নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

লেখক

মাহদী হাসান শিহাব

কৌতুহলী পাঠক ও লেখক

মাহদী হাসান শিহাব › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে, বিশেষ করে পৌরসভা এলাকায়, ইজিবাইক ব্যাপকভাবে চলাচল করলেও সাধারণত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেগুলোকে বাধা দেয় না। অনেক ক্ষেত্রে পৌরসভা থেকে নিবন্ধন বা ফি গ্রহণ করা হয় বলেও জানা যায়।

কিন্তু একই ইজিবাইক যখন পৌর এলাকার বাইরে বা মহাসড়কে চলাচল করে, তখন বিভিন্ন স্থানে তা আটকানো বা জরিমানার ঘটনা দেখা যায়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে পৌর এলাকার বাইরের ইজিবাইক পৌর এলাকায় প্রবেশ করলে বাধার সম্মুখীন হয়।

এ অবস্থায় কয়েকটি প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই সামনে আসে—

১. পৌরসভা কোন আইন বা বিধিমালার আওতায় ইজিবাইকের নিবন্ধন বা ফি গ্রহণ করে?

২. সেই আইন বা বিধিমালায় কি পৌর এলাকার বাইরের ইজিবাইকের প্রবেশ বা চলাচল সম্পর্কে কোনো বিধান রয়েছে?

৩. পৌর এলাকার বাইরে ইজিবাইকের চলাচল নিয়ন্ত্রণ, অনুমোদন বা নিবন্ধনের দায়িত্ব কোন সরকারি সংস্থার?

৪. ইজিবাইকের বৈধতা, চলাচলের সীমা এবং লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সম্পর্কে কি কোনো একক ও স্পষ্ট জাতীয় নীতিমালা রয়েছে?

বিষয়গুলো হয়তো ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু এর সঙ্গে জড়িত আছেন লক্ষাধিক চালক এবং অসংখ্য যাত্রী।

যদি ইজিবাইক অবৈধ হয়, তাহলে তা স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হোক। আর যদি বৈধ হয়, তাহলে এর লাইসেন্সিং, নিবন্ধন, চলাচলের ক্ষেত্র এবং নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সম্পর্কে সুস্পষ্ট নিয়মকানুন জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হোক।

বর্তমানের এই অস্পষ্টতা চালক ও যাত্রী—উভয়ের জন্যই ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৭

আলামিন১০৪ বলেছেন: বিয়ের রাতে বিড়াল মারতে হয়। ঢাকার রাজপথে ইজিবাইক কিছু দিন আগেও গভীর রাতে লুকিয়ে চালানো হতো। এরা যখন দিনের আলোতে স্বল্প পরিসরে চলাচল শুরু করেছিল তখনই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল- এখন কোনভাবেই এদের নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

তবে একটা উপায় বোধ হয় আছে। আপনি যেমনটা বলেছেন, এদেরকে রেজিষ্ট্রেশন এর আওতায় নিয়ে আসতে হবে আর রাস্তার ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে এবং শুধুমাত্র কানেকটিং রোড বা ফিডার রোডে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৫০

মাহদী হাসান শিহাব বলেছেন: ভালো বলেছেন।

মোট কথা একটা স্পষ্ট আইন দিয়ে এদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

অন্যথায় অনেকেই ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে যাচ্ছে।

২| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২০

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: প্রতিটি ইজি বাইক থেকে চাঁদা তুলা হয়, যে টাকা থানা-পুলিশ- রজনৈতিক ব্যক্তিদের হাতে যায়।

ইজি বাইক যদি অবৈধ হয় তাহলে বিআরটি এর কর্মকর্তাদের দূর্ণীতির দায়ে জেলে পুরা প্রয়োজন, অবৈধ যান কিভাবে দেশজুড়ে চলছে? সবার আগে শাস্তি হওয়ার দরকার যারা এই অবৈধ যান দেশে আমদানী করেছে তাদের।

আর এটা যদি বৈধ হয়, তাহলে যারা চাঁদা তুলছে তাদের শাস্তি হওয়ার প্রয়োজন।

০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৫১

মাহদী হাসান শিহাব বলেছেন: সঠিক কথা বলেছেন। অন পয়েন্ট।

৩| ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৩৮

নতুন বলেছেন: প্যাডেল রিক্সা অবশ্যই অমানবিক। তাই ইজি বাইকের মতন জানবাহনের দরকার আছে।

তবে অবশ্যই সংখ্যা এবং চালকদের ট্রেনিংএর ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করতে হবে।

প্রতিদিন অনেক দূঘটনা হচ্ছে এই ইজি বাইকের কারনে।

০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৫১

মাহদী হাসান শিহাব বলেছেন: এদের নিয়ন্ত্রণ বা লাইসেন্সিংয়ের কোন আইনই তো নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.