নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সনেট কবি রচিত সনেট সংখ্যা এখন ৭৩৫( জুন’১৮ পর্যন্ত) যা সনেটের নতুন বিশ্ব রেকর্ড, পূর্ব রেকোর্ড ছিল ইটালিয়ান কবি জিয়েকমো দ্যা ল্যান্টিনির, তাঁর সনেট সংখ্যা ছিল ২৫০।

সনেট কবি

রেকর্ড ভেঙ্গে রেকর্ড গড়ার দারুণ সখ। কিন্তু এমন সখ পূরণ করা দারুণ কঠিন। অবশেষে সে কঠিন কাজটাই করে ফেল্লাম। সর্বাধীক সনেট রচনার সাতশত বছরের পূরনো রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড গড়লাম। এখন বিশ্বের সর্বাধীক সনেট রচয়িতা সনেট কবি, ফরিদ আহমদ চৌধুরী।

সনেট কবি › বিস্তারিত পোস্টঃ

জিহাদ

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০০



মহানবী (সঃ) সারা বিশ্বে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেননি। বিদায় হজ্জে তিনি তাঁর দায়িত্ব সম্পূর্ণ করার বিষয়ে জিজ্ঞাস করলে এক লক্ষ চৌদ্দ হাজার সাহাবা (রাঃ) সাক্ষ্য দিলেন তিনি তাঁর দায়িত্ব সম্পূর্ণ করেছেন। তার মানে সারা বিশ্বে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না করেই তিনি দায়িত্ব সম্পূর্ণ করেছেন।কাজেই বুঝা গেল সারা বিশ্বে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা ফরজ নয়।কারণ তিনি বিশ্বনবী, (সঃ) ওটা ফরজ হলে তাঁর (সঃ) দায়িত্ব সম্পূর্ণ হতো সারা বিশ্বে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর।

জন্মভূমি মক্কায় তিনি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেননি।পরে তিনি মক্কা জয় করেন।তিনি মদীনায় একটা চুক্তি নামার মাধ্যমে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করলেন।যাকে মদীনা সনদ বলা হয়। যাতে লেখা ছিল মদীনার ইহুদী খ্রিস্টান ও মুসলমান মিলে একটা জাতি গঠন করবে।তাহলে সনদ বা চুক্তি অনুযায়ী উহা ইসলামী রাষ্ট্র হলে ইহুদী রাষ্ট্র নয় কেন? তাহলে তিনি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করলেন কোথায়? তাঁর পরের যারা, তাঁরা তাঁর খলিফা। তার মানে মহানবী (সঃ) যে রাষ্ট্র রেখে গেলেন তাঁরা সে রাষ্ট্রের খলিফা বা প্রতিনিধি। তা’হলে ইসলামী রাষ্ট্র কোথায়?

ক্বোরআনের আইনের কথা যদি বলেন, তাহলে বলব তিনি ইহুদী শাসন করেছেন তাদের ধর্মগ্রন্থ তৌরাহ দিয়ে। তবে মুসলমানদের শাসন করেছেন ইসলামী আইনে।আর জিহাদ তিনি যা করেছেন তা’ নিস্ফলা ছিল না। ফল না আসার সম্ভাবনার ক্ষেত্রে তিনি জিহাদ করেননি।তাহলে এখন যারা জিহাদ করছে তারা কেমন কি জিহাদ করছে? তাদের জিহাদে মুসলমান শুধু ক্ষতিই গুণে যাচ্ছে। কোথাও কোন লাভ হচ্ছেনা। এসব জিহাদী এবং তাদের নেতা মুসলীম জাতির অভিশাপ। এমন বৃক্ষের দরকার নেই যাতে ফল ধরে না; শুধুই বিষ ঝরে। জিহাদ হবে মানব মঙ্গলে, অমঙ্গলে নয়।

জিহাদ হলো আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী জীবন যাপন প্রচেষ্টা। কারো ক্ষতি সাধন নিশ্চয়ই আল্লাহর ইচ্ছা নয়। কাজেই প্রচেষ্টা এমন হবে যাতে কারো অহেতুক ক্ষতি হবেনা। মহানবীর (সঃ) জিহাদ অহেতুক ও অর্থহীন ছিলনা।

বিঃদ্রঃ ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ততার কারণে কিছু দিন হয়ত আমাকে ব্লগ থেকে দূরে থাকতে হবে।

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২২

প্রামানিক বলেছেন: পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

সনেট কবি বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

২| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


রসুল (স: ) যখন মদীনা পৌঁছেন ১ম বার, উনি ছিলেন রিফিউজী; উনি যখন মদীনা সনদ করেন, তখন তিনি মদীনা শাসন করছেন, এটাই ইসলামী রাজতন্ত্রের পত্তন।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫০

সনেট কবি বলেছেন: তিনি রাজতন্ত্র করেননি। সেটা উমাইয়া যুগে হয়েছে।

৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৫

কাউয়ার জাত বলেছেন: এতদিন তো ভালোই ছিলেন। আবার অপব্যাখ্যা শুরু করলেন?

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫২

সনেট কবি বলেছেন: অপব্যাখ্যাটা কি?

৪| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩২

محمد فسيح الاسلام বলেছেন: "الأسد الذي يكسر صفوف العدو هو بطل بسيط مقارنة بالأسد الذي يتغلب على نفسه"

“The lion who breaks the enemy’s ranks is a minor hero compared to the lion who overcomes himself“ – Jalaluddin Rumi

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩

সনেট কবি বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪০

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: সত্য বলেছেন, আপনার সাথে আমি পুরোপুরি একমত।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫

সনেট কবি বলেছেন: একমত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

৬| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০০

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " তিনি রাজতন্ত্র করেননি। সেটা উমাইয়া যুগে হয়েছে। "

-তিনি বীজ বপন করেছেন, সময়ের সাথে সেটার কি অবস্হা হবে, সেটা উনার পক্ষে কন্ট্রোল করা সম্ভব ছিলো না; তখনকার দিনে রাজতন্ত্র ছিল, তিনি চাইলে উহা রিপাবলিক হওয়ার সম্ভাবনা ছিলো না

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫২

সনেট কবি বলেছেন: রাজনীতি সময়ের সাথে গতিপথ বদলায়। আর রাজতন্ত্র এখনো বিদায় গ্রহণ করেনি। তাঁর গড়া রাষ্ট্রেই সেটা এখনো বিদ্যমান। তাই বলে তিনি রাজতন্ত্রের তালিম দিয়েছেন এটা ঠিক নয়।

৭| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১২

হাফিজ রাহমান বলেছেন: অবসরে আপনার সাথে সিরিজ সংলাপের ইচ্ছা আছে। আশা করি সঙ্গ দিবেন। ধন্যবাদ।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩

সনেট কবি বলেছেন: কিছু দিন হয়ত ব্লগ থেকেই দূরে থাকতে হবে।

৮| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার শারীরিক অবস্হা এখন কেমন?

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬

সনেট কবি বলেছেন: কাজে যোগ দিতে পারিনি। বিশ্রাম নিতে গ্রামে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তখন হয়ত ব্লগে থাকা হবেনা।

৯| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:১২

মরুচারী বেদুঈন বলেছেন:
ﻣﺤﻤﺪ ﻓﺴﻴﺢ ﺍﻻﺳﻼﻡ বলেছেন: " ﺍﻷﺳﺪ ﺍﻟﺬﻱ ﻳﻜﺴﺮ ﺻﻔﻮﻑ ﺍﻟﻌﺪﻭ ﻫﻮ ﺑﻄﻞ ﺑﺴﻴﻂ ﻣﻘﺎﺭﻧﺔ ﺑﺎﻷﺳﺪ ﺍﻟﺬﻱ ﻳﺘﻐﻠﺐ ﻋﻠﻰ ﻧﻔﺴﻪ "
“The lion who breaks the enemy’s ranks is a minor hero compared to the lion who overcomes
himself “ – Jalaluddin Rumi

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:২৭

সনেট কবি বলেছেন: মন্তব্য আরো বোধগম্য হওয়া প্রয়োজন।

১০| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:২৬

মরুচারী বেদুঈন বলেছেন: বয়স বাড়লে ডিমেনশিয়া হয়।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:২৮

সনেট কবি বলেছেন: তেমন বোধগম্য নয়।

১১| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:১৭

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ক্বোরআনের আইনের কথা যদি বলেন, তাহলে বলব তিনি ইহুদী শাসন করেছেন তাদের ধর্মগ্রন্থ তৌরাহ দিয়ে। তবে মুসলমানদের শাসন করেছেন ইসলামী আইনে।
আরো ব্যাখ্যার দাবি রাখে
জিহাদ হলো আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী জীবন যাপন প্রচেষ্টা। কারো ক্ষতি সাধন নিশ্চয়ই আল্লাহর ইচ্ছা নয়। কাজেই প্রচেষ্টা এমন হবে যাতে কারো অহেতুক ক্ষতি হবেনা।
ইসলাম প্রতিষ্ঠায় বাধা সৃষ্টি করলে সেখানে জিহাদ করতে হবে। আর জিহাদ করতে গেলে বিরোধীদের মারা যেতে হবে। তবে এখনকার জমানায় জিহাদের প্রয়োজনীয়তা সেভাবে নেই। কারণ, গুটিকয়েক জায়গা ছাড়া ইসলাম পালনে কোন সরকার বাধা দেয় না...
আল্লাহই সর্বজ্ঞ...

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:২৪

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহর পথে চলার চেষ্টা দোষনীয় নয়। তবে মনগড়া পদ্ধতিতে চল্লে সেটা আর আল্লাহর পথে চলা নয়। হেরাক্লিয়াস ও নাজ্জাশির সাথে মহানবীর (সঃ) সুসম্পর্ক ছিল। খ্রিস্টান দেশে আশ্রয় পেয়েছে মুসলমান। অথচ আজ সবাই যেমন তাদের শত্রু তেমনি তারা নিজেরাও নিজেদের শত্রু। সবটাই মনগড়া আচরণের কূ-ফল।

১২| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:০১

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: অনেকের ধারণা বিশ্বব্যাপী ইসলাম কায়েম করা বাধ্যবাধকতা নেই। যারা এই ধারণা পোষণ করে তারা মূলত-

১। ধর্মীয় পূর্ণতা

২। রাষ্ট্রগত পূর্ণতা

৩। ভূখণ্ডগত পূর্ণতা

৪। জিহাদের আবশ্যতা

ইত্যাদির মধ্যে যে পার্থক্য আছে তা সম্পূর্ণরুপে বুঝতে বা আলাদা করতে সক্ষম নন।



আমাদের বুঝতে হবে,



তিনি (রাসূল) জীবিত অবস্হায় হুদাবিয়া সন্ধির পর আরবের পার্শ্ববতী রাজ্যের রাজাদের নিকট দূত মারফত পত্র প্রেরণ করেছিলেন ইসলামের নিকট আত্মসমর্পণ এবং তাকে নেতা মানার জন্য। তিনি জীবনের শেষ যুদ্ধের অভিযানে গিয়ে ছিলেম রোমানদের বিরুদ্ধে। এখন রোমানরা আরব ছিল নাকি অনারব ছিল?



এখানে বিদায় হজ্জে নবী পূর্ণতা বলতে ধর্মীয় পূর্ণতাকে বুঝিয়েছেন, রাষ্ট্রগত পূর্ণতা নয়।



আপনি বা অনেকে যে রেফারেন্স দিবেন (মদিনা সনদের) এটা ইস্লামের প্রথম অবস্হার সময়ের।

আর আপনি/আপ্নারা ভালো করে জানেন যে, মক্কা বিজয়ের পর অমুস্লিমদের জিজিয়া কর দিতে হত। কিন্তু মুসলমানের জন্য জিজিয়া কর আবশ্যক ছিলোনা।



আবার

মুস্লিমদের রাষ্ট্রীয় কারাগারে যাকাত প্রদান করতে হত। অমুস্লিমদের জন্য যাকাত নয়।

এখানে দুই রকম বিধান।



ইসলামে কোথাও বলা হয়নি, সারা পৃথিবীতে জোড় জবরদস্তি করে ইসলামী ভূখণ্ড কায়েম কর। ইসলাম একথা বলে গেছে বা ইস্লামে একথা বলা আছে, তার (ইস্লামের বাণী) প্রত্যেকটি মানুষের নিকট পৌছে দাও।



উমাইয়ারা বা আব্বাসীরা সব সময় রাজ্য বিস্তারের চিন্তা করেছেন, তাদের শাসন ব্যবস্হায় ইসলামি কিছু ধারা সংযোজিত থাকার কারণে মানুষ ইহাকে বিভিন্ন এঙ্গেলে ইস্লামী রাজ্য জয় হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।



এখন সারা বিশ্বে ইস্লামী রাষ্ট্র কায়েমের বিষয়ে আসি-



রাসূল (সা:) কিছু যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন শত্রু কর্তৃক আক্রান্ত হওয়ার পর। কিছু যুদ্ধ পরিচালনা করেছে যেগুলো তার সময়ে মক্কা ও মদিনার জন্য কার্যত বড় ধরণের হুমকি সৃষ্টি করেছিল।

এবং মক্কা বিজয় করেছেন মাতৃভূমি থেকে বাস্তুচ্যুত সাহাবীদের পুনঃরায় পুর্ণবাসিত করার জন্য। অনেক সাহাবী মক্কা বিজয়ের পর পরবর্তীতে মক্কাতে স্হায়ীভাবে জীবন যাপন করেছেন।



অর্থাৎ তার প্রত্যেকটি যুদ্ধের পিছনে যুক্তিসংগত কারণ ছিল।



[এটা ব্যাপক গণ মারাণাস্ত্রের মত মিথ্যা অজুহাত নয়।]





এছাড়াও প্রাচীনককালে রাজ্য জয়ের কিছু কমন নিয়ম ছিল-



১। নিজেদের রাজ্যের জন্য অন্য কোন রাজ্য হুমকি হয়ে দেখা দিলে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা হত।

# এটা এখন আমেরিকা- ইস্রাইল অধিকতর অনুশীলন করছে।



[আম্রিকা এখন উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাওপ্যাও করছে।]





২। দুর্বল রাষ্ট্র কে সবল রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য করতে বলা হত।

#সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র সমূহ এখনো এই নীতি পালন করছে।





৩। যে রাজ্যের শক্তি সার্মথ্য বেশি ছিল তারা চাইলে অপেক্ষাকৃত দুর্বল রাষ্ট্র সমূহে অভিযান পরিচালনা করে তা হস্তগত করতেন এবং নিজেদের পছন্দের লোক বসিয়ে তাতে শাসন কার্য পরিচালনা করা হত।।



#বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বে নজর দিলে বর্তমানে এর নমুনা দেখতে পাবেন।



তাছাড়া জাতিসংঘ ধারণা এসেছে হপ্পায় হেদিনকা।



তাছাড়া

রাসূল বা খলিফাদের আমলে বা সে সময় রাষ্ট্রীয় ভূখন্ডের নির্দিষ্ট সীমারেখা ছিলোনা।

যেহেতু সে সময় রাষ্ট্রীয় ভূখণ্ড ছিলোনা সেহেতু আপনার বক্তব্য ধোপে টিকবেনা।



এখন যেহেতু রাষ্ট্রীয় ভূখণ্ডগত ধারণা এবং জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে সেহেতু প্রত্যেক রাষ্ট্রের উচিৎ হবে তার অধিবাসীদের ধর্মীয় মত পালনের স্বাধীনতা দেয়া। যারা এর ব্যতিক্রম করবে তাদের বিরুদ্ধে-

আপনার জিহাদ ফরয।



যারা ইস্লামী রাষ্ট্রের কার্যত নিরাপত্তা বিঘ্নত করবে তাদের বিরুদ্ধে আপনার জিহাদ ফরয হবে।

আপনি প্রস্তুত তো?



এখন বুঝলে ভালো আর না বুঝলে সত্য বুঝার চেষ্টা করেন।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৫

সনেট কবি বলেছেন: বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। আশাকরি এতে ব্লগারদের চিন্তার রাজ্য উম্মচনে সহায়ক হবে। ইসলাম প্রচার বলুন আর ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথাই বলুন কোনটাই মহানবী (সাঃ) বিশ্ব জুড়ে করেননি। তবে বিধিবিধানের পূর্ণতা সাধন হয়েছে এটা ঠিক আছে। তবে তাঁর দায়িত্ব শুধু কি ওটুকুই?

১৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১৪

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনি লিখেছেন, "জন্মভূমি মক্কায় তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেননি।"
ইহা সম্পূর্ণ ভুল। মক্কাতে তিনি ধর্ম প্রচারের চেষ্টা করেছিলেন এবং নির্যাতিত হয়েছিলেন। তিনি বাঁধাগ্রস্ত হয়েছেন।

আপনার জানা উচিৎ কোন রাষ্ট্র ব্যবস্হা কায়েম করতে হলে সংখ্যাগরিষ্ঠ লোকের সমর্থন লাগে। তিনি তার পক্ষে প্রচারাভিযান চালাচ্ছিলেন কিন্তু কাফের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল ও সত্য হলে তিনি মদিনায় হিজরত করেন।

এখানে "চেষ্টা করেননি" বলেছেন। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৬

সনেট কবি বলেছেন: মক্কায় তিনি ইসলাম প্রচার করেছেন। তবে মক্কার আগে তিনি মদীনায় রাষ্ট্র কায়েম করেছেন।

১৪| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৩:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


"ক্বোরআনের আইনের কথা যদি বলেন, তাহলে বলব তিনি ইহুদী শাসন করেছেন তাদের ধর্মগ্রন্থ তৌরাহ দিয়ে। "

-এটা মোটামুটি অসম্ভব; তোরাহ তখনো লিখিত ছিলো, এবং আমাদের রসুল(স: ) হিব্রুতে উহা পড়ার কোন সম্ভাবনাই ছিলো না।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৯

সনেট কবি বলেছেন: মদীনার ইহুদী তৌরাতের মর্ম বুঝতো। কাজেই তাদের মাধ্যমে মহানবির (সাঃ) তৌরাত জানা অসম্ভব ছিল না।

১৫| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:১৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: জিহাদ হলো আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী জীবন যাপন প্রচেষ্টা। কারো ক্ষতি সাধন নিশ্চয়ই আল্লাহর ইচ্ছা নয়। সুন্দর বলেছেন।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৪১

সনেট কবি বলেছেন: মন্তব্যের মাধ্যমে উৎসাহিত করার জন্য অনেক ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় গিয়াস ভাই।

১৬| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:২৩

আটলান্টিক বলেছেন: খুব ভাল লিখেছেন।
ক্বোরআনের আইনের কথা যদি বলেন, তাহলে বলব তিনি ইহুদী শাসন করেছেন তাদের ধর্মগ্রন্থ তৌরাহ দিয়ে
এটা আরেকটু ব্যাখ্যা করুন।নবীজি হিব্রু পড়তেন কিভাবে?(চাঁদগাজী সাহেবের প্রশ্ন)

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৩

সনেট কবি বলেছেন: মহানবি (সাঃ) ইহুদীদের মাধ্যমে তাদের ধর্ম গ্রন্থ বুঝতেন। আমরা যেমন আমাদের প্রয়োজনে আরবী জানি, সে রকম ইহুদীরা তাদের প্রয়োজনে হিব্রু জানতো।

১৭| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৪১

জাহাঙ্গীর কবীর নয়ন বলেছেন: অদূর ভবিষ্যতে জিহাদ জিহাদ করেই মুসলমানরা শেষ হবে। বিশ্বের মানুষ শান্তি চায়। কিন্তু ধর্মের দোহাই দিয়ে ধর্মগ্রন্থের রেফারেন্স দিয়ে সশস্ত্র হামলা একমাত্র মুসলমানরাই করে থাকে।
অনেকে রেফারেন্স টানেন যে ইসলামের প্রথম লক্ষ্য ছিলো সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। এই কথা বিশ্বাসকারীরা যে দেশের জন্য শত্রুবিশেষ, এবং এদের যে অবিলম্বে এদের জেলে নেয়া উচিৎ এতে কোনও সন্দেহ নেই। এরাই মওদুদী, জামায়ায-শিবিরের পোষা জানোয়ার।
বিশ্বে আজও মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়। জীবনযাত্রার মানের দিক দিয়ে, অর্থসম্পদ, শিক্ষার হার সবদিক দিয়ে পিছিয়ে থাকা এ্ই ধর্মের লোকেরা শুধুমাত্র খরগোশের মতো বাচ্চা উৎপাদনের মাধ্যমেই টিকে আছে বিশ্বের অনুন্নত অন্ঞ্চলগুলোতে। এখন এরা যদি গোপন ষড়যন্ত্র করে দুনিয়ায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা চালায়, বিশ্বের বাদবাকি ধর্মের লোকেরা একটা করে ঢিল মারলেই এদের কর্ম সাবাড় হবে।
যদি অন্য ধর্মের সাথে সহাবস্থান করা সম্ভব না হয় মুসলমানদের পক্ষে, তবে শুধু প্রজনন প্রক্রিয়ায় মুসলমানদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার কল্পনা হাস্যকর।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৫

সনেট কবি বলেছেন: মুসলমাদের অবশ্যই বাস্তবতা উপলব্ধি করতে হবে। নতুবা তারা পিছনেই থেকে যাবে।

১৮| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:১২

ইউনিয়ন বলেছেন: আগেরকার দিনে গ্রামাঞ্চলে যাওউরা (জারজ) জন্মগ্রহণ করলে গামছাবেঁধে নদীতে ফেলে দিত। কাউরে কাউরে আবার লবণ খাওয়াইয়া মেরে ফেলত। আবার ভুল ক্রমে দু'একজন বাইচ্চা (বেচে) থাকত। এই বেচে যাওয়া জারজের মাধ্যমে কাদিয়ানীরা তাদের সংখ্যা এবং অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৬

সনেট কবি বলেছেন: কাদিয়ানিরা বিশ্বের জন্য তেমন কোন ফেক্টর নয়।

১৯| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৭

তারেক ফাহিম বলেছেন: ফরিদ ভাই, গ্রামের বাড়ী আসবেন জেনে খুশি হলাম।

মাইজদীতে আসা হবে নিশ্চয়, আপরার সাথে রং চা খাওয়া খুব ইচ্ছে।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৭

সনেট কবি বলেছেন: দাওয়াতটা পেলাম ফিরে আসার পর।

২০| ২৯ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১২:২৪

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: আপনাকে অনেক দিন দেখা যাচ্ছে না । অসুস্থ নাকি । তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যান । অনেক দোয়া র ইলো । অনেক অনেক শুভকামনা ।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৯

সনেট কবি বলেছেন: কিছু দিন গ্রামে কাটালাম। একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত ছিলাম। আপনার জন্যও অনেক শুভ কামনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.