে দেয়ায়, দেশের সাধরণ মানুষ কিছু পায়নি, ওসব পিগমীরা ৯৯ সেন্টের দোকানের কর্মচারী হওয়ার যোগ্যতা রাখে।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:২৮

সৈকত জোহা বলেছেন: ওরা আন্তর্জাতিক পাওয়ার ব্রোকারদের অংশ।

৩| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:২২

রাজীব নুর বলেছেন: রাজনীতি খুব অদ্ভুত।
কখন কি হয় বলা যায় না।
ভালো বিষয় নিয়ে লেখা শুরু করেছেন। লেখা অব্যহত থাকুক।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:২৯

সৈকত জোহা বলেছেন: রাজনীতি মানে রাজার নীতি । রাজা শুধু জানে রাজনীতি কেমন করে করতে হয়।

৪| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:৪৭

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: "লীগের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা দেশে সুশাসন কায়েম করতে না পারা এবং দুর্নীতিকে শিল্পে রূপান্তরিত করা। "
সহমত না করে উপায় নেই। প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে এসব আশা করা বৃথা। :(

" ভারতের সাপোর্ট ছাড়া তা সম্ভব নাও হতে পারে। ভারতের সমর্থন কিংবা সহায়তা ছাড়া কেউ বাংলাদেশে ক্ষমতায় থাকতে পারে না। "
বিষয়টি আমি মানতে পারি না। এর জন্য দায়ী আমাদের নেতারা, ভারত তো সুবিধা আদায় করবেই।


২১শে আগষ্টের বিষয়ে সহমত।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৩১

সৈকত জোহা বলেছেন: নেতাদের দায়ী করার আগে জনগণকে দায়ী করা উচিত। যে দেশের জনগণ ৫০০/১০০০ টাকার বিনিময়ে নেতা নির্বাচন করেন, তাদের জন্য নরকই প্রাপ্য

৫| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:২০

শাহারিয়ার ইমন বলেছেন: বি এন পিএর আমলেও তো দুর্নীতি হয়েছে ।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৩৪

সৈকত জোহা বলেছেন: দুর্নীতির সাথে জঙ্গিবাদ যোগ হয়েছিল , সাথে ছিল একুশে আগস্টের নারকীয় তাণ্ডব

৬| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:০৩

আরোগ্য বলেছেন: পাঠকের প্রতিক্রিয়ার সাথে সহমত পোষণ করছি।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৩৫

সৈকত জোহা বলেছেন: তার সাথে আমি সহমত নয় পুরোপুরি

৭| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:১৮

আরোগ্য বলেছেন: লেখক বলেছেন:
নেতাদের দায়ী করার আগে
জনগণকে দায়ী করা উচিত। যে
দেশের জনগণ ৫০০/১০০০ টাকার
বিনিময়ে নেতা নির্বাচন করেন,
তাদের জন্য নরকই প্রাপ্য।


সবাইকে এক পাল্লায় মাপবেন না।

১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৪৭

সৈকত জোহা বলেছেন: বাংলাদেশের ৬৫ শতাংশ ভোটার টাকার বিনিময়ে ভোট দেয়

৮| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১২:২১

ফারিহা হোসেন প্রভা বলেছেন: পড়লাম, তবে আফসোস সবই মাথার উপর দিয়ে গেলো। :( ভালো লিখেছেন ভাইয়া। শুভ কামনা রইলো।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:১৫

সৈকত জোহা বলেছেন: you are just a kid . so you don't need to understand everything. happy reading

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.