নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবনকে যারা উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যে বিষয়গুলো নিয়ে লেখার চেষ্টা করি- মোটিভেশনাল গল্প-কাহিনী-প্রবন্ধ, ছড়া এবং কবিতা

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

তরুণ ও যুবা ভাইয়ুরা, হিযবুত তাহরীর থেকে পালিয়ে বেরিয়ে এসো

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯


১৮ বছর আগে হিযবুত তাহরীর নামের একটি রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয় বাংলাদেশে। তারা ইসলামী রাষ্ট্র খেলাফত কায়েম করার কথা বলে থাকে। সেই লক্ষ্যেই অনেক দেশে তারা কাজ করে যাচ্ছে। আসলে ইসলামের নামে তাদের সেই কাজগুলোকে অকাজ বলেই প্রতীয়মান। মুখে ইসলামের কথা বললেও তারা নিজেরা ইসলামের মর্ম কথা বুঝতে অক্ষম। তাদের ইসলাম পালনেও তাই গড়মিল পাওয়া গিয়েছে। সেই কারণগুলো একে একে তুলে ধরবো আজ।

হুদায়বিয়ার সন্ধিকে অস্বীকারঃ

ইসলামী ইতিহাসে হুদায়বিয়ার সন্ধি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিকপাল। অথচ, এই দলটি হুদায়বিয়ার সন্ধিকে অস্বীকার করে। এই সন্ধির ব্যাখ্যাও দিতে পারেন ভালো মতো। এই দলটি যখন নিষিদ্ধ ছিলো না, তখন একবার তাদের একটি ওয়াজ মাহফিলে গিয়েছিলাম। সেইখানে তারা বিখ্যাত 'দ্যা ম্যাসেজ' ছায়াছবিটি প্রদর্শন করেছিলো। এক পর্যায়ে দেখা গেলো, ছায়াছবির যে অংশে হুদায়বিয়ার সন্ধি'র দেখানো হয়েছে, সেই অংশ নেই! আমি তো হতবাক! এটা নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই তারা বললেন এটা কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়!

তারা সব কিছুই করে রাজনীতি'র জন্যেঃ

ইসলামকে তারা রাজনীতি'র জন্যে ব্যবহার করে। এখানে মনে রাখা জরুরী যে, ইসলামের জন্যে রাজনীতি, রাজনীতির জন্যে ইসলাম নয়। একবার হলো কি, মোহাম্মদপুরে শীত বস্ত্র বিতরণ করছে হিযবুত তাহরীরের ছেলেরা। সেই সময় দেখা গেলো তারা শুধু তাদেরকেই শীত বস্ত্র দিচ্ছে যারা তাদের সমাবেশে এসেছে। আসল গরীব লোকগুলো বাদ পড়ে গিয়েছে তাদের তালিকা থেকে! ইসলাম কি তা-ই বলে? আমার মনে হয় না।

নামাজে অবহেলাঃ

গুলশানের একটি রেস্টুরেন্টে দলটির একটি মাহফিল চলছিলো। আজান শেষ হয়ে ১০-১৫ মিনিট হয়ে গিয়েছে। বক্তা তখনো 'ইসলামী' ভাষন দিয়ে যাচ্ছেন! এছাড়া তাদেরকে বুকের উপর হাত বেঁধে মেয়েদের মতো নামাজ পড়তে দেখা যায়। বাংলাদেশে এমন 'আবিস্কার' তারাই প্রথম করেছে। অথচ, এটা ইসলামের নিয়ম নয়।

দাড়ি রাখার ব্যাপারে অনুৎসাহঃ

তারা কর্মীদের দাড়ি ও টুপি পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ দেয় না। অথচ, এটা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সুন্নাহ-এর বরখেলাপ। আমি তাদের খুব কর্মীকে টুপি পড়তে দেখেছি।

মানুষকে বিপদে ফেলে ইসলাম কায়েমের ধান্ধাঃ

তারা মনে করে মানুষ বিপদ পড়লেই ইসলামের পথে আসে। তাই, মানুষকে বিপদে ফেলতে দেশে বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক অরাজকতা সৃষ্টিতে তারা পিছ পা হয় না। সরকারের উন্নয়নের রোডম্যাপের কথা শুনে একবার তাদের এক নেতাকে বলতে শুনেছি- এভাবে উন্নয়ন হলে তো মানুষ ইসলামের কথা ভুলে যাবে!

অথচ, ইসলাম মানসিক, দৈহিক এবং আত্মার- তিনটিরই উন্নয়নের কথা বলে। নামাজের তাশাহহুদ (আত্তাহিয়্যাতু) তার প্রমাণ।

দলটি'র পতাকার রঙ কমলাঃ

প্রট্যাস্টেন্ট খ্রিস্টানদের দলগুলোও এই রঙ ব্যবহার করে থাকে। অথচ, ইসলামে ধর্মীও বিষয়ে অন্যান্য ধর্মকে অনুসরণ করার ব্যাপারে স্পষ্ট মানা আছে।

কালো পতাকার ভুল ব্যবহারঃ

পল্টনে তাদের সমাবেশ হচ্ছে। ট্রাকের উপর দলটির নেতারা বক্তৃতা দিচ্ছেন। হঠাৎ বিদেশী একটি সংবাদ মাধ্যম নিউজ কাভার করতে সেখানে তাদের ক্যামেরাম্যানকে পাঠায়। দেখা গেলো, সাথে সাথে বক্তৃতাস্থলের পিছনের ব্যানারে তারা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' খচিত কালো ব্যানার টাঙ্গিয়ে দিচ্ছে। অথচ, এতোক্ষণ সেখানে অন্য একটি ব্যানার ঝুলানো ছিলো!

এমন তারা কেন করলেন? বাংলাদেশে উগ্রবাদীরা অবস্থান করছে, সেটাই তারা প্রমাণ করতে চাচ্ছিলেন? অথচ, হাদিসে 'false black flag' সম্পর্কে সাবধান করে দেওয়া আছে। ইসলামে কালো পতাকা খুবই সম্মানীয় একটি বস্তু। দলটি কালো পতাকাকে অপমান করছে।

হাদিসকে অস্বীকারঃ

আমি নিজে কথা বলে দেখেছি, তাদের অনেক নেতা অনেক সহীহ হাদিস অস্বীকার করে বা মানতে চায় না। শুধু তো মানেই না, হাদিস নিয়ে কূটতর্কে মেতে উঠে।


প্রিয় ছোট ভাই ও বোনেরা,

তোমরা যারা এখনো এই দলটির সাথে জড়িত আছো, তারা বেরিয়ে এসো। এখনো সময় আছে। সময় চলে গেলে যাতে পরে পস্তাতে না হয়, সেই দিকটা তোমাদের মনে রাখতে হবে। বাইরে বেরিয়ে এসে দেখো সোনালী ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে তোমাদের জন্যে। মন থেকে সকল ঘৃণা ঝেড়ে ফেলে মানুষকে ভালোবাসার পথে একবার নিজেকে উজাড় করে দিয়ে দেখো কেমন লাগে।

আল্লাহ তোমাদের সহায় হোন।
ভালো থাকো নিরন্তর।


মন্তব্য ৪৬ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৪৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: @ সত্যপথিক শাইয়্যান- "হিযবুত তাহরীর" থেকে পালিয়ে বায়েজিদ খান পন্নীর "হেযবুত তাওহীদে" যোগ দিলে কেমন হয় ? অথবা শায়খ জসীমউদ্দীন রাহমানী-র "আনসারুল্লাহ বাংলা টিম"-এ ?

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: অফটপিক।

২| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৯

সনেট কবি বলেছেন: ভাল বলেছেন।

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:২৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: এ ব্যাপারে সবাইকে সচ্চার ও সচেতন হতে হবে।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

৩| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩০

ঢাকার লোক বলেছেন: " বুকের উপর হাত বেঁধে নামাজ পড়া মেয়েদের মতো " এবং এটা অনৈসলামিক, আপনার একথাটা কথা ঠিক নয়! নামাজ নারী পুরুষ সবার জন্যই একই রকম, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন "তোমরা আমাকে যেভাবে নামাজ পড়তে দেখেছ সেভাবে নামাজ পড় ." এখানে নারী পুরুষের জন্য আলাদা নির্দেশনা নেই . আর বুকের উপর হাত বাধার পক্ষে হাদীসগুলোই বেশি জোড়ালো বলে অধিকাংশ উলেমা মনে করেন .
তা ভাই, আমাকে আবার হিজবুততাহিরের সমর্থক মনে করবেন না, এগুলো থেকে দূরে থাকায় মঙ্গল
জাজাকুমুল্লাহু খাইরান

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: আপনি ভুল জানেন। আরো পড়া-লেখা করা আপনার জন্যে জরুরী।

৪| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: সত্যপথিক শাইয়্যান- আপনার দৃষ্টিতে সহীহ,শুদ্ধ মুসলিম দল কোনটি ? তাবলীগ ? রেজাখানী ? আহলে হাদিস ? জামায়াত ইসলামী ? খেলাফত আন্দোলন ? মাইজভাণ্ডারি ? দেওয়ানবাগী ? রাজারবাগী ? কারা ? কারা ?

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: আহলে হাদিস আবার কবে থেকে ইসলামের পক্ষের দল হয়ে গেলো?

৫| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অজ্ঞানতাই সব ভুলের মূল।

তারা যদি ইসলামের প্রকৃত জ্ঞান চর্চায় চেষ্টা করতো কতইনা কল্যান হতো।
বিদেশী অনুদান আর ভুল বোঝানোর ফাঁদে যে কত লোকের ঈমান হারাচ্ছে ইয়াত্তা নাই।

অথচ পবিত্র কোরআন আর আহলুল সুন্নাহই কি যথেষ্ট নয়।

বিশ্লেষনি পোষ্টে ভাললাগা
চোরাকি শুনে ধর্মের কাহিনী! ;)
আশা করি জ্ঞানালোকে জাগবে তারা।

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: ইসলামী জ্ঞান বুঝার ক্ষমতা থাকতে হবে। সেজন্যে প্রয়োজন সেই ধরণের দৈহিক, মানুসিক এবং আত্মিক প্রস্তুতি। সেটা সবার থাকে না। কেউ কেউ আবার প্রস্তুতি নিতেও চায় না।

ধন্যবাদ নিরন্তর। :)

৬| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: সহসা মহাশয় বলিলেন, হাঁটিতে হাঁটিতে বড়ই ক্ষুধা পাইয়াছে, দেখ তো কিছু কিনিতে পার কিনা এই নাও টাকা, আমি ব্যাতিব্যাস্ত হইয়া বলিলাম মহাশয় টাকা লাগিবে না, আমার নিকট আছে ।
খুজিয়া এক কেজি আপেল কিনিয়া তাহার হাতে দিতেই তিনি বলিলেন " তুমি কি আমাকে অধিক দিন বাঁচিয়া থাকিতে দিতে চাও না" ?

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:০৩

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: যত দিন এই দেহে প্রাণ থাকবে, স্রষ্টা সন্তুষ্টি এবং মানবের কল্যাণের তরে তা বিলিয়ে দিতে হবে। এটাই জীবন।

শুভেচ্ছা।

৭| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:০৬

ঢাকার লোক বলেছেন: এ লিংকে দেখুন, কোথায় হাত বাঁধতে হবে
https://www.youtube.com/watch?v=MQQs0vuzsvE

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১:০৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: আমি মানুষটিকে চিনি না। তাই, তার কাছ থেকে জ্ঞান নেওয়ার প্রয়োজন মনে করছি না। আর, এটা উচিৎ-ও নয়। কারণ, কিছু খটকা থাকলে উনাকে কাছে পাবো না তা নিয়ে জিজ্ঞাসা করার জন্যে।

৮| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:০৮

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: সত্যপথিক শাইয়্যান-আহলে হাদিস ইসলাম পক্ষের দল নয় ! তো তারা কি ?

বুকের উপর হাত বেঁধে নামাজ পড়া ইসলামের নিয়ম নয় !! এটি শাফেঈ মাজহাবের নিয়ম। আর
মালিকী মাজহাবে যে নামাজে হাত না বেঁধে শরীরের দুইপাশে ঝুলিয়ে রাখে সেটা জানেন ?

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:১০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: আপনি ভুল তথ্য দিচ্ছেন। কূটতর্কে মেতে উঠবেন না।

৯| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:১৬

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: সত্যপথিক শাইয়্যান- এত স্বল্প জ্ঞান নিয়ে ব্লগিং করতে আসেন ? একটু পড়াশোনা করেন তারপর ব্লগে পোস্ট দেন।

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:১৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
নামাজে বুকের উপর হাত বাধার হাদিস সবচেয়ে দূর্বল হাদিস।

বুকের উপর হাত বাধার হাদিস সবল হাদিস নয়।

আপনি যদি মনে করেন তা সবল হাদিস, তাহলে তা প্রমাণ করে দেখান।

১০| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:৩৩

ঢাকার লোক বলেছেন: উনার নাম ড; মুহাম্মদ সালাহ, একজন বিশিষ্ট ইসলামী আলেম যিনি মিসর থেকে সম্প্রচারিত হুদা টিভি তে সারা দুনিয়া থেকে লোকজনের করা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন, এ বিষয়ে আমাদের দেশের বিখ্যাত আলেম ড. কাজী সাইফুল্লাহ, মুফতি ইব্রাহিম বা ড; আ ব ম জাকারিয়াদের আলোচনাও দেখতে পারেন, ইউটিউবে পাবেন ।

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:৪০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: নামাজে বুকের উপর হাত বাধার হাদিস সবচেয়ে দূর্বল হাদিস। বুকের উপর হাত বাধার হাদিস সবল হাদিস নয়।

উনারা যদি বিখ্যাত হয়ে থাকেন, তাহলে এই কথা উনাদের জানার কথা।

আপনি পারলে উনাদের কাউকে প্রমাণ করতে বলুন যে, বুকের উপর হাত দিয়ে নামাজের হাদিস সবল।

পারবেন না।

১১| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:৪২

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: @ সত্যপথিক শাইয়্যান- কোনটি দুর্বল হাদিস, কোনটি সবল হাদিস সেটা ঠিক করার authority কি আপনি ? আপনার কি যোগ্যতা আছে সহীহ হাদিস,জয়িফ হাদিস নিয়ে কথা বলার ? সুন্নী ইসলামের চার মাজহাব-ও সম্পর্কে কি জানেন আপনি ? ভাল করে পড়াশোনা করুন... তারপর ব্লগে জ্ঞান দিতে আসবেন।

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:৪৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: এই তো লাইনে এসেছেন।

যখন বুকের উপর হাত দিয়ে নামাজ পড়ার হাদিস সবল কি না জিজ্ঞাসা করলাম, তখনই ভাগছেন!

১২| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:০১

ঢাকার লোক বলেছেন: ভাই সত্যপথিক শাইয়্যান , সত্যের সন্ধান পেতে হলে শিক্ষার ইচ্ছা থাকা জরুরি এবং সত্য পেলে তা গ্রহণ করার মানসিকতাও থাকতে হবে যা আমাদের দেশের অনেক তথা কথিত মাওলানাদের নেই । তারা পুরানো জ্ঞানকেই আঁকড়ে ধরে থাকতে পছন্দ করেন , প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের পথে এ এক বিরাট বাধা ! আপনাকেও আরো উদার হতে হবে । আল্লাহ আপনাকে যা সত্য তা বুঝা ও মানার তৌফিক দান করুন ।

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:০৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আমি উদার বলেই প্রমাণ করার কথা বলছি। বাংলাদেশের আলেমরাই পারেন এটা প্রমাণ করতে। করেছেনও।

কিন্তু, আমরা সাধারণ মুসল্লিরা তা জানি না।

জানি না বা জানতে চাই না বলেই বুকের উপর হাত বাধার হাদিসটি যে দূর্বল সেটা মানতে রাজি হই না।

১৩| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:২২

শিখণ্ডী বলেছেন: হাত কোথায় বাঁধতে হবে এটি কি খুব জরুরি? বান্দা এত কষ্ট করে আল্লাহকে খুশি করতে চাচ্ছে তা কি তিনি বুঝতে পারবেন না? ছোট-খাট বিষয় নিয়ে একদল আরেক দলকে বাতিল, বেদাতি বলে বিভক্ত করায় দুর্বল থেকে দূর্বলতর হয়ে মুসলমানেরা সবখানে মার খাচ্ছে।

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৩৩

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
হাত কোথায় বাঁধতে হবে এটি কি খুব জরুরি?

হ্যাঁ, জরুরী। নামাজের ক্ষেত্রে উল্টা-পাল্টা নিয়ম হতে পারে কি?

নামাজে হাত বাধা দেখেই সনাক্ত করা যায়- কে উগ্রপন্থী আর কে নয়।

১৪| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:২৯

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন:
@তরুণ ও যুবা ভাইয়ুরা,হিযবুত তাহরীর থেকে পালিয়েবেরিয়ে এসো
.. আমার সারা জীবনে একটাও পরিচিত মানুষ খুঁজে পেলাম না যারা এই লাইনকে সাপোর্ট করে। আপনারা এত ভক্ত পান কোথায়??


পোস্টটি লাইন মতই ছিল। পরে মাযহাবের বিষয় নিয়ে অযথাই ম্যাওপ্যাও করেছেন, মন্তব্যের প্রতিউত্তরে তো আরো যা তা অবস্থা। নিজের যা ভালো লাগে মেনে চলুন। বিতর্কিত বিষয়ে ক্যাচাল এড়িয়ে চলুন।

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:১৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
মাযহাবের বিষয় নয়, আলোচনা হয়েছে নামাজ নিয়ে।

নামাজ দিয়েই উগ্রপন্থী চেনা যায়।

ট্যাকনিকটা হচ্ছে- যেখানেই দেখবেন মসজিদে বুকের উপর হাত বেধে নামাজ পড়ছে, বুঝে নিতে হবে মানুষটা উগ্রপন্থী।

এখন আপনি জানলেন।

আর দেখেছেন তো প্রমাণ করতে বলায় কিভাবে ব্লগার ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ সুর সুর করে ভেগেছেন। :)

১৫| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:৫২

নিশি মানব বলেছেন: হিজবুতীরা আধুনিক ইসলাম লাইক করে। তারা এটা মানতে চায়নাযে, ইসলামই হচ্ছে সবচেয়ে বড় আধুনিক।
তাদের কথা হচ্ছে, আগে খেলাফত তারপর অন্য পথ।
অথচ উচিৎ হচ্ছে, আগে নিজের মধ্যে দ্বীন প্রতিস্ঠা করা, তারপর জগতে।

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১:০০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: নিজের উপর আগে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে হয়। লোভ-কাম-সহ রিপুগুলো বশে আনা জরুরী। তারপরেই না অন্যকে ঠিক হওয়ার কথা বলতে হবে!

সেটা উনারা করছেন আমার মনে পরে না।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

১৬| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



বাংলাদেশে ইসলামী দল কোনটি সঠিক?

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১:৩১

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: ইসলামী রাজনৈতিক দল?

১৭| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ২:৫৯

চেংকু প্যাঁক বলেছেন: +++++++++++

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:০৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৮| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৩:১২

চেংকু প্যাঁক বলেছেন: হিজবুত তাহরির একটা হিংস্র এবং বাতিল দল। এরা ইসলাম ধর্মকে সিড়ি হিসাবে ব্যবহার করে ক্ষমতায় যেয়ে মানুষকে শাস্তি দিতে চায়। এদের সাথে আমার পারসোনাল অনেক কনফনট্রেশন হয়েছে। এই দলটা জামাত শিবিরের একটা অফস্যুট। ধনির দুলালদের টার্গেট করে এই দলটা কাজ করে। হলিআর্টিজান টাইপের ফলস-ফ্ল্যাগ জিহাদি অপারেশনের রিক্রুট এইদলটার কারণেই সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছিল। এদের হেডকোয়ার্টার ইংল্যান্ডে। এদের খুব হার্ডকোর একটা অংশ দারুল-ইহসান ইউনিভার্সিটিতে আরবি, ইসলামিক-স্টাডিজ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করত। পরে সরকার দারুল ইহসানের বিরুদ্ধে হার্ড লাইনে গেলে এদের কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ে। লেক-হেড-গ্রামার স্কুল - এদের আরেকটা ঘাটি। সরকারের কোপ দৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য এই স্কুলের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে এবং সরকারকে ধোকা দেয়ার জন্য এরা এখন বাংলা নববর্য টাইপ কিছু অনুষ্ঠানের নামে ভন্ডামি করে। এই গ্রুপটার উপর খুব সতর্ক দৃষ্টি না রাখলে এরা ভবিষ্যতে আরো অনেক বিপদ ডেকে আনবে।

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:১৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: হিযবুত তাহরীর মুসলমানদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, তারা মানুষের মনে কনফিউশন তৈরী করে।

আর, এদের মেন্টালিটিও খারাপ। তারা মনে করে, মানুষকে 'ব্যবহার' বা 'ইউজ' করতে হবে দলীয় কাজে।

এই 'ব্যবহার' বা 'ইউজ' পদ্ধতি'র আবিস্কর্তা ইহুদী জাতি, যার ফলে তারা অধঃপতনে।

মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

১৯| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৫:৪০

জোবাইর বলেছেন: হিযবুত তাহরীর সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম। এদের সম্পর্কে পোস্ট দিয়ে সবাইকে অবহিত করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসলে এসব জঙ্গি দল সম্পর্কে আগে থেকেই আমাদের নতুন প্রজন্মকে সাবধান করতে হবে। কারণ ওরা একজন সহজ-সরল নীরিহ তরুণকে মগজ ধোলাই করে সিরিয়াল কিলার বানিয়ে ফেলে। তখন এসব বিপথগামী তরুণদেরকে আর ফিরিয়া আনা সম্ভব হয় না।

২০| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:২১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কিছু কিছু মানুষ আছে যারা ইসলাম না জেনেই ইসলামী জ্ঞান দিতে যায় এবং তার ভুলটি ধরিয়ে দিলে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। তিরমিজিতে এদেরকে নেকড়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে। এখানে পোস্টদাতা এবং কিছু কমেন্টকারী সেরকম ফেতনার সৃস্টি করছেন যেখানে মূল ব্যাপারটা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে বহু মত আছে। অবশ্য পোস্টকারী নিজেই দাড়ী রাখেননি সেবিষয়ে আর কি বলবো


নামাজে বুকে হাত বাঁধতে হবে না নাভীর নীচে এ নিয়ে বহু ক্যাচাল আছে। উপমহাদেশে আল আলবানীর অনুসারী তাই তারা রোহেলের মত অনুসরন করে বুকের ওপর হাত বাঁধেন যার প্রমান দিলাম।


1. ইবনে খুজায়মা (৪৭৯) বর্নিত যে ওয়া’ইল ইবনে রাঃ বলেন: আমি নবী মোহাম্মদের সাথে নামাজ পড়েছি এবং তিনি ডান হাত বা হাতের ওপরে দিয়ে বুকের ওপর রেখেছেন। এর সহী রেয়াত পাওয়া যায় তাহকীক সাহীহ ইবনে খুজায়মাতে আল আলবানীর মাধ্যমে।
2. আল আলবানী তার সীফাত সালাত আল-নবী সাঃ এর ৬৯ নম্বর পৃষ্ঠায় বলেন বুকের ওপর হাত রাখাই প্রতিষ্ঠিত সুন্নাহ এবং এর ব্যাতিরেকে অন্য কিছু করার কোনো ভিত্তি নেই অথবা তার রেফারেন্স দুর্বল।
3. আল সিন্দি তার হাশিয়াত ইবনে মাজাতে বলেন যে সুন্নাহ বর্নিত হাত বাঁধা এবং পাশে ঝুলিয়া না রাখা এ দুটো বিষয়ের সাথে ইহাও প্রমানিত যে বুকেই হাত বাঁধতে হবে। যে হাদিসে বর্নিত আছে নাভীর নীচে হাত বাঁধতে হবে নামাজের সময় সেটা একটা জঈফ হাদিস।
4. শেখ ইবনে উসমান বলেন যে নাভীর নীচে হাত বাধার পদ্ধতি যেটা বিভিন্ন মাযহাবে বলা আছে এবং হযরত আলী রহঃ এর বরাতে যে হাদিসটি আমরা জানি: “বা হাতের ওপর হাত রেখে তা নাভীর নীচে রাখাটা সুন্নত নামাজের সময়” এটা আবু দাউদে পাই এবং এটার রেয়াত জঈফ অন্তর্ভূক্ত করেন আল নাওয়ায়ী, ইবনে হাজার এবং অন্যান্য.
5. সাহাবী হুল্ব আত-ত্বাঈ (রাঃ) বলেন,  ‘আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে বাম হাতের জোড়ের (কব্জির) উপরে ডান হাতের জোড় বুকের উপরে রাখতে দেখেছি’।আহমাদ হা/২২৬১০, সনদ হাসান, আলবানী, আহকামুল জানায়েয, মাসআলা নং-৭৬, ১১৮পৃঃ; তিরমিযী (তুহফা সহ, কায়রো : ১৪০৭/১৯৮৭) হা/২৫২, ‘সালাত’ অধ্যায়-২, অনুচ্ছেদ-১৮৭, ২/৮১, ৯০; ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১০৯।
6. ওয়ায়েল বিন হুজর (রাঃ) বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সাথে সলাত আদায় করলাম। এমতাবস্থায় দেখলাম যে, তিনি বাম হাতের উপরে ডান হাত স্বীয় বুকের উপরে রাখলেন’।বুখারী ১০২, মুসলিম-মুসলিম-১৭৩ পৃষ্ঠা,  আবু দাউদ-১ম খন্ড-১১০-১২১-১২৮,  তিরমিযী-৫৯ পৃষ্ঠা,নাসাঈ-১৪১ পৃষ্ঠা, ইবনু মাজা- ৫৮-৫৯ পৃষ্ঠা , মেশকাত ৭৫ পৃষ্ঠা, মুয়াত্তা মালিক- ১৭৪ পৃষ্ঠা, মুয়াত্তা মুহাম্মাদ-১৬০ পৃষ্ঠা, যাদুল মায়াদ-১২৯ পৃষ্ঠা,হিদায়া দিরায়া-১০১ পৃষ্ঠা, কিমিয়ায়ে সাআদাত- ১ম খন্ড-১৮৯ পৃষ্ঠা,বুখারী আযিযুল হক-১ম খন্ড-৪৩৫ , বুখারী আধুনিক প্রকাশনী-১ম খন্ড-৬৯৬ , বুখারী ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২য় খন্ড-৭০২ , মুসলিম- ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২য় খন্ড-৮৫১, আবু দাউদ ইসলামিক ফাইন্ডেশন- ১ম খন্ড-৭৫৯, তিরমিযী ইসলামিক ফাউন্ডেশন-১ম খন্ড-২৫২,  মেশকাত-নূর মোহাম্মাদ আযমী- ২য় খন্ড-৭৪২ ও মাদ্রাসা পাঠ্য দ্বিতীয় খন্ড- ৭৪২,  বুলুগুল মারাম বাংলা- ৮২ পৃষ্ঠা,  সহীহ ইবনু খুযায়মা হা/৪৭৯-পৃষ্ঠা ২০; আবুদাঊদ হা/৭৫৫, ইবনু মাস‘ঊদ হ’তে; ঐ, হা/৭৫৯, ত্বাঊস বিন কায়সান হ’তে; ‘ছালাত’ অধ্যায়-২, ‘ছালাতে বাম হাতের উপর ডানহাত রাখা’ অনুচ্ছেদ-১২০।


ইমাম আহমেদের মতে তবু কিছু স্কলার নাভীর ওপর হাত বাধার কথা বলেন। কিন্তু প্রমুখ যেমন তাবে তাবেঈ তাবেঈন সময়কার আলেমরা সবাই বুকের ওপর হাত রাখার ব্যাপারেই মত দেন। যদিও অনেকে এর পেছনে বিতর্কের সৃস্টি করেন কিন্তু ইবনে সা’দের বরাতে যে হাদিসের উল্লেখ বুখারীতে আছে সেখানেও বুকে হাত বাধার কথা আছে। এর সমর্থনে আরেকটি হাদিস উল্লেখ না করলেই নয় যে ওয়া’ইল ইবনে হুযর বলেন যে নবী মোহাম্মদ বুকের ওপর হাত বাধতেন। (আল শারহ আল-মুমতি ৩/৩৬,৩৭)


তবে যেসব তাবেঈনের রেফারেন্সের কথা বহুল প্রচলিত তিরমিযী এবং অন্যান্য জায়গা তারা বেশীর ভাগ হাসান ও জঈফ হাদিসের অন্তর্ভূক্ত। যেটা সেসব হাদিসের রেয়াতেই বলা আছে। উদাহরন হিসেবে

বিখ্যাত তাবেয়ী ইমাম ইবরাহীম নাখায়ী রাহ.ও (মৃত্যু : ৯৬ হি.) এই ফতোয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘নামাযে ডান হাত বাম হাতের উপর নাভীর নিচে রাখবে।’-মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস : ৩৯৬০
এই রেওয়ায়েতের সনদ হাসান।

নাভীর নীচে হাত বাঁধা সংক্রান্ত অন্যান্য হাদিস জঈফ সম্পর্কিত:

#      ইমাম বায়হাকী আলী হতে “নাভীর নীচে হাত বাধা”র একটি হাদীস উল্লেখ করে তাকে যয়ীফ বলেছেন। 
#   ‘নাভির নীচে হাত বাঁধা’ সম্পর্কে আহমাদ, আবুদাঊদ, মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ প্রভৃতি হাদীস গ্রন্থে, ৪ জন ছাহাবী ও ২ জন তাবেঈ থেকে যে চারটি হাদীস ও দু’টি ‘আসার’ বর্ণিত হয়েছে, সেগুলি সম্পর্কে মুহাদ্দেছীনের বক্তব্য হ’ল- ‘(যঈফ হওয়ার কারণে) এগুলির একটিও দলীল হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয়’।মির‘আতুল মাফাতীহ (দিল্লী: ৪র্থ সংস্করণ, ১৪১৫/১৯৯৫) ৩/৬৩; তুহফাতুল আহওয়াযী ২/৮৯
#    সালাতে দাঁড়িয়ে মেয়েদের জন্য বুকে হাত ও পুরুষের জন্য নাভীর নীচে হাত বাঁধার যে রেওয়াজ চালু আছে, হাদীছে বা আসারে এর কোন প্রমাণ নেই মির‘আত (লাহোর ১ম সংস্করণ, ১৩৮০/১৯৬১) ১/৫৫৮; ঐ, ৩/৬৩; তুহফা ২/৮৩ ।বরং এটাই স্বতঃসিদ্ধ যে, সলাতের মধ্যকার ফরয ও সুন্নাত সমূহ মুসলিম নারী ও পুরুষ সকলে একই নিয়মে আদায় করবে।মির‘আত ৩/৫৯ পৃঃ; ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১০৯; নায়লুল আওত্বার ৩/১৯
#    মালিকীরা নামায পড়ার সময় ‘হাত দুটোকে ঝুলায়ে’ রাখে।জাকির নায়েক বক্তৃতা সামগ্রী-৫ খন্ড-পৃষ্ঠা-৮৫
#      কেবল কাসেম বিন কাতলুবাগা এটা বলেছেন।তিনি “তামহীদ” কিতাবের কথা উল্লেখ করে বলেছেন যে,(আহলে হাদীসদের মধ্যে প্রথম) ইবনু আব্দুল বার উক্ত কিতাবে বলেছেন যে, সওরী  ও ইমাম আবু হানিফা নাভীর নীচের কথা বলেছেন। আর সেটা “আলী ও ইবরাহীম নখয়ী” থেকে বর্নিত হলেও, ঐ দুইজন প্রমানিত না।
#      “নাভীর নীচে হাত বাধার কোন সহীহ দলীল নাই”– আল্লামা সিন্ধী ও নীচে উনার বক্তব্য দেয়া হোলঃ-
ইবনু আবী শায়বার “মুসান্নাফ(হাদীস বই) থেকে শায়খ কাসিম বিন কাতলুবাগা “তাখরীজু আহাদিসিল এখতিয়ার” বইয়ে “ওকী”  মুসা বিন ওমায়রাহ হতে মুসা আলকামা  বিন ওয়াযিল বিন হুজর হতে যে রিওয়ায়াত করেছেন, সেটাতে  নাভীর নীচে হাত বাধার কথা উল্লেখ আছে।তবে “নাভীর নীচে হাত বাধার হাদীস ভুল”। “মুসান্নাফ”-এর সহীহ গ্রন্থে উক্ত সনদের উল্লেখ আছেকিন্তু “নাভীর নীচে” এই কথাটি উল্লেখ নাই।উক্ত হাদীসের পরে, (ইবরাহীম) ‘নখয়ী’ এর আসার(সাহাবা ও তাবেঈদের আচরনকে ‘আসার’ বলে) উল্লেখ আছে।উক্ত ‘আসার’ ও হাদীসের শব্দ প্রায় কাছাকাছি। উক্ত ‘আসার’ এর শেষ ভাগে”ফিসসলাতে তাহতাস সুররাহ”তে নাভীর নীচে হাত বাধার কথা উল্লেখ আছে।মনে হয় লেখক ভুলে  ‘মওকুফ হাদীসকে’ মরফু লিখে দিয়েছেন(সাহাবা থেকে বর্নিত হলে ‘মওকুফ’ ও রাসুলের(সঃ) থেকে হলে ‘মরফু’ হাদীস বলে)। মুসান্নাফের সব হাদীসে “নাভীর নীচে হাত বাধার” কথা বলা নাই। অনেক মুহাদ্দিস ‘মুসান্নাফের’ থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন। কিন্তু “নাভীর নীচের কথা” কেউ বলেনি।
        কেবল কাসেম বিন কাতলুবাগা এটা বলেছেন।তিনি “তামহীদ” কিতাবের কথা উল্লেখ করে বলেছেন যে,(আহলে হাদীসদের মধ্যে প্রথম) ইবনু আব্দুল বার উক্ত কিতাবে বলেছেন যে, সওরী  ও ইমাম আবু হানিফা নাভীর নীচের কথা বলেছেন। আর সেটা “আলী ও ইবরাহীম নখয়ী” থেকে বর্নিত হলেও, ঐ দুইজন প্রমানিত না। যদি সেটা হাদীস হোত, তাহলে ইবনু আব্দুল বার সেটা “মুসান্নাফ” থেকে উল্লেখ করতেন।কেননা সেখান থেকে তিনি বহু উদ্ধৃতি দিয়েছেন।২য় ইবনু হাজার আসকালানী(আহলে হাদীস),  ৩য় মুজাদদ্দীন ফিরোজাবাদী(আহলে হাদীস), ৪র্থ আল্রামা সুয়ুতী(আহলে হাদীস), ৫ম আল্লামা যয়লয়ী(আহলে হাদীস), মুহাককিক ৬ষ্ঠ আল্লামা  আয়নী, ৭ম আল্রামা ইবনু আমিরিল হাজ্জ(আহলে হাদীস)  প্রভৃতির উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, যদি “নাভীর নীচে” থাকতো তাহলে এরা সেটা উল্লেখ করতেন।কেননা এদের সমস্ত কিতাব ইবনু আবী শায়বার হাদীস দ্বারা পরিপূর্ন।

এখন আসি নাভীর নীচের পক্ষে যারা কথা বলেন তাদের যুক্তি:

আত তিরমীযি। তিরমিযী শরীফে হাত বাধার বিষয়ে বর্নিত হাদীসটি হল : কুতায়বা (র)....... কাবীসা ইবন হুলব তার পিতা হুলব (রা)থেকে বর্ননা করেন যে, তিনি বলেন : “রাসূল (সা) যখন আমাদের ইমামত করতেন তখন ডান হাত দিয়ে তার বাম হাত ধারন করতেন।”
এই বিষয়ে ওয়াইল ইবন হুজর, গুতায়ফ ইবনুল হারিছ, ইবন আব্বাস,ইবন মাসউদ ও সাহল ইবন সাদ (রা) থেকে হাদীস বর্নিত আছে।
ইমাম আবু ঈসা তিরমিযী (র) বলেন হুলব বর্নিত হাদীসটি হাসান।
সাহাবী তাবিঈ ও পরবতী যুগের আলিমগন এই হাদীস অনুসারেই আমল করেছেন। তারা সালাতে বাম হাতের উপর ডান হাত রাখার অভিমত ব্যক্ত করেছেন। কেউ কেউ উভয় হাত নাভীর উপর স্থাপন করার আর কেউ কেউ নাভীর নীচে স্থাপন করার অভিমত দিয়েছেন। তবে আলিমগনের নিকট উভয় সুরতেরই অবকাশ রয়েছে।
হুলব (রা) এর নাম হল ইয়াযীদ ইবন কুনাফা আত তাঈ। (তিরমীযি হাদীস নং ২৫২)

সুনানে আবু দাউদ এবং ইবনে মাজাহর হাত বাধার হাদিস সম্পর্কে হাদিস গুলো দেওয়া হল ।
১।
হযরত আসিব ইবনে কুলাইব (র.) বলেন- “নবী করীম (স.) ডান হাত বাম হাতের উপরে এভাবে রাখলেন যে, তা বাম হাতের তালুর পিঠ, কব্জি এবং বাহুর উপর ছিল।” (সুনানে আবু দাউদ : ১/১০৫)
২।
‎ثم وضع يده اليمني علي ظاهر كفه اليسري والرسغ والساعد............. الحديث (ابو داود : رفع اليدين في الصلاة
হযরত আলী (রা.) বলেন من السنة وضع الكف علي الكف في الصلاة تحت السرة. (ابو داود) নবী করীম (স.) এর সুন্নাত হল, নামজে এক হাত অন্য হাতের উপর রেখে নাভির নিচে রাখা।” (মুসনাদে আহমাদ : ৫/২২৭; সুনানে আবু দাউদ তাহকীক শায়খ শাইখ মুহাম্মাদ আওয়ামা : ১/৪৯৫)
৩।
হযরত আসিব ইবনে কুলাইব (রা.) বলেন-
‎ثم وضع يده اليمني علي ظاهر كفه اليسري والرسغ والساعد............. الحديث (ابو داود : رفع اليدين في الصلاة)
“নবী করীম (স.) ডান হাত বাম হাতের উপরে এভাবে রাখলেন যে, তা বাম হাতের তালুর পিঠ, কব্জি এবং বাহুর উপর ছিল।” (সুনানে আবু দাউদ : ১/১০৫)

ইমাম ইসহাক ইবনে রাহুয়াহ রাহ. (২৩৮ হি.) বলেছেন, ‘নাভীর নিচে হাত বাঁধা রেওয়ায়েতের বিচারে অধিক শক্তিশালী এবং ভক্তি ও বিনয়ের অধিক নিকটবর্তী।’
‎تحت السرة أقوى في الحديث تحت السرة أقوى في الحديث وأقرب إلى التواضع
তাবেয়ী আবু মিজলায লাহিক ইবনে হুমাইদ রাহ. (মৃত্যু : ১০০ হি.-এর পর) নামাযে কোথায় হাত বাঁধবে-এ প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, ‘ডান হাতের পাতা বাম হাতের পাতার পিঠের উপর নাভীর নিচে রাখবে।’-মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস : ৩৯৬৩
এই রেওয়ায়েতের সনদ সহীহ।
সনদসহ রেওয়ায়েতটির পূর্ণ আরবী পাঠ এই -
‎حدثنا يزيد بن هارون قال : أخبرنا الحجاج بن حسان قال : سمعت أبا مجلز ـ أو سألته ـ قال : قلت كيف أصنع؟ قال : يضع باطن كف يمنيه على ظاهر كف شماله ويجعلها أسفل من السرة.
বিখ্যাত তাবেয়ী ইমাম ইবরাহীম নাখায়ী রাহ.ও (মৃত্যু : ৯৬ হি.) এই ফতোয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘নামাযে ডান হাত বাম হাতের উপর নাভীর নিচে রাখবে।’-মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস : ৩৯৬০
এই রেওয়ায়েতের সনদ হাসান। সনদসহ রেওয়ায়েতটির পূর্ণ আরবী পাঠ এই-
‎حدثنا وكيع، عن ربيع، عن أبي معشر، عن إبراهيم قال : يضع يمينه على شماله في الصلاة تحت السرة.
ইমাম মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশশাইবানী রাহ. (১৮৯ হি.) বর্ণনা করেছেন যে, ইমাম ইবরাহীম নাখায়ী রাহ. নাভীর নিচে হাত বাঁধতেন। এরপর তিনি বলেন, ‘আমরা এই নিয়মই অনুসরণ করি এবং এটিই (ইমাম) আবু হানীফার সিদ্ধান্ত।’-কিতাবুল আছার, হাদীস : ১২১
সনদসহ রেওয়ায়েতটির আরবী পাঠ এই-
‎قال محمد : أخبرنا الربيع بن صبيح، عن أبي معشر، عن إبراهيم : أنه كان يضع يده اليمنى على يده اليسرى تحت السرة. قال محمد : وبه نأخذ وهو قول أبي حنيفة رحمه الله. (كتاب الصلاة، باب الصلاة قاعدا والتعمد على شيء أو يصلي إلى سترة)
প্রসঙ্গত আগেই বলা হয়েছে যে, সাহাবা-তাবেয়ীনের আমল হচ্ছে হাত বাঁধা সংক্রান্ত মারফূ হাদীসসমূহের ব্যবহারিক রূপ। এ কারণে মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান রাহ. ইমাম ইবরাহীম নাখায়ী রাহ-এর সূত্রে হাত বাঁধার মরফূ হাদীস বর্ণনা করার পর এই নিয়ম দ্বারা ব্যাখ্যা করেছেন।
রেওয়ায়েতটি এই-
‎أخبرنا أبو حنيفة، عن حماد عن إبراهيم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعتمد بإحدى يديه على الأخرى في الصلاة، يتواضع لله تعالى. قال محمد : ويضع بطن كفه الأيمن على رسغه الأيسر، تحت السرة، فيكون الرسغ في وسط الكف، (كتاب الأثار، كتاب الصلاة، باب الصلاة قاعدا والتعمد على شيء أو يصلي إلى سترة)
ইমাম ইবরাহীম নাখায়ী রাহ. বলেন, ‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযে এক হাতের উপর অন্য হাত বাঁধতেন। এভাবে তিনি আল্লাহর সামনে বিনীত হতেন।’
(ইমাম) মুহাম্মাদ বলেন, ‘ডান হাতের তালু বাম হাতের কব্জির উপর রাখবে, নাভীর নিচে; সুতরাং কব্জি থাকবে হাতের তালুর মাঝে।’-কিতাবুল আছার, হাদীস : ১২০
খাইরুল কুরূন ও পরবর্তী যুগের হাদীস ও ফিকহের বিখ্যাত ইমামগণও নাভীর নিচে হাত বাঁধার নিয়ম গ্রহণ করেছেন।
ইমাম ইবনে কুদামা হাম্বলী রাহ. (৬২০ হি.) বলেন, নামাযে কোথায় হাত বাঁধা হবে এ বিষয়ে বিভিন্ন বর্ণনা আছে। (ইমাম) আহমদ রাহ. থেকে বর্ণিত, দুই হাত নাভীর নিচে রাখবে। এটি (হযরত) আলী রা., আবু হুরায়রা রা., আবু মিজলায রাহ., ইবরাহীম নাখায়ী রাহ., (সুফিয়ান) ছাওরী রাহ., ইসহাক (ইবনে রাহুয়াহ) রাহ. থেকে বর্ণিত।-আলমুগনী ২/১৪১



তার মানে দেখা যাইতেছে বুকের ওপর হাত বাধলে সে অনেক গুনাহ করে ফেলছে এই কথাটা বলাই ফেতনা যেখানে সাহাবী তাবেঈন কেরামগন নিজেরাই এ ব্যাপারে ফ্লেক্সিবল ছিলেন।

ভাই আগে পুরোটা জানেন তারপর সবাই একে অন্যকে দোষারোপ করেন।

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:২৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: ধন্যবাদ।

নামাজে হাত বাধার তিনটি নিয়ম হাদিসে উঠে এসেছে। এর মাঝে সবচেয়ে দূর্বল হাদিস হচ্ছে- 'বুকের উপর হাত বেধে' নামাজ পড়ার নিয়মটি।

আর, হানাফী এলাকায় অন্য কোন মাযহাবের অনুসরণ বৈধ নয়। এটা ইমাম শাফীঈ নিজে অনুসরণ করে গিয়েছেন।

সেই জন্যেই যারা হানাফী এলাকায় অন্য মাযহাব অনুসরণ করেন, তারা উগ্রপন্থী।

২১| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তার মানে ইসলাম এখন এলাকা অনুযায়ী পালন করতে হবে? ভাউ, আপনে তো দেখি অনেক বড় স্কলার। কি পাশ করছেন? দায়রা তামিল ফাযিল না ইবতেদায়ী? হাদিস ছাইড়া মাযহাবের নামে ফতোয়া মারতেছেন লাইসেন্স কেমনে পাইলেন? মাদরাসার নাম কন? ঠগবাজী দেয়া বক্তব্য তো ভালোই শুরু করছেন!

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: আপনাকে অনেক বই পড়তে হবে। :)

২২| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: যে বইগুলোর নাম দিলাম তার কয়টা পড়ছেন? মাদ্রাসাতে যান নাই, ফতোয়া দেওনের লাইসেন্স নাই, আপনে নামাজ কেমনে পড়তে হবে সেইটা বলার কেডা? নিজের কাছে কয়টা বই আছে কয়টা পড়ছেন সেইটা পড়ে মাদ্রাসার কুন ক্লাস পর্যন্ত পড়ছেন? মুখে দাড়ি কই? নামাজ তো পড়েন না কপালের দাগ দেখলেই বোঝা যায়!


সকল মুসলিম ব্লগারদের প্রতি অনুরোধ: কেউ পারলে তার ফেসবুক প্রোফাইল ঘুরে আসেন। তাহলেই বুঝবেন মালে কোন রাজাকার পার্টি। ২৮ শে অক্টোবরে যেমনে লাঠি দিয়া পিডাইয়া মারা হইছিলো এদেরকেও মারা উচিত নইলে আপনাদের ইসলাম নাস্তিদের আগে এসব মীরজাফর জঙ্গিরাই ডোবাবে। এদেরকে খুব ভালো করেই চেনা আছে।

আল ফিতনাতু আসাদ্দু মিনাল কাতলে

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:৫২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী।

কিন্তু, নির্দিষ্ট বিষয়ে জ্ঞান সবাইকেই রাখতে হবে। যেমন- নামাজ। এটার হিসাব সবার আগে নেওয়া হবে।

ফতোয়া-র যে সংজ্ঞা আপনি দিয়েছেন, সেটা সঠিক নয়। ফতোয়া কাকে বলে সেটা আপনার জানা উচিৎ ছিলো আগে।

উগ্রপন্থা ছেড়ে বেরিয়ে আসুন।



২৩| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সেজন্যই তো চাঁদু তুমি কোনো সংজ্ঞার মধ্যেই যাইতেছো না। কারো বলতেছে না কই থিকা পাশ দিছো?

কই থিকা পাশ করছো, চাঁদু ? শিবিরে পোস্ট কি নাকি এখনো ঢুকবার পারো নাই ইন্টারভিউ ফেল করছো দেইখা? আয়াত মুখস্থ করার পারো নাই? হাতে লেইখা টুকলি করো হে চাঁদু। মাথায় তো গোবর!


হা হা হা হা

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১:২৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
বাব্বাহ! এতোটুকুই জানতে পারলেন! :)




২৪| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:১৬

কেতন বলেছেন: ঢাকার লোকের সাথে পুরোপুরি একমত। নারী পুরুষের নামাজের পদ্ধতিতে কোন ভেদাভেদ নেই - এই ব্যাপারে বেশিরভাগ উলামায়ে কেরামগণই একমত। পুরুষ নারী নির্বিশেষে ইবাদতের ক্ষেত্রে রাসূল (স) কে অনুসরণ করবে - এটাই ইসলামের শিক্ষা। লেখক পারলে প্রমাণ করুন, রাসূল (স) কখনও বুকে হাত বেঁধে নামাজ পরেননি। তাহলে একটা কাজের কাজ হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.