নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্তার কথা শুনো, মনের কথা নয় মন করে প্রবঞ্চনা, সত্তা কখনও নয়।

স্বতু সাঁই

প্রকৃত সত্যকে জানা

স্বতু সাঁই › বিস্তারিত পোস্টঃ

একজন নির্যাতিত পুরুষ (শেষপর্ব)

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৫০

গল্পটি জনপ্রিয় ব্লগার আলপনা তালুকদারকে উৎসর্গ করলাম:

সেদিন রাতে ফিরতে আমার দেরী হয়ে গিয়েছিলো। হোস্টেলে ফিরে দেখি আবুর মন খারাপ। তবে আমার দেরী দেখে ডাইনিং থেকে খাবারটা এনে রেখেছিলো। আমি কাপড় ছাড়তে ছাড়তে জিজ্ঞাসা করলাম,
"কি রে, মন খারাপ কেনো? আমি তো মনে করেছিলাম, আজ তুই আনন্দে গদগদ হয়ে থাকবি। কিন্তু ঘটনা একেবারেই বিপরীত! ম্যাডামের ওখানে পড়তে যাস নি?" সে রেগে বললো,
"তুমি এতো দেরী করে ফিরলি কেন?"
"কেন ম্যাডামের গল্প শুনানোর জন্য বুঝি পেট ঢোল হয়ে আছে?"
"মাইরি বলছি, তোকে ঘটনাটা বলতে না পেরে, পেট আমার ফেটে যাচ্ছে।"
"ঠিক আছে, আমি বাথরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে আসি, তারপর খেতে খেতে তোর গল্প শুনা যাবে।"
"বসতো আগে, বাথরুমের দরজা বন্ধ হয়ে যাবে না। ডাইনিং বন্ধ হয়ে যাবে বলে তোর খাবার এনে রেখেছি।"
"ঠিক আছে, বল তোর গল্প।"
দোস্ত, কোথা থেকে শুরু করবো তা বুঝে উঠতে পারছি না।"
"কেন, প্রথম থেকেই শুরু কর।"
"হ্যাঁ, প্রথম থেকেই বলি। উনার কথা মত ঠিক সাতটায় গেলাম তাঁর বাড়ীতে। বাড়ী তো না যেনো একটা বিশাল রাজপ্রাসাদ।"
"কার বউ জানিস?"
"না, কার বউ!"
"সামিউল কন্টাকটরের। প্রথম শ্রেণীর বিশাল বড় ঠিকাদার। স্থানীয় সরকার, গণপূর্ত, সড়ক রেল সব মন্ত্রণালয়ে ওর সক্ষতা। দেশের যতো বড় বড় কাজ সব তার। তাহলে বুঝ কতো টাকার মালিক।" আমার কথা শুনে যেনো চমকে গেলো। অনেকক্ষন চুপ করে আছে দেখে আমি বললাম,
"তাহলে তুই ভাবতে থাক, আমি হাত মুখটা ধুয়ে আসি।" উঠতে যাবো দেখে আবার হাতটা চেপে ধরলো। বললো,
"দোস্ত একটু বস, আগে আমার কথাগুলো শুন।"
"বল, তুই তো চুপ করে আছিস।"
"না, উনার স্বামীর পরিচয় পেয়ে অবাক হয়েছিলাম তাই। শুন তবে, উঁচু প্রচীর দিয়ে ঘেরা, বিরাট গেট। বাউণ্ডারীর ভিতরে একটা জার্মান শেফার্ড ছেড়ে দিয়ে রাখা। গেটের সামনে দাঁড়াতেই কুকুরটা তেড়ে এলো। পরে ইউনিফর্ম পরা একজন দাড়োয়ান এলে আমাকে জিজ্ঞাসা করলো, কার সাথে দেখা করবে? আমি বললাম, মারুফা ম্যাডামের সাথে। সে আমার নাম জিজ্ঞাসা করলে নাম বললাম। সে অপেক্ষা করতে বলে ভিতরে গিয়ে কিছুক্ষন পর ফিরে এসে বললো, আসো। পথ দেখিয়ে ভিতরে নিয়ে গেলো। দেখি বিশাল বড় ড্রয়িং রুম। সব বিদেশী জিনিসপত্র দিয়ে সাজানো। ম্যাডাম ড্রয়িংরুমেই বসেছিলেন। আমাকে দেখেই বললেন,
'ও, তুমি এসেছো। চলো রিডিংরুমে গিয়ে বসি।' সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে আয়াকে বললো,
'আলেয়া, রিডিংরুমে চা নাস্তা দিয়ে যা।' রিডিংরুমটাও বিশাল বড়। চারিদিকে বইয়ের সেলফ, পড়ার টেবিল চেয়ার, কয়েকটা সোফা, সঙ্গে বাথরুম আর একটা ডাবল বেড। আমাকে সোফায় বসতে বলে তিনি বললেন,
'আলেয়া চা নাস্তা নিয়ে আসছে। তুমি খেতে থাকো আমি বাথরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে আসি।' বলেই ম্যাডাম চলে গেলেন। একটু পরেই আলেয়া অনেক নাস্তাসহ চা দিয়ে গেলো। ফিরনী আমার প্রিয়, তাই ফিরনীটাই আগে খেতে লাগলাম। এর মধ্যেই ম্যাডাম বাথরুম থেকে বের হয়ে এলেন। বললেন,
'তুমি তো এখনো কিছুই খাও নি। তুমি খেতে থাকো, আর কথা বলতে থাকি।'
'জ্বী ম্যাডাম।' আমি আর কিছু না খেয়ে শুধু চা পান করে শেষ করলাম। ম্যাডাম জিজ্ঞাসা করলো,
'তোমাকে ইংরেজী গ্রামারে কোন পার্ট কঠিন মনে হয়?'
'প্রিপজিশন। কোথায় এ্যাট, কোথায় ইন, ইনটু, অফ বসবে তা মাথা খারাপ করে দেয়।' ম্যাডাম আমার কথা শুনে একটু হাসলো। তারপর খাতা কলম নিয়ে প্রায় বিশ মিনিটের মতো আমাকে বোঝালো। তারপর প্রায় বিশটার মতো শূন্যস্থান পুরণের টাস্ক দিয়ে বললো,
'এগুলো পুরণ করে দেখাও।' এই বলে ম্যাডাম একটা ম্যাগাজিন নিয়ে পড়তে লাগলো, আমি শূন্যস্থান পুরণ করতে লাগলাম। হঠাৎ দেখি ম্যাডাম তার বাঁ হাতটা আমার উরুর উপরে রাখলো। আমি পা'টা ধীরে সরাতে গেলে তিনি চেপে ধরে রাখলেন। কিছুক্ষনের মধ্যেই আমার শূন্যস্থান পূর্ণ হয়ে গেলো।" আমি হাসতে হাসতে বললাম,
"তার মানে কেল্লা ফতে!"
"হাসিস না দোস্ত, হাসিস না।"
"তারপর কি হলো বল।"
"আমি ম্যাডামকে বললাম,
'ম্যাডাম, আমি একটু বাথরুম থেকে আসি?' ম্যাডাম বললো,
"ওহ, সিওর।" আমি কোন রকমে তল পেটটা চেপে ধরে বাথরুমে গেলাম। ভাগ্গিস টয়লেট পেপার ছিলো। তা দিয়ে কোন রকমে আণ্ডারওয়ার পরিস্কার করে বাথরুম থেকে বের হয়ে বলি,
'ম্যাডাম, পেটটা একটু ডিসটার্ব মনে হচ্ছে। আজ থাক, কাল আসবো।' ম্যাডাম আমায় কাছে ডেকে নিয়ে একেবারে পাশে বসালো। তারপর আমার চোয়াল ধরে তার মুখের দিকে ঘুরিয়ে বললো,
'আমার চোখে চোখ রেখে তাকাও।' আমি লজ্জায় লজ্জায় তাকালাম। তারপর আবার বললো,
'কি? বীর্য স্খলিত হয়েছে?' আমি কোন কথা না বলে শুধু মাথা নাড়ালাম। তিনি আবার বললেন,
'ভেবো না, এটা কোন রোগ না। যৌবনের প্রারম্ভে তরুণদের এমনেই হয়। কোন নারীর স্পর্শেই বীর্য স্খলিত হয়ে যায়। আমি পড়ানোর সাথে সাথে এ বিষয়ে এক্সপেরিয়েন্সড করে দিবো। তুমি কি কখনও কোন মেয়েকে কিস করেছো?' আবারও মাথা নাড়িয়ে বললাম, না।
'ইয়া, ইউ আর পিওর এণ্ড পারফেক্ট ম্যান। আমি এ ধরণের পিওর এণ্ড পারফেক্টকেই পছন্দ করি। ঠিক আছে, আজকে যাও। কাল ঠিক সাতটায় আসবে কিন্তু।' আমি মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানালাম।" আমি ওর কথা শুনে হাসতে হাসতে পেটে খিল লেগে যায়। আমি বললাম,
"কেন, আমি তোকে বলেছিলাম না, তোকে ইংরেজী গ্রামার না, কামসূত্র শিখাবে।" সে বললো,
"দোস্ত, কামসূত্রটা কি?"
"কামসূত্র হলো, অপ্সরারা স্বর্গ থেকে নেমে এসে মুনিদের ধ্যান ভঙ্গ করবার জন্য কাম উত্তেজক শৃঙ্গার করে। যাতে ঐ দৃশ্য দেখে মুনির ধ্যান ভঙ্গ হয় এবং অপ্সরার সাথে যৌনতায় লিপ্ত হয়। কাম উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য এগুলো কিছু শারীরিক ভঙ্গিমা। সবচেয়ে ভাল হয়, তুই এসব দেখতে পাবি যাদুঘরে। মদন ও রতির যৌন মিলনের অনেক কৌশলের ভাস্কর্য যাদুঘরে সংরক্ষন করে রাখা আছে।"
"মদন ও রতি কে?"
"এরা হলো কাম দেব ও দেবী। এরাই মানুষের মধ্যে কামনা বাসনা জাগায়। সনাতন ধর্মে বলে, যে মদন দেবকে যে সন্তুষ্ট করতে পারবে, সে বীর্যবান পুরুষ হতে পারবে। সেই নারীর পূর্ণাঙ্গ কাম তৃপ্তি দান করতে পারে।"
"সাংঘাতিক বিষয়! কিন্তু দোস্ত আমি তো.."
"কোন অসুবিধা নেই, রতি ছাড়া মদন একা কিছুই করতে পারে না। তুই তো রতিকে পেয়েই গেছিস।"

কামের নেশা মাদকের নেশা থেকে জঘন্য। সেই নেশা আবু মধ্যে পেয়ে বসেছিলো। এমনও সময় গেছে সে তিন চারদিন হোস্টেলে ফিরতো না। ম্যাডামের স্বামী যখন বাসায় থাকে না তখন সে সেখানেই কাটাতো। অনেক চেষ্টা করেছিলাম তাকে ফেরানোর। কিন্তু পারি নি। এভাবেই দেড় বছর পার হয়ে গেলো। টেস্ট পরীক্ষাও হয়ে গেলো। টেস্ট পরীক্ষায় আবুর রেজাল্ট খুব খারাপ হলো। আমি তাকে বললাম,
"আবু, এখনও দুই আড়াই মাস আছে। আমি জানি তুই ভীষণ পড়ুয়া ছাত্র, তুই রিকভার করতে পারবি।" কিন্তু সারাক্ষনই ম্যাডাম নিয়েই পাগল। বলে,
"সে আমায় পেয়ে ভীষণ তৃপ্ত। কি করে তাকে ছাড়ি বল।"

পরীক্ষা শুরু হলো। প্রথমদিন বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা দিয়ে বললো,
"দোস্ত, পরীক্ষা দিলে সেকেণ্ড ডিভিশন পাবো কি না সন্দেহ আছে। তাই পরীক্ষা দিবো না।" ও বাকি পরীক্ষা আর দিলো না।

এর পনেরো বছর পর। আমার কলিগের মেয়ের বিয়েতে বগুড়া যাওয়ার জন্য হানিফ কাউন্টারে বাস ধরার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। উসখো-খুসকো দাঁড়ি, সাধারণ সার্ট প্যন্ট পরা একজন লোক অনেকক্ষন ধরে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। পরে সেই এসে জিজ্ঞাসা করলো,
"আপনি অনু না?" আমি বললাম,
"হ্যাঁ, কিন্তু আপনি?"
"আবু, কেমন আছিস?" আমি ওকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললাম,
"একি তোর হাল?" তারপর তার কাছ থেকে জানলাম, ম্যাডাম শুধু আমাকে না। ফার্স্ট ইয়ার ইন্টারের পিওর এণ্ড পারফেক্ট ছেলে পেলেই তার সাথেই চলতো তার রঙ্গ তামাশা। সে এ বিষয়টা জানতে পারে তারই মতো পিওর এণ্ড পারফেক্টের কাছ থেকে। এভাবে মারুফা অনেক গরীব মেধাবীদের জীবন নষ্ট করছে।

পরের বছর আবু পরীক্ষা দিয়ে দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করে। তার বাবা তাকে নওগাঁ ফেরত নিয়ে যায়। সেখান থেকে সে ডিগ্রী পাশ কোর্সে পাস করে এখন একটা বিপণন কোম্পানীতে সেলসম্যানের চাকরী করছে।

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার লেখা জনপ্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা নেই

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৮

স্বতু সাঁই বলেছেন: আপনে কি জনপ্রিয় হওয়ার জন্য লিখা লিখি করেন, নাকি সমাজের সমস্যাগুলোকে তুলে ধরার জন্য লিখেন? তাই তো দেখলাম, আমেরিকান মরবে দেখে আপনার চোখের জল এখনই ঝরতে শুরু করেছে।

২| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৫২

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমেরিকানরা অনেক জাতির সমাহার; এরা বিশ্বের সবার জন্য ভাবে; চীনারা আপনাকে ফ্রীজে রেখে কয়েক বেলা স্যুপ বানাবে।

লেখা জনপ্রিয় না হলে, আপনার বার্তা কি করে মানুষের কাছে যাবে?

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৩

স্বতু সাঁই বলেছেন: যারা জ্ঞান অর্জন করতে চায়, তারা হুমায়ুন আজাদের বই খুঁজে নেয়। হুমায়ুন আজাদকে জনপ্রিয় হতে হয় নি। কিন্তু যারা ছালছাবিলা মনোরঞ্জন করতে চায় তারা হুমায়ুন আহমেদের বই পড়বে। উনি ভীষণ জনপ্রিয়। আর দশ বছর পর হুমায়ুন আহমেদ হারিয়ে যাবে কিন্তু হুমায়ুন আজাদ শত বৎসরেও আলোচিত থাকবে। সাহিত্যের এই পার্থক্য যদি বুঝে থাকে তাহলেই বুঝবেন জনপ্রিয়তা কি।

৩| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


হুমায়ুন আজাদ বিখ্যাত হয়েছেন শিবির/রাজাকারদের কোপ খেয়ে, লেখার জন্য নয়।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১৪

স্বতু সাঁই বলেছেন: কোপ খাওয়ার আগে হুমায়ুন আজাদকে কেউ চিনতো না। এখন মনে রাখবে শত বৎসর ধরে। ঐ পার্থক্যই তো বুঝতে কইছিলাম। জনপ্রিয়তা কারে কয়।

৪| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম। দারুন সাঁইজি!

বাস্তবতার ও একটা পার্ট। পার্ভার্ট ধনী ওম্যানরা আজ আর রাখডাক কের না! এভাবেই চালিয়ে যায়...
নারী-পুরুষ, পুরুষ-নারী ভাইস ভার্সা চলছে.. চলবে
অবস্থানের উপর নির্ভর করবে কে কোথায়? হা হাহা

ভাল লাগল টানা লেখনি:)

আেমরিকান পোষ্টের থেকে-
স্বতু সাঁই বলেছেন: ঐ তো বললাম, একবার প্যাদানী দিক তখন বুঝবেন মাদ্রাসার ছাত্র নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। হুমকিতেই আপনার যে চোখের জল দেখছি, এটম পড়লে যে কি হবে তাই ভাবছি।

সাঁইজি, ছেড়ে দিন।

শেষ বয়েস এমন নিরাপদ আশ্রয় আর ভাতা'র টেনশন পড়লে কান্নাকাটি বহু রুপেই প্রকাশ পায়!
আপনি ছাড়ুনতো!
যে নিজের স্ব-জাতিকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে তাদের জন্য তো বহু আগেই বাঙালী কবি লিখে গেছেন
"যে জন বঙ্গে জন্মি হিংসে বঙ্গভূমি
সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় না জানি!!!

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৯

স্বতু সাঁই বলেছেন: উনার মাথায় দোষ আছে। কখন কাকে কি বলে মনে রাখতে পারে না। সারাজীবন আমেরিকায় থেকেছে, তাই আমেরিকান দালালী করেই বাকীটা জীবন কাটিয়ে দিতে চায়। তাই তার পোস্টের বক্তব্যগুলো কন্ট্রাডিক্টরী। একেক সময় একেক কথা বলেন, যা নিজেই নিজের দ্বন্দ্বে পড়েন। মজা করতে ভালো লাগে তাই মজা করি।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩১

স্বতু সাঁই বলেছেন: তবে ধৈর্য ধরে গল্প পাঠের জন্য ধন্যবাদ। দেখি আগামীকাল থেকে আবার লিখা শুরু করবো পাপ পূণ্যের কথা আমি কারেবা শুধাই।

৫| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩২

কাউয়ার জাত বলেছেন:
ছাগল গাছে উঠে আম খায়।


ছাগল গাঁজা খেয়ে ব্লগিং করে।


১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৬

স্বতু সাঁই বলেছেন: আর কাউয়ায় পচা বিষ্টা খায়।

৬| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৬

ফেল কড়ি মাখ তেল বলেছেন: এই সময়ে হলে মোবাইলে কিছু ভিডিও করে আপনি বন্ধুর উপকার করতে পারতেন।

৭| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৩

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: পড়লুম,,,
শিরোনামাকারে বোল্ড অক্ষরে একজন ভদ্র মহিলাকে এই গল্প উৎসর্গ করার পেছনে কি অন্য কোন কারণ আছে?

৮| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:১৮

জগতারন বলেছেন:
গল্পটি পড়লাম। এ পর্যন্ত এ পোষ্টে যারা মন্তব্য করেছেন তাদের মন্তব্যও পড়লাম। ঠিক কি ভাবে যে এই ব্লগার স্বতু সাঁই-এর এই গল্পের মন্তব্য করবো ঠিক বুঝতে পারছি না। এর আগে এই ব্লগারের কোন লেখা পড়ছি বলে মনে পরছেনা।

যাইহোক, গল্প আমার খুব ভালো লেগেছে। এ তো গল্প নয়, এ যেন আমার অতিত জীবনের গোপনীয় এক অধ্যায়।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:০৮

স্বতু সাঁই বলেছেন: রাস্তায় ঘুরলে জীবনের এক একটি অধ্যায়কে দেখা যায়। আমরা বাদাম খাই। বাদাম কিনলে বাদামওয়ালা একটা ঠোঙ্গায় বা কাগজের টুকরায় বাদাম মুড়িয়ে দেয়। আমরা বাদাম খেয়ে ঠোঙ্গা বা কাগজের টুকরাটা ফেলে দেই। কখনও দেখি না তাতে কি কিছু লিখা আছে?! তবে আমি বহুবার বাদামের ঠোঙ্গায় দেখেছি জীবনের অনেক দর্শন। এমনিভাবে পথে ঘাটে চলতে, পাশে বসা জনদের গল্প থেকে জীবনের অনেক রঙ্গীন আলো বা আমাবশ্যার অন্ধকার দেখতে পাওয়া যায়। শুধু দেখার ও বোঝার জন্য একটা রশিক মন থাকতে হয়। আমার মন যদি আমার না হয়, তবে মন কী কখনও তার রশিকতার চমৎকার দেখায়!!!

৯| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:৪৫

মেঘনা পাড়ের ছেলে বলেছেন: অনেকের এন্টেনার উপ্রে দিয়া যাবে............। না বুঝতে পেরে অনেকেই বোকার মত কমেন্ট করছে, করবে...........

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:০৯

স্বতু সাঁই বলেছেন: সবাই বোঝে!

১০| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৭:১০

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: পড়লাম পুরোটা। আপনি এক পিঠ দেখিয়েছেন। এর অপর পিঠ আরও ভয়ংকর হয়।
সমাজে অনেক ধরনের বিকৃত রুচির মানুষ দেখতে পাওয়া যায় মারুফা তাদেরই একজন। যাদের মধ্যে পাপ পুন্যের হিসান থাকেনা নিজেকে বোঝার খমতা থাকেনা তারা মারুফার মতই আচরণ করে থাকে।

অনেক ধন্যবাদ।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:১৭

স্বতু সাঁই বলেছেন: আমি কোলকাতা যাবার সময় পিছনের সিটেরদুইু বন্ধুর গল্প শুনছিলাম। তারা আবু চরিত্রের ব্যক্তিকে নিয়েই আলাপ করছিলো। আমি আবু চরিত্রের ঘটনাটুকুকেই গল্পে অলংকৃত করেছি। তবে ছোট করতে গিয়ে অনেক জায়গায় ছন্দ হারিয়েছে। নচেৎ আরও অলংকৃত করা যেতো। ধন্যবাদ, গভীরভাবে গল্প পাঠে উপদেশ দানের জন্য।

১১| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৫৮

রানার ব্লগ বলেছেন: ব্লগিং টা চটি বানিয়ে দিলেন !!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.