| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
খায়রুল আহসান
অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।
আমি গত প্রায় ১৮ বছর যাবত আমার বর্তমান এলাকায় বসবাস করছি। স্থানীয় মাসজিদটি আমার বাসা থেকে প্রায় চার মিনিটের মত হাঁটা পথে অবস্থিত বিধায় চেষ্টা থাকে দিনে যতবার সম্ভব, মাসজিদে গিয়েই জামাতে নামায পড়ার। টানা পাঁচ ওয়াক্ত খুব কম দিনেই পড়তে পারি, তবে অন্ততঃ ৩/৪ ওয়াক্ত প্রায় নিয়মিতভাবেই জামাতে পড়া হয়ে থাকে।
সম্প্রতি আমাদের মাসজিদের বিগত ইমাম সাহেব এবং সিনিয়র মুয়াজ্জিন সাহেব প্রায় একসাথে অন্যত্র চলে গেছেন। মাঝখানে অনেকদিন দ্বিতীয় মুয়াজ্জিন হাল ধরেছিলেন এবং ইমামতি চালিয়ে যাবার ব্যাপারে তিনি সাধ্যমত আন্তরিকতার সাথে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। অবশেষে মাসজিদ কমিটি অনেক যত্নের সাথে প্রার্থী বাছাই করে সিনিয়র মুয়াজ্জিন হিসেবে একজন যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দান করলেন। তার পারফর্ম্যান্স ভালোই হচ্ছিল। ইতোমধ্যে নতুন একজন ইমাম সাহেবও যোগদান করলেন, মাত্র ৪/৫ দিন আগে। গতকাল তিনি আমাদের মাসজিদে প্রথম জুম্মার নামায পড়ালেন। খুৎবা শেষে তিনি সংক্ষেপে নিজেকে ইন্ট্রোডিউস করলেন এবং তার দায়িত্ব পালনে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করলেন।
গত ১৮ বছরে উনি এখানে আমার দেখা তৃতীয় ইমাম। তিনজনকেই আমার কাছে যোগ্য, অভিজ্ঞ এবং জ্ঞানী আলেম বলে মনে হয়েছে। তিনজনেরই ক্বিরাত এবং বয়ান শুনতে আমার খুব ভালো লাগতো/লেগেছে। প্রথম দু’জনের কণ্ঠ তৃতীয় জনের চেয়ে একটু বেশি সুরেলা ছিল এবং তাদের উচ্চারিত ক্বিরাত অন্তর ছুঁয়ে যেত। তৃতীয় জনের কণ্ঠ একটু কম সুরেলা হলেও তার ক্বিরাতের একটি অনন্য ঐশ্বর্য তার স্পষ্ট ও বিশুদ্ধ উচ্চারণ এবং ধীর-স্থির লয়ে ক্বিরাত পাঠ। মুসল্লীরা তার উচ্চারিত প্রতিটি শব্দকে স্পষ্টভাবে শুনতে ও বুঝতে পারেন। ফলে নামাযে মন স্বয়ংক্রিয়ভাবে একাগ্র হয়ে ওঠে; যাদের নিয়মিত ক্বোরান পাঠের অভ্যাস রয়েছে, তারা যেন উচ্চারিত আয়াত সমূহের প্রতিটি শব্দকে নিজের চোখের সামনে দেখতে পান।
আজ সকালে ফজরের নামাযে মাসজিদের জামাতে সামিল হতে পেরেছিলাম। ইমাম সাহেব সুরাহ আস-স’ফ দিয়ে ক্বিরাত পাঠ শুরু করলেন। দুই রাকাতে তিনি সুরাহ আস-স’ফ এর পুরোটা পাঠ করলেন। তার মধ্যে কয়েকটি আয়াত ওভারল্যাপিং করে পাঠ করলেন। প্রথম রাকাতে আয়াত ১-১২, দ্বিতীয় রাকাতে ১১-১৪ নং আয়াত। আমি বিমুগ্ধ হয়ে একাগ্রচিত্তে তার ক্বিরাত পাঠ শুনছিলাম। এক সময় মনে হলো, উচ্চারিত প্রতিটি শব্দ আমার হৃদয়কে কোমল থেকে কোমলতর করে দিচ্ছে! দয়াময় রব্বের ঐশী করুণাধারা আমাকে সহ যেন মাসজিদের অভ্যন্তরের প্রতিটি মুসল্লীর উপরে নিঃশব্দে বর্ষিত হচ্ছে! আমার হৃদয় নরম হয়ে হয়ে যেন গলে পড়ছে। এর কারণ হয়তো বা এই হবে যে এই সুরাহ’র অনেকগুলো আয়াত আমার মুখস্থ আছে এবং কিছু আয়াতের অর্থও জানা আছে। তবে তার চেয়েও বড় কারণ ছিল মনে হয় ইমাম সাহেবের ধীর স্থির লয়ে, স্পষ্ট উচ্চারণে ক্বিরাত পাঠ, যা মাসজিদের অভ্যন্তরে এক ঐশ্বরিক আবহের সৃষ্টি করেছিল। আমি নীরব অশ্রুপতন সংবরণ করতে পারলাম না।
নামায ও দোয়া দরুদ পাঠ শেষে মাসজিদে বসেই সুরা আস-স’ফ অর্থসহ পুনরায় পাঠ করলাম। তারপর মাসজিদ থেকে বের হয়ে ঘণ্টাখানেক হাঁটাহাটি করতে করতে আমার এক বাল্যবন্ধুর সাথে অনুভূতিটা শেয়ার করলাম। সেও একই এলাকার বাসিন্দা এবং একই মাসজিদে নামায পড়ে থাকে। কিন্তু গতকাল সে ঢাকার বাইরে বেড়াতে গেছে। সে ক্বোরান শরীফ নিয়ে অনেক চর্চা এবং গবেষণা করে থাকে। তাই পবিত্র ক্বোরান শরীফ নিয়ে যে কোন রেফারেন্সের জন্য আমি তার শরণাপন্ন হয়ে থাকি। আমি যখন তাকে ফোন করেছিলাম, তখন সেও বাদ-ফজর ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল ছিল। তাই সে আমার কথা শুনে আলাপ সংক্ষিপ্ত করে এক কথায় উত্তর দিলঃ “দোস্ত, তুই একটু সুরাহ আনফাল এর ২-৪ এবং সুরা মু’মিনুন এর ১-১১ নং আয়াতগুলোর অর্থ দেখে নিস।“
আমিও আর কথা না বাড়িয়ে হাঁটাহাটি শেষে বাসায় ফিরে তার পরামর্শ অনুযায়ী আয়াতগুলোর অর্থ দেখে নিলাম।
ঢাকা
১৮ অক্টোবর ২০২৫
শব্দ সংখ্যাঃ ৫৩৬
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০
খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ। মন্তব্যে প্রীত হ'লাম।
২|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৫২
আলামিন১০৪ বলেছেন: আলকোরআনে কিছু আয়াত এমন আছে যে আপনি পড়ার সময় নিজেকে সংবরণ করতে পারবেন না, চোখ থেকে অশ্রুজল গড়াতে থাকবে...
আল্লাহ বলেন,
‘এরাই সে সব নবি, আদম সন্তানের মধ্য থেকে যাদের উপর আল্লাহ অনুগ্রহ করেছেন এবং যাদের আমি নূহের সঙ্গে নৌকায় আরোহণ করিয়েছিলাম। আর ইবরাহিম ও ইসরাঈলের বংশোদ্ভূত এবং যাদেরকে আমি পথ প্রদর্শন করেছিলাম ও মনোনীত করেছিলাম। যখন তাদের কাছে পরম করুণাময়ের আয়াতসমূহ পাঠ করা হতো, তারা কাঁদতে কাঁদতে সিজদায় লুটিয়ে পড়ত।’ (সুরা মারইয়াম : আয়াত ৫৮)
আমি তখনো হাই স্কুলের গন্ডি পেরোয়নি। ইসলামী ফাউন্ডেশন এর অনুবাদকৃত ৩০তম পারার কিছু সুরাহ পড়ছিলাম । আল্লাহর স্বয়ং শপথ নেয়ার আয়াতগুলোতে এসে আর এগুতে পারচিলাম না, চোখের পানিকে সামাল দেয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল।
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২১
খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, আপনার ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও অভিজ্ঞতার কিছু কথা মন্তব্যে শেয়ার করার জন্য। প্রীত হ'লাম।
৩|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমাদের মাসজিদের বিগত ইমাম সাহেব এবং সিনিয়র মুয়াজ্জিন সাহেব
প্রায় একসাথে অন্যত্র চলে গেছেন।
.................................................................................................
এ রকম ঘটনা আমাদের মসজিদে ঘটেছে ।
মসজিদটি আমার বাবা এবং আরও ২ জন মুসল্লী নিয়ে আরম্ভ করে ১৯৬৮ সনে ।
অতপর এলাকায় আস্তে আস্তে লোকজন বাড়তে থাকে, এলাকায় মুসল্লি বাড়ার সাথে
সাথে মসজিদ সম্প্রসারন করতে হয় । এক পর্যায়ে (অনেক ইমাম পরিবর্তন এরপর )
ভালো ইমাম ও মুয়াজ্জিন মিলে । আমার সঙ্গেও ভালো সর্ম্পক ছিলো ।
আমি এলাকায় অনেক দিন পর এসে দেখি তারা কেউই নাই, কেউ কিছু বলছেনা ।
নূতন ইমাম মোয়াজ্জিন ঠিক করা হয়েছে, তাদের গলার উচ্চারন বাচ্চার মতো, নেই
সুরেলা মধুর টান, কিন্ত তা নিয়েই থাকছি । ঝগড়া ফ্যাসাদে যেতে চাইনা ।
৪|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:০১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
বিশ্বাসী মানব মনের উপর বিশুদ্ধ ও স্পষ্ট উচ্চারণে ক্বোরান পাঠের ঐশ্বরিক প্রভাব বিষয়ে নীজ অভিজ্ঞতার কথা তুলে
খুবই মুল্যবান একটি বিষয়ে পোস্ট দিয়েছেন । সত্যিই বিশ্বাসী মানব মনে বিশুদ্ধ ও স্পষ্ট উচ্চারণে পবিত্র কোরআন
পাঠের প্রভাব গভীর ও ঐশ্বরিক। এটি হৃদয়ে প্রশান্তি, ঈমানের দৃঢ়তা, আত্মিক শুদ্ধি এবং আল্লাহর সাথে গভীর
সংযোগ স্থাপন করে। তিলাওয়াত শোনার সময় মন শান্ত হয়, অবুঝ মন বোঝে সত্যের পথ, এবং কোরআনের
সুর ও বাণীর মাধ্যমে আল্লাহর দয়া ও ভয় অন্তরে জাগ্রত হয়, যা আধ্যাত্মিক উন্নতির মূল চাবিকাঠি।
ঠিকই বলেছেন জামাতের ইমামের পিছনে নামাজে দাঁড়িয়ে ইমামের কন্ঠে শুদ্ধ ও সহিনিয়মে সুললিত কন্ঠে যথাযথ
তাজবিদ আনুযায়ী কোরানের আয়াত তেলাওয়াত শুনে মনের গহীনে এক অসাধারণ আধ্যাতিক অনুভুতি পাওয়া যায় ।
কোরানের আয়াতের থেকে সেরা ছন্দময় কাব্য দুনিয়াতে আর দ্বিতীয়টি নাই । সুন্দর ছন্দময় কাব্যিক কোরানের
আয়াত পাঠের সময় মনোমধ্যে কাব্যিক এক অনুভুতিউ সৃস্টি হয় । এইত গতবছরের শুরুর দিকে একদিন আমাদের
মসজিদে ইমামের পিছনে জামাতে নামজ আদায়কালে তাঁর কন্ঠে এশার ফরজ নামাজের প্রথম রাকাতে সুরা ফাতেহার
সাথে সুরা বাকারার প্রথম ১০ আয়াতের সমধুর ছন্দময় কোরানের আয়াতের ব্যঞ্জনা মনোমধ্যে এমনই গিথে গিয়েছিল
যে রাতে বাসায় ফিরে সুরা ফাতেহা ও সুরা বাকারার সেই ১০ টি আয়াতের প্রতিটি আয়াতের আলোকে একটি কবিতা
লিখে ফেলি । কবিতাটি মসজিদের ESHO Quran Shiki portal এ প্রকাশ করি । কবিতাটি ইমাম সাহেবের
দৃস্টিতে পড়ে যায় । তিনি সহ আরো অনেকের উৎসাহে প্রনোদিত হয়ে নিয়মিত প্রতিদিন এশার নামাজে ইমামের
পাঠকৃত কোরানের আয়াত নিয়ে লিখে চলি কবিতা । তার পর মনস্থ করি সুরা বাকারার প্রতিটি আয়াত ধরে নিয়মিত
লিখে যাব কবিতা । প্রায় এক মাস প্রচেষ্টায় সুরা বাকারার ১০ টি আয়াত ধরে ধরে মোট ২৮৬ টি আয়াতের
আলোকে মোট ২৯ টি কবিতা লিখে সুরা বাকারার পুরাটাই কবিতায় লিখ ফেলি আল্লাহর অশেষ রহমতে ।
অনেকের প্ররোচনায় সুরা বাকারার আয়াতের আলোকে লেখা কবিতাগুলি নিয়ে একটি পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয় ।
পুস্তকটিতে প্রথমেই সুরাটির মুল আরবী , পাশে বাংলায় ও ইংরেজীতে অথেনটিক তরজমা( বাঙলাদেশ সরকার
কৃতৃক প্রকাশিত অননলাইন Quran.com.bd হতে নেয়া) পরে সেটার আলোকে কবিতা একদিকে বাংলা
পাশে ইংরেজী ট্রান্সলেশন সন্নিবেশ করা হয়েছে ।
পুস্তকটিতে থাকা সুরা বাকারার প্রথম ১-১০ তম আয়াতের আলোকে লেখা কবিতাটি তুলে দিলাম এখানে।
সূরা আল বাকারাহর ১-১০ পর্যন্ত আয়াতের বিষয়বস্তুর আলোকে কবিতা
মুত্তাকীদের জন্য পথ নির্দেশ ( Guidelines for the believers)
কবিতা
সূরা বাকারাহর মুল্যবান বাণী
(আয়াত ১-১০ এর আলোকে)
আলিফ লাম মীম এ রয়েছে উয্যতা (অর্থের)
রহমতের ছায়ায় জ্ঞানের বিশালতা
এই সেই কিতাব, সন্দেহহীন ধারা
মুত্তাকীদের জন্য পথের ইশারা।
অদেখা জগতে যারা আনে ঈমান
সালাতে থাকে যাদের নিবেদিত প্রাণ
যা কিছু রিযিক দেয়া হয়েছে তাদের
জীবন গড়ে তোলে ইচ্ছাতে আল্লার ।
তারা মানে, যা এসেছে নবীর পানে
আগের যুগের সত্য বিষয়ের টানে
আখিরাতের প্রতি তাদের দৃঢ় বিশ্বাস
আলোর ঝলক, সফল তাদের আশ।
কাফেরদের হৃদয় ঢাকা ঘন আঁধারেতে
তাদের তরে সমান সতর্ক করা বা না করাতে
আল্লাহ দিয়েছেন হৃদয়ে সিল মোহর মেরে
চোখে তাদের পর্দা, শূন্যতা তাদের অন্তরে।
আর কিছু মানুষ মুখে যার ঈমানের বুলি
কিন্তু অন্তরে তাদের নিখাদ ধোঁকাবাজি
নিজদেরকেই ঠকায় বুঝতেও পারেনা তা
মনের রোগ, বেড়েই চলে তার ব্যপকতা।
আছে তাদের জন্য কঠিন শাস্তির ঝড়
মিথ্যার পথে চলে শুধুই পায় ধিক্কার
আলোর পথের ডাক শুনতে যে চায়
কুরআনের সুরে শান্তি সে হৃদয়ে পায়।
যাহোক এবার আসি আপনার পোস্টের কথামালায় ।
কুরআন পাঠ সরাসরি হৃদয়ে প্রশান্তি (সাকিনাহ) নাজিল করে। স্পষ্ট ও শুদ্ধ উচ্চারণে তিলাওয়াত শোনার সময়
বিশ্বাসী মুমিনের ঈমান বৃদ্ধি পায়। এটি আল্লাহর আদেশের প্রতি আত্মসমর্পণ এবং সঠিক পথ (হেদায়েত) প্রাপ্তিতে
সহায়তা করে। কোরআনের বাণী অন্তরের কালিমা বা জড়তা দূর করে। তিলাওয়াতের মাধ্যমে বান্দা সরাসরি
আল্লাহর বাণীর সাথে সংযুক্ত হয়। এটি আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও ভয় (তাকওয়া) জাগ্রত করে। সুন্দর ও শুদ্ধ
তিলাওয়াত মনোযোগ আকর্ষণ করে, যা মানুষের মানসিক সুস্থতা ও একাগ্রতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
আপনার মসজিদের ঈমাম নিয়োগ ও বদলীর বিষয়ে প্রসঙ্গক্রমে বলি মসজিদে ইমাম ম্যনেজমেন্ট মুলত একটি
দারুন কাজ । মসজিদে ৫ ওয়াক্ত নামাজ সময়মত আদায়ে ইমাম ও মুয়াজ্জিনের বিরাট এক দায়িত্ব থাকে । কিন্তু
কথন যে কোন ইমাম ( আমাদের মসজিদে ১ম, ২য় ও ত্রিতীয় ইমাম ও ২ জন মোয়াজ্জিন সে হিসাবেই বলছি ,
এখন পুরাতন ও মোটামোটি বড় প্রায় সব মসজিদেই এই রকম জনকাঠামো আছে)হঠাত করে ছুটিতে থাকবেন
কিংবা উনার ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কারণে সময়মত জামাতে আসতে পারবেনা সে বিষয়ে মসজিদ ম্যনেজমেন্ট
কমিটির একটি দুঃশ্চিন্তা থাকেই,।একটি মসজিদ কমিটির সাথে গুরুত্বপুর্ণ পদে নিয়োজিত থাকায় বিষয়টি সম্পর্কে
আমি বিষদভাবে অবহিত আছি ।
শুভেচ্ছা রইল
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৩১
বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: লেখাটা পড়ে ভাল লাগল...