নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সনেট কবি রচিত সনেট সংখ্যা এখন ৬৩৫ যা সনেটের নতুন বিশ্ব রেকর্ড, পূর্ব রেকোর্ড ছিল ইটালিয়ান কবি জিয়েকমো দ্যা ল্যান্টিনির, তাঁর সনেট সংখ্যা ছিল ২৫০।

সনেট কবি

রেকর্ড ভেঙ্গে রেকর্ড গড়ার দারুণ সখ। কিন্তু এমন সখ পূরণ করা দারুণ কঠিন। অবশেষে সে কঠিন কাজটাই করে ফেল্লাম। সর্বাধীক সনেট রচনার সাতশত বছরের পূরনো রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড গড়লাম। এখন বিশ্বের সর্বাধীক সনেট রচয়িতা সনেট কবি, ফরিদ আহমদ চৌধুরী।

সনেট কবি › বিস্তারিত পোস্টঃ

চিরন্তন ঝগড়া

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:১৯



ব্লগে একজন জানালেন, মুসলমান তেমন কিছু আবিষ্কার করতে না পারলেও যারা আবিষ্কার করতে পেরেছে সেই অমুসলিমদের ঘৃণা করতে পারে। তো তারা নিজেদেরকে তারচে বেশী ঘৃণা করতে পারে যেমন, শীয়ায়ে আলী হজরত আয়েশার (রা.)দল, হজরত মুয়াবিয়া (রা.) ও ইয়াজিদের দলকে অমুসলীমদের চেয়ে কম ঘৃণা করে বলে মনে হয় না। মহররমের তাজিয়া মিছিলতো অমুসলমানদের প্রতি ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশের জন্য বের হয় না।
আমরা পাকিস্তানীদের কতটা ঘৃণা করি সেটা আমরা সবাই জানি।ইরাকিরা ইরানীদের, কুয়েতিরা ইরাকিদের, ইয়েমেনিরা সৌদি আরবীদের যথেষ্ট ঘৃণা করে।
আর সিরিয়ায় মুসলমানরা পরস্পর যুদ্ধ করছে। একপক্ষে রাশিয়া অন্য পক্ষে আমেরিকা সুবিধা আদায় করছে। উভয় পক্ষে মরছে মুসলমান।
মুসলমান দেড় হাজার বছরে আবিষ্কার করতে পারেনি তাদের নবি(সা.) নামাজে কোথায় হাত রেখেছেন? এখন তাদের কেউ নামাজে হাত ছেড়ে দাঁড়ায়, কেউ বুকে হাত বাঁধে, কেউ হাত বাঁধে নাভির উপর।কেউ কেউ বলে নবি (সা.) সব রকম করেছেন।তো সর্ব শেষ নবি (সা.) কি রকম করেছেন সে রকম সবাই করলেতো সবার হাত বাঁধা এক রকম হয়ে যায়।
ঈদ উৎসবটা পর্যন্ত মুসলমান একই দিন করতে পারে না।আমি বলেছিলাম প্রত্যেক দেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমানের মতের ভিত্তিতে একটা মত বেছে নিলে অন্তত সেই দেশে সব মুসলমান এক রকম হতে পারে।কিন্তু সংখ্যা গরিষ্ঠের মত নাকি সঠিক নয়।তারমানে সমস্যা সমাধানের সহজ পথটাও মুসলমানের জন্য বন্ধ।সুতরাং এরা নিজেরা যুদ্ধকরে সময় কাটাবে, আবিষ্কার আর কখন করবে? তাদেরতো আবিষ্কারের টাইম নেই। আর অমুসলীমদেরও তাদের সম্মান করার টাইম নেই। তামাসাই তাদের একমাত্র প্রাপ্য।
মহানবির (সা.) শেষ কাজ ও সংখ্যা গরিষ্ঠের মত গ্রহণ করলে মুসলমাদের ঐক্যের পথ তৈরী হবে, নতুবা নয়।কারণ সংখ্যা লঘিষ্ঠের মততো আর কেউ গ্রহণ করবে না।
আমি মুসলমানদের সঠিক মত নির্ণয়ের চেষ্টা করে ছিলাম, কিন্তু এতে তাদের অনেকে মহারুষ্ঠ। কারণ তারা পরস্পর মারামারি করাটাই শ্রেয় মনে করে। তবে তারা তাই করুক। অহেতুক মিলামিলি করে আর কি হবে! দিন তো আর বসে থাকছে না।অমুসলিমরা ছড়ি ঘুরাবে আর মুসলিমরা চোখের তারা ঘুরিয়ে সে ছড়ি ঘুরানি দেখবে এটাই তাদের নিয়তি।কোন সূত্রেই যদি না আসে তবে তাদের আর কি হবে? এমতাবস্থায় যা হওয়ার তাই হচ্ছে আর কি! সুতরাং চুপ যাও নো বাতচিৎ!
মুসলমানের বড় দল হোক আর ছোট দল হোক সবার আশা তাদের মতে সবােই ঐক্যবদ্ধ হোক। এক কথায় বিচারমানি তাল গাছ আমার। সুতরাং তাদের চিরন্তন ঝগড়া চলচেই চলবে। তাদের দ্বারা ভালো কিছুর আশা না করাই বরং উত্তম।
নিজ মতে মুসলমানদের সব দল সঠিক। এখন দেখার পালা হাসরের দিন আল্লাহ কোন দলকে সঠিক ঘোষণা করেন। সঠিক দলের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া বিষয়ে সে পর্যন্ত অপেক্ষা না করে উপায় নেই।

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: নিজ মতে মুসলমানদের সব দল সঠিক। এখন দেখার পালা হাশরের দিন আল্লাহ কোন দলকে সঠিক ঘোষণা করেন - ততদিন পর্যন্ত কি মুসলমানেরা এভাবেই থাকবে?
মনে হচ্ছে যেন এ ঝগড়া সত্যিই চিরন্তন, এর কোন অবসান নেই!
আপনার শরীর এখন কেমন? আশাকরি কুশলেই আছেন।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫০

সনেট কবি বলেছেন: মহানবির (সাঃ) হাদিস যদি হয় পাঁচ রকম। পাঁচ রকমই যদি বহাল থাকে তবে তাঁর অনুসারী এক রকম হবে কেমন করে? শেষ হাদিস রেখে পূর্বের চারটি বাদ দিলে হাদিস এক রকম হবে। তখন তাঁর অনুসারি এক রকম হওয়ার সম্ভাবনা তৈরী হয়। আমি বলেছি ইসলামী সোনালী যুগের সবচেয়ে বেশী অংশ যেহেতু হজরত আলী (রাঃ) পেয়েছেন সেহেতু তাঁর আমলকে মহানবির (সাঃ) শেষ আমল হিসেবে ধরা যায়। তিনি কুফায় রাজধানী স্থাপন করেছেন। তার অল্প পরে সেখানে হানাফী মতের সূত্রপাত আর সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমান এ মতের অনুসারী কাজেই সবাই হানাফী হলেই ঐক্য বদ্ধ হতে পারে। কিন্তু সংখ্যা লঘিষ্ঠরা বলে সংখ্যা গরিষ্ঠের মত ভুল। যদিও সংখ্যা গরিষ্ঠরা তাদের মত ভুল তা’মোটেও স্বীকার করছে না।
আমি বলেছিলাম তবে ভুল শুদ্ধ নিরূপনে একটা প্রতিষ্ঠান গড় এবং অকাট্যভাবে ভুল শুদ্ধ নিরূপন কর যেন সেটা সবাই মানতে রাজি হয়। একার মততো আর সবাই মানছেনা। কাজেই সব মতের লোক নিয়ে সবার সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সঠিক মত নির্ণয় কর। আমার এ পস্তাবেও কেউ সাড়া দিচ্ছেনা। তো ঐক্যের জন্য যদি কাজই করা না হয় তবে ঐক্য হবে কেমন করে?
মহোদয় আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি এখনো চাকুরীতে যোগদান করতে পারিনি। দীর্ঘদিন বেতনও পাচ্ছি না। ধারে দেনায় একাকার। এখনো ডাক্তরের বেড রেষ্টে আছি। কবে ফিটনেস পাব জানি না। ভাংগাচুরা গাড়ির মতই চলছে জীবন।

২| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৫৩

নতুন নকিব বলেছেন:



হতাশার ঘোর অমানিশা কেটে যাক। মুসলিম জাতি ফিরে আসুক একটি মাত্র পতাকাতলে। ছোটখাট বিভেদ তারা ভুলে যাক। উন্নয়নের পথে, অগ্রযাত্রার পথে তাদের অব্যহত অগ্রগতি ক্ষিপ্রতা পাক। সফলতা তাদের হাতের মুঠোয় আসবেই, ইনশা-আল্লাহু তাআ'-লা-।

وَلاَ تَهِنُوا وَلاَ تَحْزَنُوا وَأَنتُمُ الأَعْلَوْنَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ

'ওয়ালা- তাহিনূ- ওয়ালা তাহযানূ- ওয়া আনতুমুল আ'লাওনা ইন কুনতুম মু'মিনী-ন।'

'আর তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। যদি তোমরা মুমিন হও তবে, তোমরাই জয়ী হবে।' সূরাহ আলে ইমরান, আয়াত-১৩৯।

وَاعْتَصِمُواْ بِحَبْلِ اللّهِ جَمِيعًا وَلاَ تَفَرَّقُواْ وَاذْكُرُواْ نِعْمَةَ اللّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ كُنتُمْ أَعْدَاء فَأَلَّفَ بَيْنَ قُلُوبِكُمْ فَأَصْبَحْتُم بِنِعْمَتِهِ إِخْوَانًا وَكُنتُمْ عَلَىَ شَفَا حُفْرَةٍ مِّنَ النَّارِ فَأَنقَذَكُم مِّنْهَا كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللّهُ لَكُمْ آيَاتِهِ لَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ

'আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। আর তোমরা সে নেয়ামতের কথা স্মরণ কর, যা আল্লাহ তোমাদিগকে দান করেছেন। তোমরা পরস্পর শত্রু ছিলে। অতঃপর আল্লাহ তোমাদের মনে সম্প্রীতি দান করেছেন। ফলে, এখন তোমরা তাঁর অনুগ্রহের কারণে পরস্পর ভাই ভাই হয়েছ। তোমরা এক অগ্নিকুন্ডের পাড়ে অবস্থান করছিলে। অতঃপর তা থেকে তিনি তোমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। এভাবেই আল্লাহ নিজের নিদর্শনসমুহ প্রকাশ করেন, যাতে তোমরা হেদায়েত প্রাপ্ত হতে পার।' সূরাহ আলে ইমরান, আয়াত-১০৩।

অনেক ভাল থাকুন ভাই।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫৪

সনেট কবি বলেছেন: মুসলমানের ঐক্যের জন্য কার্যকর কোন প্রতিষ্ঠান নেই। ঐক্যের জন্য যদি যথাযথ মাত্রায় কাজই করা না হয় তবে ঐক্য হবে কেমন করে? আশায় আশায় দেড় হাজার বছর পার হলো তথাপি এখনো আশার বাসার কোন চিহ্ন দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। সুতরাং অবশেষে একরাশ হতাশাই বাকী থেকে গেল।

৩| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:২২

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: এরা নিজেরা যুদ্ধ করে সময় কাটাবে
আবিষ্কার আর কখন করবে?
তাদের তো আবিষ্কারের টাইম নেই।

সহমত।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫৮

সনেট কবি বলেছেন: আত্ম কলহের বৃত্ত থেকে বের হতে না পারলে মুসলমান নিজেদের জন্য এবং বিশ্বের জন্য কিছুই করতে পারবেনা। তারা যদি প্রথমে নিজেরা নিজেদের সাথে মিলতে পারে। তাহলে তাদের অন্যদের সাথে মিলার পথ তৈরীর সময় হবে। তখন তারা সবার সাথে মিলেমিশে বিশ্বের জন্য কিছু একটা করতে পারে। কাজেই তাদের অপারগতার কারণ পূর্ব শর্ত সংক্রান্ত জটিলতা।

৪| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: ভাংগাচুরা গাড়ির মতই চলছে জীবন - আপনার এ অবস্থার কথা জানতে পেরে ব্যথিত বোধ করছি। আল্লাহ রাব্বুল 'আ-লামীন আপনার সহায় হউন! ফি আমানিল্লাহ!

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:০৭

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহ যেমন রেখেছেন তেমন না থেকে উপায় নেই। সবার দোয়ায় মনে হয় খাদের কিনার থেকে ফিরেছি। সবার দোয়ায় হয়ত আবার আল্লাহ পথের নাগাল পাইয়ে দিবেন সে প্রত্যাশায় আছি। আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করুন-আমিন।

৫| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:২৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: মুসলিম মধ্যে এত মত আমাকে হতাশ করে , জানিনা কোনদিন এই বিভেদ দূর হবে কিনা? নাকি আজীবনই চলতে থাকবে হানাহানি।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:৪৬

সনেট কবি বলেছেন: মুসলমানদের বিভেদ আর হানাহানি দূর হওয়ার কোন লক্ষণ নেই। কেউ এর জন্য কাজ করছে না। কেউ কাজ করতে চাইলেও তাদেরকে থামিয়ে দিতে তৎপর অনেকেই। কাজেই পুরনো ক্ষতের সাথে নতুন ক্ষত যোগ হবে আর এভাবে ক্ষত বাড়তেই থাকবে।

৬| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:৩১

কাউয়ার জাত বলেছেন: ক'দিন পরপর যে একই গীত তোলেন। আবার বলেন, আমার প্রস্তাবে কেউ সাড়া দিচ্ছেনা। ফিকহি মাজহাবে এসে বাকশালি চিন্তার প্রয়োগই আপনার এক লাইন বেশি বোঝা। আপনারা কেন যে বুঝতে চেষ্টা করেন না যে ফিকহি মাসয়ালার বৈচিত্র মোটেও মুসলিম উম্মাহর অনৈক্যের কারণ না। সাহাবাদের (রা) সময় থেকে আমলের বিভিন্নতা চলে আসছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া ঝাটি হয়নি। সমস্যা আমাদের মানসিকতার। আমরা কেউ অতি আহলে হাদীস কেউ অতি মাজহাবি। অন্যের চৌদ্দগুষ্ঠী উদ্ধার করি। অন্যকে এক কথায় ভুল প্রমাণ করি।

আর পুনরায় সেই বালছাল যুক্তি নিয়ে হাজির হয়েছেন?
"ইসলামী সোনালী যুগের সবচেয়ে বেশী অংশ যেহেতু হজরত আলী (রাঃ) পেয়েছেন সেহেতু তাঁর আমলকে মহানবির (সাঃ) শেষ আমল হিসেবে ধরা যায়। তিনি কুফায় রাজধানী স্থাপন করেছেন। তার অল্প পরে সেখানে হানাফী মতের সূত্রপাত আর সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমান এ মতের অনুসারী কাজেই সবাই হানাফী হলেই ঐক্য বদ্ধ হতে পারে।"

আপনার এই জাতীয় কথাবার্তা দেখলে মেজাজ বিগড়ে যায়। "ইসলামের সোনালী যুগের সবচেয়ে বেশী অংশ হজরত আলী (রাঃ) পেয়েছেন তাই তাঁর আমলকে মহানবির (সাঃ) শেষ আমল হিসেবে ধরা যায়।" -এরপর একলাফে "তিনি কুফায় রাজধানী স্থাপন করেছেন"- এ চলে আসলেন কেন? রাসূল (সা) এর শেষ আমল দেখার পরে আলী (রা) যে ২৬ বছর মদীনায় অবস্থান করেছিলেন তা এড়িয়ে গেলেন কেন? আর তিনি কুফাতে ছিলেন মাত্র ৪ বছর। মদীনাবাসী তো তার আগে সরাসরি রাসূল (সা)কেই ১০ বছর পেয়েছেন। তারা কিছুই শিখেন নি? কুফাবাসী একলারাই শুধু ইসলামের সঠিক মত শিখে ফেলেছে?

এর আগেও আপনাকে এসব পণ্ডিতি ছেড়ে নিজে যে বিষয়ে অভিজ্ঞ তাতে মনযোগ দিতে অনুরোধ করেছি। আপনি শোনেন নি।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:৪৩

সনেট কবি বলেছেন: মেজাজ বিগড়ালে ঝগড়াই হবে। মিল আর হবে না। আমি মিলের সূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। আপনার চেষ্টাটা কি সেটা ঠিক বুঝা যাচ্ছে না। আমি গতকাল আপনার ব্লগে বেড়াতে গিয়েছিলাম। তার থেকে ফিরে এ পোষ্ট দিলাম। আর আমি না হয় পন্ডিত নই। তো পন্ডিতরা মুসলমানদের ঐক্যের একটা পথ না হয় খুঁজে বার করুক। মাওলানা না পেল্লে মোল্লা ইমাম ছাড়া উপায় কি? জামাততো হতে হবে। আপনার কথা হলো মুসলিম ঐক্যের পথ কেউ খুঁজবেনা। তো ঠিক আছে কার সঠিক সে কথা না হয় আল্লাহ হাশরের মাঠেই বলবেন। আপতত সবাই সঠিক। এবং সবার মারামারিও সঠিক। মুসলমানদের পরস্পর যুদ্ধে তাদের ভাঙ্গাবাড়ি দেখে আমাদের পরান জুড়াক।

৭| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:৪৮

কাউয়ার জাত বলেছেন: দুঃখিত আমার অসংযত মেজাজের জন্য। ভালো থাকুন।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:০৬

সনেট কবি বলেছেন: সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) পরস্পর যুদ্ধ করেছেন। আমরা এখনো সেই তরিকায় আছি। ফাসলিহু বাইনা আখাওয়াইকুম-তোমাদের ভাইদের মাঝে ইসলাহ কর বা মিমাংসা কর এ তরিকা সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) আমাদের উপহার দিতে পারেননি। এখন মুসলমান একটি আত্মকলহপ্রিয় জাতি এ কথা বল্লে কি ভুল হবে? যাক মুসলমানদের মাসয়ালা মাসায়েলে এক করার আর কোন পথ খোলা রইল না। আমরা নামাজে কেউ হাত ছেড়ে, কেউ বুকে হাত বেঁধে এবং কেউ নাভির উপরে হাত বেঁধে দাড়াব। আর দর্শকরা তাই দেখে বলবে কি চমৎকার দেখা গেল! মন্দির গির্জা প্যাগোডায় এতো তামসা নেই, যতটা মুসলমান মসজিদে করে। এমনকি নামাজ পড়তে গিয়ে রক্তরক্তি করে ঘরে ফিরে। সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) মাসয়ালা নিয়ে ঝগড়া না করলে কি হয়েছেে, আমরাতো করি! আর তাঁরা আত্মঘাতি যুদ্ধের চমৎকার নমুনা দেখিয়েছেন। কাজেই আমাদেরকে ঝগড়া ও যুদ্ধ থেকে বাঁচার পথ খুঁজতে হবে। নতুবা হাশরের মাঠের অপেক্ষায় থাকতে হবে। সেখানে আল্লাহ যাদেরকে শুদ্ধ ঘোষণা করবেন সে দিন তাদের জয় হবে।

৮| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৫

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: সমস্যা হলো স্বার্থবাদীরা ইস্লামের সামনে চলে এসেছে। তারা নিজেদের স্বার্থে শত্রুকে জায়েজ করে নিচ্ছে, আবার ব্যাক ডোরে আঘাত পাইলে তাকে আবার নিজেদের মতো করে ফতোয়া দিয়ে তার বিরুদ্ধে হানাহানিতে লিপ্ত হচ্ছে। তারা এখানে হঠাৎ করে আসেনি। আলী (রা.) এর সাথে আমিরে মুয়াবিয়ার দ্বন্দ, সিফফিনের যুদ্ধ পর থেকে এই বিবাদ শুরু। আলীর সাথে মুয়াবিয়ার যুদ্ধের সময় কিন্তু সবাই নিজেদের কে সঠিক মনে করেছে। সেখানে অংশ গ্রহণকারী সবাই রাসূল (সা . ) এর অনুসারী ছিলেন, অবশ্য কিছু মুনাফেকও ছিলো। সেই থেকে শুরু। সেই যুদ্ধের সময় কিন্তু সবাই আল্লাহ হু আকবর বলে যুদ্ধ করেছ। সেই যুদ্ধের ধারাবাহিকতা এখনো রক্ষা করা হচ্ছে। তাহলে এবার একটু....

সিরিয়ার যুদ্ধ।
একপক্ষ: ইয়া আল্লাহ, ইয়া সাবাব। এইনে মর্টার শেল। পারলে সামলা।
২য়পক্ষ: আল্লাহু আকবর। থাম থাম, আমি করলাম ক্যানন ফায়ারিং, পারলে মোকাবেলা কর।
৩য় পক্ষ: আমি কি কম পারি নাকি! এইনে এইটা রাসূলের পক্ষ থেকে টি৭২ শেল। দেখি কেমনে মোকাবেলা করস।
৪র্থ পক্ষ: ইয়া আলী আলী... এইতো দেখছি বিরাট ট্যাংক। ATM কোথায়! ATM দাগা। হালাগো চৌদ্দগোষ্ঠী শেষ করে দে। মাদারি রাশিয়ার ইরানের দালাল।
তাকবির...... আল্লাহু আকবর।
৫ম পক্ষ: এলিফ্যান্ট রকেট কই....। এলিফ্যান্ট রকেট দিয়ে ছারখার করে। শালা আমেরিকার দালাল।
এই হলো অবস্হা।

ইহা এক ব্যাপক বিনোদন।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৪৩

সনেট কবি বলেছেন: সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) যুদ্ধ এড়াতে পারেননি। আমরাও যদি যুদ্ধ এড়াতে না পারি তবে যুদ্ধ থামাতে পারে সাধ্য কার? ক্ষতির বৃত্ত থেকে বের হতে আমাদেরকে যুদ্ধ এড়াতেই হবে। হজরত মুয়াবিয়াকে (রাঃ) নিয়োগ করেছেন হজরত ওমর (রাঃ)। হজরত মুয়াবিয়াকে (রাঃ) বহাল রেখেছেন হজরত ওসমান (রাঃ)। হজরত মুয়াবিয়াকে (রাঃ) বরখাস্ত করেছেন হজরত আলী (রাঃ)। বরখাস্ত শাসনকর্তার পক্ষে যারা যুদ্ধ করলেন তাঁরা সাহাবা ও তাবেয়ী। অতঃপর বরখাস্ত শাসনকর্তাকে খলিফা মানতে বাধ্য হলেন হজরত আলী (রাঃ)। সেই শাসনকর্তার পুত্র হজরত আলীর (রাঃ) পুত্রের সাথে ভালো ব্যবহার করবেন তা’ কি করে আশা করা যায়? কাজেই সাহাবা দ্বন্দ্বে নিরপেক্ষ থাকাই বাঞ্চনীয়। আর যদি আমরা নিরপেক্ষ না থাকতে পারি তবে কারবালা ও সিফফিন ফিরে ফিরে আসবে। সিরিয়া যুদ্ধে একপক্ষে শীয়া বাশার আল আসাদ আর অপর পক্ষে শীয়া বিরোধী জঙ্গী। যেন পরনো সিফফিন ফিরে এলো। এ যুদ্ধের পর দেখা যাবে মুসলমানদের একটা সুন্দর রাষ্ট্র ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।

৯| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৪৯

নীলআকা৩৯ বলেছেন: আমাদের সমস্যা হলো আমরা আসল রেখে নিজেদের স্বার্থ মোতাবেক নিয়ম বের করি আর বিপদে পরলে ধর্মের দোহাই দেই। কে বলেছে এত এত মতবাদ ফলো করতে যেখানে নবী করীম (সা:-) নিজে বলে গেছেন সিরাতুল মুস্তাকিম মেনে চলতে।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৪

সনেট কবি বলেছেন: হজরত আলী (রাঃ) সাহাবায়ে কেরাম সহ যে ইসলাম কূফায় নিয়ে এসেছেন সে ইসলাম আবু হানিফার (রঃ) মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। এখন এর ভুল ভ্রান্তি যতটা সংশোধন হয়েছে যদি আরো সংশোধন প্রয়োজন হয় তবে সে আলোকে সংশোধন করে নিলেই হয়। সংস্কার কাজে একটা মানদন্ড লাগে। হানাফখে মান দন্ড ধরে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করলেই হয়ত একটা সার্বজনিন রূপ পাওয়া যাবে।

১০| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:১০

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনি পোষ্টে আলী (রা. ) এবং কুফাকে বেইস (ভিত্তি) ধরেছেন। আমার মতে আবু বকর (রা. ) এবং মদিনা কে ভিত্তি ধরতে হবে। কেননা রাসূলের অনুপস্হিতে আবু বকরর (রা. ) এর সময়টা রাসূলের খুব নিকটবর্তী ছিলো। এবং সেই সময়ের সাহাবীরা তাকওয়ার সব চাইতে উঁচু মোকামে অবস্হান করছেন।

হযরত আবু বকর (রা. ) এর আমলে ইসলাম বিপন্ন কারী চক্র খুব সক্রিয় ছিলো। তিনি ইস্লামের শত্রুদের দমনন করার জন্য সব সাহাবীদের এক পতাকায় সমবেত করে এগারটি গ্রুপে বিভক্ত করে বিভিন্ন জায়গায় প্রেরণ করেছিলেন। তিনি শক্ত হাতে তাদের দমন করেছিলেন। অথচ তিনি ছিলেন সাহাবীদের মধ্যে সব চাইতে কোমল হৃদয়ের অধিকারী।

বর্তমানে ইসলামের অবস্হা আবু বকর (রা. ) এর সময়ের কাছাকাছি চলে গেছে। কিন্তু মুসলমানরা বিভিন্ন পতাকায় সমবেত হয়ে নিজেদের মধ্যে হানাহানি করার জন্য অসংখ্য গ্রুপ সৃষ্টি করছে। সাধারণের রক্ত ঝড়াচ্ছে। এতে ইস্লামের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

আসুন আমরা এক পতাকায় সমবেত হয়। ইসলামের শত্রু দমনে বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে বেরিয়ে পড়ি।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:২৯

সনেট কবি বলেছেন: মদীনা ও আবু বকর (বেইস) হলে মালেকি মাযহাব গ্রহণ করতে হয়। মালেকি মাযহাব রয়েছে শুধু আরব আমিরাতে। তাদের জনসংখ্যা নেহায়েত কম। হানাফীরা ইসলাম ছড়িয়েছে সব চেয়ে বেশী। কারণ হানাফী কেন্দ্র ইরাক আটশত বছর আব্বাসী খেলাফতের রাজধানী ছিল। এরপর অটমানরাও ছিল হানাফী। নতুন মুসলমানরা যাদের কাছ থেকে দাওয়াত পেয়ে ইসলাম গ্রহণ করেছে তারা তাদের অনুসারী হয়েছে। এখন সারা বিশ্বে হানাফীরা একক সংখ্যা গরিষ্ঠ।
হানাফীরা ইসলাম পেয়েছে হজরত আলী (রাঃ) ও তাঁর সাথে আসা সাহাবায়ে কেরামের (রাঃ) কাছ থেকে। আর হানাফী মাযহাব ইমাম আবু হানিফার একক মত নয়। হানাফী মত বহু সংস্কার হয়েছে। অনুসারীর দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে শীয়া। তৃতীয় স্থানে শাফেঈ মাযহাব। চতুর্থ স্থানে হাম্বলী। পঞ্চম স্থানে আহলে হাদীস। ষষ্ঠ স্থানে মালেকী। সপ্তম স্থানে ইবাদী বা খারেজী। এখন যদি ঐক্যের জন্য কাজ করা হয়, তবে দেখতে হবে হানাফীদের কোন মতে অন্যদের মতভেদ। এরপর দেখতে হবে মতভেদের কারণ কি? অনুসন্ধান করে যদি দেখা যায় হানাফী মত সঠিক নয় তবে কোনটা সঠিক সেটা নির্ণয় করে বেঠিক হানাফী মত বাদ দিতে হবে। আর যদি দেখা যায় হানাফী মতটাই সঠিক তবে তবে হানাফী মত বহাল রাখতে হবে। যে ফোরামে এ সংস্কার কাজ হবে সে ফোরামে সব মতের প্রতিনিধি থাকতে হবে। এরপর সর্ব সম্মতিক্রমে সব মত গ্রহণ করতে হবে। এভাবে সংস্কার হওয়া মত সব মুসলিম রাষ্ট্রে পাঠাতে হবে। যাতে করে সে অনুযায়ী সরকার সমূহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। প্রথমত এমন একটি কার্যক্রম শুরু করতে হবে, তারপর এর সুফল আশা করা যাবে।
হজরত আবু বকর (রাঃ) প্রথম খলিফা হলেও ক্বোরআন সংকলন করেছেন হজরত ওসমান (রাঃ)। তাঁর শাসন কালও ছিল দীর্ঘতম। এদিকে হজরত আলীর (রাঃ) সাথে আবু হানিফা যুক্ত হওয়ায় হজরত আলী (রাঃ) অধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়েছেন। শীয়া ও হানাফী মিলে হজরত আলীর (রাঃ) অনুসারীর জয় জয়কার অবস্থা। এদিকে সূফীবাদের প্রায় সব সিলসিলার গোড়ায় হজরত আলী (রাঃ)। কাজেই তাকে গুরুত্ব না দিয়ে উপায় নেই।
মূলত মহানবির (সাঃ) অনুসরনের ধারা গড়িয়েছে হজরত আলীর (রাঃ) মাধ্যমে। আর লেটেষ্ট হিসেবে তিনি খোলাফায়ে রাশেদার শেষ খলিফা। আর তিনি মহানবির (সাঃ) অনুসরন খেলাফী ছিলেন এমন কথাও বলা যায় না। হানাফী ও শীয়া মিলে হজরত আলীর অনুসারী মোট মুসলমানের শতকরা তিরানব্বই জন। হজরত মোয়াবিয়া(রাঃ) , আয়েশার (রাঃ) ও খারেজী বিরোধ না হলে হয়ত হজরত আলীর অনুসারীই থাকতো সব মুসলমান। এখন ৯৩ জন টেনে ৭ এর কাতারে নেওয়ার থেকে ৭ কে টেনে ৯৩ এর কাতারে নেওয়া সহজ। সে জন্য বলছি ঐক্যের জন্য হানাফী মত সংস্কার করে সবার মানার উপযোগী করে নিলেই হয়ে যায়।

১১| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৩১

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: হাসাইলেন ভাই। আবু বকর ( রা. ) কি আগে এসেছিলো নাকি মালেকি মাযহাবের প্রবক্তা আগে এসেছিলেন। আবু বকর (রা .) হযরত মুহাম্মদ (সা. ) এর নিয়ম পালন করতেন। তার আমলে মালেকি মাজহাব মানার প্রশ্ন ই আসেনা। আলী (রা. )ও রাসূলের অনুসরণ করতেন। তিনি [ আলী (রা. ) ]কখনো আবু বকর (রা.) আমল সম্পর্কে কোন প্রশ্ন তোলেনি। আর তোলার প্রশ্ন আসেনা। কারণ আবু বকর (রা. ) এর আমল কে রাসূল নিজেই উচ্চ মর্যাদা দিয়ে গেছেন। এতে কি তাদের মর্যদা ক্ষুন্ন হয়না? যদিও আলী রা. রাসূলের জামাতা ছিলেন এবং তিনি রাসূলের প্রিয় সাহাবিদের অর্ন্তভুক্ত ছিলেন। আপনি খলিফাদের আমল কে মাযহাবে টেনে নিয়ে এসেছেন !

আলী ( রা. ) কুফায় রাজধানী সরিয়ে নিছেন রাজনৈতিক কারণে, নতুন মাজহাব আবিস্কারের জন্য নয়। তাছাড়া আলী রা. এর আমলে কুফার চেয়ে দামেস্ক কোন অংশে রাজনৈতিক গুরুত্ব কম ছিলোনা। আর আলী রা. কোন মাযহাবের প্রবর্তক ছিলেন না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো কুরান এবং সহি হাদিস মানার পর মাজহাব তত একটা ফ্যাক্ট হতে পারেনা। তারপরেও যদি যদি কোন সমস্যা দেখা দেয় তাহলে যে কোন মাযহাবের একটি ভাল মতামত গ্রহণ করলেই হলো। এতে কেহ কাফির বা মুশরিক হবেনা।

আলী আর মুয়াবিয়ার দ্বন্দে গোষ্ঠীগত ফ্যাক্ট কাজ করেছে। তারা উভয়ে কুরাইশের আলাদা দুটি শাখা ছিলেন। তাছাড়া খলিফা ওসমান হত্যার বিচার আলী রা. শুরু করতে কেন দেরি করেছেন! সেটিও একটি ফ্যাক্ট। ওসমানের রক্তমাখা জামা আর স্ত্রী নায়নার হাত তৎকালিক মুস্লিম বিশ্বে উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিলো। সেই উত্তেজনা আজো চলছে।

মাজহাব ভিত্তিক সমস্যা আরবে বেশি। তাদের নিজস্ব জাতীয়তাবাদ, সসম্প্রদায় ভিত্তিক দ্বন্দ, গোষ্ঠীগত প্রাধান্যের কারণে বিভিন্ন ক্যাচাল লেগে আছে। তারা নিজেদের স্বাতন্ত্র্য ধরে রাখতে মাযহাব কে সামনে নিয়ে এসেছে।

ইরানীরা কখনো আরবীয়দের রাজনৈতিক অধীনতা মেনে নিবেনা। কেয়ামত হলেও না। আরবীয়রা ঠিক তাই।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৩

সনেট কবি বলেছেন: মহানবি (সাঃ) যদি ইসলামের বিধি-বিধান সংক্রান্ত কোন গ্রন্থ সংকলন করতেন তাহলে অনেক ভাল হতো। সে গ্রন্থ কেউ অমান্য করার সাহস পেত না। হজরত ওসমান (রাঃ) যেমন কোরআন সংকলন করেছেন তেমন কোন খলিফা যদি হাদিস বা ইসলামী বিধি-বিধান সংক্রান্ত গ্রন্থ সংকলন করতেন তাহলেও বিতর্ক কমে যেত। ইসলামী বিধি-বিধান সংক্রান্ত সংকলনের প্রথম উদ্দৌক্তা ইমাম আবু হানিফা (রঃ)। এরপর হানাফী মতে অনেক সংস্কার হয়ে বর্তমান রূপলাভ করেছে। বাকিরা শুধু হানাফী মতের সাথে শুধু মতভেদ করেছে।
আবু বকরের (রাঃ) অনুসরন কিভাবে হবে? তাঁর কথার লিখিত কোন রূপ আছে কি? এটা সব খলিফার ক্ষেত্রে এক রকম। কিন্তু ইমাম আবু হানিফা (রঃ) ছিলেন হজরত আলীর (রাঃ) খেলাফতের রাজধানী কুফায়। এ জন্য আবু হানিফা (রঃ) ও আলী (রাঃ) একজোট ধরা যায়। এমন জুটি আর নেই। একটাই মাত্র জুটি। আর হানাফী মতের অনুসারী একক সংখ্যা গরিষ্ঠ হিসেবে অবশ্যই গুরুত্বের দাবীদার।

১২| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩২

মনিরুল ইসলাম বাবু বলেছেন: এ ঝগড়া হয়ত থামবে না ।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫২

সনেট কবি বলেছেন: মুসলমান যদি নিজেরাই ঝগড়া থামাতে না চায় তবে আর সে ঝগড়া তামে কেমন করে? এ জাতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত মনে হয় ঝগড়া চালিয়েই যাবে। তাদের বন্ধু হবে অমুসলমান আর শত্রু হবে মুসলমান। এ এক অদ্ভুত জাতি। জাহান্নামে যাওয়ার ভয় না থাকলে অনেক আগেই এ ধর্ম ছেড়ে যেতাম।

১৩| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: প্রথমেই বলি- আমি মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখি।
মুসলিম বা হিন্দু আমার কাছে কেউ ছোট বড় নয়।
মানুষ হিসেবে আমি সবাইকে ভালোবাসি। এবং তাদের কর্মকান্ড দেখে কাউকে শ্রদ্ধা করি। কাউকে ঘৃণা করি।

ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০২

সনেট কবি বলেছেন: আপনার মনভাব ঠিক আছে। তথাপি নিজ ধর্মের লোকদের মিলমিশ দেখতে ভালোলাগে। কিন্তু আমাদের শালিশ করতে অন্য ধর্মের লোক ডাকতে হয় এটা বড় সমস্যা। এতে নিজেদের সম্মান হানি হয়।

১৪| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: সনেট কবি ,




সকল তর্ক বিতর্কের উর্দ্ধে উঠে বলতেই হয়, আপনি মুসলিম উম্মাহকে একটি শান্তিপূর্ণ সহবস্থানে দেখতে চান ।
আমরা মুসলমানেরা কবে কি ঘি খেয়েছি তার গন্ধ না শুকে , এখন আস্তাকুঁড়ের বাসি-পচাও যে আমাদের জুটছেনা সেদিকে আমাদের নজর ফেরাতে হবে । কেন জুটছেনা ভাবতে হবে তাও । চিরন্তন ঝগড়া কেবল আমাদের কে পথে বসিয়েছে দিনে দিনে , আমাদের শৌর্য্যবীর্য্য কালিমা লিপ্ত হয়েছে আমাদেরই আহাম্মকিতার কারনে , এ সত্যটা বুঝতে হবে সকল পক্ষকেই ।
আপনার চাওয়া মতো মুসলমানেরা যেন সকল ঝগড়া-বিবাদ ভুলে যেতে পারে, সে তৌফিক আল্লাহতায়ালা যেন তাদের নসিব করেন ।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৩১

সনেট কবি বলেছেন: কিন্তু মুসলমানেরা ঝগড়ার বৃত্ত থেকে কিছুতেই বের হতে পারছেনা। কারণ তাদের মিমাংসার পদ্ধতি শুদ্ধ নয়।আরভুল পদ্ধতিতে ভুল শোধরানো যায় না।

১৫| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১৭

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আপনার লেখার 'আবেগ'-এর সাথে একমত। তবে বুঝতে পারছি না খলিফা ও সাহাবীদের সমালোচনা(আপনার ভাষায় তাঁরা কেন সংকলন করেননি) করাটা ঠিক হবে কিনা! হ্যাঁ। এত এত ভাগ হয়ে যাওয়াতে মুসলমানদের ঐক্য হচ্ছে না আবার সবাই সবাইকে সঠিক বলাতে 'ইগো'র পরিমাণ বেড়েই চলেছে। আমি যা শুনেছি (আপনি সহ অনেকেই একমত হবেন না) সৌদি আরবের আবদুল ওয়াহাব (যার মতবাদকে ওয়াহাবি বা সালাফি বলা হয়ে থাকে) সর্বশেষ সম্ভবত এই চেষ্টা করেছেন যে, ৪ মাযহাবের সমন্বয় করে সঠিক ও দলীল ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। বর্তমানে অনেক আলেম ও শিক্ষিতরাই যারা কিনা চিরকালীন দেওবন্দ, হানাফী মাযহাব অনুসরণ করে আসছিলেন তারাও সালাফি তথা ওয়াহাবিজমকে গ্রহণ করতে চাইছে। যদিও সংখ্যায় অনেক কম। কারণ, দীর্ঘদিনের হানাফীরা পরিবর্তনকে অস্বীকার করতে চাইছে ও ওয়াহাবিজমকে তুড়ি মেরে বাতিল করতে চাইছে। এখন আপনার কথা মত যদি কোন কমিটি করতেই হয় যারা কিনা সবার মতকে যাচাই করে সঠিক সিদ্ধান্ত দিবে তাহলে কেন সৌদি আরবের ঠিক করে দেয়া সালাফি মতবাদকে ভিত্তি ধরে এগুনোর মত মানসিকতা তৈরি করতে পারছে না?

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:২০

সনেট কবি বলেছেন: সৌদি আরব পুরনো সব প্যান্ডেল ভেঙ্গে নতুন প্যান্ডেলে সবাইকে ঐক্য বদ্ধ হতে বলছে। সেটা হচ্ছে না দেখে আমি বড় প্যান্ডেলে ঐক্যবদ্ধ হতে বলছি। এখন কোন প্রস্তাব অধিক সঠিক সে বিষয়ে আলোচনা চলতে পারে।
সৌদি আরবের প্রস্তাবের ভিত্তি হলো হাদিস। আর আমার প্রস্তাবের ভিত্তি হলো প্রথম মাযহাব এবং একক সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের মাযহাব। সৌদি প্রস্তাবে ইজমা ও কিয়াছকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অথচ ইজমা ও কিয়াছ ছাড়া অনেক সমস্যার সমাধান করা যায় না।
সৌদি প্রস্তাবে ফিকাহকে বাদ দেওয়া হয়েছে অথচ হাদিস সংকলনের পূর্বে ফিকাহ এর অনুসারী থেকেছে মানুষ দীর্ঘকাল। হাদিস সংকলন হয়েছে মহানবির (সাঃ) দু’শ বছর পরে। ফিকাহ এর ভিত্তি যে সব হাদিস তার অনেক হাদিস হাদিস সংকলন থেকে মিসিং হয়েছে বিধায় ফিকাহ এর মাসয়ালার সাথে অনেক হাদিসের মিল হচ্ছে না। অনেকে বলছেন, হাদিস সংকলনে চলমান হাদিস বাদ পড়েছে আর মানসুখ হাদিস স্থান পেয়েছে। এখন সৌদি প্রস্তাবের ক্ষেত্রে এ সংক্রান্ত অভিযোগগুলো আমলেনিয়ে কাজ করতে হবে। কারণ বিপরীত পক্ষের সন্তোষ জনক জবাব না দিলে তারা সৌদি প্রস্তাবের পক্ষে সাড়া দিবে কেন? তেমনি বড় মাযহাব প্রস্তাবের পক্ষে কাজ করতে গেলেও এ সংক্রান্ত অভিযোগ অবশ্যই আমলে নিয়ে কাজ করতে হবে। নতুবা সমাধানে পৌঁছানো যাবে না।

১৬| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৪২

কাউয়ার জাত বলেছেন: লেখক বলেছেন,
কিন্তু ইমাম আবু হানিফা (রঃ) ছিলেন হজরত আলীর (রাঃ) খেলাফতের রাজধানী কুফায়। এ জন্য আবু হানিফা (রঃ) ও আলী (রাঃ) একজোট ধরা যায়। এমন জুটি আর নেই। একটাই মাত্র জুটি।

এসব আজগুবি তথ্য কোথা থেকে আমদানি করেন জনাব চৌধুরী? নাকি নিজের কারখানায় তৈরি করেন? কিভাবে আলী (রা) আর আবু হানীফাকে (রহ) জুটি সাব্যস্ত করলেন? আপনিই আমার জানামতে পৃথিবীতে প্রথম ব্যক্তি যিনি এটা সাব্যস্ত করলেন। ইমাম আবু হানীফা না আলী (রা) এর সাক্ষাত পেয়েছেন না তার কোন শিষ্যের থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন।

আগেও দেখেছি, আপনি জানেন আর না জানেন মনগড়া হলেও কিছু একটা জবাব দেয়ার চেষ্টা করেন। ধর্মীয় বিষয়ে এটা রীতিমত ভয়ংকর। আপনি জানেন কি যে হানাফি ফিকহের স্বীকৃত একটা সনদ আছে? সেটা হচ্ছে-

আবু হানীফা (র) তার উস্তাদ হাম্মাদ (র) থেকে যিনি তাবেয়ী ইবরাহীম নাখয়ী (র) থেকে যিনি তার উস্তাদ আলকামাহ (র) থেকে যিনি প্রখ্যাত সাহাবী আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রা) থেকে যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে।
এখানে কোথায় আপনার আবিষ্কৃত জুটি যা আর কোথাও পাওয়া যায়না?
আপনার প্রতি পুনরায় হাতজোড় অনুরোধ এই ভয়ংকর অপব্যাখ্যার পথ থেকে ফিরে আসুন। যতটুকু জানেন তাই প্রচার করুন। যা জানেন না তা বলা থেকে বিরত থাকুন।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:০০

সনেট কবি বলেছেন: আপনি একটা হাদিসের সনদের কথা বলেছেন। আমি হাদিসের সনদের কথা বলিনি। হজরত আলী (রাঃ) যে শহরে ইমামতি করেছেন সে শহরে তাঁর অল্প পরে ফিকাহ চর্চা করেছেন ইমাম আবু হানিফা। সে হিসেবে আমি তাঁদেরকে জুটি বলেছি। যা আপনার হিসেবে মিলেনি। তো হিসেবে এমন গরমিলের কারনেই মুসলমানের এত দল। আর ঝগড়াটাও চিরন্তন।
আপনি এত কথা না বলে পারলে মুসলমানদের একদলে পরিণত হওয়ার গাইড লাইন বলুন। নয়তো বলুন মুসলমানদের একদল হওয়া সম্ভব নয়।

১৭| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:০৩

অাব্দুল্লাহ অাল কাফি বলেছেন:
মহোদয় আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি এখনো চাকুরীতে যোগদান করতে পারিনি। দীর্ঘদিন বেতনও পাচ্ছি না। ধারে দেনায় একাকার। এখনো ডাক্তরের বেড রেষ্টে আছি। কবে ফিটনেস পাব জানি না। ভাংগাচুরা গাড়ির মতই চলছে জীবন।
আপনার ১ নং প্রতিমন্তব্যে বেশ কষ্ট পেলাম।

আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুক এই কামনা করি।

ব্লগে বেশ কিছুদিন আপনার সন্ধান না পেয়ে স্বয়ং আমিও কালের গর্ভে হারিয়ে পুনরায় ফিরিয়ে আসার চেষ্টা করছি।
পিঁপড়ের নায়ে (রূপ কথার সনেট)

লেখায় আমার মন্তব্যের উত্তর আশা করছি।তবে লেখা সনেটটির পরিবর্তিত নাম ।।। সনেট ইখলাস।।।
আগামীতে সনেটটি ব্লগে দেয়ার চিন্তা করছি।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:৫১

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল ও মঞ্জুর করুন-আমিন।
আপনার সনেট সম্পর্কে হথা হলো-
সনেটে প্রতি পদের হিসেব ৮+৬ হতে হয়। যেমন, সতত হে নদ তুমি - পড় মোর মনে/ হে বঙ্গ ভান্ডারে তব - বিবিধ রতন।
অক্ষর বৃত্তে শুধু অক্ষর হিসেব করা হয় যেমন, চৌদ্দ অক্ষর। মাত্রা বৃত্তে মাত্রা হিসেব করা হয় যেমন, আমা দের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে এখানে সাড়ে তিন মাত্রা। বৈ শাখ মাসে তার হাটু জল থাকে এখানেও সাড়ে তিন মাত্রা। মাত্রা বৃত্তে জোড়ের সাথে জোড় ও বিজোড়ের সাথে বিজোড় মিল করতে হয়। এখানে সাত অর্ধ মাত্রার মিলে বিজোড়ের সাথে বিজোড়ের মিল হয়েছে।অমিত্রাক্ষর হলো অন্তমিল সংক্রান্ত। যাতে এক পদের সাথে অন্য পদের অন্তমিল থাকে না। পক্ষান্তরে অক্ষর বৃত্তে বিভিন্ন রকমের অন্তমিল দেখতে পাওয়া যায়। যেমন কখখগ কখখগ ঘঙঘঙ চচ, কখখক কখখক গঘগঘ ঙঙ, ইত্যাদি। পয়ার ছন্দে পরের পদের সাথে অন্ত মিল থাকে।

১৮| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:৪২

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: "আলী ( রা. ) কুফায় রাজধানী সরিয়ে নিছেন রাজনৈতিক কারণে, নতুন মাজহাব আবিস্কারের জন্য নয়। তাছাড়া আলী রা. এর আমলে কুফার চেয়ে দামেস্ক কোন অংশে রাজনৈতিক গুরুত্ব কম ছিলোনা। আর আলী রা. কোন মাযহাবের প্রবর্তক ছিলেন না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো কুরান এবং সহি হাদিস মানার পর মাজহাব তত একটা ফ্যাক্ট হতে পারেনা। তারপরেও যদি যদি কোন সমস্যা দেখা দেয় তাহলে যে কোন মাযহাবের একটি ভাল মতামত গ্রহণ করলেই হলো। এতে কেহ কাফির বা মুশরিক হবেনা।"
-ব্লগার শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) ভাইয়ের কথাগুলো ভালো লেগে। ভালোমন্দ আমরা ধরতে পারি। আল্লাহতালা আমাদের বিবেক বুদ্ধি দিয়েছেন। অন্ধভাবে নির্দিষ্ট কোনো মাজহাবএর অনুসারী হওয়া যৌক্তিকতা নেই।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৩৫

সনেট কবি বলেছেন: যে কোন একটি মাযহাব মানায় সমস্যা বা সহিহ হাদিস মানায় সমস্যা আমি সেটা বলছি না।আমি বলছি সবাইকে এক করা যায় কিনা সেটা খুঁজে দেখা। সেটা খুঁজে দেখা যে কি ভাবে ঝগড়া থামানো যায়। যদি না যায় তবে চিরন্তন ঝগড়া চলতে থাকবে। তাতে কিছুই করার থাকবে না।

১৯| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৫:৫৪

অক্পটে বলেছেন: মুসলমানদের মধ্যে আর ঐক্য হবেনা। কথাটা লিখে রাখুন এখানে যারা ইসলামী পিন্ডিত আছেন। ঐক্য হবে হিন্দু খৃষ্টানে। হিন্দু বৌদ্ধতে বা বৌদ্ধ খৃশ্চানে। মুসলমানদের সম্পদ লুন্ঠন হবে তারা নিজের সম্পদ বিকিয়ে দিয়ে হলেও নিজের জাতিকেই মারবে। এখন সব জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুসলমান মারছে, আবার মুসলমানরাও মুসলমান মারছে ঘৃণা করছে। মুসলমানদের বিরুদ্ধে সমস্ত বিশ্ব আজ ঐক্যবদ্ধ। এটা সবাই বুঝে শুধুমাত্র মুসলমানরাই বুঝেনা।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৪৩

সনেট কবি বলেছেন: আপনার নিকের মতই অকপটে সব কথা বলেছেন। মুসলমানেরা না বুঝে তাদের ক্ষতির পথ প্রসস্ত করছে।

২০| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৫৭

Sujon Mahmud বলেছেন: মনে হয়না এই ভুল বোঝাবুঝি কখনো শেষ হবে।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৪১

সনেট কবি বলেছেন: ভুল বুঝাবুঝির পরিসমাপ্তির কোন আলামত দেখা যাচ্ছে না।

২১| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৩৩

কাউয়ার জাত বলেছেন: আমি বললাম যে এটা হানাফি ফিকহের স্বীকৃত সনদ। আপনি ধুনুফুনু বুঝিয়ে দিলেন যে ওটা একটা হাদীসের সনদ। বাংলাদেশে যারা হানাফি ফিকহের বড় স্কলার তাদের কারো নিকট যেয়ে উক্ত সনদ দেখিয়ে জিজ্ঞেস করুন যে এটা কিসের সনদ।
আপনি আসলেই বাচাল স্বভাবের কুতর্কবাজ।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৩৯

সনেট কবি বলেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) ছাড়া অন্য কোন সাহাবির (রাঃ) হাদিস কি হানাফি ফিকায় গৃহিত হয়নি? আপনি এতো বিজ্ঞ তবে নিজ ছবি ও নাম দিয়ে ব্লগিং করেন না কেন? বাচাল যে কে সেটা পাঠক বলবে!

২২| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৩০

তারেক ফাহিম বলেছেন: সুন্দর আলোচনা আর ব্লগারদের গঠনমুলক মন্তব্যে পোষ্টটি সরাসরি প্রিয়তে গেল।

আমার মনে হয় পৃথিবী যতদিন থাকবে এ দ্বন্ধও চলতে থাকবে। :(

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:২০

সনেট কবি বলেছেন: তথাপি মুসলমানদের স্বার্থে এ দ্বন্দ্ব নিরসনের প্রচেষ্টা থাকা উচিৎ। মানুষ অনেক অসাধ্য সাধন করেছে। যদি তারা এ সমস্যাটির সমাধানও করতে পারে তবে ক্ষতি কি?
তারেক ফাহিম ভাই আপনার পাশে থাকা উপভোগ করি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.